লিয়ানা বুকস

কোস্ট গার্ড, কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি ও ফায়ার সার্ভিস নার্স ও ফোরম্যান নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৯ এপ্রিল ২০১৯। ১৩১টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    • গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে প্রথম এগুলো ব্যবহার করেন, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলা হয়। তাঁর হাতেই বাংলা গদ্য পড়ার সময় কোথায় থামতে হবে, তার নির্দিষ্ট নিয়ম পায়।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাসাগরের আরও গ্রন্থ: ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’, ‘বর্ণপরিচয়’।
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক প্যারীচাঁদ মিত্র (আলালের ঘরের দুলাল)।
    প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র।
  2. ২. 'কাবুলিওয়ালা' গল্পের রচয়িতা কে?
    • ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘কাবুলিওয়ালা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। গল্পে কাবুল থেকে আসা এক ফলওয়ালা রহমত বাঙালি কন্যা মিনির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, কারণ নিজের দেশে রেখে আসা মেয়ের মুখ সে মিনির মধ্যে খুঁজে পায়। গল্পটি ১৩০০ বঙ্গাব্দে ‘সাধনা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং পরে ‘গল্পগুচ্ছ’-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্য গল্প: পোস্টমাস্টার, ছুটি, শাস্তি, হৈমন্তী, দেনাপাওনা।
  3. ৫. 'সমাস' শব্দের অর্থ কী?
    • ক. সংযোজন
    • খ. সংশ্লেষণ
    • গ. বিশ্লেষণ
    • ঘ. সংক্ষেপণ
    উত্তর: ঘ. সংক্ষেপণ
    ‘সমাস’ শব্দের আভিধানিক অর্থ সংক্ষেপণ। পরস্পর অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত একাধিক পদ মিলে যখন একটি নতুন পদ তৈরি হয়, তখন বড় বাক্যাংশটি ছোট হয়ে আসে। এই কারণেই একে সংক্ষেপণ বলা হয়। সংশ্লেষণ, সংযোজন বা বিশ্লেষণ নয়, সংক্ষেপণই সমাসের মূল কাজ।
    উদাহরণ:
    রাজার পুত্র = রাজপুত্র।
    মনে রাখুন:
    সমাসের অর্থ মিলনও হয়, আর সমস্যমান পদগুলোকে ভেঙে দেখানোকে ব্যাসবাক্য (Dissolution) বলে।
    সমাস ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব।
  4. ৯. 'গিন্নি' কোন শ্রেণির শব্দ?
    • ক. বিদেশি
    • খ. অর্ধ-তৎসম
    • গ. খাঁটি বাংলা
    • ঘ. দেশি
    উত্তর: খ. অর্ধ-তৎসম
    বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারকে উৎস অনুযায়ী তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেসব সংস্কৃত শব্দ বাংলায় এসে কিছুটা বিকৃত হয়েছে, কিন্তু পুরোপুরি বদলে যায়নি, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। ‘গিন্নি’ এসেছে সংস্কৃত ‘গৃহিণী’ থেকে, তাই এটি অর্ধ-তৎসম।
    উদাহরণ:
    জোছনা (জ্যোৎস্না), বোষ্টম (বৈষ্ণব), কুষ্ঠি (কোষ্ঠী), ছেরাদ্দ (শ্রাদ্ধ)।
    মনে রাখুন: পুরোপুরি বদলে গেলে তাকে তদ্ভব বলে, যেমন চাঁদ (চন্দ্র)।
  5. ১২. বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কয়টি?
    • ক. ১২টি
    • খ. ১৩টি
    • গ. ১০টি
    • ঘ. ১১টি
    উত্তর: ঘ. ১১টি
    বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে যেসব বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই উচ্চারণ করা যায়, সেগুলো স্বরবর্ণ, আর এগুলোর সংখ্যা ১১টি: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। বাকি ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ।
    মনে রাখুন:
    স্বরবর্ণ ১১টি + ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি = ৫০টি বর্ণ।
    স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার চিহ্ন বা স্বরচিহ্ন বলে। অ-এর কোনো কার চিহ্ন নেই।
  6. ১৪. 'কবিকঙ্কন' কার উপাধি?
    • ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    • খ. মালাধর বসু
    • গ. রামপ্রসাদ সেন
    • ঘ. মানিকদত্ত
    উত্তর: ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার চণ্ডীমঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর কাব্যের নাম ‘অভয়ামঙ্গল’ বা ‘চণ্ডীমঙ্গল’। মেদিনীপুরের জমিদার রঘুনাথ রায় তাঁর কবিত্বে খুশি হয়ে তাঁকে ‘কবিকঙ্কন’ উপাধি দেন। এই কাব্যে দুটি প্রধান কাহিনি আছে: কালকেতু-ফুল্লরার কাহিনি এবং ধনপতি সদাগরের কাহিনি। অন্য কবিদের উপাধি আলাদা। মালাধর বসু ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ কাব্যের রচয়িতা, আর রামপ্রসাদ সেন শাক্ত পদাবলির কবি।
    মনে রাখুন:
    মালাধর বসুর উপাধি গুণরাজ খান।
    রামপ্রসাদ সেনের উপাধি কবিরঞ্জন।
    চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি মানিকদত্ত।
    মঙ্গলকাব্যের তিন প্রধান ধারা মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। ‘কবিকঙ্কন’ উপাধিটি চণ্ডীমঙ্গলের কবির, এই যোগসূত্র মনে রাখলে ভুল হয় না।
  7. ১৫. 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস-এর রচয়িতা কে?
    • ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • খ. ধীরেন বসু
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘শ্রীকান্ত’ বাংলা সাহিত্যের কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস। এটি চারটি পর্বে প্রকাশিত হয়েছে এবং শ্রীকান্ত নামের এক ভবঘুরে যুবকের জীবনের অভিজ্ঞতা এতে ধরা পড়েছে। উপন্যাসের পরিচিত চরিত্র রাজলক্ষ্মী, ইন্দ্রনাথ ও অন্নদাদিদি। শরৎচন্দ্র নিজের জীবনের অনেক অভিজ্ঞতা এই লেখায় ব্যবহার করেছেন বলে একে আত্মজৈবনিক উপন্যাসও বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    শরৎচন্দ্রের অন্য উপন্যাস: দেবদাস, পথের দাবী, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, পল্লীসমাজ।
  8. ১৮. 'বীরবলের হালখাতা' কোন জাতীয় গ্রন্থ?
    • ক. গল্প
    • খ. অনুবাদ
    • গ. কাব্য
    • ঘ. প্রবন্ধ
    উত্তর: ঘ. প্রবন্ধ
    ‘বীরবলের হালখাতা’ একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। এর লেখক প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। এই বইয়ের প্রবন্ধগুলোতে তিনি চলিত ভাষা ব্যবহার করেছেন, আর তাঁর লেখায় বুদ্ধিদীপ্ত রসবোধ ও ঝকঝকে ভঙ্গি ফুটে উঠেছে। ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা বের করে তিনি বাংলায় চলিত রীতির আন্দোলনকে জোরদার করেন।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরীর অন্য প্রবন্ধ: নানা কথা, আমাদের শিক্ষা, রায়তের কথা।
    তাঁর গল্পগ্রন্থ চার-ইয়ারি কথা।
  9. ২১. 'কবর' কবিতার রচয়িতা কে?
    • ক. নির্মলেন্দু গুণ
    • খ. জসীমউদদীন
    • গ. শহীদ মুনীর চৌধুরী
    • ঘ. শামসুর রাহমান
    উত্তর: খ. জসীমউদদীন
    ‘কবর’ কবি জসীমউদদীনের বিখ্যাত কবিতা, যা তাঁর ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। কবিতায় এক বৃদ্ধ দাদু তাঁর নাতনির মৃত্যুর পর তাকে কবর দেওয়ার স্মৃতি এবং স্ত্রীর কবরের পাশে থাকা শোকের কথা বলেন। গ্রামবাংলার সরল জীবন ও মমতা এতে ধরা পড়েছে, সেজন্য জসীমউদদীনকে ‘পল্লিকবি’ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদদীনের অন্য কাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, ধানখেত।
    শহীদ মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ একটি নাটক, কবিতা নয়।
  10. ২২. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্রের নাম কী?
    • ক. সংবাদ প্রভাকর
    • খ. বেঙ্গল গেজেট
    • গ. সমাচার দর্পণ
    • ঘ. বঙ্গদর্শন
    উত্তর: গ. সমাচার দর্পণ
    বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র হিসেবে সাধারণত ‘সমাচার দর্পণ’-কে ধরা হয়। শ্রীরামপুর মিশন থেকে জোশুয়া মার্শম্যান ১৮১৮ সালের ২৩ মে এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশ করেন। একই বছরের এপ্রিলে বের হওয়া ‘দিগদর্শন’ ছিল মাসিক সাময়িকপত্র, ফলে প্রথম সংবাদপত্রের মর্যাদা সমাচার দর্পণেরই।
    মনে রাখুন:
    প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র দিগদর্শন (১৮১৮)।
    ‘সংবাদ প্রভাকর’ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পত্রিকা, পরে দৈনিক হয়।
    ‘বঙ্গদর্শন’ ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
  11. ২৫. রবীন্দ্রনাথ কাকে বাংলা কাব্যের 'ভোরের পাখি' বলেছেন?
    • ক. শিবনাথ শাস্ত্রী
    • খ. অক্ষয় চৌধুরী
    • গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
    • ঘ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
    উত্তর: গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা কাব্যের ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন। ভোরে পাখি যেমন অন্য সবার আগে ডাক দেয়, বিহারীলালও তেমনি বাংলা কাব্যে প্রথম আত্মমগ্ন ভাবের গীতিকবিতার ধারা প্রবর্তন করেন। তাঁর আগে বাংলা কবিতা প্রধানত কাহিনিনির্ভর ছিল, আর তিনি কবির নিজের অনুভূতিকে কবিতার বিষয় করে তোলেন। রবীন্দ্রনাথ নিজেও বিহারীলালের কবিতায় গভীরভাবে প্রভাবিত হন। তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘সারদামঙ্গল’।
    মনে রাখুন:
    বিহারীলালের কাব্য: সারদামঙ্গল, বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গসন্দর্শন, সাধের আসন।
    বিহারীলাল ১৮৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯৪ সালে মারা যান।
  12. ২৬. 'রাবণের চিতা' বাগধারার অর্থ কী?
    • ক. চির অশান্তি
    • খ. অনিষ্টে ইষ্ট লাভ
    • গ. সামান্য সম্পদ
    • ঘ. অরাজক দেশ
    উত্তর: ক. চির অশান্তি
    ‘রাবণের চিতা’ বাগধারার অর্থ চির অশান্তি। রামায়ণের কাহিনিতে রাবণের চিতা নাকি কখনো নেভে না, সেখান থেকেই এই কথা এসেছে। তাই যে দুঃখ বা অশান্তি কখনো শেষ হয় না, তাকে এই বাগধারায় বোঝানো হয়।
    উদাহরণ: সন্তানের ব্যবহারে বাবার মনে রাবণের চিতা জ্বলছে।
    মনে রাখুন:
    শাপে বর = অনিষ্টে ইষ্টলাভ।
    ব্যাঙের আধুলি = সামান্য সম্পদ।
    মগের মুল্লুক = অরাজক দেশ।
  13. ২৭. উপন্যাস কোন যুগের সৃষ্টি?
    • ক. আধুনিক যুগের
    • খ. সর্বযুগের
    • গ. প্রাচীন যুগের
    • ঘ. মধ্যযুগের
    উত্তর: ক. আধুনিক যুগের
    উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের সৃষ্টি। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগে (প্রায় ৬৫০-১২০০) চর্যাপদ, মধ্যযুগে (১২০১-১৮০০) মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি ও অনুবাদ সাহিত্য রচিত হয়েছিল। উনিশ শতকে ইংরেজি শিক্ষা ও গদ্যের বিকাশের ফলে উপন্যাসের মতো নতুন ধারা আসে। প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
    মনে রাখুন:
    প্রথম বাংলা উপন্যাস প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮)।
    আধুনিক যুগের শুরু ধরা হয় ১৮০১ সাল থেকে।
  14. ২৮. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক কোনটি?
    • ক. প্রফুল্ল
    • খ. চণ্ডালিকা
    • গ. কাফেলা
    • ঘ. রক্তপদ্ম
    উত্তর: খ. চণ্ডালিকা
    ‘চণ্ডালিকা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি নৃত্যনাট্য (Dance-drama), অর্থাৎ নাচ ও গানের মাধ্যমে পরিবেশিত নাটক। এর কাহিনি বৌদ্ধ অবদানমালা থেকে নেওয়া। বাকি তিনটি নাটক অন্য লেখকের: ‘প্রফুল্ল’ নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষের, ‘কাফেলা’ ইব্রাহীম খাঁর এবং ‘রক্তপদ্ম’ আসকার ইবনে শাইখের। তাই প্রশ্নে রবীন্দ্রনাথের রচনা হিসেবে ‘চণ্ডালিকা’ই সঠিক।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্য নাটক: ডাকঘর, রক্তকরবী, বিসর্জন, তাসের দেশ।
    অন্য নৃত্যনাট্য: চিত্রাঙ্গদা, শ্যামা।
    এ ধরনের প্রশ্নে লেখকের নাম ধরে ধরে বইয়ের শ্রেণি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়। রবীন্দ্রনাথের নাটকগুলো সাধারণত রূপক, সাংকেতিক বা নৃত্যনাট্য ধরনের হয়।
  15. ২৯. নাটক ও প্রহসনে পার্থক্য—
    • ক. সংলাপ
    • খ. চরিত্র
    • গ. উপাখ্যান
    • ঘ. ব্যঙ্গবিদ্রূপ
    উত্তর: ঘ. ব্যঙ্গবিদ্রূপ
    নাটক ও প্রহসন (Farce) দুটিই মঞ্চে অভিনয় করার মতো রচনা এবং দুটিতেই সংলাপ ও চরিত্র থাকে। তাই এগুলো পার্থক্যের কারণ নয়। পার্থক্য ঘটে বিষয় ও মেজাজে। প্রহসনে সমাজের দোষত্রুটি, ভণ্ডামি বা অসংগতিকে হাসির ছলে ব্যঙ্গবিদ্রূপ করে দেখানো হয়, আর নাটক সাধারণত গভীর ও গম্ভীর আবেগের হতে পারে।
    উদাহরণ: মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ ও ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ প্রহসন।
    মনে রাখুন: দীনবন্ধু মিত্রের ‘সধবার একাদশী’-ও প্রহসনধর্মী।
  16. ৩৩. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য' এর রচয়িতা কে?
    • ক. দ্বিজ চণ্ডীদাস
    • খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    • গ. বড়ু চণ্ডীদাস
    • ঘ. কাহ্নপা
    উত্তর: গ. বড়ু চণ্ডীদাস
    ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন বলে ধরা হয়। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গ্রামের গোয়ালঘর থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। কাব্যে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই এই তিন প্রধান চরিত্র আছে এবং এটি ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। চণ্ডীদাস নামের একাধিক কবি থাকায় তাঁকে আলাদা করে বড়ু চণ্ডীদাস বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    দ্বিজ চণ্ডীদাস ও দীন চণ্ডীদাস অন্য কবি, তাঁরা পদাবলির রচয়িতা।
    চর্যাপদের কবি কাহ্নপা।
  17. ৩৪. ময়ূরের ডাক-একবথায় কী বলে?
    • ক. নাদ
    • খ. গর্জন
    • গ. কুহু
    • ঘ. কেকা
    উত্তর: ঘ. কেকা
    বাংলায় অনেক প্রাণীর ডাকের জন্য আলাদা আলাদা শব্দ আছে, আর কোন প্রাণীর ডাক কী, সেটি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ময়ূরের ডাককে বলা হয় কেকা। কোকিলের ডাক কুহু, কিন্তু ময়ূরের নয়। নাদ মানে সাধারণভাবে ধ্বনি বা গম্ভীর আওয়াজ, আর গর্জন সিংহ বা মেঘের ডাক। তাই ময়ূরের ডাকের একটি শব্দ হিসেবে কেকাই সঠিক।
    মনে রাখুন:
    হাতির ডাক বৃংহণ বা বৃংহিত।
    ঘোড়ার ডাক হ্রেষা।
    সিংহের ডাক হুংকার বা গর্জন।
    কোকিলের ডাক কুহু।
    কাকের ডাক কা-কা।
  18. ৩৬. নিচের গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়?
    • ক. হাজার বছর ধরে
    • খ. চোখের চাতক
    • গ. কথা ও কাহিনী
    • ঘ. রাত্রিশেষ
    উত্তর: ক. হাজার বছর ধরে
    প্রশ্নে খুঁজতে বলা হয়েছে কোন গ্রন্থ কাব্যগ্রন্থ নয়। ‘হাজার বছর ধরে’ জহির রায়হানের লেখা একটি উপন্যাস, তাই এটি কাব্যগ্রন্থ নয়। ‘কথা ও কাহিনী’ রবীন্দ্রনাথের কাহিনি-কবিতার সংকলন, আর ‘রাত্রিশেষ’ আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ। উপন্যাসের নাম কবিতার মতো শোনালেও ধরন যাচাই করতে লেখককে চেনা দরকার। জহির রায়হান কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হিসেবে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    জহির রায়হানের অন্য উপন্যাস: আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী, আর কতদিন।
    তাঁর পরিচালিত বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’।
    ‘চোখের চাতক’ কাজী নজরুল ইসলামের গানের সংকলন।
  19. ৩৭. 'মহাশ্মশান কাব্য' কার রচনা?
    • ক. কায়কোবাদ
    • খ. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    • ঘ. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    উত্তর: ক. কায়কোবাদ
    ‘মহাশ্মশান’ কবি কায়কোবাদের মহাকাব্য। এতে ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে মারাঠাদের পরাজয়ের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। কাব্যটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরেশী, তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জের মানুষ ছিলেন। অন্য কবিরাও মহাকাব্য বা আখ্যানকাব্য লিখেছেন, কিন্তু ‘মহাশ্মশান’ নামটি তাঁদের কারও নয়। মাইকেল মধুসূদনের মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, হেমচন্দ্রের ‘বৃত্রসংহার’ আর রঙ্গলালের আখ্যানকাব্য ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’।
    মনে রাখুন:
    কায়কোবাদের অন্য কাব্য: অশ্রুমালা, শিবমন্দির, অমিয়ধারা।
    কায়কোবাদ ১৮৫৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫১ সালে মারা যান।
  20. ৩৮. কোনটি জীবনানন্দ দাশের রচনা?
    • ক. রাখালী
    • খ. পারাপার
    • গ. চোরাবালি
    • ঘ. সাতটি তারার তিমির
    উত্তর: ঘ. সাতটি তারার তিমির
    ‘সাতটি তারার তিমির’ কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি তিনটি বই অন্য কবিদের: ‘রাখালী’ জসীমউদদীনের, আর ‘পারাপার’ ও ‘চোরাবালি’ যথাক্রমে অমিয় চক্রবর্তী ও বিষ্ণু দে-র কাব্য। কবিদের নামের সঙ্গে তাঁদের কাব্য মিলিয়ে নিয়ে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে হয়। জীবনানন্দকে প্রকৃতির কবি হিসেবে বিশেষভাবে চেনা যায়।
    মনে রাখুন:
    জীবনানন্দের অন্য কাব্য: ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, রূপসী বাংলা, মহাপৃথিবী।
    তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
    তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মেছিলেন এবং ১৯৫৪ সালে মারা যান।
  21. ৪০. বাংলা ভাষায় চলিত রীতির প্রবর্তক হলেন—
    • ক. প্যারীচাঁদ মিত্র
    • খ. রামরাম বসু
    • গ. প্রমথ চৌধুরী
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: গ. প্রমথ চৌধুরী
    বাংলা গদ্যে সাধু ও চলিত নামে দুই রীতি আছে। চলিত রীতির আন্দোলন সবচেয়ে জোরালোভাবে চালান প্রমথ চৌধুরী। ১৯১৪ সালে তাঁর সম্পাদনায় ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা বের হয়, আর এই পত্রিকাকে ঘিরেই চলিত ভাষা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠা পায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও পরে এই রীতি গ্রহণ করে লিখেছেন।
    মনে রাখুন:
    প্যারীচাঁদ মিত্র আলালী ভাষা বা কথ্যরীতির গদ্য ব্যবহার করেন।
    রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত, তিনি সাধু গদ্যের চর্চা করেন।
  22. ৪৫. বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন—
    • ক. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
    • খ. দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • ঘ. রামমোহন রায়
    উত্তর: ঘ. রামমোহন রায়
    রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। বইটির নাম ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩)। এর আগে নাথানিয়েল হ্যালহেড ও উইলিয়াম কেরি বাংলা ব্যাকরণ লিখেছিলেন, তবে সেগুলোর ভাষা ছিল ইংরেজি, আর রামমোহনের বইটি বাংলা ভাষায় লেখা। তাই তাঁকে প্রথম বাংলা ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ-রচয়িতা বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    হ্যালহেডের ‘A Grammar of the Bengal Language’ (১৭৭৮) বাংলা হরফে মুদ্রিত প্রথম বই।
    বিদ্যাসাগরের ব্যাকরণ ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’।
  23. ৫৪. 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. শশী
    • খ. দীপ্তি
    • গ. শোভা
    • ঘ. তপন
    উত্তর: ঘ. তপন
    ‘সূর্য’ শব্দের সমার্থক শব্দ অনেক, যেমন তপন, রবি, ভানু, ভাস্কর, দিবাকর, প্রভাকর, অর্ক, দিনমণি, আদিত্য ও সবিতা। বিকল্পের মধ্যে ‘তপন’ সূর্যকে বোঝায়, তাই সেটিই উত্তর। অন্য তিনটি শব্দের অর্থ আলাদা: শশী মানে চাঁদ, দীপ্তি মানে আলো বা উজ্জ্বলতা, আর শোভা মানে সৌন্দর্য। এগুলোর কোনোটিই সূর্য নয়। প্রশ্নে এভাবে একটি ঠিক সমার্থক শব্দ আর কয়েকটি কাছাকাছি অর্থের শব্দ মিলিয়ে দেওয়া হয়, তাই অর্থ ভালো করে জানা দরকার।
    মনে রাখুন:
    চাঁদের প্রতিশব্দ শশী, সুধাংশু, নিশাকর, চন্দ্র, বিধু, ইন্দু।
    সূর্যের আলোকে রশ্মি বা কিরণ বলা হয়।
  24. ৫৫. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
    • ক. শূন্যপুরাণ
    • খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • গ. রামায়ণ
    • ঘ. চর্যাপদ
    উত্তর: ঘ. চর্যাপদ
    বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন। এতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত পদ আছে। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ও রামায়ণ (কৃত্তিবাস) মধ্যযুগের রচনা।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের কবি লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরপা প্রমুখ।
    চর্যাপদের আদি কবি লুইপা।
  25. ৬১. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ স্থাপিত হয়—
    • ক. ১৮১০ খ্রি.
    • খ. ১৮০৫ খ্রি.
    • গ. ১৭২০ খ্রি.
    • ঘ. ১৮০০ খ্রি.
    উত্তর: ঘ. ১৮০০ খ্রি.
    ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সিভিল কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা ও রীতিনীতি শেখানোর জন্য গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ সালের ৪ মে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮০১ সালে এর বাংলা বিভাগ চালু হয়, আর প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি। এই কলেজের পণ্ডিতরা পাঠ্যবই লিখতে গিয়ে বাংলা গদ্যের ভিত্তি গড়ে তোলেন।
    মনে রাখুন:
    কলেজের পণ্ডিত: রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, গোলোকনাথ শর্মা।
    রামরাম বসুর বই ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১)।
  26. ৬৩. বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ কয়টি?
    • ক. ৩৮টি
    • খ. ৪০টি
    • গ. ২৯টি
    • ঘ. ৩৯টি
    উত্তর: ঘ. ৩৯টি
    বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ ৫০টি, যার মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি বর্ণ পাঁচটি বর্গে সাজানো, যেগুলো বর্গীয় ব্যঞ্জন। এর পরে য থেকে য় পর্যন্ত অন্য ব্যঞ্জনবর্ণ এবং ং, ঃ, ঁ যোগ করে ৩৯টি ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    স্বরবর্ণ ১১টি + ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি = ৫০টি বর্ণ।
    মাত্রা অনুযায়ী বর্ণ তিন ধরনের: পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন।
  27. ৬৫. কোনটি শুদ্ধ বানান?
    • ক. আভ্যন্তরীন
    • খ. অভ্যন্তরীন
    • গ. আভ্যন্তরীণ
    • ঘ. অভ্যন্তরীণ
    উত্তর: ঘ. অভ্যন্তরীণ
    ‘অভ্যন্তরীণ’ বানানে দন্ত্য ন নয়, মূর্ধন্য ণ বসে। শব্দটি সংস্কৃত ‘অভ্যন্তর’ থেকে এসেছে, তার সঙ্গে ‘ঈন’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘অভ্যন্তরীণ’ হয়েছে। শুরুতে ‘আ’ নয়, ‘অ’ থাকে। ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ, র বা ষ-এর পরে একই শব্দের মধ্যে ন এলে সাধারণত তা ণ হয়ে যায়, তাই এখানে র-এর পরের ন মূর্ধন্য ণ হয়েছে। আভ্যন্তরীন, অভ্যন্তরীন বা আভ্যন্তরীণ বানান ঠিক নয়।
    মনে রাখুন: এই নিয়মে ণ বসে এমন শব্দ: কারণ, বর্ণ, ভীষণ, ঋণ।
    ভিন্ন পদে ণ হয় না, যেমন দুর্নাম, দুর্নীতি।
  28. ৬৭. 'লুঙ্গি' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
    • ক. চীনা
    • খ. তুর্কি
    • গ. বর্মি
    • ঘ. মালয়
    উত্তর: গ. বর্মি
    ‘লুঙ্গি’ শব্দটি বর্মি (বার্মা বা মিয়ানমারের) ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। বাংলা ভাষায় অনেক ভাষার শব্দ মিশেছে, তাই কোন শব্দ কোন ভাষা থেকে এসেছে তা আলাদা করে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল কম হয়। তুর্কি, চীনা বা মালয় ভাষার শব্দও বাংলায় আছে, কিন্তু লুঙ্গি সেই ভাষাগুলোর নয়।
    মনে রাখুন:
    বর্মি শব্দ: লুঙ্গি, ফুঙ্গি।
    চীনা শব্দ: চা, চিনি, লিচু।
    তুর্কি শব্দ: চাকর, চাকু, তোপ, বাবা, বেগম, উজবুক, লাশ।
    মালয় শব্দ: সাগু, কাকাতুয়া।
  29. ৭০. 'মুনীর চৌধুরী'র কবর নাটকের পটভূমি—
    • ক. পানিপথের যুদ্ধ
    • খ. মুক্তিযুদ্ধ
    • গ. ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন
    • ঘ. পলাশীর যুদ্ধ
    উত্তর: গ. ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লেখা একটি একাঙ্কিকা নাটক। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির পর কারাগারে বন্দি থাকার সময় তিনি এটি লেখেন। কারাবন্দি মুনীর চৌধুরী রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে নাটকটি রচনা করেন, আর নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হয় কারাগারেই। এর পটভূমি তাই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
    মনে রাখুন:
    ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ মুনীর চৌধুরীর নাটক, যার পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
    মুনীর চৌধুরীর অন্য রচনা: কবি ও কাবুলিওয়ালা, চিঠি, দণ্ডকারণ্য।
  30. ৭৪. 'ময়মনসিংহ গীতিকা'র সংগ্রাহক কে ছিলেন?
    • ক. চন্দ্রকুমার দে
    • খ. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    • গ. দীনেশচন্দ্র সেন
    • ঘ. উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী
    উত্তর: ক. চন্দ্রকুমার দে
    পূর্ববঙ্গের ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামে গ্রামে ঘুরে লোকমুখে প্রচলিত পালাগান সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। এগুলো ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ নামে প্রকাশিত হয়। ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে এবং আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এই সংগ্রহ হয় আর দীনেশচন্দ্র সেন এটি সম্পাদনা করেন। তাই সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে, সম্পাদক দীনেশচন্দ্র সেন।
    মনে রাখুন:
    ময়মনসিংহ গীতিকার পালা: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, দেওয়ানা মদিনা।
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ সংকলন করেন।
  31. ৭৬. 'পদ্মাবতী' কাব্যের রচয়িতা কে?
    • ক. সাবিরিদ খান
    • খ. আলাওল
    • গ. সৈয়দ সুলতান
    • ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
    উত্তর: খ. আলাওল
    ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি লিখেছেন আরাকানের রাজসভার কবি আলাওল। মূল কাহিনিটি এসেছে হিন্দি (আওধি) ভাষার কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর ‘পদুমাবত’ থেকে। আলাওল সেটি বাংলায় অনুবাদ করেন, তবে তাঁর অনুবাদ আক্ষরিক ছিল না, অনেক জায়গায় তিনি নিজের কবিত্বও যোগ করেছেন। কাব্যটি সতেরো শতকের মাঝামাঝি সময়ে রচিত বলে ধরা হয়, আর এটিই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের অন্যান্য রচনা: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, সপ্তপয়কর (হপ্তপয়কর), তোহফা, সেকান্দারনামা।
    শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্য: ইউসুফ-জুলেখা।
  32. ৭৭. দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কোনটি?
    • ক. ত্রিফলা
    • খ. হরিণ-চপল
    • গ. কালান্তর
    • ঘ. গায়ে-হলুদ
    উত্তর: ক. ত্রিফলা
    দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য থাকে। এই সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দগুলো সমষ্টি বা সমাহার (Collection) বোঝায়। ‘ত্রিফলা’ শব্দের ত্রি (তিন) ফলের সমাহার, তাই এটি দ্বিগু সমাস। ‘হরিণ-চপল’ উপমিত সমাস, ‘কালান্তর’ নিত্য সমাস আর ‘গায়ে-হলুদ’ অলুক বা ব্যাসবাক্যহীন ধরনের সমাস, তাই এগুলো ঠিক নয়।
    উদাহরণ:
    ত্রিকাল, পঞ্চবটী, শতাব্দী, চৌরাস্তা, তেমাথা।
    মনে রাখুন: সংখ্যাবাচক শব্দ থাকলেও সব সমাস দ্বিগু নয়। সমাহার অর্থ থাকা চাই।
  33. ৮০. বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা হয় কবে থেকে?
    • ক. উনিশ শতক
    • খ. বিশ শতক
    • গ. সতেরো শতক
    • ঘ. আঠারো শতক
    উত্তর: ক. উনিশ শতক
    বাংলা সাহিত্য প্রথমে কেবল কবিতায় লেখা হতো। গদ্য নিয়মিত সাহিত্যের ভাষা হয়ে ওঠে উনিশ শতকে। ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে সেখানকার পণ্ডিতেরা পাঠ্যবই লিখতে গিয়ে বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু করেন। রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১) এই ধারার প্রথম দিকের বই। এরপর রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র গদ্যকে পূর্ণ রূপ দেন।
    মনে রাখুন:
    প্রাচীন যুগ: ৬৫০-১২০০ সাল।
    মধ্যযুগ: ১২০১-১৮০০ সাল।
    আধুনিক যুগ: ১৮০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত।
  34. ৮৫. 'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাট্যটি কার লেখা?
    • ক. সৈয়দ শামসুল হক
    • খ. আল মাহমুদ
    • গ. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
    • ঘ. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
    উত্তর: ক. সৈয়দ শামসুল হক
    ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কাব্যনাট্যের লেখক সৈয়দ শামসুল হক। ১৭৮৩ সালে রংপুরে নূরলদীন নামের এক কৃষক নেতার নেতৃত্বে অত্যাচারী ইজারাদার দেবী সিংহের বিরুদ্ধে যে কৃষক বিদ্রোহ হয়েছিল, নাটকটি সেই ঘটনার ওপর লেখা। কাব্যনাট্য মানে এমন নাটক, যার সংলাপ কবিতার ছন্দে লেখা।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ শামসুল হকের অন্য কাব্যনাট্য: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, গণনায়ক, এখানে এখন।
    তাঁর উপন্যাস: নীল দংশন, খেলারাম খেলে যা।
  35. ৮৮. রূপসী বাংলার কবি কে?
    • ক. বিষ্ণু দে
    • খ. জীবনানন্দ দাশ
    • গ. বুদ্ধদেব বসু
    • ঘ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
    উত্তর: খ. জীবনানন্দ দাশ
    ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যের কবি জীবনানন্দ দাশ, তাই তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়। বাংলার নদী, মাঠ ও প্রকৃতির নরম ছবি এই কাব্যের সনেটগুলোতে ফুটে উঠেছে। মজার ব্যাপার হলো, কাব্যটি কবির জীবদ্দশায় ছাপা হয়নি, মৃত্যুর পরে ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪)।
    তাঁর কাব্য: ঝরা পালক, ধূসর পান্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির।
  36. ৯০. 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসটি কার লেখা?
    • ক. শহীদুল্লা কায়সার
    • খ. জহির রায়হান
    • গ. রশীদ করিম
    • ঘ. আবু ইসহাক
    উত্তর: ঘ. আবু ইসহাক
    ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসের লেখক আবু ইসহাক। উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। এর কাহিনিতে দেখা যায়, অভাব ও কুসংস্কারে পিষ্ট গ্রামের মানুষের জীবন কেমন ছিল। উপন্যাসের কেন্দ্রে জয়গুণ নামের এক নারী আছে। দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্যের মধ্যেও সে নিজের সম্মান বাঁচাতে লড়াই করে। শহীদুল্লা কায়সার ‘সংশপ্তক’ ও ‘সারেং বৌ’ লিখেছেন, জহির রায়হান লিখেছেন ‘হাজার বছর ধরে’, আর রশীদ করিম লিখেছেন ‘উত্তম পুরুষ’।
    মনে রাখুন:
    আবু ইসহাকের অন্য উপন্যাস: পদ্মার পলিদ্বীপ, জাল।
    তাঁর ছোটগল্পের বই: হারেম।
  37. ৯২. 'বহতা' শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
    • ক. বহ্ + তা
    • খ. বহি + তা
    • গ. বহ + তা
    • ঘ. বহা + তা
    উত্তর: ক. বহ্ + তা
    ‘বহতা’ শব্দটি কৃৎ প্রত্যয় দিয়ে তৈরি। ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বা প্রকৃতি বলে। এখানে ধাতু হলো বহ্ (√বহ্), যার অর্থ প্রবাহিত হওয়া। এর সঙ্গে ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে হয়েছে বহতা, মানে যা বয়ে চলে, যেমন ‘বহতা নদী’। প্রকৃতি বা ধাতু লেখার সময় সাধারণত হসন্ত রেখে √বহ্ লেখা হয়, তাই প্রথম রূপটিকেই ঠিক ধরা হয়।
    উদাহরণ: √ফির্ + তা = ফিরতা, √পড়্ + তা = পড়তা, √চল্ + তা = চলতা।
  38. ৯৪. পাশাপাশি দুটি বর্ণ ধ্বনির মিলনকে কী বলা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
    • ক. উপসর্গ
    • খ. অনুসর্গ
    • গ. সন্ধি
    • ঘ. সমাস
    উত্তর: গ. সন্ধি
    দুটি ধ্বনি পাশাপাশি এলে যখন মিলে একটি নতুন ধ্বনি বা রূপ তৈরি হয়, তখন সেই মিলনকে সন্ধি (Euphony) বলে। যেমন হিম + আলয় = হিমালয়। উপসর্গ হলো শব্দের আগে বসা অংশ, যেমন প্র, পরা। অনুসর্গ হলো শব্দের পরে বসা অব্যয়, যেমন দ্বারা, জন্য। আর সমাসে দুই বা তার বেশি পদ মিলে একটি পদ হয়, যেমন রাজার পুত্র = রাজপুত্র।
    মনে রাখুন: সন্ধি তিন রকম: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গ সন্ধি।
  39. ৯৫. Comparative শব্দটির বাংলা পরিভাষা হলো—
    • ক. খেসারত
    • খ. প্রতিযোগিতা
    • গ. তুলনামূলক
    • ঘ. সাম্যবাদ
    উত্তর: গ. তুলনামূলক
    Comparative শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো ‘তুলনামূলক’। পরিভাষা বলতে কোনো বিদেশি শব্দের নির্দিষ্ট বাংলা প্রতিশব্দ বোঝায়। দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করার সময় এই শব্দ ব্যবহার হয়, যেমন Comparative Literature হলো তুলনামূলক সাহিত্য। বাকি শব্দগুলো অন্য ইংরেজি শব্দের পরিভাষা: খেসারত মানে ক্ষতিপূরণ, প্রতিযোগিতা হলো Competition, আর সাম্যবাদ হলো Communism। তাই Comparative-এর সঙ্গে এগুলোর কোনোটিই মেলে না।
    মনে রাখুন: ইংরেজি ব্যাকরণেও Comparative degree মানে দুটি জিনিসের তুলনা বোঝায়, যেমন taller, better।
    Degree তিন প্রকার: Positive, Comparative ও Superlative।

বাংলাদেশ

  1. ৩. বাংলাদেশের কোন দ্বীপ বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত?
    • ক. সেন্টমার্টিন
    • খ. কুতুবদিয়া
    • গ. সন্দ্বীপ
    • ঘ. ভোলা
    উত্তর: খ. কুতুবদিয়া
    কক্সবাজার জেলার বঙ্গোপসাগরের উপকূলে কুতুবদিয়া নামে একটি দ্বীপ আছে। এই দ্বীপের উত্তর প্রান্তে একটি বাতিঘর (Lighthouse) রয়েছে, যেটি সমুদ্রে চলাচলকারী জাহাজকে পথ চেনাতে সাহায্য করে। বাংলাদেশের উপকূলীয় দ্বীপগুলোর মধ্যে বাতিঘরের জন্যই কুতুবদিয়ার বিশেষ পরিচিতি। এখানে লবণ চাষও হয়।
    মনে রাখুন:
    সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ।
    সন্দ্বীপ ও ভোলা বড় আকারের দ্বীপ, তবে বাতিঘরের জন্য পরিচিত নয়।
  2. ১০. বাংলাদেশের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
    • ক. ফ্রান্স
    • খ. জার্মানি
    • গ. ইতালি
    • ঘ. পোল্যান্ড
    উত্তর: খ. জার্মানি
    ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে পূর্ব জার্মানি (গণতান্ত্রিক জার্মান প্রজাতন্ত্র) খুব দ্রুত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, ১৯৭২ সালের জানুয়ারির শুরুতে। পশ্চিম জার্মানি স্বীকৃতি দেয় একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে। তাই এখানে প্রশ্নের বিকল্প হিসেবে ‘জার্মানি’ হলো উত্তর।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশকে সবার আগে স্বীকৃতি দেয় ভুটান ও ভারত, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর।
    যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের এপ্রিলে।
  3. ১৬. ছয়দফা দাবি কত সালে উত্থাপিত হয়?
    • ক. ১৯৬৬
    • খ. ১৯৬২
    • গ. ১৯৬৯
    • ঘ. ১৯৫২
    উত্তর: ক. ১৯৬৬
    পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের জন্য শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে ছয় দফা দাবি পেশ করেন। পরে ২৩ মার্চ আওয়ামী লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে এটি কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করে। দাবিগুলো বাঙালির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত, কারণ এর ভিত্তিতেই স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন গড়ে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    ১৯৬২ সালে হয়েছিল শিক্ষা আন্দোলন।
    ১৯৬৯ সালে হয় গণঅভ্যুত্থান।
    ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন।
  4. ১৭. বাংলাদেশে বসবাসকারী কোন ক্ষুদ্র গোষ্ঠী সংখ্যায় সর্বাধিক?
    • ক. চাকমা
    • খ. কুকি
    • গ. গারো
    • ঘ. সাঁওতাল
    উত্তর: ক. চাকমা
    বাংলাদেশে সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। এঁরা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করেন। এর পরে সংখ্যায় আছে মারমা, তারপর ত্রিপুরা। সাঁওতাল ও গারোরা সমতল এলাকার নৃগোষ্ঠী, আর কুকিরা পার্বত্য অঞ্চলের ছোট একটি গোষ্ঠী।
    মনে রাখুন:
    সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সাঁওতাল সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি।
    বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি স্বীকৃত সংখ্যা ৫০।
  5. ২৩. বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর কোনটি?
    • ক. সোনা মসজিদ
    • খ. বেনাপোল
    • গ. বুড়িমারী
    • ঘ. জাফলং
    উত্তর: খ. বেনাপোল
    বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ততম হলো বেনাপোল স্থলবন্দর। এটি যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় অবস্থিত এবং ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তের ঠিক ওপারে। ঢাকা-কলকাতা সড়ক যোগাযোগের প্রধান পথ হওয়ায় ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ এই বন্দর দিয়েই হয়। অন্য স্থলবন্দরগুলোও গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বেনাপোলের মতো বড় নয়।
    মনে রাখুন:
    হিলি (দিনাজপুর) ও বুড়িমারী (লালমনিরহাট) আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
    সোনা মসজিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত।
    টেকনাফ (কক্সবাজার) মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যের স্থলবন্দর।
    বেনাপোল ও পেট্রাপোল দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীরা সড়ক পথে যাতায়াত করেন।
  6. ২৪. কান্তজীউ মন্দির কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. দিনাজপুর
    • খ. কুমিল্লা
    • গ. ফরিদপুর
    • ঘ. রাজশাহী
    উত্তর: ক. দিনাজপুর
    কান্তজীউ মন্দির, যাকে কান্তনগর মন্দিরও বলা হয়, দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার উত্তরে ঢেপা নদীর তীরে এটি দাঁড়িয়ে আছে। অষ্টাদশ শতকে দিনাজপুরের মহারাজা প্রাণনাথ রায় মন্দিরটির নির্মাণ শুরু করেন এবং তাঁর পালক পুত্র রামনাথ শেষ করেন। পোড়ামাটির ফলক বা টেরাকোটার (Terracotta) কারুকাজের জন্য এটি বিশ্ববিখ্যাত।
    মনে রাখুন: কান্তজীউ মন্দিরের দেয়ালে রামায়ণ, মহাভারত ও কৃষ্ণলীলার কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
  7. ৩০. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদমর্যাদা কী ছিল?
    • ক. হাবিলদার
    • খ. মেজর
    • গ. সিপাহী
    • ঘ. ল্যান্স নায়েক
    উত্তর: গ. সিপাহী
    মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য সাতজন মুক্তিযোদ্ধা সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পান। এর মধ্যে হামিদুর রহমান ছিলেন সিপাহী পদের সৈনিক। ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর সিলেটের ধলই সীমান্ত ফাঁড়ির যুদ্ধে তিনি শহীদ হন। তাঁর জন্ম ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায়। বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবাই ছিলেন সেনা, ইপিআর, নৌ বা বিমানবাহিনীর সদস্য, সবাই সামরিক বাহিনীর অংশ।
    মনে রাখুন:
    বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে একজন বিমানবাহিনীর (ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান), একজন নৌবাহিনীর (রুহুল আমিন) এবং বাকিরা সেনা বা ইপিআর-এর সদস্য।
    ক্যাপ্টেন মোহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরও বীরশ্রেষ্ঠ।
  8. ৩১. মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. নাটোর
    • খ. পঞ্চগড়
    • গ. চট্টগ্রাম
    • ঘ. মেহেরপুর
    উত্তর: ঘ. মেহেরপুর
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার (বর্তমান মেহেরপুর জেলা) বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে শপথ গ্রহণ করে। পরে জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। তখন এটি কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল, কিন্তু এখন মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলা। শপথ অনুষ্ঠানে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ পাঠ করা হয়।
    মনে রাখুন:
    মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান (অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি), প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
  9. ৩২. বরেন্দ্র জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. পঞ্চগড়
    • খ. দিনাজপুর
    • গ. বগুড়া
    • ঘ. রাজশাহী
    উত্তর: ঘ. রাজশাহী
    বরেন্দ্র জাদুঘর (Varendra Research Museum) রাজশাহী শহরে অবস্থিত। এটি উপমহাদেশের প্রাচীন জাদুঘরগুলোর একটি। ১৯১০ সালে দিঘাপাতিয়ার জমিদার কুমার শরৎকুমার রায়, অধ্যাপক রমাপ্রসাদ চন্দ ও অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়র সহযোগিতায় ‘বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি’ প্রতিষ্ঠা করেন, আর তাদের সংগ্রহ নিয়েই জাদুঘরটি গড়ে ওঠে। এখানে পাল ও সেন যুগের অনেক ভাস্কর্য ও শিলালিপি রাখা আছে।
    মনে রাখুন: এখন এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
  10. ৪১. 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটির গীতিকার কে?
    • ক. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
    • খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটির গীতিকার ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় তিনি গানটি রচনা করেন। এটি আমাদের জাতীয় সংগীত, যেখানে এর প্রথম ১০ চরণ গ্রহণ করা হয়েছে। গানটির সুর বাউল গানের আদলে তৈরি।
    মনে রাখুন:
    নজরুল ইসলামের ‘চল চল চল’ আমাদের রণসংগীত।
    জাতীয় সংগীত হিসেবে এর গ্রহণ ১৯৭২ সালে।
  11. ৪২. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রথম কোন তারিখে নির্মিত হয়?
    • ক. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
    • খ. ২৩ জুন ১৯৫৬
    • গ. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    • ঘ. ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    উত্তর: গ. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    ভাষা আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা রাতারাতি একটি অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করে। এটি ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে তৈরি হয়। তবে পাকিস্তানি পুলিশ কয়েক দিনের মধ্যেই এটি ভেঙে ফেলে। পরে স্থপতি হামিদুর রহমানের নকশায় স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
    মনে রাখুন:
    স্থায়ী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধন ১৯৬৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, উদ্বোধন করেন শহীদ বরকতের মা হাসিনা বেগম।
  12. ৪৪. জাতীয় শিশু দিবস কোনটি?
    • ক. ১৬ মার্চ
    • খ. ২৩ সেপ্টেম্বর
    • গ. ২১ জুন
    • ঘ. ১৭ মার্চ
    উত্তর: ঘ. ১৭ মার্চ
    বাংলাদেশে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হতো। এ কারণেই ২০১৯ সালে এই প্রশ্নে ১৭ মার্চ সঠিক ছিল। ১৬ মার্চ বা ২১ জুন এই দিবসের তারিখ নয়, আর ২৩ সেপ্টেম্বর এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
    হালনাগাদ: ২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার ১৭ মার্চসহ আটটি জাতীয় দিবস বাতিল করে, তাই এখন এই দিবস সরকারিভাবে পালিত হয় না।
  13. ৪৬. কোন বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে পাটের জীবন রহস্য উন্মোচিত হয়?
    • ক. আব্দুল্লাহ আল মুতি শরফুদ্দিন
    • খ. অধ্যাপক আব্দুস সালাম
    • গ. কুদরত-ই-খুদা
    • ঘ. মাকসুদুল আলম
    উত্তর: ঘ. মাকসুদুল আলম
    ২০১০ সালে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষণা দল পাটের জীবনরহস্য (জিনোম) উন্মোচন করে। তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী। এই আবিষ্কারে পাটের ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধ এবং উন্নত জাত তৈরির পথ খুলে যায়।
    মনে রাখুন:
    ডক্টর মাকসুদুল আলম আগে পেঁপে (২০০৮) এবং রাবারের জিনোম নিয়েও কাজ করেছেন।
    পাটের বৈজ্ঞানিক নাম Corchorus।
  14. ৫৮. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে ছিলেন?
    • ক. হাশেম খান
    • খ. জয়নুল আবেদিন
    • গ. কামরুল হাসান
    • ঘ. হামিদুর রহমান
    উত্তর: গ. কামরুল হাসান
    বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকা, গাঢ় সবুজ জমিনের মাঝখানে লাল বৃত্ত, এর নকশা করেন শিল্পী কামরুল হাসান। স্বাধীনতার আগে ১৯৭০ সালে মানচিত্রসহ প্রথম পতাকা তৈরি করা হয়েছিল, যেটি শিবনারায়ণ দাসের নকশায়। স্বাধীনতার পর কামরুল হাসান মানচিত্র বাদ দিয়ে এখনকার রূপ দেন।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬।
    লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
  15. ৫৯. বরিশালের প্রাচীন নাম কী?
    • ক. চন্দ্রদ্বীপ
    • খ. হরিকেল
    • গ. সমতট
    • ঘ. সুধারাম
    উত্তর: ক. চন্দ্রদ্বীপ
    বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ। মধ্যযুগে এখানে একটি স্বাধীন হিন্দু রাজ্য ছিল, যার প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় দনুজমর্দন দেবকে। পরে এই এলাকার নাম হয় বাকলা, আর একসময় বাকেরগঞ্জ জেলার সদর দপ্তর ছিল বরিশাল। হরিকেল ও সমতট প্রাচীন বঙ্গের অন্য দুটি জনপদ, আর সুধারাম নোয়াখালীর পুরোনো নাম।
    মনে রাখুন:
    হরিকেল বলতে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলকে ধরা হয়।
    সমতট ছিল কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল।
  16. ৬৯. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
    • ক. শেখ মুজিবুর রহমান
    • খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • গ. তাজউদ্দীন আহমেদ
    • ঘ. এম এ জি ওসমানী
    উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বাধিনায়ক বা সুপ্রিম কমান্ডার ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধ চলার সময় তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন, তবু মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর নেতৃত্বেই যুদ্ধ পরিচালিত হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দীন আহমদ ও এম এ জি ওসমানীর দায়িত্ব আলাদা, কাজেই তাঁরা সর্বাধিনায়ক নন।
    মনে রাখুন:
    প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
    মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী।
    মুজিবনগর সরকার শপথ নেয় ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল।
  17. ৭৫. তথ্য অধিকার আইন জাতীয় সংসদে কত সালে পাস হয়?
    • ক. ২০০৯
    • খ. ২০০৮
    • গ. ২০১০
    • ঘ. ২০১৭
    উত্তর: ক. ২০০৯
    সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ তথ্য অধিকার আইন পাস করে। এই আইনের আওতায় নাগরিকরা সরকারি দপ্তর থেকে তথ্য চাইতে পারেন। আইনটির তত্ত্বাবধানে তথ্য কমিশন নামে একটি স্বাধীন সংস্থা কাজ করে।
    মনে রাখুন:
    তথ্য অধিকার আইন কার্যকর হয় ২০০৯ সালের ১ জুলাই।
    তথ্য কমিশনের প্রধান থাকেন প্রধান তথ্য কমিশনার।
  18. ৮১. 'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ' বাতিল হয় কবে?
    • ক. ৩ নভেম্বর, ১৯৯৭
    • খ. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৭
    • গ. ২৬ মার্চ, ১৯৯৬
    • ঘ. ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬
    উত্তর: ঘ. ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬
    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার আটকে রাখার জন্য ওই বছরেই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এর ফলে খুনিদের বিচার করা যেত না। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে সংসদে ইনডেমনিটি (রহিতকরণ) বিল পাস করে, আর ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তারিখে এই অধ্যাদেশ বাতিল হয়। এরপর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারের পথ খুলে যায়।
    মনে রাখুন:
    ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি হয় ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫, খন্দকার মোশতাক আহমদের সময়ে।
    পরে এটি সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের অংশ হয়েছিল।
  19. ৮৬. বড়পুকুরিয়া কোন খনিজের জন্য বিখ্যাত?
    • ক. চুনাপাথর
    • খ. কাঁচবালু
    • গ. গ্যাস
    • ঘ. কয়লা
    উত্তর: ঘ. কয়লা
    দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়ায় বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র চালু ভূগর্ভস্থ কয়লাখনি আছে। ১৯৮৫ সালে ভূতাত্ত্বিক জরিপে এখানে কয়লার সন্ধান মেলে, আর ২০০৫ সালে খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা তোলা শুরু হয়। এই কয়লা দিয়ে কাছেই বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চলে। গ্যাসের জন্য বিখ্যাত জায়গা হলো সিলেটের হরিপুর বা বিবিয়ানা, বড়পুকুরিয়া নয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের অন্য কয়লাখনি: জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট), দীঘিপাড়া (দিনাজপুর), খালাশপীর (রংপুর)।
    চুনাপাথর পাওয়া যায় সুনামগঞ্জের টাকেরঘাটে, কাচবালু পাওয়া যায় শাহজীবাজারে ও সিলেটের ছাতকে।
  20. ৯৩. পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
    • ক. ১৯৯৬
    • খ. ১৯৯৮
    • গ. ২০০১
    • ঘ. ১৯৯৭
    উত্তর: ঘ. ১৯৯৭
    পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের সংঘাত থামাতে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তি সই হয়। সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, আর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষে সই করেন জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, যিনি সন্তু লারমা নামে পরিচিত। তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা।
    মনে রাখুন: চুক্তির পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।
  21. ১০৩. উয়ারী বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. হবিগঞ্জ
    • খ. নরসিংদী
    • গ. নারায়ণগঞ্জ
    • ঘ. মুন্সিগঞ্জ
    উত্তর: খ. নরসিংদী
    উয়ারী-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলায় অবস্থিত। এখানে মাটির নিচে হাজার বছরের পুরোনো এক নগর-সভ্যতার চিহ্ন পাওয়া গেছে। খননে পাওয়া গেছে পোড়ামাটির ফলক, মুদ্রা ও পুঁতির মালা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, এটি প্রায় দুই হাজার বছর আগের একটি বন্দর বা বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল। বাংলাদেশের প্রাচীনতম দুর্গনগরী হিসেবে এটি পরিচিত হয়ে উঠেছে।
    মনে রাখুন: পরিচিত অন্য প্রত্নস্থান: মহাস্থানগড় (বগুড়া), পাহাড়পুর (নওগাঁ), ময়নামতি (কুমিল্লা)।
  22. ১১৪. 'Stop Genocide' ছবির পরিচালক কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
    • ক. জহির রায়হান
    • খ. সুভাষ দত্ত
    • গ. তারেক মাসুদ
    • ঘ. আমজাদ হোসেন
    উত্তর: ক. জহির রায়হান
    ‘স্টপ জেনোসাইড’ (Stop Genocide) একটি প্রামাণ্যচিত্র, যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নির্মাণ করেন জহির রায়হান। পাকিস্তানি সেনাদের গণহত্যা ও বাংলাদেশের মানুষের দুর্দশা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরাই ছিল এর উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরিতে সাহায্য হয়।
    মনে রাখুন:
    জহির রায়হানের আরও কাজ: জীবন থেকে নেয়া, কাঁচের দেয়াল, বাহানা।
    তাঁর উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন।
  23. ১২২. 'জাতীয় সংসদে' সংরক্ষিত নারী আসন কতটি?
    • ক. ৩০
    • খ. ২০
    • গ. ৪৫
    • ঘ. ৫০
    উত্তর: ঘ. ৫০
    বাংলাদেশের সংসদে মোট আসন ৩৫০টি, এর মধ্যে ৩০০টি নির্বাচিত এবং ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন। সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী (২০০৪) এই সংরক্ষিত আসন ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ করে, তারপর পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১) আসন সংখ্যা ৫০ করে। এই আসনগুলোর সদস্যরা সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটের অনুপাতে দলগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচিত হন। সপ্তদশ সংশোধনী (২০১৮) এই ব্যবস্থার মেয়াদ আরও ২৫ বছর বাড়িয়েছে।
    মনে রাখুন: সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে সংসদ গঠনের কথা বলা আছে।

ইংরেজি

  1. ৪. Which one of the following has the right spelling?
    • ক. Milenium
    • খ. Millennium
    • গ. Millenniam
    • ঘ. Millenium
    উত্তর: খ. Millennium
    সঠিক বানান Millennium, যার অর্থ সহস্রাব্দ বা এক হাজার বছরের সময়কাল। শব্দটি এসেছে ল্যাটিন mille (হাজার) ও annus (বছর) থেকে। দুটি অংশেই দুটি করে ‘l’ ও ‘n’ আছে বলে বানানে ভুল হয়। এটা মনে রাখার সহজ উপায় হলো mille থেকে দুটি ‘l’ আর annus থেকে দুটি ‘n’ আসে।
    মনে রাখুন: Century মানে শতাব্দী (১০০ বছর), Decade মানে দশক (১০ বছর), Millennium মানে ১০০০ বছর।
  2. ৬. It is high time we — the place.
    • ক. are leaving
    • খ. left
    • গ. leave
    • ঘ. have left
    উত্তর: খ. left
    It is high time-এর পরে সাধারণত এমন কাজের কথা বোঝায়, যা এখন করা উচিত অথচ এখনো করা হয়নি। এই কাঠামোতে বাক্যের কর্তার পর verb-এর past form বসে, যদিও অর্থ বর্তমান বা ভবিষ্যৎ সময়ের। তাই এখানে left বসবে: It is high time we left the place (জায়গাটি ছেড়ে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে)।
    উদাহরণ:
    It is high time you went to bed.
    It is time he started working.
    মনে রাখুন: It is time-এর পরে আবার to-infinitive-ও বসতে পারে, যেমন It is time to leave।
  3. ৭. Please keep an — on the baby.
    • ক. eye
    • খ. hand
    • গ. ear
    • ঘ. look
    উত্তর: ক. eye
    Keep an eye on একটি phrase, যার অর্থ কারও বা কিছুর ওপর নজর রাখা। এখানে শিশুর দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে, তাই eye বসবে। অন্য শব্দগুলো এই phrase-এ খাটে না, যেমন keep a hand বা keep an ear on বলে কোনো প্রচলিত প্রকাশ নেই।
    উদাহরণ: Please keep an eye on my bag.
    মনে রাখুন: Keep an eye on = নজর রাখা, Turn a deaf ear to = কান না দেওয়া।
  4. ৮. This children's park — half an hour before sunset.
    • ক. closes
    • খ. stops
    • গ. opens
    • ঘ. starts
    উত্তর: ক. closes
    বাক্যে বলা হয়েছে সূর্যাস্তের আধা ঘণ্টা আগে কিছু একটা ঘটে। শিশুপার্কের মতো জায়গা সন্ধ্যার আগে বন্ধ হয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক, কারণ অন্ধকারে শিশুদের জন্য তা নিরাপদ নয়। তাই closes বসাবে। সাধারণ সত্যি বা নিয়মিত অভ্যাস বোঝাতে Present Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়, আর কর্তা The park একবচন বলে verb-এর সঙ্গে s যুক্ত হয়েছে। অন্য verb-গুলো অর্থ মেলে না, কারণ সূর্যাস্তের আগে park খোলে বা শুরু হয় না।
    মনে রাখুন: Open-এর বিপরীত শব্দ close।
  5. ১১. I — here since 2012.
    • ক. lived
    • খ. have been living
    • গ. live
    • ঘ. am living
    উত্তর: খ. have been living
    বাক্যে since 2012 আছে, অর্থাৎ ২০১২ সাল থেকে একটি কাজ শুরু হয়ে এখনো চলছে। এ রকম ক্ষেত্রে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার হয়। গঠন হলো Subject + have/has been + verb-ing + since/for + সময়। তাই সঠিক বাক্য I have been living here since 2012।
    মনে রাখুন:
    Since বসে নির্দিষ্ট সময়ের আগে (since 2012, since morning)।
    For বসে সময়ের দৈর্ঘ্য বোঝাতে (for ten years)।
  6. ১৩. 'If you read, you will learn'. This sentence is a —
    • ক. Simple sentence
    • খ. Negative sentence
    • গ. Complex sentence
    • ঘ. Compound sentence
    উত্তর: গ. Complex sentence
    একটি বাক্যে একটি প্রধান বাক্যাংশ (Principal clause) এবং তার ওপর নির্ভরশীল এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্যাংশ (Subordinate clause) থাকলে সেটি জটিল বাক্য (Complex sentence)। এখানে ‘you will learn’ হলো প্রধান বাক্যাংশ, আর ‘If you read’ একটি শর্তসূচক আশ্রিত বাক্যাংশ, যা না থাকলে অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। তাই এটি Complex sentence।
    উদাহরণ:
    Simple: He reads books.
    Compound: He read and she wrote.
    Complex: He said that he was ill.
    মনে রাখুন: Compound sentence-এ clause-গুলো and, but, or দিয়ে সমান মর্যাদায় যুক্ত হয়।
  7. ১৯. A pilgrim is a person who undertakes a journey to a —
    • ক. mosque
    • খ. forest
    • গ. desert
    • ঘ. holy place
    উত্তর: ঘ. holy place
    Pilgrim শব্দের অর্থ তীর্থযাত্রী, অর্থাৎ যে মানুষ ধর্মীয় কারণে পবিত্র স্থানের উদ্দেশে ভ্রমণ করে। তাই বাক্যটি পূর্ণ হয় এভাবে: A pilgrim is a person who undertakes a journey to a holy place। Mosque, forest বা desert এসব নির্দিষ্ট স্থান, কিন্তু pilgrim-এর সংজ্ঞায় যে কোনো পবিত্র স্থানই ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    Pilgrimage মানে তীর্থযাত্রা।
    মুসলমানদের পবিত্র তীর্থযাত্রাকে Hajj বলে।
  8. ২০. The Headmaster and Secretary — present at the last meeting.
    • ক. have
    • খ. were
    • গ. is
    • ঘ. was
    উত্তর: ঘ. was
    দুটি বিশেষ্যকে and দিয়ে জুড়লে সাধারণত বহুবচন হয়। কিন্তু দুটি পদ যদি একই ব্যক্তিকে বোঝায়, তখন verb একবচন হয়। বাক্যে ‘The Headmaster and Secretary’ বলতে মাঝখানে দ্বিতীয় article নেই, তাই এটি একজন ব্যক্তিকেই বোঝাচ্ছে যিনি একাধারে প্রধান শিক্ষক ও সম্পাদক। আর last meeting অতীতের ঘটনা, তাই verb হবে একবচন অতীত was।
    উদাহরণ:
    The poet and novelist was present.
    The poet and the novelist were present. (দুজন ব্যক্তি)
  9. ৩৫. A hawk is —
    • ক. an animal
    • খ. a reptile
    • গ. an insect
    • ঘ. a bird
    উত্তর: ঘ. a bird
    Hawk শব্দের অর্থ বাজপাখি। এটি এক ধরনের শিকারি পাখি (Bird of prey), যার ধারালো নখ ও বাঁকা ঠোঁট থাকে। এরা ছোট প্রাণী ও পাখি শিকার করে খায়। তাই বাক্যটি হবে ‘A hawk is a bird’। Animal সাধারণত স্তন্যপায়ী প্রাণীকে বোঝায়, reptile মানে সরীসৃপ, আর insect মানে কীটপতঙ্গ। হক এগুলোর কোনোটি নয়। এখানে ‘bird’ শব্দটি স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয় না, তাই আগে ‘a’ বসে।
    মনে রাখুন: Eagle (ঈগল), Vulture (শকুন), Owl (পেঁচা) ও Falcon (শাহিন) সবাই পাখি।
    Hawk, eagle ও falcon শিকারি পাখি, আর owl নিশাচর শিকারি পাখি।
  10. ৩৯. Which one is the plural form of the word 'hero'?
    • ক. herois
    • খ. heross
    • গ. heros
    • ঘ. heroes
    উত্তর: ঘ. heroes
    ইংরেজিতে কিছু বিশেষ্যের শেষে ‘o’ থাকে, আর তার ঠিক আগে ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে বহুবচনে অনেক সময় ‘es’ যুক্ত হয়। Hero শব্দের শেষে ‘o’ এবং তার আগে ব্যঞ্জনবর্ণ ‘r’ আছে, তাই এর বহুবচন heroes। বাকি বিকল্পগুলো ইংরেজি ভাষায় হয় না, তাই সেগুলো ভুল।
    উদাহরণ:
    Potato থেকে potatoes, Tomato থেকে tomatoes।
    মনে রাখুন: Piano, photo, radio ইত্যাদি শব্দের শেষে শুধু s যুক্ত হয়: pianos, photos, radios।
    শব্দের শেষে ‘o’-এর আগে স্বরবর্ণ থাকলেও শুধু s যুক্ত হয়, যেমন radio থেকে radios।
  11. ৪৩. The passive form of the sentence 'I have killed the bird' is —
    • ক. The bird have been killed by me.
    • খ. The bird has been being killed by me.
    • গ. The bird has killed by me.
    • ঘ. The bird has been killed by me.
    উত্তর: ঘ. The bird has been killed by me.
    Present Perfect Tense-এর Active voice-কে Passive করতে হলে কাঠামো হয়: Object + have/has + been + Verb-এর past participle + by + Subject। এখানে object ‘the bird’ একবচন, তাই has been ব্যবহৃত হবে। Past participle হলো killed। অতএব উত্তর The bird has been killed by me।
    উদাহরণ: She has written a letter. থেকে A letter has been written by her।
    মনে রাখুন: Plural object হলে have been বসে, যেমন The birds have been killed by me।
  12. ৪৭. 'He is poor but honest.' In this sentence which one is conjunction?
    • ক. but
    • খ. he
    • গ. poor
    • ঘ. honest
    উত্তর: ক. but
    Conjunction হলো সেই শব্দ, যা দুটি শব্দ, শব্দগুচ্ছ বা বাক্যাংশকে যুক্ত করে। এই বাক্যে ‘poor’ ও ‘honest’ বিপরীত ভাবের দুটি গুণকে যুক্ত করেছে ‘but’। তাই but-ই conjunction। He একটি pronoun, আর poor ও honest দুটিই adjective।
    উদাহরণ:
    And, or, but, because, although।
    মনে রাখুন: But এখানে দুই বিপরীত ভাবকে জুড়েছে, তাই একে Adversative conjunction বলে।
  13. ৪৮. When we say 'The two brothers are at daggers drawn' we mean that they are —
    • ক. acquainted
    • খ. unknown
    • গ. friendly
    • ঘ. unfriendly
    উত্তর: ঘ. unfriendly
    ‘At daggers drawn’ একটি ইডিয়ম, যার আক্ষরিক অর্থ খাপ থেকে ছোরা বের করে রাখা। এর অর্থ চরম শত্রুভাবাপন্ন হওয়া, অর্থাৎ ঝগড়া বা বিদ্বেষের কারণে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক খুব খারাপ থাকা। তাই দুই ভাই একে অপরের প্রতি unfriendly, অর্থাৎ বন্ধুত্বহীন বা শত্রুভাবাপন্ন। Acquainted মানে পরিচিত, unknown মানে অজানা, আর friendly মানে বন্ধুভাবাপন্ন। এগুলোর কোনোটি এই ইডিয়মের অর্থ নয়।
    উদাহরণ: The two neighbours are at daggers drawn over the land.
    মনে রাখুন: Friendly হলো এর বিপরীত অর্থ।
  14. ৪৯. He has been ill — Friday last.
    • ক. in
    • খ. since
    • গ. from
    • ঘ. on
    উত্তর: খ. since
    কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ের বিন্দু থেকে এখনো চলছে এমন কাজ বোঝাতে since ব্যবহৃত হয়, আর বাক্যে সাধারণত Present Perfect বা Present Perfect Continuous tense থাকে। Friday last একটি নির্দিষ্ট সময়, যা থেকে অসুস্থতা শুরু হয়েছে। তাই since বসবে। কাল-পরিমাণ বোঝালে for ব্যবহার হয়।
    উদাহরণ:
    He has been ill since Monday. (নির্দিষ্ট সময়)
    He has been ill for three days. (সময়ের দৈর্ঘ্য)
  15. ৫০. Which one of the following sentences is correct?
    • ক. Rajbari is on the Padma.
    • খ. The Rajbari is on the Padma.
    • গ. Rajbari is on Padma.
    • ঘ. Rajbari is on a Padma.
    উত্তর: ক. Rajbari is on the Padma.
    ইংরেজিতে নদীর নামের আগে সাধারণত the বসে, যেমন the Padma, the Meghna, the Ganges। কিন্তু শহর, গ্রাম বা জেলার নামের আগে article বসে না, তাই Rajbari-র আগে the হবে না। সুতরাং সঠিক বাক্য Rajbari is on the Padma।
    মনে রাখুন:
    সমুদ্র ও মহাসাগরের নামের আগেও the বসে: the Bay of Bengal, the Pacific।
    পর্বতমালার নামের আগে the বসে: the Himalayas।
  16. ৫১. A friend — need is a friend indeed.
    • ক. to
    • খ. in
    • গ. at
    • ঘ. for
    উত্তর: খ. in
    এটি একটি পরিচিত প্রবাদ: ‘A friend in need is a friend indeed’। এর অর্থ, অভাবের সময়ে বা বিপদে যে বন্ধু পাশে দাঁড়ায়, সেই প্রকৃত বন্ধু। ‘In need’ মানে অভাবে বা প্রয়োজনের সময়ে, তাই শূন্যস্থানে ‘in’ বসে। ‘To need’ বা ‘at need’ বললে প্রবাদটির প্রচলিত রূপ নষ্ট হয়, প্রবাদ হিসেবে এটি মুখস্থ রাখা ভালো।
    মনে রাখুন:
    Indeed শব্দের অর্থ সত্যিই বা প্রকৃতপক্ষে।
    প্রবাদ হলো সংক্ষিপ্ত ও জনপ্রিয় বাক্য, যা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে।
  17. ৫২. I wish I — a King.
    • ক. were
    • খ. is
    • গ. was
    • ঘ. am
    উত্তর: ক. were
    I wish দিয়ে এমন ইচ্ছা বোঝানো হয়, যা বাস্তবে সত্য নয় বা পূরণ হওয়ার নয়। এই কাঠামোতে wish-এর পরের অংশে কর্তা যাই হোক না কেন, be verb-এর জায়গায় সব সময় were বসে। কারণ বক্তা একজন রাজা নয়, কেবল তা হতে চাইছে। তাই I wish I were a King।
    উদাহরণ:
    I wish I were a bird.
    If I were you, I would go.
    মনে রাখুন: If I were-এর কাঠামোতেও এই একই নিয়ম খাটে।
  18. ৫৩. 'Thank you very much.' In this sentence 'very' is —
    • ক. noun
    • খ. pronoun
    • গ. adverb
    • ঘ. adjective
    উত্তর: গ. adverb
    কোনো শব্দ কোন part of speech তা নির্ভর করে বাক্যে সেটি কী কাজ করছে তার ওপর। এখানে ‘very’ শব্দটি ‘much’ শব্দটিকে modify করছে, অর্থাৎ much কতটা তা বলছে। যে শব্দ adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, সেটি adverb। আবার ‘Thank you’ ক্রিয়াকে ‘much’ যেভাবে বর্ণনা করে, সেখানেও very তার মাত্রা বাড়ায়।
    উদাহরণ: He runs very fast. (very, fast নামক adverb-কে modify করছে)
    মনে রাখুন: The very man-এর মতো কিছু বাক্যে very আবার adjective-ও হয়।
  19. ৫৬. Give one word for science of the structure of animal bodies —
    • ক. Physiology
    • খ. Anatomy
    • গ. Biology
    • ঘ. Psychology
    উত্তর: খ. Anatomy
    প্রাণীদেহের গঠন বা অঙ্গসংস্থান নিয়ে যে বিজ্ঞান আলোচনা করে, তাকে শরীরতত্ত্ব বা Anatomy বলে। এতে দেহের হাড়, পেশি, অঙ্গ ও তাদের অবস্থান জানা যায়। অন্যদিকে Physiology হলো অঙ্গগুলোর কাজ বা শারীরবৃত্ত নিয়ে বিজ্ঞান, Biology হলো জীবন নিয়ে বিজ্ঞান, আর Psychology হলো মনের বিজ্ঞান।
    মনে রাখুন: Anatomy আকৃতি বা গঠন দেখে, Physiology কাজ দেখে। দুটিকে গুলিয়ে ফেললে ভুল হয়।
  20. ৫৭. — eggs were served to the players.
    • ক. Boil
    • খ. Boiled
    • গ. To boil
    • ঘ. Boiling
    উত্তর: খ. Boiled
    ‘Eggs’ বিশেষ্যের আগে বসে তার বর্ণনা দিতে একটি Adjective লাগে। এখানে ‘boil’ ক্রিয়ার Past Participle boiled Adjective-এর কাজ করেছে, অর্থ সেদ্ধ। তাই বাক্যটি: Boiled eggs were served to the players, অর্থাৎ খেলোয়াড়দের সেদ্ধ ডিম পরিবেশন করা হয়েছিল। Boil বা boiling বসালে অর্থ ঠিক থাকে না।
    মনে রাখুন:
    অন্যান্য উদাহরণ: fried rice (ভাজা ভাত), broken glass (ভাঙা গ্লাস), written letter (লিখিত চিঠি)।
  21. ৬০. Contact lenses are worn in one's—
    • ক. cameras
    • খ. eyes
    • গ. shoes
    • ঘ. clothes
    উত্তর: খ. eyes
    Contact lens হলো পাতলা স্বচ্ছ লেন্স, যা চোখের মণির ওপর সরাসরি বসিয়ে পরা হয়। চোখের দৃষ্টির ত্রুটি ঠিক করতে চশমার বদলে এটি ব্যবহার করা যায়। তাই বাক্যে শূন্যস্থানে ‘eyes’ বসবে। Cameras, shoes বা clothes এই কাজে লাগে না, কারণ সেখানে লেন্স পরা হয় না। এই লেন্স চোখের সঙ্গে সরাসরি লেগে থাকে বলেই এর নাম contact (সংস্পর্শ) lens।
    মনে রাখুন:
    ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia) ও দূরদৃষ্টির ত্রুটি (Hypermetropia) সংশোধনে লেন্স বা চশমা লাগে।
    ক্ষীণদৃষ্টিতে অবতল লেন্স এবং দূরদৃষ্টিতে উত্তল লেন্স ব্যবহার হয়।
  22. ৬২. A girl who is going to be married —
    • ক. beloved
    • খ. bridegroom
    • গ. wife
    • ঘ. bride
    উত্তর: ঘ. bride
    যে মেয়ের বিয়ে হতে চলেছে অথবা যার সদ্য বিয়ে হয়েছে, তাকে ইংরেজিতে bride বলে। এটি One word expression-এর একটি উদাহরণ, যেখানে একটি শব্দ দিয়ে একটি পুরো বাক্যাংশের অর্থ বোঝানো হয়। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: bridegroom হলো পাত্র বা বর, wife হলো স্ত্রী, আর beloved মানে প্রিয়তমা বা প্রিয় কেউ। তাই উত্তর bride।
    মনে রাখুন:
    Bachelor অবিবাহিত পুরুষ, Spinster অবিবাহিত নারী।
    Widow বিধবা, Widower বিপত্নীক।
    বিয়ের অনুষ্ঠানে যে বর, তাকে bridegroom বলে, আর কনেকে bride বলে।
  23. ৬৪. The plural form of 'mouse' is —
    • ক. mousse
    • খ. mices
    • গ. mouses
    • ঘ. mice
    উত্তর: ঘ. mice
    ইংরেজিতে কিছু শব্দের বহুবচন নিয়ম মেনে হয় না, শব্দের ভেতরের স্বর বদলে যায়। Mouse (ইঁদুর) তেমন একটি শব্দ, এর বহুবচন mice। একই ধরনের শব্দ হলো louse থেকে lice।
    উদাহরণ:
    Man থেকে men, Woman থেকে women।
    Tooth থেকে teeth, Foot থেকে feet।
    মনে রাখুন: কম্পিউটারের mouse-এর বহুবচন mice বা mouses দুটিই চলে, তবে প্রাণীর ক্ষেত্রে সব সময় mice।
  24. ৬৬. The King left — heir.
    • ক. the
    • খ. none
    • গ. a
    • ঘ. an
    উত্তর: ঘ. an
    Article বসে উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি দেখে, বানানের প্রথম অক্ষর দেখে নয়। Heir শব্দের h অনুচ্চারিত, তাই উচ্চারণ হয় ‘এয়ার’, যা স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু। সেজন্য এর আগে an বসে: The King left an heir (রাজা একজন উত্তরাধিকারী রেখে গেলেন)। আগে অনির্দিষ্ট কোনো উত্তরাধিকারীর কথা বলা হচ্ছে বলে the নয়, an বসেছে।
    উদাহরণ:
    an hour, an honest man, an honour।
    মনে রাখুন: কিছু শব্দ বানানে স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণে ব্যঞ্জন দিয়ে শুরু হয়, তখন a বসে, যেমন a university, a European।
  25. ৬৮. 'In black and white' means—
    • ক. in contrast
    • খ. in conformity with
    • গ. in writing
    • ঘ. unfavourable
    উত্তর: গ. in writing
    In black and white একটি idiom, যার অর্থ লিখিত আকারে (in writing)। কোনো কথা বা চুক্তি লিখে রাখা থাকলে তাকে প্রমাণ হিসেবে ধরা হয়, সেই অর্থেই এই প্রয়োগ। কালো কালিতে সাদা কাগজে লেখা, এই চিত্র থেকে শব্দগুচ্ছটি এসেছে।
    উদাহরণ: I want the promise in black and white.
    মনে রাখুন: Black and white দিয়ে কখনো আবার ‘সম্পূর্ণ স্পষ্টভাবে ভালো-মন্দ আলাদা’ বোঝায়।
  26. ৭১. The — of radium brought much fame to Madame Curie.
    • ক. detection
    • খ. discovery
    • গ. invention
    • ঘ. use
    উত্তর: খ. discovery
    Discovery মানে আবিষ্কার, অর্থাৎ আগে থেকেই বিদ্যমান কিছু প্রথমবার খুঁজে পাওয়া। রেডিয়াম প্রকৃতিতে আগেই ছিল, মাদাম কুরি তা খুঁজে বের করেছেন, তাই এখানে discovery বসবে। Invention মানে উদ্ভাবন, যা আগে ছিল না এমন নতুন জিনিস তৈরি করা, যেমন টেলিফোন। Detection মানে শনাক্তকরণ, আর use মানে ব্যবহার।
    উদাহরণ: Columbus discovered America. (আবিষ্কার) Edison invented the bulb. (উদ্ভাবন)
    মনে রাখুন: মাদাম কুরি ও তাঁর স্বামী পিয়ের কুরি ১৮৯৮ সালে রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করেন।
  27. ৭২. Milk is — food.
    • ক. nutritive
    • খ. nutritious
    • গ. nutritional
    • ঘ. nutrient
    উত্তর: খ. nutritious
    Nutritious মানে পুষ্টিকর, অর্থাৎ যা খেলে শরীরে পুষ্টি আসে। খাবারকে বর্ণনা করতে সাধারণত এই শব্দটিই ব্যবহার হয়, তাই Milk is nutritious food। Nutrient হলো বিশেষ্য, যার মানে পুষ্টি উপাদান, তাই বিশেষণের জায়গায় বসে না। Nutritional মানে পুষ্টি সংক্রান্ত, যেমন nutritional value।
    উদাহরণ: Fruits are nutritious. Protein is an important nutrient.
    মনে রাখুন: Nutritive শব্দটিও আছে, তবে খাবারের বর্ণনায় nutritious বেশি চলে।
  28. ৭৩. The child cried for — mother.
    • ক. its
    • খ. none
    • গ. his
    • ঘ. her
    উত্তর: ক. its
    Child একটি লিঙ্গনিরপেক্ষ বিশেষ্য, অর্থাৎ ছেলে না মেয়ে তা বলা নেই। এ ধরনের শিশু বা ছোট প্রাণীর জন্য ইংরেজিতে সাধারণত neuter বোঝানো সর্বনাম it ও তার possessive রূপ its ব্যবহার করা হয়। তাই The child cried for its mother। শিশুটি ছেলে না মেয়ে জানা থাকলে অবশ্য his বা her বসতে পারে।
    উদাহরণ: The baby smiled at its mother.
    মনে রাখুন: Its কখনো it's লেখা হয় না, কারণ it's মানে it is।
  29. ৭৮. What kind of noun is 'river'?
    • ক. Material
    • খ. Collective
    • গ. Proper
    • ঘ. Common
    উত্তর: ঘ. Common
    যে নাম একই জাতীয় সব প্রাণী, বস্তু বা জিনিসকে সাধারণভাবে বোঝায়, ইংরেজি ব্যাকরণে তাকে সাধারণ নাম বা Common Noun বলে। River মানে নদী, আর পৃথিবীর যেকোনো নদীকে আমরা এই একটি শব্দে ডাকতে পারি, তাই এটি Common Noun। কিন্তু Padma বা Meghna বললে একটি বিশেষ নদী বোঝায়, তখন সেটি Proper Noun হয়ে যায়।
    উদাহরণ:
    Common Noun: man, city, girl, river।
    Proper Noun: Dhaka, Rahim, the Padma।
    মনে রাখুন: Material Noun মানে যে পদার্থ দিয়ে জিনিস তৈরি হয়, যেমন gold, water। আর Collective Noun মানে দল বোঝানো শব্দ, যেমন class, army।
  30. ৭৯. Who, Which, What are —
    • ক. interrogative pronoun
    • খ. demonstrative pronoun
    • গ. relative pronoun
    • ঘ. both ক and গ
    উত্তর: ঘ. both ক and গ
    Who, Which এবং What শব্দগুলো প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহার করা যায়, যেমন ‘Who is he?’, তখন এরা প্রশ্নবোধক সর্বনাম (Interrogative Pronoun)। আবার এরা দুটি বাক্যকে জোড়া দিয়ে আগের কোনো নামের কথা বলতেও পারে, যেমন ‘The man who came is my uncle.’, তখন এরা সম্বন্ধবাচক সর্বনাম (Relative Pronoun)। একই শব্দ দুই কাজ করে বলে ক ও গ দুটিই ঠিক।
    মনে রাখুন: Demonstrative Pronoun মানে যে সর্বনাম আঙুল তুলে কিছু দেখায়, যেমন this, that, these, those। এদের তালিকায় who, which, what পড়ে না।
  31. ৮৩. The medicine — my headache.
    • ক. cured
    • খ. released
    • গ. saved
    • ঘ. relieved
    উত্তর: ঘ. relieved
    Relieve মানে কষ্ট বা যন্ত্রণা কমানো। ওষুধ মাথাব্যথার কষ্ট কমিয়ে দেয়, তাই ‘The medicine relieved my headache.’ বাক্যটি অর্থে ঠিক হয়। Cure মানে রোগ পুরোপুরি সারিয়ে তোলা, আর এখানে শুধু ব্যথা কমার কথা বলা হয়েছে। Released মানে মুক্তি দেওয়া এবং saved মানে বাঁচানো, এ দুটো এই বাক্যের সঙ্গে খাপ খায় না।
    মনে রাখুন: Relieve-এর noun হলো relief (স্বস্তি)। ‘Cure’ রোগের জন্য আর ‘relieve’ উপসর্গের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।
  32. ৮৪. I saw — beggar.
    • ক. a one-eyed
    • খ. a one-eye
    • গ. an one-eyed
    • ঘ. an one-eye
    উত্তর: ক. a one-eyed
    An বসে সেই শব্দের আগে, যার উচ্চারণ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। বানানে কী আছে তা এখানে দেখার বিষয় নয়, উচ্চারণই আসল। One শব্দটি লেখায় o দিয়ে শুরু, কিন্তু উচ্চারণ হয় ‘ওয়ান’, অর্থাৎ ব্যঞ্জনধ্বনি w দিয়ে। এই কারণে one-eyed শব্দের আগে a বসে, আর বাক্যটি হয় ‘I saw a one-eyed beggar.’। আর বিশেষণ হিসেবে one-eyed লিখতে হয়, one-eye নয়।
    উদাহরণ:
    a university, a European, a one-eyed man (উচ্চারণ y/w দিয়ে শুরু)।
    an hour, an honest man (h নীরব, তাই স্বরধ্বনি)।
  33. ৮৭. A person unable to pay his debts—
    • ক. solvent
    • খ. miser
    • গ. poor
    • ঘ. insolvent
    উত্তর: ঘ. insolvent
    যে মানুষ নিজের ঋণ শোধ করতে পারে না, তাকে ইংরেজিতে insolvent বলে, বাংলায় দেউলিয়া। এর উল্টো অর্থের শব্দ হলো solvent, মানে যে ঋণ শোধ করার সামর্থ্য রাখে। Miser মানে কৃপণ, আর poor মানে গরিব। গরিব হলেই যে কেউ ঋণ শোধ করতে পারবে না তা নয়, তাই poor এখানে ঠিক উত্তর নয়।
    মনে রাখুন: Insolvent-এর noun হলো insolvency। দেউলিয়া ঘোষণার ক্ষেত্রে bankrupt শব্দটিও ব্যবহৃত হয়।
  34. ৮৯. Medha congratulated me — my success.
    • ক. with
    • খ. on
    • গ. for
    • ঘ. upon
    উত্তর: খ. on
    Congratulate শব্দটির পরে কাজ বা কৃতিত্বের আগে on বসে। অর্থাৎ কাউকে কোনো কিছুর জন্য অভিনন্দন জানাতে হলে ‘congratulate someone on something’ লিখতে হয়। তাই বাক্যটি হবে ‘Medha congratulated me on my success.’। For বা with ব্যবহার করা এখানে ভুল।
    উদাহরণ:
    She congratulated him on his victory।
    মনে রাখুন: Congratulation শব্দটির noun-ও ‘congratulations on’ রূপে একই preposition নেয়।
  35. ৯১. What is the time — your watch?
    • ক. at
    • খ. in
    • গ. by
    • ঘ. with
    উত্তর: গ. by
    কারও ঘড়ি অনুযায়ী সময় বোঝাতে ‘by’ বসে, তাই বাক্যটি হবে ‘What is the time by your watch?’। এর অর্থ ‘আপনার ঘড়িতে কয়টা বাজে?’ এখানে ‘by’ মানে অনুযায়ী বা মতে, অর্থাৎ ঘড়ি যে সময় দেখাচ্ছে সেই হিসাবে। At, in বা with বসালে এই অর্থ আসে না। ‘At’ সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের আগে বসে, যেমন at five o'clock, আর ‘in’ বসে দিনের অংশের আগে।
    মনে রাখুন:
    By my watch it is five o'clock।
    সময় বোঝাতে অন্য preposition: at five o'clock, in the morning, on Monday।
  36. ৯৬. 'Out and out' means —
    • ক. to be last
    • খ. thoroughly
    • গ. not at all
    • ঘ. man of outside
    উত্তর: খ. thoroughly
    ‘Out and out’ একটি idiom, যার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা পুরোপুরি, অর্থাৎ thoroughly। যেমন ‘He is an out-and-out liar.’ মানে সে একজন পুরোদস্তুর মিথ্যাবাদী। ‘Not at all’ হলো মোটেই নয়, আর ‘to be last’ মানে শেষ হওয়া।
    মনে রাখুন:
    আরও কিছু idiom: by and by (কিছুক্ষণ পরে), up and down (ওঠানামা), now and then (মাঝে মাঝে)।
  37. ৯৭. Everyone should — the truth.
    • ক. spoken
    • খ. to speak
    • গ. speak
    • ঘ. speaking
    উত্তর: গ. speak
    Should একটি modal verb। Modal verb-এর পরে সব সময় verb-এর মূল রূপ বা base form বসে, কোনো -ed, -ing বা to যুক্ত হয় না। তাই বাক্যটি হবে ‘Everyone should speak the truth.’। Spoken, speaking বা to speak এখানে ব্যাকরণসম্মত নয়।
    মনে রাখুন: Can, may, must, shall, will, would, could, might এবং should, এ সবই modal verb। এদের পরে base verb বসে।
  38. ৯৮. At last the beast in him got — upper hand.
    • ক. the
    • খ. none
    • গ. an
    • ঘ. a
    উত্তর: ক. the
    ‘Get the upper hand’ একটি idiom, যার অর্থ কারও ওপর প্রাধান্য বা আধিপত্য পাওয়া। এখানে article হিসেবে the বসতেই হবে। বাক্যটির মানে হলো, শেষ পর্যন্ত তার ভেতরের পশুটাই জিতে গেল। একই অর্থের আরেকটি কাছাকাছি idiom হলো ‘gain the upper hand’।
    মনে রাখুন: ‘Have the upper hand’ মানে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা, আর ‘lose the upper hand’ মানে সেই সুবিধা হারানো।
  39. ১০৪. 'সুনামী' বানান কোনটি সঠিক?
    • ক. Sunamy
    • খ. Sunamee
    • গ. Sunami
    • ঘ. Tsunami
    উত্তর: ঘ. Tsunami
    ইংরেজিতে সুনামির সঠিক বানান Tsunami। শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে, যেখানে tsu মানে বন্দর এবং nami মানে ঢেউ। সমুদ্রের নিচে ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাত হলে যে বিশাল ঢেউ উঠে উপকূলে আছড়ে পড়ে, তাকে সুনামি বলে। বাকি তিনটি বানান ভুল।
    মনে রাখুন: ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল, যাতে ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কাসহ অনেক দেশে বিপুল প্রাণহানি ঘটে।

বিজ্ঞান

  1. ৮২. The word 'neuron' is related to —
    • ক. brain
    • খ. stomach
    • গ. kidney
    • ঘ. heart
    উত্তর: ক. brain
    Neuron বা স্নায়ুকোষ আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের মূল একক। এই কোষগুলো মস্তিষ্ক (brain), মেরুদণ্ড ও সারা শরীরের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেত আদান-প্রদান করে। তাই Neuron-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক মস্তিষ্কের। পাকস্থলী, কিডনি বা হৃৎপিণ্ডের মূল একক আলাদা কোষ বা গঠন, সেগুলোকে neuron দিয়ে চেনানো হয় না।
    মনে রাখুন:
    নিউরনের তিনটি অংশ: কোষদেহ, ডেনড্রাইট ও অ্যাক্সন।
    মানুষের মস্তিষ্কে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরন আছে বলে ধরা হয়।
  2. ৯৯. যদি কোনো বল কোনো বস্তুকে একটি নির্দিষ্ট স্থান হতে লম্ব দূরত্বে ঘোরায় বা ঘোরাতে চায় তবে ঐ ঘোরানোর প্রবণতাকে কী বলে?
    • ক. যুগলবল
    • খ. ইনার্শিয়া
    • গ. টরশন
    • ঘ. মোমেন্ট
    উত্তর: ঘ. মোমেন্ট
    কোনো বল যদি কোনো বস্তুকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর চারদিকে ঘোরাতে চায়, তবে সেই ঘোরানোর প্রবণতার পরিমাপকে বলের ভ্রামক বা মোমেন্ট (Moment) বলে। এর মান হলো বল এবং ঘূর্ণন বিন্দু থেকে বলের রেখার লম্ব দূরত্বের গুণফল। অর্থাৎ moment = F × d। যুগলবল (Couple) হলো সমান ও বিপরীতমুখী দুটি সমান্তরাল বল, আর ইনার্শিয়া হলো জড়তা।
    মনে রাখুন: মোমেন্টের একক নিউটন-মিটার (N·m)।
  3. ১০০. কোনটি ব্যাটারীতে ব্যবহৃত হয়?
    • ক. HNO₃
    • খ. H₂SO₄
    • গ. HCl
    • ঘ. HF
    উত্তর: খ. H₂SO₄
    সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারি গাড়ি ও আইপিএসে ব্যবহৃত হয়। এতে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে লঘু সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄) থাকে। এই অ্যাসিড সীসার পাত ও সীসা ডাইঅক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ তৈরি করতে সাহায্য করে। চার্জ দিলে বিক্রিয়াটি উল্টো দিকে ঘটে, তাই ব্যাটারিটি বারবার ব্যবহার করা যায়। নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃), হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) বা হাইড্রোফ্লুরিক অ্যাসিড (HF) সাধারণ ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয় না।
    মনে রাখুন:
    সালফিউরিক অ্যাসিডকে রাসায়নিক শিল্পের রাজা বলা হয়।
    সাধারণ শুষ্ক কোষে (ড্রাই সেল) দস্তা ও কার্বন দণ্ড থাকে।
    সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারি পুনরায় চার্জ করা যায়, তাই এটি সেকেন্ডারি কোষ।
  4. ১০৫. নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
    • ক. প্রাকৃতিক গ্যাস
    • খ. তেল
    • গ. কয়লা
    • ঘ. সৌরশক্তি
    উত্তর: ঘ. সৌরশক্তি
    যে জ্বালানির উৎস ব্যবহার করলেও শেষ হয়ে যায় না, বরং প্রকৃতিতে বারবার তৈরি হয়, তাকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে। সূর্য প্রতিদিনই আলো ও তাপ দেয়, তাই সৌরশক্তি নবায়নযোগ্য। প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল ও কয়লা সৃষ্টি হতে লাখ লাখ বছর লাগে, তাই এগুলো অনবায়নযোগ্য।
    মনে রাখুন:
    নবায়নযোগ্য উৎস: সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, জৈবগ্যাস।
    অনবায়নযোগ্য উৎস: কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়াম।
  5. ১১০. বরফ সাদা দেখায়, কারণ :
    • ক. সবগুলো রং শোষণ করে
    • খ. সবগুলো রং প্রতিফলন করে
    • গ. লাল ও হলুদ রং শোষণ করে
    • ঘ. বেগুনি রশ্মি শোষণ করে
    উত্তর: খ. সবগুলো রং প্রতিফলন করে
    সাদা আলো আসলে সাতটি রঙের মিশ্রণ। কোনো বস্তু যখন সব রঙকে প্রায় সমানভাবে ফিরিয়ে দেয়, তখন আমরা তাকে সাদা দেখি। বরফের ভেতরে আছে অসংখ্য ছোট ছোট স্ফটিক। আলো এদের গায়ে লেগে বারবার সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং ফিরে আসে। সব রং সমানভাবে ফিরে আসে বলে বরফ সাদা দেখায়। কালো বস্তু উল্টো কাজ করে, সে প্রায় সব রং শুষে নেয়।
    মনে রাখুন: যে বস্তু শুধু লাল আলো প্রতিফলিত করে এবং বাকি রং শোষণ করে, তাকে আমরা লাল দেখি।
  6. ১১৫. আপেক্ষিক গুরুত্বের পরিমাপে ব্যবহার করা হয়—
    • ক. হাইড্রোমিটার
    • খ. মাইক্রোমিটার
    • গ. হাইগ্রোমিটার
    • ঘ. ম্যানোমিটার
    উত্তর: ক. হাইড্রোমিটার
    হাইড্রোমিটার (Hydrometer) একটি যন্ত্র, যা তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব মাপে। যন্ত্রটি তরলে ভাসিয়ে দিলে সেটি কতটুকু ডোবে, তা দেখে ঘনত্বের মান জানা যায়। তরল যত ঘন হয়, যন্ত্র তত কম ডোবে। বাকি যন্ত্রগুলোর কাজ আলাদা: মাইক্রোমিটার খুব ছোট দৈর্ঘ্য মাপে, হাইগ্রোমিটার বাতাসের আর্দ্রতা মাপে, আর ম্যানোমিটার গ্যাস বা তরলের চাপ মাপে।
    মনে রাখুন:
    ল্যাকটোমিটার দিয়ে দুধের বিশুদ্ধতা মাপা হয়।
    ব্যারোমিটার দিয়ে বায়ুর চাপ মাপা হয়।
    অ্যানিমোমিটার দিয়ে বাতাসের গতিবেগ মাপা হয়।
  7. ১১৭. তরলের চাপ নির্ভর করে—
    • ক. পাত্রের উপর
    • খ. তরলের উচ্চতার উপর
    • গ. পরিমাণের উপর
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. তরলের উচ্চতার উপর
    স্থির তরলের ভেতরে কোনো বিন্দুতে চাপ নির্ভর করে তরলের উচ্চতা (গভীরতা), তরলের ঘনত্ব এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর। সূত্রটি হলো P = hρg। এখানে পাত্রের আকার বা তরলের মোট পরিমাণ কোনো ভূমিকা রাখে না। তাই একটি সরু নল ও একটি চওড়া পাত্রে সমান উচ্চতার একই তরলের নিচে চাপ সমান হয়।
    মনে রাখুন: গভীরে গেলে চাপ বাড়ে বলে বাঁধের নিচের দিকের দেয়াল পুরু করা হয়।
  8. ১১৯. 100 kg ভরের একটি বস্তুর উপর একটি বল কাজ করে 5m/s² ত্বরণ সৃষ্টি করলে বলের মান কত?
    • ক. 500 kN
    • খ. 500 MN
    • গ. 500 mN
    • ঘ. 500 N
    উত্তর: ঘ. 500 N
    নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী বল = ভর × ত্বরণ, অর্থাৎ F = ma। এখানে m = 100 kg এবং a = 5 m/s², তাই F = 100 × 5 = 500 N। এক নিউটন মানে এমন বল, যা 1 kg ভরের বস্তুতে 1 m/s² ত্বরণ সৃষ্টি করে। বাকি বিকল্পগুলোর একক kN, MN ও mN, এদের কোনোটিই 500 N-এর সমান নয়।
    মনে রাখুন: 1 kN = 1000 N এবং 1 mN = 0.001 N।
  9. ১২০. ঘর্ষণ বল F, প্রতিক্রিয়া বল R হলে ঘর্ষণ সহগ μ কত?
    • ক. μ = R/F
    • খ. μ = R/θ
    • গ. μ = θ/R
    • ঘ. μ = F/R
    উত্তর: ঘ. μ = F/R
    দুটি তল পরস্পরের ওপর দিয়ে সরার সময় যে বাধা তৈরি হয়, তাকে ঘর্ষণ বল (F) বলে। তলের ওপর লম্বভাবে যে প্রতিক্রিয়া বল (R) কাজ করে, তার সঙ্গে ঘর্ষণ বলের অনুপাতকে ঘর্ষণ সহগ বলে, যার প্রতীক μ। সূত্রটি হলো μ = F/R। এই অনুপাত শুধু তলের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে, তলের ক্ষেত্রফলের ওপর নয়।
    মনে রাখুন: ঘর্ষণ সহগের কোনো একক নেই, কারণ এটি দুটি বলের অনুপাত।
  10. ১২৩. ব্যাটারির ক্যাপাসিটি পরিমাপ করা হয় — দ্বারা।
    • ক. Weight
    • খ. Ampere-hour
    • গ. Volt
    • ঘ. Ampere
    উত্তর: খ. Ampere-hour
    ব্যাটারি কতক্ষণ কত কারেন্ট দিতে পারবে, সেটিই তার ক্যাপাসিটি। একে মাপা হয় অ্যাম্পিয়ার-আওয়ার (Ah) এককে। যেমন 100 Ah ব্যাটারি এক ঘণ্টায় 100 অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট অথবা 10 ঘণ্টায় 10 অ্যাম্পিয়ার করে কারেন্ট দিতে পারে। ভোল্ট দিয়ে বিভব বা চাপ মাপা হয়, আর অ্যাম্পিয়ার দিয়ে মাপা হয় কেবল কারেন্টের মান, কতক্ষণ দেবে তা নয়।
    মনে রাখুন: অ্যাম্পিয়ার × সময় = চার্জ, তাই 1 Ah = 3600 কুলম্ব।
  11. ১২৪. ১°C সমান — ডিগ্রি ফারেনহাইট—
    • ক. ৩২.৬
    • খ. ৩২.৪
    • গ. ৩২.৮
    • ঘ. ৩৩.৮
    উত্তর: ঘ. ৩৩.৮
    সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইটে রূপান্তরের সূত্র হলো F = (9/5) × C + 32। এখানে C = 1 বসালে F = 1.8 + 32 = 33.8। অর্থাৎ ১°C সমান 33.8°F। সেলসিয়াস স্কেলে পানির হিমাঙ্ক 0° আর ফারেনহাইট স্কেলে সেটি 32°, তাই হিসাবে 32 যোগ করতে হয়।
    মনে রাখুন:
    পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C, যা 212°F-এর সমান।
    উল্টো দিকে সূত্র হলো C = (5/9) × (F − 32)।
    যাচাই: 0°C হলে 32°F, আর 100°C হলে (9/5) × 100 + 32 = 212°F, তাই সূত্র ঠিক।
  12. ১২৫. সাধারণ লবণের উপাদান কী কী?
    • ক. পটাসিয়াম ও ক্লোরিন
    • খ. ক্যালসিয়াম ও ক্লোরিন
    • গ. সোডিয়াম ও পটাসিয়াম
    • ঘ. সোডিয়াম ও ক্লোরিন
    উত্তর: ঘ. সোডিয়াম ও ক্লোরিন
    সাধারণ লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড, সংকেত NaCl। এটি তৈরি হয়েছে সোডিয়াম (Na) ধাতু ও ক্লোরিন (Cl) গ্যাসের সমন্বয়ে। সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন ছেড়ে দেয় আর ক্লোরিন তা গ্রহণ করে, ফলে দুটি আয়ন তৈরি হয় এবং আয়নিক বন্ধনে যুক্ত থাকে। তাই এটি আয়নিক যৌগ।
    মনে রাখুন: সমুদ্রের পানি থেকে লবণ আহরণ করা হয়। বাংলাদেশে কক্সবাজারে এ কাজ বেশি হয়।
  13. ১২৭. গ্যাসীয় জ্বালানিতে দাহ্য কোনটি?
    • ক. N₂
    • খ. O₂
    • গ. CO
    • ঘ. CO₂
    উত্তর: গ. CO
    কার্বন মনোক্সাইড (CO) একটি দাহ্য গ্যাস, অর্থাৎ বাতাসের অক্সিজেনে এটি জ্বলে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডে পরিণত হয়। এ কারণে ওয়াটার গ্যাস ও প্রডিউসার গ্যাসের মতো গ্যাসীয় জ্বালানিতে CO এর অংশ জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। নাইট্রোজেন (N₂) জ্বলে না, অক্সিজেন (O₂) নিজে জ্বলে না কিন্তু অন্যকে জ্বলতে সাহায্য করে, আর কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) আগুন নেভাতে ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন: CO অত্যন্ত বিষাক্ত, কারণ এটি রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে সহজে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন বহনে বাধা দেয়।
  14. ১২৮. পানির pH মান কত হলে পুরোপুরি ক্ষারকীয় হয়?
    • ক. ৯
    • খ. ১৪
    • গ. ২০
    • ঘ. ৭
    উত্তর: খ. ১৪
    pH স্কেল দিয়ে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা মাপা হয়। স্কেলের মান ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত। ৭ হলো নিরপেক্ষ, যেমন বিশুদ্ধ পানি। ৭-এর কম হলে দ্রবণ অম্লীয় আর ৭-এর বেশি হলে ক্ষারীয়। সর্বোচ্চ মান ১৪, তাই pH ১৪ হলে দ্রবণ সর্বোচ্চ ক্ষারীয় হয়।
    মনে রাখুন: pH = −log[H⁺]। ০ হলো সর্বাধিক অম্লীয় মান।
  15. ১৩০. কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে?
    • ক. 4°C
    • খ. 4K
    • গ. 4°R
    • ঘ. 4°F
    উত্তর: ক. 4°C
    বেশিরভাগ পদার্থ ঠান্ডা হলে সংকুচিত হয় এবং ঘনত্ব বাড়ে। কিন্তু পানি ব্যতিক্রম। ৪°C তাপমাত্রা পর্যন্ত ঠান্ডা করলে পানি সংকুচিত হয়, কিন্তু এর নিচে নামলে আবার প্রসারিত হতে শুরু করে। তাই পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় 4°C তাপমাত্রায়, যেখানে ঘনত্ব প্রায় 1000 kg/m³। অন্য বিকল্পগুলোতে K, °R বা °F একক হওয়ায় সেগুলোর মান ভিন্ন তাপমাত্রা বোঝায়।
    মনে রাখুন: এই কারণে শীতের দেশে হ্রদের উপরে বরফ জমলেও নিচের পানি তরল থাকে, ফলে জলজ প্রাণী বেঁচে যায়।

গণিত

  1. ১০১. দুটি বল (P>Q) পরস্পর 180° কোণে কাজ করলে তাদের লব্ধির মান—
    • ক. √(P²+Q²)
    • খ. √(P²−Q²)
    • গ. √(P+Q)
    • ঘ. P−Q
    উত্তর: ঘ. P−Q
    দুটি বল P ও Q যদি একই বিন্দুতে পরস্পর বিপরীত দিকে, অর্থাৎ 180° কোণে কাজ করে, তবে লব্ধির সূত্র হলো R = √(P² + Q² + 2PQ cos θ)। θ = 180° হলে cos 180° = −1, ফলে R = √(P² + Q² − 2PQ) = √(P − Q)² = P − Q। যেহেতু P বড়, তাই লব্ধি P − Q এবং এটি বড় বলটির দিকে কাজ করে।
    মনে রাখুন: θ = 0° হলে লব্ধি P + Q, আর θ = 90° হলে লব্ধি √(P² + Q²)।
  2. ১২১. একটি আয়তক্ষেত্রের মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া C.G বরাবর I_xx এর মান—
    • ক. bh³/36
    • খ. hb³/36
    • গ. bh³/12
    • ঘ. hb³/12
    উত্তর: গ. bh³/12
    আয়তক্ষেত্রের ভরকেন্দ্র (C.G) দিয়ে অনুভূমিক অক্ষ x-x বরাবর জড়তার ভ্রামক বা মোমেন্ট অব ইনার্শিয়া হলো I_xx = bh³/12। এখানে b হলো আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ আর h হলো উচ্চতা। উল্লম্ব অক্ষ y-y বরাবর মান হয় I_yy = hb³/12। দুটির পার্থক্য এই যে, যে বাহুটি অক্ষের লম্ব দিকে থাকে, তার ঘন (cube) নেওয়া হয়। 36 দিয়ে ভাগ করার সূত্রটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন: ত্রিভুজের ভূমি বরাবর C.G-তে I = bh³/36।

আন্তর্জাতিক

  1. ১০২. 'Long Walk to Freedom' কার আত্মজীবনী?
    • ক. লেনিন
    • খ. আব্রাহাম লিংকন
    • গ. মহাত্মা গান্ধী
    • ঘ. নেলসন ম্যান্ডেলা
    উত্তর: ঘ. নেলসন ম্যান্ডেলা
    ‘লং ওয়াক টু ফ্রিডম’ (Long Walk to Freedom) দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী, যা ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য তিনি প্রায় ২৭ বছর জেলে ছিলেন, ১৯৯০ সালে মুক্তি পান। ১৯৯৪ সালে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হন।
    মনে রাখুন: ম্যান্ডেলা ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁর জন্মদিন, ১৮ জুলাই, জাতিসংঘ ‘নেলসন ম্যান্ডেলা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
  2. ১০৬. NATO কোন ধরনের জোট?
    • ক. সাংস্কৃতিক
    • খ. রাজনৈতিক
    • গ. সামরিক
    • ঘ. অর্থনৈতিক
    উত্তর: গ. সামরিক
    NATO-র পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization। ঠান্ডা যুদ্ধের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরক্ষার জন্য ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে চুক্তি সই করে এটি গঠিত হয়। এর মূল নীতি হলো, কোনো এক সদস্যের ওপর হামলা সব সদস্যের ওপর হামলা। তাই NATO একটি সামরিক জোট। এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
    মনে রাখুন: সোভিয়েত নেতৃত্বাধীন পাল্টা সামরিক জোটের নাম ছিল ওয়ারশ প্যাক্ট (১৯৫৫), যা ১৯৯১ সালে ভেঙে যায়।
    হালনাগাদ: ২০২৪ সালে সুইডেন যোগ দেওয়ায় NATO-র সদস্য সংখ্যা ৩২।
  3. ১০৭. ISO-এর পূর্ণরূপ কী?
    • ক. International Organization for Standardization
    • খ. International Organ for Standardization
    • গ. International Standard Organization
    • ঘ. International Organization for Standard
    উত্তর: ক. International Organization for Standardization
    ISO-র পূর্ণরূপ International Organization for Standardization। এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মান নির্ধারণ করে, যাতে সব দেশে একই মান বজায় থাকে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। সংস্থাটি ১৯৪৭ সালে কাজ শুরু করে। অন্য বিকল্পগুলোর নাম ঠিক নয়: ‘Organ’ মানে অঙ্গ, আর ‘Standard Organization’ বা ‘for Standard’ লিখলে সংস্থার আসল নামের সঙ্গে মেলে না। আসল নামে ‘Standardization’ শব্দটি আছে, যার অর্থ মান নির্ধারণ।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করে বিএসটিআই, যার পূর্ণরূপ বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন।
    ISO নামটি গ্রিক শব্দ isos (সমান) থেকে নেওয়া।
  4. ১০৮. 'সেনেগাল' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
    • ক. আফ্রিকা
    • খ. এশিয়া
    • গ. ইউরোপ
    • ঘ. উত্তর আমেরিকা
    উত্তর: ক. আফ্রিকা
    সেনেগাল আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম প্রান্তের একটি দেশ। আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত দেশটির রাজধানী ডাকার। সেনেগালের সরকারি ভাষা ফরাসি, আর দেশটির অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। দেশটি ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল, তাই ফরাসি ভাষা এখানে সরকারি কাজে এখনও প্রচলিত। আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের সবচেয়ে পশ্চিমের বিন্দু ডাকারেই পড়েছে। এশিয়া, ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকার কোনো দেশ নয় এটি।
    মনে রাখুন:
    সেনেগাল ১৯৬০ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়।
    সেনেগালের পাশের দেশগুলোর মধ্যে মৌরিতানিয়া, মালি ও গিনি অন্যতম।
  5. ১০৯. 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' কবিতাটি লিখেছেন :
    • ক. পল হ্যারিস
    • খ. জে. গ্রোভ
    • গ. এ্যালেন গিঙ্গসবার্গ
    • ঘ. রবার্ট ফ্রস্ট
    উত্তর: গ. এ্যালেন গিঙ্গসবার্গ
    ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতাটি লিখেছেন মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যশোর রোড ধরে ভারতে আসা লাখ লাখ শরণার্থীর দুর্দশা দেখে কবিতাটি লেখেন। এই কবিতার মাধ্যমে বিশ্ববাসী বাংলাদেশের মানুষের কষ্টের কথা জানতে পারে। পরে এই কবিতায় সুর দিয়ে গান করেছেন অনেকে, যার মধ্যে বব ডিলান উল্লেখযোগ্য।
    মনে রাখুন: গিন্সবার্গ ‘বিট জেনারেশন’ নামের সাহিত্য আন্দোলনের একজন প্রধান কবি। তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘Howl’।
  6. ১১২. আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি কোনটি?
    • ক. স্বর্ণ
    • খ. ব্রোঞ্জ
    • গ. তাম্র
    • ঘ. লৌহ
    উত্তর: ঘ. লৌহ
    মানুষের ইতিহাসে লোহার ব্যবহার শুরু হওয়ার পর সভ্যতা দ্রুত এগিয়ে যায়। লোহা দিয়ে মজবুত যন্ত্রপাতি, লাঙলের ফলা, অস্ত্র, রেললাইন ও যন্ত্র তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। তাই আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি হিসেবে লৌহকে ধরা হয়। স্বর্ণ ও তামা নরম ধাতু, আর ব্রোঞ্জ তামা ও টিনের মিশ্রণ। এগুলো লোহার মতো শক্ত ও সর্বব্যাপী হয় না।
    মনে রাখুন: ইতিহাসের ধাতুভিত্তিক যুগের ক্রম হলো তাম্র, ব্রোঞ্জ, তারপর লৌহ যুগ।
  7. ১১৩. 'ইথিওপিয়া' এর পূর্বনাম কী ছিল?
    • ক. রোডেশিয়া
    • খ. সলসবেরী
    • গ. জায়ার
    • ঘ. আবিসিনিয়া
    উত্তর: ঘ. আবিসিনিয়া
    ইথিওপিয়ার পুরোনো নাম ছিল আবিসিনিয়া (Abyssinia)। এটি আফ্রিকার একটি প্রাচীন দেশ, যার রাজধানী আদ্দিস আবাবা। ইউরোপীয় শক্তিগুলোর আফ্রিকা ভাগাভাগির সময়ও এই দেশ প্রায় স্বাধীন ছিল। ১৮৯৬ সালের আদোয়ার যুদ্ধে তারা ইতালিকে হারিয়ে দেয়। পরে শুধু ১৯৩৬ থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত ইতালি দেশটি দখলে রেখেছিল। রোডেশিয়া হলো জিম্বাবুয়ের পূর্ব নাম, আর জায়ার হলো কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্ব নাম।
    মনে রাখুন:
    সলসবেরি হলো জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের পুরোনো নাম।
    আদ্দিস আবাবায় আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর।
  8. ১১৮. সার্কের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
    • ক. কাঠমান্ডু
    • খ. মালদ্বীপ
    • গ. দিল্লি
    • ঘ. কলম্বো
    উত্তর: ক. কাঠমান্ডু
    সার্কের (SAARC) পূর্ণরূপ South Asian Association for Regional Cooperation। সংগঠনটি ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এর সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। সার্কের ধারণা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
    মনে রাখুন:
    সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
    সার্কের সদস্য আটটি: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।
  9. ১২৬. সার্কের বর্তমান দেশের সংখ্যা কত?
    • ক. ৯টি
    • খ. ১০টি
    • গ. ৮টি
    • ঘ. ৭টি
    উত্তর: গ. ৮টি
    দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংগঠন সার্কের শুরুতে সদস্য ছিল সাতটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ। ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ায় সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় আটটি। তাই পরীক্ষার সময়কার সদস্য সংখ্যা ৮। সার্ক ১৯৮৫ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
    মনে রাখুন:
    সার্কের সচিবালয় কাঠমান্ডুতে।
    সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ডিসেম্বর ১৯৮৫-তে ঢাকায় হয়।
    সার্ক গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
    সার্কের পর্যবেক্ষক দেশের মধ্যে চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইত্যাদি আছে।
  10. ১২৯. আলফ্রেড নোবেল কী আবিষ্কার করেন?
    • ক. কয়লা
    • খ. পোলিও টিকা
    • গ. ডিনামাইট
    • ঘ. বিদ্যুৎ
    উত্তর: গ. ডিনামাইট
    সুইডিশ রসায়নবিদ ও আবিষ্কারক আলফ্রেড নোবেল ১৮৬৭ সালে ডিনামাইট আবিষ্কার করেন। এটি এক ধরনের বিস্ফোরক, যা পাহাড় কাটা ও খনির কাজে ব্যবহার করা হয়। এই আবিষ্কার থেকে তাঁর প্রচুর সম্পদ হয়েছিল, আর সেই সম্পদের একটি বড় অংশ থেকে ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।
    মনে রাখুন: নোবেল পুরস্কার পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য ও শান্তিতে দেওয়া হয়। অর্থনীতির পুরস্কারটি পরে যোগ হয়েছে।
  11. ১৩১. পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে?
    • ক. আটলান্টিক ও ভারত
    • খ. আটলান্টিক ও কুমেরু
    • গ. প্রশান্ত ও আটলান্টিক
    • ঘ. প্রশান্ত ও ভারত
    উত্তর: গ. প্রশান্ত ও আটলান্টিক
    পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা যোজকের ওপর খুঁড়ে তৈরি করা জলপথ। এর মাধ্যমে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর (ক্যারিবীয় সাগরের দিক) ও প্রশান্ত মহাসাগর সংযুক্ত হয়েছে। খালটি ১৯১৪ সালে চালু হয়। ফলে জাহাজকে আর দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে যেতে হয় না, বহু হাজার কিলোমিটার পথ বেঁচে যায়। খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ কিলোমিটার।
    মনে রাখুন: ১৯৯৯ সালের শেষ দিন খালটির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানামার হাতে চলে যায়।
    সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ১১১. কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি হয়?
    • ক. প্লাস্টিক
    • খ. কোনোটিই নয়
    • গ. এ্যালুমিনিয়াম
    • ঘ. সিলিকন
    উত্তর: ঘ. সিলিকন
    কম্পিউটারের চিপ, মেমোরি, ট্রানজিস্টর ও ডায়োড তৈরির প্রধান উপাদান সিলিকন। সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor), অর্থাৎ বিশেষ অবস্থায় এটি বিদ্যুৎ চালনা করে, আবার অন্য অবস্থায় করে না। এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মূল অংশ এটি দিয়ে বানানো হয়। এটি সহজলভ্য, কারণ বালিতে প্রচুর সিলিকন ডাইঅক্সাইড আছে। প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়াম এ কাজের জন্য উপযুক্ত নয়।
    মনে রাখুন: সিলিকন ভ্যালি নামটি এই সিলিকন থেকেই এসেছে। সোলার সেলেও সিলিকন ব্যবহার হয়।

মানসিক দক্ষতা

  1. ১১৬. কোনটি অটোমোবাইল নয়?
    • ক. কার
    • খ. বাস
    • গ. মটর সাইকেল
    • ঘ. বাই সাইকেল
    উত্তর: ঘ. বাই সাইকেল
    অটোমোবাইল (Automobile) বলতে সেই যানবাহন বোঝায়, যা নিজের ইঞ্জিনের শক্তিতে নিজে চলে। কার, বাস ও মোটরসাইকেল সবই ইঞ্জিনের জোরে চলে, তাই এগুলো অটোমোবাইল। বাই সাইকেল বা সাধারণ সাইকেল চলে মানুষের পায়ের শক্তিতে, এতে কোনো ইঞ্জিন থাকে না, তাই এটি অটোমোবাইল নয়। শব্দটির মধ্যেই এর অর্থ লুকিয়ে আছে।
    মনে রাখুন: Automobile শব্দের auto মানে নিজে এবং mobile মানে চলমান, অর্থাৎ যা নিজেই চলে।
    অন্য যানবাহন, যেমন রিকশা, ঠেলাগাড়ি বা বাই সাইকেল, মানুষের শক্তিতে চলে। অটোমোবাইল চালাতে জ্বালানি ও ইঞ্জিন লাগে।

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন