লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৩১ আগস্ট ২০২৩। ৭০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. কার সঙ্গে 'গুরুচণ্ডালী' দোষ সম্পর্কিত?
    • ক. উচ্চারণের সঙ্গে
    • খ. বানানের সঙ্গে
    • গ. রূপতত্ত্বের সঙ্গে
    • ঘ. ভাষারীতির সঙ্গে
    উত্তর: ঘ. ভাষারীতির সঙ্গে
    একই বাক্যে বা রচনায় সাধু ও চলিত ভাষার শব্দ মিশিয়ে ফেললে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়। 'গুরু' এখানে সাধু বা তৎসম, উঁচু মানের শব্দের প্রতীক এবং 'চণ্ডাল' চলিত বা আটপৌরে শব্দের প্রতীক। এটি ভাষা ব্যবহারের রীতির দোষ, উচ্চারণ বা বানানের দোষ নয়। দুই রীতির মিশ্রণে বাক্যটি বেসুরো শোনায়, তাই একটি রচনায় একই রীতি ধরে রাখা দরকার।
    উদাহরণ:
    'গরুর শকট' (গরুর গাড়ি বা গোশকট হওয়া উচিত)।
    মনে রাখুন:
    সাধু ও চলিত ভাষার ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম আলাদা। যেমন সাধুতে 'করিতেছি', চলিতে 'করছি'।
    এক রচনায় একই রীতি ধরে রাখতে হয়।
  2. ৩. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট চরিত্র কুবের ও কপিলার সঙ্গে কোন নদীর নাম জড়িত?
    • ক. তিতাস
    • খ. ব্রহ্মপুত্র
    • গ. কর্ণফুলী
    • ঘ. পদ্মা
    উত্তর: ঘ. পদ্মা
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' (১৯৩৬) উপন্যাসের নায়ক কুবের মাঝি এবং নায়িকা কপিলা। উপন্যাসটি পদ্মা নদীর তীরের জেলে বা মাঝিদের জীবন নিয়ে লেখা, তাই এর সঙ্গে পদ্মা নদীর নামই জড়িত। 'তিতাস একটি নদীর নাম' অদ্বৈত মল্লবর্মণের এবং 'কর্ণফুলী' আলাউদ্দিন আল আজাদের উপন্যাস। মানিকের আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। কুবের একজন গরিব মাঝি, আর কপিলা তার স্ত্রী মালার বোন। কুবেরের জীবনের দুঃখ-দুর্দশা ও নদীনির্ভর মানুষের লড়াই এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
    মনে রাখুন:
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য রচনা: পুতুলনাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য।
    পদ্মানদীর মাঝি-র আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হোসেন মিয়া, যে ময়নাদ্বীপে মানুষ জড়ো করে।
  3. ৮. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়?
    • ক. চিত্রা
    • খ. সঞ্চিতা
    • গ. সঞ্চয়িতা
    • ঘ. চতুরঙ্গ
    উত্তর: খ. সঞ্চিতা
    'সঞ্চিতা' (১৯২৮) কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য সংকলন, যেখানে তাঁর বাছাই করা কবিতা ও গান জায়গা পেয়েছে। নজরুল বইটি রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেছিলেন। বাকি তিনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা। 'চিত্রা' তাঁর কাব্যগ্রন্থ, 'সঞ্চয়িতা' তাঁর নিজের নির্বাচিত কবিতার সংকলন এবং 'চতুরঙ্গ' একটি উপন্যাস। দুটি নামের উচ্চারণ প্রায় এক রকম বলেই ভুল হওয়া সহজ। বইয়ের নাম মনে রাখার একটি সহজ উপায় আছে। নজরুলের 'সঞ্চিতা' নামে বাছাই কবিতার সংকলন আছে, আর রবীন্দ্রনাথের 'সঞ্চয়িতা' নামে সংকলন আছে। এ দুটির বানানের তফাত খেয়াল রাখলে ভুল হবে না।
    মনে রাখুন:
    সঞ্চিতা: নজরুলের কবিতা সংকলন।
    সঞ্চয়িতা: রবীন্দ্রনাথের কবিতা সংকলন (১৯৩১)।
    রবীন্দ্রনাথের 'চতুরঙ্গ' (১৯১৬) উপন্যাস।
    নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা (১৯২২)।
  4. ৯. 'চাঁদের অমাবস্যা' কার লেখা উপন্যাস?
    • ক. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
    • খ. দিলারা হাশেম
    • গ. আবু জাফর শামসুদ্দীন
    • ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    উত্তর: ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    'চাঁদের অমাবস্যা' (১৯৬৪) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস। এর কেন্দ্রীয় চরিত্র আরেফ আলী নামের এক শিক্ষক, যিনি এক রহস্যময় গ্রামে চাকরি করতে এসে একটি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে ভয় ও অপরাধবোধে ভোগেন। উপন্যাসটিতে অস্তিত্ববাদী ভাবনা ও মনস্তত্ত্বের ছাপ আছে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা সাহিত্যে এই ধারার একজন গুরুত্বপূর্ণ লেখক। কাহিনির নায়ক আরেফ আলী নিজের ভেতরের দ্বন্দ্ব ও অপরাধবোধ নিয়ে লড়াই করেন। এ কারণে উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যে মনোবিশ্লেষণধর্মী লেখার গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্য উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)।
    তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ নয়নচারা (১৯৪৫)।
    'কাশবনের কন্যা' শামসুদ্দীন আবুল কালামের এবং 'ঘর মন জানালা' দিলারা হাশেমের উপন্যাস।
  5. ১০. 'নিরত' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
    • ক. বিরত
    • খ. দ্রুত
    • গ. অবিরত
    • ঘ. নিবৃত্ত
    উত্তর: ক. বিরত
    'নিরত' শব্দের অর্থ নিযুক্ত বা আসক্ত। যে মানুষ কোনো কাজে লেগে থাকে, সে সেই কাজে নিরত। এর বিপরীত শব্দ 'বিরত', অর্থাৎ যে কাজ থেকে সরে এসেছে। 'দ্রুত'-এর বিপরীত হলো মন্থর বা ধীর, তাই এটি এখানে খাটে না। 'অবিরত' মানে নিরন্তর বা বিরামহীন, যা নিরতের বিপরীত নয়, বরং এর কাছাকাছি অর্থ বোঝায়। আর 'নিবৃত্ত' শব্দটি 'বিরত'-এর সমার্থক। বিপরীত শব্দ শেখার সময় উপসর্গের দিকে লক্ষ্য রাখলে সুবিধা হয়, কারণ নি-, বি-, অ-, অব-এর মতো উপসর্গ মিলে শব্দের অর্থ ঘুরে যেতে পারে। তাই নিরত ও বিরত শব্দ দুটির মাঝের এই ছোট পার্থক্যটি মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    কিছু বিপরীত শব্দ: ক্ষীয়মাণ-বর্ধমান, আকুঞ্চন-প্রসারণ, দ্রুত-মন্থর।
    আরও কিছু জোড়া: অগ্রজ-অনুজ, স্থূল-সূক্ষ্ম, উত্থান-পতন।
  6. ১৬. তার চোখ দিয়ে জল পড়ে- 'চোখ দিয়ে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
    • ক. অধিকরণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
    • খ. করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
    • গ. কর্মকারকে তৃতীয়া বিভক্তি
    • ঘ. অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
    উত্তর: ঘ. অপাদান কারকে তৃতীয়া বিভক্তি
    'তার চোখ দিয়ে জল পড়ে' বাক্যে জল চোখ থেকে বেরিয়ে আসছে, অর্থাৎ চোখ হলো জলের উৎস। যেখান থেকে কিছু বেরোয় বা সরে যায়, তাকে অপাদান কারক (Ablative case) বলে। এখানে 'দিয়ে' অনুসর্গটি তৃতীয়া বিভক্তির কাজ করছে, তাই এটি অপাদানে তৃতীয়া। করণ কারক হতো যদি 'চোখ' কোনো যন্ত্র বা উপায় হিসেবে ব্যবহার হতো, যেমন লাঙল দিয়ে চাষ করা।
    মনে রাখুন:
    করণে তৃতীয়া: কলম দিয়ে লেখা।
    অধিকরণে তৃতীয়া: বড় রাস্তা দিয়ে যাও।
    অপাদানে পঞ্চমী: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
  7. ১৭. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন নয় কোনটি?
    • ক. বৈষ্ণব পদাবলী
    • খ. চর্যাপদ
    • গ. মঙ্গলকাব্য
    • ঘ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    উত্তর: খ. চর্যাপদ
    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সাধারণত তিন যুগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন যুগ (৬৫০-১২০০), মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০) ও আধুনিক যুগ (১৮০১ থেকে)। 'চর্যাপদ' বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন, তাই এটি প্রাচীন যুগের। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। বৈষ্ণব পদাবলী, মঙ্গলকাব্য ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন সবই মধ্যযুগের সাহিত্য। প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ, যার অপর নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়। এতে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত পদ আছে। মধ্যযুগ শুরু হয় তুর্কি আক্রমণের পর, ১২০১ সালের কাছাকাছি সময় থেকে।
    মনে রাখুন:
    মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার এক গ্রাম থেকে পাওয়া যায়।
  8. ২৩. 'বহুব্রীহি' শব্দটি কোন সমাস?
    • ক. বহুব্রীহি
    • খ. কর্মধারয়
    • গ. অব্যয়ীভাব
    • ঘ. প্রাদি সমাস
    উত্তর: ক. বহুব্রীহি
    যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ অন্য একটি পদের অর্থ বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস (Bahuvrihi compound) বলে। 'বহুব্রীহি' শব্দটি নিজেই তার উদাহরণ: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার, সে বহুব্রীহি। এখানে বহু বা ব্রীহি কোনোটিই শেষ পর্যন্ত মূল অর্থ নয়, বরং যার অনেক ধান আছে এমন কিছু বোঝায়। ব্যাসবাক্যে 'যার' বা 'যে' ধরনের শব্দ থাকা এই সমাসের একটি পরিচিত চিহ্ন।
    উদাহরণ:
    নীল কণ্ঠ যার = নীলকণ্ঠ।
    দশ আনন যার = দশানন।
    হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি।
  9. ২৫. 'কবিকঙ্কণ' কোন কবির উপাধি?
    • ক. মুকুন্দরাম
    • খ. ভারতচন্দ্র
    • গ. বড়ু চণ্ডীদাস
    • ঘ. বিদ্যাপতি
    উত্তর: ক. মুকুন্দরাম
    'কবিকঙ্কণ' মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি। তিনি 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর কাব্যে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, বিশেষ করে ফুল্লরা ও কালকেতুর জীবনের দুঃখ, জীবন্তভাবে ধরা পড়েছে। ভারতচন্দ্র 'রায়গুণাকর' উপাধি পান এবং 'অন্নদামঙ্গল' লেখেন। 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'-এর কবি বড়ু চণ্ডীদাস। বিদ্যাপতি মিথিলার কবি, যাঁর পদাবলী বাংলা বৈষ্ণব কবিদের প্রভাবিত করেছিল। মঙ্গলকাব্য মূলত দেবদেবীর মাহাত্ম্য নিয়ে লেখা আখ্যানকাব্য, যেখানে দেবী বা দেবতার পূজা প্রচারের গল্প বলা হয়। প্রধান তিন ধারা মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। মুকুন্দরাম এর মধ্যে চণ্ডীমঙ্গল ধারার শ্রেষ্ঠ কবি।
    মনে রাখুন:
    মুকুন্দরামের কাব্যের অন্য নাম 'অভয়ামঙ্গল'।
    ভারতচন্দ্র: রায়গুণাকর, অন্নদামঙ্গল।
  10. ২৮. 'জোছনা ও জননীর গল্প' বইয়ের লেখক কে?
    • ক. আনোয়ার পাশা
    • খ. আবদুল হাই
    • গ. হুমায়ুন আহমেদ
    • ঘ. শহীদুল্লা কায়সার
    উত্তর: গ. হুমায়ুন আহমেদ
    'জোছনা ও জননীর গল্প' হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। বইটিতে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মায়েদের দুঃখ ও সাহসের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) বাংলা কথাসাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় লেখক। হিমু ও মিসির আলি তাঁর সৃষ্ট দুটি পরিচিত চরিত্র। আরও একটু জেনে রাখা ভালো, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা গল্প-উপন্যাস পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই লেখকের নামের সঙ্গে বইয়ের নাম মিলিয়ে মনে রাখতে হয়। হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনায়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
    মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্য রচনা: আগুনের পরশমণি, ১৯৭১।
    শহীদুল্লা কায়সারের বিখ্যাত উপন্যাস 'সংশপ্তক'।
  11. ৩২. কোন স্বরবর্ণের কোনো কার বা সংক্ষিপ্ত রূপ নেই?
    • ক. আ
    • খ. অ
    • গ. উ
    • ঘ. ই
    উত্তর: খ. অ
    স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে যে সংক্ষিপ্ত চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, তাকে কার বলে। 'অ'-এর কোনো কার নেই, কারণ প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণের মধ্যে অ-ধ্বনি আগে থেকেই থাকে। যেমন ক = ক্ + অ। এই অ-ধ্বনি বাদ দিতে চাইলে হসন্ত চিহ্ন (্) বসাতে হয়, তখন ক্ হয়। আ-কার (া), ই-কার (ি) ও উ-কার (ু) তিনটিরই আলাদা চিহ্ন আছে।
    মনে রাখুন:
    কার-চিহ্ন মোট ১০টি, কারণ ১১টি স্বরবর্ণের মধ্যে অ বাদ।
    উদাহরণ: কা, কি, কী, কু, কূ, কৃ, কে, কৈ, কো, কৌ।
  12. ৪৬. 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' কোন ধরনের গ্রন্থ?
    • ক. উপন্যাস
    • খ. প্রবন্ধগ্রন্থ
    • গ. নাটক
    • ঘ. আত্মজীবনী
    উত্তর: ক. উপন্যাস
    'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' শহীদুল জহিরের লেখা উপন্যাস, যা ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধের পরের সমাজে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও রাজাকারদের পুনর্বাসনের কাহিনি আছে। নাম শুনে এটিকে প্রবন্ধ মনে হতে পারে, কিন্তু এটি প্রবন্ধ, নাটক বা আত্মজীবনী নয়, একটি কাহিনিনির্ভর উপন্যাস। কাহিনি ও চরিত্র নিয়ে লেখা দীর্ঘ গদ্য রচনাকে উপন্যাস বলে। এই উপন্যাস পড়লে সেই সময়ের রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনের টানাপোড়েন বোঝা যায়। নাম একই রকম শোনায় বলে অনেকে একে প্রবন্ধ বই ভাবে, তাই লেখকের নাম ও বইয়ের ধরন দুটিই মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    শহীদুল জহিরের অন্য বিখ্যাত রচনা 'সে রাতে পূর্ণিমা ছিল'।
    তিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের একজন উল্লেখযোগ্য লেখক (১৯৫৩-২০০৮)।
  13. ৪৭. 'পশ্চাতে গমন করে যে'- এর বাক্য সংকোচন হলো-
    • ক. পশ্চাতগামী
    • খ. অগ্রগামী
    • গ. অনুগামী
    • ঘ. পশ্চাৎগামী
    উত্তর: গ. অনুগামী
    'পশ্চাতে গমন করে যে' বাক্যাংশের এক কথায় প্রকাশ 'অনুগামী', অর্থাৎ যে পেছনে পেছনে চলে। 'অগ্রগামী' উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, যে সামনে চলে। 'পশ্চাৎগামী' বা 'পশ্চাতগামী' প্রচলিত এক কথায় প্রকাশ নয়। এ ধরনের শব্দকে বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বলে। একটি লম্বা বাক্যাংশকে একটি শব্দে প্রকাশ করাই এর কাজ। এক কথায় প্রকাশ শেখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সম্পর্কিত শব্দগুলো জোড়ায় জোড়ায় শেখা। যেমন অনুগামী ও অগ্রগামী, অনুজ ও অগ্রজ। দুটি শব্দ পাশাপাশি মনে রাখলে ভুল হওয়ার সুযোগ কমে।
    মনে রাখুন:
    যা সকলের জন্য প্রযোজ্য = সর্বজনীন।
    ন্যায়শাস্ত্রে পণ্ডিত = নৈয়ায়িক।
    নূপুরের ধ্বনি = নিক্কণ।
    যা আগে ছিল না = অভূতপূর্ব।
  14. ৪৯. জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য কোনটি?
    • ক. রূপসী বাংলা
    • খ. সাতটি তারার তিমির
    • গ. ধূসর পাণ্ডুলিপি
    • ঘ. ঝরা পালক
    উত্তর: ঘ. ঝরা পালক
    জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরা পালক', যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর দ্বিতীয় কাব্য 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬)। 'সাতটি তারার তিমির' (১৯৪৮) তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত শেষ বড় কাব্য। 'রূপসী বাংলা' তিনি ১৯৩৪ সালের দিকে লেখেন, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়, তাই এটিকে প্রথম কাব্য বলা ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    তিনি 'রূপসী বাংলার কবি' ও 'নির্জনতার কবি' নামে পরিচিত।
    তাঁর অন্য কাব্য: বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪)।
    জীবনানন্দ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মেছিলেন এবং ১৯৫৪ সালে কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যান।
  15. ৫২. 'অগ্নি-বীণা' কাব্য প্রকাশিত হয় কত সালে?
    • ক. ১৯২৩
    • খ. ১৯২০
    • গ. ১৯২১
    • ঘ. ১৯২২
    উত্তর: ঘ. ১৯২২
    'অগ্নি-বীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি এটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন। এই কাব্যের বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী' বাংলা সাহিত্যে নতুন সুর এনেছিল। কবিতাটি প্রথম 'বিজলী' পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। এ ছাড়াও এতে আছে প্রলয়োল্লাস, কামাল পাশা, খেয়াপারের তরণী, কোরবানী ও মোহররম। বইটি প্রকাশের পর নজরুল রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন এবং তাঁকে বিদ্রোহী কবি বলা শুরু হয়। অগ্নিবীণা বাংলা কবিতায় তখনকার প্রচলিত ভাবালুতা ভেঙে সাহস ও বিপ্লবের সুর আনে।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের অন্য কাব্য: বিষের বাঁশী (১৯২৪), ভাঙার গান (১৯২৪), সাম্যবাদী (১৯২৫)।
    তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
    নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকা ধূমকেতু (১৯২২)।
  16. ৫৬. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর'- এখানে 'টাপুর টুপুর' কোন পদ?
    • ক. বিশেষণ
    • খ. বিশেষ্য
    • গ. অব্যয়
    • ঘ. ক্রিয়া
    উত্তর: গ. অব্যয়
    যে শব্দ প্রাকৃতিক বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। 'টাপুর টুপুর' বৃষ্টি পড়ার শব্দের অনুকরণ। এটি বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক তৈরি করে না, নিজে ক্রিয়াও নয়, বরং শুধু ধ্বনি প্রকাশ করে। তাই ব্যাকরণে এই ধরনের শব্দকে অব্যয় (Indeclinable) ধরা হয়, কারণ এর রূপ কখনো বদলায় না। 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' পঙ্‌ক্তিটি একটি পরিচিত ছড়ার অংশ। ধ্বন্যাত্মক শব্দ কখনো একা বসে, আবার কখনো ক্রিয়ার সঙ্গে বসে ক্রিয়ার ধরন বোঝায়। যেমন 'টাপুর টুপুর' বৃষ্টির শব্দ, 'ছলছল' জলের শব্দ। এমন শব্দ বাক্যে ব্যবহার করলে বর্ণনা জীবন্ত হয়ে ওঠে।
    উদাহরণ:
    ঝমঝম করে বৃষ্টি, কনকন করছে শীত, ঠুন ঠুন আওয়াজ।
  17. ৬১. কোনটি জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ নয়?
    • ক. একাত্তরের দিনগুলি
    • খ. ক্যান্সারের সাথে বসবাস
    • গ. নিঃসঙ্গ পাইন
    • ঘ. আমি বিজয় দেখেছি
    উত্তর: ঘ. আমি বিজয় দেখেছি
    'আমি বিজয় দেখেছি' এম আর আখতার মুকুলের লেখা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ, জাহানারা ইমামের নয়। জাহানারা ইমামের বিখ্যাত বইগুলো হলো 'একাত্তরের দিনগুলি', 'ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস' ও 'নিঃসঙ্গ পাইন'। একাত্তরের দিনগুলি-তে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর ছেলে রুমির শহীদ হওয়ার ঘটনা লিখেছেন। এ কারণে তিনি 'শহীদ জননী' নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    তিনি ১৯৯২ সালে ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠনের নেতৃত্ব দেন।
    এম আর আখতার মুকুল 'চরমপত্র' অনুষ্ঠানের জন্যও বিখ্যাত, যা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো।
    জাহানারা ইমামের জীবনকাল ১৯২৯-১৯৯৪।
  18. ৬২. 'দারোগা' কোন ভাষার শব্দ?
    • ক. তুর্কি
    • খ. বার্মিজ
    • গ. পর্তুগিজ
    • ঘ. ফারসি
    উত্তর: ক. তুর্কি
    'দারোগা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনের সময় তুর্কি ভাষার অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে গেছে। বার্মিজ ভাষা থেকে এসেছে লুঙ্গি ও ফুঙ্গি, পর্তুগিজ থেকে আনারস, আলপিন, গির্জা ও চাবি, আর ফারসি থেকে খোদা ও চশমা। তাই সব পুরোনো বিদেশি শব্দকে ফারসি মনে করা ঠিক নয়। ভাষার শব্দ কোথা থেকে এসেছে তা জানলে সেই ভাষার সঙ্গে আমাদের ইতিহাসের সম্পর্কও বোঝা যায়। বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের উৎস অনেক: আরবি, ফারসি, তুর্কি, পর্তুগিজ, ইংরেজি, ফরাসি, ওলন্দাজ ও বার্মিজ। এই উৎসগুলো আলাদাভাবে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    তুর্কি শব্দ: চাকর, চাকু, তোপ, বেগম, বাবুর্চি, কাঁচি, বন্দুক।
    ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান।
    পর্তুগিজ শব্দ: বালতি, পেয়ারা, সাবান।
  19. ৬৮. 'অকাল বোধন' বাগধারাটির অর্থ কী?
    • ক. অসময়ের জাগরণ
    • খ. যথাসময়ের জাগরণ
    • গ. অসময়ে প্রস্থান
    • ঘ. অসময়ে নিদ্রা
    উত্তর: ক. অসময়ের জাগরণ
    'অকাল বোধন' বাগধারার অর্থ অসময়ের জাগরণ বা অসময়ে কোনো কাজের আয়োজন। ঘটনাটি রামায়ণের কাহিনি থেকে এসেছে। সাধারণত বসন্তকালে দেবী দুর্গার পূজা হয়, কিন্তু রাম শরৎকালে যখন দেবীর ঘুমের সময়, তখন রাবণকে পরাজিত করার জন্য তাঁকে জাগিয়ে পূজা করেন। অসময়ে এই ঘুম ভাঙানোকেই অকালবোধন বলে। বাগধারা হলো কয়েকটি শব্দ মিলে এমন একটি অর্থ প্রকাশ করা, যা আলাদা শব্দের অর্থ থেকে বোঝা যায় না। তাই এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। পরীক্ষায় বাগধারার বাক্যে প্রয়োগ এবং অর্থ দুটিই আসে।
    উদাহরণ: পরীক্ষার আগের রাতে বই কিনতে বের হওয়া যেন অকালবোধন।
    মনে রাখুন:
    অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ।
    অরণ্যে রোদন = নিষ্ফল আবেদন।
  20. ৬৯. 'আরেক ফাল্গুন' গ্রন্থের প্রেক্ষাপট কী?
    • ক. মুক্তিযুদ্ধ
    • খ. দেশভাগ
    • গ. গণআন্দোলন
    • ঘ. ভাষা আন্দোলন
    উত্তর: ঘ. ভাষা আন্দোলন
    জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস। ফাল্গুন মাসের ২১ ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে তরুণদের ভাষা শহীদদের স্মৃতি, অনুভব ও সংগ্রামের কাহিনি এতে ফুটে উঠেছে। জহির রায়হান একাধারে ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। তাই এর পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ, দেশভাগ বা অন্য কোনো গণআন্দোলন নয়, ভাষা আন্দোলন। জহির রায়হান ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং সরাসরি আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। তাই তাঁর লেখায় আন্দোলনের অনুভূতি এত জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী।
    মুক্তিযুদ্ধের তথ্যচিত্র 'স্টপ জেনোসাইড' তাঁর নির্মাণ।
    তিনি ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি নিখোঁজ হন।

ইংরেজি

  1. ২. Choose the right idiom for the sentence: 'The things are lying on the table —.'
    • ক. at six and seven
    • খ. at sixes and sevens
    • গ. at six and sevens
    • ঘ. in sixes and sevens
    উত্তর: খ. at sixes and sevens
    At sixes and sevens একটি ইংরেজি বাগধারা (Idiom)। এর অর্থ এলোমেলো বা বিশৃঙ্খল অবস্থা। তাই বাক্যটি হবে: The things are lying on the table at sixes and sevens, অর্থাৎ জিনিসপত্র টেবিলের ওপর এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে। অন্য বিকল্পগুলোতে বাগধারার গঠন ঠিক নেই, যেমন six বা sevens একবচনে বলা কিংবা at-এর জায়গায় in বসানো ভুল।
    উদাহরণ: After the party, the whole house was at sixes and sevens.
    মনে রাখুন: at sixes and sevens-এর সমার্থক in disorder, in a mess।
  2. ৪. The synonym of the word 'pacify' is–
    • ক. among
    • খ. displease
    • গ. encourage
    • ঘ. appease
    উত্তর: ঘ. appease
    Pacify মানে শান্ত করা বা প্রশমিত করা। Appease শব্দের অর্থও একই, রাগ বা অসন্তোষ কমিয়ে শান্ত করা, তাই এটিই সমার্থক শব্দ। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: among মানে মধ্যে, displease মানে অসন্তুষ্ট বা বিরক্ত করা (এটি বরং বিপরীত অর্থের কাছাকাছি) এবং encourage মানে উৎসাহিত করা। ইংরেজি শব্দের অর্থ মনে রাখতে হলে একই ভাবের কয়েকটি শব্দ একসঙ্গে শিখে নেওয়া ভালো। Pacify শব্দটির noun রূপ pacification, আর appease-এর noun রূপ appeasement।
    উদাহরণ: The teacher tried to pacify the angry students.
    মনে রাখুন: Pacify-এর সমার্থক soothe, calm, placate। বিপরীত শব্দ irritate, provoke।
  3. ১৩. The antonym of 'gloomy' is–
    • ক. proud
    • খ. sad
    • গ. unhappy
    • ঘ. cheerful
    উত্তর: ঘ. cheerful
    Gloomy মানে বিষণ্ণ, অন্ধকার বা হতাশাজনক। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে cheerful, অর্থাৎ প্রফুল্ল বা আনন্দিত। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ: proud মানে গর্বিত, sad মানে দুঃখিত এবং unhappy মানে অসুখী। শেষ দুটি আসলে gloomy-র কাছাকাছি অর্থ বহন করে, তাই এগুলো বিপরীত শব্দ হতে পারে না। ইংরেজিতে মনের অবস্থা বোঝানোর শব্দগুলো একসঙ্গে শিখলে সমার্থক ও বিপরীত শব্দ চিনতে সুবিধা হয়। যেমন gloomy ও gloom (বিষণ্ণতা) একই পরিবারের, আর cheerful-এর noun cheerfulness।
    উদাহরণ: The gloomy sky made everyone sad, but her cheerful smile brightened the room.
    মনে রাখুন:
    Gloomy-র সমার্থক dismal, dull, depressing।
    বিপরীত শব্দ: cheerful, bright, merry।
  4. ১৫. Select singular number–
    • ক. news
    • খ. crises
    • গ. cattle
    • ঘ. media
    উত্তর: ক. news
    News শব্দের শেষে s থাকলেও এটি একবচন (Singular), তাই 'The news is good' বলা হয়। News এমন একটি গণনাতীত বিষয়, যাকে আমরা গুনি না, বলি a piece of news। Crises হলো crisis শব্দের বহুবচন, cattle শব্দটি আপনা থেকেই বহুবচন (গবাদি পশু), আর media হলো medium-এর বহুবচন। Singular মানে একবচন, অর্থাৎ একটিমাত্র জিনিস বোঝানো। তাই একবচন verb নিয়ে news-এর বাক্য হয়: The news is true. 'The news are true' বলা ভুল, যদিও শব্দের শেষে s আছে।
    মনে রাখুন:
    শেষে s থাকলেও একবচন: news, physics, economics, politics, mathematics।
    ল্যাটিন বহুবচন: crisis-crises, phenomenon-phenomena, datum-data।
    সব সময় বহুবচন: cattle, police, people।
  5. ২৯. The boy was charged — theft. The right word for the gap is —.
    • ক. at
    • খ. with
    • গ. for
    • ঘ. by
    উত্তর: খ. with
    Charge শব্দের সঙ্গে 'with' preposition বসে, যখন কাউকে কোনো অপরাধের অভিযোগ দেওয়া হয়। তাই বাক্যটি হবে: The boy was charged with theft, অর্থাৎ ছেলেটিকে চুরির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। 'Charge for' হলে সাধারণত দামের কথা বোঝায়, যেমন: They charged me ten taka for it। At বা by বসালে এখানে অর্থ ঠিক থাকে না। একই ধরনের গঠন মনে রাখার জন্য বলা যায়, অভিযোগ বা অপরাধের সঙ্গে সাধারণত with, of বা on-এর মতো preposition আসে, কিন্তু প্রত্যেক verb-এর জন্য নির্দিষ্ট preposition মুখস্থ রাখতে হয়। Charge-এর অর্থ দাম ধরা বা অভিযোগ আনা, দুটিই হতে পারে।
    উদাহরণ: The police charged him with murder.
    মনে রাখুন: একই ধরনের গঠন: accuse of, convict of, suspect of।
  6. ৩১. What is the meaning of 'genocide'?
    • ক. General destruction
    • খ. Killing of a king
    • গ. Killing of women and children
    • ঘ. Deliberate killing of a whole group or race of people
    উত্তর: ঘ. Deliberate killing of a whole group or race of people
    Genocide শব্দের অর্থ গণহত্যা, অর্থাৎ কোনো জাতি, ধর্ম বা গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা। তাই 'deliberate killing of a whole group or race of people' বিকল্পটি সঠিক। 'Killing of a king' হলো regicide। অন্য বিকল্পগুলো অর্থের দিক থেকে অসম্পূর্ণ বা ভুল, কারণ genocide-এর মূল কথা হলো একটি পুরো গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে হত্যা।
    মনে রাখুন:
    শব্দটি তৈরি করেন পোলিশ আইনজীবী রাফায়েল লেমকিন (১৯৪৪)।
    জাতিসংঘ ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর গণহত্যা প্রতিরোধ ও শাস্তি বিষয়ক কনভেনশন গ্রহণ করে।
    -cide মানে হত্যা: homicide (মানুষ হত্যা), suicide (আত্মহত্যা), fratricide (ভাইকে হত্যা)।
    বাংলাদেশে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
  7. ৩৪. An urologist is one who treats the disease of-
    • ক. kidney
    • খ. eye
    • গ. heart
    • ঘ. nerves
    উত্তর: ক. kidney
    Urologist হলেন মূত্রতন্ত্রের রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। কিডনি, মূত্রথলি ও মূত্রনালির রোগ এই ডাক্তারের কাজের মধ্যে পড়ে। দেওয়া বিকল্পের মধ্যে kidney-ই মূত্রতন্ত্রের অংশ, তাই এটিই সঠিক উত্তর। Eye-র বিশেষজ্ঞ ophthalmologist, heart-এর cardiologist এবং nerves-এর neurologist। Urology শব্দটি গ্রিক ouron (মূত্র) থেকে এসেছে এবং এই শাখার বিদ্যাকে urology বলে। মূত্রনালির সংক্রমণ, কিডনিতে পাথর বা মূত্রথলির সমস্যার মতো রোগের চিকিৎসা এ ডাক্তারের কাজ। অন্য বিশেষজ্ঞদের নামও -ologist দিয়ে শেষ হয়।
    মনে রাখুন:
    কিডনির রোগ নিয়ে কাজ করেন যিনি তাঁকে nephrologist বলে।
    চিকিৎসকের অন্য নাম: dermatologist (ত্বক), oncologist (ক্যানসার), orthopaedist (হাড়), psychiatrist (মানসিক রোগ), paediatrician (শিশুরোগ)।
  8. ৩৫. Our building has been built — the new plan. The right word for the gap is-
    • ক. accordance to
    • খ. in accordance with
    • গ. for
    • ঘ. about
    উত্তর: খ. in accordance with
    'In accordance with' মানে অনুযায়ী বা অনুসারে। বাক্যটি হবে: Our building has been built in accordance with the new plan, অর্থাৎ আমাদের দালান নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী তৈরি হয়েছে। 'Accordance' শব্দের সঙ্গে preposition 'with' বসে, 'to' নয়। তাই 'accordance to' ভুল। 'For' বা 'about' বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না।
    উদাহরণ: You must act in accordance with the rules.
    মনে রাখুন: একই অর্থে according to ব্যবহার করা যায়, কিন্তু সেখানে accordance শব্দটি থাকে না। আরও সমার্থক গঠন: in compliance with।
  9. ৩৬. If I —, I would not give up the job.
    • ক. were you
    • খ. was you
    • গ. had you
    • ঘ. had been you
    উত্তর: ক. were you
    বর্তমান কালের অসম্ভব কল্পনা বোঝাতে conditional বাক্যের if-অংশে verb-এর past রূপ বসে। 'Be' verb-এর ক্ষেত্রে সব subject-এর সঙ্গেই 'were' ব্যবহার করা হয়। তাই বাক্যটি হবে: If I were you, I would not give up the job, অর্থাৎ আমি যদি তুমি হতাম, তবে চাকরিটা ছাড়তাম না। 'Was you' ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
    মনে রাখুন: গঠন: If + subject + past form, subject + would/could + verb-এর base form। উদাহরণ: If I were a bird, I would fly.
  10. ৩৮. Which of the following sentences is correct?
    • ক. Let's go for walk
    • খ. Discuss the matter in detail
    • গ. They raised hue and cry
    • ঘ. Vegetables is my favourite food
    উত্তর: খ. Discuss the matter in detail
    'Discuss the matter in detail' বাক্যটি শুদ্ধ। Discuss ক্রিয়ার পর কোনো preposition বসে না, সরাসরি object আসে। বাকি বাক্যগুলোতে ভুল আছে। Let's go for a walk বলতে হয়, কারণ walk এখানে গণনাযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর আগে article লাগে। Vegetables is-এর জায়গায় vegetables are হবে, কারণ vegetables বহুবচন। 'They raised hue and cry' বাক্যে a বাদ পড়েছে, হবে raised a hue and cry।
    মনে রাখুন:
    কিছু verb-এর পর preposition বসে না: discuss, resemble, enter, attend।
    উদাহরণ: He resembles his father. (resembles with নয়)
  11. ৪০. Make a tag question of the sentence: 'I need some books, —?'
    • ক. do I
    • খ. don't I
    • গ. need I
    • ঘ. needn't I
    উত্তর: খ. don't I
    'I need some books' বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ এবং 'need' এখানে মূল verb। বাক্যটি affirmative হওয়ায় tag question হবে negative। Present Indefinite-এ auxiliary হিসেবে do/does বসে, আর subject I হলেও 'don't I' ব্যবহার করা হয়। তাই tag হলো don't I? অন্য বিকল্পে need modal-এর মতো ব্যবহার হয়েছে, কিন্তু এখানে need মূল verb।
    মনে রাখুন:
    affirmative বাক্যের tag negative হয় এবং negative বাক্যের tag affirmative।
    I am-এর tag aren't I? আর Let's-এর tag shall we?
    উদাহরণ: She likes tea, doesn't she?
  12. ৪১. Translate the sentence in English- বাঁচো এবং বাঁচতে দাও।
    • ক. Live and let to live
    • খ. Live and give to live
    • গ. Live and let live
    • ঘ. Live and give live
    উত্তর: গ. Live and let live
    'Live and let live' একটি জনপ্রিয় বাগধারা (Idiom), যার অর্থ নিজে বাঁচো এবং অন্যকেও বাঁচতে দাও। অর্থাৎ নিজের মতো থাকো আর অন্যের মতামত ও জীবনকে সম্মান করো। 'Let' verb-এর পরে সরাসরি verb-এর base form আসে, 'to' বসে না। তাই 'let to live' ভুল। আবার 'give' এখানে অর্থের দিক থেকে খাপ খায় না। বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদের সময় প্রচলিত বাগধারা ও প্রবাদ মুখস্থ থাকলে সময় বাঁচে। বাক্যটির প্রথম live নিজের বাঁচার কথা বলে, আর let-এর পরের live অন্যকে বাঁচতে দেওয়ার কথা বলে। ছোট এই চারটি শব্দেই সহনশীলতার পুরো শিক্ষা ধরা আছে।
    উদাহরণ: We should live and let live in a peaceful society.
    মনে রাখুন: let, make, see, hear-এর পরে 'to' ছাড়া infinitive বসে।
  13. ৪২. NB is the abbreviation of-
    • ক. Not Before
    • খ. Never But
    • গ. Nota Bene
    • ঘ. Note Bone
    উত্তর: গ. Nota Bene
    NB হলো ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ Nota Bene-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এর অর্থ 'ভালো করে লক্ষ্য করো' (Note well)। লেখার মধ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলাদা করে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। ইংরেজিতে এমন অনেক সংক্ষিপ্ত রূপ ল্যাটিন থেকে এসেছে, তাই অন্য বিকল্পগুলো ইংরেজি শব্দ সাজিয়ে বানানো, প্রচলিত নয়।
    মনে রাখুন:
    PS = Post Scriptum (পুনশ্চ), AD = Anno Domini।
    eg = exempli gratia (উদাহরণস্বরূপ), ie = id est (অর্থাৎ)।
    am = ante meridiem (দুপুরের আগে), pm = post meridiem (দুপুরের পরে)।
  14. ৪৩. 'The green-eyed monster' means-
    • ক. hatred
    • খ. love
    • গ. live
    • ঘ. jealousy
    উত্তর: ঘ. jealousy
    'Green-eyed monster' বাগধারার অর্থ ঈর্ষা বা হিংসা (jealousy)। উইলিয়াম শেক্সপিয়ার তাঁর 'ওথেলো' নাটকে ঈর্ষাকে সবুজ চোখের দানব বলেছিলেন, সেখান থেকেই এই প্রয়োগ প্রচলিত হয়। নাটকে ইয়াগো ওথেলোকে ঈর্ষা সম্পর্কে এভাবে সতর্ক করে। তাই hatred, love বা live কোনোটিই এর অর্থ নয়। শেক্সপিয়র ইংরেজি ভাষায় এমন অনেক বাগধারা ও প্রবাদ চালু করেছেন। ঈর্ষা নিয়ে ওথেলো নাটকের গল্প মনে রাখলে এই বাগধারা সহজে মনে থাকে। ওথেলো ও ডেসডিমোনার কাহিনি এই নাটকের কেন্দ্রে।
    উদাহরণ: He was eaten up by the green-eyed monster when his friend won the prize.
    মনে রাখুন: ঈর্ষা বোঝাতে jealousy ও envy ব্যবহার করা হয়, এদের বিশেষণ jealous ও envious।
  15. ৫০. The passive form of the sentence 'Shoot the tiger' is-
    • ক. Let the tiger be shoot
    • খ. Let the tiger be shot
    • গ. Let the tiger be shooted
    • ঘ. Let the tiger be shotted
    উত্তর: খ. Let the tiger be shot
    আদেশসূচক বাক্যকে passive করতে 'Let + object + be + past participle' গঠন ব্যবহার করা হয়। 'Shoot the tiger' বাক্যে object 'the tiger' এবং shoot-এর past participle হলো shot। তাই passive রূপ হবে: Let the tiger be shot। প্রথম বিকল্পে shoot বসানো ভুল, কারণ be-এর পরে past participle লাগে। Imperative বাক্যকে passive করার এই নিয়মটি আলাদা, কারণ সাধারণ বাক্যের মতো is/are/was যোগ করে এখানে বদলানো যায় না। নিষেধসূচক বাক্যের ক্ষেত্রে Let not + object + be + past participle হয়। যেমন: Do not shoot the tiger. Passive: Let not the tiger be shot.
    উদাহরণ: Open the door. Passive: Let the door be opened.
    মনে রাখুন: shoot-shot-shot একটি অনিয়মিত verb। 'shooted' বা 'shotted' বলে কোনো রূপ নেই।
  16. ৫৩. The word 'Lunar' is related to-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
    • ক. earth
    • খ. sun
    • গ. moon
    • ঘ. star
    উত্তর: গ. moon
    Lunar শব্দটি এসেছে ল্যাটিন luna থেকে, যার অর্থ চাঁদ। তাই lunar মানে চাঁদ-সম্পর্কিত। যেমন lunar eclipse মানে চন্দ্রগ্রহণ। Earth-সংক্রান্ত শব্দ terrestrial, sun-সংক্রান্ত শব্দ solar আর star-সংক্রান্ত শব্দ stellar। এভাবে ল্যাটিন মূল মনে রাখলে এই ধরনের শব্দ সহজে চেনা যায়। আরও কিছু ল্যাটিন-মূলের শব্দ মনে রাখলে সুবিধা হয়। যেমন aquatic (পানি সংক্রান্ত), aerial (আকাশ বা বাতাস সংক্রান্ত), marine (সমুদ্র সংক্রান্ত)। এভাবে মূল শব্দ জানা থাকলে অজানা শব্দের অর্থও আন্দাজ করা যায়।
    মনে রাখুন:
    চাঁদের এক অমাবস্যা থেকে পরের অমাবস্যা পর্যন্ত সময় প্রায় সাড়ে ঊনত্রিশ দিন, একে lunar month বলা হয়।
    Lunatic শব্দটিও luna থেকে এসেছে, কারণ আগে মানুষ মনে করত চাঁদ মনের অবস্থা প্রভাবিত করে।
  17. ৫৮. Identify masculine gender:
    • ক. mare
    • খ. milkmaid
    • গ. ram
    • ঘ. goose
    উত্তর: গ. ram
    Ram মানে পুরুষ ভেড়া, তাই এটি পুংলিঙ্গ (masculine)। এর স্ত্রীলিঙ্গ ewe। বাকি তিনটি শব্দ স্ত্রীলিঙ্গ: mare ঘোড়ার স্ত্রীলিঙ্গ (পুরুষ stallion), milkmaid দুধ বিক্রেতা মেয়ে, আর goose হাঁস জাতীয় পাখির স্ত্রীলিঙ্গ (পুরুষ gander)। এ ধরনের প্রশ্নে প্রতিটি শব্দের লিঙ্গ আলাদা করে মনে রাখা দরকার। ইংরেজিতে প্রাণীর লিঙ্গ আলাদা শব্দ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, যেমন পুরুষ ভেড়া ram আর স্ত্রী ভেড়া ewe। Gender শব্দের চারটি ভাগ আছে: masculine, feminine, common ও neuter। প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি আসে প্রাণী ও পেশার নাম।
    মনে রাখুন:
    কিছু gender জোড়া: ram-ewe, bull-cow, lion-lioness, stallion-mare, gander-goose।
    Nephew-niece, host-hostess, duke-duchess।
  18. ৫৯. Select the correctly spelt word.
    • ক. receive
    • খ. recieve
    • গ. recive
    • ঘ. reicive
    উত্তর: ক. receive
    শুদ্ধ বানান receive, যার অর্থ পাওয়া বা গ্রহণ করা। ইংরেজি বানানের একটি পরিচিত নিয়ম আছে: c-এর পরে ei বসে, আর অন্য ক্ষেত্রে সাধারণত ie। তাই receive, ceiling ও deceive-এ ei, আর believe, achieve ও field-এ ie হয়। অন্য বিকল্পগুলোতে ie-এর ক্রম উল্টে গেছে বা অক্ষর বাদ পড়েছে, তাই সেগুলো ভুল। বানান মনে রাখার জন্য ছোট একটি ছড়া আছে: i before e, except after c। এই ছড়ায় লিখে রাখলে receive, deceive, ceiling-এর মতো শব্দের বানান সহজে মনে পড়ে। তবে ব্যতিক্রম শব্দগুলো আলাদাভাবে শিখে নিতে হয়।
    মনে রাখুন:
    ব্যতিক্রম: seize, weird, either, neither, leisure।
    Conceive ও perceive শব্দেও c-এর পরে ei।
  19. ৬৫. 'The man died — suicide'. Fill in the gap with appropriate preposition.
    • ক. of
    • খ. for
    • গ. by
    • ঘ. from
    উত্তর: গ. by
    কারও আত্মহত্যায় মৃত্যু বোঝাতে 'die by suicide' বলা হয়। By এখানে মৃত্যুর উপায় বা মাধ্যম প্রকাশ করছে। Die of ও die from সাধারণত রোগ বা প্রাকৃতিক কারণে মৃত্যু বোঝায়, যেমন die of cancer। Die for মানে কোনো আদর্শের জন্য প্রাণ দেওয়া, তাই এখানে বসানো ঠিক নয়।
    উদাহরণ: The man died by suicide.
    মনে রাখুন:
    die of hunger, die by the sword, die for one's country।
    Suicide শব্দের আগে commit ব্যবহার করে 'commit suicide' বলা হয়।
  20. ৬৭. Who of the following is a novelist?
    • ক. William Blake
    • খ. Charles Dickens
    • গ. G.B. Shaw
    • ঘ. John Keats
    উত্তর: খ. Charles Dickens
    Novelist হলেন উপন্যাস রচয়িতা। চার্লস ডিকেন্স (Charles Dickens, ১৮১২-১৮৭০) ভিক্টোরীয় যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস Oliver Twist, David Copperfield, Great Expectations ও A Tale of Two Cities। উইলিয়াম ব্লেক ও জন কিটস কবি এবং জি. বি. শ' নাট্যকার, তাই তাঁরা ঔপন্যাসিক নন। ইংরেজি সাহিত্যের লেখকদের পরিচয় মনে রাখার সুবিধার জন্য ধরন ধরে সাজানো যায়: ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার। ডিকেন্সের উপন্যাসে সমাজের দরিদ্র মানুষ ও শিশুশ্রমের কথা বারবার এসেছে।
    মনে রাখুন:
    জি. বি. শ' ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
    কিটসের বিখ্যাত রচনা Ode to a Nightingale।
    ব্লেকের বিখ্যাত কাব্য Songs of Innocence।

বিজ্ঞান

  1. ৫. দুটি বলের লব্ধি বলদ্বয়ের মানের সমষ্টির সমান হলে বলদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ কত হবে?
    • ক. 90°
    • খ. 60°
    • গ. 0°
    • ঘ. 45°
    উত্তর: গ. 0°
    ধরা যাক, দুটি বলের মান P ও Q, এবং তাদের মধ্যবর্তী কোণ θ। লব্ধির মান R হলে R² = P² + Q² + 2PQ cosθ। প্রশ্নে বলা হয়েছে, লব্ধি বল দুটির মানের সমষ্টির সমান, অর্থাৎ R = P + Q। তাহলে (P + Q)² = P² + Q² + 2PQ cosθ। বাঁ দিক বিস্তার করলে P² + 2PQ + Q² পাওয়া যায়। এখান থেকে 2PQ = 2PQ cosθ, সুতরাং cosθ = 1। যে কোণের কোসাইন ১, সেটি 0°। অর্থাৎ বল দুটি একই দিকে ক্রিয়া করলে তবেই তাদের লব্ধি মানের সমষ্টির সমান হয়।
    মনে রাখুন:
    θ = 0° হলে লব্ধি সর্বোচ্চ: R = P + Q।
    θ = 180° হলে লব্ধি সর্বনিম্ন: R = P − Q।
    θ = 90° হলে R = √(P² + Q²)।
  2. ৬. কোন তাপমাত্রার পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
    • ক. 4°F
    • খ. 0°F
    • গ. 0°C
    • ঘ. 4°C
    উত্তর: ঘ. 4°C
    পানির একটি বিশেষ আচরণ আছে। অন্য অনেক তরল ঠান্ডা করলে সংকুচিত হয়ে ঘন হতে থাকে, কিন্তু পানি ঠান্ডা করতে করতে ৪° সেলসিয়াস (4°C) পর্যন্ত সংকুচিত হয়। এই তাপমাত্রায় পানির আয়তন সবচেয়ে কম, তাই ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি, প্রায় ১০০০ কেজি/মিটার³। এর চেয়ে আরও ঠান্ডা করলে পানি আবার প্রসারিত হতে শুরু করে এবং ঘনত্ব কমে। এ কারণেই বরফ (0°C) পানির চেয়ে হালকা এবং পানিতে ভাসে। শীতের দেশে হ্রদের উপরিভাগ জমে বরফ হয়ে গেলেও নিচের ৪°C তাপমাত্রার পানিতে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী বেঁচে থাকে। ফারেনহাইট স্কেলের 4°F বা 0°F ঘনত্বের সর্বোচ্চ বিন্দু নয়।
    মনে রাখুন:
    পানির এই ব্যতিক্রমী আচরণকে পানির অসংগত প্রসারণ বলে।
    পানির ঘনত্ব ৪°C তাপমাত্রায় ১ গ্রাম/ঘন সেন্টিমিটার।
  3. ৭. ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলে সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে কত ডিগ্রি তাপমাত্রা?
    • ক. 0°C
    • খ. 100°C
    • গ. 4°C
    • ঘ. -40°C
    উত্তর: ঘ. -40°C
    সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্কের সূত্র: C/5 = (F − 32)/9। দুই স্কেলে একই পাঠ কোথায় মেলে তা জানতে ধরি C = F = x। তাহলে x/5 = (x − 32)/9। আড়াআড়ি গুণ করলে 9x = 5x − 160, অর্থাৎ 4x = −160। এখান থেকে x = −40। যাচাই করা যায়: −40°C-কে ফারেনহাইটে নিলে F = (9/5) × (−40) + 32 = −72 + 32 = −40। সুতরাং −40° এমন একমাত্র তাপমাত্রা, যেখানে দুটি স্কেলের পাঠ সমান হয়।
    মনে রাখুন:
    পানির হিমাঙ্ক সেলসিয়াসে 0° ও ফারেনহাইটে 32°, স্ফুটনাঙ্ক যথাক্রমে 100° ও 212°।
    কেলভিন স্কেলে K = C + 273।
  4. ১১. এক মেট্রিক অশ্বশক্তি হলো-
    • ক. 746 Watt
    • খ. 736 Watt
    • গ. 550 Watt
    • ঘ. 75 Watt
    উত্তর: খ. 736 Watt
    শক্তি যে হারে কাজ করে, তাকে ক্ষমতা বলে। যন্ত্রের ক্ষমতা মাপার পুরোনো একটি একক হলো অশ্বশক্তি বা হর্সপাওয়ার (Horsepower)। ফরাসি বা মেট্রিক পদ্ধতিতে ১ অশ্বশক্তি বলতে বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে ৭৫ কেজি-ওজনকে ১ মিটার ওপরে তোলার ক্ষমতা। এর মান 75 × 9.8 ≈ 735.5, অর্থাৎ প্রায় 736 ওয়াট। ব্রিটিশ বা মেকানিক্যাল অশ্বশক্তির মান একটু আলাদা, প্রায় 746 ওয়াট। আর 550 হলো ব্রিটিশ পদ্ধতিতে প্রতি সেকেন্ডে ফুট-পাউন্ড কাজের পরিমাণ (550 ft-lb/s)। এ কারণে মেট্রিক অশ্বশক্তির সঠিক মান 736 Watt।
    মনে রাখুন:
    ক্ষমতার এসআই একক ওয়াট (W), 1 W = 1 J/s।
    1 কিলোওয়াট = 1000 ওয়াট।
  5. ১৮. কোনটি জেট ফুয়েল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
    • ক. পেট্রোল
    • খ. ডিজেল
    • গ. কেরোসিন
    • ঘ. এলপিজি
    উত্তর: গ. কেরোসিন
    জেট ইঞ্জিনে বাতাস সংকুচিত হয়ে জ্বালানির সঙ্গে পুড়ে প্রচণ্ড গ্যাস সৃষ্টি করে, আর সেই গ্যাস পেছন দিক দিয়ে বেরিয়ে বিমানকে সামনে ঠেলে দেয়। এ কাজে এমন জ্বালানি দরকার, যা আকাশের অনেক ঠান্ডায় জমে না যায় এবং সহজে ও নিয়মিতভাবে পোড়ে। এই গুণগুলো পাওয়া যায় কেরোসিনজাতীয় পরিশোধিত জ্বালানিতে, যাকে জেট ফুয়েল (Jet Fuel) বলা হয়। অপরিশোধিত খনিজ তেল পরিশোধনের সময় কেরোসিনের অংশ আলাদা করে এটি তৈরি করা হয়। পেট্রোল দ্রুত বাষ্প হয়ে যায় বলে বিমানে নিরাপদ নয়। আর ডিজেল ও এলপিজি ভিন্ন ধরনের ইঞ্জিনের জ্বালানি।
    মনে রাখুন:
    পেট্রোল ও ডিজেল ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়, এলপিজি (Liquefied Petroleum Gas) রান্নায় ও যানবাহনে।
    অপরিশোধিত তেলকে আংশিক পাতন পদ্ধতিতে বিভিন্ন জ্বালানিতে ভাগ করা হয়।
  6. ১৯. ক্লোরোফিল পাওয়া যায়-
    • ক. সকল প্রাণীতে
    • খ. ছত্রাকে
    • গ. সবুজ পাতায়
    • ঘ. ফলে
    উত্তর: গ. সবুজ পাতায়
    ক্লোরোফিল (Chlorophyll) হলো উদ্ভিদের সবুজ রঞ্জক পদার্থ, যার বাংলা নাম পত্রহরিৎ। এটি কোষের ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast) নামের অঙ্গাণুতে থাকে। সবুজ পাতায় ক্লোরোফিল সবচেয়ে বেশি থাকে বলে পাতা সবুজ দেখায়। সূর্যের আলো শোষণ করে ক্লোরোফিলই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, যার ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে খাদ্য তৈরি হয়। প্রাণীর দেহে ক্লোরোফিল থাকে না, কারণ প্রাণী নিজে খাদ্য তৈরি করতে পারে না। ছত্রাকেও এটি অনুপস্থিত, তাই ছত্রাক পরভোজী হিসেবে অন্যের ওপর নির্ভর করে খাদ্যের জন্য।
    মনে রাখুন:
    ক্লোরোফিলের একটি অণুর কেন্দ্রে ম্যাগনেসিয়াম পরমাণু থাকে।
    সালোকসংশ্লেষণের সমীকরণ: 6CO₂ + 6H₂O → C₆H₁₂O₆ + 6O₂।
  7. ২২. পানির pH-এর মান কত হলে পুরোপুরি ক্ষারকীয় বলা হয়?
    • ক. 9
    • খ. 14
    • গ. 1
    • ঘ. 7
    উত্তর: খ. 14
    পানি অম্লীয় না ক্ষারীয়, তা মাপার জন্য pH স্কেল ব্যবহার করা হয়, যার পাল্লা 0 থেকে 14। বিশুদ্ধ পানির pH মান ঠিক 7, একে নিরপেক্ষ বলে। pH 7-এর কম হলে দ্রবণ অম্লীয় আর 7-এর বেশি হলে ক্ষারীয়। সংখ্যা যত বাড়তে থাকে, ক্ষারীয়তা তত বাড়ে। স্কেলের সর্বোচ্চ মান 14, তাই pH 14 হলে দ্রবণকে পুরোপুরি বা তীব্র ক্ষারীয় ধরা হয়। অন্য দিকে pH 1 মানে খুব তীব্র অম্লীয় দ্রবণ। pH 9 ক্ষারীয় বটে, কিন্তু সর্বোচ্চ নয়।
    মনে রাখুন:
    লেবুর রসের pH প্রায় 2, মানবরক্তের pH প্রায় 7.4।
    লিটমাস কাগজ অম্লে লাল ও ক্ষারে নীল হয়।
  8. ২৪. প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাঙ্ক-
    • ক. কম হয়
    • খ. বেশি হয়
    • গ. ঠিক থাকে
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. বেশি হয়
    তরলকে ফোটাতে গেলে তার বাষ্পচাপ বাইরের চাপের সমান করতে হয়। বাইরের চাপ বেশি হলে তরলকে বেশি তাপমাত্রায় নিয়ে যেতে হয়, তাই স্ফুটনাঙ্কও বেড়ে যায়। প্রেসার কুকারের ঢাকনা শক্তভাবে আটকানো থাকে, ফলে ভেতরের জলীয় বাষ্প বের হতে পারে না এবং কুকারের ভেতরের চাপ বাইরের বায়ুচাপের চেয়ে বেশি হয়ে যায়। এই চাপে পানি ১০০°C-এর চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফোটে। বেশি তাপে খাবার তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়, তাই মাংস বা ডাল রান্না কম সময়ে হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুচাপ কম, তাই সেখানে পানি ১০০°C-এর কম তাপমাত্রায় ফোটে এবং রান্না ধীরে হয়।
    পানিতে লবণ মেশালেও স্ফুটনাঙ্ক সামান্য বাড়ে।
  9. ৩৩. প্রবাহীকে প্রবাহ হতে বাধা প্রদানকারী বৈশিষ্ট্যের নাম কী?
    • ক. সান্দ্রতা
    • খ. প্লবতা
    • গ. পৃষ্ঠটান
    • ঘ. কৌশিকতা
    উত্তর: ক. সান্দ্রতা
    তরল ও গ্যাসকে একসঙ্গে প্রবাহী (Fluid) বলা হয়। কোনো প্রবাহী যখন বয়ে যায়, তখন তার এক স্তর অন্য স্তরের গায়ের ওপর দিয়ে পিছলে যেতে চায়। প্রবাহীর স্তরগুলোর মধ্যে এই আপেক্ষিক গতিতে যে বাধা সৃষ্টি হয়, সেই ধর্মকে সান্দ্রতা (Viscosity) বলে। সান্দ্রতা যত বেশি, প্রবাহ তত ধীরে হয়। যেমন মধু বা আলকাতরা খুব সান্দ্র, তাই ঢালতে অনেক সময় লাগে। অন্য দিকে পানি ও কেরোসিনের সান্দ্রতা কম। পৃষ্ঠটান তরলের উপরিতলকে টানটান রাখে, আর কৌশিকতা সরু নলে তরলের ওঠানামার ধর্ম। এই দুটি আলাদা ধর্ম।
    মনে রাখুন:
    তাপমাত্রা বাড়লে তরলের সান্দ্রতা কমে।
    সান্দ্রতার এসআই একক পাস্কাল-সেকেন্ড (Pa·s)।
  10. ৩৯. স্থির ঘর্ষণ এবং গতিশীল ঘর্ষণের অনুপাত সবসময়-
    • ক. 1
    • খ. <1
    • গ. >1
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. >1
    দুটি তল পরস্পরের সংস্পর্শে থাকলে, বস্তুটিকে নড়ানোর আগে পর্যন্ত স্থিতি ঘর্ষণ বাধা দেয়। বস্তুটি নড়তে শুরু করলে যে বাধা পাওয়া যায়, তাকে গতীয় ঘর্ষণ বলে। বস্তুটিকে প্রথমে নড়ানোর জন্য বেশি বল লাগে, কিন্তু একবার চলতে শুরু করলে একই বস্তুকে টেনে নিতে তুলনায় কম বল লাগে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ স্থিতি ঘর্ষণ গতীয় ঘর্ষণের চেয়ে বেশি। তাই স্থিতি ঘর্ষণ ও গতীয় ঘর্ষণের অনুপাত সব সময় 1-এর চেয়ে বড় হয়। ঘর্ষণ গুণাঙ্কের ভাষায় এটি μs > μk।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে কম ঘর্ষণ হয় গড়ানো ঘর্ষণে, তাই চাকা ব্যবহার করলে বস্তু সহজে চলে।
    ঘর্ষণ বল তলের ধরনের ওপর নির্ভর করে, সংস্পর্শ তলের ক্ষেত্রফলের ওপর নয়।
  11. ৪৮. যে যন্ত্রের সাহায্যে পানির গতি শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি উৎপন্ন করা হয় তাকে বলে-
    • ক. ওয়াটার গেট
    • খ. ফ্রে-টারবাইন
    • গ. ওয়াটার টারবাইন
    • ঘ. ওয়াটার পাম্প
    উত্তর: গ. ওয়াটার টারবাইন
    পানির গতিশক্তি বা বিভবশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে যে যন্ত্র, তার নাম ওয়াটার টারবাইন (Water Turbine)। উঁচু বাঁধ থেকে পানি জোরে নিচে পড়লে সেই পানি টারবাইনের ব্লেডে ধাক্কা দিয়ে তাকে ঘোরায়। টারবাইনের সঙ্গে জেনারেটর যুক্ত থাকলে সেই ঘূর্ণন থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এ কারণে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের হৃদয় বলা হয় ওয়াটার টারবাইনকে। ওয়াটার পাম্প উল্টো কাজ করে, অর্থাৎ যান্ত্রিক শক্তি খরচ করে পানিকে ওপরে তোলে।
    মনে রাখুন:
    জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে শক্তির রূপান্তর: বিভবশক্তি, গতিশক্তি, যান্ত্রিক শক্তি, তড়িৎশক্তি।
    বাংলাদেশের কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্ণফুলী নদীর ওপর অবস্থিত।
  12. ৫১. পদার্থের ৪র্থ অবস্থাকে বলা হয়-
    • ক. ফোটন
    • খ. প্লাজমা
    • গ. অণু
    • ঘ. পরমাণু
    উত্তর: খ. প্লাজমা
    আমরা সাধারণত কঠিন, তরল ও গ্যাস, এই তিনটি অবস্থার কথাই জানি। কিন্তু এর বাইরেও পদার্থের একটি চতুর্থ অবস্থা আছে, যার নাম প্লাজমা (Plasma)। গ্যাসকে প্রচণ্ড উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পরমাণুগুলো থেকে ইলেকট্রন খুলে বেরিয়ে আসে। তখন মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়নের একটি তড়িৎবাহী মিশ্রণ তৈরি হয়, এটাই প্লাজমা। সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র মূলত প্লাজমা দিয়ে গঠিত। আমাদের চেনা জিনিসের মধ্যে টিউবলাইটের ভেতরের জ্বলন্ত গ্যাস এবং আকাশের বিদ্যুৎ চমকানোতেও প্লাজমা দেখা যায়। ফোটন আলোর কণা, আর অণু ও পরমাণু পদার্থের গঠন-একক, তারা পদার্থের অবস্থা নয়।
    মনে রাখুন:
    পদার্থের পঞ্চম অবস্থার নাম বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট।
    মহাবিশ্বের দৃশ্যমান পদার্থের বেশির ভাগই প্লাজমা অবস্থায় আছে।
  13. ৫৫. গাড়ির ব্যাটারিতে কোন এসিড ব্যবহৃত হয়?
    • ক. নাইট্রিক
    • খ. সালফিউরিক
    • গ. হাইড্রোক্লোরিক
    • ঘ. পারক্লোরিক
    উত্তর: খ. সালফিউরিক
    গাড়িতে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, তাকে সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারি (Lead-acid battery) বলে। এতে সীসার পাত ও সীসার ডাই-অক্সাইডের পাত পাতলা সালফিউরিক অ্যাসিডের দ্রবণে ডোবানো থাকে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে এই ব্যবস্থা থেকে তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া যায়। ব্যাটারি চার্জ দিলে বিক্রিয়াটি উল্টো দিকে ঘটে এবং ব্যাটারি আবার ব্যবহারযোগ্য হয়। এ কারণে একে রিচার্জেবল বা সঞ্চয়ী ব্যাটারি বলা হয়। অন্য অ্যাসিড, যেমন নাইট্রিক, হাইড্রোক্লোরিক বা পারক্লোরিক অ্যাসিড, এই কাজে ব্যবহৃত হয় না।
    মনে রাখুন:
    সালফিউরিক অ্যাসিডের সংকেত H₂SO₄। এর আরেক নাম অয়েল অব ভিট্রিওল, আর একে রাসায়নিক শিল্পের রাজা বলা হয়।
    টর্চলাইটের ব্যাটারি শুষ্ক কোষ, এটি রিচার্জ করা যায় না।
  14. ৬৬. রক্তশূন্যতা দেখা দেয় কোনটির অভাবে?
    • ক. ভিটামিন-এ
    • খ. আয়রন
    • গ. ক্যালসিয়াম
    • ঘ. আয়োডিন
    উত্তর: খ. আয়রন
    আমাদের রক্তের লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা ফুসফুস থেকে দেহের সব কোষে অক্সিজেন বহন করে। হিমোগ্লোবিন তৈরিতে অপরিহার্য উপাদান হলো আয়রন বা লৌহ। খাবারে আয়রন কম থাকলে দেহ যথেষ্ট হিমোগ্লোবিন বানাতে পারে না। ফলে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। তখন মানুষ দুর্বল বোধ করে, তার মাথা ঘোরে আর মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। অন্য বিকল্পগুলোর অভাবজনিত রোগ আলাদা: ভিটামিন-এ-এর অভাবে রাতকানা, ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় দুর্বল এবং আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়।
    মনে রাখুন:
    আয়রনসমৃদ্ধ খাবার: কলিজা, কচুশাক, ডাল, খেজুর।
    ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২-এর অভাবেও একধরনের রক্তস্বল্পতা হয়।

আন্তর্জাতিক

  1. ১২. কোনটি আফ্রিকা মহাদেশভুক্ত দেশ নয়?
    • ক. তিউনিসিয়া
    • খ. আলজেরিয়া
    • গ. আলবেনিয়া
    • ঘ. নাইজেরিয়া
    উত্তর: গ. আলবেনিয়া
    আলবেনিয়া ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত দেশ, আফ্রিকার নয়। এর রাজধানী তিরানা। নামের মিলের কারণে অনেকে আলজেরিয়ার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে, তবে আলজেরিয়া আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত। তিউনিসিয়াও উত্তর আফ্রিকার দেশ এবং নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার। তাই একমাত্র আলবেনিয়াই আফ্রিকা মহাদেশের বাইরে। মানচিত্রে আলবেনিয়াকে খুঁজলে দেখা যায় এটি বলকান উপদ্বীপে, আদ্রিয়াটিক সাগর ও আয়োনিয়ান সাগরের তীরে। আলজেরিয়ার উত্তরে ভূমধ্যসাগর, আর আলবেনিয়ার পশ্চিমেও সাগর আছে, কিন্তু দুটি দেশ দুই ভিন্ন মহাদেশে। নাইজেরিয়ার রাজধানী আবুজা।
    মনে রাখুন:
    আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ আয়তনে আলজেরিয়া।
    জনসংখ্যায় আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ নাইজেরিয়া।
    আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়ার উত্তরে ভূমধ্যসাগর।
  2. ২১. মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য সংখ্যা হচ্ছে-
    • ক. ৪২৫ জন
    • খ. ৪৩৫ জন
    • গ. ৪৮০ জন
    • ঘ. ৫৩৫ জন
    উত্তর: খ. ৪৩৫ জন
    যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুটি কক্ষ: উচ্চকক্ষ সিনেট (Senate) এবং নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ (House of Representatives)। প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৪৩৫ জন। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যা অনুযায়ী এই আসন বণ্টিত হয়। অন্যদিকে সিনেটে প্রতি অঙ্গরাজ্য থেকে সমান দুজন করে সদস্য থাকে, তাই ৫০টি অঙ্গরাজ্য মিলে সিনেটের সদস্য ১০০ জন। দুই কক্ষ মিলিয়ে কংগ্রেসের মোট সদস্য ৫৩৫ জন।
    মনে রাখুন:
    সিনেটের মেয়াদ ৬ বছর এবং প্রতিনিধি পরিষদের মেয়াদ ২ বছর।
    প্রতিনিধি পরিষদ পরিচালনা করেন স্পিকার, আর সিনেটে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি।
  3. ২৬. 'এশিয়া মাইনর' বলা হয় কোন দেশকে?
    • ক. মিয়ানমার
    • খ. ভিয়েতনাম
    • গ. সিঙ্গাপুর
    • ঘ. তুরস্ক
    উত্তর: ঘ. তুরস্ক
    তুরস্কের বেশির ভাগ অংশ এশিয়া মহাদেশের পশ্চিম প্রান্তের আনাতোলিয়া উপদ্বীপে অবস্থিত। এই উপদ্বীপের ঐতিহাসিক নাম এশিয়া মাইনর বা ক্ষুদ্র এশিয়া। তাই তুরস্ককে এশিয়া মাইনর বলা হয়। তুরস্কের একটি ছোট অংশ আবার ইউরোপেও পড়েছে, ফলে এটি দুই মহাদেশে বিস্তৃত দেশ। মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ, এ নামের সঙ্গে এদের সম্পর্ক নেই। আনাতোলিয়া উপদ্বীপের উত্তরে কৃষ্ণ সাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর এবং পশ্চিমে এজিয়ান সাগর আছে। এ কারণে উপদ্বীপটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সেতুর কাজ করে এবং ইতিহাসে এর গুরুত্ব অনেক।
    মনে রাখুন:
    তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল, রাজধানী আঙ্কারা।
    ইস্তাম্বুল শহর দুই মহাদেশে বিস্তৃত, মাঝখান দিয়ে বসফরাস প্রণালি গেছে।
  4. ৩৭. NATO-এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা কত?
    • ক. ৩১টি
    • খ. ৩০টি
    • গ. ২৯টি
    • ঘ. ২৮টি
    উত্তর: ক. ৩১টি
    প্রশ্নটি ২০২৩ সালের তথ্যের ভিত্তিতে করা। সে সময়ে ফিনল্যান্ড ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল যোগ দেওয়ায় ন্যাটোর (NATO) সদস্য সংখ্যা ছিল ৩১। ন্যাটো ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। এটি একটি সামরিক জোট, যার সদস্যদের একজন আক্রান্ত হলে সবার ওপর আক্রমণ ধরা হয়।
    হালনাগাদ: ২০২৪ সালের ৭ মার্চ সুইডেন যোগ দেওয়ায় এখন সদস্য সংখ্যা ৩২।
    মনে রাখুন:
    ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল ১২টি দেশ।
    ন্যাটোর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization।
  5. ৫৪. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশের সংখ্যা-
    • ক. ১৫টি
    • খ. ১৪টি
    • গ. ১৩টি
    • ঘ. ১৬টি
    উত্তর: ক. ১৫টি
    জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন, এদের প্রত্যেকের ভেটো ক্ষমতা আছে। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্যকে সাধারণ পরিষদ দুই বছরের জন্য নির্বাচিত করে। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর। তাই ১৩, ১৪ বা ১৬ নয়, সঠিক সংখ্যা ১৫। নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের একটি। পরিষদের সিদ্ধান্ত মানা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক। এ জন্য এটিকে জাতিসংঘের সবচেয়ে শক্তিশালী অঙ্গ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    নিরাপত্তা পরিষদের কাজ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা।
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
  6. ৬৩. কোনটি সাগর তীরের দেশ নয়?
    • ক. নেপাল
    • খ. থাইল্যান্ড
    • গ. বাংলাদেশ
    • ঘ. মিয়ানমার
    উত্তর: ক. নেপাল
    নেপাল ভূবেষ্টিত (Landlocked) দেশ, অর্থাৎ এর চারদিকে স্থলভাগ, সাগরের তীর নেই। দেশটি ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বঙ্গোপসাগরের তীরে এবং থাইল্যান্ড থাইল্যান্ড উপসাগর ও আন্দামান সাগরের তীরে অবস্থিত। ভূবেষ্টিত দেশ কোনো সমুদ্রবন্দর নিজের মাটিতে পায় না, তাই বাণিজ্যের জন্য প্রতিবেশী দেশের বন্দর ব্যবহার করতে হয়। সমুদ্রতীর থাকা মানে দেশের সীমানার কোনো অংশ সাগর বা মহাসাগরের সঙ্গে মিলেছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্ত কক্সবাজার থেকে বরগুনা, পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরা পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর ছুঁয়ে আছে।
    মনে রাখুন:
    নেপাল ও ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার দুটি ভূবেষ্টিত দেশ, আফগানিস্তানও ভূবেষ্টিত।
    শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের সমুদ্রতীর আছে।
  7. ৬৪. কোন দেশটিকে 'ইউরোপের রুটির ঝুড়ি' বলা হয়?
    • ক. ইতালি
    • খ. ইউক্রেন
    • গ. জার্মানি
    • ঘ. পোল্যান্ড
    উত্তর: খ. ইউক্রেন
    ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়। দেশটির মাটি চেরনোজেম নামের কালো উর্বর মাটি, যা গম, ভুট্টা ও সূর্যমুখী চাষের জন্য খুবই ভালো। ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম ও সূর্যমুখী তেল রপ্তানিকারক। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আক্রমণের পর খাদ্যশস্য রপ্তানি ব্যাহত হয়ে বিশ্বে খাদ্য সংকট বেড়েছে। ইতালি, জার্মানি বা পোল্যান্ড এই নামে পরিচিত নয়।
    মনে রাখুন:
    ২০২২ সালের জুলাইয়ে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণ সাগর দিয়ে শস্য রপ্তানির চুক্তি হয়েছিল।
    ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং ১৯৯১ সালে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়।

বাংলাদেশ

  1. ১৪. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য যোগ্য ব্যক্তির সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে-
    • ক. ৫০ বছর
    • খ. ৪০ বছর
    • গ. ৩৫ বছর
    • ঘ. ৩৩ বছর
    উত্তর: গ. ৩৫ বছর
    বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৩৫ বছরের কম বয়সী কেউ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের যোগ্য নন। একই অনুচ্ছেদে আরও বলা আছে, সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য ব্যক্তি অথবা অভিশংসনে অপসারিত ব্যক্তিও এই পদের জন্য অযোগ্য। তাই ৩৩, ৪০ বা ৫০ নয়, নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।
    মনে রাখুন:
    রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ৫ বছর এবং কেউ সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে এই পদে থাকতে পারেন।
    সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
    সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে বলা হয়েছে।
  2. ২৭. বায়ান্নর ভাষা শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
    • ক. আব্দুস সালাম
    • খ. আবদুল জব্বার
    • গ. রফিকউদ্দিন আহমদ
    • ঘ. আবুল বরকত
    উত্তর: ঘ. আবুল বরকত
    ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় পুলিশের গুলিতে যাঁরা শহীদ হন, তাঁদের মধ্যে আবুল বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র। সে দিন আরও শহীদ হন রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার ও আবদুস সালাম। আবদুস সালাম ছিলেন সরকারি কর্মচারী। শহীদদের স্মৃতিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের কাছে শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    পরবর্তীকালে শহীদ হন শফিউর রহমান।
    ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে এটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়।
  3. ৩০. কোনটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়?
    • ক. পাহাড়পুর
    • খ. মহাস্থানগড়
    • গ. ময়নামতি
    • ঘ. সুন্দরবন
    উত্তর: ঘ. সুন্দরবন
    প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হলো সেই জায়গা, যেখানে মাটির নিচে বা ওপরে প্রাচীন মানুষের তৈরি স্থাপনা ও নিদর্শন পাওয়া যায়। পাহাড়পুর (নওগাঁ), মহাস্থানগড় (বগুড়া) ও ময়নামতি (কুমিল্লা) তিনটিই এমন প্রত্নস্থল। সুন্দরবন একটি প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন, যা বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো একে প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়, প্রত্নস্থল হিসেবে নয়।
    মনে রাখুন:
    পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার ১৯৮৫ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ওঠে। পাল রাজা ধর্মপাল এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
    বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্য: ষাটগম্বুজ মসজিদ, পাহাড়পুর ও সুন্দরবন।
  4. ৪৪. শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থটি কত সালে লেখা হয়?
    • ক. ১৯৫২
    • খ. ১৯৫৪
    • গ. ১৯৬০
    • ঘ. ১৯৬১
    উত্তর: খ. ১৯৫৪
    শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে যোগ দেন। সেই সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি 'আমার দেখা নয়াচীন' বইটি লেখেন। বইটি রচিত হয় ১৯৫৪ সালে, বইয়ের পাণ্ডুলিপি বহু বছর পরে পাওয়া যায়। এটি ২০২০ সালে মুজিববর্ষে বই আকারে প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সাল সফরের বছর, বই লেখার বছর নয়, তাই ১৯৫২ বেছে নিলে ভুল হবে।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য গ্রন্থ: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা।
    বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের সফরে পিকিংয়ে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি সম্মেলনে অংশ নেন।
  5. ৪৫. বাংলাদেশে সর্বশেষ কত সালে জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়?
    • ক. ২০০৪ সালে
    • খ. ২০১০ সালে
    • গ. ২০১৬ সালে
    • ঘ. ২০২২ সালে
    উত্তর: ঘ. ২০২২ সালে
    বাংলাদেশে সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এটি পরিচালনা করে। এটি দেশের ষষ্ঠ আদমশুমারি। এতে দেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ পাওয়া যায়। প্রথম আদমশুমারি হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর শুমারি হয়, তাই ২০১১-এর পরের শুমারি এটি। জনশুমারি থেকে সরকার জানতে পারে দেশে কত মানুষ আছে, তারা কোথায় থাকে এবং কী করে। শুমারির এই তথ্য ব্যবহার করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এ জন্য জনশুমারির বছরগুলো পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
    মনে রাখুন:
    শুমারির সাল: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২।
    ২০০৪ বা ২০১০ বা ২০১৬ সালে জনশুমারি হয়নি।
  6. ৬০. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
    • ক. ৫টি
    • খ. ৪টি
    • গ. ৩টি
    • ঘ. ৬টি
    উত্তর: খ. ৪টি
    বাংলাদেশের সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে চারটি নীতি আছে: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে এই চারটি নীতি গৃহীত হয়েছিল। সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। এই নীতিগুলো সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অংশ। মূলনীতি বলতে বোঝায় রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি যে নীতিগুলো। মূলনীতিগুলো আদালতে সরাসরি বলবৎ করা যায় না, তবে ৮(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন প্রণয়নে রাষ্ট্র এগুলো প্রয়োগ করবে।
    মনে রাখুন: রাষ্ট্রধর্ম সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদে আছে, যা ১৯৮৮ সালে অষ্টম সংশোধনীতে যোগ হয়েছিল।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ২০. OMR-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
    • ক. Optical Mark Recognition
    • খ. Optical Mark Reading
    • গ. Optical Mark Receptor
    • ঘ. Optical Mark Reactor
    উত্তর: ক. Optical Mark Recognition
    OMR-এর পূর্ণরূপ Optical Mark Recognition। এটি এমন একটি পদ্ধতি, যাতে কাগজের নির্দিষ্ট ঘরে পেনসিল বা কলমে দেওয়া চিহ্ন একটি যন্ত্র আলো ফেলে শনাক্ত করে এবং কম্পিউটারে ঢুকিয়ে দেয়। আমরা যে বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্রে গোল ঘর ভরাট করি, সেটি OMR শিটের উদাহরণ। এ কারণে OMR কম্পিউটারের একটি ইনপুট ডিভাইস। এতে খাতা দেখার সময় অনেক কম লাগে, আর ভুলও কমে। অন্য বিকল্পগুলোতে যেমন Reading বা Receptor লেখা আছে, তা OMR-এর প্রচলিত নাম নয়।
    মনে রাখুন:
    OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition, এটি ছাপা অক্ষর চিনে নেয়।
    MICR-এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition, ব্যাংকের চেক পড়তে এটি কাজে লাগে।
    OMR, OCR ও MICR সবই ইনপুট ডিভাইস।
  2. ৭০. কোনটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস নয়?
    • ক. মাউস
    • খ. কী-বোর্ড
    • গ. প্রিন্টার
    • ঘ. স্ক্যানার
    উত্তর: গ. প্রিন্টার
    কম্পিউটারে তথ্য ঢোকানোর যন্ত্রকে ইনপুট ডিভাইস (Input Device) আর ফলাফল বের করে দেখানোর যন্ত্রকে আউটপুট ডিভাইস (Output Device) বলে। মাউস, কী-বোর্ড ও স্ক্যানার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়, তাই এগুলো ইনপুট ডিভাইস। অন্য দিকে প্রিন্টার কম্পিউটারের প্রক্রিয়াজাত তথ্যকে কাগজে ছেপে বের করে দেয়, অর্থাৎ ফলাফল প্রকাশ করে। তাই প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস, ইনপুট নয়। মনিটর ও স্পিকারও আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ। তাই কম্পিউটারে তথ্য দেওয়ার কাজে প্রিন্টারকে ব্যবহার করা যায় না, কারণ এটি কেবল ফলাফল গ্রহণ করে ছাপে।
    মনে রাখুন:
    ইনপুট ডিভাইস: মাউস, কী-বোর্ড, স্ক্যানার, OMR, OCR, MICR, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন।
    আউটপুট ডিভাইস: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্লটার।

গণিত

  1. ৫৭. a বাহুবিশিষ্ট একটি সমবাহু ত্রিভুজের যেকোনো বাহু থেকে ভরকেন্দ্রের দূরত্ব কত?
    • ক. √3a/2
    • খ. 2√3a
    • গ. a/(2√3)
    • ঘ. 3√2a
    উত্তর: গ. a/(2√3)
    a বাহুবিশিষ্ট সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা (√3/2)a। ভরকেন্দ্র (Centroid) প্রতিটি মধ্যমাকে ২ : ১ অনুপাতে ভাগ করে, আর সমবাহু ত্রিভুজে মধ্যমা ও উচ্চতা একই। তাই ভরকেন্দ্র যেকোনো বাহু থেকে উচ্চতার এক-তৃতীয়াংশ দূরে থাকে। সূত্র মনে রাখার একটি উপায় আছে। সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে ভরকেন্দ্র, অন্তঃকেন্দ্র, পরিকেন্দ্র ও লম্ববিন্দু সব একই বিন্দুতে মেলে। তাই এই এক বিন্দুর দূরত্ব বের করতে পারলেই বাকি সব প্রশ্ন সহজ হয়ে যায়।
    দূরত্ব = (1/3) × (√3a/2) = √3a/6 = a/(2√3)।
    শর্টকাট: সমবাহু ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র ও অন্তঃকেন্দ্র একই বিন্দু, তাই এই দূরত্বই অন্তঃব্যাসার্ধ। যেমন a = 6 হলে দূরত্ব = 6/(2√3) = √3।
    মনে রাখুন:
    সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল (√3/4)a²।
    ভরকেন্দ্র থেকে শীর্ষবিন্দুর দূরত্ব a/√3।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ): অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন