বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৮ জানুয়ারি ২০২৪। ৭১টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →ইংরেজি
- ১. ‘It’s too soon to say if he’ll survive.’ Here ‘too’ is a/an—
- ক. verb
- খ. adverb
- গ. adjective
- ঘ. preposition
উত্তর: খ. adverb
এখানে too শব্দটি soon শব্দের আগে বসে তার মাত্রা বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ ‘বড্ড তাড়াতাড়ি’। Soon নিজে একটি adverb, আর adverb-এর মাত্রা বা তীব্রতা প্রকাশ করে আরেকটি adverb। তাই too এখানে adverb of degree। Verb বা adjective হলে too কোনো ক্রিয়া বা বিশেষণের আগে বসত, কিন্তু এখানে তার পরে soon নামে একটি adverb-ই আছে। Preposition-এর কাজ বিশেষ্যের সঙ্গে সম্পর্ক দেখানো, যা too করছে না।
মনে রাখুন:
Too মানে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি, তাই এতে সাধারণত একটি নেতিবাচক ভাব থাকে।
Too + adjective/adverb + to + verb গঠনে বাক্য লেখা হয়, যেমন: He is too weak to walk.
Too শব্দের আরেকটি অর্থ ‘ও, আবার’, যেমন: I will come too. - ৪. Which sentence is correct?
- ক. I lodged a complaint.
- খ. I made a complain.
- গ. I lodged a complained.
- ঘ. I filed a complain.
উত্তর: ক. I lodged a complaint.
Complaint একটি noun, যার অর্থ অভিযোগ। আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানানো বোঝাতে lodge a complaint বা file a complaint বলা হয়। তাই ‘I lodged a complaint.’ বাক্যটি শুদ্ধ। Complain হলো verb, অর্থাৎ ‘অভিযোগ করা’, তাই article a-এর পরে complain বসানো যায় না। আবার a-এর পরে complained (verb-এর past form) বসানোও ভুল, কারণ a-এর পরে noun লাগে।
মনে রাখুন:
Complain (verb) → complaint (noun), যেমন: He complained about the noise.
Complain সাধারণত about বা of-এর সঙ্গে ব্যবহার হয়: She complained about the delay.
Make a complaint এবং file a complaint-ও চলে, কিন্তু make a complain কখনো নয়। - ১৪. Which has the identical singular and plural form?
- ক. spectrum
- খ. dice
- গ. stimulus
- ঘ. basis
উত্তর: খ. dice
Dice শব্দটি মূলত die-এর plural, কিন্তু আধুনিক ইংরেজিতে একটি ছক্কা বোঝাতেও dice ব্যবহার হয়। ফলে singular ও plural দুটোই একই রূপে দেখা যায়। অন্য শব্দগুলোর plural সম্পূর্ণ আলাদা: spectrum – spectra, stimulus – stimuli এবং basis – bases। এগুলো লাতিন বা গ্রিক থেকে আসা শব্দ, তাই তাদের plural সাধারণ নিয়মে হয় না।
মনে রাখুন:
Singular ও plural একই রূপের শব্দ: sheep, deer, fish, aircraft, series, species।
লাতিন-গ্রিক শব্দের plural: crisis – crises, phenomenon – phenomena, criterion – criteria, datum – data। - ১৬. The idiom 'the gift of the gab' means:
- ক. an unexpected gain
- খ. fluency of speech
- গ. thought provoking oration
- ঘ. a christmas gift
উত্তর: খ. fluency of speech
The gift of the gab একটি idiom, যার অর্থ কথা বলার সহজাত দক্ষতা, অর্থাৎ বাকপটুতা। Gab মানে কথা বা বকবক। যার এই গুণ আছে, সে অনর্গল ও আকর্ষণীয়ভাবে কথা বলতে পারে এবং সহজেই অন্যকে বোঝাতে বা মুগ্ধ করতে পারে। অন্য বিকল্পগুলো ভুল: an unexpected gain-এর ইংরেজি windfall, আর a christmas gift হলো আক্ষরিক অর্থ, যা idiom-এ নেই।
মনে রাখুন:
Gift of the gab-এর মতো একই অর্থের শব্দ: eloquence, fluency, glibness।
কাছাকাছি idiom: a silver tongue, a way with words। - ২২. The word 'sibling' means:
- ক. a brother
- খ. a sister
- গ. a brother or sister
- ঘ. a sister and brother
উত্তর: গ. a brother or sister
Sibling শব্দের অর্থ একই বাবা-মায়ের সন্তান, অর্থাৎ ভাই অথবা বোন, ছেলে হোক বা মেয়ে। তাই ‘a brother or sister’ই সঠিক উত্তর। বাকি বিকল্পগুলো কেবল ভাই, কেবল বোন বা দুজনকে একসঙ্গে বোঝায়, কিন্তু sibling শব্দটি লিঙ্গ আলাদা না করে যেকোনো একজনকেই বোঝাতে পারে। যেমন, ‘She has two siblings’ বললে ভাই-বোনের সংখ্যা ও লিঙ্গ কোনোটিই বলা হয় না।
মনে রাখুন:
Sibling = ভাই বা বোন (লিঙ্গ নির্বিশেষে)।
Twin = যমজ, Kin = আত্মীয়স্বজন, Cousin = চাচাতো, মামাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাইবোন। - ২৪. The King left— heir.
- ক. a
- খ. the
- গ. an
- ঘ. zero article
উত্তর: গ. an
Heir শব্দটি বানানে h দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণে h শোনা যায় না, শব্দটি শুরু হয় স্বরধ্বনি দিয়ে। Article বসানোর সময় বানান নয়, উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি দেখতে হয়। তাই এখানে an বসবে: The King left an heir.
মনে রাখুন:
নীরব h-যুক্ত শব্দের আগে an বসে: an hour, an honest man, an honour।
উল্টো দিকে, বানানে স্বর থাকলেও উচ্চারণ ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শুরু হলে a বসে: a university, a European, a one-eyed man। - ২৫. What is the plural form of 'human'?
- ক. humans
- খ. humen
- গ. humanes
- ঘ. humane
উত্তর: ক. humans
Human শব্দের বহুবচন করতে সাধারণ নিয়মে শেষে s যোগ করতে হয়, তাই plural হলো humans। অনেকে man থেকে men-এর মতো humen ভেবে ভুল করে, কিন্তু human শব্দটি man-এর রূপভেদ নয়, এটি আলাদা একটি শব্দ। Humane-ও ভিন্ন শব্দ, এটি adjective, অর্থ দয়ালু বা মানবিক।
মনে রাখুন:
নিয়মহীন বহুবচন: man → men, woman → women, child → children, ox → oxen, foot → feet, tooth → teeth।
একই রকম আরও শব্দ: German → Germans, Roman → Romans (এগুলোতে s যোগ হয়)। - ২৮. Identify the correct passive from of 'Who did this'?
- ক. By whom was this done?
- খ. By whom has this done?
- গ. By whom this has been done?
- ঘ. By whom this had been done?
উত্তর: ক. By whom was this done?
Active voice বাক্য ‘Who did this?’-এ who কর্তা এবং verb হলো Past Indefinite (did)। Who দিয়ে শুরু প্রশ্নবাচক বাক্যকে passive করতে হলে ‘By whom’ দিয়ে শুরু করে auxiliary verb আগে বসাতে হয়। Past Indefinite-এর passive-এ was বা were লাগে এবং মূল verb-এর past participle (done) হয়। তাই উত্তর: By whom was this done? বাকি বিকল্পগুলোতে auxiliary verb ভুল জায়গায় আছে অথবা tense মেলেনি।
মনে রাখুন:
Who wrote the letter? → By whom was the letter written?
Who is doing the work? → By whom is the work being done? - ২৯. Select the sentence in which 'down' is an adjective:
- ক. We watched as the sun went down.
- খ. Tears ran down her face.
- গ. The system was down all morning.
- ঘ. Down with the tyrant!
উত্তর: গ. The system was down all morning.
‘The system was down all morning’ বাক্যে down শব্দটি was-এর পরে বসে system কেমন ছিল তা জানাচ্ছে, অর্থাৎ বিকল (not working)। তাই এখানে এটি adjective। অন্য তিনটি বাক্যে down adjective নয়। ‘The sun went down’ আর ‘Down with the tyrant!’-এ down ক্রিয়াবিশেষণ বা adverb-এর মতো কাজ করছে, আর ‘ran down her face’-এ face noun-এর আগে down একটি preposition।
মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে কী কাজ করছে তার ওপর নির্ভর করে তার parts of speech ঠিক হয়। Adjective হিসেবে down-এর আরও ব্যবহার: a down payment (অগ্রিম কিস্তি), the down train (নিম্নগামী ট্রেন)। - ৩১. 'A blooming flower is beautiful to look at'.— Here 'blooming' is a/an—
- ক. infinitive
- খ. gerund
- গ. participle
- ঘ. verbal noun
উত্তর: গ. participle
‘A blooming flower’ বাক্যাংশে blooming শব্দটি flower কেমন তা বলছে, অর্থাৎ এটি noun-কে বিশেষিত করছে। Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে যদি adjective-এর কাজ করে, তবে তাকে Present Participle বলে। এখানে blooming মানে প্রস্ফুটিত, তাই এটি participle। Gerund হলে শব্দটি noun-এর কাজ করত এবং বাক্যে কর্তা বা কর্ম হয়ে বসত, কিন্তু এখানে তা হয়নি।
মনে রাখুন:
Verb + ing noun-এর কাজ করলে gerund, adjective-এর কাজ করলে participle।
Gerund: Swimming is a good exercise.
Participle: A swimming boy, a running horse, a sleeping baby.
Infinitive-এর গঠন to + verb, যেমন: to read। - ৩২. 'I tried to persuade him, but he wouldn't come.' In this sentence verb 'come' is—
- ক. causative
- খ. transitive
- গ. intransitive
- ঘ. modal
উত্তর: গ. intransitive
‘He wouldn’t come’ বাক্যে come ক্রিয়ার অর্থ পূর্ণ করতে কোনো object লাগছে না, কেউ আসবে কি না সেটুকুই বলা হচ্ছে। যে verb-এর কাজ object ছাড়াই সম্পূর্ণ হয়, তাকে intransitive verb (অকর্মক ক্রিয়া) বলে। তাই এখানে come হলো intransitive।
মনে রাখুন:
Transitive verb-এর object লাগে: He eats rice. (eats কী খায়? rice)
Intransitive: go, come, sleep, fly, sing।
Causative verb কাউকে দিয়ে কাজ করানো বোঝায়: have, make, get, let। Modal verb: can, may, must, should। - ৩৩. Select the correct sentence :
- ক. One of my friends' are getting married today
- খ. One of my friend is getting married today.
- গ. One of my friends are getting married today.
- ঘ. One of my friends is getting married today.
উত্তর: ঘ. One of my friends is getting married today.
‘One of’-এর পরে সবসময় বহুবচন noun বসে, কিন্তু মূল subject হলো ‘One’, তাই verb হয় singular। সেই অনুযায়ী ‘One of my friends is getting married today’ শুদ্ধ। ‘friend’ লিখলে one of-এর নিয়ম ভাঙে, আর ‘are’ লিখলে subject-verb মিলে না। Friends’ (apostrophe-সহ) লিখলেও বানান ভুল হয়, কারণ এখানে মালিকানা বোঝানোর কিছু নেই।
মনে রাখুন:
One of the boys is absent.
Each of the students has a book.
Neither of them was present. - ৩৮. Fill in the blank with the appropriate preposition : The secretary was then called — to read the minutes.
- ক. at
- খ. for
- গ. on
- ঘ. over
উত্তর: গ. on
‘Call on someone to do something’ কাঠামোটির অর্থ কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু করার জন্য আহ্বান করা। তাই এখানে ‘The secretary was then called on to read the minutes’ বাক্যটি শুদ্ধ। অন্য prepositions আলাদা অর্থ দেয়।
মনে রাখুন:
Call at = কোনো জায়গায় যাওয়া (call at the office)।
Call for = দাবি করা বা প্রয়োজন হওয়া, কাউকে নিতে যাওয়া।
Call off = বাতিল করা। Call up = ফোন করা বা সেনাবাহিনীতে ডাকা। - ৪১. 'Don't go out while it rains'. In this sentence 'While' is a/an—
- ক. adverb
- খ. verb
- গ. interjection
- ঘ. conjunction
উত্তর: ঘ. conjunction
‘Don’t go out’ আর ‘it rains’, এই দুটি আলাদা clause। While শব্দটি এদের জুড়ে দিয়েছে এবং সময় বোঝাচ্ছে, তাই এটি conjunction (সংযোজক অব্যয়)। আরও নির্দিষ্ট করে বললে এটি subordinating conjunction, কারণ while-এর পরের clause-টি প্রধান clause-এর ওপর নির্ভরশীল। Adverb হলে while একটি verb বা adjective-কে বিশেষিত করত, কিন্তু এখানে সে দুটি clause জুড়েছে।
মনে রাখুন:
Conjunction দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা clause যুক্ত করে।
Subordinating conjunction: when, while, because, although, if, since।
Co-ordinating conjunction: and, but, or, so। - ৪৯. The opposite word for 'ally' is—
- ক. companion
- খ. partner
- গ. friend
- ঘ. foe
উত্তর: ঘ. foe
Ally মানে মিত্র বা সহযোগী, এর বিপরীত অর্থ foe, যার মানে শত্রু। যুদ্ধ বা রাজনীতিতে যারা এক পক্ষে থাকে তারা ally, আর বিপক্ষে থাকা দলের নাম foe। বাকি তিনটি, অর্থাৎ companion (সঙ্গী), partner (অংশীদার) ও friend (বন্ধু), ally-এর সমার্থক বা কাছাকাছি, বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
Foe-এর সমার্থক: enemy, adversary।
Ally-এর বিপরীত আরও হতে পারে: enemy, opponent।
Ally শব্দটির verb রূপ ‘ally with’, যার অর্থ মিত্রতা করা। - ৫০. What kind of noun is 'army'?
- ক. proper
- খ. common
- গ. collective
- ঘ. material
উত্তর: গ. collective
একই জাতের বহু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে একটি নামে প্রকাশ করলে সেই noun-কে collective noun বলে। Army বলতে অনেক সৈনিকের দলকে বোঝায়, তাই এটি collective noun। অন্য ধরনের noun-গুলোর সঙ্গে তুলনা করলে বোঝা সহজ হয়: proper noun কোনো নির্দিষ্ট নাম (Dhaka), common noun সাধারণ জাতিবাচক (boy), material noun পদার্থবাচক (gold)।
মনে রাখুন:
Collective noun-এর উদাহরণ: class, team, committee, jury, flock, crew, fleet।
Collective noun সাধারণত singular ধরা হয়, যেমন: The army is ready. - ৫৫. 'Shakespeare is a playwright'. Here 'Playwright' is used as—
- ক. object
- খ. subject
- গ. adverb
- ঘ. complement
উত্তর: ঘ. complement
‘Shakespeare is a playwright’ বাক্যে is একটি linking verb। এর পরে এমন একটি পদ বসেছে, যা subject (Shakespeare) কে পরিচয় দিচ্ছে। এ রকম পদকে subject complement বা সংক্ষেপে complement বলে। Object হলে verb-এর কাজ পূর্ণ করত অন্য কিছুর ওপর, কিন্তু এখানে একই ব্যক্তির পরিচয় দেওয়া হচ্ছে।
মনে রাখুন: Linking verb: is, am, are, was, were, seem, become। এদের পরে বসা noun বা adjective হলো complement।
উদাহরণ:
He became a doctor. (noun complement)
She looks happy. (adjective complement) - ৫৭. Fill in the blank with the right option : 'I — my prayers before I go to bed.'
- ক. make
- খ. tell
- গ. utter
- ঘ. say
উত্তর: ঘ. say
প্রার্থনা করা বোঝাতে ইংরেজিতে say one’s prayers বলা হয়। তাই বাক্যটি হবে: I say my prayers before I go to bed. Make, tell বা utter এখানে idiomatically বসে না। Utter মানে মুখে উচ্চারণ করা, কিন্তু এই বাক্যে ‘প্রার্থনা করা’ অর্থে say-ই স্বাভাবিক। ইংরেজিতে কিছু verb নির্দিষ্ট noun-এর সঙ্গেই বসে, একে collocation বলে।
মনে রাখুন:
Say grace = খাবারের আগে ধন্যবাদ-প্রার্থনা করা।
Offer prayer বা perform prayer-ও ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ‘say prayers’ সবচেয়ে সাধারণ।
Tell a lie, tell the truth, make a mistake, make a decision, এগুলো অন্যান্য collocation। - ৭০. 'He enjoyed sleeping in the open air.'– Here 'sleeping' is a/an—
- ক. participle
- খ. gerund
- গ. verb
- ঘ. infinitive
উত্তর: খ. gerund
‘Sleeping’ শব্দটি এখানে enjoyed ক্রিয়ার কর্ম বা object হিসেবে বসেছে। যে verb + ing একই সঙ্গে verb-এর ভাব ও noun-এর কাজ করে, তাকে gerund বলে। ‘Enjoy’ ক্রিয়ার পরে সাধারণত gerund বসে, infinitive নয়। যেমন ‘to sleep’ বললে এখানে বাক্য অস্বাভাবিক শোনাত। Participle হলে sleeping কোনো noun-কে বিশেষিত করত, কিন্তু এখানে কোনো noun তার সঙ্গে নেই।
মনে রাখুন:
Gerund-এর পর ing বসে এমন verb: enjoy, mind, avoid, finish, practise।
Participle বিশেষণের কাজ করে, gerund noun-এর কাজ করে: Seeing is believing. - ৭১. She said to me, "Are you happy in your new job?"
- ক. She asked me if I was happy in my new job.
- খ. She asked me if I had been happy in my new job.
- গ. She asked me if I have been happy in my new job.
- ঘ. She asked me whether I am happy in my new job.
উত্তর: ক. She asked me if I was happy in my new job.
মূল বাক্যে প্রশ্নটি ‘Are you…?’ অর্থাৎ হ্যাঁ/না উত্তরের প্রশ্ন। এমন প্রশ্ন indirect speech-এ রূপ নিলে reporting verb said to বদলে asked হয় এবং জুড়ে দিতে হয় if বা whether। Reporting verb past হওয়ায় reported অংশের present tense (are) পাল্টে past (was) হয়, আর you → I এবং your → my হয়। তাই ঠিক রূপ: She asked me if I was happy in my new job। D-তে am রেখে দেওয়ায় tense মেলেনি, আর B-তে had been আছে, যা মূল বাক্যের past-এর আগের কাল বোঝায়, এখানে তার দরকার নেই।
মনে রাখুন: প্রশ্নবাচক বাক্যে question mark বাদ যায় এবং সাধারণ বাক্যের মতো subject আগে বসে।
বাংলা
- ২. 'বনফুল' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
- ক. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
- খ. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
- গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
- ঘ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
‘বনফুল’ হলো কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের (১৮৯৯–১৯৭৯) ছদ্মনাম। তিনি ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক ও কবিতা, সবই লিখেছেন, তবে বিশেষভাবে পরিচিত অতি-সংক্ষিপ্ত গল্পের জন্য। পেশায় ছিলেন চিকিৎসক, অথচ সাহিত্যচর্চা করে গেছেন সারা জীবন। ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় ব্যঙ্গ কবিতা লিখে তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু। তাঁর উপন্যাসের মধ্যে ‘জঙ্গম’ ও ‘হাটে বাজারে’ উল্লেখযোগ্য।
মনে রাখুন:
নীললোহিত, সনাতন পাঠক ও নীল উপাধ্যায়: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
যাযাবর: বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথের পাঁচালী’-র লেখক, তাঁর পরিচিত ছদ্মনাম নেই। - ৩. 'জ্ঞ' যুক্তব্যঞ্জন গঠিত হয়েছে কোন দুটি ধ্বনিযোগে?
- ক. ঞ + গ
- খ. গ্ + ঞ
- গ. জ্ + ঞ
- ঘ. ঞ + জ
উত্তর: গ. জ্ + ঞ
‘জ্ঞ’ যুক্তব্যঞ্জনটি জ্ + ঞ, এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে তৈরি হয়েছে। প্রথমে জ্ এবং তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঞ। বাংলায় এই যুক্তাক্ষরের উচ্চারণ সাধারণত ‘গ্য’-এর মতো হয়, যেমন জ্ঞান (গ্যান), বিজ্ঞান (বিগ্যান)। কিন্তু উচ্চারণ ‘গ্য’-এর মতো শোনালেও বর্ণ হিসেবে এখানে গ নেই, তাই ‘গ্ + ঞ’ ভাবা ভুল। আবার ঞ + জ ভাবলে ক্রম উল্টে যায়।
উদাহরণ:
ক্ষ = ক্ + ষ
ঞ্চ = ঞ্ + চ
ঙ্গ = ঙ্ + গ
হ্ম = হ্ + ম - ৬. সাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম—
- ক. শওকত আলী
- খ. শেখ আজিজুর রহমান
- গ. ওসমান গনি
- ঘ. আজিজুল হক
উত্তর: খ. শেখ আজিজুর রহমান
শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান (১৯১৭–১৯৯৮)। তিনি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মেছিলেন এবং ‘শওকত ওসমান’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো ‘জননী’, ‘ক্রীতদাসের হাসি’ ও ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে শওকত আলী ভিন্ন একজন লেখকের নাম, যিনি ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ উপন্যাস লিখেছেন।
মনে রাখুন:
‘ক্রীতদাসের হাসি’ একটি রূপকধর্মী উপন্যাস, যা সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে লেখা।
‘জননী’ তাঁর প্রথম দিকের পরিচিত উপন্যাস। - ৭. কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয়?
- ক. বাঁধনহারা
- খ. মৃত্যুক্ষুধা
- গ. কুহেলিকা
- ঘ. ব্যথার দান
উত্তর: ঘ. ব্যথার দান
‘ব্যথার দান’ (১৯২২) কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গল্পগ্রন্থ, অর্থাৎ এটি উপন্যাস নয়, ছোটগল্পের সংকলন। তাঁর তিনটি উপন্যাস হলো ‘বাঁধনহারা’ (১৯২৭), ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) ও ‘কুহেলিকা’ (১৯৩১)। এই তিনটি রচনার মধ্য থেকে প্রশ্নে ‘উপন্যাস নয়’ খুঁজতে গেলে একমাত্র ‘ব্যথার দান’-ই বাদ পড়ে। নজরুল ছোটগল্প, কবিতা, গান, নাটক ও প্রবন্ধও লিখেছেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের অন্য গল্পগ্রন্থ: রিক্তের বেদন (১৯২৫), শিউলিমালা (১৯৩১)।
‘বাঁধনহারা’ বাংলা সাহিত্যের একটি পত্রোপন্যাস, অর্থাৎ চিঠির আকারে লেখা। - ১১. 'পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার কাছে ইতিহাস গর্বের।'– এটি কোন কবিতার চরণ?
- ক. পরিচয়
- খ. আমার পরিচয়
- গ. আমি বাঙালি
- ঘ. বাংলা ভাষা
উত্তর: খ. আমার পরিচয়
‘পরিচয়ে আমি বাঙালি’ পঙ্ক্তিটি সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতার। এই কবিতায় তিনি বাঙালি জাতির ইতিহাস, ভাষা ও সংগ্রামের গৌরব তুলে ধরেছেন। বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসও এতে বিশেষভাবে এসেছে। প্রশ্নের অন্য বিকল্পগুলো কবিতার প্রকৃত নাম নয়, কেবল চরণের শব্দ থেকে নেওয়া।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫–২০১৬) কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার।
তাঁর ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ ও ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ বিখ্যাত নাটক। - ১৫. মধুমাস বলা হয় কোন মাসকে?
- ক. বৈশাখ
- খ. জ্যৈষ্ঠ
- গ. আষাঢ়
- ঘ. শ্রাবণ
উত্তর: খ. জ্যৈষ্ঠ
বাংলা সনের দ্বিতীয় মাস জ্যৈষ্ঠ। এ সময় আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ গ্রীষ্মের মিষ্টি ফল পাকে, তাই জ্যৈষ্ঠকে মধুমাস বলা হয়। বৈশাখ, আষাঢ় ও শ্রাবণের তুলনায় জ্যৈষ্ঠই এই নামে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। মজার ব্যাপার হলো, বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ দুই মাস মিলে গ্রীষ্ম ঋতু হয়, তবু ফল পাকার সময় হিসেবে জ্যৈষ্ঠই মধুমাস।
মনে রাখুন:
বাংলা সনের প্রথম মাস বৈশাখ।
বাংলা সনের তারিখ ধরা হয় সূর্যোদয় থেকে।
আষাঢ় ও শ্রাবণ মিলে বর্ষা ঋতু। - ১৮. 'চর্যাপদ' কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
- ক. ১৯০৭ সালে
- খ. ১৯১০ সালে
- গ. ১৯১৬ সালে
- ঘ. ১৯২০ সালে
উত্তর: ক. ১৯০৭ সালে
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি উদ্ধার করেন। পরে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে ছাপা হয়। এই গ্রন্থই বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। গানগুলো লিখেছিলেন বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকেরা, যাঁদের মধ্যে লুইপা আদি কবি হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬। এই দুই সালের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্নে আসে।
চর্যাপদ রচিত হয়েছে দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে। - ২৭. বাংলা সাহিত্যের 'উদাসীন পথিক' কে?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. মীর মশাররফ হোসেন
- গ. জসীমউদ্দীন
- ঘ. দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর: খ. মীর মশাররফ হোসেন
‘উদাসীন পথিক’ হলো মীর মশাররফ হোসেনের (১৮৪৭–১৯১২) একটি ছদ্মনাম। এই নামে তিনি ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ নামে একটি বইও লিখেছিলেন। ‘গৌড়বটবাসী মশা’ ছদ্মনামেও তিনি লিখেছেন। কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়ায় জন্ম নেওয়া এই লেখক বাংলা মুসলিম সাহিত্যের প্রথম বড় গদ্যশিল্পী।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত বই: ‘বিষাদ-সিন্ধু’ (মহাকাব্যধর্মী গদ্য), ‘জমিদার দর্পণ’ (নাটক, ১৮৭৩)।
তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘রত্নবতী’ (১৮৬৯)।
একই লেখকের এই দুটি ছদ্মনাম একসঙ্গে মনে রাখা ভালো: উদাসীন পথিক ও গৌড়বটবাসী মশা। - ৩৪. 'রেস্তোরাঁ' শব্দের উৎস ভাষা—
- ক. তুর্কি
- খ. ফারসি
- গ. ফরাসি
- ঘ. ইংরেজি
উত্তর: গ. ফরাসি
‘রেস্তোরাঁ’ শব্দটি ফরাসি restaurant থেকে বাংলায় এসেছে। ইংরেজি ও ফরাসি, দুই ভাষাতেই একই শব্দ আছে, তবে বাংলায় এসেছে ফরাসি রূপের উচ্চারণ ধরে। তাই একে ফরাসি শব্দ বলা হয়। ইউরোপীয় বণিক ও শাসকদের সঙ্গে ফরাসি ভাষার অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকেছে। তুর্কি ও ফারসি ভাষার শব্দও আমাদের ভাষায় বহু আছে, তাই উৎস মেলাতে সতর্ক থাকতে হয়।
মনে রাখুন:
ফরাসি শব্দ: রেস্তোরাঁ, কার্তুজ, কুপন, ডিপো, বুর্জোয়া।
তুর্কি শব্দ: চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা, বাবুর্চি।
ফারসি শব্দ: খোদা, দোজখ, নামাজ, রোজা, চশমা, তোশক, দোকান। - ৪৩. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কোন ধরনের রচনা?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. নাট্যকাব্য
- খ. উপন্যাস
- গ. কাব্যনাট্য
- ঘ. কাব্য
উত্তর: গ. কাব্যনাট্য
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের একটি কাব্যনাট্য (১৯৭৬)। কাব্যনাট্য মানে এমন নাটক, যার সংলাপ কবিতার ছন্দে লেখা। এতে মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকের একটি গ্রামের মানুষের আতঙ্ক ও প্রতিরোধের ছবি আছে। নাট্যকাব্য ও কাব্যনাট্যকে মিলিয়ে ফেললে ভুল হয়, এখানে সঠিক নামটি কাব্যনাট্য।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের আরও কাব্যনাট্য: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ (১৯৮২)।
তাঁর উপন্যাস: ‘খেলারাম খেলে যা’, ‘নীল দংশন’। - ৪৪. 'ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে' একবাক্যে—
- ক. ইন্দ্রজিৎ
- খ. সংশপ্তক
- গ. জিতেন্দ্রিয়
- ঘ. অরিজিৎ
উত্তর: গ. জিতেন্দ্রিয়
‘ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে’, এই ব্যাসবাক্যের এক কথায় প্রকাশ হলো জিতেন্দ্রিয়। জিত (জয়ী) + ইন্দ্রিয় মিলে এই শব্দ গঠিত। যিনি নিজের চোখ, কান, জিভ প্রভৃতি ইন্দ্রিয়ের লোভ বা তাড়না দমন করতে পারেন, তাঁকেই জিতেন্দ্রিয় বলা হয়। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা, তাই একই ধরনের শোনালেও তাদের গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
মনে রাখুন:
ইন্দ্রকে জয় করেছে যে = ইন্দ্রজিৎ।
শত্রুকে জয় করে যে = অরিজিৎ।
জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বীর = সংশপ্তক। - ৪৬. 'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ—
- ক. তটিনী
- খ. অর্ণব
- গ. অবনী
- ঘ. স্রোতস্বিনী
উত্তর: খ. অর্ণব
‘সমুদ্র’ শব্দের একটি সমার্থক শব্দ অর্ণব। সমুদ্রের মতো বিশাল জলরাশিকে কবিতা ও গদ্য উভয়েই নানা নামে ডাকা হয়, অর্ণব তার একটি। অন্য বিকল্পগুলো অন্য জিনিস বোঝায়: তটিনী ও স্রোতস্বিনী নদী, আর অবনী পৃথিবী।
মনে রাখুন:
সমুদ্রের আরও প্রতিশব্দ: সাগর, সিন্ধু, জলধি, বারিধি, রত্নাকর, পারাবার, উদধি।
নদীর প্রতিশব্দ: তটিনী, স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী, সরিৎ।
পৃথিবীর প্রতিশব্দ: অবনী, ধরণী, ধরিত্রী, বসুন্ধরা। - ৪৭. বিদেশি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ—
- ক. সুখবর
- খ. অতিবৃষ্টি
- গ. অভিষেক
- ঘ. আমজনতা
উত্তর: ঘ. আমজনতা
উপসর্গ হলো যে শব্দাংশ অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে বা অর্থ বদলে দেয়। ‘আমজনতা’ শব্দে ‘আম’ আরবি উপসর্গ, যার অর্থ সাধারণ। তাই এটি বিদেশি উপসর্গযোগে গঠিত। ‘সুখবর’-এ ‘সু’, ‘অতিবৃষ্টি’-তে ‘অতি’ এবং ‘অভিষেক’-এ ‘অভি’, তিনটিই সংস্কৃত উপসর্গ। সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, আর এই তিনটি তারই অংশ।
মনে রাখুন:
বিদেশি উপসর্গ: আম (আমদরবার), খাস (খাসমহল), লা (লাপাত্তা), না (নাপসন্দ), বে (বেআইনি), বদ (বদমেজাজ)। - ৪৮. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের গ্রন্থ—
- ক. অবরোধবাসিনী
- খ. আনোয়ারা
- গ. জোহরা
- ঘ. রজনী
উত্তর: ক. অবরোধবাসিনী
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের (১৮৮০–১৯৩২) ‘অবরোধবাসিনী’ (১৯৩১) গ্রন্থে সেই সময়ের মুসলমান নারীদের অবরুদ্ধ জীবনের নানা ঘটনা ছোট ছোট চিত্রের মতো আছে। বাকি তিনটি রচনা অন্য লেখকের: ‘আনোয়ারা’ নজিবর রহমানের উপন্যাস, আর ‘রজনী’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্যান্য রচনা: ‘মতিচূর’, ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (ইংরেজিতে Sultana’s Dream), ‘পদ্মরাগ’।
তাঁর জন্ম ও মৃত্যুদিন একই, ৯ ডিসেম্বর। এই দিনটি রোকেয়া দিবস। - ৫২. 'জজসাহেব' কোন সমাসভুক্ত?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) ২০১৯
- ক. বহুব্রীহি
- খ. কর্মধারয়
- গ. দ্বন্দ্ব
- ঘ. অব্যয়ীভাব
উত্তর: খ. কর্মধারয়
যে সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ হয়ে পরপদের গুণ বা অবস্থা বোঝায় এবং দুই পদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। ‘জজসাহেব’ শব্দের ব্যাসবাক্য: জজ যিনি, তিনিই সাহেব। অর্থাৎ দুটি পদই একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয়। বহুব্রীহি সমাসে সমস্তপদ অন্য কিছুকে বোঝায়, দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদের যোগ বোঝায় আর অব্যয়ীভাবে পূর্বপদ অব্যয় হয়, এগুলোর কোনোটিই এখানে খাটে না।
মনে রাখুন:
কর্মধারয়ের উদাহরণ: নীলপদ্ম (নীল যে পদ্ম), মহানবী, কাঁচামিঠা।
বহুব্রীহি সমাসে সমস্তপদ অন্য কিছুকে বোঝায়, যেমন নীলকণ্ঠ (শিব)। - ৬২. 'কাকভূশণ্ডি' বাগধারার অর্থ—
- ক. ক্ষণজীবী
- খ. দীর্ঘজীবী
- গ. ক্ষণজন্মা
- ঘ. বিরলপ্রজ
উত্তর: খ. দীর্ঘজীবী
‘কাকভূশণ্ডি’ বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী। পুরাণে কাকভুশুণ্ডি নামে একটি অমর কাকের কথা আছে, সেখান থেকেই এই বাগধারা এসেছে। অন্য বিকল্পগুলো ভিন্ন অর্থের: ক্ষণজীবী মানে অল্প সময় বাঁচে এমন, ক্ষণজন্মা মানে যিনি বিরল প্রতিভা নিয়ে জন্মান আর বিরলপ্রজ মানে যার সন্তান কম।
মনে রাখুন:
অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ।
পত্রপাঠ = তৎক্ষণাৎ।
মিছরির ছুরি = মুখে মধুর কিন্তু ভেতরে ক্ষতিকর। - ৬৩. 'যে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে' তাকে একবাক্যে বলে—
- ক. ব্যয়কুণ্ঠ
- খ. মিতব্যয়ী
- গ. সাবধানী
- ঘ. কৃপণ
উত্তর: ক. ব্যয়কুণ্ঠ
যে ব্যক্তি ব্যয় করতে কুণ্ঠিত বা সংকুচিত হয়, ব্যাসবাক্য অনুযায়ী তার জন্য এক কথায় প্রকাশ ‘ব্যয়কুণ্ঠ’। কৃপণও কাছাকাছি অর্থ দেয়, তবে কৃপণ শব্দটি সাধারণভাবে যে কিছুই দিতে চায় না তাকে বোঝায়, আর ‘ব্যয়কুণ্ঠ’ ঠিক প্রশ্নের বাক্যাংশের সঙ্গে মেলে। মিতব্যয়ী মানে যে আয় বুঝে পরিমিত খরচ করে, তাই সেটি ভিন্ন অর্থ। সাবধানী মানে যে সতর্ক থাকে।
মনে রাখুন:
মিতব্যয়ী = আয় অনুযায়ী ব্যয় করে যে।
অপব্যয়ী = অনর্থক বেশি খরচ করে যে। - ৬৬. জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' কোন ধরনের রচনা?
- ক. গল্প
- খ. দিনলিপি
- গ. প্রবন্ধ
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: খ. দিনলিপি
জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ (১৯৮৬) মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দিনলিপি। যুদ্ধের নয় মাসে ঢাকার মানুষের জীবন, গেরিলা তৎপরতা এবং সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার কথা এতে ডায়েরির আদলে লেখা আছে। তিনি নিজের ছেলে রুমিকে মুক্তিযুদ্ধে হারান, তাই তাঁকে শহিদ জননী বলা হয়। বইটি গল্প বা উপন্যাস নয়, কারণ এতে কল্পনা নয়, সত্য ঘটনা তারিখ ধরে ধরে লেখা হয়েছে।
মনে রাখুন:
১৯৯২ সালে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়।
বাংলাদেশ
- ৫. বাংলাদেশের জলসীমায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি কোন নদীর?
- ক. মেঘনা
- খ. পদ্মা
- গ. যমুনা
- ঘ. হালদা
উত্তর: ঘ. হালদা
হালদা নদীর উৎপত্তি ও সমাপ্তি দুটিই বাংলাদেশের ভেতরে। এটি খাগড়াছড়ির পার্বত্য এলাকার বদনাতলী পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের কালুরঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। অন্যদিকে মেঘনা, পদ্মা ও যমুনা, এই তিনটি নদীরই উৎপত্তি বাংলাদেশের বাইরে, তাই এগুলো উত্তর হতে পারে না। হালদা রুই, কাতলা ও মৃগেল জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার জন্য বিশেষ পরিচিত। প্রতি বছর বসন্ত থেকে বর্ষার শুরুর দিকে, অমাবস্যা-পূর্ণিমার আশপাশে এই নদীতে মা-মাছ ডিম ছাড়ে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে হালদা নদীর খ্যাতি আছে।
পদ্মা হলো গঙ্গার এবং যমুনা হলো ব্রহ্মপুত্রের বাংলাদেশি অংশের নাম। - ৮. সর্বজনীন পেনশন স্কিম অনুযায়ী সুরক্ষা স্কিম কোন শ্রেণির মানুষের জন্য প্রযোজ্য?
- ক. প্রবাসী বাংলাদেশি
- খ. বেসরকারি কর্মচারী/প্রতিষ্ঠান
- গ. স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী
- ঘ. স্বল্প আয়ের ব্যক্তি
উত্তর: গ. স্বকর্ম ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মী
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় চারটি স্কিম আছে: প্রগতি, সুরক্ষা, সমতা ও প্রবাস। প্রতিটি স্কিম আলাদা শ্রেণির মানুষের জন্য তৈরি। এর মধ্যে সুরক্ষা স্কিম স্বকর্মে নিয়োজিত ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের জন্য। এ নিয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সংসদে আইন পাস হয়। পুরো ব্যবস্থাটি জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের অধীনে পরিচালিত হয়। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য সব নাগরিককে বার্ধক্যে আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়া।
মনে রাখুন:
প্রগতি: বেসরকারি খাতের কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য।
সমতা: নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য।
প্রবাস: প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য। - ১২. কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
- ক. পূবালী ব্যাংক
- খ. অগ্রণী ব্যাংক
- গ. জনতা ব্যাংক
- ঘ. রূপালী ব্যাংক
উত্তর: ক. পূবালী ব্যাংক
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক, যার মালিকানা সরকারের হাতে। সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক এই শ্রেণির, সঙ্গে বেসিক ব্যাংকও সরকারি মালিকানাধীন। পূবালী ব্যাংক একসময় রাষ্ট্রায়ত্ত ছিল, কিন্তু ১৯৮৩ সালে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাই এটি এখন বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং প্রশ্নের উত্তর এটিই।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ব্যাংকগুলো জাতীয়করণ করা হয়।
১৯৮৩ সালে পূবালীর সঙ্গে উত্তরা ব্যাংকও বেসরকারি খাতে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বিশেষায়িত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। - ১৩. কোন সালের চীন ভ্রমণের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধুর 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থটি রচিত হয়েছে?
- ক. ১৯৫২ সাল
- খ. ১৯৫৩ সাল
- গ. ১৯৫৪ সাল
- ঘ. ১৯৫৬ সাল
উত্তর: ক. ১৯৫২ সাল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি সম্মেলনে যোগ দেন। সেই সফরে যা দেখেছেন ও শুনেছেন, তা নিয়েই তিনি ‘আমার দেখা নয়াচীন’ লেখেন। সে সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় নেতা ছিলেন। বইটি লেখার অনেক পরে, ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি থেকে ছাপা হয়।
মনে রাখুন:
বইটি তাঁর ডায়েরির আকারে লেখা ভ্রমণকথা।
তাঁর অন্য দুটি পরিচিত বই: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭)। - ১৯. বাংলাদেশের প্রথম টানেল কোন নদীর তলদেশে নির্মিত হয়েছে?
- ক. পদ্মা
- খ. রূপসা
- গ. কর্ণফুলী
- ঘ. গোমতী
উত্তর: গ. কর্ণফুলী
বাংলাদেশের প্রথম টানেল কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হয়েছে। এটি চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে নদীর অপর পারের আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশে নির্মিত সড়ক টানেল। এর মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। টানেলে আছে দুটি আলাদা নল, যার প্রতিটিতে দুটি করে লেন। পদ্মা, রূপসা বা গোমতী, এগুলোর কোনোটির তলদেশে এমন টানেল নেই।
মনে রাখুন:
টানেলটি ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয়।
টানেলের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। - ৩০. 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের প্রথম সম্পাদক কে?
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
- গ. আলতাফ মাহমুদ
- ঘ. মাহবুবুল আলম চৌধুরী
উত্তর: ক. হাসান হাফিজুর রহমান
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্য সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদক ছিলেন কবি ও সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। সংকলনে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি নিয়ে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ ছিল। পাকিস্তান সরকার একে রাষ্ট্রবিরোধী মনে করে প্রকাশের অল্প দিনের মধ্যেই বাজেয়াপ্ত করে।
মনে রাখুন:
হাসান হাফিজুর রহমান ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র’-এর সম্পাদনাও করেছেন।
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের গীতিকার আবদুল গাফফার চৌধুরী, সুরকার আলতাফ মাহমুদ। - ৩৯. বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হলো—
- ক. ছয় দফা
- খ. এগারো দফা
- গ. ৭ই মার্চের ভাষণ
- ঘ. ২১ দফা
উত্তর: ক. ছয় দফা
ছয় দফাকে বলা হয় বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে এই কর্মসূচি উপস্থাপন করেন। পরে ২৩ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামী লীগের কর্মসূচি হিসেবে এটি প্রকাশ করা হয়। এ দাবির মূল কথা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য স্বায়ত্তশাসন। এর ওপর ভিত্তি করেই পরে স্বাধীনতার আন্দোলন গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
১১ দফা ১৯৬৯ সালে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ দেয়।
২১ দফা ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের কর্মসূচি। - ৫৩. বাংলাদেশের সংবিধান দিবস কবে?
- ক. ১৬ ডিসেম্বর
- খ. ৭ মার্চ
- গ. ৪ নভেম্বর
- ঘ. ২১ অক্টোবর
উত্তর: গ. ৪ নভেম্বর
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সেই কারণে এই দিনটি সংবিধান দিবস হিসেবে উদ্যাপিত হতো। সংবিধান কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বিজয় দিবসের দিন। সংবিধানের খসড়া তৈরি করেছিল ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি।
মনে রাখুন:
মূল সংবিধানে প্রস্তাবনাসহ ১১টি ভাগ ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ছিল।
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণের দিন; এগুলো সংবিধান দিবস নয়। - ৬০. নিম্নে বর্ণিত বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক?
- ক. গারো
- খ. হাজং
- গ. ত্রিপুরা
- ঘ. চাকমা
উত্তর: ক. গারো
গারো সম্প্রদায় মাতৃতান্ত্রিক বা মাতৃসূত্রীয়। অর্থাৎ বংশপরিচয় মায়ের সূত্রে চলে এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকার পান মেয়েরা, বিশেষ করে সবচেয়ে ছোট মেয়ে। বিয়ের পর স্বামী সাধারণত স্ত্রীর বাড়িতে থাকেন। গারোরা প্রধানত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুর অঞ্চলে বাস করে। হাজং, ত্রিপুরা ও চাকমা পিতৃতান্ত্রিক সমাজ।
মনে রাখুন:
গারো ছাড়া মাতৃতান্ত্রিক আরেকটি গোষ্ঠী খাসি (খাসিয়া)।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে বড় চাকমা।
বিজ্ঞান
- ৯. পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হলো—
- ক. Vit-A
- খ. Vit-E
- গ. Vit-B
- ঘ. Vit-D
উত্তর: গ. Vit-B
ভিটামিনকে দ্রবণীয়তার ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: পানিতে দ্রবণীয় ও স্নেহে (চর্বিতে) দ্রবণীয়। ভিটামিন B ও ভিটামিন C পানিতে দ্রবীভূত হয়, তাই এগুলো দেহে মজুদ থাকে না, বাড়তি অংশ মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। সে কারণে প্রতিদিন খাবারের মাধ্যমে এগুলো গ্রহণ করতে হয়। আর ভিটামিন A, D, E ও K স্নেহে দ্রবণীয়। এগুলো দেহের চর্বিতে জমা থাকে।
মনে রাখুন:
ভিটামিন C-র অভাবে স্কার্ভি হয়।
ভিটামিন B₁-এর অভাবে বেরিবেরি হয়।
ভিটামিন A-র অভাবে রাতকানা রোগ হয়, ভিটামিন D-র অভাবে শিশুদের রিকেটস হয়। - ১৭. বৃক্কের একক কী?
- ক. নিউরন
- খ. নেফ্রন
- গ. অ্যান্টিওর্ট
- ঘ. ফাইব্রোব্লাস্ট
উত্তর: খ. নেফ্রন
বৃক্ক বা কিডনির গাঠনিক ও কার্যকরী এককের নাম নেফ্রন (Nephron)। প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ নেফ্রন থাকে এবং প্রতিটি নেফ্রন আলাদাভাবে রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। এভাবে দেহের ক্ষতিকর বর্জ্য বেরিয়ে যায় এবং শরীরের পানি ও লবণের ভারসাম্য ঠিক থাকে। নিউরন স্নায়ুতন্ত্রের একক, আর ফাইব্রোব্লাস্ট যোজক কলার একধরনের কোষ।
মনে রাখুন:
নেফ্রনের অংশ: গ্লোমেরুলাস, বোম্যান্স ক্যাপসুল, নালিকা।
স্নায়ুতন্ত্রের একক নিউরন, ফুসফুসের একক অ্যালভিওলাস। - ২০. গ্রন্থির রাজা কোনটি?
- ক. Hypothalamus
- খ. Pituitary gland
- গ. Thyroid gland
- ঘ. Adrenal gland
উত্তর: খ. Pituitary gland
পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary Gland) মস্তিষ্কের নিচের দিকে ছোট্ট একটি গ্রন্থি। এটি অনেকগুলো হরমোন তৈরি করে এবং সেই হরমোন দিয়ে থাইরয়েড, অ্যাড্রিনাল ও জননগ্রন্থির মতো অন্য গ্রন্থিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে একে গ্রন্থির রাজা (Master Gland) বলা হয়। হাইপোথ্যালামাস পিটুইটারিকে চালিত করে ঠিকই, কিন্তু সরাসরি এত হরমোন নিঃসরণ করে না, তাই এই নাম পিটুইটারিরই।
মনে রাখুন:
পিটুইটারির বৃদ্ধি হরমোনের অভাবে বামনত্ব এবং আধিক্যে অতিকায়ত্ব হয়।
থাইরয়েড গ্রন্থি থাইরক্সিন নিঃসরণ করে।
অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি অ্যাড্রিনালিন নিঃসরণ করে। - ২৩. বৃহদন্ত্রের অংশ কোনটি?
- ক. ডিওডেনাম
- খ. জেজুনাম
- গ. এপেন্ডিক্স
- ঘ. ইলিয়াম
উত্তর: গ. এপেন্ডিক্স
আমাদের খাদ্যনালির অন্ত্র দুই ভাগে বিভক্ত: ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্র। ক্ষুদ্রান্ত্রের তিনটি অংশ হলো ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম। বৃহদন্ত্রের অংশ সিকাম, কোলন ও মলাশয়, আর সিকামের সঙ্গে যুক্ত থাকে সরু আঙুলের মতো এপেন্ডিক্স। তাই প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে এপেন্ডিক্স বৃহদন্ত্রের অংশ। এপেন্ডিক্সে প্রদাহ হলে অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগ হয়।
মনে রাখুন:
ডিওডেনামে অগ্ন্যাশয়ের রস ও পিত্ত এসে মেশে।
খাদ্য হজমের বেশিরভাগ কাজ ও শোষণ ক্ষুদ্রান্ত্রে হয়।
বৃহদন্ত্রে প্রধানত পানি শোষিত হয়। - ২৬. ডেঙ্গুজ্বরের বাহক কোন মশা?
- ক. কিউলেক্স
- খ. এডিস
- গ. অ্যানোফিলিস
- ঘ. সব ধরনের মশা
উত্তর: খ. এডিস
ডেঙ্গুজ্বর এডিস (Aedes) মশার কামড়ে ছড়ায়, বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টাই। এই মশা পরিষ্কার জমা পানিতে বংশবিস্তার করে এবং সাধারণত দিনের বেলায়, ভোরে ও বিকেলে কামড়ায়। কিউলেক্স ও অ্যানোফিলিস মশা অন্য রোগ ছড়ায়, তাই ‘সব ধরনের মশা’ বলাটাও ভুল। এডিস মশা চেনা যায় তার কালো শরীরে সাদা ডোরা দাগ দেখে।
মনে রাখুন:
অ্যানোফিলিস: ম্যালেরিয়া।
কিউলেক্স: ফাইলেরিয়া।
এডিস: ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও পীতজ্বর। - ৪০. একজন মানুষের স্বাভাবিক BMI কত?
- ক. 18-30 Kg/m²
- খ. 19-25 Kg/m²
- গ. 20-27 Kg/m²
- ঘ. 18.5-24.9 Kg/m²
উত্তর: ঘ. 18.5-24.9 Kg/m²
BMI (Body Mass Index) বের করা হয় ওজনকে (kg) উচ্চতার (m) বর্গ দিয়ে ভাগ করে: BMI = ওজন / উচ্চতা²। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে স্বাভাবিক BMI 18.5 থেকে 24.9 kg/m²।
উদাহরণ: ওজন 60 kg, উচ্চতা 1.7 m হলে BMI = 60 / 1.7² = 60 / 2.89 ≈ 20.8, অর্থাৎ স্বাভাবিক।
মনে রাখুন:
18.5-এর কম হলে কম ওজন।
25 থেকে 29.9 অতিরিক্ত ওজন।
30 বা তার বেশি হলে স্থূলতা। - ৫১. মানবদেহের কোষের Chromosome এর সংখ্যা—
- ক. ২২ জোড়া
- খ. ২৩ জোড়া
- গ. ২৮ জোড়া
- ঘ. ১৩ জোড়া
উত্তর: খ. ২৩ জোড়া
মানবদেহের প্রতিটি দেহকোষের নিউক্লিয়াসে মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম (Chromosome) থাকে, যা ২৩ জোড়া। এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম বা দেহ ক্রোমোজোম, আর বাকি এক জোড়া লিঙ্গ ক্রোমোজোম। নারীর লিঙ্গ ক্রোমোজোম XX এবং পুরুষের XY। তাই বিকল্পের মধ্যে ২৩ জোড়াই সঠিক। ২২ জোড়া শুধু অটোসোমের সংখ্যা।
মনে রাখুন:
জননকোষে (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক, অর্থাৎ ২৩টি।
নিষেকের সময় দুটি জননকোষ মিলে আবার ৪৬টি হয়। - ৫৯. কোন Vitamin-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধে না?
- ক. Vit-B
- খ. Vit-A
- গ. Vit-K
- ঘ. Vit-C
উত্তর: গ. Vit-K
ভিটামিন K রক্ত জমাট বাঁধার জন্য জরুরি। যকৃতে প্রোথ্রম্বিনসহ রক্ত জমাট বাঁধার কয়েকটি উপাদান তৈরিতে এই ভিটামিন লাগে। এর অভাব হলে সেই উপাদান কম তৈরি হয়, ফলে ক্ষত হলে রক্ত সহজে বন্ধ হয় না। ভিটামিন A দৃষ্টিশক্তির জন্য, ভিটামিন B শক্তি বিপাকের জন্য, আর ভিটামিন C ক্ষত সারাতে ও রোগ প্রতিরোধে কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াও কিছুটা ভিটামিন K তৈরি করে।
ভিটামিন K সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায়।
ভিটামিন K স্নেহে (চর্বিতে) দ্রবণীয়। - ৬১. নিচের কোন জীবাণুটি রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়?
- ক. Hepatitis C
- খ. TB
- গ. Covid-19
- ঘ. Vit-C
উত্তর: ক. Hepatitis C
হেপাটাইটিস সি ভাইরাস (Hepatitis C) সংক্রমিত রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়, যেমন একই সূচ ব্যবহার করলে বা অনিরাপদ রক্ত নিলে। যক্ষ্মা (TB) জীবাণু আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি-হাঁচির সঙ্গে বাতাসে ছড়ায়, আর কোভিড-১৯ প্রধানত শ্বাসতন্ত্রের কণার মাধ্যমে ছড়ায়। Vit-C জীবাণু নয়, এটি ভিটামিন।
মনে রাখুন:
হেপাটাইটিস বি ও এইচআইভি-ও রক্তের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
নিরাপদ সূচ ও পরীক্ষা করা রক্ত ব্যবহার করলে ঝুঁকি কমে।
হেপাটাইটিস যকৃৎ বা লিভারের প্রদাহ। - ৬৪. শরীরের অতিরিক্ত মেদ জমা হয়—
- ক. এডিপোস টিস্যু
- খ. এক্রোসোম
- গ. কানেকটিভ টিস্যু
- ঘ. বোন ম্যারো
উত্তর: ক. এডিপোস টিস্যু
আমরা খাদ্য থেকে যে বাড়তি শক্তি পাই, দেহ তার একটি অংশ চর্বি আকারে জমিয়ে রাখে। এই চর্বি জমা থাকে এডিপোস টিস্যু (Adipose Tissue) বা চর্বিযুক্ত কলায়, যা ত্বকের নিচে ও অঙ্গের চারপাশে ছড়ানো। এডিপোস টিস্যু এক ধরনের যোজক কলা, তবে নির্দিষ্টভাবে চর্বি জমান এটিই। এক্রোসোম শুক্রাণুর মাথার অংশ আর বোন ম্যারো অস্থিমজ্জা, এদের কোনোটির সঙ্গে মেদ জমার সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
এডিপোস টিস্যু তাপ ধরে রাখে ও আঘাত থেকে অঙ্গকে রক্ষা করে।
অস্থিমজ্জায় রক্তকণিকা তৈরি হয়। - ৬৮. বিলিরুবিন কোথায় তৈরি হয়?
- ক. অস্থিতে
- খ. রক্তে
- গ. যকৃতে
- ঘ. পাকস্থলিতে
উত্তর: গ. যকৃতে
লোহিত রক্তকণিকার আয়ু প্রায় ১২০ দিন, তারপর সেগুলো ভেঙে যায়। ভাঙা কণিকার হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন (Bilirubin) তৈরি হয়, আর যকৃৎ (Liver) এটিকে প্রক্রিয়া করে পিত্তের সঙ্গে বের করে দেয়। অস্থি, রক্ত বা পাকস্থলী এই কাজের জায়গা নয়, তাই প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে যকৃৎই উত্তর।
মনে রাখুন:
রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে জন্ডিস হয়।
বিলিরুবিন পিত্তের ও মলের রঙের জন্য দায়ী।
যকৃৎ দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। - ৬৯. মানবদেহে সবচেয়ে বড় হাড় কোনটি?
- ক. Fibula
- খ. Tibia
- গ. Femur
- ঘ. Humerus
উত্তর: গ. Femur
মানবদেহের সবচেয়ে বড় ও শক্ত হাড় ফিমার (Femur), যা উরুর হাড়। এটি শরীরের পুরো ভার বহন করে বলে বেশ মোটা ও লম্বা। টিবিয়া ও ফিবুলা পায়ের নিচের অংশের হাড়, আর হিউমেরাস বাহুর ওপরের হাড়, তাই এগুলো ফিমারের চেয়ে ছোট।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে ছোট হাড় কানের স্ট্যাপিস।
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে মোট ২০৬টি হাড় থাকে।
টিবিয়া পায়ের নিচের অংশের মোটা হাড়, ফিবুলা তার পাশের সরু হাড়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ১০. বিভিন্ন জটিল রোগের কারণ আবিষ্কারে কোন প্রযুক্তি কাজ করছে?
- ক. ন্যানোটেকনোলজি
- খ. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
- গ. ক্রায়োসার্জারি
- ঘ. বায়োইনফরমেটিক্স
উত্তর: ঘ. বায়োইনফরমেটিক্স
বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics) হলো তথ্যপ্রযুক্তি ও জীববিজ্ঞানের মিলিত একটি শাখা। কম্পিউটার ও গণিতের সাহায্যে জিন ও প্রোটিনের বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন কোন জিনের পরিবর্তনে কোন জটিল রোগ হয়। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা কাজ করে: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং জিন পরিবর্তন করে, ন্যানোটেকনোলজি অতি ক্ষুদ্র মাত্রায় কাজ করে আর ক্রায়োসার্জারি ঠান্ডা প্রয়োগে অস্ত্রোপচার করে।
মনে রাখুন:
জিনোম সিকুয়েন্সিং বায়োইনফরমেটিক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
জিনোম সিকুয়েন্সিংয়ে ডিএনএ-র ক্ষারকের ক্রম নির্ণয় করা হয়।
মানব জিনোম প্রকল্প (Human Genome Project) ২০০৩ সালে সম্পন্ন হয়। - ৩৭. নির্দিষ্ট ডাটা খুঁজতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
- ক. সর্টিং
- খ. সার্চিং
- গ. ইনডেক্সিং
- ঘ. কুয়েরী
উত্তর: ঘ. কুয়েরী
ডেটাবেজে লাখো রেকর্ডের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করার সরঞ্জামের নাম কুয়েরি (Query)। যেমন, ‘যাদের বয়স ৩০-এর বেশি’ শর্ত দিয়ে কুয়েরি চালালে শুধু সেই রেকর্ডগুলো আসে। সর্টিং (Sorting) তথ্যকে ক্রমানুসারে সাজায়, আর ইনডেক্সিং (Indexing) খোঁজার গতি বাড়ায়, তবে নির্দিষ্ট তথ্য বের করে আনে কুয়েরি।
মনে রাখুন:
কুয়েরি লেখার ভাষা SQL (Structured Query Language)।
ডেটাবেজ থেকে প্রতিবেদন তৈরির জন্য রিপোর্ট ব্যবহার করা হয়।
আন্তর্জাতিক
- ২১. কোন দেশটি G-8 (Group of Eight) সদস্যভুক্ত নয়?
- ক. ফ্রান্স
- খ. রাশিয়া
- গ. জাপান
- ঘ. চীন
উত্তর: ঘ. চীন
G-8 ছিল বিশ্বের আটটি শিল্পোন্নত দেশের জোট: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, কানাডা ও রাশিয়া। অর্থাৎ ফ্রান্স, রাশিয়া ও জাপান এই জোটের সদস্য ছিল। চীন কখনোই এর সদস্য ছিল না। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের কারণে রাশিয়াকে বাদ দেওয়া হলে সংগঠনটি আবার G-7 হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
G-20-তে চীন সদস্য, কিন্তু G-7 বা G-8 জোটে নয়।
মূল G-7-এর সদস্য: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা। - ৩৫. জিব্রাল্টার প্রণালী কোন দুটি দেশকে বিচ্ছিন্ন করেছে?
- ক. স্পেন ও মরক্কো
- খ. ইতালি ও তিউনিসিয়া
- গ. গ্রিস ও তুরস্ক
- ঘ. ফ্রান্স ও আলজেরিয়া
উত্তর: ক. স্পেন ও মরক্কো
জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর দিকে ইউরোপের স্পেন এবং দক্ষিণ দিকে আফ্রিকার মরক্কোকে আলাদা করেছে। অর্থাৎ এটি ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সংকীর্ণ জলপথ। এটি পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর ও পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে। প্রণালীটির সবচেয়ে সরু অংশ প্রায় ১৪ কিলোমিটার চওড়া। ইতালি, তিউনিসিয়া, গ্রিস, তুরস্ক বা আলজেরিয়া, কোনোটিই এই প্রণালীর দুই পাড়ে নেই।
মনে রাখুন:
জিব্রাল্টার নামে ব্রিটেনের একটি বিদেশি অঞ্চল (British Overseas Territory) প্রণালীর উত্তর পাড়ে স্পেনের গায়ে অবস্থিত। প্রণালীর নাম এখান থেকেই এসেছে।
বসফরাস প্রণালী (তুরস্ক) কৃষ্ণ সাগর ও মর্মর সাগরকে যুক্ত করে। - ৩৬. ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন—
- ক. ইয়ন ফসে
- খ. লুইস গ্লুক
- গ. অ্যানি এরনাক্স
- ঘ. উইলিয়াম ডি. নর্ডহাউস
উত্তর: ক. ইয়ন ফসে
২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান নরওয়ের লেখক ও নাট্যকার ইয়ন ফসে (Jon Fosse)। তাঁকে পুরস্কৃত করা হয় তাঁর উদ্ভাবনী নাটক ও গদ্যের জন্য, যা অকথিত কথাকে কণ্ঠ দিয়েছে। বাকি তিনজনও নোবেল পেয়েছেন, তবে অন্য বছরে বা অন্য বিষয়ে। লুইস গ্লুক ২০২০ সালে সাহিত্যে, অ্যানি এরনাক্স ২০২২ সালে সাহিত্যে এবং উইলিয়াম ডি. নর্ডহাউস ২০১৮ সালে অর্থনীতিতে পুরস্কার পান।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পান দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক হান কাং, ২০২৫ সালে পান হাঙ্গেরির লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই। - ৪২. কার্বন প্রভাবমুক্ত প্রথম দেশ কোনটি?
- ক. জাপান
- খ. চীন
- গ. ভুটান
- ঘ. কানাডা
উত্তর: গ. ভুটান
ভুটানকে বিশ্বের প্রথম ও একমাত্র কার্বন নেগেটিভ দেশ বলা হয়। অর্থাৎ দেশটি যে পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়ে, তার চেয়ে বেশি শোষণ করে। এর বড় কারণ দেশটির বিশাল বনভূমি। ভুটানের সংবিধান অনুযায়ী দেশের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ ভূমি বনাচ্ছাদিত রাখা বাধ্যতামূলক। তা ছাড়া দেশের বিদ্যুৎ আসে প্রধানত জলবিদ্যুৎ থেকে, যা কার্বন নিঃসরণ ঘটায় না।
মনে রাখুন:
কার্বন নিরপেক্ষ (Carbon Neutral) মানে নিঃসরণ ও শোষণ সমান, আর কার্বন নেগেটিভ মানে শোষণ বেশি।
ভুটানের রাজধানী থিম্পু। - ৪৫. SDG Target-এ Maternal Mortality Rate কত শতাংশে কমবে?
- ক. <70%
- খ. <80%
- গ. <90%
- ঘ. <100%
উত্তর: ক. <70%
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) তৃতীয় লক্ষ্য সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ। এর অন্তর্গত প্রথম টার্গেট (৩.১) হলো ২০৩০ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর অনুপাত প্রতি এক লাখ জীবিত জন্মে ৭০-এর নিচে নামিয়ে আনা। প্রশ্নে যদিও শতাংশ লেখা আছে, আসলে সংখ্যাটি অনুপাতের, তাই ৭০-এর কম বিকল্পটিই সঠিক।
মনে রাখুন:
SDG-তে নবজাতক মৃত্যু প্রতি হাজার জীবিত জন্মে ১২ বা তার কম এবং পাঁচ বছরের নিচের শিশুমৃত্যু ২৫ বা তার কম রাখার লক্ষ্য আছে।
SDG-তে মোট ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি টার্গেট। - ৫৪. কনফুসিয়াস কী ছিলেন?
- ক. দার্শনিক
- খ. সম্রাট
- গ. রাষ্ট্রনেতা
- ঘ. বিজ্ঞানী
উত্তর: ক. দার্শনিক
কনফুসিয়াস (খ্রিষ্টপূর্ব ৫৫১–৪৭৯) ছিলেন প্রাচীন চীনের একজন দার্শনিক ও শিক্ষক। তিনি সম্রাট, রাষ্ট্রনেতা বা বিজ্ঞানী ছিলেন না, বরং নীতি, শিক্ষা ও সমাজের শৃঙ্খলা নিয়ে ভেবেছেন। তাঁর শিক্ষা পরে কনফুসীয় মতবাদ নামে পরিচিত হয়। তাঁর কথাবার্তা সংকলিত হয়েছে ‘লুনইউ’ (Analects) গ্রন্থে। ‘যা তুমি নিজে পছন্দ করো না, তা অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ো না’, এই বিখ্যাত বাণীটি তাঁর।
মনে রাখুন:
চীনের আরেক প্রাচীন দার্শনিক লাওৎসে, যাঁকে তাও ধর্মের প্রবর্তক বলা হয়। - ৫৬. সুয়েজ খাল কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. মিশর
- খ. সৌদি আরব
- গ. তুরস্ক
- ঘ. গ্রিস
উত্তর: ক. মিশর
সুয়েজ খাল মিশরে অবস্থিত। এই কৃত্রিম খাল উত্তর দিকে ভূমধ্যসাগর এবং দক্ষিণ দিকে লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে। ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপস খাল খননের কাজ পরিচালনা করেন। খননের কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং ১৮৬৯ সালে খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এতে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যেতে আফ্রিকা ঘুরে আসার দরকার পড়ে না।
মনে রাখুন: ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের খালটি জাতীয়করণ করেন। এর ফলে সুয়েজ সংকট দেখা দেয়। - ৫৮. ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবহৃত মুদ্রার নাম কী?
- ক. ইউরো
- খ. ডলার
- গ. পাউন্ড
- ঘ. ইয়েন
উত্তর: ক. ইউরো
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর একটি অংশ যে একক মুদ্রা ব্যবহার করে, তার নাম ইউরো। ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি ইউরো লেনদেনের মুদ্রা হিসেবে চালু হয়, আর কাগজের নোট ও ধাতব মুদ্রা চলে আসে ২০০২ সালে। ইউরো মুদ্রার ধারণার জনক হিসেবে অর্থনীতিবিদ রবার্ট মুন্ডেলকে ধরা হয়। এর কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংক, যার সদর দপ্তর জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে।
মনে রাখুন: ডলার যুক্তরাষ্ট্রের, পাউন্ড যুক্তরাজ্যের, ইয়েন জাপানের মুদ্রা।
হালনাগাদ: ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি বুলগেরিয়া যোগ দেওয়ায় ইউরো ব্যবহারকারী দেশ ২১টি। - ৬৫. বেলফোর ঘোষণা কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত?
- ক. ভারত
- খ. পাকিস্তান
- গ. ইসরাইল
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: গ. ইসরাইল
১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রসচিব আর্থার জেমস বেলফোর ব্রিটিশ ইহুদি নেতা লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি লেখেন। চিঠিতে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি গড়ার প্রতি ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন জানানো হয়। এই চিঠিই বেলফোর ঘোষণা নামে পরিচিত, আর এটি ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করে। ভারত, পাকিস্তান বা যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সঙ্গে এই ঘোষণার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
ইসরাইল স্বাধীনতা ঘোষণা করে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে।
ফিলিস্তিনের আরব জনগণ এই ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করে। - ৬৭. আইফেল টাওয়ার কোন শহরে অবস্থিত?
- ক. লন্ডন
- খ. ভেনিস
- গ. জেনেভা
- ঘ. প্যারিস
উত্তর: ঘ. প্যারিস
আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। ১৮৮৯ সালের বিশ্ব মেলা উপলক্ষে ১৮৮৭ থেকে ১৮৮৯ সালের মধ্যে এটি নির্মিত হয়। লোহার কাঠামোর এই মিনারটি গুস্তাভ আইফেলের প্রতিষ্ঠানের নকশায় তৈরি, আর তাঁর নাম থেকেই টাওয়ারের নাম। ওপরে অ্যান্টেনা বসানোর পর এর বর্তমান উচ্চতা প্রায় ৩৩০ মিটার।
মনে রাখুন:
লন্ডনের বিখ্যাত স্থাপনা বিগ বেন।
ভেনিস খালের শহর।
জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর আছে।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন