লিয়ানা বুকস

পৃথিবী ও মহাকাশ: বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান, অধ্যায় ২১। বিগত বিসিএস আর অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে আসা ৩৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর ব্যাখ্যা একসঙ্গে। আগে নিজে যাচাই করতে চাইলে সময় আর নেগেটিভ মার্কিংসহ পরীক্ষা দিন।

এই অধ্যায়ের পরীক্ষা দিন →

বিসিএস (৪৫)

  1. ১. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম–৪১তম বিসিএস ও বাংলাদেশ টেলিভিশন, উপসহকারী প্রকৌশলী, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র
    • ক. ভেগা
    • খ. আলফা সেন্টাউরি
    • গ. আলফা সেনচুরি
    • ঘ. প্রক্সিমা সেন্টাউরি
    উত্তর: ঘ. প্রক্সিমা সেন্টাউরি
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হলো প্রক্সিমা সেন্টাউরি (Proxima Centauri)। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। প্রক্সিমা কথাটির অর্থ নিকটবর্তী। এটি একটি ছোট ও ম্লান লাল বামন নক্ষত্র, তাই খালি চোখে দেখা যায় না। অনেকে আলফা সেন্টাউরিকে সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র মনে করেন। আসলে আলফা সেন্টাউরি একটি তারকাব্যবস্থা, যাতে তিনটি নক্ষত্র আছে এবং প্রক্সিমা সেই ব্যবস্থারই তৃতীয় সদস্য। আলফা সেন্টাউরি এ ও বি একসঙ্গে প্রায় ৪.৩৭ আলোকবর্ষ দূরে। রাতের আকাশে এই ব্যবস্থার উজ্জ্বল তারাটি দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে দেখা যায়।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র (সূর্য ছাড়া): প্রক্সিমা সেন্টাউরি।
    সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র, দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
    ১ আলোকবর্ষ প্রায় ৯.৪৬ লক্ষ কোটি কিলোমিটার।
  2. ২. জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) মূলতঃ তড়িৎ-চুম্বকীয় বর্ণালীর কোন্ অংশে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?৫০তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ টেলিস্কোপ
    • ক. অবলোহিত অঞ্চল
    • খ. দৃশ্যমান এবং নিকট-অবলোহিত অঞ্চল
    • গ. অতিবেগুনী এবং দৃশ্যমান অঞ্চল
    • ঘ. এক্স-রে এবং গামা-রে অঞ্চল
    উত্তর: ক. অবলোহিত অঞ্চল
    জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) ২০২১ সালের ডিসেম্বরে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি মূলত অবলোহিত (Infrared) আলোতে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করার জন্য তৈরি। মহাবিশ্বের প্রসারণের কারণে বহু দূরের প্রাচীন গ্যালাক্সির আলো লম্বা তরঙ্গে সরে অবলোহিত হয়ে যায়। এ ছাড়া ধূলিমেঘ অবলোহিত আলোকে ভেদ করতে দেয়, ফলে মেঘের ভেতরের তারা ও গ্রহ দেখা যায়।

    মনে রাখুন:
    হাবল টেলিস্কোপ প্রধানত দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলোতে দেখে।
    JWST-এর প্রধান আয়না প্রায় 6.5 মিটার ব্যাসের।
    JWST পৃথিবী থেকে প্রায় 15 লক্ষ কিলোমিটার দূরে সূর্য-পৃথিবীর L2 বিন্দুতে অবস্থান করে।
  3. ৩. কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়?৪৭তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ টেলিস্কোপ
    • ক. জেমস ওয়েব
    • খ. পাথ ফাইন্ডার
    • গ. স্পিটজার
    • ঘ. জন কেপলার
    উত্তর: ক. জেমস ওয়েব
    জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এটি হাবলের উত্তরসূরি হিসেবে গণ্য। এটি অবলোহিত আলোয় কাজ করে, তাই ধুলোমেঘের ভেতর দিয়েও দেখতে পারে এবং আরও দূরের প্রাচীন মহাবিশ্বের ছবি তুলতে পারে। জেমস ওয়েবের প্রধান আয়না সোনার প্রলেপ দেওয়া ১৮টি ষড়ভুজাকৃতি অংশ দিয়ে তৈরি। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে একটি বিশেষ বিন্দুতে থেকে সূর্যকে পেছনে রেখে কাজ করে।
    মনে রাখুন:
    হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ১৯৯০ সালে পাঠানো হয়, আর এটি মূলত দৃশ্যমান আলোয় কাজ করে।
    কেপলার টেলিস্কোপ তৈরি হয়েছিল নতুন গ্রহ খোঁজার জন্য।
  4. ৪. কোন গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়?৪৭তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. শনি
    • খ. মঙ্গল
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. ইউরেনাস
    উত্তর: খ. মঙ্গল
    নাসার রোবটযান কিউরিওসিটি (Curiosity) ২০১১ সালে পাঠানো হয় এবং ২০১২ সালে মঙ্গল গ্রহের গেল ক্রেটারে (Gale Crater) অবতরণ করে। মঙ্গলে একসময় অণুজীবের বেঁচে থাকার উপযোগী পরিবেশ ছিল কি না, তা খুঁজে দেখাই এর কাজ। কিউরিওসিটি আকারে একটি ছোট গাড়ির সমান এবং এটি পারমাণবিক শক্তিতে চলে। মঙ্গলের মাটির নমুনা বিশ্লেষণ করে এটি জানিয়েছে, অতীতে সেখানে তরল পানি ছিল এবং জীবনের জন্য দরকারি কিছু রাসায়নিক উপাদানও ছিল।
    মনে রাখুন:
    মঙ্গলে পাঠানো অন্য রোভার হলো স্পিরিট, অপরচুনিটি ও পারসিভিয়ারেন্স।
    মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলা হয়, কারণ এর মাটিতে আয়রন অক্সাইড আছে।
  5. ৫. জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে?৪৬তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ টেলিস্কোপ
    • ক. Ultra-violet
    • খ. Infrared
    • গ. Visible
    • ঘ. X-ray
    উত্তর: খ. Infrared
    জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপিত হয় এবং পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিমি দূরে সূর্য-পৃথিবীর L2 বিন্দুতে অবস্থান করে। এটি প্রধানত অবলোহিত রশ্মি (Infrared) দিয়ে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণ করে। এর দুটি কারণ আছে। প্রথমত, মহাবিশ্বের প্রসারণে অতি দূরের আদি ছায়াপথের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেড়ে অবলোহিত অঞ্চলে চলে আসে (লাল সরণ)। দ্বিতীয়ত, অবলোহিত রশ্মি ধুলোর মেঘ ভেদ করে ভেতরের নক্ষত্র ও গ্রহ গঠন দেখতে সাহায্য করে।
    মনে রাখুন: হাবল স্পেস টেলিস্কোপ মূলত দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলোয় কাজ করে।
  6. ৬. বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হল –৪৫তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের গঠন
    • ক. অক্সিজেন
    • খ. কার্বন-ডাইঅক্সাইড
    • গ. নাইট্রোজেন
    • ঘ. হাইড্রোজেন
    উত্তর: ঘ. হাইড্রোজেন
    বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সবচেয়ে প্রচুর গ্যাস হাইড্রোজেন। মহাবিশ্বের সাধারণ পদার্থের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ হাইড্রোজেন এবং প্রায় এক-চতুর্থাংশ হিলিয়াম। তারার কেন্দ্রে নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন হিলিয়ামে পরিণত হয় এবং আলো ও তাপ উৎপন্ন করে। সূর্যও এভাবেই শক্তি পায়। হিলিয়াম হলো মহাবিশ্বের দ্বিতীয় প্রচুর মৌল। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন সামান্যই আছে, কারণ এটি এত হালকা যে মহাকাশে ছড়িয়ে যায়। পৃথিবীতে হাইড্রোজেন প্রধানত পানির মধ্যে যৌগ হিসেবে আছে। তাই মহাবিশ্বের হিসাবে হাইড্রোজেনই প্রধান উপাদান।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি আছে নাইট্রোজেন, প্রায় ৭৮ শতাংশ।
    হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা মৌল।
  7. ৭. ‘কেপলার-৪৫২বি’ কী?৪৪তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ
    • ক. একটি মহাকাশযান
    • খ. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
    • গ. সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
    • ঘ. NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
    উত্তর: খ. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
    কেপলার-৪৫২বি (Kepler-452b) নাসার কেপলার মহাকাশ টেলিস্কোপে শনাক্ত করা একটি গ্রহ, যার ঘোষণা আসে ২০১৫ সালে। এটি পৃথিবীর চেয়ে কিছুটা বড় এবং সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে বাসযোগ্য দূরত্বে প্রদক্ষিণ করে। তাই একে 'পৃথিবীর মতো গ্রহ' বা 'পৃথিবী ২.০' বলা হয়। এর এক বছর প্রায় ৩৮৫ দিনের। যে গ্রহ সূর্য ছাড়া অন্য কোনো নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে, তাকে বহির্গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট বলে। কেপলার টেলিস্কোপ নক্ষত্রের সামনে দিয়ে গ্রহ গেলে আলোর সামান্য কমে যাওয়া মেপে এমন গ্রহ খুঁজে বের করে।
    মনে রাখুন: গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪০০ আলোকবর্ষ দূরে।
  8. ৮. পাথফাইন্ডার-এর মঙ্গলে অবতরণ সাল-৪১তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ১৯৯০
    • খ. ১৯৯৫
    • গ. ১৯৯৭
    • ঘ. ২০০০
    উত্তর: গ. ১৯৯৭
    নাসার (NASA) মার্স পাথফাইন্ডার ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই মঙ্গলে অবতরণ করে। এর সঙ্গে থাকা ছোট রোভার সোজার্নার (Sojourner) ছিল মঙ্গলে চলা প্রথম রোভার। এই অভিযানের সাফল্যের পর মঙ্গল নিয়ে আরও বড় অভিযানের পথ খুলে যায়। রোভার হলো চাকাওয়ালা রোবটযান, যা অন্য গ্রহের মাটির ওপর চলে নমুনা পরীক্ষা করে। সোজার্নার মঙ্গলের পাথর ও মাটির রাসায়নিক গঠন পরীক্ষা করে পৃথিবীতে তথ্য পাঠায়। পাথফাইন্ডার অবতরণের সময় বায়ুথলি ফুলিয়ে মঙ্গলের মাটিতে আছড়ে পড়ে, তারপর খুলে যায়।
    মনে রাখুন:
    পরবর্তী রোভারগুলো হলো স্পিরিট, অপরচুনিটি, কিউরিওসিটি ও পারসিভিয়ারেন্স।
  9. ৯. ঢাকা থেকে হংকং হয়ে প্লেন নিউইয়র্কে যাওয়ার সময় দিনের সময়কালকে অপেক্ষাকৃত ছোট মনে হয়, কেন?৪০তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. পৃথিবী পশ্চিম দিকে ঘুরছে বলে
    • খ. পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে বলে
    • গ. এক্ষেত্রে এসব ঘূর্ণনের কোন প্রভাব নেই
    • ঘ. অন্য কোন কারণ আছে
    উত্তর: ঘ. অন্য কোন কারণ আছে
    পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে, তাই পৃথিবী পশ্চিম দিকে ঘোরে বলা ঠিক নয়। আবার সূর্যকে প্রদক্ষিণের (Revolution) কারণে দিনের দৈর্ঘ্য এক ফ্লাইটে বদলে যায় না। ঢাকা থেকে পূর্ব দিকে উড়লে বিমান সূর্যোদয়ের দিকে এগিয়ে যায়, ফলে স্থানীয় সময় দ্রুত এগোয় এবং দিন ছোট মনে হয়। এই কারণটি দেওয়া দুটি বিকল্পের কোনোটিই নয়, তাই উত্তর হলো অন্য কোনো কারণ।

    মনে রাখুন:
    পূর্ব দিকে গেলে স্থানীয় সময় এগিয়ে যায় এবং দিন ছোট মনে হয়।
    পশ্চিম দিকে গেলে স্থানীয় সময় পিছিয়ে পড়ে এবং দিন লম্বা মনে হয়।
  10. ১০. চন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের-৩৭তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. দশ ভাগের একভাগ
    • খ. ছয় ভাগের একভাগ
    • গ. তিন ভাগের একভাগ
    • ঘ. চার ভাগের একভাগ
    উত্তর: খ. ছয় ভাগের একভাগ
    চাঁদের ভর ও ব্যাসার্ধ পৃথিবীর চেয়ে অনেক কম, তাই সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ। বস্তুর ওজন W = mg, তাই g কমলে ওজনও কমে যায়। এজন্য চাঁদে বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগের একভাগ। কিন্তু ভর সব জায়গায় একই থাকে। g-এর মান পৃথিবীতে প্রায় 9.8 m/s², আর চাঁদে প্রায় 1.6 m/s²। এই কম অভিকর্ষের জন্য চাঁদে নভোচারীরা অনেক লাফিয়ে লাফিয়ে চলেন।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীতে 60 kg ওজনের মানুষ চাঁদে প্রায় 10 kg ওজন অনুভব করবে।
    চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই, তাই সেখানে শব্দ শোনা যায় না।
  11. ১১. কোন গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে অধিক?৩৫তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ
    • ক. শুক্র
    • খ. পৃথিবী
    • গ. মঙ্গল
    • ঘ. বুধ
    উত্তর: ক. শুক্র
    সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র (Venus)। এর বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত ঘন, প্রায় ৯৬ শতাংশই কার্বন ডাই-অক্সাইড। সূর্যের তাপ একবার ভেতরে ঢুকলে বের হতে পারে না, ফলে তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব (Greenhouse Effect) তৈরি হয়। শুক্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৪৬০ থেকে ৪৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সিসাও গলিয়ে দিতে পারে।
    বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলেও তার প্রায় কোনো বায়ুমণ্ডল নেই, তাই দিনের তাপ রাতে মহাশূন্যে হারিয়ে যায়। পৃথিবী ও মঙ্গলের তাপমাত্রা অনেক কম।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র, সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ
    কারণ: ঘন CO2 বায়ুমণ্ডল ও গ্রিনহাউস প্রভাব
  12. ১২. Lunar eclipse occurs on-৩৪তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহণ
    • ক. A new moon day
    • খ. A full moon day
    • গ. A half moon day
    • ঘ. A moonless day
    উত্তর: খ. A full moon day
    চন্দ্রগ্রহণ তখনই হয়, যখন সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ প্রায় একই সরলরেখায় আসে এবং পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে থাকে। তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এই অবস্থায় চাঁদ পৃথিবীর বিপরীত দিকে থাকে বলে এটি কেবল পূর্ণিমার দিনে হতে পারে। তাই চন্দ্রগ্রহণ পূর্ণিমায় ঘটে। চন্দ্রগ্রহণ রাতে পৃথিবীর যেসব স্থান থেকে চাঁদ দেখা যায়, সেখানেই দেখা যায়। তখন চাঁদ পুরোপুরি অদৃশ্য হয় না, বরং তামাটে লাল রঙ ধারণ করে।
    মনে রাখুন:
    সূর্যগ্রহণ হয় অমাবস্যায়, যখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে আসে।
    প্রতি পূর্ণিমায় গ্রহণ হয় না, কারণ চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষতলের সঙ্গে সামান্য হেলানো।
  13. ১৩. বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবক্তা-৩৩তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের উৎপত্তি
    • ক. আইনস্টাইন
    • খ. জি. ল্যামেটার
    • গ. স্টিফেন হকিং
    • ঘ. গ্যালিলিও
    উত্তর: খ. জি. ল্যামেটার
    মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory) বলে, বহু আগে এক অতি ঘন ও উত্তপ্ত অবস্থা থেকে মহাবিশ্ব প্রসারিত হতে শুরু করে, আর এখনো তা প্রসারিত হচ্ছে। এই ধারণা প্রথম দেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী জর্জ লেমেটার (Georges Lemaître), ১৯২৭ সালে। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন, গ্যালিলিও বা হকিংকে এই তত্ত্বের প্রবক্তা বলা হয় না।
    মনে রাখুন:
    ১৯২৯ সালে এডউইন হাবল প্রমাণ করেন, দূরের ছায়াপথগুলো আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
    ‘বিগ ব্যাং’ নামটি দেন ফ্রেড হয়েল, ১৯৪৯ সালে।
  14. ১৪. ইউরি গ্যাগারিন মহাশূন্যে যান-৩৩তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ১৯৫৬ সালে
    • খ. ১৯৬১ সালে
    • গ. ১৯৬৪ সালে
    • ঘ. ১৯৬৯ সালে
    উত্তর: খ. ১৯৬১ সালে
    ইউরি গ্যাগারিন সোভিয়েত ইউনিয়নের নভোচারী। ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল ভস্টক-১ মহাকাশযানে চড়ে তিনি প্রথম মানুষ হিসেবে মহাশূন্যে যান। তিনি পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে নিরাপদে ফিরে আসেন। তাই তাঁর মহাশূন্য যাত্রার বছর ১৯৬১। গ্যাগারিনের এই যাত্রা ১০৮ মিনিট স্থায়ী ছিল। আজও ১২ এপ্রিল দিনটি আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ ভ্রমণ দিবস হিসেবে পালিত হয়। তাঁর সম্মানে তাঁর জন্মস্থানের নামও বদলে গ্যাগারিন রাখা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ ছিল ১৯৫৭ সালে, সেটিও সোভিয়েত ইউনিয়নের।
    প্রথম নারী নভোচারী ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা, ১৯৬৩ সালে।
    চাঁদে প্রথম মানুষ নিল আর্মস্ট্রং, ১৯৬৯ সালে।
  15. ১৫. বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন –৩১তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের উৎপত্তি
    • ক. স্টিফেন হকিং
    • খ. জি লেমেটার
    • গ. আব্দুস সালাম
    • ঘ. এডুইন হাবল
    উত্তর: ক. স্টিফেন হকিং
    মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্ব বলে, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত এক বিন্দু থেকে মহাবিশ্ব প্রসারিত হতে শুরু করে। তত্ত্বটির প্রাথমিক ধারণা দেন বেলজিয়ামের জর্জ লেমেটার, আর এডুইন হাবল মহাবিশ্ব যে প্রসারিত হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করেন। পরে স্টিফেন হকিং রজার পেনরোজের সঙ্গে কাজ করে এই তত্ত্বের আধুনিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন, যেখানে মহাবিশ্বের শুরু একটি সিঙ্গুলারিটি থেকে হয়েছিল বলে দেখানো হয়।
    মনে রাখুন: ‘বিগ ব্যাং’ নামটি প্রথম ব্যবহার করেন ফ্রেড হয়েল ১৯৪৯ সালে।
  16. ১৬. কত বছর পর পর হ্যালির ধূমকেতু দেখা যায়?৩০তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. ৭০ বছর
    • খ. ৬৫ বছর
    • গ. ৭৬ বছর
    • ঘ. ৮০ বছর
    উত্তর: গ. ৭৬ বছর
    হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet) প্রায় ৭৬ বছর পরপর পৃথিবী থেকে দেখা যায়। ধূমকেতু সূর্যকে কেন্দ্র করে লম্বাটে কক্ষপথে ঘোরে, আর হ্যালির ধূমকেতু একবার ঘুরে আসতে এই সময় নেয়। ইংরেজ জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি হিসাব করে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ধূমকেতুটি আবার ফিরে আসবে, সেজন্য এর নাম তাঁর নামে। সর্বশেষ এটি দেখা গেছে ১৯৮৬ সালে। ধূমকেতুর মাথায় থাকে জমাট বরফ ও ধুলোর কেন্দ্র। সূর্যের কাছে এলে বরফ গলে লম্বা লেজ তৈরি হয়, যা সবসময় সূর্যের উল্টো দিকে থাকে।
    মনে রাখুন: এরপর ধূমকেতুটির আবার দেখা মিলবে ২০৬১ সালে।
  17. ১৭. পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?২৯তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃত্রিম উপগ্রহ
    • ক. আর্লিবার্ড
    • খ. এস্ট্রোলার
    • গ. ওবেরী হল
    • ঘ. কসমস
    উত্তর: ক. আর্লিবার্ড
    ১৯৬৫ সালের ৬ এপ্রিল উৎক্ষেপিত আর্লি বার্ড (Early Bird), যার আরেক নাম ইন্টেলস্যাট-১, পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ। এটি ভূস্থির কক্ষপথে স্থাপিত হয় এবং আটলান্টিকের দুই পারের মধ্যে টেলিফোন ও টিভি সংযোগ দেয়। ভূস্থির কক্ষপথে উপগ্রহ পৃথিবীর ঘূর্ণনের সমান সময়ে একবার ঘুরে আসে। তাই পৃথিবী থেকে মনে হয় এটি আকাশের একই বিন্দুতে স্থির আছে। এই কক্ষপথ ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার ওপরে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ সোভিয়েত ইউনিয়নের স্পুটনিক-১, ১৯৫৭ সালে।
    বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপিত হয় ২০১৮ সালের ১২ মে।
  18. ১৮. সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ কত?২৯তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    • খ. ৮০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    • গ. ১০০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    • ঘ. ১২০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    উত্তর: ক. ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
    সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৬০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সঠিকভাবে বললে প্রায় ৫৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সূর্যের যে স্তর থেকে আলো বেরিয়ে আসে, তাকে আলোকমণ্ডল বা ফটোস্ফিয়ার বলে, আর এই স্তরেরই তাপমাত্রা এত। কেন্দ্রের তাপমাত্রা এর চেয়ে বহুগুণ বেশি, প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে হাইড্রোজেন নিউক্লিয়ার সংযোজন বিক্রিয়ায় হিলিয়াম হয়, আর এই শক্তিই সূর্যের আলো ও তাপের উৎস। সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় লাগে।
    মনে রাখুন: সূর্যের বাইরের স্তর করোনার তাপমাত্রা বিস্ময়করভাবে আরও বেশি, কয়েক মিলিয়ন ডিগ্রি।
  19. ১৯. ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরে আসতে যে সময় লাগে তাকে কি বলে?২৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ ছায়াপথ
    • ক. সৌর বছর
    • খ. কসমিক ইয়ার
    • গ. আলোক বর্ষ
    • ঘ. পলিসার
    উত্তর: খ. কসমিক ইয়ার
    আমাদের সূর্য ও তার সৌরজগৎ ছায়াপথের (Galaxy) কেন্দ্রকে ঘিরে ঘুরছে। এই ঘূর্ণনের একবার ঘুরে আসতে প্রায় ২২ থেকে ২৫ কোটি বছর লাগে। এই সময়কে কসমিক ইয়ার (Cosmic Year) বা মহাজাগতিক বছর বলা হয়। আলোকবর্ষ সময়ের একক নয়, এটি দূরত্বের একক। আর পালসার হলো ঘূর্ণায়মান নিউট্রন তারকা। আমাদের ছায়াপথের নাম আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে। এটি সর্পিল আকৃতির, আর এতে সূর্যের মতো অসংখ্য নক্ষত্র আছে। একে অনেক সময় গ্যালাকটিক বছরও বলা হয়।
    মনে রাখুন: ১ আলোকবর্ষ হলো আলো এক বছরে যত দূরত্ব যায়, প্রায় 9.46 × 10¹² কিলোমিটার।
  20. ২০. এই শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু কোনটি?১৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. হেলির ধূমকেতু
    • খ. হেলবপ ধূমকেতু
    • গ. শুমেকার-লেভী ধূমকেতু
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. হেলবপ ধূমকেতু
    হেল-বপ (Hale-Bopp) ধূমকেতুটি ১৯৯৫ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৯৭ সালে এটি খালি চোখে প্রায় আঠারো মাস দেখা যায়, যা আগের যেকোনো ধূমকেতুর তুলনায় বেশি। এ কারণে এই শতাব্দীর সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান ও উজ্জ্বল ধূমকেতুগুলোর একটি হিসেবে এটি পরিচিত। হ্যালির ধূমকেতু প্রায় ৭৬ বছর পরপর আসে, ১৯৮৬ সালে শেষবার দেখা গেছে। শুমেকার-লেভি ৯ ধূমকেতুর কথাও জানা থাকা ভালো, কারণ ১৯৯৪ সালে এটি বৃহস্পতি গ্রহে আছড়ে পড়েছিল।
    মনে রাখুন: ধূমকেতু বরফ, ধুলো ও গ্যাসে গড়া, সূর্যের কাছে এলে এর লেজ তৈরি হয়।
  21. ২১. ‘গ্যালিলিও’ কি?১৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
    • খ. বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
    • গ. শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
    • ঘ. পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
    উত্তর: ঘ. পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতিরএকটি কৃত্রিম উপগ্রহ
    গ্যালিলিও নাসার পাঠানো একটি মহাকাশযান বা প্রোব। এটি ১৯৮৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ১৯৯৫ সালে বৃহস্পতি গ্রহে পৌঁছে তাকে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করে। এই যান বৃহস্পতি ও তার উপগ্রহগুলোর অনেক তথ্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছে। বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলেই ১৬১০ সালে বৃহস্পতির চারটি বড় উপগ্রহ আবিষ্কার করেছিলেন, তাই যানটির এমন নাম। বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং এটি মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসে গঠিত। গ্যালিলিও যান বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে একটি ছোট প্রোবও ফেলেছিল, যা সেখানকার তথ্য পাঠায়।
    মনে রাখুন: বৃহস্পতির চারটি বড় উপগ্রহের নাম আইও, ইউরোপা, গ্যানিমিড ও ক্যালিস্টো।
  22. ২২. আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি?১৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র
    • ক. ধ্রুবতারা
    • খ. প্রক্সিমা সেন্টারাই
    • গ. লুব্ধক
    • ঘ. পুলহ
    উত্তর: গ. লুব্ধক
    সূর্য ছাড়া রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র লুব্ধক (Sirius)। এটি কালপুরুষ মণ্ডলের কাছে ক্যানিস মেজর বা বৃহৎ কুকুর তারামণ্ডলে অবস্থিত, তাই ইংরেজিতে একে ডগ স্টার বলা হয়। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ। প্রক্সিমা সেন্টরাই সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, কিন্তু অনুজ্জ্বল বলে এটি খালি চোখে দেখা যায় না। ধ্রুবতারা উজ্জ্বল না হলেও দিক নির্ণয়ে কাজে লাগে, কারণ এটি প্রায় সব সময় উত্তর দিকে স্থির থাকে।
    মনে রাখুন: সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরাই, দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ।
  23. ২৩. ধূমকেতু শুমেকার লেভী-৯-এর ভাঙ্গা টুকরোটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?১৬তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. ১৫ জুলাই, ১৯৯৪
    • খ. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
    • গ. ১৮ জুলাই, ১৯৯৪
    • ঘ. ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
    উত্তর: খ. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
    শুমেকার-লেভি ৯ (Shoemaker-Levy 9) ধূমকেতুটি বৃহস্পতি গ্রহের প্রবল মাধ্যাকর্ষণের টানে ছিঁড়ে অনেকগুলো টুকরোয় ভাগ হয়ে যায়। এই টুকরোগুলো ১৯৯৪ সালের ১৬ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত একের পর এক বৃহস্পতিতে আছড়ে পড়ে। প্রথম টুকরোটি আঘাত হানে ১৬ জুলাই। মানুষ এই প্রথম সৌরজগতের দুটি বস্তুর সরাসরি সংঘর্ষ দেখতে পায়। আঘাতের ফলে বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে বড় বড় কালচে দাগ তৈরি হয়েছিল, যা পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপে দেখা গিয়েছিল। এই ঘটনা থেকে বিজ্ঞানীরা বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে নতুন তথ্য পান।
    মনে রাখুন: বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ, তাই ধূমকেতু ও গ্রহাণু প্রায়ই এর টানে পড়ে।
  24. ২৪. মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভোযান কোনটি?১৩তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. সয়ুজ
    • খ. এপোলো
    • গ. ভয়েজার
    • ঘ. ভাইকিং
    উত্তর: ঘ. ভাইকিং
    নাসার ভাইকিং (Viking) ১ ও ২ নভোযান মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশে পাঠানো হয় এবং ১৯৭৬ সালে সেগুলো মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করে। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা অভিযানের নাম। সয়ুজ রুশ মহাকাশযান, অ্যাপোলো চাঁদে মানুষ নিয়ে গিয়েছিল, আর ভয়েজার বৃহস্পতি ও শনির মতো দূরের গ্রহগুলোর দিকে পাঠানো হয়। ভাইকিং অভিযানে প্রতিটি অভিযানের একটি অরবিটার ও একটি ল্যান্ডার ছিল। ল্যান্ডারগুলো মঙ্গলের মাটির নমুনা পরীক্ষা করে সেখানে প্রাণের চিহ্ন খোঁজার চেষ্টা করে, কিন্তু নিশ্চিত কিছু পায়নি।
    মনে রাখুন: মঙ্গলে পাঠানো পরবর্তী কিছু অভিযান মার্স পাথফাইন্ডার (১৯৯৭), কিউরিওসিটি (২০১২) ও পারসিভিয়ারেন্স (২০২১)।
  25. ২৫. কোন্ বাঙালি বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষনা করেছেন?৫০তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. ড. কুদরত-ই-খুদা
    • খ. কাজী মোতাহার হোসেন
    • গ. জামাল নজরুল ইসলাম
    • ঘ. অতীশ দীপংকর
    উত্তর: গ. জামাল নজরুল ইসলাম
    অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (১৯৩৯-২০১৩) বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole), মহাবিশ্ব ও মহাকর্ষ। তাঁর রচিত ‘দ্য আলটিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স’ (The Ultimate Fate of the Universe) গ্রন্থটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেছেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। তাঁর কাজ বাংলাদেশের পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতচর্চাকে আন্তর্জাতিক মানে পরিচিত করেছে। কৃষ্ণগহ্বর হলো এমন একটি অঞ্চল, যেখান থেকে আলোও বেরিয়ে আসতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    কুদরত-ই-খুদা বাংলাদেশের বিখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।
    কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন পরিসংখ্যানবিদ ও সাহিত্যিক।
    অতীশ দীপংকর একজন বৌদ্ধ ধর্মগুরু।
  26. ২৬. স্টিফেন হকিন্স একজন -৩৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. দার্শনিক
    • খ. পদার্থবিদ
    • গ. রসায়নিকবিদ
    • ঘ. কবি
    উত্তর: খ. পদার্থবিদ
    স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) ছিলেন একজন ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। কৃষ্ণগহ্বর থেকেও যে বিকিরণ বের হয়, এই তত্ত্ব তাঁর একটি বড় অবদান, যা ‘হকিং বিকিরণ’ (Hawking Radiation) নামে পরিচিত। সাধারণ মানুষের জন্য তিনি মহাবিশ্বের রহস্য নিয়ে ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ (A Brief History of Time) নামের জনপ্রিয় গ্রন্থটি লেখেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি দীর্ঘদিন গবেষণা ও অধ্যাপনা করেছেন। হকিংয়ের গবেষণা দেখিয়েছে যে কৃষ্ণগহ্বর পুরোপুরি কালো নয়, ধীরে ধীরে তা শক্তি হারায়।
    মনে রাখুন:
    হকিং ২০১৮ সালে মারা যান।
    তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোটর নিউরন রোগে ভুগছিলেন, তবু বিজ্ঞানচর্চা বন্ধ করেননি।
  27. ২৭. স্টিফেন হকিন্স বিশ্বের একজন অতিশয় বিখ্যাত-৩০তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. দার্শনিক
    • খ. পদার্থবিদ
    • গ. কবি
    • ঘ. রসায়নবিদ
    উত্তর: খ. পদার্থবিদ
    স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) ছিলেন একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। তিনি কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) ও মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর শরীর মোটর নিউরন রোগে প্রায় অচল হয়ে গিয়েছিল, তবু তিনি বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে যান। সাধারণ মানুষকে মহাবিশ্বের রহস্য বোঝানোর জন্য তিনি ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ (A Brief History of Time) নামে একটি বিখ্যাত গ্রন্থ লেখেন। তাঁর কাজের মূল জায়গা ছিল কৃষ্ণগহ্বর ও মহাবিশ্বের গঠন। পদার্থবিদ বলতে সেই বিজ্ঞানীকে বোঝায়, যিনি বস্তু ও শক্তির মৌলিক নিয়ম নিয়ে কাজ করেন। এ কারণে তাঁকে দার্শনিক বা কবি নয়, পদার্থবিদ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    তিনি ২০১৮ সালে মারা যান।
    কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি লুকাসিয়ান অধ্যাপকের পদে ছিলেন, যে পদে একসময় আইজ্যাক নিউটনও ছিলেন।
  28. ২৮. ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র-২২তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ব্যারোমিটার
    • খ. সেক্সট্যান্ট
    • গ. সিসিমোগ্রাফ
    • ঘ. ম্যানোমিটার
    উত্তর: গ. সিসিমোগ্রাফ
    সিসমোগ্রাফ (Seismograph) এমন একটি যন্ত্র, যা ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করে। এই রেকর্ড থেকে ভূমিকম্পের উৎস এবং শক্তি জানা যায়। অন্য যন্ত্রগুলোর কাজ আলাদা। ব্যারোমিটার বায়ুর চাপ মাপে, সেক্সট্যান্ট দিয়ে কৌণিক দূরত্ব মাপা হয় (যেমন নাবিকের সূর্য বা তারার উচ্চতা), আর ম্যানোমিটার গ্যাসের চাপ মাপে। সিসমোগ্রাফে একটি ভারী ভর স্প্রিংয়ে ঝোলানো থাকে, আর ভূমি কাঁপলে সেই ভর প্রায় স্থির থেকে কম্পনের রেখা এঁকে দেয়। সেই রেখা থেকেই ভূমিকম্পের মাত্রা বের করা হয়।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার স্কেলের নাম রিখটার স্কেল।
    ভূমিকম্পের উৎসস্থলকে ফোকাস এবং ঠিক তার ওপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে এপিসেন্টার বা কেন্দ্র বলে।
  29. ২৯. টলেমি কি ছিলেন?১৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ জ্যোতির্বিজ্ঞানী
    • ক. চিকিৎসক
    • খ. দার্শনিক
    • গ. জ্যোতির্বিদ
    • ঘ. সেনাপতি
    উত্তর: গ. জ্যোতির্বিদ
    টলেমি (Claudius Ptolemy) ছিলেন প্রাচীন মিসরের আলেকজান্দ্রিয়ার একজন জ্যোতির্বিদ ও ভূগোলবিদ। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে তিনি ভূকেন্দ্রিক মতবাদ (Geocentric theory) জনপ্রিয় করেন। এই মতবাদে পৃথিবীকে মহাবিশ্বের কেন্দ্র ধরা হতো এবং সূর্য, চাঁদ ও গ্রহগুলো এর চারপাশে ঘোরে বলে মনে করা হতো। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম আলমাজেস্ট। পরবর্তী কালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ দিয়ে এই ধারণা বদলে দেন। টলেমির এই ধারণা প্রায় ১৪০০ বছর ধরে ইউরোপে মেনে চলা হয়েছিল। পরে গ্যালিলিওর পর্যবেক্ষণ কোপার্নিকাসের মতকেই সমর্থন করে।
    মনে রাখুন:
    কোপার্নিকাসের সূর্যকেন্দ্রিক তত্ত্ব ১৫৪৩ সালে প্রকাশিত হয়।
    টলেমির আরেকটি রচনা ‘জিওগ্রাফিয়া’ ভূগোল নিয়ে।
  30. ৩০. আলোকবর্ষ ব্যবহার করে কী পরিমাপ করা হয়?৪১তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ আলোকবর্ষ
    • ক. দূরত্ব
    • খ. সময়
    • গ. ভর
    • ঘ. ওজন
    উত্তর: ক. দূরত্ব
    আলোকবর্ষ (Light year) হলো আলো শূন্যস্থানে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা। নামে ‘বর্ষ’ থাকলেও এটি সময়ের নয়, দূরত্বের একক, ফলে মহাকাশের বিশাল দূরত্ব মাপতে ব্যবহার হয়। এক আলোকবর্ষ প্রায় 9.46 × 10¹² কিলোমিটার। পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র সূর্যের পরে প্রক্সিমা সেন্টোরি, যা আমাদের থেকে প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে। এর মানে আজ আমরা যে আলো ওই তারা থেকে দেখি, তা প্রায় সোয়া চার বছর আগে রওনা হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    আলোর বেগ প্রায় 3 × 10⁸ মিটার/সেকেন্ড।
    সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড লাগে।
  31. ৩১. নিম্নের কোনটি পাললিক শিলা?৪০তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. মার্বেল
    • খ. কয়লা
    • গ. গ্রানাইট
    • ঘ. নিস
    উত্তর: খ. কয়লা
    কয়লা একটি পাললিক শিলা। লক্ষ লক্ষ বছর আগে বনের গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে। এরপর চাপ ও তাপে ধীরে ধীরে সেগুলো কয়লায় পরিণত হয়। এই জৈব উৎস থেকে তৈরি বলে কয়লাকে জৈব পাললিক শিলা বলা হয়। মার্বেল ও নিস রূপান্তরিত শিলা, আর গ্রানাইট আগ্নেয় শিলা।
    মনে রাখুন:
    কয়লার মধ্যে অ্যানথ্রাসাইট সবচেয়ে ভালো মানের কয়লা।
    বাংলাদেশের কয়লা পাওয়া গেছে বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, জামালগঞ্জ ও খালাশপীরে।
    কয়লা তৈরির ধাপ হলো: পিট, লিগনাইট, বিটুমিনাস ও অ্যানথ্রাসাইট। ধাপে ধাপে কার্বনের পরিমাণ বাড়ে।
    কয়লা তাপবিদ্যুৎ ও ইট তৈরির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  32. ৩২. জামাল নজরুল ইসলাম কে?৩৪তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. ফুটবল খেলোয়াড়
    • খ. অর্থনীতিবিদ
    • গ. কবি
    • ঘ. বৈজ্ঞানিক
    উত্তর: ঘ. বৈজ্ঞানিক
    জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত গণিতবিদ, পদার্থবিজ্ঞানী ও সৃষ্টিতত্ত্ববিদ (Cosmologist)। তাঁর জন্ম ১৯৩৯ সালে ঝিনাইদহে এবং মৃত্যু ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করেন এবং স্টিফেন হকিংয়ের সহকর্মী ও বন্ধু ছিলেন। বিদেশে ভালো সুযোগ ছেড়ে তিনি দেশে ফিরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি নিয়ে লেখা তাঁর বই 'The Ultimate Fate of the Universe' ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    তিনি ২০০১ সালে একুশে পদক পান।
    বাংলায় লেখা তাঁর একটি বই 'কৃষ্ণবিবর'।
  33. ৩৩. যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয়-২৩তম বিসিএস ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্বাস্থ্য সহকারী, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ
    • ক. চন্দ্রগ্রহণ
    • খ. সূর্যগ্রহণ
    • গ. অমাবস্যা
    • ঘ. পূর্ণিমা
    উত্তর: খ. সূর্যগ্রহণ
    সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে চাঁদ এসে এক সরলরেখায় দাঁড়ালে চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে। তখন পৃথিবীর কিছু অংশ থেকে সূর্যকে আংশিক বা পুরোপুরি ঢাকা দেখা যায়, একে সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse) বলে। চাঁদ সূর্য আর পৃথিবীর মাঝে আসে কেবল অমাবস্যার সময়, তাই সূর্যগ্রহণ সব সময় অমাবস্যায় হয়। তবে প্রতি অমাবস্যায় গ্রহণ হয় না, কারণ চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের সঙ্গে প্রায় ৫ ডিগ্রি হেলে আছে।
    মনে রাখুন:
    সূর্যগ্রহণ তিন রকম: পূর্ণ, আংশিক ও বলয়গ্রাস।
    খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখা চোখের জন্য ক্ষতিকর।
    পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের বাইরের উজ্জ্বল স্তর করোনা (Corona) দেখা যায়।
  34. ৩৪. চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম অবতরণকারী মানুষের নাম ও দেশ-২৪তম বিসিএস (বাতিলকৃত) · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ইউরি গ্যাগারিন, রাশিয়া
    • খ. জন গ্লেন, যুক্তরাষ্ট্র
    • গ. রিচার্ড এল্ড্রিন, যুক্তরাষ্ট্র
    • ঘ. নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ঘ. নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র
    চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম অবতরণকারী মানুষ হলেন যুক্তরাষ্ট্রের নীল আর্মস্ট্রং (Neil Armstrong)। ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই অ্যাপোলো-১১ অভিযানের নেতা হিসেবে তিনি প্রথম চাঁদের মাটিতে পা রাখেন। তাঁর প্রায় ২০ মিনিট পরে এডউইন অলড্রিন (Edwin Aldrin) চাঁদে নামেন, তাই তিনি চাঁদে নামা দ্বিতীয় মানুষ। অন্যদিকে ইউরি গ্যাগারিন মহাশূন্যে যাওয়া প্রথম মানুষ, আর জন গ্লেন পৃথিবী প্রদক্ষিণকারী প্রথম মার্কিন নভোচারী। এদের কেউই চাঁদে নামেননি।
    মনে রাখুন:
    অ্যাপোলো কর্মসূচিতে মোট ১২ জন মানুষ চাঁদে হেঁটেছেন, সবাই যুক্তরাষ্ট্রের।
    অভিযানের তৃতীয় সদস্য মাইকেল কলিন্স চাঁদের কক্ষপথে ছিলেন।
    নীল আর্মস্ট্রং ২০১২ সালে মারা যান।
  35. ৩৫. রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায়-১২তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. রেডিও ট্রান্সমিটারের সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
    • খ. রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
    • গ. কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাগতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
    • ঘ. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
    উত্তর: ঘ. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
    রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন (Remote Sensing) বলতে বিশেষভাবে বোঝায় কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডল পর্যবেক্ষণ। এখানে কোনো বস্তুকে সরাসরি না ছুঁয়ে তার থেকে আসা বা প্রতিফলিত তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ ধরে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। উপগ্রহের সেন্সর বনভূমি, ফসল, নদীর গতিপথ, বন্যা ও আবহাওয়ার ছবি তুলে পাঠায়। আবার আকাশ থেকে বিমানে করেও রিমোট সেন্সিং করা যায়, তবে এখনকার প্রধান মাধ্যম উপগ্রহ। এর মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া সহজ হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে রিমোট সেন্সিংয়ের কাজ করে স্পারসো (SPARRSO)।
    স্পারসোর পূর্ণরূপ Space Research and Remote Sensing Organization।
  36. ৩৬. Hubble Telescope-এর ত্রুটি সংশোধনকল্পে মহাশূন্যে কোন নভোযানে নভোচারীগণকে প্রেরণ করা হয়েছিল?১৬তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Endeavour
    • খ. Challenger
    • গ. Pathfinder
    • ঘ. Apollo
    উত্তর: ক. Endeavour
    ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে নাসা এনডেভার (Endeavour) নামের স্পেস শাটলে নভোচারীদের পাঠিয়ে হাবল টেলিস্কোপের ত্রুটি সংশোধন করে। ১৯৯০ সালে উৎক্ষেপণের পর দেখা যায় হাবলের প্রধান আয়নার বক্রতায় সামান্য ভুল আছে, তাই এর ছবি ঝাপসা আসছিল। এনডেভারের নভোচারীরা মহাশূন্যে হেঁটে হাবলে চশমার মতো একটি সংশোধক যন্ত্র বসিয়ে দেন। এর পর থেকেই হাবল মহাবিশ্বের অসাধারণ সব পরিষ্কার ছবি পাঠাতে থাকে। হাবল পৃথিবী থেকে প্রায় ৫৪০ কিলোমিটার উঁচুতে ঘুরছে।
    মনে রাখুন:
    হাবলকে মহাশূন্যে নিয়ে যায় ডিসকভারি শাটল।
    চ্যালেঞ্জার শাটল ১৯৮৬ সালে বিস্ফোরিত হয়।
    হাবল টেলিস্কোপের নাম রাখা হয়েছে জ্যোতির্বিদ এডউইন হাবলের নামে।
  37. ৩৭. নাসা কোন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা?১৯তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. জার্মানি
    • খ. রাশিয়া
    • গ. ফ্রান্স
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    নাসা (NASA) যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এর পূর্ণরূপ National Aeronautics and Space Administration। ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার নাসা প্রতিষ্ঠার আইনে সই করেন এবং একই বছরের ১ অক্টোবর সংস্থাটি কাজ শুরু করে। অন্য দেশগুলোরও নিজস্ব মহাকাশ সংস্থা আছে, তাই নামগুলো আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    রাশিয়া: রসকসমস (Roscosmos)।
    ভারত: ইসরো (ISRO)।
    জাপান: জাক্সা (JAXA)।
    চীন: সিএনএসএ (CNSA)।
    ইউরোপ: ইসা (ESA), সদর দপ্তর প্যারিসে।
    বাংলাদেশ: স্পারসো (SPARRSO)।
    জার্মানির মহাকাশ সংস্থা ডিএলআর (DLR) আর ফ্রান্সের সংস্থা সিএনইএস (CNES)।
    নাসার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে, আর প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার।
  38. ৩৮. 'NASA' এর সদর দপ্তর কোথায়?২৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. ওয়াশিংটন ডিসি
    • খ. বোস্টন
    • গ. কেপ কেনেডি
    • ঘ. নিউইয়র্ক
    উত্তর: ক. ওয়াশিংটন ডিসি
    নাসার (NASA) সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। সদর দপ্তর থেকে প্রশাসনিক কাজ ও নীতি ঠিক করা হয়, কিন্তু নাসার মূল বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল কাজ চলে দেশের বিভিন্ন জায়গার গবেষণা কেন্দ্রে। যেমন ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালে অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়। আবার টেক্সাসের হিউস্টনে জনসন স্পেস সেন্টার থেকে মনুষ্যবাহী অভিযান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কেপ কেনেডি নামটি আসলে কেপ ক্যানাভেরালের পুরোনো নাম, তাই এটি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, সদর দপ্তর নয়।
    মনে রাখুন:
    ইসরোর সদর দপ্তর ভারতের বেঙ্গালুরুতে।
    নাসা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালে।
  39. ৩৯. ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কি বলে?৩২তম ও ১৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. ছায়াবৃত্ত
    • খ. গুরুবৃত্ত
    • গ. উষা
    • ঘ. গোধূলি
    উত্তর: ক. ছায়াবৃত্ত
    ভূপৃষ্ঠের সূর্যালোকিত বা সৌরদীপ্ত অংশ আর অন্ধকার অংশের সংযোগস্থলে যে কাল্পনিক বৃত্ত তৈরি হয়, তাকে ছায়াবৃত্ত (Circle of Illumination) বলে। পৃথিবী গোলাকার বলে যেকোনো সময় এর অর্ধেক অংশ সূর্যের আলো পায়, আর এই আলো ও অন্ধকারের সীমারেখাই ছায়াবৃত্ত। পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে ছায়াবৃত্ত ধীরে ধীরে সরে যায়। কোনো স্থান ছায়াবৃত্ত পার হয়ে আলোর দিকে এলে সেখানে ভোর হয়, আর অন্ধকারের দিকে গেলে সন্ধ্যা হয়। ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর ছায়াবৃত্ত দুই মেরু ছুঁয়ে যায়, তাই তখন সারা পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়।
    মনে রাখুন:
    সূর্যোদয়ের আগের আবছা আলোকে ঊষা আর সূর্যাস্তের পরের আবছা আলোকে গোধূলি বলে।
  40. ৪০. কোথায় দিন রাত্রি সর্বদা সমান?২৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত ও ঋতু
    • ক. মেরু অঞ্চলে
    • খ. নিরক্ষরেখায়
    • গ. উত্তর গোলার্ধে
    • ঘ. দক্ষিণ গোলার্ধে
    উত্তর: খ. নিরক্ষরেখায়
    পৃথিবীর অক্ষ হেলে থাকায় বছরের বিভিন্ন সময়ে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধ পালা করে সূর্যের দিকে ঝুঁকে পড়ে, ফলে বেশিরভাগ জায়গায় দিন-রাতের দৈর্ঘ্য বদলায়। কিন্তু নিরক্ষরেখা (Equator) পৃথিবীকে ঠিক মাঝখান দিয়ে দুই ভাগ করেছে, আর আলোকিত ও অন্ধকার অংশের সীমারেখা, অর্থাৎ ছায়াবৃত্ত, সবসময় নিরক্ষরেখাকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। তাই নিরক্ষরেখার ওপর সারা বছর দিন ও রাত প্রায় ১২ ঘণ্টা করে সমান থাকে।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে যত যাওয়া যায়, দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য তত বাড়ে।
    মেরু অঞ্চলে টানা প্রায় ৬ মাস দিন এবং ৬ মাস রাত থাকে।
    ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সব জায়গায় দিন-রাত সমান হয়।
  41. ৪১. নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ কত ?৪৬তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. ১৮০°
    • খ. ৩৬০°
    • গ. ৯০°
    • ঘ. ০°
    উত্তর: গ. ৯০°
    কোনো স্থানের অক্ষাংশ হলো পৃথিবীর কেন্দ্রে নিরক্ষীয় তলের সঙ্গে ওই স্থান যে কোণ তৈরি করে। উত্তর মেরু পৃথিবীর অক্ষের এক প্রান্তে, আর অক্ষটি নিরক্ষীয় তলের ওপর লম্ব। তাই নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব ৯০°, অর্থাৎ উত্তর মেরুর অক্ষাংশ ৯০° উত্তর। একইভাবে দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশ ৯০° দক্ষিণ। মেরুবিন্দুতে সব দ্রাঘিমারেখা এসে মিলিত হয়, তাই মেরুর নির্দিষ্ট কোনো দ্রাঘিমাংশ থাকে না। মেরুতে দাঁড়ালে যেদিকেই তাকানো হোক, সব দিকই একটি দিক নির্দেশ করে, যেমন উত্তর মেরু থেকে সব দিকই দক্ষিণ।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ ০°।
    উত্তর মেরুকে সুমেরু এবং দক্ষিণ মেরুকে কুমেরু বলা হয়।
    অক্ষাংশ কোনো স্থানের জলবায়ু বুঝতে সাহায্য করে।
  42. ৪২. মকরক্রান্তি রেখা কোনটি?৪৪তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
    • খ. ২৩°৩০′ উত্তর অক্ষাংশ
    • গ. ২৩°৩০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
    • ঘ. ২৩°৩০′ পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ
    উত্তর: ক. ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
    মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of Capricorn) হলো নিরক্ষরেখা থেকে ২৩°৩০′ দক্ষিণের অক্ষরেখা। ক্রান্তিরেখা আসলে অক্ষরেখা, তাই এর মান উত্তর বা দক্ষিণ অক্ষাংশে লেখা হয়, পূর্ব বা পশ্চিম দ্রাঘিমাংশে নয়। ২২ ডিসেম্বর সূর্য এই রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও গ্রীষ্মকাল। মকরক্রান্তি রেখা অস্ট্রেলিয়া, মাদাগাস্কার, দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তর প্রান্ত, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও চিলির ওপর দিয়ে গেছে। প্রাচীনকালে ডিসেম্বরের এই সময় সূর্যকে মকর রাশিতে দেখা যেত, সেখান থেকেই রেখাটির এমন নাম হয়েছে। এই রেখার দক্ষিণে সূর্য কখনো ঠিক মাথার ওপর আসে না।
    মনে রাখুন:
    কর্কটক্রান্তি রেখা ২৩°৩০′ উত্তর অক্ষাংশে।
    কুমেরুবৃত্ত ৬৬°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশে।
  43. ৪৩. The South Pole is located in the — / দক্ষিণ মেরু কোথায় অবস্থিত?২৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. Arctic
    • খ. Antarctic
    • গ. Antipodes
    • ঘ. Occident
    উত্তর: খ. Antarctic
    পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু (South Pole) অ্যান্টার্কটিকা (Antarctica) মহাদেশে অবস্থিত। অ্যান্টার্কটিকা প্রায় পুরোটাই পুরু বরফে ঢাকা, আর দক্ষিণ মেরুর ওপরে বরফের স্তর প্রায় ২,৭০০ মিটার পুরু। অন্যদিকে Arctic বা সুমেরু অঞ্চল হলো উত্তর মেরুর চারপাশের এলাকা, যেখানে কোনো মহাদেশ নেই, আছে উত্তর মহাসাগরের ভাসমান বরফ। Antipodes মানে পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকের স্থান, আর Occident মানে পশ্চিমা দেশসমূহ। দক্ষিণ মেরুতে প্রায় ৬ মাস একটানা দিন এবং ৬ মাস একটানা রাত থাকে।
    মনে রাখুন:
    অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর শীতলতম মহাদেশ, এখানে স্থায়ী কোনো অধিবাসী নেই।
    দক্ষিণ মেরুতে যুক্তরাষ্ট্রের আমুন্ডসেন-স্কট গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত।
  44. ৪৪. ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২ : ০০ টা হলে, ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-৪৬তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. সকাল ০৯ : ০০ টা
    • খ. বিকাল ০৩ : ০০ টা
    • গ. সন্ধ্যা ০৬ : ০০ টা
    • ঘ. রাত ০৯ : ০০ টা
    উত্তর: খ. বিকাল ০৩ : ০০ টা
    ৪৫° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 45 × 4 = 180 মিনিট, অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা। স্থানটি ঢাকার পূর্বে, আর পূর্বে সূর্য আগে ওঠে বলে সেখানকার সময় এগিয়ে থাকে। তাই ঢাকার মধ্যাহ্ন ১২টার সঙ্গে ৩ ঘণ্টা যোগ করতে হবে: 12:00 + 3:00 = 15:00, অর্থাৎ বিকাল ৩টা। সহজ একটি কৌশল হলো ১৫° দ্রাঘিমা = ১ ঘণ্টা ধরা, তাহলে 45 ÷ 15 = 3 ঘণ্টা সরাসরি পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
    স্থানটি ঢাকার ৪৫° পশ্চিমে হলে সময় হতো সকাল ৯টা।
  45. ৪৫. কোনটি জলজ আবহাওয়াজনিত (hydro-meterological) দুর্যোগ নয়?৩৮তম বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ভূমিকম্প
    • খ. ভূমিধস
    • গ. নদীভাঙ্গন
    • ঘ. ঘূর্ণিঝড়
    উত্তর: ক. ভূমিকম্প
    জলজ আবহাওয়াজনিত (Hydro-meteorological) দুর্যোগ হলো সেসব দুর্যোগ, যেগুলোর পেছনে আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত বা পানির প্রবাহ কাজ করে। ঘূর্ণিঝড় সরাসরি আবহাওয়ার ঘটনা, নদীভাঙন হয় পানির স্রোতে, আর ভূমিধস সাধারণত অতিবৃষ্টিতে মাটি ভিজে নরম হয়ে ঘটে। কিন্তু ভূমিকম্প ঘটে ভূগর্ভের টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া বা শিলাস্তরের চ্যুতির কারণে, এর সঙ্গে আবহাওয়া বা পানির কোনো সম্পর্ক নেই। তাই ভূমিকম্প একটি ভূতাত্ত্বিক (Geological) দুর্যোগ। ভূমিকম্প কখন হবে তা আগে থেকে বলা যায় না, অথচ ঘূর্ণিঝড়ের মতো আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের পূর্বাভাস কয়েক দিন আগেই দেওয়া সম্ভব।
    মনে রাখুন:
    ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগের উদাহরণ ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ও সুনামি।
    জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের উদাহরণ বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ও জলোচ্ছ্বাস।

অন্যান্য চাকরির পরীক্ষা (৩৫৪)

  1. ৪৬. যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ একই সরলরেখায় অবস্থান করে তখন পৃথিবীতে আমরা দেখতে পাই–কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, ইন্সট্রাক্টর (পলিটেকনিক ও টেকনিক্যাল স্কুল), ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহণ
    • ক. চন্দ্রগ্রহণ
    • খ. সূর্যগ্রহণ
    • গ. অমাবস্যা
    • ঘ. পূর্ণিমা
    উত্তর: খ. সূর্যগ্রহণ
    চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে, আর পৃথিবী ঘোরে সূর্যের চারদিকে। কোনো সময় চাঁদ ঠিক সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসে একই সরলরেখায় পড়ে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর একটি অংশে পড়ে। সেই অংশের মানুষেরা সূর্যকে আংশিক বা পুরোপুরি ঢাকা দেখে, এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলে। সূর্যগ্রহণ কেবল অমাবস্যা তিথিতে ঘটতে পারে, কিন্তু প্রতি অমাবস্যায় ঘটে না, কারণ চাঁদের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের তুলনায় সামান্য হেলানো। এ কারণে প্রশ্নে যে ঘটনাটি আমরা দেখি, তার নাম সূর্যগ্রহণ। চন্দ্রগ্রহণ ঘটে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী এলে।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রগ্রহণ হয় পূর্ণিমায়, যখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে।
    সূর্যগ্রহণ কখনো খালি চোখে দেখা উচিত নয়, এতে চোখের ক্ষতি হয়।
  2. ৪৭. NASA পরিচালিত সর্বশেষ মঙ্গলযান কোনটি?তথ্য অধিদপ্তর, সহকারী তথ্য অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ইনজেনুইটি
    • খ. পারসেভারেন্স
    • গ. কিউরিসিটি
    • ঘ. অপরচুনিটি
    উত্তর: খ. পারসেভারেন্স
    মঙ্গল গ্রহে পাঠানো নাসার মঙ্গলযানগুলোর মধ্যে সর্বশেষটির নাম পারসেভারেন্স (Perseverance), যার বাংলা অর্থ অধ্যবসায়। ২০২০ সালের ৩০ জুলাই এটি পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এটি মঙ্গলের জেজেরো গহ্বরে নামে। এর কাজ হলো মঙ্গলে অতীতের জীবনের চিহ্ন খোঁজা এবং ভবিষ্যতে পৃথিবীতে আনার জন্য মাটি-পাথরের নমুনা সংগ্রহ করা। প্রশ্নের বাকি নামগুলো আগের মঙ্গলযানের: কিউরিসিটি ২০১২ সালে এবং অপরচুনিটি ২০০৪ সালে মঙ্গলে নামে। ইনজেনুইটি নামের ছোট হেলিকপ্টারটি পারসেভারেন্সের সঙ্গেই গিয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    পারসেভারেন্স: ২০২১।
    কিউরিসিটি: ২০১২।
    অপরচুনিটি ও স্পিরিট: ২০০৪।
  3. ৪৮. কোন দেশ কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ উৎক্ষেপণ করেছিল?তথ্য অধিদপ্তর, সহকারী তথ্য অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. আমেরিকা
    • খ. সোভিয়েত ইউনিয়ন
    • গ. যুক্তরাজ্য
    • ঘ. ফ্রান্স
    উত্তর: খ. সোভিয়েত ইউনিয়ন
    ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-১ (Sputnik-1) উৎক্ষেপণ করে। এটিই মানুষের পাঠানো পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ। রুশ ভাষায় স্পুটনিক মানে সহযাত্রী। একটি ছোট ধাতব গোলকের মতো এই উপগ্রহ পৃথিবীকে প্রায় ৯৬ মিনিটে একবার প্রদক্ষিণ করত এবং রেডিও সংকেত পাঠাত। এর নকশার কাজে প্রধান ভূমিকা ছিল সের্গেই কোরোলিওভের। এই উৎক্ষেপণের পরেই শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মহাকাশ প্রতিযোগিতা। আমেরিকা তাদের প্রথম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার-১ পাঠায় ১৯৫৮ সালে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম প্রাণী মহাকাশে: কুকুর লাইকা (স্পুটনিক-২, ১৯৫৭)।
    প্রথম মানুষ মহাকাশে: ইউরি গ্যাগারিন (১৯৬১)।
  4. ৪৯. বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ কোন দেশের?তথ্য অধিদপ্তর, সহকারী তথ্য অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃত্রিম উপগ্রহ
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. ভারত
    • গ. রাশিয়া
    • ঘ. চীন
    উত্তর: ক. বাংলাদেশ
    বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১) আমাদের দেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-স্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ। ২০১৮ সালের ১২ মে (বাংলাদেশ সময়) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন-৯ রকেটে এটি মহাকাশে পাঠানো হয়। এর ফলে বাংলাদেশ নিজস্ব উপগ্রহ থাকা দেশগুলোর তালিকায় ৫৭তম স্থান পায়। উপগ্রহটি বাংলাদেশের ১১৯.১° পূর্ব কক্ষপথে অবস্থান করে। এর পরিচালনা করে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, আর দেশে এর গ্রাউন্ড স্টেশন গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় অবস্থিত।
    মনে রাখুন:
    উপগ্রহটি তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস।
    এটি বাংলাদেশের মালিকানাধীন, উৎক্ষেপণ আমেরিকা থেকে।
  5. ৫০. চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণকারী মনুষ্যবাহী ১ম মহাকাশযানের নাম কী?তথ্য অধিদপ্তর, সহকারী তথ্য অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. অ্যাপোলো-১২
    • খ. অ্যাপোলো-১৪
    • গ. অ্যাপোলো-১১
    • ঘ. অ্যাপোলো-১৫
    উত্তর: গ. অ্যাপোলো-১১
    ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নাসার অ্যাপোলো-১১ (Apollo-11) মিশনের চন্দ্রযান ঈগল চাঁদের পৃষ্ঠে নামে। এটাই চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান। নীল আর্মস্ট্রং প্রথম চাঁদের মাটিতে পা রাখেন, তাঁর পর পা রাখেন এডউইন বাজ অলড্রিন। তৃতীয় সদস্য মাইকেল কলিন্স মূল যান কলাম্বিয়ায় থেকে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করেন। পরবর্তী মিশনগুলোর মধ্যে অ্যাপোলো-১২ চাঁদে নামে ১৯৬৯ সালের নভেম্বরে, আর অ্যাপোলো-১৪ ও ১৫ নামে ১৯৭১ সালে।
    মনে রাখুন:
    চাঁদে অবতরণের প্রথম মিশন: অ্যাপোলো-১১।
    আর্মস্ট্রংয়ের উক্তি: ‘এটি একজন মানুষের জন্য ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু মানবজাতির জন্য বিরাট এক লাফ।’
  6. ৫১. কোন রেখার উপর সূর্য সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয়?জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ইন্সট্রাক্টর, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্যরশ্মি ও অক্ষাংশ
    • ক. মেরুরেখা
    • খ. নিরক্ষরেখা
    • গ. অক্ষরেখা
    • ঘ. দ্রাঘিমারেখা
    উত্তর: খ. নিরক্ষরেখা
    নিরক্ষরেখা (Equator) হলো দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্ত, যার অক্ষাংশ ০°। পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর হেলে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে বলে সূর্যের উল্লম্ব কিরণ বছরজুড়ে নিরক্ষরেখার আশপাশেই বেশি পড়ে। ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। বছরের বাকি সময় সূর্য ২৩.৫° উত্তর (কর্কটক্রান্তি) থেকে ২৩.৫° দক্ষিণ (মকরক্রান্তি) রেখার মধ্যে সরে যায়। তাই নিরক্ষীয় অঞ্চল সারা বছর গরম থাকে। মেরুতে কিরণ সবসময় তির্যকভাবে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষরেখা 0° অক্ষাংশ।
    কর্কটক্রান্তি 23.5° উত্তরে, মকরক্রান্তি 23.5° দক্ষিণে।
    সূর্য ২১ জুন কর্কটক্রান্তির ওপর এবং ২২ ডিসেম্বর মকরক্রান্তির ওপর লম্ব কিরণ দেয়।
  7. ৫২. কোনটি সৌরজগতের গ্রহ নয়?জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. পৃথিবী
    • খ. চাঁদ
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. শনি
    উত্তর: খ. চাঁদ
    সৌরজগতে সূর্যকে ঘিরে ঘুরছে আটটি গ্রহ: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। চাঁদ কোনো গ্রহ নয়, এটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে বলে পৃথিবীর উপগ্রহ (Satellite)। পৃথিবীর এই একটিই প্রাকৃতিক উপগ্রহ আছে। যে বস্তু কোনো গ্রহকে ঘিরে ঘোরে সেটি উপগ্রহ, আর যে বস্তু সরাসরি সূর্যকে ঘিরে ঘোরে সেটি গ্রহ। গ্রহ হতে হলে একটি বস্তুকে সূর্যকে ঘিরে ঘুরতে হয়, নিজের মহাকর্ষে গোলাকার হতে হয় এবং নিজের কক্ষপথ থেকে অন্য বস্তুকে সরিয়ে নিতে হয়। চাঁদ প্রথম শর্তটিই পূরণ করে না।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি, সবচেয়ে ছোট বুধ।
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ, সবচেয়ে দূরের নেপচুন।
    ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন প্লুটোকে বামন গ্রহ ঘোষণা করে।
  8. ৫৩. 'সবুজ গ্রহ' বলা হয় কোনটিকে?স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, নকশাকার (ড্রাফটসম্যান), ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ
    • ক. মঙ্গল
    • খ. নেপচুন
    • গ. প্লুটো
    • ঘ. ইউরেনাস
    উত্তর: ঘ. ইউরেনাস
    ইউরেনাস (Uranus) গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাস আছে। এই মিথেন সূর্যের লাল আলো শোষণ করে এবং নীল-সবুজ আলো প্রতিফলিত করে, তাই গ্রহটিকে সবুজাভ নীল দেখায় এবং একে সবুজ গ্রহ বলা হয়। সূর্য থেকে দূরত্বের হিসাবে ইউরেনাসের অবস্থান সপ্তম এবং আকারে এটি তৃতীয় বৃহত্তম। মঙ্গলকে বলা হয় লাল গ্রহ, আর নেপচুন সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ।
    মনে রাখুন:
    ইউরেনাস পাশ ফিরে গড়িয়ে চলার মতো করে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
    উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে ইউরেনাস আবিষ্কার করেন।
    ২০০৬ সালে প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারিয়ে বামন গ্রহ হয়।
  9. ৫৪. জোয়ারের কত সময় পর ভাটা হয়?বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর, উপসহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশল), ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ জোয়ার-ভাটা
    • ক. ৬ ঘণ্টা ২৩ মি. পর
    • খ. ৬ ঘণ্টা ১০ মি. পর
    • গ. ৬ ঘণ্টা ১৫ মি. পর
    • ঘ. ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. পর
    উত্তর: ঘ. ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. পর
    সমুদ্রের পানি প্রধানত চাঁদের আকর্ষণে নির্দিষ্ট সময় পরপর ফুলে ওঠে ও নেমে যায়। ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। প্রতিদিন দুবার জোয়ার ও দুবার ভাটা হয়। পরপর দুটি জোয়ারের মাঝের সময় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। এর অর্ধেক, অর্থাৎ ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরপর জোয়ারের পর ভাটা শুরু হয়। চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৫০ মিনিট নেয়, তাই জোয়ারের সময় প্রতিদিন কিছুটা পিছিয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে বলে ভরা জোয়ার (তেজ কোটাল) হয়।
    অষ্টমীর দিকে হয় মরা কোটাল বা নিম্ন জোয়ার।
  10. ৫৫. বছরের সবচেয়ে বড়দিন কোনটি?বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পূর্ত), ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত
    • ক. ২০ জুন
    • খ. ২১ জুন
    • গ. ২২ জুন
    • ঘ. ২৩ জুন
    উত্তর: খ. ২১ জুন
    সূর্য ২১ জুন কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। তখন উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো বেশি সময় পায়, ফলে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়। কর্কটক্রান্তি রেখা ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। দক্ষিণ গোলার্ধে এ সময় উল্টো ঘটে, অর্থাৎ সেখানে দিন সবচেয়ে ছোট হয়। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে এই কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে। পৃথিবীর অক্ষ হেলে থাকার কারণেই ঋতু পরিবর্তন এবং দিন-রাতের দৈর্ঘ্যের এই তারতম্য ঘটে।
    মনে রাখুন:
    ২১ জুন: উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন।
    ২২ ডিসেম্বর: দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন।
    ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর: সারা পৃথিবীতে দিন-রাত সমান।
  11. ৫৬. কীসের আকর্ষণে জোয়ার ভাটা হয়?মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, উপ-পরিদর্শক, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ জোয়ার-ভাটা
    • ক. সূর্য
    • খ. চন্দ্র
    • গ. নক্ষত্র
    • ঘ. উপগ্রহ
    উত্তর: খ. চন্দ্র
    সমুদ্রের পানি চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ টানে ফুলে ওঠে, আবার নেমে যায়। ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। সূর্য চাঁদের তুলনায় অনেক বড়, কিন্তু পৃথিবী থেকে অনেক দূরে থাকে। তাই জোয়ার-ভাটায় চাঁদের প্রভাবই বেশি। সাধারণত প্রতিদিন দুবার জোয়ার ও দুবার ভাটা হয়। চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে থাকায় তার আকর্ষণ সূর্যের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ কার্যকর।
    মনে রাখুন:
    পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় আসে এবং ভরা জোয়ার (ভরা কটাল) হয়।
    শুক্ল ও কৃষ্ণ অষ্টমীতে মরা কটাল বা নিম্ন জোয়ার হয়।
    একটি জোয়ার থেকে পরের জোয়ারের ব্যবধান প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট।
  12. ৫৭. সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. জুপিটার
    • খ. ভেনাস
    • গ. মার্কারি
    • ঘ. নেপচুন
    উত্তর: গ. মার্কারি
    সৌরজগতে সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ, ইংরেজিতে মার্কারি (Mercury)। এটি সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যকে একবার ঘুরে আসতে মাত্র প্রায় ৮৮ দিন সময় নেয়। তাই এটি সবচেয়ে দ্রুত প্রদক্ষিণকারী গ্রহও। বাকি গ্রহের মধ্যে ভেনাস (শুক্র) দ্বিতীয় নিকটতম, আর জুপিটার (বৃহস্পতি) ও নেপচুন (বরুণ) অনেক দূরে। বুধের বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই এবং এর কোনো উপগ্রহও নেই, তাই দিনে এখানে প্রচণ্ড গরম আর রাতে প্রচণ্ড ঠান্ডা পড়ে।
    মনে রাখুন: সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রম হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।
    পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার, একে এক জ্যোতির্বিজ্ঞান একক (AU) বলে।
    সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ নেপচুন।
  13. ৫৮. কোন মৌলিক পদার্থ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি আছে?পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূত্বকের উপাদান
    • ক. অক্সিজেন
    • খ. নাইট্রোজেন
    • গ. হাইড্রোজেন
    • ঘ. লৌহ
    উত্তর: ক. অক্সিজেন
    পৃথিবীর ভূত্বকের (Crust) ওজনের প্রায় ৪৬ ভাগই অক্সিজেন। এটি সিলিকেট খনিজের মধ্যে অন্য মৌল, বিশেষ করে সিলিকনের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় থাকে। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মৌল বলতে অক্সিজেন ধরা হয়। অবশ্য পুরো পৃথিবী ধরলে ভরের হিসাবে সবচেয়ে বেশি লোহা, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্র মূলত লোহা ও নিকেল দিয়ে গঠিত। পানির ওজনের প্রায় ৮৯ ভাগও অক্সিজেন।
    মনে রাখুন:
    ভূত্বকে অক্সিজেনের পরে সিলিকন, তারপর অ্যালুমিনিয়াম।
    মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৌল হাইড্রোজেন।
    বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি নাইট্রোজেন (প্রায় ৭৮%)।
    মানবদেহের ওজনের প্রায় ৬৫ ভাগ অক্সিজেন।
    পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে লোহা ও নিকেলের পরিমাণ বেশি।
  14. ৫৯. পৃথিবীতে মোট কয়টি উপগ্রহ রয়েছে?সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ ও উপগ্রহ
    • ক. ৩ টি
    • খ. ১ টি
    • গ. ২ টি
    • ঘ. ৪ টি
    উত্তর: খ. ১ টি
    পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ একটি, সেটি চাঁদ। উপগ্রহ হলো এমন বস্তু যা কোনো গ্রহের চারদিকে ঘোরে। কিছু গ্রহের উপগ্রহ অনেক বেশি, যেমন মঙ্গলের ২টি (ফোবোস ও ডিমোস)। বুধ আর শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে প্রায় ২৭ দিন ৮ ঘণ্টা সময় নেয়।
    মনে রাখুন:
    চাঁদের ব্যাস প্রায় ৩,৪৭৪ কিলোমিটার।
    বৃহস্পতি ও শনির উপগ্রহ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
    মানুষের তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ অনেক আছে, যেমন বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, যা ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়।
    চাঁদে প্রথম পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং, ১৯৬৯ সালে।
    চাঁদ নিজে আলো দেয় না, সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে আমাদের কাছে দৃশ্যমান হয়।
  15. ৬০. ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপক যন্ত্রের নাম কী?সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ২০১৯ ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, এস্টিমেটর, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. সিসমোগ্রাফ
    • খ. টেলিস্কোপ
    • গ. রিক্টার স্কেল
    • ঘ. অটোগ্রাম
    উত্তর: ক. সিসমোগ্রাফ
    ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করা যে যন্ত্র দিয়ে করা হয় তার নাম সিসমোগ্রাফ (Seismograph)। প্রশ্নে যন্ত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর সিসমোগ্রাফ। রিখটার স্কেল কোনো যন্ত্র নয়, এটি ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) প্রকাশের একটি গাণিতিক স্কেল। টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশের বস্তু দেখা হয়।
    মনে রাখুন:
    রিখটার স্কেলে মান ১ বাড়লে ভূমিকম্পের শক্তি প্রায় ৩২ গুণ বাড়ে।
    ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ঠিক ওপরের ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
    ভূগর্ভে যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, তাকে কেন্দ্র বা হাইপোসেন্টার বলে।
    ভূমিকম্পের তরঙ্গ তিন ধরনের, P তরঙ্গ, S তরঙ্গ ও ভূপৃষ্ঠ তরঙ্গ।
  16. ৬১. নাসা (NASA) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, উপ-পরিদর্শক, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ সংস্থা
    • ক. ১৯৫২
    • খ. ১৯৫৪
    • গ. ১৯৫৬
    • ঘ. ১৯৫৮
    উত্তর: ঘ. ১৯৫৮
    মহাকাশ গবেষণায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালে স্পুটনিক পাঠালে যুক্তরাষ্ট্র নতুন সংস্থা গড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এভাবে ১৯৫৮ সালের ১ অক্টোবর NASA (National Aeronautics and Space Administration) যাত্রা শুরু করে। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে। সংস্থাটি আমেরিকার মহাকাশ ও বিমান গবেষণার প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠান। চাঁদে মানুষ পাঠানো থেকে শুরু করে মঙ্গলে রোভার নামানো পর্যন্ত বহু অভিযান এই সংস্থাই চালিয়েছে।
    মনে রাখুন:
    নাসা ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ মিশনে মানুষকে চাঁদে নামায়।
    স্পুটনিক-১ ছিল মানুষের তৈরি প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ।
    চাঁদে প্রথম পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং।
    নাসার মতো অন্যান্য দেশের মহাকাশ সংস্থা হলো রাশিয়ার রসকসমস, ইউরোপের ESA এবং ভারতের ISRO।
  17. ৬২. হিমবাহ কোন প্রাকৃতিক পরিবেশে দেখা যায়?ডাক অধিদপ্তর, এস্টিমেটর, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ হিমবাহ
    • ক. বাতাসে
    • খ. সমুদ্রে
    • গ. উর্ধ্বাকাশে
    • ঘ. মরু অঞ্চলে
    উত্তর: খ. সমুদ্রে
    হিমবাহ (Glacier) আসলে স্থলভাগে জমা বরফের নদী। এটি উঁচু পর্বত থেকে নিচে নামতে নামতে সমুদ্রে পৌঁছালে বিশাল বরফের টুকরো ভেঙে সমুদ্রে ভেসে বেড়ায়, যাকে হিমশৈল (Iceberg) বলে। মজার ব্যাপার হলো, ১৯১২ সালে টাইটানিক জাহাজ এমনই এক হিমশৈলের ধাক্কায় ডুবেছিল। দেওয়া অপশনের মধ্যে সমুদ্র পরিবেশেই হিমবাহের বরফ দেখা যায়। হিমশৈলের মাত্র প্রায় এক-দশমাংশ পানির ওপরে থাকে, বাকি অংশ ডুবে থাকে।
    মনে রাখুন:
    হিমালয় ও আল্পস পর্বতেও হিমবাহ আছে।
    গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকায় বিশাল হিমবাহ ও বরফের চাদর রয়েছে।
    পৃথিবীর মোট মিঠা পানির বড় অংশ হিমবাহ ও বরফের চাদরে জমা আছে।
  18. ৬৩. পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই যে দুর্যোগ সংঘটিত হয় তা হলো-বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা), ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ঘূর্ণিঝড়
    • খ. বন্যা
    • গ. খরা
    • ঘ. ভূমিকম্প
    উত্তর: ঘ. ভূমিকম্প
    ভূমিকম্পে মাটির নিচের বিপুল শক্তি হঠাৎ বের হয়ে আসে। তাই এটি কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই ঘটে। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার আগে আবহাওয়া দপ্তর সাধারণত সতর্কসংকেত দিতে পারে, আর খরা ধীরে ধীরে তৈরি হয়। আমরা তাই ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে পারি, কিন্তু ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ খুবই কম। এ কারণে ভূমিকম্পের আগে থেকেই মজবুত ভবন তৈরি করা এবং কী করণীয় তা শিখে রাখা জরুরি।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র সিসমোগ্রাফ (Seismograph), আর মাপার একক রিখটার স্কেল।
    ভূমিকম্পের উৎসস্থলের ঠিক ওপরের ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে কেন্দ্র বা এপিসেন্টার (Epicentre) বলে।
    ভূমিকম্প বিষয়ক বিজ্ঞানের নাম সিসমোলজি।
  19. ৬৪. যে গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি—বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ), ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ
    • ক. বুধ
    • খ. মঙ্গল
    • গ. পৃথিবী
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: ঘ. শুক্র
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ, কিন্তু সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র। শুক্রের বায়ুমণ্ডল ঘন কার্বন ডাইঅক্সাইডে ভরা, যা তাপ আটকে রেখে প্রবল গ্রিনহাউস প্রভাব (Greenhouse effect) তৈরি করে। তাই শুক্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৪৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধের বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই বললেই চলে, ফলে সূর্যের দিকের অংশ গরম হলেও তাপ ধরে রাখা যায় না।
    মনে রাখুন:
    শুক্রকে ভোরের তারা ও সন্ধ্যাতারাও বলা হয়।
    শুক্র গ্রহ অন্য বেশির ভাগ গ্রহের উল্টো দিকে ঘোরে।
    সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি।
    সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রম হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।
  20. ৬৫. পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ—বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. সূর্য
    • খ. বুধ
    • গ. চন্দ্র
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: গ. চন্দ্র
    চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে, তাই একে পৃথিবীর উপগ্রহ (Satellite) বলা হয়। যে বস্তু কোনো গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে, সেটিই তার উপগ্রহ। পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ একটিই, তার নাম চন্দ্র। সূর্য একটি নক্ষত্র, আর বুধ ও শুক্র গ্রহ। এদের কেউই পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে না, বরং পৃথিবীর মতোই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
    মনে রাখুন:
    বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ, আর শুক্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
    বুধ ও শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই।
    মঙ্গলের উপগ্রহ ২টি, ফোবোস ও ডিমোস।
    মানুষ তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহও আছে, যেমন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।
  21. ৬৬. 'A Brief History of Time' গ্রন্থে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন—গণপূর্ত অধিদপ্তর, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল), ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের উৎপত্তি
    • ক. জি. ল্যামেটার
    • খ. স্টিফেন হকিং
    • গ. আগাস্টা বায়রন
    • ঘ. চার্লস ব্যাবেজ
    উত্তর: খ. স্টিফেন হকিং
    ‘A Brief History of Time’ বইটি লিখেছেন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। এই বইয়ে তিনি মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্ব সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন। বইটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। হকিং ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণার জন্যও বিখ্যাত ছিলেন এবং তিনি ২০১৮ সালে মারা যান। তত্ত্বের মূল প্রস্তাবক আর বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, এই পার্থক্যটাই প্রশ্নের ফাঁদ।
    মনে রাখুন:
    বিগ ব্যাং তত্ত্বের মূল প্রস্তাবক বেলজিয়ামের জর্জ লেমেত্রে (Lemaître), আর মহাবিশ্ব যে ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে তার প্রমাণ দেন এডউইন হাবল।
    চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়, আর আগাস্টা অ্যাডা বায়রন (অ্যাডা লাভলেস) প্রথম প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত।
  22. ৬৭. পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ—স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. বুধ
    • খ. শুক্র
    • গ. মঙ্গল
    • ঘ. শনি
    উত্তর: খ. শুক্র
    শুক্র (Venus) সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ। এটি আকার ও গঠনে পৃথিবীর কাছাকাছি বলে একে পৃথিবীর যমজ গ্রহও বলা হয়। সূর্য ও চাঁদের পরে আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তুটি এই গ্রহ, আর ভোর ও সন্ধ্যায় একে শুকতারা ও সন্ধ্যাতারা নামে দেখা যায়। বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকলেও পৃথিবীর কাছে সবচেয়ে বেশি আসে শুক্র।
    মনে রাখুন:
    শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই, আর সৌরজগতে এটিই সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ।
    শুক্র অন্যান্য গ্রহের উল্টো দিকে, অর্থাৎ পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিজ অক্ষে ঘোরে।
    বুধ সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং বৃহস্পতি সবচেয়ে বড় গ্রহ।
  23. ৬৮. পাথ ফাইন্ডার (Path Finder) কী?স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. চাঁদে অবতরণকারী নভোযান
    • খ. মঙ্গলগ্রহে প্রদর্শনকারী নভোযান
    • গ. মহাকাশ স্টেশন
    • ঘ. মঙ্গলগ্রহে অবতরণকারী নভোযান
    উত্তর: ঘ. মঙ্গলগ্রহে অবতরণকারী নভোযান
    পাথফাইন্ডার (Pathfinder) যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তৈরি একটি রোবট-চালিত নভোযান। এটি ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই মঙ্গলগ্রহে অবতরণ করে। এর সঙ্গে সোজার্নার (Sojourner) নামের একটি ছোট রোভার ছিল, যা মঙ্গলের মাটিতে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে। এটি চাঁদে নামা নভোযান বা মহাকাশ স্টেশন নয়, কারণ এর গন্তব্য ছিল মঙ্গল।
    মনে রাখুন:
    চাঁদে মানুষ নিয়ে প্রথম অবতরণ করে অ্যাপোলো-১১ (১৯৬৯)।
    নাসার পারসিভারেন্স রোভার ২০২১ সালে মঙ্গলে নামে।
    ভারতের মঙ্গলযান ২০১৪ সালে মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছায়।
    সোজার্নার ছিল মঙ্গলে নামা প্রথম চাকাওয়ালা রোবট-যান।
    পাথফাইন্ডারকে বায়ুথলি বা এয়ারব্যাগের সাহায্যে মঙ্গলের মাটিতে নামানো হয়েছিল।
  24. ৬৯. ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?বাংলাদেশ রেলওয়ে, উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ব্যারোমিটার
    • খ. সিসমোগ্রাফ
    • গ. ম্যানোমিটার
    • ঘ. ট্র্যাপোমিটার
    উত্তর: খ. সিসমোগ্রাফ
    ভূমিকম্পের তীব্রতা ও কম্পন মাপার যন্ত্র সিসমোগ্রাফ (Seismograph)। এটি মাটির কম্পন কাগজে রেখাচিত্র হিসেবে এঁকে রাখে। অন্য যন্ত্রগুলো আলাদা কাজ করে। ব্যারোমিটার বায়ুর চাপ মাপে এবং ম্যানোমিটার গ্যাসের চাপ মাপে। ভূমিকম্প নিয়ে পড়াশোনার শাখাকে সিসমোলজি বলে।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্পের শক্তি মাপার স্কেল রিখটার স্কেল।
    ভূমিকম্পের উৎসস্থল ভূগর্ভে, আর তার ঠিক উপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
    ভূমিকম্পে P-তরঙ্গ আগে পৌঁছায়, তারপর আসে S-তরঙ্গ। এই দুই তরঙ্গের সময়ের ব্যবধান থেকে উৎসের দূরত্ব বের করা হয়।
    রিখটার স্কেলে মান এক একক বাড়লে ভূমিকম্পের শক্তি প্রায় ৩২ গুণ বাড়ে।
  25. ৭০. পৃথিবীর আহ্নিকগতির কারণে নিচের কোনটি হয়?বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. দিন-রাত্রি
    • খ. ঋতু পরিবর্তন
    • গ. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
    • ঘ. খরা
    উত্তর: ক. দিন-রাত্রি
    পৃথিবী একই সঙ্গে দুটি গতিতে ঘোরে। একটি হলো নিজ অক্ষের চারদিকে ঘোরা, যাকে আহ্নিক গতি (Rotation) বলে। অন্যটি সূর্যের চারদিকে ঘোরা, যার নাম বার্ষিক গতি (Revolution)। আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘোরে। ফলে একই সময়ে পৃথিবীর অর্ধেক অংশ সূর্যের আলো পায়, বাকি অর্ধেক অন্ধকারে থাকে। এভাবেই দিন ও রাত হয়।
    অন্যদিকে ঋতু পরিবর্তন এবং দিন-রাতের হ্রাস-বৃদ্ধি হয় বার্ষিক গতির কারণে, কারণ পৃথিবীর অক্ষ কিছুটা হেলে থাকে। ঘূর্ণিঝড় ও খরা আবহাওয়ার ঘটনা, পৃথিবীর গতির সরাসরি ফল নয়।
    মনে রাখুন:
    আহ্নিক গতির ফলে সূর্য পূর্ব দিকে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায় বলে মনে হয়।
    বার্ষিক গতিতে সূর্যকে একবার ঘুরতে পৃথিবীর প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা লাগে।
    পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সঙ্গে প্রায় ২৩.৫° হেলে আছে।
  26. ৭১. পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ কোনটি?বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. শনি
    • খ. শুক্র
    • গ. মঙ্গল
    • ঘ. বুধ
    উত্তর: খ. শুক্র
    সৌরজগতে শুক্র গ্রহ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসে, তখন দূরত্ব প্রায় ৪ কোটি কিলোমিটার। এ কারণে শুক্রকে পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ বলা হয়। শুক্র সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং ভোরে ও সন্ধ্যায় আকাশে খুব উজ্জ্বল দেখায়। তাই ভোরে একে শুকতারা এবং সন্ধ্যায় সন্ধ্যাতারা বলা হয়। শুক্র অন্য বেশিরভাগ গ্রহের উল্টো দিকে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিজ অক্ষে ঘোরে।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র।
    আধুনিক গবেষণায় গড় দূরত্ব ধরলে বুধকে কাছের গ্রহ বলা হয়, কিন্তু সবচেয়ে কাছে আসে বলে পরীক্ষায় শুক্রই উত্তর।
  27. ৭২. হিমশৈল কী?জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ হিমশৈল
    • ক. উত্তর মেরুর জমাট বাঁধা বরফ
    • খ. গ্রিনল্যান্ডের জমাট বাঁধা বরফ
    • গ. শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড
    • ঘ. হিমালয়ের চূড়ায় জমাট বাঁধা বরফ
    উত্তর: গ. শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খণ্ড
    হিমশৈল (Iceberg) হলো শীতল সমুদ্রস্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফখণ্ড। মেরু অঞ্চলের হিমবাহ (Glacier) ভেঙে সমুদ্রে পড়লে এগুলো তৈরি হয়। মজার ব্যাপার হলো, হিমশৈলের মাত্র প্রায় ১০ ভাগের ১ ভাগ পানির ওপরে থাকে, বাকিটা ডুবে থাকে, তাই জাহাজের জন্য এগুলো বিপজ্জনক। কেবল মেরু অঞ্চল, গ্রিনল্যান্ড বা হিমালয়ের চূড়ার জমাট বরফকে হিমশৈল বলা যায় না, কারণ হিমশৈলের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সেটি ভাসমান।
    মনে রাখুন:
    ১৯১২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে টাইটানিক জাহাজ ডুবে যায়।
    বরফ পানির চেয়ে হালকা, তাই ভাসে।
    হিমবাহ হলো স্থলভাগে ধীরে ধীরে নেমে আসা বরফের নদী।
  28. ৭৩. সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. পৃথিবী
    • খ. মঙ্গল
    • গ. বুধ
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: গ. বুধ
    সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ (Mercury)। এটি আকারে সবচেয়ে ছোট এবং সূর্যকে সবচেয়ে কম সময়ে, প্রায় ৮৮ দিনে, প্রদক্ষিণ করে। সূর্যের খুব কাছে থাকায় এর দিনের তাপ খুব বেশি হয়। পৃথিবী ও মঙ্গল সূর্য থেকে বুধের চেয়ে দূরে।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
    মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।
    সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রম: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।
    বুধ গ্রহে উল্লেখযোগ্য বায়ুমণ্ডল নেই এবং এর কোনো উপগ্রহও নেই।
    বুধ আকারে আমাদের চাঁদের চেয়ে বড়।
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের হলেও শুক্র গ্রহ বুধের চেয়ে বেশি গরম।
  29. ৭৪. দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ১° হলে সময়ের পার্থক্য কত?আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সাব-রেজিস্ট্রার, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ১ মিনিট
    • খ. ২ মিনিট
    • গ. ৩ মিনিট
    • ঘ. ৪ মিনিট
    উত্তর: ঘ. ৪ মিনিট
    পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে। তাই ১ ঘণ্টায় ঘোরে 360 ÷ 24 = 15°। অর্থাৎ ১৫° দ্রাঘিমার পার্থক্যে ১ ঘণ্টা বা ৬০ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়।
    এ থেকে ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য 60 ÷ 15 = 4 মিনিট।
    মনে রাখুন:
    গ্রিনিচের পূর্বদিকে সময় এগিয়ে থাকে, আর পশ্চিমে পিছিয়ে থাকে।
    গ্রিনিচের মধ্যরেখাকে ০° দ্রাঘিমা ধরা হয়।
    বাংলাদেশ গ্রিনিচের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
    পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে, তাই পূর্বদিকের স্থানে সূর্য আগে ওঠে।
    আন্তর্জাতিক তারিখরেখা প্রায় ১৮০° দ্রাঘিমারেখা বরাবর অবস্থিত।
    দ্রাঘিমাংশ মাপা হয় গ্রিনিচ মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিম দিকে, আর অক্ষাংশ মাপা হয় নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণ দিকে।
  30. ৭৫. সূর্যের প্রধান উপাদান কোনটি?ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, স্টেশন অফিসার, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. নাইট্রোজেন
    • খ. অক্সিজেন
    • গ. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
    • ঘ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    উত্তর: গ. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
    সূর্য একটি বিশাল গ্যাসীয় তারা। এর ভরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ হাইড্রোজেন এবং প্রায় এক-চতুর্থাংশ হিলিয়াম। বাকি সামান্য অংশে অক্সিজেন, কার্বন, নিয়ন, লোহা ইত্যাদি আছে। সূর্যের কেন্দ্রে হাইড্রোজেন পরমাণু মিলে হিলিয়াম তৈরি করে, একে নিউক্লীয় সংযোজন (Nuclear Fusion) বলে। এই বিক্রিয়াতেই সূর্য তাপ ও আলো পায়।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় এক কোটি ৫০ লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
    সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় লাগে।
    সূর্য আমাদের সৌরজগতের একমাত্র তারা, আর সৌরজগতের মোট ভরের প্রায় ৯৯.৮৬ ভাগই সূর্যের।
    সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৬০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  31. ৭৬. একটি বড় মাপের ভূমিকম্পের পর কী ঘটার সম্ভাবনা থাকে?বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়, সহকারী পরিচালক, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প ও সুনামি
    • ক. জলোচ্ছ্বাস
    • খ. বন্যা
    • গ. ঘূর্ণিঝড়
    • ঘ. সুনামি
    উত্তর: ঘ. সুনামি
    সমুদ্রের তলদেশে বড় ভূমিকম্প হলে সমুদ্রের তলার ভূখণ্ড হঠাৎ উপরে-নিচে সরে যায়। এতে সমুদ্রের বিশাল পরিমাণ পানি নড়ে ওঠে এবং অতি দীর্ঘ তরঙ্গ তৈরি করে। তীরের কাছে এসে এই তরঙ্গ অনেক উঁচু ঢেউ হয়ে স্থলভাগ ডুবিয়ে দেয়। এই ঘটনার নাম সুনামি (Tsunami)। জাপানি শব্দ 'সু' মানে পোতাশ্রয় এবং 'নামি' মানে ঢেউ।
    মনে রাখুন:
    ঘূর্ণিঝড়ের ফলে হওয়া জলোচ্ছ্বাস ও সুনামি ভিন্ন জিনিস।
    ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল।
    ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় সিসমোগ্রাফ (Seismograph) যন্ত্রে, আর মাপার প্রচলিত স্কেল হলো রিখটার স্কেল।
    সুনামির ঢেউ গভীর সমুদ্রে খুব দ্রুত ছোটে, কিন্তু তীরের কাছে এসে গতি কমে ঢেউয়ের উচ্চতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
  32. ৭৭. ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়—জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট), হোম ইকোনমিস্ট, ২০২৪ ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, গবেষণা সহকারী/সহকারী কাস্টোডিয়ান, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূত্বকের উপাদান
    • ক. কার্বন
    • খ. নাইট্রোজেন
    • গ. অক্সিজেন
    • ঘ. হাইড্রোজেন
    উত্তর: গ. অক্সিজেন
    ভূত্বক বা ভূপৃষ্ঠের শিলা ও খনিজে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় অক্সিজেন, প্রায় ৪৬ শতাংশ। এর কারণ ভূত্বকের বেশিরভাগ খনিজ সিলিকেট ও অক্সাইডজাতীয়, যাদের মধ্যে অক্সিজেন মিশে আছে। কার্বন, নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন ভূত্বকে অনেক কম। নাইট্রোজেন সবচেয়ে বেশি বাতাসে, ভূত্বকে নয়।
    মনে রাখুন:
    ভূত্বকে অক্সিজেনের পরে সিলিকন (প্রায় ২৮ শতাংশ), তারপর অ্যালুমিনিয়াম।
    ধাতুর মধ্যে ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি অ্যালুমিনিয়াম।
    অক্সিজেন মহাবিশ্বে সবচেয়ে প্রচুর মৌলগুলোর মধ্যে তৃতীয়, তবে মহাবিশ্বের বেশিরভাগ অংশ হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম।
    পানির ওজনের প্রায় ৮৯ ভাগ অক্সিজেন, তাই সমুদ্র ও নদীর মধ্যেও এর বড় অংশ রয়েছে।
  33. ৭৮. সূর্য পৃথিবীর চেয়ে কতগুণ বড়?শারীরিক শিক্ষা কলেজ (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়), প্রভাষক, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. ১০ লক্ষ
    • খ. ১১ লক্ষ
    • গ. ১২ লক্ষ
    • ঘ. ১৩ লক্ষ
    উত্তর: ঘ. ১৩ লক্ষ
    সূর্য পৃথিবীর তুলনায় বিশাল। আয়তনের হিসাবে সূর্যের ভেতরে প্রায় ১৩ লক্ষ পৃথিবী ঢুকে যেতে পারে, তাই বলা হয় সূর্য পৃথিবীর ১৩ লক্ষ গুণ বড়। ব্যাসের হিসাবে অবশ্য সূর্য পৃথিবীর প্রায় ১০৯ গুণ। তাই আয়তন না ব্যাস, কোনটির কথা বলা হচ্ছে, তা দেখে নেওয়া দরকার।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
    সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
    সূর্য আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত তারা। গ্রহগুলো সূর্যকে ঘিরে ঘোরে, আর সূর্যের মহাকর্ষই তাদের কক্ষপথে ধরে রাখে।
    সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯০ হাজার কিলোমিটার।
  34. ৭৯. পৃথিবী যে ছায়াপথে অবস্থিত তার নাম কী?শারীরিক শিক্ষা কলেজ (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়), প্রভাষক, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ছায়াপথ
    • ক. সৌরজগৎ
    • খ. ধূমকেতু
    • গ. মিল্কিওয়ে
    • ঘ. গ্যালাক্সি
    উত্তর: গ. মিল্কিওয়ে
    আমরা যে সৌরজগতে আছি, সেটি যে বিশাল নক্ষত্রপুঞ্জের ভেতর আছে, তাকে বলে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ। আমাদের এই ছায়াপথের নাম মিল্কিওয়ে (Milky Way) বা আকাশগঙ্গা। প্রশ্নে ছায়াপথের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর মিল্কিওয়ে। ‘গ্যালাক্সি’ হলো এ ধরনের গঠনের সাধারণ নাম, কোনো নির্দিষ্ট নাম নয়, আর সৌরজগৎ তার একটি ক্ষুদ্র অংশ।
    মনে রাখুন:
    মিল্কিওয়ের নিকটতম বড় প্রতিবেশী গ্যালাক্সি অ্যান্ড্রোমিডা।
    ধূমকেতু সৌরজগতের ছোট বরফ-ধুলোর বস্তু।
    মিল্কিওয়েতে প্রায় ১০ হাজার কোটি তারা আছে এবং এর আকার সর্পিল। আকাশে রাতে ছায়াপথ দুধের মতো সাদা পথের মতো দেখা যায় বলে এর এই নাম।
  35. ৮০. লাল গ্রহ কাকে বলা হয় ?এনটিআরসিএ, ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়), ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. মঙ্গল গ্রহ
    • খ. বুধ গ্রহ
    • গ. বৃহস্পতি গ্রহ
    • ঘ. শনি গ্রহ
    উত্তর: ক. মঙ্গল গ্রহ
    মঙ্গল গ্রহের মাটি ও পাথরে প্রচুর আয়রন অক্সাইড আছে, যা আসলে এক ধরনের মরিচা। এই মরিচার রঙের কারণে দূর থেকে গ্রহটিকে লালচে দেখায়, তাই মঙ্গলকে লাল গ্রহ (Red Planet) বলা হয়। মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ আছে, ফোবোস ও ডিমোস। সূর্য থেকে দূরত্বের হিসাবে মঙ্গল চতুর্থ গ্রহ, আর এর বায়ুমণ্ডল খুব পাতলা এবং মূলত কার্বন ডাই-অক্সাইডে ভরা। মঙ্গলে পৃথিবীর মতো ঋতু আছে, আর সৌরজগতের সবচেয়ে উঁচু পর্বত অলিম্পাস মনস এই গ্রহেই অবস্থিত।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে বড় গ্রহ = বৃহস্পতি।
    সূর্যের নিকটতম গ্রহ = বুধ।
    সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহ = শুক্র।
    বলয়ের জন্য বিখ্যাত = শনি।
  36. ৮১. সিসমোগ্রাফ কী ?এনটিআরসিএ, ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়), ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. রক্তচাপ মাপক যন্ত্র
    • খ. ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র
    • গ. বৃষ্টি মাপক যন্ত্র
    • ঘ. সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্র
    উত্তর: খ. ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র
    ভূমিকম্পের সময় মাটির নিচ থেকে যে কম্পন ছড়িয়ে পড়ে, তা শনাক্ত ও রেকর্ড করার যন্ত্রকে সিসমোগ্রাফ (Seismograph) বলে। গ্রিক শব্দ ‘seismos’ মানে কম্পন বা ভূমিকম্প, সেখান থেকেই নামটি এসেছে। যন্ত্রটি কম্পনের তরঙ্গকে কাগজে বা পর্দায় আঁকাবাঁকা রেখায় এঁকে দেয়, আর সেই রেখা দেখে ভূমিকম্পের শক্তি ও উৎপত্তিস্থল বোঝা যায়। ভূমিকম্পের মাত্রা সাধারণত রিখটার স্কেলে প্রকাশ করা হয়। সিসমোগ্রাফের রেকর্ড করা রেখাচিত্রকে সিসমোগ্রাম (Seismogram) বলে। ভূমিকম্পের উৎসস্থলকে কেন্দ্র আর তার ঠিক ওপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    রক্তচাপ মাপার যন্ত্র = স্ফিগমোম্যানোমিটার।
    বৃষ্টি মাপার যন্ত্র = রেইনগেজ।
    সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্র = ফ্যাদোমিটার।
  37. ৮২. সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা কয়টি?প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. ৮
    • খ. ৭
    • গ. ৬
    • ঘ. ১০
    উত্তর: ক. ৮
    ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) গ্রহের নতুন সংজ্ঞা ঠিক করে প্লুটোকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) ঘোষণা করে। তখন থেকে সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা ৮টি। সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমে এরা হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। প্রথম চারটি গ্রহ পাথুরে, আর পরের চারটি বিশাল গ্যাসীয় বা বরফীয় গ্রহ। আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের সংজ্ঞা অনুযায়ী গ্রহকে নিজের কক্ষপথের আশপাশ পরিষ্কার করতে হয়, প্লুটো তা পারে না।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি, আর সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ।
    সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র, যাকে শুকতারা বা সন্ধ্যাতারাও বলা হয়।
  38. ৮৩. কোনটি পরিবেশের অংশ?পরিবেশ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পরিবেশের উপাদান
    • ক. পানি
    • খ. মাটি
    • গ. বায়ু
    • ঘ. সবকয়টি
    উত্তর: ঘ. সবকয়টি
    আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে এবং যা আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করে, সবকিছু মিলেই পরিবেশ (Environment)। পানি, মাটি ও বায়ু এই পরিবেশের তিনটি প্রধান প্রাকৃতিক অংশ। আবার গাছপালা, প্রাণী ও মানুষ, এরা পরিবেশের জীবিত অংশ। এই সবকিছুর পারস্পরিক ক্রিয়ায় পরিবেশ ভারসাম্য বজায় রাখে।
    মনে রাখুন:
    পরিবেশের উপাদান দুই ধরনের: জীব উপাদান (উদ্ভিদ, প্রাণী) ও অজীব উপাদান (পানি, মাটি, বায়ু, আলো)।
    বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বে আছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
    পরিবেশ দূষণ হলো পানি, মাটি ও বায়ুর স্বাভাবিক গুণ নষ্ট হয়ে যাওয়া।
    পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পরিবেশের ক্ষতি ঠেকাতে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
  39. ৮৪. পরিবেশের সাথে জীবদেহের সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (সহকারী শিক্ষক, স্কুল পর্যায়), ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ বাস্তুবিদ্যা
    • ক. ইভোলিউশন
    • খ. এপিকালচার
    • গ. ইকোলজি
    • ঘ. আর্কিওলজি
    উত্তর: গ. ইকোলজি
    যে বিজ্ঞানে জীব ও তার চারপাশের পরিবেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়, তার নাম ইকোলজি (Ecology) বা বাস্তুবিদ্যা। জার্মান বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল ১৮৬৬ সালে এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। গ্রিক ‘oikos’ মানে বাসস্থান, আর ‘logos’ মানে জ্ঞান।
    মনে রাখুন:
    ইভোলিউশন (Evolution) হলো জীবের ক্রমবিবর্তন।
    এপিকালচার (Apiculture) হলো মৌমাছি পালন।
    আর্কিওলজি (Archaeology) হলো প্রত্নতত্ত্ব, অর্থাৎ পুরোনো নিদর্শন নিয়ে পড়াশোনা।
    ইকোলজি শব্দটি জীববিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখার নাম, যেখানে জীব কীভাবে মাটি, পানি, বায়ু ও অন্য জীবের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে তা দেখা হয়।
    ইকোলজির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem), যেখানে জীব ও তার পরিবেশ একসঙ্গে একটি ব্যবস্থা তৈরি করে।
    ইকোসিস্টেম শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী আর্থার ট্যানসলি।
  40. ৮৫. কোনটি প্রাথমিক খাদ্য উৎপাদক -প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ খাদ্য শৃঙ্খল
    • ক. মানুষ
    • খ. উদ্ভিদ
    • গ. সবুজ উদ্ভিদ
    • ঘ. প্রাণী
    উত্তর: গ. সবুজ উদ্ভিদ
    প্রকৃতিতে যারা সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করে, তাদের বলে উৎপাদক (Producer)। সবুজ উদ্ভিদ পাতার ক্লোরোফিলের সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে এই খাদ্য তৈরি করে। তাই সবুজ উদ্ভিদই প্রাথমিক খাদ্য উৎপাদক। মানুষ ও অন্য প্রাণীরা নিজে খাদ্য বানাতে পারে না, এরা ভোক্তা।
    মনে রাখুন:
    খাদ্য শৃঙ্খলের শুরু সবসময় উৎপাদক দিয়ে।
    পুকুর বা সমুদ্রে সবুজ শৈবালও (ফাইটোপ্ল্যাংকটন) উৎপাদকের কাজ করে।
    সবুজ উদ্ভিদ ও শৈবাল মিলে পৃথিবীর অক্সিজেনের বেশিরভাগ তৈরি করে।
    উৎপাদকের পরে আসে প্রাথমিক ভোক্তা, যেমন গরু-ছাগলের মতো তৃণভোজী প্রাণী।
    তারপর মাংসাশী প্রাণী ও সবশেষে বিযোজক (ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া) থাকে, যারা মৃত দেহ পচিয়ে মাটিতে ফিরিয়ে দেয়।
  41. ৮৬. জীবমণ্ডলের বৃহৎ ভৌগোলিক একক-রবি (সি ইউনিট) ভর্তি, ২০২৩-২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ বায়োম
    • ক. ইকোসিস্টেম
    • খ. ইকোলজি
    • গ. বায়োমাস
    • ঘ. বায়োম
    উত্তর: ঘ. বায়োম
    বায়োম (Biome) হলো পৃথিবীর বিশাল ভৌগোলিক এলাকা, যেখানে জলবায়ু প্রায় একই রকম এবং সেই অনুযায়ী একই ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণী বাস করে। মরুভূমি, তৃণভূমি, ক্রান্তীয় বর্ষাবন, তুন্দ্রা ইত্যাদি এক-একটি বায়োম। জীবমণ্ডলের এই বড় একককে ভেঙে ছোট ছোট বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) হলো কোনো এলাকার জীব ও অজীব উপাদানের পারস্পরিক সম্পর্কের একক।
    বায়োমাস (Biomass) হলো কোনো এলাকার জীবের মোট ভর।
    বায়োমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জীববৈচিত্র্য দেখা যায় ক্রান্তীয় বর্ষাবনে।
    বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্গত।
    সুন্দরবন একটি ম্যানগ্রোভ বন এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন।
  42. ৮৭. কোন পানিতে প্রথম জীবনের সৃষ্টি হয়েছিল?ডিপ্লোমা ইন নার্সিং ভর্তি, ২০২৪-২৫ ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সহকারী পরিচালক, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ জীবমণ্ডল
    • ক. নদীর
    • খ. ঝরনার
    • গ. সমুদ্রের
    • ঘ. পুকুরের
    উত্তর: গ. সমুদ্রের
    বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সৃষ্টি হয়েছিল সমুদ্রের পানিতে। আদিম পৃথিবীর সমুদ্রে অ্যামিনো এসিডের মতো সরল জৈব যৌগ জমে ধীরে ধীরে জটিল হতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত একদিন সরল এককোষী জীবের সৃষ্টি হয়। সমুদ্রের পানি তখন জীবের জন্য সুরক্ষিত পরিবেশ দিয়েছিল, কারণ তা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে জীবকে রক্ষা করত।
    মনে রাখুন:
    জীবনের সূচনা সম্পর্কিত এই ধারণাকে বলে রাসায়নিক বিবর্তন।
    আদি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন প্রায় ছিলই না।
    প্রাচীনতম জীবাশ্ম পাওয়া গেছে সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীলাভ-সবুজ শৈবালের, যাদের বয়স শত শত কোটি বছর।
    এই আদিম জীবেরা সালোকসংশ্লেষণ করে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন বাড়ায়, ফলে পরে জটিল জীবের বিকাশ সম্ভব হয়।
  43. ৮৮. পৃথিবীর আকার ও আয়তন সম্পর্কীয় বিদ্যা কি?মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রদর্শক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর বিজ্ঞান
    • ক. জিওলজি
    • খ. অ্যাস্ট্রনজি
    • গ. জিওফিজিক্স
    • ঘ. জিওডেসি
    উত্তর: ঘ. জিওডেসি
    পৃথিবীর আকার, আয়তন ও অভিকর্ষ মাপার বিদ্যাকে জিওডেসি (Geodesy) বলে। এই বিদ্যায় মাপজোক করে জানা যায়, পৃথিবী ঠিক গোলাকার নয়; মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত, অর্থাৎ এর আকার অভিগোল (Oblate spheroid)।
    মনে রাখুন:
    জিওলজি (Geology) পৃথিবীর শিলা ও গঠন নিয়ে আলোচনা করে।
    অ্যাস্ট্রনমি (Astronomy) মহাকাশের গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে পড়ে।
    জিওফিজিক্স (Geophysics) ভূমিকম্প, চুম্বকত্ব ইত্যাদি পদার্থবিদ্যার সূত্রে পৃথিবীকে বোঝে।
    পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ১২,৭৫৬ কিলোমিটার এবং মেরু ব্যাস প্রায় ১২,৭১৪ কিলোমিটার, অর্থাৎ দুটির মধ্যে প্রায় ৪২ কিলোমিটারের পার্থক্য আছে।
    পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার।
  44. ৮৯. পৃথিবীর মণ্ডল তিনটির নাম-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-অভ্যন্তর
    • ক. অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল, কেন্দ্রমণ্ডল
    • খ. অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল, বারিমণ্ডল
    • গ. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, কেন্দ্রমণ্ডল
    • ঘ. অশ্মমণ্ডল, বারিমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল
    উত্তর: ক. অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল, কেন্দ্রমণ্ডল
    ভূ-অভ্যন্তর তিনটি স্তরে বিভক্ত: অশ্মমণ্ডল (Lithosphere), গুরুমণ্ডল (Mantle) ও কেন্দ্রমণ্ডল (Core)। সবচেয়ে ওপরের পাতলা শক্ত স্তরটি অশ্মমণ্ডল, যার ওপরে আমরা বাস করি। তার নিচে পুরু গুরুমণ্ডল, আর একেবারে ভেতরে কেন্দ্রমণ্ডল।
    মনে রাখুন:
    কেন্দ্রমণ্ডল আবার দুই ভাগে বিভক্ত: বাইরের তরল অংশ ও ভেতরের কঠিন অংশ।
    বারিমণ্ডল (Hydrosphere) ও বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) পৃথিবীর অভ্যন্তরের স্তর নয়, এরা পৃথিবীর বাইরের আবরণ।
    অশ্মমণ্ডল ও গুরুমণ্ডলের মাঝে একটি আংশিক গলিত স্তর আছে, যার নাম অ্যাসথেনোস্ফিয়ার, এর ওপর ভর করেই ভূ-পৃষ্ঠের পাত বা প্লেটগুলো ধীরে সরে।
    অশ্মমণ্ডলের মধ্যে ভূ-ত্বক ও গুরুমণ্ডলের ওপরের অংশ পড়ে।
    গুরুমণ্ডল পৃথিবীর আয়তনের প্রায় ৮৪ শতাংশ জুড়ে আছে।
    কেন্দ্রমণ্ডলের ব্যাসার্ধ প্রায় ৩,৪০০ কিলোমিটার।
  45. ৯০. পৃথিবীর বহিরাবরণকে কি বলে?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-ত্বক
    • ক. শিলা
    • খ. ভূ-ত্বক
    • গ. কেন্দ্রমণ্ডল
    • ঘ. গুরুমণ্ডল
    উত্তর: খ. ভূ-ত্বক
    পৃথিবীর সবচেয়ে বাইরের শক্ত ও পাতলা আবরণকে ভূ-ত্বক (Crust) বলে। ডিমের খোসা যেমন ডিমকে ঢেকে রাখে, ভূ-ত্বকও তেমনি পৃথিবীর ভেতরের গরম অংশকে ঢেকে রেখেছে। এর নিচের স্তরটির নাম গুরুমণ্ডল (Mantle) এবং একেবারে ভেতরের অংশ কেন্দ্রমণ্ডল (Core)।
    মনে রাখুন:
    মহাদেশের নিচে ভূ-ত্বক পুরু এবং সমুদ্রের নিচে পাতলা।
    ভূ-ত্বকের ওপরের অংশ সিয়াল (সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়াম) এবং নিচের অংশ সিমা (সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম)।
    ভূ-ত্বকের গড় পুরুত্ব প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার, তবে সব জায়গায় সমান নয়। হিমালয়ের মতো পর্বতের নিচে এটি ৭০ কিলোমিটারের মতোও পুরু হয়।
    ভূ-ত্বক পৃথিবীর মোট আয়তনের সামান্য অংশ জুড়ে আছে।
  46. ৯১. ভূ-ত্বকের প্রধান উপাদান কোনটি?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (সি ইউনিট) ভর্তি ও জনতা ব্যাংকের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-ত্বকের উপাদান
    • ক. অক্সিজেন
    • খ. নাইট্রোজেন
    • গ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    • ঘ. ম্যাঙ্গানিজ
    উত্তর: ক. অক্সিজেন
    ভূ-ত্বকের সবচেয়ে প্রধান উপাদান অক্সিজেন, যা এর ওজনের প্রায় ৪৬ শতাংশ। অক্সিজেন অন্য মৌলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সিলিকা, অ্যালুমিনা ও লোহার অক্সাইডের মতো যৌগ তৈরি করে। এজন্য ভূ-ত্বকের বেশিরভাগ শিলা ও খনিজে অক্সিজেন থাকে।
    মনে রাখুন:
    ভূ-ত্বকের উপাদান ওজন অনুযায়ী বেশি থেকে কম: অক্সিজেন (৪৬%), সিলিকন (২৭%), অ্যালুমিনিয়াম (৮%), লোহা (৫%), ক্যালসিয়াম (৪%)।
    নাইট্রোজেন ভূ-ত্বকে খুবই কম, কিন্তু বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান।
    ভূ-ত্বকের শিলার প্রধান উপাদান হলো সিলিকেট খনিজ, আর সিলিকেটে সিলিকন ও অক্সিজেন একসঙ্গে থাকে।
    অক্সিজেনের পরে সিলিকন বেশি পরিমাণে আছে।
    এই দুটি মৌল মিলে ভূ-ত্বকের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ গঠন করে।
    ধাতুর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম সবচেয়ে বেশি আছে, তারপর লোহা।
  47. ৯২. The most abundant element in the earth's crust is oxygen. The second most abundant element in the earth's crust is -জনতা ও রূপালী ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা (সাধারণ), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-ত্বকের উপাদান
    • ক. Hydrogen
    • খ. Silicon
    • গ. Nitrogen
    • ঘ. Brass
    উত্তর: খ. Silicon
    ভূ-ত্বকের ওজনের প্রায় ৪৬ শতাংশ অক্সিজেন, আর তার পরেই আছে সিলিকন (Si), যা প্রায় ২৭ শতাংশ। সিলিকন অক্সিজেনের সঙ্গে মিলে সিলিকা (বালি, কোয়ার্টজ) ও নানা সিলিকেট খনিজ তৈরি করে। এজন্য ভূ-ত্বকের অধিকাংশ শিলা এই দুই মৌল দিয়ে গঠিত।
    মনে রাখুন:
    ভূ-ত্বকে তৃতীয় সর্বাধিক মৌল অ্যালুমিনিয়াম (প্রায় ৮%) এবং চতুর্থ লোহা (প্রায় ৫%)।
    হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন ভূ-ত্বকে খুবই কম পরিমাণে থাকে।
    সিলিকন ভূ-ত্বকে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না, সবসময় যৌগ আকারে থাকে।
    বালি ও কাচের প্রধান উপাদান সিলিকা (SiO₂)।
    সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী মৌল, তাই কম্পিউটারের চিপ ও সৌরকোষ তৈরিতে বিশুদ্ধ সিলিকন ব্যবহৃত হয়।
  48. ৯৩. পৃথিবীর ভূ-ত্বকের মধ্যে কোন মৌলটি তৃতীয় সর্বোচ্চ?বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ফরেস্ট অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-ত্বকের উপাদান
    • ক. লৌহ
    • খ. অ্যালুমিনিয়াম
    • গ. অক্সিজেন
    • ঘ. সিলিকন
    উত্তর: খ. অ্যালুমিনিয়াম
    ভূ-ত্বকে ওজন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি আছে অক্সিজেন (প্রায় ৪৬%), তারপর সিলিকন (প্রায় ২৭%) এবং তৃতীয় স্থানে অ্যালুমিনিয়াম (প্রায় ৮%)। অ্যালুমিনিয়াম বিশুদ্ধ অবস্থায় প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, এটি মাটির বক্সাইট আকরিকে থাকে। চতুর্থ স্থানে আছে লোহা (প্রায় ৫%)।
    মনে রাখুন:
    ভূ-ত্বকের সবচেয়ে প্রচুর মৌল অক্সিজেন, আর ধাতুর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম।
    বক্সাইট থেকে অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাশন করা হয়।
    আকরিক হলো সেই খনিজ, যা থেকে লাভজনকভাবে ধাতু আহরণ করা যায়। অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক বক্সাইট এবং লোহার আকরিক হেমাটাইট ও ম্যাগনেটাইট।
    লোহা ও অ্যালুমিনিয়ামের মতো ধাতু সরাসরি আকরিক থেকে নিষ্কাশন করা হয়।
    অ্যালুমিনিয়াম হালকা ও মরিচা রোধী, তাই বিমান ও রান্নার পাত্র তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়।
  49. ৯৪. ভূ-পৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?BPSC'র সহকারী পরিচালক, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-ত্বকের উপাদান
    • ক. অ্যালুমিনিয়াম
    • খ. তামা
    • গ. দস্তা
    • ঘ. সীসা
    উত্তর: ক. অ্যালুমিনিয়াম
    ভূ-ত্বকের ধাতুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় অ্যালুমিনিয়াম (Al), প্রায় ৮ শতাংশ। তামা, দস্তা ও সীসা এর তুলনায় ভূ-ত্বকে অনেক কম। তবে অ্যালুমিনিয়াম প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় থাকে না। এটি বক্সাইট আকরিকে অক্সাইড হিসেবে থাকে এবং তড়িৎ বিশ্লেষণ করে ধাতুটি আলাদা করা হয়।
    মনে রাখুন:
    অধাতুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে অক্সিজেন, এর পরেই সিলিকন।
    ধাতুর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে আছে লোহা।
    অ্যালুমিনিয়ামের সংকেত Al এবং এটি একটি হালকা, রুপালি-সাদা ধাতু।
    লোহার পর অ্যালুমিনিয়ামই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতুগুলোর একটি।
    এর যৌগ অ্যালুম (ফিটকিরি) ঘোলা পানি পরিষ্কার করতে কাজে লাগে।
  50. ৯৫. ভূ-ত্বকে কোন উপাদান সবচেয়ে কম থাকে?প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (করতোয়া), ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-ত্বকের উপাদান
    • ক. সোডিয়াম
    • খ. অ্যালুমিনিয়াম
    • গ. ক্যালসিয়াম
    • ঘ. লোহা
    উত্তর: ক. সোডিয়াম
    ভূ-ত্বকের মৌলগুলোর ওজনের শতকরা হার এই রকম: অ্যালুমিনিয়াম প্রায় ৮ শতাংশ, লোহা প্রায় ৫ শতাংশ, ক্যালসিয়াম প্রায় ৪ শতাংশ এবং সোডিয়াম প্রায় ২.৩ শতাংশ। এই চারটির মধ্যে সোডিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে কম। সোডিয়াম খুবই সক্রিয় ধাতু বলে এটি মুক্ত অবস্থায় থাকে না, সাধারণত লবণ হিসেবে পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) বা খাবার লবণ সমুদ্রের পানিতে প্রচুর পরিমাণে মিশে আছে।
    ভূ-ত্বকের সবচেয়ে বেশি আছে অক্সিজেন ও সিলিকন।
    লোহা ভূ-ত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতুগুলোর একটি।
    আর পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে গেলে লোহা ও নিকেলের পরিমাণ বেড়ে যায়, কারণ ভারী মৌল ভেতরে জমে আছে।
  51. ৯৬. কনরাড বিযুক্তি ভূ-অভ্যন্তরের কোন স্তরসমূহের মাঝে অবস্থান করে?বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-অভ্যন্তর
    • ক. সিয়াল ও সিমা
    • খ. অশ্মমণ্ডল ও গুরুমণ্ডল
    • গ. গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল
    • ঘ. সিমা ও অশ্মমণ্ডল
    উত্তর: ক. সিয়াল ও সিমা
    ভূ-ত্বকের ওপরের অংশ সিয়াল (Sial) এবং নিচের অংশ সিমা (Sima)। এই দুই স্তরের মাঝের সীমারেখাকে কনরাড বিযুক্তি (Conrad discontinuity) বলে। ভূমিকম্পের তরঙ্গের গতি এই সীমারেখায় হঠাৎ বদলে যায়, আর তা থেকেই বিজ্ঞানীরা এর অবস্থান জানতে পারেন।
    মনে রাখুন:
    ভূ-ত্বক ও গুরুমণ্ডলের মাঝের সীমারেখার নাম মোহো বিযুক্তি (Mohorovičić discontinuity)।
    গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের মাঝের সীমারেখার নাম গুটেনবার্গ বিযুক্তি।
    ভূমিকম্পের তরঙ্গ ভূ-অভ্যন্তরের স্তর আবিষ্কারে সবচেয়ে বড় সহায়ক। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন স্তরে এর গতির বদল লক্ষ করে স্তরের সীমারেখা নির্ধারণ করেন।
    সিয়াল হালকা গ্রানাইট জাতীয় শিলায় এবং সিমা ভারী ব্যাসল্ট জাতীয় শিলায় গঠিত।
  52. ৯৭. Core of the earth is made of-ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী ভূসায়নবিদ, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-অভ্যন্তর
    • ক. NiFe
    • খ. FePb
    • গ. FeZn
    • ঘ. FeMg
    উত্তর: ক. NiFe
    পৃথিবীর কেন্দ্রমণ্ডল (Core) প্রধানত নিকেল (Ni) ও লোহা (Fe) দিয়ে গঠিত। এই কারণে একে নিফে (NiFe) স্তরও বলা হয়। এই ধাতুগুলো বেশ ভারী, তাই কেন্দ্রমণ্ডলের ঘনত্ব অন্য স্তরের চেয়ে অনেক বেশি। এর বাইরের অংশ তরল, আর একেবারে ভেতরের অংশ কঠিন।
    মনে রাখুন:
    ভূ-ত্বকের নিচের অংশ সিমা (সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম), আর তার নিচে গুরুমণ্ডল।
    পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র তৈরিতে কেন্দ্রের তরল ধাতুর বড় ভূমিকা আছে।
    কেন্দ্রমণ্ডলের তাপমাত্রা প্রায় ৫০০০ থেকে ৬০০০° সেলসিয়াস বলে ধারণা করা হয়, যা প্রায় সূর্যের পৃষ্ঠের কাছাকাছি।
    কেন্দ্রমণ্ডলকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য লোহার রাসায়নিক সংকেত Fe এবং নিকেলের Ni।
  53. ৯৮. ভূ-পৃষ্ঠ থেকে গর্ত করে নিচে যেতে থাকলে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো সহকারী পরিচালক, ২০০১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-অভ্যন্তর
    • ক. শুধু তাপ বাড়বে
    • খ. শুধু চাপ বাড়বে
    • গ. তাপ ও চাপ উভয়ই বাড়বে
    • ঘ. তাপ ও চাপ অপরিবর্তিত থাকবে
    উত্তর: গ. তাপ ও চাপ উভয়ই বাড়বে
    আমরা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যত নামি, ওপরের শিলার ভার পড়ে বলে চাপ বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে তাপমাত্রাও বাড়ে, কারণ পৃথিবীর ভেতরের অংশ অনেক বেশি গরম। গড়ে প্রতি ৩২ মিটার নামলে তাপমাত্রা প্রায় ১° সেলসিয়াস বাড়ে। তাই গর্ত করে নিচে নামলে তাপ ও চাপ দুটোই বেড়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    খনির শ্রমিকেরা গভীরে গেলে গরমের কষ্ট পান।
    পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস বলে ধারণা করা হয়।
    পৃথিবীর অভ্যন্তরের তাপের উৎস পৃথিবী সৃষ্টির সময়ের তাপ এবং তেজস্ক্রিয় মৌলের ক্ষয় থেকে পাওয়া তাপ।
    আগ্নেয়গিরি, উষ্ণ প্রস্রবণ ও ভূমিকম্প ভূ-অভ্যন্তরের এই তাপ ও চাপের ফল।
  54. ৯৯. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ কাঠামোর সঠিক বৈশিষ্ট্য কোনটি?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (সি ইউনিট) ভর্তি, ২০২৩-২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূ-অভ্যন্তর
    • ক. Solid inner core, liquid outer core and solid mantle
    • খ. liquid inner, liquid outer core and liquid mantle
    • গ. Solid inner core, solid outer core and solid mantle
    • ঘ. Solid inner core, solid outer core and liquid mantle
    উত্তর: ক. Solid inner core, liquid outer core and solid mantle
    ভূমিকম্পের তরঙ্গ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, পৃথিবীর ভেতরের কেন্দ্র কঠিন, তার বাইরের স্তর তরল, আর গুরুমণ্ডল প্রধানত কঠিন শিলা দিয়ে গঠিত। কেন্দ্রের অসম্ভব চাপে ধাতু গলে না, তাই ভেতরের অংশ কঠিন। কিন্তু বাইরের কেন্দ্রে চাপ কিছুটা কম বলে ধাতু তরল অবস্থায় আছে। এর প্রমাণ হলো, ভূমিকম্পের এস-তরঙ্গ তরলের ভেতর দিয়ে যেতে পারে না, আর এই তরঙ্গ বাইরের কেন্দ্রে এসে থেমে যায়।
    মনে রাখুন:
    কেন্দ্রের তরল ধাতুর প্রবাহ পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে।
    গুরুমণ্ডল কঠিন হলেও খুব ধীরে প্লাস্টিকের মতো প্রবাহিত হতে পারে।
    কেন্দ্রমণ্ডলের তরল অংশকে বাইরের কেন্দ্র এবং কঠিন অংশকে ভেতরের কেন্দ্র বলে। ভেতরের কেন্দ্রের ব্যাসার্ধ প্রায় ১,২২০ কিলোমিটার।
    ভূ-ত্বক ও গুরুমণ্ডলের মাঝের সীমারেখা মোহো বিযুক্তি, আর গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের মাঝেরটি গুটেনবার্গ বিযুক্তি।
  55. ১০০. কোন শিলাকে প্রাথমিক শিলা বলা হয়?রবি (C ইউনিট) ভর্তি, ২০২৩-২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. স্তরীভূত শিলা
    • খ. পাললিক শিলা
    • গ. আগ্নেয় শিলা
    • ঘ. রূপান্তরিত শিলা
    উত্তর: গ. আগ্নেয় শিলা
    ম্যাগমা ঠান্ডা হয়ে জমাট বেঁধে যে শিলা তৈরি করে, তার নাম আগ্নেয় শিলা (Igneous rock)। পৃথিবীর অন্য সব শিলা এই শিলা ভেঙে বা রূপ বদলে তৈরি হয়েছে, তাই আগ্নেয় শিলাকে প্রাথমিক শিলা (Primary rock) বলা হয়। গলিত ম্যাগমা মাটির নিচে ধীরে ঠান্ডা হলে বড় কেলাসযুক্ত শিলা হয়। ওপরে এসে লাভা হিসেবে দ্রুত ঠান্ডা হলে ছোট কেলাসের শিলা হয়।
    মনে রাখুন:
    পাললিক শিলা ও রূপান্তরিত শিলাকে বলা হয় গৌণ শিলা।
    আগ্নেয় শিলার উদাহরণ গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট।
    আগ্নেয় শিলা ভূ-ত্বকের প্রায় ৯৫ শতাংশ আয়তন জুড়ে আছে, যদিও ভূ-পৃষ্ঠে এর বদলে পাললিক শিলাই বেশি দেখা যায়।
    শিলাচক্রে এই তিন ধরনের শিলা একটি থেকে আরেকটিতে রূপ নিতে পারে।
  56. ১০১. ম্যাগমা শীতল হয়ে কঠিনাকার ধারণ করলে কোন শিলায় পরিণত হয়?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগ) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. রূপান্তরিত
    • খ. পাললিক
    • গ. আগ্নেয়
    • ঘ. স্তরিভূত
    উত্তর: গ. আগ্নেয়
    ভূ-অভ্যন্তরের গলিত পদার্থকে ম্যাগমা (Magma) বলে। ম্যাগমা ঠান্ডা হয়ে কঠিন আকার নিলে যে শিলা তৈরি হয়, তার নাম আগ্নেয় শিলা (Igneous rock)। ভূ-পৃষ্ঠের ওপরে আসার পর একে লাভা (Lava) বলা হয়। লাভা ঠান্ডা হয়েও আগ্নেয় শিলা হয়।
    মনে রাখুন:
    আগ্নেয় শিলায় সাধারণত স্তর থাকে না এবং জীবাশ্মও পাওয়া যায় না।
    উদাহরণ: গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, অবসিডিয়ান।
    এই শিলা ভেঙে পলি জমে পাললিক শিলা হয়।
    ম্যাগমা ঠান্ডা হওয়ার ধীরগতি শিলার কেলাসের আকার ঠিক করে: ধীরে ঠান্ডা হলে কেলাস বড় হয়, দ্রুত হলে ছোট হয়।
    আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসা ম্যাগমা লাভা, ছাই ও গ্যাসের রূপ নেয়।
  57. ১০২. আগ্নেয় শিলার একটি উদাহরণ হলো-রবি (সি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. ব্যাসল্ট
    • খ. শেল
    • গ. মার্বেল
    • ঘ. শ্লেট
    উত্তর: ক. ব্যাসল্ট
    ব্যাসল্ট (Basalt) একটি আগ্নেয় শিলা। আগ্নেয়গিরি থেকে বেরিয়ে আসা লাভা ভূ-পৃষ্ঠের ওপর দ্রুত ঠান্ডা হলে এই কালো রঙের মিহি দানার শিলা তৈরি হয়। শেল (Shale) হলো কাদাপাথর, যা পাললিক শিলা। মার্বেল ও শ্লেট রূপান্তরিত শিলা, কারণ চুনাপাথর ও শেল তাপ-চাপে বদলে এগুলো হয়।
    মনে রাখুন:
    আগ্নেয় শিলার উদাহরণ: গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, অবসিডিয়ান, পিউমিস।
    ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমি ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত।
    ব্যাসল্টে লোহা ও ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকে বলে এর রং কালো। সমুদ্রের তলদেশের বেশিরভাগ ভূ-ত্বক এই শিলায় গঠিত।
    ব্যাসল্ট দিয়ে সড়ক নির্মাণের পাথর তৈরি হয়।
    লাভা দ্রুত ঠান্ডা হয় বলে ব্যাসল্টের কেলাস এত ছোট যে খালি চোখে দেখা যায় না।
  58. ১০৩. গ্রানাইট একটি -আরডিএ-এর সহকারী পরিচালক, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. পাললিক শিলা
    • খ. বূপান্তরিত শিলা
    • গ. আগ্নেয় শিলা
    • ঘ. মিনারেল
    উত্তর: গ. আগ্নেয় শিলা
    গ্রানাইট একটি আগ্নেয় শিলা (Igneous rock)। ম্যাগমা ভূ-ত্বকের ভেতরে ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে জমাট বাঁধলে বড় বড় কেলাসযুক্ত এই শক্ত শিলা তৈরি হয়। গ্রানাইটে কোয়ার্টজ, ফেল্ডস্পার ও অভ্র থাকে।
    মনে রাখুন:
    গ্রানাইট থেকে রূপান্তরিত শিলা নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
    ভূ-ত্বকের অভ্যন্তরে ধীরে ঠান্ডা হওয়া শিলাকে অন্তঃস্থ (Plutonic) আগ্নেয় শিলা বলে, আর ওপরে এসে দ্রুত ঠান্ডা হলে বহিঃস্থ আগ্নেয় শিলা হয়।
    গ্রানাইট দিয়ে ইমারতের ভিত ও মূর্তি তৈরি হয়।
    গ্রানাইট হালকা রঙের, তাতে সিলিকার পরিমাণ বেশি। মহাদেশের ভূ-ত্বকের বেশিরভাগ এই ধরনের শিলা, আর সমুদ্র তলের শিলা ব্যাসল্ট।
    বাংলাদেশের দিনাজপুরের মধ্যপাড়ায় গ্রানাইট শিলার খনি আছে।
  59. ১০৪. পলি দ্বারা গঠিত কোন শিলা?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. ভূ-ত্বক
    • খ. পাললিক শিলা
    • গ. আগ্নেয় শিলা
    • ঘ. রূপান্তরিত শিলা
    উত্তর: খ. পাললিক শিলা
    নদী, বাতাস, হিমবাহ বা সমুদ্রের ঢেউ পুরোনো শিলাকে ক্ষয় করে ছোট ছোট কণা বয়ে নিয়ে যায়। এই কণা বা পলি নিচু জায়গায় স্তরে স্তরে জমে, আর কালক্রমে ওপরের চাপে জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে যায়। এভাবে যে শিলা তৈরি হয় তাকে পাললিক শিলা (Sedimentary rock) বলে।
    মনে রাখুন:
    পাললিক শিলায় স্তর থাকে এবং জীবাশ্ম পাওয়া যায়।
    উদাহরণ: বেলেপাথর, চুনাপাথর, শেল, কয়লা।
    ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৭৫ শতাংশ জায়গা পাললিক শিলায় ঢাকা।
    নদীবাহিত পলি দিয়ে গঠিত বাংলাদেশের সমভূমি ও বদ্বীপ অঞ্চলের নিচেও বহু স্তরের পাললিক শিলা রয়েছে।
    কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস, এসব জ্বালানি সাধারণত পাললিক শিলার স্তরেই জমে থাকে।
  60. ১০৫. পাললিক শিলার অপর নাম কি?DSHE'র প্রদর্শক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. পরিবর্তিত শিলা
    • খ. স্তরীভূত শিলা
    • গ. অন্তরীভূত শিলা
    • ঘ. গ্রানাইট শিলা
    উত্তর: খ. স্তরীভূত শিলা
    পাললিক শিলা পলি বা কাদা-বালি স্তরে স্তরে জমে তৈরি হয়। তাই এর গায়ে স্পষ্ট স্তর দেখা যায়, এজন্য একে স্তরীভূত শিলা (Stratified rock) বলা হয়। অন্যদিকে আগ্নেয় শিলায় এমন স্তর থাকে না।
    মনে রাখুন:
    পরিবর্তিত শিলা বলা হয় রূপান্তরিত শিলাকে, কারণ তাপ ও চাপে এর রূপ বদলে যায়।
    গ্রানাইট একটি আগ্নেয় শিলা।
    পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়, তাই শিলার বয়স ও প্রাচীন জীবনের খবর জানা যায়।
    স্তরীভূত শিলার স্তরগুলোর বয়স নিচে বেশি আর ওপরে কম থাকে, এই নিয়মে ভূতাত্ত্বিকরা শিলার আপেক্ষিক বয়স নির্ণয় করেন।
    পলি জমা হয়ে জমাট বাঁধার পরের এই স্তরগুলো পরে ভূমিকম্প বা চাপে ভাঁজ খেতে পারে।
  61. ১০৬. কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা হয়েছে?BREB'র উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. আগ্নেয় শিলা
    • খ. রূপান্তরিত শিলা
    • গ. পাললিক শিলা
    • ঘ. উপরের কোনটিই নয়
    উত্তর: গ. পাললিক শিলা
    পাললিক শিলা তৈরি হওয়ার সময় মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ কাদা-বালির স্তরের নিচে চাপা পড়ে যায়। শিলা শক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোর ছাপ বা কঙ্কাল পাথরের ভেতরে রয়ে যায়, একেই জীবাশ্ম (Fossil) বলে। আগ্নেয় শিলা তৈরি হয় গলিত ম্যাগমা থেকে, সেই উচ্চ তাপে কোনো জীবদেহ টিকতে পারে না। রূপান্তরিত শিলার জীবাশ্ম তাপ-চাপে নষ্ট হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    জীবাশ্ম দেখে শিলার বয়স ও প্রাচীন জীবনের খবর জানা যায়।
    কয়লা, চুনাপাথর ও শেলে জীবাশ্ম সাধারণ।
    জীবাশ্ম পাওয়া গেলে বোঝা যায় ওই স্থানে একসময় কোন পরিবেশ ছিল, যেমন সমুদ্র বা জঙ্গল।
    পেট্রোলিয়াম ও কয়লাও লক্ষ লক্ষ বছর আগের জীবের দেহ থেকে তৈরি, তাই এদের জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয়।
  62. ১০৭. কোনটি পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. স্তরায়ন
    • খ. জীবাশ্ম বিশিষ্ট
    • গ. কেলাসিত
    • ঘ. কোমলতা
    উত্তর: গ. কেলাসিত
    কেলাসিত (Crystalline) শিলা মূলত আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য। আগ্নেয় শিলা গলিত অবস্থা থেকে জমাট বাঁধে বলে তাতে স্পষ্ট কেলাস থাকে। পাললিক শিলা তৈরি হয় পলি জমে, তাই এর বৈশিষ্ট্য হলো স্তরায়ন, জীবাশ্ম থাকা এবং তুলনামূলকভাবে কোমল ও ছিদ্রযুক্ত হওয়া।
    মনে রাখুন:
    পাললিক শিলার উদাহরণ: বেলেপাথর, চুনাপাথর, শেল, কয়লা।
    পাললিক শিলার স্তরগুলো সাধারণত আনুভূমিকভাবে সাজানো থাকে।
    এই শিলা নরম বলে সহজে ক্ষয় হয়।
    চুনাপাথর, বেলেপাথর, শেল ও কয়লা সবই পাললিক শিলা।
    মার্বেল, নিস ও শ্লেট রূপান্তরিত শিলায় কেলাসের গঠন বেশি স্পষ্ট দেখা যায়।
    শিলাচক্রে পাললিক শিলা তাপ-চাপে রূপান্তরিত শিলায় এবং অতিরিক্ত গলনে ম্যাগমায় রূপ নেয়।
  63. ১০৮. মার্বেল কোন ধরনের শিলা?বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. রূপান্তরিত শিলা
    • খ. আগ্নেয় শিলা
    • গ. পাললিক শিলা
    • ঘ. মিশ্র শিলা
    উত্তর: ক. রূপান্তরিত শিলা
    মার্বেল একটি রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic rock)। চুনাপাথর, যা একটি পাললিক শিলা, ভূ-অভ্যন্তরের অতিরিক্ত তাপ ও চাপে পড়ে নতুন কেলাস তৈরি করে এবং মার্বেলে পরিণত হয়। তাই মার্বেল চুনাপাথরের চেয়ে শক্ত ও চকচকে। এ কারণে মার্বেল দিয়ে মেঝে ও মূর্তি তৈরি হয়।
    মনে রাখুন:
    ‘Metamorphic’ শব্দের অর্থ রূপের পরিবর্তন।
    অন্য রূপান্তরিত শিলা: শেল থেকে শ্লেট, গ্রানাইট থেকে নিস, বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট।
    তাজমহল সাদা মার্বেলে তৈরি।
    মার্বেলের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, তাই এতে অ্যাসিড ঢাললে বুদবুদ ওঠে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বের হয়।
    বিশুদ্ধ মার্বেল সাদা, তবে অন্য খনিজ মিশে থাকলে এতে সবুজ, লাল বা কালো ছোপ দেখা যায়।
  64. ১০৯. চুনাপাথর পরিবর্তন হয়ে কি হয়?জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে অফিস সহায়ক, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. নিস
    • খ. ফ্লিনাইট
    • গ. মার্বেল
    • ঘ. ক্যালসাইট
    উত্তর: গ. মার্বেল
    চুনাপাথর (Limestone) একটি পাললিক শিলা, যার প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃)। ভূ-অভ্যন্তরের তাপ ও চাপে পড়লে এর কেলাসগুলো নতুন করে গড়ে ওঠে এবং এটি মার্বেলে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়াকে রূপান্তর (Metamorphism) বলে।
    মনে রাখুন:
    শেল তাপ-চাপে শ্লেট হয়, গ্রানাইট নিস হয়, আর বেলেপাথর কোয়ার্টজাইট হয়।
    চুনাপাথর সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল।
    বাংলাদেশে জয়পুরহাট ও সুনামগঞ্জের টাকেরঘাটে চুনাপাথর পাওয়া যায়।
    এ ছাড়া পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত আরেক শিলা হলো শ্লেট, যা শেল থেকে হয়। ছাদ ও লেখার ফলক তৈরিতে একসময় শ্লেট ব্যবহার হতো।
    রূপান্তরিত শিলায় সাধারণত জীবাশ্ম থাকে না, কারণ উচ্চ তাপ-চাপে তা নষ্ট হয়ে যায়।
  65. ১১০. কোনটি রূপান্তরিত শিলা নয়?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক · বইয়ের অনুচ্ছেদ শিলা
    • ক. নিস
    • খ. কেওলন
    • গ. গ্রাফাইট
    • ঘ. কোয়াটজাইট
    উত্তর: খ. কেওলন
    রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয় আগ্নেয় বা পাললিক শিলা প্রচণ্ড তাপ ও চাপে বদলে গিয়ে। নিস (গ্রানাইট থেকে) এবং কোয়ার্টজাইট (বেলেপাথর থেকে) এ ধরনের শিলা। কেওলিন কিন্তু শিলা নয়, এটি এক ধরনের সাদা মাটি বা কাদার খনিজ। ফেল্ডস্পার ক্ষয় হয়ে এটি তৈরি হয়, এবং চিনামাটির বাসন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন:
    চুনাপাথর থেকে মার্বেল, শেল থেকে শ্লেট এবং কয়লা থেকে গ্রাফাইট তৈরি হয় বলে ধরা হয়।
    বাংলাদেশের বিজয়পুরে সাদা মাটি (কেওলিন) পাওয়া যায়।
    গ্রাফাইট ও হীরা দুটিই কার্বনের রূপভেদ, তবে গ্রাফাইট নরম আর হীরা সবচেয়ে কঠিন।
    শিলা হলো এক বা একাধিক খনিজের সমষ্টি, আর খনিজ নির্দিষ্ট রাসায়নিক উপাদানবিশিষ্ট প্রাকৃতিক পদার্থ।
  66. ১১১. আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (সুরমা), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মাটির উপাদান
    • ক. ৪%
    • খ. ৫%
    • গ. ৭%
    • ঘ. ৮%
    উত্তর: খ. ৫%
    আদর্শ মাটির আয়তনের প্রায় ৪৫ ভাগ খনিজ কণা, ২৫ ভাগ পানি, ২৫ ভাগ বায়ু আর প্রায় ৫ ভাগ জৈব পদার্থ। জৈব পদার্থ মূলত পচে যাওয়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ, যাকে হিউমাস বলে। এই জৈব পদার্থ কম থাকলেও মাটির উর্বরতার জন্য তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হিউমাস গাছের জন্য খাদ্য জোগায় এবং মাটিতে পানি ধরে রাখে।
    মনে রাখুন:
    মাটিতে জৈব পদার্থ কম থাকলে মাটি রুক্ষ ও অনুর্বর হয়ে পড়ে।
    কম্পোস্ট ও গোবর সার মাটির জৈব পদার্থ বাড়ায়।
    মাটির তিনটি প্রধান কণা হলো বালি, পলি ও কাদা। বালির কণা সবচেয়ে বড় আর কাদার কণা সবচেয়ে ছোট।
    উর্বর মাটিতে কেঁচোর মতো প্রাণীও থাকে, যারা মাটি আলগা করে বায়ু চলাচল বাড়ায়।
  67. ১১২. কোন মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (করতোয়া), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মাটির ধরন
    • ক. বেলে মাটি
    • খ. এঁটেল মাটি
    • গ. দো-আঁশ মাটি
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. বেলে মাটি
    বেলে মাটিতে বালির কণা সবচেয়ে বেশি থাকে। বালির কণা বড় আর কণাগুলোর মাঝের ফাঁকও বড়, তাই পানি সহজেই নিচে নেমে যায়। এজন্য বেলে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম। অন্যদিকে এঁটেল মাটির কণা সূক্ষ্ম, ফলে ফাঁক ছোট ছোট হয় আর পানি আটকে থাকে।
    মনে রাখুন:
    বেলে মাটিতে বায়ু চলাচল ভালো, কিন্তু পুষ্টি উপাদান কম।
    দো-আঁশ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা মাঝামাঝি।
    বেলে মাটিতে তরমুজ, বাদাম ও আলু ভালো হয়।
    বেলে মাটিতে বালির পরিমাণ প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি।
    এই মাটি আলগা বলে সহজে চাষ করা যায়, আবার সেচ বেশি লাগে।
    নদীর চরে বা সমুদ্রের ধারের মাটি অনেক সময় বেলে মাটি হয়।
  68. ১১৩. কোন মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি?গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট-বি ভর্তি, ২০২৪-২৫ ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মাটির ধরন
    • ক. বেলে মাটি
    • খ. এঁটেল মাটি
    • গ. দো-আঁশ মাটি
    • ঘ. পলি মাটি
    উত্তর: খ. এঁটেল মাটি
    এঁটেল মাটির কণা খুব সূক্ষ্ম, তাই কণাগুলোর ফাঁক খুব ছোট হয়। এ কারণে পানি সহজে নিচে নামতে পারে না এবং বেশিক্ষণ মাটিতে আটকে থাকে। এজন্য এঁটেল মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এই মাটিতে বায়ু চলাচল কম হয়, ভিজলে আঠালো হয়ে যায় আর শুকালে ফেটে যায়।
    মনে রাখুন:
    এঁটেল মাটি ধান চাষের জন্য খুব উপযোগী, কারণ ধান জমিতে পানি ধরে রাখা দরকার।
    এঁটেল মাটি দিয়ে মৃৎপাত্র ও ইট তৈরি হয়।
    এঁটেল মাটি ভেজা অবস্থায় আঠালো হয়, তাই লাঙল দেওয়া কঠিন। আর ভালো পানি-নিকাশের ব্যবস্থা না থাকলে ফসলের শিকড় পচে যেতে পারে।
    এঁটেল মাটিতে কাদার পরিমাণ প্রায় ৪০ শতাংশ বা তার বেশি।
  69. ১১৪. ফসল উৎপাদনের জন্য কোন ধরনের মাটি উত্তম?গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মাটির ধরন
    • ক. এঁটেল মাটি
    • খ. পলি মাটি
    • গ. বেলে মাটি
    • ঘ. দো-আঁশ মাটি
    উত্তর: ঘ. দো-আঁশ মাটি
    ফসল উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে ভালো মাটি দো-আঁশ মাটি। এতে বালি, পলি ও কাদা মোটামুটি সুষম পরিমাণে মিশে থাকে। বালির জন্য বায়ু চলাচল ভালো হয়, আবার কাদার জন্য মাটি পানি ও পুষ্টি ধরে রাখতে পারে। ফলে গাছের মূল সহজে বাড়ে এবং খাদ্য ও পানি পায়।
    মনে রাখুন:
    এঁটেল মাটি পানি ধরে রাখে, কিন্তু বায়ু চলাচল কম।
    বেলে মাটি পানি ধরে রাখতে পারে না।
    নদীর পলিমাটিও উর্বর হয়, তবে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে সুষম।
    দো-আঁশ মাটিতে সাধারণত বালি ও পলি বেশি এবং কাদা কম থাকে, আর এতে হিউমাসও থাকে।
    এই মাটি আলু, ধান, গম, ভুট্টা, সবজি প্রায় সব ফসলের জন্যই উপযোগী।
    মাটির অম্লতা বা ক্ষারত্ব নির্ণয়ে pH ব্যবহৃত হয়, আর ফসলের জন্য সাধারণত নিরপেক্ষ pH ভালো।
  70. ১১৫. হিউমাসে কার্বন এবং নাইট্রোজেনের অনুপাত (C : N ratio) হলো-বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ফরেস্ট অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মাটির উপাদান
    • ক. ২০ : ১
    • খ. ৩ : ১
    • গ. ১০ : ১
    • ঘ. ৫০ : ১
    উত্তর: গ. ১০ : ১
    হিউমাস (Humus) হলো মাটির জৈব পদার্থ, যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ পচে তৈরি হয়। অণুজীব এই অবশেষ ভেঙে নাইট্রোজেন ছেড়ে দেয়, আর কার্বন ও নাইট্রোজেনের অনুপাত ধীরে ধীরে স্থির হয়। হিউমাসে কার্বন ও নাইট্রোজেনের অনুপাত (C : N) প্রায় ১০ : ১।
    মনে রাখুন:
    C : N অনুপাত বেশি হলে পচন ধীর হয় এবং মাটির নাইট্রোজেন কমে।
    হিউমাস মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং পানি ধারণ ক্ষমতাও বাড়ায়।
    তাজা খড়ের C : N অনুপাত বেশি, তাই তা পচতে বেশি সময় লাগে।
    অণুজীবরা হিউমাস ধীরে ধীরে পচায়, আর এ থেকে গাছের উপযোগী নাইট্রোজেন আস্তে আস্তে মুক্ত হয়।
    হিউমাসের রং গাঢ় বাদামি বা কালো, যে কারণে উর্বর মাটির রং সাধারণত কালচে হয়।
  71. ১১৬. পরিবেশের কোন দূষণের ফলে প্রধানত উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে?মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শব্দদূষণ
    • ক. পানি দূষণ
    • খ. মাটি দূষণ
    • গ. বায়ু দূষণ
    • ঘ. শব্দ দূষণ
    উত্তর: ঘ. শব্দ দূষণ
    অতিরিক্ত জোরালো শব্দকে শব্দ দূষণ বলে। দীর্ঘক্ষণ উচ্চ শব্দ শুনলে শরীর চাপ অনুভব করে, ফলে স্নায়ু উত্তেজিত হয় এবং রক্তনালি সংকুচিত হয়। এতে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ উচ্চ হয়ে যায়। অর্থাৎ শব্দ দূষণের প্রধান শারীরিক ক্ষতিগুলোর একটি উচ্চ রক্তচাপ। শব্দ দূষণের উৎস হলো যানবাহনের হর্ন, কলকারখানার যন্ত্র, মাইক ও বিমানের শব্দ। বাংলাদেশ সরকার শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০০৬ প্রণয়ন করেছে।
    মনে রাখুন:
    অত্যধিক শব্দে বধিরতা, অনিদ্রা, মানসিক চাপ ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়।
    শব্দের তীব্রতা ডেসিবেল (dB) এককে মাপা হয়।
  72. ১১৭. কোন শব্দ তীব্রতায় (sound intensity) কানে শ্রুতি যন্ত্রণা শুরু হয়?মেডিক্যাল ভর্তি, ২০২৪-২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শব্দদূষণ
    • ক. ১৮০ ডেসিবেল
    • খ. ১২০ ডেসিবেল
    • গ. ৮০ ডেসিবেল
    • ঘ. ১৫০ ডেসিবেল
    উত্তর: খ. ১২০ ডেসিবেল
    শব্দের তীব্রতা মাপা হয় ডেসিবেল (dB) এককে। সাধারণ কথাবার্তার শব্দ প্রায় ৬০ ডেসিবেল। শব্দ ১২০ ডেসিবেলে পৌঁছালে তা কানে ব্যথা ও যন্ত্রণা তৈরি করে, তাই ১২০ ডেসিবেলকে বেদনা-সীমা (Threshold of pain) ধরা হয়। এর বেশি শব্দ কানের পর্দার ক্ষতি করতে পারে। শব্দের তীব্রতা ১০ ডেসিবেল বাড়লে তা প্রায় ১০ গুণ শক্তিশালী হয়। ডেসিবেল স্কেলটি লগারিদমিক, তাই সংখ্যা সামান্য বাড়লেও শব্দের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    মানুষের শ্রবণসীমার সবচেয়ে নিচের শব্দ প্রায় ০ ডেসিবেল।
    জেট বিমানের কাছাকাছি শব্দ প্রায় ১২০ থেকে ১৪০ ডেসিবেল।
    ঘরে বা অফিসে অনেকক্ষণ ৮৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দ থাকলে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  73. ১১৮. সাইলেন্সারের কাজ কী?বিএডিসি'র ড্রাইভার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ শব্দদূষণ
    • ক. শব্দকে নিয়ন্ত্রণ করা
    • খ. ইঞ্জিনের গরম বাতাস বের করা
    • গ. বায়ু দূষণমুক্ত করা
    • ঘ. ধোয়া নির্গমণ করা
    উত্তর: ক. শব্দকে নিয়ন্ত্রণ করা
    সাইলেন্সার (Silencer) গাড়ি বা মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের নিষ্কাশন নলের সঙ্গে লাগানো একটি যন্ত্র। ইঞ্জিনের ভেতরে বিস্ফোরণের ফলে বের হওয়া গ্যাস অনেক জোরে বেরিয়ে আসে এবং প্রচণ্ড শব্দ করে। সাইলেন্সারের ভেতরের ছোট ছোট খোপ ও ছিদ্রপথ গ্যাসের গতি ও চাপ কমিয়ে দেয়, ফলে শব্দ অনেক কমে যায়। এছাড়া ইঞ্জিন থেকে বের হওয়া গরম গ্যাসের তাপও সাইলেন্সারের মাধ্যমে কিছুটা কমে যায়। শব্দ দূষণ কমাতে এই যন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    মনে রাখুন: সাইলেন্সার শব্দ কমায়, তবে এর মধ্য দিয়ে ধোঁয়া বেরিয়ে যায়। ধোঁয়ার ক্ষতিকর গ্যাস কমানোর কাজ করে ক্যাটালিটিক কনভার্টার।
  74. ১১৯. কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) এর এমন একটি সীমানা থাকে যা অতিক্রম করলে আলোসহ কোনো কিছুই আর ফিরে আসতে পারে না। এই সীমানাকে কী বলা হয়?বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. সিংগুলারিটি
    • খ. ইভেন্ট হরাইজন
    • গ. আকৃতির ব্যাসার্ধ
    • ঘ. ফোটন স্পিয়ার
    উত্তর: খ. ইভেন্ট হরাইজন
    কৃষ্ণগহ্বরের (Black Hole) মহাকর্ষ এত বেশি যে একটি নির্দিষ্ট সীমার ভেতরে ঢুকে পড়লে আলোও আর বেরিয়ে আসতে পারে না। এই সীমানাকে ইভেন্ট হরাইজন (Event Horizon) বা ঘটনা দিগন্ত বলে, কারণ এর ভেতরে কী ঘটছে তা বাইরে থেকে কোনোভাবেই দেখা যায় না। কৃষ্ণগহ্বরের একেবারে কেন্দ্রে যে অসীম ঘনত্বের বিন্দু ধরা হয়, তাকে সিংগুলারিটি (Singularity) বলে। কোনো নক্ষত্রের ভরের তুলনায় আকার খুব ছোট হয়ে গেলে তার মহাকর্ষ এতটাই বাড়ে যে এর ক্ষেত্রে পলায়ন বেগ আলোর বেগের চেয়েও বেশি হয়ে যায়। এ কারণেই কৃষ্ণগহ্বর থেকে আলো বেরোতে পারে না।
    মনে রাখুন: ইভেন্ট হরাইজনের ব্যাসার্ধকে শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ বলে। ২০১৯ সালে ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ প্রথম কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তোলে।
  75. ১২০. ‘গ্রেট রেড স্পট’ কী?মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অফিস সহায়ক, ২০২৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. বৃহস্পতিগ্রহের একটি সাইক্লোন
    • খ. মঙ্গলগ্রহের একটি সাইক্লোন
    • গ. মহাকাশ কেন্দ্র
    • ঘ. একটি সন্ত্রাসী সংগঠন
    উত্তর: ক. বৃহস্পতিগ্রহের একটি সাইক্লোন
    গ্রেট রেড স্পট (Great Red Spot) বৃহস্পতি গ্রহের বায়ুমণ্ডলে শত শত বছর ধরে চলা একটি বিশাল ঘূর্ণিঝড়। এটি এত বড় যে এর ভেতরে পুরো পৃথিবী অনায়াসে এঁটে যেতে পারে, আর টেলিস্কোপে একে একটি লালচে দাগের মতো দেখায়। বৃহস্পতিতে আরও অসংখ্য ঝড় আছে, তবে গ্রেট রেড স্পট সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘস্থায়ী। এর ঝড়ের বাতাস ঘূর্ণির মতো ঘুরছে। সম্প্রতি এটির আকার ধীরে ধীরে ছোট হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে।
    মনে রাখুন:
    বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
    মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলা হয়, কারণ এর মাটিতে আয়রন অক্সাইড রয়েছে।
  76. ১২১. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম-বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), নিরাপত্তা কর্মকর্তা, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র
    • ক. ভেগা
    • খ. সেটাম
    • গ. নেবুলা
    • ঘ. প্রক্সিমা সেন্টরাই
    উত্তর: ঘ. প্রক্সিমা সেন্টরাই
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri), যা প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে। এটি আলফা সেন্টরাই নামের তিন-নক্ষত্রের একটি দলের সদস্য। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র কিন্তু সূর্য নিজেই। প্রক্সিমা সেন্টরাই একটি লাল বামন নক্ষত্র, তাই এটি খুব উজ্জ্বল নয় এবং খালি চোখে দেখা যায় না। আলফা সেন্টরাইয়ের তিন সদস্যের মধ্যে আলফা সেন্টরাই এ ও বি-এর চারপাশে প্রক্সিমা ঘুরছে। সূর্যের পর পৃথিবীর কাছের এই নক্ষত্রে পৌঁছাতেও মহাকাশযানের হাজার হাজার বছর লাগবে, কারণ দূরত্ব প্রায় ৪০ লক্ষ কোটি কিলোমিটার।
    মনে রাখুন:
    রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র লুব্ধক (Sirius)।
    নেবুলা কোনো নক্ষত্র নয়, এটি মহাকাশে গ্যাস ও ধূলিকণার মেঘ।
  77. ১২২. ‘নোয়া ১৮’ কী?হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, অডিটর, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃত্রিম উপগ্রহ
    • ক. আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল
    • খ. বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট
    • গ. বাংলাদেশের তৈরি প্রথম রকেট
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
    NOAA-18 হলো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডল প্রশাসনের (NOAA) একটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ, যা ২০০৫ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি কোনো টিভি চ্যানেল নয়, আর বাংলাদেশের তৈরিও নয়। তাই দেওয়া তিনটি বর্ণনার কোনোটিই ঠিক নয়। বাংলাদেশে এই ধরনের উপগ্রহ থেকে আবহাওয়ার ছবি গ্রহণ করে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্পারসো। আবহাওয়া উপগ্রহ মেঘের ছবি, ঝড়ের গতিপথ ও সমুদ্রের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করে, ফলে ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া সহজ হয়।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট ‘ব্র্যাক অন্বেষা’, যা ২০১৭ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়।
  78. ১২৩. শ্বেত বামন (white Dwarf) কি?এনটিআরসিএ, ৮ম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র
    • ক. ইউরোপের একটি উপজাতি
    • খ. একটি উপন্যাস
    • গ. মৃততারা
    • ঘ. একটি পাহাড়ের নাম
    উত্তর: গ. মৃততারা
    সূর্যের মতো মাঝারি ভরের নক্ষত্রের জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে বাইরের স্তর ছড়িয়ে পড়ে, আর ভেতরের অংশ সংকুচিত হয়ে ছোট, অতি ঘন ও সাদা আলো দেওয়া একটি বস্তু তৈরি করে, একে শ্বেত বামন (White dwarf) বলে। এতে আর নিউক্লীয় বিক্রিয়া চলে না, তাই একে মৃত তারার একটি অবস্থা বলা হয়। শ্বেত বামনের আকার প্রায় পৃথিবীর সমান হলেও এর ভর সূর্যের কাছাকাছি, তাই এর ঘনত্ব অতি বেশি। ভারতীয় বিজ্ঞানী সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর হিসাব করে দেখান যে সূর্যের ভরের প্রায় ১.৪ গুণের বেশি ভরের শ্বেত বামন টিকতে পারে না, এটি চন্দ্রশেখর সীমা নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন: খুব বেশি ভরের নক্ষত্র শেষে নিউট্রন তারা বা কৃষ্ণগহ্বরে (Black hole) পরিণত হয়।
  79. ১২৪. 'Astronomy'-এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (ক ইউনিট) ভর্তি, ২০১৩-১৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. জ্যোতিষশাস্ত্র
    • খ. জ্যোতির্বিদ্যা
    • গ. জ্যোতিষী
    • ঘ. জ্যোতিমণ্ডল
    উত্তর: খ. জ্যোতির্বিদ্যা
    Astronomy-এর বাংলা পরিভাষা জ্যোতির্বিদ্যা বা জ্যোতির্বিজ্ঞান। এটি বিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, ছায়াপথসহ মহাকাশের সব বস্তুর গঠন, গতি ও উৎপত্তি পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার মাধ্যমে আলোচিত হয়। এর সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্রকে (Astrology) গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। জ্যোতিষশাস্ত্রে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান দেখে মানুষের ভাগ্য বলার চেষ্টা করা হয়, যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। প্রাচীনকালে ভারতে আর্যভট্ট ও বরাহমিহির এবং পরে গ্যালিলিও ও কোপারনিকাস জ্যোতির্বিদ্যাকে অনেক এগিয়ে নেন।
    মনে রাখুন:
    জ্যোতির্বিদ্যার চর্চা করেন যিনি, তাঁকে জ্যোতির্বিদ (Astronomer) বলে।
    জ্যোতিষী (Astrologer) হলেন যিনি ভাগ্য গণনা করেন।
    মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিবর্তন নিয়ে আলোচনাকে কসমোলজি বলে।
  80. ১২৫. Heavenly body - এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. স্বর্গীয় দেহ
    • খ. জ্যোতিষ্ক
    • গ. প্রেরিত দূত
    • ঘ. ভারী দেহ
    উত্তর: খ. জ্যোতিষ্ক
    Heavenly body বা Celestial body-এর বাংলা পরিভাষা জ্যোতিষ্ক। মহাকাশে যেসব বস্তু দেখা যায় বা আছে, যেমন সূর্য, চাঁদ, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু ও উল্কা, তাদের সবাইকে একসঙ্গে জ্যোতিষ্ক বলা হয়। শব্দটি 'জ্যোতি' বা আলো থেকে এসেছে, কারণ আকাশে এরা আলো দেয় বা প্রতিফলিত আলোয় উজ্জ্বল দেখায়। 'স্বর্গীয় দেহ' হলো শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ, প্রকৃত পরিভাষা নয়। আকাশের এসব বস্তু নিয়ে যে বিজ্ঞান আলোচনা করে, তা জ্যোতির্বিদ্যা।
    মনে রাখুন:
    যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে, যেমন সূর্য ও অন্য নক্ষত্র, তাদের নক্ষত্র বলে।
    গ্রহ ও উপগ্রহের নিজের আলো নেই, এরা সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে।
  81. ১২৬. যে বাঙালি বিজ্ঞানী 'ফাদার অব মডার্ন অ্যাসট্রোফিজিক্স' হিসেবে পরিচিত -চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. সত্যেন বসু
    • খ. জগদীশচন্দ্র বসু
    • গ. মেঘনাদ সাহা
    • ঘ. এফ আর খান
    উত্তর: গ. মেঘনাদ সাহা
    বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা ১৯২০ সালে একটি সমীকরণ দেন, যা দিয়ে নক্ষত্রের তাপমাত্রা অনুযায়ী তার ভেতরের গ্যাস কতটা আয়নিত হয় তা হিসাব করা যায়। এটি সাহা আয়নন সমীকরণ (Saha Ionization Equation) নামে পরিচিত। এই সমীকরণ দিয়েই প্রথমবার নক্ষত্রের বর্ণালি দেখে তার তাপমাত্রা ও উপাদান বোঝা সম্ভব হয়, তাই তাঁকে আধুনিক জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তাঁর জন্ম ঢাকার কাছে শেওড়াতলী গ্রামে।
    মনে রাখুন:
    সত্যেন্দ্রনাথ বসু: বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান, তাঁর নামে কণার নাম বোসন।
    জগদীশচন্দ্র বসু: উদ্ভিদের প্রাণ ও বেতার তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা।
    এফ আর খান: স্থাপত্য প্রকৌশলী।
  82. ১২৭. স্টিফেন হকিং কোন দেশের বিজ্ঞানী?ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. ইংল্যান্ড
    • খ. আমেরিকা
    • গ. চীন
    • ঘ. কোরিয়া
    উত্তর: ক. ইংল্যান্ড
    স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) ছিলেন ইংল্যান্ডের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও সৃষ্টিতত্ত্ববিদ। তাঁর জন্ম ১৯৪২ সালে অক্সফোর্ডে এবং মৃত্যু ২০১৮ সালে কেমব্রিজে। মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি মোটর নিউরন ডিজিজে আক্রান্ত হন এবং ধীরে ধীরে প্রায় পুরো শরীর অচল হয়ে যায়। তবুও হুইলচেয়ারে বসে কম্পিউটারের সাহায্যে কথা বলে তিনি কৃষ্ণগহ্বর ও মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে বড় বড় গবেষণা করেন। তিনি দেখান যে কৃষ্ণগহ্বর থেকেও খুব সামান্য বিকিরণ বের হয়, একে হকিং বিকিরণ বলে।
    মনে রাখুন:
    তিনি দীর্ঘদিন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুকাসিয়ান অধ্যাপক ছিলেন, যে পদে একসময় নিউটনও ছিলেন।
  83. ১২৮. 'A Brief History of Time' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের জুনিয়র শিক্ষক, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. আলবার্ট আইনস্টাইন
    • খ. জামাল নজরুল ইসলাম
    • গ. হরগোবিন্দ খোরানা
    • ঘ. স্টিফেন হকিং
    উত্তর: ঘ. স্টিফেন হকিং
    'A Brief History of Time' বইটি লেখেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং, যা ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। বিগ ব্যাং, কৃষ্ণগহ্বর, সময় ও মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে সাধারণ পাঠকের জন্য সহজ ভাষায় লেখা এই বইটি বিশ্বজুড়ে কোটি কপি বিক্রি হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, প্রকাশক তাঁকে বলেছিলেন প্রতিটি সমীকরণ বইয়ের বিক্রি অর্ধেক করে দেবে, তাই তিনি পুরো বইয়ে শুধু E = mc² সমীকরণটি রাখেন।
    মনে রাখুন:
    হকিংয়ের অন্য বই: The Universe in a Nutshell, The Grand Design, Black Holes and Baby Universes।
    বাংলাদেশের জামাল নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বই 'The Ultimate Fate of the Universe'।
  84. ১২৯. 'The Universe in a Nutshell' গ্রন্থটির লেখক কে?জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (খ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৫-১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. আইনস্টাইন
    • খ. টমাস মুর
    • গ. স্টিফেন হকিং
    • ঘ. ব্রায়ান গ্রিন
    উত্তর: গ. স্টিফেন হকিং
    'The Universe in a Nutshell' বইটি স্টিফেন হকিংয়ের লেখা, যা ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর বিখ্যাত 'A Brief History of Time' বইয়ের পরের ধাপ বলা চলে। এখানে তিনি অনেক রঙিন ছবি ও চিত্রের সাহায্যে আপেক্ষিকতা, কোয়ান্টাম তত্ত্ব, স্ট্রিং তত্ত্ব এবং সময় ভ্রমণের মতো কঠিন বিষয় সাধারণ পাঠকের জন্য বুঝিয়েছেন। এই বইটি সে বছরের অ্যাভেন্টিস বিজ্ঞান বই পুরস্কারও পায়। ব্রায়ান গ্রিন আরেকজন জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, যিনি 'The Elegant Universe' লিখেছেন।
    মনে রাখুন:
    টমাস মুর লিখেছিলেন 'Utopia', যা বিজ্ঞানের বই নয়।
    হকিংয়ের শেষ বই 'Brief Answers to the Big Questions' প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে।
  85. ১৩০. কোন বিখ্যাত বিজ্ঞানী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বি-১ ইউনিট) ভর্তি, ২০২১-২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. মাকসুদুল আলম
    • খ. জামাল নজরুল ইসলাম
    • গ. জাফর ইকবাল
    • ঘ. আবদুস সালাম
    উত্তর: খ. জামাল নজরুল ইসলাম
    সৃষ্টিতত্ত্ববিদ জামাল নজরুল ইসলাম ১৯৮৪ সালে কেমব্রিজের কাজ ছেড়ে দেশে ফিরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি সেখানে গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং আমৃত্যু সেখানেই কাজ করেন। অন্য বিজ্ঞানীদের পরিচয়ও পরীক্ষায় আসে। মাকসুদুল আলম পাট ও ছত্রাকের জিনোম নকশা উন্মোচন করেন, মুহম্মদ জাফর ইকবাল দীর্ঘদিন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। আবদুস সালাম ছিলেন পাকিস্তানের নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী। তাঁর হাতে গড়া গবেষণা কেন্দ্রটি আজও দেশের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
    মনে রাখুন:
    আবদুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পান।
    জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন স্টিফেন হকিংয়ের বন্ধু।
  86. ১৩১. Big Bang Theory (মহাবিস্ফোরণ থিউরি) এর প্রবক্তা কোন বিজ্ঞানী?বাংলাদেশ রেলওয়ের সহকারী লোকোমোটিভ মাস্টার, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের উৎপত্তি
    • ক. নিউটন
    • খ. আলবার্ট আইনস্টাইন
    • গ. জর্জ লেমেটার
    • ঘ. স্টিফেন হকিং
    উত্তর: গ. জর্জ লেমেটার
    বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ ও ধর্মযাজক জর্জ লেমেটার (Georges Lemaître) ১৯২৭ সালে প্রথম প্রস্তাব করেন যে মহাবিশ্ব একসময় একটি অতি ঘন ও উত্তপ্ত বিন্দুতে জমাট ছিল। তিনি একে 'আদি পরমাণু' বলেছিলেন, যা বিস্ফোরিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে আজকের মহাবিশ্ব তৈরি হয়েছে। তাই তাঁকে মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের (Big Bang Theory) প্রবক্তা বলা হয়। মজার ব্যাপার হলো, 'Big Bang' নামটি দিয়েছিলেন এই তত্ত্বের বিরোধী বিজ্ঞানী ফ্রেড হয়েল, ঠাট্টা করে।
    মনে রাখুন:
    বিগ ব্যাং ঘটেছিল প্রায় ১৩৮০ কোটি বছর আগে।
    মহাবিশ্ব যে সম্প্রসারিত হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণে প্রমাণ করেন এডউইন হাবল।
  87. ১৩২. বিজ্ঞানী হাবল মহাবিশ্ব সম্পর্কে বলেন-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল অ্যান্ড পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং), ১৯৯৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের উৎপত্তি
    • ক. মহাবিশ্বের ছায়াপথগুলো ক্রমেই নিকটে আসছে
    • খ. মহাবিশ্ব প্রতিনিয়তই সম্প্রসারিত হচ্ছে
    • গ. মহাবিশ্ব ভেঙ্গে নতুন মহাবিশ্ব হচ্ছে
    • ঘ. মহাবিশ্ব স্থির আছে
    উত্তর: খ. মহাবিশ্ব প্রতিনিয়তই সম্প্রসারিত হচ্ছে
    মার্কিন জ্যোতির্বিদ এডউইন হাবল (Edwin Hubble) ১৯২৯ সালে দূরের ছায়াপথগুলোর আলো বিশ্লেষণ করে দেখেন যে প্রায় সব ছায়াপথই আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, যে ছায়াপথ যত দূরে, সেটি তত দ্রুত সরছে। এর অর্থ হলো মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই সম্পর্ককে হাবলের সূত্র (Hubble's Law) বলে, আর এটিই বিগ ব্যাং তত্ত্বের অন্যতম বড় প্রমাণ। দূরে সরে যাওয়া ছায়াপথের আলো বর্ণালির লাল দিকে সরে যায়, একে লোহিত সরণ (Red Shift) বলে।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯০ সালে উৎক্ষেপিত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের নাম তাঁর সম্মানে রাখা হয়েছে।
  88. ১৩৩. 'Galaxy' শব্দের বাংলা পরিভাষা-জনতা ব্যাংক লিমিটেডের অফিসার (ক্যাশ), ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. গ্রহাণু
    • খ. নক্ষত্রবীথি
    • গ. তারাপুঞ্জ
    • ঘ. নীহারিকা
    উত্তর: খ. নক্ষত্রবীথি
    Galaxy-এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে ছায়াপথ ও নক্ষত্রবীথি দুটিই ব্যবহৃত হয়। কোটি কোটি নক্ষত্র, গ্যাস ও ধূলিকণা মহাকর্ষের টানে একসঙ্গে বাঁধা থেকে যে বিশাল জগৎ তৈরি করে, তাকেই গ্যালাক্সি বলে। 'বীথি' মানে সারি বা পথ, তাই নক্ষত্রের বিশাল সারি বোঝাতে নক্ষত্রবীথি শব্দটি বেশ মানানসই। আমাদের সৌরজগৎ যে গ্যালাক্সিতে আছে, তার নাম আকাশগঙ্গা বা মিল্কিওয়ে (Milky Way)। ছায়াপথ আকারে সর্পিল, উপবৃত্তাকার বা অনিয়মিত হতে পারে, আর আমাদেরটি সর্পিল।
    মনে রাখুন:
    Nebula: নীহারিকা, অর্থাৎ গ্যাস ও ধূলির মেঘ।
    Asteroid: গ্রহাণু।
    Star cluster: তারাপুঞ্জ বা নক্ষত্রগুচ্ছ।
    আমাদের সবচেয়ে কাছের বড় গ্যালাক্সি অ্যান্ড্রোমিডা।
  89. ১৩৪. সূর্য, চাঁদ ও তারা এগুলোকে একত্রে কি বলে?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (খ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৩-০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ জ্যোতিষ্ক
    • ক. নক্ষত্র
    • খ. গ্রহ
    • গ. জ্যোতিষ্ক
    • ঘ. নীহারিকা
    উত্তর: গ. জ্যোতিষ্ক
    আকাশে যেসব বস্তু দেখা যায়, যেমন সূর্য, চাঁদ, তারা, গ্রহ বা ধূমকেতু, তাদের সবাইকে একসঙ্গে জ্যোতিষ্ক (Heavenly body) বলে। এখানে সূর্য একটি নক্ষত্র, চাঁদ একটি উপগ্রহ, আর তারাগুলো দূরের নক্ষত্র, তাই এদের একটি সাধারণ নাম দিতে হলে জ্যোতিষ্কই সঠিক। শুধু 'নক্ষত্র' বললে চাঁদ বাদ পড়ে যায়, কারণ চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। আবার 'গ্রহ' বললে সূর্য ও তারা বাদ পড়ে।
    মনে রাখুন:
    যে জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো ও তাপ আছে, তাকে নক্ষত্র বলে।
    চাঁদ সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে উজ্জ্বল দেখায়।
    চাঁদের আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় ১.৩ সেকেন্ড লাগে।
  90. ১৩৫. প্রক্সিমা সেন্টরাই হলো একটি-মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. উপগ্রহ
    • খ. নক্ষত্র
    • গ. গ্রহ
    • ঘ. ধূমকেতু
    উত্তর: খ. নক্ষত্র
    প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri) একটি নক্ষত্র, আর সূর্যের পরে এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র। এটি একটি ছোট ও ঠান্ডা লাল বামন (Red Dwarf) তারা, তাই এত কাছে হলেও খালি চোখে দেখা যায় না। প্রক্সিমা সেন্টরাই আসলে আলফা সেন্টরাই নামের তিন-তারার একটি ব্যবস্থার সদস্য, যা দক্ষিণ আকাশের সেন্টরাস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত। লাতিন শব্দ 'proxima' মানে নিকটতম। ২০১৬ সালে এর চারপাশে প্রক্সিমা বি (Proxima b) নামে একটি গ্রহও খুঁজে পাওয়া গেছে।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ।
    রাতের আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র লুব্ধক (Sirius)।
  91. ১৩৬. সূর্য ছাড়া পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা কর্মকর্তা, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. বলকাম
    • খ. সেটাম
    • গ. নেবুলা
    • ঘ. প্রক্সিমা সেন্টরাই
    উত্তর: ঘ. প্রক্সিমা সেন্টরাই
    সূর্য নিজেও একটি নক্ষত্র এবং পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র। সূর্যকে বাদ দিলে পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র হলো প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri), যার দূরত্ব প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ। অর্থাৎ এর আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে ৪ বছরের বেশি সময় লাগে। এটি আলফা সেন্টরাই নামের তারাব্যবস্থার একটি ছোট লাল বামন তারা। এক আলোকবর্ষ (Light year) হলো আলো এক বছরে যত দূরত্ব যায়, প্রায় ৯.৪৬ লক্ষ কোটি কিলোমিটার।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড লাগে।
    নেবুলা হলো গ্যাস ও ধূলির মেঘ, কোনো একক নক্ষত্র নয়।
  92. ১৩৭. পৃথিবী থেকে প্রক্সিমা সেন্টরাইয়ের দূরত্ব কত?সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জুনিয়র অফিসার, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. ৩.২ আলোকবর্ষ
    • খ. ৪.২ আলোকবর্ষ
    • গ. ৪.৮ আলোকবর্ষ
    • ঘ. ৫.২ আলোকবর্ষ
    উত্তর: খ. ৪.২ আলোকবর্ষ
    সূর্যের পরে পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরাইয়ের দূরত্ব প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ, তাই সাধারণভাবে একে ৪.২ আলোকবর্ষ বলা হয়। এক আলোকবর্ষ (Light year) হলো আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, প্রায় ৯.৪৬ লক্ষ কোটি কিলোমিটার। অর্থাৎ আজ যে আলো আমরা প্রক্সিমা থেকে দেখছি, তা রওনা দিয়েছিল চার বছরেরও বেশি আগে। আলফা সেন্টরাই ব্যবস্থার অন্য দুটি তারা, আলফা সেন্টরাই A ও B, প্রায় ৪.৩৭ আলোকবর্ষ দূরে। এত দূরত্ব কিলোমিটারে লেখা ঝামেলার, তাই নক্ষত্রের দূরত্ব আলোকবর্ষে মাপা হয়।
    মনে রাখুন:
    আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
    আলোকবর্ষ সময়ের নয়, দূরত্বের একক।
  93. ১৩৮. সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্রের নাম কী?প্রতিরক্ষা অধিদপ্তরের ডিএফএ, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. বুধ
    • খ. হ্যালি
    • গ. আলফা সেন্টরাই
    • ঘ. চাঁদ
    উত্তর: গ. আলফা সেন্টরাই
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্রব্যবস্থা হলো আলফা সেন্টরাই (Alpha Centauri), যা দক্ষিণ আকাশের সেন্টরাস নক্ষত্রমণ্ডলে দেখা যায়। এই ব্যবস্থায় তিনটি তারা আছে, আলফা সেন্টরাই A, আলফা সেন্টরাই B এবং প্রক্সিমা সেন্টরাই। এদের মধ্যে প্রক্সিমা সবচেয়ে কাছে, প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে। খালি চোখে A ও B মিলে একটি উজ্জ্বল তারার মতো দেখায়, যা রাতের আকাশের তৃতীয় উজ্জ্বলতম তারা। বাকি নামগুলো নক্ষত্র নয়, বুধ একটি গ্রহ, চাঁদ একটি উপগ্রহ, আর হ্যালি একটি ধূমকেতু। নিকটতম তারা হলেও এর আলো পৃথিবীতে আসতে চার বছরের বেশি সময় লাগে।
    মনে রাখুন:
    রাতের আকাশের উজ্জ্বলতম তারা লুব্ধক (Sirius)।
  94. ১৩৯. ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ কেমন?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. শক্তিশালী
    • খ. দুর্বল
    • গ. হালকা
    • ঘ. কোন অস্তিত্ব নেই
    উত্তর: ক. শক্তিশালী
    বড় কোনো নক্ষত্রের জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে তার কেন্দ্র নিজের মহাকর্ষের টানে চুপসে অতি ক্ষুদ্র জায়গায় বিপুল ভর জমা করে। এভাবে তৈরি হয় কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল (Black Hole)। ঘনত্ব অকল্পনীয় বেশি হওয়ায় এর মাধ্যাকর্ষণ এত শক্তিশালী যে আলো পর্যন্ত এর টান থেকে বের হতে পারে না, তাই একে কালো দেখায় এবং সরাসরি দেখা যায় না। কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশের যে সীমানা পার হলে আর ফেরার উপায় নেই, তাকে ঘটনা দিগন্ত (Event Horizon) বলে।
    মনে রাখুন:
    আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রে স্যাজিটেরিয়াস এ* নামে একটি অতিবৃহৎ কৃষ্ণগহ্বর আছে।
  95. ১৪০. কৃষ্ণগহ্বরের বৈশিষ্ট্য কোনটি?বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি
    • খ. মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র অত্যন্ত শক্তিশালী
    • গ. ভর অত্যন্ত বেশি
    • ঘ. উপরের সবকটি
    উত্তর: ঘ. উপরের সবকটি
    কৃষ্ণগহ্বরে বিপুল পরিমাণ ভর খুব ছোট জায়গায় জমা থাকে, তাই এর ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। আর ভর ও ঘনত্ব বেশি হওয়ার ফলেই এর মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এতটা শক্তিশালী যে আলোও এখান থেকে বের হতে পারে না। অর্থাৎ বৈশিষ্ট্য তিনটি একে অপরের সঙ্গে জড়িত এবং তিনটিই কৃষ্ণগহ্বরের ক্ষেত্রে সত্য। সূর্যের চেয়ে অন্তত ২০ থেকে ২৫ গুণ ভারী নক্ষত্র মারা গেলে সাধারণত কৃষ্ণগহ্বর তৈরি হয়। সূর্যের মতো ছোট নক্ষত্র শেষ জীবনে শ্বেত বামনে পরিণত হয়।
    মনে রাখুন:
    কৃষ্ণগহ্বরের ধারণা আসে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব থেকে।
    স্টিফেন হকিং দেখান যে কৃষ্ণগহ্বর থেকেও সামান্য বিকিরণ বের হয়।
  96. ১৪১. বিজ্ঞানীরা Black Hole-এর ছবি প্রথম কত সালে তুলতে সক্ষম হন?সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের জুনিয়র শিক্ষক, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. ২০২০
    • খ. ২০১৯
    • গ. ২০১৫
    • ঘ. ১৯১৫
    উত্তর: খ. ২০১৯
    কৃষ্ণগহ্বর থেকে আলো বের হয় না, তাই এর ছবি তোলা খুব কঠিন। ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (Event Horizon Telescope) নামে পৃথিবীর নানা দেশের ৮টি রেডিও টেলিস্কোপ একসঙ্গে মিলে পৃথিবীর সমান আকারের একটি ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ তৈরি করে। এর সাহায্যে বিজ্ঞানীরা ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল প্রথমবার একটি কৃষ্ণগহ্বরের ছবি প্রকাশ করেন। ছবিটি ছিল M87 নামের ছায়াপথের কেন্দ্রের কৃষ্ণগহ্বরের, যার চারপাশে উজ্জ্বল আলোর বলয় আর মাঝে কালো ছায়া দেখা যায়। এই সাফল্যের ফলে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের আরেকটি বড় প্রমাণ মেলে।
    মনে রাখুন:
    ২০২২ সালে আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রের কৃষ্ণগহ্বর স্যাজিটেরিয়াস এ*-এর ছবি প্রকাশিত হয়।
  97. ১৪২. আদমসুরত বলা হয়-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্রমণ্ডল
    • ক. কালপুরুষকে
    • খ. সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
    • গ. ক্যাসিওপিয়াকে
    • ঘ. সুরনদীকে
    উত্তর: ক. কালপুরুষকে
    আকাশে কিছু তারা মিলে যেন একটি মানুষের আকৃতি তৈরি করে, এই নক্ষত্রমণ্ডলের নাম কালপুরুষ বা ওরিয়ন (Orion)। এটি দেখতে কোমরে বেল্ট পরা এক শিকারির মতো, তাই একে আদমসুরত (মানুষের আকৃতি) বলা হয়। শীতের রাতে পূর্ব আকাশে এটি সহজে চোখে পড়ে, বিশেষ করে মাঝখানে একই সারিতে থাকা তিনটি উজ্জ্বল তারা দেখে চেনা যায়। এর লাল রঙের বড় তারার নাম আর্দ্রা (Betelgeuse)।
    মনে রাখুন:
    সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear): সাতটি উজ্জ্বল তারা নিয়ে গঠিত, এর সাহায্যে ধ্রুবতারা খুঁজে পাওয়া যায়।
    ক্যাসিওপিয়া: ইংরেজি W অক্ষরের মতো দেখতে নক্ষত্রমণ্ডল।
    সুরনদী বা আকাশগঙ্গা হলো আমাদের ছায়াপথ।
  98. ১৪৩. 'Nebula' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (A5) ভর্তি, ২০১০-১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. নক্ষত্র
    • খ. নীহারিকা
    • গ. গ্রহ
    • ঘ. তারকা
    উত্তর: খ. নীহারিকা
    Nebula শব্দের বাংলা পরিভাষা নীহারিকা। মহাকাশে গ্যাস, বিশেষ করে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম, এবং ধূলিকণা মিলে যে বিশাল মেঘের মতো অঞ্চল তৈরি করে, তাকেই নীহারিকা বলে। লাতিন শব্দ 'nebula' মানে কুয়াশা বা মেঘ, তাই দূরবিনে এদের ঝাপসা দেখায়। মজার ব্যাপার হলো, এই নীহারিকার ভেতরেই গ্যাস জমাট বেঁধে নতুন নক্ষত্রের জন্ম হয়, তাই একে নক্ষত্রের সূতিকাগার বলা হয়। কালপুরুষ নক্ষত্রমণ্ডলে থাকা ওরিয়ন নীহারিকা খালি চোখেও আবছা দেখা যায়। পৃথিবীর মতো গ্রহও শেষ পর্যন্ত নীহারিকার গ্যাস ও ধূলি থেকেই তৈরি হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    Star: নক্ষত্র বা তারকা।
    Planet: গ্রহ।
    Galaxy: ছায়াপথ।
  99. ১৪৪. Milky way একটি -বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের (হাইকোর্ট বিভাগ) প্রটোকল অফিসার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. তারা
    • খ. নীহারিকা মণ্ডল
    • গ. সৌরজগৎ
    • ঘ. সুপারনোভা
    উত্তর: খ. নীহারিকা মণ্ডল
    মিল্কিওয়ে (Milky Way) বা আকাশগঙ্গা হলো আমাদের ছায়াপথ, যেখানে সূর্যসহ প্রায় ১০ হাজার কোটি থেকে ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র আছে। একসময় দূরবিনে দেখা সব ঝাপসা আলোক-মেঘকেই নীহারিকা বলা হতো, তাই ছায়াপথকে নীহারিকামণ্ডল বা নক্ষত্রজগৎ নামেও ডাকা হয়। মেঘহীন অন্ধকার রাতে আকাশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে দুধের মতো সাদা যে আলোর পথ দেখা যায়, সেটিই আমাদের ছায়াপথের অংশ। এটি একটি সর্পিল (Spiral) ছায়াপথ। এর আকৃতি দেখতে চ্যাপ্টা চাকতির মতো।
    মনে রাখুন:
    মিল্কিওয়ের ব্যাস প্রায় ১ লক্ষ আলোকবর্ষ।
    সৌরজগৎ ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৬ হাজার আলোকবর্ষ দূরে আছে।
  100. ১৪৫. 'কসমিক ইয়ার' বলতে কি বুঝায়?সিজিএ-এর অডিটর, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. মহাশূন্য থেকে আগত রশ্মির সময়কাল
    • খ. ছায়াপথের নিজ অক্ষে বিবর্তনকাল
    • গ. ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকাল
    • ঘ. কোনটিই নয়
    উত্তর: গ. ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকাল
    আমাদের ছায়াপথ আকাশগঙ্গা স্থির নয়, এর কেন্দ্রকে ঘিরে সূর্যসহ সব নক্ষত্র ঘুরছে, তাই পুরো ছায়াপথটিই নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করছে। সূর্যের অবস্থান থেকে একবার পূর্ণ আবর্তন শেষ করতে প্রায় ২২ কোটি ৫০ লক্ষ থেকে ২৫ কোটি বছর লাগে। এই সময়কে কসমিক ইয়ার (Cosmic Year) বা ছায়াপথ বর্ষ বলে। সূর্যের জন্ম প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে, অর্থাৎ এ পর্যন্ত সূর্য মাত্র ২০ বারের মতো ছায়াপথ ঘুরে এসেছে।
    মনে রাখুন:
    সূর্য ছায়াপথের কেন্দ্রকে ঘিরে সেকেন্ডে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার বেগে ছুটছে।
    মহাশূন্য থেকে আসা কণাকে কসমিক রে বলে, কসমিক ইয়ার নয়।
  101. ১৪৬. পৃথিবী মহাকাশে একটি-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (লোকপ্রশাসন বিভাগ) ভর্তি, ২০০২-০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ জ্যোতিষ্ক
    • ক. জ্যোতিষ্ক
    • খ. নীহারিকা
    • গ. নক্ষত্র
    • ঘ. উপগ্রহ
    উত্তর: ক. জ্যোতিষ্ক
    মহাকাশে থাকা যেকোনো প্রাকৃতিক বস্তুকে জ্যোতিষ্ক বলে। পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, তাই এটি একটি গ্রহ, আর গ্রহও এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। পৃথিবী নক্ষত্র নয়, কারণ এর নিজের আলো নেই, আবার উপগ্রহও নয়, কারণ এটি অন্য কোনো গ্রহকে ঘিরে ঘোরে না। নীহারিকা হলো গ্যাস ও ধূলির মেঘ, তাই সে নামও পৃথিবীর বেলায় খাটে না। চাঁদ হলো পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। আকাশ থেকে দেখলে পৃথিবীকেও অন্য গ্রহের মতো উজ্জ্বল দেখাত।
    মনে রাখুন:
    সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবী তৃতীয় গ্রহ।
    আকারে পৃথিবী সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ।
    পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ, যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব জানা আছে।
  102. ১৪৭. হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (পল্লী), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. ৫৫ বছর
    • খ. ৬৫ বছর
    • গ. ৭৫ বছর
    • ঘ. ৮৫ বছর
    উত্তর: গ. ৭৫ বছর
    হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet) সূর্যকে ঘিরে একটি লম্বা উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরে এবং একবার ঘুরে আসতে প্রায় ৭৫ থেকে ৭৬ বছর লাগে। তাই প্রায় ৭৬ বছর পর পর এটি পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায়। ব্রিটিশ জ্যোতির্বিদ এডমন্ড হ্যালি হিসাব করে দেখান যে ১৫৩১, ১৬০৭ ও ১৬৮২ সালে দেখা ধূমকেতু আসলে একটিই, এবং এটি ১৭৫৮ সালে আবার ফিরবে। তাঁর মৃত্যুর পর সত্যিই এটি ফিরে আসে, তাই তাঁর নামেই এর নামকরণ হয়।
    মনে রাখুন:
    হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে ১৯৮৬ সালে।
    এটি আবার দেখা যাবে ২০৬১ সালে।
    ধূমকেতুর লেজ সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে।
  103. ১৪৮. 'হ্যালির ধূমকেতু' সর্বশেষ কোন বছর দেখা যায়?ইমারত পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৫ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৩-১৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. ১৯৫৬
    • খ. ১৯৬৬
    • গ. ১৯৭৬
    • ঘ. ১৯৮৬
    উত্তর: ঘ. ১৯৮৬
    হ্যালির ধূমকেতু প্রায় ৭৬ বছর পর পর সূর্যের কাছে আসে, আর সর্বশেষ এটি দেখা গিয়েছিল ১৯৮৬ সালে। সেবার বিভিন্ন দেশের মহাকাশযান এর কাছে পাঠানো হয়। ইউরোপের জিওটো (Giotto) নামের মহাকাশযান প্রথমবার খুব কাছ থেকে এর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াসের ছবি তোলে। ছবিতে দেখা যায়, এর কেন্দ্র আলুর মতো আকৃতির একটি কালচে বরফ ও ধূলির পিণ্ড, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিলোমিটার। এর আগে এটি দেখা গিয়েছিল ১৯১০ সালে।
    মনে রাখুন:
    পরবর্তীবার হ্যালির ধূমকেতু দেখা যাবে ২০৬১ সালে।
    প্রতি বছর মে মাসের ইটা অ্যাকুয়ারিড উল্কাবৃষ্টি হ্যালির ধূমকেতুর ফেলে যাওয়া ধূলিকণা থেকে হয়।
  104. ১৪৯. 'হেল-বপ' ধূমকেতু আবিষ্কৃত হয়-যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব কর্মকর্তা, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. ১৯৯৩ সালে
    • খ. ১৯৯৭ সালে
    • গ. ১৯৯৫ সালে
    • ঘ. ১৯৯৪ সালে
    উত্তর: গ. ১৯৯৫ সালে
    হেল-বপ (Hale-Bopp) ধূমকেতু ১৯৯৫ সালের ২৩ জুলাই আবিষ্কৃত হয়। দুজন মার্কিন শখের জ্যোতির্বিদ, অ্যালান হেল ও টমাস বপ, আলাদা জায়গা থেকে একই রাতে এটি দেখতে পান, তাই দুজনের নাম মিলিয়ে এর নাম রাখা হয়। ১৯৯৭ সালে এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছে আসে এবং প্রায় ১৮ মাস ধরে খালি চোখে দেখা যায়, যা একটি রেকর্ড। এজন্য একে ১৯৯৭ সালের 'মহা ধূমকেতু' বলা হয়। এর কেন্দ্র অনেক ধূমকেতুর চেয়ে বড়, প্রায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার চওড়া।
    মনে রাখুন:
    হেল-বপ আবার ফিরে আসবে কয়েক হাজার বছর পর।
    ধূমকেতুকে 'নোংরা বরফের গোলা' বলা হয়।
  105. ১৫০. ৬৭পি কী?রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ক্যাশিয়ার, ২০১৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. উপগ্রহ
    • খ. গ্রহাণু
    • গ. ধূমকেতু
    • ঘ. মহাকাশ যান
    উত্তর: গ. ধূমকেতু
    ৬৭পি (67P) হলো একটি ধূমকেতু, যার পুরো নাম ৬৭পি/চুরিয়ুমভ-গেরাসিমেঙ্কো (Churyumov-Gerasimenko)। নামের 'P' দিয়ে বোঝায় এটি একটি পর্যায়বৃত্ত (Periodic) ধূমকেতু, যা প্রায় সাড়ে ৬ বছর পর পর সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার (ESA) রোসেটা (Rosetta) মহাকাশযান ২০১৪ সালে এর কক্ষপথে পৌঁছায়। মজার ব্যাপার হলো, রোসেটা থেকে ফিলি (Philae) নামের একটি ছোট যান ধূমকেতুটির গায়ে নামে, যা ছিল কোনো ধূমকেতুতে প্রথম অবতরণ। রোসেটা প্রায় দুই বছর ধরে ধূমকেতুটিকে পর্যবেক্ষণ করে এর গঠন সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য পাঠায়।
    মনে রাখুন:
    ধূমকেতুটি ১৯৬৯ সালে দুই সোভিয়েত বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন।
    এর আকৃতি দেখতে অনেকটা রাবারের হাঁসের মতো।
  106. ১৫১. 'Meteor' এর পরিভাষা-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ক ইউনিট) ভর্তি, ২০০৯-১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ উল্কা
    • ক. ধূমকেতু
    • খ. ধ্রুবতারা
    • গ. অগ্নিগোলক
    • ঘ. উল্কা
    উত্তর: ঘ. উল্কা
    Meteor শব্দের বাংলা পরিভাষা উল্কা। মহাকাশে ভেসে বেড়ানো ছোট পাথর বা ধাতুর টুকরো যখন প্রচণ্ড বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়ে, তখন বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণে উত্তপ্ত হয়ে জ্বলে ওঠে। রাতের আকাশে এই জ্বলন্ত আলোর রেখাকেই উল্কা বলে, আর সাধারণ মানুষ একে 'তারা খসা' বলে। বেশির ভাগ উল্কা বায়ুমণ্ডলেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কোনো টুকরো পুরো না পুড়ে মাটিতে এসে পড়লে তাকে উল্কাপিণ্ড (Meteorite) বলে। এভাবে প্রতিদিন টন টন মহাজাগতিক ধূলি পৃথিবীতে এসে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    মহাকাশে ভাসমান অবস্থায় এই টুকরোকে মিটিওরয়েড (Meteoroid) বলে।
    Comet: ধূমকেতু।
    Pole star: ধ্রুবতারা।
    খুব উজ্জ্বল উল্কাকে অগ্নিগোলক (Fireball) বলে।
  107. ১৫২. উল্কা বৃষ্টি কী?যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ উল্কা
    • ক. খসে পড়া তারা
    • খ. মহাকাশ থেকে আসা এক ঝাঁক উজ্জ্বল বস্তু
    • গ. কোন ধূমকেতুর অংশবিশেষ কক্ষপথ হইতে বিচ্যুত বস্তু কণা যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে
    • ঘ. কোন গ্রহের ভগ্নাবশেষ যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের ফলে ঘর্ষণে জ্বলে উঠে
    উত্তর: গ. কোন ধূমকেতুর অংশবিশেষ কক্ষপথ হইতে বিচ্যুত বস্তু কণা যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে
    ধূমকেতু সূর্যের কাছে এলে তার গা থেকে বরফ গলে প্রচুর ধূলিকণা ও ছোট পাথরের টুকরো কক্ষপথ বরাবর ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবী প্রতি বছর সূর্যকে ঘোরার পথে যখন এমন কোনো ধূলিময় অঞ্চল পার হয়, তখন ওই কণাগুলো দলে দলে বায়ুমণ্ডলে ঢুকে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে। তখন অল্প সময়ে অনেকগুলো উল্কা দেখা যায়, একে উল্কাবৃষ্টি (Meteor Shower) বলে। এ কারণেই নির্দিষ্ট উল্কাবৃষ্টি প্রতি বছর একই সময়ে ফিরে আসে।
    মনে রাখুন:
    পারসিড উল্কাবৃষ্টি: আগস্ট মাসে, সুইফট-টাটল ধূমকেতু থেকে।
    লিওনিড উল্কাবৃষ্টি: নভেম্বর মাসে, টেম্পেল-টাটল ধূমকেতু থেকে।
    জেমিনিড উল্কাবৃষ্টি: ডিসেম্বর মাসে।
  108. ১৫৩. 'Cosmic Ray' কে বাংলায় বলা হয়-রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাজাগতিক রশ্মি
    • ক. রঞ্জন রশ্মি
    • খ. তেজস্ক্রিয় রশ্মি
    • গ. ক্যাথোড রশ্মি
    • ঘ. মহাজাগতিক রশ্মি
    উত্তর: ঘ. মহাজাগতিক রশ্মি
    Cosmic Ray-এর বাংলা মহাজাগতিক রশ্মি। মহাকাশ থেকে প্রায় আলোর বেগে ছুটে আসা অতি উচ্চ শক্তির কণাকেই এই নাম দেওয়া হয়েছে। এর বেশির ভাগই প্রোটন, বাকিটা আলফা কণা বা হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস এবং আরও ভারী নিউক্লিয়াস। এগুলো আসে সূর্য, সুপারনোভা বিস্ফোরণ এবং দূরের ছায়াপথ থেকে। বায়ুমণ্ডল এই কণাগুলোর বেশির ভাগ আটকে দেয়, তাই ভূপৃষ্ঠে আমরা নিরাপদ থাকি। উচ্চ শক্তির কণা নিয়ে গবেষণায় এই রশ্মি বড় ভূমিকা রেখেছে।
    মনে রাখুন:
    অস্ট্রিয়ার বিজ্ঞানী ভিক্টর হেস ১৯১২ সালে বেলুনে চড়ে মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন।
    X-ray: রঞ্জন রশ্মি।
    Cathode ray: ক্যাথোড রশ্মি, যা আসলে ইলেকট্রনের স্রোত।
  109. ১৫৪. মহাশূন্য থেকে আগত রশ্মি বা কণাকে কি বলে?ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৩-০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাজাগতিক রশ্মি
    • ক. আলফা রে
    • খ. বিটা রে
    • গ. গামা রে
    • ঘ. কসমিক রে
    উত্তর: ঘ. কসমিক রে
    মহাশূন্য থেকে প্রতিনিয়ত পৃথিবীর দিকে অতি উচ্চ শক্তির কণা ছুটে আসে, এদের কসমিক রে (Cosmic Ray) বা মহাজাগতিক রশ্মি বলে। নামে রশ্মি হলেও এগুলো মূলত আধানযুক্ত কণা, যার প্রায় ৯০ শতাংশই প্রোটন। এই কণা বায়ুমণ্ডলের অণুর সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে নতুন নতুন কণার ঝরনা তৈরি করে। এভাবেই পজিট্রন ও মিউয়নের মতো কণা প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল। অন্যদিকে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বের হয় তেজস্ক্রিয় মৌলের নিউক্লিয়াস থেকে।
    মনে রাখুন:
    মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর হেস ১৯৩৬ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
    উঁচুতে উড়োজাহাজে এই রশ্মির পরিমাণ ভূপৃষ্ঠের চেয়ে বেশি।
  110. ১৫৫. সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান জ্যোতিষ্কমণ্ডলীকে বলা হয়-রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. নক্ষত্র
    • খ. পৃথিবী
    • গ. সৌরজগৎ
    • ঘ. বুধ
    উত্তর: গ. সৌরজগৎ
    সূর্য এবং তাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা গ্রহ, উপগ্রহ, বামন গ্রহ, গ্রহাণু, ধূমকেতু ও উল্কাপিণ্ড মিলে যে পরিবার তৈরি হয়েছে, তাকে সৌরজগৎ (Solar System) বলে। সূর্যের প্রবল মহাকর্ষই এদের সবাইকে নিজের চারপাশে ধরে রাখে। সৌরজগতের মোট ভরের প্রায় ৯৯.৮৬ শতাংশই একা সূর্যের, বাকি সামান্য অংশ সব গ্রহ ও অন্য বস্তু মিলে। সৌরজগতের জন্ম প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে একটি ঘূর্ণায়মান গ্যাস ও ধূলির মেঘ থেকে।
    মনে রাখুন:
    সৌরজগতে গ্রহ ৮টি।
    মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে গ্রহাণু বলয় (Asteroid Belt) অবস্থিত।
    পৃথিবী একটি গ্রহ, আর বুধও একটি গ্রহ।
  111. ১৫৬. কোনটি সৌরজগতের বস্তু নয়?সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষক, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. পৃথিবী
    • খ. ধূমকেতু
    • গ. গ্যালাক্সি
    • ঘ. চাঁদ
    উত্তর: গ. গ্যালাক্সি
    সৌরজগৎ বলতে সূর্য এবং তাকে ঘিরে ঘোরা গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু ও গ্রহাণুকে বোঝায়। পৃথিবী একটি গ্রহ, চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ, আর ধূমকেতুও সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তাই এরা সবাই সৌরজগতের বস্তু। কিন্তু গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ (Galaxy) হলো কোটি কোটি নক্ষত্রের বিশাল জগৎ, যার মধ্যে আমাদের পুরো সৌরজগৎ একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। অর্থাৎ সৌরজগৎ গ্যালাক্সির ভেতরে আছে, গ্যালাক্সি সৌরজগতের ভেতরে নয়। তাই চারটির মধ্যে গ্যালাক্সিই সৌরজগতের বস্তু নয়।
    মনে রাখুন:
    আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে ছায়াপথের অন্তর্ভুক্ত।
    মহাবিশ্বে আনুমানিক ২ লক্ষ কোটির মতো ছায়াপথ আছে বলে ধারণা করা হয়।
  112. ১৫৭. সূর্যের আয়তন পৃথিবী অপেক্ষা বড়-রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (হাসনাহেনা), ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. ১৩ মিলিয়ন গুণ
    • খ. ১০ মিলিয়ন গুণ
    • গ. ১.৩ মিলিয়ন গুণ
    • ঘ. ১.০ মিলিয়ন গুণ
    উত্তর: গ. ১.৩ মিলিয়ন গুণ
    সূর্যের ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের প্রায় ১০৯ গুণ। গোলকের আয়তন ব্যাসার্ধের ঘনের সমানুপাতিক, তাই 109³ ≈ 1.3 × 10⁶, অর্থাৎ সূর্যের আয়তন পৃথিবীর প্রায় ১৩ লক্ষ বা ১.৩ মিলিয়ন গুণ। সহজ কথায়, সূর্যের ভেতরে প্রায় ১৩ লক্ষ পৃথিবী এঁটে যেতে পারে। তবে ভরের দিক থেকে সূর্য পৃথিবীর প্রায় ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার গুণ ভারী, কারণ সূর্য মূলত হালকা গ্যাস দিয়ে তৈরি। তাই সূর্যের আয়তন বিশাল হলেও এর গড় ঘনত্ব পৃথিবীর মাত্র চার ভাগের এক ভাগের মতো।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার।
    পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
  113. ১৫৮. সূর্যপৃষ্ঠের উত্তাপ কত?শ্রম অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রার, ২০০০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. ৬০০০° সে.
    • খ. ১০০০০° সে.
    • গ. ১২০০০° সে.
    • ঘ. ৮০০০° সে.
    উত্তর: ক. ৬০০০° সে.
    সূর্যের যে উজ্জ্বল পৃষ্ঠ আমরা দেখি, তাকে আলোকমণ্ডল বা ফটোস্ফিয়ার (Photosphere) বলে। এর তাপমাত্রা প্রায় ৫৫০০ থেকে ৬০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তাই সাধারণভাবে সূর্যপৃষ্ঠের উত্তাপ ৬০০০° সে. ধরা হয়। তবে সূর্যের ভেতরের দিকে তাপমাত্রা অনেক বেশি, কেন্দ্রে তা প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই প্রচণ্ড তাপে হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াস মিলে হিলিয়াম তৈরি করে, যাকে নিউক্লীয় ফিউশন বলে, আর এখান থেকেই সূর্যের আলো ও তাপ আসে।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল করোনার তাপমাত্রা ১০ লক্ষ ডিগ্রির বেশি।
    সূর্যগ্রহণের সময় করোনা খালি চোখে দেখা যায়।
  114. ১৫৯. সূর্যের নিজ অক্ষের উপর একবার আবর্তন করতে সময় লাগে -কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের লাইব্রেরিয়ান, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. ২৫ ঘণ্টা
    • খ. ২৮ ঘণ্টা
    • গ. ২৫ বছর
    • ঘ. ২৫ দিন
    উত্তর: ঘ. ২৫ দিন
    পৃথিবীর মতো সূর্যও নিজ অক্ষের চারদিকে ঘোরে। তবে সূর্য কঠিন বস্তু নয়, গ্যাসের তৈরি, তাই এর সব অংশ একই গতিতে ঘোরে না। বিষুবীয় অঞ্চলে একবার আবর্তনে প্রায় ২৫ দিন লাগে, কিন্তু মেরুর কাছাকাছি লাগে প্রায় ৩৫ দিন। তাই সাধারণভাবে সূর্যের আবর্তনকাল ২৫ দিন বলা হয়। গ্যালিলিও সৌরকলঙ্ক বা সানস্পটের (Sunspot) সরে যাওয়া দেখে প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন যে সূর্য ঘুরছে। এভাবে বিভিন্ন অংশ ভিন্ন গতিতে ঘোরাকে ডিফারেনশিয়াল রোটেশন বলে।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর আহ্নিক গতি বা নিজ অক্ষে আবর্তনে লাগে প্রায় ২৪ ঘণ্টা।
    সূর্য ছায়াপথের কেন্দ্রকে একবার ঘুরে আসে প্রায় ২৫ কোটি বছরে।
  115. ১৬০. সূর্যের মধ্য কোন মৌলিক গ্যাস বেশি রয়েছে?কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ইন্সট্রাক্টর (নন-টেক), ২০০৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. নাইট্রোজেন
    • খ. হাইড্রোজেন
    • গ. ইথাইল
    • ঘ. হিলিয়াম
    উত্তর: খ. হাইড্রোজেন
    সূর্যের ভরের প্রায় ৭৩ শতাংশই হাইড্রোজেন, প্রায় ২৫ শতাংশ হিলিয়াম, আর বাকি সামান্য অংশে অক্সিজেন, কার্বন, লোহা ইত্যাদি ভারী মৌল থাকে। তাই সূর্যে সবচেয়ে বেশি থাকা মৌলিক গ্যাস হাইড্রোজেন। সূর্যের কেন্দ্রে হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস পরস্পর মিলে হিলিয়াম তৈরি করে এবং এই নিউক্লীয় ফিউশন (Nuclear Fusion) বিক্রিয়ায় বিপুল শক্তি বের হয়। মজার ব্যাপার হলো, হিলিয়াম মৌলটি প্রথমে পৃথিবীতে নয়, ১৮৬৮ সালে সূর্যের বর্ণালিতে আবিষ্কৃত হয়। গ্রিক শব্দ 'helios' মানে সূর্য।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের দ্বিতীয় প্রধান উপাদান হিলিয়াম।
    ইথাইল কোনো মৌল নয়, এটি একটি জৈব মূলক।
  116. ১৬১. সৌর জগতের গ্রহ কয়টি?প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. ৮টি
    • খ. ৯টি
    • গ. ১০টি
    • ঘ. ১১টি
    উত্তর: ক. ৮টি
    বর্তমানে সৌরজগতের গ্রহ ৮টি: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। আগে প্লুটোকে নবম গ্রহ ধরা হতো। কিন্তু ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) গ্রহের নতুন সংজ্ঞা দেয়, যেখানে গ্রহকে নিজের কক্ষপথের আশপাশ থেকে অন্য বস্তু সরিয়ে পরিষ্কার রাখতে হয়। প্লুটো এই শর্ত পূরণ করে না, তাই একে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) ঘোষণা করা হয়। সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী এদের সাজানো ক্রমটি পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম চারটি গ্রহ পাথুরে, এদের অভ্যন্তরীণ গ্রহ বলে।
    বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন গ্যাসীয় দানব।
    সৌরজগতের স্বীকৃত বামন গ্রহ ৫টি।
  117. ১৬২. নিম্নের কোনটি সৌর জগতের গ্রহ নয়?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (এক ইউনিট) ভর্তি, ২০১৫-১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. পৃথিবী
    • খ. চাঁদ
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. শনি
    উত্তর: খ. চাঁদ
    যে বস্তু সরাসরি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তাকে গ্রহ বলে। পৃথিবী, বৃহস্পতি ও শনি সবাই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তাই এরা গ্রহ। কিন্তু চাঁদ ঘোরে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে, তাই এটি গ্রহ নয়, পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ (Satellite)। চাঁদ প্রায় ২৭.৩ দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে, আর ঠিক একই সময়ে নিজ অক্ষেও একবার ঘোরে। এজন্য পৃথিবী থেকে আমরা সবসময় চাঁদের একই পিঠ দেখতে পাই।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব প্রায় ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
    শনির উপগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
    বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
  118. ১৬৩. কোনটি সৌর জগতের বামন গ্রহ (Dwarf Planet)?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ইউনিট A) ভর্তি, ২০২৩-২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. মঙ্গল
    • খ. শনি
    • গ. প্লুটো
    • ঘ. বৃহস্পতি
    উত্তর: গ. প্লুটো
    প্লুটো একসময় সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৩০ সালে ক্লাইড টমবাউ এটি আবিষ্কার করেন। কিন্তু ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) ঠিক করে যে গ্রহ হতে হলে নিজের কক্ষপথের আশপাশ অন্য বস্তু থেকে পরিষ্কার রাখতে হবে। প্লুটো কুইপার বেষ্টনীর বহু বরফের বস্তুর ভিড়ে ঘোরে, তাই এই শর্ত পূরণ করে না। ফলে একে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) ঘোষণা করা হয়।
    মনে রাখুন:
    স্বীকৃত ৫টি বামন গ্রহ: সেরেস, প্লুটো, হাউমেয়া, মাকেমাকে ও এরিস।
    সেরেস গ্রহাণু বলয়ে অবস্থিত একমাত্র বামন গ্রহ।
    মঙ্গল, শনি ও বৃহস্পতি পূর্ণাঙ্গ গ্রহ।
  119. ১৬৪. সৌর জগতে সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ কোনটি?কর্ণফুলী গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির টেকনিশিয়ান, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. মঙ্গল
    • খ. শনি
    • গ. নেপচুন
    • ঘ. ইউরেনাস
    উত্তর: গ. নেপচুন
    সৌরজগতের ৮টি গ্রহের মধ্যে সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে আছে নেপচুন (Neptune), যার গড় দূরত্ব প্রায় ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এত দূরে থাকায় সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর প্রায় ১৬৫ বছর লাগে। নেপচুনই প্রথম গ্রহ, যার অস্তিত্ব আকাশে দেখার আগে গণিতের হিসাবে বের করা হয়েছিল। ইউরেনাসের কক্ষপথে অস্বাভাবিক টান দেখে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে এর বাইরে আরেকটি গ্রহ আছে, আর ১৮৪৬ সালে তা খুঁজে পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ।
    নেপচুনে সৌরজগতের সবচেয়ে প্রবল বাতাস বয়।
    প্লুটো বামন গ্রহ হওয়ায় এখন আর এই হিসাবে ধরা হয় না।
  120. ১৬৫. সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বি-১ ইউনিট) ভর্তি, ২০২১-২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. পৃথিবী
    • খ. শনি
    • গ. বুধ
    • ঘ. নেপচুন
    উত্তর: গ. বুধ
    সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ (Mercury)। এর ব্যাস প্রায় ৪৮৮০ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর ব্যাসের তিন ভাগের এক ভাগের একটু বেশি। আকারে বুধ বৃহস্পতির উপগ্রহ গ্যানিমিড ও শনির উপগ্রহ টাইটানের চেয়েও ছোট। প্লুটোকে বামন গ্রহ ঘোষণার পর থেকেই বুধ ক্ষুদ্রতম গ্রহের জায়গা পেয়েছে। বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ, আর এর কোনো উপগ্রহ নেই। বুধে প্রায় কোনো বায়ুমণ্ডল নেই, তাই দিনের বেলায় প্রচণ্ড গরম আর রাতে প্রচণ্ড ঠান্ডা পড়ে। দিনে তাপমাত্রা প্রায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে, আবার রাতে নেমে যায় শূন্যের নিচে প্রায় ১৮০ ডিগ্রিতে।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি।
    দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ শনি।
    উত্তপ্ততম গ্রহ শুক্র।
    সবচেয়ে বড় উপগ্রহ বৃহস্পতির গ্যানিমিড।
  121. ১৬৬. কোন গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয়?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. নেপচুন
    • খ. পৃথিবী
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. মঙ্গল
    উত্তর: গ. বৃহস্পতি
    সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি (Jupiter), তাই একে গ্রহরাজ বলা হয়। এর ব্যাস পৃথিবীর প্রায় ১১ গুণ, আর এর ভর অন্য সব গ্রহের মোট ভরের আড়াই গুণেরও বেশি। বৃহস্পতি মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসের তৈরি একটি গ্যাসীয় দানব। এর গায়ে গ্রেট রেড স্পট নামের একটি লাল দাগ দেখা যায়, যা আসলে পৃথিবীর চেয়েও বড় একটি ঝড়, শত শত বছর ধরে চলছে। গ্যালিলিও ১৬১০ সালে এর চারটি বড় উপগ্রহ আবিষ্কার করেন।
    মনে রাখুন:
    বৃহস্পতির নিজ অক্ষে আবর্তন সবচেয়ে দ্রুত, প্রায় ১০ ঘণ্টায়।
    এর উপগ্রহ গ্যানিমিড সৌরজগতের বৃহত্তম উপগ্রহ।
  122. ১৬৭. সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ-প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (যমুনা), ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. বৃহস্পতি
    • খ. পৃথিবী
    • গ. শনি
    • ঘ. বুধ
    উত্তর: গ. শনি
    আকারে বৃহস্পতির পরেই শনির (Saturn) অবস্থান, তাই এটি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এর ব্যাস পৃথিবীর প্রায় ৯ গুণ। শনির চারপাশে বরফ ও পাথরের অসংখ্য টুকরো দিয়ে তৈরি সুন্দর বলয় আছে, যা ছোট দূরবিনেও দেখা যায়। মজার ব্যাপার হলো, শনির গড় ঘনত্ব পানির চেয়েও কম, তাই বিশাল কোনো সমুদ্রে রাখতে পারলে এটি ভেসে থাকত। শনির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ টাইটান, যার ঘন বায়ুমণ্ডল আছে। শনিও বৃহস্পতির মতো মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের তৈরি গ্যাসীয় দানব।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে বেশি জানা উপগ্রহ শনির।
    বলয় শুধু শনির নয়, বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুনেরও আছে, তবে খুব ক্ষীণ।
  123. ১৬৮. সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহ হলো-বিআইডব্লিউটিএ নিয়োগ পরীক্ষা · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. বৃহস্পতি
    • খ. শনি
    • গ. বুধ
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: গ. বুধ
    যে গ্রহ সূর্যের যত কাছে, তার ওপর সূর্যের টান তত বেশি, আর তাকে তত দ্রুত ঘুরতে হয়। বুধ (Mercury) সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ, তাই এটি কক্ষপথে সেকেন্ডে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার বেগে ছোটে, যা অন্য সব গ্রহের চেয়ে বেশি। এ কারণে বুধকে সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহ বলা হয়। রোমান দেবতাদের দ্রুতগামী বার্তাবাহক মার্কারির নামেই এর নাম রাখা হয়েছে। নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক থেকে অবশ্য বৃহস্পতি সবচেয়ে দ্রুত।
    মনে রাখুন:
    বুধ মাত্র ৮৮ দিনে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে।
    পৃথিবী কক্ষপথে সেকেন্ডে প্রায় ৩০ কিলোমিটার বেগে চলে।
  124. ১৬৯. সৌরজগতের কোন গ্রহের সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সবচেয়ে কম সময় লাগে?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. শুক্র
    • খ. বুধ
    • গ. পৃথিবী
    • ঘ. বৃহস্পতি
    উত্তর: খ. বুধ
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ (Mercury), তাই এর কক্ষপথ সবচেয়ে ছোট এবং কক্ষপথে এর বেগও সবচেয়ে বেশি। ফলে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের লাগে মাত্র ৮৮ দিন, অর্থাৎ বুধের এক বছর পৃথিবীর তিন মাসেরও কম। মজার ব্যাপার হলো, বুধের এক দিন খুব দীর্ঘ, কারণ নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে এর প্রায় ৫৯ দিন লাগে। সূর্য থেকে যে গ্রহ যত দূরে, তার এক বছর তত দীর্ঘ। এই নিয়মটি জার্মান জ্যোতির্বিদ কেপলারের তৃতীয় সূত্র থেকে পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    শুক্র: প্রায় ২২৫ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
    পৃথিবী: প্রায় ৩৬৫ দিন।
    বৃহস্পতি: প্রায় ১২ বছর।
    নেপচুন সবচেয়ে বেশি সময় নেয়, প্রায় ১৬৫ বছর।
  125. ১৭০. সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ -চবি (ডি উপ-ইউনিট) ভর্তি, ২০২৪-২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. শুক্র
    • খ. পৃথিবী
    • গ. মঙ্গল
    • ঘ. বুধ
    উত্তর: ক. শুক্র
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ হলেও সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ হলো শুক্র (Venus)। এর কারণ শুক্রের বায়ুমণ্ডল খুব ঘন এবং এর প্রায় ৯৬ ভাগই কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)। এই গ্যাস সূর্যের তাপ ভেতরে আটকে রাখে, ফলে সেখানে প্রচণ্ড গ্রিনহাউস প্রভাব (Greenhouse Effect) তৈরি হয়। তাই শুক্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৪৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা সিসা গলিয়ে ফেলার মতো গরম। অন্যদিকে বুধের বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই বললেই চলে, তাই দিনের দিকটা গরম হলেও রাতের দিকে তাপ দ্রুত মহাশূন্যে হারিয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহ: শুক্র।
    সবচেয়ে শীতল গ্রহ: নেপচুন (বামন গ্রহ প্লুটো বাদে)।
    শুক্র নিজ অক্ষে পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঘোরে।
  126. ১৭১. পৃথিবীর জমজ নামে পরিচিত কোন গ্রহ?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (সুরমা), ২০১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. শনি
    • খ. মঙ্গল
    • গ. বুধ
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: ঘ. শুক্র
    শুক্র (Venus) গ্রহকে পৃথিবীর জমজ বা যমজ বোন বলা হয়, কারণ আকার, ভর ও ঘনত্বে এই দুটি গ্রহ প্রায় একই রকম। শুক্রের ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৯৫ ভাগ, আর এর ভর পৃথিবীর ভরের প্রায় ৮১ ভাগ। তা ছাড়া শুক্রই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসা গ্রহ। তবে মিল কেবল বাইরের মাপে। শুক্রের বায়ুমণ্ডল কার্বন ডাইঅক্সাইডে ভরা এবং সেখানে সালফিউরিক অ্যাসিডের মেঘ ভাসে, তাই এটি জীবনের জন্য একেবারেই অনুপযোগী।
    মনে রাখুন:
    শুক্রকে সকালে শুকতারা এবং সন্ধ্যায় সন্ধ্যাতারা বলে।
    শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
    শুক্রের এক দিন তার এক বছরের চেয়েও দীর্ঘ।
  127. ১৭২. 'শুকতারা' একটি -সিডিএ-এর সহকারী গবেষণা কর্মকর্তা, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. গ্রহ
    • খ. উপগ্রহ
    • গ. নক্ষত্র
    • ঘ. নীহারিকা
    উত্তর: ক. গ্রহ
    ‘শুকতারা’ আসলে কোনো তারা নয়, এটি শুক্র (Venus) গ্রহ। ভোরে সূর্য ওঠার আগে পূর্ব আকাশে শুক্রকে উজ্জ্বল তারার মতো জ্বলজ্বল করতে দেখা যায়, তাই মানুষ একে শুকতারা নাম দিয়েছে। নক্ষত্রের নিজস্ব আলো থাকে, কিন্তু গ্রহের নিজের আলো নেই। শুক্র সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে বলেই এত উজ্জ্বল দেখায়। এর ঘন মেঘের আবরণ সূর্যের আলোর বড় অংশ ফিরিয়ে দেয়, এ কারণে চাঁদের পরে রাতের আকাশে শুক্রই সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু।
    মনে রাখুন:
    সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে এই একই গ্রহকে সন্ধ্যাতারা বলা হয়।
    নিজস্ব আলো আছে এমন জ্যোতিষ্ককে নক্ষত্র বলে, যেমন সূর্য।
  128. ১৭৩. কোন গ্রহকে পশ্চিমাকাশে 'সন্ধ্যাতারা' এবং পূর্বাকাশে 'শুকতারা' রূপে দেখা যায়?রাবি (খ ইউনিট) ভর্তি, ২০১২-১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. মঙ্গল
    • খ. বুধ
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: ঘ. শুক্র
    শুক্র (Venus) গ্রহের কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের ভেতরে, তাই আকাশে শুক্রকে সব সময় সূর্যের কাছাকাছি দেখা যায়। কক্ষপথে অবস্থান অনুযায়ী কখনো এটি সূর্যের আগে উদিত হয়, তখন ভোরে পূর্ব আকাশে একে শুকতারা বলে। আবার কখনো এটি সূর্যের পরে অস্ত যায়, তখন সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে একে সন্ধ্যাতারা বলে। অর্থাৎ শুকতারা আর সন্ধ্যাতারা একই গ্রহের দুই নাম। শুক্র সূর্যের কাছ থেকে প্রায় ৪৭ ডিগ্রির বেশি দূরে সরে না, তাই একে মাঝরাতে মাথার ওপর দেখা যায় না।
    মনে রাখুন:
    বুধকেও কেবল ভোরে বা সন্ধ্যায় দেখা যায়, তবে এটি অনেক কম উজ্জ্বল।
    শুক্র সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ।
  129. ১৭৪. পৃথিবী সৌরজগতের একটি-পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ক্যাশ সরকার, ২০১৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. নক্ষত্র
    • খ. গ্রহ
    • গ. উপগ্রহ
    • ঘ. জ্যোতিষ্ক
    উত্তর: খ. গ্রহ
    পৃথিবী সৌরজগতের একটি গ্রহ (Planet)। যে জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো নেই এবং যেটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে, তাকে গ্রহ বলে। পৃথিবীর নিজের আলো নেই এবং এটি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তাই পৃথিবী গ্রহ। সূর্য নিজে একটি নক্ষত্র, কারণ এর ভেতরে নিউক্লীয় ফিউশন বিক্রিয়ায় আলো ও তাপ তৈরি হয়। আর যে বস্তু কোনো গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে, তাকে উপগ্রহ বলে, যেমন চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।
    মনে রাখুন:
    সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী পৃথিবী তৃতীয় গ্রহ।
    আকারে পৃথিবী পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ।
    জীবনের অস্তিত্ব আছে এমন একমাত্র জানা গ্রহ পৃথিবী।
  130. ১৭৫. পৃথিবী সৌরজগতের কত নম্বর গ্রহ? (The earth is the__ nearest planet of the sun.)চবি (খ ইউনিট) ভর্তি, ২০২০-২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. অষ্টম (8ᵀᴴ)
    • খ. নবম (9ᵀᴴ)
    • গ. চতুর্থ (4ᵀᴴ)
    • ঘ. তৃতীয় (3ʳᵈ)
    উত্তর: ঘ. তৃতীয় (3ʳᵈ)
    সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রম অনুযায়ী পৃথিবী সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহ। সূর্যের সবচেয়ে কাছে বুধ, তারপর শুক্র, আর তার পরেই পৃথিবীর অবস্থান। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। এই দূরত্ব এমন যে পৃথিবী খুব গরমও নয়, খুব ঠান্ডাও নয়, তাই এখানে পানি তরল অবস্থায় থাকতে পারে। এ কারণে পৃথিবীর অবস্থানকে বাসযোগ্য অঞ্চল (Habitable Zone) বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    সূর্য থেকে গ্রহের ক্রম: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।
    ২০০৬ সালে প্লুটোকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) ঘোষণা করা হয়, তাই এখন গ্রহের সংখ্যা ৮টি।
  131. ১৭৬. পৃথিবী প্রকৃতপক্ষে একটি-সমবায় অধিদপ্তর (২য় শ্রেণির অফিসার), ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. পরিপূর্ণ গোলক
    • খ. সমতল ক্ষেত্র
    • গ. অভিগত গোলক
    • ঘ. অর্ধবৃত্ত
    উত্তর: গ. অভিগত গোলক
    পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, এটি একটি অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)। এর অর্থ হলো পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু কিছুটা চাপা, আর নিরক্ষরেখার কাছে মাঝখানটা একটু স্ফীত। পৃথিবী নিজ অক্ষে অবিরাম ঘুরছে বলে নিরক্ষীয় অঞ্চলে কেন্দ্রবিমুখী প্রভাব বেশি পড়ে, তাই ওই অংশ বাইরের দিকে সামান্য ফুলে উঠেছে। এ কারণে নিরক্ষীয় ব্যাস মেরু ব্যাসের চেয়ে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার বেশি। পৃথিবীর এই আকারকে অনেকে কমলালেবুর আকারের সঙ্গে তুলনা করেন।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ১২,৭৫৬ কিলোমিটার।
    মেরু ব্যাস প্রায় ১২,৭১৪ কিলোমিটার।
    এই কারণে মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সামান্য বেশি হয়।
  132. ১৭৭. পৃথিবীর আনুমানিক বয়স কত?চবি ভর্তি, ২০১৫-১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. ৩,৫০০ মিলিয়ন বছর (প্রায়)
    • খ. ৪,৫০০ মিলিয়ন বছর (প্রায়)
    • গ. ৫,৫০০ মিলিয়ন বছর (প্রায়)
    • ঘ. ৬,৫০০ মিলিয়ন বছর (প্রায়)
    উত্তর: খ. ৪,৫০০ মিলিয়ন বছর (প্রায়)
    বিজ্ঞানীদের হিসাবে পৃথিবীর বয়স প্রায় ৪৫০ কোটি বছর, অর্থাৎ ৪,৫০০ মিলিয়ন বছরের কাছাকাছি। এই বয়স বের করা হয়েছে তেজস্ক্রিয় কালনির্ণয় (Radiometric Dating) পদ্ধতিতে। পৃথিবীতে পড়া উল্কাপিণ্ডের ইউরেনিয়াম কতটা ক্ষয় হয়ে সিসায় পরিণত হয়েছে, তা মেপে সবচেয়ে নির্ভুল হিসাবটি পাওয়া গেছে, আর তা প্রায় ৪৫৪ কোটি বছর। সৌরজগৎ গঠনের অল্প পরেই পৃথিবীর জন্ম হয়েছিল বলে দুটির বয়স প্রায় সমান ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    ১ মিলিয়ন = ১০ লক্ষ, তাই ৪,৫০০ মিলিয়ন = ৪৫০ কোটি।
    পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো খনিজ জিরকন (Zircon) প্রায় ৪৪০ কোটি বছরের পুরোনো।
    মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১,৩৮০ কোটি বছর।
  133. ১৭৮. পৃথিবীর ব্যাস আনুমানিক কত?গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক (টিভি প্রশিক্ষণ), ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. ৪০০০ কি.মি.
    • খ. ৪০০০ মাইল
    • গ. ৮০০০ মাইল
    • ঘ. ৮ মাইল
    উত্তর: গ. ৮০০০ মাইল
    পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ৭,৯২০ মাইল, যাকে মোটামুটি হিসাবে ৮,০০০ মাইল বলা হয়। কিলোমিটারে এই ব্যাস প্রায় ১২,৭৪২ কিলোমিটার। পৃথিবী অভিগত গোলক বলে সব দিকে ব্যাস সমান নয়। নিরক্ষরেখা বরাবর ব্যাস প্রায় ১২,৭৫৬ কিলোমিটার, কিন্তু মেরু বরাবর ব্যাস প্রায় ১২,৭১৪ কিলোমিটার। ব্যাসের অর্ধেক হলো ব্যাসার্ধ, তাই পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৩৭১ কিলোমিটার বা প্রায় ৩,৯৬০ মাইল।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার বা প্রায় ২৫,০০০ মাইল।
    ১ মাইল = প্রায় ১.৬১ কিলোমিটার।
    পৃথিবী সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ, আর বৃহস্পতি সবচেয়ে বড় গ্রহ।
    বৃহস্পতির ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ১১ গুণ।
  134. ১৭৯. পৃথিবীর উত্তর দক্ষিণের ব্যাস কত?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. ১৫১০৯ কি.মি.
    • খ. ১৪৭০২ কি.মি.
    • গ. ১২৭০৯ কি.মি.
    • ঘ. ১১৩০৯ কি.মি.
    উত্তর: গ. ১২৭০৯ কি.মি.
    পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে কেন্দ্র হয়ে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত দূরত্বকে মেরু ব্যাস (Polar Diameter) বলে, আর এটি প্রায় ১২,৭১০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। পৃথিবীর মেরু অঞ্চল সামান্য চাপা, তাই মেরু ব্যাস নিরক্ষীয় ব্যাসের চেয়ে কিছুটা ছোট। নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস প্রায় ১২,৭৫৬ কিলোমিটার। এই দুই ব্যাসের পার্থক্য প্রায় ৪৩ কিলোমিটার, যা প্রমাণ করে যে পৃথিবী একটি অভিগত গোলক। পৃথিবীর অবিরাম আবর্তনের ফলেই এই আকার তৈরি হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষীয় ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৩৭৮ কিলোমিটার।
    মেরু ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৩৫৭ কিলোমিটার।
    নিরক্ষীয় পরিধি প্রায় ৪০,০৭৫ কিলোমিটার।
    নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সামান্য বাড়ে।
  135. ১৮০. পৃথিবীর পরিধি হচ্ছে -জেলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, ২০০৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. ২৫,০০০ মাইল
    • খ. ৩৫০০০ মাইল
    • গ. ৩০,০০০ মাইল
    • ঘ. ১৫,০০০ মাইল
    উত্তর: ক. ২৫,০০০ মাইল
    পৃথিবীর পরিধি (Circumference) প্রায় ২৪,৯০০ মাইল, যাকে মোটামুটি ২৫,০০০ মাইল বলা হয়। পরিধি মানে পৃথিবীকে একবার ঘিরে আসতে যত পথ পার হতে হয়। নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০৭৫ কিলোমিটার। মেরু দুটির ওপর দিয়ে মাপলে পরিধি সামান্য কম, প্রায় ৪০,০০৮ কিলোমিটার, কারণ পৃথিবী মেরুর দিকে কিছুটা চাপা। মজার ব্যাপার হলো, প্রায় ২,২০০ বছর আগে গ্রিক বিজ্ঞানী এরাটোস্থেনিস (Eratosthenes) ছায়ার কোণ মেপে পৃথিবীর পরিধি প্রায় সঠিকভাবে বের করেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার।
    ব্যাস প্রায় ৮,০০০ মাইল বা প্রায় ১২,৭০০ কিলোমিটার।
    নিরক্ষরেখা পৃথিবীর বৃহত্তম পরিধির বৃত্ত।
  136. ১৮১. What is the approximate circumference of the earth?/ পৃথিবীর পরিধি প্রায় -শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লি. অফিসার, ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. 50,000 km
    • খ. 25,000 km
    • গ. 16,000 km
    • ঘ. 40,000 km
    উত্তর: ঘ. 40,000 km
    পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার। নিরক্ষরেখা বরাবর মাপলে এটি প্রায় ৪০,০৭৫ কিলোমিটার, আর মেরুর ওপর দিয়ে মাপলে প্রায় ৪০,০০৮ কিলোমিটার। মাইলের হিসাবে এই পরিধি প্রায় ২৫,০০০ মাইল, তাই ২৫,০০০ সংখ্যাটি দেখে কিলোমিটারের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। মজার ব্যাপার হলো, আঠারো শতকে ফ্রান্সে মিটারের সংজ্ঞা ঠিক করা হয়েছিল উত্তর মেরু থেকে নিরক্ষরেখা পর্যন্ত দূরত্বের ১ কোটি ভাগের ১ ভাগ হিসেবে। এ কারণেই পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪ কোটি মিটার বা ৪০,০০০ কিলোমিটার হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৩৭১ কিলোমিটার।
    এরাটোস্থেনিস প্রথম পৃথিবীর পরিধি মেপেছিলেন।
  137. ১৮২. Average Sp.gr. of the earth- /পৃথিবীর আপেক্ষিক গুরুত্ব-ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী ভূ-রসায়নবিদ, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. 3.517
    • খ. 4.517
    • গ. 5.517
    • ঘ. 9.517
    উত্তর: গ. 5.517
    পৃথিবীর গড় আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) প্রায় ৫.৫১৭, অর্থাৎ পৃথিবীর গড় ঘনত্ব পানির ঘনত্বের প্রায় সাড়ে ৫ গুণ। ঘনত্বের হিসাবে এটি প্রায় 5.51 g/cm³। কিন্তু ভূপৃষ্ঠের সাধারণ শিলার আপেক্ষিক গুরুত্ব মাত্র ২.৭ থেকে ৩-এর মতো। এই পার্থক্য থেকে বিজ্ঞানীরা বুঝেছেন যে পৃথিবীর ভেতরে অনেক বেশি ঘন পদার্থ আছে। আসলে পৃথিবীর কেন্দ্রমণ্ডল (Core) মূলত লোহা ও নিকেল দিয়ে তৈরি, তাই সেখানে ঘনত্ব অনেক বেশি।
    মনে রাখুন:
    সৌরজগতের সবচেয়ে ঘন গ্রহ পৃথিবী।
    সবচেয়ে কম ঘনত্বের গ্রহ শনি, এর ঘনত্ব পানির চেয়েও কম।
    ভূত্বকের গড় ঘনত্ব মাত্র প্রায় 2.7 g/cm³।
  138. ১৮৩. পৃথিবী হতে সূর্যের গড় দূরত্ব-প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (পদ্মা), ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. ১৭ কোটি কি.মি.
    • খ. ১৫ কোটি কি.মি.
    • গ. ১০ কোটি কি.মি.
    • ঘ. ১৩ কোটি কি.মি.
    উত্তর: খ. ১৫ কোটি কি.মি.
    পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার, আরও নির্দিষ্ট করে বললে প্রায় ১৪ কোটি ৯৬ লক্ষ কিলোমিটার। এই দূরত্বকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে ১ জ্যোতির্বিদ্যা একক (Astronomical Unit বা AU) ধরা হয়। পৃথিবীর কক্ষপথ সামান্য উপবৃত্তাকার, তাই বছরের সব সময় দূরত্ব এক থাকে না। জানুয়ারির শুরুতে পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে আসে, একে অনুসুর (Perihelion) বলে। জুলাইয়ের শুরুতে পৃথিবী সবচেয়ে দূরে থাকে, একে অপসুর (Aphelion) বলে।
    মনে রাখুন:
    অনুসুর অবস্থানে দূরত্ব প্রায় ১৪ কোটি ৭১ লক্ষ কিলোমিটার।
    অপসুর অবস্থানে দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি ২১ লক্ষ কিলোমিটার।
  139. ১৮৪. পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কত?চবি (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ১৯৯৯-২০০০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. ১৫০ মিলিয়ন কি.মি.
    • খ. ১০০ মিলিয়ন কি.মি.
    • গ. ১২০ মিলিয়ন কি.মি.
    • ঘ. ২০০ মিলিয়ন কি.মি.
    উত্তর: ক. ১৫০ মিলিয়ন কি.মি.
    পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার, যা বাংলায় প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। কারণ ১ মিলিয়ন সমান ১০ লক্ষ, তাই ১৫০ মিলিয়ন সমান ১৫ কোটি। এই গড় দূরত্বকে ১ জ্যোতির্বিদ্যা একক (Astronomical Unit বা AU) বলা হয়। সৌরজগতের অন্য গ্রহের দূরত্ব বোঝাতে এই একক খুব কাজে লাগে, যেমন বৃহস্পতি সূর্য থেকে প্রায় ৫.২ AU দূরে। এত দূর থেকে আলো আসতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় লাগে।
    মনে রাখুন:
    মাইলের হিসাবে দূরত্ব প্রায় ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল।
    সূর্যের ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ১০৯ গুণ।
  140. ১৮৫. পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব হলো -ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, ২০০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. ৭৫ মিলিয়ন মাইল
    • খ. ৯০ মিলিয়ন মাাইল
    • গ. ৯৩ মিলিয়ন মাইল
    • ঘ. ১২০ মিলিয়ন মাইল
    উত্তর: গ. ৯৩ মিলিয়ন মাইল
    পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ৯৩ মিলিয়ন মাইল বা ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল। কিলোমিটারে হিসাব করলে এই দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার, কারণ ১ মাইল প্রায় ১.৬১ কিলোমিটারের সমান। পৃথিবীর কক্ষপথ সামান্য উপবৃত্তাকার বলে এই দূরত্ব বছরে কিছুটা বাড়ে ও কমে, তাই এখানে গড় দূরত্বের কথা বলা হয়। আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল চলে, তাই এই পথ পাড়ি দিতে সূর্যের আলোর প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড লাগে।
    মনে রাখুন:
    এই গড় দূরত্বকে ১ জ্যোতির্বিদ্যা একক (AU) বলে।
  141. ১৮৬. যদি সূর্য থেকে হঠাৎ আলো বন্ধ হয়ে যায় তাহলে পৃথিবীর মানুষ কতক্ষণে এ পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করবে?রাবি (মার্কেটিং) ভর্তি, ২০০২-০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর আকার ও আয়তন
    • ক. তৎক্ষণাৎ
    • খ. ৮মি. পরে
    • গ. ৮মি. ২০ সে. পরে
    • ঘ. ৮মি. ৪০ সে. পরে
    উত্তর: গ. ৮মি. ২০ সে. পরে
    সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড বা প্রায় ৫০০ সেকেন্ড সময় লাগে। তাই সূর্যের আলো হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলেও আমরা সঙ্গে সঙ্গে টের পাব না, প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড পরে বুঝতে পারব। হিসাবটি সহজ: সূর্যের দূরত্ব প্রায় 1.5 × 10⁸ km এবং আলোর বেগ প্রায় 3 × 10⁵ km/s, তাই সময় = 1.5 × 10⁸ ÷ 3 × 10⁵ = 500 s। এর মানে আমরা আকাশে যে সূর্য দেখি, সেটি আসলে প্রায় ৮ মিনিট আগের সূর্য।
    মনে রাখুন:
    চাঁদ থেকে আলো আসতে লাগে প্রায় ১.৩ সেকেন্ড।
    শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড।
  142. ১৮৭. নিচের কোন গ্রহটিকে 'লাল গ্রহ' (Red Planet) বলা হয়?BCIC সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ২০২৫ ও চবি (ডি উপ-ইউনিট) ভর্তি, ২০২৪-২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. মঙ্গল গ্রহ
    • খ. বুধ গ্রহ
    • গ. বৃহস্পতি গ্রহ
    • ঘ. শনি গ্রহ
    উত্তর: ক. মঙ্গল গ্রহ
    মঙ্গল (Mars) গ্রহকে লাল গ্রহ (Red Planet) বলা হয়। মঙ্গলের মাটি ও পাথরে প্রচুর আয়রন অক্সাইড (Fe₂O₃) আছে, যা আসলে এক ধরনের মরিচা। এই মরিচা রঙের ধুলা মঙ্গলের পৃষ্ঠ ঢেকে রাখে এবং বাতাসে উড়ে বেড়ায়, তাই দূর থেকে গ্রহটিকে লালচে দেখায়। মঙ্গলে সৌরজগতের সবচেয়ে উঁচু পর্বত অলিম্পাস মন্স (Olympus Mons) অবস্থিত, যার উচ্চতা এভারেস্টের প্রায় আড়াই গুণ।
    মনে রাখুন:
    মঙ্গলের উপগ্রহ ২টি: ফোবস ও ডিমোস।
    মঙ্গল সূর্যকে একবার ঘুরে আসতে প্রায় ৬৮৭ দিন নেয়।
    মঙ্গলের এক দিন প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট।
    মঙ্গলে নাসার কিউরিওসিটি ও পারসিভিয়ারেন্স রোভার কাজ করছে।
  143. ১৮৮. মঙ্গলগ্রহ কত দিনে সূর্যকে আবর্তন করে?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ), ২০০৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. ৩৬৫
    • খ. ৪২১
    • গ. ৬৬৭
    • ঘ. ৬৮৭
    উত্তর: ঘ. ৬৮৭
    মঙ্গল (Mars) গ্রহ প্রায় ৬৮৭ দিনে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে, অর্থাৎ মঙ্গলের এক বছর পৃথিবীর প্রায় ১ বছর ১০ মাসের সমান। মঙ্গল পৃথিবীর চেয়ে সূর্য থেকে বেশি দূরে, তাই এর কক্ষপথ বড় এবং কক্ষপথে চলার বেগও কম। এ কারণে সূর্য থেকে যে গ্রহ যত দূরে, তার এক বছর তত দীর্ঘ হয়। অন্যদিকে নিজ অক্ষে মঙ্গলের একবার ঘুরতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট লাগে, তাই মঙ্গলের দিন প্রায় পৃথিবীর দিনের সমান।
    মনে রাখুন:
    বুধের বছর প্রায় ৮৮ দিন।
    শুক্রের বছর প্রায় ২২৫ দিন।
    বৃহস্পতির বছর প্রায় ১২ বছর।
  144. ১৮৯. কোন গ্রহের হাজার বলয় আছে?সিজিএ'র অধীন জুনিয়র অডিটর, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. বুধ
    • খ. মঙ্গল
    • গ. শনি
    • ঘ. বৃহস্পতি
    উত্তর: গ. শনি
    শনি (Saturn) গ্রহের চারপাশে উজ্জ্বল বলয় (Ring) আছে, আর দূর থেকে কয়েকটি চওড়া বলয় দেখা গেলেও আসলে প্রতিটি বলয় হাজার হাজার সরু বলয় দিয়ে তৈরি। মহাকাশযান ভয়েজার ও ক্যাসিনি কাছ থেকে ছবি তুলে এই হাজারো সরু বলয়ের কথা জানিয়েছে, তাই শনিকে হাজার বলয়ের গ্রহ বলা হয়। এই বলয়গুলো মূলত বরফের কণা, ধুলা ও ছোট পাথরের টুকরো দিয়ে গঠিত। বরফ সূর্যের আলো ভালোভাবে প্রতিফলিত করে বলে শনির বলয় এত উজ্জ্বল দেখায়।
    মনে রাখুন:
    বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুনেরও ক্ষীণ বলয় আছে।
    শনির বৃহত্তম উপগ্রহ টাইটান।
  145. ১৯০. সৌরজগতের কোন গ্রহের সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ আছে?বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন অ্যাপ্রেন্টিস, ২০২৬ ও খুবি (বি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. শনি
    • খ. মঙ্গল
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: ক. শনি
    সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ আছে শনি (Saturn) গ্রহের। ২০২৫ সালে বিজ্ঞানীরা শনির আরও ১২৮টি ছোট উপগ্রহ নিশ্চিত করেন, ফলে শনির স্বীকৃত উপগ্রহের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭৪টি। এক সময় বৃহস্পতি ও শনির মধ্যে এই প্রতিযোগিতা চলছিল, কারণ নতুন উপগ্রহ আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে সংখ্যা বদলায়। এখন শনি অনেক এগিয়ে আছে, আর বৃহস্পতির উপগ্রহ প্রায় ৯৫টি। শনির বেশির ভাগ উপগ্রহ মাত্র কয়েক কিলোমিটার চওড়া পাথর বা বরফের টুকরো।
    মনে রাখুন:
    শনির বৃহত্তম উপগ্রহ টাইটান, যার ঘন বায়ুমণ্ডল আছে।
    বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
    বৃহস্পতির বৃহত্তম উপগ্রহ গ্যানিমিড সৌরজগতের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।
  146. ১৯১. কোন গ্রহের একটিও উপগ্রহ নেই?গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. শুক্র
    • খ. পৃথিবী
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. ইউরেনাস
    উত্তর: ক. শুক্র
    সৌরজগতের ৮টি গ্রহের মধ্যে মাত্র ২টি গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই, সেগুলো হলো বুধ ও শুক্র (Venus)। এখানে শুক্রই একমাত্র উপগ্রহহীন গ্রহ, কারণ পৃথিবীর একটি উপগ্রহ চাঁদ আছে, আর বৃহস্পতি ও ইউরেনাসের অনেক উপগ্রহ আছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, বুধ ও শুক্র সূর্যের খুব কাছে বলে সূর্যের প্রবল মহাকর্ষ কোনো উপগ্রহকে এদের কক্ষপথে স্থির থাকতে দেয় না। কোনো উপগ্রহ থাকলেও তা সূর্যের টানে সরে যেত।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি, মঙ্গলের ২টি।
    ইউরেনাসের উপগ্রহ ২৮টির বেশি।
    সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ শনির।
    শুক্র সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ এবং একে পৃথিবীর যমজ বলা হয়।
  147. ১৯২. সৌরজগতের কোন গ্রহের উপগ্রহ নাই?NSI সাঁটমুদ্রাক্ষরিক, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. পৃথিবী
    • খ. বুধ
    • গ. শনি
    • ঘ. বৃহস্পতি
    উত্তর: খ. বুধ
    বুধ (Mercury) গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই। বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ, তাই সূর্যের প্রবল মহাকর্ষের কারণে এর চারপাশে কোনো উপগ্রহ স্থায়ীভাবে টিকে থাকতে পারে না। শুক্রেরও একই অবস্থা, তাই সৌরজগতে উপগ্রহহীন গ্রহ এই দুটি। অন্যদিকে পৃথিবীর একটি উপগ্রহ আছে, আর শনি ও বৃহস্পতির উপগ্রহ অনেক। বুধ আকারে সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এর লাগে মাত্র প্রায় ৮৮ দিন।
    মনে রাখুন:
    বুধ দ্রুততম গ্রহ।
    বুধে দিনে তাপমাত্রা প্রায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাতে প্রায় মাইনাস ১৮০ ডিগ্রি।
    সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার বেগও বুধের সবচেয়ে বেশি, তাই রোমান দূতদেবতা মার্কারির নামে এর নাম।
  148. ১৯৩. মঙ্গল গ্রহের কয়টি উপগ্রহ আছে?কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. ১০টি
    • খ. ২টি
    • গ. ৩টি
    • ঘ. ৪টি
    উত্তর: খ. ২টি
    মঙ্গল (Mars) গ্রহের ২টি উপগ্রহ আছে, এদের নাম ফোবস (Phobos) ও ডিমোস (Deimos)। ১৮৭৭ সালে মার্কিন জ্যোতির্বিদ অ্যাসাফ হল (Asaph Hall) এই দুটি উপগ্রহ আবিষ্কার করেন। উপগ্রহ দুটি খুব ছোট এবং আকারে আলুর মতো অনিয়মিত। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এগুলো আসলে গ্রহাণু বলয় থেকে আসা পাথরের টুকরো, যাদের মঙ্গল তার মহাকর্ষে ধরে ফেলেছে। ফোবস বড়, আর ডিমোস তুলনায় ছোট।
    মনে রাখুন:
    ফোবস ধীরে ধীরে মঙ্গলের দিকে এগিয়ে আসছে।
    গ্রিক পুরাণে ফোবস মানে ভয়, ডিমোস মানে আতঙ্ক।
    পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি, বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
    ফোবস মঙ্গলের খুব কাছে থেকে দিনে প্রায় তিনবার মঙ্গলকে ঘুরে আসে।
  149. ১৯৪. ডিমোস কোন গ্রহের উপগ্রহ?সিজিএ'র অধীন জুনিয়র অডিটর · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. শনি
    • খ. বুধ
    • গ. মঙ্গল
    • ঘ. বৃহস্পতি
    উত্তর: গ. মঙ্গল
    ডিমোস (Deimos) মঙ্গল (Mars) গ্রহের একটি উপগ্রহ। মঙ্গলের মোট উপগ্রহ ২টি, অন্যটির নাম ফোবস (Phobos)। দুটির মধ্যে ডিমোস ছোট এবং মঙ্গল থেকে বেশি দূরে থাকে। এর চওড়া মাত্র প্রায় ১২ কিলোমিটার। ১৮৭৭ সালে মার্কিন জ্যোতির্বিদ অ্যাসাফ হল উপগ্রহ দুটি আবিষ্কার করেন। গ্রিক পুরাণে যুদ্ধদেবতা অ্যারিসের দুই সঙ্গীর নাম থেকে এদের নাম রাখা হয়েছে, আর মঙ্গলের নামও রোমান যুদ্ধদেবতা মার্সের নামে।
    মনে রাখুন:
    শনির বৃহত্তম উপগ্রহ টাইটান।
    বৃহস্পতির বৃহত্তম উপগ্রহ গ্যানিমিড, যা সৌরজগতেরও বৃহত্তম উপগ্রহ।
    প্লুটোর বৃহত্তম উপগ্রহ ক্যারন।
    ফোবস ও ডিমোস দুটিই আকারে অনিয়মিত, গোলাকার নয়।
  150. ১৯৫. নিচের উপগ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় কোনটি?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. টাইটান
    • খ. ফোবস
    • গ. ডিমোস
    • ঘ. ক্যারন
    উত্তর: ক. টাইটান
    এখানে দেওয়া উপগ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো শনির উপগ্রহ টাইটান (Titan), যার ব্যাস প্রায় ৫,১৫০ কিলোমিটার। ফোবস ও ডিমোস মঙ্গলের খুব ছোট দুটি উপগ্রহ, আর ক্যারন বামন গ্রহ প্লুটোর উপগ্রহ, যার ব্যাস প্রায় ১,২১২ কিলোমিটার। তবে পুরো সৌরজগতের বৃহত্তম উপগ্রহ হলো বৃহস্পতির গ্যানিমিড (Ganymede), আর টাইটান দ্বিতীয় বৃহত্তম। টাইটানই একমাত্র উপগ্রহ, যার ঘন বায়ুমণ্ডল আছে, আর এই বায়ুমণ্ডলের বেশির ভাগ নাইট্রোজেন।
    মনে রাখুন:
    গ্যানিমিড আকারে বুধ গ্রহের চেয়েও বড়।
    চাঁদ সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম উপগ্রহ।
    বৃহস্পতির চারটি বড় উপগ্রহ আইও, ইউরোপা, গ্যানিমিড ও ক্যালিস্টো গ্যালিলিও আবিষ্কার করেন।
  151. ১৯৬. পৃথিবীর উপগ্রহ কয়টি?সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. ৩
    • খ. ৭
    • গ. ৫
    • ঘ. ১
    উত্তর: ঘ. ১
    পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ মাত্র ১টি, আর সেটি হলো চাঁদ (Moon)। চাঁদ প্রায় ২৭.৩ দিনে পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে এবং পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ৩,৮৪,৪০০ কিলোমিটার। বিজ্ঞানীদের প্রচলিত ধারণা হলো, প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে মঙ্গলের আকারের একটি বস্তু পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিল। সেই সংঘর্ষে ছিটকে যাওয়া পদার্থ জমাট বেঁধে চাঁদের জন্ম হয়। মানুষের পাঠানো হাজারো কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীকে ঘুরলেও প্রাকৃতিক উপগ্রহ একটিই।
    মনে রাখুন:
    চাঁদের নিজস্ব আলো নেই, এটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে।
    চাঁদের মহাকর্ষ পৃথিবীর মহাকর্ষের প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
  152. ১৯৭. পৃথিবী চাঁদের তুলনায় কতগুণ বড়?সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার, ২০০০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. ৩৯
    • খ. ৪৯
    • গ. ৫৯
    • ঘ. ৬৯
    উত্তর: খ. ৪৯
    আয়তনের দিক থেকে পৃথিবী চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪৯ গুণ বড়, অর্থাৎ পৃথিবীর ভেতরে প্রায় ৪৯টি চাঁদ এঁটে যেতে পারে। এর কারণ চাঁদের ব্যাস প্রায় ৩,৪৭৪ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৪ ভাগের ১ ভাগ। আয়তন ব্যাসের ঘনফলের সমানুপাতিক, তাই ব্যাস ৩.৭ গুণ হলে আয়তন হয় প্রায় ৩.৭ × ৩.৭ × ৩.৭ বা প্রায় ৪৯ গুণ। তবে ভরের দিক থেকে পৃথিবী চাঁদের প্রায় ৮১ গুণ ভারী, কারণ চাঁদের ঘনত্ব পৃথিবীর চেয়ে কম।
    মনে রাখুন:
    চাঁদের মহাকর্ষ পৃথিবীর প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
    তাই পৃথিবীতে ৬০ কেজি ওজনের মানুষের ওজন চাঁদে প্রায় ১০ কেজির মতো হবে।
  153. ১৯৮. The distance between the earth and the moon is about? Or, পৃথিবী হতে চাঁদের দূরত্ব গড়ে কত মাইল?ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর, ২০১৮ ও সিজিএ'র অধীক্ষক, ১৯৯৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. 2,39,000 miles
    • খ. 2,49,000 miles
    • গ. 2,59,000 miles
    • ঘ. 2,69,000 miles
    উত্তর: ক. 2,39,000 miles
    পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব প্রায় ২ লক্ষ ৩৯ হাজার মাইল, যা কিলোমিটারে প্রায় ৩,৮৪,৪০০ কিলোমিটার। চাঁদের কক্ষপথ সামান্য উপবৃত্তাকার, তাই এই দূরত্ব সব সময় এক থাকে না। চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসে, তখন দূরত্ব প্রায় ৩,৬৩,০০০ কিলোমিটার হয় এবং একে অনুভূ (Perigee) বলে। আবার সবচেয়ে দূরে গেলে দূরত্ব হয় প্রায় ৪,০৫,০০০ কিলোমিটার, একে অপভূ (Apogee) বলে। অনুভূ অবস্থানে পূর্ণিমা হলে চাঁদকে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়, একে সুপারমুন বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    চাঁদ প্রতি বছর পৃথিবী থেকে প্রায় ৩.৮ সেন্টিমিটার দূরে সরে যাচ্ছে।
  154. ১৯৯. পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. ৩,৮৪,০০০ কিমি.
    • খ. ৩,৯৫,০০০ কিমি.
    • গ. ৪,০৫,০০০ কিমি.
    • ঘ. ৪,২০,০০০ কিমি.
    উত্তর: ক. ৩,৮৪,০০০ কিমি.
    পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব প্রায় ৩,৮৪,০০০ কিলোমিটার, আরও নির্দিষ্টভাবে প্রায় ৩,৮৪,৪০০ কিলোমিটার। মাইলের হিসাবে এটি প্রায় ২ লক্ষ ৩৯ হাজার মাইল। এই দূরত্ব খুব নিখুঁতভাবে মাপা সম্ভব হয়েছে লেজার রশ্মির সাহায্যে। অ্যাপোলো অভিযানের নভোচারীরা চাঁদে কিছু আয়না বা প্রতিফলক বসিয়ে এসেছিলেন। পৃথিবী থেকে লেজার পাঠিয়ে সেটি ফিরে আসার সময় মাপলেই দূরত্ব জানা যায়। এভাবেই বিজ্ঞানীরা জেনেছেন যে চাঁদ প্রতি বছর প্রায় ৩.৮ সেন্টিমিটার করে দূরে সরে যাচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    চাঁদ থেকে আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় ১.৩ সেকেন্ড লাগে।
    চাঁদের ব্যাস প্রায় ৩,৪৭৪ কিলোমিটার।
  155. ২০০. আলোর গতিতে চললে পৃথিবী থেকে চাঁদে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে?জেলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, ২০০৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. ১৫ সেকেন্ড
    • খ. প্রায় ১.৫ সেকেন্ড
    • গ. ১.৫ মিনিট
    • ঘ. প্রায় ১৫ মিনিট
    উত্তর: খ. প্রায় ১.৫ সেকেন্ড
    আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ চলে, আর পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব প্রায় ৩,৮৪,০০০ কিলোমিটার। তাই আলোর গতিতে চললে চাঁদে পৌঁছাতে সময় লাগবে 384000 ÷ 300000 = 1.28 s, অর্থাৎ প্রায় ১.৩ সেকেন্ড। এটি দেড় সেকেন্ডের কাছাকাছি, আর অন্য সময়গুলো অনেক বেশি। এর অর্থ হলো, আমরা যে চাঁদ দেখি, তার আলো প্রায় ১.৩ সেকেন্ড আগে চাঁদ ছেড়েছে। অন্যদিকে সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় নেয়।
    মনে রাখুন:
    সময় = দূরত্ব ÷ বেগ।
    শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রায় 3 × 10⁸ m/s।
    অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানের চাঁদে পৌঁছাতে প্রায় ৩ দিন লেগেছিল।
  156. ২০১. কোন গ্রহগুলোকে বলা হয় দানবগ্রহ?চবি (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৩-১৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও উপগ্রহ
    • ক. বৃহস্পতি, শনি, বুধ, শুক্র
    • খ. শনি, মঙ্গল, বৃহস্পতি, ইউরেনাস
    • গ. বৃহস্পতি, ইউরেনাস, শনি, নেপচুন
    • ঘ. মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস
    উত্তর: গ. বৃহস্পতি, ইউরেনাস, শনি, নেপচুন
    বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন, এই চারটি গ্রহকে দানব গ্রহ বা বৃহৎ গ্রহ (Giant Planet) বলা হয়। এরা আকারে পৃথিবীর চেয়ে অনেক বড় এবং এদের প্রধান উপাদান গ্যাস বা বরফ, তাই এদের পৃষ্ঠ পৃথিবীর মতো শক্ত নয়। এদের মধ্যে বৃহস্পতি ও শনি মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম দিয়ে তৈরি, তাই এদের গ্যাসীয় দানব (Gas Giant) বলে। ইউরেনাস ও নেপচুনে পানি, অ্যামোনিয়া ও মিথেনের বরফ বেশি, তাই এদের বরফ দানব (Ice Giant) বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    বুধ, শুক্র, পৃথিবী ও মঙ্গল পাথুরে বা অভ্যন্তরীণ গ্রহ।
    দানব গ্রহগুলোর সবারই বলয় আছে।
  157. ২০২. সূর্যগ্রহণের সময় কোনটি মাঝে অবস্থান করে?রাবি (সি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ
    • ক. সূর্য
    • খ. চন্দ্র
    • গ. পৃথিবী
    • ঘ. ধূমকেতু
    উত্তর: খ. চন্দ্র
    সূর্যগ্রহণের সময় চন্দ্র বা চাঁদ মাঝখানে থাকে, অর্থাৎ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এক সরলরেখায় অবস্থান করে। চাঁদ তখন সূর্যের আলো আটকে দেয় এবং এর ছায়া পৃথিবীর একটি অংশে পড়ে। মজার ব্যাপার হলো, সূর্যের ব্যাস চাঁদের ব্যাসের প্রায় ৪০০ গুণ, আবার সূর্য পৃথিবী থেকে চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ দূরে। তাই আকাশে দুটিকে প্রায় সমান আকারের দেখায়, আর ছোট চাঁদ বিশাল সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে দিতে পারে।
    মনে রাখুন:
    সূর্যগ্রহণে মাঝে থাকে চাঁদ, হয় অমাবস্যায়।
    চন্দ্রগ্রহণে মাঝে থাকে পৃথিবী, হয় পূর্ণিমায়।
    বলয়গ্রাস গ্রহণে সূর্যের চারপাশে আগুনের আংটির মতো উজ্জ্বল বলয় দেখা যায়।
  158. ২০৩. চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একপাশে অবস্থান করে-প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (গোলাপ), ২০০৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ
    • ক. পূর্ণিমা তিথিতে
    • খ. পূর্ণিমা ও অমাবস্যা উভয় তিথিতে
    • গ. অমাবস্যা তিথিতে
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. অমাবস্যা তিথিতে
    অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে থাকে। তখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে, ফলে চাঁদের যে দিকে সূর্যের আলো পড়ে, সেটি থাকে পৃথিবীর উল্টো দিকে। এ কারণে চাঁদের আলোকিত অংশ আমরা একেবারেই দেখতে পাই না এবং রাতের আকাশ চাঁদহীন থাকে। পূর্ণিমার সময় হয় উল্টো ঘটনা, তখন পৃথিবী মাঝখানে থাকে এবং চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর দুই পাশে থাকে। তাই পূর্ণিমায় আমরা চাঁদের পুরো আলোকিত দিকটি দেখি।
    মনে রাখুন:
    অমাবস্যা ও পূর্ণিমা দুই তিথিতেই তেজকটাল বা ভরা জোয়ার হয়।
    সূর্যগ্রহণ কেবল অমাবস্যায় হয়।
  159. ২০৪. সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ), ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ
    • ক. চাঁদ ও সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করে
    • খ. চাঁদ ও পৃথিবী এক রেখায় অবস্থান করে
    • গ. চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে
    • ঘ. পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদের মাঝে থাকে
    উত্তর: গ. চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে
    চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় এলে এবং চাঁদ থাকে সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে, তখনই সূর্যগ্রহণ ঘটে। এ অবস্থায় চাঁদ সূর্যের আলো আটকে দেয় এবং এর ছায়া পৃথিবীর একটি অংশে পড়ে। চাঁদের ছায়ার দুটি অংশ আছে। প্রচ্ছায়া (Umbra) নামের ঘন অংশ যেখানে পড়ে, সেখান থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। আর উপচ্ছায়া (Penumbra) নামের হালকা অংশ যেখানে পড়ে, সেখান থেকে আংশিক গ্রহণ দেখা যায়। পূর্ণ সূর্যগ্রহণ এক জায়গা থেকে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৭ মিনিট স্থায়ী হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    চাঁদ দূরে থাকলে সূর্যকে পুরো ঢাকতে পারে না, তখন বলয়গ্রাস গ্রহণ হয়।
  160. ২০৫. যখন সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে পৃথিবী অবস্থান করে তখন হয়-মাউশি অধিদপ্তরের হিসাব সহকারী, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ
    • ক. সূর্যগ্রহণ
    • খ. চন্দ্রগ্রহণ
    • গ. পূর্ণিমা
    • ঘ. অমাবস্যা
    উত্তর: খ. চন্দ্রগ্রহণ
    সূর্য ও চন্দ্রের মাঝখানে পৃথিবী এসে এক সরলরেখায় দাঁড়ালে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে, একে চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) বলে। চাঁদের নিজের আলো নেই, এটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে জ্বলে। তাই পৃথিবী সূর্যের আলো আটকে দিলে চাঁদ আংশিক বা পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায়। চাঁদ সূর্যের বিপরীত পাশে থাকে কেবল পূর্ণিমায়, তাই চন্দ্রগ্রহণ সব সময় পূর্ণিমায় হয়। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণে চাঁদ পুরো কালো না হয়ে লালচে দেখায়, তাই একে ব্লাড মুন বলে।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল লাল আলো বাঁকিয়ে চাঁদে পাঠায় বলেই এই লাল রং।
    চন্দ্রগ্রহণ খালি চোখে দেখা নিরাপদ।
  161. ২০৬. চন্দ্রগ্রহণের সময়-তথ্য সংকেত পরিদপ্তরের সাইফার অফিসার, ২০০৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ
    • ক. পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে অবস্থান করে
    • খ. চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে
    • গ. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে
    • ঘ. পৃথিবী ও চন্দ্র সোজাসুজি অবস্থান করে
    উত্তর: ক. পৃথিবী, সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে অবস্থান করে
    চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য ও চন্দ্রের মাঝখানে অবস্থান করে। তখন তিনটি জ্যোতিষ্ক এক সরলরেখায় থাকে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। সূর্যের আলো চাঁদে পৌঁছাতে না পারায় চাঁদ অন্ধকার হয়ে যায়। সূর্যগ্রহণ পৃথিবীর অল্প কিছু জায়গা থেকে দেখা যায়, কিন্তু চন্দ্রগ্রহণ দেখা যায় পৃথিবীর রাতের পুরো অংশ থেকে। এর কারণ হলো পৃথিবীর ছায়া অনেক বড় এবং তা পুরো চাঁদকে ঢেকে দিতে পারে, ফলে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ প্রায় দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রগ্রহণ হয় পূর্ণিমায়।
    সূর্যগ্রহণ হয় অমাবস্যায়।
    চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর প্রচ্ছায়ায় ঢুকলে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হয়।
  162. ২০৭. কোন দেশ প্রথম রকেট আবিষ্কার করে?পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মেডিকেল অফিসার, ১৯৮৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. রাশিয়া
    • গ. চীন
    • ঘ. জাপান
    উত্তর: গ. চীন
    রকেট প্রথম আবিষ্কার করে চীন। চীনারা নবম শতকের দিকে বারুদ (Gunpowder) আবিষ্কার করে। পরে তারা বাঁশের নলে বারুদ ভরে আগুন দিয়ে তীরের মতো ছুড়তে শেখে, যাকে আগুনের তীর বলা হতো। ১২৩২ সালে মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে চীনারা এই ধরনের রকেট ব্যবহার করেছিল বলে জানা যায়। রকেট চলে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী, কারণ জ্বালানি পোড়া গ্যাস পেছনে বেরিয়ে যায় এবং তার প্রতিক্রিয়ায় রকেট সামনে এগোয়।
    মনে রাখুন:
    আধুনিক তরল জ্বালানির রকেটের জনক রবার্ট গডার্ড, তিনি ১৯২৬ সালে প্রথম এমন রকেট ওড়ান।
    বায়ুশূন্য মহাশূন্যেও রকেট চলতে পারে।
  163. ২০৮. সর্বপ্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ (স্পুটনিক-১) উড্ডয়ন করে কোন দেশ?উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর অফিস সহকারী, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. রাশিয়া
    • গ. চীন
    • ঘ. জাপান
    উত্তর: খ. রাশিয়া
    ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) স্পুটনিক-১ (Sputnik-1) নামে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ মহাশূন্যে পাঠায়। সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধান অংশ ছিল রাশিয়া, তাই এই কৃতিত্ব সাধারণত রাশিয়ার নামে বলা হয়। স্পুটনিক-১ ছিল একটি ধাতব গোলক, যার ওজন প্রায় ৮৩.৬ কেজি এবং এর সঙ্গে চারটি অ্যান্টেনা লাগানো ছিল। এটি প্রায় ৯৬ মিনিটে একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মহাকাশ প্রতিযোগিতা (Space Race) শুরু হয়।
    মনে রাখুন:
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার-১, ১৯৫৮ সালে।
    স্পুটনিক-১ উৎক্ষেপণ করা হয় কাজাখস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে।
  164. ২০৯. কোন সনে রাশিয়া প্রথম ভূ-উপগ্রহ নিক্ষেপ করে?চবি (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৬-০৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ১৯৪৮
    • খ. ১৯৫৭
    • গ. ১৯৬২
    • ঘ. ১৯৭২
    উত্তর: খ. ১৯৫৭
    রাশিয়া, অর্থাৎ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, ১৯৫৭ সালে প্রথম ভূ-উপগ্রহ বা কৃত্রিম উপগ্রহ (Artificial Satellite) মহাশূন্যে পাঠায়। ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর উৎক্ষেপিত এই উপগ্রহের নাম ছিল স্পুটনিক-১। এর এক মাস পরেই, একই বছরের ৩ নভেম্বর, স্পুটনিক-২ পাঠানো হয়। এই দ্বিতীয় উপগ্রহে লাইকা (Laika) নামের একটি কুকুর ছিল, যে প্রথম প্রাণী হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। স্পুটনিকের সাফল্যের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৫৮ সালে নাসা প্রতিষ্ঠা করে।
    মনে রাখুন:
    ‘স্পুটনিক’ শব্দের অর্থ সহযাত্রী।
    বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, উৎক্ষেপণ ২০১৮ সালে।
    স্পুটনিক-১ প্রায় ৯৬ মিনিটে একবার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করত।
  165. ২১০. The first man-made satellite, Sputnik I was launched by the former USSR is - Or, স্পুটনিক-১ কখন ভূ-উপগ্রহ কক্ষপথে সাফল্যজনকভাবে নিক্ষেপ করা হয়?৮ ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ (সিনিয়র অফিসার), ২০১৯ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জেলা সমাজসেবা অফিসার, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ১৯৫৭ সালে
    • খ. ১৯৬০ সালে
    • গ. ১৯৬৬ সালে
    • ঘ. ১৯৬৯ সালে
    উত্তর: ক. ১৯৫৭ সালে
    বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ (Sputnik-1) ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সাফল্যের সঙ্গে পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছায়। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন কাজাখস্তানের বাইকোনুর থেকে এটি উৎক্ষেপণ করে। উপগ্রহটি রেডিও সংকেত পাঠাত, আর পৃথিবীর মানুষ রেডিওতে সেই বিপ বিপ শব্দ শুনতে পেত। প্রায় তিন সপ্তাহ পর এর ব্যাটারি ফুরিয়ে যায়, আর ১৯৫৮ সালের জানুয়ারিতে এটি বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পুড়ে যায়। এই ঘটনা থেকেই মহাকাশ যুগের সূচনা ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    প্রথম মানুষ মহাশূন্যে যান ১৯৬১ সালে।
    প্রথম মানুষ চাঁদে নামেন ১৯৬৯ সালে।
    স্পুটনিক-১-এর ওজন ছিল প্রায় ৮৩.৬ কেজি এবং এর ব্যাস ছিল প্রায় ৫৮ সেন্টিমিটার।
  166. ২১১. মহাশূন্যে উৎক্ষিপ্ত প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম কী?স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারী, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. অ্যাপোলো
    • খ. চ্যালেঞ্জার
    • গ. স্পুটনিক
    • ঘ. এক্সপ্লোরার
    উত্তর: গ. স্পুটনিক
    মহাশূন্যে পাঠানো প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম স্পুটনিক (Sputnik), আরও নির্দিষ্ট করে বললে স্পুটনিক-১। ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন এটি উৎক্ষেপণ করে। অন্য নামগুলোরও নিজস্ব ইতিহাস আছে। এক্সপ্লোরার-১ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ, যা ১৯৫৮ সালে পাঠানো হয়। অ্যাপোলো ছিল নাসার চন্দ্রাভিযান কর্মসূচি, আর চ্যালেঞ্জার ছিল নাসার একটি স্পেস শাটল, যা ১৯৮৬ সালে উৎক্ষেপণের কিছুক্ষণ পরেই বিস্ফোরিত হয়। এক্সপ্লোরার-১-এর পাঠানো তথ্য থেকেই পৃথিবীর চারপাশের ভ্যান অ্যালেন বিকিরণ বলয় আবিষ্কৃত হয়।
    মনে রাখুন:
    প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান ভস্টক-১, ১৯৬১ সালে।
    স্পুটনিক-১ উৎক্ষেপণ করা হয় বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে।
  167. ২১২. প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ যা কক্ষপথে আবর্তিত হয়েছে তার নাম কী?রাবি (এ ইউনিট) ভর্তি, ২০২৩-২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. PROBA
    • খ. Palapa AI
    • গ. Sputnik1
    • ঘ. Explorer 1
    উত্তর: গ. Sputnik1
    কক্ষপথে আবর্তিত প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হলো স্পুটনিক-১ (Sputnik 1), যা ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন উৎক্ষেপণ করে। উপগ্রহটি প্রায় ৯৬ মিনিটে একবার পৃথিবীকে ঘুরে আসত এবং প্রায় তিন মাস কক্ষপথে ছিল। অন্য নামগুলো পরের সময়ের। এক্সপ্লোরার-১ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম উপগ্রহ, যা ১৯৫৮ সালে কক্ষপথে যায়। পালাপা ইন্দোনেশিয়ার যোগাযোগ উপগ্রহ, আর প্রোবা (PROBA) ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার ছোট পরীক্ষামূলক উপগ্রহ।
    মনে রাখুন:
    যে উপগ্রহ পৃথিবীর আবর্তনের সমান সময়ে একবার ঘোরে, তাকে ভূস্থির উপগ্রহ (Geostationary Satellite) বলে।
    ভূস্থির উপগ্রহ নিরক্ষরেখার প্রায় ৩৬,০০০ কিলোমিটার ওপরে থাকে।
    বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ একটি ভূস্থির উপগ্রহ।
  168. ২১৩. মহাশূন্যে প্রথম কোন দেশ কুকুর লাইকা পাঠায়?পরিকল্পনা এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক, ২০০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. রাশিয়া
    • গ. চীন
    • ঘ. জাপান
    উত্তর: খ. রাশিয়া
    ১৯৫৭ সালের ৩ নভেম্বর রাশিয়া, অর্থাৎ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, স্পুটনিক-২ নামের মহাকাশযানে করে লাইকা (Laika) নামের কুকুরকে মহাশূন্যে পাঠায়। লাইকা ছিল মস্কোর রাস্তা থেকে আনা একটি কুকুর, আর সে প্রথম প্রাণী হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। দুঃখের ব্যাপার হলো, তখন মহাকাশযান ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি ছিল না, তাই লাইকাকে জীবিত ফেরানো সম্ভব হয়নি। যানের ভেতরে অতিরিক্ত গরমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সে মারা যায়। লাইকার অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা গিয়েছিল যে জীবন্ত প্রাণী উৎক্ষেপণ ও ওজনহীনতা সহ্য করতে পারে।
    মনে রাখুন:
    ১৯৬০ সালে বেলকা ও স্ট্রেলকা নামের দুটি কুকুর মহাকাশ থেকে জীবিত ফিরে আসে।
  169. ২১৪. প্রথম মহাকাশচারী ব্যক্তি কে?প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. নীল আর্মস্ট্রং
    • খ. ভেলেন্টিনা তেরেসকোভা
    • গ. ইউরি গ্যাগারিন
    • ঘ. স্টিফেন হকিং
    উত্তর: গ. ইউরি গ্যাগারিন
    প্রথম মহাকাশচারী ব্যক্তি হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন (Yuri Gagarin)। ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল তিনি ভস্টক-১ মহাকাশযানে চড়ে প্রায় ১০৮ মিনিটে একবার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি মহাশূন্যে যাওয়া প্রথম মানুষ হন। অন্যদিকে নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে পা রাখা প্রথম মানুষ এবং ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা মহাশূন্যে যাওয়া প্রথম নারী। স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, তিনি মহাশূন্যে যাননি।
    মনে রাখুন:
    ১২ এপ্রিল দিনটিকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ যাত্রা দিবস ঘোষণা করেছে।
    মহাকাশে যাওয়া প্রথম মার্কিন নাগরিক অ্যালান শেপার্ড, ১৯৬১ সালে।
    গ্যাগারিনের মহাকাশযান ভস্টক-১ উৎক্ষেপণ করা হয় বাইকোনুর থেকে।
  170. ২১৫. মহাশূন্য প্রথম নভোচারী একজন -জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অধীন সহকারী সচিব, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. আমেরিকান
    • খ. ব্রিটিশ
    • গ. ফরাসি
    • ঘ. রাশিয়ান
    উত্তর: ঘ. রাশিয়ান
    মহাশূন্যে প্রথম নভোচারী ইউরি গ্যাগারিন একজন রাশিয়ান, অর্থাৎ তিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিক ছিলেন। ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল তিনি ভস্টক-১ মহাকাশযানে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। রাশিয়ান নভোচারীদের কসমোনট (Cosmonaut) বলা হয়, আর যুক্তরাষ্ট্রের নভোচারীদের বলা হয় অ্যাস্ট্রোনট (Astronaut)। চীনের নভোচারীদের অনেক সময় টাইকোনট (Taikonaut) বলা হয়। গ্যাগারিনের এই যাত্রার মাত্র ২৩ দিন পর যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালান শেপার্ড মহাশূন্যে যান।
    মনে রাখুন:
    প্রথম মহিলা নভোচারীও রাশিয়ান, ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা।
    মহাশূন্যে প্রথম হাঁটেন রাশিয়ান নভোচারী আলেক্সেই লিওনভ, ১৯৬৫ সালে।
    মহাশূন্যে প্রথম প্রাণী হিসেবে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে রাশিয়ার কুকুর লাইকা, ১৯৫৭ সালে।
    মহাশূন্যে যাওয়া তৃতীয় দেশ চীন।
  171. ২১৬. ইউরি গ্যাগারিন কোন মহাকাশযানে চড়ে পৃথিবী পরিভ্রমণ করেন?রাবি (অবাণিজ্য) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. মাকারি
    • খ. ভস্টক
    • গ. অ্যাপোলো
    • ঘ. ডিসকভারি
    উত্তর: খ. ভস্টক
    ইউরি গ্যাগারিন ভস্টক-১ (Vostok 1) মহাকাশযানে চড়ে ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। রুশ ভাষায় ‘ভস্টক’ শব্দের অর্থ পূর্ব দিক। যাত্রাটি প্রায় ১০৮ মিনিট স্থায়ী ছিল এবং এতে তিনি একবার পৃথিবী ঘুরে আসেন। ফেরার পথে গ্যাগারিন প্রায় ৭ কিলোমিটার উঁচু থেকে প্যারাসুটে আলাদাভাবে মাটিতে নামেন। বাকি নামগুলো অন্য অভিযানের। অ্যাপোলো যুক্তরাষ্ট্রের চন্দ্রাভিযান কর্মসূচি, আর ডিসকভারি যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্পেস শাটল।
    মনে রাখুন:
    ভস্টক-৬ যানে চড়ে ১৯৬৩ সালে প্রথম নারী নভোচারী ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা মহাশূন্যে যান।
    গ্যাগারিন ১৯৬৮ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।
    গ্যাগারিনের সাংকেতিক নাম ছিল ‘কেদর’।
  172. ২১৭. মহাকাশের প্রথম মহিলা অভিযাত্রীর নাম কী?চবি (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৪-১৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. মাদাম কুরি
    • খ. ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা
    • গ. তাসনুভা গোরবাচেভ
    • ঘ. তাসফিয়া রাজভিকো
    উত্তর: খ. ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা
    মহাকাশে যাওয়া প্রথম মহিলা হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা (Valentina Tereshkova)। ১৯৬৩ সালের ১৬ জুন তিনি ভস্টক-৬ মহাকাশযানে চড়ে মহাশূন্যে যান এবং প্রায় ৩ দিনে ৪৮ বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। মহাকাশ অভিযানের আগে তিনি একটি বস্ত্রকারখানার শ্রমিক ছিলেন এবং শখের প্যারাসুট লাফাতেন। এই প্যারাসুটের অভিজ্ঞতার কারণেই তাঁকে নভোচারী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এখনো তিনিই একমাত্র নারী, যিনি একা মহাকাশ অভিযান করেছেন।
    মনে রাখুন:
    মাদাম কুরি ছিলেন দুবার নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী, মহাকাশচারী নন।
    প্রথম নারী মহাকাশ পর্যটক আনুশেহ আনসারি, ২০০৬ সালে।
    তেরেশকোভা ১৯৩৭ সালের ৬ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
  173. ২১৮. 'ভেলেনতিনা তেরেসকোভা' জন্মগ্রহণ করেন -রাবি (ই ইউনিট) ভর্তি, ২০১৭-১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ৬ মার্চ, ১৯৩৭
    • খ. ২১ মে, ১৯৫৯
    • গ. ১৭ মার্চ, ১৯৬২
    • ঘ. ৪ জুন, ১৯৬৩
    উত্তর: ক. ৬ মার্চ, ১৯৩৭
    মহাশূন্যে যাওয়া প্রথম নারী ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা (Valentina Tereshkova) ১৯৩৭ সালের ৬ মার্চ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন একজন ট্রাক্টরচালক। তরুণ বয়সে তেরেশকোভা কারখানায় কাজ করার পাশাপাশি প্যারাসুট লাফ দেওয়ার প্রশিক্ষণ নেন। পরে ১৯৬৩ সালের ১৬ জুন তিনি ভস্টক-৬ যানে চড়ে মহাশূন্যে যান, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৬ বছর। এই অভিযানে তাঁর সাংকেতিক নাম ছিল ‘চাইকা’, যার অর্থ গাঙচিল।
    মনে রাখুন:
    মহাশূন্যে প্রথম মার্কিন নারী স্যালি রাইড, ১৯৮৩ সালে।
    মহাশূন্যে প্রথম হাঁটা নারী স্বেতলানা সাভিৎস্কায়া, ১৯৮৪ সালে।
  174. ২১৯. মহাশূন্যে মনুষ্যবাহীযান উৎক্ষেপণকারী তৃতীয় দেশ-চবি (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. জার্মানি
    • খ. জাপান
    • গ. চীন
    • ঘ. অস্ট্রেলিয়া
    উত্তর: গ. চীন
    নিজস্ব রকেটে করে মহাশূন্যে মানুষ পাঠানো তৃতীয় দেশ হলো চীন। ২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর চীন শেনচৌ-৫ (Shenzhou 5) নামের মহাকাশযানে ইয়াং লিওয়েইকে মহাশূন্যে পাঠায়। এর আগে কেবল সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৬১ সালে এবং যুক্তরাষ্ট্র একই বছরে এই সাফল্য দেখিয়েছিল। জাপান, জার্মানি বা অস্ট্রেলিয়ার নভোচারীরা মহাশূন্যে গেছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁরা গেছেন অন্য দেশের মহাকাশযানে চড়ে। চীন এখন নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগং (Tiangong) পরিচালনা করছে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম দেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন, দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় চীন।
    চীনের মহাকাশ সংস্থার নাম CNSA।
    চীনের প্রথম নভোচারী ইয়াং লিওয়েই।
    মহাশূন্যে প্রথম ভারতীয় রাকেশ শর্মা, ১৯৮৪ সালে সোভিয়েত যানে।
  175. ২২০. মহাকাশ 'চন্দ্রযান-থ্রি' চাঁদের বুকে অবতরণে ভারত বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে?সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. সপ্তম
    • খ. চতুর্থ
    • গ. পঞ্চম
    • ঘ. নবম
    উত্তর: খ. চতুর্থ
    ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট ভারতের চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) মিশনের ল্যান্ডার বিক্রম চাঁদে নিরাপদে অবতরণ করে। এর ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে সফট ল্যান্ডিং বা নিয়ন্ত্রিত অবতরণ করার গৌরব অর্জন করে। এর আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এই সাফল্য দেখিয়েছিল। তবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি অঞ্চলে প্রথম অবতরণকারী দেশ ভারতই। মিশনের রোভারটির নাম ছিল প্রজ্ঞান, যা চাঁদের মাটিতে সালফারের উপস্থিতি নিশ্চিত করে।
    মনে রাখুন:
    ভারতের মহাকাশ সংস্থার নাম ইসরো (ISRO)।
    পঞ্চম দেশ হিসেবে জাপান ২০২৪ সালে চাঁদে অবতরণ করে।
    চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণ করা হয় ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই।
  176. ২২১. চাঁদে পানির সন্ধান পাওয়া ভারতীয় মহাকাশযান-মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী, ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. চন্দ্রযান-১
    • খ. অগ্নিযান
    • গ. পুষ্পক যান
    • ঘ. চন্দ্রযান-৩
    উত্তর: ক. চন্দ্রযান-১
    চাঁদে পানির সন্ধান পাওয়া ভারতীয় মহাকাশযান হলো চন্দ্রযান-১ (Chandrayaan-1)। ২০০৮ সালের অক্টোবরে ইসরো এটি উৎক্ষেপণ করে। এতে নাসার তৈরি মুন মিনারেলজি ম্যাপার (M3) নামের একটি যন্ত্র ছিল, যা চাঁদের মাটির ওপরের স্তরে পানি ও হাইড্রক্সিল অণুর চিহ্ন খুঁজে পায়। ২০০৯ সালে এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশিত হলে সারা বিশ্বে সাড়া পড়ে যায়। এই অভিযানের মুন ইমপ্যাক্ট প্রোব নামের একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে আছড়ে পড়ে তথ্য পাঠিয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ ২০১৯ সালে।
    চন্দ্রযান-৩ চাঁদে অবতরণ করে ২০২৩ সালে।
    চন্দ্রযান-১ ছিল ভারতের প্রথম চন্দ্রাভিযান।
  177. ২২২. কবে মানুষ প্রথম চাঁদে অবতরণ করে?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, ২০১৪-১৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ২০ জুন, ১৯৬৯
    • খ. ২৫ জুলাই, ১৯৬৮
    • গ. ২০ জুলাই, ১৯৬৯
    • ঘ. ২০ আগস্ট, ১৯৬৯
    উত্তর: গ. ২০ জুলাই, ১৯৬৯
    ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষ প্রথম চাঁদে অবতরণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো-১১ (Apollo 11) অভিযানের চন্দ্রযান ঈগল সেদিন চাঁদের শান্ত সাগর এলাকায় নামে। প্রথমে নীল আর্মস্ট্রং এবং পরে এডউইন অলড্রিন চাঁদের মাটিতে পা রাখেন। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী তখন ২১ জুলাই হয়ে গিয়েছিল, তাই কোথাও কোথাও তারিখটি ২১ জুলাইও লেখা হয়। চাঁদে নেমে আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, এটি একজন মানুষের জন্য ছোট্ট একটি পদক্ষেপ, কিন্তু মানবজাতির জন্য বিরাট এক লাফ।
    মনে রাখুন:
    অভিযানটি উৎক্ষেপণ করা হয় ১৬ জুলাই, ১৯৬৯।
    নভোচারীরা পৃথিবীতে ফেরেন ২৪ জুলাই, ১৯৬৯।
    অ্যাপোলো-১১-এর তৃতীয় নভোচারী মাইকেল কলিন্স চাঁদের কক্ষপথে ছিলেন।
  178. ২২৩. নীল আর্মস্ট্রং কোন মহাকাশ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে অবতরণ করেন?সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের জুনিয়র অফিসার, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Apollo 10
    • খ. Apollo 11
    • গ. Apollo 1
    • ঘ. Orion 5
    উত্তর: খ. Apollo 11
    নীল আর্মস্ট্রং অ্যাপোলো-১১ (Apollo 11) মিশনের মাধ্যমে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদে অবতরণ করেন। এই অভিযানের তিন নভোচারী ছিলেন নীল আর্মস্ট্রং, এডউইন অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স। অ্যাপোলো-১০ ছিল চাঁদে নামার আগে মহড়া অভিযান, এতে যানটি চাঁদের খুব কাছে গিয়েও নামেনি। আর অ্যাপোলো-১ ছিল একটি দুর্ঘটনার নাম, ১৯৬৭ সালে মহড়ার সময় যানের ভেতরে আগুন লেগে তিন নভোচারী মারা যান। ওরিয়ন হলো নাসার নতুন যুগের মহাকাশযান, যা আর্টেমিস কর্মসূচিতে ব্যবহার হচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    সর্বশেষ চন্দ্রাভিযান অ্যাপোলো-১৭, ১৯৭২ সালে।
    অ্যাপোলো কর্মসূচির যানগুলো উৎক্ষেপণ করত স্যাটার্ন-৫ রকেট।
  179. ২২৪. কে চন্দ্রে পা রাখেননি?কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ (শিক্ষা মন্ত্রণালয়)-এর অফিস সহকারী, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. নীল আর্মস্ট্রং
    • খ. এডউইন অলড্রিন
    • গ. মাইকেল কলিন্স
    • ঘ. সকলে পা রেখেছেন
    উত্তর: গ. মাইকেল কলিন্স
    অ্যাপোলো-১১ অভিযানের তিন নভোচারীর মধ্যে মাইকেল কলিন্স (Michael Collins) চাঁদে পা রাখেননি। নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন অলড্রিন যখন ঈগল নামের চন্দ্রযানে করে চাঁদে নামেন, তখন কলিন্স কলাম্বিয়া নামের কমান্ড মডিউলে একা চাঁদের কক্ষপথে ঘুরছিলেন। তাঁর কাজ ছিল চন্দ্রযানটি ফিরে এলে দুই সঙ্গীকে নিয়ে পৃথিবীতে ফেরা। চাঁদের পেছনের দিকে থাকার সময় পৃথিবীর সঙ্গে তাঁর বেতার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকত, তাই তাঁকে অনেকে সে সময়ের সবচেয়ে নিঃসঙ্গ মানুষ বলেছেন।
    মনে রাখুন:
    চাঁদে প্রথম পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং।
    দ্বিতীয় জন এডউইন অলড্রিন।
    অভিযানটি পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা।
  180. ২২৫. চাঁদে সর্বশেষ কত সালে মানুষ গিয়েছে?অফিস সহকারী নিয়োগ, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ১৯৬৯
    • খ. ১৯৭০
    • গ. ১৯৭১
    • ঘ. ১৯৭২
    উত্তর: ঘ. ১৯৭২
    মানুষ সর্বশেষ চাঁদে গিয়েছিল ১৯৭২ সালে। ওই বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো-১৭ (Apollo 17) অভিযানে নভোচারী ইউজিন সারনান ও হ্যারিসন স্মিট চাঁদে নামেন এবং প্রায় তিন দিন সেখানে কাটান। হ্যারিসন স্মিট ছিলেন একজন ভূতত্ত্ববিদ, তাই চাঁদে যাওয়া প্রথম বিজ্ঞানী তিনিই। ইউজিন সারনান চাঁদ ছাড়ার আগে শেষ মানুষ হিসেবে চাঁদের মাটিতে পা রাখেন। এর পর আর কোনো মানুষ চাঁদে যায়নি। নাসা এখন আর্টেমিস (Artemis) কর্মসূচির মাধ্যমে আবার মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম চন্দ্রাভিযান অ্যাপোলো-১১, ১৯৬৯ সালে।
    ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে মোট ১২ জন চাঁদে হেঁটেছেন।
  181. ২২৬. 'পাথ ফাইন্ডার' (Pathfinder) কী?স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. চাঁদে অবতরণকারী একটি যানের নাম
    • খ. শুক্র গ্রহে অবতরণকারী যানটির নাম
    • গ. রাতের অন্ধকারে পথ দেখা যায় এরূপ একটি আলোর মেশিন
    • ঘ. মঙ্গল গ্রহে অবতরণকারী যানটির নাম
    উত্তর: ঘ. মঙ্গল গ্রহে অবতরণকারী যানটির নাম
    পাথফাইন্ডার (Pathfinder) নাসার একটি মহাকাশযান, যা ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করে। এর পুরো নাম মার্স পাথফাইন্ডার। মজার ব্যাপার হলো, এই যান বিশাল বেলুনের মতো এয়ারব্যাগে মোড়া অবস্থায় মঙ্গলের মাটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে নেমেছিল। এর সঙ্গে সোজার্নার (Sojourner) নামের একটি ছোট রোভার ছিল, যা অন্য গ্রহের মাটিতে চলা প্রথম চাকাওয়ালা রোভার। সোজার্নার মঙ্গলের পাথর ও মাটি পরীক্ষা করে পৃথিবীতে তথ্য পাঠিয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    মঙ্গলে নাসার অন্য রোভার: স্পিরিট, অপরচুনিটি, কিউরিওসিটি ও পারসিভিয়ারেন্স।
    মঙ্গলে প্রথম সফল অবতরণকারী যান সোভিয়েত মার্স-৩, ১৯৭১ সালে।
    পাথফাইন্ডার মিশন নাসার ডিসকভারি কর্মসূচির অংশ ছিল।
  182. ২২৭. মঙ্গল গ্রহে অবতরণকারী নাসা'র রোভার স্কাউট যান দুটি -চবি (ডি ইউনিট) ভর্তি, ২০০৩-০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. এপোলো ও ঈগল
    • খ. স্পিরিট ও অপরচুনিটি
    • গ. ইউরোপা ও নাসা
    • ঘ. রোভার ও স্কাউট
    উত্তর: খ. স্পিরিট ও অপরচুনিটি
    মঙ্গল গ্রহে অবতরণকারী নাসার দুটি যমজ রোভার হলো স্পিরিট (Spirit) ও অপরচুনিটি (Opportunity)। ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে এরা মঙ্গলের দুই ভিন্ন জায়গায় নামে। পরিকল্পনা ছিল মাত্র ৯০ দিন কাজ করার, কিন্তু স্পিরিট প্রায় ৬ বছর এবং অপরচুনিটি প্রায় ১৪ বছর কাজ চালিয়ে যায়। এই রোভার দুটি মঙ্গলের পাথর পরীক্ষা করে প্রমাণ পায় যে অতীতে সেখানে তরল পানি ছিল। ২০১৮ সালে এক বিশাল ধুলিঝড়ে সৌর প্যানেল ঢেকে গেলে অপরচুনিটি থেমে যায়।
    মনে রাখুন:
    কিউরিওসিটি মঙ্গলে নামে ২০১২ সালে।
    পারসিভিয়ারেন্স মঙ্গলে নামে ২০২১ সালে।
    এদের পুরো নাম মার্স এক্সপ্লোরেশন রোভার।
  183. ২২৮. জেমস ওয়েব কীসের নাম?চবি (ডি উপ-ইউনিট) ভর্তি, ২০২৪-২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. সাবমেরিন
    • খ. ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিজাইল
    • গ. স্পেস টেলিস্কোপ
    • ঘ. স্যাটেলাইট
    উত্তর: গ. স্পেস টেলিস্কোপ
    জেমস ওয়েব (James Webb) হলো একটি মহাকাশ দুরবিন বা স্পেস টেলিস্কোপ। নাসা, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ও কানাডিয়ান মহাকাশ সংস্থা মিলে এটি তৈরি করেছে এবং ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি মূলত অবলোহিত রশ্মি (Infrared) দিয়ে মহাবিশ্ব দেখে, তাই ধুলার মেঘ ভেদ করে অনেক দূরের ও প্রাচীন ছায়াপথ দেখতে পারে। এর প্রধান আয়না ১৮টি সোনার প্রলেপ দেওয়া ষড়ভুজ টুকরো দিয়ে তৈরি, যার ব্যাস প্রায় ৬.৫ মিটার। নাসার দ্বিতীয় প্রশাসক জেমস ই. ওয়েবের নামে এর নামকরণ করা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে L2 বিন্দুতে আছে।
  184. ২২৯. ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে NASA মহাশূন্যে যে স্পেস টেলিস্কোপ প্রেরণ করেছে তার নাম-ব্যাংকের শিক্ষানবিস অফিসার, ২০২৫ ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Kepler Space Telescope
    • খ. James Webb Space Telescope
    • গ. Hubble Space Telescope
    • ঘ. Neil Armstrong Space Telescope
    উত্তর: খ. James Webb Space Telescope
    ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর নাসা ইউরোপীয় ও কানাডিয়ান মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে মিলে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (James Webb Space Telescope) মহাশূন্যে পাঠায়। ফরাসি গায়ানার কুরু উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ইউরোপের আরিয়ান-৫ রকেটে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি হাবলের উত্তরসূরি এবং এখন পর্যন্ত মহাশূন্যে পাঠানো সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী দুরবিন। ২০২২ সালের জুলাইয়ে এর তোলা প্রথম রঙিন ছবিগুলো প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে হাবল উৎক্ষেপণ করা হয় ১৯৯০ সালে, আর কেপলার টেলিস্কোপ ২০০৯ সালে ভিনগ্রহ খুঁজতে পাঠানো হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    জেমস ওয়েব মূলত অবলোহিত রশ্মিতে কাজ করে।
  185. ২৩০. মহাকাশে প্রথম আনন্দ ভ্রমণকারী (পর্যটক) কে?যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. নেইল আর্মস্ট্রং
    • খ. ডেনিস টিটো
    • গ. মাইকেল কলিন্স
    • ঘ. ইউরি গ্যাগারিন
    উত্তর: খ. ডেনিস টিটো
    মহাকাশে প্রথম আনন্দ ভ্রমণকারী বা পর্যটক হলেন মার্কিন ব্যবসায়ী ডেনিস টিটো (Dennis Tito)। ২০০১ সালের ২৮ এপ্রিল তিনি রাশিয়ার সয়ুজ মহাকাশযানে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) যান এবং প্রায় ৮ দিন মহাশূন্যে কাটান। এই ভ্রমণের জন্য তিনি নিজের পকেট থেকে প্রায় ২ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করেছিলেন। পেশাদার নভোচারী না হয়েও শুধু ভ্রমণের আনন্দে মহাশূন্যে যাওয়া প্রথম মানুষ তিনিই। এখন স্পেসএক্স ও ব্লু অরিজিনের মতো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যাচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম নারী মহাকাশ পর্যটক আনুশেহ আনসারি, ২০০৬ সালে।
    প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন, ১৯৬১ সালে।
  186. ২৩১. মহাকাশে প্রথম নারী পর্যটকের নাম কী?যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ২০০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. কল্পনা
    • খ. ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা
    • গ. আনুশেহ আনসারি
    • ঘ. শিরিন এবাদি
    উত্তর: গ. আনুশেহ আনসারি
    মহাকাশে প্রথম নারী পর্যটক হলেন ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যবসায়ী আনুশেহ আনসারি (Anousheh Ansari)। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি রাশিয়ার সয়ুজ যানে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যান এবং প্রায় ১১ দিন মহাশূন্যে কাটান। তিনি নিজের খরচে এই ভ্রমণ করেছিলেন এবং মহাকাশ থেকে ব্লগ লিখে পৃথিবীর মানুষকে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন। বাকি নামগুলো ভিন্ন পরিচয়ের। ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা প্রথম নারী নভোচারী, আর কল্পনা চাওলা ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রথম নারী নভোচারী। শিরিন এবাদি ইরানের শান্তিতে নোবেলজয়ী আইনজীবী।
    মনে রাখুন:
    প্রথম পুরুষ মহাকাশ পর্যটক ডেনিস টিটো, ২০০১ সালে।
    আনুশেহ আনসারি এক্স প্রাইজ প্রতিযোগিতার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।
  187. ২৩২. নাসা (NASA) কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (চতুর্থ পর্যায়), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. বিজ্ঞান গবেষণা
    • খ. মহাকাশ গবেষণা
    • গ. গোয়েন্দা
    • ঘ. বিশ্ব পরিবেশ
    উত্তর: খ. মহাকাশ গবেষণা
    নাসা (NASA) যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। মহাকাশ অনুসন্ধান, বৈমানিক গবেষণা এবং পৃথিবী ও মহাবিশ্ব নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এর প্রধান কাজ। ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-১ পাঠানোর পর যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে, তাই ১৯৫৮ সালে নাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। নাসার উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মধ্যে আছে অ্যাপোলো চন্দ্রাভিযান, স্পেস শাটল, হাবল ও জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ এবং মঙ্গলে রোভার পাঠানো।
    মনে রাখুন:
    নাসার সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে।
    নাসার প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার।
    বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো।
    নাসার পূর্ণরূপ National Aeronautics and Space Administration।
    নাসার রকেট উৎক্ষেপণ হয় ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে।
  188. ২৩৩. NASA-কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তরের সার্কেল অ্যাডজুটেন্ট, ২০০৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. ১৯৫২ সনে
    • খ. ১৯৫৪ সনে
    • গ. ১৯৫৬ সনে
    • ঘ. ১৯৫৮ সনে
    উত্তর: ঘ. ১৯৫৮ সনে
    নাসা (NASA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালে। ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-১ পাঠানোর পর যুক্তরাষ্ট্রে মহাকাশ গবেষণাকে জোরদার করার দাবি ওঠে। তাই ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার জাতীয় বৈমানিক ও মহাকাশ আইনে সই করেন। একই বছরের ১ অক্টোবর নাসা আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে বৈমানিক গবেষণার দায়িত্বে ছিল NACA নামের একটি সংস্থা, আর নাসা এই পুরোনো সংস্থাকেই নিজের মধ্যে নিয়ে নেয়।
    মনে রাখুন:
    নাসার সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে।
    বাংলাদেশের স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
    ভারতের ইসরো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে।
    নাসার প্রথম প্রশাসক ছিলেন টি. কিথ গ্লেনান।
  189. ২৩৪. NASA এর পূর্ণরূপ -রাবি (ক-১ ইউনিট) ভর্তি, ২০২১-২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. National Aeronautics & Space Authority
    • খ. National Aeronautics & Space Administration
    • গ. National Aeronautics & Space Agency
    • ঘ. National Aeronautics & Space Agreement
    উত্তর: খ. National Aeronautics & Space Administration
    NASA-এর পূর্ণরূপ হলো National Aeronautics and Space Administration, বাংলায় জাতীয় বৈমানিক ও মহাকাশ প্রশাসন। Aeronautics শব্দের অর্থ বিমান চালনা ও বায়ুতে উড্ডয়নবিদ্যা, আর Administration মানে প্রশাসন বা পরিচালনা সংস্থা। নামের মধ্যেই বোঝা যায়, নাসা কেবল মহাকাশ নয়, বিমান চালনা নিয়েও গবেষণা করে। প্রশ্নে অন্য শব্দগুলো যেমন Agency বা Authority শুনতে কাছাকাছি হলেও সেগুলো নাসার আসল নামে নেই। এ কারণে সংক্ষিপ্ত রূপ মুখস্থ করার সময় শেষ শব্দটি বিশেষ খেয়াল করতে হয়।
    মনে রাখুন:
    ESA: European Space Agency।
    ISRO: Indian Space Research Organisation।
    JAXA: Japan Aerospace Exploration Agency।
  190. ২৩৫. রাশিয়ার মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র 'বাইকনুর কসমোড্রোম' কোথায় অবস্থিত?প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. কাজাখস্তান
    • খ. উজবেকিস্তান
    • গ. তাজাকিস্তান
    • ঘ. কিরগিজিস্তান
    উত্তর: ক. কাজাখস্তান
    রাশিয়ার মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বাইকোনুর কসমোড্রোম (Baikonur Cosmodrome) কাজাখস্তানে অবস্থিত। সোভিয়েত আমলে কাজাখস্তান সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল, তখনই এই কেন্দ্র তৈরি হয়। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে কাজাখস্তান স্বাধীন হলে রাশিয়া চুক্তির মাধ্যমে কেন্দ্রটি ইজারা নিয়ে ব্যবহার করছে। এটি পৃথিবীর প্রথম ও সবচেয়ে বড় মহাকাশ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। ১৯৫৭ সালে স্পুটনিক-১ এবং ১৯৬১ সালে ইউরি গ্যাগারিনের ভস্টক-১ এখান থেকেই উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    রাশিয়ার নিজ ভূখণ্ডের নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ভস্তোচনি কসমোড্রোম।
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র কেনেডি স্পেস সেন্টার।
    বাইকোনুর থেকেই রুশ সয়ুজ যান আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী পাঠায়।
  191. ২৩৬. রুশ মহাকাশ সংস্থা কোনটি?রাবি (সি ইউনিট) ভর্তি, ২০২১-২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. জ্যাক্সা
    • খ. তিয়ানগং
    • গ. নাসা
    • ঘ. রসকসমস
    উত্তর: ঘ. রসকসমস
    রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মহাকাশ সংস্থার নাম রসকসমস (Roscosmos)। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৯২ সালে রাশিয়ার মহাকাশ কর্মসূচি পরিচালনার জন্য এই সংস্থা গঠিত হয়। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী ও মালপত্র পাঠাতে রসকসমসের সয়ুজ মহাকাশযান দীর্ঘদিন বড় ভূমিকা রেখেছে। বাকি নামগুলো অন্য দেশের। জ্যাক্সা (JAXA) জাপানের মহাকাশ সংস্থা, নাসা (NASA) যুক্তরাষ্ট্রের। আর তিয়ানগং কোনো সংস্থা নয়, এটি চীনের মহাকাশ স্টেশনের নাম।
    মনে রাখুন:
    রাশিয়ার মহাকাশচারীদের কসমোনট বলা হয়।
    চীনের মহাকাশ সংস্থা সিএনএসএ (CNSA)।
    রাশিয়ার প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বাইকোনুর কসমোড্রোম, যা কাজাখস্তানে অবস্থিত।
    রুশ ভাষায় কসমস মানে মহাকাশ।
  192. ২৩৭. Is the earth moving or stationary?/ পৃথিবী গতিশীল না স্থির-ইসলামী ব্যাংক সহকারী অফিসার, ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. The earth moves or stationary (পৃথিবী গতিশীল বা স্থির)
    • খ. The earth is stationary (পৃথিবী স্থির)
    • গ. The earth is stationary about its axis and also around the sun (পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর এবং সূর্যের চারদিকে স্থির)
    • ঘ. The earth is moving about its own axis and also around the sun (পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর এবং সূর্যের চারদিকে গতিশীল)
    উত্তর: ঘ. The earth is moving about its own axis and also around the sun (পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর এবং সূর্যের চারদিকে গতিশীল)
    পৃথিবী স্থির নয়, এটি নিজ অক্ষের ওপর এবং সূর্যের চারদিকে দুইভাবেই গতিশীল। নিজ অক্ষে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘোরে, একে আহ্নিক গতি (Rotation) বলে। এই গতির ফলে দিন ও রাত হয়। আবার পৃথিবী নিজের কক্ষপথে প্রায় ৩৬৫ দিনে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে, একে বার্ষিক গতি (Revolution) বলে। পৃথিবীর অক্ষ হেলে থাকার সঙ্গে এই বার্ষিক গতি মিলে ঋতু পরিবর্তন ঘটায়। আমরা এই গতি টের পাই না, কারণ বায়ুমণ্ডলসহ আমরা সবাই পৃথিবীর সঙ্গে একই বেগে চলছি।
    মনে রাখুন:
    কক্ষপথে পৃথিবীর গড় বেগ প্রায় সেকেন্ডে ৩০ কিলোমিটার।
  193. ২৩৮. পৃথিবীর নিজের অক্ষের উপর ঘূর্ণনকে কি বলা হয়?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (বরিশাল বিভাগ), ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. বার্ষিক গতি
    • খ. আহ্নিক গতি
    • গ. ঘূর্ণন গতি
    • ঘ. চক্রাকার গতি
    উত্তর: খ. আহ্নিক গতি
    পৃথিবীর নিজের অক্ষের ওপর ঘূর্ণনকে আহ্নিক গতি বা আবর্তন (Rotation) বলে। ‘আহ্নিক’ শব্দটি এসেছে ‘অহ্ন’ থেকে, যার অর্থ দিন। পৃথিবী প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার নিজ অক্ষে ঘুরে আসে, তাই এই গতিকে দৈনিক গতিও বলা হয়। সূক্ষ্মভাবে হিসাব করলে এক আবর্তনে লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড। আহ্নিক গতির ফলে দিন ও রাত হয় এবং সূর্য পূর্ব দিকে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায় বলে মনে হয়। অন্যদিকে সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর প্রদক্ষিণকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ (Revolution) বলে।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষরেখায় আহ্নিক গতির বেগ সবচেয়ে বেশি, ঘণ্টায় প্রায় ১,৬৭০ কিলোমিটার।
    মেরুতে এই বেগ শূন্য।
  194. ২৩৯. কোনটি না থাকলে পৃথিবীর অর্ধাংশে চিরকাল দিন ও বিপরীত অর্ধাংশে চিরকাল রাত থাকত?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৪ ও খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্য পরিদর্শক · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. বার্ষিক গতি
    • খ. আহ্নিক গতি
    • গ. মেরু গতি
    • ঘ. মধ্যাকর্ষণ গতি
    উত্তর: খ. আহ্নিক গতি
    আহ্নিক গতি (Rotation) না থাকলে পৃথিবীর অর্ধেক অংশে চিরকাল দিন আর বিপরীত অর্ধেকে চিরকাল রাত থাকত। পৃথিবী গোলাকার বলে যেকোনো সময় এর অর্ধেক অংশে সূর্যের আলো পড়ে, আর বাকি অর্ধেক অন্ধকারে থাকে। পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘোরে বলেই প্রতিটি জায়গা পালা করে আলো থেকে অন্ধকারে আর অন্ধকার থেকে আলোয় আসে। ফলে প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার দিন ও রাত হয়। আহ্নিক গতি না থাকলে আলোকিত অংশ প্রচণ্ড গরম আর অন্ধকার অংশ ভীষণ ঠান্ডা হয়ে যেত, তাই সেখানে জীবন টিকে থাকা কঠিন হতো।
    মনে রাখুন:
    বার্ষিক গতির ফলে ঋতু পরিবর্তন হয়।
  195. ২৪০. আহ্নিক গতিতে পৃথিবী নিজ অক্ষে প্রতিনিয়ত কোন দিকে আবর্তন করছে?বিশ্ববিদ্যালয় (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৯-১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে
    • খ. পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে
    • গ. উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে
    • ঘ. দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে
    উত্তর: খ. পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে
    আহ্নিক গতিতে পৃথিবী নিজ অক্ষে প্রতিনিয়ত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে। এ কারণেই আমাদের কাছে মনে হয় সূর্য, চাঁদ ও তারা পূর্ব দিকে ওঠে এবং পশ্চিমে অস্ত যায়। আসলে সূর্য ঘুরছে না, পৃথিবী ঘুরছে, যেমন চলন্ত ট্রেন থেকে বাইরের গাছপালাকে উল্টো দিকে ছুটতে দেখা যায়। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে বলে পূর্বের দেশগুলোতে আগে সূর্য ওঠে। তাই বাংলাদেশের সময় ইংল্যান্ডের সময়ের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে থাকে।
    মনে রাখুন:
    উত্তর মেরুর ওপর থেকে দেখলে পৃথিবী ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরে।
    প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
  196. ২৪১. পৃথিবী উত্তর দক্ষিণে কিঞ্চিত চাপা ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত স্ফীত আকার ধারণ করার কারণ-প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক, ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
    • খ. মহাকর্ষ শক্তি
    • গ. প্রচণ্ড উত্তাপ
    • ঘ. অবিরাম আবর্তন
    উত্তর: ঘ. অবিরাম আবর্তন
    পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু কিছুটা চাপা এবং নিরক্ষীয় অঞ্চল একটু স্ফীত হওয়ার কারণ হলো এর অবিরাম আবর্তন বা আহ্নিক গতি। পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘোরার সময় নিরক্ষরেখার কাছের অংশ সবচেয়ে বেশি বেগে ঘোরে, ফলে সেখানে কেন্দ্রবিমুখী প্রভাব সবচেয়ে বেশি হয়। পৃথিবী গঠনের সময় এর পদার্থ নরম ছিল, তাই এই প্রভাবে নিরক্ষীয় অংশ বাইরের দিকে ফুলে ওঠে। এভাবেই পৃথিবী একটি অভিগত গোলক (Oblate Spheroid) আকার পেয়েছে।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষীয় ব্যাস মেরু ব্যাসের চেয়ে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার বেশি।
    বৃহস্পতি ও শনি দ্রুত ঘোরে বলে এদের চাপা আকার আরও স্পষ্ট।
  197. ২৪২. পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে সৃষ্টি হয় -প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (চতুর্থ পর্যায়), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. ঋতু পরিবর্তন
    • খ. সৌরবছর
    • গ. দিবারাত্রির সংঘটন
    • ঘ. দিবারাত্রির হ্রাসবৃদ্ধি
    উত্তর: গ. দিবারাত্রির সংঘটন
    পৃথিবীর আহ্নিক গতির (Rotation) ফলে দিবারাত্রি বা দিন ও রাত সংঘটিত হয়। পৃথিবী নিজ অক্ষে ঘোরার সময় যে অংশ সূর্যের দিকে থাকে, সেখানে দিন হয়, আর বিপরীত অংশে রাত হয়। অন্যদিকে ঋতু পরিবর্তন, সৌরবছর এবং দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের হ্রাসবৃদ্ধি হয় বার্ষিক গতির কারণে। বার্ষিক গতির সময় পৃথিবীর অক্ষ কক্ষতলের সঙ্গে ৬৬.৫ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে, আর এই হেলানো অবস্থানের জন্যই বছরের বিভিন্ন সময়ে দিন ছোট বা বড় হয়।
    মনে রাখুন:
    আহ্নিক গতির আরেকটি ফল বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের দিক বেঁকে যাওয়া, একে কোরিওলিস প্রভাব (Coriolis Effect) বলে।
    ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন।
  198. ২৪৩. সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্বের সময়কে বলা হয়-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত ও ঋতু
    • ক. উষা
    • খ. মধ্যাহ্ন
    • গ. গোধূলী
    • ঘ. রাত্রি
    উত্তর: ক. উষা
    সূর্য ওঠার ঠিক আগে পূর্ব আকাশ ধীরে ধীরে আলোকিত হতে থাকে, এই সময়টিকে উষা (Dawn) বলে। সূর্য তখনো দিগন্তের নিচে থাকে, কিন্তু বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণা ও গ্যাসের অণু সূর্যের আলো বিক্ষিপ্ত করে আমাদের দিকে পাঠায়, তাই অন্ধকার কেটে আবছা আলো দেখা যায়। একইভাবে সূর্য ডোবার পরেও কিছুক্ষণ আকাশে আলো থাকে, সেই সময়টির নাম গোধূলি (Dusk)। উষা ও গোধূলির এই আবছা আলোকে একসঙ্গে সন্ধ্যালোক (Twilight) বলা হয়। মজার ব্যাপার হলো, বায়ুমণ্ডল না থাকলে উষা বা গোধূলি কিছুই থাকত না, সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই হঠাৎ অন্ধকার নেমে আসত।
    মনে রাখুন:
    মধ্যাহ্ন হলো দুপুরের সময়, যখন সূর্য আকাশে সবচেয়ে উঁচুতে থাকে।
    বিষুবরেখার কাছে উষা ও গোধূলি অল্প সময় থাকে, মেরুর দিকে তা অনেক দীর্ঘ হয়।
  199. ২৪৪. At what velocity is the earth travelling around the sun along its orbit? অথবা, পৃথিবী প্রতি সেকেন্ডে সূর্যের চারদিকে কত মাইল গতিতে আবর্তন করছে?মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের অধীনে অডিটর, ২০১৮ ও ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী ভূতত্ত্ববিদ, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর বার্ষিক গতি
    • ক. 16 miles/ sec
    • খ. 18.5 miles/sec
    • গ. 20 miles/ sec
    • ঘ. 21.4 miles/ sec
    উত্তর: খ. 18.5 miles/sec
    পৃথিবী সূর্য থেকে গড়ে প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ মাইল (প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার) দূরে থেকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যের চারদিকে ঘোরে, একে পৃথিবীর বার্ষিক গতি (Revolution) বলে। কক্ষপথটি এত বড় যে একবার ঘুরে আসতে প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা লাগে, আর এই সময়ে পৃথিবীকে প্রতি সেকেন্ডে গড়ে প্রায় ১৮.৫ মাইল বা প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। পৃথিবী যখন সূর্যের কাছে থাকে তখন বেগ একটু বাড়ে, আর দূরে গেলে একটু কমে।
    মনে রাখুন:
    বার্ষিক গতির বেগ সেকেন্ডে প্রায় ১৮.৫ মাইল, অর্থাৎ ঘণ্টায় প্রায় ৬৭,০০০ মাইল।
    বার্ষিক গতি এবং পৃথিবীর অক্ষের হেলে থাকার ফলে ঋতু পরিবর্তন হয় ও দিন-রাতের দৈর্ঘ্য বদলায়।
  200. ২৪৫. পৃথিবী সূর্যের চারদিকে কত মাইল বেগে ঘুরে?একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর বার্ষিক গতি
    • ক. ঘণ্টায় ৫৭০০০ মাইল বেগে
    • খ. ঘণ্টায় ৬৭০০০ মাইল বেগে
    • গ. ঘণ্টায় ৬২০০০ মাইল বেগে
    • ঘ. ঘণ্টায় ৭০০০০ মাইল বেগে
    উত্তর: খ. ঘণ্টায় ৬৭০০০ মাইল বেগে
    পৃথিবী সূর্যের চারদিকে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৮.৫ মাইল বেগে ঘোরে। এক ঘণ্টায় ৩,৬০০ সেকেন্ড থাকে, তাই ঘণ্টার হিসাবে বেগ দাঁড়ায় প্রায় 18.5 × 3600 = 66,600 মাইল, যাকে সাধারণভাবে ঘণ্টায় প্রায় ৬৭,০০০ মাইল বলা হয়। কিলোমিটারে এই বেগ ঘণ্টায় প্রায় ১,০৭,০০০ কিলোমিটার। এত দ্রুত ছুটলেও আমরা কিছুই টের পাই না, কারণ বায়ুমণ্ডলসহ আমাদের চারপাশের সবকিছু পৃথিবীর সঙ্গে একই বেগে চলছে।
    মনে রাখুন:
    সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা লাগে, একে সৌরবছর বলে।
    প্রতি বছরের বাড়তি ৬ ঘণ্টা জমে ৪ বছরে ১ দিন হয়, তাই প্রতি ৪ বছর পরপর অধিবর্ষে (Leap year) ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের হয়।
  201. ২৪৬. পৃথিবীতে সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়-বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিরাপত্তা প্রহরী, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত ও ঋতু
    • ক. ২৩ অক্টোবর ও ২২ ডিসেম্বর
    • খ. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
    • গ. ২৩ মার্চ ও ২১ সেপ্টেম্বর
    • ঘ. ২২ ডিসেম্বর ও ২৩ অক্টোবর
    উত্তর: খ. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
    বছরে দুইবার সূর্য ঠিক নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর। এই দুই দিনে পৃথিবীর কোনো মেরুই সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে না, তাই ছায়াবৃত্ত দুই মেরু ছুঁয়ে যায় এবং পৃথিবীর সব জায়গায় দিন ও রাত সমান হয়। এই দিন দুটিকে বিষুব (Equinox) বলে। ২১ মার্চকে বলা হয় বসন্ত বিষুব (Vernal Equinox), কারণ উত্তর গোলার্ধে তখন বসন্তকাল, আর ২৩ সেপ্টেম্বরকে বলা হয় শরৎ বিষুব (Autumnal Equinox)।
    মনে রাখুন:
    ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন।
    ২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন উত্তর গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন।
  202. ২৪৭. দিবা ও রাত্রি পরস্পর সমান, এরূপ দিন বছরে কয়বার আসে?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত ও ঋতু
    • ক. ১ বার
    • খ. ২ বার
    • গ. ৩ বার
    • ঘ. ৪ বার
    উত্তর: খ. ২ বার
    দিন ও রাত পৃথিবীর সব জায়গায় সমান হয় তখনই, যখন সূর্য ঠিক নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার পথে বছরে মাত্র দুইবার এমন অবস্থানে আসে, ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর। তাই বছরে ২ বার দিন-রাত সমান হয়, আর এই দুই দিনকে বিষুব (Equinox) বলে। ল্যাটিন শব্দ Equinox-এর অর্থই হলো সমান রাত। অন্যদিকে বছরে দুইবার সূর্য ক্রান্তিরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, সেই দুই দিনকে অয়নান্ত বা সৌরস্থিতি (Solstice) বলে। অয়নান্তের দিনে দিন-রাতের পার্থক্য সবচেয়ে বেশি হয়।
    মনে রাখুন:
    বিষুব: ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।
    অয়নান্ত: ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর।
  203. ২৪৮. উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন -নিয়োগ পরীক্ষা, ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত ও ঋতু
    • ক. ২১ মার্চ
    • খ. ২৩ ডিসেম্বর
    • গ. ২১ জুন
    • ঘ. ২২ জুলাই
    উত্তর: গ. ২১ জুন
    ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার (২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ) ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই সময় পৃথিবীর উত্তর মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে, ফলে উত্তর গোলার্ধের বেশি অংশ আলোকিত থাকে এবং সেখানে দিন সবচেয়ে বড় ও রাত সবচেয়ে ছোট হয়। এই দিনটিকে উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন অয়নান্ত (Summer Solstice) বলা হয়। একই দিনে দক্ষিণ গোলার্ধে ঘটে ঠিক উল্টোটা, সেখানে তখন দিন সবচেয়ে ছোট এবং শীতকাল চলে।
    মনে রাখুন:
    উত্তর গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ২২ ডিসেম্বর।
    বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে, তাই এখানেও ২১ জুন দীর্ঘতম এবং ২২ ডিসেম্বর ক্ষুদ্রতম দিন।
  204. ২৪৯. বাংলাদেশে বছরের দীর্ঘতম দিন কত তারিখ?নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অফিস সহকারী, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত ও ঋতু
    • ক. ২০ মে
    • খ. ২১ জুন
    • গ. ২১ জুলাই
    • ঘ. ১৯ জুন
    উত্তর: খ. ২১ জুন
    বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে কর্কটক্রান্তি রেখার কাছে অবস্থিত। ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে, তাই বাংলাদেশে বছরের দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত হয় ২১ জুন। এ দিন ঢাকায় দিনের দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা। মজার ব্যাপার হলো, কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে চলে গেছে, তাই এ দিন দুপুরে এই রেখার ওপরের জায়গাগুলোতে সূর্য ঠিক মাথার ওপর থাকে এবং খাড়া খুঁটির প্রায় কোনো ছায়া পড়ে না।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত ২২ ডিসেম্বর।
    ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশেও দিন-রাত সমান।
  205. ২৫০. পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন হয়-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা, ২০২৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দিন-রাত ও ঋতু
    • ক. ২১ মার্চ
    • খ. ২৩ সেপ্টেম্বর
    • গ. ২১ জুন
    • ঘ. ২২ ডিসেম্বর
    উত্তর: ঘ. ২২ ডিসেম্বর
    দক্ষিণ গোলার্ধের ঋতু উত্তর গোলার্ধের ঠিক উল্টো। ২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার (২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ) ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে। ফলে দক্ষিণ গোলার্ধের বেশি অংশ আলো পায় এবং সেখানে এই দিনটি বছরের সবচেয়ে বড় দিন হয়। এ সময় অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা বা দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রীষ্মকাল চলে, তাই সেসব দেশে বড়দিন পালিত হয় গরমের মধ্যে। নিরক্ষরেখা থেকে যত দক্ষিণে যাওয়া যায়, এই দিনটি তত বেশি দীর্ঘ হয়।
    মনে রাখুন:
    দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ২১ জুন।
    ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধে, অর্থাৎ বাংলাদেশে, বছরের ক্ষুদ্রতম দিন।
  206. ২৫১. পৃথিবীকে সমান দুই অংশে ভাগ করেছে কোন রেখা?বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ)-এর প্রটোকল অফিসার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. সমাক্ষ রেখা
    • খ. নিরক্ষরেখা
    • গ. মেরু রেখা
    • ঘ. দ্রাঘিমা রেখা
    উত্তর: খ. নিরক্ষরেখা
    নিরক্ষরেখা (Equator) হলো দুই মেরু থেকে সমান দূরে পৃথিবীর মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে কল্পিত একটি বৃত্ত। এই রেখা পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ নামে সমান দুই ভাগে ভাগ করেছে। নিরক্ষরেখার আরেক নাম বিষুবরেখা। এর অক্ষাংশ ০°, আর এখান থেকেই উত্তর ও দক্ষিণে অক্ষাংশ গোনা শুরু হয়। নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অঞ্চলে সারা বছর সূর্য প্রায় খাড়াভাবে কিরণ দেয়, তাই সেখানে উষ্ণতা বেশি।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষরেখা পৃথিবীর দীর্ঘতম অক্ষরেখা, এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০,০৭৫ কিলোমিটার।
    মূল মধ্যরেখা (০°) এবং ১৮০° দ্রাঘিমারেখা মিলে পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে ভাগ করে।
  207. ২৫২. গুরুবৃত্ত বা মহাবৃত্ত হচ্ছে -মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. দ্রাঘিমারেখা
    • খ. অক্ষরেখা
    • গ. নিরক্ষরেখা
    • ঘ. মধ্যরেখা
    উত্তর: গ. নিরক্ষরেখা
    গোলকের কেন্দ্র দিয়ে যায় এমন কোনো তল গোলকের পৃষ্ঠে যে বৃত্ত তৈরি করে, তাকে গুরুবৃত্ত বা মহাবৃত্ত (Great Circle) বলে। এটিই গোলকের ওপর আঁকা সম্ভব সবচেয়ে বড় বৃত্ত। অক্ষরেখাগুলোর মধ্যে কেবল নিরক্ষরেখার তলই পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে গেছে, তাই নিরক্ষরেখা একটি মহাবৃত্ত। অন্য সব অক্ষরেখা মেরুর দিকে ক্রমে ছোট হয়, তাই সেগুলো ক্ষুদ্রবৃত্ত (Small Circle)। প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা আসলে একটি অর্ধবৃত্ত, পরস্পর বিপরীত দুটি দ্রাঘিমারেখা মিলে একটি পূর্ণ মহাবৃত্ত তৈরি হয়।
    মনে রাখুন: ভূপৃষ্ঠে দুটি স্থানের মধ্যে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ মহাবৃত্তের ওপর দিয়ে যায়, তাই দূরপাল্লার উড়োজাহাজ ও জাহাজ মহাবৃত্ত পথ (Great circle route) অনুসরণ করে।
  208. ২৫৩. কোন কাল্পনিক রেখা থেকে অক্ষাংশ গণনা করা হয়?গুপ্ত সংকেত পরিদপ্তরের সাইফার অফিসার, ২০০৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. কর্কটক্রান্তি
    • খ. মকরক্রান্তি
    • গ. বিষুবরেখা
    • ঘ. মূল মধ্যরেখা
    উত্তর: গ. বিষুবরেখা
    কোনো স্থান নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে কত ডিগ্রি কৌণিক দূরত্বে আছে, সেটিই ওই স্থানের অক্ষাংশ (Latitude)। তাই অক্ষাংশ গোনা শুরু হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা থেকে, যার মান ০°। সেখান থেকে উত্তরে ৯০° পর্যন্ত উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণে ৯০° পর্যন্ত দক্ষিণ অক্ষাংশ। অন্যদিকে দ্রাঘিমাংশ (Longitude) গোনা হয় মূল মধ্যরেখা থেকে, যা যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়ে গেছে। অক্ষাংশ জানলে বোঝা যায় কোনো স্থান নিরক্ষরেখা থেকে কতটা উত্তরে বা দক্ষিণে, আর এর সঙ্গে দ্রাঘিমাংশ মিলিয়েই পৃথিবীর যেকোনো স্থানের সঠিক অবস্থান বলা যায়।
    মনে রাখুন:
    কর্কটক্রান্তি: ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ।
    মকরক্রান্তি: ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ।
    সুমেরুবৃত্ত ৬৬.৫° উত্তর এবং কুমেরুবৃত্ত ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ।
  209. ২৫৪. ভৌগোলিক রেখার নামানুসারে কোন দেশের নামকরণ করা হয়?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (লোকপ্রশাসন বিভাগ) ভর্তি, ২০০৯-১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. ইতালি
    • খ. ইকুয়েডর
    • গ. ইয়েমেন
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. ইকুয়েডর
    দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের নাম এসেছে স্প্যানিশ শব্দ Ecuador থেকে, যার অর্থ নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা (Equator)। নিরক্ষরেখা এই দেশের উত্তর অংশ দিয়ে, রাজধানী কিটোর খুব কাছ দিয়ে চলে গেছে, তাই দেশটির এমন নাম। কিটোর কাছে ‘মিতাদ দেল মুন্দো’ (পৃথিবীর মাঝখান) নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ আছে, যেখানে নিরক্ষরেখা চিহ্নিত করা হয়েছে। নিরক্ষরেখার ওপরে থাকায় দেশটিতে সারা বছর দিন ও রাত প্রায় সমান থাকে।
    মনে রাখুন: নিরক্ষরেখা যেসব দেশের ওপর দিয়ে গেছে তার মধ্যে আছে ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, গ্যাবন, কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া, সোমালিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।
  210. ২৫৫. নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তরে এবং দক্ষিণে যাওয়া যায় ততই বাড়তে থাকে-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. অক্ষাংশ
    • খ. দ্রাঘিমাংশ
    • গ. মধ্যাংশ
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. অক্ষাংশ
    অক্ষাংশ (Latitude) মাপা হয় নিরক্ষরেখা থেকে। নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ ০°, আর সেখান থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে যত সরে যাওয়া যায়, পৃথিবীর কেন্দ্রে তৈরি কোণ তত বড় হয়, ফলে অক্ষাংশের মানও তত বাড়ে। দুই মেরুতে গিয়ে এই মান সর্বোচ্চ ৯০° হয়। দ্রাঘিমাংশ (Longitude) অবশ্য উত্তর-দক্ষিণে চলাচলে বদলায় না, এটি বদলায় পূর্ব-পশ্চিমে সরলে। অক্ষাংশ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণত গড় তাপমাত্রা কমে, কারণ মেরুর দিকে সূর্যরশ্মি তির্যকভাবে পড়ে। এ কারণেই নিরক্ষীয় অঞ্চল উষ্ণ আর মেরু অঞ্চল বরফে ঢাকা থাকে।
    মনে রাখুন:
    অক্ষাংশের সর্বোচ্চ মান ৯০°।
    দ্রাঘিমাংশের সর্বোচ্চ মান ১৮০°।
  211. ২৫৬. সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র -প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (গোলাপ), ২০০৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. ফ্যাদোমিটার
    • খ. সেক্সট্যান্ট
    • গ. ক্রনোমিটার
    • ঘ. ট্যাকোমিটার
    উত্তর: খ. সেক্সট্যান্ট
    দিগন্ত থেকে আকাশের কোনো বস্তু কত ডিগ্রি ওপরে আছে, সেই কোণকে উন্নতি কোণ (Altitude) বলে। সেক্সট্যান্ট (Sextant) যন্ত্র দিয়ে সূর্য, চাঁদ, গ্রহ বা তারার এই উন্নতি কোণ মাপা হয়। নাবিকেরা দুপুরে সূর্যের উন্নতি কোণ বা রাতে ধ্রুবতারার উন্নতি মেপে জাহাজের অক্ষাংশ বের করতেন, তাই সমুদ্রযাত্রায় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র ছিল। যন্ত্রটির বাঁকা স্কেলটি বৃত্তের ৬ ভাগের ১ ভাগ, সেখান থেকেই এর নাম সেক্সট্যান্ট। আধুনিক জাহাজে এখন জিপিএস ব্যবহার হলেও প্রশিক্ষণে এবং বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সেক্সট্যান্টের ব্যবহার এখনো শেখানো হয়।
    মনে রাখুন:
    ফ্যাদোমিটার: সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্র।
    ক্রনোমিটার: জাহাজে সঠিক সময় রাখার যন্ত্র।
    ট্যাকোমিটার: ইঞ্জিনের ঘূর্ণন বেগ মাপার যন্ত্র।
  212. ২৫৭. ধ্রুবতারা ঠিক মাথার উপর অবস্থান করে-প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (যমুনা), ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. কুমেরু বিন্দুতে
    • খ. সুমেরু বিন্দুতে
    • গ. অক্ষরেখায়
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. সুমেরু বিন্দুতে
    ধ্রুবতারা (Polaris) পৃথিবীর অক্ষ বরাবর উত্তর দিকে প্রায় সোজা ওপরে অবস্থান করছে। তাই উত্তর মেরু বা সুমেরু বিন্দুতে দাঁড়ালে ধ্রুবতারাকে ঠিক মাথার ওপর দেখা যায়। পৃথিবী নিজের অক্ষে ঘুরলেও ধ্রুবতারা অক্ষের প্রায় সোজাসুজি থাকায় একে আকাশে প্রায় স্থির মনে হয়, আর অন্য তারাগুলো যেন এর চারদিকে ঘোরে। মজার ব্যাপার হলো, কোনো স্থান থেকে দিগন্তের ওপরে ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ মোটামুটি ওই স্থানের অক্ষাংশের সমান।
    মনে রাখুন:
    নিরক্ষরেখা থেকে ধ্রুবতারা দিগন্তের একেবারে কাছে দেখা যায়।
    বাংলাদেশ থেকে ধ্রুবতারা উত্তর আকাশে প্রায় ২১° থেকে ২৬° উঁচুতে দেখা যায়।
  213. ২৫৮. ধ্রুবতারা দেখা যায়-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (যমুনা, ক্যামেলিয়া), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. উত্তর গোলার্ধে
    • খ. দক্ষিণ গোলার্ধে
    • গ. পূর্ব গোলার্ধে
    • ঘ. পশ্চিম গোলার্ধে
    উত্তর: ক. উত্তর গোলার্ধে
    ধ্রুবতারা (Polaris) পৃথিবীর উত্তর মেরুর প্রায় সোজাসুজি ওপরে অবস্থিত, তাই একে কেবল উত্তর গোলার্ধ থেকে দেখা যায়। নিরক্ষরেখা পার হয়ে দক্ষিণ গোলার্ধে গেলে তারাটি দিগন্তের নিচে চলে যায়। ধ্রুবতারা সবসময় উত্তর দিকে প্রায় একই জায়গায় থাকে, তাই প্রাচীনকাল থেকে নাবিক ও পথিকেরা রাতে দিক ঠিক করতে একে ব্যবহার করে এসেছেন। সপ্তর্ষিমণ্ডলের (Ursa Major) সামনের দুটি তারা বরাবর সরলরেখা টানলে সহজেই ধ্রুবতারা খুঁজে পাওয়া যায়। মজার ব্যাপার হলো, ধ্রুবতারা খুব উজ্জ্বল তারা নয়, তবু স্থির অবস্থানের জন্য এটি সবচেয়ে কাজের তারা।
    মনে রাখুন: দক্ষিণ গোলার্ধে দিক নির্ণয়ে দক্ষিণ ক্রস (Southern Cross) নামের নক্ষত্রমণ্ডল ব্যবহার করা হয়।
  214. ২৫৯. ভূ-গোলকে কতগুলি অক্ষাংশ রেখা আছে?প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. ৯০ টি
    • খ. ৯১ টি
    • গ. ১৮০ টি
    • ঘ. ১৮১টি
    উত্তর: ঘ. ১৮১টি
    নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে ও দক্ষিণে প্রতি ১° পরপর একটি করে অক্ষরেখা কল্পনা করলে উত্তর গোলার্ধে ৯০টি এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ৯০টি রেখা পাওয়া যায়। এর সঙ্গে নিরক্ষরেখা নিজে (০°) যোগ করলে মোট অক্ষরেখার সংখ্যা দাঁড়ায় 90 + 90 + 1 = 181টি। এখানে ৯০° উত্তর ও ৯০° দক্ষিণ আসলে মেরুবিন্দু, রেখা নয়, তবু হিসাবে এদের ধরা হয়। একইভাবে প্রতি ১° পরপর দ্রাঘিমারেখা কল্পনা করলে মোট ৩৬০টি দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    অক্ষরেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল, তাই এদের সমান্তরাল রেখাও (Parallels) বলে।
    দ্রাঘিমারেখাগুলো দুই মেরুতে এসে মিলিত হয়।
  215. ২৬০. কর্কট ক্রান্তির অক্ষাংশ কত?জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী সচিব, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. ২২°
    • খ. ২২°২৬′
    • গ. ২৩°৩০′
    • ঘ. ২৩°
    উত্তর: গ. ২৩°৩০′
    কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer) নিরক্ষরেখা থেকে প্রায় ২৩.৫° বা ২৩°৩০′ উত্তরে অবস্থিত। পৃথিবীর অক্ষ প্রায় ২৩.৫° হেলে আছে, তাই উত্তর দিকে এই অক্ষাংশ পর্যন্তই সূর্য বছরে একদিন, ২১ জুন, ঠিক মাথার ওপর লম্বভাবে কিরণ দিতে পারে। এর চেয়ে বেশি উত্তরে সূর্য কখনো ঠিক মাথার ওপরে আসে না। সূক্ষ্মভাবে মাপলে এই মান এখন প্রায় ২৩°২৬′, তবে সাধারণভাবে ২৩°৩০′ ধরা হয়। এই রেখার দক্ষিণে মকরক্রান্তি পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে উষ্ণমণ্ডল বলে।
    মনে রাখুন:
    মকরক্রান্তি রেখা ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশে।
    কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে চলে গেছে।
  216. ২৬১. ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কি বলা হয়?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (মার্কেটিং) ভর্তি, ২০০২-০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. মকরক্রান্তি
    • খ. বিষুবলম্ব
    • গ. মূলমধ্যরেখা
    • ঘ. কর্কট ক্রান্তি
    উত্তর: ঘ. কর্কট ক্রান্তি
    নিরক্ষরেখা থেকে ২৩.৫° উত্তরের অক্ষরেখাটির নাম কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)। ২১ জুন সূর্য এই রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন হয়। প্রাচীনকালে এই সময় সূর্যকে কর্কট রাশিতে দেখা যেত, সেখান থেকেই রেখাটির এমন নাম। এই রেখা বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, চীন, সৌদি আরব, মিশর ও মেক্সিকোসহ অনেক দেশের ওপর দিয়ে গেছে। বাংলাদেশে এই রেখার কাছাকাছি এলাকায় ২১ জুন দুপুরে সূর্য প্রায় ঠিক মাথার ওপর থাকে।
    মনে রাখুন:
    ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ হলো মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of Capricorn)।
    ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশ হলো সুমেরুবৃত্ত।
    দুই ক্রান্তিরেখার মাঝের অঞ্চলকে উষ্ণমণ্ডল বলে।
  217. ২৬২. এশিয়ার দক্ষিণভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে -মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. কুমেরুরেখা
    • খ. কর্কট ক্রান্তি রেখা
    • গ. মকর ক্রান্তি রেখা
    • ঘ. সুমেরুরেখা
    উত্তর: খ. কর্কট ক্রান্তি রেখা
    কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর) এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ অংশ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে চলে গেছে। এই রেখা সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, চীন ও তাইওয়ানের ওপর দিয়ে গেছে। অন্যদিকে মকরক্রান্তি রেখা দক্ষিণ গোলার্ধে, তাই এটি এশিয়াকে ছোঁয় না, আর সুমেরুবৃত্ত গেছে এশিয়ার একেবারে উত্তরে সাইবেরিয়ার ওপর দিয়ে। কুমেরুবৃত্ত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশকে ঘিরে আছে। ভারতের প্রায় মাঝখান দিয়ে এবং বাংলাদেশেরও প্রায় মাঝখান দিয়ে রেখাটি গেছে, তাই আমাদের দেশ উষ্ণমণ্ডলের উত্তর প্রান্তে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    কর্কটক্রান্তি রেখা এশিয়া, আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ওপর দিয়ে গেছে।
    নিরক্ষরেখা, কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি তিনটিই গেছে কেবল আফ্রিকা মহাদেশের ওপর দিয়ে।
  218. ২৬৩. কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির মধ্যবর্তী অঞ্চল হচ্ছে-মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. উষ্ণমণ্ডল
    • খ. হিমমণ্ডল
    • গ. আপেক্ষিকমণ্ডল
    • ঘ. নিরক্ষীয় মণ্ডল
    উত্তর: ক. উষ্ণমণ্ডল
    কর্কটক্রান্তি (২৩.৫° উত্তর) ও মকরক্রান্তি (২৩.৫° দক্ষিণ) রেখার মাঝের অঞ্চলে বছরের কোনো না কোনো সময় সূর্য ঠিক মাথার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। তাই এখানে তাপ সবচেয়ে বেশি, আর এই অঞ্চলকে উষ্ণমণ্ডল বা ক্রান্তীয় মণ্ডল (Torrid Zone) বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চল এর চেয়ে অনেক সরু, নিরক্ষরেখার দুই পাশে মাত্র কয়েক ডিগ্রি পর্যন্ত বিস্তৃত, সেটি উষ্ণমণ্ডলের ভেতরের একটি অংশ মাত্র। বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ এই উষ্ণমণ্ডলের ভেতরে পড়েছে, কারণ কর্কটক্রান্তি রেখা দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে গেছে।
    মনে রাখুন:
    উষ্ণমণ্ডল: ২৩.৫° উত্তর থেকে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ।
    নাতিশীতোষ্ণমণ্ডল: দুই গোলার্ধে ২৩.৫° থেকে ৬৬.৫° অক্ষাংশ।
    হিমমণ্ডল: ৬৬.৫° থেকে মেরু পর্যন্ত।
  219. ২৬৪. আফ্রিকার প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে -সহকারী পরিচালক (পাসপোর্ট অ্যান্ড ইমিগ্রেশন), ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. মূল মধ্যরেখা
    • খ. কর্কটক্রান্তি রেখা
    • গ. বিষুব রেখা
    • ঘ. মকরক্রান্তি রেখা
    উত্তর: গ. বিষুব রেখা
    নিরক্ষরেখা আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে চলে গেছে। এটি গ্যাবন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গণতান্ত্রিক কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া ও সোমালিয়ার ওপর দিয়ে গেছে, ফলে আফ্রিকার বড় অংশ উত্তর গোলার্ধে আর ছোট অংশ দক্ষিণ গোলার্ধে পড়ে। মূল মধ্যরেখাও আফ্রিকার ওপর দিয়ে গেছে, তবে মহাদেশের পশ্চিম অংশ দিয়ে, যেমন ঘানা, মালি ও আলজেরিয়ায়। আর কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি গেছে যথাক্রমে উত্তর ও দক্ষিণ অংশ দিয়ে।
    মনে রাখুন:
    আফ্রিকা একমাত্র মহাদেশ, যার ওপর দিয়ে নিরক্ষরেখা, কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি তিনটিই গেছে।
    মূল মধ্যরেখা ও নিরক্ষরেখা আফ্রিকার কাছে গিনি উপসাগরে পরস্পরকে ছেদ করেছে।
  220. ২৬৫. নিচের কোন দেশটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ঘ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৩-০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. অস্ট্রেলিয়া
    • খ. ইন্দোনেশিয়া
    • গ. ইরাক
    • ঘ. সৌদি আরব
    উত্তর: ক. অস্ট্রেলিয়া
    অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের পুরোটাই নিরক্ষরেখার দক্ষিণে, তাই দেশটি সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। ইন্দোনেশিয়ার ওপর দিয়ে নিরক্ষরেখা চলে গেছে, ফলে দেশটির কিছু অংশ উত্তর গোলার্ধে আর বেশিরভাগ দক্ষিণ গোলার্ধে। ইরাক ও সৌদি আরব পুরোপুরি উত্তর গোলার্ধে। দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় অস্ট্রেলিয়ায় ঋতুগুলো আমাদের উল্টো, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে সেখানে গ্রীষ্মকাল এবং জুন-জুলাইয়ে শীতকাল। অস্ট্রেলিয়ার পাশের দেশ নিউজিল্যান্ডও পুরোপুরি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও চিলি এবং আফ্রিকার দক্ষিণ আফ্রিকাও দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর বেশিরভাগ স্থলভাগ ও জনসংখ্যা উত্তর গোলার্ধে।
    দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ উত্তর গোলার্ধের চেয়ে অনেক বেশি।
    মকরক্রান্তি রেখা অস্ট্রেলিয়ার মাঝখান দিয়ে গেছে।
  221. ২৬৬. ২২ ডিসেম্বর সূর্য কোন রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (সি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. কর্কট ক্রান্তি রেখা
    • খ. মকর ক্রান্তি রেখা
    • গ. নিরক্ষ রেখা
    • ঘ. সুমেরু রেখা
    উত্তর: খ. মকর ক্রান্তি রেখা
    ২২ ডিসেম্বর পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি হেলে থাকে, তাই সূর্য তখন মকরক্রান্তি রেখার (২৩.৫° দক্ষিণ) ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও গ্রীষ্মকাল, আর উত্তর গোলার্ধে, অর্থাৎ বাংলাদেশে, ক্ষুদ্রতম দিন ও শীতকাল হয়। এই দিনটিকে উত্তর গোলার্ধের শীতকালীন অয়নান্ত (Winter Solstice) বলা হয়। এরপর সূর্যের লম্ব কিরণ আবার উত্তর দিকে সরতে থাকে।
    মনে রাখুন:
    ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
    ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
    সূর্য কখনো দুই ক্রান্তিরেখার বাইরে লম্বভাবে কিরণ দেয় না।
  222. ২৬৭. ৬৬.৫ উত্তর অক্ষাংশ কি নামে পরিচিত?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগ) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. কুমেরুবৃত্ত
    • খ. বিষুবরেখা
    • গ. সুমেরুবৃত্ত
    • ঘ. মূল মধ্যরেখা
    উত্তর: গ. সুমেরুবৃত্ত
    নিরক্ষরেখা থেকে ৬৬.৫° বা ৬৬°৩০′ উত্তরের অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle) বলে। এই রেখার উত্তরে বছরে অন্তত একদিন সূর্য পুরো ২৪ ঘণ্টা দিগন্তের ওপরে থাকে, আবার অন্তত একদিন একবারও ওঠে না। উত্তর মেরু থেকে এর কৌণিক দূরত্ব ২৩.৫°, যা পৃথিবীর অক্ষের হেলে থাকার কোণের সমান। গ্রীষ্মকালে সুমেরুবৃত্তের উত্তরে নরওয়ে বা ফিনল্যান্ডে মাঝরাতেও সূর্য দেখা যায়, তাই নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়। শীতকালে আবার উল্টোটা ঘটে, তখন এসব অঞ্চলে দিনের বেলাতেও সূর্য দিগন্তের ওপরে ওঠে না।
    মনে রাখুন:
    ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ হলো কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle)।
    সুমেরুবৃত্ত থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত অঞ্চলকে উত্তর হিমমণ্ডল বলে।
  223. ২৬৮. মেরুরেখা বা অক্ষের দক্ষিণ প্রান্তবিন্দুকে বলা হয়-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. বিষুবরেখা
    • খ. সুমেরু
    • গ. কুমেরু
    • ঘ. দ্রাঘিমারেখা
    উত্তর: গ. কুমেরু
    পৃথিবী যে কল্পিত রেখাকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তাকে মেরুরেখা বা অক্ষ (Axis) বলে। এই অক্ষের উত্তর প্রান্তবিন্দুকে সুমেরু বা উত্তর মেরু (North Pole) এবং দক্ষিণ প্রান্তবিন্দুকে কুমেরু বা দক্ষিণ মেরু (South Pole) বলা হয়। কুমেরু অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বরফে ঢাকা উঁচু মালভূমির ওপর অবস্থিত, অন্যদিকে সুমেরু উত্তর মহাসাগরের ভাসমান বরফের মাঝে। দুই মেরুর অক্ষাংশ ৯০°, আর সব দ্রাঘিমারেখা মেরুতে এসে মিলিত হয়। মেরুতে দাঁড়ালে সূর্য সারা দিন দিগন্তের কাছাকাছি চক্কর দেয়, কখনো খুব উঁচুতে ওঠে না।
    মনে রাখুন:
    ১৯১১ সালে নরওয়ের অভিযাত্রী রোয়াল্ড আমুন্ডসেন প্রথম দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছান।
    পৃথিবীর অক্ষ প্রায় ২৩.৫° হেলে আছে।
  224. ২৬৯. মূল মধ্যরেখার মান কত?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ভূগোল) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ৮০ ডিগ্রি
    • খ. ১৮০ ডিগ্রি
    • গ. ০ ডিগ্রি
    • ঘ. ৩০ ডিগ্রি
    উত্তর: গ. ০ ডিগ্রি
    মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) হলো সেই দ্রাঘিমারেখা, যেখান থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে দ্রাঘিমাংশ গোনা শুরু হয়, তাই এর মান ০°। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে লন্ডনের কাছে গ্রিনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়ে যাওয়া রেখাটিকে মূল মধ্যরেখা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। সেজন্য একে গ্রিনিচ মধ্যরেখাও বলে। ফ্রান্সের প্যারিস দিয়ে যাওয়া মধ্যরেখাও একসময় অনেকে ব্যবহার করত, তবে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রিনিচই চূড়ান্ত স্বীকৃতি পায়।
    মনে রাখুন:
    মূল মধ্যরেখার পূর্বে ১৮০° পর্যন্ত পূর্ব দ্রাঘিমা এবং পশ্চিমে ১৮০° পর্যন্ত পশ্চিম দ্রাঘিমা।
    ১৮০° দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কল্পনা করা হয়েছে।
    বাংলাদেশ মোটামুটি ৮৮° থেকে ৯২° পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে অবস্থিত।
  225. ২৭০. দ্রাঘিমা রেখাগুলো -রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (সি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. গোলাকৃতি
    • খ. ডিম্বাকৃতি
    • গ. অর্ধবৃত্তাকার
    • ঘ. চৌকা
    উত্তর: গ. অর্ধবৃত্তাকার
    দ্রাঘিমারেখাগুলো উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত টানা কল্পিত রেখা। প্রতিটি রেখা পৃথিবীর অর্ধেক পরিধি ঘুরে এক মেরু থেকে আরেক মেরুতে যায়, তাই এগুলো অর্ধবৃত্তাকার। পরস্পর বিপরীত দুটি দ্রাঘিমারেখা, যেমন ০° ও ১৮০°, একসঙ্গে মিলে একটি পূর্ণ বৃত্ত বা মহাবৃত্ত তৈরি করে। দ্রাঘিমারেখাগুলো নিরক্ষরেখায় পরস্পর থেকে সবচেয়ে দূরে থাকে এবং মেরুর দিকে কাছাকাছি এসে মেরুবিন্দুতে মিলিত হয়। নিরক্ষরেখায় পাশাপাশি দুটি দ্রাঘিমারেখার মধ্যে দূরত্ব প্রায় ১১১ কিলোমিটার, কিন্তু মেরুতে গিয়ে এই দূরত্ব শূন্য হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    সব দ্রাঘিমারেখা সমান দৈর্ঘ্যের।
    অক্ষরেখাগুলো পূর্ণ বৃত্ত, এদের মধ্যে নিরক্ষরেখা সবচেয়ে বড় এবং মেরুর দিকে ক্রমশ ছোট।
    দ্রাঘিমারেখাকে মধ্যরেখাও (Meridian) বলে।
  226. ২৭১. গ্রিনউইচ শব্দটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. সময়
    • খ. দূরত্ব
    • গ. ওজন
    • ঘ. দৈর্ঘ্য
    উত্তর: ক. সময়
    গ্রিনিচ (Greenwich) যুক্তরাজ্যের লন্ডনের একটি এলাকা, যেখানে রয়্যাল অবজারভেটরি নামে বিখ্যাত মানমন্দির আছে। এই মানমন্দিরের ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমারেখাকে মূল মধ্যরেখা (০°) ধরা হয়, আর এখানকার গড় সৌর সময়কে বলা হয় গ্রিনিচ মান সময় (Greenwich Mean Time বা GMT)। পৃথিবীর সব দেশের প্রমাণ সময় এই সময়ের সঙ্গে তুলনা করে ঠিক করা হয়, তাই গ্রিনিচ শব্দটি সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখন বৈজ্ঞানিক কাজে GMT-এর জায়গায় পারমাণবিক ঘড়িনির্ভর UTC (Coordinated Universal Time) ব্যবহার হয়।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রমাণ সময় GMT থেকে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে, অর্থাৎ GMT +6।
  227. ২৭২. গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ৫°
    • খ. ১°
    • গ. ০.৫°
    • ঘ. ০°
    উত্তর: ঘ. ০°
    গ্রিনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমারেখাকেই মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) হিসেবে ধরা হয়েছে, আর সেখান থেকেই দ্রাঘিমাংশ গোনা শুরু হয়। তাই গ্রিনিচের দ্রাঘিমা ০°। গ্রিনিচ থেকে পূর্বে যত যাওয়া যায় পূর্ব দ্রাঘিমা বাড়ে এবং পশ্চিমে গেলে পশ্চিম দ্রাঘিমা বাড়ে, দুই দিকেই সর্বোচ্চ মান ১৮০°। পৃথিবী প্রতি ঘণ্টায় ১৫° ঘোরে, তাই গ্রিনিচ থেকে প্রতি ১৫° পূর্বে গেলে স্থানীয় সময় ১ ঘণ্টা এগিয়ে যায় এবং পশ্চিমে গেলে ১ ঘণ্টা পিছিয়ে যায়।
    মনে রাখুন: ঢাকার দ্রাঘিমা প্রায় ৯০° পূর্ব, তাই ঢাকার সময় গ্রিনিচের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
  228. ২৭৩. গ্রিনিচ মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. যুক্তরাষ্ট্রে
    • খ. সুইজারল্যান্ডে
    • গ. গ্রিসে
    • ঘ. যুক্তরাজ্যে
    উত্তর: ঘ. যুক্তরাজ্যে
    গ্রিনিচ মানমন্দির বা রয়্যাল অবজারভেটরি (Royal Observatory, Greenwich) যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের গ্রিনিচ এলাকায়, টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। রাজা দ্বিতীয় চার্লস ১৬৭৫ সালে সমুদ্রযাত্রায় দ্রাঘিমা নির্ণয়ের কাজে সাহায্য করার জন্য এটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৮৮৪ সালের আন্তর্জাতিক মধ্যরেখা সম্মেলনে এখান দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমারেখাকে মূল মধ্যরেখা (০°) হিসেবে গ্রহণ করা হয়। মানমন্দিরের আঙিনায় একটি ধাতব রেখা দিয়ে মূল মধ্যরেখা চিহ্নিত করা আছে, যার দুই পাশে পা রেখে মানুষ একসঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে দাঁড়ায়।
    মনে রাখুন: গ্রিনিচের সময়কে গ্রিনিচ মান সময় (GMT) বলে, আর এর সঙ্গে তুলনা করেই সারা বিশ্বের সময় অঞ্চল ঠিক করা হয়।
  229. ২৭৪. সময়ের শূন্য রেখা কোন দেশ অবস্থিত?পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিনটেনডেন্ট, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. যুক্তরাজ্য
    • খ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
    • গ. চীন
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ক. যুক্তরাজ্য
    সময়ের শূন্য রেখা বলতে মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) বা ০° দ্রাঘিমারেখাকে বোঝায়। এই রেখা যুক্তরাজ্যের লন্ডনের কাছে গ্রিনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়ে গেছে, আর এখানকার সময়কে ভিত্তি ধরে বিশ্বের সব অঞ্চলের সময় হিসাব করা হয়। তাই একে সময়ের শূন্য রেখা বলে। যুক্তরাজ্য ছাড়াও এই রেখা ইউরোপের ফ্রান্স ও স্পেন এবং আফ্রিকার আলজেরিয়া, মালি, বুরকিনা ফাসো, টোগো ও ঘানার ওপর দিয়ে গেছে।
    মনে রাখুন:
    মূল মধ্যরেখার ঠিক বিপরীতে রয়েছে ১৮০° দ্রাঘিমারেখা।
    ১৮০° দ্রাঘিমা বরাবর আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কল্পনা করা হয়েছে, এটি পার হলে তারিখ বদলায়।
  230. ২৭৫. গ্রিনউইচ মিন টাইম এবং কোন শহরের সময়ে কোন ব্যবধান নেই?মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ব্রাসেলস
    • খ. লন্ডন
    • গ. প্যারিস
    • ঘ. রোম
    উত্তর: খ. লন্ডন
    গ্রিনিচ মানমন্দিরের গড় সৌর সময়কে গ্রিনিচ মান সময় (GMT) বলে। গ্রিনিচ লন্ডন শহরেরই একটি অংশ এবং মূল মধ্যরেখা (০°) এর ওপর দিয়ে গেছে, তাই লন্ডনের প্রমাণ সময় আর GMT একই, এদের মধ্যে কোনো ব্যবধান নেই। তবে গ্রীষ্মকালে যুক্তরাজ্যে দিবালোক সাশ্রয় সময় (Daylight Saving Time) চালু থাকে, তখন লন্ডনের ঘড়ি ১ ঘণ্টা এগিয়ে রাখা হয়। ব্রাসেলস, প্যারিস ও রোম মধ্য ইউরোপীয় সময় মেনে চলে, যা GMT থেকে ১ ঘণ্টা এগিয়ে। শীতকালে অবশ্য লন্ডনের ঘড়ি আবার GMT-তেই ফিরে আসে।
    মনে রাখুন: GMT-এর আধুনিক বৈজ্ঞানিক রূপ হলো UTC (Coordinated Universal Time)।
  231. ২৭৬. প্রতি ৩০° দ্রাঘিমার স্থানান্তরের জন্য সময়ের পার্থক্য কত মিনিট হয়?বিসিএস · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ১৫ মিনিট
    • খ. ৩০ মিনিট
    • গ. ৬০ মিনিট
    • ঘ. ১২০ মিনিট
    উত্তর: ঘ. ১২০ মিনিট
    পৃথিবী নিজের অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় একবার, অর্থাৎ ৩৬০° ঘোরে। তাই ১° দ্রাঘিমা ঘুরতে সময় লাগে (24 × 60) ÷ 360 = 4 মিনিট। এই হিসাবে ৩০° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 30 × 4 = 120 মিনিট, অর্থাৎ ২ ঘণ্টা। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে বলে পূর্বের স্থানে সূর্য আগে ওঠে, তাই পূর্বে গেলে সময় বাড়ে এবং পশ্চিমে গেলে সময় কমে।
    মনে রাখুন:
    ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
    ১৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা।
    ১৮০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা।
    ১′ (মিনিট) দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ সেকেন্ড।
  232. ২৭৭. What is Bangladeshi local time zone?জনতা ব্যাংক পিএলসি অফিসার, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. GMT +06.00 hours
    • খ. GMT - 05.00 hours
    • গ. GMT - 06.00 hours
    • ঘ. GMT +05.00 hours
    উত্তর: ক. GMT +06.00 hours
    বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ঠিক করা হয়েছে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ধরে, যা ঢাকার খুব কাছ দিয়ে গেছে। পৃথিবী প্রতি ঘণ্টায় ১৫° ঘোরে, তাই ৯০° পূর্বের সময় গ্রিনিচের চেয়ে 90 ÷ 15 = 6 ঘণ্টা এগিয়ে থাকে। গ্রিনিচের পূর্বে থাকায় সময় এগিয়ে থাকে বলে চিহ্নটি যোগ (+), তাই বাংলাদেশের সময় অঞ্চল GMT +06:00। গ্রিনিচের পশ্চিমের দেশগুলোর সময় পিছিয়ে থাকে, তাদের সময় অঞ্চল বিয়োগ (−) চিহ্ন দিয়ে লেখা হয়, যেমন নিউইয়র্কের প্রমাণ সময় GMT −05:00।
    মনে রাখুন:
    ভারতের সময় অঞ্চল GMT +5:30।
    পাকিস্তানের সময় অঞ্চল GMT +5।
    নেপালের সময় অঞ্চল GMT +5:45।
  233. ২৭৮. What is time zone of Bangladesh?সমন্বিত ৮ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল), ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. UTC + 5
    • খ. UTC + 6
    • গ. UTC + 4
    • ঘ. UTC + 3
    উত্তর: খ. UTC + 6
    UTC (Coordinated Universal Time) হলো পারমাণবিক ঘড়ির ভিত্তিতে নির্ধারিত বিশ্বের প্রমাণ সময়, যা কার্যত গ্রিনিচ মান সময়ের (GMT) সমান। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা ধরে নির্ধারিত, আর প্রতি ১৫° দ্রাঘিমায় ১ ঘণ্টা পার্থক্য হয়। তাই বাংলাদেশের সময় UTC থেকে 90 ÷ 15 = 6 ঘণ্টা এগিয়ে, অর্থাৎ সময় অঞ্চল UTC +6। ভুটান ও কিরগিজস্তানের মতো কয়েকটি দেশও এই একই সময় অঞ্চল ব্যবহার করে। আগে বিশ্বের প্রমাণ সময় হিসেবে GMT বেশি প্রচলিত ছিল, কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক কাজে UTC লেখাই নিয়ম।
    মনে রাখুন:
    ভারতের সময় অঞ্চল UTC +5:30।
    মিয়ানমারের সময় অঞ্চল UTC +6:30।
    থাইল্যান্ডের সময় অঞ্চল UTC +7।
  234. ২৭৯. গ্রিনিচ মান সময় থেকে বাংলাদেশের সময় কত ঘণ্টা আগে?১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়ক (কলেজ পর্যায়), ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ৫ ঘণ্টা
    • খ. ৬ ঘণ্টা
    • গ. ৫.৫ ঘণ্টা
    • ঘ. ৬.৫ ঘণ্টা
    উত্তর: খ. ৬ ঘণ্টা
    পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে, তাই পূর্বের দেশগুলোতে সূর্য আগে ওঠে এবং সেখানকার সময় এগিয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা ধরে নির্ধারিত। প্রতি ১° দ্রাঘিমায় ৪ মিনিট পার্থক্য হলে ৯০° দ্রাঘিমায় পার্থক্য হয় 90 × 4 = 360 মিনিট, অর্থাৎ ৬ ঘণ্টা। তাই বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ মান সময় থেকে ৬ ঘণ্টা আগে বা এগিয়ে থাকে।
    উদাহরণ: গ্রিনিচে যখন সকাল ৮টা, ঢাকায় তখন দুপুর ২টা।
    মনে রাখুন: ভারতের প্রমাণ সময় GMT থেকে সাড়ে ৫ ঘণ্টা এগিয়ে, তাই বাংলাদেশের সময় ভারতের চেয়ে আধা ঘণ্টা এগিয়ে থাকে।
  235. ২৮০. ঢাকাতে ২৪ মে দুপুর ১২ টা সময় লন্ডনে সময় হবে-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (প্রথম পর্যায়), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ২৫ মে রাত ১২টা
    • খ. ২৪ মে সকাল ৬টা
    • গ. ২৪ মে সন্ধ্যা ৬টা
    • ঘ. ২৪ মে রাত ১২টা
    উত্তর: খ. ২৪ মে সকাল ৬টা
    বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচ মান সময় (GMT) থেকে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে, আর লন্ডন মূল মধ্যরেখার ওপর অবস্থিত বলে লন্ডনের প্রমাণ সময় GMT ধরা হয়। ফলে ঢাকায় যখন ২৪ মে দুপুর ১২টা, লন্ডনে তখন ৬ ঘণ্টা পিছিয়ে একই দিনের সকাল ৬টা। লন্ডন ঢাকার পশ্চিমে, আর পশ্চিমের স্থানে সূর্য পরে ওঠে বলে সেখানকার সময় পিছিয়ে থাকে। হিসাবে মাঝরাত পার হয়নি, তাই তারিখও বদলায়নি।
    উদাহরণ: ঢাকায় সকাল ৪টা হলে লন্ডনে তখন আগের দিনের রাত ১০টা।
    মনে রাখুন:
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
    ১৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা।
  236. ২৮১. বাংলাদেশের স্থানীয় সময় যখন রবিবার রাত ১১:৩০, তখন গ্রিনিচ মান সময় কত?উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. রবিবার সকাল ৫:৩০
    • খ. রবিবার বিকাল ৫:৩০
    • গ. সোমবার সকাল ৫:৩০
    • ঘ. শনিবার বিকাল ৫:৩০
    উত্তর: খ. রবিবার বিকাল ৫:৩০
    বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচ মান সময় (GMT) থেকে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে, তাই বাংলাদেশের সময় থেকে GMT বের করতে ৬ ঘণ্টা বিয়োগ করতে হয়। রবিবার রাত ১১:৩০ মানে ২৪ ঘণ্টার হিসাবে 23:30। এখান থেকে ৬ ঘণ্টা বাদ দিলে পাই 23:30 − 6:00 = 17:30, অর্থাৎ একই দিন রবিবার বিকাল ৫:৩০। দিন বদলায়নি, কারণ বিয়োগ করার পরেও সময় মাঝরাত পার হয়ে পেছনের দিনে যায়নি।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের সময় থেকে GMT পেতে ৬ ঘণ্টা বিয়োগ করতে হয়।
    GMT থেকে বাংলাদেশের সময় পেতে ৬ ঘণ্টা যোগ করতে হয়।
    বাংলাদেশে রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে হলে গ্রিনিচে তখনো আগের দিন চলে।
  237. ২৮২. সমুদ্র দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম-এলজিইডির হিসাব সহকারী, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ক্রনোমিটার
    • খ. কম্পাস
    • গ. সিসমোগ্রাফ
    • ঘ. সেক্সট্যান্ট
    উত্তর: ক. ক্রনোমিটার
    সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ বের করতে জাহাজে ক্রনোমিটার (Chronometer) নামের অত্যন্ত নির্ভুল ঘড়ি ব্যবহার করা হয়। ঘড়িটি সবসময় গ্রিনিচের সময় দেখায়। নাবিকেরা সূর্য দেখে জাহাজের স্থানীয় দুপুর ঠিক করেন, তারপর গ্রিনিচের সময়ের সঙ্গে পার্থক্য বের করেন। প্রতি ৪ মিনিট পার্থক্যে ১° দ্রাঘিমা ধরে হিসাব করলেই জাহাজের দ্রাঘিমাংশ পাওয়া যায়। ১৮শ শতকে ইংরেজ ঘড়িনির্মাতা জন হ্যারিসন প্রথম সফল সামুদ্রিক ক্রনোমিটার তৈরি করেন।
    মনে রাখুন:
    কম্পাস দিয়ে দিক নির্ণয় করা হয়।
    সিসমোগ্রাফ দিয়ে ভূমিকম্প মাপা হয়।
    সেক্সট্যান্ট দিয়ে সূর্য বা তারার উন্নতি কোণ মেপে অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়।
  238. ২৮৩. সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্র -কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের সহকারী পরিদর্শক, ২০০৫ ও সাব-রেজিস্ট্রার, ২০০১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ব্যারোমিটার
    • খ. ক্রনোমিটার
    • গ. গ্যালভানোমিটার
    • ঘ. ম্যানোমিটার
    উত্তর: খ. ক্রনোমিটার
    ক্রনোমিটার (Chronometer) হলো খুব সূক্ষ্মভাবে সময় মাপার একটি ঘড়ি। তাপমাত্রা বা চাপের পরিবর্তনে এবং জাহাজের দুলুনিতেও এর সময় প্রায় একটুও এদিক-ওদিক হয় না, তাই একে নির্ভুল সময়রক্ষক বলা হয়। এই নির্ভুলতার জন্যই জাহাজে ক্রনোমিটার দিয়ে গ্রিনিচের সময় রেখে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়। গ্রিক শব্দ ক্রোনোস (Chronos) মানে সময় আর মিটার মানে মাপক, দুটি মিলে যন্ত্রটির নাম। আঠারো শতকে ইংরেজ ঘড়িনির্মাতা জন হ্যারিসন প্রথম সফল সামুদ্রিক ক্রনোমিটার তৈরি করেন।
    মনে রাখুন:
    ব্যারোমিটার দিয়ে বায়ুর চাপ মাপা হয়।
    গ্যালভানোমিটার দিয়ে বর্তনীতে অল্প তড়িৎপ্রবাহ শনাক্ত করা হয়।
    ম্যানোমিটার দিয়ে গ্যাসের চাপ মাপা হয়।
  239. ২৮৪. ক্রোনোমিটার কি?সমন্বিত ৯ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিনিয়র অফিসার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. সময় মাপার যন্ত্র
    • খ. রাস্তা মাপার যন্ত্র
    • গ. পানি মাপার যন্ত্র
    • ঘ. উত্তাপ মাপার যন্ত্র
    উত্তর: ক. সময় মাপার যন্ত্র
    ক্রোনোমিটার (Chronometer) হলো সময় মাপার একটি অত্যন্ত নির্ভুল যন্ত্র। গ্রিক ভাষায় ক্রোনোস মানে সময়, তাই নাম থেকেই এর কাজ বোঝা যায়। সাধারণ ঘড়ি তাপমাত্রার পরিবর্তন বা ঝাঁকুনিতে ধীরে বা দ্রুত চলতে পারে, কিন্তু ক্রোনোমিটার এমনভাবে তৈরি যে প্রতিকূল অবস্থাতেও এটি প্রায় নির্ভুল সময় দেয়। জাহাজে এই যন্ত্রে গ্রিনিচের সময় রেখে স্থানীয় সময়ের সঙ্গে তুলনা করে দ্রাঘিমাংশ বের করা হয়। আঠারো শতকে জন হ্যারিসনের তৈরি সামুদ্রিক ক্রোনোমিটার নৌচালনায় বিপ্লব এনেছিল।
    মনে রাখুন:
    ওডোমিটার দিয়ে গাড়ির অতিক্রান্ত দূরত্ব মাপা হয়।
    হাইগ্রোমিটার দিয়ে বাতাসের আর্দ্রতা মাপা হয়।
    পাইরোমিটার দিয়ে খুব উচ্চ তাপমাত্রা মাপা হয়।
  240. ২৮৫. জাহাজের সময় নিরূপণের জন্য ব্যবহৃত হয়-জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ক্রোনোমিটার
    • খ. দোলনঘড়ি
    • গ. ট্যাকোমিটার
    • ঘ. ওডোমিটার
    উত্তর: ক. ক্রোনোমিটার
    জাহাজে সঠিক সময় রাখার জন্য ক্রোনোমিটার (Chronometer) ব্যবহার করা হয়। সাধারণ দোলনঘড়ি জাহাজে কাজ করে না, কারণ ঢেউয়ের দুলুনিতে এর দোলক এলোমেলো দোলে এবং সময় ভুল হয়ে যায়। ক্রোনোমিটারে দোলকের বদলে স্প্রিং ও ভারসাম্য চাকা থাকে, আর তাপমাত্রার প্রভাবও এখানে প্রায় নিয়ন্ত্রিত থাকে, তাই দুলন্ত জাহাজেও এটি নির্ভুল সময় দেয়। এই সময় দেখে নাবিকেরা সমুদ্রে জাহাজের দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করেন। এই আবিষ্কারের আগে সমুদ্রে দ্রাঘিমা ঠিক করতে না পারায় অনেক জাহাজ পথ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ত।
    মনে রাখুন:
    ট্যাকোমিটার দিয়ে ইঞ্জিন বা চাকার ঘূর্ণন বেগ মাপা হয়।
    ওডোমিটার দিয়ে গাড়ির অতিক্রান্ত দূরত্ব মাপা হয়।
    ফ্যাদোমিটার দিয়ে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়।
  241. ২৮৬. কোনো স্থানের সময় ৩ টা হলে তার ১° পূর্বের সময় হবে -একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ২ টা ৫৬ মিনিট
    • খ. ৩ টা ৪ মিনিট
    • গ. ৩ টা ৪ সেকেন্ড
    • ঘ. ২ টা ৪ সেকেন্ড
    উত্তর: খ. ৩ টা ৪ মিনিট
    পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘোরে, তাই পূর্বের স্থানে সূর্য আগে ওঠে এবং সেখানকার সময় এগিয়ে থাকে। পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে, ফলে ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। তাই কোনো স্থানে ৩টা বাজলে তার ১° পূর্বের স্থানে সময় হবে 3:00 + 0:04 = 3:04, অর্থাৎ ৩টা ৪ মিনিট। একইভাবে ১° পশ্চিমের স্থানে সময় হতো ৪ মিনিট কম, অর্থাৎ ২টা ৫৬ মিনিট।
    মনে রাখুন:
    ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
    ১′ দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ সেকেন্ড।
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
  242. ২৮৭. কোনো স্থানের সময় ৩ টা হলে তার ১০° পূর্বের সময় হবে -মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রদর্শক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ২ টা ৫৬ মিনিট
    • খ. ৩ টা ৪ সেকেন্ড
    • গ. ৩ টা ৪ মিনিট
    • ঘ. কোনটিই নয়
    উত্তর: ঘ. কোনটিই নয়
    ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট, তাই ১০° দ্রাঘিমার জন্য পার্থক্য হয় 10 × 4 = 40 মিনিট। পূর্বের স্থানে সূর্য আগে ওঠে বলে সেখানকার সময় এগিয়ে থাকে, তাই ৩টার সঙ্গে ৪০ মিনিট যোগ করতে হবে: 3:00 + 0:40 = 3:40। অর্থাৎ ১০° পূর্বের স্থানে সময় হবে ৩টা ৪০ মিনিট, যা দেওয়া কোনো সময়ের সঙ্গেই মেলে না। ৩টা ৪ মিনিট হতো ১° পূর্বের স্থানের জন্য, আর ২টা ৫৬ মিনিট হতো ১° পশ্চিমের স্থানের জন্য।
    মনে রাখুন:
    ১৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা।
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
  243. ২৮৮. কোনো স্থানের সময় দুপুর ১২টা হলে, তার ৫° পশ্চিমের স্থানে সময় হবে–প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ), ২০০৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ১২টা ১০মিঃ
    • খ. ১২টা ২০মিঃ
    • গ. ১১টা ৪০মিঃ
    • ঘ. ১১টা ৫০মিঃ
    উত্তর: গ. ১১টা ৪০মিঃ
    পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে বলে পশ্চিমের স্থানে সূর্য পরে ওঠে, তাই সেখানকার সময় পিছিয়ে থাকে। ১° দ্রাঘিমায় পার্থক্য ৪ মিনিট হলে ৫° দ্রাঘিমায় পার্থক্য হয় 5 × 4 = 20 মিনিট। সুতরাং দুপুর ১২টা থেকে ২০ মিনিট বাদ দিতে হবে: 12:00 − 0:20 = 11:40। অর্থাৎ ৫° পশ্চিমের স্থানে তখন সকাল ১১টা ৪০ মিনিট। স্থানটি ৫° পূর্বে হলে উল্টো হিসাবে সময় হতো দুপুর ১২টা ২০ মিনিট।
    মনে রাখুন:
    ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
    ১৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা।
  244. ২৮৯. কোনো স্থানের সময় সকাল ১১টা হলে তার ৬° পশ্চিমের স্থানের সময় হবে -প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ), ২০০৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ১১ টা ২৪ মিনিট
    • খ. ১১ টা ১২ মিনিট
    • গ. ১০ টা ৩৬ মিনিট
    • ঘ. ১০ টা ৪৮ মিনিট
    উত্তর: গ. ১০ টা ৩৬ মিনিট
    পশ্চিমের স্থানে সময় পিছিয়ে থাকে, কারণ পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে এবং সেখানে সূর্য পরে ওঠে। ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট, তাই ৬° দ্রাঘিমার জন্য পার্থক্য হয় 6 × 4 = 24 মিনিট। সকাল ১১টা থেকে ২৪ মিনিট বাদ দিলে পাই 11:00 − 0:24 = 10:36, অর্থাৎ ৬° পশ্চিমের স্থানে সময় সকাল ১০টা ৩৬ মিনিট। স্থানটি ৬° পূর্বে হলে সময় হতো ১১টা ২৪ মিনিট।
    মনে রাখুন:
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
    ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
    ১৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা।
  245. ২৯০. ঢাকায় যখন দুপুর ১২টা তখন এর থেকে ২০° দ্রাঘিমাংশ পশ্চিমে অবস্থিত কোন স্থানের সময় কত?গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের থানা প্রকৌশলী, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. সকাল ১০টা ৩০মিনিট
    • খ. সকাল ১০টা ৪০ মিনিট
    • গ. দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট
    • ঘ. দুপুর ১টা ৩০ মিনিট
    উত্তর: খ. সকাল ১০টা ৪০ মিনিট
    ২০° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 20 × 4 = 80 মিনিট, অর্থাৎ ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট। স্থানটি ঢাকার পশ্চিমে, আর পশ্চিমে সূর্য পরে ওঠে বলে সেখানকার সময় পিছিয়ে থাকে। তাই দুপুর ১২টা থেকে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট বাদ দিতে হবে: 12:00 − 1:20 = 10:40। অর্থাৎ স্থানটিতে তখন সকাল ১০টা ৪০ মিনিট। স্থানটি ঢাকার ২০° পূর্বে হলে সময় হতো দুপুর ১টা ২০ মিনিট।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে, তাই ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
  246. ২৯১. গ্রিনিচে যখন রবিবার সকাল ৬টা তখন এর ৯০° পূর্বদিকে অবস্থিত স্থানের সময় হবে -প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (সুরমা), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. শনিবার রাত্রি ১২ টা
    • খ. শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা
    • গ. রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা
    • ঘ. রবিবার দুপুর ১২ টা
    উত্তর: ঘ. রবিবার দুপুর ১২ টা
    ৯০° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 90 × 4 = 360 মিনিট, অর্থাৎ ৬ ঘণ্টা। স্থানটি গ্রিনিচের পূর্বে, তাই সময় যোগ হবে: 6:00 + 6:00 = 12:00, অর্থাৎ রবিবার দুপুর ১২টা। ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে গেছে, তাই এটি আসলে বাংলাদেশের প্রমাণ সময়ের হিসাব। একইভাবে ৯০° পশ্চিমের স্থানে সময় হতো ৬ ঘণ্টা কম, অর্থাৎ শনিবার দিবাগত রাত ১২টা। এভাবে গ্রিনিচের সময় জানা থাকলে পৃথিবীর যেকোনো দ্রাঘিমার স্থানীয় সময় সহজেই বের করা যায়।
    মনে রাখুন:
    ১৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা।
    ৯০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা।
    ১৮০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা।
  247. ২৯২. কোনো স্থানে সময় যখন শনিবার সকাল ১০ টা তখন এর ১৮০° পূর্বদিকে অবস্থিত স্থানের সময় হবে -প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (করতোয়া), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ প্রতিপাদ স্থান
    • ক. শনিবার রাত্রি ১০ টা
    • খ. শনিবার দুপুর ৪ টা
    • গ. শুক্রবার রাত্রি ১০ টা
    • ঘ. শনিবার ভোর ৪ টা
    উত্তর: ক. শনিবার রাত্রি ১০ টা
    ১৮০° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 180 × 4 = 720 মিনিট, অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা। স্থানটি পূর্বে, তাই সময় ১২ ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে: 10:00 + 12:00 = 22:00, অর্থাৎ শনিবার রাত ১০টা। যোগ করার পরেও মাঝরাত পার হয়নি, তাই বার বদলায়নি। লক্ষ করার মতো ব্যাপার হলো, ১৮০° পূর্ব বা পশ্চিম যেদিকেই যাওয়া হোক, ঘড়ির সময় একই থাকে, কিন্তু দিন বা তারিখ আলাদা হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    প্রতিপাদ স্থানের (Antipode) দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০°, তাই এদের সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা।
    ১৮০° পশ্চিমের স্থানে একই সময়ে হতো শুক্রবার রাত ১০টা।
  248. ২৯৩. গ্রিনিচে যখন রবিবার সকাল ৬টা তখন ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমায় সময় যথাক্রমে-প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (চট্টগ্রাম বিভাগ), ২০০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. রবিবার দুপুর ১২টা ও শনিবার সকাল ৬টা
    • খ. রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ও শনিবার দুপুর ১২টা
    • গ. রবিবার ১২টা ও শনিবার রাত ১২টা
    • ঘ. রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা
    উত্তর: ঘ. রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ও শনিবার সন্ধ্যা ৬টা
    ১৮০° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 180 × 4 = 720 মিনিট, অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা। গ্রিনিচ থেকে ১৮০° পূর্বে সময় ১২ ঘণ্টা এগিয়ে থাকে, তাই সেখানে রবিবার সকাল ৬টার সঙ্গে ১২ ঘণ্টা যোগ করে পাই রবিবার সন্ধ্যা ৬টা। আবার ১৮০° পশ্চিমে সময় ১২ ঘণ্টা পিছিয়ে থাকে, তাই সেখানে পাই শনিবার সন্ধ্যা ৬টা। মজার ব্যাপার হলো, ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম আসলে একই দ্রাঘিমারেখা, তবু দুই পাশে ঘড়ির সময় এক হলেও বার আলাদা। এই কারণেই ১৮০° দ্রাঘিমা বরাবর আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কল্পনা করা হয়েছে।
    মনে রাখুন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা পার হলে তারিখ ১ দিন বদলে যায়।
  249. ২৯৪. কোনো স্থানে সময় যখন রবিবার সকাল ৬ টা তখন এর ১৮০° পশ্চিম দিকে অবস্থিত স্থানের সময় হবে -প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. শনিবার রাত ১২ টা
    • খ. শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা
    • গ. রবিবার দুপুর ২ টা
    • ঘ. রবিবার সন্ধ্যা ৬ টা
    উত্তর: খ. শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা
    ১৮০° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 180 × 4 = 720 মিনিট, অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা। স্থানটি পশ্চিমে, আর পশ্চিমে সূর্য পরে ওঠে বলে সেখানকার সময় পিছিয়ে থাকে। তাই রবিবার সকাল ৬টা থেকে ১২ ঘণ্টা বাদ দিতে হবে। সকাল ৬টা থেকে ৬ ঘণ্টা পেছালে রবিবারের শুরু, অর্থাৎ মাঝরাত, আর আরও ৬ ঘণ্টা পেছালে আগের দিন শনিবার সন্ধ্যা ৬টা। এভাবে হিসাব করতে গিয়ে মাঝরাত পার হলে বারও বদলে যায়।
    মনে রাখুন:
    পূর্বে গেলে সময় যোগ এবং পশ্চিমে গেলে সময় বিয়োগ করতে হয়।
    ১৮০° পূর্বের স্থানে একই সময়ে হতো রবিবার সন্ধ্যা ৬টা।
  250. ২৯৫. বাংলাদেশে যখন সকাল ৯টা পাকিস্তানে তখন -গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক, ২০০৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. সকাল ৮টা
    • খ. সকাল ১০টা
    • গ. সকাল সাড়ে ৮টা
    • ঘ. সকাল সাড়ে ৯টা
    উত্তর: ক. সকাল ৮টা
    বাংলাদেশের প্রমাণ সময় GMT +6 এবং পাকিস্তানের প্রমাণ সময় GMT +5, তাই পাকিস্তানের সময় বাংলাদেশের চেয়ে ১ ঘণ্টা পিছিয়ে। পাকিস্তান বাংলাদেশের পশ্চিমে, আর পশ্চিমের দেশে সূর্য পরে ওঠে বলে সেখানকার সময় কম থাকে। ফলে বাংলাদেশে সকাল ৯টা হলে পাকিস্তানে তখন সকাল ৮টা। একই হিসাবে ভারতের সময় GMT +5:30, তাই বাংলাদেশে সকাল ৯টা হলে ভারতে তখন সকাল সাড়ে ৮টা।
    মনে রাখুন:
    নেপালের প্রমাণ সময় GMT +5:45।
    মিয়ানমারের প্রমাণ সময় GMT +6:30, অর্থাৎ বাংলাদেশের চেয়ে আধা ঘণ্টা এগিয়ে।
    চীনের প্রমাণ সময় GMT +8, আর পুরো দেশে একটিই সময় চলে।
  251. ২৯৬. দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য কত হলে স্থান দুটির মধ্যকার সময়ের পার্থক্য হবে ১ ঘণ্টা?প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক, ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ৩০°
    • খ. ১৫°
    • গ. ২০°
    • ঘ. ১০°
    উত্তর: খ. ১৫°
    পৃথিবী নিজের অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে। তাই ১ ঘণ্টায় ঘোরে 360 ÷ 24 = 15°। অর্থাৎ দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৫° হলে তাদের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ১ ঘণ্টা। এই কারণেই পৃথিবীকে মোটামুটি ১৫° চওড়া ২৪টি সময় অঞ্চলে (Time zone) ভাগ করা হয়েছে। বাস্তবে অবশ্য দেশের সীমানা মেনে চলার জন্য সময় অঞ্চলের সীমারেখা আঁকাবাঁকা।
    মনে রাখুন:
    ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
    ১৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা।
    ৩০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ২ ঘণ্টা।
    ১৮০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা।
  252. ২৯৭. বাংলাদেশের রাত ৮টা আন্তর্জাতিক সময় কত?পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ৩টা
    • খ. ৮টা
    • গ. ২০টা
    • ঘ. ২২টা
    উত্তর: গ. ২০টা
    আন্তর্জাতিকভাবে সময় লেখা হয় ২৪ ঘণ্টার পদ্ধতিতে, যেখানে দুপুর ১২টার পর থেকে ঘণ্টা গোনা চলতে থাকে ১৩, ১৪, ১৫ এভাবে। এই পদ্ধতিতে রাত ৮টা মানে 12 + 8 = 20, অর্থাৎ ২০টা বা 20:00। রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, হাসপাতাল ও সামরিক কাজে বিভ্রান্তি এড়াতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, কারণ এখানে পূর্বাহ্ণ বা অপরাহ্ণ লিখতে হয় না এবং সকাল ৮টা ও রাত ৮টা গুলিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না।
    উদাহরণ: বিকাল ৩টা = 15:00, রাত ১১টা = 23:00, রাত ১২টা = 00:00।
    মনে রাখুন: ২৪ ঘণ্টার পদ্ধতিতে দুপুর ১২টার আগের সময়গুলো সাধারণ ঘড়ির মতোই লেখা হয়, যেমন সকাল ৮টা = 08:00।
  253. ২৯৮. কোন রেখা অতিক্রম করলে একদিন যোগ বা বিয়োগ করতে হয়?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • ক. বিষুবরেখা
    • খ. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • গ. মূল মধ্যরেখা
    • ঘ. দ্রাঘিমা রেখা
    উত্তর: খ. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) মোটামুটি ১৮০° দ্রাঘিমারেখা বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে কল্পনা করা একটি রেখা। গ্রিনিচ থেকে ১৮০° পূর্বে গেলে সময় ১২ ঘণ্টা এগিয়ে যায় আর ১৮০° পশ্চিমে গেলে ১২ ঘণ্টা পিছিয়ে যায়, ফলে এই রেখার দুই পাশে তারিখের পার্থক্য হয় ১ দিন। তাই রেখাটি পার হলে তারিখ ১ দিন যোগ বা বিয়োগ করতে হয়। পশ্চিম থেকে পূর্বে, অর্থাৎ এশিয়া থেকে আমেরিকার দিকে পার হলে ১ দিন বিয়োগ করতে হয়, আর পূর্ব থেকে পশ্চিমে পার হলে ১ দিন যোগ করতে হয়।
    মনে রাখুন: একই দেশে যেন দুই তারিখ না থাকে, সেজন্য রেখাটি স্থলভাগ এড়িয়ে কয়েক জায়গায় আঁকাবাঁকা করে টানা হয়েছে।
  254. ২৯৯. কোন রেখা অতিক্রম করলে দিন ও তারিখের পরিবর্তন হয়?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • ক. নিরক্ষরেখা
    • খ. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • গ. মূল মধ্যরেখা
    • ঘ. দ্রাঘিমা রেখা
    উত্তর: খ. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সময় দ্রাঘিমা অনুযায়ী বদলায়, আর গ্রিনিচ থেকে ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিমের সময়ে পুরো ২৪ ঘণ্টা, অর্থাৎ ১ দিনের পার্থক্য তৈরি হয়। এই সমস্যা মেটাতে ১৮০° দ্রাঘিমা বরাবর আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) কল্পনা করা হয়েছে। এই রেখা পার হলে ঘড়ির সময় একই থাকে, কিন্তু দিন ও তারিখ বদলে যায়। জাহাজ বা উড়োজাহাজ পূর্ব দিকে রেখাটি পার হলে আগের দিনে ফিরে যায়, আর পশ্চিম দিকে পার হলে পরের দিনে চলে যায়।
    উদাহরণ: সোমবার দুপুরে কোনো জাহাজ পূর্ব দিকে রেখাটি পার হলে তারিখ হয়ে যায় রবিবার দুপুর।
    মনে রাখুন: রেখাটির পশ্চিম পাশের তারিখ সবসময় পূর্ব পাশের চেয়ে ১ দিন এগিয়ে থাকে।
  255. ৩০০. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন রেখা অনুসরণ করে কল্পনা করা হয়?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ডি উপ-ইউনিট) ভর্তি, ২০২৪-২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • ক. ৩৬° অক্ষরেখা
    • খ. ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা
    • গ. ৯০° দ্রাঘিমা রেখা
    • ঘ. ৩৬০° দ্রাঘিমা রেখা
    উত্তর: খ. ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা মোটামুটি ১৮০° দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে কল্পনা করা হয়েছে। মূল মধ্যরেখা ০°, আর এর ঠিক বিপরীত দিকের দ্রাঘিমারেখা ১৮০°। গ্রিনিচ থেকে পূর্ব দিক দিয়ে এখানে এলে সময় ১২ ঘণ্টা এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিক দিয়ে এলে ১২ ঘণ্টা পিছিয়ে থাকে, তাই এই রেখার দুই পাশে তারিখ আলাদা হয়। রেখাটি সরলরেখা নয়, সাইবেরিয়া, অ্যালুশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি ও কিরিবাতির মতো স্থলভাগ এড়াতে এটি জায়গায় জায়গায় বেঁকে গেছে।
    মনে রাখুন:
    রেখাটি প্রায় পুরোটাই প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে গেছে।
    ৩৬০° দ্রাঘিমা আর ০° দ্রাঘিমা আসলে একই রেখা।
  256. ৩০১. কোন অক্ষাংশ বা দ্রাঘিমাংশ পার হলে নাবিকদের তারিখ বদলাতে হয়?সাব-রেজিস্ট্রার, ২০১৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • ক. ০° দ্রাঘিমা
    • খ. ১৮০° দ্রাঘিমা
    • গ. ০° অক্ষাংশ
    • ঘ. ৯০° অক্ষাংশ
    উত্তর: খ. ১৮০° দ্রাঘিমা
    জাহাজ যখন ১৮০° দ্রাঘিমারেখা পার হয়, তখন নাবিকদের তারিখ বদলাতে হয়, কারণ এই দ্রাঘিমা বরাবরই আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) কল্পনা করা হয়েছে। গ্রিনিচ থেকে ১৮০° পূর্বের সময় ১২ ঘণ্টা এগিয়ে আর ১৮০° পশ্চিমের সময় ১২ ঘণ্টা পিছিয়ে, ফলে রেখার দুই পাশে ১ দিনের পার্থক্য তৈরি হয়। পূর্ব দিকে রেখা পার হলে ১ দিন বিয়োগ এবং পশ্চিম দিকে পার হলে ১ দিন যোগ করতে হয়। ০° দ্রাঘিমা বা নিরক্ষরেখা পার হলে তারিখ বদলায় না।
    মনে রাখুন: জুল ভার্নের উপন্যাস ‘আশি দিনে বিশ্বভ্রমণ’-এর নায়ক পূর্ব দিকে পৃথিবী ঘুরে এসে দেখেন, তিনি হিসাবের চেয়ে একদিন আগেই ফিরেছেন, কারণ পথে তারিখ বদলের হিসাব তিনি ধরেননি।
  257. ৩০২. কল্পিত আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা টানা হয়েছে কোনটির ওপর দিয়ে?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, ২০০৭-০৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • ক. স্থলভাগ
    • খ. ভূ-পৃষ্ঠের নিচ
    • গ. মহাশূন্য
    • ঘ. জলভাগ
    উত্তর: ঘ. জলভাগ
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা টানা হয়েছে প্রায় পুরোপুরি প্রশান্ত মহাসাগরের জলভাগের ওপর দিয়ে। রেখাটি যদি কোনো দেশের স্থলভাগ বা জনবসতির ওপর দিয়ে যেত, তাহলে একই দেশের দুই অংশে দুই তারিখ চলত এবং মানুষের দৈনন্দিন কাজে বড় বিভ্রান্তি তৈরি হতো। সেজন্য ১৮০° দ্রাঘিমা বরাবর হলেও রেখাটিকে সাইবেরিয়ার পূর্ব প্রান্ত, অ্যালুশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং ফিজি, টোঙ্গা ও কিরিবাতির মতো দ্বীপ এড়িয়ে আঁকাবাঁকা করে টানা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    রেখাটি বেরিং প্রণালির মধ্য দিয়ে গেছে, এর এক পাশে রাশিয়া আর অন্য পাশে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা।
    রেখার পশ্চিম পাশের তারিখ পূর্ব পাশের চেয়ে ১ দিন এগিয়ে থাকে।
  258. ৩০৩. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সম্পর্কে যে তথ্যটি সত্যি নয়-একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • ক. উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত একটি কাল্পনিক রেখা
    • খ. প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত
    • গ. রেখাটি আঁকাবাঁকা
    • ঘ. রেখাটি জাপানের কয়েকটি দ্বীপের উপর দিয়ে গিয়েছে
    উত্তর: ঘ. রেখাটি জাপানের কয়েকটি দ্বীপের উপর দিয়ে গিয়েছে
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত একটি কাল্পনিক রেখা, যা মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে ১৮০° দ্রাঘিমা বরাবর গেছে। স্থলভাগ এড়াতে রেখাটি আঁকাবাঁকা। কিন্তু রেখাটি জাপানের কোনো দ্বীপের ওপর দিয়ে যায়নি। জাপানের প্রধান দ্বীপগুলো প্রায় ১২৯° থেকে ১৪৬° পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে, অর্থাৎ তারিখ রেখা থেকে বেশ পশ্চিমে। তারিখ রেখা যেসব স্থলভাগ এড়িয়ে বেঁকে গেছে, সেগুলো হলো সাইবেরিয়ার পূর্ব প্রান্ত, অ্যালুশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি, টোঙ্গা ও কিরিবাতি।
    মনে রাখুন: তারিখ রেখার ঠিক পশ্চিমে থাকায় কিরিবাতি, টোঙ্গা ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে নতুন বছর সবার আগে শুরু হয়।
  259. ৩০৪. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বাংলাদেশের কোন জেলার ওপর দিয়ে গিয়েছে?জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (খ ইউনিট) ভর্তি, ২০০৮-০৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
    • ক. সিলেট
    • খ. চট্টগ্রাম
    • গ. ফরিদপুর
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
    আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা মোটামুটি ১৮০° দ্রাঘিমা বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে গেছে। বাংলাদেশ অবস্থিত প্রায় ৮৮° থেকে ৯২° পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে, অর্থাৎ তারিখ রেখা থেকে প্রায় ৯০° পশ্চিমে। তাই এই রেখা বাংলাদেশের কোনো জেলার ওপর দিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরেখাটি গেছে, সেটি হলো কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ), যা দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে চলে গেছে। এ ছাড়া ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখাও বাংলাদেশের ওপর দিয়ে গেছে, আর এই দ্রাঘিমা ধরেই বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ঠিক করা হয়েছে।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের অক্ষাংশ প্রায় ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর।
  260. ৩০৫. নটিক্যাল মাইলের দৈর্ঘ্যের ভিন্নতা হয় কিসের সাথে?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. অক্ষাংশ
    • খ. দ্রাঘিমাংশ
    • গ. অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ
    • ঘ. উচ্চতা
    উত্তর: ক. অক্ষাংশ
    নটিক্যাল মাইল (Nautical mile) মূলত কোনো মধ্যরেখা বরাবর অক্ষাংশের ১ মিনিট (১′) পরিমাণ দূরত্ব হিসেবে সংজ্ঞায়িত হয়েছিল। পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, মেরুর দিকে একটু চাপা, তাই বিভিন্ন অক্ষাংশে ১′ অক্ষাংশের দৈর্ঘ্য সামান্য আলাদা হয়। নিরক্ষরেখার কাছে এটি প্রায় ১,৮৪৩ মিটার আর মেরুর কাছে প্রায় ১,৮৬২ মিটার। এই কারণে নটিক্যাল মাইলের দৈর্ঘ্য অক্ষাংশের সঙ্গে বদলায়। এই ঝামেলা এড়াতে ১৯২৯ সালে আন্তর্জাতিকভাবে ১ নটিক্যাল মাইল = ১,৮৫২ মিটার নির্দিষ্ট করা হয়।
    মনে রাখুন:
    সমুদ্র ও আকাশপথে দূরত্ব মাপতে নটিক্যাল মাইল ব্যবহার করা হয়।
    ঘণ্টায় ১ নটিক্যাল মাইল বেগকে ১ নট (Knot) বলে।
  261. ৩০৬. দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য হয়জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট) ভর্তি, ২০২৫-২৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ প্রতিপাদ স্থান
    • ক. ৬ ঘণ্টা
    • খ. ১২ ঘণ্টা
    • গ. ১৮ ঘণ্টা
    • ঘ. ২৪ ঘণ্টা
    উত্তর: খ. ১২ ঘণ্টা
    পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে টানা কোনো সরলরেখা ভূপৃষ্ঠের যে দুটি বিপরীত বিন্দুতে মেলে, সেই দুটি স্থানকে পরস্পরের প্রতিপাদ স্থান (Antipode) বলে। প্রতিপাদ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য সবসময় ১৮০°। প্রতি ১° দ্রাঘিমায় ৪ মিনিট হলে ১৮০°-এর জন্য সময়ের পার্থক্য হয় 180 × 4 = 720 মিনিট, অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা। তাই একটি স্থানে দুপুর ১২টা হলে তার প্রতিপাদ স্থানে তখন রাত ১২টা।
    মনে রাখুন:
    প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশের মান সমান কিন্তু বিপরীত গোলার্ধে, যেমন ২৩° উত্তরের প্রতিপাদ ২৩° দক্ষিণ।
    একটি স্থানে গ্রীষ্মকাল হলে তার প্রতিপাদ স্থানে তখন শীতকাল।
  262. ৩০৭. ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায় অবস্থিত?মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ প্রতিপাদ স্থান
    • ক. চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে
    • খ. নিউইয়র্কের নিকট আটলান্টিক মহাসাগরে
    • গ. মেক্সিকোর নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে
    • ঘ. সানফ্রান্সিসকোর নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে
    উত্তর: ক. চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে
    ঢাকার অবস্থান প্রায় ২৩.৮° উত্তর অক্ষাংশ ও ৯০.৪° পূর্ব দ্রাঘিমায়। প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশের মান সমান কিন্তু বিপরীত গোলার্ধে, আর দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০°। তাই ঢাকার প্রতিপাদ স্থান হবে প্রায় ২৩.৮° দক্ষিণ অক্ষাংশ ও 180 − 90.4 = 89.6° পশ্চিম দ্রাঘিমায়। এই বিন্দুটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির উপকূল থেকে পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে পড়ে। সেখানে কোনো স্থলভাগ নেই, তাই ঢাকার প্রতিপাদ স্থান সমুদ্রে।
    মনে রাখুন:
    প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য ১২ ঘণ্টা।
    ভূপৃষ্ঠের শতকরা প্রায় ৭১ ভাগ পানি, তাই বেশিরভাগ স্থলভাগের প্রতিপাদ স্থান সমুদ্রে পড়ে।
  263. ৩০৮. পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একসাথে জুড়ে যে বিশাল একটি মহাদেশ ছিল তার নাম কি ছিল?চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (এফ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৫-১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহীসঞ্চরণ ও প্লেট
    • ক. প্যানথালাসা
    • খ. প্যানজিয়া
    • গ. ইউরেশিয়া
    • ঘ. ইউরো-আফ্রিকা
    উত্তর: খ. প্যানজিয়া
    প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে পৃথিবীর সব মহাদেশ একসঙ্গে জুড়ে একটি বিশাল মহাদেশ ছিল, যার নাম প্যানজিয়া (Pangaea)। গ্রিক ভাষায় ‘প্যান’ মানে সব আর ‘গায়া’ মানে পৃথিবী। প্যানজিয়াকে ঘিরে ছিল এক বিশাল মহাসাগর, তার নাম প্যানথালাসা (Panthalassa)। প্রায় ২০ কোটি বছর আগে প্যানজিয়া ভেঙে উত্তরে লরেশিয়া (Laurasia) এবং দক্ষিণে গন্ডোয়ানাল্যান্ড (Gondwanaland) নামে দুটি ভূখণ্ড তৈরি হয়, পরে সেগুলো থেকে আজকের মহাদেশগুলোর জন্ম। ১৯১২ সালে জার্মান বিজ্ঞানী আলফ্রেড ওয়েগেনার মহীসঞ্চরণ তত্ত্বে (Continental Drift) প্রথম এই ধারণা দেন।
    মনে রাখুন: মহাদেশগুলো এখনো টেকটোনিক প্লেটের সঙ্গে বছরে কয়েক সেন্টিমিটার করে সরছে।
  264. ৩০৯. একটি ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট তরঙ্গ কী ধরনের তরঙ্গ?পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পদ, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. আড় তরঙ্গ
    • খ. লম্বিক তরঙ্গ
    • গ. আড় ও লম্বিকের মিশ্রণ
    • ঘ. স্থির তরঙ্গ
    উত্তর: গ. আড় ও লম্বিকের মিশ্রণ
    ভূমিকম্পের সময় ভূগর্ভের যে বিন্দুতে শিলাস্তর হঠাৎ ভেঙে বা সরে যায়, সেখান থেকে চারদিকে ভূকম্পন তরঙ্গ (Seismic wave) ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে প্রাথমিক তরঙ্গ বা P-তরঙ্গ লম্বিক তরঙ্গ, কারণ এতে কণাগুলো তরঙ্গের গতির দিকেই সামনে-পেছনে কাঁপে। মাধ্যমিক তরঙ্গ বা S-তরঙ্গ আড় তরঙ্গ, এতে কণাগুলো গতির লম্ব দিকে কাঁপে। ভূপৃষ্ঠে এসে দুই ধরনের কম্পন মিলে পৃষ্ঠতরঙ্গ তৈরি হয়। তাই ভূমিকম্পের তরঙ্গ আড় ও লম্বিক তরঙ্গের মিশ্রণ।
    মনে রাখুন:
    P-তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুত চলে এবং কঠিন, তরল ও গ্যাস সব মাধ্যমে যেতে পারে।
    S-তরঙ্গ তরল মাধ্যমে চলতে পারে না, এ থেকেই জানা গেছে পৃথিবীর বহিঃকেন্দ্রমণ্ডল তরল।
  265. ৩১০. ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূ-পৃষ্ঠের বিন্দুকে বলা হয়-সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের জুনিয়র শিক্ষক, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. এনডোসেন্টার
    • খ. এপিসেন্টার
    • গ. পিকপয়েন্ট
    • ঘ. মিডপয়েন্ট
    উত্তর: খ. এপিসেন্টার
    ভূগর্ভের যে বিন্দুতে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, তাকে কেন্দ্র বা হাইপোসেন্টার (Hypocenter বা Focus) বলে। এই কেন্দ্রের ঠিক সোজা ওপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দুটিকে বলা হয় উপকেন্দ্র বা এপিসেন্টার (Epicenter)। উপকেন্দ্র কেন্দ্রের সবচেয়ে কাছের ভূপৃষ্ঠ, তাই সাধারণত এখানেই কম্পন সবচেয়ে তীব্র অনুভূত হয় এবং ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়। উপকেন্দ্র থেকে দূরে যেতে থাকলে কম্পনের তীব্রতা ক্রমে কমে আসে। এনডোসেন্টার বা পিকপয়েন্ট নামে ভূমিকম্পবিজ্ঞানে এমন কোনো পরিভাষা নেই।
    মনে রাখুন:
    সংবাদে ভূমিকম্পের অবস্থান বলতে সাধারণত উপকেন্দ্রের অবস্থান বোঝানো হয়।
    কেন্দ্র যত অগভীর হয়, ভূপৃষ্ঠে ক্ষতি তত বেশি হয়।
    ভূমিকম্পের কম্পন লিপিবদ্ধ করা হয় সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে।
  266. ৩১১. সিসমোগ্রাফ (Seismograph) কি?প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মুক্তিযোদ্ধা), ২০১৬ ও ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. বায়ু মাপার যন্ত্র
    • খ. ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র
    • গ. বৃষ্টি মাপার যন্ত্র
    • ঘ. পানি প্রবাহ মাপার যন্ত্র
    উত্তর: খ. ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র
    সিসমোগ্রাফ (Seismograph) হলো ভূমিকম্পের কম্পন শনাক্ত ও লিপিবদ্ধ করার যন্ত্র। গ্রিক শব্দ ‘সিসমোস’ মানে ভূমিকম্প আর ‘গ্রাফ’ মানে লেখা। যন্ত্রটির ভেতরে একটি ভারী বস্তু ঝুলানো থাকে, যা জড়তার কারণে প্রায় স্থির থাকে, অথচ মাটি কাঁপলে যন্ত্রের কাঠামো কাঁপে। এই আপেক্ষিক নড়াচড়া কাগজে বা কম্পিউটারে আঁকাবাঁকা রেখা হিসেবে ধরা পড়ে, যাকে সিসমোগ্রাম বলে। এই রেখা বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্পের মাত্রা ও উপকেন্দ্র নির্ণয় করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় বসানো কয়েকটি সিসমোগ্রাফের তথ্য মিলিয়ে উপকেন্দ্রের অবস্থান নিখুঁতভাবে বের করা হয়।
    মনে রাখুন:
    অ্যানিমোমিটার দিয়ে বায়ুর বেগ মাপা হয়।
    রেইনগেজ দিয়ে বৃষ্টিপাত মাপা হয়।
    রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা প্রকাশ করা হয়।
  267. ৩১২. ভূমিকম্প পরিমাপ করার যন্ত্রের নাম কি?কারা অধিদপ্তরের কারারক্ষী ও মহিলা কারারক্ষী, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. সিসমোমিটার
    • খ. ব্যারোমিটার
    • গ. থার্মোমিটার
    • ঘ. ম্যানোমিটার
    উত্তর: ক. সিসমোমিটার
    সিসমোমিটার (Seismometer) হলো ভূমিকম্পের ফলে মাটির কম্পন মাপার যন্ত্র। একে সিসমোগ্রাফও বলা হয়, তবে সূক্ষ্ম অর্থে সিসমোমিটার কম্পন অনুভব করে আর সিসমোগ্রাফ সেই কম্পনকে রেখাচিত্রে লিপিবদ্ধ করে। এই যন্ত্রের পাঠ থেকে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা হিসাব করা হয়। বাংলাদেশে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এ ধরনের যন্ত্র দিয়ে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ করে। পৃথিবীজুড়ে হাজার হাজার সিসমোমিটার বসানো আছে, আর এদের তথ্য মিলিয়ে কোথায় ও কত গভীরে ভূমিকম্প হয়েছে তা দ্রুত জানা যায়।
    মনে রাখুন:
    ব্যারোমিটার দিয়ে বায়ুর চাপ মাপা হয়।
    থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হয়।
    ম্যানোমিটার দিয়ে গ্যাসের চাপ মাপা হয়।
  268. ৩১৩. ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কি?পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ভার্নিয়ার স্কেল
    • খ. রিখটার স্কেল
    • গ. মিটার স্কেল
    • ঘ. ডিজাস্টার স্কেল
    উত্তর: খ. রিখটার স্কেল
    ভূমিকম্পের মাত্রা বা শক্তি প্রকাশ করা হয় রিখটার স্কেল (Richter Scale) দিয়ে। ১৯৩৫ সালে মার্কিন ভূকম্পবিদ চার্লস রিখটার এই স্কেল উদ্ভাবন করেন। এটি আসলে আলাদা কোনো যন্ত্র নয়, সিসমোগ্রাফের রেখাচিত্র থেকে হিসাব করা একটি লগারিদমিক মাপকাঠি। এই স্কেলে মাত্রা ১ বাড়লে তরঙ্গের বিস্তার ১০ গুণ বাড়ে এবং নির্গত শক্তি প্রায় ৩২ গুণ বাড়ে।
    মনে রাখুন:
    ভার্নিয়ার স্কেল হলো সূক্ষ্ম দৈর্ঘ্য মাপার একটি সহায়ক স্কেল।
    এখন বড় ভূমিকম্পের মাত্রা প্রকাশে মোমেন্ট ম্যাগনিচুড স্কেল (Mw) বেশি ব্যবহার হয়।
    ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির তীব্রতা প্রকাশে মারকেলি স্কেল ব্যবহার হয়।
  269. ৩১৪. রিখটার স্কেল দিয়ে কি মাপা হয়?সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, ২০১৩ ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ফিল্ড অফিসার (আরডিএস), ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. বায়ুর আর্দ্রতা
    • খ. বায়ুর চাপ
    • গ. ভূ-চুম্বকের তীব্রতা
    • ঘ. ভূমিকম্পের তীব্রতা
    উত্তর: ঘ. ভূমিকম্পের তীব্রতা
    রিখটার স্কেল (Richter Scale) দিয়ে ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা মাপা হয়। সিসমোগ্রাফে ধরা পড়া তরঙ্গের বিস্তার থেকে এই মান হিসাব করা হয়। স্কেলটি লগারিদমিক, অর্থাৎ ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের তরঙ্গের বিস্তার ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। সাধারণত ৫ মাত্রার বেশি হলে ভূমিকম্পকে শক্তিশালী ধরা হয়, আর ৭ বা তার বেশি মাত্রায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    বায়ুর আর্দ্রতা মাপা হয় হাইগ্রোমিটার দিয়ে।
    বায়ুর চাপ মাপা হয় ব্যারোমিটার দিয়ে।
    ১৯৬০ সালে চিলিতে হওয়া ৯.৫ মাত্রার ভূমিকম্প এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।
  270. ৩১৫. বাম কোথায় অবস্থিত?জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর উপ-পরিচালক, ২০০৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ইরান
    • খ. সিরিয়া
    • গ. ইরাক
    • ঘ. আফগানিস্তান
    উত্তর: ক. ইরান
    বাম (Bam) ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কেরমান প্রদেশের একটি প্রাচীন শহর। শহরটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয় ২০০৩ সালের ২৬ ডিসেম্বরের ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে। প্রায় ৬.৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পে ২৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায় এবং মাটির ইটে তৈরি শহরের বেশিরভাগ বাড়িঘর ধসে পড়ে। ইরান আলপাইন-হিমালয় ভূকম্পন বলয়ে অবস্থিত, যেখানে আরবীয় ও ইউরেশীয় প্লেট পরস্পরকে চাপ দেয়, তাই দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র শহরের খুব কাছে এবং কেন্দ্র অগভীর ছিল, তাই ক্ষতি এত বেশি হয়েছিল।
    মনে রাখুন: বামের প্রাচীন দুর্গ ‘আর্গ-এ-বাম’ পৃথিবীর বৃহত্তম মাটির ইটের স্থাপনাগুলোর একটি, এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।
  271. ৩১৬. ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে Big One বলতে বোঝায়-বিবিএসের পরিসংখ্যান সহকারী, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. চূড়ান্ত ভূমিকম্প
    • খ. বাৎসরিক মটর চালনা উৎসব
    • গ. স্টক বাজারের পতন
    • ঘ. আণবিক যুদ্ধ
    উত্তর: ক. চূড়ান্ত ভূমিকম্প
    যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ‘Big One’ বলতে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য একটি বিশাল ও বিধ্বংসী ভূমিকম্পকে বোঝায়। ক্যালিফোর্নিয়ার ভেতর দিয়ে সান আন্দ্রিয়াস চ্যুতি (San Andreas Fault) নামে একটি দীর্ঘ ফাটল চলে গেছে, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট ও উত্তর আমেরিকান প্লেট পাশাপাশি ঘষা খেয়ে সরে যাচ্ছে। এই চ্যুতিতে দীর্ঘদিন ধরে চাপ জমছে, তাই বিজ্ঞানীরা মনে করেন যেকোনো সময় ৮ মাত্রার কাছাকাছি একটি বড় ভূমিকম্প হতে পারে। এই আশঙ্কিত ভূমিকম্পকেই সেখানে ‘দ্য বিগ ওয়ান’ বলা হয়।
    মনে রাখুন: ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্প এই সান আন্দ্রিয়াস চ্যুতিতেই ঘটেছিল।
  272. ৩১৭. 'সুনামি' বলতে কী বোঝায়?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (এ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৯-২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সুনামি
    • ক. টর্নেডো
    • খ. সামুদ্রিক ঢেউ
    • গ. প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়
    • ঘ. ভূমিকম্প
    উত্তর: খ. সামুদ্রিক ঢেউ
    সুনামি (Tsunami) হলো সমুদ্রের তলদেশে বড় ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা ভূমিধসের ফলে তৈরি হওয়া বিশাল সামুদ্রিক ঢেউ। সমুদ্রতল হঠাৎ ওঠানামা করলে ওপরের বিপুল পানি স্থানচ্যুত হয় এবং ঢেউ আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। গভীর সমুদ্রে এই ঢেউ ঘণ্টায় ৮০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বেগে চলে, কিন্তু উচ্চতা কম থাকে। উপকূলের অগভীর পানিতে এসে বেগ কমে যায় এবং ঢেউ অনেক উঁচু হয়ে আছড়ে পড়ে। মনে রাখা দরকার, ভূমিকম্প সুনামির কারণ, সুনামি নিজে ভূমিকম্প নয়।
    মনে রাখুন: ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার কাছে ভূমিকম্পে সৃষ্ট সুনামিতে ভারত মহাসাগরের উপকূলে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষ মারা যায়।
  273. ৩১৮. 'সুনামি' (Tsunami) কি শব্দ?পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির কারিগরি সহায়ক, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সুনামি
    • ক. জাপানি
    • খ. ডাচ্
    • গ. ফরাসি
    • ঘ. চীনা
    উত্তর: ক. জাপানি
    সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ। জাপানি ভাষায় ‘সু’ মানে বন্দর আর ‘নামি’ মানে ঢেউ, অর্থাৎ সুনামি মানে বন্দরের ঢেউ। জাপানের জেলেরা গভীর সমুদ্রে কোনো বড় ঢেউ টের না পেলেও ফিরে এসে দেখতেন বন্দর বিধ্বস্ত, সেখান থেকেই এই নাম এসেছে বলে ধারণা করা হয়। জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের আগ্নেয় মেখলা বা রিং অব ফায়ার (Ring of Fire) এলাকায় অবস্থিত, তাই সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও সুনামি হয়।
    মনে রাখুন:
    ২০১১ সালে জাপানের তোহোকু ভূমিকম্পে সৃষ্ট সুনামিতে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বড় দুর্ঘটনা ঘটে।
    ২০০৪ সালের সুনামির পর ভারত মহাসাগরে সুনামি সতর্কীকরণ ব্যবস্থা চালু করা হয়।
  274. ৩১৯. ......chart the movement of stars and planets.বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি (BU, বি ইউনিট), ২০১১-১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. Astronauts
    • খ. Astronomers
    • গ. Wizards
    • ঘ. Magicians
    উত্তর: খ. Astronomers
    নক্ষত্র ও গ্রহের গতিপথ পর্যবেক্ষণ করে যাঁরা তার হিসাব রাখেন, তাঁদের বলা হয় জ্যোতির্বিদ (Astronomer)। জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy) হলো মহাকাশের গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ ও অন্যান্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা। অন্যদিকে নভোচারী (Astronaut) হলেন মহাকাশযানে চড়ে মহাশূন্যে যাওয়া মানুষ, তাঁদের কাজ তারার গতি মাপা নয়। জাদুকর (Wizard বা Magician) শব্দ দুটির সঙ্গে বিজ্ঞানের কোনো সম্পর্ক নেই। জ্যোতির্বিদদের হিসাব থেকেই আমরা আগেভাগে গ্রহণের দিনক্ষণ, ধূমকেতুর আগমন এবং ঋতু পরিবর্তনের সময় জানতে পারি।
    মনে রাখুন:
    Astronomer = জ্যোতির্বিদ, Astrologer = জ্যোতিষী।
    দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে আকাশ প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন গ্যালিলিও, ১৬০৯ সালে।
  275. ৩২০. One who tells the future from the star is called-বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পূর্ত), ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. astronomer
    • খ. meteorologist
    • গ. astrologer
    • ঘ. detective
    উত্তর: গ. astrologer
    গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান দেখে যিনি মানুষের ভবিষ্যৎ বলার দাবি করেন, তাঁকে জ্যোতিষী (Astrologer) বলে। জ্যোতিষশাস্ত্র (Astrology) একটি প্রাচীন বিশ্বাস, কিন্তু এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। অন্যদিকে জ্যোতির্বিদ (Astronomer) পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার মাধ্যমে মহাকাশের বস্তুগুলো নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা করেন। আবহাওয়াবিদকে বলে মেটিওরোলজিস্ট (Meteorologist), আর গোয়েন্দাকে বলে ডিটেকটিভ (Detective)। মজার ব্যাপার হলো, প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষশাস্ত্র একসঙ্গেই চর্চা হতো। পরে দূরবীক্ষণ যন্ত্র ও পরীক্ষানির্ভর পদ্ধতি আসার পর জ্যোতির্বিদ্যা আলাদা বিজ্ঞান হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    Astronomy = বিজ্ঞান, Astrology = বিশ্বাস।
    হাতের রেখা দেখে ভবিষ্যৎ বলেন যিনি, তাঁকে বলে Palmist।
  276. ৩২১. One who studies heavenly bodies is called-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (পরিবেশ বিজ্ঞান) ভর্তি, ২০১৩-১৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. Astrologer
    • খ. Astronomer
    • গ. Palmist
    • ঘ. Vintner
    উত্তর: খ. Astronomer
    গ্রহ, নক্ষত্র, চাঁদ, ধূমকেতু ও ছায়াপথের মতো জ্যোতিষ্ক (Heavenly Bodies) নিয়ে যিনি গবেষণা করেন, তাঁকে জ্যোতির্বিদ (Astronomer) বলে। জ্যোতির্বিদেরা দূরবীক্ষণ যন্ত্র ও নানা যন্ত্রপাতি দিয়ে এসব বস্তুর অবস্থান, গতি, গঠন ও উৎপত্তি জানার চেষ্টা করেন। জ্যোতিষী (Astrologer) গ্রহ-নক্ষত্র দেখে ভবিষ্যৎ বলার দাবি করেন, যা বিজ্ঞান নয়। পামিস্ট (Palmist) হাতের রেখা দেখেন, আর ভিন্টনার (Vintner) হলেন মদ প্রস্তুতকারী বা বিক্রেতা। আকাশে যেসব বস্তু নিজের আলো দেয় বা অন্যের আলো প্রতিফলিত করে দেখা যায়, সেগুলোকেই জ্যোতিষ্ক বলে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ জামাল নজরুল ইসলাম।
    সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন নিকোলাস কোপার্নিকাস।
  277. ৩২২. Stephen Hawking was born in the year-ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (জি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৩-১৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. 1945
    • খ. 1942
    • গ. 1952
    • ঘ. 1950
    উত্তর: খ. 1942
    ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি, ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে। মজার ব্যাপার হলো, দিনটি ছিল গ্যালিলিওর মৃত্যুর ঠিক ৩০০ বছর পর। মাত্র ২১ বছর বয়সে তাঁর মোটর নিউরন রোগ (ALS) ধরা পড়ে, যাতে শরীরের পেশি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়। তবু তিনি হুইলচেয়ারে বসে কৃষ্ণগহ্বর ও মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণা করেন। তাঁর এই অদম্য জীবন সারা বিশ্বের মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
    মনে রাখুন:
    হকিং মারা যান ১৪ মার্চ, ২০১৮ সালে, যা আইনস্টাইনের জন্মদিন।
    তাঁর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’ (১৯৮৮)।
  278. ৩২৩. 'A scientist on a wheelchair' is related with-ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (এ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৭-১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. Stephen Hawking
    • খ. Albert Einstein
    • গ. Copernicus
    • ঘ. None
    উত্তর: ক. Stephen Hawking
    ‘হুইলচেয়ারের বিজ্ঞানী’ বলতে স্টিফেন হকিংকে বোঝানো হয়। মাত্র ২১ বছর বয়সে তাঁর মোটর নিউরন রোগ (Motor Neuron Disease) ধরা পড়ে, আর এই রোগে শরীরের পেশি ক্রমে অবশ হয়ে যায়। চিকিৎসকেরা ভেবেছিলেন তিনি দুই-তিন বছরের বেশি বাঁচবেন না, কিন্তু তিনি আরও ৫০ বছরের বেশি বেঁচে ছিলেন। হুইলচেয়ারে বসে কম্পিউটারচালিত কণ্ঠযন্ত্রের সাহায্যে কথা বলতেন, আর এভাবেই কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে তাঁর বিখ্যাত গবেষণা চালিয়ে যান।
    মনে রাখুন:
    হকিং বিকিরণ (Hawking Radiation) তত্ত্ব অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর থেকেও বিকিরণ বেরিয়ে আসে।
    হকিং ছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুকাসিয়ান অধ্যাপক।
  279. ৩২৪. Stephen Hawking was Director of research at the---জনতা ব্যাংক লি. অফিসার (ক্যাশ), ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. National Aeronautics & Space Administration
    • খ. National Institute of Standards & Technology
    • গ. Royal Institute for Theory and Space
    • ঘ. Centre for Theoretical Cosmology
    উত্তর: ঘ. Centre for Theoretical Cosmology
    স্টিফেন হকিং জীবনের শেষ পর্যন্ত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর থিওরেটিক্যাল কসমোলজির (Centre for Theoretical Cosmology) গবেষণা পরিচালক ছিলেন। ২০০৯ সালে লুকাসিয়ান অধ্যাপকের পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি এই দায়িত্ব নেন। প্রতিষ্ঠানটি মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে তাত্ত্বিক গবেষণা করে, আর হকিং নিজেই এর প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। নাসা (NASA) হলো যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা, যেখানে হকিং কোনো পদে ছিলেন না।
    মনে রাখুন:
    সৃষ্টিতত্ত্ব (Cosmology) হলো মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিবর্তন নিয়ে বিজ্ঞান।
    হকিং ১৯৭৯ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত লুকাসিয়ান অধ্যাপক ছিলেন।
  280. ৩২৫. In 1979, Stephen Hawking joined Cambridge University as Lucasian Professor of -জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (এফ ইউনিট) ভর্তি, ২০১৫-১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. Physics
    • খ. Applied physics
    • গ. Mathematics
    • ঘ. Cosmology
    উত্তর: গ. Mathematics
    কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুকাসিয়ান অধ্যাপক পদটির পুরো নাম লুকাসিয়ান প্রফেসর অব ম্যাথমেটিকস (Lucasian Professor of Mathematics)। ১৬৬৩ সালে হেনরি লুকাস নামের এক ব্যক্তির দানে পদটি তৈরি হয়, তাই এর এমন নাম। স্টিফেন হকিং ১৯৭৯ সালে এই পদে যোগ দেন এবং ২০০৯ সাল পর্যন্ত, প্রায় ৩০ বছর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পদার্থবিজ্ঞানী হলেও পদটির নাম গণিতের নামেই রয়ে গেছে।
    মনে রাখুন:
    এই পদে একসময় ছিলেন স্যার আইজ্যাক নিউটন (১৬৬৯ সাল থেকে)।
    বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী পল ডিরাকও লুকাসিয়ান অধ্যাপক ছিলেন।
    এটি বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষক পদগুলোর একটি।
  281. ৩২৬. Stephen Hawking is best known for the study of-সিটি ব্যাংক লি. প্রবেশনারি অফিসার, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. Comet
    • খ. Galaxy
    • গ. Quasars
    • ঘ. Black Holes
    উত্তর: ঘ. Black Holes
    স্টিফেন হকিং সবচেয়ে বেশি পরিচিত কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) নিয়ে গবেষণার জন্য। কৃষ্ণগহ্বর হলো মহাকাশের এমন এলাকা, যেখানে মহাকর্ষ এত প্রবল যে আলো পর্যন্ত সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। ১৯৭৪ সালে হকিং দেখান, কোয়ান্টাম প্রভাবের কারণে কৃষ্ণগহ্বর থেকেও সামান্য বিকিরণ বেরিয়ে আসে এবং এভাবে এটি ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে পারে। এই বিকিরণকে তাঁর নামে হকিং বিকিরণ (Hawking Radiation) বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    ‘ব্ল্যাক হোল’ নামটি জনপ্রিয় করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
    কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশের যে সীমা পেরোলে আর ফেরা যায় না, তাকে ঘটনা দিগন্ত (Event Horizon) বলে।
  282. ৩২৭. Who is the Author of the Book 'Brief Answers to the Big Questions'?উত্তরা ব্যাংক লি. প্রবেশনারি অফিসার, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. Chadwick
    • খ. Stephen Hawking
    • গ. Albert Einstein
    • ঘ. Newton
    উত্তর: খ. Stephen Hawking
    ‘ব্রিফ আনসারস টু দ্য বিগ কোশ্চেনস’ (Brief Answers to the Big Questions) বইটি স্টিফেন হকিংয়ের লেখা। এটি তাঁর শেষ বই, যা তাঁর মৃত্যুর কয়েক মাস পর ২০১৮ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত হয়। বইটিতে তিনি ঈশ্বর আছেন কি না, মহাবিশ্ব কীভাবে শুরু হলো, মানুষ কি পৃথিবীতে টিকে থাকবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আমাদের ছাড়িয়ে যাবে, এমন বড় প্রশ্নের উত্তর সহজ ভাষায় দিয়েছেন।
    মনে রাখুন:
    হকিংয়ের সবচেয়ে বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’ (১৯৮৮)।
    অন্য বই: ‘The Universe in a Nutshell’, ‘The Grand Design’।
    চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
  283. ৩২৮. The motion picture titled "Theory of Everything" is based on the life of-বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল), ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. Steve Jobs
    • খ. Stephen Hawking
    • গ. Albert Einstein
    • ঘ. Isaac Newton
    উত্তর: খ. Stephen Hawking
    ‘দ্য থিওরি অব এভরিথিং’ (The Theory of Everything) চলচ্চিত্রটি স্টিফেন হকিংয়ের জীবন নিয়ে তৈরি। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি তাঁর প্রথম স্ত্রী জেন হকিংয়ের লেখা স্মৃতিকথা অবলম্বনে বানানো। এতে দেখানো হয়েছে, কীভাবে কেমব্রিজের এক তরুণ ছাত্র কঠিন স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়েও বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হয়ে ওঠেন। হকিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করে এডি রেডমেইন সেরা অভিনেতার অস্কার পুরস্কার পান।
    মনে রাখুন:
    ‘থিওরি অব এভরিথিং’ বলতে পদার্থবিজ্ঞানে এমন একটি তত্ত্ব বোঝায়, যা প্রকৃতির সব মৌলিক বলকে একসঙ্গে ব্যাখ্যা করবে।
    স্টিভ জবসকে নিয়ে তৈরি ছবির নাম ‘Steve Jobs’ (২০১৫)।
  284. ৩২৯. The Book titled 'The Ultimate Fate of the Universe' is written by the scientist-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ডি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৮-১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ বিজ্ঞানী
    • ক. Satyendra Nath Bose
    • খ. Jamal Nazrul Islam
    • গ. Meghnad Saha
    • ঘ. Abdus Salam
    উত্তর: খ. Jamal Nazrul Islam
    ‘দ্য আল্টিমেট ফেট অব দ্য ইউনিভার্স’ (The Ultimate Fate of the Universe) বইটি লিখেছেন বাংলাদেশের বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম। বইটি ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি দেখিয়েছেন, অনেক অনেক কোটি বছর পরে মহাবিশ্বের পরিণতি কী হতে পারে। বইটি জাপানি, ফরাসিসহ কয়েকটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এমন আন্তর্জাতিক মানের বই লেখার জন্য তিনি বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানীদের কাছে পরিচিত ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    জামাল নজরুল ইসলামের জন্ম ১৯৩৯ সালে ঝিনাইদহে, মৃত্যু ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে।
    তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলেন।
    তাঁর বাংলা বই ‘কৃষ্ণবিবর’।
  285. ৩৩০. Cosmology deals with -বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের উৎপত্তি
    • ক. Cell
    • খ. Cell Formation
    • গ. Creation of the Universe
    • ঘ. Origin and Growth of Plants
    উত্তর: গ. Creation of the Universe
    কসমোলজি (Cosmology) বা সৃষ্টিতত্ত্ব হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে পুরো মহাবিশ্বের উৎপত্তি, গঠন, বিবর্তন ও শেষ পরিণতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। গ্রিক শব্দ ‘কসমস’ মানে বিশ্বজগৎ এবং ‘লোগোস’ মানে জ্ঞান। আজকের বেশির ভাগ বিজ্ঞানী মনে করেন, প্রায় ১৩৮০ কোটি বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণের (Big Bang) মধ্য দিয়ে মহাবিশ্বের যাত্রা শুরু হয়, আর তখন থেকে এটি প্রসারিত হয়ে চলেছে। মহাবিশ্ব যে প্রসারিত হচ্ছে, তা বোঝা যায় দূরের ছায়াপথগুলো আমাদের কাছ থেকে ক্রমাগত দূরে সরে যাওয়া দেখে।
    মনে রাখুন:
    কোষ নিয়ে বিজ্ঞানের শাখা কোষবিদ্যা (Cytology)।
    বিগ ব্যাং তত্ত্বের ভিত্তি দেন জর্জ লেমাইত্র।
    মহাবিশ্বের প্রসারণের প্রমাণ দেন এডউইন হাবল।
  286. ৩৩১. What are the two most abundant elements of the universe?বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. Carbon and Oxygen
    • খ. Nitrogen and Oxygen
    • গ. Helium and Lithium
    • ঘ. Hydrogen and Helium
    উত্তর: ঘ. Hydrogen and Helium
    মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় হাইড্রোজেন (H), তার পরেই আছে হিলিয়াম (He)। ভর হিসাবে মহাবিশ্বের সাধারণ পদার্থের প্রায় ৭৪ ভাগ হাইড্রোজেন এবং প্রায় ২৪ ভাগ হিলিয়াম, বাকি সব মৌল মিলে মাত্র ২ ভাগের মতো। মহাবিস্ফোরণের (Big Bang) কিছু পরেই এই দুটি হালকা মৌল তৈরি হয়েছিল। সূর্যসহ সব নক্ষত্রের প্রধান উপাদানও এরাই, আর নক্ষত্রের কেন্দ্রে হাইড্রোজেন মিলে হিলিয়াম তৈরি হয়েই আলো ও তাপ উৎপন্ন হয়।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি আছে অক্সিজেন, তারপর সিলিকন।
    বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি আছে নাইট্রোজেন (প্রায় ৭৮ ভাগ)।
  287. ৩৩২. According to the scientists, how many galaxies are there in the universe?সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস সহকারী পরিচালক, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র ও ছায়াপথ
    • ক. 10 million
    • খ. 100 million
    • গ. 10 billion
    • ঘ. 200 billion
    উত্তর: ঘ. 200 billion
    ছায়াপথ (Galaxy) হলো কোটি কোটি নক্ষত্র, গ্যাস ও ধূলিকণা নিয়ে গঠিত এক বিশাল জগৎ, যা মহাকর্ষের টানে একসঙ্গে বাঁধা থাকে। হাবল টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষণ থেকে বিজ্ঞানীরা হিসাব করেছেন, দৃশ্যমান মহাবিশ্বে প্রায় ২০০ বিলিয়ন, অর্থাৎ ২০ হাজার কোটি ছায়াপথ আছে। প্রতিটি ছায়াপথে আবার শত শত কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে। আমাদের সূর্য যে ছায়াপথের সদস্য, তার নাম আকাশগঙ্গা (Milky Way)। নতুন নতুন টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষণে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।
    মনে রাখুন:
    আকাশগঙ্গার নিকটতম বড় ছায়াপথ অ্যান্ড্রোমিডা (Andromeda)।
    আকাশগঙ্গা দেখতে সর্পিল (Spiral) আকৃতির।
    ১ বিলিয়ন = ১০০ কোটি।
  288. ৩৩৩. পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?সিভিল সার্জনের কার্যালয় (সাতক্ষীরা) স্বাস্থ্য সহকারী, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্র
    • ক. সূর্য
    • খ. প্রক্সিমা সেন্টাউরি
    • গ. সিরিয়াস
    • ঘ. ধ্রুবতারা
    উত্তর: ক. সূর্য
    পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হলো সূর্য। নক্ষত্র (Star) হলো এমন জ্যোতিষ্ক, যার নিজস্ব আলো ও তাপ আছে, আর সূর্যও একটি সাধারণ মাঝারি আকারের নক্ষত্র। পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার, আর সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। সূর্যের পরে পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র হলো প্রক্সিমা সেন্টাউরি (Proxima Centauri), যা প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে।
    মনে রাখুন:
    রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র লুব্ধক বা সিরিয়াস (Sirius)।
    ধ্রুবতারা (Polaris) উত্তর আকাশে প্রায় স্থির থাকে, তাই এটি দেখে উত্তর দিক চেনা যায়।
  289. ৩৩৪. The first ever image of a Black Hole at the centre of M87 Galaxy could be photographed using a telescope system called-সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. Hubble Telescope
    • খ. Mount Palomar Observatory
    • গ. Mount Palomar Telescope
    • ঘ. Event Horizon Telescopes
    উত্তর: ঘ. Event Horizon Telescopes
    কৃষ্ণগহ্বরের প্রথম ছবি তোলা হয় ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (Event Horizon Telescope, EHT) দিয়ে, আর ছবিটি প্রকাশ করা হয় ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল। এটি একটি মাত্র দূরবীক্ষণ যন্ত্র নয়, বরং পৃথিবীর বিভিন্ন মহাদেশে ছড়িয়ে থাকা কয়েকটি রেডিও টেলিস্কোপের একটি জোট। সবগুলো একসঙ্গে কাজ করায় এটি প্রায় পৃথিবীর সমান বড় একটি টেলিস্কোপের মতো সূক্ষ্ম ছবি তুলতে পারে। ছবির কৃষ্ণগহ্বরটি M87 নামের ছায়াপথের কেন্দ্রে, পৃথিবী থেকে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
    মনে রাখুন:
    ২০২২ সালে EHT আমাদের আকাশগঙ্গার কেন্দ্রের কৃষ্ণগহ্বর ‘স্যাজিটেরিয়াস A*’-এর ছবিও প্রকাশ করে।
    হাবল টেলিস্কোপ পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, এটি ১৯৯০ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়।
  290. ৩৩৫. সপ্তর্ষিমণ্ডল আকাশে কিসের মত দেখায়?স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য সহকারী, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ নক্ষত্রমণ্ডল
    • ক. এস আকৃতির
    • খ. যতি আকৃতির
    • গ. জিজ্ঞাসা চিহ্নের মত
    • ঘ. বৃত্ত আকৃতির
    উত্তর: গ. জিজ্ঞাসা চিহ্নের মত
    রাতের আকাশে উত্তর দিকে সাতটি উজ্জ্বল তারা মিলে একটি দল দেখা যায়, যার নাম সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear বা Ursa Major)। প্রাচীন ভারতের সাত ঋষির নামে তারাগুলোর নাম রাখা হয়েছে বলে একে সপ্তর্ষি বলে। তারাগুলোকে রেখা দিয়ে জুড়লে আকৃতিটি অনেকটা জিজ্ঞাসা চিহ্ন (?) বা হাতলওয়ালা একটি বড় চামচের মতো দেখায়। সপ্তর্ষিমণ্ডলের সামনের দুটি তারা বরাবর রেখা টানলে তা ধ্রুবতারার দিকে যায়, তাই এটি দেখে দিক চেনা যায়।
    মনে রাখুন:
    শীতকালে আকাশে কালপুরুষ (Orion) নক্ষত্রমণ্ডল দেখা যায়।
    সপ্তর্ষিমণ্ডল বছরের বেশির ভাগ সময় উত্তর আকাশে দেখা যায়।
  291. ৩৩৬. The Sun is a -আইএফআইসি ব্যাংক ট্রানজেকশন সার্ভিস অফিসার, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. Star
    • খ. Planet
    • গ. Asteroid
    • ঘ. None
    উত্তর: ক. Star
    সূর্য (Sun) একটি নক্ষত্র (Star), কারণ এর নিজস্ব আলো ও তাপ আছে। সূর্যের কেন্দ্রে প্রচণ্ড চাপ ও তাপে হাইড্রোজেন পরমাণু মিলে হিলিয়াম তৈরি হয়, আর এই নিউক্লীয় সংযোজন (Nuclear Fusion) থেকেই বিপুল শক্তি বেরিয়ে আসে। অন্যদিকে গ্রহের নিজস্ব আলো নেই, গ্রহ নক্ষত্রের আলো প্রতিফলিত করে বলে উজ্জ্বল দেখায়। সৌরজগতের মোট ভরের প্রায় ৯৯.৮৬ ভাগই সূর্যের, আর এই ভরের টানেই গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
    মনে রাখুন:
    সূর্য একটি হলুদ বামন (Yellow Dwarf) শ্রেণির নক্ষত্র।
    সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৫৫০০°C।
    সূর্যের বয়স প্রায় ৪৬০ কোটি বছর।
  292. ৩৩৭. What is the real color of the sun?বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক, ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সূর্য
    • ক. Pure White
    • খ. Pure Orange
    • গ. Red
    • ঘ. Blue
    উত্তর: ক. Pure White
    সূর্যের আসল রং সাদা। সূর্য দৃশ্যমান আলোর সব রং প্রায় সমান পরিমাণে ছড়ায়, আর সব রঙের আলো একসঙ্গে মিশলে আমরা সাদা দেখি। তাহলে পৃথিবী থেকে সূর্যকে হলুদ দেখায় কেন? এর কারণ বায়ুমণ্ডল। বাতাসের অণু ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলোকে চারদিকে বেশি ছড়িয়ে দেয়, ফলে সরাসরি আসা আলোয় হলুদ ও লালের ভাগ একটু বেশি থাকে। মহাকাশ থেকে নভোচারীরা সূর্যকে সাদাই দেখেন।
    মনে রাখুন:
    আকাশ নীল দেখায় আলোর বিক্ষেপণের (Scattering) কারণে।
    সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আলো বেশি পথ পেরোয়, তাই সূর্যকে লাল দেখায়।
  293. ৩৩৮. Which of these is not a planet in the Solar system?/ কোনটি সৌরজগতের গ্রহ নয়?বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক লি. সহকারী অফিসার, ২০০৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Mars
    • খ. Neptune
    • গ. Venus
    • ঘ. Pluto
    উত্তর: ঘ. Pluto
    প্লুটো (Pluto) এখন আর সৌরজগতের গ্রহ নয়। ২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) গ্রহের নতুন সংজ্ঞা ঠিক করে। নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী একটি গ্রহকে নিজের কক্ষপথের আশপাশ থেকে অন্য বস্তুগুলো সরিয়ে ফেলার মতো যথেষ্ট বড় হতে হয়, কিন্তু প্লুটো তা পারে না। তাই প্লুটোকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) ঘোষণা করা হয়, আর সৌরজগতের গ্রহের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮টিতে।
    মনে রাখুন:
    ৮টি গ্রহ: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।
    প্লুটো আবিষ্কার করেন ক্লাইড টমবা, ১৯৩০ সালে।
    সিরিস, এরিস, হাউমিয়া ও মাকেমাকেও বামন গ্রহ।
  294. ৩৩৯. Which planet is the nearest to sun?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (বি ইউনিট) ভর্তি, ২০১৬-১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Mercury
    • খ. Venus
    • গ. Jupiter
    • ঘ. Mars
    উত্তর: ক. Mercury
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ (Mercury)। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ কিলোমিটার। সূর্যের এত কাছে থাকায় বুধ খুব দ্রুত সূর্যকে ঘোরে এবং মাত্র ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ শেষ করে। বুধ সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহও বটে, আর এর কোনো উপগ্রহ নেই। বায়ুমণ্ডল প্রায় না থাকায় বুধের দিনের দিক খুব গরম এবং রাতের দিক খুব ঠান্ডা থাকে। তবে সবচেয়ে কাছে থাকলেও বুধ সবচেয়ে গরম গ্রহ নয়।
    মনে রাখুন:
    সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ নেপচুন।
    পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ শুক্র।
    বুধ ও শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
  295. ৩৪০. Which one is the largest planet in the solar system? Or, সৌরজগতের সর্ববৃহৎ গ্রহ কোনটি?ইস্টার্ন ব্যাংক লি. অফিসার, ২০০৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Jupiter (বৃহস্পতি)
    • খ. Saturn (শনি)
    • গ. Mars (মঙ্গল)
    • ঘ. Earth (পৃথিবী)
    উত্তর: ক. Jupiter (বৃহস্পতি)
    সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি (Jupiter)। এর ব্যাস পৃথিবীর প্রায় ১১ গুণ, আর এর ভর বাকি সব গ্রহের মোট ভরের আড়াই গুণেরও বেশি। বৃহস্পতি মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসে তৈরি, তাই একে গ্যাসদানব (Gas Giant) বলা হয়। এর গায়ে একটি বিশাল লাল দাগ দেখা যায়, যা আসলে শত শত বছর ধরে চলা একটি ঘূর্ণিঝড়, একে গ্রেট রেড স্পট (Great Red Spot) বলে।
    মনে রাখুন:
    সৌরজগতের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ বৃহস্পতির গ্যানিমিড (Ganymede)।
    আকারে দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ শনি।
    বৃহস্পতি নিজ অক্ষে সবচেয়ে দ্রুত ঘোরে, প্রায় ১০ ঘণ্টায় এর একটি দিন হয়।
  296. ৩৪১. The planet that moves around the Sun at the highest speed is -সমন্বিত ৫ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ), ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Venus
    • খ. Mercury
    • গ. Jupiter
    • ঘ. Neptune
    উত্তর: খ. Mercury
    সূর্যের চারদিকে সবচেয়ে দ্রুত ঘোরে বুধ (Mercury)। কোনো গ্রহ সূর্যের যত কাছে থাকে, সূর্যের মহাকর্ষ টান তার ওপর তত বেশি হয়, তাই কক্ষপথে টিকে থাকতে গ্রহটিকে তত দ্রুত চলতে হয়। বুধ সবচেয়ে কাছে থাকায় এর গড় কক্ষীয় বেগ সেকেন্ডে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার, আর এটি মাত্র ৮৮ দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। অন্যদিকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ নেপচুন সবচেয়ে ধীরে চলে, তার এক বছর পৃথিবীর প্রায় ১৬৫ বছরের সমান।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর কক্ষীয় বেগ সেকেন্ডে প্রায় ৩০ কিলোমিটার।
    নিজ অক্ষে সবচেয়ে দ্রুত ঘোরে বৃহস্পতি, আর সবচেয়ে ধীরে ঘোরে শুক্র।
  297. ৩৪২. Which planet is the hottest in the solar system?সমন্বিত ৭ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ), ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Venus
    • খ. Mercury
    • গ. Saturn
    • ঘ. Neptune
    উত্তর: ক. Venus
    সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র (Venus), যদিও বুধ সূর্যের বেশি কাছে। শুক্রের বায়ুমণ্ডল খুব ঘন এবং এর প্রায় ৯৬ ভাগই কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)। এই গ্যাস সূর্যের তাপ ভেতরে আটকে রাখে, ফলে প্রবল গ্রিনহাউস প্রভাব (Greenhouse Effect) তৈরি হয়। তাই শুক্রের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৪৬৫°C, যা সিসা গলিয়ে ফেলার মতো গরম। বুধের বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই বলে তার রাতের দিকের তাপ সহজে মহাশূন্যে চলে যায়।
    মনে রাখুন:
    শুক্র সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহ, একে শুকতারা ও সন্ধ্যাতারা বলা হয়।
    শুক্র নিজ অক্ষে পূর্ব থেকে পশ্চিমে, অর্থাৎ উল্টো দিকে ঘোরে।
  298. ৩৪৩. Which of the following planets is known as morning star?এসআইবিএল ট্রেইনি সিনিয়র অফিসার, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Mercury
    • খ. Venus
    • গ. Mars
    • ঘ. Saturn
    উত্তর: খ. Venus
    শুক্র (Venus) গ্রহকে ভোরের তারা বা শুকতারা (Morning Star) বলা হয়। শুক্র পৃথিবীর চেয়ে সূর্যের কাছে থাকে, তাই আমরা একে সবসময় সূর্যের কাছাকাছি আকাশে দেখি। কখনো এটি সূর্য ওঠার আগে পূর্ব আকাশে ঝলমল করে, তখন একে শুকতারা বলে। আবার কখনো সূর্য ডোবার পরে পশ্চিম আকাশে দেখা যায়, তখন একে সন্ধ্যাতারা (Evening Star) বলে। শুক্র আসলে তারা নয়, এটি একটি গ্রহ, শুধু খুব উজ্জ্বল বলে তারার মতো দেখায়।
    মনে রাখুন:
    শুক্রকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ বলা হয়, কারণ আকার ও ভরে দুটি প্রায় সমান।
    মঙ্গলকে লাল গ্রহ (Red Planet) বলা হয়।
  299. ৩৪৪. Which one of the following is the brightest planet of the solar system as seen from the earth?স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লি. এমটিও, ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Mars
    • খ. Venus
    • গ. Mercury
    • ঘ. Uranus
    উত্তর: খ. Venus
    পৃথিবী থেকে দেখা সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহ শুক্র (Venus)। শুক্রের চারপাশে সালফিউরিক এসিডের ঘন মেঘের স্তর আছে, যা সূর্যের আলোর প্রায় ৭০ ভাগের বেশি প্রতিফলিত করে। তা ছাড়া শুক্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ। এই দুই কারণে রাতের আকাশে চাঁদের পরেই শুক্র সবচেয়ে উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক, এমনকি সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র সিরিয়াসের চেয়েও উজ্জ্বল।
    মনে রাখুন:
    শুক্রকে শুকতারা ও সন্ধ্যাতারা দুই নামেই ডাকা হয়।
    খালি চোখে দেখা যায় এমন গ্রহ পাঁচটি: বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি।
    রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র সিরিয়াস বা লুব্ধক।
  300. ৩৪৫. How many days the Earth takes to revolve around the Sun to complete one revolution?এসআইবিএল প্রবেশনারি অফিসার, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর গতি
    • ক. 365.342 days
    • খ. 365.242 days
    • গ. 365.422 days
    • ঘ. 365.243 days
    উত্তর: খ. 365.242 days
    পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে প্রায় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড সময় নেয়, যা দশমিকে প্রায় ৩৬৫.২৪২ দিন। পৃথিবীর এই গতিকে বার্ষিক গতি (Revolution) বলে, আর এর কারণেই ঋতু পরিবর্তন হয়। ক্যালেন্ডারে বছর ধরা হয় ৩৬৫ দিন, ফলে প্রতি বছর প্রায় এক দিনের চার ভাগের এক ভাগ বাড়তি থেকে যায়। এই বাড়তি সময় মেলাতে প্রতি চার বছর পর ফেব্রুয়ারিতে একটি দিন যোগ করা হয়, সেই বছরকে অধিবর্ষ (Leap Year) বলে।
    মনে রাখুন:
    নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর লাগে প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট, একে আহ্নিক গতি বলে।
    আহ্নিক গতির ফলে দিন-রাত হয়।
  301. ৩৪৬. Which of the following is called Blue Planet?রূপালী ব্যাংক লি. ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট, ২০২০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Saturn
    • খ. Earth
    • গ. Jupiter
    • ঘ. Mars
    উত্তর: খ. Earth
    পৃথিবীকে নীল গ্রহ (Blue Planet) বলা হয়, কারণ মহাকাশ থেকে দেখলে পৃথিবীকে নীল দেখায়। পৃথিবীর উপরিভাগের প্রায় ৭১ ভাগ জুড়ে আছে সাগর ও মহাসাগর, আর পানি লাল আলো বেশি শোষণ করে নীল আলো ফিরিয়ে দেয়। তা ছাড়া বায়ুমণ্ডলও নীল আলো বেশি ছড়ায়। সৌরজগতে পৃথিবীই একমাত্র গ্রহ, যার উপরিভাগে প্রচুর তরল পানি আছে এবং যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব জানা গেছে।
    মনে রাখুন:
    লাল গ্রহ (Red Planet) বলা হয় মঙ্গলকে।
    নেপচুন ও ইউরেনাসকেও নীলচে দেখায়, তবে সেটা মিথেন গ্যাসের কারণে।
    ‘নীল গ্রহ’ পৃথিবীর একটি জনপ্রিয় ডাকনাম।
  302. ৩৪৭. Which one is the 'Tallest Mountain in our Solar System'?বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ), ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Mount Everest
    • খ. Olympus Mons
    • গ. Caloris Montes
    • ঘ. Kanchenjunga
    উত্তর: খ. Olympus Mons
    সৌরজগতের সবচেয়ে উঁচু পর্বত অলিম্পাস মনস (Olympus Mons), যা মঙ্গল গ্রহে অবস্থিত। এটি আসলে একটি বিশাল আগ্নেয়গিরি, যার উচ্চতা আশপাশের সমভূমি থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার। তুলনা করলে দেখা যায়, এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের (প্রায় ৮.৮ কিলোমিটার) আড়াই গুণেরও বেশি উঁচু। মঙ্গলের মহাকর্ষ কম এবং সেখানে ভূত্বকের প্লেট সরে না, তাই লাভা একই জায়গায় জমে জমে এত বড় পর্বত তৈরি হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলা হয়, কারণ এর মাটিতে আয়রন অক্সাইড বেশি।
    মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ: ফোবোস ও ডিমোস।
    ক্যালরিস মন্টেস (Caloris Montes) বুধ গ্রহের একটি পর্বতমালা।
  303. ৩৪৮. The Saturn is a____?আইএফআইসি ব্যাংক ট্রেইনি সিনিয়র অফিসার, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ গ্রহ ও সৌরজগৎ
    • ক. Asteroid
    • খ. Star
    • গ. Planet
    • ঘ. Meteor
    উত্তর: গ. Planet
    শনি (Saturn) সৌরজগতের একটি গ্রহ, সূর্য থেকে দূরত্বের হিসাবে এটি ষষ্ঠ। আকারে এটি বৃহস্পতির পরেই দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ, আর এটিও মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামে তৈরি গ্যাসদানব। শনিকে সহজে চেনা যায় এর চারপাশের উজ্জ্বল বলয়ের (Ring) জন্য, যা বরফ ও পাথরের অসংখ্য টুকরো দিয়ে গঠিত। শনির ঘনত্ব পানির চেয়েও কম, তাই বলা হয়, বিশাল কোনো পানির পাত্র পেলে শনি তাতে ভেসে থাকত। শনির এক বছর পৃথিবীর প্রায় সাড়ে ২৯ বছরের সমান।
    মনে রাখুন:
    শনির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ টাইটান (Titan), যার ঘন বায়ুমণ্ডল আছে।
    সৌরজগতে সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ আছে শনির।
  304. ৩৪৯. What is the name of earth's moon?প্রিমিয়ার ব্যাংক লি. ট্রেইনি জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ), ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. Europa
    • খ. Leston
    • গ. Luna
    • ঘ. Titan
    উত্তর: গ. Luna
    পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদের লাতিন নাম লুনা (Luna)। ইংরেজিতে একে সাধারণভাবে Moon বলা হয়, আর ‘চাঁদ-সম্পর্কিত’ বোঝাতে Lunar শব্দটি লুনা থেকেই এসেছে, যেমন Lunar Eclipse মানে চন্দ্রগ্রহণ। ইউরোপা (Europa) হলো বৃহস্পতির একটি উপগ্রহ, আর টাইটান (Titan) হলো শনির সবচেয়ে বড় উপগ্রহ। চাঁদ পৃথিবীকে একবার ঘুরে আসতে প্রায় সাড়ে ২৭ দিন সময় নেয়।
    মনে রাখুন:
    চাঁদের নিজস্ব আলো নেই, এটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে।
    চাঁদের আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় ১.৩ সেকেন্ড লাগে।
    চাঁদে অভিকর্ষ পৃথিবীর প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ।
  305. ৩৫০. Approximate distance of the moon from the earth-আইএফআইসি ব্যাংক লি. প্রবেশনারি অফিসার · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. 257 × 10² miles
    • খ. 250 × 10³ miles
    • গ. 930 × 10⁵ miles
    • ঘ. 67 × 10⁶ miles
    উত্তর: খ. 250 × 10³ miles
    পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার, যা মাইলের হিসাবে প্রায় ২ লাখ ৩৯ হাজার মাইল। প্রশ্নের সংখ্যাগুলোর মধ্যে 250 × 10³ অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার মাইলই এর সবচেয়ে কাছাকাছি, তাই এটিই আনুমানিক দূরত্ব। চাঁদের কক্ষপথ পুরোপুরি বৃত্তাকার নয়, তাই কখনো চাঁদ একটু কাছে আসে, কখনো একটু দূরে যায়। সবচেয়ে কাছে এলে পূর্ণিমার চাঁদকে স্বাভাবিকের চেয়ে বড় দেখায়, একে সুপারমুন (Supermoon) বলে।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ মাইল বা ১৫ কোটি কিলোমিটার।
    চাঁদের ব্যাস প্রায় ৩৪৭৪ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর প্রায় চার ভাগের এক ভাগ।
  306. ৩৫১. What was the Chandrayaan-1?ট্রানজেকশন সার্ভিস অফিসার, ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Lunar Probe
    • খ. Navigation Satellite
    • গ. Geo stationary Satellite
    • ঘ. An earth observation satellite
    উত্তর: ক. Lunar Probe
    চন্দ্রযান-১ (Chandrayaan-1) ছিল চাঁদে পাঠানো ভারতের প্রথম মহাকাশযান, অর্থাৎ একটি চন্দ্র অনুসন্ধানী যান (Lunar Probe)। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO) ২০০৮ সালের ২২ অক্টোবর এটি উৎক্ষেপণ করে। যানটি চাঁদের চারদিকে কক্ষপথে ঘুরে চাঁদের পৃষ্ঠের ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করে। এর সঙ্গে থাকা নাসার একটি যন্ত্র চাঁদের মাটিতে পানির অণুর উপস্থিতির জোরালো প্রমাণ খুঁজে পায়, যা এই অভিযানের সবচেয়ে বড় সাফল্য।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ হয় ২০১৯ সালে, কিন্তু এর ল্যান্ডার নিরাপদে নামতে পারেনি।
    চন্দ্রযান-৩ ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে সফলভাবে নামে।
  307. ৩৫২. ভারতের চন্দ্রযান-৩ কত তারিখে চাঁদে অবতরণ করে?অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ১৪ জুলাই, ২০২৩
    • খ. ২৩ আগস্ট, ২০২৩
    • গ. ২২ জুলাই, ২০১৯
    • ঘ. ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
    উত্তর: খ. ২৩ আগস্ট, ২০২৩
    ভারতের চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি সফলভাবে অবতরণ করে। এর আগে ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই শ্রীহরিকোটা থেকে যানটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডারের নাম বিক্রম (Vikram) এবং রোভারের নাম প্রজ্ঞান (Pragyan)। এই সাফল্যের ফলে ভারত চাঁদে নামা চতুর্থ দেশ হয়, আর চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে প্রথম যান নামানোর কৃতিত্বও পায়।
    মনে রাখুন:
    এই সাফল্যের স্মরণে ভারত ২৩ আগস্টকে জাতীয় মহাকাশ দিবস ঘোষণা করেছে।
    চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল ২০১৯ সালের ২২ জুলাই।
    চাঁদে প্রথম যান নামায় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, ১৯৬৬ সালে।
  308. ৩৫৩. "A small step for a man, a giant step for mankind-" said an astronaut. Name the astronaut. / "এটি একজন মানুষের ক্ষুদ্র পদক্ষেপ কিন্তু গোটা মানবজাতির জন্য এক বিশাল অগ্রযাত্রা" কোন নভোচারীর উক্তি?আইএফআইসি ব্যাংক লি. প্রবেশনারি অফিসার, ১৯৯২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Neil Armstrong
    • খ. Edward White
    • গ. Yuri Gagarin
    • ঘ. Alan Shepard
    উত্তর: ক. Neil Armstrong
    উক্তিটি মার্কিন নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং (Neil Armstrong)-এর। ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ (Apollo 11) অভিযানে তিনি প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের মাটিতে পা রাখেন, আর পা রাখার মুহূর্তেই এই বিখ্যাত কথাটি বলেন। তাঁর অর্থ ছিল, একজন মানুষের এই ছোট্ট পদক্ষেপ গোটা মানবজাতির জন্য বিরাট অগ্রগতি। কিছুক্ষণ পরে তাঁর সঙ্গী এডউইন অলড্রিনও চাঁদে নামেন, আর মাইকেল কলিন্স তখন মূল যানে চাঁদের কক্ষপথে ঘুরছিলেন।
    মনে রাখুন:
    মহাশূন্যে যাওয়া প্রথম মানুষ ইউরি গ্যাগারিন, ১৯৬১ সালে।
    প্রথম মার্কিন নভোচারী হিসেবে মহাশূন্যে যান অ্যালান শেপার্ড।
    মহাশূন্যে প্রথম হাঁটেন অ্যালেক্সি লিওনভ, ১৯৬৫ সালে।
  309. ৩৫৪. In 2021, which country‘s space agency successfully landed its rover, Perseverance, on Mars, to search for signs of ancient life?পূবালী ব্যাংক জুনিয়র অফিসার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. China
    • খ. United States
    • গ. Russia
    • ঘ. India
    উত্তর: খ. United States
    পারসিভিয়ারেন্স (Perseverance) রোভারটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার (NASA)। এটি ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গল গ্রহের জেজেরো (Jezero) নামের একটি গর্তে নামে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, বহু কোটি বছর আগে সেখানে একটি হ্রদ ছিল, তাই সেখানকার পাথরে প্রাচীন অণুজীবের চিহ্ন পাওয়া যেতে পারে। রোভারটি পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে রাখছে, যাতে ভবিষ্যতে সেগুলো পৃথিবীতে আনা যায়। প্রায় এক টন ওজনের এই রোভারটি পারমাণবিক ব্যাটারিতে চলে।
    মনে রাখুন:
    পারসিভিয়ারেন্সের সঙ্গে যাওয়া ইনজেনুইটি (Ingenuity) প্রথম হেলিকপ্টার, যা অন্য গ্রহে উড়েছে।
    মঙ্গলে নাসার আগের রোভারের নাম কিউরিওসিটি (Curiosity)।
    চীনের মঙ্গল রোভারের নাম ঝুরং (Zhurong)।
  310. ৩৫৫. The 'Hubble Telescope' is-আইএফআইসি ব্যাংক লি. প্রবেশনারি অফিসার, ১৯৯৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ টেলিস্কোপ
    • ক. The name of a book
    • খ. An observatory in UK
    • গ. Placed in orbit around the earth for cosmic observation
    • ঘ. Used in space crafts
    উত্তর: গ. Placed in orbit around the earth for cosmic observation
    হাবল টেলিস্কোপ (Hubble Space Telescope) একটি দূরবীক্ষণ যন্ত্র, যা পৃথিবীর চারদিকে কক্ষপথে ঘুরে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে। নাসা ১৯৯০ সালের ২৪ এপ্রিল ডিসকভারি নামের স্পেস শাটলের মাধ্যমে এটি পাঠায়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল আলোকে কিছুটা ঝাপসা ও বিকৃত করে, কিন্তু হাবল বায়ুমণ্ডলের ওপরে থাকায় অনেক পরিষ্কার ছবি তুলতে পারে। এর তোলা ছবি থেকেই মহাবিশ্বের বয়স ও প্রসারণের হার সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য পাওয়া গেছে।
    মনে রাখুন:
    টেলিস্কোপটির নাম রাখা হয়েছে জ্যোতির্বিদ এডউইন হাবলের নামে।
    হাবলের উত্তরসূরি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) উৎক্ষেপণ করা হয় ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর।
  311. ৩৫৬. Name the space agency which will launch Parker Solar Probe to explore sun's outer surface?ঢাকা ব্যাংক লি. এমটিও, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. NASA
    • খ. Israel Space Agency
    • গ. JAXA
    • ঘ. ISRO
    উত্তর: ক. NASA
    পার্কার সোলার প্রোব (Parker Solar Probe) যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার (NASA) একটি মহাকাশযান। এটি ২০১৮ সালের ১২ আগস্ট উৎক্ষেপণ করা হয়, আর এর কাজ সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল বা করোনা (Corona) পর্যবেক্ষণ করা। সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়ে করোনা কেন বহুগুণ বেশি গরম, আর সৌরবায়ু কীভাবে তৈরি হয়, এসব রহস্য বোঝাই এর লক্ষ্য। যানটির নাম রাখা হয়েছে সৌরবায়ুর ধারণা দেওয়া বিজ্ঞানী ইউজিন পার্কারের নামে।
    মনে রাখুন:
    এটিই প্রথম মহাকাশযান, যা সূর্যের করোনার ভেতর দিয়ে উড়ে গেছে।
    এটি মানুষের তৈরি সবচেয়ে দ্রুতগামী বস্তু।
    ভারতের সূর্য পর্যবেক্ষণ যানের নাম আদিত্য-এল১ (Aditya-L1)।
  312. ৩৫৭. What was the name of the rocket Space X makes history after catching on landing?উত্তরা ব্যাংক পিএলসি প্রবেশনারি অফিসার, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Starship
    • খ. Falcon 9
    • গ. Polaris Dawn
    • ঘ. Blue Origin
    উত্তর: ক. Starship
    ২০২৪ সালের ১৩ অক্টোবর স্পেসএক্স (SpaceX) তাদের স্টারশিপ (Starship) রকেটের পঞ্চম পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে ইতিহাস গড়ে। উৎক্ষেপণের কয়েক মিনিট পরে রকেটের বিশাল প্রথম ধাপ সুপার হেভি (Super Heavy) বুস্টার ফিরে আসে, আর উৎক্ষেপণ টাওয়ারের দুটি যান্ত্রিক বাহু তাকে মাঝ আকাশেই ধরে ফেলে। এর আগে কোনো রকেটকে এভাবে টাওয়ারে ধরে নামানো হয়নি। ফ্যালকন ৯ (Falcon 9) রকেটের বুস্টার নিজের পায়ে ভর দিয়ে মাটিতে বা সাগরে ভাসমান জাহাজে নামে, তাকে ধরা হয় না।
    মনে রাখুন:
    স্টারশিপ এখন পর্যন্ত তৈরি সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট।
    পোলারিস ডন (Polaris Dawn) ছিল প্রথম বেসরকারি মহাকাশে হাঁটার অভিযান।
    ব্লু অরিজিন (Blue Origin) জেফ বেজোসের মহাকাশ কোম্পানি।
  313. ৩৫৮. What technological innovation developed by SpaceX revolutionized the space industry?পূবালী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Solar sails
    • খ. Space tourism
    • গ. Reusable rockets
    • ঘ. Warp drive
    উত্তর: গ. Reusable rockets
    স্পেসএক্সের সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন হলো পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট (Reusable Rocket)। আগে প্রতিটি উৎক্ষেপণের পর রকেটের ধাপগুলো সাগরে পড়ে নষ্ট হয়ে যেত, ফলে প্রতিবার নতুন রকেট বানাতে হতো। স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের প্রথম ধাপকে নিজে নিজে ফিরে এসে খাড়াভাবে নামার ব্যবস্থা করে, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে প্রথম সফল অবতরণ হয়। একই বুস্টার বারবার ব্যবহার করায় মহাকাশে যাওয়ার খরচ অনেক কমে যায়।
    মনে রাখুন:
    স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক, প্রতিষ্ঠা ২০০২ সালে।
    স্পেসএক্সের নভোযানের নাম ড্রাগন (Dragon)।
    বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ ফ্যালকন ৯ রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
  314. ৩৫৯. The first astronaut to visit space twice was-জনতা ব্যাংক লি. এক্সিকিউটিভ অফিসার, ২০১৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Michael Collins
    • খ. Neil Armstrong
    • গ. Gus Grissom
    • ঘ. Yuri Gagarin
    উত্তর: গ. Gus Grissom
    মার্কিন নভোচারী গাস গ্রিসম (Gus Grissom) প্রথম নভোচারী হিসেবে দুবার মহাশূন্যে যান। প্রথমবার তিনি ১৯৬১ সালে মার্কারি অভিযানের লিবার্টি বেল ৭ যানে চড়ে ছোট একটি উড্ডয়ন করেন। দ্বিতীয়বার ১৯৬৫ সালে জেমিনি-৩ যানের অধিনায়ক হিসেবে মহাশূন্যে যান। দুঃখজনকভাবে ১৯৬৭ সালে অ্যাপোলো-১ যানের মহড়ার সময় আগুন লেগে তিনি মারা যান। ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাশূন্যে গেলেও তিনি একবারই গিয়েছিলেন। তাঁর এই অভিজ্ঞতা পরে নাসার অ্যাপোলো কর্মসূচিতে কাজে লেগেছিল।
    মনে রাখুন:
    মাইকেল কলিন্স অ্যাপোলো-১১ অভিযানে মূল যানে চাঁদের কক্ষপথে ছিলেন।
    মহাশূন্যে যাওয়া প্রথম নারী ভ্যালেন্তিনা তেরেশকোভা, ১৯৬৩ সালে।
  315. ৩৬০. JAXA is a space agency of which country?উত্তরা ব্যাংক লি. প্রবেশনারি অফিসার, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. Jordan
    • খ. Germany
    • গ. Jamaica
    • ঘ. Japan
    উত্তর: ঘ. Japan
    জাক্সা (JAXA) হলো জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, এর পুরো নাম Japan Aerospace Exploration Agency। ২০০৩ সালে জাপানের তিনটি মহাকাশ প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে মিলে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। জাক্সার হায়াবুসা (Hayabusa) অভিযান প্রথমবারের মতো একটি গ্রহাণু থেকে নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাক্সার স্লিম (SLIM) যান চাঁদে নামলে জাপান চাঁদে নামা পঞ্চম দেশ হয়। জাক্সার সদর দপ্তর জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত।
    মনে রাখুন:
    যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা NASA, রাশিয়ার Roscosmos, ভারতের ISRO।
    ইউরোপের সংস্থা ESA, চীনের CNSA।
    বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো (SPARRSO)।
  316. ৩৬১. What is the name of the Russian space agency?গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক লি. প্রবেশনারি অফিসার, ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. Gazprom
    • খ. Roscosmos
    • গ. RSS
    • ঘ. Russa
    উত্তর: খ. Roscosmos
    রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থার নাম রসকসমস (Roscosmos)। এর সদর দপ্তর মস্কোতে, আর এটি রাশিয়ার মহাকাশ অভিযান ও রকেট উৎক্ষেপণের দায়িত্ব পালন করে। রাশিয়া মহাকাশ গবেষণায় অনেক পুরোনো দেশ, কারণ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ পাঠায় এবং ১৯৬১ সালে ইউরি গ্যাগারিনকে প্রথম মানুষ হিসেবে মহাশূন্যে পাঠায়। গ্যাজপ্রম (Gazprom) রাশিয়ার একটি বড় গ্যাস কোম্পানি, মহাকাশ সংস্থা নয়। বর্তমান সংস্থাটি সোভিয়েত মহাকাশ কর্মসূচির উত্তরসূরি।
    মনে রাখুন:
    রাশিয়ার প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র বাইকোনুর, যা কাজাখস্তানে অবস্থিত।
    রসকসমস আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের পাঁচ অংশীদার সংস্থার একটি।
  317. ৩৬২. ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম কী?সিপিজিসিবিএল-এর ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
    • ক. ISRO
    • খ. SUPARCO
    • গ. JAXA
    • ঘ. CNSA
    উত্তর: ক. ISRO
    ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ইসরো (ISRO), এর পুরো নাম Indian Space Research Organisation। সংস্থাটি ১৯৬৯ সালের ১৫ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর বেঙ্গালুরুতে। ইসরো চন্দ্রযান ও মঙ্গলযানের মতো সফল অভিযান পরিচালনা করেছে, আর ২০২৩ সালে চন্দ্রযান-৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে নামিয়ে বিশ্বের নজর কাড়ে। সুপারকো (SUPARCO) পাকিস্তানের, জাক্সা (JAXA) জাপানের এবং সিএনএসএ (CNSA) চীনের মহাকাশ সংস্থা।
    মনে রাখুন:
    আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (ISS) পাঁচটি সংস্থার যৌথ প্রকল্প: NASA, ESA, Roscosmos, JAXA ও CSA।
    ISS-এর প্রথম অংশ উৎক্ষেপণ করা হয় ১৯৯৮ সালের ২০ নভেম্বর।
  318. ৩৬৩. The spacecraft designed by Boeing is called -পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. Starliner
    • খ. Dream Chaser
    • গ. SpaceX
    • ঘ. Skylon
    উত্তর: ক. Starliner
    মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং (Boeing) যে নভোযানটি তৈরি করেছে, তার নাম স্টারলাইনার (Starliner)। নাসার বাণিজ্যিক ক্রু কর্মসূচির আওতায় নভোচারীদের আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আনা-নেওয়ার জন্য যানটি বানানো হয়। ২০২৪ সালের জুনে এর প্রথম মানুষবাহী উড্ডয়নে নভোচারী বুচ উইলমোর ও সুনিতা উইলিয়ামস মহাকাশ স্টেশনে যান। কিন্তু যানটির থ্রাস্টারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় স্টারলাইনার খালি অবস্থায় ফিরে আসে, আর দুই নভোচারী পরে স্পেসএক্সের যানে ফেরেন।
    মনে রাখুন:
    স্পেসএক্সের নভোযানের নাম ক্রু ড্রাগন (Crew Dragon)।
    ড্রিম চেজার (Dream Chaser) সিয়েরা স্পেস কোম্পানির তৈরি মহাকাশ বিমান।
  319. ৩৬৪. What is Tropic of Capricorn?রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগ) ভর্তি, ২০০৫-০৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা
    • ক. 23.5 N latitude
    • খ. 23.5 S latitude
    • গ. 30 N latitude
    • ঘ. 30 S latitude
    উত্তর: খ. 23.5 S latitude
    মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of Capricorn) হলো নিরক্ষরেখার দক্ষিণে সাড়ে ২৩ ডিগ্রি (23.5° S) অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত রেখা। পৃথিবীর অক্ষ সাড়ে ২৩ ডিগ্রি হেলে থাকায় সূর্য সারা বছর এই দুই ক্রান্তি রেখার মাঝেই খাড়াভাবে কিরণ দেয়। ২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হয়।
    মনে রাখুন:
    কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer) 23.5° N অক্ষাংশে, যা বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে গেছে।
    ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
  320. ৩৬৫. What are the full forms of the a.m. and p.m.?স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. ante meridiem & pre meridiem
    • খ. after meridiem & post meridiem
    • গ. ante midnight & post midnight
    • ঘ. ante meridiem & post meridiem
    উত্তর: ঘ. ante meridiem & post meridiem
    a.m. ও p.m. দুটিই লাতিন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। a.m. মানে ante meridiem, অর্থাৎ মধ্যাহ্নের আগে, আর p.m. মানে post meridiem, অর্থাৎ মধ্যাহ্নের পরে। লাতিন ভাষায় ‘ante’ মানে আগে, ‘post’ মানে পরে এবং ‘meridiem’ মানে মধ্যাহ্ন বা দুপুর। কোনো স্থানের ওপর দিয়ে কল্পিত মধ্যরেখা (Meridian) পার হওয়ার সময় সূর্য আকাশের সবচেয়ে উঁচুতে থাকে, সেই মুহূর্তকেই মধ্যাহ্ন ধরা হয়। তাই রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত a.m., আর দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত p.m.।
    মনে রাখুন:
    দ্রাঘিমারেখাকে মধ্যরেখা (Meridian) বলা হয়।
    গ্রিনিচের মধ্যরেখাকে মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) বা ০° দ্রাঘিমা ধরা হয়।
  321. ৩৬৬. What is there in the north Polar region?/ উত্তর মেরুতে কি আছে?ব্যাংক অফিসার, ২০০৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ পৃথিবীর মেরু অঞ্চল
    • ক. Arctic Ocean
    • খ. Antarctic Continent
    • গ. Arctic Continent
    • ঘ. Antarctic Ocean
    উত্তর: ক. Arctic Ocean
    উত্তর মেরু (North Pole) অঞ্চলে কোনো মহাদেশ নেই, সেখানে আছে উত্তর মহাসাগর বা আর্কটিক মহাসাগর (Arctic Ocean)। এই মহাসাগরের বেশির ভাগ অংশ সারা বছর ভাসমান বরফে ঢাকা থাকে, তাই দূর থেকে একে স্থলভাগের মতো মনে হয়। এর ঠিক উল্টো ছবি দক্ষিণ মেরুতে, সেখানে আছে বরফে ঢাকা একটি মহাদেশ, যার নাম অ্যান্টার্কটিকা (Antarctica)। অ্যান্টার্কটিকার চারপাশের সাগরকে দক্ষিণ মহাসাগর বলে।
    মনে রাখুন:
    আর্কটিক পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট ও অগভীর মহাসাগর।
    উত্তর মেরুতে প্রথম পৌঁছানোর দাবি করেন রবার্ট পিয়েরি (১৯০৯)।
    দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পৌঁছান রোয়াল্ড আমুন্ডসেন (১৯১১)।
  322. ৩৬৭. GMT মানে-বাংলাদেশ পুলিশ (স্পেশাল ব্রাঞ্চ), ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দ্রাঘিমাংশ ও সময়
    • ক. Greenwich Mean Time
    • খ. General Mean Time
    • গ. Geographical Mean Time
    • ঘ. None of the above
    উত্তর: ক. Greenwich Mean Time
    GMT-এর পূর্ণরূপ Greenwich Mean Time বা গ্রিনিচ মান সময়। লন্ডনের কাছে গ্রিনিচ নামের একটি জায়গায় রাজকীয় মানমন্দির (Royal Observatory) আছে, যার ওপর দিয়ে ০° দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখা গেছে। ১৮৮৪ সালে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই রেখাকে মূল মধ্যরেখা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়, আর এখানকার সময় ধরে সারা পৃথিবীর সময় গণনা করা হয়। পৃথিবী প্রতি ৪ মিনিটে ১° ঘোরে, তাই প্রতি ১৫° দ্রাঘিমায় সময়ের পার্থক্য হয় ১ ঘণ্টা।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের প্রমাণ সময় GMT-এর চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে (GMT+6)।
    বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ধরা হয় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে।
  323. ৩৬৮. কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দেয়া যায় না?সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর, ২০২৫ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ঘূর্ণিঝড়
    • খ. বন্যা
    • গ. ভূমিকম্প
    • ঘ. জলোচ্ছ্বাস
    উত্তর: গ. ভূমিকম্প
    ভূমিকম্পের (Earthquake) আগাম পূর্বাভাস দেওয়া এখনো সম্ভব হয়নি। ভূমিকম্প হয় মাটির অনেক গভীরে ভূত্বকের বিশাল প্লেট হঠাৎ সরে গেলে বা ভেঙে গেলে, আর ঠিক কখন সেই চাপ ছাড়া পাবে তা বোঝার মতো নির্ভরযোগ্য সংকেত বিজ্ঞানীরা পাননি। বিজ্ঞানীরা কেবল বলতে পারেন কোন এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বন্যা আসার আগে আবহাওয়া উপগ্রহ ও রাডারে এদের চিহ্ন দেখা যায়, তাই কয়েক দিন আগেই সতর্কবার্তা দেওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্পের মাত্রা মাপা হয় রিখটার স্কেলে।
    ভূমিকম্পের তরঙ্গ রেকর্ড করার যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
    মাটির নিচে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলকে কেন্দ্র (Focus) বলে।
  324. ৩৬৯. Earthquakes is caused by -শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ট্রেইনি সহকারী অফিসার, ২০০৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. Tectonism
    • খ. Denudation
    • গ. Earth Revolution
    • ঘ. Earth's rotation
    উত্তর: ক. Tectonism
    ভূমিকম্পের প্রধান কারণ ভূ-আলোড়ন বা টেকটোনিজম (Tectonism)। পৃথিবীর ভূত্বক কয়েকটি বড় বড় খণ্ডে ভাগ করা, এদের টেকটোনিক প্লেট (Tectonic Plate) বলে। এই প্লেটগুলো খুব ধীরে নড়াচড়া করে, আর একটির সঙ্গে আরেকটির ঘষা বা ধাক্কায় পাথরের ভেতরে চাপ জমতে থাকে। চাপ সহ্যের সীমা পেরোলে পাথর হঠাৎ ভেঙে সরে যায় এবং সেই শক্তি তরঙ্গ আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে মাটি কেঁপে ওঠে। ক্ষয়ীভবন (Denudation) হলো ভূমি ক্ষয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া, এটি ভূমিকম্প ঘটায় না।
    মনে রাখুন:
    আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতেও ভূমিকম্প হতে পারে।
    সাগরতলে বড় ভূমিকম্প হলে সুনামি (Tsunami) সৃষ্টি হতে পারে।
  325. ৩৭০. The intensity of an earthquake is measured with a-ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড উপসহকারী পরিচালক, ২০২৪ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. Barometer
    • খ. Hydrometer
    • গ. Polygraph
    • ঘ. Seismograph
    উত্তর: ঘ. Seismograph
    ভূমিকম্প পরিমাপ ও রেকর্ড করার যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ (Seismograph)। ভূমিকম্পের সময় মাটির কম্পন যন্ত্রটির কলমের মাধ্যমে কাগজে বা কম্পিউটারে আঁকাবাঁকা রেখা হিসেবে ফুটে ওঠে। এই রেখা দেখে বিজ্ঞানীরা ভূমিকম্পটি কতটা শক্তিশালী ছিল এবং এর কেন্দ্র কোথায়, তা হিসাব করেন। ব্যারোমিটার (Barometer) বায়ুর চাপ মাপে, হাইড্রোমিটার (Hydrometer) তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপে, আর পলিগ্রাফ (Polygraph) দিয়ে মিথ্যা বলা শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্পের মাত্রা প্রকাশ করা হয় রিখটার স্কেলে, যা চার্লস রিখটার ১৯৩৫ সালে চালু করেন।
    রিখটার স্কেলে ১ মাত্রা বাড়লে কম্পনের তীব্রতা ১০ গুণ বাড়ে।
  326. ৩৭১. ধূমকেতু কী দিয়ে তৈরী?বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন, সহকারী জজ (১৬তম বিজেএস প্রিলিমিনারি), ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. গ্যাস, ধূলিকণা ও শিলা
    • খ. গ্যাস, পাথর ও পানি
    • গ. পাথর, আগুন ও ধূলিকণা
    • ঘ. পাথর, বরফ ও ধূলিকণা
    উত্তর: ঘ. পাথর, বরফ ও ধূলিকণা
    ধূমকেতু (Comet) সূর্যের চারদিকে লম্বা উপবৃত্তাকার পথে ঘোরা একটি ছোট জ্যোতিষ্ক। এর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস মূলত জমাট বরফ, পাথর ও ধূলিকণা দিয়ে তৈরি, তাই বিজ্ঞানীরা একে নোংরা তুষারবল বলেন। সূর্য থেকে দূরে থাকলে ধূমকেতু অন্ধকার ও লেজহীন থাকে। সূর্যের কাছে এলে তাপে বরফ বাষ্প হয়ে ধূলিকণাসহ বেরিয়ে আসে এবং চারপাশে উজ্জ্বল মাথা ও লম্বা লেজ তৈরি করে। সৌরবায়ুর ধাক্কায় এই লেজ সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে পরিচিত ধূমকেতু হ্যালির ধূমকেতু, এটি প্রায় ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
    হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে ১৯৮৬ সালে, আবার দেখা যাবে ২০৬১ সালে।
  327. ৩৭২. 'Seismograph' যন্ত্রটি কি মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়?বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন, সহকারী জজ (৩য় বিজেএস প্রিলিমিনারি), ২০০৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. আবহাওয়া
    • খ. বৃষ্টিপাত
    • গ. ভূমিকম্প
    • ঘ. বাতাসের গতি
    উত্তর: গ. ভূমিকম্প
    সিসমোগ্রাফ (Seismograph) এমন একটি যন্ত্র, যা মাটির কম্পন টের পেয়ে কাগজে বা কম্পিউটারে ঢেউয়ের মতো রেখা এঁকে রাখে। ভূমিকম্পের সময় মাটির নিচ থেকে যে কম্পন তরঙ্গ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, এই রেখা দেখে বিজ্ঞানীরা তার তীব্রতা, সময় এবং কেন্দ্র কোথায় তা নির্ণয় করেন। ভূমিকম্পের মাত্রা প্রকাশ করা হয় রিখটার স্কেলে, যার প্রতি এক একক বাড়লে কম্পনের বিস্তার ১০ গুণ বাড়ে। আবহাওয়ার বিভিন্ন বিষয় মাপার জন্য অবশ্য আলাদা যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
    মনে রাখুন:
    বৃষ্টিপাত মাপা হয় রেইনগেজ দিয়ে।
    বাতাসের গতি মাপা হয় অ্যানিমোমিটার দিয়ে।
    বায়ুর চাপ মাপা হয় ব্যারোমিটার দিয়ে।
  328. ৩৭৩. What are the two most abundant elements in the Universe?বাংলাদেশ ব্যাংক, সহকারী পরিচালক (এডি), ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্ব
    • ক. Carbon and Oxygen
    • খ. Nitrogen and Oxygen
    • গ. Helium and Lithium
    • ঘ. Hydrogen and Helium
    উত্তর: ঘ. Hydrogen and Helium
    মহাবিশ্বের সাধারণ পদার্থের ভরের প্রায় ৭৪ শতাংশ হাইড্রোজেন আর প্রায় ২৪ শতাংশ হিলিয়াম। বিগ ব্যাংয়ের (Big Bang) পরপরই প্রথম কয়েক মিনিটে মূলত এই দুটি হালকা মৌল তৈরি হয়েছিল, আর বাকি ভারী মৌলগুলো পরে নক্ষত্রের ভেতরে তৈরি হয়েছে। সূর্যের মতো নক্ষত্রও প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম দিয়ে গঠিত। সূর্যের কেন্দ্রে নিউক্লীয় ফিউশন বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন মিলে হিলিয়াম তৈরি হয়, আর এ থেকেই সূর্য আলো ও তাপ ছড়ায়।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি আছে অক্সিজেন।
    পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি আছে নাইট্রোজেন, প্রায় ৭৮ শতাংশ।
  329. ৩৭৪. নিচের কোনটিকে "সবুজগ্রহ" বলা হয়?মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, অডিটর, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. প্লুটো
    • খ. নেপচুন
    • গ. ইউরেনাস
    • ঘ. বুধ
    উত্তর: গ. ইউরেনাস
    ইউরেনাস (Uranus) সূর্য থেকে সপ্তম গ্রহ। এর বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের সঙ্গে বেশ খানিকটা মিথেন গ্যাস আছে। মিথেন সূর্যের আলোর লাল অংশ শোষণ করে নেয় এবং নীলাভ-সবুজ আলো ফিরিয়ে দেয়, তাই দূর থেকে গ্রহটিকে সবুজাভ দেখায়। এজন্য ইউরেনাসকে ‘সবুজ গ্রহ’ বলা হয়। মজার ব্যাপার হলো, ইউরেনাস প্রায় কাত হয়ে শুয়ে থাকা অবস্থায় সূর্যের চারপাশে ঘোরে, কারণ এর অক্ষ প্রায় ৯৮° হেলানো।
    মনে রাখুন:
    ইউরেনাস আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্শেল, ১৭৮১ সালে।
    লাল গ্রহ মঙ্গল, আর নীল গ্রহ পৃথিবী।
    শুক্র ও ইউরেনাস পূর্ব থেকে পশ্চিমে আবর্তন করে।
  330. ৩৭৫. 'বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১৯' দেখতে সাহায্য করেছিল কোন উপগ্রহ?সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর, জুনিয়র শিক্ষক (১৮ মার্চ), ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃত্রিম উপগ্রহ
    • ক. যোগাযোগ
    • খ. পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী
    • গ. বেসামরিক
    • ঘ. আবহাওয়া
    উত্তর: ক. যোগাযোগ
    কাজের ধরন অনুযায়ী কৃত্রিম উপগ্রহকে যোগাযোগ, আবহাওয়া, পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ও সামরিক নানা ভাগে ভাগ করা হয়। টেলিভিশনে খেলা সরাসরি সম্প্রচারের জন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে সংকেত পাঠাতে হয়, আর এই কাজটি করে যোগাযোগ উপগ্রহ (Communication satellite)। তাই ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট আমরা ঘরে বসে দেখতে পেরেছি যোগাযোগ উপগ্রহের সাহায্যে। এ ধরনের উপগ্রহ সাধারণত ভূস্থির কক্ষপথে থাকে, অর্থাৎ পৃথিবীর ঘূর্ণনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঘোরে বলে আকাশের একই জায়গায় স্থির মনে হয়। বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, যা ২০১৮ সালের মে মাসে উৎক্ষেপণ করা হয়।
    মনে রাখুন:
    ভূস্থির কক্ষপথের উচ্চতা প্রায় ৩৬,০০০ কিলোমিটার।
  331. ৩৭৬. 'A Brief History of Time' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর, জুনিয়র শিক্ষক (৯ সেপ্টেম্বর), ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ বিজ্ঞানী ও আবিষ্কার
    • ক. আলবার্ট আইনস্টাইন
    • খ. হরগোবিন্দ খোরানা
    • গ. জামাল নজরুল ইসলাম
    • ঘ. স্টিফেন হকিংস
    উত্তর: ঘ. স্টিফেন হকিংস
    ‘A Brief History of Time’ বইটি লিখেছেন ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking), এটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৮ সালে। এতে মহাবিশ্বের সৃষ্টি, বিগ ব্যাং, কৃষ্ণগহ্বর ও সময়ের প্রকৃতি সাধারণ পাঠকের উপযোগী সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে, তাই এটি বিশ্বজুড়ে অন্যতম জনপ্রিয় বিজ্ঞান বই। হকিং মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় পুরো জীবন হুইলচেয়ারে কাটিয়েছেন, তবু গবেষণা থামাননি। কৃষ্ণগহ্বর থেকেও যে বিকিরণ বের হতে পারে, এই তত্ত্ব তাঁর নামে হকিং বিকিরণ নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বই ‘The Ultimate Fate of the Universe’।
    হকিং ২০১৮ সালে মারা যান।
  332. ৩৭৭. রিখটার স্কেল দ্বারা কি পরিমাপ করা হয়?কর্মসংস্থান ব্যাংক, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ভূ-আলোড়নের সংখ্যা
    • খ. কম্পন সংখ্যা
    • গ. ভূ-কম্পন শক্তি
    • ঘ. ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা
    উত্তর: গ. ভূ-কম্পন শক্তি
    ভূমিকম্পের সময় ভূগর্ভের উৎস থেকে কতটা শক্তি মুক্ত হলো, অর্থাৎ ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) মাপা হয় রিখটার স্কেলে। ১৯৩৫ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী চার্লস রিখটার এই স্কেল তৈরি করেন। স্কেলটি লগারিদমিক, তাই মাত্রা ১ বাড়লে মাটির কম্পনের বিস্তার ১০ গুণ বাড়ে এবং মুক্ত শক্তি প্রায় ৩২ গুণ বেড়ে যায়। ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করার যন্ত্রকে সিসমোগ্রাফ (Seismograph) বলে। ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা দেখে ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপতে আলাদা একটি স্কেল ব্যবহৃত হয়, যার নাম মার্কেলি স্কেল।
    মনে রাখুন:
    ভূপৃষ্ঠের যে বিন্দু উৎসের ঠিক ওপরে থাকে তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
  333. ৩৭৮. রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয় কী পরিমাপের জন্য?জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), জুনিয়র ফিল্ড অফিসার, ২০২১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. সুনামি
    • খ. ভূমিকম্প
    • গ. টর্নেডো
    • ঘ. সাইক্লোন
    উত্তর: খ. ভূমিকম্প
    রিখটার স্কেল (Richter scale) দিয়ে ভূমিকম্পের মাত্রা মাপা হয়, অর্থাৎ ভূমিকম্পের উৎস থেকে কতটা শক্তি বের হলো তা বোঝা যায়। ১৯৩৫ সালে মার্কিন ভূকম্পবিদ চার্লস এফ. রিখটার এই স্কেল উদ্ভাবন করেন। স্কেলটির মান সাধারণত ১ থেকে ১০ পর্যন্ত ধরা হয়, আর মাত্রা ১ বাড়লে কম্পনের বিস্তার ১০ গুণ বেড়ে যায়। সাধারণভাবে ৫-এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি শুরু হয়, আর ৭-এর বেশি হলে তা প্রবল ভূমিকম্প। সমুদ্রের তলদেশে বড় ভূমিকম্প হলে তা থেকে সুনামি তৈরি হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্প রেকর্ড করার যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
    বাতাসের গতিবেগ মাপার যন্ত্র অ্যানিমোমিটার।
  334. ৩৭৯. কোনটি সবচেয়ে বৃহৎ গ্রহ?প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী শিক্ষক (খুলনা বিভাগ), ২০০৭ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. মঙ্গল
    • খ. বৃহস্পতি
    • গ. শনি
    • ঘ. পৃথিবী
    উত্তর: খ. বৃহস্পতি
    সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি (Jupiter)। এর ব্যাস পৃথিবীর প্রায় ১১ গুণ, আর এর ভর বাকি সব গ্রহের মোট ভরের দ্বিগুণেরও বেশি। বৃহস্পতি একটি গ্যাসীয় দানব গ্রহ, এটি মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। এর গায়ে ‘গ্রেট রেড স্পট’ নামের একটি বিশাল ঘূর্ণিঝড় শত শত বছর ধরে চলছে। বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যাও অনেক, এদের মধ্যে গ্যানিমিড সৌরজগতের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ। আকারে বৃহস্পতির পরেই আছে বলয়ঘেরা শনি গ্রহ।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ।
    সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র।
    মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলা হয়।
  335. ৩৮০. চন্দ্রে অবতরণকারী প্রথম চন্দ্রযানের নাম-প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী শিক্ষক (হেমন্ত; মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ), ২০১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাকাশ অভিযান
    • ক. ভয়েজার-১
    • খ. অ্যাপোলো-১১
    • গ. ভয়েজার-২
    • ঘ. চ্যালেঞ্জার
    উত্তর: খ. অ্যাপোলো-১১
    মানুষকে চাঁদে নামানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা অ্যাপোলো কর্মসূচি (Apollo program) চালু করে। এই কর্মসূচির অ্যাপোলো-১১ নভোযান ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই যাত্রা করে এবং ২০ জুলাই এর চন্দ্রযান ‘ঈগল’ চাঁদের মাটিতে নামে। নিল আর্মস্ট্রং প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদে পা রাখেন, তাঁর পরে নামেন এডউইন অলড্রিন। তৃতীয় নভোচারী মাইকেল কলিন্স তখন মূল যান নিয়ে চাঁদের কক্ষপথে ঘুরছিলেন। অন্যদিকে ভয়েজার-১ ও ভয়েজার-২ দূরের গ্রহগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো মানুষবিহীন যান, আর চ্যালেঞ্জার ছিল একটি স্পেস শাটল, যা ১৯৮৬ সালে উৎক্ষেপণের পরপরই বিস্ফোরিত হয়।
    মনে রাখুন: চাঁদের মাটিতে প্রথম নিরাপদে নামা মানুষবিহীন যান সোভিয়েত ইউনিয়নের লুনা-৯ (১৯৬৬)।
  336. ৩৮১. সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ কোনটি?প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী শিক্ষক (হেমন্ত; মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ), ২০১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. শুক্র
    • খ. বুধ
    • গ. বৃহস্পতি
    • ঘ. মঙ্গল
    উত্তর: গ. বৃহস্পতি
    বৃহস্পতি (Jupiter) সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ। এর ব্যাস পৃথিবীর প্রায় ১১ গুণ, আর এর ভর বাকি সাতটি গ্রহের মিলিত ভরের দ্বিগুণেরও বেশি। বৃহস্পতি মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসে তৈরি একটি গ্যাসীয় দানব, এর কোনো শক্ত পৃষ্ঠ নেই। এর গায়ে ‘গ্রেট রেড স্পট’ নামে একটি বিশাল লাল দাগ দেখা যায়, যা আসলে কয়েক শ বছর ধরে চলতে থাকা একটি প্রকাণ্ড ঝড়। এত বড় হয়েও বৃহস্পতি নিজের অক্ষে খুব দ্রুত ঘোরে, প্রায় ১০ ঘণ্টায় একবার।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ, আর সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহও বুধ।
    সবচেয়ে উজ্জ্বল ও উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র।
    মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলা হয়।
  337. ৩৮২. ভূমিকম্প নির্দেশক যন্ত্রের নাম কী?প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী শিক্ষক (তিস্তা), ২০১০ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. ব্যারোমিটার
    • খ. সিসমোমিটার
    • গ. ল্যাকটোমিটার
    • ঘ. থার্মোমিটার
    উত্তর: খ. সিসমোমিটার
    ভূমিকম্পের সময় ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে, আর এই কম্পন শনাক্ত ও রেকর্ড করার যন্ত্রকে সিসমোমিটার (Seismometer) বা সিসমোগ্রাফ বলে। যন্ত্রটিতে একটি ভারী বস্তু এমনভাবে ঝোলানো থাকে যে মাটি কাঁপলেও বস্তুটি জড়তার কারণে প্রায় স্থির থাকে। ফলে মাটির সঙ্গে আটকানো অংশের নড়াচড়া কাগজে বা কম্পিউটারে আঁকাবাঁকা রেখা হিসেবে ধরা পড়ে। এই রেখা দেখে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ও শক্তি বোঝা যায়। ভূমিকম্পের মাত্রা প্রকাশ করা হয় রিখটার স্কেলে।
    মনে রাখুন:
    ব্যারোমিটার দিয়ে বায়ুর চাপ মাপা হয়।
    থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হয়।
    ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলকে কেন্দ্র বলে, আর তার ঠিক ওপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
  338. ৩৮৩. পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে চাঁদ-এর সময় লাগে-প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী শিক্ষক (কর্ণফুলী), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চাঁদ
    • ক. ২৭ দিন ৮ ঘণ্টা
    • খ. ২৭ দিন ১৭ ঘণ্টা
    • গ. ২৮ দিন ২ ঘণ্টা
    • ঘ. ২৮ দিন ৫ ঘণ্টা
    উত্তর: ক. ২৭ দিন ৮ ঘণ্টা
    চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। দূরের নক্ষত্রকে স্থির ধরে মাপলে চাঁদ প্রায় ২৭ দিন ৮ ঘণ্টায় পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করে, একে নাক্ষত্র মাস (Sidereal month) বলে। মজার ব্যাপার হলো, নিজের অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরতেও চাঁদের প্রায় একই সময় লাগে, তাই পৃথিবী থেকে আমরা সবসময় চাঁদের একই পিঠ দেখি। তবে এক অমাবস্যা থেকে পরের অমাবস্যা পর্যন্ত সময় প্রায় সাড়ে ২৯ দিন, কারণ এর মধ্যে পৃথিবীও সূর্যের চারদিকে খানিকটা এগিয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব প্রায় ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
    চাঁদের আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় ১.৩ সেকেন্ড লাগে।
    চাঁদের নিজের কোনো আলো নেই, এটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে।
  339. ৩৮৪. হ্যালীর ধূমকেতু আবির্ভূত হয় -প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী শিক্ষক (পদ্মা), ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. প্রতি ৮০ বছর পর পর
    • খ. প্রতি ৭৫ বছর পর পর
    • গ. প্রতি ২০০ বছর পর পর
    • ঘ. প্রতি ১০০ বছর পর পর
    উত্তর: খ. প্রতি ৭৫ বছর পর পর
    হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet) সবচেয়ে পরিচিত ধূমকেতু। এটি লম্বাটে উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং প্রায় ৭৫ থেকে ৭৬ বছর পর পর পৃথিবীর কাছে আসে, তখন খালি চোখেও দেখা যায়। ইংরেজ জ্যোতির্বিদ এডমন্ড হ্যালি প্রথম হিসাব করে দেখান যে আগের কয়েকবার দেখা ধূমকেতু আসলে একই ধূমকেতু, এবং এর ফিরে আসার ভবিষ্যদ্বাণী করেন। তাঁর নামেই এর নাম রাখা হয়। ধূমকেতু মূলত বরফ, ধুলা ও পাথর দিয়ে তৈরি। সূর্যের কাছে এলে এর বরফ বাষ্প হয়ে লম্বা উজ্জ্বল লেজ তৈরি করে, আর এই লেজ সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে।
    মনে রাখুন:
    হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ দেখা যায় ১৯৮৬ সালে।
    এটি আবার দেখা যাবে ২০৬১ সালে।
  340. ৩৮৫. কোনটি ভূকম্পন পরিমাপের যন্ত্র?প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (করতোয়া), ২০১৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. হাইড্রোফোন
    • খ. আইসোফোন
    • গ. ডিকটোফোন
    • ঘ. সিসমোগ্রাফ
    উত্তর: ঘ. সিসমোগ্রাফ
    সিসমোগ্রাফ (Seismograph) হলো ভূকম্পন পরিমাপ ও রেকর্ড করার যন্ত্র। ভূমিকম্পের সময় মাটির ভেতর দিয়ে যে তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে, যন্ত্রটি তা ধরে আঁকাবাঁকা রেখার আকারে লিখে রাখে, আর এই রেখাচিত্রকে সিসমোগ্রাম বলে। বিভিন্ন স্টেশনের সিসমোগ্রাম মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা বের করেন ভূমিকম্প কোথায় হয়েছে এবং এর শক্তি কত। প্রশ্নের অন্য যন্ত্রগুলোর কাজ আলাদা। হাইড্রোফোন পানির নিচের শব্দ শোনার যন্ত্র, আর ডিক্টাফোন কথা রেকর্ড করার একটি পুরোনো যন্ত্র।
    মনে রাখুন:
    ভূমিকম্পের মাত্রা মাপা হয় রিখটার স্কেলে।
    রিখটার স্কেলে মাত্রা ১ বাড়লে কম্পনের বিস্তার প্রায় ১০ গুণ বাড়ে।
    বাংলাদেশে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
  341. ৩৮৬. Seismograph কী?প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (মুক্তিযোদ্ধা কোটা), ২০১৬ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূমিকম্প
    • ক. পানির প্রবাহ মাপার যন্ত্র
    • খ. বায়ু মাপার যন্ত্র
    • গ. ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র
    • ঘ. বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্র
    উত্তর: গ. ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র
    সিসমোগ্রাফ (Seismograph) হলো ভূমিকম্পের তরঙ্গ শনাক্ত ও রেকর্ড করার যন্ত্র। ভূমিকম্পের সময় মাটির নিচ থেকে যে কম্পন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, সিসমোগ্রাফ সেটি কাগজে বা কম্পিউটারে আঁকাবাঁকা রেখা হিসেবে লিখে রাখে। এই রেখা দেখে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল, সময় ও শক্তি বোঝা যায়। ভূমিকম্পের মাত্রা প্রকাশ করা হয় রিখটার স্কেলে (Richter scale), যার প্রতিটি এক ধাপ বাড়লে কম্পনের বিস্তার প্রায় ১০ গুণ বাড়ে। বাংলাদেশে আবহাওয়া অধিদপ্তর বিভিন্ন জায়গায় সিসমোগ্রাফ বসিয়ে ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ করে।
    মনে রাখুন:
    বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্র রেইনগেজ।
    বায়ুর বেগ মাপার যন্ত্র অ্যানিমোমিটার।
    বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
  342. ৩৮৭. ‘সুপার ব্লু-ব্লাড মুন’ সর্বশেষ কোন সালে দেখা গিয়েছিল?বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো), সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (অর্থ-হিসাব/অর্থ-রাজস্ব), ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ চন্দ্রগ্রহণ
    • ক. ১৮৬৬
    • খ. ১৯৬৬
    • গ. ১৯৯৬
    • ঘ. ২০১৮
    উত্তর: ঘ. ২০১৮
    ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি আকাশে একসঙ্গে তিনটি ঘটনা দেখা যায়, তাই একে সুপার ব্লু-ব্লাড মুন বলা হয়। চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে, তখন তাকে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়, একে সুপারমুন বলে। একই ইংরেজি মাসে দ্বিতীয়বার পূর্ণিমা হলে সেই চাঁদকে ব্লু মুন বলে। আর পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বেঁকে যাওয়া লাল আলো চাঁদে পড়ে বলে চাঁদকে লালচে দেখায়, একে ব্লাড মুন বলে। মজার ব্যাপার হলো, এর আগে এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল প্রায় ১৫০ বছর আগে, ১৮৬৬ সালে।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রগ্রহণ হয় পূর্ণিমায়, সূর্যগ্রহণ হয় অমাবস্যায়।
    চন্দ্রগ্রহণে পৃথিবী থাকে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে।
  343. ৩৮৮. Science dealing with study of soil is calledসম্মিলিত ২ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অফিসার (১৩ ডিসেম্বর), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মাটি
    • ক. Pedagogy
    • খ. Pedology
    • গ. Ecology
    • ঘ. Pomology
    উত্তর: খ. Pedology
    মাটির উৎপত্তি, গঠন, প্রকৃতি ও শ্রেণিবিভাগ নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখা আলোচনা করে, তাকে পেডোলজি (Pedology) বা মৃত্তিকাবিজ্ঞান বলে। গ্রিক শব্দ pedon মানে মাটি, তাই এই নাম। শিলা দীর্ঘদিন ধরে রোদ, বৃষ্টি ও বাতাসে ক্ষয়ে গুঁড়া হয় এবং তার সঙ্গে পচা জৈব পদার্থ মিশে মাটি তৈরি হয়। পেডোলজিস্টরা এই প্রক্রিয়া এবং কোন মাটিতে কোন ফসল ভালো হয়, তা নিয়ে গবেষণা করেন। নাম দুটি দেখতে কাছাকাছি হলেও পেডাগজি (Pedagogy) একেবারে আলাদা বিষয়, এটি হলো শিক্ষাদানের বিজ্ঞান।
    মনে রাখুন:
    পোমোলজি: ফলবিজ্ঞান।
    ইকোলজি: পরিবেশবিজ্ঞান।
    বাংলাদেশের বেশির ভাগ এলাকার মাটি পলিমাটি।
  344. ৩৮৯. The scientist who first discovered that the earth revolves round the sun was-সম্মিলিত ২ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আইটি-সংশ্লিষ্ট অফিসার (৪ জানুয়ারি), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. Newton
    • খ. Dalton
    • গ. Copernicus
    • ঘ. Einstein
    উত্তর: গ. Copernicus
    বহু শতাব্দী ধরে মানুষ বিশ্বাস করত যে পৃথিবী স্থির এবং সূর্যসহ সব গ্রহ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। একে ভূকেন্দ্রিক মতবাদ বলে, যা গ্রিক জ্যোতির্বিদ টলেমির নামে পরিচিত। পোল্যান্ডের জ্যোতির্বিদ নিকোলাস কোপার্নিকাস (Copernicus) প্রথম জোর দিয়ে বলেন যে সূর্য কেন্দ্রে আছে এবং পৃথিবীসহ গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে ঘোরে। একে সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ বলে। তাঁর এই মতবাদ গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয় ১৫৪৩ সালে। পরে গ্যালিলিও দুরবিন দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে এবং কেপলার গ্রহের গতির সূত্র দিয়ে এই মতবাদকে আরও মজবুত করেন।
    মনে রাখুন:
    নিউটন: মহাকর্ষ সূত্র।
    ডাল্টন: পরমাণুবাদ।
    আইনস্টাইন: আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।
  345. ৩৯০. Calculate the next time of the appearance of Halley's comet.সম্মিলিত ৪ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অফিসার (ক্যাশ), ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ধূমকেতু
    • ক. July 2061
    • খ. June 2051
    • গ. May 2050
    • ঘ. March 2060
    উত্তর: ক. July 2061
    হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet) সবচেয়ে পরিচিত পর্যায়বৃত্ত ধূমকেতু। এটি সূর্যের চারদিকে লম্বাটে উপবৃত্তাকার পথে ঘোরে এবং প্রায় ৭৫ থেকে ৭৬ বছর পরপর পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায়। এটি সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ১৯৮৬ সালে। তাই ১৯৮৬ সালের সঙ্গে প্রায় ৭৫ বছর যোগ করলে পাওয়া যায় ২০৬১ সাল, আর হিসাব অনুযায়ী এটি ২০৬১ সালের জুলাই মাসে আবার দেখা যাবে। ইংরেজ জ্যোতির্বিদ এডমন্ড হ্যালি প্রথম হিসাব করে বলেছিলেন যে ধূমকেতুটি নির্দিষ্ট সময় পরপর ফিরে আসে, তাই তাঁর নামেই এর নাম।
    মনে রাখুন:
    ধূমকেতু মূলত বরফ, ধুলা ও গ্যাসে তৈরি।
    সূর্যের কাছে এলে এর লেজ তৈরি হয়, আর লেজ সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে।
  346. ৩৯১. Light Year is related to-সম্মিলিত ৫ ব্যাংক, অফিসার (ক্যাশ), ২০২২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দূরত্বের একক
    • ক. energy
    • খ. speed
    • গ. distance
    • ঘ. intensity
    উত্তর: গ. distance
    আলো শূন্যস্থানে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে এক আলোকবর্ষ (Light year) বলে। নামে বছর শব্দটি থাকলেও এটি সময়ের একক নয়, দূরত্বের একক। আলোর বেগ প্রায় 3 × 10^8 m/s, তাই এক বছরে আলো প্রায় ৯ লাখ ৪৬ হাজার কোটি কিলোমিটার পথ যায়। নক্ষত্রগুলো এত দূরে যে কিলোমিটারে লিখলে সংখ্যা অনেক বড় হয়ে যায়। এ কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। যেমন সূর্যের পরে আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরি প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে।
    মনে রাখুন:
    1 আলোকবর্ষ ≈ 9.46 × 10^12 km।
    সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড লাগে।
    নভোমণ্ডলের দূরত্বের আরও বড় একক পারসেক।
  347. ৩৯২. The first man-made satellite, Sputnik -I was launched by the former USSR in -সম্মিলিত ৮ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অফিসার (১০ মে), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃত্রিম উপগ্রহ
    • ক. 1957
    • খ. 1955
    • গ. 1970
    • ঘ. 1967
    উত্তর: ক. 1957
    ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ (Artificial satellite) স্পুটনিক-১ মহাকাশে পাঠায়। এটি ছিল প্রায় ৫৮ সেন্টিমিটার ব্যাসের একটি ধাতব গোলক, যা প্রায় ৯৬ মিনিটে একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত এবং রেডিও সংকেত পাঠাত। এই ঘটনার মাধ্যমেই মহাকাশ যুগের শুরু হয়। একই বছরের নভেম্বরে স্পুটনিক-২-তে লাইকা নামের একটি কুকুরকে মহাকাশে পাঠানো হয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রও দ্রুত মহাকাশ গবেষণায় নামে এবং ১৯৫৮ সালে নাসা প্রতিষ্ঠা করে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম মহাকাশচারী: ইউরি গ্যাগারিন, ১৯৬১।
    চাঁদে প্রথম মানুষ: নীল আর্মস্ট্রং, ১৯৬৯।
    বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, ২০১৮।
  348. ৩৯৩. The most abundant element in the Earth's crust isজনতা ব্যাংক, অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার (এইও), ২০১৯ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূত্বক
    • ক. Oxygen
    • খ. Hydrogen
    • গ. Carbon Dioxide
    • ঘ. Silicon
    উত্তর: ক. Oxygen
    পৃথিবীর একেবারে বাইরের কঠিন স্তরকে ভূত্বক (Earth's crust) বলে। ভূত্বকে ওজনের হিসাবে সবচেয়ে বেশি থাকা মৌল হলো অক্সিজেন, প্রায় ৪৬ ভাগ। এরপর দ্বিতীয় স্থানে আছে সিলিকন, প্রায় ২৮ ভাগ, আর তৃতীয় স্থানে অ্যালুমিনিয়াম। ভূত্বকের অক্সিজেন বাতাসের মতো মুক্ত গ্যাস হিসেবে থাকে না। এটি সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সিলিকেট ও অক্সাইড খনিজ হিসেবে থাকে, যেমন বালির প্রধান উপাদান সিলিকা। কার্বন ডাই-অক্সাইড কোনো মৌল নয়, এটি একটি যৌগ।
    মনে রাখুন:
    ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি ধাতু: অ্যালুমিনিয়াম।
    বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি গ্যাস: নাইট্রোজেন।
    মহাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৌল: হাইড্রোজেন।
  349. ৩৯৪. আলোকবর্ষ কি পরিমাপ করে?জীবন বীমা কর্পোরেশন, জুনিয়র অফিসার, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ দূরত্বের একক
    • ক. মহাকর্ষ
    • খ. সময়
    • গ. দূরত্ব
    • ঘ. বিস্তার
    উত্তর: গ. দূরত্ব
    আলো শূন্যস্থানে এক বছরে যতটা পথ যায়, সেই দূরত্বকে এক আলোকবর্ষ (Light year) বলে। নামে বর্ষ শব্দটি থাকায় অনেকে একে সময়ের একক মনে করেন, কিন্তু এটি আসলে দূরত্বের একক। আলোর বেগ প্রায় 3 × 10^8 m/s, তাই এক বছরে আলো প্রায় 9.46 × 10^12 কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। নক্ষত্র ও ছায়াপথের দূরত্ব এত বিশাল যে কিলোমিটারে প্রকাশ করা অসুবিধাজনক, তাই জ্যোতির্বিজ্ঞানে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। আমরা রাতের আকাশে যে নক্ষত্র দেখি, তার আলো অনেক বছর আগে রওনা দিয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্বকে ১ জ্যোতির্বিজ্ঞান একক বলে, প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
    1 পারসেক ≈ 3.26 আলোকবর্ষ।
  350. ৩৯৫. বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা কে?জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), ফিল্ড অফিসার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ মহাবিশ্বের উৎপত্তি
    • ক. আইনস্টাইন
    • খ. জি. ল্যামেটার
    • গ. স্টিফেন হকিং
    • ঘ. গ্যালিলিও
    উত্তর: খ. জি. ল্যামেটার
    বিগ ব্যাং তত্ত্বের (Big Bang Theory) প্রবক্তা বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ও ধর্মযাজক জর্জ ল্যামেটার। ১৯২৭ সালে তিনি প্রস্তাব করেন যে মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে। পরে ১৯৩১ সালে তিনি বলেন, অতীতে সমস্ত পদার্থ একটি অতি ঘন ও উত্তপ্ত আদি বিন্দুতে জমা ছিল, আর সেখান থেকেই প্রসারণ শুরু হয়। ১৯২৯ সালে এডউইন হাবল দূরের ছায়াপথগুলো সরে যাচ্ছে দেখে এই ধারণাকে জোরালো সমর্থন দেন।
    মনে রাখুন:
    ‘বিগ ব্যাং’ নামটি দেন বিজ্ঞানী ফ্রেড হয়েল।
    বিজ্ঞানীদের হিসাবে মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৩৮০ কোটি বছর।
    স্টিফেন হকিং কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
  351. ৩৯৬. কোন যুগে মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে?প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, সহকারী পরিচালক, ২০১২ · বইয়ের অনুচ্ছেদ ভূতাত্ত্বিক যুগ
    • ক. ক্রিটেসাস যুগে
    • খ. ট্রায়াসিক যুগে
    • গ. প্রোটেরোজোয়িক যুগে
    • ঘ. সিনোজোয়িক যুগে
    উত্তর: ঘ. সিনোজোয়িক যুগে
    পৃথিবীর ইতিহাসকে ভূতত্ত্ববিদরা কয়েকটি মহাযুগে ভাগ করেছেন, আর মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে সবচেয়ে সাম্প্রতিক সিনোজোয়িক (Cenozoic) মহাযুগে। প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে ক্রিটেসাস যুগের শেষে ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়, এবং তখন থেকেই সিনোজোয়িক মহাযুগ শুরু। এই মহাযুগে স্তন্যপায়ী প্রাণীরা দ্রুত বিস্তার লাভ করে। আধুনিক মানুষ বা Homo sapiens এসেছে এর কোয়াটার্নারি পর্বে, প্রায় ৩ লাখ বছর আগে।
    মনে রাখুন:
    সিনোজোয়িক মহাযুগকে স্তন্যপায়ীর যুগ বলা হয়।
    মেসোজোয়িক মহাযুগকে সরীসৃপ বা ডাইনোসরের যুগ বলা হয়।
    ট্রায়াসিক ও ক্রিটেসাস মেসোজোয়িক মহাযুগের অংশ।
    প্রোটেরোজোয়িক যুগে কেবল সরল জীবের অস্তিত্ব ছিল।
  352. ৩৯৭. The largest planet in the solar system is-রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, অফিসার, ২০১১ · বইয়ের অনুচ্ছেদ সৌরজগৎ
    • ক. Mars
    • খ. Jupiter
    • গ. Venus
    • ঘ. Saturn
    উত্তর: খ. Jupiter
    সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি (Jupiter)। এর ব্যাস পৃথিবীর প্রায় ১১ গুণ, আর এর ভর সৌরজগতের অন্য সব গ্রহের মোট ভরের প্রায় আড়াই গুণ। বৃহস্পতি মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি একটি গ্যাসীয় দানব গ্রহ। এর গায়ে ‘গ্রেট রেড স্পট’ নামে একটি বিশাল লাল দাগ দেখা যায়, যা আসলে কয়েকশো বছর ধরে চলা একটি প্রকাণ্ড ঝড়।
    মনে রাখুন:
    বৃহস্পতির উপগ্রহ গ্যানিমিড সৌরজগতের বৃহত্তম উপগ্রহ।
    নিজ অক্ষে সবচেয়ে দ্রুত ঘোরে বৃহস্পতি, প্রায় ১০ ঘণ্টায় একবার।
    দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ শনি, যার চারপাশে উজ্জ্বল বলয় আছে।
  353. ৩৯৮. The first ever image of a Black Hole at the centre of the M87 Galaxy could be photographed using a telescope system calledসাধারণ বীমা কর্পোরেশন, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, ২০১৮ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. Hubble Telescope
    • খ. Mount Palomar Telescope
    • গ. Mount Palomar Observatory
    • ঘ. Event Horizon Telescope
    উত্তর: ঘ. Event Horizon Telescope
    M87 ছায়াপথের কেন্দ্রে থাকা কৃষ্ণগহ্বরের প্রথম ছবি তোলা হয় ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (Event Horizon Telescope) দিয়ে। এটি কোনো একক দূরবীন নয়, বরং পৃথিবীর বিভিন্ন মহাদেশে থাকা কয়েকটি রেডিও টেলিস্কোপকে একসঙ্গে জুড়ে তৈরি একটি ব্যবস্থা। সবগুলো একসঙ্গে কাজ করায় এটি প্রায় পৃথিবীর সমান আকারের একটি বিশাল দূরবীনের মতো সূক্ষ্ম ছবি তুলতে পারে। ছবিটি প্রকাশ করা হয় ২০১৯ সালের ১০ এপ্রিল।
    মনে রাখুন:
    ঘটনা দিগন্ত (Event Horizon) হলো কৃষ্ণগহ্বরের সেই সীমা, যার ভেতর থেকে আলোও বের হতে পারে না।
    আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রের কৃষ্ণগহ্বর Sagittarius A*-এর ছবি প্রকাশিত হয় ২০২২ সালে।
    হাবল টেলিস্কোপ ১৯৯০ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়।
  354. ৩৯৯. Which telescope array was used to capture a black hole's first ever image?পূবালী ব্যাংক, জুনিয়র অফিসার, ২০২৩ · বইয়ের অনুচ্ছেদ কৃষ্ণগহ্বর
    • ক. Hubble Space Telescope
    • খ. Event Horizon Telescope
    • গ. James Webb Space Telescope
    • ঘ. Chandra X-ray Observatory
    উত্তর: খ. Event Horizon Telescope
    কৃষ্ণগহ্বরের প্রথম ছবি তোলা হয় ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (Event Horizon Telescope) নামের দূরবীন বিন্যাস দিয়ে। পৃথিবীর নানা প্রান্তের কয়েকটি রেডিও টেলিস্কোপ একই সময়ে একই বস্তুর দিকে তাকিয়ে সংকেত সংগ্রহ করে, পরে সেই তথ্য মিলিয়ে একটি ছবি তৈরি করা হয়। এভাবেই M87 ছায়াপথের কেন্দ্রের বিশাল কৃষ্ণগহ্বরের ছায়া ও তার চারপাশের উজ্জ্বল আলোর বলয় ধরা পড়ে, যা প্রকাশ করা হয় ২০১৯ সালে।
    মনে রাখুন:
    হাবল একটি দৃশ্যমান আলোর মহাকাশ দূরবীন, উৎক্ষেপণ ১৯৯০ সালে।
    জেমস ওয়েব অবলোহিত মহাকাশ দূরবীন, উৎক্ষেপণ ২০২১ সালে।
    চন্দ্র এক্স-রে মানমন্দির মহাকাশের এক্স-রে উৎস পর্যবেক্ষণ করে।

অন্যান্য অধ্যায়

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন