বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (৮ম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৩। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- আইন (৪৯)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (২)
- বিজ্ঞান (৩)
- গণিত (১০)
- আন্তর্জাতিক (৫)
- সাধারণ জ্ঞান (১)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (১)
- বাংলাদেশ (৩)
- ইংরেজি (১৩)
- বাংলা (১২)
আইন
- ১. বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
- ক. ৭
- খ. ৮
- গ. ৯
- ঘ. ১০
উত্তর: গ. ৯
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কিছু সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব নেওয়ার আগে শপথ নিতে হয়, আর শপথের বাক্যগুলো দেওয়া আছে তৃতীয় তফসিলে (Third Schedule)। এই তফসিলে মোট ৯টি অনুচ্ছেদে পদগুলোর শপথ আছে: রাষ্ট্রপতি; প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী; স্পিকার; ডেপুটি স্পিকার; সংসদ সদস্য; প্রধান বিচারপতি বা বিচারক; প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার; মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য।
মনে রাখুন: রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান স্পিকার, আর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি। - ২. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নিম্নবর্ণিত কোন দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে অধিকারবলে আপীল করা যাবে?
- ক. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- খ. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
- গ. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
- ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তর: ক. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদে আপিল বিভাগের এখতিয়ার বলা আছে। এর ১০৩(২)(খ) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ যদি কাউকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়, কিংবা নিম্ন আদালতের দেওয়া এমন দণ্ড বহাল রাখে, তবে দণ্ডিত ব্যক্তি অধিকারবলে (as of right) আপিল বিভাগে আপিল করতে পারেন। এর জন্য আলাদা আপিলের অনুমতি (leave) লাগে না। কম মেয়াদের কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের অনুমতি নিয়ে লিভ টু আপিল করতে হয়।
মনে রাখুন: হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধানের কোনো ব্যাখ্যার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জড়িত আছে বলে প্রত্যয়ন করলেও অধিকারবলে আপিল চলে। - ৩. বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিধান আছে?
- ক. ১১
- খ. ১০
- গ. ৯
- ঘ. ৮
উত্তর: ক. ১১
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আছে। এর ১১ অনুচ্ছেদের শিরোনাম 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার'। এতে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানুষের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ।
অনুচ্ছেদ ১০: সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন। - ৪. রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত নিম্নের কোন বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না?
- ক. আইন প্রণয়ন বিল
- খ. বেসরকারি বিল
- গ. অর্থবিল
- ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তর: গ. অর্থবিল
সংবিধানের ৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো অর্থবিল (Money Bill), কিংবা যে বিল আইনে পরিণত হলে সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে, তা রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ছাড়া সংসদে উত্থাপন করা যায় না। অর্থবিল কাকে বলে, তার সংজ্ঞা আছে ৮১ অনুচ্ছেদে, যেমন কর আরোপ, সরকারের ঋণ গ্রহণ বা সংযুক্ত তহবিলের অর্থ ব্যয় সংক্রান্ত বিল।
মনে রাখুন: কোনো বিল অর্থবিল কি না, সে প্রশ্নে স্পিকারের সার্টিফিকেটই চূড়ান্ত। আর অর্থবিলে রাষ্ট্রপতি পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাতে পারেন না। - ৫. জরুরি-অবস্থা ঘোষণার পূর্বে উক্ত ঘোষণার বৈধতার জন্য কার প্রতি-স্বাক্ষরের প্রয়োজন?
- ক. রাষ্ট্রপতি
- খ. প্রধানমন্ত্রী
- গ. স্পীকার
- ঘ. প্রধান বিচারপতি
উত্তর: খ. প্রধানমন্ত্রী
জরুরি অবস্থার বিধান আছে সংবিধানের নবম-ক ভাগে। ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ, বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগে দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। তবে এই ঘোষণা বৈধ হওয়ার জন্য ঘোষণার আগেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষর (Counter-signature) প্রয়োজন। এই শর্তটি ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়।
মনে রাখুন: জরুরি অবস্থার ঘোষণা সর্বোচ্চ ১২০ দিন বহাল থাকে, এর মধ্যে সংসদের অনুমোদন না পেলে তা বাতিল হয়ে যায়। জরুরি অবস্থার বিধান সংবিধানে যুক্ত হয় দ্বিতীয় সংশোধনীতে (১৯৭৩)। - ৬. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গৃহীত হয়-
- ক. জাতীয় পরিষদে
- খ. জাতীয় সংসদে
- গ. গণপরিষদে
- ঘ. জাতীয় পার্লামেন্টে
উত্তর: গ. গণপরিষদে
১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে স্বাধীনতার পর গণপরিষদ (Constituent Assembly) গঠিত হয়। এই গণপরিষদই সংবিধান তৈরির দায়িত্ব পায় এবং ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধানের খসড়া গ্রহণ করে। সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে। জাতীয় সংসদ তখনো গঠিত হয়নি; প্রথম সংসদ নির্বাচন হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ।
মনে রাখুন: ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি খসড়াটি তৈরি করে, আর সংবিধানের হাতে লেখা মূল কপির শিল্পী আব্দুর রউফ। - ৭. হিন্দু বিধবার বিয়ে নিম্নের কোন আইন দ্বারা Regulated হয়?
- ক. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act, 1856
- খ. The Hindu Women Marriage Act, 1856
- গ. The Hindu Women Re-marriage Act, 1856
- ঘ. The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
উত্তর: ঘ. The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে লর্ড ডালহৌসির সময় প্রণীত হয়ে লর্ড ক্যানিংয়ের আমলে ১৮৫৬ সালে The Hindu Widows' Re-marriage Act পাস হয়। এই আইন হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধতা দেয় এবং এমন বিয়ের সন্তানদের বৈধ উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশে আইনটি এখনো চালু আছে।
মনে রাখুন: সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ হয় ১৮২৯ সালে লর্ড বেন্টিঙ্কের আমলে, রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায়। - ৮. একজন হানাফী মুসলিম মৃত্যুকালে ত্যাজ্যবিত্তে স্ত্রীকে একমাত্র উত্তরাধিকারী রেখে যায়। স্ত্রী ওয়ারিশ হিসাবে ১/৪ অংশ বাদের পর মৃতের অবশিষ্ট সম্পত্তি অর্থাৎ ৩/৪ অংশ-
- ক. রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত হবে
- খ. অবশিষ্টভোগী হিসাবে স্ত্রী পাবে
- গ. স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
- ঘ. বায়তুল মাল হিসাবে সরকারের নিকট অর্পিত হবে
উত্তর: গ. স্ত্রীর নিকট ফেরত যাবে
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে স্ত্রী একজন অংশীদার (Sharer)। সন্তান না থাকলে তিনি ১/৪ অংশ পান। সাধারণ নিয়মে অংশীদারদের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ফেরত (রদ বা Return) পান রক্তসম্পর্কীয় অংশীদাররা, স্বামী-স্ত্রী নন। কিন্তু মৃতের আর কোনো অংশীদার, অবশিষ্টভোগী বা দূরবর্তী আত্মীয় না থাকলে উপমহাদেশের আদালতের প্রতিষ্ঠিত নীতি অনুযায়ী অবশিষ্ট ৩/৪ অংশও স্ত্রীর কাছেই ফিরে যায়, রাষ্ট্র বা বায়তুল মালে যায় না।
মনে রাখুন: সন্তান থাকলে স্ত্রী পান ১/৮ অংশ, আর স্বামী পান সন্তান না থাকলে ১/২, থাকলে ১/৪ অংশ। - ৯. 'চ' ও 'ছ' মুসলিম নরনারী পরস্পরের সম্মতিতে কোন সাক্ষী ব্যতীত বিয়ে করলে তাদের বিয়ের আইনগত ফলাফল হবে-
- ক. অবৈধ
- খ. বাতিলযোগ্য
- গ. নিয়মিত
- ঘ. অনিয়মিত
উত্তর: ঘ. অনিয়মিত
হানাফি মুসলিম আইনে বিয়ে বৈধ হতে হলে প্রস্তাব ও সম্মতির সময় দুজন প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কের মুসলিম পুরুষ সাক্ষী (বা একজন পুরুষ ও দুজন নারী) থাকতে হয়। সাক্ষী ছাড়া বিয়ে হলে তা বাতিল (বাতিল বা Void) নয়, বরং অনিয়মিত বা ফাসিদ (Irregular) বিয়ে। কারণ এই ত্রুটি অস্থায়ী, পরে সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিয়ে নিশ্চিত করলে তা নিয়মিত হয়ে যায়।
মনে রাখুন: পঞ্চম স্ত্রীকে বিয়ে, ইদ্দত পালনরত নারীকে বিয়ে বা ধর্মের পার্থক্যজনিত বিয়েও অনিয়মিত; কিন্তু রক্তসম্পর্কীয় নিষিদ্ধ আত্মীয়কে বিয়ে বাতিল। - ১০. সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'Res Judicata' নীতির প্রতিফলন ঘটে?
- ক. ৩৯
- খ. ৪০
- গ. ৪৫
- ঘ. ৪৭
উত্তর: খ. ৪০
দোবারা দোষ বা Res Judicata নীতির মূল কথা হলো, একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদের মধ্যে একবার চূড়ান্ত রায় হয়ে গেলে আবার মামলা চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় এই নীতি আছে। সাক্ষ্য আইনে এর প্রতিফলন ঘটেছে ৪০ ধারায়: কোনো পূর্ববর্তী রায়, আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব যদি আইনত আদালতকে নতুন মামলা আমলে নেওয়া বা বিচার করা থেকে বিরত রাখে, তবে সেই পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক।
মনে রাখুন: সাক্ষ্য আইনের ৪১ ধারা প্রোবেট, বিবাহ বা নৌ-অধিকার সংক্রান্ত রায় (Judgment in rem) নিয়ে, আর ৪৩ ধারা অনুযায়ী অন্য রায় সাধারণত অপ্রাসঙ্গিক। - ১১. ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝায়?
- ক. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
- খ. যে প্রশ্নের পরে উত্তর বলা থাকে
- গ. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
- ঘ. যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী হ্যাঁ বা না সূচক প্রশ্ন করে থাকে
উত্তর: গ. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে
সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা অনুযায়ী যে প্রশ্ন প্রশ্নকারী যে উত্তর শুনতে চান বা আশা করেন, সেই উত্তরটিই ইঙ্গিত করে দেয়, তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) বলে। অর্থাৎ উত্তরটি প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে, যেমন 'আপনি কি সেদিন আসামিকে লাল শার্ট পরা অবস্থায় দেখেছিলেন?'
মনে রাখুন: ১৪২ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি (Examination-in-chief) ও পুনঃজবানবন্দিতে প্রতিপক্ষ আপত্তি করলে আদালতের অনুমতি ছাড়া ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায় না, কিন্তু ১৪৩ ধারা অনুযায়ী জেরায় (Cross-examination) তা করা যায়। - ১২. নিম্নের কোনটিকে প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence) হিসাবে গণ্য করা যায়?
- ক. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই বা শুনেন নাই
- খ. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা দেখেন নাই
- গ. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
- ঘ. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী উহা অন্যকে অভিমতের ভিত্তিতে বলেন
উত্তর: গ. যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিবেন সাক্ষী স্বয়ং উহা দেখেছেন
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায় বলা হয়েছে, মৌখিক সাক্ষ্য সব ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে। কোনো ঘটনা দেখা গেলে তা যে সাক্ষী নিজে দেখেছেন, শোনা গেলে যিনি নিজে শুনেছেন, অন্য ইন্দ্রিয়ে অনুভূত হলে যিনি নিজে অনুভব করেছেন, কেবল তাঁর সাক্ষ্যই গ্রহণযোগ্য। তাই সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছেন তা নিজে দেখে থাকলে সেটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য।
মনে রাখুন: অন্যের মুখে শোনা কথা, অর্থাৎ শোনা সাক্ষ্য (Hearsay Evidence), সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়; মৃত্যুকালীন ঘোষণা (৩২ ধারা) এর একটি বড় ব্যতিক্রম। - ১৩. যেক্ষেত্রে কোন কর্ম বা কর্মবিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
- ক. অপরাধীকে দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অভিযুক্ত করা যাবে
- খ. অপরাধীকে দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তি দেওয়া যাবে
- গ. অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
- ঘ. দুটি আইনের অধীনে দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলার যুগপৎ Analogous বিচার হবে
উত্তর: গ. অপরাধীকে যে কোন একটি আইনের অধীনে অভিযুক্ত ও শাস্তি প্রদান করা যাবে
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ (General Clauses Act)-এর ২৬ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো কাজ বা কাজ না করা যদি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে অপরাধ হয়, তবে অপরাধীকে সেগুলোর যেকোনো একটির অধীনে অভিযুক্ত ও দণ্ডিত করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুবার দণ্ড দেওয়া যাবে না।
মনে রাখুন: একই নীতি সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার হিসেবে আছে, যাকে দ্বৈত বিপদ (Double Jeopardy) নিষেধ বলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাতেও একই অপরাধে দ্বিতীয়বার বিচার নিষিদ্ধ। - ১৪. 'ছ' মিথ্যা কুৎসা রটনার ভয় দেখিয়ে 'ঝ'-কে ১ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য করে। 'ছ' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
- ক. দস্যুতা
- খ. প্রতারণা
- গ. বলপূর্বক গ্রহণ
- ঘ. চুরি
উত্তর: গ. বলপূর্বক গ্রহণ
দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা অনুযায়ী কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার নিজের বা অন্য কারও ক্ষতির ভয় দেখিয়ে অসৎভাবে কোনো সম্পত্তি দিতে প্ররোচিত করে, তবে তা বলপূর্বক গ্রহণ (Extortion)। এখানে 'ক্ষতি' বলতে শরীর, মন, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি সবই বোঝায়। কুৎসা রটিয়ে সুনাম নষ্ট করার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় তাই বলপূর্বক গ্রহণ। ধারাটির উদাহরণেও মানহানিকর কথা প্রকাশের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের ঘটনা আছে।
মনে রাখুন: বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি ৩৮৪ ধারায়। আর তাৎক্ষণিক আঘাত বা মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সম্পদ নিলে তা দস্যুতা (Robbery), ৩৯০ ধারা। - ১৫. 'চ' সহ পাঁচ ব্যক্তি 'ছ'-কে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পিত দিন, তারিখ ও সময়ে তারা সকলে মিলে 'ছ' কে হত্যা করে। 'চ' সহ উক্ত পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩০২ ধারার সাথে নিম্নের কোন ধারাটি প্রাসঙ্গিক?
- ক. ১৩৪
- খ. ৩৪
- গ. ১২০-এ
- ঘ. ১১৪
উত্তর: খ. ৩৪
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী কয়েকজন ব্যক্তি সবার অভিন্ন অভিপ্রায় (Common Intention) পূরণে যৌথভাবে কোনো অপরাধ করলে প্রত্যেকে এমনভাবে দায়ী হয়, যেন কাজটি সে একাই করেছে। এখানে পাঁচজন আগে থেকে পরিকল্পনা করে একসঙ্গে হত্যা করেছে, তাই সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ হবে ৩০২/৩৪ ধারায়।
মনে রাখুন:
১২০খ ধারা: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের শাস্তি, যেখানে শুধু চুক্তিই অপরাধ।
১৪৯ ধারা: বেআইনি সমাবেশের (অন্তত ৫ জন) অভিন্ন লক্ষ্য (Common Object)।
১১৪ ধারা: অপরাধের সময় প্ররোচনাকারী উপস্থিত থাকা। - ১৬. নিম্নের কোন কার্যটি চুরি (Theft) হিসাবে গণ্য হবে না?
- ক. চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেওয়া
- খ. অপরের জমিতে দণ্ডায়মান গাছ কেটে ফেলা
- গ. টোপ দিয়ে অন্যের পোষা প্রাণী নিয়ে যাওয়া
- ঘ. অপরের জমিতে দণ্ডায়মান গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া
উত্তর: ক. চলাচলের রাস্তায় পড়ে থাকা মূল্যবান আংটি কুড়িয়ে নেওয়া
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরি (Theft) হতে হলে অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি অন্য কারও দখল থেকে তার সম্মতি ছাড়া সরাতে হয়। রাস্তায় পড়ে থাকা আংটি কারও দখলে নেই, তাই তা কুড়িয়ে নিলে চুরি হয় না। ৪০৩ ধারার উদাহরণেও বলা আছে, রাস্তায় পড়ে থাকা আংটি তুলে নিলে চুরি হয় না, তবে মালিক খোঁজার চেষ্টা না করে নিজের করে নিলে তা অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal Misappropriation) হতে পারে।
মনে রাখুন: মাটির সঙ্গে যুক্ত গাছ অস্থাবর নয়, কিন্তু নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কেটে আলাদা করার সঙ্গে সঙ্গেই তা অস্থাবর হয়ে যায়, তাই অন্যের গাছ কেটে নেওয়া চুরি। টোপ দিয়ে অন্যের পোষা প্রাণী সরিয়ে নেওয়াও চুরি। - ১৭. একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রোগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না", এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসক নিচের কোন ধারার অপরাধ করেছেন?
- ক. খুন
- খ. নরহত্যা
- গ. হত্যার প্রচেষ্টা
- ঘ. কোন অপরাধ করেন নাই
উত্তর: ঘ. কোন অপরাধ করেন নাই
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা অনুযায়ী কারও উপকারের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে (Good Faith) দেওয়া কোনো তথ্যের কারণে তার ক্ষতি হলেও তা অপরাধ নয়। ধারাটির উদাহরণে ঠিক এই ঘটনাই আছে: একজন শল্যচিকিৎসক সরল বিশ্বাসে রোগীকে জানান যে তিনি বাঁচবেন না, আর সেই আঘাতে রোগী মারা যান। এতে চিকিৎসক কোনো অপরাধ করেননি, যদিও তিনি জানতেন খবরটি রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
মনে রাখুন: দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারা হলো সাধারণ ব্যতিক্রম (General Exceptions), যেখানে শিশু, উন্মাদ, সরল বিশ্বাসে কাজ ও আত্মরক্ষার অধিকারের মতো বিষয়গুলো আছে। - ১৮. পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলির মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-
- ক. ২৪ ঘণ্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা
- খ. ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
- গ. ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
- ঘ. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
উত্তর: খ. ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারায় মাতাল অবস্থায় প্রকাশ্য স্থানে অসদাচরণ করে অন্যকে বিরক্ত করার শাস্তি দেওয়া আছে: ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা ১০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড। দণ্ডবিধির অপরাধগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে কম শাস্তি। খেয়াল রাখতে হবে, আইনের ভাষায় শাস্তির পরিমাণ 'পর্যন্ত' এবং 'উভয়' শব্দসহ বলা আছে।
মনে রাখুন: দণ্ডবিধির শেষ ধারা ৫১১, যেখানে যাবজ্জীবন বা কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্যোগের (Attempt) শাস্তি আছে। - ১৯. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বলতে নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
- ক. ১৪ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
- খ. দণ্ডিত ব্যক্তির অবশিষ্ট জীবন ব্যাপী কারাদণ্ড
- গ. ২০ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড
- ঘ. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর: খ. দণ্ডিত ব্যক্তির অবশিষ্ট জীবন ব্যাপী কারাদণ্ড
২০১৭ সালে আপিল বিভাগ রায় দেয় যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে দণ্ডিত ব্যক্তির জীবনের বাকি সময় কারাগারে থাকা। দণ্ডবিধির ৫৭ ধারার ৩০ বছর শুধু শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাবের জন্য, তাই ‘৩০ বছর’ এখন সঠিক উত্তর নয়। - ২০. সহকারী জজ আদালতে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে কত দিনের মধ্যে আপীল দায়ের করতে হয়?
- ক. ৩০
- খ. ৬০
- গ. ৯০
- ঘ. ১২০
উত্তর: ক. ৩০
সহকারী জজ আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল যায় জেলা জজ আদালতে। তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act)-এর প্রথম তফসিলের ১৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে জেলা জজের কাছে আপিল করতে হয় ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
মনে রাখুন: একই তফসিলের ১৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে আপিলের মেয়াদ ৯০ দিন। আর তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী রায় ও ডিক্রির নকল তুলতে যে সময় লাগে, তা এই মেয়াদ থেকে বাদ যায়। - ২১. কোনো জলপথে প্রভূস্বত্ব (Easement) অধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
- ক. শুধুমাত্র ২০ বছর ব্যবহার
- খ. নিরবচ্ছিন্নভাবে ২০ বছর ব্যবহার
- গ. নিরবচ্ছিন্নভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে ২০ বছর ব্যবহার
- ঘ. নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
উত্তর: ঘ. নিরবচ্ছিন্নভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও অধিকার হিসাবে ২০ বছর ব্যবহার
সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ (Easements Act)-এর ১৫ ধারায় ভোগদখলের মাধ্যমে সুখাধিকার অর্জনের শর্ত দেওয়া আছে। আলো-বাতাস, পথ বা পানিপ্রবাহের মতো কোনো সুখাধিকার অর্জন করতে হলে তা শান্তিপূর্ণভাবে, সুখাধিকার হিসেবে ও অধিকার হিসেবে (as of right) এবং কোনো বিঘ্ন ছাড়া নিরবচ্ছিন্নভাবে ২০ বছর ভোগ করতে হয়। কোনো একটি শর্ত বাদ গেলে অধিকার জন্মায় না।
মনে রাখুন: সরকারি সম্পত্তির ওপর সুখাধিকার অর্জনের ক্ষেত্রে এই মেয়াদ ৬০ বছর। তামাদি আইনের ২৬ ধারাতেও একই বিধান আছে। - ২২. 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পূর্বে সম্পাদিত হয় কিন্তু 'ছ' দলিলের পরে রেজিস্ট্রি হয়। এক্ষেত্রে সঠিক আইনগত ফলাফল কি হবে?
- ক. 'ছ' দলিলটি 'চ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
- খ. 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
- গ. দুটি দলিলই সমানভাবে প্রাধান্য লাভ করবে
- ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তর: খ. 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ (Registration Act)-এর ৪৭ ধারা অনুযায়ী রেজিস্ট্রিকৃত দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ থেকে নয়, বরং দলিল সম্পাদনের (Execution) তারিখ থেকেই কার্যকর হয়। তাই 'চ' দলিলটি আগে সম্পাদিত হওয়ায় পরে রেজিস্ট্রি হলেও এটি আগের তারিখ থেকে কার্যকর ধরা হবে এবং 'ছ' দলিলের ওপর প্রাধান্য পাবে।
মনে রাখুন: রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী সম্পাদনের ৪ মাসের মধ্যে দলিল রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করতে হয়, আর ১৭ ধারায় বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রিযোগ্য দলিলের তালিকা আছে। - ২৩. একটি বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের কত দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হয়?
- ক. ৩০
- খ. ৬০
- গ. ৯০
- ঘ. ১২০
উত্তর: ক. ৩০
২০০৪ সালে রেজিস্ট্রেশন আইনে ১৭ক ধারা যুক্ত করে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি (বায়নানামা) রেজিস্ট্রি বাধ্যতামূলক করা হয়। এই ধারা অনুযায়ী বিক্রয় চুক্তি লিখিত হতে হবে এবং সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করতে হবে। এটি সাধারণ দলিলের ৪ মাসের মেয়াদের একটি বিশেষ ব্যতিক্রম।
মনে রাখুন: একই সংশোধনীতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ২১ক ধারা যুক্ত হয়, যাতে রেজিস্ট্রি না করা বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না। তামাদি আইনেও এমন মামলার মেয়াদ কমিয়ে ১ বছর করা হয়। - ২৪. কোন মামলায় আদালত ডিক্রির কপি রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে আইনগত বাধ্য?
- ক. রেজিস্টার্ড দলিল বেআইনিমর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
- খ. রেজিস্টার্ড দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
- গ. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
- ঘ. রেজিস্টার্ড দলিল রদরহিতের মোকদ্দমা
উত্তর: গ. রেজিস্টার্ড দলিল বাতিলের মোকদ্দমা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act)-এর ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের (Cancellation) মামলার বিধান আছে। কোনো দলিল বাতিলযোগ্য বা বাতিল হলে এবং তা থেকে বাদীর গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে বাদী দলিলটি বাতিল ঘোষণার মামলা করতে পারেন। ধারাটির শেষ অংশ অনুযায়ী দলিলটি রেজিস্ট্রিকৃত হলে আদালতকে ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠাতে হয়, যাতে সেখানকার বইয়ে বাতিলের বিষয়টি লেখা থাকে।
মনে রাখুন: চুক্তি রদ বা রহিতকরণ (Rescission) আছে ৩৫ ধারায়, আর দলিল সংশোধন (Rectification) আছে ৩১ ধারায়। - ২৫. নিম্নের কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানী আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power) প্রয়োগ করতে পারে না?
- ক. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
- খ. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
- গ. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
- ঘ. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
উত্তর: ঘ. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে প্রায় সব প্রতিকারই আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতার (Discretionary Power) ওপর নির্ভর করে: ঘোষণামূলক ডিক্রি (৪২ ধারা), নিষেধাজ্ঞা (৫২ ধারা) এবং দলিল সংশোধন (৩১ ধারা) আদালত ন্যায়সংগত মনে করলে দেয়, না-ও দিতে পারে। কিন্তু অগ্রক্রয় (Pre-emption) একটি সংবিধিবদ্ধ অধিকার। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৬ ধারা বা অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ২৪ ধারার শর্তগুলো পূরণ হলে আদালত অগ্রক্রয় মঞ্জুর করতে বাধ্য, নিজের বিবেচনায় তা অস্বীকার করতে পারে না।
মনে রাখুন: অগ্রক্রয়ের আবেদন করার সময় আবেদনকারীকে দলিলে লেখা মূল্যের সঙ্গে আইনে নির্ধারিত অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হয়। - ২৬. 'ক' ১০০ মণ গম 'খ' এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। কোন কারণ ব্যতিরেকেই উক্ত গম 'খ'-কে সরবরাহ করা হয় নাই। 'খ'-এর প্রতিকার কি?
- ক. 'খ' সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
- খ. 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
- গ. 'খ' ক্ষতিপূরণ পাবে না
- ঘ. 'খ' শুধুমাত্র চুক্তির ক্রয়মূল্য ফেরত পাবে
উত্তর: খ. 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতি সাধারণত টাকায় পূরণযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হয়। ১০০ মণ গম একটি সাধারণ পণ্য, যা বাজার থেকে সহজেই কেনা যায়। তাই 'খ' আদালতে চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন চাইতে পারবে না, বরং চুক্তি আইনের ৭৩ ধারা অনুযায়ী চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণ পাবে।
মনে রাখুন: দুর্লভ বা বিশেষ মূল্যের অস্থাবর জিনিস, যেমন পুরোনো শিল্পকর্ম বা দুষ্প্রাপ্য বস্তুর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পালনের আদেশ দেওয়া যেতে পারে। - ২৭. 'ক' একটি বাড়ী ১ লক্ষ টাকায় 'খ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তি করে। পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ীটি ধ্বংস হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
- ক. ক, খ এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
- খ. খ, ক বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন
- গ. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
- ঘ. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
উত্তর: গ. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারা বলে, চুক্তির বিষয়বস্তুর একটি অংশ ধ্বংস হলেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে পালনের অযোগ্য হয়ে যায় না। ধারাটির উদাহরণে ঠিক এই ঘটনা আছে: 'ক' একটি বাড়ি ১ লাখ টাকায় 'খ'-এর কাছে বিক্রির চুক্তি করে, পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি ধ্বংস হয়। এখানে 'খ'-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধ করে তার অংশ পালনে বাধ্য করা যায়। কারণ বাড়ি ধ্বংস হলেও জমি থেকেই যায়, আর চুক্তির পর সম্পত্তির ঝুঁকি ক্রেতার ওপর চলে আসে।
মনে রাখুন: চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার অসম্ভবতার (Frustration) নীতি এখানে খাটে না, কারণ চুক্তির মূল বিষয়বস্তু পুরোপুরি বিলীন হয়নি। - ২৮. কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল করেন-
- ক. হাইকোর্ট বিভাগ
- খ. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
- গ. দায়রা জজ আদালত
- ঘ. আপীল বিভাগ
উত্তর: ক. হাইকোর্ট বিভাগ
দায়রা আদালত কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী মামলার নথি হাইকোর্ট বিভাগে পাঠাতে হয়। হাইকোর্ট বিভাগ অনুমোদন (Confirm) না করা পর্যন্ত এই দণ্ড কার্যকর করা যায় না। একে ডেথ রেফারেন্স (Death Reference) বলা হয়। প্রয়োজনে হাইকোর্ট বিভাগ ৩৭৫ ধারায় আরও তদন্ত বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য নিতে পারে।
মনে রাখুন: ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১(১) ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারেন, তবে মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষ। - ২৯. ১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন-
- ক. G.W. Anderson
- খ. F. Millet
- গ. J.M. Macleod
- ঘ. Lord Macaulay
উত্তর: ঘ. Lord Macaulay
১৮৩৩ সালের চার্টার অ্যাক্টের ভিত্তিতে ১৮৩৪ সালে ভারতের প্রথম আইন কমিশন (Law Commission) গঠিত হয় এবং এর সভাপতি ছিলেন লর্ড মেকলে (Lord Macaulay)। এই কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া তৈরি করে, যা পরে সংশোধনের পর ১৮৬০ সালে দণ্ডবিধি (Penal Code) হিসেবে পাস হয় এবং ১৮৬২ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
মনে রাখুন: মেকলে ১৮৩৫ সালে তাঁর বিখ্যাত 'Minute on Education' দিয়ে ভারতে ইংরেজি শিক্ষা প্রবর্তনের পক্ষে মত দেন। - ৩০. ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থায় নিচের কোন আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
- ক. আপীল বিভাগ
- খ. হাইকোর্ট বিভাগ
- গ. দায়রা জজ আদালত
- ঘ. মহানগর দায়রা জজ আদালত
উত্তর: খ. হাইকোর্ট বিভাগ
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষমতাবলে হাইকোর্ট বিভাগ কার্যবিধির অধীনে কোনো আদেশ কার্যকর করতে, আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করতে বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে অনেক সময় ভিত্তিহীন ফৌজদারি মামলা বাতিল (quash) করা হয়।
মনে রাখুন: দেওয়ানি কার্যবিধিতে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা আছে ১৫১ ধারায়, এবং তা সব দেওয়ানি আদালতের জন্যই প্রযোজ্য। - ৩১. আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পূর্বে প্রসিকিউশন কোন মামলা প্রত্যাহার করলে ফলাফল হবে-
- ক. আসামি খালাস
- খ. আসামির মুক্তি
- গ. আসামির অব্যাহতি
- ঘ. উপরের কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. আসামির অব্যাহতি
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে রায়ের আগে যেকোনো সময় মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন। প্রত্যাহারের ফল নির্ভর করে চার্জ গঠন হয়েছে কি না তার ওপর। চার্জ গঠনের আগে প্রত্যাহার করলে আসামি অব্যাহতি (Discharge) পায়, আর চার্জ গঠনের পরে প্রত্যাহার করলে খালাস (Acquittal) পায়।
মনে রাখুন: অব্যাহতি পেলে একই অভিযোগে আবার মামলা চলতে পারে, কিন্তু খালাস পেলে ৪০৩ ধারা অনুযায়ী একই অপরাধে আর বিচার হয় না। - ৩২. আগাম জামিন (Anticipatory bail) বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝাবে?
- ক. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
- খ. বিচার পূর্ব জামিন
- গ. চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
- ঘ. যুক্তিতর্ক শুনানী পূর্ব জামিন
উত্তর: ক. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
আগাম জামিন (Anticipatory Bail) হলো গ্রেফতার হওয়ার আগেই নেওয়া জামিন। কেউ যদি আশঙ্কা করেন যে তাঁকে কোনো জামিন-অযোগ্য অপরাধে গ্রেফতার করা হতে পারে, তবে তিনি নিজে আদালতে হাজির হয়ে আগাম জামিন চাইতে পারেন। বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধিতে ভারতের মতো আলাদা ধারা নেই, তবে ৪৯৮ ধারার ক্ষমতাবলে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা আদালত এই জামিন দেয়।
মনে রাখুন: জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া আসামির অধিকার (৪৯৬ ধারা), আর জামিন-অযোগ্য অপরাধে জামিন আদালতের বিবেচনার বিষয় (৪৯৭ ধারা)। - ৩৩. Negotiable instrument Act, 1881 এর অধীন ১৩৮ ধারার মামলায় যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামী নিম্নের কোন আদালতে আপীল দায়ের করবে?
- ক. হাইকোর্ট বিভাগ
- খ. আপিল বিভাগ
- গ. দায়রা জজ আদালত
- ঘ. স্পেশাল জজ আদালত
উত্তর: গ. দায়রা জজ আদালত
চেক ডিজঅনারের অপরাধ নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় আছে, আর ১৪১ ধারা অনুযায়ী এর বিচার করে দায়রা আদালত। বিচারটি যুগ্ম দায়রা জজ করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী তাঁর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল যায় দায়রা জজের কাছে। ব্যতিক্রম কেবল যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিলে, তখন আপিল যায় হাইকোর্ট বিভাগে; ১৩৮ ধারার শাস্তি এর চেয়ে অনেক কম।
মনে রাখুন: ১৩৮ ধারার মামলা করতে চেক ফেরতের পর ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ দিতে হয়, নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে টাকা না দিলে পরের এক মাসের মধ্যে নালিশ করতে হয়। - ৩৪. কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
- ক. নির্দেশনামূলক
- খ. বিচার-বিবেচনামূলক
- গ. বাধ্যতামূলক
- ঘ. নিষেধাজ্ঞামূলক
উত্তর: ক. নির্দেশনামূলক
১৬৭(৫) ধারায় ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার যে সময়সীমা দেওয়া আছে, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা নির্দেশনামূলক (directory); সময় পেরোলেও তদন্ত বাতিল হয় না। - ৩৫. কোন জেলার ফৌজদারী আদালতের ওয়ারেন্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্র বহির্ভূত কোন মেট্রোপলিটান এলাকায় তামিলের জন্য নিম্নের কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
- ক. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
- খ. পুলিশ কমিশনার
- গ. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- ঘ. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর: খ. পুলিশ কমিশনার
অধিক্ষেত্রের বাইরে ওয়ারেন্ট তামিলের জন্য তা সাধারণত পুলিশ সুপারের কাছে পাঠানো হয়; মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ সুপারের সমতুল্য কর্মকর্তা পুলিশ কমিশনার, তাই ওয়ারেন্ট তাঁর কাছেই যাবে। - ৩৬. একজন দায়রা জজ কোন আসামীকে বিচারে খালাস প্রদান করেন। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল অবস্থায় আসামী মারা যায়। সেক্ষেত্রে আপিলটির ফলাফল কি হবে?
- ক. আপিলটি মেধাতে নিষ্পত্তি হবে
- খ. প্রসিকিউশনকে শুনানী করে আদেশ প্রদান করা হবে
- গ. আপিলটি অ্যাবেট হবে
- ঘ. আপিলটি খারিজ হবে
উত্তর: গ. আপিলটি অ্যাবেট হবে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারা অনুযায়ী খালাসের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালে আসামি মারা গেলে আপিলটি চূড়ান্তভাবে অ্যাবেট (অবসান) হয়। - ৩৭. আদালত কারাবন্দি আসামির বিরুদ্ধে কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করলে, উক্ত দণ্ডাদেশ সংক্রান্ত ওয়ারেন্ট কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
- ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
- খ. পুলিশ সুপার
- গ. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
- ঘ. কারারক্ষক
উত্তর: ঘ. কারারক্ষক
আসামি আগে থেকেই কারাগারে থাকলে দণ্ডাদেশ কার্যকরের ওয়ারেন্ট সরাসরি কারাগারের প্রধান বা কারারক্ষকের কাছে পাঠানো হয়, যিনি তাকে দণ্ড ভোগের জন্য আটক রাখেন। - ৩৮. একজন মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট একটি নালিশ মামলায় কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশ বৃদ্ধির জন্য অভিযোগকারী নিচের কোন আদালতে আপিল দায়ের করবে?
- ক. মহানগর দায়রা জজ আদালত
- খ. হাইকোর্ট বিভাগ
- গ. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট
- ঘ. দায়রা জজ আদালত
উত্তর: ক. মহানগর দায়রা জজ আদালত
বাংলাদেশে সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের দেওয়া অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে নালিশকারী দায়রা আদালতে আপিল করতে পারেন। মেট্রোপলিটন এলাকায় সেই আদালত হলো মহানগর দায়রা জজ আদালত। - ৩৯. একজন ১ম শ্রেণীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী guilty plead করায় ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের হলে নিম্নের কোনটি হতে পারে?
- ক. আপিলটি শুনানীর জন্য গ্রহণ করা হবে
- খ. আপিলটি দায়রা জজ আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে
- গ. আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
- ঘ. রিভিশন দায়েরের জন্য ফেরত দেয়া হবে
উত্তর: গ. আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারা অনুযায়ী আসামি দোষ স্বীকার করে দণ্ডিত হলে সাধারণত আপিল চলে না (শুধু দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়)। তাই আপিলটি অগ্রহণযোগ্য হিসেবে নামঞ্জুর হবে। - ৪০. সমন বিনা জারীতে ফেরত আসার কত দিনের মধ্যে বাদী পদক্ষেপ না নিলে মামলা খারিজ হবে?
- ক. এক মাস
- খ. দুই মাস
- গ. তিন মাস
- ঘ. ছয় মাস
উত্তর: ক. এক মাস
বাংলাদেশে সংশোধিত আদেশ ৯ বিধি ৫ অনুযায়ী সমন জারি না হয়ে ফেরত এলে বাদী এক মাসের মধ্যে নতুন সমনের জন্য পদক্ষেপ না নিলে আদালত মামলা খারিজ করবে। - ৪১. নিম্নের কোন ক্ষেত্রে রিভিউ দরখাস্ত দাখিল করা যায় না?
- ক. কোন ডিক্রি রিভিউ এর আদেশের বিরুদ্ধে
- খ. আপীলযোগ্য নহে এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে
- গ. আপীলযোগ্য নহে এমন ডিক্রির বিরুদ্ধে.
- ঘ. স্মল কজেস আদালত এর রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে
উত্তর: ক. কোন ডিক্রি রিভিউ এর আদেশের বিরুদ্ধে
আদেশ ৪৭ বিধি ৯ অনুযায়ী রিভিউ আবেদনে দেওয়া আদেশ বা রিভিউ করে দেওয়া ডিক্রির বিরুদ্ধে আবার রিভিউ করা যায় না। অন্য ক্ষেত্রগুলোতে ১১৪ ধারায় রিভিউর সুযোগ আছে। - ৪২. মামলার অ্যাবেইটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত Cost পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
- ক. ৫০০ টাকা
- খ. ৩০০০ টাকা
- গ. ২০০০ টাকা
- ঘ. ৫০০০ টাকা
উত্তর: খ. ৩০০০ টাকা
বাংলাদেশে সংশোধিত দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচ দেওয়ার শর্তে মামলার অবসান (abatement) আদেশ সরাসরি রদ করতে পারে। - ৪৩. চূড়ান্ত ডিক্রি প্রচারের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ নিম্নের কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে?
- ক. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
- খ. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন
- গ. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
- ঘ. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিউ
উত্তর: গ. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারা অনুযায়ী প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে সময়মতো আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির আপিলে আর তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না। তাই চূড়ান্ত ডিক্রির পর একমাত্র পথ চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল। - ৪৪. নিম্নের কোন আদেশটি ডিক্রি হিসাবে গণ্য হবে?
- ক. আরজি ফেরত আদেশ
- খ. আরজি গ্রহণ আদেশ
- গ. আরজি সংশোধন আদেশ
- ঘ. আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
উত্তর: ঘ. আরজি প্রত্যাখ্যান আদেশ
দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় স্পষ্ট বলা আছে, আরজি প্রত্যাখ্যান বা নাকচ ডিক্রি বলে গণ্য হবে। আরজি ফেরত দেওয়া একটি আদেশ মাত্র। - ৪৫. কোন দেওয়ানী মামলায় রায় প্রচারের পর কত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রস্তুত করতে হয়?
- ক. ৭
- খ. ১০
- গ. ২১
- ঘ. ৩০
উত্তর: ক. ৭
বাংলাদেশে সংশোধিত দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৬ক অনুযায়ী রায় ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রস্তুত ও স্বাক্ষর করতে হয়। - ৪৬. জেলা জজ কর্তৃক রিভিশন মামলায় প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে-
- ক. সরাসরি রিভিশন দায়ের করতে পারে
- খ. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
- গ. আপীল করতে পারে
- ঘ. অনুমতি সাপেক্ষে আপীল করতে পারে
উত্তর: খ. অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করতে পারে
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারা অনুযায়ী জেলা জজের রিভিশন আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি (leave) নিয়ে রিভিশন করা যায়। - ৪৭. একজন জেলা জজ কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮ অনুসারে সহকারী জজের নিম্নের কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
- ক. অর্ডার ৭ রুল ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরতের আদেশ
- খ. অর্ডার ৮ রুল ১০ অনুসারে প্রচারিত রায়
- গ. অর্ডার ৯ রুল ৯ অনুসারে দাখিলী দরখাস্তের না-মঞ্জুর আদেশ
- ঘ. অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
উত্তর: ঘ. অর্ডার ৯ রুল ১৩ অনুযায়ী দাখিলী দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশ
রিভিশন চলে কেবল আপিলের সুযোগ নেই এমন আদেশের বিরুদ্ধে। আরজি ফেরত ও দাখিলী দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশ আপিলযোগ্য (আদেশ ৪৩), রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলে; কিন্তু একতরফা ডিক্রি রদের দরখাস্ত মঞ্জুরের আদেশ আপিলযোগ্য নয়, তাই তার বিরুদ্ধে রিভিশন হয়। - ৪৮. সর্বপ্রথম কখন সিভিল কোর্ট সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন কোডিফাইড হয়?
- ক. ১৮৭৭ সালে
- খ. ১৮৪৯ সালে
- গ. ১৮৫৯ সালে
- ঘ. ১৮৬৩ সালে
উত্তর: গ. ১৮৫৯ সালে
দেওয়ানি আদালতের কার্যপদ্ধতি প্রথম একটি সংকলিত আইনে আসে ১৮৫৯ সালে (Act VIII of 1859)। পরে ১৮৭৭ ও ১৮৮২ সালের কোড পেরিয়ে বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি হয় ১৯০৮ সালে। - ৪৯. কোড অব সিভিল প্রসিডিউর, ১৯০৮ এর ১০৭ ধারার বিধান অনুযায়ী নিচের কোনটি আপিল আদালতের ক্ষমতায় অন্তর্ভুক্ত নয়?
- ক. মামলা পুনঃবিচারে প্রেরণ
- খ. পুনঃবিচারে প্রেরণের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন
- গ. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
- ঘ. আরজি গ্রহণ
উত্তর: ঘ. আরজি গ্রহণ
১০৭ ধারায় আপিল আদালতের চারটি ক্ষমতা বলা আছে: চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচারে প্রেরণ, বিচার্য বিষয় গঠন করে বিচারের জন্য পাঠানো এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ। আরজি গ্রহণ মূল আদালতের কাজ, আপিল আদালতের নয়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৫০. বিল গেটসের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হলো-
- ক. BASIC
- খ. Tic-tak-toe
- গ. Ms Dos
- ঘ. Windows 95
উত্তর: খ. Tic-tak-toe
স্কুলে পড়ার সময় মাত্র ১৩ বছর বয়সে বিল গেটস টিক-ট্যাক-টো খেলার একটি প্রোগ্রাম লিখেছিলেন; এটিই তাঁর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত। - ৫১. সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের নাম হলো-
- ক. টাইটান
- খ. তিয়ানহে-২
- গ. সেকুইয়া
- ঘ. সুপারমুক
উত্তর: খ. তিয়ানহে-২
পরীক্ষার সময় (২০১৩) চীনের তিয়ানহে-২ ছিল বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার। এই তালিকা প্রতি বছর বদলায়, তাই বর্তমানে অন্য কম্পিউটার শীর্ষে আছে।
বিজ্ঞান
- ৫২. AIDS -এর সংক্রমণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
- ক. গর্ভবতী মহিলা এ রোগে আক্রান্ত হলে তার সন্তানের মধ্যে এ রোগ হতে পারে
- খ. রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে AIDS আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
- গ. স্তন পানের মাধ্যমে মহিলার দেহ থেকে শিশুর AIDS হতে পারে
- ঘ. AIDS রোগীর সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
উত্তর: ঘ. AIDS রোগীর সাধারণ স্পর্শের দ্বারা এ রোগ ছড়ায়
এইচআইভি ছড়ায় রক্ত, অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক, সংক্রমিত সুই এবং মা থেকে শিশুতে (গর্ভে বা বুকের দুধে)। হাত মেলানো বা সাধারণ স্পর্শে এই রোগ ছড়ায় না। - ৫৩. বাদুড়ের শ্রাব্যতার ঊর্ধ্বসীমা হলো-
- ক. ৪৫,০০০ Hz
- খ. ১,০০,০০০ Hz
- গ. ৩৫,০০০ Hz
- ঘ. ২০,০০০ Hz
উত্তর: খ. ১,০০,০০০ Hz
মানুষ ২০,০০০ Hz পর্যন্ত শুনতে পায়, কিন্তু বাদুড় এর চেয়ে অনেক উঁচু কম্পাঙ্কের শব্দ, প্রায় ১,০০,০০০ Hz পর্যন্ত শুনতে পারে। এই শব্দোত্তর তরঙ্গ দিয়েই বাদুড় অন্ধকারে পথ চেনে। - ৫৪. শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব হলো-
- ক. ১৫.৬ মিটার
- খ. ১৪.৬ মিটার
- গ. ১৬.৬ মিটার
- ঘ. ১৭.৬ মিটার
উত্তর: গ. ১৬.৬ মিটার
শব্দের রেশ ০.১ সেকেন্ড থাকে, তাই শব্দকে যেতে-আসতে অন্তত ০.১ সেকেন্ড লাগতে হবে। শব্দের বেগ ৩৩২ মি/সে ধরলে ন্যূনতম দূরত্ব $\frac{332\times0.1}{2}=16.6$ মিটার।
গণিত
- ৫৫. একটি আয়তাকার মাঠের বাইরে চারদিকে একটি রাস্তা আছে। মাঠের দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার, প্রস্থ ৪০ মিটার এবং রাস্তার চওড়া ২ মিটার। রাস্তাসহ মাঠের দৈর্ঘ্য কত মিটার?
- ক. ৪৪
- খ. ৫০
- গ. ৪৬
- ঘ. ৫৪
উত্তর: ঘ. ৫৪
রাস্তা মাঠের বাইরে চারদিকে, তাই দৈর্ঘ্যের দুই প্রান্তেই ২ মিটার করে যোগ হবে। রাস্তাসহ দৈর্ঘ্য $50+2\times2=54$ মিটার। - ৫৬. $x - \frac{1}{x} = 5$ হলে $x^3 - \frac{1}{x^3}$ এর মান নিম্নের কোনটি?
- ক. 110
- খ. 125
- গ. 140
- ঘ. 15
উত্তর: গ. 140
সূত্র: $x^3-\frac{1}{x^3}=(x-\frac{1}{x})^3+3(x-\frac{1}{x})$। মান বসালে $125+15=140$। - ৫৭. শিহাব ১৬০০০ মিটার দৌড়াল সে কত কিলোমিটার দৌড়েছিল?
- ক. ১.৬০ কি.মি.
- খ. ১৬০ কি.মি.
- গ. .১৬ কি.মি.
- ঘ. ১৬ কি.মি.
উত্তর: ঘ. ১৬ কি.মি.
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার, তাই ১৬০০০ মিটার = ১৬ কিলোমিটার। - ৫৮. ১ বিলিয়নে কত মিলিয়ন?
- ক. ১০০০০
- খ. ১০০০
- গ. ১০০
- ঘ. ১০
উত্তর: খ. ১০০০
১ বিলিয়ন = $10^9$ আর ১ মিলিয়ন = $10^6$। তাই ১ বিলিয়নে $10^9\div10^6=1000$ মিলিয়ন। - ৫৯. ∠A ও ∠B পরস্পর সম্পূরক কোণ। ∠A = 120° হলে ∠B = কত?
- ক. 50°
- খ. 60°
- গ. 70°
- ঘ. 80°
উত্তর: খ. 60°
দুটি কোণের সমষ্টি ১৮০° হলে তারা সম্পূরক। তাই ∠B = 180° − 120° = 60°। - ৬০. ঘড়িতে যখন ৭টা বাজে তখন ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটা দুটির মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি?
- ক. 90°
- খ. 120°
- গ. 150°
- ঘ. 180°
উত্তর: গ. 150°
ঘড়ির প্রতি ঘর ৩০°। ৭টায় মিনিটের কাঁটা ১২-তে আর ঘণ্টার কাঁটা ৭-এ, মাঝে ছোট দিকে ৫টি ঘর, তাই কোণ $5\times30°=150°$। - ৬১. (- 1) × (- 1) × (- 1) + (1) × (- 1) = কত?
- ক. 0
- খ. 2
- গ. – 2
- ঘ. 1
উত্তর: গ. – 2
তিনটি ঋণাত্মক সংখ্যার গুণফল ঋণাত্মক, তাই প্রথম অংশ $-1$; দ্বিতীয় অংশ $1\times(-1)=-1$। যোগফল $-1+(-1)=-2$। - ৬২. একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৬০% পরীক্ষার্থী পাস করেছে। যারা পাস করেনি তাদের ১৫ জন বিদেশে চলে গেল এবং ৪৫ জন ব্যবসা শুরু করল। কতজন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে?
- ক. ১০০
- খ. ১৫০
- গ. ২০০
- ঘ. ২৫০
উত্তর: খ. ১৫০
ফেল করেছে $15+45=60$ জন, যা মোটের ৪০%। তাই মোট পরীক্ষার্থী $60\times\frac{100}{40}=150$ জন। - ৬৩. ঘণ্টায় a মাইল বেগে b দূরত্ব অতিক্রম করতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে?
- ক. ab
- খ. (b/a)
- গ. (a/b)
- ঘ. (ab/b)
উত্তর: খ. (b/a)
সময় = দূরত্ব ÷ বেগ। তাই b মাইল যেতে a মাইল/ঘণ্টা বেগে সময় লাগবে $\frac{b}{a}$ ঘণ্টা। - ৬৪. একটি গাড়ির চাকা প্রতি মিনিটে ১২০ বার ঘুরে। এক সেকেন্ডে চাকাটি কত ডিগ্রি ঘুরবে?
- ক. ৩৬০°
- খ. ৪৫০°
- গ. ৫৪০°
- ঘ. ৭২০°
উত্তর: ঘ. ৭২০°
মিনিটে ১২০ বার মানে সেকেন্ডে ২ বার ঘোরে। একবার পূর্ণ ঘূর্ণন ৩৬০°, তাই এক সেকেন্ডে $2\times360°=720°$।
আন্তর্জাতিক
- ৬৫. নিম্নের কোন দেশটি Arctic Council-এর সদস্য নয়?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. কানাডা
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: খ. যুক্তরাজ্য
আর্কটিক কাউন্সিলের সদস্য আটটি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, রাশিয়া, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড। যুক্তরাজ্য এর পর্যবেক্ষক, সদস্য নয়। - ৬৬. 'লাল করিডোর' অঞ্চল চিহ্নিত হয় -
- ক. ভারতে
- খ. ভুটানে
- গ. নেপালে
- ঘ. ভিয়েতনামে
উত্তর: ক. ভারতে
ভারতের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের যেসব এলাকায় মাওবাদী বা নকশালপন্থী সশস্ত্র তৎপরতা বেশি, সেগুলোকে একসঙ্গে 'রেড করিডোর' বা লাল করিডোর বলা হয়। - ৬৭. 'বিগ বেন' এর গ্রেট ক্লক টাওয়ার বর্তমানে কি নামে পরিচিত?
- ক. ক্লক টাওয়ার
- খ. ভিক্টোরিয়া টাওয়ার
- গ. ওয়েস্টমিনিস্টার্স টাওয়ার
- ঘ. এলিজাবেথ টাওয়ার
উত্তর: ঘ. এলিজাবেথ টাওয়ার
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিংহাসনে আরোহণের হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে ২০১২ সালে লন্ডনের বিগ বেনের ক্লক টাওয়ারের নাম রাখা হয় এলিজাবেথ টাওয়ার। - ৬৮. জাতিসংঘ ঘোষিত Public Service Day কোনটি?
- ক. ২১ জুন
- খ. ২২ জুন
- গ. ২৩ জুন
- ঘ. ২৪ জুন
উত্তর: গ. ২৩ জুন
জাতিসংঘ প্রতি বছর ২৩ জুন জনসেবা দিবস (Public Service Day) পালন করে, যাতে জনসেবায় নিয়োজিতদের অবদান স্বীকৃতি পায়। - ৬৯. টিকফা (TICFA) কী?
- ক. Trade and Investment Corporation Frame Agreement
- খ. Trade and Investment Conciliation Framework Agreement
- গ. Trade and Investment Cooperation Framework Agreement
- ঘ. Trade and Investment Coordination Framework Agreement
উত্তর: গ. Trade and Investment Cooperation Framework Agreement
TICFA-এর পূর্ণরূপ Trade and Investment Cooperation Framework Agreement। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই চুক্তি সই হয়।
সাধারণ জ্ঞান
- ৭০. 'কংস' নদীর উৎপত্তিস্থল-
- ক. গারো পাহাড়
- খ. লুসাই পাহাড়
- গ. সীতা পাহাড়
- ঘ. কংস পাহাড়
উত্তর: ক. গারো পাহাড়
কংস নদী ভারতের মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা হয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৭১. জিএসপি GSP কী?
- ক. Generalized System of Preference
- খ. Generalized System of Preferences
- গ. Generalized System of Progress-in-Garments
- ঘ. Generalized System of Preference-in-Garments
উত্তর: খ. Generalized System of Preferences
GSP-এর পূর্ণরূপ Generalized System of Preferences; এর মাধ্যমে উন্নত দেশ উন্নয়নশীল দেশের পণ্যে শুল্ক ছাড় দেয়। ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের GSP সুবিধা স্থগিত করেছিল।
বাংলাদেশ
- ৭২. 'কুসুম্বা মসজিদ'- কোন শাসকের রাজত্বকালে নির্মিত হয়?
- ক. শেরশাহ
- খ. বাহাদুর শাহ
- গ. গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
- ঘ. ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
উত্তর: গ. গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
নওগাঁর কুসুম্বা মসজিদ ১৫৫৮ সালে শূর বংশের শাসক গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহের আমলে নির্মিত হয়। মসজিদটির ছবি পাঁচ টাকার নোটে আছে। - ৭৩. ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সিংহদ্বার কি নামে পরিচিত?
- ক. সুবাহর তোরণ
- খ. দশভুজা তোরণ
- গ. ঈশ্বরী তোরণ
- ঘ. নহবতখানা তোরণ
উত্তর: ঘ. নহবতখানা তোরণ
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রধান প্রবেশদ্বারের ওপরে নহবতখানা থাকায় এর সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে পরিচিত। - ৭৪. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের কোন পদে নিযুক্ত ছিলেন?
- ক. পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী
- খ. আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী
- গ. বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি
- ঘ. নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ মিশন প্রধান
উত্তর: গ. বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি
মুক্তিযুদ্ধের সময় বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে বিদেশে, বিশেষত জাতিসংঘ ও ইউরোপে, বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে তোলেন। পরে তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি হন।
ইংরেজি
- ৭৫. What is the antonym of the word 'baggy'?
- ক. saggy
- খ. load
- গ. loose
- ঘ. tight
উত্তর: ঘ. tight
Baggy মানে ঢিলেঢালা, তাই এর বিপরীত tight বা আঁটসাঁট। Saggy ও loose বরং baggy-র কাছাকাছি অর্থ। - ৭৬. What is the synonym of the word 'relax'?
- ক. delux
- খ. swindle
- গ. unwind
- ঘ. freewind
উত্তর: গ. unwind
Relax মানে বিশ্রাম নেওয়া বা চাপমুক্ত হওয়া, আর unwind-এর অর্থও দুশ্চিন্তা ঝেড়ে আরাম করা। তাই synonym unwind। - ৭৭. Convert the sentence into a simple one : He said that he was innocent.
- ক. He published his innocence
- খ. He expressed his innocence
- গ. He told his innocence
- ঘ. He declared his innocence
উত্তর: খ. He expressed his innocence
Complex sentence-এর noun clause 'that he was innocent'-কে noun phrase 'his innocence'-এ রূপান্তর করলে simple sentence হয়। প্রচলিত উত্তর 'He expressed his innocence'; তবে 'He declared his innocence'ও স্বাভাবিক ইংরেজি। - ৭৮. 'All the world's a stage, And all the men and women merely players'.- Poet of the poem is:
- ক. John Keats
- খ. William Shakespeare
- গ. John Milton
- ঘ. William Wordsworth
উত্তর: খ. William Shakespeare
পঙক্তিটি শেক্সপিয়ারের নাটক 'As You Like It'-এ জ্যাক চরিত্রের বিখ্যাত সংলাপ 'The Seven Ages of Man' থেকে নেওয়া। - ৭৯. He started early. Here early is-
- ক. adjective
- খ. adverb
- গ. noun
- ঘ. pronoun
উত্তর: খ. adverb
এখানে early শব্দটি verb 'started'-কে বিশেষিত করে কখন শুরু করল তা বোঝাচ্ছে, তাই এটি adverb। 'an early bird'-এ early আবার adjective। - ৮০. Change the narration of the sentence: What do you want?
- ক. What is wanted by you?
- খ. Let what be wanted by you.
- গ. What has been wanted by you?
- ঘ. What was being wanted by you?
উত্তর: ক. What is wanted by you?
প্রশ্নে narration লেখা থাকলেও আসলে voice পরিবর্তন চাওয়া হয়েছে। Present indefinite tense-এর wh-প্রশ্নের passive হয় Wh + is/am/are + V3 + by + object, তাই 'What is wanted by you?' - ৮১. The phrase 'functus officio' means-
- ক. officiating
- খ. functional office
- গ. functional authority
- ঘ. having no further authority
উত্তর: ঘ. having no further authority
Functus officio লাতিন শব্দগুচ্ছ, অর্থ দায়িত্ব শেষ হয়ে যাওয়ায় আর কোনো ক্ষমতা না থাকা। যেমন রায় দিয়ে দেওয়ার পর আদালত সেই বিষয়ে functus officio হয়ে যায়। - ৮২. Plural number of 'Ultimatum' is-
- ক. ultimate
- খ. ultimata
- গ. ultimator
- ঘ. ultamates
উত্তর: খ. ultimata
লাতিন থেকে আসা -um দিয়ে শেষ হওয়া অনেক শব্দের plural -a হয়, যেমন datum → data। তেমনি ultimatum → ultimata (ultimatums রূপটিও চলে)। - ৮৩. Mens Legis means-
- ক. Mens rea
- খ. Legal status of the men
- গ. Purpose of a law
- ঘ. Preamble of a law
উত্তর: গ. Purpose of a law
Mens legis লাতিন শব্দ, অর্থ আইনের মন বা আইনের উদ্দেশ্য। আইন ব্যাখ্যার সময় আদালত এই উদ্দেশ্য খুঁজে দেখে। - ৮৪. 'Double Jeopardy' means-
- ক. judicating twice
- খ. Duplicate issue
- গ. Purpose of a law
- ঘ. Preamble of a law
উত্তর: ক. judicating twice
Double jeopardy মানে একই অপরাধে একজনকে দুবার বিচার ও শাস্তির ঝুঁকিতে ফেলা। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদ এটি নিষিদ্ধ করেছে। - ৮৫. What are the correct prepositions? He had a need _____ and an interest _____ athletics.
- ক. of, for
- খ. to, at
- গ. for, in
- ঘ. with, for
উত্তর: গ. for, in
Need-এর পরে for (need for something) এবং interest-এর পরে in (interest in something) বসে। - ৮৬. Choose the best option to complete the sentence : Telling lies ______ a great sin.
- ক. is
- খ. are
- গ. have
- ঘ. highly
উত্তর: ক. is
Gerund phrase 'Telling lies' পুরোটা একটি কাজকে বোঝায়, তাই এটি singular subject; এর সঙ্গে singular verb 'is' বসবে। - ৮৭. Choose the best option to complete the sentence : I look forward to ____________.
- ক. meet you soon
- খ. meeting you soon
- গ. have met you soon
- ঘ. be meeting you soon
উত্তর: খ. meeting you soon
'Look forward to'-এর to এখানে preposition, infinitive-এর অংশ নয়। তাই এর পরে verb-এর -ing রূপ বসে: look forward to meeting।
বাংলা
- ৮৮. মতিন ও কমল নামের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মানুসন্ধান প্রকাশিত হয় হুমায়ূন আহমেদের কোন উপন্যাসে?
- ক. আগুনের পরশমণি
- খ. এই সব দিনরাত্রি
- গ. দুই দুয়ারী
- ঘ. কে কথা কয়
উত্তর: ঘ. কে কথা কয়
হুমায়ূন আহমেদের 'কে কথা কয়' উপন্যাসে অটিস্টিক শিশু কমল ও মতিন চরিত্রকে ঘিরে কাহিনি এগিয়েছে। - ৮৯. প্রাচী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. প্রতীতি
- খ. প্রতীচী
- গ. প্রতিচী
- ঘ. প্রীতিচী
উত্তর: খ. প্রতীচী
প্রাচী মানে পূর্ব দিক, আর প্রতীচী মানে পশ্চিম দিক। তাই প্রাচীর বিপরীত শব্দ প্রতীচী। - ৯০. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তার নাম?
- ক. অবধূত
- খ. সমকাল
- গ. শতদল
- ঘ. বাসন্তিকা
উত্তর: ঘ. বাসন্তিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে বুদ্ধদেব বসু জগন্নাথ হলের বার্ষিক সাহিত্য পত্রিকা 'বাসন্তিকা' সম্পাদনা করতেন। পরে তিনি 'প্রগতি' ও 'কবিতা' পত্রিকা সম্পাদনা করেন। - ৯১. 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল।'- এটি কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
- ক. মিশ্র
- খ. সরল
- গ. যৌগিক
- ঘ. বিভ্রমপূর্ণ
উত্তর: ক. মিশ্র
শামসুর রাহমানের এই পঙক্তিতে 'তুমি আসবে বলে' অংশটি কারণ নির্দেশক আশ্রিত বাক্যাংশ আর 'সখিনা বিবির কপাল ভাঙল' প্রধান খণ্ডবাক্য। একটি প্রধান ও একটি আশ্রিত অংশ থাকায় প্রচলিত উত্তরে একে মিশ্র বাক্য ধরা হয়। - ৯২. ইংরেজি ব্যাকরণের 'Adverb'-কে বাংলা ব্যাকরণে বলে -
- ক. নাম বিশেষণ
- খ. ভাব বিশেষণ
- গ. সমুচ্চয়ী অব্যয়
- ঘ. নামপদ
উত্তর: খ. ভাব বিশেষণ
বাংলায় যে বিশেষণ বিশেষ্য ও সর্বনাম ছাড়া অন্য পদকে (ক্রিয়া, বিশেষণ ইত্যাদি) বিশেষিত করে, তাকে ভাব বিশেষণ বলে। ইংরেজি adverb মূলত এরই সমতুল্য, যেমন 'ধীরে চলো'। - ৯৩. 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'- নাটকের রচয়িতা কে?
- ক. শামসুর রাহমান
- খ. মমতাজউদদীন আহমদ
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন
উত্তর: খ. মমতাজউদদীন আহমদ
'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক, রচয়িতা নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ। - ৯৪. নাড়ী অর্থ শিরা; নারি অর্থ কি-
- ক. পানি
- খ. স্ত্রীলোক
- গ. পারি না
- ঘ. খড়ের শেষাংশ
উত্তর: গ. পারি না
প্রায় একই উচ্চারণের শব্দের অর্থভেদের প্রশ্ন এটি: নাড়ী মানে শিরা বা ধমনি, আর পুরোনো বাংলায় 'নারি' মানে 'পারি না' (যেমন 'যাইতে নারি')। স্ত্রীলোক অর্থের শব্দটি হলো 'নারী'। - ৯৫. নিচের কোন বানান শুদ্ধ নয়-
- ক. কর্ণেল
- খ. চক্ষুষ্মান
- গ. মিষ্টান্ন
- ঘ. বিপণী
উত্তর: ক. কর্ণেল
Colonel একটি বিদেশি শব্দ, আর বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব বিধান খাটে না; তাই শুদ্ধ বানান 'কর্নেল'। চক্ষুষ্মান ও মিষ্টান্ন শুদ্ধ। - ৯৬. 'আষাঢ়ে মেঘ আসার নামে'- এ বাক্যে 'আসার' শব্দের অর্থ কি?
- ক. জলধারা
- খ. জলকণা
- গ. জলধর
- ঘ. জলঝড়
উত্তর: খ. জলকণা
প্রচলিত উত্তরে 'আসার' শব্দের অর্থ জলকণা ধরা হয়। তবে অভিধানে 'আসার' মানে বেগবান বৃষ্টি বা ধারাবর্ষণও আছে, তাই 'জলধারা' উত্তরটিও যুক্তিযুক্ত হওয়ায় প্রশ্নটি বিতর্কিত। - ৯৭. 'কথায় বর্ণনা করা যায় না যা'-এ বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?
- ক. বর্ণনাতীত
- খ. অনির্বচনীয়
- গ. অবর্ণনীয়
- ঘ. নির্বচনীয়
উত্তর: গ. অবর্ণনীয়
'যা বর্ণনা করা যায় না' তা অবর্ণনীয়। কাছাকাছি অর্থে 'অনির্বচনীয়' শব্দও আছে, যার মূল অর্থ যা বচন দ্বারা প্রকাশ করা যায় না। - ৯৮. 'বাগধারা' কোথায় আলোচিত হয়?
- ক. ধ্বনিতত্ত্বে
- খ. রূপতত্ত্বে
- গ. শব্দতত্ত্বে
- ঘ. বাক্যতত্ত্বে
উত্তর: ঘ. বাক্যতত্ত্বে
বাগধারা বাক্যে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং বাক্যের প্রয়োগের সঙ্গে জড়িত, তাই প্রচলিত ব্যাকরণে এটি বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। - ৯৯. কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম কবে ঢাকায় আসেন?
- ক. ১৯৭৬ সালে
- খ. ১৯৭৪ সালে
- গ. ১৯২৬ সালে
- ঘ. ১৯৬২ সালে
উত্তর: গ. ১৯২৬ সালে
নজরুল প্রথম ঢাকায় আসেন ১৯২৬ সালে, মুসলিম সাহিত্য সমাজের আমন্ত্রণে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তাঁকে স্থায়ীভাবে ঢাকায় আনা হয়।
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন: অন্যান্য পরীক্ষা
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বেঞ্চ সহকারী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (১০ম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (১১তম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (১২তম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (১৩তম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (১৪তম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (১৫তম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (১৬তম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (৩য় বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৮
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (৪র্থ বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৯
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (৫ম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (৬ষ্ঠ বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (৭ম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২
- বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সহকারী জজ (৯ম বিজেএস প্রিলিমিনারি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন