দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৩। ১০০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. উচ্চারণের সময় মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে বলে ‘আ’-কে কী ধ্বনি বলে?
- ক. হ্রস্বধ্বনি
- খ. বিবৃত স্বরধ্বনি
- গ. সম্মুখ স্বরধ্বনি
- ঘ. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. বিবৃত স্বরধ্বনি
স্বরধ্বনিকে (Vowel) উচ্চারণের সময় মুখ কতটা খোলা থাকে, সেই অনুযায়ী চার ভাগে ভাগ করা হয়। ‘আ’ উচ্চারণ করতে মুখবিবর সবচেয়ে বেশি খোলে, তাই ‘আ’ হলো বিবৃত স্বরধ্বনি (Open Vowel)। উল্টো দিকে ‘ই’ ও ‘উ’ উচ্চারণে মুখ সবচেয়ে কম খোলে বলে এরা সংবৃত স্বরধ্বনি (Close Vowel)। বাকি options অন্য ভিত্তিতে করা নাম। হ্রস্বধ্বনি বোঝায় উচ্চারণের সময়ের দৈর্ঘ্য, আর সম্মুখ ও পশ্চাৎ স্বরধ্বনি ঠিক হয় জিভের অবস্থান দিয়ে।\nমনে রাখুন:\nমুখ খোলার মাপে: আ বিবৃত, অ্যা ও অ অর্ধবিবৃত, এ ও ও অর্ধসংবৃত, ই ও উ সংবৃত।\nজিভের অবস্থানে: ই, এ, অ্যা সম্মুখ স্বর; আ কেন্দ্রীয় স্বর; অ, ও, উ পশ্চাৎ স্বর। - ২. কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাদের পটভূমিতে রচিত?
- ক. বিপ্লবীদের
- খ. জমিদার শোষকদের
- গ. গরিব দুঃখীদের
- ঘ. নিগৃহীত মহিলাদের
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. গরিব দুঃখীদের
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস (Novel) ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) লেখা হয়েছে কৃষ্ণনগরের চাঁদ সড়ক এলাকার দরিদ্র হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারগুলোর জীবনের পটভূমিতে। এসব পরিবারের অভাব, ক্ষুধা আর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ের কথা উপন্যাসটির নামেই ধরা আছে। অর্থাৎ এর পটভূমি গরিব দুঃখী মানুষ। বিপ্লবী রাজনীতি ও স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমি পাওয়া যায় নজরুলের আরেক উপন্যাস ‘কুহেলিকা’-য়। জমিদার বা নিগৃহীত নারীদের নিয়ে এটি লেখা নয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের উপন্যাস তিনটি: ‘বাঁধনহারা’, ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’।
‘বাঁধনহারা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস (Epistolary Novel)। - ৩. দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে কী বলে?
- ক. সমীভবন
- খ. সম্প্রকর্ষ
- গ. স্বরাগম
- ঘ. স্বরসঙ্গতি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. সম্প্রকর্ষ
দ্রুত কথা বলতে গেলে অনেক সময় শব্দের আদি, মধ্য বা অন্ত্যের কোনো স্বরধ্বনি বাদ পড়ে যায়। এই পরিবর্তনকে স্বরলোপ বা সম্প্রকর্ষ বলে। যেমন বসতি থেকে বস্তি এবং জানালা থেকে জান্লা। স্বরলোপ আসলে স্বরাগমের উল্টো প্রক্রিয়া, কারণ স্বরাগমে শব্দে নতুন স্বর যোগ হয়। বাকি options অন্য ধরনের পরিবর্তন। সমীভবন (Assimilation) হলো পাশাপাশি দুটি ব্যঞ্জনের একরকম হয়ে যাওয়া, যেমন চক্র থেকে চক্ক। স্বরসঙ্গতি (Vowel Harmony) হলো একটি স্বরের প্রভাবে অন্য স্বরের বদলে যাওয়া, যেমন দেশি থেকে দিশি।\nউদাহরণ:\nআদি স্বরলোপ: অলাবু > লাবু > লাউ।\nমধ্য স্বরলোপ: সুবর্ণ > স্বর্ণ।\nঅন্ত্য স্বরলোপ: আশা > আশ, আজি > আজ।\nমনে রাখুন: সম্প্রকর্ষ মানে সংকোচন, যেখানে স্বর বাদ পড়ে। আর বিপ্রকর্ষ মানে মধ্য স্বরাগম, যেমন রত্ন > রতন। - ৪. শরৎচন্দ্রের প্রথম সাহিত্যকর্ম কোনটি?
- ক. মন্দির
- খ. বড়দিদি
- গ. শ্রীকান্ত
- ঘ. মেজদিদি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. মন্দির
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্ম ছোটগল্প (Short Story) ‘মন্দির’ (১৯০৩)। গল্পটি ‘কুন্তলীন পুরস্কার’ পেয়েছিল, তবে প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর মামা সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে। তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বড়দিদি’ (১৯০৭), যা ‘ভারতী’ পত্রিকায় ছাপা হয়। ‘শ্রীকান্ত’ ও ‘মেজদিদি’ এর অনেক পরের রচনা। জনপ্রিয়তার জন্য শরৎচন্দ্রকে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ বলা হয়। প্রথম গল্প আর প্রথম উপন্যাস আলাদা করে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
মনে রাখুন:
প্রথম প্রকাশিত রচনা: ‘মন্দির’ (গল্প)।
প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস: ‘বড়দিদি’। - ৫. ‘মাথায়’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. মাথা + আয়
- খ. মাথা + য়
- গ. মাথা + অয়
- ঘ. মাথা + এ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. মাথা + এ
আ-কারান্ত শব্দের (যে শব্দের শেষে ‘আ’ আছে) সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি (Case-ending) যুক্ত হলে ‘আ’ আর ‘এ’-র মাঝে উচ্চারণের সুবিধার জন্য ‘য়’ ধ্বনি এসে যায়। ফলে মিলিত রূপ হয় ‘-আয়’, তাই মাথা + এ = মাথায়। বাংলায় ‘আয়’, ‘য়’ বা ‘অয়’ নামে আলাদা কোনো অর্থপূর্ণ বিভক্তি নেই। তাই শব্দের শেষে যে অংশটি চোখে পড়ে, শুধু সেটি কেটে আলাদা করলে সঠিক বিচ্ছেদ হয় না। আসল বিভক্তি ‘এ’ খুঁজে বের করতে হয়।\nউদাহরণ:\nপা + এ = পায়।\nঘোড়া + এ = ঘোড়ায়।\nকলকাতা + এ = কলকাতায়। - ৬. ‘নেমেসিস’ কোন ধরনের রচনা?
- ক. নাটক
- খ. উপন্যাস
- গ. প্রবন্ধগ্রন্থ
- ঘ. কাব্যগ্রন্থ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. নাটক
‘নেমেসিস’ (১৯৪৮) নূরুল মোমেনের লেখা একটি একক চরিত্রের নাটক (One-character Play)। অর্থাৎ পুরো নাটকে মঞ্চে একজন মাত্র চরিত্রই অভিনয় করে। নূরুল মোমেন বাংলাদেশে ‘নাট্যগুরু’ নামে পরিচিত। ‘নেমেসিস’ নামটি এসেছে গ্রিক পুরাণের প্রতিশোধ ও ন্যায্য শাস্তির দেবী Nemesis থেকে। নামটি অপরিচিত লাগলেও এটি উপন্যাস, প্রবন্ধ বা কাব্যগ্রন্থ নয়, নাটকই।
মনে রাখুন: ‘নেমেসিস’ নাটকটি নূরুল মোমেনের, আর এটি উপন্যাস, প্রবন্ধ বা কাব্যগ্রন্থ নয়।
নূরুল মোমেনের আরেকটি পরিচিত নাটক ‘নয়া খান্দান’। - ৭. ‘কাঁচি’ কোন ধরনের শব্দ?
- ক. আরবি
- খ. ফরাসি
- গ. হিন্দি
- ঘ. তুর্কি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. তুর্কি
‘কাঁচি’ শব্দটি তুর্কি (Turkish) ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনের সময় তুর্কি সেনা ও প্রশাসনের সঙ্গে এমন অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে। তাই সব পুরোনো বিদেশি শব্দকে আরবি বা ফারসি ভাবা ঠিক নয়। ‘কাঁচি’ আরবি, ফরাসি বা হিন্দি শব্দ নয়।
মনে রাখুন:
তুর্কি শব্দ: চাকর, চাকু, কাঁচি, তোপ, দারোগা, বাবুর্চি, বেগম, লাশ।
আরবি শব্দ: আদালত, উকিল, কলম, কিতাব।
ফরাসি শব্দ: কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরাঁ।
‘ফরাসি’ মানে ফ্রান্সের ভাষা (French), আর ‘ফারসি’ মানে ইরান বা পারস্যের ভাষা (Persian)। বানান কাছাকাছি বলে অনেকে দুটি গুলিয়ে ফেলে। - ৮. বাংলা সাহিত্যের ‘দুঃখবাদী কবি’ কে?
- ক. গোবিন্দচন্দ্র দাস
- খ. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
- গ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- ঘ. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
বাংলা সাহিত্যে ‘দুঃখবাদী কবি’ নামে পরিচিত যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত। তাঁর কবিতায় জীবনের দুঃখ, বেদনা ও হতাশার সুর বারবার এসেছে। তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর (Poetry collection) নামেও সেই রুক্ষ ভাব ফুটে ওঠে: ‘মরীচিকা’, ‘মরুশিখা’ ও ‘মরুমায়া’। বাকিদের পরিচিতি আলাদা। গোবিন্দচন্দ্র দাস ‘স্বভাবকবি’, সুকান্ত ভট্টাচার্য ‘কিশোর কবি’, আর রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী মূলত প্রাবন্ধিক (Essayist)।
মনে রাখুন:
যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত: দুঃখবাদী কবি।
গোবিন্দচন্দ্র দাস: স্বভাবকবি।
সুকান্ত ভট্টাচার্য: কিশোর কবি। - ৯. মধ্য স্বরাগমের সমার্থক কোনটি?
- ক. স্বরসঙ্গতি
- খ. অভিশ্রুতি
- গ. সম্প্রকর্ষ
- ঘ. বিপ্রকর্ষ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. বিপ্রকর্ষ
যুক্তব্যঞ্জনের উচ্চারণ সহজ করতে দুটি ব্যঞ্জনের মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি এসে বসলে তাকে মধ্য স্বরাগম বলে। এর আরেক নাম বিপ্রকর্ষ, আবার স্বরভক্তিও বলা হয়। উদাহরণে দেখা যায়, যুক্তব্যঞ্জন ভেঙে স্বর ঢুকে পড়েছে। বাকি options আলাদা প্রক্রিয়া। স্বরসঙ্গতি (Vowel Harmony) হলো এক স্বরের প্রভাবে অন্য স্বরের বদল। অভিশ্রুতি হলো অপিনিহিতির পরের ধাপের পরিবর্তন, যেমন করিয়া > করে। সম্প্রকর্ষ হলো স্বরলোপ, অর্থাৎ বিপ্রকর্ষের ঠিক উল্টো। বিপ্রকর্ষে স্বর যোগ হয়, আর সম্প্রকর্ষে স্বর বাদ পড়ে।\nউদাহরণ:\nরত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, প্রীতি > পিরীতি, গ্রাম > গেরাম, ভ্রু > ভুরু।\nমনে রাখুন: আদি স্বরাগম (স্কুল > ইস্কুল) আর অন্ত্য স্বরাগম (বেঞ্চ > বেঞ্চি) মধ্য স্বরাগম থেকে আলাদা। - ১০. “চাষী ওরা, নয়কো চাষা, নয়কো ছোটলোক”— কে বলেছেন?
- ক. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. গোলাম মোস্তফা
- ঘ. জসীমউদ্দীন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কাজী নজরুল ইসলাম
“চাষী ওরা, নয়কো চাষা, নয়কো ছোটলোক” পঙ্ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের। এখানে কবি সম্মানজনক ‘চাষী’ আর তুচ্ছার্থে ব্যবহৃত ‘চাষা’ শব্দের পার্থক্য দেখিয়ে কৃষকের মর্যাদার কথা বলেছেন। কৃষক, শ্রমিক ও কুলি-মজুরের মতো খেটে-খাওয়া মানুষের অধিকার ও সাম্যের কথা নজরুলের কবিতার বড় বৈশিষ্ট্য। তাঁর ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের ‘কুলি-মজুর’ কবিতার একটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি: ‘দেখিনু সেদিন রেলে, কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে!’
মনে রাখুন: নজরুলের ‘সাম্যবাদী’ ও ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থে খেটে-খাওয়া মানুষের মর্যাদার কথা বিশেষভাবে এসেছে। - ১১. ‘পরানের গহীন ভিতর’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. শামসুর রাহমান
- খ. আল মাহমুদ
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. সৈয়দ শামসুল হক
‘পরানের গহীন ভিতর’ (১৯৮০) সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যগ্রন্থ। এর কবিতাগুলো আঞ্চলিক ভাষায় লেখা, আর ‘পরান’ ও ‘গহীন’ এই শব্দ দুটিও সেই আঞ্চলিক সুরই মনে করিয়ে দেয়। কবিতা, উপন্যাস, নাটক ও গল্প, সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় সমান দক্ষতার জন্য তাঁকে ‘সব্যসাচী লেখক’ বলা হয়। তাঁর কাব্যনাট্য ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ ও ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ বিখ্যাত। বাকি কবিদের বিখ্যাত বইগুলো আলাদা।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমান: ‘বন্দী শিবির থেকে’।
আল মাহমুদ: ‘সোনালি কাবিন’।
নির্মলেন্দু গুণ: ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’। - ১২. ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলন গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন কে?
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. আহসান হাবীব
- গ. আবুল হোসেন
- ঘ. মোহাম্মদ সুলতান
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. হাসান হাফিজুর রহমান
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন (Anthology) ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ (১৯৫৩) সম্পাদনা করেন কবি হাসান হাফিজুর রহমান। প্রকাশ করেন মোহাম্মদ সুলতান, পুঁথিপত্র প্রকাশনীর পক্ষ থেকে। এখানে প্রশ্নটি সম্পাদক (Editor) নিয়ে, প্রকাশক (Publisher) নিয়ে নয়, তাই মোহাম্মদ সুলতানের নাম দেখে ভুল করা চলবে না। হাসান হাফিজুর রহমান পরে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র’ (১৬ খণ্ড) সম্পাদনার জন্যও বিখ্যাত হন।
মনে রাখুন: ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম কবিতা মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’। - ১৩. ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে’ গ্রন্থটির লেখক কে?
- ক. সুফিয়া কামাল
- খ. নির্মলেন্দু গুণ
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. শামসুর রাহমান
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. শামসুর রাহমান
‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ (১৯৭৭) শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ। তিনি নাগরিক কবি এবং স্বাধীনতার কবি হিসেবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে লেখা কবিতার সংকলন ‘বন্দী শিবির থেকে’-ও তাঁর। সেখানে আছে ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতা দুটি। বিখ্যাত কবিতা ‘আসাদের শার্ট’-ও তাঁর লেখা। সুফিয়া কামাল, নির্মলেন্দু গুণ বা সৈয়দ শামসুল হকের কোনো বইয়ের নাম এটি নয়।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’।
এরপর উল্লেখযোগ্য ‘বন্দী শিবির থেকে’ ও ‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’। - ১৪. স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ হয়— এমন উদাহরণ কোনটি?
- ক. কৃষক
- খ. বর্ষা
- গ. ঔষধ
- ঘ. কাষ্ঠ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ঔষধ
কোনো নিয়মের কারণে নয়, শব্দের মধ্যে স্বভাবতই যে মূর্ধন্য (Cerebral) ‘ষ’ থাকে, তাকে স্বভাবত বা নিত্য মূর্ধন্য ষ বলে। ‘ঔষধ’ এমন একটি শব্দ। বাকি তিনটি শব্দে ‘ষ’ এসেছে ষত্ব বিধানের নিয়মে। ‘কৃষক’-এ ঋ-কারের পরে, ‘বর্ষা’-য় র-ফলা বা রেফের পরে, আর ‘কাষ্ঠ’-তে ট-বর্গের ‘ঠ’-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় ‘ষ’ হয়েছে। ঋ-কার, র বা রেফ কিংবা ট-বর্গের সংযোগ দেখলে বুঝতে হবে, ‘ষ’ নিয়মের কারণে এসেছে, স্বভাবত নয়।\nমনে রাখুন: স্বভাবত ষ-এর শব্দ হলো ঔষধ, আষাঢ়, পৌষ, ভাষা, পাষাণ, রোষ, কোষ ও ষড়ঋতু। - ১৫. ‘সেতার’-এর ‘সে’ কোন অর্থ দ্যোতনা করে?
- ক. তার
- খ. তিন
- গ. প্রত্যেক
- ঘ. সকল
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. তিন
‘সেতার’ শব্দটি ফারসি (Persian) ভাষা থেকে এসেছে। এখানে ‘সে’ মানে তিন, আর ‘তার’ মানে বাদ্যযন্ত্রের তার। অর্থাৎ সে (তিন) + তার = তিন তারের বাদ্যযন্ত্র। তাই ‘সে’ এখানে তিন অর্থ বোঝায়। বাংলায় আরও কিছু ফারসি সংখ্যাবাচক শব্দ ঢুকেছে। ‘তার’ অর্থে সর্বনাম, ‘প্রত্যেক’ বা ‘সকল’ ধরলে শব্দের গঠনের সঙ্গে মিলবে না।
মনে রাখুন:
দো মানে দুই, যেমন দোতলা, দোআঁশ।
সে মানে তিন, যেমন সেতার।
পাঞ্জ মানে পাঁচ, যেমন পাঞ্জাব (পাঁচ নদীর দেশ)। - ১৬. সাধু ভাষা থেকে চলিত ভাষায় লিখতে কোন পদযুগলের পরিবর্তন ঘটে?
- ক. সর্বনাম ও ক্রিয়া
- খ. বিশেষ্য ও বিশেষণ
- গ. বিশেষণ ও ক্রিয়া
- ঘ. বিশেষ্য ও সর্বনাম
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. সর্বনাম ও ক্রিয়া
সাধু ভাষা থেকে চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় প্রধানত সর্বনাম (Pronoun) ও ক্রিয়াপদের (Verb) রূপ বদলায়। বিশেষ্য (Noun) ও বিশেষণ (Adjective) সাধারণত একই থাকে। সাধু ভাষার সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সম্পূর্ণ বা দীর্ঘ রূপে থাকে, চলিত ভাষায় সেগুলো সংক্ষিপ্ত হয়ে আসে। অনুসর্গও (Postposition) এভাবে বদলে যায়।\nউদাহরণ:\nসর্বনাম: তাহারা > তারা, তাহাকে > তাকে, যাহা > যা।\nক্রিয়া: করিতেছিল > করছিল, খাইয়াছি > খেয়েছি।\nঅনুসর্গ: হইতে > থেকে, দিয়া > দিয়ে।\nমনে রাখুন: এক বাক্যে সাধু ও চলিত রূপ মিশিয়ে ফেললে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। - ১৭. নিচের কোনটি কবি জসীমউদ্দীনের রচনা নয়?
- ক. ধানক্ষেত
- খ. মধুমালা
- গ. পদ্মাপার
- ঘ. এক মুঠো
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. এক মুঠো
‘এক মুঠো’ কাব্যগ্রন্থটি জসীমউদ্দীনের নয়, এটি আধুনিক কবি অমিয় চক্রবর্তীর। তিনি তিরিশের দশকের পাঁচ প্রধান আধুনিক কবির একজন। বাকি চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে। বাকি তিনটি রচনাই পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের। ‘ধানক্ষেত’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ, আর ‘মধুমালা’ ও ‘পদ্মাপার’ নাটক (Drama)। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাহিনিকাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’।
মনে রাখুন:
জসীমউদ্দীনের কাব্য: রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, ধানক্ষেত।
জসীমউদ্দীনের নাটক: মধুমালা, পদ্মাপার, বেদের মেয়ে। - ১৮. ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. আগুন
- খ. আরমারিও
- গ. পিচাশ
- ঘ. ইচ্ছে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. পিচাশ
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি (Consonant) পরস্পর জায়গা বদল করলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় (Metathesis) বলে। ‘পিশাচ > পিচাশ’-এ ‘শ’ আর ‘চ’ জায়গা বদলেছে, তাই এটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ। ‘আগুন’ ও ‘ইচ্ছে’-তে কোনো দুটি ব্যঞ্জনের অদলবদল ঘটেনি। আর ‘আরমারিও’ হলো ‘আলমারি’ শব্দের পর্তুগিজ মূল রূপ। মূল শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়, দুটি ব্যঞ্জন সত্যিই স্থান বদলেছে কি না।
উদাহরণ:
পিশাচ > পিচাশ।
লাফ > ফাল।
বাক্স > বাস্ক।
রিক্সা > রিস্কা। - ১৯. কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
- ক. কলে ছাঁটা
- খ. মাথায় ছাতা
- গ. হাতে কলমে
- ঘ. গায়ে হলুদ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. কলে ছাঁটা
যে তৎপুরুষ সমাসে (Compound) পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে। ‘কলে ছাঁটা’ মানে কল দিয়ে ছাঁটা, এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস। এখানে পূর্বপদ ‘কলে’-র ‘এ’ বিভক্তি থেকে গেছে, তাই এটি অলুক তৎপুরুষের উদাহরণ। বাকি তিনটিতেও বিভক্তি থেকে গেছে, কিন্তু সমাস আলাদা। ‘হাতে-কলমে’ অলুক দ্বন্দ্ব। আর ‘গায়ে-হলুদ’ ও ‘মাথায়-ছাতা’ অলুক বহুব্রীহি। তাই শুধু ‘অলুক’ দেখে উত্তর বাছাই করলে ভুল হবে। ব্যাসবাক্য বানিয়ে দেখতে হবে সমাসটি তৎপুরুষ, দ্বন্দ্ব না বহুব্রীহি।\nউদাহরণ:\nঅলুক তৎপুরুষ: কলে ছাঁটা, তেলে ভাজা, ঘিয়ে ভাজা।\nঅলুক দ্বন্দ্ব: হাতে-কলমে, দুধে-ভাতে।\nঅলুক বহুব্রীহি: গায়ে-হলুদ, মাথায়-পাগড়ি। - ২০. খাঁটি বাংলা শব্দে নিচের কোনটি যুক্ত হয় না?
- ক. স
- খ. ষ
- গ. শ
- ঘ. ন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ষ
মূর্ধন্য ‘ষ’ বসে শুধু তৎসম (Tatsama) শব্দে, অর্থাৎ সংস্কৃত থেকে অবিকৃতভাবে আসা শব্দে। খাঁটি বাংলা শব্দ (তদ্ভব ও দেশি) এবং বিদেশি শব্দে কখনো ‘ষ’ হয় না। তাই বিদেশি শব্দে ‘স’ লেখা হয়, যেমন পোস্ট, স্টেশন, মাস্টার। ‘স’, ‘শ’ ও ‘ন’ খাঁটি বাংলা শব্দে স্বাভাবিকভাবেই বসে, যেমন সাপ, শিয়াল, নাক। একই কারণে মূর্ধন্য ‘ণ’-ও খাঁটি বাংলা ও বিদেশি শব্দে বসে না, কারণ ষত্ব ও ণত্ব বিধান শুধু তৎসম শব্দের জন্য।\nমনে রাখুন: খাঁটি বাংলা ও বিদেশি শব্দে সবসময় স বা শ এবং ন বসে, যেমন কান, সোনা, স্টেশন, পোস্ট। - ৬১. বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যাকারক কে?
- ক. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
- খ. জাতীয় সংসদ
- গ. সুপ্রিম কোর্ট
- ঘ. হাইকোর্ট
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. সুপ্রিম কোর্ট
বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে (বিচার বিভাগ) অনুচ্ছেদ ৯৪ অনুযায়ী আপিল বিভাগ (Appellate Division) ও হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত। সংবিধানের কোনো বিধানের অর্থ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেয় এই আদালত। হাইকোর্ট আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠান নয়, সুপ্রিম কোর্টেরই একটি বিভাগ। জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে, আর রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান।\nমনে রাখুন:\nসংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক: সুপ্রিম কোর্ট (অনুচ্ছেদ ৯৪)।\nসংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা: জাতীয় সংসদ (অনুচ্ছেদ ১৪২)। - ৬২. ‘টিয়ার্স অব ফায়ার’ কী?
- ক. পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন
- খ. নবগঠিত পুলিশ ব্যাটালিয়ন
- গ. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র
- ঘ. দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র
‘টিয়ার্স অব ফায়ার’ (Tears of Fire) মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র বা তথ্যচিত্র (Documentary)। নামটি ইংরেজি বলে পরিবেশ আন্দোলন বা পুলিশ ব্যাটালিয়ন ভেবে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ আছে, কিন্তু এটি মুক্তিযুদ্ধের কাহিনি নিয়ে নির্মিত। এটি দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির নামও নয়। প্রামাণ্যচিত্র বাস্তব ঘটনা ও সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন: মুক্তিযুদ্ধের আরও দুটি বিখ্যাত প্রামাণ্যচিত্র আছে।
জহির রায়হানের ‘স্টপ জেনোসাইড’ (Stop Genocide, ১৯৭১)।
তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদের ‘মুক্তির গান’ (১৯৯৫)। - ৬৩. সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মেঘনা নাম ধারণ করার পূর্বে কোন জেলায় পরস্পরের সাথে মিলিত হয়েছে?
- ক. হবিগঞ্জ
- খ. সিলেট
- গ. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ঘ. সুনামগঞ্জ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. হবিগঞ্জ
সুরমা ও কুশিয়ারা নদী হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জে পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হয়। মিলিত স্রোত কালনী নামে প্রবাহিত হয় এবং পরে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনা নাম ধারণ করে। আরেকটি কথা খেয়াল রাখা দরকার। ভারত থেকে আসা বরাক নদী সিলেটের জকিগঞ্জের অমলশিদে সুরমা ও কুশিয়ারা, এই দুই শাখায় ভাগ হয়ে যায়। তাই সিলেট হলো নদী দুটি আলাদা হওয়ার জায়গা, মিলনস্থল নয়।\nমনে রাখুন:\nসুরমা ও কুশিয়ারার মিলন: আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।\nবরাকের বিভক্তি: অমলশিদ, জকিগঞ্জ, সিলেট।\nপদ্মা ও যমুনার মিলন: গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী।\nপদ্মা ও মেঘনার মিলন: চাঁদপুর। - ৬৫. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
- ক. জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
- খ. মেজর খালেদ মোশাররফ
- গ. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
- ঘ. মেজর শফিউল্লাহ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান হয়। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি (Deputy Chief of Staff) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার। পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল এ এ কে নিয়াজি আত্মসমর্পণ দলিলে সই করে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর (মিত্রবাহিনী) পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি (Commander-in-Chief) ওসমানী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না, তাই অনেকের তাঁকে বেছে নেওয়া ভুল।\nমনে রাখুন:\nমেজর খালেদ মোশাররফ ছিলেন ‘কে ফোর্স’-এর অধিনায়ক।\nমেজর কে এম শফিউল্লাহ ছিলেন ‘এস ফোর্স’-এর অধিনায়ক।\nমেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন ‘জেড ফোর্স’-এর অধিনায়ক। - ৬৭. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন’ বলা আছে?
- ক. ১০ নং
- খ. ২১ (২) নং
- গ. ২৭ নং
- ঘ. ২৮ (২) নং
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ২৮ (২) নং
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮(২)-এ বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন’। অনুচ্ছেদ ২৮ সংবিধানের মৌলিক অধিকার (তৃতীয় ভাগ) অংশের। এর ২৮(১)-এ শুধু ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর ২৮(৪)-এ নারী, শিশু বা নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের জন্য বিশেষ বিধান করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ‘সমান’ শব্দ দেখে অনেকে অনুচ্ছেদ ২৭ বেছে নেয়, কিন্তু ২৭ সব নাগরিকের আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলে। নারী-পুরুষের সমান অধিকারের নির্দিষ্ট বিধান ২৮(২)-এ।\nমনে রাখুন:\nঅনুচ্ছেদ ১০ রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতির (দ্বিতীয় ভাগ) অংশ।\nঅনুচ্ছেদ ২১(২) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির জনগণের সেবা করার কর্তব্যের কথা বলে।\nঅনুচ্ছেদ ২৯ সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতার কথা বলে। - ৬৯. বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম কত তারিখে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?
- ক. ১০ এপ্রিল ১৯৭২
- খ. ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- ঘ. ১০ জানুয়ারি ১৯৭৩
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ১২ অক্টোবর ১৯৭২
ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ৩৪ সদস্যের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি (Drafting Committee) ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে (Constituent Assembly) খসড়া সংবিধান উত্থাপন করে। এরপর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। অনেকে কার্যকরের দিন (১৬ ডিসেম্বর) বা গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দিন (১০ এপ্রিল)-কে উত্থাপনের তারিখ ভেবে ভুল করে।\nমনে রাখুন:\n১০ এপ্রিল ১৯৭২: গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন।\n১১ এপ্রিল ১৯৭২: খসড়া কমিটি গঠন।\n১২ অক্টোবর ১৯৭২: খসড়া উত্থাপন।\n৪ নভেম্বর ১৯৭২: সংবিধান গৃহীত।\n১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২: সংবিধান কার্যকর। - ৭১. ২০১৩ সালের হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা কোনটি?
- ক. যমুনা সার কারখানা
- খ. ঘোড়াশাল সার কারখানা
- গ. ছাতক সার কারখানা
- ঘ. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. যমুনা সার কারখানা
২০১৩ সালে উৎপাদনক্ষমতার দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা ছিল জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা (Jamuna Fertilizer Company Ltd.)। এর বার্ষিক ইউরিয়া উৎপাদনক্ষমতা প্রায় ৫.৬১ লাখ মেট্রিক টন। তখনও শাহজালাল ও ঘোড়াশাল-পলাশ কারখানা উৎপাদনে আসেনি। তাই এখনকার তথ্য মনে রেখে ফেঞ্চুগঞ্জ বা ঘোড়াশাল বেছে নেওয়া ভুল হবে। প্রশ্নটি ২০১৩ সালের হিসাবে।\nহালনাগাদ: ২০১৬ সাল থেকে ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারখানা (প্রায় ৫.৮ লাখ টন) সবচেয়ে বড় হয়। বর্তমানে ২০২৩ সালে উৎপাদন শুরু করা নরসিংদীর ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা।\nমনে রাখুন: দেশের প্রথম সার কারখানা Natural Gas Fertilizer Factory, যা ১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত হয়। ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা নরসিংদীতে অবস্থিত। - ৭৩. মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কতটি জেলার স্থল সীমান্ত আছে?
- ক. দুইটি
- খ. তিনটি
- গ. চারটি
- ঘ. পাঁচটি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. তিনটি
বাংলাদেশের তিনটি জেলা, রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার, মিয়ানমারের সঙ্গে স্থল সীমান্তযুক্ত। কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী (Naf River) বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে। রাঙামাটিই একমাত্র জেলা, যার সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার দুই দেশেরই সীমান্ত আছে। তাই সংখ্যা দুই, চার বা পাঁচ নয়, তিনটিই সঠিক।
মনে রাখুন:
মিয়ানমার সীমান্তের ৩ জেলা: রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মাঝে নদী-সীমানা: নাফ নদী। - ৭৪. উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
- ক. ৫০ নটিক্যাল মাইল
- খ. ১০০ নটিক্যাল মাইল
- গ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
- ঘ. ২৫০ নটিক্যাল মাইল
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS, ১৯৮২) অনুযায়ী উপকূলের ভিত্তিরেখা (Baseline) থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এলাকা একটি দেশের একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone, EEZ)। এই এলাকার মাছ, তেল-গ্যাসসহ সব সম্পদ আহরণের অধিকার শুধু সেই দেশের। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালেই Territorial Waters and Maritime Zones Act প্রণয়ন করে। ২০১২ সালের ১৪ মার্চ সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধের রায় দেয়।\nমনে রাখুন:\nভিত্তিরেখা থেকে সমুদ্রসীমার মাপ: আঞ্চলিক সমুদ্র (Territorial Sea) ১২ নটিক্যাল মাইল, সংলগ্ন অঞ্চল (Contiguous Zone) ২৪ নটিক্যাল মাইল, আর EEZ ২০০ নটিক্যাল মাইল।\n১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিমি। - ৭৫. মন্ত্রিসভার সদস্যদের সর্বোচ্চ কত অংশ সংসদ-সদস্য নন এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা যায়?
- ক. এক-দশমাংশ
- খ. এক-শতাংশ
- গ. দুই-দশমাংশ
- ঘ. কিয়দাংশ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. এক-দশমাংশ
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২) অনুযায়ী মন্ত্রীদের অন্তত নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হয়। বাকি সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নেওয়া যায়, যাঁরা সংসদ-সদস্য নন, কিন্তু সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য। এঁদের সাধারণভাবে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী (Technocrat Minister) বলা হয়। তাঁরা সংসদে বক্তব্য দিতে ও আলোচনায় অংশ নিতে পারেন, কিন্তু ভোট দিতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রীসহ সব মন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৫৬(২): মন্ত্রিসভার কমপক্ষে ৯/১০ জন সংসদ-সদস্য।
সর্বোচ্চ ১/১০ জন টেকনোক্র্যাট। - ৭৬. জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে নিচের কোন খনিজটি পাওয়া যায়?
- ক. প্রাকৃতিক গ্যাস
- খ. কয়লা
- গ. খনিজ তেল
- ঘ. চীনামাটি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কয়লা
জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে মজুদের দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় কয়লাক্ষেত্র (Coalfield) অবস্থিত। তবে এখানকার কয়লা মাটির অনেক গভীরে থাকায় বাণিজ্যিকভাবে তোলা হয় না। দেশের একমাত্র উৎপাদনরত কয়লাখনি দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, যেখানে ২০০৫ সাল থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন চলছে। চীনামাটি (China Clay) পাওয়া যায় নেত্রকোনার বিজয়পুরে। প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেল প্রধানত সিলেট অঞ্চলের গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে পাওয়া যায়, জামালগঞ্জে নয়।
মনে রাখুন:
কয়লাক্ষেত্র: জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট), বড়পুকুরিয়া (দিনাজপুর), খালাশপীর (রংপুর), ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়া (দিনাজপুর)।
চীনামাটি: বিজয়পুর (নেত্রকোনা)। - ৭৭. বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়?
- ক. নরসিংদী
- খ. দিনাজপুর
- গ. রাজশাহী
- ঘ. কুমিল্লা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. নরসিংদী
বাংলাদেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয় নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চলে। বিদ্যুৎ-সংযোগহীন প্রত্যন্ত এলাকায় আলো পৌঁছে দিতেই সেখানে সৌরশক্তি (Solar Energy) ব্যবহার শুরু হয়। সূর্যের আলো থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ তৈরি করে সৌরকোষ (Solar Cell বা Photovoltaic Cell), আর সৌরশক্তি একটি নবায়নযোগ্য (Renewable) শক্তি। অর্থাৎ এটি ব্যবহারে উৎস ফুরিয়ে যায় না এবং পরিবেশেরও ক্ষতি হয় কম।
মনে রাখুন: দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই (রাঙামাটি)। - ৭৯. বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরকে কোন জেলায় সমাহিত করা হয়?
- ক. নাটোর
- খ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- গ. জয়পুরহাট
- ঘ. নওগাঁ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর মুক্তিযুদ্ধে ৭ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত করার যুদ্ধে তিনি শহিদ হন। তাঁকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়। তাঁর জন্ম বরিশালে। অন্য দুজন বীরশ্রেষ্ঠের কথাও এখানে মনে রাখার মতো। মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে (২০০৬) এবং হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ ভারত থেকে (২০০৭) এনে ঢাকার মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়েছে।
মনে রাখুন: বীরশ্রেষ্ঠ মোট ৭ জন।
ইংরেজি
- ২১.
Directions: For each question, select the word(s)/phrase(s) that appropriately fill(s) in the gap(s).
His colleagues ____ him for the embezzlement of the company’s funds by ____ on his unscrupulous reputation.
- ক. framed — capitalizing
- খ. denounced — cautioning
- গ. ensnared — manipulating
- ঘ. evoked — building
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. framed — capitalizing
এই প্রশ্নে দুটি শূন্যস্থানের শব্দজোড়া অর্থের দিক থেকে বাক্যে খাপ খাওয়াতে হয়। আমরা যদি frame someone for a crime কথাটি জানি, তাহলে প্রথম শূন্যস্থান সহজেই বোঝা যায়। এর অর্থ মিথ্যা প্রমাণ সাজিয়ে কাউকে অপরাধে ফাঁসানো। দ্বিতীয় শূন্যস্থানে বসে capitalize on something, মানে কোনো কিছুর সুযোগ কাজে লাগানো। লোকটির অসাধু হিসেবে পরিচিতি ছিল, তাই সহকর্মীরা সেই সুযোগ নিয়েই তাকে ফাঁসিয়েছে। সঠিক বাক্য: His colleagues framed him for the embezzlement of the company’s funds by capitalizing on his unscrupulous reputation.\nঅন্য options বাক্যে মানায় না। denounced মানে প্রকাশ্যে নিন্দা করা এবং cautioning মানে সতর্ক করা, কিন্তু ‘তার পরিচিতির ওপর সতর্ক করে নিন্দা করল’ কোনো যৌক্তিক অর্থ দেয় না। ensnared মানে ফাঁদে ফেলা, কিন্তু manipulating-এর পরে সরাসরি object বসে, ‘manipulating on’ অচল। evoked মানে মনে জাগিয়ে তোলা, আর এর সাহায্যে অনুভূতি বা স্মৃতি জাগানো যায়, মানুষকে অপরাধে জড়ানো যায় না।\nমনে রাখুন:\nembezzlement মানে আত্মসাৎ।\nunscrupulous মানে নীতিজ্ঞানহীন, অসাধু।\nদুটি শূন্যস্থানের প্রশ্নে শব্দের পরে বসা preposition (এখানে on) দেখেও কিছু option দ্রুত বাদ দেওয়া যায়। - ২২.
Directions: For each question, select the word(s)/phrase(s) that appropriately fill(s) in the gap(s).
The judge was known for his ____ comments; however, everyone who knew him recalled that he was never ____ in his personal dealings.
- ক. unfavorable — sentimental
- খ. slanderous — benevolent
- গ. vituperative — caustic
- ঘ. punitive — munificent
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. vituperative — caustic
বাক্যে ‘however’ আছে, যা বৈপরীত্য (Contrast) বোঝায়। প্রকাশ্যে বিচারপতির মন্তব্য ছিল কটু ও তিক্ত, অথচ ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ‘কখনো’ তেমন ছিলেন না। দ্বিতীয় অংশের ‘never’ নিজেই অর্থ উল্টে দিচ্ছে। তাই বৈপরীত্য তৈরি করতে দুই শূন্যস্থানে প্রায় একই অর্থের শব্দ বসাতে হবে। সঠিক বাক্য: The judge was known for his vituperative comments; however, everyone who knew him recalled that he was never caustic in his personal dealings. Vituperative মানে কটুভাষী, তীব্র গালমন্দপূর্ণ, আর caustic মানে ঝাঁঝালো, তীব্র বিদ্রূপাত্মক।\nঅন্য options-এ দ্বিতীয় শব্দটি প্রথমটির সঙ্গে সম্পর্কহীন বা বিপরীত, ফলে ‘never’ বসার পর আর কোনো বৈপরীত্য থাকে না। যেমন slanderous (অপবাদমূলক) আর benevolent (দয়ালু) বসালে মানে দাঁড়ায় ‘অপবাদমূলক মন্তব্য করতেন, তবে কখনো দয়ালু ছিলেন না’। তখন দুটি অংশই নেতিবাচক, আর ‘however’ অর্থহীন হয়ে যায়।\nমনে রাখুন:\nunfavorable মানে বিরূপ, sentimental মানে আবেগপ্রবণ, punitive মানে শাস্তিমূলক, munificent মানে অতি দানশীল।\nvituperative ≈ caustic ≈ scathing। - ২৩.
Directions: For each question, select the word(s)/phrase(s) that appropriately fill(s) in the gap(s).
The teacher was taken aback by Rehan’s ____, as she had never before seen a child disrespect his elders so ____.
- ক. impudence — blatantly
- খ. audacious — deliberately
- গ. gregariousness — obviously
- ঘ. insolence — furtively
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. impudence — blatantly
এই প্রশ্নে শব্দের অর্থের সঙ্গে শব্দের পদও (Parts of Speech) মেলাতে হয়। ‘Rehan’s ____’-এর মতো possessive-এর পরে একটি বিশেষ্য (Noun) লাগে। আবার ‘disrespect his elders so ____’-এ ক্রিয়াকে বিশেষিত করতে একটি ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb) লাগে। শিক্ষিকা ‘taken aback’ বা হতভম্ব হয়েছেন, অর্থাৎ বেয়াদবিটি ছিল খোলাখুলি ও চোখে পড়ার মতো। সঠিক বাক্য: The teacher was taken aback by Rehan’s impudence, as she had never before seen a child disrespect his elders so blatantly. Impudence মানে বেয়াদবি, ঔদ্ধত্য, আর blatantly মানে প্রকাশ্যে, নির্লজ্জভাবে।\nবাকি জোড়াগুলো মেলে না। audacious একটি adjective, তাই Rehan’s-এর পরে বসে না। gregariousness মানে মিশুক স্বভাব, যার সঙ্গে অসম্মানের সম্পর্ক নেই। Insolence-ও impudence-এর সমার্থক, কিন্তু furtively মানে চুপিসারে। যে বেয়াদবি শিক্ষিকা নিজের চোখে দেখে হতভম্ব হয়েছেন, তা গোপনে করা হয়নি। জোড়ার দুটি শব্দই মিলতে হয়।\nমনে রাখুন:\nimpudence ≈ insolence ≈ effrontery।\nblatantly মানে খোলাখুলি, এর বিপরীত furtively (গোপনে)। - ২৪.
Directions: For each question, select the word(s)/phrase(s) that appropriately fill(s) in the gap(s).
The couple was upset by the construction of the new skyscraper across the street, as the building would ____ their once ____ view.
- ক. obviate — scenic
- খ. ameliorate — charming
- গ. enhance — ghastly
- ঘ. obstruct — picturesque
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. obstruct — picturesque
বাক্যের যুক্তি ধরে এই প্রশ্নের উত্তর বের করতে হয়। দম্পতি ‘upset’ বা অসন্তুষ্ট, কারণ রাস্তার ওপারের নতুন ভবন তাঁদের দৃশ্য আড়াল করবে। আবার ‘once’ শব্দটি বোঝায়, দৃশ্যটি আগে সুন্দর ছিল, কিন্তু এখন আর থাকবে না। সঠিক বাক্য: The couple was upset by the construction of the new skyscraper across the street, as the building would obstruct their once picturesque view. Obstruct মানে বাধা দেওয়া বা আড়াল করা, আর picturesque মানে ছবির মতো সুন্দর।\nঅন্য options-এ কোনো না কোনো শব্দ অর্থের সঙ্গে মেলে না। obviate মানে প্রয়োজন দূর করা, সেটি দৃশ্যের ক্ষেত্রে অচল। ameliorate মানে উন্নত করা, আর enhance মানে বাড়ানো, দুটোই দম্পতির অসন্তোষের উল্টো কথা বলে। Ghastly মানে বীভৎস, তাই ‘একসময়ের বীভৎস দৃশ্য’ অর্থহীন।\nমনে রাখুন: obstruct a view মানে দৃশ্য আড়াল করা। obviate আর obstruct দেখতে কাছাকাছি হলেও অর্থ আলাদা। - ২৫.
Directions: For each question, select the word(s)/phrase(s) that appropriately fill(s) in the gap(s).
For the poor the inflow of foreign money means not ____ but rising prices, unplanned urbanization, pollution, corrupt politicians, an influx of foreigners and a sense of ____.
- ক. carousing — dissension
- খ. prosperity — alienation
- গ. affluence — well-being
- ঘ. dilapidation — elation
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. prosperity — alienation
এই বাক্যে ‘not … but …’ গঠন আছে। গঠনটি বোঝায়, প্রত্যাশিত একটি ধারণা (X) নয়, বাস্তবতা হলো অন্য কিছু (Y)। ‘not ____’ অংশে বসবে বিদেশি অর্থ থেকে সাধারণত যে সুফল আশা করা হয় সেটি, অর্থাৎ prosperity বা সমৃদ্ধি। ‘but’-এর পরের তালিকার সবকিছু (দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দূষণ, দুর্নীতি) নেতিবাচক। তাই দ্বিতীয় শূন্যস্থানেও একটি নেতিবাচক অনুভূতি লাগবে। বিদেশিদের ঢলের ফলে নিজের দেশেই পরবাসী মনে হওয়ার অনুভূতি হলো alienation। সঠিক বাক্য: For the poor the inflow of foreign money means not prosperity but rising prices, unplanned urbanization, pollution, corrupt politicians, an influx of foreigners and a sense of alienation.\nঅন্য options-এ কোথাও না কোথাও ইতিবাচক বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ আছে। Affluence (প্রাচুর্য) প্রথম শূন্যস্থানে মানালেও well-being (কল্যাণ) ইতিবাচক, তাই নেতিবাচক তালিকায় বসে না। Carousing মানে হইহুল্লোড় ও মদ্যপান, যা বিদেশি অর্থের প্রত্যাশিত সুফল নয়। Dilapidation (জরাজীর্ণ দশা) আর elation (উল্লাস) বসালে দুটি শব্দই উল্টো দিকে চলে যায়।\nমনে রাখুন: alienation মানে বিচ্ছিন্নতাবোধ, নিজের পরিবেশেই পরবাসী অনুভব করা। - ২৬.
Directions: Look at the underlined part of each sentence. Four possible substitutions for the underlined part are given below each sentence. If (A), (B), (C) or (D) is better than the underlined part, choose that letter. If none of the substitutions improves the sentence, choose (E).
Your advice is no different from the other friends.
- ক. not different from
- খ. no different from that of the
- গ. not different from the
- ঘ. no different to
- ঙ. No improvement
উত্তর: খ. no different from that of the
এই প্রশ্নে তুলনার যথার্থতা (Logical Comparison) যাচাই করা হচ্ছে, কারণ তুলনা সবসময় একই ধরনের জিনিসের মধ্যে হতে হয়। মূল বাক্যে ‘your advice’-এর তুলনা করা হয়েছে ‘the other friends’ (মানুষ)-এর সঙ্গে, যা অযৌক্তিক। তুলনা হওয়া উচিত পরামর্শের সঙ্গে পরামর্শের। ‘the advice of the other friends’ লিখলে advice শব্দটি দুবার আসে, তাই পুনরাবৃত্তি এড়াতে ‘that of the other friends’ বসে। সঠিক বাক্য: Your advice is no different from that of the other friends. অন্য options-এ ‘not’ বা ‘different to’ বসালেও advice বনাম friends-এর ভুল তুলনা থেকেই যায়।\nমনে রাখুন:\nএকবচন noun-এর জন্য ‘that of’, বহুবচনের জন্য ‘those of’।\nThe climate of Dhaka is hotter than that of Sylhet.\nHis marks are better than those of his brother.\nDifferent-এর পরে প্রচলিত preposition হলো ‘from’। - ২৭.
Directions: Look at the underlined part of each sentence. Four possible substitutions for the underlined part are given below each sentence. If (A), (B), (C) or (D) is better than the underlined part, choose that letter. If none of the substitutions improves the sentence, choose (E).
I have already read this book twice.
- ক. I already twice have read this book.
- খ. I twice have already read this book.
- গ. I have been reading the book.
- ঘ. I have read already this book twice.
- ঙ. No improvement
উত্তর: ঙ. No improvement
এই প্রশ্নে ক্রিয়াবিশেষণের (Adverb) সঠিক অবস্থান যাচাই করা হচ্ছে। ‘already’ সাধারণত সাহায্যকারী ক্রিয়া (Auxiliary) ‘have’ আর মূল ক্রিয়া ‘read’-এর মাঝে বসে। আর কতবার ঘটেছে তা বোঝানো ‘twice’ বসে বাক্যের শেষে, object-এর পরে। মূল বাক্যটি দুটি নিয়মই মানে, তাই এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ। অন্য options-এ ভুল আছে। কোনোটিতে ‘already’ ও ‘twice’ auxiliary ‘have’-এর আগে চলে গেছে, যা স্বাভাবিক word order নয়। ‘have been reading’ বসালে পড়া এখনো চলছে বোঝায়, ফলে অর্থই বদলে যায়। আর ক্রিয়া ও তার object-এর মাঝে ‘already’ বসানো English-এ চলে না।\nমনে রাখুন:\nAlready, just, never, ever বসে auxiliary ও main verb-এর মাঝে, যেমন have already read।\nOnce, twice, three times বসে বাক্যের শেষে।\nভুল: She speaks fluently English। শুদ্ধ: She speaks English fluently। - ২৮.
Directions: Look at the underlined part of each sentence. Four possible substitutions for the underlined part are given below each sentence. If (A), (B), (C) or (D) is better than the underlined part, choose that letter. If none of the substitutions improves the sentence, choose (E).
What tribute shall we pay to Gandhiji that he would appreciate?
- ক. would have appreciated
- খ. have appreciated
- গ. should appreciate
- ঘ. could appreciate
- ঙ. No improvement
উত্তর: ঙ. No improvement
এই প্রশ্নে কাল্পনিক অবস্থা বোঝাতে modal ‘would’-এর ব্যবহার যাচাই করা হচ্ছে। গান্ধীজি আজ জীবিত নেই, কিন্তু শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে এখন বা সামনে (‘shall we pay’)। তাই বলতে হবে, তিনি থাকলে কোন শ্রদ্ধাঞ্জলিটি পছন্দ করতেন। বর্তমান বা ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন কাল্পনিক (Hypothetical) কথায় ‘would + V1’ বসে। তাই মূল বাক্যটিই শুদ্ধ: What tribute shall we pay to Gandhiji that he would appreciate? অন্য options-এ অর্থ বা ব্যাকরণ ঠিক থাকে না। ‘would have appreciated’ অতীতের কাল্পনিক অবস্থা বোঝায়। ‘he have appreciated’-এ third person singular subject ‘he’-এর সঙ্গে ‘have’ বসে না। ‘should appreciate’ বোঝায় উচিত, আর ‘could appreciate’ বোঝায় সক্ষমতা, দুটোই অর্থ বদলে দেয়।\nমনে রাখুন:\nবর্তমান বা ভবিষ্যৎ নিয়ে কাল্পনিক কথায় would + V1, যেমন He would appreciate it if he were here।\nঅতীতের কাল্পনিক কথায় would have + V3, যেমন He would have appreciated it। - ২৯.
Directions: Look at the underlined part of each sentence. Four possible substitutions for the underlined part are given below each sentence. If (A), (B), (C) or (D) is better than the underlined part, choose that letter. If none of the substitutions improves the sentence, choose (E).
Working in the slums brought her in against the realities of poverty.
- ক. brought her forward
- খ. brought her up
- গ. brought her on
- ঘ. brought her to
- ঙ. No improvement
উত্তর: খ. brought her up
এই প্রশ্নে Phrasal Verb-এর সঠিক রূপ যাচাই করা হচ্ছে। ‘bring someone up against something’ মানে কাউকে কোনো কঠিন সমস্যা বা বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করানো। বাক্যে ‘against’ আগেই আছে, তাই underline-এর জায়গায় ‘brought her up’ বসালেই পূর্ণ phrase ‘brought her up against’ তৈরি হয়। সঠিক বাক্য: Working in the slums brought her up against the realities of poverty. অন্য options-এর কোনোটিই ‘against’-এর সঙ্গে ‘মুখোমুখি করা’ অর্থ দেয় না। bring forward মানে নির্ধারিত সময় এগিয়ে আনা বা প্রস্তাব উত্থাপন করা। bring on মানে কোনো কিছু ঘটানো, যেমন অসুখ ডেকে আনা। bring to মানে জ্ঞান ফেরানো। আর মূল ‘bring in’ মানে ভেতরে আনা বা নতুন কিছু চালু করা।\nমনে রাখুন:\ncome up against something মানে নিজে কোনো বাধার মুখোমুখি হওয়া।\nbring someone up against something মানে কাউকে তার মুখোমুখি করা।\nশুধু ‘bring up’ মানে লালন-পালন করা বা প্রসঙ্গ তোলা। - ৩০.
Directions: Look at the underlined part of each sentence. Four possible substitutions for the underlined part are given below each sentence. If (A), (B), (C) or (D) is better than the underlined part, choose that letter. If none of the substitutions improves the sentence, choose (E).
It was she not me, who put forth the attractive proposition.
- ক. she, not I,
- খ. her, not me,
- গ. her, not I,
- ঘ. she, but me,
- ঙ. No improvement
উত্তর: ক. she, not I,
এই প্রশ্নে সর্বনামের কারক (Case of Pronoun) যাচাই করা হচ্ছে। ‘It was ____ who put forth …’ গঠনে be verb-এর পরে বসা সর্বনামটি আসলে কাজের কর্তা, কারণ প্রস্তাবটি সে-ই দিয়েছিল। তাই formal English-এ এখানে কর্তৃকারকের রূপ (Subjective Case) বসে, অর্থাৎ she। ‘not I’ অংশটি ‘she’-এর সঙ্গে তুলনা করছে, তাই এটিও একই কারকে থাকবে। আর বাক্যের মাঝের এই বাড়তি অংশের দুই পাশে কমা বসবে। সঠিক বাক্য: It was she, not I, who put forth the attractive proposition. অন্য options-এ কর্মকারকের (Objective Case) her বা me বসেছে, কিংবা ‘but’ বসে অর্থ উল্টে গেছে। মূল বাক্যে ‘me’ ভুল এবং কমাও নেই।\nমনে রাখুন:\nBe verb-এর পরে pronoun complement হলে subjective case বসে: It is I, It was she who …, This is he।\nকথ্য English-এ ‘It’s me’ শোনা গেলেও পরীক্ষার ব্যাকরণে subjective case-ই শুদ্ধ। - ৩১.
Directions: In each of the following items, a passage consists of six sentences. The first and the sixth sentences (S1 and S6) are given. The middle four sentences have been removed and jumbled up; they are labelled P, Q, R and S. Find the proper sequence of the four sentences.
S1: Love for the country is a necessity. S6: God created the globe, but man drew lines of hatred and enmity on it. P: Similarly, nationalism has to be sacrificed at the altar of internationalism. Q: But it should in no way exceed the limits and take the shape of jingoism. R: Provincialism has to be sacrificed in the interest of the nation as a whole. S: There is no reason why the nations of the world cannot live together in harmony and peace. The proper sequence should be:
- ক. P R Q S
- খ. Q S P R
- গ. P S Q R
- ঘ. Q R P S
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. Q R P S
বাক্য সাজানোর প্রশ্নে সর্বনাম (Pronoun) ও সংযোজক শব্দ (Connector) দেখে যৌক্তিক ক্রম ঠিক করতে হয়। S1 বলছে দেশপ্রেম প্রয়োজন। Q শুরু হয়েছে ‘But it should …’ দিয়ে, যেখানে ‘it’ মানে দেশপ্রেম, আর ‘But’ দিয়ে সীমা টানা হচ্ছে যে তা উগ্র জাতীয়তাবাদে পরিণত হওয়া চলবে না। তাই S1-এর ঠিক পরে Q। এরপর R বলছে, জাতির স্বার্থে প্রাদেশিকতা বিসর্জন দিতে হবে। P শুরু হয়েছে ‘Similarly’ দিয়ে, মানে একইভাবে বিশ্বের স্বার্থে জাতীয়তাবাদ বিসর্জন দিতে হবে, তাই R-এর পরে P। তারপর S বলে জাতিগুলো শান্তিতে একসঙ্গে থাকতে পারে, আর S6 উপসংহার টানে যে মানুষই পৃথিবীতে বিভেদের রেখা টেনেছে। ক্রম Q R P S। যে দুটি option Q দিয়ে শুরু, তার মধ্যে শুধু এই ক্রমেই R-এর ঠিক পরে P এসেছে।\nমনে রাখুন:\njingoism মানে উগ্র, যুদ্ধংদেহী দেশপ্রেম।\nprovincialism মানে প্রাদেশিকতা, সংকীর্ণ আঞ্চলিকতা।\ninternationalism মানে আন্তর্জাতিকতাবাদ।\nসাজানোর সময় আগে নিশ্চিত জোড়া খুঁজতে হয়। ‘But it …’ আগের ভাবের বিপরীত দিক দেখায়, আর ‘Similarly’ বসে একই ধরনের আগের উদাহরণের পরে। - ৩২.
Directions: In each of the following items, a passage consists of six sentences. The first and the sixth sentences (S1 and S6) are given. The middle four sentences have been removed and jumbled up; they are labelled P, Q, R and S. Find the proper sequence of the four sentences.
S1: It is said that deep down people are alike. S6: People differ in intelligence, personality, emotional display, values, priorities and the like. P: However, in the broadest sense we can say people are all alike. Q: This statement is essentially false. R: But the individual differences are far more illuminating. S: For instance, it’s true that all people have attitudes, likes and dislikes, feelings and similar attributes. The proper sequence should be:
- ক. Q R S P
- খ. S P Q R
- গ. Q P S R
- ঘ. P R Q S
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. Q P S R
এই প্রশ্নে দাবি, ছাড়, উদাহরণ ও বৈপরীত্যের ধারা ধরে বাক্য সাজাতে হয়। S1-এ একটি প্রচলিত ধারণা আছে যে গভীরে সব মানুষ একরকম। Q-এর ‘This statement’ সরাসরি S1-এর এই বক্তব্যকে বোঝায় এবং বলে এটি মূলত ভুল, তাই S1-এর পরে Q। এরপর P ‘However’ দিয়ে একটু ছাড় দেয় যে বিস্তৃত অর্থে মানুষ একরকম। S ‘For instance’ দিয়ে সেই মিলের উদাহরণ দেয়, যেমন সবারই মনোভাব, পছন্দ-অপছন্দ ও অনুভূতি আছে, তাই P-এর পরে S। তারপর R ‘But’ দিয়ে মূল যুক্তিতে ফেরে যে ব্যক্তিগত পার্থক্যগুলোই বেশি অর্থবহ, আর S6 সেই পার্থক্যগুলোর তালিকা দেয়। ক্রম Q P S R। অন্য ক্রমে হয় উদাহরণ তার দাবির আগে চলে যায়, নয়তো ‘This statement’ S1 থেকে দূরে সরে যায়।\nমনে রাখুন:\n‘This statement’ যে বক্তব্যকে বোঝায়, তার ঠিক পরে বসে।\n‘For instance’ বসে যে দাবির উদাহরণ দেয়, তার পরে।\nilluminating মানে আলোকপাতকারী, অর্থাৎ অনেক কিছু স্পষ্ট করে এমন। - ৩৩.
Directions: In each of the following items, a passage consists of six sentences. The first and the sixth sentences (S1 and S6) are given. The middle four sentences have been removed and jumbled up; they are labelled P, Q, R and S. Find the proper sequence of the four sentences.
S1: Let us look at the statement – ‘It’s not what you say, but it’s what you do.’ S6: But when words and actions diverge, people focus most on what they see in terms of behaviour. P: Actions do speak louder than words. Q: Words can influence others; we can’t deny. R: The statement is mostly true. S: This doesn’t mean that words fall on deaf ears. The proper sequence should be:
- ক. S Q R P
- খ. R P S Q
- গ. S P R Q
- ঘ. R Q S P
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. R P S Q
এই প্রশ্নে ‘This’-এর নির্দেশ ও শেষ বাক্যের সংযোগ ধরে ক্রম সাজাতে হয়। S1 একটি উক্তি সামনে আনে। R (‘The statement is mostly true’) সেই উক্তির মূল্যায়ন, তাই S1-এর পরে R। P (‘Actions do speak louder than words’) কেন উক্তিটি সত্য তা ব্যাখ্যা করে, তাই R-এর পরে P। S-এর ‘This doesn’t mean …’-এর ‘This’ বোঝায় P-এর দাবিকে, অর্থাৎ কাজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ মানে এই নয় যে কথা কেউ শোনে না। Q সেই কথাটিকেই জোর দিয়ে বলে যে কথাও অন্যকে প্রভাবিত করে। শেষে S6 ‘But’ দিয়ে দেখায়, কথা আর কাজে অমিল হলে মানুষ কাজকেই দেখে। ক্রম R P S Q। S আগে বা Q-এর পরে বসালে ‘This’ কোন দাবির কথা বলছে তা বোঝা যায় না, নয়তো একই কথার পুনরাবৃত্তি হয়।\nমনে রাখুন:\n‘This doesn’t mean …’ ধরনের বাক্য বসে যে দাবির ভুল ব্যাখ্যা ঠেকাতে চায়, তার ঠিক পরে।\nশেষ বাক্য ‘But’ দিয়ে শুরু হলে তার আগের বাক্যে উল্টো দিকের কথা থাকে।\nfall on deaf ears মানে উপেক্ষিত হওয়া, আর diverge মানে অমিল হওয়া। - ৩৪.
Directions: In each of the following items, a passage consists of six sentences. The first and the sixth sentences (S1 and S6) are given. The middle four sentences have been removed and jumbled up; they are labelled P, Q, R and S. Find the proper sequence of the four sentences.
S1: There was no limit to insanitation. S6: So I asked for a broom to clean them myself. P: There were only a few latrines. Q: They refused point-blank to clean them. R: Pools of water were everywhere. S: I pointed it out to the volunteers. The proper sequence should be:
- ক. R S P Q
- খ. Q P S R
- গ. R P S Q
- ঘ. Q S P R
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. R P S Q
এই প্রশ্নে সর্বনামের নির্দেশ (Pronoun Reference) আর কারণ-ফলাফলের ধারা ধরে ক্রম সাজাতে হয়। S1 বলছে অপরিচ্ছন্নতার কোনো সীমা ছিল না। R ও P সেই অবস্থার বর্ণনা দেয়: সবখানে পানি জমে ছিল, আর শৌচাগার (Latrine) ছিল মাত্র কয়েকটি। S-এ লেখক বিষয়টি স্বেচ্ছাসেবকদের দেখালেন। Q-এ ‘They refused point-blank to clean them’ আছে, যেখানে ‘They’ হলো স্বেচ্ছাসেবকরা (S-এ উল্লেখিত) আর ‘them’ হলো শৌচাগার (P-তে উল্লেখিত)। তাই Q আসবে P ও S দুটিরই পরে। S6-এর ‘So’ দেখায়, তারা অস্বীকার করায় লেখক নিজেই ঝাড়ু চাইলেন, তাই S6-এর ঠিক আগে Q। ক্রম R P S Q।\nমনে রাখুন:\n‘They’ কারা আর ‘them’ কী, দুটিরই উল্লেখ যে বাক্যগুলোতে, সেগুলো আগে বসবে।\n‘So’ দিয়ে শুরু ফলাফলের বাক্যের ঠিক আগে বসে তার কারণ।\ninsanitation মানে অপরিচ্ছন্ন অবস্থা, আর point-blank মানে সরাসরি, সোজাসুজি। - ৩৫.
Directions: In each of the following items, a passage consists of six sentences. The first and the sixth sentences (S1 and S6) are given. The middle four sentences have been removed and jumbled up; they are labelled P, Q, R and S. Find the proper sequence of the four sentences.
S1: The hall darkened. S6: And then father taught the girl arithmetic. P: After all that, his father came on the screen. Q: And then a little girl came up and he spoke to her exactly as he used to speak to Sambu. R: He was wearing just the dhoti and shirt he used to wear at home. S: Sambu sat through the trailers and slide advertisements without enthusiasm. The proper sequence should be:
- ক. Q R P S
- খ. S P R Q
- গ. Q P R S
- ঘ. S R P Q
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. S P R Q
এই প্রশ্নে বাক্যগুলোর যুক্তিসংগত ধারাবাহিকতা (Coherence) যাচাই করা হচ্ছে। S1-এ হল অন্ধকার হলো, অর্থাৎ সিনেমা শুরু হচ্ছে। মূল ছবির আগে পর্দায় ট্রেলার ও বিজ্ঞাপন আসে, তাই এর পরেই S। P-এর ‘After all that’ ঠিক আগের বাক্যের ট্রেলার ও বিজ্ঞাপনকে নির্দেশ করে, তাই S-এর পরে P, যেখানে পর্দায় সাম্বুর বাবা আসেন। R-এর ‘He was wearing …’-এ ‘He’ হলো সদ্য পর্দায় আসা বাবা, তাই P-এর পরে R। Q-তে ‘a little girl’ প্রথমবার আসে, আর S6-এ তাকেই ‘the girl’ বলা হয়েছে, তাই Q বসবে S6-এর ঠিক আগে। সঠিক ক্রম S P R Q। Q দিয়ে শুরু করলে বাবা পর্দায় আসার আগেই ‘he spoke to her’ অর্থহীন হয়ে যায়। আবার R আগে বসালে বাবার পরিচয়ের আগেই ‘He’ চলে আসে, তখন ‘He’ সাম্বু মনে হয়।\nমনে রাখুন: সূত্র খুঁজতে হয় সংযোগসূচক বাক্যাংশ (After all that, And then), সর্বনাম কাকে বোঝাচ্ছে, আর a থেকে the-তে রূপান্তর (প্রথমবার ‘a little girl’, পরে ‘the girl’)। - ৩৬.
Directions: Appropriate English usage.
“It was difficult for us to find your address.” If you rewrote the sentence beginning with We had, what should the next words in the sentence be?
- ক. difficulty to find your address.
- খ. difficulty for us to find your address.
- গ. difficulty in finding your address.
- ঘ. to find your address in difficulty.
- ঙ. problem to find your address.
উত্তর: গ. difficulty in finding your address.
এই প্রশ্নে difficulty শব্দের পরে কোন গঠন বসে, তা যাচাই করা হচ্ছে। ‘We had’ দিয়ে শুরু করলে বিশেষণ (Adjective) difficult বদলে বিশেষ্য (Noun) difficulty হয়। আর have difficulty-এর পরে (in) + V-ing, অর্থাৎ Gerund বসে। তাই বাক্যটি হয়: We had difficulty in finding your address. Difficulty বা problem-এর পরে to-infinitive প্রচলিত নয়। এছাড়া problem গণনীয় বিশেষ্য (Countable Noun), তাই তার আগে a-ও লাগে, যেমন We had a problem finding … । ‘for us’ বসালে কর্তা দুবার আসে। আর ‘to find your address in difficulty’ বসালে বাক্যের অর্থই বদলে যায়, কারণ তখন ‘We had to find’ বাধ্যবাধকতা বোঝায়।\nমনে রাখুন:\nhave difficulty / trouble / problems (in) + V-ing, যেমন We had difficulty (in) finding … , She has trouble sleeping।\nবিশেষণ দিয়ে একই ভাব বললে গঠন বদলায়: It is difficult (for someone) to + V। - ৩৭.
Directions: Appropriate English usage.
“Because of an accident on the flyover, traffic were delayed for nearly an hour.” Which correction should be made to this sentence?
- ক. replace because with due
- খ. insert the before traffic
- গ. remove nearly
- ঘ. change on to in
- ঙ. change were to was
উত্তর: ঙ. change were to was
এই প্রশ্নে কর্তা ও ক্রিয়ার মিল (Subject-Verb Agreement) যাচাই করা হচ্ছে। Traffic একটি অগণনীয় বিশেষ্য (Uncountable Noun)। এর বহুবচন রূপ নেই এবং এটি সবসময় একবচন ক্রিয়া (Singular Verb) নেয়। তাই ‘traffic were’ ভুল, হবে ‘traffic was’। অনেক গাড়ি বোঝালেও traffic একবচন। শুদ্ধ বাক্য: Because of an accident on the flyover, traffic was delayed for nearly an hour. বাকি options-এ কোনো ভুল দূর হয় না। ‘Due of’ অচল, প্রচলিত রূপ ‘due to’। ‘the traffic’ লিখলেও ‘were’-এর ভুল থেকেই যায়। ‘nearly’ বাদ দিলে কেবল অর্থ বদলায়। আর রাস্তা, সেতু বা ফ্লাইওভারের ওপর কিছু ঘটলে on-ই বসে।\nমনে রাখুন: Traffic, information, news, furniture, luggage, advice ও equipment অগণনীয় বিশেষ্য, তাই সবসময় singular verb নেয়, যেমন The news is …, Traffic was …। - ৩৮.
Directions: Appropriate English usage.
“He managed to persuade her to go.” If you rewrote the sentence beginning with He succeeded, what should the next words in the sentence be?
- ক. to persuade her to go
- খ. in persuasion of her to go
- গ. in persuading her to go
- ঘ. to convince her to go
- ঙ. to manage her to go
উত্তর: গ. in persuading her to go
এই প্রশ্নে succeed ক্রিয়ার পরে কোন গঠন বসে, তা যাচাই করা হচ্ছে। Manage to + V আর succeed in + V-ing একই অর্থ দেয়, অর্থাৎ চেষ্টা করে কিছু করতে পারা। কিন্তু succeed-এর পরে to-infinitive বসে না, বসে preposition in এবং তার পরে Gerund। তাই বাক্যটি হয়: He succeeded in persuading her to go. অর্থাৎ সে তাকে যেতে রাজি করাতে সফল হলো। বাকি options-এ ভুল আছে। Succeed-এর পরে to-infinitive ব্যাকরণগতভাবে ভুল, আর একটি option-এ persuade বদলে convince-ও হয়ে গেছে। ‘in persuasion of her to go’ অশুদ্ধ ও অস্বাভাবিক। ‘to manage her to go’ গঠন ও অর্থ দুই দিক থেকেই ভুল, কারণ manage someone মানে কাউকে সামলানো বা পরিচালনা করা।\nমনে রাখুন:\nmanage to + V = succeed in + V-ing = be able to + V।\nsucceed in, insist on, be interested in, look forward to, এসব preposition-এর পরে verb এলে সেটি V-ing রূপে বসে। - ৩৯.
Directions: Appropriate English usage.
“The prize competition was touted as a showcase for new technology, but instead the competition was marred by disqualifications and disputes.” The word in bold can best be substituted with which of the following words?
- ক. conceived
- খ. heralded
- গ. disappointing
- ঘ. promising
- ঙ. concocted
উত্তর: খ. heralded
এই প্রশ্নে touted শব্দের প্রসঙ্গগত অর্থ যাচাই করা হচ্ছে। Tout মানে জোরেশোরে প্রচার করা, ঢাকঢোল পিটিয়ে গুণগান করা। ‘was touted as a showcase’ মানে প্রতিযোগিতাটিকে নতুন প্রযুক্তির প্রদর্শনী বলে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল। আর ‘but instead … marred by disqualifications and disputes’ অংশটি সেই প্রচার ও বাস্তবতার বৈপরীত্য দেখায়। Heralded মানে সাড়ম্বরে ঘোষিত, আগেভাগে ঘটা করে প্রচারিত। এটি একই অর্থ দেয় এবং ‘was heralded as’ গঠনেও খাপ খায়। অন্য options-এ এই প্রচারের ভাব নেই। conceived মানে পরিকল্পিত। disappointing মানে হতাশাজনক এবং promising মানে সম্ভাবনাময়, দুটিই বিশেষণ, বসালে ‘প্রচার করা হয়েছিল’ অর্থটি হারিয়ে যায়। concocted মানে মনগড়াভাবে বানানো, যা নেতিবাচক অর্থ দেয়।\nমনে রাখুন: tout ≈ herald ≈ hail ≈ trumpet ≈ promote। ‘X was touted / heralded / hailed as Y’ মানে X-কে Y বলে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল। - ৪০.
Directions: Appropriate English usage.
“In some months of the year, insects are real nuisance, especially mosquitoes.” Which correction should be made to this sentence?
- ক. replace in with at
- খ. insert the before mosquitoes
- গ. remove the comma after year
- ঘ. insert a before real
- ঙ. change are to is
উত্তর: ঘ. insert a before real
এই প্রশ্নে আর্টিকেলের (Article) ব্যবহার যাচাই করা হচ্ছে। Nuisance মানে উপদ্রব বা বিরক্তিকর কিছু, এটি একটি গণনীয় বিশেষ্য (Countable Noun)। একবচন countable noun-এর আগে a, an বা অন্য কোনো determiner লাগে। তাই ‘are real nuisance’ ভুল, হবে ‘are a real nuisance’। Subject insects বহুবচন হলেও ‘be a nuisance’ একটি প্রচলিত গঠন, কারণ পোকামাকড়গুলোকে মিলিয়ে ‘একটি উপদ্রব’ বলা হচ্ছে। শুদ্ধ বাক্য: In some months of the year, insects are a real nuisance, especially mosquitoes. অন্য options-এ কোনো ভুল নেই। মাস বা বছরের আগে in-ই বসে, যেমন in May। Mosquitoes এখানে সাধারণ অর্থে বহুবচন, তাই the লাগে না। বাক্যের শুরুর বাক্যাংশের পরে কমা ঠিক আছে। আর subject insects বহুবচন বলে are-ই সঠিক।\nমনে রাখুন: একবচন countable noun একা বসে না, যেমন a nuisance, a problem, a pity, a shame। বহুবচন subject-এর সঙ্গেও এটি চলে: Mosquitoes are a nuisance।
গণিত
- ৪১. Two numbers A and B are such that the sum of 5% of A and 4% of B is two-thirds of the sum of 6% of A and 8% of B. What is the ratio of A to B?
- ক. 1:1
- খ. 2:3
- গ. 2:5
- ঘ. 4:3
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. 4:3
শতাংশ (Percentage) মানে ১০০-এর ভাগ। তাই A-এর ৫% মানে 5A/100। সমীকরণের দুই পাশেই 1/100 আছে, আর আমাদের শুধু A/B লাগবে, তাই 100 দিয়ে গুণ করে শতাংশ সরিয়ে দেওয়া যায়:\n5A + 4B = (2/3)(6A + 8B)\nদুই পাশে 3 দিয়ে গুণ করে: 15A + 12B = 12A + 16B\n3A = 4B, তাই A : B = 4 : 3\nযাচাই: A = 4, B = 3 ধরলে বাম পাশে 0.20 + 0.12 = 0.32। ডান পাশে (2/3) × (0.24 + 0.24) = 0.32। দুটি পাশ সমান।\nমনে রাখুন:\npA = qB হলে A : B = q : p।\n3A = 4B পেয়ে A : B = 3 : 4 লিখলে ভুল হয়। এখানে A বড়, তাই অনুপাত 4 : 3। - ৪২. A school has 10 classes with the same number of students in each class. One day, the weather was bad and many students were absent. 3 classes were half full, 5 classes were 3/4 full and 2 classes were 1/6 empty. A total of 74 students were absent. What is the total number of students in this school?
- ক. 200
- খ. 220
- গ. 240
- ঘ. 400
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. 240
ধরি প্রতিটি শ্রেণিতে x জন শিক্ষার্থী। শ্রেণির যে অংশ ‘পূর্ণ’, সেটি উপস্থিত আর যে অংশ ‘খালি’, সেটি অনুপস্থিত। তাই অর্ধেক পূর্ণ হলে অনুপস্থিত 1/2। তিন-চতুর্থাংশ পূর্ণ হলে অনুপস্থিত 1 − 3/4 = 1/4। আর এক-ষষ্ঠাংশ খালি হলে অনুপস্থিত সরাসরি 1/6। তিন দলের অনুপস্থিতি যোগ করে ৭৪-এর সমান ধরলে:\n3 × x/2 + 5 × x/4 + 2 × x/6 = 74\nLCM 12 দিয়ে গুণ করে: 18x + 15x + 4x = 888\n37x = 888, তাই x = 24\nমোট শিক্ষার্থী = 10 × 24 = 240\nযাচাই: অনুপস্থিত 3 × 12 + 5 × 6 + 2 × 4 = 36 + 30 + 8 = 74।\nমনে রাখুন: ‘পূর্ণ’ মানে উপস্থিত আর ‘খালি’ মানে অনুপস্থিত। এই পার্থক্য খেয়াল না করলে ভুল উত্তর আসে। - ৪৩. a, b, c, d, e are five consecutive odd numbers. Their average is:
- ক. 5(a + 4)
- খ. abcde/5
- গ. 5(a + b + c + d + e)
- ঘ. a + b + c + d
- ঙ. None of these
উত্তর: ঙ. None of these
ক্রমিক বিজোড় সংখ্যা মানে পরপর দুটি সংখ্যার পার্থক্য ২, যেমন ৩, ৫, ৭। তাই প্রথম সংখ্যা a ধরলে বাকিগুলো b = a + 2, c = a + 4, d = a + 6, e = a + 8। এখন গড় বের করি:\nযোগফল = a + (a + 2) + (a + 4) + (a + 6) + (a + 8) = 5a + 20\nগড় = (5a + 20) ÷ 5 = a + 4\nএকটি আরও সহজ কথা আছে। সমান ব্যবধানের সংখ্যার গড় সবসময় মাঝের সংখ্যার সমান, এখানে মাঝের সংখ্যা c = a + 4। এই মান প্রথম চারটি option-এর কোনোটিতেই নেই, তাই সঠিক উত্তর ‘None of these’।\nযাচাই: ১, ৩, ৫, ৭, ৯ নিলে গড় 25 ÷ 5 = 5 = 1 + 4। অথচ 5(a + 4) = 25 হলো যোগফল, গড় নয়। - ৪৪. In a shop, the cost of 5 shirts, 5 pairs of trousers and 3 hats is Tk. 710. The cost of 11 shirts, 11 pairs of trousers and 8 hats is Tk. 1,590. What is the total cost of 1 shirt, 1 pair of trousers and 1 hat?
- ক. Tk. 130
- খ. Tk. 150
- গ. Tk. 180
- ঘ. Tk. 200
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Tk. 150
অজানা তিনটি (শার্ট, ট্রাউজার ও টুপি), কিন্তু সমীকরণ মাত্র দুটি, তাই প্রতিটির দাম আলাদা করে বের করা যাবে না। তবে দুই তথ্যেই শার্ট ও ট্রাউজারের সংখ্যা সমান (৫ ও ৫, ১১ ও ১১)। তাই ১টি শার্ট ও ১ জোড়া ট্রাউজারের দাম p এবং ১টি টুপির দাম h ধরলে অজানা দুটি হয়ে যায়:\n5p + 3h = 710 … (i)\n11p + 8h = 1590 … (ii)\n(i) × 8 থেকে (ii) × 3 বিয়োগ করে: 7p = 910, তাই p = 130\n(i)-এ বসিয়ে: 3h = 60, তাই h = 20\nতিনটির মোট দাম p + h = 150 টাকা।\nযাচাই: 5 × 130 + 3 × 20 = 710 এবং 11 × 130 + 8 × 20 = 1590।\nমনে রাখুন: p = 130 বের করে থেমে গেলে ভুল হয়, কারণ প্রশ্নে টুপিসহ তিনটির মোট দাম চাওয়া হয়েছে। - ৪৫. If a person walks at 14 km/hr instead of 10 km/hr, he would have walked 20 km more. The actual distance travelled by him is:আরও এসেছে: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) ২০২৩
- ক. 50 km
- খ. 56 km
- গ. 70 km
- ঘ. 80 km
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. 50 km
এই প্রশ্নে সময় একই থাকে, আর গতি বাড়লে একই সময়ে বেশি পথ যাওয়া যায়। প্রকৃত দূরত্ব x কিমি ধরি। সময় = দূরত্ব ÷ গতি, তাই ১০ কিমি/ঘণ্টায় সময় x/10। একই সময়ে ১৪ কিমি/ঘণ্টায় তিনি যেতেন x + 20 কিমি, সেই সময় (x + 20)/14। দুটি সময় সমান ধরে:\nx/10 = (x + 20)/14\n14x = 10x + 200\n4x = 200, তাই x = 50\nযাচাই: সময় 50 ÷ 10 = 5 ঘণ্টা। ১৪ কিমি/ঘণ্টায় ৫ ঘণ্টায় যেতেন 70 কিমি, যা 50-এর চেয়ে ঠিক ২০ কিমি বেশি।\nমনে রাখুন:\nসময় = দূরত্বের পার্থক্য ÷ গতির পার্থক্য = 20 ÷ 4 = 5 ঘণ্টা।\n৭০ কিমি হলো দ্রুত গতিতে যাওয়া দূরত্ব, প্রকৃত দূরত্ব নয়। - ৪৬. The total age of A, B and C is 90 years. Ten years ago the ratio of their ages was 1:2:3. What is the present age of B?
- ক. 40 years
- খ. 30 years
- গ. 20 years
- ঘ. 18 years
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. 30 years
অনুপাত ১০ বছর আগের, তাই সেই সময়ের বয়স x, 2x ও 3x ধরি। প্রত্যেকের বর্তমান বয়স ১০ বছর বেশি, অর্থাৎ x + 10, 2x + 10 ও 3x + 10। বর্তমান বয়সের যোগফল ৯০:\n(x + 10) + (2x + 10) + (3x + 10) = 90\n6x + 30 = 90, তাই x = 10\nB-এর ১০ বছর আগের বয়স 2x = 20, তাই বর্তমান বয়স 20 + 10 = 30 বছর।\nযাচাই: বর্তমান বয়স ২০, ৩০ ও ৪০, যোগফল ৯০। ১০ বছর আগে ছিল ১০, ২০ ও ৩০, অর্থাৎ অনুপাত ১ : ২ : ৩।\nমনে রাখুন: ২০ বছর হলো B-এর ১০ বছর আগের বয়স, বর্তমান বয়স নয়। - ৪৭. Kamal went to a shop and bought things worth Tk. 25, out of which 30 paisa went on sales tax on taxable purchases. If the tax rate was 6%, then what was the cost of the tax-free items?
- ক. Tk. 15
- খ. Tk. 15.70
- গ. Tk. 19.70
- ঘ. Tk. 20
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. Tk. 19.70
কর বসে শুধু করযোগ্য জিনিসের দামের ওপর। তাই মোট ২৫ টাকা তিন ভাগে খরচ হয়েছে: করযোগ্য জিনিসের দাম, তার ওপর কর, এবং করমুক্ত জিনিসের দাম। ১০০ পয়সা = ১ টাকা, তাই কর ৩০ পয়সা মানে ০.৩০ টাকা। করযোগ্য জিনিসের দাম T ধরলে:\nT × 6/100 = 0.30, তাই T = 5 টাকা\nকরমুক্ত জিনিসের দাম = 25 − 5 − 0.30 = 19.70 টাকা\nযাচাই: 5 + 0.30 + 19.70 = 25 টাকা, এবং ৫ টাকার ৬% = ০.৩০ টাকা।\nমনে রাখুন: ২৫ থেকে শুধু ৫ টাকা বাদ দিয়ে ২০ টাকা লিখলে ভুল হয়, কারণ ৩০ পয়সা করও মোট ২৫ টাকার মধ্যেই আছে। - ৪৮. The salaries of A, B and C are in the ratio 1:2:3. The salaries of B and C together is Tk. 6,000. By what percentage is the salary of C more than that of A?
- ক. 100%
- খ. 200%
- গ. 300%
- ঘ. 600%
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. 200%
‘C, A-এর চেয়ে কত শতাংশ বেশি’ প্রশ্নে ভিত্তি (Base) হলো A, কারণ তুলনা A-এর সঙ্গে হচ্ছে। তিনজনের বেতন x, 2x ও 3x ধরি। B ও C-এর বেতনের যোগফল ৬০০০ টাকা:\n2x + 3x = 6000, তাই x = 1200\nA = 1200 টাকা এবং C = 3 × 1200 = 3600 টাকা\nশতকরা বেশি = (3600 − 1200)/1200 × 100 = 200%\nযাচাই: ১২০০ টাকার ২০০% = ২৪০০ টাকা, আর ১২০০ + ২৪০০ = ৩৬০০ = C।\nমনে রাখুন:\nX, Y-এর চেয়ে কত শতাংশ বেশি = (X − Y)/Y × 100।\nC হলো A-এর ৩ গুণ, অর্থাৎ A-এর ৩০০%। কিন্তু A-এর চেয়ে বেশি মাত্র ২০০%।\nঅনুপাত থেকেই সরাসরি বলা যায়: পার্থক্য ২ অংশ, ভিত্তি ১ অংশ, তাই ২০০%। ৬০০০ টাকার তথ্য এখানে লাগেই না। - ৪৯. A carton containing a dozen mirrors is dropped. Which of the following cannot be the ratio of broken mirrors to unbroken mirrors?
- ক. 2:1
- খ. 3:1
- গ. 3:2
- ঘ. 7:5
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. 3:2
এক ডজন মানে ১২টি আয়না, আর আয়নার সংখ্যা অবশ্যই পূর্ণসংখ্যা। অনুপাত a : b হলে ভাঙা আয়না 12 × a/(a + b) এবং অক্ষত আয়না 12 × b/(a + b)। এগুলো পূর্ণসংখ্যা হতে হলে অনুপাতের পদগুলোর যোগফল (a + b) দিয়ে ১২ বিভাজ্য হতে হবে, অর্থাৎ (a + b) হবে ১২-এর উৎপাদক (Factor)। প্রতিটি option যাচাই করি:\n2 : 1 → যোগফল 3, ভাঙা 8, অক্ষত 4\n3 : 1 → যোগফল 4, ভাঙা 9, অক্ষত 3\n3 : 2 → যোগফল 5, ভাঙা 12 × 3/5 = 7.2, যা ভগ্নাংশ\n7 : 5 → যোগফল 12, ভাঙা 7, অক্ষত 5\nশুধু ৩ : ২ অনুপাতে আয়নার সংখ্যা ভগ্নাংশ হয়, তাই এটিই হতে পারে না।\nমনে রাখুন: ১২-এর উৎপাদক ১, ২, ৩, ৪, ৬ ও ১২। অনুপাতের পদের যোগফল ৫, ৭, ৮, ৯, ১০ বা ১১ হলে ১২টি জিনিস ওই অনুপাতে ভাগ হয় না। ৭ : ৫ বড় সংখ্যার হলেও সম্ভব, কারণ ৭ + ৫ = ১২। - ৫০. On dividing a number by 5, we get 3 as remainder. What will be the remainder when the square of this number is divided by 5?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. 2
- ঘ. 4
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. 4
ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ, তাই সংখ্যাটিকে লেখা যায় n = 5k + 3 (k একটি পূর্ণসংখ্যা)। এর বর্গ বিস্তার করলে দেখা যাবে কোন অংশ ৫ দিয়ে বিভাজ্য আর কোন অংশ বাকি থাকে:\nn² = (5k + 3)² = 25k² + 30k + 9\n25k² ও 30k দুটিই 5 দিয়ে বিভাজ্য, বাকি থাকে 9\n9 = 5 × 1 + 4, তাই ভাগশেষ 4\nযাচাই: n = 3 হলে 9 ÷ 5-এর ভাগশেষ 4। n = 8 হলে 64 ÷ 5-এর ভাগশেষ 4। n = 13 হলে 169 ÷ 5-এর ভাগশেষও 4।\nমনে রাখুন: বর্গের ভাগশেষ বের করতে শুধু ভাগশেষের বর্গ নিয়েই কাজ করা যায়। তবে ৯ নিজে ৫-এর চেয়ে বড়, তাই আবার ৫ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ নিতে হয়। - ৫১. Rohit is 28th from the left end of a row of 50 students and Shyam is 28th from the right end of the row. How many students are sitting between them?
- ক. 4
- খ. 5
- গ. 2
- ঘ. 3
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. 4
দুজনের অবস্থান একই দিক থেকে, যেমন বাম প্রান্ত থেকে, প্রকাশ করতে হবে। মোট N জনের সারিতে ডান থেকে r-তম ব্যক্তি বাম থেকে (N − r + 1)-তম। তাই শ্যাম বাম থেকে 50 − 28 + 1 = 23তম, আর রোহিত বাম থেকে ২৮তম। মাঝখানের লোক গুনতে হলে দুই প্রান্তের দুজনকে বাদ দিতে হয়:\nমাঝখানে = 28 − 23 − 1 = 4 জন (২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭তম)\nমজার ব্যাপার হলো, শ্যাম (২৩তম) আসলে রোহিতের (২৮তম) বাম দিকে বসে আছে। দুজন একে অপরকে পার হয়ে গেছে, কারণ 28 + 28 = 56, যা মোট ৫০-এর চেয়ে বেশি।\nমনে রাখুন:\nদুটি অবস্থান p ও q (p > q)-এর মাঝখানে লোক থাকে p − q − 1 জন।\n28 − 23 = 5 লিখলে ভুল হয়, কারণ অবস্থানের পার্থক্য থেকে ১ বাদ দিতে হয়। - ৫২. A water filter can be filled with 8 jugs of capacity 1.3 litres each. How many jugs are required to fill the same filter if the capacity of the jug is 0.8 litre?
- ক. 15
- খ. 12
- গ. 8
- ঘ. 13
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. 13
ফিল্টারের মোট ধারণক্ষমতা স্থির। জগ ছোট হলে বেশি জগ লাগে, একে ব্যস্ত অনুপাত (Inverse Proportion) বলে। তাই প্রথমে ফিল্টারের ধারণক্ষমতা বের করে তাকে নতুন জগের ধারণক্ষমতা দিয়ে ভাগ করব:\nফিল্টারের ধারণক্ষমতা = 8 × 1.3 = 10.4 লিটার\nপ্রয়োজনীয় জগ = 10.4 ÷ 0.8 = 13টি\nযাচাই: 13 × 0.8 = 10.4 লিটার। অথচ ১২টি জগে হয় মাত্র 9.6 লিটার, যা ফিল্টার ভরার জন্য কম।\nমনে রাখুন: মোট পরিমাণ স্থির থাকলে জগের সংখ্যা × জগের ধারণক্ষমতা সবসময় সমান। জগ ছোট হলে জগের সংখ্যা বাড়বে, তাই উত্তর ৮-এর চেয়ে বেশি হবে। - ৫৩. A number consists of 3 digits whose sum is 10. The middle digit is equal to the sum of the other two, and the number will be increased by 99 if its digits are reversed. What is the number?
- ক. 145
- খ. 253
- গ. 370
- ঘ. 352
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. 253
শতক, দশক ও একক অঙ্ক যথাক্রমে a, b, c ধরলে সংখ্যা 100a + 10b + c, আর অঙ্ক উল্টালে 100c + 10b + a। তিনটি শর্ত থেকে তিনটি সমীকরণ পাই: a + b + c = 10, b = a + c এবং উল্টানো সংখ্যা − মূল সংখ্যা = 99।\nb = a + c বসালে 2b = 10, তাই b = 5 এবং a + c = 5\nউল্টানো − মূল = 99(c − a) = 99, তাই c − a = 1\nতাহলে c = 3, a = 2 এবং সংখ্যাটি 253\nযাচাই: 2 + 5 + 3 = 10, 5 = 2 + 3, আর 352 − 253 = 99।\nমনে রাখুন: তিন অঙ্কের সংখ্যা উল্টালে পার্থক্য 99 × (একক অঙ্ক − শতক অঙ্ক), মাঝের অঙ্ক এতে ভূমিকা রাখে না। ৩৫২-ও প্রথম দুটি শর্ত মানে, কিন্তু উল্টালে সেটি কমে যায়। প্রশ্নে বলা আছে উল্টালে সংখ্যা বাড়ে, তাই মূল সংখ্যা ছোটটি, অর্থাৎ ২৫৩। - ৫৪. 1/4 of Ram’s money is equal to 1/6 of Shyam’s money. If both together have Tk. 600, the difference between their amounts is:
- ক. Tk. 50
- খ. Tk. 120
- গ. Tk. 240
- ঘ. Tk. 360
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Tk. 120
রামের টাকা R এবং শ্যামের টাকা S ধরি। দেওয়া আছে R/4 = S/6 এবং R + S = 600। প্রশ্নে দুজনের টাকার পার্থক্য চাওয়া হয়েছে, কারও একার টাকা নয়। প্রথম শর্ত থেকে অনুপাত বের করে মোট ৬০০ টাকা সেই অনুপাতে ভাগ করব:\nR/4 = S/6 থেকে 6R = 4S, তাই R : S = 2 : 3\nR = 600 × 2/5 = 240 টাকা এবং S = 600 × 3/5 = 360 টাকা\nপার্থক্য = 360 − 240 = 120 টাকা\nযাচাই: ২৪০-এর ১/৪ = ৬০ এবং ৩৬০-এর ১/৬ = ৬০, দুটি সমান।\nমনে রাখুন:\nX/a = Y/b হলে X : Y = a : b।\nপার্থক্য ১ অংশ, আর মোট ৫ অংশ, তাই ১ অংশ = 600 ÷ 5 = 120 টাকা।\nরামের টাকা ২৪০ বা শ্যামের টাকা ৩৬০ বেছে নিলে ভুল হয়, কারণ প্রশ্নে পার্থক্য চাওয়া হয়েছে। - ৫৫. In a garden, there are 10 rows and 12 columns of mango trees. The distance between two adjacent trees is 2 metres and a distance of one metre is left from all sides of the boundary of the garden. What is the length of the garden?
- ক. 20 m
- খ. 22 m
- গ. 24 m
- ঘ. 36 m
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. 24 m
১২টি কলাম মানে প্রতিটি সারিতে ১২টি গাছ, আর ১০টি সারি মানে প্রতিটি কলামে ১০টি গাছ। এক সারিতে n টি গাছ থাকলে তাদের মাঝে ফাঁক থাকে n − 1টি, তাই প্রথম থেকে শেষ গাছ পর্যন্ত দূরত্ব (n − 1) × 2 মিটার। এর সঙ্গে দুই প্রান্তে ১ মিটার করে যোগ হবে। দৈর্ঘ্য হলো বাগানের লম্বা দিক, অর্থাৎ যে দিকে ১২টি গাছ:\nসারি বরাবর: 11 × 2 + 1 + 1 = 24 মিটার\nকলাম বরাবর: 9 × 2 + 1 + 1 = 20 মিটার\nতাই দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার, প্রস্থ ২০ মিটার।\nমনে রাখুন: ২২ মিটার আসে দুই প্রান্তের ১ মিটার করে ফাঁকা জায়গা যোগ করতে ভুলে গেলে। আর ২০ মিটার হলো বাগানের প্রস্থ, দৈর্ঘ্য নয়। - ৫৬. In a certain country, a person is born every 7 seconds and a person dies every 13 seconds. Therefore, the birth and death rates account for a population growth rate of one person every:
- ক. 4.5 seconds
- খ. 6 seconds
- গ. 15.17 seconds
- ঘ. 20 seconds
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. 15.17 seconds
প্রতি ৭ সেকেন্ডে একজন জন্মালে জন্মহার প্রতি সেকেন্ডে 1/7 জন। একইভাবে মৃত্যুহার প্রতি সেকেন্ডে 1/13 জন। জন্ম জনসংখ্যা বাড়ায় আর মৃত্যু কমায়, তাই নিট বৃদ্ধির হার (Net Growth Rate) পেতে হার দুটি বিয়োগ করতে হয়। ব্যাপারটা নল-চৌবাচ্চার মতো, যেখানে একটি নল ভরে আর অন্যটি খালি করে:\n1/7 − 1/13 = (13 − 7)/91 = 6/91 জন প্রতি সেকেন্ড\nএকজন বাড়তে সময় = 91/6 ≈ 15.17 সেকেন্ড\nযাচাই: ৯১ সেকেন্ডে জন্ম ৯১ ÷ ৭ = ১৩ জন, মৃত্যু ৯১ ÷ ১৩ = ৭ জন, নিট বৃদ্ধি ৬ জন। অর্থাৎ প্রতি ৯১ ÷ ৬ ≈ ১৫.১৭ সেকেন্ডে একজন বাড়ে।\nমনে রাখুন:\nসময় দুটি সরাসরি বিয়োগ করলে (১৩ − ৭ = ৬) ভুল হয়, বিয়োগ হবে হার।\nহার দুটি যোগ করলে ৯১/২০ ≈ ৪.৫ সেকেন্ড আসে, যা-ও ভুল। - ৫৭. A time-study specialist has set the production rate for each worker on a certain job at 22 units every 3 hours. At this rate, what is the minimum number of workers that should be put on the job if at least 90 units are to be produced per hour?
- ক. 12
- খ. 13
- গ. 18
- ঘ. 30
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. 13
প্রতি শ্রমিকের ঘণ্টাপ্রতি উৎপাদন 22/3 একক। শ্রমিক n জন হলে ঘণ্টায় মোট উৎপাদন n × 22/3 একক, যা অন্তত ৯০ হতে হবে:\nn × 22/3 ≥ 90\nn ≥ 90 × 3/22 = 270/22 ≈ 12.27\nশ্রমিকের সংখ্যা পূর্ণসংখ্যা, আর ‘অন্তত’ শর্ত পূরণ করতে হলে পরের পূর্ণসংখ্যা নিতে হয়, তাই n = 13।\nযাচাই: ১২ জনে ঘণ্টায় 12 × 22/3 = 88 একক, যা ৯০-এর কম। ১৩ জনে 13 × 22/3 ≈ 95.33 একক, যা ৯০-এর বেশি।\nমনে রাখুন: ‘অন্তত’ বা ‘ন্যূনতম সংখ্যা’ চাইলে ভাগফল ভগ্নাংশ এলে সবসময় পরের পূর্ণসংখ্যা নিতে হয়। ১২.২৭-কে ১২ করলে লক্ষ্য পূরণ হয় না। - ৫৮. Each boy contributed money equal to the number of girls and each girl contributed money equal to the number of boys in a class of 60 students. If the total contribution thus collected is Tk. 1,600, how many boys are there in the class?
- ক. 30
- খ. 25
- গ. 50
- ঘ. 20.5
- ঙ. None of these
উত্তর: ঙ. None of these
ছেলে b জন ও মেয়ে g জন ধরি, যেখানে b + g = 60। প্রত্যেক ছেলে g টাকা দেয়, তাই ছেলেদের মোট চাঁদা bg। প্রত্যেক মেয়ে b টাকা দেয়, তাই মেয়েদের মোট চাঁদা-ও bg। ফলে মোট চাঁদা 2bg = 1600:\nbg = 800, আর g = 60 − b বসিয়ে b² − 60b + 800 = 0\n(b − 20)(b − 40) = 0, তাই b = 20 অথবা b = 40\nছেলের সংখ্যা হয় ২০, নয় ৪০। এই দুটির কোনোটিই প্রথম চারটি option-এ নেই, তাই সঠিক উত্তর ‘None of these’।\nযাচাই: 2 × 20 × 40 = 1600। অন্য options-এ মোট চাঁদা মেলে না, যেমন ৩০ জন ছেলে হলে 2 × 30 × 30 = 1800। আর ২০.৫ জন মানুষ হতেই পারে না।\nমনে রাখুন: ছেলে ও মেয়ে দুই দলই চাঁদা দিয়েছে, তাই গুণফল দুবার আসে। যোগফল ৬০ ও গুণফল ৮০০ এমন জোড়া ২০ ও ৪০। - ৫৯. Which set of signs, used in the given order, should replace the □ signs to make the equation correct? 4 □ 7 □ 8 □ 4 = 26
- ক. +, −, ×
- খ. ×, −, ÷
- গ. ×, +, −
- ঘ. +, ÷, ×
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. ×, −, ÷
প্রতিটি option-এর চিহ্ন বাম থেকে ডানে তিনটি □-এর জায়গায় বসিয়ে মান বের করতে হবে। হিসাবের সময় BODMAS নিয়ম মানতে হয়: আগে ভাগ (÷) ও গুণ (×), তারপর যোগ (+) ও বিয়োগ (−)।\n4 + 7 − 8 × 4 = 4 + 7 − 32 = −21\n4 × 7 − 8 ÷ 4 = 28 − 2 = 26\n4 × 7 + 8 − 4 = 28 + 8 − 4 = 32\n4 + 7 ÷ 8 × 4 = 4 + 3.5 = 7.5\nশুধু দ্বিতীয়টিতে মান ২৬ হয়, অর্থাৎ ×, −, ÷ বসালেই সমীকরণটি সঠিক হয়।\nমনে রাখুন: বাম থেকে ডানে সোজাসুজি হিসাব করলে (4 × 7 − 8) ÷ 4 = 5 পাওয়া যায়, যা ভুল। BODMAS অনুযায়ী ৮ ÷ ৪ আগে হবে। ২৬ বড় সংখ্যা বলে শুরুতে × থাকার সম্ভাবনা বেশি, কারণ 4 × 7 = 28। - ৬০. The number of students in each section of a school is 24. After admitting new students, three new sections were started. Now, the total number of sections is 16 and there are 21 students in each section. The number of new students admitted is:
- ক. 24
- খ. 14
- গ. 48
- ঘ. 114
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. 24
এখন মোট শাখা ১৬টি, যার ৩টি নতুন, তাই আগে শাখা ছিল 16 − 3 = 13টি। নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী বের করতে এখনকার মোট থেকে আগের মোট বিয়োগ করতে হয়। প্রতিবার মোট = শাখার সংখ্যা × প্রতি শাখার শিক্ষার্থী:\nআগের শিক্ষার্থী = 13 × 24 = 312\nএখনকার শিক্ষার্থী = 16 × 21 = 336\nনতুন ভর্তি = 336 − 312 = 24 জন\nযাচাই: 312 + 24 = 336 = 16 × 21। নতুন শাখা খোলার পর প্রতি শাখায় শিক্ষার্থী ২৪ থেকে ২১-এ নেমেছে, কারণ পুরোনো ও নতুন সব শিক্ষার্থীকে ১৬টি শাখায় নতুন করে ভাগ করা হয়েছে।\nমনে রাখুন: আগের শাখা ১৬টি ধরা বা নতুন ৩টি শাখার 3 × 21 = 63 জনকেই নতুন শিক্ষার্থী ভাবা ভুল।
সাধারণ জ্ঞান
- ৬৪. নিচের কোন দেশটি ‘হর্ন অব আফ্রিকা’ নামে পরিচিত?
- ক. ঘানা
- খ. নাইজেরিয়া
- গ. সোমালিয়া
- ঘ. রুয়ান্ডা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. সোমালিয়া
সোমালিয়া (Somalia) ‘হর্ন অব আফ্রিকা’ (Horn of Africa) নামে পরিচিত, কারণ আফ্রিকার পূর্ব প্রান্তে শিংয়ের মতো ভারত মহাসাগরের দিকে বেরিয়ে থাকা সোমালি উপদ্বীপের (Somali Peninsula) বড় অংশজুড়ে দেশটি অবস্থিত। অঞ্চল হিসেবে হর্ন অব আফ্রিকায় ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া ও জিবুতিও পড়ে। অন্য options-এর দেশগুলো আলাদা অঞ্চলের। ঘানা ও নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার দেশ, আর রুয়ান্ডা মধ্য-পূর্ব আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ।\nমনে রাখুন:\nঘানার পুরোনো নাম Gold Coast।\nরুয়ান্ডা Land of a Thousand Hills নামে পরিচিত।\nমিসর Gift of the Nile নামে পরিচিত। - ৬৬. পরিবেশবাদী সংস্থা গ্রিনপিস (Greenpeace)-এর সদর দপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. নরওয়ে
- খ. পোল্যান্ড
- গ. নিউজিল্যান্ড
- ঘ. নেদারল্যান্ডস
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. নেদারল্যান্ডস
আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা গ্রিনপিসের (Greenpeace) সদর দপ্তর (Greenpeace International) নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত। সংস্থাটি ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বিখ্যাত জাহাজ ‘Rainbow Warrior’ ১৯৮৫ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড বন্দরে ফরাসি গোয়েন্দাদের পাতা বোমায় ডুবে যায়। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে গ্রিনপিসের যোগসূত্র এটুকুই, সদর দপ্তর সেখানে নয়। নরওয়ে বা পোল্যান্ডেও সদর দপ্তর নয়।
মনে রাখুন:
গ্রিনপিস: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
WWF ও IUCN: গ্ল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড।
UNEP: নাইরোবি, কেনিয়া। - ৬৮. প্রতি বছর অক্টোবর মাসের কোন দিন বিশ্ব বসতি দিবস (World Habitat Day) পালিত হয়?
- ক. প্রথম রবিবার
- খ. প্রথম সোমবার
- গ. প্রথম মঙ্গলবার
- ঘ. প্রথম বুধবার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. প্রথম সোমবার
জাতিসংঘ প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস (World Habitat Day) পালন করে। দিবসটি নির্দিষ্ট কোনো তারিখে নয়, নির্দিষ্ট একটি বারে পালিত হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৫ সালে দিবসটি ঘোষণা করে এবং ১৯৮৬ সাল থেকে এটি পালিত হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন ও বাসযোগ্য শহর নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা। দিবসটির মূল আয়োজক জাতিসংঘের মানব বসতি কর্মসূচি UN-Habitat, যার সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
মনে রাখুন:
১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস।
২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস। - ৭০. নিচের কোনটি একটি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র?
- ক. অস্ট্রেলিয়া
- খ. ইংল্যান্ড
- গ. ইতালি
- ঘ. জাপান
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ইতালি
যে রাষ্ট্র তার ভূখণ্ডের ভেতরে অন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে চারদিক থেকে সম্পূর্ণ ঘিরে রাখে, তাকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র (Perforated State) বলে। মানচিত্রে দেশটির মাঝখানে যেন একটি ছিদ্র দেখা যায়। ইতালির ভেতরে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র, সান মারিনো (San Marino) ও ভ্যাটিকান সিটি (Vatican City) অবস্থিত। তাই ইতালি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র। জাপান অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে গঠিত বলে খণ্ডিত রাষ্ট্র (Fragmented State)। আর ইংল্যান্ড নিজে স্বাধীন রাষ্ট্র নয়, যুক্তরাজ্যের (UK) একটি অংশ।\nমনে রাখুন:\nছিদ্রায়িত রাষ্ট্র: ইতালি (সান মারিনো ও ভ্যাটিকান সিটি) এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (লেসোথো)।\nদীর্ঘায়িত (Elongated) রাষ্ট্র: চিলি।\nখণ্ডিত রাষ্ট্র: ইন্দোনেশিয়া ও জাপান। - ৭২. পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানীর নাম কী?
- ক. সান্তিয়াগো
- খ. লা পাজ
- গ. আসুনসিওন
- ঘ. বোগোটা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. লা পাজ
বলিভিয়ার সরকারের আসন (Seat of Government) বা প্রশাসনিক রাজধানী লা পাজ (La Paz)। এটি আন্দিজ পর্বতমালায় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩,৬৪০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত, তাই এটি পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী। বলিভিয়ার সাংবিধানিক রাজধানী আলাদা, সেটি সুক্রে (Sucre)। বাকি options-এর শহরগুলোও দক্ষিণ আমেরিকার রাজধানী। বোগোটাও বেশ উঁচু (প্রায় ২,৬৪০ মিটার), তবে লা পাজের চেয়ে অনেক নিচে।
মনে রাখুন:
সান্তিয়াগো চিলির রাজধানী।
আসুনসিওন প্যারাগুয়ের রাজধানী।
বোগোটা কলম্বিয়ার রাজধানী। - ৭৮. IUCN-এর কাজ হলো বিশ্বব্যাপী—
- ক. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
- খ. মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
- গ. পানিসম্পদ সংরক্ষণ করা
- ঘ. ভাষার অধিকার সংরক্ষণ করা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
IUCN-এর পূর্ণরূপ International Union for Conservation of Nature। এর মূল কাজ বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ (Nature Conservation)। সংস্থাটি ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়, আর এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্ল্যান্ড (Gland) শহরে। বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা ‘IUCN Red List of Threatened Species’ প্রকাশ করা এর সবচেয়ে পরিচিত কাজ। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের (Amnesty International) মতো সংস্থা।
মনে রাখুন: IUCN প্রকৃতি সংরক্ষণ করে, সদর দপ্তর গ্ল্যান্ড, আর প্রকাশ করে Red List। - ৮০. ‘কার্টাগেনা প্রটোকল’ হচ্ছে—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
- খ. ইরাক পুনর্গঠন চুক্তি
- গ. যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো বৈধ চুক্তি
- ঘ. জাতিসংঘের শিশু অধিকারবিষয়ক চুক্তি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol on Biosafety) জাতিসংঘের জীববৈচিত্র্য কনভেনশন (Convention on Biological Diversity, CBD)-এর অধীনে জৈব নিরাপত্তা (Biosafety) বিষয়ক চুক্তি। জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীব (Living Modified Organism বা GMO) এক দেশ থেকে আরেক দেশে নেওয়ার সময় মানুষের স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য যাতে ঝুঁকিতে না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য। প্রটোকলটি ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি গৃহীত হয় এবং ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়। শিশু অধিকার বিষয়ক চুক্তি আলাদা, সেটি জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ (CRC, ১৯৮৯)।\nমনে রাখুন:\nCBD (১৯৯২, রিও ধরিত্রী সম্মেলন)-এর দুটি প্রটোকল আছে।\nকার্টাগেনা প্রটোকল: জৈব নিরাপত্তা (GMO)।\nনাগোয়া প্রটোকল (Nagoya Protocol): জিনগত সম্পদের সুফলের ন্যায্য বণ্টন (Access and Benefit-Sharing)। - ৯১. সংক্ষিপ্ত পথে চলতে হলে জাহাজ চালককে কী অনুসরণ করতে হবে?
- ক. সমুদ্রস্রোত
- খ. ধ্রুবতারা
- গ. বায়ুপ্রবাহের দিক
- ঘ. মহাবৃত্ত পথ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. মহাবৃত্ত পথ
পৃথিবী গোলাকার, তাই এর ওপর দুটি স্থানের মধ্যে সবচেয়ে ছোট পথ হলো ওই দুই স্থানের ওপর দিয়ে যাওয়া মহাবৃত্তের (Great Circle) চাপ। এ কারণে সংক্ষিপ্ত পথে যেতে চাইলে জাহাজ ও বিমান মহাবৃত্ত পথ (Great Circle Route) অনুসরণ করে। মহাবৃত্ত বলতে এমন বৃত্ত বোঝায়, যার কেন্দ্র পৃথিবীর কেন্দ্রের সঙ্গে মিলে যায়। বিষুবরেখা (Equator) একটি মহাবৃত্ত, আবার বিপরীত দুই দ্রাঘিমারেখা (Meridian) মিলেও একটি মহাবৃত্ত তৈরি হয়। কিন্তু বিষুবরেখা ছাড়া বাকি অক্ষরেখাগুলো (Latitude) ক্ষুদ্রবৃত্ত। সমুদ্রস্রোত বা বায়ুপ্রবাহের অনুকূলে চললে সময় ও জ্বালানি বাঁচে, কিন্তু পথের দূরত্ব কমে না। আর ধ্রুবতারা দেখে শুধু উত্তর দিক চেনা যায়, তা দিয়ে ছোট পথ পাওয়া যায় না।
মনে রাখুন:
দুই স্থানের মধ্যে ক্ষুদ্রতম দূরত্ব হলো মহাবৃত্তের চাপ।
বিষুবরেখা ও প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা মহাবৃত্তের অংশ।
বিষুবরেখা ছাড়া অন্য সব অক্ষরেখা ক্ষুদ্রবৃত্ত। - ৯২. গর্জনশীল চল্লিশা (Roaring Forties)-এর অবস্থান কোনটি (অক্ষাংশ হিসেবে)?
- ক. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
- খ. ৪০° থেকে ৪৭° উত্তর অক্ষাংশ
- গ. ৫০° থেকে ৬০° দক্ষিণ অক্ষাংশ
- ঘ. ৬০° থেকে ৭০° দক্ষিণ অক্ষাংশ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
দক্ষিণ গোলার্ধে প্রায় 40° থেকে 47° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে পশ্চিমা বায়ু (Westerlies) প্রচণ্ড বেগে গর্জন করে বয়। নাবিকেরা তাই একে ‘গর্জনশীল চল্লিশা’ (Roaring Forties) নাম দিয়েছেন। আন্তর্জাতিকভাবে অনেক সময় এই এলাকাকে প্রায় 40° থেকে 50° দক্ষিণ ধরা হয়। এই অক্ষাংশে দক্ষিণ গোলার্ধের প্রায় পুরোটাই বিশাল খোলা সমুদ্র। স্থলভাগের কোনো বাধা নেই বলেই বাতাস এত জোরে বইতে পারে। আরও দক্ষিণে 50° অক্ষাংশের কাছের প্রবল বায়ুকে বলা হয় Furious Fifties, আর 60° অক্ষাংশের কাছের বায়ুকে বলা হয় Shrieking (বা Screaming) Sixties।
মনে রাখুন:
Roaring Forties: 40°–47° দক্ষিণ অক্ষাংশ (প্রায় 40°–50°)।
Furious Fifties: প্রায় 50° দক্ষিণ।
Shrieking Sixties: প্রায় 60° দক্ষিণ।
বিজ্ঞান
- ৮১. নিরাপদ দিয়াশলাইয়ের (safety match) বাক্সের গায়ের ঘষার অংশে কোনটি থাকে?
- ক. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
- খ. শ্বেত ফসফরাস
- গ. লোহিত ফসফরাস
- ঘ. কয়লা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. লোহিত ফসফরাস
নিরাপদ দিয়াশলাইয়ের বাক্সের পাশের ঘষার অংশে (Striking Surface) থাকে লোহিত ফসফরাস (Red Phosphorus), সঙ্গে কাচের গুঁড়া ও আঠা। কাঠির মাথায় থাকে পটাসিয়াম ক্লোরেট (Potassium Chlorate) ও অ্যান্টিমনি ট্রাইসালফাইড বা সালফার। কাঠি ঘষলে ঘর্ষণের তাপে সামান্য ফসফরাস জ্বলে ওঠে, আর সেই আগুন কাঠির মাথার মিশ্রণকে জ্বালিয়ে দেয়। দুটি উপাদান আলাদা জায়গায় থাকে বলেই একে ‘নিরাপদ’ বলা হয়। শ্বেত ফসফরাস (White Phosphorus) খুব বিষাক্ত এবং বাতাসে নিজে থেকেই জ্বলে ওঠে, তাই একে পানির নিচে রাখা হয় এবং নিরাপদ দিয়াশলাইয়ে ব্যবহার করা হয় না।\nমনে রাখুন: ফসফরাস থাকে বাক্সের গায়ে, কাঠির মাথায় নয়, আর সেটি বিষাক্ত শ্বেত নয়, লোহিত ফসফরাস। - ৮২. কচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কচুতে আছে—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. ক্যালসিয়াম অক্সালেট
- খ. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
- গ. ক্যালসিয়াম ফসফেট
- ঘ. ক্যালসিয়াম সালফেট
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ক্যালসিয়াম অক্সালেট
কচুতে সুচের মতো সূক্ষ্ম ক্যালসিয়াম অক্সালেট (Calcium Oxalate) কেলাস (Crystal) থাকে। কচু খাওয়ার সময় এগুলো গলা ও জিভের কোষে বিঁধে চুলকানি সৃষ্টি করে। ভালোভাবে সেদ্ধ বা রান্না করলে এই চুলকানি অনেকটা কমে যায়। মজার ব্যাপার হলো, মানুষের কিডনির পাথরের (Kidney Stone) সবচেয়ে সাধারণ উপাদানও এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট। ক্যালসিয়ামের অন্য যৌগগুলোর উৎস আলাদা, তাই সেগুলো কচুর চুলকানির কারণ নয়।
মনে রাখুন:
অক্সালেট: কচু (চুলকানি) ও কিডনির পাথর।
কার্বনেট: চুনাপাথর, মার্বেল, ঝিনুকের খোলস।
ফসফেট: হাড় ও দাঁত।
সালফেট: জিপসাম, প্লাস্টার অব প্যারিস। - ৮৩. জলজ শামুক ও ঝিনুকের খোলস কী দিয়ে গঠিত?
- ক. সালফেট
- খ. কার্বনেট
- গ. ফসফেট
- ঘ. নাইট্রেট
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কার্বনেট
শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি মলাস্কা (Mollusca) পর্বের প্রাণীর খোলস প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃) দিয়ে তৈরি। ঝিনুকের ভেতরে তৈরি মুক্তা (Pearl), প্রবাল (Coral), ডিমের খোসা, চুনাপাথর ও মার্বেলের প্রধান উপাদানও এই ক্যালসিয়াম কার্বনেট। ঝিনুকের খোলস পুড়িয়ে চুন (Calcium Oxide, CaO) তৈরি করা হয়: CaCO₃ → CaO + CO₂। সালফেট, ফসফেট বা নাইট্রেট খোলসের প্রধান উপাদান নয়।
মনে রাখুন: CaCO₃ পাওয়া যায় শামুক-ঝিনুকের খোলস, মুক্তা, প্রবাল, ডিমের খোসা, চুনাপাথর, মার্বেল ও চকে। - ৮৪. ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য নিচের কোনটি দায়ী?
- ক. এস্টার
- খ. ইথার
- গ. অ্যালকোহল
- ঘ. গ্লুকোজ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. এস্টার
ফল ও ফুলের মিষ্টি সুগন্ধের জন্য দায়ী এস্টার (Ester) জাতীয় জৈব যৌগ। জৈব এসিড (Carboxylic Acid) ও অ্যালকোহলের বিক্রিয়ায় এস্টার তৈরি হয়, আর এই বিক্রিয়াকে এস্টারীকরণ (Esterification) বলে। যেমন আইসোঅ্যামাইল অ্যাসিটেট (Isoamyl Acetate) থেকে কলার এবং ইথাইল বিউটানোয়েট (Ethyl Butanoate) থেকে আনারসের গন্ধ আসে। ‘মিষ্টি’ শব্দ দেখে অনেকে গ্লুকোজ বেছে নেয়, কিন্তু গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের মতো শর্করা ফলের মিষ্টি স্বাদ দেয়, গন্ধ নয়। ইথার (Diethyl Ether) একসময় চেতনানাশক (Anaesthetic) হিসেবে ব্যবহৃত হতো।\nমনে রাখুন:\nঅ্যাসিড + অ্যালকোহল → এস্টার + পানি (Esterification)।\nফলের গন্ধ আসে এস্টার থেকে, আর ফলের মিষ্টি স্বাদ আসে শর্করা থেকে। - ৮৫. কাগজের প্রধান রাসায়নিক উপাদান কোনটি?
- ক. লিগনিন
- খ. সেলুলোজ
- গ. হেমিসেলুলোজ
- ঘ. রেজিন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. সেলুলোজ
কাগজ তৈরি হয় উদ্ভিদের আঁশ (Fibre) থেকে, যার প্রধান রাসায়নিক উপাদান সেলুলোজ (Cellulose)। সেলুলোজ হলো অসংখ্য গ্লুকোজ অণু জুড়ে তৈরি একটি পলিস্যাকারাইড (Polysaccharide)। তুলা প্রায় বিশুদ্ধ সেলুলোজ। কাঠ বা বাঁশ থেকে মণ্ড (Pulp) তৈরির সময় লিগনিন (Lignin) বেশির ভাগ সরিয়ে ফেলা হয়। লিগনিন কাঠকে শক্ত করে, কিন্তু কাগজে থেকে গেলে তা সময়ের সঙ্গে হলদে হয়ে যায়।
মনে রাখুন: কাগজের প্রধান উপাদান সেলুলোজ, যা গ্লুকোজের পলিমার।
উদ্ভিদের কোষপ্রাচীরও প্রধানত সেলুলোজ দিয়ে তৈরি। - ৮৮. ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ লাইটে প্রধানত কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
- ক. জেনন
- খ. হিলিয়াম
- গ. নিয়ন
- ঘ. আর্গন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. জেনন
ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ টিউবে (Flash Tube) জেনন (Xenon) নামের নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gas) ভরা থাকে। এর ভেতর দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ গেলে গ্যাসটি এক মুহূর্তের জন্য দিনের আলোর মতো তীব্র সাদা আলো দেয়, আর এই আলোতেই ছবি তোলা হয়। অন্য নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোরও আলাদা ব্যবহার আছে। নিয়ন (Neon) বিজ্ঞাপনের লাল-কমলা আলোর বাতিতে লাগে। আর্গন (Argon) সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে ভরা হয়, যাতে ভেতরের ফিলামেন্ট পুড়ে না যায়। হিলিয়াম (Helium) হালকা ও অদাহ্য বলে বেলুনে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখুন:
জেনন: ক্যামেরার ফ্ল্যাশ।
নিয়ন: বিজ্ঞাপনের বাতি।
আর্গন: বৈদ্যুতিক বাল্ব।
হিলিয়াম: বেলুন এবং ডুবুরিদের শ্বাসের গ্যাস-মিশ্রণ। - ৮৯. মানুষের রক্তের pH কত?
- ক. ৭.০
- খ. ৭.২
- গ. ৭.৪
- ঘ. ৭.৮
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ৭.৪
সুস্থ মানুষের রক্তের pH সাধারণত 7.35 থেকে 7.45-এর মধ্যে থাকে, অর্থাৎ গড়ে প্রায় 7.4। পানির pH 7 হলে তাকে নিরপেক্ষ (Neutral) বলা হয়, আর রক্তের pH তার চেয়ে সামান্য বেশি, তাই রক্ত সামান্য ক্ষারীয় (Alkaline)। রক্তের pH 7.35-এর নিচে নামলে অবস্থাটিকে অ্যাসিডোসিস (Acidosis) এবং 7.45-এর ওপরে উঠলে অ্যালকালোসিস (Alkalosis) বলে। তাই 7.2 সুস্থ রক্তের মান নয়। আবার রক্তের pH 7.0-এ নেমে গেলে সেটি মারাত্মক অ্যাসিডোসিস। মজার ব্যাপার হলো, আমাদের পাকস্থলীর রস (Gastric Juice) হাইড্রোক্লোরিক এসিডের কারণে তীব্র অম্লীয়।
মনে রাখুন:
pH স্কেলে 7 নিরপেক্ষ, 7-এর কম অম্লীয় (Acidic) এবং 7-এর বেশি ক্ষারীয়।
রক্তের pH = 7.35 থেকে 7.45, অর্থাৎ প্রায় 7.4। - ৯০. ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে?
- ক. তামা
- খ. দস্তা
- গ. অ্যালুমিনিয়াম
- ঘ. সিসা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. অ্যালুমিনিয়াম
ভূত্বকে (Earth's Crust) সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) নামের ধাতু। ভূত্বকের মোট ভরের প্রায় 8% এই ধাতু, আর এর পরেই আছে লোহা (Iron), প্রায় 5%। তবে সব মৌল (Element) একসঙ্গে ধরলে ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি আছে অক্সিজেন, তারপর সিলিকন। অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান আকরিক (Ore) হলো বক্সাইট (Bauxite)। তামা, দস্তা ও সিসা ভূত্বকে এর চেয়ে অনেক কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
ভূত্বকে মৌলের প্রাচুর্যের ক্রম: O > Si > Al > Fe।
ধাতুর মধ্যে: Al (প্রায় 8%) > Fe (প্রায় 5%)।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৮৬. নিচের কোনটি একটি উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম (Open Source Operating System)?
- ক. Red Hat Linux
- খ. Windows 98
- গ. Windows XP
- ঘ. DOS
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. Red Hat Linux
যে অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড (Source Code), অর্থাৎ প্রোগ্রামের মূল লেখা সবার জন্য খোলা থাকে, তাকে উন্মুক্ত বা ওপেন সোর্স (Open Source) অপারেটিং সিস্টেম বলে। যে কেউ সেই কোড দেখতে, বদলাতে এবং অন্যকে দিতে পারে। Red Hat Linux হলো Linux-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি উন্মুক্ত। Linux-এর কার্নেল (Kernel) ১৯৯১ সালে তৈরি করেন লিনাস টরভাল্ডস (Linus Torvalds)। অন্যদিকে Windows 98, Windows XP ও DOS তিনটিই Microsoft-এর মালিকানাধীন সফটওয়্যার, তাই এদের সোর্স কোড সবার জন্য খোলা নয়।
মনে রাখুন:
ওপেন সোর্স: Linux ও এর ডিস্ট্রিবিউশন (Red Hat, Ubuntu, Fedora, Debian)। Android-ও Linux কার্নেলের ওপর তৈরি।
মালিকানাধীন (Proprietary): Windows, MS-DOS, macOS। - ৮৭. কোন ধরনের প্রিন্টার সবচেয়ে দ্রুতগতিতে উন্নতমানের প্রিন্ট প্রদানে সক্ষম?
- ক. ইংকজেট প্রিন্টার
- খ. লেজার প্রিন্টার
- গ. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
- ঘ. বাবল জেট প্রিন্টার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. লেজার প্রিন্টার
লেজার প্রিন্টার (Laser Printer) লেজার রশ্মি, একটি ঘূর্ণায়মান ড্রাম (Drum) এবং টোনার (Toner) নামের শুকনো কালির গুঁড়া ব্যবহার করে। এটি একবারে পুরো পৃষ্ঠা ছাপে, তাই খুব দ্রুত কাজ করে এবং ছাপাও হয় ঝকঝকে। ইংকজেট ও বাবল জেট (Bubble Jet) প্রিন্টার তরল কালির ক্ষুদ্র ফোঁটা ছিটিয়ে লাইন ধরে ছাপে, ফলে এরা তুলনামূলক ধীর। ডট ম্যাট্রিক্স (Dot Matrix) প্রিন্টার ইমপ্যাক্ট (Impact) ধরনের, অর্থাৎ এর পিন কালির ফিতায় আঘাত করে ছাপে। তাই এতে শব্দ বেশি হয় ও ছাপার মান কম, তবে এর সুবিধা হলো কার্বন কপি করা যায়।
মনে রাখুন:
লেজার প্রিন্টার পৃষ্ঠা-ভিত্তিক (Page Printer), টোনার ব্যবহার করে, সবচেয়ে দ্রুত ও উন্নতমানের।
ইংকজেট ও বাবল জেট তরল কালি ব্যবহার করে এবং নন-ইমপ্যাক্ট (Non-impact) ধরনের।
প্রিন্টারের গতি মাপা হয় PPM (Pages Per Minute) এককে। - ৯৩. বিজয় লে-আউটে বাংলা লেখার সময় ‘দ’ বর্ণটি লিখতে কিবোর্ডে ইংরেজি কোন বর্ণটি চাপতে হবে?
- ক. R
- খ. K
- গ. G
- ঘ. L
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. L
বিজয় (Bijoy) কিবোর্ড লে-আউটে ইংরেজি L কি (Key) চাপলে ‘দ’ লেখা হয়, আর Shift + L চাপলে ‘ধ’ আসে। একইভাবে K চাপলে ‘ত’, Shift + K চাপলে ‘থ’, R চাপলে ‘প’ এবং Shift + R চাপলে ‘ফ’ পাওয়া যায়। G কি-টি আলাদা কাজ করে, এটি যুক্তবর্ণ তৈরির হসন্ত বা লিংক (Link) কি। বিজয় কিবোর্ডের উদ্ভাবক মোস্তাফা জব্বার (১৯৮৮ সাল)। আর ফোনেটিক পদ্ধতির জনপ্রিয় ইউনিকোডভিত্তিক কিবোর্ড সফটওয়্যার ‘অভ্র’ তৈরি করেছেন মেহদী হাসান খান।
মনে রাখুন:
সাধারণত একটি কি-তে মূল বর্ণ থাকে, আর Shift চাপলে তার জোড়া বর্ণ আসে।
J/Shift+J = ক/খ, K/Shift+K = ত/থ, L/Shift+L = দ/ধ, R/Shift+R = প/ফ, B/Shift+B = ন/ণ।
G = লিংক (হসন্ত)। - ৯৪. কিবোর্ড ব্যবহার করে এমএস ওয়ার্ডে কোনো ফাইল সেভ করতে হলে নিচের কোন কমান্ড ব্যবহার হয়?
- ক. Shift + Save
- খ. Ctrl + S
- গ. Alt + S
- ঘ. Shift + S
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. Ctrl + S
MS Word-এ কোনো ফাইল সেভ (Save) করার কিবোর্ড শর্টকাট (Keyboard Shortcut) হলো Ctrl + S। নতুন ফাইল প্রথমবার সেভ করতে গেলে Save As ডায়ালগ বক্স খুলে যায় এবং ফাইলের নাম জানতে চায়। Shift + Save নামে কোনো কমান্ডই নেই, আর Alt + S বা Shift + S চাপলে ফাইল সেভ হয় না।
মনে রাখুন:
Save = Ctrl + S, Save As = F12।
Open = Ctrl + O, New = Ctrl + N, Print = Ctrl + P।
Undo = Ctrl + Z, Redo = Ctrl + Y। - ৯৫. বাইনারি পদ্ধতিতে এক কিলোবিট (Kb) = কত বিট?
- ক. ৮ বিট
- খ. ২৫৬ বিট
- গ. ৫১২ বিট
- ঘ. ১০২৪ বিট
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ১০২৪ বিট
কম্পিউটার বাইনারি (Binary) বা ২-ভিত্তিক পদ্ধতিতে কাজ করে। তাই এই পদ্ধতিতে Kilo মানে 2^10 = 1024, আর 1 কিলোবিট (Kb) = 1024 বিট। দশমিক বা SI পদ্ধতিতে অবশ্য Kilo = 1000 ধরা হয়, তখন 1 Kb = 1000 বিট। এখানে ছোট হাতের b মানে বিট (Bit), আর বড় হাতের B মানে বাইট (Byte), এ দুটি আমরা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলি। 1 Byte = 8 Bit, তাই 1 KB (কিলোবাইট) = 1024 Byte = 8192 Bit। ৮ বিট হলো মাত্র ১ বাইটের মান, ১ কিলোবিটের নয়।
মনে রাখুন:
1 Kb = 2^10 = 1024 Bit এবং 1 KB = 1024 Byte।
4 Bit = 1 Nibble, 8 Bit = 1 Byte। - ৯৬. নিচের কোনটি একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস?
- ক. সিডি রম
- খ. হার্ডডিস্ক
- গ. রম (ROM)
- ঘ. সিপিইউ (CPU)
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. সিডি রম
যে স্টোরেজ ডিভাইস থেকে লেজার রশ্মির সাহায্যে ডেটা পড়া হয়, তাকে অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস (Optical Storage Device) বলে। সিডি রম (CD-ROM, Compact Disc Read-Only Memory) এমনই একটি ডিভাইস। একটি সাধারণ সিডির ব্যাস ১২ সেমি (১২০ মিমি) এবং ধারণক্ষমতা প্রায় ৭০০ MB। DVD ও Blu-ray Disc-ও অপটিক্যাল ডিভাইস। হার্ডডিস্ক চৌম্বকীয় (Magnetic) স্টোরেজ, আর ROM হলো সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor) মেমোরি। CPU আসলে কোনো স্টোরেজই নয়, এটি কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
মনে রাখুন:
অপটিক্যাল: CD, DVD, Blu-ray (লেজার দিয়ে পড়া হয়)।
চৌম্বকীয়: Hard Disk, Floppy Disk, Magnetic Tape।
সেমিকন্ডাক্টর: RAM, ROM, Pen Drive, SSD। - ৯৭. নিচের কোনটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার?
- ক. এমএস ওয়ার্ড
- খ. এমএস পাওয়ারপয়েন্ট
- গ. এমএস এক্সেল
- ঘ. এমএস অ্যাক্সেস
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. এমএস এক্সেল
স্প্রেডশিট (Spreadsheet) সফটওয়্যারে সারি (Row) ও কলামের (Column) ছকে সংখ্যা রাখা হয়, আর ছকের প্রতিটি ঘরকে সেল (Cell) বলে। সূত্র (Formula) দিয়ে এই সংখ্যাগুলো থেকে হিসাব-নিকাশ, তালিকা ও চার্ট তৈরি করা যায়। MS Excel এমনই একটি সফটওয়্যার। MS Word হলো ওয়ার্ড প্রসেসর (Word Processor), MS PowerPoint দিয়ে প্রেজেন্টেশন (Presentation) বানানো হয়, আর MS Access হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) সফটওয়্যার। অন্য স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো Lotus 1-2-3, Google Sheets ও LibreOffice Calc। প্রথম স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম ছিল VisiCalc।
মনে রাখুন:
Word = Word Processor, Excel = Spreadsheet, PowerPoint = Presentation, Access = Database।
একটি Excel ফাইলকে ওয়ার্কবুক (Workbook) বলে, তার প্রতিটি পাতা একটি Worksheet। - ৯৮. নিচের কোনটি একটি ভিডিও ফাইল ফরম্যাটের এক্সটেনশন?
- ক. .jpg
- খ. .exe
- গ. .mpg
- ঘ. .bmp
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. .mpg
ফাইলের নামের শেষে ডটের (.) পরের অংশটিকে এক্সটেনশন (Extension) বলে, আর এটি দেখেই ফাইলের ধরন বোঝা যায়। .mpg (বা .mpeg) হলো MPEG (Moving Picture Experts Group) মানের ভিডিও ফাইলের এক্সটেনশন। .jpg ও .bmp ছবির (Image) ফাইল। আর .exe হলো এক্সিকিউটেবল (Executable) ফাইল, অর্থাৎ যে প্রোগ্রাম সরাসরি চালানো যায়। তাই ভিডিও ফরম্যাট হিসেবে শুধু .mpg-ই সঠিক।
মনে রাখুন:
ভিডিও: .mpg/.mpeg, .mp4, .avi, .mkv, .wmv, .mov।
ছবি: .jpg, .bmp, .png, .gif।
অডিও: .mp3, .wav।
প্রোগ্রাম: .exe। - ৯৯. নিচের কোনটি দ্বারা সর্বাপেক্ষা দ্রুত ডেটা পরিবহন করা যায়?
- ক. টুইস্টেড পেয়ার কেবল
- খ. কোএক্সিয়াল কেবল
- গ. ক্যাট-৫ কেবল
- ঘ. ফাইবার অপটিক কেবল
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ফাইবার অপটিক কেবল
ফাইবার অপটিক কেবল (Fibre Optic Cable) কাচ বা প্লাস্টিকের খুব সরু তন্তুর ভেতর দিয়ে আলোর পালস (Light Pulse) আকারে ডেটা পাঠায়। আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) মাধ্যমে এই তন্তুর ভেতর দিয়ে চলে। তাই এর গতি ও ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) সবচেয়ে বেশি, আর বৈদ্যুতিক-চৌম্বকীয় হস্তক্ষেপও (Electromagnetic Interference) প্রায় হয় না। টুইস্টেড পেয়ার ও কোএক্সিয়াল কেবল তামার তারে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়, তাই এরা তুলনামূলক ধীর। Cat-5 আলাদা কোনো কেবল নয়, এটি টুইস্টেড পেয়ার কেবলেরই একটি ক্যাটাগরি, যা সাধারণত 100 Mbps পর্যন্ত গতি দেয়। নামটি আধুনিক শোনালেও এটি ফাইবার অপটিকের চেয়ে ধীর।
মনে রাখুন:
ফাইবার অপটিক আলো দিয়ে ডেটা পাঠায়, সবচেয়ে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য।
Twisted Pair (Cat-5, Cat-6 ইত্যাদি) ও Coaxial তামার তারে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়।
বাংলাদেশ ২০০৬ সালে কক্সবাজারের মাধ্যমে প্রথম সাবমেরিন কেবল SEA-ME-WE 4-এ যুক্ত হয়। - ১০০. কোনো কম্পিউটারকে অন্য কোনো কম্পিউটারের সাথে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করতে হলে নিচের কোনটি প্রয়োজন?
- ক. বায়োস
- খ. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
- গ. রম
- ঘ. কাপলার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
একটি কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (Network Interface Card, NIC) লাগে। একে LAN কার্ড বা Ethernet কার্ডও বলা হয়। প্রতিটি NIC-এর একটি আলাদা হার্ডওয়্যার ঠিকানা থাকে, যার নাম MAC Address (৪৮ বিটের)। অন্য option-গুলো এ কাজ করে না। BIOS কম্পিউটার চালু (Boot) করার প্রোগ্রাম, ROM স্থায়ী মেমোরি, আর কাপলার (Coupler) মূলত দুটি তার বা কেবল জোড়া লাগানোর যন্ত্রাংশ।
মনে রাখুন:
NIC হলো কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগকারী হার্ডওয়্যার, প্রতিটির নিজস্ব MAC Address আছে।
অন্য নেটওয়ার্ক ডিভাইস: Hub, Switch, Router, Modem।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক): অন্যান্য পরীক্ষা
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোর্ট পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন জুনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন