পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১১। ৪৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. কোনটি সঠিক?
- ক. ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী
- খ. ভাষা ব্যাকরণের অনুগামী
- গ. ব্যাকরণ শিক্ষার অনুগামী
- ঘ. ব্যাকরণ শব্দ যন্ত্রের অনুগামী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী
ভাষা আগে সৃষ্টি হয় এবং মানুষ মুখে মুখে তা ব্যবহার করে। পরে বৈয়াকরণেরা সেই প্রচলিত ভাষার নিয়মগুলো বিশ্লেষণ করে ব্যাকরণ (Grammar) তৈরি করেন। তাই ব্যাকরণ ভাষার অনুগামী, অর্থাৎ ভাষাকে অনুসরণ করে চলে। ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি হয় না, বরং ভাষা বদলালে ব্যাকরণের নিয়মও বদলায়। আর শিক্ষা বা ‘শব্দ যন্ত্র’-কে অনুসরণ করা ব্যাকরণের কাজ নয়।
মনে রাখুন:
আগে ভাষা, পরে ব্যাকরণ। ব্যাকরণ ভাষার নিয়ম বর্ণনা ও বিশ্লেষণ করে, ভাষাকে তৈরি করে না।
‘ব্যাকরণ’ শব্দের গঠন বি + আ + √কৃ + অন, যার অর্থ ‘বিশেষভাবে বিশ্লেষণ’। - ২. সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয় কোন পদে?
- ক. বিশেষ্য ও বিশেষণে
- খ. বিশেষ্য ও সর্বনামে
- গ. ক্রিয়া ও সর্বনামে
- ঘ. বিশেষণ ও ক্রিয়ায়
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ক্রিয়া ও সর্বনামে
সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে। সর্বনামে তাহারা বদলে হয় তারা, তাহাকে হয় তাকে, যাহা হয় যা। ক্রিয়াপদে করিতেছি হয় করছি, খাইয়াছিল হয় খেয়েছিল, যাইব হয় যাব। অনুসর্গেও (Postposition) কিছু পার্থক্য হয়, যেমন হইতে বদলে হয় থেকে আর দিয়া বদলে হয় দিয়ে। কিন্তু বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপ সাধারণত বদলায় না, যেমন ‘ভাত’ বা ‘সুন্দর’। অন্যদিকে চলিত রীতির ভিত্তি হলো ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মৌখিক ভাষা।
মনে রাখুন:
সাধু থেকে চলিতে রূপান্তরে মূলত সর্বনাম, ক্রিয়াপদ ও অনুসর্গ বদলায়: তাহারা তারা, করিতেছিল করছিল, হইতে থেকে।
বিশেষ্য ও বিশেষণ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে।
দুটি পদই একসঙ্গে মিলতে হবে। শুধু সর্বনাম বা শুধু ক্রিয়ায় মিল দেখে আধাআধি জোড়া বেছে নিলে ভুল হয়, সঠিক জোড়া ক্রিয়া ও সর্বনাম। - ৩. 'গিন্নি' কোন প্রকার শব্দ?
- ক. অর্ধ-তৎসম
- খ. দেশি
- গ. বিদেশি
- ঘ. সংস্কৃত
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. অর্ধ-তৎসম
‘গিন্নি’ এসেছে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ ‘গৃহিণী’ থেকে। যে সংস্কৃত শব্দ লোকমুখে কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় চলে, তাকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। ‘গৃহিণী’ বদলে হয়েছে ‘গিন্নি’, তাই এটি অর্ধ-তৎসম। শব্দটির মূল সংস্কৃত বলে অনেকে ‘সংস্কৃত’ বেছে নেয়, কিন্তু অবিকৃত রূপ ‘গৃহিণী’ হলো তৎসম, আর বদলে যাওয়া রূপ ‘গিন্নি’ অর্ধ-তৎসম। দেশি শব্দ এসেছে এদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে (কুলা, ঢেঁকি, ডাব), আর বিদেশি শব্দ আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি ভাষা থেকে।
উদাহরণ: জ্যোৎস্না > জ্যোছনা, শ্রাদ্ধ > ছেরাদ্দ, কুৎসিত > কুচ্ছিত, নিমন্ত্রণ > নেমন্তন্ন, বৈষ্ণব > বোষ্টম। - ৪. 'প্রতিদিন ফুল ফুটত'– কোন কাল?
- ক. সাধারণ অতীত
- খ. ঘটমান অতীত
- গ. পুরাঘটিত অতীত
- ঘ. নিত্যবৃত্ত অতীত
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. নিত্যবৃত্ত অতীত
অতীতকালে যে কাজ নিয়মিত বা অভ্যাসবশত ঘটত, তা বোঝাতে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল (Habitual Past) ব্যবহার করা হয়। ‘প্রতিদিন ফুল ফুটত’ বাক্যে ‘প্রতিদিন’ শব্দটি নিয়মিততা বোঝাচ্ছে, আর ক্রিয়ায় আছে ‘-ত’ বিভক্তি (ফুট + ত)। তাই এটি নিত্যবৃত্ত অতীত। একই ক্রিয়া অন্য অতীত কালে বদলে যায়: সাধারণ অতীতে ফুল ফুটল, ঘটমান অতীতে ফুল ফুটছিল, পুরাঘটিত অতীতে ফুল ফুটেছিল।
উদাহরণ: আমরা রোজ বিকেলে নদীতীরে বেড়াতাম।
মনে রাখুন:
রোজ, প্রতিদিন, প্রায়ই এ ধরনের শব্দের সঙ্গে ক্রিয়ায় -ত/-তাম/-তেন (করত, করতাম, করতেন) থাকলে নিত্যবৃত্ত অতীত।
-ল: সাধারণ অতীত।
-ছিল: ঘটমান অতীত।
-এছিল: পুরাঘটিত অতীত। - ৫. 'আকাশ' শব্দের প্রতিশব্দ কোনগুলো?
- ক. অলক, কুন্তল, চিকুর
- খ. অনল, পাবক, বহ্নি
- গ. ব্যোম, অন্তরীক্ষ, শূন্য
- ঘ. ধরিত্রী, মহী, মেদিনী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ব্যোম, অন্তরীক্ষ, শূন্য
‘আকাশ’ শব্দের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ (Synonym) হলো ব্যোম, অন্তরীক্ষ ও শূন্য। আকাশের আরও প্রতিশব্দ আছে, যেমন গগন, নভঃ, অম্বর ও আসমান। বাকি option-গুলো অন্য শব্দের প্রতিশব্দ: অলক, কুন্তল, চিকুর মানে চুল; অনল, পাবক, বহ্নি মানে আগুন; আর ধরিত্রী, মহী, মেদিনী মানে পৃথিবী।
মনে রাখুন:
প্রতিশব্দের প্রশ্নে প্রতিটি option-এর শব্দগুচ্ছ কোন শব্দের, তা চিনে নিতে হয়।
আকাশ: ব্যোম, অন্তরীক্ষ, গগন, নভঃ, অম্বর।
আগুন: অনল, পাবক, বহ্নি।
চুল: অলক, কুন্তল, চিকুর।
পৃথিবী: ধরিত্রী, মহী, মেদিনী। - ৬. 'শশাঙ্ক' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. শশ + অঙ্ক
- খ. শস + অঙ্ক
- গ. মশা + অঙ্ক
- ঘ. শম + অঙ্ক
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. শশ + অঙ্ক
‘শশাঙ্ক’ = শশ + অঙ্ক। এখানে অ-কারান্ত ‘শশ’-এর পর অ দিয়ে শুরু ‘অঙ্ক’ এসেছে। স্বরসন্ধির (Vowel Sandhi) নিয়মে অ + অ = আ হয় এবং আ-কার আগের বর্ণে যুক্ত হয়, তাই শশাঙ্ক গঠিত হয়েছে। শশ মানে খরগোশ, অঙ্ক মানে কোল বা চিহ্ন। যার গায়ে খরগোশের মতো চিহ্ন দেখা যায়, সেই শশাঙ্ক, অর্থাৎ চাঁদ। শস, মশা বা শম যোগ করলে ‘শশাঙ্ক’ গঠিত হয় না।
উদাহরণ: নব + অন্ন = নবান্ন, পরম + অণু = পরমাণু, হিম + আলয় = হিমালয় (অ + আ = আ), বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
মনে রাখুন: স্বরসন্ধিতে অ/আ + অ/আ = আ। - ৭. 'রুই-কাতলা' বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. ক্ষমতাশালী ব্যক্তি
- খ. সম্মানিত ব্যক্তি
- গ. নগণ্য ব্যক্তি
- ঘ. জ্ঞানী ব্যক্তি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ক্ষমতাশালী ব্যক্তি
‘রুই-কাতলা’ বাগধারার অর্থ ক্ষমতাশালী বা প্রভাবশালী ব্যক্তি, যাকে চলতি ভাষায় হোমরাচোমরা বলা হয়। রুই ও কাতলা বড় আকারের মাছ, তাই সমাজের ‘বড়’ বা প্রভাবশালী মানুষ বোঝাতে কথাটি ব্যবহার করা হয়। এর বিপরীত বাগধারা ‘চুনোপুঁটি’, যার অর্থ নগণ্য বা সামান্য ব্যক্তি।
মনে রাখুন:
বড় মাছ বোঝায় বড় মানুষ: রুই-কাতলা (প্রভাবশালী ব্যক্তি), রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাধর)।
ছোট মাছ বোঝায় ছোট মানুষ: চুনোপুঁটি (নগণ্য ব্যক্তি)।
কই মাছের প্রাণ: যা সহজে মরে না। - ৮. কোনটি একবচনের উদাহরণ?
- ক. বনে বাঘ থাকে
- খ. শিক্ষক ছাত্র পড়াচ্ছেন
- গ. লোকে বলে
- ঘ. মানুষ মরণশীল
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. শিক্ষক ছাত্র পড়াচ্ছেন
বচন (Number) নির্ণয় করতে হয় শব্দের রূপ দেখে নয়, অর্থ দেখে। ‘শিক্ষক ছাত্র পড়াচ্ছেন’ বাক্যে একজন নির্দিষ্ট শিক্ষক এখন পড়াচ্ছেন, তাই ‘শিক্ষক’ একবচন। বাকি তিনটি বাক্যে শব্দ একবচনের রূপে থাকলেও অর্থ বহুবচনের। ‘বনে বাঘ থাকে’ মানে সব বাঘই বনে থাকে, ‘লোকে বলে’ মানে অনেক লোক বলে, আর ‘মানুষ মরণশীল’ মানে সব মানুষই মরণশীল। এভাবে পুরো জাতি বা শ্রেণিকে বোঝাতে একবচনের রূপ বহুবচন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ‘-রা’ বা ‘-গুলো’ জাতীয় চিহ্ন নেই দেখে অনেকে এগুলোকে একবচন ভাবে, কিন্তু অর্থে এরা বহুবচন।
মনে রাখুন: জাতি বা শ্রেণি বোঝালে একবচনের রূপও বহুবচন অর্থ দেয়। একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা একটি নির্দিষ্ট বস্তু বোঝালে তবেই একবচন। - ৯. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান'– এখানে 'টাপুর টুপুর' কোন ধরনের শব্দ?
- ক. অবস্থাবাচক শব্দ
- খ. বাক্যালংকার শব্দ
- গ. ধ্বন্যাত্মক শব্দ
- ঘ. যোগরূঢ় শব্দ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ধ্বন্যাত্মক শব্দ
‘টাপুর টুপুর’ বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার শব্দের অনুকরণে তৈরি। প্রকৃতির কোনো শব্দ বা অনুভূতির অনুকরণে যে শব্দ গঠিত হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ (Onomatopoeic Word) বলে, তাই ‘টাপুর টুপুর’ ধ্বন্যাত্মক শব্দ। গঠনের দিক থেকে এটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তিরও উদাহরণ। বাকি ধরনগুলো আলাদা: বাক্যালংকার শব্দ বাক্যের সৌন্দর্য বা জোর বাড়ায় (যেমন ‘কত না হারানো স্মৃতি’-র ‘না’), আর যোগরূঢ় শব্দ সমাসে গঠিত হয়ে একটি বিশেষ অর্থ পায় (পঙ্কজ = পদ্ম, জলধি = সমুদ্র)।
উদাহরণ: ঝমঝম (বৃষ্টি), কলকল (নদী), শনশন (বাতাস), কা কা (কাক), কিচিরমিচির (পাখি)। - ১০. 'গুরুজনে কর শ্রদ্ধা'– বাক্যে 'গুরুজনে' কোন কারক?
- ক. কর্তৃকারক
- খ. অপাদান কারক
- গ. করণ কারক
- ঘ. কর্মকারক
- ঙ. অধিকরণ কারক
উত্তর: ঘ. কর্মকারক
‘গুরুজনে কর শ্রদ্ধা’ বাক্যে শ্রদ্ধা করার কাজটি গুরুজনকে লক্ষ্য করে। ক্রিয়াকে ‘কাকে শ্রদ্ধা কর?’ প্রশ্ন করলে উত্তর আসে ‘গুরুজনে’ (অর্থাৎ গুরুজনকে), তাই এটি কর্মকারক। প্রচলিত ছয় কারকের হিসাবে একে ‘সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি’-র উদাহরণও বলা হয়, যেমন ‘অন্ধজনে দেহ আলো’। তবে অনেক বৈয়াকরণ সম্প্রদানকে আলাদা কারক না ধরে কর্মকারকেরই অংশ হিসেবে দেখান, কারণ দুটিই ‘কাকে’ প্রশ্নের উত্তর দেয়। দেওয়া option-এ সম্প্রদান কারক নেই, তাই কর্মকারকই সঠিক। ‘গুরুজনে’-র শেষে ‘-এ’ বিভক্তি দেখে অনেকে অধিকরণ কারক বেছে নেয়। কিন্তু ‘-এ’ বিভক্তি প্রায় সব কারকেই বসতে পারে, আর এখানে গুরুজন শ্রদ্ধার পাত্র, কোনো স্থান বা কাল নয়।
মনে রাখুন:
কারক নির্ণয় হয় ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক দেখে, বিভক্তি দেখে নয়।
‘কাকে?’ প্রশ্নের উত্তর কর্ম।
অধিকরণ হয় শুধু স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালে, যেমন বনে বাঘ আছে, প্রভাতে সূর্য ওঠে। - ২০. বাংলাপিডিয়া কোন প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করে?
- ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. বাংলা একাডেমি
- গ. শিল্পকলা একাডেমি
- ঘ. এশিয়াটিক সোসাইটি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. এশিয়াটিক সোসাইটি
বাংলাপিডিয়া (Banglapedia) হলো বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ (National Encyclopedia of Bangladesh), যা প্রকাশ করে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ। এর প্রথম সংস্করণ বের হয় ২০০৩ সালে, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় ১০ খণ্ডে। এশিয়াটিক সোসাইটি ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় ৩ জানুয়ারি ১৯৫২, তখন নাম ছিল এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান। স্বাধীনতার পর নাম হয় এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ। এটি কলকাতার বিখ্যাত এশিয়াটিক সোসাইটি (১৭৮৪ সালে স্যার উইলিয়াম জোন্স প্রতিষ্ঠিত) থেকে আলাদা প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখুন:
বাংলাপিডিয়া: এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ (প্রথম সংস্করণ ২০০৩, ১০ খণ্ড)।
এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ১৯৫২, ঢাকা। - ২৮. 'এ গোল্ডেন এজ' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- ক. হিলারি ক্লিনটন
- খ. মার্গারেট থ্যাচার
- গ. তাহমিমা আনাম
- ঘ. অরুন্ধতী রায়
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. তাহমিমা আনাম
‘এ গোল্ডেন এজ’ (A Golden Age) বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লেখিকা তাহমিমা আনামের লেখা ইংরেজি উপন্যাস। ২০০৭ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের পটভূমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। উপন্যাসটি প্রথম গ্রন্থ বিভাগে কমনওয়েলথ রাইটার্স প্রাইজ (২০০৮) লাভ করে। এটি তাঁর ত্রয়ীর প্রথম উপন্যাস, পরের দুটি ‘The Good Muslim’ ও ‘The Bones of Grace’। অন্য নামগুলো আলাদা পরিচয়ের: অরুন্ধতী রায় ভারতীয় লেখিকা, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘The God of Small Things’ (বুকার পুরস্কার, ১৯৯৭)। হিলারি ক্লিনটন ও মার্গারেট থ্যাচার মূলত রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
A Golden Age (২০০৭): তাহমিমা আনাম, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ইংরেজি উপন্যাস।
একই লেখিকার আরও দুটি: The Good Muslim ও The Bones of Grace।
The God of Small Things: অরুন্ধতী রায়। - ৩৩. বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
- ক. ১৬৬তম
- খ. ১৫৬তম
- গ. ১৪৬তম
- ঘ. ১৩৬তম
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ১৩৬তম
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। এটি ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশন। এর কয়েক দিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে এবং এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। বর্তমানে সদস্য রাষ্ট্র ১৯৩টি। ১৩৬তম সদস্য হওয়ার তথ্যটি সংখ্যার ক্রমসহ আলাদা করে মনে রাখা দরকার, কারণ বিকল্পগুলোর সংখ্যা কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘে বাংলাদেশ: ১৩৬তম সদস্য, ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ (২৯তম অধিবেশন)।
বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ: ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪। - ৩৯. ২০১১ সালের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) কয়টি আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করত?
- ক. ৬০টি
- খ. ৩২টি
- গ. ১৩টি
- ঘ. ৬টি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ৬টি
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI) দেশের জাতীয় মান সংস্থা (National Standards Body)। এটি পণ্যের মান নির্ধারণ, পরীক্ষা ও মান সনদ প্রদান করে এবং ওজন ও পরিমাপের মান নিয়ন্ত্রণ করে। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে, আর এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার তেজগাঁওয়ে। ২০১১ সালে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ের বাইরে বিএসটিআই ৬টি আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করত।
হালনাগাদ: পরে বিএসটিআই-এর কার্যক্রম অনেক বিস্তৃত হয়েছে। এখন এটি বিভাগীয় অফিসের পাশাপাশি আরও বহু আঞ্চলিক ও জেলা অফিসের মাধ্যমে কাজ করে।
মনে রাখুন:
BSTI হলো জাতীয় মান সংস্থা (প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫, শিল্প মন্ত্রণালয়, প্রধান কার্যালয় তেজগাঁও, ঢাকা)।
২০১১ সালে আঞ্চলিক অফিস ছিল ৬টি।
ইংরেজি
- ১১. Fill in the blank with the correct preposition: I am not bad ____ tennis.
- ক. in
- খ. at
- গ. on
- ঘ. about
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. at
এই প্রশ্নে বিশেষণের (Adjective) সঙ্গে সঠিক preposition বাছাই করতে হবে। কোনো কাজে বা খেলায় দক্ষতা বোঝাতে good বা bad-এর পরে at বসে। তাই সঠিক বাক্য: I am not bad at tennis. অর্থাৎ আমি টেনিসে খারাপ নই, বরং বেশ ভালোই খেলি। Bad in tennis, bad on tennis বা bad about tennis প্রচলিত ইংরেজি নয়। Bad about অবশ্য অনুশোচনা বোঝাতে বসে, আর bad for বোঝায় ক্ষতিকর।
উদাহরণ: I feel bad about what I said (যা বলেছি তার জন্য খারাপ লাগছে)। Smoking is bad for health (ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর)।
মনে রাখুন:
দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝাতে Adjective + at: good at, bad at, clever at, expert at, quick at।
Good/bad for মানে উপকারী বা ক্ষতিকর।
Feel bad about মানে কোনো কিছুর জন্য অনুশোচনা হওয়া। - ১২. Three-fourths of the work ____ finished.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৬, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
- ক. have been
- খ. has been
- গ. had
- ঘ. were
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. has been
ভগ্নাংশ বা শতাংশ (three-fourths, half, 50 percent ইত্যাদি) + of + noun থাকলে verb মেলে of-এর পরের noun-এর সঙ্গে। এখানে ‘work’ অগণনীয় (Uncountable) noun, তাই verb হবে singular: Three-fourths of the work has been finished. ‘Have been’ ও ‘were’ plural verb, তাই ভুল। ‘Had’ বসালে be-verb ছাড়া Passive গঠনই হয় না, অথচ কাজটি শেষ ‘করা হয়েছে’ বোঝাতে has/have + been + V3 লাগে। Three-fourths শব্দটি বহুবচনের মতো দেখায় বলে অনেকে have been বেছে নেয়, কিন্তু verb নির্ধারণ করে of-এর পরের noun ‘work’, যা singular।
উদাহরণ: Half of the money is spent, কিন্তু Half of the students are present। - ১৩. Give the synonym of 'Conjugal'.
- ক. Bridal
- খ. Approval
- গ. Deadly
- ঘ. Disputable
- ঙ. Celibate
উত্তর: ক. Bridal
Conjugal মানে দাম্পত্য বা বৈবাহিক, অর্থাৎ বিবাহ ও স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বিষয়ক। Option-গুলোর মধ্যে শুধু Bridal-ই বিয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই এটি সমার্থক শব্দ (Synonym)। বাকি শব্দগুলোর অর্থ: Approval মানে অনুমোদন, Deadly মানে প্রাণঘাতী, Disputable মানে বিতর্কসাপেক্ষ আর Celibate মানে অবিবাহিত বা ব্রহ্মচারী। Celibate বরং বিবাহের বিপরীত ভাব দেয়।
উদাহরণ: conjugal life (দাম্পত্য জীবন); bridal dress (বিয়ের পোশাক)।
মনে রাখুন:
Synonym: conjugal = marital = matrimonial = nuptial।
শব্দটি এসেছে Latin conjux (স্বামী বা স্ত্রী) থেকে: con- (একসঙ্গে) আর jug- (জোয়াল), অর্থাৎ একই জোয়ালে বাঁধা দুজন। - ১৪. What is the antonym of 'Honorary'?
- ক. Salaried
- খ. Literary
- গ. Honourable
- ঘ. Official
- ঙ. Voluntary
উত্তর: ক. Salaried
Honorary মানে অবৈতনিক, অর্থাৎ বেতন ছাড়া সম্মানের জন্য করা কাজ। শব্দটির আরেক অর্থ সম্মানসূচক। এর বিপরীত শব্দ (Antonym) Salaried, যার অর্থ বেতনভুক্ত বা বৈতনিক। অন্য শব্দগুলো মেলে না: Literary মানে সাহিত্য-সম্পর্কিত, Honourable মানে সম্মানিত বা মাননীয়, Official মানে দাপ্তরিক আর Voluntary মানে স্বেচ্ছামূলক, যা বরং Honorary-র কাছাকাছি অর্থ দেয়, বিপরীত নয়। Honour মূল দেখে অনেকে Honourable বেছে নেয়, কিন্তু সেটি কেবল একই মূলের শব্দ।
উদাহরণ: honorary secretary (অবৈতনিক সম্পাদক); honorary degree (সম্মানসূচক ডিগ্রি)।
মনে রাখুন:
Honorary = unpaid (অবৈতনিক), বিপরীত Salaried বা Paid।
Honorary (অবৈতনিক, সম্মানসূচক) আর Honourable (সম্মানিত) আলাদা শব্দ। - ১৫. Choose the correct sentence.
- ক. Would you mind close the door?
- খ. Would you mind closing the door?
- গ. Would you mind to close the door?
- ঘ. Would you mind in closing the door?
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Would you mind closing the door?
‘Would you mind’-এর পরে সবসময় Gerund (V-ing) বসে, মাঝে কোনো to বা preposition লাগে না। তাই সঠিক বাক্য: Would you mind closing the door? অর্থাৎ দরজাটা বন্ধ করবেন কি? বাকি তিনটি বাক্য ভুল: একটিতে V-ing-এর বদলে মূল রূপ close বসেছে, একটিতে to-infinitive আছে, আর একটিতে অপ্রয়োজনীয় preposition in বসেছে। নিজে কিছু করার অনুমতি চাইলে গঠন হয়: Would you mind if I closed the door?
মনে রাখুন:
Mind, avoid, enjoy, finish, deny, postpone ও can't help-এর পরে Gerund (V-ing) বসে।
উদাহরণ: Would you mind waiting? / He avoided meeting me. - ১৬. Which is the adverb form of the word 'heart'?
- ক. heartened
- খ. heartily
- গ. hearty
- ঘ. heartening
- ঙ. heartless
উত্তর: খ. heartily
Heart হলো Noun, অর্থ হৃদয়। এর Adjective রূপ hearty, অর্থ আন্তরিক বা প্রাণখোলা, যেমন a hearty welcome। Hearty-র পরে -ly যোগ হয়ে হয় heartily, যা Adverb এবং অর্থ আন্তরিকভাবে বা প্রাণভরে। তাই Adverb রূপ heartily। বাকি শব্দগুলো অন্য রূপের: heartened মানে উৎসাহিত, যা verb hearten-এর past participle। Heartening মানে উৎসাহব্যঞ্জক, যা present participle এবং বিশেষণ হিসেবেও বসে। Hearty হলো Adjective, আর heartless মানে নির্দয় বা হৃদয়হীন, এটিও Adjective।
উদাহরণ: They laughed heartily.
মনে রাখুন: Adjective + -ly = Adverb। Adjective-এর শেষে consonant + y থাকলে y বদলে i হয়: hearty > heartily, happy > happily, easy > easily। - ১৭. Identify the correct use of 'since'.
- ক. It has been raining since last five days
- খ. It works since morning
- গ. I saw him last night since
- ঘ. He has been staying with us since Monday last
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. He has been staying with us since Monday last
Since বসে নির্দিষ্ট সময়বিন্দুর (Point of Time) আগে, যেমন since Monday, since 2010, since morning। অতীত থেকে এখনও চলমান কাজ বোঝাতে মূল clause-এ Present Perfect বা Present Perfect Continuous লাগে। He has been staying with us since Monday last. মানে সে গত সোমবার থেকে আমাদের সঙ্গে আছে। এই বাক্য দুটি শর্তই পূরণ করে। অন্য বাক্যগুলো ঠিক নয়। প্রথমটিতে ‘five days’ একটি সময়কাল (Period), তাই শুদ্ধ রূপ It has been raining for the last five days. দ্বিতীয়টিতে tense ভুল, শুদ্ধ রূপ It has been working since morning. তৃতীয়টিতে since-এর অবস্থান ও অর্থ দুটোই অচল।
মনে রাখুন:
Since + সময়বিন্দু: since Monday, since 2010।
For + সময়কাল: for five days, for two hours।
দুই ক্ষেত্রেই মূল verb সাধারণত Present Perfect (Continuous) হয়। - ১৮. Which is the best passive form of the sentence "I don't like idle people"?
- ক. I am not liked by the idle people
- খ. Idle people are not like me
- গ. Idle people are not liked by me
- ঘ. Idle people are not of my liking
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. Idle people are not liked by me
Present Indefinite Tense-এর না-বোধক বাক্যকে Passive Voice-এ রূপান্তরের সময় Active বাক্যের object ‘idle people’ হয় নতুন subject। Verb হয় are + not + V3 (liked), আর মূল subject ‘I’ by-এর পরে objective রূপ ‘me’ হয়ে বসে: Idle people are not liked by me. অর্থাৎ অলস লোকদের আমি পছন্দ করি না। বাকি বাক্যগুলো ঠিক নয়। ‘I am not liked by the idle people’-এ অর্থ উল্টে গেছে, কারণ এর মানে অলস লোকেরা আমাকে পছন্দ করে না। ‘Idle people are not like me’ মানে তারা আমার মতো নয়, এটি Passive-ই নয়। আর ‘Idle people are not of my liking’ অর্থে কাছাকাছি হলেও আলাদা গঠন, Passive Voice নয়।
মনে রাখুন: Present Indefinite (না-বোধক) থেকে Passive: Object + am/is/are + not + V3 + by + Subject-এর objective রূপ (me, him, them)। Voice বদলালেও বাক্যের অর্থ একই থাকতে হয়। - ১৯. Which one is an adjective?
- ক. Beauty
- খ. Beautiful
- গ. Beautification
- ঘ. Beautifying
- ঙ. Beautifully
উত্তর: খ. Beautiful
Suffix দেখে Parts of Speech চেনা যায়। -ful যুক্ত হয়ে সাধারণত Adjective তৈরি হয়, তাই Beautiful (সুন্দর) হলো Adjective। বাকি শব্দগুলো অন্য শ্রেণির: Beauty মানে সৌন্দর্য, এটি Noun। Beautification মানে সৌন্দর্যবর্ধন, এটিও Noun এবং এতে -tion suffix আছে। Beautifying মানে সুন্দর করা, যা verb beautify-এর present participle বা gerund। Beautifully মানে সুন্দরভাবে, যা Adverb এবং এতে -ly suffix আছে।
মনে রাখুন:
-ful, -ous, -ive, -able: Adjective (beautiful, famous)।
-tion, -ness, -ity: Noun।
-ify, -ize: Verb (beautify)।
Adjective + -ly: Adverb (beautifully)।
সাধারণ জ্ঞান
- ২১. পৃথিবীতে কবে দিন ও রাত্রি সমান হয়?
- ক. ২৩ অক্টোবর ও ২২ ডিসেম্বর
- খ. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
- গ. ২৩ মার্চ ও ২১ সেপ্টেম্বর
- ঘ. ২২ ডিসেম্বর ও ২৩ অক্টোবর
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (Equator) ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, ফলে পৃথিবীর সব জায়গায় দিন ও রাত সমান হয়। এই দুই দিনকে বিষুব (Equinox) বলে। ২১ মার্চ হলো মহাবিষুব বা বসন্ত বিষুব (Vernal Equinox), আর ২৩ সেপ্টেম্বর হলো জলবিষুব বা শারদ বিষুব (Autumnal Equinox)। অন্যদিকে ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন হয়। ২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখায় লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন উত্তর গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন হয়। এই দুটি দিনকে অয়নান্ত (Solstice) বলে।
মনে রাখুন:
দিন-রাত সমান: ২১ মার্চ (মহাবিষুব) ও ২৩ সেপ্টেম্বর (জলবিষুব)।
উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ২১ জুন, ক্ষুদ্রতম দিন ২২ ডিসেম্বর।
একটি option-এ একই দুই মাস আছে কিন্তু তারিখ উল্টে গেছে (২৩ মার্চ ও ২১ সেপ্টেম্বর)। মনে রাখতে হবে, মার্চে ২১ আর সেপ্টেম্বরে ২৩। - ২৬. হ্যারি পটার কী?
- ক. এক জাতীয় পাত্র
- খ. সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
- গ. এক জাতীয় গুচ্ছ বোমা
- ঘ. এক ধরনের খেলনা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
‘হ্যারি পটার’ (Harry Potter) ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রাওলিং (J. K. Rowling)-এর লেখা সাত খণ্ডের একটি ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ। মূলত শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা এই সিরিজ ইতিহাসের সর্বাধিক বিক্রীত গ্রন্থ-সিরিজ, তাই এটিকে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই বলা হয়েছে। প্রথম খণ্ড ‘Harry Potter and the Philosopher's Stone’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে, আর শেষ খণ্ড ‘Harry Potter and the Deathly Hallows’ ২০০৭ সালে। এর কাহিনি নিয়ে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র সিরিজও তৈরি হয়েছে।
মনে রাখুন: Harry Potter হলো জে. কে. রাওলিংয়ের ৭ খণ্ডের শিশুতোষ ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ (১৯৯৭–২০০৭)। - ৩০. ASEAN-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. Association of Southeast Asian Nations
- খ. Association of South-East African Nations
- গ. Association of South European Asian Nations
- ঘ. Asian Socio-Economic Association of Nations
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. Association of Southeast Asian Nations
ASEAN-এর পূর্ণরূপ Association of Southeast Asian Nations, অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতিসমূহের সংস্থা। ৮ আগস্ট ১৯৬৭ ব্যাংকক ঘোষণার (Bangkok Declaration) মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড, এই ৫টি দেশ সংস্থাটি গঠন করে। এর সচিবালয় ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়। ২০১১ সালে এর সদস্য ছিল ১০টি দেশ। বাংলাদেশ ASEAN-এর সদস্য নয়, তবে ASEAN Regional Forum (ARF)-এর সদস্য।
হালনাগাদ: ২৬ অক্টোবর ২০২৫ পূর্ব তিমুর (Timor-Leste) ASEAN-এর ১১তম সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছে।
মনে রাখুন:
ASEAN প্রতিষ্ঠা ৮ আগস্ট ১৯৬৭ (ব্যাংকক ঘোষণা)।
সচিবালয় জাকার্তা।
প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫টি দেশ। - ৩২. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোনটি?
- ক. ৫ জুন
- খ. ১৫ জুন
- গ. ৫ মে
- ঘ. ১৫ মে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ৫ জুন
বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) প্রতি বছর ৫ জুন পালিত হয়। ১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়। সেই দিনটিকে স্মরণ করে জাতিসংঘ দিবসটি ঘোষণা করে, আর ১৯৭৪ সাল থেকে এটি পালিত হচ্ছে। দিবসটির আয়োজনে নেতৃত্ব দেয় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP), যার সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
মনে রাখুন:
বিশ্ব পরিবেশ দিবস: ৫ জুন।
ধরিত্রী দিবস (Earth Day): ২২ এপ্রিল।
বিশ্ব ওজোন দিবস: ১৬ সেপ্টেম্বর। - ৩৪. START-2 কী?
- ক. টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল
- খ. বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি চুক্তি
- গ. কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
- ঘ. একটি কৃত্রিম উপগ্রহ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
START-এর পূর্ণরূপ Strategic Arms Reduction Treaty, অর্থাৎ কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি। তাই START-2 হলো কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি। START-2 যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ মস্কোতে স্বাক্ষরিত হয় (জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ ও বরিস ইয়েলৎসিন), তবে চুক্তিটি কখনো কার্যকর হয়নি। এর আগে ১৯৯১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে START-1 স্বাক্ষরিত হয়, আর ২০১০ সালে প্রাগে ওবামা ও মেদভেদেভ স্বাক্ষর করেন New START।
মনে রাখুন: START-1 (১৯৯১), START-2 (১৯৯৩), New START (২০১০, প্রাগ)। - ৩৬. ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট কী?
- ক. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন
- খ. ব্রিটিশ রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন
- গ. নিউইয়র্কের একটি উল্লেখযোগ্য রাস্তার নাম
- ঘ. জাতিসংঘের একটি উল্লেখযোগ্য রাস্তার নাম
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন
লন্ডনের ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট (10 Downing Street) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। যুক্তরাজ্যে নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy) চালু, রাষ্ট্রপ্রধান রাজা বা রানি। সেখানে কোনো রাষ্ট্রপতি নেই, তাই রাষ্ট্রপতির বাসভবন বলা ভুল। পাশের ১১ নং ডাউনিং স্ট্রিট ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর (Chancellor of the Exchequer) সরকারি বাসভবন, আর রাজা বা রানির সরকারি বাসভবন বাকিংহাম প্যালেস।
মনে রাখুন:
10 Downing Street: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
11 Downing Street: ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী।
Buckingham Palace: ব্রিটিশ রাজা বা রানি।
White House: মার্কিন প্রেসিডেন্ট। - ৩৭. লন্ডনে বিবিসির প্রধান কার্যালয়ের নাম–
- ক. বুশ হাউস
- খ. হোয়াইটহল
- গ. ব্রডকাস্টিং হাউস
- ঘ. বাকিংহাম প্যালেস
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ব্রডকাস্টিং হাউস
বিবিসি (BBC, British Broadcasting Corporation)-র প্রধান কার্যালয় লন্ডনের ব্রডকাস্টিং হাউস (Broadcasting House), যা ১৯৩২ সাল থেকে বিবিসির সদর দপ্তর। বুশ হাউস (Bush House) ছিল বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের (বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষার বিভাগ) কার্যালয়, পুরো প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় নয়। বিবিসি বাংলার সঙ্গে বুশ হাউসের নাম বহুদিন জড়িয়ে থাকায় অনেকে ভুল করে সেটি বেছে নেয়। হোয়াইটহল (Whitehall) লন্ডনের একটি সড়ক, যার দুপাশে ব্রিটিশ সরকারের বহু মন্ত্রণালয়। আর বাকিংহাম প্যালেস ব্রিটিশ রাজা বা রানির সরকারি বাসভবন।
হালনাগাদ: ২০১২ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস বুশ হাউস ছেড়ে ব্রডকাস্টিং হাউসে চলে আসে, আর ব্রডকাস্টিং হাউসই এখনও বিবিসির সদর দপ্তর।
মনে রাখুন:
BBC সদর দপ্তর: Broadcasting House, লন্ডন (১৯৩২ থেকে)।
Bush House: World Service-এর সাবেক ভবন (২০১২ পর্যন্ত)।
Whitehall: ব্রিটিশ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। - ৪০. ২০১০ সালে কোন বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে পাটের জীবনরহস্য (জিনোম) উন্মোচিত হয়?
- ক. ড. উত্তম দত্ত
- খ. শামসুল করিম
- গ. ড. মাকসুদুল আলম
- ঘ. ড. সানাউল্লাহ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ড. মাকসুদুল আলম
২০১০ সালে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল গবেষক পাটের জীবনরহস্য বা জিনোম (Genome) উন্মোচন করেন। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) ও সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ডেটাসফট এই গবেষণায় যুক্ত ছিল। ১৬ জুন ২০১০ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সাফল্যের ঘোষণা দেওয়া হয়। ড. মাকসুদুল আলম (১৯৫৪–২০১৪) এর আগে পেঁপে ও রাবার গাছের জিনোম গবেষণাতেও যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখুন: পাটের জিনোম উন্মোচন (২০১০) ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে, BJRI ও ডেটাসফটের যৌথ গবেষণায়; ঘোষণা ১৬ জুন ২০১০। - ৪১. বিবিএস-এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত ছিল?
- ক. ৭১০ মার্কিন ডলার
- খ. ৭৫০ মার্কিন ডলার
- গ. ৮৫০ মার্কিন ডলার
- ঘ. ৫৫০ মার্কিন ডলার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৭৫০ মার্কিন ডলার
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) প্রাথমিক বা সাময়িক হিসাব (জুন ২০১০) অনুযায়ী ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় (Per Capita GNI) ছিল ৭৫০ মার্কিন ডলার। একই বছরে মাথাপিছু জিডিপি (Per Capita GDP) ছিল ৬৮৪ ডলার। মাথাপিছু জাতীয় আয় হিসাব হয় মোট জাতীয় আয় (GNI) ÷ মোট জনসংখ্যা দিয়ে। প্রবাসী আয়ের (Remittance) বড় প্রবাহের কারণে বাংলাদেশে মাথাপিছু জাতীয় আয় মাথাপিছু জিডিপির চেয়ে বেশি হয়।
হালনাগাদ: বিবিএস-এর সাময়িক হিসাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
মনে রাখুন:
মাথাপিছু আয় = GNI ÷ জনসংখ্যা।
GNI = GDP + বিদেশ থেকে প্রাপ্ত নিট আয়।
প্রশ্নে কোন অর্থবছরের কোন হিসাব (সাময়িক না চূড়ান্ত) চাওয়া হয়েছে তা খেয়াল রাখতে হয়। ২০০৯-১০ (সাময়িক) হিসাবে ৭৫০ ডলার। - ৪২. ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস-এর বৈশ্বিক শান্তি সূচক (GPI) ২০১০ অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ কোনটি?
- ক. অস্ট্রেলিয়া
- খ. নিউজিল্যান্ড
- গ. কানাডা
- ঘ. জাপান
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. নিউজিল্যান্ড
ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (Institute for Economics and Peace, IEP) প্রতি বছর বৈশ্বিক শান্তি সূচক বা Global Peace Index (GPI) প্রকাশ করে। GPI ২০১০-এ বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ ছিল নিউজিল্যান্ড, আর ওই সূচকে আইসল্যান্ড ২য় ও জাপান ৩য় ছিল। IEP অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সূচকটি তৈরি হয় সামাজিক নিরাপত্তা, চলমান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংঘাত এবং সামরিকীকরণ, এই তিন ক্ষেত্রের বিভিন্ন নির্দেশক মিলিয়ে।
হালনাগাদ: ২০১১ সাল থেকে প্রতিটি GPI-তে আইসল্যান্ড ১ম স্থানে আছে (GPI ২০২৫-এও আইসল্যান্ড শীর্ষে)।
মনে রাখুন: GPI প্রকাশ করে IEP (সিডনি)। GPI ২০০৯ ও ২০১০-এ শীর্ষে নিউজিল্যান্ড, ২০১১ থেকে টানা শীর্ষে আইসল্যান্ড। - ৪৩. ২০১১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা কয়টি ছিল?
- ক. ২৭টি
- খ. ৩১টি
- গ. ২৮টি
- ঘ. ৩০টি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ২৮টি
২০১১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার ছিল ২৮টি। ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হওয়ার পর বিচার (Judicial) ক্যাডার আর বিসিএস-এর অংশ থাকেনি। বিচারকদের নিয়োগ হয় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে। বিসিএস পরীক্ষা নেয় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission, BPSC)।
হালনাগাদ: নভেম্বর ২০১৮-এ ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে একীভূত করার পর থেকে বিসিএস ক্যাডার ২৬টি।
মনে রাখুন: বিসিএস ক্যাডার ২০১১ সালে ছিল ২৮টি, নভেম্বর ২০১৮ থেকে ২৬টি। বিসিএস পরীক্ষা নেয় BPSC। - ৪৪. বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১-এর সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০১০-১১ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশ?
- ক. ২৮.৯৫%
- খ. ২৯.২৫%
- গ. ৩০.৩৮%
- ঘ. ৩৩.৬৩%
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ৩০.৩৮%
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা (Bangladesh Economic Review) প্রতি বছর বাজেটের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ প্রকাশ করে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১-এর সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০১০-১১ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) শিল্প খাতের অবদান ছিল ৩০.৩৮%। আগের অর্থবছরে (২০০৯-১০) এই হার ছিল প্রায় ২৯.৯%, অর্থাৎ শিল্প খাতের অংশ ধীরে ধীরে বাড়ছিল। জিডিপিতে সবচেয়ে বড় অবদান সেবা খাতের, তারপর শিল্প এবং তারপর কৃষি খাত। শিল্প খাতের ভেতরে সবচেয়ে বড় উপখাত ম্যানুফ্যাকচারিং (Manufacturing)।
মনে রাখুন: জিডিপিতে খাতভিত্তিক অবদান (২০১০-১১, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১): সেবা > শিল্প (৩০.৩৮%) > কৃষি। সময়নির্ভর প্রশ্নে কোন বছরের কোন হিসাব চাওয়া হয়েছে, তা আগে মিলিয়ে নিতে হয়।
বিজ্ঞান
- ২২. ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. ব্যারোমিটার
- খ. সেক্সট্যান্ট
- গ. সিসমোগ্রাফ
- ঘ. ম্যানোমিটার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. সিসমোগ্রাফ
ভূমিকম্প নির্ণয় ও রেকর্ড করার যন্ত্র সিসমোগ্রাফ (Seismograph)। এটি ভূমিকম্পের তরঙ্গ (Seismic Wave) রেকর্ড করে। ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) প্রকাশ করা হয় রিখটার স্কেলে (Richter Scale)। অন্য যন্ত্রগুলো আলাদা কাজ করে: ব্যারোমিটার (Barometer) বায়ুর চাপ মাপে, সেক্সট্যান্ট (Sextant) সূর্য বা নক্ষত্রের কৌণিক উচ্চতা মেপে জাহাজের অবস্থান নির্ণয়ে সাহায্য করে, আর ম্যানোমিটার (Manometer) গ্যাস বা তরলের চাপ মাপে।
মনে রাখুন:
সিসমোগ্রাফ: ভূমিকম্প রেকর্ড।
রিখটার স্কেল: ভূমিকম্পের মাত্রা।
ব্যারোমিটার: বায়ুচাপ।
হাইগ্রোমিটার: বাতাসের আর্দ্রতা।
অ্যানিমোমিটার: বাতাসের বেগ। - ২৩. যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য সকল বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হচ্ছে–
- ক. হলুদ-সবুজ-নীল
- খ. লাল-সবুজ-নীল
- গ. লাল-নীল-বেগুনি
- ঘ. লাল-কমলা-বেগুনি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. লাল-সবুজ-নীল
আলোর তিনটি মুখ্য বা মৌলিক বর্ণ (Primary Colours of Light) হলো লাল, সবুজ ও নীল (Red, Green, Blue, সংক্ষেপে RGB)। এদের বিভিন্ন অনুপাতে মেশালে অন্য সব বর্ণ পাওয়া যায়। টেলিভিশন ও কম্পিউটার মনিটরের পর্দায় এই RGB পদ্ধতিতেই রঙিন ছবি তৈরি হয়। হলুদ মুখ্য বর্ণ নয়, কারণ তা লাল ও সবুজের মিশ্রণ। কমলা ও বেগুনিও মুখ্য বর্ণ নয়।
উদাহরণ: লাল + সবুজ = হলুদ; সবুজ + নীল = সায়ান (Cyan); লাল + নীল = ম্যাজেন্টা (Magenta); তিনটি সমান মাত্রায় মিশলে সাদা।
মনে রাখুন: আলোর মুখ্য বর্ণ লাল, সবুজ, নীল (RGB)। দুটি মুখ্য বর্ণ মিশে গৌণ বর্ণ (Secondary Colour) হয়: হলুদ, সায়ান, ম্যাজেন্টা। - ২৪. মুক্তা হলো ঝিনুকের–
- ক. খোলসের টুকরা
- খ. চোখের মণি
- গ. প্রদাহের ফল
- ঘ. জমাট হরমোন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. প্রদাহের ফল
বালুকণা বা পরজীবীর মতো কোনো বাইরের কণা ঝিনুকের দেহের ভেতরে ঢুকে পড়লে সেখানে জ্বালা বা প্রদাহ (Irritation) সৃষ্টি হয়। নিজেকে রক্ষা করতে ঝিনুকের ম্যান্টল (Mantle) কণাটির চারপাশে স্তরে স্তরে ন্যাকার (Nacre) নামের পদার্থ জমা করতে থাকে। এভাবেই ধীরে ধীরে মুক্তা তৈরি হয়, তাই মুক্তা হলো প্রদাহের ফল। এটি খোলসের ভাঙা টুকরা, চোখের অংশ বা জমাট হরমোন নয়।
মনে রাখুন: মুক্তার প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃)। বাইরের কণার কারণে সৃষ্ট প্রদাহ থেকে ঝিনুকের আত্মরক্ষামূলক নিঃসরণ (ন্যাকার) জমেই মুক্তা তৈরি হয়। - ২৫. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম?
- ক. সব মাধ্যমে সমান
- খ. কঠিন পদার্থে
- গ. তরল পদার্থে
- ঘ. বায়বীয় পদার্থে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. বায়বীয় পদার্থে
শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical Wave), তাই এর চলাচলে মাধ্যম লাগে। মাধ্যমের কণাগুলো যত ঘন ও দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকে, শব্দ তত দ্রুত চলে। এ কারণে শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি, তরলে তার চেয়ে কম এবং বায়বীয় পদার্থে (গ্যাসে) সবচেয়ে কম। মাধ্যমভেদে বেগ বদলায়, তাই ‘সব মাধ্যমে সমান’ কথাটি ভুল। আর শূন্য মাধ্যমে (Vacuum) শব্দ চলতেই পারে না।
মনে রাখুন:
মোটামুটি মান: বাতাসে (0°C) প্রায় 332 m/s, পানিতে প্রায় 1480 m/s, আর লোহা বা ইস্পাতে প্রায় 5000 m/s বা তার বেশি।
শব্দের বেগ: কঠিন > তরল > গ্যাস।
আলোর ক্ষেত্রে ঘটে উল্টো, আলো শূন্য মাধ্যমে সবচেয়ে দ্রুত চলে। - ২৯. বর্ষাকালে ভেজা কাপড় শুকাতে দেরি হয়, কারণ–
- ক. বৃষ্টিপাত কম হয়
- খ. সূর্য মেঘে ঢাকা থাকে
- গ. বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে
- ঘ. বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে
কাপড় শুকায় বাষ্পীভবনের (Evaporation) মাধ্যমে, অর্থাৎ কাপড়ের পানি জলীয়বাষ্প হয়ে বাতাসে মিশে যায়। বাতাসে আগে থেকেই জলীয়বাষ্প বেশি থাকলে, অর্থাৎ আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Relative Humidity) বেশি হলে, বাতাস আর বেশি বাষ্প গ্রহণ করতে পারে না। ফলে বাষ্পীভবন ধীর হয়ে যায়। বর্ষাকালে বাতাস প্রায় জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত (Saturated) থাকে, তাই ভেজা কাপড় শুকাতে দেরি হয়। কেউ কেউ ভাবেন সূর্য মেঘে ঢাকা থাকাই আসল কারণ। রোদ কম থাকলে শুকানো ধীর হয় ঠিকই, কিন্তু রোদ থাকলেও বর্ষার ভেজা বাতাসে কাপড় দেরিতে শুকায়। তাই মূল বৈজ্ঞানিক কারণ বাতাসে জলীয়বাষ্পের আধিক্য।
মনে রাখুন:
আর্দ্রতা বেশি হলে বাষ্পীভবন কম হয় এবং কাপড় শুকাতে দেরি হয়।
তাপমাত্রা ও বায়ুপ্রবাহ বাড়লে এবং আর্দ্রতা কমলে বাষ্পীভবন দ্রুত হয়। - ৩১. একখণ্ড বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন–
- ক. বাড়বে
- খ. কমবে
- গ. প্রথম কমবে পরে বাড়বে
- ঘ. একই থাকবে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কমবে
বরফ গলে পানি হলে আয়তন কমে যায়। বরফের ঘনত্ব প্রায় 0.917 g/cm³, আর পানির প্রায় 1 g/cm³। অর্থাৎ একই ভরের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা নেয়। পানি জমে বরফ হলে আয়তন প্রায় ৯% বাড়ে, আবার বরফ গলে পানি হলে আয়তন কমে আসে। এ কারণেই বরফ পানিতে ভাসে। পানির অস্বাভাবিক প্রসারণের (Anomalous Expansion) কথা মনে রেখে অনেকে ‘প্রথমে কমবে, পরে বাড়বে’ বেছে নেয়। কিন্তু প্রশ্নে কেবল বরফ গলিয়ে পানি করার কথা বলা হয়েছে, পানিকে আরও গরম করার কথা নয়, তাই আয়তন শুধু কমবে।
মনে রাখুন:
বরফ থেকে পানি হলে আয়তন কমে; পানি থেকে বরফ হলে প্রায় ৯% বাড়ে।
পানির অস্বাভাবিক প্রসারণ: 0°C-এর পানিকে 4°C পর্যন্ত গরম করলে আয়তন কমে, 4°C-এ ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়, তারপর আরও গরম করলে আয়তন বাড়ে। - ৩৫. হাড় ও দাঁত মজবুত করে–
- ক. আয়োডিন
- খ. আয়রন
- গ. ম্যাগনেসিয়াম
- ঘ. ফসফরাস
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ফসফরাস
হাড় ও দাঁতের প্রধান গাঠনিক উপাদান ক্যালসিয়াম ফসফেট, অর্থাৎ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস মিলে হাড় ও দাঁত মজবুত করে। Option-এ ক্যালসিয়াম নেই, তাই সঠিক উত্তর ফসফরাস। ম্যাগনেসিয়াম অল্প পরিমাণে হাড়ে থাকলেও হাড়-দাঁতের মূল খনিজ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। অন্য খনিজের কাজ আলাদা: আয়োডিন থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে লাগে, অভাবে গলগণ্ড (Goitre) হয়। আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরি করে, অভাবে রক্তস্বল্পতা (Anaemia) হয়। আর অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে ভিটামিন D।
মনে রাখুন:
হাড় ও দাঁত: ক্যালসিয়াম + ফসফরাস (সঙ্গে ভিটামিন D)।
আয়োডিন: থাইরয়েড, অভাবে গলগণ্ড।
আয়রন: হিমোগ্লোবিন, অভাবে রক্তস্বল্পতা। - ৩৮. কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. সাদা
- খ. কালো
- গ. লাল
- ঘ. বেগুনি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কালো
যে তল ভালো তাপ শোষক (Good Absorber), সেটি ভালো তাপ বিকিরকও (Good Emitter)। কালো রং বিকিরিত তাপ সবচেয়ে বেশি শোষণ করে, তাই কালো কাপের গা থেকে তাপও সবচেয়ে দ্রুত বিকিরিত হয়ে বেরিয়ে যায়। ফলে কালো কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়। অন্যদিকে সাদা বা চকচকে তল দুর্বল বিকিরক, তাই সাদা কাপে চা বেশি সময় গরম থাকে। ‘কালো রং তাপ শোষণ করে’, শুধু এটুকু মনে রেখে অনেকে ভাবে কালো কাপে চা বেশি গরম থাকবে। কিন্তু গরম চায়ের কাপ থেকে তাপ বাইরে বিকিরিত হচ্ছে, আর কালো তল সবচেয়ে ভালো বিকিরক। একই কারণে থার্মোফ্লাস্কের ভেতরের দেয়াল চকচকে রাখা হয়, যাতে বিকিরণে তাপ কম হারায়।
মনে রাখুন: ভালো শোষক হলো ভালো বিকিরক। কালো তল দ্রুত গরম হয় এবং দ্রুত ঠান্ডাও হয়; সাদা বা চকচকে তল তাপ কম শোষণ করে এবং কম বিকিরণও করে।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ২৭. ফেসবুকের উদ্ভাবক কে?
- ক. মার্ক জাকারবার্গ
- খ. ম্যাক্সিম গোর্কি
- গ. স্যামুয়েল মোর্স
- ঘ. ল্যারি পেজ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. মার্ক জাকারবার্গ
ফেসবুক (Facebook)-এর উদ্ভাবক ও প্রধান প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ (Mark Zuckerberg)। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ তিনি সহপাঠীদের সঙ্গে মিলে এটি চালু করেন। ২০২১ সালে ফেসবুকের মূল কোম্পানির নাম বদলে রাখা হয় Meta Platforms। অন্য নামগুলো ভিন্ন কারণে বিখ্যাত: ম্যাক্সিম গোর্কি রুশ সাহিত্যিক (‘মা’ উপন্যাসের লেখক), স্যামুয়েল মোর্স টেলিগ্রাফ ও মোর্স কোডের উদ্ভাবক, আর ল্যারি পেজ সের্গেই ব্রিনের সঙ্গে গুগলের (Google) সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
মনে রাখুন:
Facebook: Mark Zuckerberg (২০০৪)।
Google: Larry Page ও Sergey Brin (১৯৯৮)।
টেলিগ্রাফ ও Morse Code: Samuel Morse।
পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন জুনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন