লিয়ানা বুকস

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০১৭। ৩৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. বাংলা ভাষায় বর্ণের সংখ্যা কয়টি?
    • ক. ৩৯টি
    • খ. ৪২টি
    • গ. ৪৭টি
    • ঘ. ৫০টি
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. ৫০টি
    বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ (Vowel) ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ (Consonant) ৩৯টি। প্রশ্নের বিকল্পে থাকা ৩৯ আসলে শুধু ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা, পুরো বর্ণমালার নয়।
    মাত্রা, অর্থাৎ বর্ণের মাথার রেখা, অনুযায়ী এই ৫০টি বর্ণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
    মনে রাখুন:
    মাত্রাহীন ১০টি: এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।
    অর্ধমাত্রার ৮টি: ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ।
    পূর্ণমাত্রার ৩২টি।
  2. ২. প, ফ, ব, ভ, ম ধ্বনিগুলো উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী কোন ধরনের?
    • ক. তালব্য
    • খ. মূর্ধন্য
    • গ. দন্ত্য
    • ঘ. ওষ্ঠ্য
    • ঙ. কণ্ঠ্য
    উত্তর: ঘ. ওষ্ঠ্য
    প, ফ, ব, ভ, ম — এই পাঁচটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমাদের দুই ঠোঁট (ওষ্ঠ) একসঙ্গে লেগে বাতাসকে বাধা দেয়। উচ্চারণ স্থান (Place of Articulation) অনুযায়ী তাই এদের বলা হয় ওষ্ঠ্য ধ্বনি (Bilabial)। এই পাঁচটিকে একসঙ্গে প-বর্গ বলা হয়।
    তালব্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও কণ্ঠ্য আসলে অন্য বর্গের নাম, প-বর্গের নয়।
    মনে রাখুন:
    ক-বর্গ (ক খ গ ঘ ঙ) = কণ্ঠ্য
    চ-বর্গ = তালব্য
    ট-বর্গ = মূর্ধন্য
    ত-বর্গ = দন্ত্য
    প-বর্গ = ওষ্ঠ্য
    ক্রমটি মুখের ভেতর থেকে বাইরের দিকে: গলা, তালু, মূর্ধা, দাঁত, ঠোঁট।
  3. ৩. ‘খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি আমার দেশের মাটি।’ — এটি কোন ধরনের বাক্য?
    • ক. সরল
    • খ. জটিল বা মিশ্র
    • গ. যৌগিক
    • ঘ. প্রশ্নবোধক
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. সরল
    যে বাক্যে একটিমাত্র উদ্দেশ্য (Subject) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয় (Predicate) থাকে, তাকে সরল বাক্য (Simple Sentence) বলে। ‘খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি আমার দেশের মাটি’ বাক্যে উদ্দেশ্য ‘আমার দেশের মাটি’ এবং বিধেয় ‘খাঁটি’, যার সঙ্গে ‘হয়’ ক্রিয়াটি উহ্য আছে। ‘খাঁটি সোনার চাইতে’ অংশটি শুধু তুলনা বোঝায়, আর ‘চাইতে’ একটি অনুসর্গ। এটি নিজস্ব ক্রিয়াসহ আলাদা কোনো খণ্ডবাক্য (Clause) নয়, তাই বাক্যটি সরল। অর্থের দিক থেকে বাক্যটি বিবৃতিমূলক (Assertive), প্রশ্নবোধক নয়।
    তুলনা দেখে অনেকে একে জটিল ভাবেন, কিন্তু জটিল বাক্যে নিজস্ব ক্রিয়াসহ একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকতে হয়।
    মনে রাখুন:
    সরল: একটি উদ্দেশ্য ও একটি বিধেয়।
    জটিল বা মিশ্র: একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য, যা সাধারণত ‘যে-সে’, ‘যদি-তবে’, ‘যখন-তখন’ দিয়ে যুক্ত থাকে (যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়)।
    যৌগিক: একাধিক স্বাধীন বাক্য ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘তাই’ দিয়ে যুক্ত থাকে।
  4. ৪. সাইরেন বেজে উঠল। ‘বেজে উঠল’ কী ধরনের ক্রিয়াপদ?
    • ক. মিশ্র
    • খ. যৌগিক
    • গ. প্রযোজক
    • ঘ. সমধাতুজ
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. যৌগিক
    একটি অসমাপিকা ক্রিয়া (Non-finite Verb) ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া (Finite Verb) মিলে যখন বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া (Compound Verb) বলে। ‘বেজে উঠল’-এ অসমাপিকা ‘বেজে’ আর সমাপিকা ‘উঠল’ মিলে হঠাৎ বাজতে শুরু করার অর্থ দিয়েছে। একই রকম উদাহরণ ‘ছেলেরা শুয়ে পড়ল’, ‘তিনি বলতে লাগলেন’।
    অন্য ক্রিয়ার ধরন আলাদা। মিশ্র ক্রিয়া হয় বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের সঙ্গে ‘কর্’, ‘হ’, ‘দে’ ইত্যাদি ধাতু যুক্ত হয়ে (‘দর্শন করলাম’, ‘ঘেউ ঘেউ করছে’)। প্রযোজক ক্রিয়ায় কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করায় (‘মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন’)। আর ‘সমধাতুজ’ আসলে কর্মের একটি প্রকার (‘খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি’), ক্রিয়ার নয়।
    মনে রাখুন:
    যৌগিক ক্রিয়া = অসমাপিকা + সমাপিকা (বেজে উঠল, শুয়ে পড়ল)।
    মিশ্র ক্রিয়া = বিশেষ্য/বিশেষণ/ধ্বন্যাত্মক শব্দ + কর্/হ/দে ধাতু (দর্শন করা, ঝনঝন করা)।
    প্রযোজক ক্রিয়া = অন্যকে দিয়ে করানো (দেখানো, পড়ানো)।
  5. ৫. চর্মকার কী ধরনের শব্দ?
    • ক. বাংলা
    • খ. তৎসম (সংস্কৃত)
    • গ. প্রাকৃত
    • ঘ. তদ্ভব
    • ঙ. বিদেশি
    উত্তর: খ. তৎসম (সংস্কৃত)
    যে শব্দ সংস্কৃত থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাকে তৎসম শব্দ বলে। ‘তৎ’ মানে তার, অর্থাৎ সংস্কৃতের, আর ‘সম’ মানে সমান। ‘চর্মকার’ সংস্কৃত শব্দটি অবিকৃত অবস্থায় বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাই এটি তৎসম।
    এর পরিবর্তিত রূপ ‘চামার’ কিন্তু তদ্ভব শব্দ, যা প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে বদলে এসেছে: চর্মকার > চম্মআর > চামার। একইভাবে হস্ত > হত্থ > হাত। ‘প্রাকৃত’ কোনো শব্দশ্রেণি নয়, এটি সংস্কৃত ও বাংলার মাঝের একটি ভাষাস্তর। উৎস অনুযায়ী বাংলা শব্দের প্রধান শ্রেণি হলো তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
    মনে রাখুন:
    তৎসম = সংস্কৃত অবিকৃত (চর্মকার, হস্ত, চন্দ্র)।
    তদ্ভব = প্রাকৃতের মাধ্যমে বদলে আসা (চামার, হাত, চাঁদ)।
    অর্ধ-তৎসম = সংস্কৃত থেকে এসে কিছুটা বিকৃত (জ্যোৎস্না > জোছনা, গৃহিণী > গিন্নি)।
  6. ৬. শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, ঐসব শব্দাংশকে কী বলে?
    • ক. অনুসর্গ
    • খ. উপসর্গ
    • গ. প্রত্যয়
    • ঘ. পারিভাষিক
    • ঙ. বিভক্তি
    উত্তর: খ. উপসর্গ
    যেসব শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে কিংবা অর্থে পরিবর্তন আনে, তাদের উপসর্গ (Prefix) বলে। উপসর্গের নিজস্ব স্বাধীন অর্থ নেই, কিন্তু শব্দের আগে বসলে সে অর্থ বদলে দেয়। যেমন একই ‘হার’ শব্দের আগে উপসর্গ বসিয়ে পাওয়া যায় আহার, প্রহার, বিহার, উপহার, পরিহার, আর প্রতিটির অর্থ আলাদা।
    অনুসর্গ (Postposition), প্রত্যয় (Suffix) ও বিভক্তি কিন্তু শব্দ বা ধাতুর আগে নয়, পরে বসে। আর পারিভাষিক শব্দ হলো Technical Term।
    মনে রাখুন:
    আগে বসে = উপসর্গ (প্র + হার = প্রহার)।
    পরে বসে = প্রত্যয় (পড়্ + উয়া = পড়ুয়া), বিভক্তি (বাঘে, মাকে) ও অনুসর্গ (দ্বারা, দিয়ে, চেয়ে)।
    খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি এবং তৎসম উপসর্গ ২০টি।
  7. ৭. মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ — এটি কোন ধরনের কর্মধারয় সমাস?
    • ক. মধ্যপদলোপী
    • খ. উপমান
    • গ. উপমিত
    • ঘ. রূপক
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. উপমিত
    তুলনায় তিনটি অংশ থাকে: উপমেয় (যাকে তুলনা করা হয়, এখানে ‘মুখ’), উপমান (যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, এখানে ‘চন্দ্র’) এবং সাধারণ ধর্ম (যে গুণে দুটির মিল)। সাধারণ ধর্মের উল্লেখ ছাড়া উপমেয় ও উপমানের মধ্যে যে কর্মধারয় সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় বলে। ‘মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ’-এ মিলের গুণটি (যেমন সুন্দর) বলা নেই, তাই এটি উপমিত। আরেকটি উদাহরণ ‘পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ’।
    ‘চন্দ্রের ন্যায়’ দেখে অনেকে উপমান কর্মধারয় ভাবেন। কিন্তু উপমান কর্মধারয়ে সাধারণ ধর্মবাচক শব্দ (শুভ্র, কালো ইত্যাদি) থাকতেই হয়, আর এখানে তা নেই।
    মনে রাখুন:
    সাধারণ ধর্ম আছে = উপমান (তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র)।
    সাধারণ ধর্ম নেই, শুধু উপমেয় + উপমান = উপমিত (চন্দ্রমুখ, সিংহপুরুষ)।
    ‘রূপ’ দিয়ে অভেদ বোঝালে রূপক (মুখ রূপ চন্দ্র = মুখচন্দ্র, বিষাদসিন্ধু)।
    চন্দ্রমুখ উপমিত, কিন্তু মুখচন্দ্র রূপক।
  8. ৮. বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়। এখানে বাঘে-মহিষে কোন ধরনের কর্তা?
    • ক. প্রযোজ্য
    • খ. প্রযোজক
    • গ. ব্যতিহার
    • ঘ. মুখ্য
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. ব্যতিহার
    দুটি কর্তা একসঙ্গে একই ধরনের ক্রিয়া সম্পন্ন করলে তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে। ‘বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়’ বাক্যে বাঘ ও মহিষ দুজনেই একই কাজ, অর্থাৎ জল খাওয়া, একসঙ্গে করছে। আরেকটি পরিচিত উদাহরণ ‘রাজায়-রাজায় লড়াই, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়’। লক্ষ করার বিষয় হলো, ব্যতিহার কর্তায় সাধারণত ‘এ’ বা ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত থাকে।
    অন্য কর্তাগুলো আলাদা। প্রযোজক কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করায়, আর যাকে দিয়ে করানো হয় সে প্রযোজ্য কর্তা (‘শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন’ — শিক্ষক প্রযোজক, ছাত্ররা প্রযোজ্য)। যে নিজেই কাজটি করে সে মুখ্য কর্তা।
    মনে রাখুন:
    মুখ্য কর্তা: নিজে কাজ করে।
    প্রযোজক কর্তা: অন্যকে দিয়ে করায়।
    প্রযোজ্য কর্তা: যাকে দিয়ে করানো হয়।
    ব্যতিহার কর্তা: দুজন মিলে একই কাজ (বাঘে-মহিষে, রাজায়-রাজায়)।
  9. ৯. ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ উপন্যাসের লেখক কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. প্রমথ চৌধুরী
    • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঙ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ (১৯৩৬) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস। এর কেন্দ্রীয় চরিত্র গ্রামের ডাক্তার শশী। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র জেলে কুবের।
    অন্য অপশনের লেখকদের পরিচিত উপন্যাস আলাদা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবদাস’ ও ‘শ্রীকান্ত’। কাজী নজরুল ইসলামের ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’।
    মনে রাখুন:
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার): ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ (শশী ডাক্তার), ‘পদ্মানদীর মাঝি’ (কুবের), ‘দিবারাত্রির কাব্য’, ‘জননী’।
    নজরুলের উপন্যাস: মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা।
  10. ১০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন সালে নোবেল পুরস্কার পান?
    • ক. ১৯৩৭
    • খ. ১৯৩৮
    • গ. ১৯১৩
    • ঘ. ১৯১৭
    • ঙ. ১৯১০
    উত্তর: গ. ১৯১৩
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। পুরস্কারটি দেওয়া হয় ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ (১৯১২)-এর জন্য, যার ভূমিকা লিখেছিলেন আইরিশ কবি W. B. Yeats। তিনিই প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী।
    তিনটি সাল প্রায়ই গুলিয়ে যায়, কারণ মূল বাংলা ‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১০ সালে। তাই আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    বাংলা ‘গীতাঞ্জলি’: ১৯১০।
    ইংরেজি ‘Song Offerings’: ১৯১২।
    সাহিত্যে নোবেল: ১৯১৩।
  11. ১১. প্রথম পরীক্ষা — এখানে ‘প্রথম’ শব্দটি কী ধরনের বিশেষণ?
    • ক. সংখ্যাবাচক
    • খ. ক্রমবাচক
    • গ. পরিমাণবাচক
    • ঘ. অংশবাচক
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. ক্রমবাচক
    যে বিশেষণ কোনো কিছুর ক্রম বা স্থান, অর্থাৎ কততম, বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ (Ordinal Adjective) বলে। ‘প্রথম পরীক্ষা’-য় ‘প্রথম’ শব্দটি পরীক্ষার ক্রম বোঝাচ্ছে। একই রকম উদাহরণ দ্বিতীয় স্থান, দশম শ্রেণি।
    অন্য ধরনের বিশেষণ আলাদা কিছু বোঝায়। সংখ্যাবাচক বিশেষণ বোঝায় কয়টি (এক টাকা, দশ দিন), পরিমাণবাচক বোঝায় কতটুকু (পাঁচ কেজি চাল, বিঘাখানেক জমি), আর অংশবাচক বোঝায় সমগ্রের অংশ (অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ)।
    মনে রাখুন:
    কয়টি = সংখ্যাবাচক (দশ দিন)।
    কততম = ক্রমবাচক (প্রথম, দশম)।
    কতটুকু = পরিমাণবাচক (পাঁচ কেজি)।
    কত ভাগের কত = অংশবাচক (অর্ধেক, সিকি)।
  12. ১২. ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
    • ক. ড. মুনীর চৌধুরী
    • খ. জহির রায়হান
    • গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঙ. শহীদুল্লা কায়সার
    উত্তর: খ. জহির রায়হান
    ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৯৬৯) জহির রায়হানের উপন্যাস, যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। তাঁর অন্য রচনা ‘হাজার বছর ধরে’ ও ‘বরফ গলা নদী’। চলচ্চিত্রকার হিসেবে তিনি ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০) এবং প্রামাণ্যচিত্র ‘Stop Genocide’ নির্মাণ করেন।
    অন্য লেখকদের কথাও জানা থাকলে বিভ্রান্তি হয় না। শহীদুল্লা কায়সার জহির রায়হানের বড় ভাই, যাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘সংশপ্তক’ ও ‘সারেং বৌ’। আর মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, উপন্যাস নয়।
    মনে রাখুন:
    ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্য:
    উপন্যাস ‘আরেক ফাল্গুন’ (জহির রায়হান)।
    নাটক ‘কবর’ (মুনীর চৌধুরী)।
    প্রথম কবিতা ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ (মাহবুব উল আলম চৌধুরী)।
  13. ১৩. ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের লেখক কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ঘ. সত্যজিৎ রায়
    • ঙ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    উত্তর: গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘পথের পাঁচালী’ (১৯২৯) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস। এর কেন্দ্রীয় চরিত্র অপু ও তার দিদি দুর্গা, আর পরবর্তী খণ্ড ‘অপরাজিত’। সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাস থেকে একই নামের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন (১৯৫৫), যা তাঁর ‘অপু ত্রয়ী’-র প্রথম ছবি। অর্থাৎ সত্যজিৎ রায় ছবির পরিচালক, উপন্যাসের লেখক নন।
    বিভূতিভূষণের অন্য রচনা ‘আরণ্যক’, ‘ইছামতী’, ‘চাঁদের পাহাড়’, ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’।
    মনে রাখুন:
    বিভূতিভূষণ: ‘পথের পাঁচালী’, ‘অপরাজিত’ (অপুর কাহিনি), ‘আরণ্যক’, ‘ইছামতী’, ‘চাঁদের পাহাড়’।
    চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ (১৯৫৫) = সত্যজিৎ রায়।
  14. ১৪. ‘বনফুল’-এর প্রকৃত নাম কী?
    • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    • খ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঙ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    উত্তর: গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    ‘বনফুল’ হলো বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম (Pen Name)। পেশায় চিকিৎসক এই লেখক খুব ছোট আকারের গল্প লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। নিজের আসল নামের বদলে তিনি ‘বনফুল’ নামেই সাহিত্যে বিখ্যাত হয়েছেন।
    অন্য পরিচিত ছদ্মনামও পরীক্ষায় আসে। টেকচাঁদ ঠাকুর = প্যারীচাঁদ মিত্র, যাঁর রচনা ‘আলালের ঘরের দুলাল’। ভানুসিংহ ঠাকুর = রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বীরবল = প্রমথ চৌধুরী। যাযাবর = বিনয় মুখোপাধ্যায়।
    মনে রাখুন:
    বনফুল = বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
    টেকচাঁদ ঠাকুর = প্যারীচাঁদ মিত্র।
    ভানুসিংহ = রবীন্দ্রনাথ।
    বীরবল = প্রমথ চৌধুরী।
    যাযাবর = বিনয় মুখোপাধ্যায়।
  15. ১৬. ২০১৭ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় কত?
    • ক. ১.৯০%
    • খ. ২.৯০%
    • গ. ১.৩৬%
    • ঘ. ২.৩৬%
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. ১.৩৬%
    ২০১৭ সালের সরকারি হিসাবে (২০১১ সালের আদমশুমারি ও BBS-এর জরিপভিত্তিক) বাংলাদেশের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১.৩৭%। ‘প্রায় কত’ ধরনের প্রশ্নে সবচেয়ে কাছের সংখ্যাটি বেছে নিতে হয়, আর এখানে সেটি ১.৩৬%। ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে এই হার ২%-এর বেশি ছিল, পরে জন্মহার কমে আসায় তা ধীরে ধীরে কমেছে। তাই ১.৯০%, ২.৩৬% বা ২.৯০% ২০১৭ সালের বাস্তব হারের চেয়ে অনেক বেশি।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে: ২০১১ সালের আদমশুমারিতে প্রায় ১.৩৭%।
    হালনাগাদ: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ (দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি) অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন (প্রায় ১৬.৫২ কোটি) এবং বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
  16. ২০. ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ প্রায় কত বিলিয়ন মার্কিন ডলার?
    • ক. ১০
    • খ. ১৪
    • গ. ২০
    • ঘ. ২৫
    • ঙ. ৩০
    উত্তর: খ. ১৪
    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা প্রায় ১৪.৯৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন, যা ১৪-এর সবচেয়ে কাছে। এর আগের ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এসেছিল প্রায় ১৫.৩ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স সামান্য কমে যায়। রপ্তানি আয়ের পরেই রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের অর্থবছর (Fiscal Year) ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
    হালনাগাদ: ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স রেকর্ড প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায় (বাংলাদেশ ব্যাংক)।
  17. ২১. ২০১৭ সালের হিসাবে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা প্রায় কত মিলিয়ন?
    • ক. ৮
    • খ. ১০
    • গ. ১২
    • ঘ. ১৪
    • ঙ. ৬
    উত্তর: খ. ১০
    ২০১৭ সালে সরকারি হিসাবে প্রায় ১ কোটি, অর্থাৎ ১০ মিলিয়ন বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত ছিলেন। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (BMET) হিসাবে ১৯৭৬ সাল থেকে বিদেশে কাজ নিয়ে যাওয়া কর্মীর মোট সংখ্যা ২০১৬ সালে প্রায় ১ কোটিতে পৌঁছায়। সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন সৌদি আরবে।
    মনে রাখুন:
    ১ মিলিয়ন = ১০ লাখ, তাই ১০ মিলিয়ন = ১ কোটি।
    ১ বিলিয়ন = ১০০ কোটি।
    বিদেশে কর্মী পাঠানোর সরকারি হিসাব রাখে BMET, যা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন।
  18. ২৩. ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    • খ. এম. মনসুর আলী
    • গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • ঘ. তাজউদ্দীন আহমদ
    • ঙ. খন্দকার মোশতাক আহমদ
    উত্তর: ঘ. তাজউদ্দীন আহমদ
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত এবং ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (পরে নাম হয় মুজিবনগর) শপথ নেওয়া মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন রাষ্ট্রপতি, তবে তখন তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন। তাই উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে সরকার পরিচালনা করেন। ফলে বঙ্গবন্ধু বা সৈয়দ নজরুল ইসলামকে প্রধানমন্ত্রী ভাবা ভুল।
    মনে রাখুন:
    অর্থমন্ত্রী: এম. মনসুর আলী।
    পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।
    স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী: এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান।
    মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী।
  19. ২৪. ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির বর্তমানে প্রচলিত সুরের সুরকার কে?
    • ক. আলাউদ্দিন আল আজাদ
    • খ. আব্দুল লতিফ
    • গ. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
    • ঘ. আলতাফ মাহমুদ
    • ঙ. শেখ লুৎফর রহমান
    উত্তর: ঘ. আলতাফ মাহমুদ
    ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির গীতিকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী, যিনি ১৯৫২ সালেই এটি লেখেন। প্রথমে এতে সুর দেন আব্দুল লতিফ, কিন্তু ১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ নতুন সুর দেন, এবং বর্তমানে সেই সুরেই গানটি গাওয়া হয়। সুরকার আলতাফ মাহমুদ মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট পাকিস্তানি সেনাদের হাতে ধরা পড়েন এবং আর ফিরে আসেননি।
    প্রশ্নে গীতিকার না সুরকার চাওয়া হয়েছে, তা আলাদা করে পড়তে হয়। এখানে চাওয়া হয়েছে বর্তমানে প্রচলিত সুরের সুরকার, তাই গীতিকার বা প্রথম সুরকারের নাম ভুল। আলাউদ্দিন আল আজাদ শহীদ মিনার নিয়ে লেখা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতার কবি।
    মনে রাখুন:
    কথা: আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
    প্রথম সুর: আব্দুল লতিফ।
    বর্তমান প্রচলিত সুর: আলতাফ মাহমুদ (১৯৫৪)।
  20. ২৮. বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৫ অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার?
    • ক. ১২১৪
    • খ. ১৩১৪
    • গ. ১৪১৪
    • ঘ. ১৫১৪
    • ঙ. ১১১৪
    উত্তর: খ. ১৩১৪
    বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৫ অনুযায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ১,৩১৪ মার্কিন ডলার। পরের দুই অর্থবছরে তা বেড়ে হয় ১,৪৬৬ ডলার (২০১৫-১৬) এবং ১,৬০২ ডলার (২০১৬-১৭)। ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের (Lower-Middle Income Country) তালিকায় উন্নীত করে।
    মনে রাখুন:
    মাথাপিছু আয়ের ধারা: ২০১৪-১৫ = ১,৩১৪; ২০১৫-১৬ = ১,৪৬৬; ২০১৬-১৭ = ১,৬০২ মার্কিন ডলার।
    হালনাগাদ: BBS-এর সাময়িক হিসাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

ইংরেজি

  1. ১৫. What is the antonym of Polite?
    • ক. Unpolite
    • খ. Impolite
    • গ. Dispolite
    • ঘ. Nonpolite
    • ঙ. None of these
    উত্তর: খ. Impolite
    প্রশ্নটি দেখছে Polite (ভদ্র, বিনয়ী) শব্দের সঠিক নেতিবাচক রূপ কোন উপসর্গ (Prefix) দিয়ে হয়। নেতিবাচক in- উপসর্গ p, b বা m দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের আগে im- হয়ে যায়, তাই Polite-এর Antonym হলো Impolite (অভদ্র, অশিষ্ট)। একই অর্থে rude বা discourteous-ও ব্যবহৃত হয়।
    বাকি রূপগুলো ঠিক নয়। Unpolite ভাবতে সহজ লাগে, কারণ un- সবচেয়ে পরিচিত নেতিবাচক prefix, কিন্তু প্রচলিত ইংরেজিতে Polite-এর বিপরীত রূপ কেবল Impolite। Dispolite ও Nonpolite নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দই নেই।
    মনে রাখুন:
    in- উপসর্গের রূপভেদ: p/b/m-এর আগে im- (impolite, impossible, imbalance, immature)।
    l-এর আগে il- (illegal, illogical)।
    r-এর আগে ir- (irregular, irresponsible)।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ১৭. ‘নাসাকা’ কোন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ছিল?
    • ক. জাপান
    • খ. নেপাল
    • গ. মিয়ানমার
    • ঘ. চীন
    • ঙ. থাইল্যান্ড
    উত্তর: গ. মিয়ানমার
    ‘নাসাকা’ (NaSaKa) ছিল মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তে, বিশেষ করে রাখাইন (আরাকান) অঞ্চলে এটি কাজ করত। ২০১৩ সালের জুলাইয়ে মিয়ানমার সরকার নাসাকা বিলুপ্ত করে এবং সীমান্তের দায়িত্ব পায় Border Guard Police (BGP)। তাই প্রশ্নে ‘ছিল’ বলা হয়েছে।
    বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী BGB (Border Guard Bangladesh, আগের নাম BDR) এবং ভারতের BSF (Border Security Force)।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ: BGB (আগে BDR)।
    ভারত: BSF।
    মিয়ানমার: BGP (জুলাই ২০১৩-এর আগে NaSaKa)।
  2. ১৮. দূরপ্রাচ্যের দেশ কোনটি?
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. জাপান
    • গ. যুক্তরাজ্য
    • ঘ. সৌদি আরব
    • ঙ. ভারত
    উত্তর: খ. জাপান
    ইউরোপ থেকে দেখে এশিয়ার সবচেয়ে পূর্ব প্রান্তের দেশগুলোকে দূরপ্রাচ্য (Far East) বলা হয়। এতে মূলত পূর্ব এশিয়ার জাপান, চীন, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও মঙ্গোলিয়া পড়ে। জাপানকে বলা হয় ‘সূর্যোদয়ের দেশ’ (Land of the Rising Sun)।
    বাকি দেশগুলো অন্য অঞ্চলের। সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) দেশ, ভারত দক্ষিণ এশিয়ার, যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার আর যুক্তরাজ্য ইউরোপের।
    মনে রাখুন:
    Far East = পূর্ব এশিয়া (জাপান, চীন, দুই কোরিয়া, তাইওয়ান, মঙ্গোলিয়া)।
    Middle East = পশ্চিম এশিয়া ও মিসর (সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কাতার ইত্যাদি)।
    ভারত = দক্ষিণ এশিয়া।
  3. ১৯. দোহা কোন দেশের রাজধানী?
    • ক. জর্ডান
    • খ. লেবানন
    • গ. কাতার
    • ঘ. বাহরাইন
    • ঙ. কুয়েত
    উত্তর: গ. কাতার
    দোহা (Doha) পারস্য উপসাগরের (Persian Gulf) তীরের দেশ কাতারের রাজধানী। অন্য অপশনের দেশগুলোর রাজধানী আলাদা: জর্ডানের আম্মান, লেবাননের বৈরুত, বাহরাইনের মানামা ও কুয়েতের কুয়েত সিটি।
    ২০০১ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) ‘দোহা রাউন্ড’ আলোচনা এখানেই শুরু হয়। কাতার ২০২২ সালের FIFA বিশ্বকাপও আয়োজন করে। এসব ঘটনার কারণে দোহার নাম আন্তর্জাতিক খবরে প্রায়ই আসে।
    মনে রাখুন: উপসাগরীয় দেশের রাজধানী-
    কাতার: দোহা।
    বাহরাইন: মানামা।
    কুয়েত: কুয়েত সিটি।
    সৌদি আরব: রিয়াদ।
    সংযুক্ত আরব আমিরাত: আবুধাবি।
    ওমান: মাসকাট।
  4. ২২. জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায়?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
    • ক. জেনেভা
    • খ. নিউইয়র্ক
    • গ. লন্ডন
    • ঘ. প্যারিস
    • ঙ. রোম
    উত্তর: খ. নিউইয়র্ক
    জাতিসংঘের (United Nations) সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর, ৫১টি সদস্য দেশ নিয়ে। ২০১৭ সালে সদস্য ছিল ১৯৩টি, আর বাংলাদেশ ১৩৬তম সদস্য হয় ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
    অন্য শহরগুলোতে জাতিসংঘের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থা আছে, কিন্তু সেগুলো মূল সদর দপ্তর নয়।
    মনে রাখুন:
    জেনেভায় ইউরোপীয় দপ্তর, WHO ও ILO।
    প্যারিসে UNESCO।
    রোমে FAO।
    লন্ডনে IMO।
  5. ২৭. ক্রিকেট খেলার পিচের দৈর্ঘ্য কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
    • ক. ২২ মিটার
    • খ. ২১ গজ
    • গ. ২২ গজ
    • ঘ. ২৩ গজ
    • ঙ. ২৪ গজ
    উত্তর: গ. ২২ গজ
    ক্রিকেটের আইন (MCC Laws of Cricket) অনুযায়ী পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ, যা প্রায় ২০.১২ মিটার, আর প্রস্থ ১০ ফুট (৩.০৫ মিটার)। এই ২২ গজ মাপা হয় দুই প্রান্তের উইকেটের মিডল স্টাম্পের মাঝখান থেকে। মজার ব্যাপার হলো, ২২ গজ ঠিক ১ চেইন (Chain), যা জমি মাপার একটি পুরোনো একক।
    ২২ সংখ্যাটি মনে থাকলেও একক গুলিয়ে অনেকে ২২ মিটার বেছে নেন। কিন্তু ২২ গজ মিটারে মাত্র ২০.১২।
    মনে রাখুন: 1 গজ = 3 ফুট ≈ 0.9144 মিটার।
  6. ২৯. রোটেশন পদ্ধতি কোন খেলার সাথে সংশ্লিষ্ট?
    • ক. ফুটবল
    • খ. ভলিবল
    • গ. হ্যান্ডবল
    • ঘ. বাস্কেটবল
    • ঙ. টেনিস
    উত্তর: খ. ভলিবল
    রোটেশন (Rotation) পদ্ধতি ভলিবলের (Volleyball) নিয়ম। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে সার্ভ করার অধিকার জিতে নিলে দলের মাঠে থাকা ৬ জন খেলোয়াড় ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) এক ঘর করে জায়গা বদল করেন। এতে সবাই পালাক্রমে সামনের ও পেছনের সারিতে খেলেন এবং সার্ভ করেন। ভলিবল আবিষ্কার করেন যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম জি. মরগান (William G. Morgan), ১৮৯৫ সালে।
    মনে রাখুন:
    ভলিবল: প্রতি দলে মাঠে ৬ জন, সার্ভ জিতলে Clockwise Rotation, আবিষ্কারক William G. Morgan (১৮৯৫)।
    বাস্কেটবল: প্রতি দলে মাঠে ৫ জন, আবিষ্কারক James Naismith (১৮৯১)।

বিজ্ঞান

  1. ২৫. পটাশিয়াম মৌলটির প্রতীক কোনটি?
    • ক. P0
    • খ. Ka
    • গ. K
    • ঘ. Pt
    • ঙ. P
    উত্তর: গ. K
    পটাশিয়ামের (Potassium) প্রতীক K, যা এসেছে এর ল্যাটিন নাম Kalium থেকে। এর পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number) ১৯। Potassium-এর প্রথম অক্ষর P দেখে অনেকে P বেছে নেন, কিন্তু P আগে থেকেই ফসফরাসের (Phosphorus) প্রতীক, আর Pt প্লাটিনামের।
    মৌলের প্রতীক এক বা দুই অক্ষরে একই লাইনে লেখা হয়, প্রথমটি বড় হাতের এবং দ্বিতীয়টি ছোট হাতের। তাই নিচে ছোট করে লেখা অক্ষরসহ (Subscript) বিকল্পগুলো কোনো মৌলের প্রতীক নয়।
    মনে রাখুন: ইংরেজি নামের সঙ্গে না মেলা প্রতীকগুলো ল্যাটিন নাম থেকে আসে।
    K — পটাশিয়াম (Kalium)
    Na — সোডিয়াম (Natrium)
    Fe — লোহা (Ferrum)
    Cu — তামা (Cuprum)
    Ag — রুপা (Argentum)
    Au — সোনা (Aurum)
    Pb — সিসা (Plumbum)
    Hg — পারদ (Hydrargyrum)
    Sn — টিন (Stannum)

অর্থনীতি

  1. ২৬. কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায়—
    • ক. জিডিপি
    • খ. জিএনপি
    • গ. মাথাপিছু আয়
    • ঘ. জাতীয় সঞ্চয়
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. মাথাপিছু আয়
    কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় (Per Capita Income) পাওয়া যায়, যা দেশের একজন মানুষের গড় আয় বোঝায়। অন্য বিকল্পগুলো ভিন্ন জিনিস। জিডিপি (GDP) হলো এক বছরে দেশের ভৌগোলিক সীমার ভেতরে উৎপাদিত সব চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার বাজারমূল্য, আর জিএনপি (GNP) হলো GDP-এর সঙ্গে বিদেশ থেকে আসা নিট উপাদান আয় (Net Factor Income from Abroad) যোগ করে পাওয়া মান। এ দুটিই মোট আয়ের হিসাব, জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করা নয়। জাতীয় সঞ্চয় (National Saving) হলো জাতীয় আয়ের যে অংশ ভোগে খরচ না হয়ে থেকে যায়।
    মনে রাখুন:
    মাথাপিছু আয় = মোট জাতীয় আয় (GNI) ÷ মোট জনসংখ্যা।
    মাথাপিছু GDP = GDP ÷ মোট জনসংখ্যা।
    GNP (GNI) = GDP + বিদেশ থেকে নিট উপাদান আয়।

গণিত

  1. ৩০. ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে। কোন ক্ষেত্রে সমকোণী ত্রিভুজ আঁকা সম্ভব?
    • ক. ৪, ৬ ও ৮ সেমি
    • খ. ২, ৫ ও ৭ সেমি
    • গ. ৪, ৩ ও ৫ সেমি
    • ঘ. ৪, ৫ ও ৬ সেমি
    • ঙ. ৬, ৮ ও ১১ সেমি
    উত্তর: গ. ৪, ৩ ও ৫ সেমি
    পিথাগোরাসের উপপাদ্য (Pythagoras Theorem) অনুযায়ী সমকোণী ত্রিভুজে অতিভুজের (Hypotenuse) বর্গ অন্য দুই বাহুর বর্গের যোগফলের সমান। উল্টো কথাটিও সত্য: সবচেয়ে বড় বাহুর বর্গ ছোট দুই বাহুর বর্গের যোগফলের সমান হলে ত্রিভুজটি অবশ্যই সমকোণী। তাই প্রতিটি বিকল্পে সবচেয়ে বড় বাহুকে c ধরে a² + b² = c² মিলছে কি না দেখব।
    4, 6, 8: 16 + 36 = 52, কিন্তু 8² = 64, মিলল না
    2, 5, 7: 2 + 5 = 7, যা তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় নয়, তাই ত্রিভুজই হয় না
    3, 4, 5: 9 + 16 = 25 = 5², মিলল
    4, 5, 6: 16 + 25 = 41, কিন্তু 6² = 36, মিলল না
    6, 8, 11: 36 + 64 = 100, কিন্তু 11² = 121, মিলল না
    তাই শুধু ৩, ৪ ও ৫ সেমি বাহু দিয়ে সমকোণী ত্রিভুজ আঁকা যায়, যেখানে ৫ সেমি অতিভুজ। যেসব ক্ষেত্রে বড় বাহুর বর্গ বেশি (64 > 52 এবং 121 > 100), ত্রিভুজ হয় স্থূলকোণী (Obtuse); আর যেখানে কম (36 < 41), সেখানে সূক্ষ্মকোণী (Acute)।
    মনে রাখুন:
    সমকোণী ত্রিভুজে (অতিভুজ)² = (লম্ব)² + (ভূমি)²।
    সবচেয়ে বড় বাহুর বর্গ বাকি দুটির বর্গের যোগফলের সমান হলে সমকোণী, কম হলে সূক্ষ্মকোণী, বেশি হলে স্থূলকোণী।
    পরিচিত পিথাগোরীয় ত্রয়ী (Pythagorean Triple): 3-4-5, 6-8-10, 5-12-13, 8-15-17।
  2. ৩১. 8-এর গুণনীয়ক সেট কোনটি?
    • ক. {8, 16, 24}
    • খ. {1, 2, 4, 8}
    • গ. {2, 4, 8}
    • ঘ. {1, 2}
    • ঙ. {1, 2, 4}
    উত্তর: খ. {1, 2, 4, 8}
    গুণনীয়ক বা উৎপাদক হলো সেই সংখ্যা, যা দিয়ে ৮-কে ভাগ করলে কোনো ভাগশেষ (Remainder) থাকে না। ১ এবং সংখ্যাটি নিজে (৮) সবসময় গুণনীয়ক, তাই এ দুটি সেটে থাকতেই হবে। বাকিগুলো দেখতে ২ থেকে ৭ পর্যন্ত ভাগ করি।
    8 ÷ 2 = 4 এবং 8 ÷ 4 = 2, ভাগশেষ 0, তাই 2 ও 4 গুণনীয়ক
    3, 5, 6, 7 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে (যেমন 8 ÷ 3 = 2, ভাগশেষ 2), তাই এরা গুণনীয়ক নয়
    তাহলে ৮-এর গুণনীয়ক সেট {1, 2, 4, 8}। আরও দ্রুত দেখা যায়: 8 = 2³, তাই গুণনীয়ক 2⁰, 2¹, 2², 2³ = 1, 2, 4, 8, মোট ৪টি।
    {8, 16, 24} হলো ৮-এর গুণিতক (Multiple), গুণনীয়ক নয়। বাকি সেটগুলো অসম্পূর্ণ: কোনোটিতে ১ নেই, কোনোটিতে ৪ ও ৮ নেই, কোনোটিতে ৮ নেই।
    মনে রাখুন:
    গুণনীয়ক (Factor) মূল সংখ্যার সমান বা ছোট এবং সংখ্যায় সীমিত।
    গুণিতক (Multiple) মূল সংখ্যার সমান বা বড় এবং অসীম।
    ১ ও সংখ্যাটি নিজে সবসময় গুণনীয়ক।
  3. ৩২. x − y = 2 এবং xy = 24 হলে x + y এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. ±20
    • খ. ±5
    • গ. ±10
    • ঘ. ±15
    • ঙ. ±12
    উত্তর: গ. ±10
    x ও y আলাদা করে বের না করেও x + y পাওয়া যায়, কারণ (x + y)² ও (x − y)²-এর মধ্যে একটি অভেদ (Identity) আছে। (x + y)² = x² + 2xy + y² এবং (x − y)² = x² − 2xy + y², তাই দুটির পার্থক্য ঠিক 4xy। ফলে (x + y)² = (x − y)² + 4xy।
    (x + y)² = 2² + 4 × 24 = 4 + 96 = 100
    x + y = ±√100 = ±10
    বর্গমূল নিলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক দুটি মান আসে, তাই দুটি চিহ্নই সম্ভব। যাচাই: x = 6, y = 4 হলে x − y = 2, xy = 24 এবং x + y = 10; আবার x = −4, y = −6 হলে x − y = 2, xy = 24 এবং x + y = −10।
    মনে রাখুন:
    (x + y)² = (x − y)² + 4xy এবং (x − y)² = (x + y)² − 4xy।
    অনেকে 4xy-এর জায়গায় 2xy বসিয়ে ভুল করেন, কিন্তু দুই বর্গের পার্থক্য 4xy, কারণ একটিতে +2xy আর অন্যটিতে −2xy।
  4. ৩৩. 4x+1 = 32 হলে x এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
    • ক. 2/3
    • খ. 1/3
    • গ. 3/2
    • ঘ. 1/2
    • ঙ. 5/2
    উত্তর: গ. 3/2
    দুই পাশের ভিত্তি (Base) আলাদা, ৪ ও ৩২, কিন্তু দুটিকেই ২-এর ঘাত (Power) হিসেবে লেখা যায়: 4 = 2² এবং 32 = 2⁵। সূচকের নিয়ম বলে, ভিত্তি সমান হলে সূচক (Exponent) সমান হতে হবে, অর্থাৎ aᵐ = aⁿ হলে m = n। তাই আগে দুই পাশকে একই ভিত্তিতে আনব।
    4^(x+1) = (2²)^(x+1) = 2^(2x+2)
    2^(2x+2) = 2⁵
    2x + 2 = 5
    2x = 3, তাই x = 3/2
    যাচাই: x + 1 = 5/2, আর 4^(5/2) = (√4)⁵ = 2⁵ = 32।
    মনে রাখুন:
    সূচকীয় সমীকরণে (Exponential Equation) দুই পাশকে একই ভিত্তিতে আনতে হয়, তারপর সূচক সমান করতে হয়।
    (aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ নিয়মে (2²)^(x+1) = 2^(2x+2) লেখা যায়।
    অনেকে x + 1 = 5/2 পেয়েই থেমে যান, কিন্তু 5/2 হলো x + 1-এর মান, x-এর নয়।
  5. ৩৪. tanA = 4/3 হলে sinA এর মান কত?
    • ক. 1/4
    • খ. 3/4
    • গ. 2/5
    • ঘ. 4/5
    • ঙ. 3/5
    উত্তর: ঘ. 4/5
    সমকোণী ত্রিভুজে কোণ A-এর জন্য tanA = লম্ব/ভূমি এবং sinA = লম্ব/অতিভুজ। তাই tanA = 4/3 মানে লম্ব 4 ও ভূমি 3 ধরা যায়, আর অতিভুজ বের করলেই sinA পাওয়া যাবে। এখানে A-কে সূক্ষ্মকোণ (Acute Angle) ধরা হচ্ছে।
    অতিভুজ = √(4² + 3²) = √(16 + 9) = √25 = 5
    sinA = লম্ব/অতিভুজ = 4/5
    যাচাই: cosA = ভূমি/অতিভুজ = 3/5, তাই sinA ÷ cosA = (4/5) ÷ (3/5) = 4/3 = tanA। আবার sin²A + cos²A = 16/25 + 9/25 = 1।
    মনে রাখুন:
    সমকোণী ত্রিভুজে tan = লম্ব/ভূমি, sin = লম্ব/অতিভুজ, cos = ভূমি/অতিভুজ।
    একটি ত্রিকোণমিতিক অনুপাত জানা থাকলে সেই অনুপাতে বাহু ধরে পিথাগোরাস দিয়ে তৃতীয় বাহু বের করা যায়, তারপর বাকি অনুপাতগুলো সহজেই মেলে।
    লম্ব ও ভূমি গুলিয়ে ফেললে sinA-এর জায়গায় 3/5 আসে, কিন্তু সেটি আসলে cosA।
    3-4-5 ত্রয়ী চিনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন মুখে মুখেই হয়ে যায়।

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন