বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৯। ৮০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. বাংলা ভাষায় সমাসের রীতি কোন ভাষা থেকে আগত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. সংস্কৃত
- ঘ. ইংরেজি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. সংস্কৃত
বাংলা ভাষায় সমাসের রীতি এসেছে সংস্কৃত ভাষা থেকে। সন্ধি এবং ণত্ব-ষত্ব বিধানের মতো সমাসের নিয়মগুলোও সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুসরণেই বাংলায় গড়ে উঠেছে। সমাস (Compound) মানে সংক্ষেপ বা মিলন। পরস্পর অর্থসম্পর্কযুক্ত দুই বা তার বেশি পদ মিলে যখন একটি নতুন পদ তৈরি হয়, তখন তাকে সমাস বলে। আরবি, ফারসি ও ইংরেজি থেকে বাংলা অনেক শব্দ নিয়েছে, কিন্তু সমাসের নিয়ম নেয়নি।
উদাহরণ: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
মনে রাখুন:
সমাসবদ্ধ পদকে বলে সমস্তপদ।
যে বাক্যাংশ দিয়ে সমস্তপদকে ভেঙে দেখানো হয়, তাকে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য বলে।
সমাস প্রধানত ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব। - ২. ক্রিয়ার কাল ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. রূপতত্ত্ব
- খ. ধ্বনিতত্ত্ব
- গ. বাক্যতত্ত্ব
- ঘ. ভাষাতত্ত্ব
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. রূপতত্ত্ব
বাংলা ব্যাকরণের আলোচনাকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়: ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology), রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব (Morphology), বাক্যতত্ত্ব (Syntax) ও অর্থতত্ত্ব (Semantics)। ক্রিয়ার কাল (Tense) বোঝায় ক্রিয়াপদের রূপ কীভাবে বদলায়, যেমন করি, করেছি, করব। পদের রূপ বদলের এই বিষয়টি রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়, তাই ক্রিয়ার কাল রূপতত্ত্বের অংশ। রূপতত্ত্বে আরও আছে শব্দগঠন, ধাতু, প্রকৃতি-প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস, বচন ও পুরুষ।
মনে রাখুন:
ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ ও সন্ধি আলোচিত হয়।
বাক্যতত্ত্বে বাক্যের গঠন, প্রকারভেদ ও যতিচিহ্ন আলোচিত হয়।
অর্থতত্ত্বে শব্দ ও বাক্যের অর্থ আলোচিত হয়।
ভাষাতত্ত্ব (Linguistics) ভাষাবিষয়ক একটি বৃহত্তর শাস্ত্র, ব্যাকরণের এই চার ভাগের কোনোটি নয়। - ৩. কোন ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে?
- ক. অল্পপ্রাণ ধ্বনি
- খ. অঘোষ ধ্বনি
- গ. মহাপ্রাণ ধ্বনি
- ঘ. ঘোষ ধ্বনি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. মহাপ্রাণ ধ্বনি
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস জোরে, অর্থাৎ বেশি বাতাসের চাপ নিয়ে বের হয়, তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি (Aspirated Sound) বলে। প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ, যেমন খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ। যে ধ্বনি উচ্চারণে বাতাসের চাপ কম লাগে, তাকে অল্পপ্রাণ (Unaspirated) বলে। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ, অর্থাৎ ক, গ, চ, জ ইত্যাদি অল্পপ্রাণ।
ঘোষ ও অঘোষের ভাগটি কিন্তু বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না। উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী (Vocal Cord) কাঁপে কি না, তার ওপর নির্ভর করে।
মনে রাখুন:
অঘোষ (Voiceless) ধ্বনি: বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ।
ঘোষ (Voiced) ধ্বনি: বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ। - ৪. অন্তঃস্থ বর্ণ কোন দুটো?
- ক. শ এবং হ
- খ. ন এবং ম
- গ. ষ এবং স
- ঘ. য এবং ব
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. য এবং ব
য, র, ল, ব, এই চারটি বর্ণকে অন্তঃস্থ বর্ণ (Semivowel) বলে। স্পর্শ বর্ণ (ক থেকে ম) আর উষ্ম বর্ণের (শ, ষ, স, হ) মাঝখানে অবস্থিত বলে এদের এই নাম। তাই ‘য এবং ব’ জোড়াটি অন্তঃস্থ বর্ণের। অন্য জোড়াগুলো আলাদা শ্রেণির, কারণ শ ও হ এবং ষ ও স উষ্ম বর্ণ, আর ন ও ম নাসিক্য (Nasal) বর্ণ। এখানকার ‘ব’ হলো অন্তঃস্থ ব। বর্তমান বাংলা বর্ণমালায় এর আলাদা কোনো চেহারা নেই, বর্গীয় ‘ব’-এর মতোই লেখা হয়।
মনে রাখুন:
অন্তঃস্থ বর্ণ: য, র, ল, ব।
উষ্ম বর্ণ: শ, ষ, স, হ।
নাসিক্য বর্ণ: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম। - ৫. ক্লেশ > কিলেশ, প্রীতি > পিরীতি, গ্লাস > গেলাস — এগুলো কিসের উদাহরণ?
- ক. অপিনিহিতি
- খ. আদি স্বরাগম
- গ. মধ্য স্বরাগম
- ঘ. অন্ত্যস্বরাগম
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. মধ্য স্বরাগম
উচ্চারণ সহজ করার জন্য যুক্তব্যঞ্জনের দুই ব্যঞ্জনের মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি ঢুকে পড়লে তাকে মধ্য স্বরাগম (Anaptyxis) বা বিপ্রকর্ষ বলে। প্রশ্নের তিনটি উদাহরণেই শব্দের মাঝখানে নতুন স্বর যুক্ত হয়েছে। ক্লেশ থেকে কিলেশে ক ও ল-এর মাঝে ই এসেছে, প্রীতি থেকে পিরীতিতে প ও র-এর মাঝে ই এসেছে, আর গ্লাস থেকে গেলাসে গ ও ল-এর মাঝে এ এসেছে। তাই এগুলো মধ্য স্বরাগমের উদাহরণ।
উদাহরণ: রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন।
মনে রাখুন:
শব্দের শুরুতে স্বর যুক্ত হলে আদি স্বরাগম: স্কুল > ইস্কুল।
শব্দের শেষে স্বর যুক্ত হলে অন্ত্যস্বরাগম: বেঞ্চ > বেঞ্চি, সত্য > সত্যি।
পরের ই বা উ আগে চলে এলে অপিনিহিতি: আজি > আইজ। - ৬. কোন জাতীয় শব্দে 'ণ' থাকলে তা অবিকৃত রাখতে হয়?
- ক. তৎসম শব্দে
- খ. অর্ধ-তৎসম শব্দে
- গ. দেশি শব্দে
- ঘ. বিদেশি শব্দে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. তৎসম শব্দে
তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের বানানে মূর্ধন্য ‘ণ’ কোথায় বসবে, তার নিয়মকে ণত্ব বিধান বলে। এই নিয়ম শুধু তৎসম শব্দের জন্য, তাই তৎসম শব্দে যে ‘ণ’ আছে, তা অবিকৃত রাখতে হয়। ঋ, র ও ষ-এর পরে ণ বসে, যেমন ঋণ, বর্ণ, বিষ্ণু। আবার ট-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলেও ণ হয়, যেমন কণ্টক, লুণ্ঠন।
অন্যদিকে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দে সাধারণত ‘ণ’ ব্যবহৃত হয় না। তৎসম ‘স্বর্ণ’ তদ্ভব রূপে হয়েছে ‘সোনা’, ‘কর্ণ’ হয়েছে ‘কান’। বিদেশি শব্দেও দন্ত্য ন বসে।
উদাহরণ: কোরান, গভর্নর। - ৭. শ, ষ, স — এ তিনটির মধ্যে খাঁটি বাংলা শব্দে কোনটির ব্যবহার নেই?
- ক. শ
- খ. ষ
- গ. স
- ঘ. সবগুলো
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ষ
মূর্ধন্য ‘ষ’ মূলত তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের বর্ণ, আর ষত্ব বিধানও কেবল তৎসম শব্দে খাটে। তাই খাঁটি বাংলা (তদ্ভব ও দেশি) শব্দে সাধারণত ‘ষ’ ব্যবহৃত হয় না। তৎসম শব্দে ঋ-কারের পরে এবং ট বা ঠ-এর সঙ্গে যুক্ত হলে ষ বসে, যেমন ঋষি, কৃষক, বৃষ্টি, কষ্ট, শ্রেষ্ঠ। কিন্তু খাঁটি বাংলা শব্দে শ ও স দুটোই আছে, যেমন শাঁখ, সাপ, সোনা।
বিদেশি শব্দেও ষ বসে না, সেখানে স বা শ লেখা হয়।
উদাহরণ: স্টেশন, পোস্ট, পোশাক।
মনে রাখুন: বিদেশি শব্দে ‘ষ্ট’ নয়, ‘স্ট’ লেখা হয়, যেমন স্টেশন, স্টোর। - ৮. নিচের কোনটি বিদেশি ও তদ্ভব শব্দ যোগে গঠিত শব্দ?
- ক. হেডপণ্ডিত
- খ. হেডমিস্ত্রি
- গ. পুলিশ সাহেব
- ঘ. হাফ-আখড়াই
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. হাফ-আখড়াই
দুটি ভিন্ন উৎসের শব্দ মিলে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে মিশ্র শব্দ (Hybrid Word) বলে। ‘হাফ-আখড়াই’ শব্দের প্রথম অংশ ‘হাফ’ ইংরেজি (half), আর দ্বিতীয় অংশ ‘আখড়াই’ তদ্ভব শব্দ। অর্থাৎ এটি বিদেশি ও তদ্ভব শব্দ যোগে গঠিত।
অন্য শব্দগুলোর গঠন আলাদা। হেডপণ্ডিত ইংরেজি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণ। হেডমিস্ত্রি ইংরেজি ও পর্তুগিজ শব্দের মিশ্রণ, কারণ ‘মিস্ত্রি’ এসেছে পর্তুগিজ mestre থেকে। পুলিশ সাহেব ইংরেজি ও আরবি শব্দের মিশ্রণ। এই শেষ দুটির দুই অংশই বিদেশি। ‘পণ্ডিত’ শব্দটি এত প্রচলিত যে অনেকে একে তদ্ভব ভাবেন, কিন্তু এটি সংস্কৃত শব্দ অবিকৃত রূপেই বাংলায় এসেছে, তাই তৎসম।
মনে রাখুন:
মিশ্র শব্দে প্রতিটি অংশের উৎস আলাদা করে চিনতে হয়।
রাজা-বাদশা: তৎসম + ফারসি।
হাট-বাজার: বাংলা + ফারসি। - ৯. ‘পরি’ উপসর্গটি নিচের কোন অর্থে ব্যবহৃত হয় না?
- ক. চতুর্দিক
- খ. গণ্ডিবদ্ধ
- গ. সম্যক রূপে
- ঘ. শেষ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. গণ্ডিবদ্ধ
‘পরি’ একটি তৎসম উপসর্গ (Prefix), যা কয়েকটি নির্দিষ্ট অর্থে শব্দের আগে বসে। এর মূল ভাব চারদিক বা পূর্ণতা বোঝানো। ‘গণ্ডিবদ্ধ’ বা সীমার মধ্যে আটকানো অর্থে ‘পরি’ ব্যবহৃত হয় না। যেমন ‘পরিসীমা’ মানে কোনো ক্ষেত্রের চারদিকের সীমা (Perimeter)। এখানে ‘পরি’ চতুর্দিক অর্থ দিয়েছে, গণ্ডিবদ্ধ অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
চতুর্দিক বা চারদিক: পরিভ্রমণ, পরিক্রমা, পরিসীমা।
বিশেষ রূপে: পরিপূর্ণ, পরিপক্ব।
শেষ: পরিশেষ, পরিসমাপ্তি।
সম্যক রূপে বা পুরোপুরি। - ১০. ‘আড়’ কোন শ্রেণির উপসর্গ?
- ক. তৎসম
- খ. বিদেশি
- গ. খাঁটি বাংলা
- ঘ. অর্ধ-তৎসম
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. খাঁটি বাংলা
‘আড়’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ। যেমন আড়চোখে মানে বাঁকা চোখে, আর আড়মোড়া শব্দেও ‘আড়’ উপসর্গ আছে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন শ্রেণির: খাঁটি বাংলা (২১টি), তৎসম বা সংস্কৃত (২০টি) এবং বিদেশি (আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি)। ‘অর্ধ-তৎসম’ শব্দের একটি শ্রেণি, উপসর্গের কোনো শ্রেণি নয়, তাই সেটি এখানে উত্তর হতে পারে না। আড়, অঘা, অজ, পাতি, ভর, রাম, এই উপসর্গগুলো তৎসম তালিকায় নেই, তাই এগুলো দেখলেই খাঁটি বাংলা বলে চেনা যায়।
মনে রাখুন:
২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। - ১১. নিচের কোন দ্বিরুক্ত শব্দটি বহুবচন নির্দেশ করে?
- ক. পাকা পাকা আম
- খ. ঝির ঝির বৃষ্টি
- গ. নরম নরম হাত
- ঘ. উড়ু উড়ু মন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. পাকা পাকা আম
‘পাকা পাকা আম’ বাক্যে বিশেষণ ‘পাকা’ দুবার বসে বোঝাচ্ছে, আমগুলো সংখ্যায় অনেক এবং সবগুলোই পাকা। বিশেষণের এমন দ্বিরুক্তি (Reduplication) বহুবচন বা আধিক্য প্রকাশ করে। অন্য তিনটি কিন্তু সংখ্যা বোঝায় না। ‘ঝির ঝির বৃষ্টি’ একটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি, যা বৃষ্টির শব্দ ও ধরন বোঝায়। ‘নরম নরম হাত’ হাতের কোমলতার মাত্রা বোঝায়, হাতের সংখ্যা নয়। ‘উড়ু উড়ু মন’ মনের অস্থির, চঞ্চল ভাব বোঝায়।
উদাহরণ: লাল লাল ফুল, বড় বড় বাড়ি।
মনে রাখুন: দ্বিরুক্ত বিশেষণের পরে গণনাযোগ্য বিশেষ্য থাকলে সাধারণত বহুবচন বোঝায়। কিন্তু গুণের মাত্রা, শব্দ বা মনের ভাব বোঝালে তা বহুবচন নয়। - ১২. ‘ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাবে?’ — এখানে ‘ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. ক্রিয়া বিশেষণ
- খ. সামান্যতা
- গ. আধিক্য
- ঘ. তীব্রতা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ক্রিয়া বিশেষণ
‘ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাবে?’ বাক্যে অসমাপিকা ক্রিয়া ‘ঘুমিয়ে’ দুবার বসে মূল ক্রিয়া ‘শুনলে’-র ধরন বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ শোনার কাজটি ঘুমন্ত অবস্থায় হয়েছে। যে পদ ক্রিয়া কীভাবে বা কোন অবস্থায় সম্পন্ন হয় তা জানায়, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ (Adverb) বলে। তাই এখানে দ্বিরুক্ত পদটি ক্রিয়া বিশেষণের কাজ করছে।
চেনার সহজ উপায় হলো প্রশ্ন করা। ‘কীভাবে শুনলে?’ প্রশ্নের উত্তর ‘ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে’। যে দ্বিরুক্তি এভাবে ‘কীভাবে?’ প্রশ্নের উত্তর দেয়, সেটিই ক্রিয়া বিশেষণ।
মনে রাখুন: বাকি অর্থগুলো সাধারণত বিশেষণের দ্বিরুক্তিতে আসে।
উদাহরণ:
সামান্যতা: কালো কালো চেহারা।
আধিক্য: ভালো ভালো আম।
তীব্রতা: গরম গরম জিলাপি। - ১৩. অনুকার অব্যয় যোগে গঠিত দ্বিরুক্তি কোনটি?
- ক. ধামা ধামা ধান আছে
- খ. আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি
- গ. ঢং ঢং করে ঘণ্টা বেজে উঠল
- ঘ. এত জোর জোর করে কাজটা করা ঠিক হবে না
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ঢং ঢং করে ঘণ্টা বেজে উঠল
‘ঢং ঢং’ হলো ঘণ্টার শব্দের অনুকরণ। কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় (Onomatopoeia) বলে। এই শব্দ দুবার বসলে তৈরি হয় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি, তাই ‘ঢং ঢং করে ঘণ্টা বেজে উঠল’ বাক্যটি অনুকার অব্যয় যোগে গঠিত দ্বিরুক্তির উদাহরণ।
অন্য তিনটিতে কোনো ধ্বনির অনুকরণ নেই। ‘ধামা ধামা ধান’ পরিমাণের আধিক্য বোঝায়, ‘জ্বর জ্বর’ সামান্য জ্বরের ভাব বোঝায়, আর ‘জোর জোর’ কাজের মাত্রা বোঝায়।
মনে রাখুন: ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বস্তুর শব্দ, প্রাণীর ডাক বা অনুভূতি প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
বস্তুর শব্দ: ঢং ঢং, ঝম ঝম।
প্রাণীর ডাক: কা কা, ঘেউ ঘেউ।
অনুভূতি: কন কন, ঝিম ঝিম। - ১৪. নিচের কোনটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ?
- ক. নাচ্ + অন
- খ. জল + আ
- গ. পাগল + আ
- ঘ. মাঝ + আরি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. নাচ্ + অন
ধাতু বা ক্রিয়াপ্রকৃতির (Verb Root) সঙ্গে যে প্রত্যয় (Suffix) যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। ‘নাচ্’ একটি ধাতু, তাই নাচ্ + অন = নাচন কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ। বাকি তিনটিতে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে নাম শব্দের (বিশেষ্য বা বিশেষণ) সঙ্গে। জল + আ = জলা, পাগল + আ = পাগলা এবং মাঝ + আরি = মাঝারি, এগুলো তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ।
মনে রাখুন:
ধাতু + প্রত্যয় = কৃৎ প্রত্যয়, আর গঠিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ।
নাম শব্দ + প্রত্যয় = তদ্ধিত প্রত্যয়, আর গঠিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
মূল অংশটি ক্রিয়ার ধাতু কি না যাচাই করলেই দুটিকে আলাদা করা যায়। - ১৫. নিচের কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
- ক. বিলাত ফেরত
- খ. অহি-নকুল
- গ. গায়ে হলুদ
- ঘ. কলে ছাঁটা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. অহি-নকুল
‘অহি-নকুল’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ‘অহি ও নকুল’, অর্থাৎ সাপ ও বেজি। যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ, দুটিরই অর্থ সমান প্রাধান্য পায় এবং ব্যাসবাক্যে ‘ও’ বা ‘এবং’ বসে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। সাপ ও বেজির চিরশত্রুতার কারণে ‘অহি-নকুল সম্পর্ক’ কথাটির অর্থ দাঁড়িয়েছে চরম শত্রুতা।
অন্যগুলো দ্বন্দ্ব সমাস নয়। ‘বিলাত ফেরত’ মানে বিলাত থেকে ফেরত, এটি তৎপুরুষ। ‘কলে ছাঁটা’ মানে কল দ্বারা ছাঁটা, এটিও তৎপুরুষ, তবে এখানে বিভক্তি ‘এ’ লোপ পায়নি। ‘গায়ে হলুদ’ মানে গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এটি অলুক বহুব্রীহি।
মনে রাখুন:
দ্বন্দ্ব সমাসে দুই পদই প্রধান, যেমন মা ও বাবা।
তৎপুরুষে পরপদ প্রধান।
বহুব্রীহিতে কোনো পদ নয়, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রধান হয়। - ১৬. নিচের কোন শব্দে উপজীবিকা অর্থে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. টেকো
- খ. মেছো
- গ. গেছো
- ঘ. গেঁয়ো
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. মেছো
মাছ + উয়া = মাছুয়া > মেছো। মাছ ধরা বা বিক্রি করা যার পেশা, তাকে মেছো বলা হয়। তাই এখানে ‘উয়া’ (> ও) তদ্ধিত প্রত্যয়টি উপজীবিকা (Occupation) অর্থে বসেছে। একই প্রত্যয় অন্য শব্দে অন্য অর্থ দেয়, আর বাকি তিনটির কোনোটিই জীবিকা বোঝায় না।
মনে রাখুন:
টাক + উয়া > টেকো: টাক আছে যার, অর্থাৎ যুক্ত অর্থে।
গাছ + উয়া > গেছো: গাছে থাকে বা চড়ে এমন।
গাঁ + উয়া > গেঁয়ো: গ্রামের সঙ্গে সম্পর্কিত।
শব্দটি কারও পেশা বোঝায় কি না দেখলেই উপজীবিকা অর্থ চেনা যায়। - ৪৯. ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির প্রথমটি কী ছিল?
- ক. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা
- খ. পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা
- গ. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা
- ঘ. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা
১৯৫৪ সালের পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের জন্য যুক্তফ্রন্ট (গঠিত ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩) যে ২১ দফা কর্মসূচি দেয়, তার প্রথম দফা ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা। এ. কে. ফজলুল হক, মওলানা ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে গঠিত এই ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল ‘নৌকা’। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম লীগকে বিপুল ব্যবধানে হারায়।
মনে রাখুন:
২১ দফার ১ নম্বর দফা: বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
২ নম্বর দফা: বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ।
১৯ নম্বর দফা: লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ববাংলার পূর্ণ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। - ৫০. বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কোন গানবোটের Engine Room Artificer নিযুক্ত ছিলেন?
- ক. পদ্মা
- খ. পলাশ
- গ. বাংলার দূত
- ঘ. বখতিয়ার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. পলাশ
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন মুক্তিযুদ্ধে নৌবাহিনীর গানবোট ‘পলাশ’-এর ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার (ERA-1) ছিলেন। ‘পদ্মা’ ছিল পলাশের সঙ্গী গানবোট। ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ খুলনার রূপসা নদীতে অভিযানের সময় পলাশ বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এই যুদ্ধেই রুহুল আমিন শহিদ হন। তিনি ১০ নম্বর সেক্টরের (নৌ সেক্টর) অধীনে যুদ্ধ করেন এবং তিনিই নৌবাহিনীর একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ।
মনে রাখুন:
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন: নৌবাহিনী, গানবোট ‘পলাশ’, শহিদ ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১, রূপসা (খুলনা)।
বিমানবাহিনীর একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান।
তিনি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাগপাঁচড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - ৫১. বাংলাদেশের বেসামরিক প্রশাসন চালুর জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৫টি বিধি জারি করেন কবে?
- ক. ৭ মার্চ ১৯৭১
- খ. ১২ মার্চ ১৯৭১
- গ. ১৫ মার্চ ১৯৭১
- ঘ. ১৯ মার্চ ১৯৭১
- ঙ. ২৫ মার্চ ১৯৭১
উত্তর: গ. ১৫ মার্চ ১৯৭১
অসহযোগ আন্দোলনের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৫ মার্চ ১৯৭১ থেকে ৩৫টি নির্দেশনা (বিধি) জারি করেন। এর ফলে পূর্ব বাংলার বেসামরিক প্রশাসন (Civil Administration) কার্যত তাঁর নির্দেশেই চলতে শুরু করে। এর আগে ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) তিনি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এরপর ১৯ মার্চ গাজীপুরের জয়দেবপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ হয়, আর ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে গণহত্যা শুরু করে।
মনে রাখুন:
৭ মার্চ: ঐতিহাসিক ভাষণ।
১৫ মার্চ: ৩৫টি নির্দেশনা জারি, বেসামরিক প্রশাসন।
১৯ মার্চ: জয়দেবপুরে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।
২৫ মার্চ: অপারেশন সার্চলাইট। - ৫২. মুজিবনগরে নতুন সরকার গঠনের ঘোষণাপত্র কে পাঠ করেন?
- ক. অধ্যাপক এম এ মান্নান
- খ. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
- গ. তাজউদ্দীন আহমদ
- ঘ. জেনারেল ওসমানী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে (পরে নাম হয় মুজিবনগর) বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেয়। সেখানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) পাঠ করেন অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী, এবং তিনিই শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এমএনএ আবদুল মান্নান। তাজউদ্দীন আহমদ এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বলে অনেকে ভাবেন, তিনিই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। কিন্তু পাঠ করেছিলেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
মনে রাখুন:
মুজিবনগর সরকারের গঠন ১০ এপ্রিল ১৯৭১, শপথ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, যিনি বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। প্রধান সেনাপতি কর্নেল (পরে জেনারেল) এম. এ. জি. ওসমানী। - ৫৩. কত সালে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়?
- ক. ১৯৫২ সালে
- খ. ১৯৫৩ সালে
- গ. ১৯৫৪ সালে
- ঘ. ১৯৫৫ সালে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ১৯৫৪ সালে
৭ মে ১৯৫৪ পাকিস্তান গণপরিষদ (Constituent Assembly) উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করে। এরপর ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ও উর্দু দুটোকেই রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৫২ সাল ছিল ভাষা আন্দোলনের (২১ ফেব্রুয়ারি) বছর, স্বীকৃতির বছর নয়।
মনে রাখুন:
ভাষা আন্দোলনের ধাপ হলো ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ (আন্দোলন ও শহিদ), তারপর ৭ মে ১৯৫৪ (গণপরিষদের স্বীকৃতি), এরপর ১৯৫৬ সালের সংবিধান (সাংবিধানিক স্বীকৃতি)।
১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেছিলেন, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এর বিরুদ্ধেই ভাষা আন্দোলনের সূচনা। - ৫৪. পাকিস্তানে প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে প্রথম জাতীয় পরিষদ নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৫৪ সালে
- খ. ১৯৫৩ সালে
- গ. ১৯৬৬ সালে
- ঘ. ১৯৭০ সালে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ১৯৭০ সালে
পাকিস্তানে প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে (Adult Franchise) প্রথম জাতীয় পরিষদ নির্বাচন হয় ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০, আর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন হয় ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭০। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি জাতীয় পরিষদ আসনের ১৬৭টিতে জিতে সারা পাকিস্তানে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আবদুস সাত্তার।
অন্য সালগুলো কেন ঠিক নয়, তা বোঝা দরকার। ১৯৫৪ সালের নির্বাচন ছিল যুক্তফ্রন্টের বিখ্যাত নির্বাচন, কিন্তু সেটি পূর্ববঙ্গ প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন, জাতীয় পরিষদের নয়। ১৯৬২ ও ১৯৬৫ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন হয়েছিল মৌলিক গণতন্ত্রীদের (Basic Democrats) মাধ্যমে পরোক্ষ ভোটে। আর ১৯৬৬ সাল ছয় দফার বছর।
মনে রাখুন: ১৯৭০ হলো পাকিস্তানের প্রথম প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারভিত্তিক সাধারণ নির্বাচন। - ৫৫. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বপ্রথম শত্রুমুক্ত জেলা কোনটি?
- ক. বরিশাল
- খ. খুলনা
- গ. সিলেট
- ঘ. চট্টগ্রাম
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
সারা দেশের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে সর্বপ্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর, যা ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ মুক্ত হয়। যশোর কোনো option-এ নেই, তাই সঠিক উত্তর ‘কোনোটিই নয়’। অনেকে ‘সর্বপ্রথম’ শব্দ দেখে option-এর চারটি জেলার মধ্যে আগে মুক্ত হওয়া বরিশালকে বেছে নেন, কিন্তু প্রশ্নটি সারা দেশের প্রথম জেলা নিয়ে। বরিশাল মুক্ত হয় ৮ ডিসেম্বর, আর সিলেট, খুলনা ও চট্টগ্রাম মুক্ত হয় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি, বিজয়ের কাছাকাছি সময়ে।
মনে রাখুন:
প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
একই দিন, অর্থাৎ ৬ ডিসেম্বর, ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
সঠিক উত্তর option-এ না থাকলে ‘কোনোটিই নয়’ বেছে নিতে দ্বিধা করা ঠিক নয়। - ৫৬. তেভাগা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কোন সাহসী নারী?
- ক. রানী ভবানী
- খ. ইলা মিত্র
- গ. প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
- ঘ. সুমিত্রা দেবী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ইলা মিত্র
তেভাগা আন্দোলন ছিল বর্গাচাষিদের দাবির আন্দোলন। উৎপাদিত ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ (২/৩) পাবে চাষি, আর এক ভাগ পাবে জমির মালিক, এটাই ছিল দাবি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সাঁওতাল ও কৃষকদের নিয়ে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন ইলা মিত্র, যাঁকে সাঁওতালরা ‘রানী মা’ বলে ডাকত। দিনাজপুরে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ।
অন্য নামগুলো আলাদা পরিচয়ের। রানী ভবানী ছিলেন নাটোরের জমিদার। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী, যিনি ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণে নেতৃত্ব দেন।
মনে রাখুন: তেভাগা আন্দোলনে ফসলের ২/৩ বর্গাচাষির দাবি ছিল। নাচোলে নেতৃত্ব দেন ইলা মিত্র। - ৫৭. বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
- ক. আলীবর্দী খান
- খ. সিরাজ উদ্-দৌলা
- গ. মুর্শিদ কুলি খান
- ঘ. বাহাদুর শাহ্
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. মুর্শিদ কুলি খান
মুর্শিদ কুলি খান ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব, তাঁর শাসনকাল ১৭১৭ থেকে ১৭২৭ সাল। মুঘল সম্রাটের প্রতি নামমাত্র আনুগত্য রেখে তিনি কার্যত স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করেন এবং রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে সরিয়ে নেন। অন্য নামগুলো আলাদা পরিচয়ের। আলীবর্দী খান ছিলেন সিরাজ-উদ-দৌলার নানা। সিরাজ-উদ-দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব, যিনি ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন। বাহাদুর শাহ্ নামে মুঘল সম্রাট ছিলেন, বাংলার নবাব নন।
মনে রাখুন:
প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান, রাজধানী মুর্শিদাবাদ।
শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা, পলাশীর যুদ্ধ ২৩ জুন ১৭৫৭।
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ্ ছিলেন শেষ মুঘল সম্রাট। - ৫৮. ১৯৭১ সালে প্রথম কোন কূটনীতিক বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন?
- ক. কে এম শাহাবুদ্দিন
- খ. মোঃ মহিউদ্দিন খান
- গ. এস এ নবী
- ঘ. এম হোসেন আলী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. কে এম শাহাবুদ্দিন
১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল নয়াদিল্লির পাকিস্তান হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব কে. এম. শাহাবুদ্দিন (সহকর্মী আমজাদুল হকসহ) পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন। তাঁরাই প্রথম বাঙালি কূটনীতিক, যাঁরা এই পদক্ষেপ নেন। এর পরে ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ কলকাতায় পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার এম. হোসেন আলী পুরো মিশনসহ বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। তিনি পুরো মিশন নিয়ে এসেছিলেন বলে তাঁর নাম বেশি পরিচিত, কিন্তু প্রথম আনুগত্য প্রকাশ করেন শাহাবুদ্দিন।
মনে রাখুন:
প্রথম আনুগত্য প্রকাশকারী কূটনীতিক কে. এম. শাহাবুদ্দিন, নয়াদিল্লি, ৬ এপ্রিল ১৯৭১।
পুরো মিশনসহ আনুগত্য এম. হোসেন আলী, কলকাতা, ১৮ এপ্রিল ১৯৭১। - ৫৯. কোন সাহিত্যিক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য বীরপ্রতীক খেতাব লাভ করেন?
- ক. আব্দুস সাত্তার
- খ. জহির রায়হান
- গ. শওকত ওসমান
- ঘ. গাজীউল হক
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. আব্দুস সাত্তার
সাহিত্যিক আব্দুস সাত্তার মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়ে বীরত্বের জন্য ‘বীর প্রতীক’ খেতাব পান। মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক খেতাব চারটি: বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), বীর উত্তম (৬৮ জন), বীর বিক্রম (১৭৫ জন) ও বীর প্রতীক (৪২৬ জন), মোট ৬৭৬ জন। এর মধ্যে বীর প্রতীক চতুর্থ স্তরের খেতাব। অন্যরা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখলেও কেউ কোনো বীরত্বসূচক খেতাব পাননি। জহির রায়হান চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’ ও প্রামাণ্যচিত্র ‘Stop Genocide’-এর জন্য পরিচিত। শওকত ওসমানের বিখ্যাত উপন্যাস ‘ক্রীতদাসের হাসি’, আর গাজীউল হক একজন ভাষাসৈনিক।
মনে রাখুন:
বীরত্বসূচক খেতাবের ক্রম (উচ্চ থেকে নিম্ন): বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক।
নারী বীর প্রতীক দুজন: তারামন বিবি ও ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। - ৬০. পাকিস্তানের Constituent Assembly-এর কার্যবিবরণীতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি প্রথম কে তুলেছিলেন?
- ক. আব্দুল হাশেম
- খ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- গ. শেখ মুজিবুর রহমান
- ঘ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের (Constituent Assembly) অধিবেশনে কুমিল্লার সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রস্তাব (Amendment) আনেন, ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পরিষদের কার্যবিবরণীর ভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হোক। প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এর বিরোধিতা করেন এবং প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহিদ হন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষাবিদ হিসেবে বাংলার পক্ষে লিখেছিলেন, কিন্তু তিনি গণপরিষদের সদস্য ছিলেন না।
মনে রাখুন: গণপরিষদে বাংলা ব্যবহারের দাবি প্রথম তোলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮। বিরোধিতা করেন লিয়াকত আলী খান। - ৬১. পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন কবে প্রণীত হয়?
- ক. ১৯৪৮
- খ. ১৯৫০
- গ. ১৯৫৪
- ঘ. ১৯৫৬
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ১৯৫০
পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন (East Bengal State Acquisition and Tenancy Act) প্রণীত হয় ১৯৫০ সালে। এই আইনের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয় এবং রায়ত বা কৃষকেরা সরাসরি সরকারের প্রজা হয়ে সরকারকে খাজনা দেওয়ার অধিকার পায়। জমিদারি প্রথার ভিত্তি ছিল ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement)। এর আগে প্রজাদের অধিকার নিয়ন্ত্রণ করত ১৮৮৫ সালের বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন।
মনে রাখুন: ভূমিব্যবস্থার ধাপ হলো চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (১৭৯৩, লর্ড কর্নওয়ালিস), তারপর বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন (১৮৮৫), এরপর পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন (১৯৫০), যা জমিদারি উচ্ছেদ করে। - ৬২. ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ’ কবে গঠন করা হয়?
- ক. ১৯৪৯ সালের ৯ মার্চ
- খ. ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
- গ. ১৯৫২ সালের ২ মার্চ
- ঘ. ১৯৫২ সালের ৯ মার্চ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
খাজা নাজিমুদ্দীন ২৭ জানুয়ারি ১৯৫২ পল্টন ময়দানে উর্দুকেই পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করলে তার প্রতিবাদে ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ ঢাকা বার লাইব্রেরিতে মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ’ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব। এই কর্মপরিষদই ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ দেশব্যাপী হরতাল ও বিক্ষোভের ডাক দেয়।
অনেকে এটিকে ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ গঠিত ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন, কিন্তু ১৯৫২ সালের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ গঠিত হয় ৩১ জানুয়ারি।
মনে রাখুন: ১৯৫২ সালের ঘটনাক্রম হলো ২৭ জানুয়ারি নাজিমুদ্দীনের ঘোষণা, ৩১ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ গঠন, তারপর ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল ও ভাষা শহিদ। - ৬৩. বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যাকারক কে?
- ক. মহামান্য রাষ্ট্রপতি
- খ. জাতীয় সংসদ
- গ. অ্যাটর্নি জেনারেল
- ঘ. সুপ্রিম কোর্ট
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. সুপ্রিম কোর্ট
বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক (Guardian) ও চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারী হলো সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে (বিচার বিভাগ) অনুচ্ছেদ ৯৪ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ আছে: আপিল বিভাগ (Appellate Division) ও হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)। সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন আদালত অবৈধ ঘোষণা করতে পারে। অন্য পদগুলোর ভূমিকা আলাদা। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে, আর অ্যাটর্নি জেনারেল (অনুচ্ছেদ ৬৪) সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
মনে রাখুন: সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারী সুপ্রিম কোর্ট। সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল। - ৬৪. বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কত নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
- ক. ২ নং
- খ. ৪ নং
- গ. ৭ নং
- ঘ. ৮ নং
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ২ নং
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ছিলেন চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক। তিনি ২ নম্বর সেক্টরে (সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ) যুদ্ধ করেন। ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইনে সহযোদ্ধাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে একাই লড়াই চালিয়ে তিনি শহিদ হন।
মনে রাখুন: বীরশ্রেষ্ঠদের সেক্টর:
মুন্সী আবদুর রউফ: ১ নম্বর সেক্টর।
মোস্তফা কামাল: ২ নম্বর সেক্টর।
হামিদুর রহমান: ৪ নম্বর সেক্টর।
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭ নম্বর সেক্টর।
নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮ নম্বর সেক্টর।
রুহুল আমিন: ১০ নম্বর সেক্টর (নৌ)।
মতিউর রহমান ছিলেন বিমানবাহিনীর।
ইংরেজি
- ১৭.
Directions: Choose the correctly spelled word.
Which word is spelled correctly?
- ক. Innoculation
- খ. Innoolation
- গ. Inocoation
- ঘ. Inoculation
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. Inoculation
সঠিক বানান Inoculation, যার অর্থ টিকা দেওয়া, অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধের জন্য শরীরে ভ্যাকসিন বা জীবাণু প্রবেশ করানো। শব্দটি এসেছে ল্যাটিন inoculare (গাছে কুঁড়ি জোড়া লাগানো) থেকে, যার মূলে আছে in- এবং oculus (চোখ বা কুঁড়ি)। তাই শুরুতে n একটিই, আর মাঝে ‘-ocu-’।
বাকি বানানগুলো ভুল। Innoculation লেখায় n দুটি, Innoolation লেখায় n দুটি এবং ‘ocu’-র জায়গায় ‘oo’, আর Inocoation লেখায় u-এর বদলে o এবং l বাদ পড়েছে। একটি বানান সঠিক থাকায় None of these ঠিক নয়।
মনে রাখুন: Inoculation = in + ocul + ation। একই oculus থেকে এসেছে ocular ও binocular। Innovation-এর মতো ‘inn-’ দিয়ে লেখাই এই শব্দের সবচেয়ে সাধারণ ভুল। - ১৮.
Directions: Choose the correctly spelled word.
Which word is spelled correctly?
- ক. Mischievous
- খ. Micheivos
- গ. Misschievous
- ঘ. Mischivious
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. Mischievous
সঠিক বানান Mischievous, যার অর্থ দুষ্টু বা দুষ্টুমিভরা, আবার ক্ষতিকরও। শব্দটি noun mischief (দুষ্টুমি, অনিষ্ট) এবং -ous মিলে তৈরি। এর বানানে mischief-এর ‘ie’ ঠিক থাকে, শেষের f বদলে v হয়, আর শেষে শুধু ‘-vous’ বসে, ‘-vious’ নয়।
ভুল বানানগুলোর ত্রুটি আলাদা। Micheivos বানানে ‘Mis’-এর s নেই, ‘ie’-র জায়গায় ‘ei’ এবং ‘-ous’-এর জায়গায় ‘-os’ আছে। Misschievous বানানে s দুটি। Mischivious বানানে ‘ie’-র e নেই এবং শেষে বাড়তি i দিয়ে ‘-vious’ লেখা হয়েছে।
মনে রাখুন:
mischief থেকে mischievous হয়, একইভাবে grief থেকে grievous।
শব্দটি তিন সিলেবলের: mis-chie-vous। উচ্চারণে অনেকে ‘মিসচিভিয়াস’ বলেন, তাই বানানে বাড়তি i বসিয়ে ফেলেন। - ১৯.
Directions: Choose the correctly spelled word.
Which word is spelled correctly?
- ক. Bureaucracy
- খ. Buroaucracy
- গ. Bureoucrecy
- ঘ. Buoreauctacy
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. Bureaucracy
সঠিক বানান Bureaucracy, যার অর্থ আমলাতন্ত্র, অর্থাৎ সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরিচালিত প্রশাসনব্যবস্থা। অতিরিক্ত নিয়মকানুন ও দীর্ঘসূত্রতা বোঝাতেও শব্দটি ব্যবহৃত হয়। শব্দটি দুই অংশে গঠিত: ফরাসি bureau (অফিস, ডেস্ক) এবং গ্রিক -cracy (শাসন)। দুই অংশ মিলিয়ে অর্থ দাঁড়ায় ‘অফিসের শাসন’, তাই bureau + cracy মিলিয়ে লিখলেই বানান সঠিক হয়।
ভুল বানানগুলোর ত্রুটিও আলাদা। Buroaucracy বানানে ‘bureau’-র e-এর জায়গায় o বসেছে। Bureoucrecy বানানে ‘eau’-র জায়গায় ‘eou’ এবং ‘cracy’-র জায়গায় ‘crecy’ আছে। Buoreauctacy বানানে শুরুতে বাড়তি o এবং ‘cr’-এর জায়গায় ‘ct’ আছে।
মনে রাখুন:
একই -cracy আছে democracy (গণতন্ত্র), autocracy (স্বৈরতন্ত্র) ও aristocracy (অভিজাততন্ত্র) শব্দে।
Bureaucrat মানে আমলা, bureaucratic মানে আমলাতান্ত্রিক। - ২০.
Directions: Choose the correctly spelled word.
Which word is spelled correctly?
- ক. Heirarchical
- খ. Hairarchical
- গ. Hierarchical
- ঘ. Hirearchical
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. Hierarchical
সঠিক বানান Hierarchical, যার অর্থ স্তরবিন্যস্ত, অর্থাৎ উঁচু-নিচু পদ বা স্তরে ক্রমানুসারে সাজানো। এটি এসেছে noun hierarchy (পদসোপান) থেকে। এর মূলে আছে গ্রিক hieros (পবিত্র) এবং archein (শাসন করা), কারণ শুরুতে শব্দটি পুরোহিতদের স্তরভিত্তিক শাসন বোঝাত। তাই শব্দের শুরুতে ‘hier-’ লিখতে হয়, অর্থাৎ আগে i, পরে e।
ভুল বানানগুলোর ত্রুটি আলাদা। Heirarchical বানানে heir (উত্তরাধিকারী) শব্দের প্রভাবে ‘ei’ লেখা হয়েছে। Hairarchical বানানে ‘ie’-র জায়গায় ‘ai’ আছে। Hirearchical বানানে ‘ier’-এর জায়গায় ‘ire’ আছে।
মনে রাখুন: একই hieros থেকে এসেছে hieroglyph, যার অর্থ প্রাচীন মিশরের চিত্রলিপি। heir সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ, তাই এর সঙ্গে গুলিয়ে ‘ei’ লেখা যাবে না। - ২১.
Directions: Fill in the blanks with the appropriate word or phrase.
The police did not want to ____ the investigation by revealing details to the press.
- ক. prejudice
- খ. preclude
- গ. predilect
- ঘ. postpone
- ঙ. None of these
উত্তর: ক. prejudice
শূন্যস্থানে এমন একটি verb দরকার, যা বোঝায় সংবাদমাধ্যমে তথ্য ফাঁস হলে তদন্তের কী ক্ষতি হতে পারে। Prejudice শব্দটিকে অনেকে শুধু noun হিসেবে চেনেন, যার অর্থ কুসংস্কার বা পূর্বধারণা। কিন্তু verb হিসেবে prejudice মানে কোনো কিছুর ক্ষতি করা বা তার ন্যায্যতা নষ্ট করা, বিশেষত বিচার বা তদন্তের ক্ষেত্রে। তাই সঠিক বাক্য হলো: The police did not want to prejudice the investigation by revealing details to the press. অর্থাৎ পুলিশ তথ্য প্রকাশ করে তদন্তকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায়নি।
অন্য শব্দগুলো এখানে খাপ খায় না। Preclude মানে আগেভাগে বাধা দেওয়া বা অসম্ভব করে তোলা। Predilect স্বীকৃত কোনো ইংরেজি verb নয়, আর noun predilection মানে বিশেষ ঝোঁক বা পছন্দ। Postpone মানে স্থগিত করা। তথ্য প্রকাশ করলে তদন্ত অসম্ভব হয়ে যায় না, পিছিয়েও যায় না, বরং ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মনে রাখুন: Prejudice (v.) = harm, undermine। যেমন prejudice a trial, prejudice an investigation। ‘Without prejudice’ মানে কারও অধিকার ক্ষুণ্ন না করে। - ২২.
Directions: Fill in the blanks with the appropriate word or phrase.
There is no glory in war considering the blood it ____.
- ক. demands
- খ. costs
- গ. stains
- ঘ. sheds
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. sheds
শূন্যস্থানে blood শব্দের সঙ্গে প্রচলিত শব্দজোট (Collocation) বসাতে হবে। ইংরেজিতে রক্ত ঝরানো বোঝাতে বলা হয় shed blood, আর এখান থেকেই রক্তপাত অর্থের bloodshed শব্দটি এসেছে। তাই সঠিক বাক্য: There is no glory in war considering the blood it sheds. অর্থাৎ যুদ্ধ যত রক্ত ঝরায়, তা ভাবলে এতে কোনো গৌরব নেই।
অন্য শব্দগুলো এই জোটে প্রচলিত নয়। ‘War costs lives’ স্বাভাবিক বাক্য, কিন্তু ‘the blood it costs’ প্রচলিত নয়। Demands দিয়ে রক্তপাত বোঝানো হয় না। আর stain-এর object হয় যে জিনিসে দাগ পড়ে, যেমন blood stains a shirt, তাই ‘stains blood’ বললে অর্থ উল্টে যায়।
মনে রাখুন: Shed-এর অন্য প্রচলিত জোট হলো shed tears (অশ্রু ঝরানো), shed light on (আলোকপাত করা) এবং shed leaves (পাতা ঝরানো)। Shed-এর past ও past participle-ও shed। - ২৩.
Directions: Fill in the blanks with the appropriate word or phrase.
Despite the company’s continuous efforts, the new product’s sales trend did not pick up and remained ____.
- ক. sedentary
- খ. redolent
- গ. fervent
- ঘ. sluggish
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. sluggish
বাক্যের শুরুতে ‘Despite’ (সত্ত্বেও) আছে, যা বোঝায় প্রচেষ্টার ফল উল্টো হয়েছে, অর্থাৎ বিক্রি বাড়েনি। তাই শূন্যস্থানে ধীরগতি বা মন্দা বোঝায় এমন একটি adjective দরকার। Sluggish মানে মন্থর, ধীরগতির বা ঝিমিয়ে পড়া। ‘Sales remained sluggish’ ব্যবসায়িক ইংরেজির খুব প্রচলিত জোট, আর ‘did not pick up’ অংশের সঙ্গেও এটি অর্থে মেলে।
অন্য শব্দগুলো এখানে খাটে না। Sedentary মানে বসে বসে কাটানো, শারীরিক পরিশ্রমহীন, আর এটি মানুষের জীবনযাপন বা কাজের বিশেষণ, বিক্রির ধারার নয়। Redolent মানে সুগন্ধযুক্ত, বা কোনো কিছুর কথা মনে করিয়ে দেয় এমন। Fervent মানে আবেগপূর্ণ ও প্রবল উৎসাহী।
মনে রাখুন: Sluggish = slow, slack, inactive। যেমন sluggish sales, sluggish economy। এর বিপরীত শব্দ brisk ও buoyant। Despite বা although-এর পরে দ্বিতীয় অংশে সাধারণত প্রত্যাশার উল্টো ফল আসে, এই সংকেত থেকেই শূন্যস্থানের অর্থ আন্দাজ করা যায়। - ২৪.
Directions: Fill in the blanks with the appropriate word or phrase.
Because of his ill health, the doctor advised Sakib ____ smoking.
- ক. to refrain to
- খ. to be refrained from
- গ. to refrain from
- ঘ. to not refrain from
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. to refrain from
এখানে দুটি গঠন একসঙ্গে লাগবে। প্রথমটি advise + somebody + to + verb, অর্থাৎ কাউকে কিছু করার পরামর্শ দেওয়া। দ্বিতীয়টি refrain from + noun বা gerund, অর্থাৎ কিছু থেকে বিরত থাকা। তাই সঠিক বাক্য: Because of his ill health, the doctor advised Sakib to refrain from smoking.
বাকি গঠনগুলো ভুল বা অর্থহীন। ‘To refrain to’ ভুল, কারণ refrain-এর পরে preposition from বসে, to নয়। ‘To be refrained from’ ভুল, কারণ refrain একটি অকর্মক ক্রিয়া (Intransitive Verb), তার passive রূপ হয় না। ‘To not refrain from’ ব্যাকরণগতভাবে চললেও অর্থ উল্টে দেয়, কারণ অসুস্থ মানুষকে ডাক্তার ধূমপান চালিয়ে যেতে বলবেন না।
মনে রাখুন: Refrain from + noun বা V-ing মানে বিরত থাকা, যেমন refrain from smoking। একইভাবে from নেয় abstain from, desist from এবং prevent someone from। - ২৫.
Directions: Choose the word that best expresses the meaning of the given word.
Sporadic
- ক. Methodical
- খ. Occasional
- গ. Constant
- ঘ. Continuous
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Occasional
Sporadic মানে বিক্ষিপ্ত, অর্থাৎ অনিয়মিতভাবে মাঝে মাঝে ঘটে এমন। যেমন sporadic violence মানে বিক্ষিপ্ত সহিংসতা, আর sporadic rain মানে থেমে থেমে বৃষ্টি। Occasional মানে মাঝেমধ্যে ঘটে এমন, তাই এটিই sporadic-এর সবচেয়ে কাছের অর্থ।
অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। Methodical মানে নিয়মমাফিক বা পদ্ধতিগত। Constant মানে অবিরাম, আর Continuous মানে নিরবচ্ছিন্ন বা একটানা। এই দুটি আসলে sporadic-এর বিপরীত শব্দ (Antonym)।
মনে রাখুন:
Sporadic = occasional, intermittent, irregular, scattered। এর বিপরীত শব্দ constant, continuous, regular।
শব্দটি এসেছে গ্রিক sporas (ছড়ানো) থেকে। বীজের মতো এখানে-ওখানে ছড়িয়ে থাকা বোঝাতেই এই নাম, আর spore (রেণু) শব্দেও একই মূল আছে। - ২৬.
Directions: Choose the word that best expresses the meaning of the given word.
Attrition
- ক. Lovable
- খ. Decline
- গ. Happiness
- ঘ. Assurance
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Decline
Attrition (noun) মানে ক্রমাগত ক্ষয়, অর্থাৎ ধীরে ধীরে শক্তি বা সংখ্যা কমে যাওয়া। যেমন war of attrition হলো প্রতিপক্ষকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করে দুর্বল করার যুদ্ধ, আর staff attrition মানে চাকরি ছাড়া বা অবসরের কারণে কর্মীসংখ্যা কমে যাওয়া। Decline মানে হ্রাস বা অবনতি, তাই এটিই attrition-এর সবচেয়ে কাছের অর্থ।
অন্য শব্দগুলোর সঙ্গে অর্থের মিল নেই। Lovable মানে প্রিয় বা ভালোবাসার যোগ্য, Happiness মানে সুখ বা আনন্দ, আর Assurance মানে আশ্বাস বা নিশ্চয়তা। Attrition ও attraction (আকর্ষণ) দেখতে কাছাকাছি, তাই অনেকে ভুল করে ‘আকর্ষণীয়’ ভাব ধরেন। কিন্তু attraction সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ।
মনে রাখুন: Attrition = gradual reduction, wearing down। যেমন war of attrition, attrition rate। শব্দটির মূলে আছে ল্যাটিন atterere, যার অর্থ ঘষে ক্ষয় করা। - ২৭.
Directions: Choose the word that best expresses the meaning of the given word.
Enigma
- ক. Reply
- খ. Sharp
- গ. Praise
- ঘ. Puzzle
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. Puzzle
Enigma (noun) মানে রহস্য বা ধাঁধা, অর্থাৎ এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় যা বোঝা কঠিন। Puzzle মানে ধাঁধা বা রহস্যময় বিষয়, তাই এটি enigma-র সমান অর্থ দেয়। দুটি শব্দই noun, তাই part of speech-ও মিলে যায়। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Reply মানে উত্তর বা জবাব, Sharp মানে ধারালো বা তীক্ষ্ণ, আর Praise মানে প্রশংসা।
মনে রাখুন:
Enigma = mystery, puzzle, riddle। এর adjective রূপ enigmatic, যার অর্থ রহস্যময়। যেমন Mona Lisa-র enigmatic smile।
মজার ব্যাপার হলো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির গোপন বার্তা সংকেতায়নের যন্ত্রের নামও ছিল Enigma। নামটিই মনে করিয়ে দেয় ‘ধাঁধা’। - ২৮.
Directions: Choose the word that best expresses the meaning of the given word.
Remorse
- ক. Meanness
- খ. Repentance
- গ. Worthwhile
- ঘ. Insignificant
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Repentance
Remorse (noun) মানে কোনো অন্যায় বা ভুলের জন্য গভীর অনুশোচনা, বিবেকের দংশন। Repentance মানে অনুতাপ বা অনুশোচনা, তাই এটি remorse-এর সমান অর্থ দেয়। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। Meanness মানে নীচতা, হীনতা বা কৃপণতা। Worthwhile মানে সার্থক বা মূল্যবান, আর Insignificant মানে তুচ্ছ বা নগণ্য। এই দুটি আবার adjective।
মনে রাখুন:
Remorse = repentance, regret, contrition। Remorseful মানে অনুতপ্ত, আর remorseless মানে নির্দয় বা অনুশোচনাহীন।
শব্দটি এসেছে ল্যাটিন remordere (re- মানে আবার, mordere মানে কামড়ানো) থেকে। অর্থাৎ বিবেক যেন বারবার কামড়ায়। - ২৯.
Directions: Identify the missing word from the given choices.
The southern part of Bangladesh has so beautiful places to visit.
- ক. many
- খ. lot
- গ. long
- ঘ. much
- ঙ. No word is missing
উত্তর: ক. many
বাক্যে কোনো ফাঁকা স্থান দেখানো নেই, কিন্তু গঠনটি ভেঙেছে ‘so beautiful places’ অংশে, কারণ ‘so + adjective’ সরাসরি plural noun-এর আগে বসে না। Places একটি গণনাযোগ্য বহুবচন বিশেষ্য (Countable Plural Noun), তাই পরিমাণ বোঝাতে many লাগে। সঠিক বাক্য: The southern part of Bangladesh has so many beautiful places to visit.
অন্য শব্দগুলো এখানে বসে না। Much বসে অগণনাযোগ্য (Uncountable) noun-এর সঙ্গে, যেমন so much water। Lot একা বসে না, ‘a lot of’ রূপে বসে, আর ‘so a lot’ অশুদ্ধ। Long অর্থের দিক থেকে খাটে না। ‘So beautiful places’ ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ বলে ‘No word is missing’-ও ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
Many বসে countable plural-এর আগে (many places), much বসে uncountable-এর আগে (much time)।
‘So + adjective’-এর পরে noun বসে না, যেমন The places are so beautiful। Noun থাকলে such (such beautiful places) বা so many লাগে।
বাংলায় ‘অনেক’ সব ক্ষেত্রে একই রকম চলে বলে অনেকে much বসিয়ে ভুল করেন। - ৩০.
Directions: Identify the missing word from the given choices.
When I was at the University, I used study regularly.
- ক. to
- খ. had to
- গ. have
- ঘ. into
- ঙ. No word is missing
উত্তর: ক. to
অতীতের নিয়মিত অভ্যাস বোঝাতে used to + verb-এর মূল রূপ (Base Form) বসে। বাক্যের ‘used study’ অংশে to নেই, তাই সেটিই বাদ পড়েছে। সঠিক বাক্য: When I was at the University, I used to study regularly. ‘Used had to study’ ও ‘used have study’ দুটিতেই একাধিক verb এলোমেলোভাবে পরপর বসে গঠন ভেঙে যায়। ‘Used into study’ অর্থহীন। আর ‘used study’ অশুদ্ধ বলে ‘No word is missing’-ও ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
Used to + base verb মানে অতীতে করতাম, এখন আর করি না। যেমন I used to study।
Be/get used to + V-ing মানে কোনো কিছুতে অভ্যস্ত হওয়া। যেমন I am used to studying at night।
দুটি গঠন গুলিয়ে ফেলা যাবে না। - ৩১.
Directions: Identify the missing word from the given choices.
Would you mind checking the dictionary the meaning of the word?
- ক. of
- খ. for
- গ. to
- ঘ. in
- ঙ. No word is missing
উত্তর: খ. for
বাক্যের ‘checking the dictionary the meaning’ অংশে দুটি noun phrase কোনো সংযোগ ছাড়াই পাশাপাশি বসেছে। কোনো কিছু খোঁজার উদ্দেশ্যে কোথাও দেখা বোঝাতে বলা হয় check something for something। তাই সঠিক বাক্য: Would you mind checking the dictionary for the meaning of the word?
অন্য preposition-গুলো এখানে খাটে না। Of বসালে অর্থ দাঁড়ায় ‘শব্দার্থের অভিধান’, আর to বা in বসালে check-এর সঙ্গে অর্থবহ গঠনই হয় না। ‘Look up the meaning in the dictionary’ শুদ্ধ বাক্য হলেও সেখানে in বসে dictionary-র আগে, এই বাক্যের গঠনে নয়। শব্দ বাদ পড়েছে বলে ‘No word is missing’-ও ভুল।
মনে রাখুন:
Check বা search + (যেখানে খোঁজা হচ্ছে) + for + (যা খোঁজা হচ্ছে)। যেমন check the dictionary for the meaning, search the room for the keys।
Would you mind-এর পরে verb-এর -ing রূপ বসে, যেমন Would you mind checking। - ৩২.
Directions: Identify the missing word from the given choices.
You resemble your father.
- ক. to
- খ. at
- গ. for
- ঘ. of
- ঙ. No word is missing
উত্তর: ঙ. No word is missing
Resemble মানে কারও মতো দেখতে হওয়া বা সাদৃশ্য থাকা। এটি একটি সকর্মক ক্রিয়া (Transitive Verb), তাই এর পরে সরাসরি কর্ম (Object) বসে, কোনো preposition লাগে না। ‘You resemble your father.’ বাক্যটি তাই সম্পূর্ণ ও শুদ্ধ, কোনো শব্দ বাদ পড়েনি। To, at, for বা of বসালে (যেমন resemble to, resemble of) বাক্যটি ভুল হয়ে যায়।
তবে noun resemblance-এর পরে to বসে। যেমন You bear a strong resemblance to your father. বাংলায় ‘বাবার মতো’ বলা হয় এবং noun-এ ‘resemblance to’ থাকে বলে অনেকে ‘resemble to’ লিখে ফেলেন, কিন্তু verb resemble কখনো preposition নেয় না।
মনে রাখুন: কিছু transitive verb-এর পরে preposition বসে না। যেমন resemble (not resemble to), discuss (not discuss about), reach (not reach at), marry (not marry with)। এদের noun রূপে অবশ্য preposition লাগতে পারে, যেমন resemblance to, discussion about।
গণিত
- ৩৩. একটি ছাত্রাবাসে টিভি কেনার জন্য চাঁদা তোলা হলো। যদি মোট ১৭,৮৯০ টাকা চাঁদা উঠে থাকে এবং প্রতি ছাত্র কমপক্ষে ৩৫০ টাকা চাঁদা দিয়ে থাকে, তাহলে ছাত্রাবাসের ছাত্রসংখ্যা সর্বোচ্চ কত হতে পারে?
- ক. ৩১
- খ. ৪৯
- গ. ৩৭
- ঘ. ৫১
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ৫১
ছাত্রসংখ্যা n জন হলে প্রত্যেকে কমপক্ষে 350 টাকা দিলে মোট চাঁদা কমপক্ষে 350n টাকা হবে। কিন্তু মোট চাঁদা মাত্র 17,890 টাকা, তাই 350n কখনো 17,890-এর বেশি হতে পারে না। ছাত্রসংখ্যা অবশ্যই পূর্ণসংখ্যা, আর আমাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য সংখ্যাটি চাই।
হিসাব:
350n ≤ 17,890, তাই n ≤ 17,890 ÷ 350 = 51.11 (প্রায়)
n পূর্ণসংখ্যা, তাই সর্বোচ্চ n = 51
যাচাই: 51 × 350 = 17,850, বাকি 40 টাকা কয়েকজন বেশি দিয়েছেন। কিন্তু 52 × 350 = 18,200, যা মোট চাঁদার চেয়ে বেশি।
মনে রাখুন: ‘প্রত্যেকে কমপক্ষে a টাকা দিলে’ মোট টাকা ≥ a × n হয়। সর্বোচ্চ সংখ্যা পেতে ভাগফলের শুধু পূর্ণসংখ্যা অংশ নিতে হয়, কারণ ভাগশেষের টাকায় আরেকজনের পুরো 350 টাকা হয় না। অনেকে 51.11 দেখে উপরের দিকে রাউন্ড করে 52 ধরে ফেলেন। - ৩৪. একজন ব্যবসায়ী আলমারি ও টেবিল প্রস্তুত করেন। প্রতিটি আলমারির বিক্রয়মূল্য ৭,০০০ টাকা এবং প্রতিটি টেবিলের বিক্রয়মূল্য ৩,৭৫০ টাকা। গত মাসে তিনি যে পরিমাণ আলমারি বিক্রি করেন তার তিনগুণ টেবিল বিক্রি করে থাকলে তার প্রতি একক পণ্যের গড় বিক্রয়মূল্য কত?
- ক. ৪,৫৬২.৫০ টাকা
- খ. ৪,৫৫০ টাকা
- গ. ৬,৬০০ টাকা
- ঘ. ৩,৭৪৫ টাকা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ৪,৫৬২.৫০ টাকা
আলমারি ও টেবিল বিক্রির সংখ্যা সমান নয়, তাই এখানে সরল গড় নয়, ভারযুক্ত গড় (Weighted Average) নিতে হবে। অর্থাৎ গড় দাম = মোট বিক্রয়মূল্য ÷ মোট পণ্যের সংখ্যা। আলমারি x টি বিক্রি হলে টেবিল 3x টি বিক্রি হয়েছে।
হিসাব:
মোট বিক্রয়মূল্য = 7,000x + 3,750 × 3x = 7,000x + 11,250x = 18,250x টাকা
মোট পণ্য = x + 3x = 4x টি
গড় = 18,250x ÷ 4x = 4,562.50 টাকা
x কেটে যায়, তাই উত্তর আলমারির সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। 1টি আলমারি ও 3টি টেবিল ধরে যাচাই করা যায়: মোট 7,000 + 11,250 = 18,250 টাকা, 4টি পণ্যে গড় 4,562.50 টাকা।
মনে রাখুন: যে পণ্য বেশি বিক্রি হয়, গড় তার দামের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে। এখানে গড় 3,750 ও 7,000-এর মাঝে, তবে টেবিল বেশি বিক্রি হওয়ায় 3,750-এর কাছাকাছি। সরল গড় (7,000 + 3,750) ÷ 2 = 5,375 নিলে ভুল হয়, কারণ বিক্রির অনুপাত 1 : 3। - ৩৫. একটি ফলের ঝুড়ির আমের দুই-পঞ্চমাংশ পরীক্ষা করার পর ৪টিতে ত্রুটি পাওয়া গেল এবং বাকি ৩৬টি ত্রুটিমুক্ত পাওয়া গেল। মোট আমের ৮১% ত্রুটিমুক্ত পেতে হলে অবশিষ্ট আমের মধ্যে কতটি ত্রুটিমুক্ত আম পেতে হবে?
- ক. ১৫
- খ. ৯
- গ. ৩৯
- ঘ. ৪৫
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ৪৫
প্রথমে মোট আমের সংখ্যা বের করতে হবে। পরীক্ষিত আম = 4 + 36 = 40টি, আর এটি মোট আমের দুই-পঞ্চমাংশ। এরপর পুরো ঝুড়ির 81% ত্রুটিমুক্ত হতে মোট কতটি ভালো আম লাগবে তা বের করে, ইতিমধ্যে পাওয়া 36টি বাদ দিলেই উত্তর মেলে।
হিসাব:
(2/5) × T = 40, তাই মোট আম T = 40 × 5/2 = 100টি
ত্রুটিমুক্ত দরকার = 100-এর 81% = 81টি
আরও লাগবে = 81 − 36 = 45টি
অবশিষ্ট আম 100 − 40 = 60টি, তাই 60টির মধ্যে 45টি ত্রুটিমুক্ত পেতে হবে। 45 ≤ 60, তাই এটি সম্ভব।
মনে রাখুন: ‘মোটের p/q অংশ = জানা সংখ্যা’ হলে মোট = জানা সংখ্যা × q/p। লক্ষ্যমাত্রার প্রশ্নে আগে মোট লক্ষ্য বের করে, তা থেকে ইতিমধ্যে অর্জিত অংশ বাদ দিতে হয়। অনেকে ভুল করে অবশিষ্ট 60টিরই 81% নেন, অথচ 81% শর্তটি পুরো ঝুড়ির জন্য। - ৩৬. একজন ব্যবসায়ী তার প্রতি একক পণ্যের দাম ১৮% বৃদ্ধি করেন এবং পরে বর্ধিত দামের ওপর পুনরায় ২৫% বৃদ্ধি করেন। মূল দামের তুলনায় পণ্যের দাম মোট শতকরা কত বৃদ্ধি পেল?
- ক. ৩৩%
- খ. ৪৩%
- গ. ৪৭.৫%
- ঘ. ১৩৩%
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ৪৭.৫%
দ্বিতীয় বৃদ্ধিটি মূল দামের ওপর নয়, বর্ধিত দামের ওপর হয়েছে, তাই 18% ও 25% সরাসরি যোগ করা যাবে না। এটি পরপর বৃদ্ধি (Successive Increase)। হিসাব সহজ করতে মূল দাম 100 টাকা ধরি।
হিসাব:
18% বৃদ্ধির পর দাম = 100 + 18 = 118 টাকা
118-এর 25% = 29.50 টাকা, তাই নতুন দাম = 147.50 টাকা
মোট বৃদ্ধি = 147.50 − 100 = 47.50 টাকা, অর্থাৎ 47.5%
গুণক দিয়েও যাচাই করা যায়: 1.18 × 1.25 = 1.475।
মনে রাখুন: পরপর a% ও b% বৃদ্ধির মোট ফল = a + b + (a × b)/100 শতাংশ। এখানে 18 + 25 + (18 × 25)/100 = 43 + 4.5 = 47.5%। দ্বিতীয় শতাংশটি বর্ধিত দামের ওপর হয় বলে ‘বৃদ্ধির ওপর বৃদ্ধি’ হিসেবে বাড়তি 4.5 যোগ হয়। সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো 18 + 25 = 43% ধরে নেওয়া। - ৩৭. পানিপূর্ণ একটি পাত্রের ওজন ১০ কেজি। এর থেকে ৩/৭ অংশ পানি সরানো হলে পাত্রসহ ওজন হয় ৭ কেজি। পানিশূন্য পাত্রের ওজন পানিপূর্ণ পাত্রের ওজনের শতকরা কত অংশ?
- ক. ১০%
- খ. ২০%
- গ. ৩০%
- ঘ. ৪০%
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ৩০%
পাত্রের ওজন বদলায় না, তাই দুই অবস্থার ওজনের পার্থক্যই সরানো পানির ওজন। সেই পানি পুরো পানির 3/7 অংশ, তাই এ থেকে পুরো পানির ওজন বের করে, মোট 10 কেজি থেকে বাদ দিলেই খালি পাত্রের ওজন পাওয়া যায়।
হিসাব:
সরানো পানি = 10 − 7 = 3 কেজি
(3/7) × পানি = 3, তাই পুরো পানি = 7 কেজি
খালি পাত্র = 10 − 7 = 3 কেজি
শতকরা = (3/10) × 100 = 30%
যাচাই: 7 কেজি পানির 3/7 অংশ 3 কেজি সরালে থাকে 4 কেজি পানি, আর 3 কেজি পাত্র মিলিয়ে হয় 7 কেজি।
মনে রাখুন: 3/7 শুধু পানির অংশ, মোট 10 কেজির নয়। আবার শতকরা হিসাবের ভিত্তি পানিপূর্ণ পাত্রের ওজন, অর্থাৎ 10 কেজি, 7 কেজি নয়। - ৩৮. সুলেমান তার সঞ্চয়ের তিন-সপ্তমাংশ দিয়ে একটি জমি কেনেন এবং জমির মূল্যের এক-তৃতীয়াংশ দিয়ে একটি বাড়ি কেনেন। জমি ও বাড়ি কেনার পর তার মোট সঞ্চয়ের কত অংশ অবশিষ্ট রইল?
- ক. ১/৭
- খ. ৩/৭
- গ. ২/৭
- ঘ. ৪/৭
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৩/৭
সুলেমান জমি কিনেছেন মোট সঞ্চয়ের 3/7 অংশ দিয়ে। বাড়ির দাম কিন্তু মোট সঞ্চয়ের নয়, জমির মূল্যের 1/3 অংশ। তাই বাড়ির দামকেও মোট সঞ্চয়ের ভগ্নাংশে প্রকাশ করে দুই খরচ যোগ করতে হবে, তারপর মোট সঞ্চয় 1 থেকে বাদ দিতে হবে।
হিসাব:
জমির দাম = 3/7
বাড়ির দাম = (1/3) × (3/7) = 1/7
মোট খরচ = 3/7 + 1/7 = 4/7
অবশিষ্ট = 1 − 4/7 = 3/7
সংখ্যা দিয়েও যাচাই করা যায়। সঞ্চয় 70,000 টাকা ধরলে জমি 30,000, বাড়ি 10,000, বাকি 30,000 টাকা, যা 70,000-এর 3/7 অংশ।
মনে রাখুন: ‘A-এর ভগ্নাংশ’ বললে ভগ্নাংশটিকে A-এর সঙ্গে গুণ করতে হয়। সব খরচ একই ভিত্তিতে এনে তবেই যোগ-বিয়োগ করা যায়। 4/7 হলো মোট খরচ, অবশিষ্ট নয়। - ৩৯. হাসানের কাছে যতটি ২৫ পয়সার মুদ্রা আছে, তার চেয়ে ২৬% বেশি ৫০ পয়সার মুদ্রা আছে। আবার যতগুলো ৫০ পয়সার মুদ্রা আছে তার ১৫০% এক টাকার মুদ্রা আছে। যদি তার কাছে মোট ২৭৭ টাকা থেকে থাকে, তাহলে তার কাছে কতগুলো এক টাকার মুদ্রা আছে?
- ক. ১৯৫
- খ. ১৮৯
- গ. ১৯৮
- ঘ. ১৫০
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ১৮৯
25 পয়সার মুদ্রা x টি ধরি। ‘26% বেশি’ মানে x-এর 126%, অর্থাৎ 1.26x টি 50 পয়সার মুদ্রা। আর ‘150%’ মানে 1.5 গুণ, ‘150% বেশি’ নয়, তাই এক টাকার মুদ্রা 1.5 × 1.26x = 1.89x টি। এরপর প্রতিটি মুদ্রার সংখ্যা ও মূল্য গুণ করে যোগ করে 277 টাকার সমান লিখলেই x পাওয়া যায়।
হিসাব:
0.25x + 0.50 × 1.26x + 1 × 1.89x = 0.25x + 0.63x + 1.89x = 2.77x
2.77x = 277, তাই x = 100
এক টাকার মুদ্রা = 1.89 × 100 = 189টি
যাচাই: 100টি 25 পয়সা = 25 টাকা, 126টি 50 পয়সা = 63 টাকা, 189টি এক টাকা = 189 টাকা। মোট 25 + 63 + 189 = 277 টাকা।
মনে রাখুন: ‘x-এর চেয়ে r% বেশি’ মানে x × (100 + r)/100, কিন্তু ‘x-এর r%’ মানে x × r/100। এ দুটি গুলিয়ে ফেললে x আর পূর্ণসংখ্যা হয় না। - ৪০. একটি শ্রেণিতে ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত ৯ : ১৩। যদি শ্রেণিতে ছাত্র অপেক্ষা ২৪ জন ছাত্রী বেশি থাকে, তাহলে শ্রেণিতে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কতজন?
- ক. ১৩২
- খ. ১০৬
- গ. ১২০
- ঘ. ১২৮
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ১৩২
অনুপাত (Ratio) মানে ছাত্র 9 অংশ ও ছাত্রী 13 অংশ, আর প্রতিটি অংশে সমান সংখ্যক শিক্ষার্থী। প্রতি অংশ k জন ধরলে ছাত্র 9k ও ছাত্রী 13k। দুই সংখ্যার পার্থক্য দেওয়া আছে, তাই সেখান থেকে k বের করা যাবে।
হিসাব:
13k − 9k = 4k = 24, তাই k = 6
ছাত্র = 9 × 6 = 54, ছাত্রী = 13 × 6 = 78
মোট = 54 + 78 = 132 (অথবা 22k = 22 × 6 = 132)
যাচাই: 78 − 54 = 24 এবং 54 : 78 = 9 : 13।
মনে রাখুন: অনুপাত a : b হলে সংখ্যা দুটি ak ও bk, পার্থক্য (b − a)k এবং মোট (a + b)k। মোট সংখ্যা তাই 22-এর গুণিতক হতে হয়। অনেকে 1 অংশের মান না বের করেই পার্থক্যকে 22 দিয়ে গুণ করে ফেলেন, সেটি ভুল। - ৪১. একটি চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক প্রতিযোগী একটি করে ছবি আঁকল। সবার আঁকা শেষে দেখা গেল যে, ১/৯ অংশ ফুলের ছবি, ৪/৯ অংশ ফলের ছবি, ৫/১২ অংশ পাখির ছবি এবং বাকি ১৩টি গাছের ছবি। ঐ প্রতিযোগিতায় মোট প্রতিযোগীর সংখ্যা কত?
- ক. ৪৫৮ জন
- খ. ৪৪০ জন
- গ. ৪৭৮ জন
- ঘ. ৪৬৮ জন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ৪৬৮ জন
প্রত্যেক প্রতিযোগী একটি করে ছবি এঁকেছে, তাই মোট ছবির সংখ্যা মোট প্রতিযোগীর সংখ্যার সমান। পুরো অংশকে 1 ধরে আগে ফুল, ফল ও পাখির ভগ্নাংশ যোগ করে 1 থেকে বিয়োগ করলে গাছের ছবির ভগ্নাংশ পাওয়া যায়। ভগ্নাংশ যোগের সময় সাধারণ হর (Common Denominator) নিতে হয়। 9 ও 12-এর লসাগু 36।
হিসাব:
1/9 + 4/9 + 5/12 = 20/36 + 15/36 = 35/36
গাছের ছবির অংশ = 1 − 35/36 = 1/36
(1/36) × মোট = 13, তাই মোট = 13 × 36 = 468 জন
যাচাই: ফুল 52, ফল 208, পাখি 195। এদের যোগফল 455, আর 468 − 455 = 13টি গাছের ছবি।
মনে রাখুন: ‘বাকি অংশ’ ধরনের অঙ্কে আগে সব ভগ্নাংশ যোগ করে 1 থেকে বিয়োগ করতে হয়। অনেকে লব আর হর আলাদা আলাদা যোগ করে ভুল করেন। মোট সংখ্যা 36-এর গুণিতক হতে হয়, কারণ ভগ্নাংশগুলোর হর 9 ও 12। - ৪২. ৮০টি প্রশ্ন সংবলিত একটি নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর বরাদ্দ আছে। কিন্তু একটি সঠিক উত্তরের জন্য যা পাওয়া যায়, প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য তার ২৫% নম্বর কাটা হয়। যদি একজন পরীক্ষার্থী সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং ৬০ নম্বর পায়, তাহলে সে কতটি প্রশ্নের উত্তর ভুল করেছে?
- ক. ৬৪
- খ. ২৮
- গ. ১৬
- ঘ. ১২
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ১৬
পরীক্ষার্থী সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে, তাই ভুল উত্তর w টি হলে সঠিক উত্তর (80 − w) টি। প্রতিটি ভুল উত্তরে সঠিক উত্তরের নম্বরের 25%, অর্থাৎ 0.25 নম্বর কাটা যায় (Negative Marking)। প্রাপ্ত নম্বর হলো সঠিক উত্তরের নম্বর থেকে কাটা নম্বর বাদ দিলে যা থাকে।
হিসাব:
(80 − w) × 1 − 0.25w = 60
80 − 1.25w = 60, তাই 1.25w = 20
w = 20 ÷ 1.25 = 16
যাচাই: সঠিক উত্তর 80 − 16 = 64টি, নম্বর = 64 − 16 × 0.25 = 64 − 4 = 60।
মনে রাখুন: সব প্রশ্নের উত্তর দিলে প্রতিটি ভুল উত্তর দুইভাবে নম্বর কমায়। সঠিক হলে যে 1 নম্বর পাওয়া যেত তা হারায়, আবার 0.25 নম্বর কাটাও যায়। তাই প্রতি ভুলে মোট 1.25 নম্বর কমে। সব ঠিক হলে 80 পেত, ঘাটতি 20, তাই ভুল = 20 ÷ 1.25 = 16টি। প্রশ্নে ভুল উত্তরের সংখ্যা চাওয়া হয়েছে, সঠিক উত্তরের সংখ্যা 64 নয়। - ৪৩. ঘণ্টায় ৯৩ কিমি বেগে চলমান একটি ট্রেন ৯০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ১২ সেকেন্ডে অতিক্রম করে। ২৪৫ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
- ক. ১২ সেকেন্ড
- খ. ১৫ সেকেন্ড
- গ. ১৮ সেকেন্ড
- ঘ. ২৪ সেকেন্ড
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ১৮ সেকেন্ড
ট্রেন সেতু পার হয় তখনই, যখন তার সামনের মাথা সেতুতে ওঠার পর পেছনের মাথাও সেতু ছেড়ে যায়। তাই অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + সেতুর দৈর্ঘ্য। ট্রেনের দৈর্ঘ্য দেওয়া নেই, তাই প্রথম তথ্য থেকে সেটি বের করতে হবে। দূরত্ব মিটারে, তাই বেগকে km/h থেকে m/s-এ নিতে 5/18 দিয়ে গুণ করব।
হিসাব:
বেগ = 93 × 5/18 = 155/6 m/s
12 সেকেন্ডে দূরত্ব = 155/6 × 12 = 310 মিটার, তাই ট্রেনের দৈর্ঘ্য = 310 − 90 = 220 মিটার
নতুন দূরত্ব = 220 + 245 = 465 মিটার
সময় = 465 ÷ (155/6) = 18 সেকেন্ড
মনে রাখুন: শুধু সেতুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতে (245/90 × 12) হিসাব করলে ভুল হয়, কারণ ট্রেনের নিজের দৈর্ঘ্যও দূরত্বের অংশ। এককও মেলাতে হয়, নইলে km/h আর মিটার একসঙ্গে মিশে যায়। - ৪৪. একটি মোটরসাইকেলের সামনের চাকা ঘণ্টায় ৮৪০ বার ঘোরে। ‘ক’ সেকেন্ডে চাকাটি কতবার ঘুরবে?
- ক. ১৮ক/৩৩ বার
- খ. ৭ক/৩০ বার
- গ. ১১ক/৩৬ বার
- ঘ. ৯ক/৩০ বার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৭ক/৩০ বার
চাকার ঘোরার হার একই থাকলে ঘূর্ণনের সংখ্যা সময়ের সমানুপাতিক। কিন্তু ঘণ্টা আর সেকেন্ড আলাদা একক, তাই আগে বের করতে হবে প্রতি সেকেন্ডে চাকা কতবার ঘোরে। 1 ঘণ্টা = 60 × 60 = 3600 সেকেন্ড।
ঐকিক নিয়মে (Unitary Method) হিসাব:
3600 সেকেন্ডে ঘোরে 840 বার
1 সেকেন্ডে ঘোরে 840/3600 = 7/30 বার
ক সেকেন্ডে ঘোরে 7ক/30 বার
যাচাই: ক = 3600 বসালে 7 × 3600/30 = 840 বার পাওয়া যায়, যা প্রশ্নের তথ্যের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন: সময়ের একক বদলাতে হলে আগে ‘প্রতি একক সময়ে কত’ বের করতে হয়। অনেকে ভুল করে 1 ঘণ্টা = 60 সেকেন্ড ধরেন। কিন্তু 1 ঘণ্টা = 3600 সেকেন্ড। - ৪৫. ৫/১৩ এর ১৫৬% = ?
- ক. ১৫%
- খ. ৬৮%
- গ. ৩৫%
- ঘ. ৬০%
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ৬০%
কোনো সংখ্যার p% মানে সংখ্যা × p/100, আর ‘এর’ মানে গুণ। এখানে 156 সংখ্যাটি 13 দিয়ে বিভাজ্য (156 = 13 × 12), তাই কাটাকাটি করে সহজে হিসাব করা যায়। উত্তরের option-গুলো শতকরা আকারে দেওয়া, তাই ফলাফলও % আকারে রাখব।
হিসাব:
5/13 × 156% = (5 × 156)/13 %
156 ÷ 13 = 12, তাই = 5 × 12 % = 60%
যাচাই: 5/13 ≈ 0.3846, আর 0.3846 × 1.56 ≈ 0.6 = 60%।
মনে রাখুন: ‘a-এর p%’ মানে a × p/100। গুণফলকেই শতকরায় চাইলে a × p হিসাব করে % চিহ্ন রেখে দিলেই হয়। অনেকে ‘এর’ মানে গুণ না ধরে ভাগ করে বসেন, আবার 0.6 পেয়ে সেটিকে 60% রূপে নিতে ভুলে যান। - ৪৬. পানি ও লবণের ৩৬ কেজি ওজনের একটি দ্রবণে লবণ ও পানির অনুপাত ৪ : ৫। যদি দ্রবণে আরও ৬ কেজি পানি যোগ করা হয়, তাহলে নতুন দ্রবণে পানি ও লবণের অনুপাত কত হবে?
- ক. ১৩ : ১০
- খ. ১৩ : ৮
- গ. ৮ : ১৩
- ঘ. ১৫ : ১৩
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ১৩ : ৮
প্রশ্নে খেয়াল করার বিষয় হলো অনুপাতের ক্রম। শুরুতে লবণ : পানি দেওয়া আছে, কিন্তু নতুন অনুপাতে চাওয়া হয়েছে পানি : লবণ। অনুপাতের অংশ 4 + 5 = 9, তাই 36 কেজিকে 9 ভাগ করলে লবণ ও পানির পরিমাণ পাওয়া যায়। পানি যোগ করলে লবণের পরিমাণ বদলায় না।
হিসাব:
লবণ = 36 × 4/9 = 16 কেজি, পানি = 36 × 5/9 = 20 কেজি
নতুন পানি = 20 + 6 = 26 কেজি, লবণ আগের মতোই 16 কেজি
পানি : লবণ = 26 : 16 = 13 : 8
যাচাই: নতুন মোট ওজন 26 + 16 = 42 কেজি = 36 + 6।
মনে রাখুন: মিশ্রণের (Mixture) অনুপাতে একটি উপাদান যোগ বা বাদ দিলে অন্যটির পরিমাণ একই থাকে, তাই শুধু বদলানো উপাদানটি হিসাব করে নতুন অনুপাত লিখতে হয়। ক্রম খেয়াল না করে 16 : 26 = 8 : 13 লিখলে উল্টো উত্তর আসে। - ৪৭. একটি আয়তাকার জমির ক্ষেত্রফল ৪৮৬ বর্গমিটার এবং এর পরিসীমা ৯০ মিটার। এর দৈর্ঘ্য প্রস্থের শতকরা কত অংশ?
- ক. ৩৩%
- খ. ৫০%
- গ. ১৫০%
- ঘ. ১৩৩%
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ১৫০%
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ এবং পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)। তাই এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে, যাদের যোগফল 45 এবং গুণফল 486। দৈর্ঘ্য l ও প্রস্থ b ধরি।
হিসাব:
2(l + b) = 90, তাই l + b = 45; আর lb = 486
(l − b)² = (l + b)² − 4lb = 2025 − 1944 = 81, তাই l − b = 9
l = (45 + 9)/2 = 27 মিটার, b = (45 − 9)/2 = 18 মিটার
দৈর্ঘ্য প্রস্থের = 27/18 × 100% = 150%
যাচাই: 27 × 18 = 486 এবং 2(27 + 18) = 90।
মনে রাখুন: ‘শতকরা কত অংশ’ আর ‘শতকরা কত বেশি’ এক কথা নয়। দৈর্ঘ্য প্রস্থের চেয়ে 50% বেশি, কিন্তু দৈর্ঘ্য প্রস্থের 150%। ‘A, B-এর শতকরা কত’ মানে (A ÷ B) × 100। - ৪৮. কোনো একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাকে ১৩ দিয়ে ভাগ করলে ৩ অবশিষ্ট থাকে। যদি সংখ্যাটির ছয়গুণকে ১৩ দিয়ে ভাগ করা হয়, তাহলে অবশিষ্ট কত থাকবে?
- ক. ৫
- খ. ৩
- গ. ৯
- ঘ. ১২
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ৫
সংখ্যাটিকে 13 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ 3, তাই সংখ্যাটি 13q + 3 আকারে লেখা যায় (q যেকোনো পূর্ণসংখ্যা)। একে 6 দিয়ে গুণ করলে 13-এর গুণিতক অংশটি তখনও 13 দিয়ে পুরোপুরি বিভাজ্য থাকে, তাই ভাগশেষ ঠিক করবে শুধু 6 × 3 = 18 অংশটি।
হিসাব:
6(13q + 3) = 78q + 18
78q = 13 × 6q, যা 13 দিয়ে বিভাজ্য
18 = 13 × 1 + 5, তাই ভাগশেষ 5
যাচাই: সংখ্যা 16 নিলে (16 ÷ 13-এর ভাগশেষ 3) 6 × 16 = 96 = 13 × 7 + 5, ভাগশেষ আবারও 5।
মনে রাখুন: কোনো সংখ্যাকে k দিয়ে গুণ করলে ভাগশেষও k দিয়ে গুণ হয়। তারপর সেই গুণফলকে আবার ভাজক দিয়ে ভাগ করে চূড়ান্ত ভাগশেষ নিতে হয়। অনেকে 18 পেয়েই থামেন, অথচ ভাগশেষ সবসময় ভাজক 13-এর চেয়ে ছোট হয়। দ্রুত করতে সবচেয়ে ছোট সংখ্যা 3 ধরলেই চলে: 6 × 3 = 18, 18 − 13 = 5।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৬৫. একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম চালু করলে নিচের কোন ফাইলটি Run করে?
- ক. এক্সিকিউটেবল ফাইল
- খ. ব্যাচ ফাইল
- গ. প্রোগ্রাম ফাইল
- ঘ. টেক্সট ফাইল
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. এক্সিকিউটেবল ফাইল
কোনো প্রোগ্রাম চালু (Run) করলে আসলে তার এক্সিকিউটেবল ফাইল (Executable File) চলে। এই ফাইলে কম্পিউটারের বোঝার মতো যন্ত্রভাষায় (Machine Code) নির্দেশ থাকে। Windows-এ এর এক্সটেনশন সাধারণত .exe। অন্য ফাইলগুলো প্রোগ্রাম চালায় না। ব্যাচ ফাইল (.bat) কয়েকটি কমান্ডের একটি তালিকা, টেক্সট ফাইল (.txt) শুধু সাধারণ লেখা রাখে। আর ‘প্রোগ্রাম ফাইল’ কোনো নির্দিষ্ট ফাইল-ধরন নয়, Windows-এ ‘Program Files’ হলো সফটওয়্যার ইনস্টল হওয়ার একটি ফোল্ডারের নাম।
মনে রাখুন: Run করা যায় এমন ফাইল হলো Executable (.exe, .com)। Batch ফাইল (.bat) কমান্ডের তালিকা চালায়, আর Text ফাইল (.txt) শুধু লেখা রাখে। - ৬৬. বিজয় লে-আউটে বাংলা লেখার সময় ‘ত’ বর্ণটি লিখতে কম্পিউটারের কীবোর্ডে ইংরেজি কোন বর্ণটি চাপতে হবে?
- ক. R
- খ. K
- গ. G
- ঘ. M
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. K
বিজয় কীবোর্ড লে-আউটে ‘ত’ বর্ণটি লিখতে K কী চাপতে হয়। Shift + K চাপলে আসে ‘থ’। এই লে-আউটে হসন্ত বা লিংক (্) আছে G কী-তে, যা দিয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। বিজয় কীবোর্ডের উদ্ভাবক মোস্তাফা জব্বার, যিনি ১৯৮৮ সালে বিজয় বাংলা সফটওয়্যার চালু করেন।
মনে রাখুন: বিজয়ে সাধারণ কী চাপলে একটি বর্ণ আসে, আর Shift-সহ সেই কী চাপলে তার জোড়া বর্ণ আসে। যেমন K চাপলে ত, Shift + K চাপলে থ। - ৬৭. নিচের কোনটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
- ক. ডস
- খ. উইন্ডোজ
- গ. লিনাক্স
- ঘ. ইউনিক্স
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
DOS, Windows, Linux ও Unix, চারটিই অপারেটিং সিস্টেম (Operating System), যা সিস্টেম সফটওয়্যারের (System Software) অন্তর্ভুক্ত। এদের কোনোটিই অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়, তাই সঠিক উত্তর ‘কোনোটিই নয়’। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি প্রোগ্রাম, যেমন MS Word, MS Excel, Adobe Photoshop বা কোনো ওয়েব ব্রাউজার। এগুলো চালাতে একটি অপারেটিং সিস্টেম লাগে। উইন্ডোজ ব্যবহারে একটি ‘প্রোগ্রাম’-এর মতো মনে হয় বলে অনেকে ভুল করেন, কিন্তু উইন্ডোজ নিজেই অপারেটিং সিস্টেম, যার ওপর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চলে।
মনে রাখুন:
সফটওয়্যার দুই প্রকার: সিস্টেম সফটওয়্যার (অপারেটিং সিস্টেম, ইউটিলিটি, ড্রাইভার) এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Word, Excel, Photoshop, ব্রাউজার)।
DOS, Windows, Linux, Unix, macOS ও Android প্রতিটিই অপারেটিং সিস্টেম। - ৬৮. বারকোড রিডার কী ধরনের ডিভাইস?
- ক. আউটপুট
- খ. ইনপুট
- গ. স্টোরেজ
- ঘ. মেমরি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ইনপুট
বারকোড রিডার (Barcode Reader) একটি ইনপুট ডিভাইস (Input Device)। এটি আলো ফেলে পণ্যের গায়ের মোটা-চিকন কালো-সাদা রেখার সংকেত (Barcode) পড়ে এবং সেই তথ্য কম্পিউটারে পাঠায়। সুপারশপ ও লাইব্রেরিতে এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়। একই রকম ইনপুট ডিভাইস হলো স্ক্যানার, OMR, OCR ও MICR। অন্যদিকে মনিটর, প্রিন্টার ও স্পিকার আউটপুট ডিভাইস। স্টোরেজ ডিভাইস তথ্য জমা রাখে এবং মেমরি তথ্য সাময়িকভাবে ধরে রাখে, কিন্তু বারকোড রিডারের কাজ তথ্য কম্পিউটারে ঢোকানো।
মনে রাখুন: কম্পিউটারে ডেটা ঢোকালে সেটি Input (কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, বারকোড রিডার, OMR, MICR)। কম্পিউটার থেকে ফলাফল বের করলে সেটি Output (মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার)। - ৬৯. ওয়েবভিত্তিক সহযোগী প্লাটফর্ম এমএস শেয়ারপয়েন্ট নিচের কোনটির সাথে সংহত হয়ে কাজ করে?
- ক. এমএস এক্সেল
- খ. এমএস পাওয়ারপয়েন্ট
- গ. এমএস ওয়ার্ড
- ঘ. এমএস এক্সেস
- ঙ. উপরের সবগুলোর সাথেই
উত্তর: ঙ. উপরের সবগুলোর সাথেই
মাইক্রোসফট শেয়ারপয়েন্ট (SharePoint) একটি ওয়েবভিত্তিক সহযোগী প্লাটফর্ম (Web-based Collaborative Platform), যা Microsoft Office-এর সঙ্গে সংহত (Integrated) হয়ে কাজ করে। Word, Excel, PowerPoint ও Access, সবগুলোর সঙ্গেই এটি কাজ করে, তাই সঠিক উত্তর ‘উপরের সবগুলোর সাথেই’। এর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা একই ডকুমেন্ট অনলাইনে রাখতে, শেয়ার করতে ও একসঙ্গে সম্পাদনা করতে পারেন। অফিসের ইন্ট্রানেট (Intranet) সাইটও এর সাহায্যে তৈরি করা যায়।
মনে রাখুন: SharePoint হলো Microsoft-এর ওয়েবভিত্তিক ডকুমেন্ট শেয়ারিং ও টিমওয়ার্ক প্লাটফর্ম। একাধিক option সঠিক হলে ‘সবগুলো’ ধরনের option-ই উত্তর হয়। - ৭০. কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের এককগুলোর মধ্যে নিচের কোনটি বৃহত্তম?
- ক. টেরাবাইট
- খ. পেটাবাইট
- গ. এক্সাবাইট
- ঘ. জেটাবাইট
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. জেটাবাইট
তথ্য সংরক্ষণের এককগুলোর ছোট থেকে বড় ক্রম হলো Bit, Byte, KB, MB, GB, TB, PB, EB, ZB ও YB। Byte থেকে শুরু করে প্রতিটি একক আগেরটির ১০২৪ গুণ। প্রশ্নের option-গুলোর মধ্যে জেটাবাইট (Zettabyte) সবচেয়ে বড়, কারণ ১ ZB = ১০২৪ EB। যোটাবাইট (YB) জেটাবাইটের চেয়েও বড়, ১ YB = ১০২৪ ZB, তবে সেটি option-এ নেই।
মনে রাখুন: ক্রমটি মনে রাখার উপায় K-M-G-T-P-E-Z-Y, অর্থাৎ Kilo, Mega, Giga, Tera, Peta, Exa, Zetta, Yotta। প্রতিটি ধাপে ×1024, আর ১ Byte = ৮ Bit। - ৭১. মাইক্রোসফট এজ সফটওয়্যারটি কোন ধরনের সফটওয়্যার?
- ক. অ্যান্টিভাইরাস
- খ. সিস্টেম সফটওয়্যার
- গ. ব্রাউজার
- ঘ. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ব্রাউজার
মাইক্রোসফট এজ (Microsoft Edge) মাইক্রোসফটের তৈরি একটি ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser)। এটি ২০১৫ সালে Windows 10-এর সঙ্গে Internet Explorer-এর উত্তরসূরি হিসেবে আসে। ব্রাউজার দিয়ে ইন্টারনেটের ওয়েবপেজ খোলা ও দেখা হয়। অন্য জনপ্রিয় ব্রাউজার Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari ও Opera। অ্যান্টিভাইরাস (যেমন Avast, Kaspersky) কম্পিউটারকে ভাইরাস থেকে রক্ষা করে, আর অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার। এজ এর কোনোটিই নয়।
মনে রাখুন: Web Browser হলো Edge, Chrome, Firefox, Safari ও Opera। Microsoft-এর পুরোনো ব্রাউজার Internet Explorer-এর জায়গা নিয়েছে Edge। - ৭২. নিচের কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে হাব (Hub) ব্যবহৃত হয়?
- ক. বাস
- খ. স্টার
- গ. রিং
- ঘ. A, B, C সবগুলোতেই
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. স্টার
স্টার টপোলজিতে (Star Topology) প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা ক্যাবল দিয়ে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত থাকে। সেই ডিভাইস হাব (Hub) বা সুইচ (Switch), আর সব ডেটা এই হাবের মধ্য দিয়ে যায়। অন্য টপোলজিতে এমন কেন্দ্রীয় হাব লাগে না। বাস টপোলজিতে সব কম্পিউটার একটি মূল ক্যাবলের (Backbone) সঙ্গে যুক্ত থাকে। রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার পাশের দুটি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে। স্টারে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে বাকি নেটওয়ার্ক চলে, কিন্তু হাব নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
কেন্দ্রে Hub বা Switch থাকলে Star।
একটি Backbone ক্যাবল থাকলে Bus।
বৃত্তাকার সংযোগ হলে Ring।
প্রতিটির সঙ্গে প্রতিটির সংযোগ হলে Mesh। - ৭৩. একটি ইন্টারনেট মডেম কেনার সময় কোন বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত?
- ক. ট্রান্সমিশন স্পিড
- খ. ডাটা কম্প্রেশন সক্ষমতা
- গ. ভুল সংশোধন যোগ্যতা
- ঘ. A, B, C সবগুলোই
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. A, B, C সবগুলোই
মডেম (Modem = Modulator-Demodulator) কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং অ্যানালগকে আবার ডিজিটালে রূপান্তর করে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। মডেম কেনার সময় তিনটি বিষয়ই দেখা জরুরি। প্রথমটি ট্রান্সমিশন স্পিড, অর্থাৎ কত bps গতিতে ডেটা পাঠায়। দ্বিতীয়টি ডাটা কম্প্রেশন সক্ষমতা, অর্থাৎ ডেটা ছোট করে দ্রুত পাঠানো। তৃতীয়টি Error Correction যোগ্যতা, অর্থাৎ পথে নষ্ট হওয়া ডেটা শনাক্ত করে ঠিক করা। তাই সঠিক উত্তর ‘A, B, C সবগুলোই’।
মনে রাখুন: Modem = Modulation (ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ) + Demodulation (অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল)। ডেটা ট্রান্সমিশন গতির একক bps (bits per second)। - ৭৪. নিচের কোন ট্রান্সমিশন মিডিয়ামটির ইলেকট্রোম্যাগনেটিক নয়েজের সমস্যা নেই?
- ক. ইউটিপি ক্যাবল
- খ. ফাইবার-অপটিক ক্যাবল
- গ. এসটিপি ক্যাবল
- ঘ. কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ফাইবার-অপটিক ক্যাবল
ফাইবার অপটিক ক্যাবল (Fibre-optic Cable) বিদ্যুৎ নয়, আলোর সংকেত (Light Signal) দিয়ে কাচ বা প্লাস্টিকের সরু তন্তুর মধ্য দিয়ে ডেটা পাঠায়। তাই ইলেকট্রোম্যাগনেটিক নয়েজ (EMI) এতে প্রভাব ফেলতে পারে না। আলো তন্তুর ভেতরে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) প্রক্রিয়ায় চলে, আর এর ডেটা বহনের ক্ষমতা (Bandwidth) সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে UTP, STP ও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল তামার তারে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়, তাই এগুলো কম-বেশি নয়েজে আক্রান্ত হয়।
STP (Shielded Twisted Pair)-তে ধাতব আবরণ (Shield) থাকায় অনেকে একে নয়েজমুক্ত ভাবেন। কিন্তু Shield নয়েজ কেবল কমায়, পুরোপুরি দূর করে না।
মনে রাখুন: Fibre-optic আলো দিয়ে ডেটা পাঠায় বলে এটি EMI-মুক্ত এবং সবচেয়ে বেশি Bandwidth-এর মাধ্যম। UTP-তে নয়েজের প্রভাব বেশি, আর STP ও Coaxial-এ Shield থাকায় কম, কিন্তু শূন্য নয়। - ৭৫. এমএস ওয়ার্ডে হাইপারলিংক ইনসার্ট করতে কীবোর্ডের কোন কমান্ড শর্টকাট হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
- ক. Ctrl + K
- খ. Ctrl + Shift + K
- গ. Alt + K
- ঘ. Ctrl + H
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. Ctrl + K
MS Word-এ হাইপারলিংক (Hyperlink) যুক্ত করার কীবোর্ড শর্টকাট Ctrl + K। একই কাজ Insert ট্যাবের Link (Hyperlink) অপশন থেকেও করা যায়। হাইপারলিংক হলো এমন লিংক, যাতে ক্লিক করলে অন্য কোনো পাতা, ফাইল বা ওয়েবসাইট খোলে। কাছাকাছি আরও কিছু শর্টকাট আছে, যেগুলো গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। Ctrl + Shift + K নির্বাচিত লেখাকে Small Caps করে, আর Ctrl + H খোলে Find and Replace বক্স।
মনে রাখুন:
Ctrl + K: Hyperlink।
Ctrl + F: Find।
Ctrl + H: Replace।
Ctrl + Shift + K: Small Caps।
Ctrl + B, Ctrl + I ও Ctrl + U: যথাক্রমে Bold, Italic ও Underline। - ৭৬. নিচের কোন IEEE প্রটোকলটি ওয়্যারলেস ল্যানের জন্য প্রযোজ্য?
- ক. ৮০২.২
- খ. ৮০২.১১
- গ. ৮০৩.০২
- ঘ. ৮১০.১১
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৮০২.১১
ওয়্যারলেস ল্যান (Wireless LAN), অর্থাৎ Wi-Fi-এর মান (Standard) হলো IEEE 802.11। IEEE হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক পেশাজীবী সংস্থা, যারা নেটওয়ার্কিংয়ের মান নির্ধারণ করে। এ ছাড়া 802.2 হলো LLC (Logical Link Control)। আর 803.02 ও 810.11 নেটওয়ার্কিংয়ের IEEE 802 পরিবারের অংশই নয়।
মনে রাখুন:
802.3: Ethernet (তারযুক্ত LAN)।
802.11: Wi-Fi (WLAN)।
802.15: Bluetooth (WPAN)।
802.16: WiMAX (WMAN)। - ৭৭. কোন বাসের মাধ্যমে মাইক্রোকম্পিউটারের যন্ত্রাংশগুলোর মধ্যে ডাটা পরিবহন হয়?
- ক. কন্ট্রোল বাস
- খ. অ্যাড্রেস বাস
- গ. ডাটা বাস
- ঘ. A, B, C সবগুলোই
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ডাটা বাস
মাইক্রোকম্পিউটারের CPU, মেমরি ও ইনপুট/আউটপুট যন্ত্রাংশের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান হয় ডাটা বাসের (Data Bus) মাধ্যমে। এটি দ্বিমুখী (Bidirectional), অর্থাৎ ডাটা দুই দিকেই চলে। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus) শুধু মেমরি বা I/O-এর ঠিকানা (Address) বহন করে এবং একমুখী। কন্ট্রোল বাস (Control Bus) Read/Write, Clock ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ সংকেত বহন করে। এই তিনটি মিলে সিস্টেম বাস (System Bus) গঠিত হয়, তাই অনেকে ‘সবগুলোই’ উত্তর বেছে নেন। কিন্তু ঠিকানা আর নিয়ন্ত্রণ সংকেত ডাটা নয়, আর ডাটা চলাচল করে শুধু ডাটা বাসে।
মনে রাখুন:
Data Bus: ডাটা বহন করে, দ্বিমুখী।
Address Bus: ঠিকানা বহন করে, একমুখী, CPU থেকে।
Control Bus: নিয়ন্ত্রণ সংকেত বহন করে।
Address Bus n বিটের হলে CPU 2^n টি মেমরি ঠিকানা চিনতে পারে। - ৭৮. নিচের কোনটির ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড সবচেয়ে বেশি?
- ক. র্যাম
- খ. হার্ডডিস্ক
- গ. পেনড্রাইভ
- ঘ. ক্যাশ মেমরি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ক্যাশ মেমরি
দেওয়া option-গুলোর মধ্যে ক্যাশ মেমরির (Cache Memory) ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড সবচেয়ে বেশি। ক্যাশ হলো SRAM দিয়ে তৈরি ছোট কিন্তু অতি দ্রুত মেমরি, যা প্রসেসরের ভেতরে বা খুব কাছে থাকে। CPU-র বারবার দরকারি ডাটা এখানে জমা থাকে, যাতে RAM থেকে আনতে সময় নষ্ট না হয়। গতির ক্রম হলো Register, তারপর Cache, তারপর RAM, আর সবশেষে পেনড্রাইভ ও হার্ডডিস্কের মতো সেকেন্ডারি স্টোরেজ (Secondary Storage)।
মনে রাখুন: মেমরির গতির ক্রম Register > Cache > RAM (Main Memory) > Secondary Storage (SSD, পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক)। গতি যত বেশি, দাম তত বেশি আর ধারণক্ষমতা তত কম। - ৭৯. কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের রুট ড্রাইভ বলা হয় কোনটিকে?
- ক. A
- খ. B
- গ. C
- ঘ. D
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. C
Windows বা DOS কম্পিউটারে হার্ডডিস্কের প্রথম পার্টিশন হলো C ড্রাইভ, যেখানে সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল থাকে। একে রুট বা সিস্টেম ড্রাইভ বলা হয়। পুরোনো ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভের জন্য A ও B অক্ষর সংরক্ষিত ছিল, তাই হার্ডডিস্কের নাম শুরু হয় C থেকে। D, E ইত্যাদি সাধারণত অন্য পার্টিশন বা CD/DVD ড্রাইভ। এক হার্ডডিস্ককে কয়েকটি ভাগে ভাগ করাকে পার্টিশন (Partition) বলে।
মনে রাখুন: A: ও B: হলো ফ্লপি ড্রাইভ। C: হলো হার্ডডিস্কের প্রথম ও সিস্টেম (Root) ড্রাইভ, যেখানে Windows থাকে। - ৮০. নিচের কোন ডিভাইস থেকে শুধু তথ্য পড়া (Read) যায় কিন্তু লেখা (Write) যায় না?
- ক. রম
- খ. র্যাম
- গ. হার্ডডিস্ক
- ঘ. ফ্লপিডিস্ক
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. রম
রম (ROM = Read Only Memory) এমন একটি মেমরি, যা থেকে আমরা শুধু তথ্য পড়তে (Read) পারি। সাধারণ ব্যবহারে এতে নতুন কিছু লেখা (Write) যায় না। এটি স্থায়ী (Non-volatile) মেমরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর তথ্য মুছে যায় না। এ কারণেই কম্পিউটার চালু করার প্রাথমিক প্রোগ্রাম BIOS ROM-এ রাখা হয়। অন্যদিকে র্যাম, হার্ডডিস্ক ও ফ্লপি ডিস্ক, এই তিনটিতেই পড়া ও লেখা দুটোই করা যায়, তাই এগুলো প্রশ্নের উত্তর নয়। র্যাম (RAM) হলো অস্থায়ী (Volatile) মেমরি, বিদ্যুৎ চলে গেলে এর তথ্য হারিয়ে যায়।
মনে রাখুন:
ROM: Read Only, Non-volatile, BIOS থাকে।
RAM: Read/Write, Volatile।
ROM-এর প্রকারভেদ: PROM, EPROM, EEPROM।
PROM-এ ব্যবহারকারী একবার তথ্য লিখতে পারেন, EPROM অতিবেগুনি রশ্মি দিয়ে এবং EEPROM বিদ্যুৎ দিয়ে মোছা যায়।
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন জুনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন