বাংলাদেশ নৌবাহিনী (বেসামরিক) উচ্চমান সহকারী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬। ৭৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (২০)
- ইংরেজি (২০)
- গণিত (১৫)
- মানসিক দক্ষতা (২)
- বিজ্ঞান (২)
- বাংলাদেশ (৭)
- আন্তর্জাতিক (৯)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (২)
বাংলা
- ১. ‘অনির্বচনীয়’ শব্দটির অর্থ কী?
- ক. সুনিশ্চিত
- খ. নির্বাচনযোগ্য নয়
- গ. বর্ণনাতীত
- ঘ. অনিশ্চিত
উত্তর: গ. বর্ণনাতীত
‘অনির্বচনীয়’ শব্দটি এসেছে ‘নির্বচন’ থেকে, যার অর্থ বলা বা বর্ণনা করা। এর আগে ‘অ’ উপসর্গ যুক্ত হয়ে ‘অনির্বচনীয়’ মানে দাঁড়ায় যা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না, অর্থাৎ বর্ণনাতীত। খুব গভীর আনন্দ বা অপরূপ সৌন্দর্য বোঝাতে আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি।
উদাহরণ: পাহাড়ের চূড়া থেকে সূর্যোদয় দেখার আনন্দ ছিল অনির্বচনীয়।
মনে রাখুন: ‘নির্বাচন’ (ভোট দিয়ে বাছাই) আর ‘নির্বচন’ (বলা) আলাদা শব্দ, তাই ‘অনির্বচনীয়’-এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। - ২. খনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে?
- ক. শিল্প
- খ. কৃষি
- গ. সাহিত্য
- ঘ. বিজ্ঞান
উত্তর: খ. কৃষি
খনার বচন হলো ছন্দে বাঁধা ছোট ছোট উপদেশমূলক কথা, যেগুলো গ্রামবাংলার মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত। এসব বচনে আবহাওয়া, বৃষ্টি, ফসল বোনার সময় আর চাষাবাদের নানা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তাই এগুলোতে কৃষিই প্রাধান্য পেয়েছে। বাংলার কৃষকেরা বহু যুগ ধরে খনার বচন মেনে চাষের সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছেন।
উদাহরণ: ‘যদি বর্ষে মাঘের শেষ, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ।’ ‘ষোল চাষে মুলা, তার অর্ধেক তুলা।’
মনে রাখুন: খনার বচন বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন লোকসাহিত্যের অংশ, আর কিংবদন্তি অনুযায়ী খনা ছিলেন জ্যোতির্বিদ বরাহের পুত্রবধূ। - ৩. সাধু ভাষায় কোন শব্দের প্রাধান্য বেশি?
- ক. তৎসম
- খ. বিদেশি
- গ. দেশি
- ঘ. তদ্ভব
উত্তর: ক. তৎসম
সাধু ভাষা গম্ভীর, আনুষ্ঠানিক ও কিছুটা কৃত্রিম ধরনের লেখ্য রূপ। এতে সংস্কৃত থেকে অবিকৃতভাবে আসা তৎসম শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, তাই সাধু ভাষাকে তৎসম শব্দবহুল বলা হয়। অন্যদিকে চলিত ভাষা মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি, তাই এতে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ বেশি থাকে।
মনে রাখুন:
সাধু ভাষা নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য উপযোগী নয়।
সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয়, যেমন তাহারা, করিতেছে।
বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার প্রথম সার্থক রূপ দেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। - ৪. বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি?
- ক. ৮
- খ. ৯
- গ. ৬
- ঘ. ৭
উত্তর: ক. ৮
যেসব বর্ণের মাথায় মাত্রার অর্ধেক অংশ থাকে, তাদের অর্ধমাত্রার বর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় এমন বর্ণ ৮টি, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি।
মনে রাখুন:
অর্ধমাত্রার বর্ণ: ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ।
মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি: এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ।
পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি। - ৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. মুমুর্ষু
- খ. মুমূর্ষু
- গ. মূমুর্ষু
- ঘ. মুমুর্ষ
উত্তর: খ. মুমূর্ষু
‘মুমূর্ষু’ শব্দের অর্থ মরণাপন্ন, অর্থাৎ যে মৃত্যুর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। শব্দটির শুদ্ধ বানানে প্রথম ‘ম’-তে হ্রস্ব-উ কার এবং দ্বিতীয় ‘ম’-তে দীর্ঘ-ঊ কার বসে, শেষে আবার ‘ষু’। এই ক্রমটি মনে রাখলেই ভুল এড়ানো যায়।
উদাহরণ: মুমূর্ষু রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলো।
মনে রাখুন: একই ধরনের আরেকটি কঠিন বানান ‘মুহূর্ত’, এখানেও দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ-ঊ কার। - ৬. ‘উলুখাগড়া’ শব্দটির অর্থ কী?
- ক. গুরুত্বহীন লোক
- খ. রাজাবাদশা
- গ. গুরুত্বপূর্ণ লোক
- ঘ. লাকড়ি
উত্তর: ক. গুরুত্বহীন লোক
‘উলুখাগড়া’ বাগধারার অর্থ গুরুত্বহীন বা সাধারণ লোক। উলু আর খাগড়া দুটোই নিচু জমির সাধারণ ঘাস, তাই বড়দের লড়াইয়ে যেসব সাধারণ মানুষ অকারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাদের বোঝাতে এই কথাটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।
মনে রাখুন: ‘কেউকেটা’ মানে গণ্যমান্য বা হোমরাচোমরা ব্যক্তি, যা উলুখাগড়ার ঠিক বিপরীত। - ৭. ‘গাছপাথর’ বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. বাড়াবাড়ি করা
- খ. ভূমিকা করা
- গ. হিসাব নিকাশ
- ঘ. অসম্ভব বস্তু
উত্তর: গ. হিসাব নিকাশ
‘গাছপাথর’ বাগধারার অর্থ হিসাব-নিকাশ বা সীমা-পরিসীমা। কোনো কিছুর পরিমাণ এত বেশি যে তার হিসাব রাখা যায় না, এমন বোঝাতে সাধারণত ‘গাছপাথর নেই’ কথাটি বলা হয়।
উদাহরণ: লোকটির বয়সের গাছপাথর নেই।
মনে রাখুন:
‘গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল’ মানে কোনো কিছু পাওয়ার আগেই আয়োজন করা।
‘ধান ভানতে শিবের গীত’ মানে অপ্রাসঙ্গিক কথা। - ৮. ‘সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত’ – বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট?
- ক. গুরুচণ্ডালী দোষ
- খ. বিদেশি শব্দ দোষ
- গ. দুর্বোধ্যতা দোষ
- ঘ. বাহুল্য দোষ
উত্তর: ঘ. বাহুল্য দোষ
‘সকল’ শব্দটি নিজেই বহুবচন বোঝায়, আবার ‘গণ’ বিভক্তিও বহুবচন বোঝায়। একই অর্থের দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করায় বাক্যে অপ্রয়োজনীয় শব্দ এসেছে, এটিকেই বাহুল্য দোষ বলে। শুদ্ধ রূপ হবে ‘সকল শিক্ষক আজ উপস্থিত’ অথবা ‘শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত’।
মনে রাখুন:
বাহুল্য দোষের আরও উদাহরণ: ‘সব ছাত্ররা’, ‘অশ্রুজল’, ‘দৈনিক প্রতিদিন’।
তৎসম আর দেশি শব্দের অসংগত মিশ্রণকে বলে গুরুচণ্ডালী দোষ, যেমন ‘শবদাহ’-এর জায়গায় ‘মড়াদাহ’। - ৯. ‘নাসিক্য বর্ণ’ কোনগুলো?
- ক. অ, খ, ব
- খ. ঙ, ঞ, ণ
- গ. উ, ঊ, য়
- ঘ. শ, স, ষ
উত্তর: খ. ঙ, ঞ, ণ
যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় শ্বাস মুখের পাশাপাশি নাক দিয়েও বের হয়, তাদের নাসিক্য বর্ণ (Nasal) বলে। প্রতিটি বর্গের পঞ্চম বর্ণ এই রকম, তাই ঙ, ঞ, ণ, ন, ম এই পাঁচটি নাসিক্য বর্ণ। এদের অনুনাসিক বর্ণও বলা হয়।
মনে রাখুন:
শ, ষ, স, হ উচ্চারণে শিস ধ্বনির মতো বাতাস বের হয়, তাই এদের উষ্মবর্ণ বলে।
অনুস্বার (ং) ও চন্দ্রবিন্দু (ঁ) নাসিক্য ধ্বনি প্রকাশ করলেও এরা স্বতন্ত্র বর্গীয় বর্ণ নয়। - ১০. ‘পুকুরে মাছ থাকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্মে ৭মী
- খ. কর্তৃকারকে ৭মী
- গ. অধিকরণে ৭মী
- ঘ. করণে ২য়া
উত্তর: গ. অধিকরণে ৭মী
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক (Locative case) বলে। ‘পুকুরে মাছ থাকে’ বাক্যে মাছ কোথায় থাকে, এই প্রশ্নের উত্তর ‘পুকুরে’, অর্থাৎ এটি আধার বা স্থান নির্দেশ করছে। আবার ‘পুকুর’ শব্দের সঙ্গে ‘এ’ যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তি। তাই এটি অধিকরণে ৭মী।
মনে রাখুন:
আধার তিন রকম: ঐকদেশিক (বনে বাঘ আছে), অভিব্যাপক (তিলে তেল আছে) ও বৈষয়িক (তিনি অঙ্কে ভালো)।
‘পুকুরে মাছ থাকে’ ঐকদেশিক আধারের উদাহরণ, কারণ মাছ পুকুরের একটি অংশে থাকে। - ১১. কাজলকালো’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
- ক. কাজলের ন্যায় কালো
- খ. কাজল ও কালো
- গ. কাজল রূপ কালো
- ঘ. কালো ও কাজল
উত্তর: ক. কাজলের ন্যায় কালো
‘কাজলকালো’ মানে কাজলের মতো কালো। এখানে কাজলের সঙ্গে কোনো কিছুর কালো রঙের তুলনা করা হচ্ছে, তাই কাজল হলো উপমান আর কালো হলো দুটির সাধারণ গুণ বা সাধারণ ধর্ম। উপমান পদের সঙ্গে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সমাস হলে তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে, এবং এর ব্যাসবাক্য হয় ‘কাজলের ন্যায় কালো’।
মনে রাখুন: উপমান কর্মধারয়ের আরও কিছু পরিচিত উদাহরণ আছে।
উদাহরণ: তুষারশুভ্র (তুষারের ন্যায় শুভ্র), অরুণরাঙা (অরুণের ন্যায় রাঙা), কুসুমকোমল (কুসুমের ন্যায় কোমল)। - ১২. কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ?
- ক. অব
- খ. অতি
- গ. ইতি
- ঘ. পরি
উত্তর: গ. ইতি
উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে বা অর্থ বদলে দেয়। উপসর্গের উৎস ভেদে তিন রকম: খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত ও বিদেশি। ‘ইতি’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যেমন ইতিকথা ও ইতিউতি। অতি, পরি ও অব সংস্কৃত থেকে আসা উপসর্গ, যেমন অতিরিক্ত, পরিবর্তন ও অবসান।
মনে রাখুন:
খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন: অ, অনা, আ, আড়, নি, কু, সু, বি, স, সা, হা, ভর।
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
বিদেশি উপসর্গ আরবি, ফারসি ও ইংরেজি থেকে এসেছে, যেমন: বে, না, দর, হর। - ১৩. ‘মনীষা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. মনি + ঈষা
- খ. মনস্ + ঈষা
- গ. মনঃ + ঈষা
- ঘ. মনী + ইষা
উত্তর: খ. মনস্ + ঈষা
‘মনীষা’ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ উদাহরণ। এর মূল রূপ মনস্ + ঈষা, যেখানে ‘মনস্’-এর ‘স্’ লোপ পেয়ে ‘ন’ ও ‘ঈ’ মিলে ‘নী’ হয়েছে। সাধারণ নিয়মে সন্ধি না হওয়ায় একে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
মনে রাখুন:
নিপাতনে সিদ্ধ আরও কয়েকটি সন্ধি: পতঞ্জলি = পতৎ + অঞ্জলি, বৃহস্পতি = বৃহৎ + পতি, গবাক্ষ = গো + অক্ষ।
‘মনীষী’ মানে জ্ঞানী ব্যক্তি, আর ‘মনীষা’ মানে প্রজ্ঞা বা বুদ্ধি। - ১৪. কাজী নজরুল ইসলামের বাল্য স্মৃতি-বিজড়িত ময়মনসিংহের স্থানটির নাম কী?
- ক. জগদীশপুর
- খ. কমারপুর
- গ. গোপালপুর
- ঘ. দরিরামপুর
উত্তর: ঘ. দরিরামপুর
কাজী নজরুল ইসলামের কৈশোরের একটি অংশ কেটেছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুরে। ১৯১৪ সালের দিকে তিনি সেখানে দরিরামপুর স্কুলে কিছুদিন পড়াশোনা করেন। এই স্মৃতিকে ধরে রাখতেই ২০০৬ সালে ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের জন্ম ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে।
ত্রিশালের কাজীর শিমলা গ্রামেও তিনি দারোগা রফিজউল্লাহর বাড়িতে ছিলেন। - ১৫. ‘বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
- ক. বিটপী
- খ. শিখরী
- গ. বনানী
- ঘ. পাদপ
উত্তর: গ. বনানী
‘বনানী’ শব্দের অর্থ বন বা অরণ্যের সারি, অর্থাৎ অনেক গাছ মিলে যে বন তৈরি হয় সেটিকে বোঝায়, একটি বৃক্ষকে নয়। তাই এটি বৃক্ষের সমার্থক শব্দ নয়। অন্যদিকে বিটপী, পাদপ ও শিখরী শব্দগুলো অভিধানে গাছ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
বৃক্ষের আরও সমার্থক শব্দ: তরু, দ্রুম, মহীরুহ, শাখী।
বনের সমার্থক শব্দ: অরণ্য, কানন, অটবী, বনানী। - ১৬. ঈশ্বরচন্দ্রকে কোন প্রতিষ্ঠান ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি দান করে?
- ক. প্রেসিডেন্সি কলেজ
- খ. বিদ্যাসাগর কলেজ
- গ. কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘ. সংস্কৃত কলেজ
উত্তর: ঘ. সংস্কৃত কলেজ
ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার সংস্কৃত কলেজে পড়াশোনা করেন এবং অসাধারণ মেধার পরিচয় দেন। ১৮৩৯ সালে এই সংস্কৃত কলেজ তাঁকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি দেয়, যার অর্থ বিদ্যার সাগর। পরে তিনি এই কলেজেরই অধ্যক্ষ হয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়, কারণ তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।
তাঁর উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। - ১৭. ‘কাশবনের কন্যা’ – কোন জাতীয় রচনা?
- ক. নাটক
- খ. কাব্য
- গ. ছোটগল্প
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: ঘ. উপন্যাস
‘কাশবনের কন্যা’ একটি উপন্যাস। এটির লেখক শামসুদ্দীন আবুল কালাম। তাঁর লেখায় গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন বারবার ফিরে এসেছে। কাব্য, নাটক বা ছোটগল্পের বদলে এটি দীর্ঘ কাহিনিনির্ভর উপন্যাস।
মনে রাখুন:
শামসুদ্দীন আবুল কালামের অন্যান্য উপন্যাস: কাঞ্চনমালা, আলমনগরের উপকথা, জায়জঙ্গল।
তাঁর একটি ছোটগল্প ‘পথ জানা নাই’। - ১৮. ‘কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না’ – এক কথায় কী হবে?
- ক. অদৃশ্য
- খ. অসম্ভব
- গ. অনিবার্য
- ঘ. অনিবারিত
উত্তর: গ. অনিবার্য
যা কোনোভাবেই নিবারণ বা ঠেকানো যায় না, তাকে এক কথায় ‘অনিবার্য’ বলে। শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘নিবার্য’ (যা নিবারণ করা যায়) শব্দের আগে ‘অ’ যোগ করে। অন্যদিকে ‘অনিবারিত’ মানে যা নিবারণ করা হয়নি, অর্থাৎ এখনো বাধা দেওয়া হয়নি, কিন্তু চেষ্টা করলে ঠেকানো যেত।
উদাহরণ: মৃত্যু প্রতিটি প্রাণীর জন্য অনিবার্য।
মনে রাখুন: যা কষ্টে নিবারণ করা যায় তা ‘দুর্নিবার’। - ১৯. সঠিক শব্দ কোনটি?
- ক. চলাকালীন সময়ে
- খ. চলাকালের সময়ে
- গ. চলাকালে
- ঘ. চলাকালিন সময়ে
উত্তর: গ. চলাকালে
‘চলাকাল’ শব্দের ‘কাল’ অংশটি নিজেই সময় বোঝায়। তাই এর পরে আবার ‘সময়ে’ লিখলে একই অর্থ দুবার আসে এবং বাহুল্য দোষ ঘটে। সঠিক প্রয়োগ শুধু ‘চলাকালে’, যেমন ‘পরীক্ষা চলাকালে কথা বলা নিষেধ’। ‘চলাকালীন’ শব্দটিও শুদ্ধ, তবে এর পরে ‘সময়ে’ বসানো যাবে না।
মনে রাখুন: ‘কালীন’ বানানে দীর্ঘ-ঈ কার হয়, তাই ‘চলাকালিন’ বানানটি ভুল। - ২০. ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ক. জহির রায়হান
- খ. মুনীর চৌধুরী
- গ. শিশির ভাদুড়ী
- ঘ. শওকত ওসমান
উত্তর: খ. মুনীর চৌধুরী
‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটি লিখেছেন মুনীর চৌধুরী, এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এই ঐতিহাসিক নাটকে যুদ্ধের নিষ্ঠুরতা ও মানবিক প্রেমের দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ১৯৫৩ সালে কারাগারে বসে লেখা।
তাঁর অন্য নাটক ‘চিঠি’, ‘দণ্ডকারণ্য’ ও ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’।
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি শহিদ হন।
ইংরেজি
- ২১. We had to face a lot of ... due to their ... act.
- ক. problems, desirable
- খ. consequences, immeasurable
- গ. worries, kind
- ঘ. humiliation, disgraceful
উত্তর: ঘ. humiliation, disgraceful
বাক্যটির দুটি ফাঁকা স্থানের অর্থ একে অপরের সঙ্গে মিলতে হবে। তাদের কাজটি যদি disgraceful বা লজ্জাজনক হয়, তবে স্বাভাবিকভাবে আমাদের humiliation বা অপমানের মুখে পড়তে হয়। অন্য জোড়াগুলোতে কারণ ও ফলাফল মেলে না, যেমন desirable বা kind কাজের জন্য কেউ problems বা worries-এর মুখোমুখি হয় না।
সম্পূর্ণ বাক্য: We had to face a lot of humiliation due to their disgraceful act.
মনে রাখুন: Humiliation-এর সমার্থক শব্দ Disgrace ও Embarrassment। - ২২. A hater of knowledge and learning-
- ক. Philologist
- খ. Misologist
- গ. Misogynist
- ঘ. Bibliophile
উত্তর: খ. Misologist
যে ব্যক্তি জ্ঞান ও শিক্ষাকে ঘৃণা করে, তাকে Misologist বলে। শব্দটির Miso- অংশটি গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে এবং ঘৃণা বোঝায়। এই Miso- দিয়ে শুরু হওয়া আরও কয়েকটি শব্দ আছে, যা একসঙ্গে শিখে রাখা সুবিধার। প্রশ্নের বাকি শব্দগুলো ভিন্ন অর্থের, তাই আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
মনে রাখুন:
Misogynist: নারীবিদ্বেষী।
Misanthrope: মানবজাতির প্রতি বিদ্বেষী।
Misogamist: বিয়ের প্রতি বিদ্বেষী।
Philologist: ভাষাতত্ত্ববিদ।
Bibliophile: বইপ্রেমী। - ২৩. Among the following who is not a romantic poet?
- ক. John Keats
- খ. William Wordsworth
- গ. Lord Byron
- ঘ. Tennyson
উত্তর: ঘ. Tennyson
রোমান্টিক যুগ (প্রায় ১৭৯৮-১৮৩২) এর কবিদের মধ্যে আছেন কিটস, ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও বায়রন। কিন্তু আলফ্রেড টেনিসন (Lord Alfred Tennyson) ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, যে যুগ রানি ভিক্টোরিয়ার শাসনকাল (১৮৩৭-১৯০১) জুড়ে। তাই তিনি রোমান্টিক কবি নন। এ ধরনের প্রশ্নে কবির যুগ জানা থাকলেই সহজে উত্তর মেলে। ইংরেজি সাহিত্যের যুগ ভাগ জানা থাকলে কবির নাম দেখেই তাঁর যুগ ধরা যায়।
মনে রাখুন:
টেনিসনের বিখ্যাত রচনা: In Memoriam, The Lady of Shalott।
রোমান্টিক কবি: কোলরিজ, শেলি, ব্লেক।
ভিক্টোরিয়ান যুগের আরেক বিখ্যাত কবি রবার্ট ব্রাউনিং।
কিটসের বিখ্যাত রচনা ‘Ode to a Nightingale’ আর বায়রনের ‘Childe Harold’s Pilgrimage’।
ভিক্টোরিয়ান যুগে ডিকেন্স ও থ্যাকারের মতো ঔপন্যাসিকও ছিলেন। - ২৪. Who wrote the book ‘The Waste Land’?
- ক. George Eliot
- খ. George Orwell
- গ. G.B. Shaw
- ঘ. T.S. Eliot
উত্তর: ঘ. T.S. Eliot
‘The Waste Land’ কবিতাটি লিখেছেন T.S. Eliot, এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরের ইউরোপের হতাশা ও আধ্যাত্মিক শূন্যতা এতে ফুটে উঠেছে, তাই একে আধুনিক ইংরেজি কবিতার মাইলফলক বলা হয়।
মনে রাখুন:
T.S. Eliot ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
তাঁর অন্য বিখ্যাত রচনা ‘Murder in the Cathedral’ ও ‘The Love Song of J. Alfred Prufrock’।
George Orwell লিখেছেন ‘Animal Farm’ ও ‘Nineteen Eighty-Four’। - ২৫. The chairman proceeded as though-
- ক. I don’t speak
- খ. I had not spoken
- গ. I didn’t speak
- ঘ. None of these
উত্তর: খ. I had not spoken
As though বা as if দিয়ে কাল্পনিক বা বাস্তবের বিপরীত অবস্থা বোঝানো হয়। মূল clause যদি past tense-এ থাকে (proceeded), তবে as though-এর পরে past perfect বসে, কারণ এখানে বোঝানো হচ্ছে যে আমি আগে কথা বলেছিলাম, কিন্তু চেয়ারম্যান এমনভাবে এগোলেন যেন আমি কিছুই বলিনি।
সম্পূর্ণ বাক্য: The chairman proceeded as though I had not spoken.
মনে রাখুন: Present tense-এর পরে as if/as though বসলে past indefinite হয়, যেমন He talks as if he knew everything. - ২৬. One should be careful about ... duty.
- ক. his
- খ. her
- গ. one’s
- ঘ. the
উত্তর: গ. one’s
বাক্যের subject যখন সাধারণ অর্থে ‘One’ (কেউ), তখন সেই subject-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত possessive form হয় one’s। তাই শুদ্ধ বাক্য ‘One should be careful about one’s duty.’ His বা her বসালে একজন নির্দিষ্ট পুরুষ বা নারী বোঝায়, যা এখানে অভিপ্রেত নয়। The বসালে কর্তব্যটি আর কারও সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে না, কিন্তু এখানে নিজের কর্তব্যের কথা বলা হচ্ছে।
মনে রাখুন:
‘ones’’ একটি ভুল রূপ, একবচনে one’s ব্যবহার হয়।
One দিয়ে শুরু হলে পরের pronoun-ও সাধারণত one হিসেবে ফিরে আসে।
উদাহরণ: One must do one’s best. - ২৭. I waited until the plane ...
- ক. did not took off
- খ. took off
- গ. had taken off
- ঘ. had not taken off
উত্তর: গ. had taken off
Until দিয়ে বোঝানো হচ্ছে একটি কাজ (অপেক্ষা) অন্য একটি কাজ (বিমান উড্ডয়ন) সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত চলেছিল। অতীতের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে সম্পূর্ণ হয়েছে, সেটিকে past perfect দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই এখানে had taken off বসবে। Until নিজেই না-বোধক অর্থ বহন করে বলে এর পরে not বসানো যায় না।
সম্পূর্ণ বাক্য: I waited until the plane had taken off.
মনে রাখুন: ‘did not took’ সবসময় ভুল, কারণ did-এর পরে verb-এর base form বসে। - ২৮. Which one is correct sentence?
- ক. One of my cousins are a doctor.
- খ. One of my cousin is a doctor.
- গ. One of my cousins is a doctor.
- ঘ. One of my cousin are a doctor.
উত্তর: গ. One of my cousins is a doctor.
One of-এর পরে সবসময় plural noun বসে, কারণ অনেকের মধ্যে একজনকে বোঝানো হয়, তাই cousins হবে। আবার বাক্যের আসল subject হলো one, যা একবচন, তাই verb হবে is।
সম্পূর্ণ বাক্য: One of my cousins is a doctor.
মনে রাখুন: Each of, either of, neither of-এর পরেও plural noun এবং singular verb বসে, যেমন Each of the boys has a pen. - ২৯. Which one is noun?
- ক. Nostalgic
- খ. Nostalgical
- গ. Nostalgia
- ঘ. Nostalgica
উত্তর: গ. Nostalgia
Nostalgia একটি Noun, যার অর্থ স্মৃতিকাতরতা বা অতীতের জন্য মন কেমন করা। শব্দটি এসেছে গ্রিক nostos (ঘরে ফেরা) ও algos (কষ্ট) থেকে। এর Adjective রূপ Nostalgic এবং Adverb রূপ Nostalgically। বাকি Nostalgical ও Nostalgica নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দই নেই।
মনে রাখুন:
Noun: Nostalgia
Adjective: Nostalgic
Adverb: Nostalgically
Noun চিনতে শেষের অংশ লক্ষ করা ভালো। -ia, -tion, -ness, -ment সাধারণত Noun-এর চিহ্ন। - ৩০. ... mother rose in her.
- ক. A
- খ. An
- গ. The
- ঘ. No article
উত্তর: গ. The
'A mother rose in her' বাক্যে mother বলতে কোনো একজন মা-কে বোঝানো হয়নি, বরং মায়ের মতো স্নেহ বা মাতৃভাবকে বোঝানো হয়েছে। কোনো common noun যখন একটি গুণ বা ভাব বোঝাতে abstract noun-এর মতো ব্যবহৃত হয়, তখন তার আগে the বসে। তাই 'The mother rose in her' মানে তার মধ্যে মাতৃভাব জেগে উঠল।
মনে রাখুন: একই নিয়মে বলা হয় The patriot in him was aroused আর The poet in him was awakened। - ৩১. The plural number of ‘index’ is-
- ক. indexis
- খ. indix
- গ. indexus
- ঘ. indices
উত্তর: ঘ. indices
Index শব্দটি ল্যাটিন থেকে এসেছে, তাই এর বহুবচন ল্যাটিন নিয়মে indices হয়। অবশ্য বইয়ের সূচি অর্থে ইংরেজি নিয়মে indexes রূপটিও চলে, কিন্তু গণিত ও বিজ্ঞানে indices বেশি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
Appendix এর বহুবচন appendices।
Matrix এর বহুবচন matrices।
Crisis এর বহুবচন crises এবং oasis এর বহুবচন oases। - ৩২. The child cried for ... mother.
- ক. his
- খ. its
- গ. her
- ঘ. none
উত্তর: খ. its
‘Child’ শব্দটি common gender-এর noun, অর্থাৎ এতে ছেলে না মেয়ে তা বোঝা যায় না। পুরোনো ব্যাকরণ অনুযায়ী শিশুর ক্ষেত্রে লিঙ্গ অজানা থাকলে pronoun হিসেবে ‘its’ ব্যবহার করা হয়। সেই কারণে বইয়ের উত্তর ‘its mother’। তবে আধুনিক ইংরেজিতে শিশুর ক্ষেত্রে his বা her ব্যবহারই বেশি স্বাভাবিক। পরীক্ষায় common gender-এর প্রশ্নে its উত্তর ধরা হয়। অর্থাৎ বাক্যটির অর্থ শিশুটি তার মায়ের জন্য কাঁদল।
মনে রাখুন:
Common gender: baby, child, student, teacher, cousin।
শিশুর লিঙ্গ জানা থাকলে he বা she ব্যবহার হয়।
Neuter gender হলো প্রাণহীন বস্তুর নাম, যেমন book, table। - ৩৩. Dhaka is becoming one of the ... cities in Asia.
- ক. more busiest
- খ. most busiest
- গ. busy
- ঘ. busiest
উত্তর: ঘ. busiest
One of the-এর পরে সাধারণত superlative degree বসে, কারণ অনেকের মধ্যে সেরাদের একটি বোঝানো হয়। Busy শব্দের superlative রূপ busiest। এর আগে আবার most বা more বসালে দুবার তুলনা হয়ে যায় (double comparison), যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
সম্পূর্ণ বাক্য: Dhaka is becoming one of the busiest cities in Asia.
মনে রাখুন: ছোট শব্দে -est যোগ করে superlative হয় (busiest, largest), আর বড় শব্দে most বসে (most beautiful), দুটি একসঙ্গে নয়। - ৩৪. Choose the simple form of the sentence; ‘Stand here and die’.
- ক. Stand here so that you can die.
- খ. Without standing here you will die.
- গ. Stand here only to die.
- ঘ. As you stand here you will die.
উত্তর: গ. Stand here only to die.
‘Stand here and die’ বাক্যটি compound, এর অর্থ হলো এখানে দাঁড়ালে পরিণতি হবে মৃত্যু। Compound বাক্যকে simple করার সময় দ্বিতীয় কাজটি ফলাফল বোঝালে infinitive (to + verb) ব্যবহার করা হয়, আর only to দিয়ে অপ্রত্যাশিত বা দুঃখজনক পরিণতি বোঝানো হয়। তাই simple রূপ হবে ‘Stand here only to die’। ‘Without standing here’ বললে অর্থ উল্টে যায়, আর ‘so that’ বা ‘as’ দিয়ে গঠিত বাক্য complex।
মনে রাখুন: Simple sentence-এ একটি মাত্র finite verb থাকে। - ৩৫. His comments provoked a barrage of criticism. Here ‘a barrage’ means-
- ক. a storm
- খ. a violence
- গ. a lot
- ঘ. a hatred
উত্তর: গ. a lot
Barrage শব্দের মূল অর্থ একটানা গোলাবর্ষণ। সেখান থেকে ‘a barrage of’ কথাটি দিয়ে বোঝানো হয় হঠাৎ একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণে কিছু আসা, যেমন প্রশ্ন বা সমালোচনা। তাই ‘a barrage of criticism’ মানে অনেক বেশি সমালোচনা, অর্থাৎ a lot।
বাংলা অর্থ: তাঁর মন্তব্য প্রচুর সমালোচনার জন্ম দিল।
মনে রাখুন: নদীতে পানি আটকানোর বাঁধ অর্থেও barrage শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যেমন ফারাক্কা ব্যারেজ। - ৩৬. The synonym of ‘panacea’ is-
- ক. remedy
- খ. germ
- গ. prevention
- ঘ. injury
উত্তর: ক. remedy
Panacea শব্দের অর্থ সর্বরোগের ওষুধ বা এমন কোনো সমাধান, যা সব সমস্যা দূর করে। তাই এর কাছাকাছি অর্থ remedy (প্রতিকার)। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: germ মানে জীবাণু, prevention মানে প্রতিরোধ, আর injury মানে আঘাত। শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে, যার অর্থ ‘সব কিছু সারায় এমন’।
মনে রাখুন:
Panacea-এর আরও সমার্থক cure-all, elixir।
উদাহরণ: There is no panacea for poverty. - ৩৭. The antonym for ‘Utopia’ is-
- ক. bliss
- খ. eden
- গ. dystopia
- ঘ. joy
উত্তর: গ. dystopia
Utopia হলো এমন একটি কল্পিত নিখুঁত সমাজ, যেখানে সবকিছু ভালো। এর বিপরীত শব্দ Dystopia, অর্থাৎ এমন কল্পিত সমাজ যেখানে অন্যায়, কষ্ট ও দুর্দশা চরমে। Bliss মানে পরম সুখ, Eden মানে স্বর্গোদ্যান আর Joy মানে আনন্দ। এই তিনটিই সুখ বা শান্তি বোঝায়, তাই সেগুলো Utopia-র কাছাকাছি, বিপরীত নয়। বিপরীত শব্দের প্রশ্নে এভাবে সমার্থক শব্দ বাদ দিয়ে এগোলে ভুল কমে। Utopia শব্দটি Greek ‘ou’ (না) আর ‘topos’ (স্থান) থেকে তৈরি, অর্থাৎ ‘যে জায়গা কোথাও নেই’। এ কারণে শব্দটি আদর্শ কিন্তু বাস্তবে অসম্ভব সমাজ বোঝায়।
মনে রাখুন:
‘Utopia’ বইটি লিখেছেন Sir Thomas More, ১৫১৬ সালে।
Dystopian উপন্যাসের উদাহরণ: George Orwell-এর ‘Nineteen Eighty-Four’। - ৩৮. Antonym of ‘Augment’ is-
- ক. Intensity
- খ. Diminish
- গ. Heighten
- ঘ. Morbid
উত্তর: খ. Diminish
Augment মানে বাড়ানো বা বৃদ্ধি করা, তাই এর বিপরীত শব্দ Diminish, যার অর্থ কমানো বা হ্রাস করা। Heighten শব্দটি বরং Augment-এর সমার্থক, কারণ এটিও বাড়ানো বোঝায়। Intensity একটি noun, যার অর্থ তীব্রতা, আর Morbid মানে রোগগ্রস্ত বা অসুস্থ মানসিকতা।
মনে রাখুন: Augment-এর সমার্থক শব্দ Increase, Enlarge, Amplify এবং বিপরীত শব্দ Decrease, Reduce। - ৩৯. Find out the correct spelling:
- ক. Questionnaive
- খ. Questionairre
- গ. Questionnairre
- ঘ. Questionnaire
উত্তর: ঘ. Questionnaire
Questionnaire শব্দের অর্থ প্রশ্নমালা, যা জরিপ বা তথ্য সংগ্রহের জন্য তৈরি করা হয়। এর শুদ্ধ বানানে দুটি n এবং একটি r থাকে: q-u-e-s-t-i-o-n-n-a-i-r-e। মূল শব্দ question-এর শেষের n-এর সঙ্গে ফরাসি প্রত্যয় -naire যুক্ত হওয়ায় দুটি n এসেছে।
মনে রাখুন: একই রকম আরেকটি শব্দ Millionaire, তবে এতে একটি n থাকে। - ৪০. ‘Clique’ means-
- ক. A group of animals
- খ. A group of birds
- গ. A group of people
- ঘ. A group of fish
উত্তর: গ. A group of people
Clique শব্দের অর্থ মানুষের ছোট একটি দল, যারা নিজেদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ থাকে এবং বাইরের লোককে সহজে দলে নিতে চায় না। তাই এটি একদল মানুষকে বোঝায়, পশু বা পাখিকে নয়।
মনে রাখুন:
A herd of cattle: গবাদিপশুর পাল।
A flock of birds: পাখির ঝাঁক।
A shoal বা school of fish: মাছের ঝাঁক।
গণিত
- ৪১. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বাড়ানো হলো এবং প্রস্থ ২০% কমানো হলো। ক্ষেত্রফল এর কি পরিবর্তন হবে?
- ক. ৪% কমবে
- খ. ৪% বাড়বে
- গ. ২% কমবে
- ঘ. অপরিবর্তিত থাকবে
উত্তর: ক. ৪% কমবে
ধরি, দৈর্ঘ্য 100 এবং প্রস্থ 100, তাহলে আগের ক্ষেত্রফল = 100 × 100 = 10000।
দৈর্ঘ্য ২০% বাড়লে হয় 120, প্রস্থ ২০% কমলে হয় 80।
নতুন ক্ষেত্রফল = 120 × 80 = 9600।
ক্ষেত্রফল কমেছে 10000 − 9600 = 400, যা 10000-এর 4%।
সুতরাং ক্ষেত্রফল ৪% কমবে।
মনে রাখুন: কোনো রাশি x% বাড়িয়ে আবার x% কমালে সবসময় নিট $x^2/100$% কমে, এখানে $20^2/100 = 4$%। - ৪২. কোন বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত?
- ক. ৩
- খ. ৫
- গ. ২৫/৯
- ঘ. ২২/৭
উত্তর: ঘ. ২২/৭
যেকোনো বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত সবসময় একই থাকে, আর এই ধ্রুব সংখ্যাটিকে π (পাই) বলে। π-এর মান প্রায় 3.1416, যাকে ভগ্নাংশে সহজে 22/7 ধরা হয়। তাই পরিধি = π × ব্যাস = 2πr।
মনে রাখুন:
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = $\pi r^2$।
π একটি অমূলদ সংখ্যা, তাই 22/7 এর একটি আসন্ন মান মাত্র। - ৪৩. একটি ক্লাসে ৩০ জন ছাত্র আছে। তাদের মধ্যে ১৮ জন ফুটবল খেলে, ১৪ জন ক্রিকেট খেলে এবং ৫ জন কিছুই খেলে না। কয়জন উভয়টিই খেলে?
- ক. ৩
- খ. ৫
- গ. ৭
- ঘ. ১০
উত্তর: গ. ৭
মোট ৩০ জনের মধ্যে ৫ জন কিছুই খেলে না, তাই অন্তত একটি খেলা খেলে 30 − 5 = 25 জন।
ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়াড় যোগ করলে পাই 18 + 14 = 32, যা 25-এর চেয়ে বেশি। বাড়তি অংশটুকু হলো যারা দুটি খেলাই খেলে, কারণ তাদের দুবার গোনা হয়েছে।
সুতরাং উভয় খেলা খেলে 32 − 25 = 7 জন।
মনে রাখুন: n(A ∪ B) = n(A) + n(B) − n(A ∩ B)। - ৪৪. ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১, ... ধারাটির দশম পদ কত?
- ক. ৫৫
- খ. ৩৬
- গ. ৪৫
- ঘ. ৭২
উত্তর: ক. ৫৫
ধারাটির পরপর দুটি পদের পার্থক্য 2, 3, 4, 5, 6 করে বাড়ছে। তাই পরের পদগুলো হবে 21 + 7 = 28, 28 + 8 = 36, 36 + 9 = 45 এবং 45 + 10 = 55, যা দশম পদ।
এটি আসলে ত্রিভুজ সংখ্যার (Triangular number) ধারা, যার n-তম পদ = n(n + 1)/2।
যাচাই: দশম পদ = 10 × 11 / 2 = 55। - ৪৫. লাভের হার ৭% থেকে কমে ৫% হলে একজন ব্যক্তির আয় ৫ বছরে ৭০০ টাকা কমে যায়। তবে মূলধন কত?
- ক. ১০০০০ টাকা
- খ. ৭০০০ টাকা
- গ. ৮০০০ টাকা
- ঘ. ৬০০০ টাকা
উত্তর: খ. ৭০০০ টাকা
লাভের হার 7% থেকে 5% হওয়ায় হার কমেছে 2%।
5 বছরে মোট হার কমেছে 2 × 5 = 10%।
এই 10% মূলধনের সমান 700 টাকা, তাই মূলধন = 700 × 100 / 10 = 7000 টাকা।
মনে রাখুন: সরল মুনাফার সূত্র I = Pnr, এখানে মুনাফার পার্থক্য = P × n × (হারের পার্থক্য)। - ৪৮. ক, খ ও গ এর বেতনের অনুপাত ৭ : ৫ : ৩। খ, গ অপেক্ষা ২২২০ টাকা বেশি পেলে ক এর বেতন কত?
- ক. ৮৮৮০ টাকা
- খ. ৭৭৭০ টাকা
- গ. ৫৫৫০ টাকা
- ঘ. ৩৩৩০ টাকা
উত্তর: খ. ৭৭৭০ টাকা
ধরি, ক, খ ও গ-এর বেতন যথাক্রমে 7x, 5x ও 3x টাকা।
খ, গ-এর চেয়ে বেশি পায় 5x − 3x = 2x টাকা।
প্রশ্নমতে, 2x = 2220, তাই x = 1110।
সুতরাং ক-এর বেতন = 7 × 1110 = 7770 টাকা। - ৪৯. কোন ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন কোণদ্বয়-
- ক. স্থূলকোণ
- খ. সমকোণ
- গ. সূক্ষ্মকোণ
- ঘ. সরলকোণ
উত্তর: গ. সূক্ষ্মকোণ
ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহুর বিপরীতে থাকে বৃহত্তম কোণ। ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, তাই কোনো ত্রিভুজে একটির বেশি স্থূলকোণ বা সমকোণ থাকতে পারে না। বৃহত্তম বাহুর দুই প্রান্তের কোণ দুটি বৃহত্তম কোণ নয়, আর বৃহত্তম কোণটি স্থূল বা সমকোণ হলেও বাকি দুটি অবশ্যই সূক্ষ্মকোণ হয়। তাই বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন কোণদ্বয় সবসময় সূক্ষ্মকোণ।
মনে রাখুন: প্রতিটি ত্রিভুজে অন্তত দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ। - ৫০. দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ৮ : ২৭। তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত?
- ক. ২ : ৩
- খ. ৪ : ৯
- গ. ৪ : ৫
- ঘ. ৫ : ৬
উত্তর: খ. ৪ : ৯
গোলকের আয়তন = $\frac{4}{3}\pi r^3$, তাই আয়তনের অনুপাত ব্যাসার্ধের ঘনের অনুপাতের সমান।
$r_1^3 : r_2^3$ = 8 : 27, সুতরাং $r_1 : r_2$ = 2 : 3।
গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = $4\pi r^2$, তাই ক্ষেত্রফলের অনুপাত = $2^2 : 3^2$ = 4 : 9।
মনে রাখুন: সদৃশ ঘনবস্তুর ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্যের অনুপাত a : b হলে ক্ষেত্রফলের অনুপাত $a^2 : b^2$ এবং আয়তনের অনুপাত $a^3 : b^3$। - ৫১. a + b = 5 এবং a – b = 3 হলে ab = ?
- ক. 2
- খ. 3
- গ. 4
- ঘ. 5
উত্তর: গ. 4
আমরা জানি, $4ab = (a + b)^2 − (a − b)^2$।
মান বসিয়ে পাই, 4ab = 25 − 9 = 16, তাই ab = 4।
যাচাই: a + b = 5 ও a − b = 3 সমাধান করলে a = 4 এবং b = 1, আর 4 × 1 = 4। - ৫২. একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের কত গুণ?
- ক. দ্বিগুণ
- খ. তিনগুণ
- গ. চারগুণ
- ঘ. পাঁচগুণ
উত্তর: গ. চারগুণ
একটি সরলরেখার দৈর্ঘ্য a হলে তার ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল a²। ওই রেখার অর্ধেকের দৈর্ঘ্য a/2, আর তার ওপর আঁকা বর্গের ক্ষেত্রফল:
(a/2)² = a²/4
তাই প্রথম বর্গের ক্ষেত্রফল ÷ দ্বিতীয় বর্গের ক্ষেত্রফল = a² ÷ (a²/4) = 4।
অতএব বর্গটি অর্ধেকের ওপর অঙ্কিত বর্গের চারগুণ।
মনে রাখুন: বাহু দ্বিগুণ হলে বর্গের ক্ষেত্রফল চারগুণ হয়, কারণ ক্ষেত্রফল বাহুর বর্গের সমানুপাতিক। - ৫৩. A : B = 3 : 4, B : C = 5 : 6, C : D = 2 : 3 হলে A : D = ?
- ক. ২ : ৩
- খ. ৫ : ৯
- গ. ৫ : ১২
- ঘ. ৭ : ১২
উত্তর: গ. ৫ : ১২
ধারাবাহিক অনুপাতে A : D বের করতে আগের পদগুলো গুণ করে পরের পদগুলোর গুণফল দিয়ে ভাগ করতে হয়।
$\frac{A}{D} = \frac{A}{B} \times \frac{B}{C} \times \frac{C}{D} = \frac{3}{4} \times \frac{5}{6} \times \frac{2}{3} = \frac{30}{72} = \frac{5}{12}$
সুতরাং A : D = 5 : 12। - ৫৪. কোন ত্রিভুজের তিন বাহুকে একইভাবে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিস্থ কোণ তিনটির পরিমাণ - হবে?
- ক. ১৮০°
- খ. ২৭০°
- গ. ৩৬০°
- ঘ. ৫৪০°
উত্তর: গ. ৩৬০°
ত্রিভুজের প্রতিটি শীর্ষে অন্তঃস্থ কোণ ও বহিঃস্থ কোণ মিলে একটি সরলকোণ, অর্থাৎ 180° হয়। তিন শীর্ষে মোট হয় 3 × 180° = 540°। এর মধ্য থেকে তিন অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি 180° বাদ দিলে বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি 540° − 180° = 360°।
মনে রাখুন: শুধু ত্রিভুজ নয়, যেকোনো বহুভুজের বাহুগুলো একই ক্রমে বাড়ালে বহিঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি সবসময় 360°। - ৫৫. a + b = c হলে a³ + b³ + 3abc = ?
- ক. a³
- খ. b³
- গ. c³
- ঘ. 0
উত্তর: গ. c³
আমরা জানি, $a^3 + b^3 = (a + b)^3 − 3ab(a + b)$।
a + b = c বসালে, $a^3 + b^3 = c^3 − 3abc$।
সুতরাং $a^3 + b^3 + 3abc = c^3 − 3abc + 3abc = c^3$। - ৫৬. দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট- এ ধরনের কোণের নাম কী?
- ক. সূক্ষ্মকোণ
- খ. স্থূলকোণ
- গ. সম্পূরক কোণ
- ঘ. প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর: ঘ. প্রবৃদ্ধ কোণ
দুই সমকোণ মানে 180° এবং চার সমকোণ মানে 360°। যে কোণ 180°-এর চেয়ে বড় কিন্তু 360°-এর চেয়ে ছোট, তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ (Reflex angle) বলে।
মনে রাখুন:
সূক্ষ্মকোণ: 90°-এর চেয়ে ছোট।
স্থূলকোণ: 90°-এর চেয়ে বড় কিন্তু 180°-এর চেয়ে ছোট।
সম্পূরক কোণ: দুটি কোণের সমষ্টি 180° হলে তারা পরস্পরের সম্পূরক। - ৫৭. দুইটি সংখ্যার গুণফল 1536, ল.সা.গু 96 হলে গ.সা.গু কত?
- ক. 36
- খ. 16
- গ. 24
- ঘ. 12
উত্তর: খ. 16
দুটি সংখ্যার গুণফল সবসময় তাদের ল.সা.গু ও গ.সা.গু-এর গুণফলের সমান।
তাই গ.সা.গু = গুণফল ÷ ল.সা.গু = 1536 ÷ 96 = 16।
মনে রাখুন: এই নিয়ম শুধু দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রে খাটে, তিন বা তার বেশি সংখ্যায় নয়।
মানসিক দক্ষতা
- ৪৬. কামাল, জামালের চাইতে ৩ বছরের ছোট। আফজালের কামালের চেয়ে ২ বছরের ছোট। মুমিনের বয়স যখন ৫ তখন কামাল জন্মগ্রহণ করেছে। তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতমের বয়স যখন ৫২ হলে আফজালের বয়স কত?
- ক. ৫৪ বছর
- খ. ৪৫ বছর
- গ. ৫০ বছর
- ঘ. ৪৩ বছর
উত্তর: খ. ৪৫ বছর
কামালের বয়সকে ভিত্তি ধরে সবার বয়স সাজাই। জামাল কামালের চেয়ে ৩ বছরের বড়, আফজাল কামালের চেয়ে ২ বছরের ছোট। আবার কামালের জন্মের সময় মুমিনের বয়স ছিল ৫, তাই মুমিন কামালের চেয়ে ৫ বছরের বড়। সুতরাং সবচেয়ে বড় মুমিন।
মুমিনের বয়স 52 হলে কামালের বয়স 52 − 5 = 47 বছর।
আফজালের বয়স 47 − 2 = 45 বছর। - ৪৭. একটি ঘড়ি প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় হারায়। কতদিন পরে ঘড়িটি এমন অবস্থায় পৌঁছাবে যখন ঘড়িটি সঠিক সময় নির্দেশ করবে?
- ক. ৩৬ দিন
- খ. ১২০ দিন
- গ. ৭২ দিন
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: গ. ৭২ দিন
ঘড়ির কাঁটা ১২ ঘণ্টা পরপর একই অবস্থানে ফিরে আসে। তাই যে ঘড়ি সময় হারায়, সেটি মোট ১২ ঘণ্টা পিছিয়ে গেলে আবার সঠিক সময় দেখাবে।
12 ঘণ্টা = 12 × 60 = 720 মিনিট।
প্রতিদিন 10 মিনিট হারালে সময় লাগবে 720 ÷ 10 = 72 দিন।
মনে রাখুন: ২৪ ঘণ্টার ডিজিটাল ঘড়ির ক্ষেত্রে পুরো ২৪ ঘণ্টা, অর্থাৎ 1440 মিনিট পিছিয়ে যেতে হয়।
বিজ্ঞান
- ৫৮. এনজাইম হচ্ছে-
- ক. কার্বোহাইড্রেট
- খ. লিপিড
- গ. নিউক্লিক এসিড
- ঘ. প্রোটিন
উত্তর: ঘ. প্রোটিন
এনজাইম (Enzyme) বা উৎসেচক জীবদেহে তৈরি হওয়া জৈব অনুঘটক। একে অল্প পরিমাণে ব্যবহার করেই দেহের রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বহুগুণ বাড়ানো যায়, আর বিক্রিয়া শেষে এনজাইম নিজে অপরিবর্তিত থাকে। প্রায় সব এনজাইমই প্রোটিন দিয়ে গঠিত, তাই ঠিক উত্তর প্রোটিন। প্রতিটি এনজাইম সাধারণত একটি নির্দিষ্ট বিক্রিয়ার জন্য কাজ করে। এটি বেশি তাপমাত্রায় বা অতি অম্ল ও ক্ষারীয় পরিবেশে নষ্ট হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
পেপসিন প্রোটিন ভাঙে, অ্যামাইলেজ শর্করা ভাঙে, লাইপেজ চর্বি ভাঙে।
এনজাইম যার ওপর কাজ করে তাকে সাবস্ট্রেট (Substrate) বলে।
ব্যতিক্রম হিসেবে কিছু RNA অণু (রাইবোজাইম) অনুঘটকের কাজ করে। - ৭১. প্রাথমিক রঙ কোনটি?
- ক. হলুদ
- খ. সাদা
- গ. সবুজ
- ঘ. কালো
উত্তর: গ. সবুজ
আলোর ক্ষেত্রে লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটিকে প্রাথমিক বা মৌলিক রং (Primary colour) বলে, কারণ এদের অন্য কোনো রং মিশিয়ে তৈরি করা যায় না। আবার এই তিনটি রং বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে অন্য সব রং তৈরি করা যায়, তাই টেলিভিশন ও মোবাইলের পর্দা RGB পদ্ধতিতে কাজ করে।
মনে রাখুন:
লাল ও সবুজ মিশে হলুদ হয়, তাই আলোর ক্ষেত্রে হলুদ একটি যৌগিক রং।
তিনটি মৌলিক রং সমান অনুপাতে মিশলে সাদা আলো তৈরি হয়।
বাংলাদেশ
- ৫৯. বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ কে?
- ক. জর্জ কোটাল
- খ. আমিনুল ইসলাম
- গ. টমাস ডুলি
- ঘ. কাবরেরা
উত্তর: গ. টমাস ডুলি
২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সাবেক মার্কিন ফুটবলার টমাস ডুলিকে জাতীয় দলের প্রধান কোচ নিয়োগ দেয়। এর আগে স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা প্রায় চার বছর এই দায়িত্বে ছিলেন। ডুলি জার্মানিতে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়, তিনি বুন্দেসলিগা জয়ী দলে খেলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে বিশ্বকাপেও অংশ নিয়েছেন।
মনে রাখুন: আমিনুল ইসলাম ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক, আর অস্ট্রিয়ার জর্জ কোটান ২০১৬-১৭ সালে বাংলাদেশ দলের কোচ ছিলেন। - ৬৩. BAPEX প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
- ক. ১৯৭৪
- খ. ১৯৮৯
- গ. ১৯৯২
- ঘ. ১৯৭২
উত্তর: খ. ১৯৮৯
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (BAPEX) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে। এটি পেট্রোবাংলার অধীন একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি, যার কাজ দেশের ভেতরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলন করা।
মনে রাখুন:
পেট্রোবাংলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
বর্তমানে দেশে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উৎপাদন হয় হবিগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে। - ৬৫. বাংলাদেশের নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ কোনটি?
- ক. বানৌজা সমুদ্র জয়
- খ. বানৌজা সুরমা
- গ. বানৌজা হাজী মহসীন
- ঘ. বানৌজা শাহজালাল
উত্তর: ক. বানৌজা সমুদ্র জয়
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ হিসেবে বানৌজা সমুদ্র জয়ের নাম বলা হয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ডের হ্যামিলটন শ্রেণির একটি কাটার, যা ২০১৩ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৫ মিটার এবং এটি গভীর সমুদ্রে দীর্ঘদিন টহল দিতে পারে।
মনে রাখুন:
একই শ্রেণির আরেকটি জাহাজ বানৌজা সমুদ্র অভিযান।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম সাবমেরিন বানৌজা নবযাত্রা ও জয়যাত্রা, যা ২০১৭ সালে যুক্ত হয়। - ৬৬. বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র বন্দর কোথায় অবস্থিত?
- ক. সোনারদিয়া
- খ. চালনা
- গ. পটুয়াখালী
- ঘ. মাতারবাড়ি
উত্তর: ঘ. মাতারবাড়ি
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর (Deep sea port) নির্মিত হচ্ছে। জাপানের সহায়তায় তৈরি এই বন্দরে বড় আকারের জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারবে। আগে কক্সবাজারের সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর করার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সেটি বাতিল হয়।
মনে রাখুন:
দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম।
চালনা হলো খুলনার মোংলা বন্দরের পুরোনো নাম, আর পটুয়াখালীতে আছে পায়রা বন্দর। - ৬৯. Bangladesh Council of Scientific And Industrial Research (BCSIR) অন্য কি নামে পরিচিত?
- ক. বিজ্ঞান গবেষণা
- খ. ফিল্ম গবেষণা
- গ. সাইন্স ল্যাবরেটরী
- ঘ. জাতীয় গবেষণা কাউন্সিল
উত্তর: গ. সাইন্স ল্যাবরেটরী
বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (BCSIR) দেশের সবচেয়ে বড় বহুমুখী বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, আর সাধারণ মানুষের কাছে প্রতিষ্ঠানটি ‘সায়েন্স ল্যাবরেটরি’ নামে পরিচিত। এ কারণে আশপাশের এলাকাটিও সায়েন্স ল্যাব নামে পরিচিতি পেয়েছে।
মনে রাখুন: BCSIR-এর যাত্রা শুরু ১৯৫৫ সালে, এবং স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে এটি বর্তমান নাম পায়। - ৭০. দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
- ক. বিচারপতি হাবিবুর রহমান
- খ. মইনউদ্দিন ইকবাল
- গ. ইকবাল মাহমুদ
- ঘ. কোনটি নয়
উত্তর: ঘ. কোনটি নয়
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৪ সালে স্বাধীন সংস্থা হিসেবে গঠিত হয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে দুদকের চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, আর ২০২৬ সালে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান নতুন চেয়ারম্যান হন। তালিকার কেউই বর্তমান চেয়ারম্যান নন। ইকবাল মাহমুদ ছিলেন আগের একজন চেয়ারম্যান (২০১৬-২০২১), আর বিচারপতি হাবিবুর রহমান ছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান।
মনে রাখুন: দুদকের প্রথম চেয়ারম্যান বিচারপতি সুলতান হোসেন খান। - ৭২. ‘ম্যাডোনা ৪৩’ কার আঁকা?
- ক. পটুয়া কামরুল হাসান
- খ. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
- গ. শামীম শিকদার
- ঘ. অতীন সেন
উত্তর: খ. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
‘ম্যাডোনা ৪৩’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম। ১৯৪৩ সালের (বাংলা ১৩৫০) ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে ক্ষুধার্ত মা ও শিশুর করুণ দৃশ্য এতে ফুটে উঠেছে। এই দুর্ভিক্ষ নিয়ে তাঁর আঁকা চিত্রমালাই তাঁকে সারা উপমহাদেশে পরিচিত করে তোলে।
মনে রাখুন:
জয়নুল আবেদিনের অন্য বিখ্যাত ছবি ‘সংগ্রাম’, ‘নবান্ন’ ও ‘মনপুরা ৭০’।
তিনি ১৯৪৮ সালে ঢাকায় সরকারি আর্ট ইনস্টিটিউট (বর্তমান চারুকলা অনুষদ) প্রতিষ্ঠা করেন।
আন্তর্জাতিক
- ৬০. সর্বশেষ ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাট্রিক কে করেন?
- ক. লিওনেল মেসি
- খ. কিলিয়ান এমবাপ্পে
- গ. হ্যারিকেন
- ঘ. জোনাথন ডেভিড
উত্তর: ক. লিওনেল মেসি
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়। এই আসরের প্রথম হ্যাটট্রিক করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। মজার ব্যাপার হলো, এত বছরের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে এটিই ছিল মেসির প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিক।
মনে রাখুন:
২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেয়।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে কিলিয়ান এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। - ৬১. ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার কে লাভ করেন?
- ক. চীনমা জং
- খ. ক্রিস্টিয়ান মুনজিউ
- গ. ইয়াং শুয়াং জি ও লিন কিং
- ঘ. আওয়াযামা চিজুকো
উত্তর: গ. ইয়াং শুয়াং জি ও লিন কিং
২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার (International Booker Prize) পেয়েছে তাইওয়ানের লেখিকা ইয়াং শুয়াং জি-র উপন্যাস ‘Taiwan Travelogue’। বইটি ম্যান্ডারিন থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন লিন কিং। এই পুরস্কার ইংরেজিতে অনূদিত কথাসাহিত্যের জন্য দেওয়া হয়, আর পুরস্কারের অর্থ লেখক ও অনুবাদক সমানভাবে ভাগ করে নেন।
মনে রাখুন: ২০২৫ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন ভারতের কন্নড় লেখিকা বানু মুশতাক, তাঁর ‘Heart Lamp’ গল্পগ্রন্থের জন্য। - ৬২. ILO এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. জেনেভা
- খ. দ্য হেগ
- গ. ওয়াশিংটন ডিসি
- ঘ. প্যারিস
উত্তর: ক. জেনেভা
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (International Labour Organization, ILO) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা শ্রমিকের অধিকার ও কাজের ন্যায্য পরিবেশ নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখুন:
ILO ১৯৬৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে ILO-এর সদস্য হয়।
জেনেভায় WHO ও WTO-এর সদর দপ্তরও অবস্থিত। - ৬৪. রোসাটম কোন দেশের জাতীয় পরমাণু সংস্থা?
- ক. চীন
- খ. উত্তর কোরিয়া
- গ. রাশিয়া
- ঘ. ইউক্রেন
উত্তর: গ. রাশিয়া
রোসাটম (Rosatom) রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন, যা ২০০৭ সালে গঠিত হয়। বাংলাদেশের পাবনা জেলার রূপপুরে যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হচ্ছে, সেটির নির্মাণকাজ করছে রোসাটমেরই একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
মনে রাখুন:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়। - ৭৩. ‘ক্যাটালন’ কোন দেশের ভাষা?
- ক. বেলজিয়াম
- খ. ইংল্যান্ড
- গ. ওয়েলস
- ঘ. স্পেইন
উত্তর: ঘ. স্পেইন
ক্যাটালান (Catalan) ভাষা প্রধানত স্পেনের উত্তর-পূর্বের কাতালোনিয়া অঞ্চলে প্রচলিত। কাতালোনিয়ার রাজধানী বার্সেলোনা, আর সেখানে স্প্যানিশের পাশাপাশি ক্যাটালানও সরকারি ভাষা। এ ছাড়া ছোট দেশ অ্যান্ডোরার একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ক্যাটালান।
মনে রাখুন: কাতালোনিয়া বহুদিন ধরে স্পেন থেকে স্বাধীনতা চেয়ে আসছে, আর ২০১৭ সালে সেখানে একটি স্বাধীনতা গণভোটও হয়েছিল। - ৭৪. সুইডেন এর আইনসভার নাম কি?
- ক. রিক্সডাগ
- খ. এদুসকোন্ডা
- গ. স্টরটিং
- ঘ. পার্লামেন্ট
উত্তর: ক. রিক্সডাগ
সুইডেনের আইনসভার নাম রিক্সড্যাগ (Riksdag)। এটি এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা, যার সদস্যসংখ্যা ৩৪৯।
মনে রাখুন:
নরওয়ের আইনসভা: স্টরটিং।
ফিনল্যান্ডের আইনসভা: এদুসকুন্তা।
ডেনমার্কের আইনসভা: ফোকেটিং।
জাপানের আইনসভা: ডায়েট। - ৭৫. হারারে-এর পুরাতন নাম কোনটি?
- ক. পেট্রেগ্রান্ড
- খ. ফরমুজা
- গ. সলসবেরি
- ঘ. রোডেশিয়া
উত্তর: গ. সলসবেরি
হারারে আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়ের রাজধানী, আর এর পুরোনো নাম ছিল সলসবেরি। ১৯৮২ সালে শহরটির নাম বদলে হারারে রাখা হয়। মজার ব্যাপার হলো, জিম্বাবুয়ে দেশটির পুরোনো নামও ছিল রোডেশিয়া, যা একটি দেশের নাম, শহরের নয়।
মনে রাখুন:
ফরমোজা হলো তাইওয়ানের পুরোনো নাম।
পেট্রোগ্রাড হলো রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের পুরোনো নাম। - ৭৬. New Development Bank (NDB) এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. চীন
- খ. জাপান
- গ. ফিলিপাইন
- ঘ. ভারত
উত্তর: ক. চীন
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank, NDB) ব্রিকস (BRICS) দেশগুলোর গড়া একটি উন্নয়ন ব্যাংক, এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠার চুক্তি হয় এবং ২০১৫ সালে ব্যাংকটি কাজ শুরু করে। বাংলাদেশ ২০২১ সালে এই ব্যাংকের সদস্য হয়।
মনে রাখুন:
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)-এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায়।
এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB)-এর সদর দপ্তর চীনের বেইজিংয়ে। - ৭৭. সর্বশেষ কোন দেশ OPEC ত্যাগ করেছে?
- ক. অ্যাঙ্গোলা
- খ. কাতার
- গ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
- ঘ. গ্যাবন
উত্তর: গ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা (OPEC) থেকে সর্বশেষ বেরিয়ে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি ২০২৬ সালের এপ্রিলে ঘোষণা দেয় এবং ১ মে থেকে প্রায় ৫৯ বছরের সদস্যপদ ছেড়ে দেয়। এর আগে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অ্যাঙ্গোলা এবং ২০১৯ সালে কাতার OPEC ত্যাগ করেছিল।
মনে রাখুন:
OPEC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে ইরাকের বাগদাদে।
এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৬৭. বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি কত সালে চালু হয়-
- ক. ১৯৯১
- খ. ১৯৯০
- গ. ১৯৯২
- ঘ. ২০০৪
উত্তর: ক. ১৯৯১
মুক্তবাজার অর্থনীতি (Free market economy) এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে পণ্যের দাম ও উৎপাদন সরকার নয়, বাজারের চাহিদা ও জোগান ঠিক করে। আশির দশকে বেসরকারীকরণ শুরু হলেও বাংলাদেশে পুরোপুরি মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয় ১৯৯১ সালে। সেই সময় আমদানি উদারীকরণ এবং ভ্যাট চালুর মতো সংস্কার নেওয়া হয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। - ৬৮. বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বিকল্প চেয়ারম্যান কে?
- ক. প্রধানমন্ত্রী
- খ. ক্যাবিনেট সচিব
- গ. পরিকল্পনামন্ত্রী
- ঘ. অর্থমন্ত্রী
উত্তর: ঘ. অর্থমন্ত্রী
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) দেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে। এই কমিটির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী (বা সরকারপ্রধান), আর তাঁর অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী, যিনি এর বিকল্প চেয়ারম্যান।
মনে রাখুন:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (NEC)-এর চেয়ারম্যানও প্রধানমন্ত্রী।
ECNEC-এর সাচিবিক দায়িত্ব পালন করে পরিকল্পনা কমিশন।
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন