লিয়ানা বুকস

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) নিয়োগ পরীক্ষা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬। ৭৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. ‘প্রাচ্য’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
    • ক. প্রতীচ্য
    • খ. প্রাচ্যহীন
    • গ. অপ্রাচ্য
    • ঘ. নবীন
    উত্তর: ক. প্রতীচ্য
    ‘প্রাচ্য’ মানে পূর্ব দিকের দেশ বা পূর্বদিকের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর বিপরীত শব্দ ‘প্রতীচ্য’, মানে পশ্চিম দিকের দেশ বা পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই ‘প্রাচ্য-প্রতীচ্য’ জোড়াটি পূর্ব ও পশ্চিম বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ‘প্রাচ্যহীন’ ও ‘অপ্রাচ্য’ সাধারণ ব্যবহারে বিপরীত শব্দ নয়, আর ‘নবীন’-এর অর্থ নতুন।
    মনে রাখুন:
    দিকবাচক আরও শব্দ: উদীচ্য (উত্তর), অবাচী (দক্ষিণ)।
    উদাহরণ: প্রাচ্য সংস্কৃতি ও প্রতীচ্য সংস্কৃতির পার্থক্য অনেক।
  2. ২. ‘চর্যাপদ’-এর প্রাপ্তিস্থান কোথায়?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. নেপাল
    • গ. উড়িষ্যা
    • ঘ. ভুটান
    উত্তর: খ. নেপাল
    ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। তাই চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান নেপাল।
    মনে রাখুন: চর্যাপদ বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন।
  3. ৩. বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্নোক্ত একটি ভাষা থেকে-
    • ক. সংস্কৃত
    • খ. পালি
    • গ. প্রাকৃত
    • ঘ. অপভ্রংশ
    উত্তর: গ. প্রাকৃত
    ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের সদস্য। প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে ধীরে ধীরে বিভিন্ন প্রাকৃত ভাষার জন্ম হয়, আর পূর্ব ভারতে প্রচলিত মাগধী বা গৌড়ী প্রাকৃত থেকে, অপভ্রংশ স্তর পেরিয়ে, আনুমানিক দশম শতকের দিকে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটে। তাই বাংলার উৎস হিসেবে প্রাকৃতের নাম বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত থেকে।
    ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা এসেছে গৌড়ী প্রাকৃত থেকে।
  4. ৪. সাধু ভাষায় কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
    • ক. এখানে সে ফিরে আসেনি
    • খ. সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
    • গ. তিনি মূর্ছিত হয়ে পড়েছেন
    • ঘ. তুমি তার কথা বিশ্বাস করো না
    উত্তর: খ. সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না
    সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পূর্ণরূপে লেখা হয়, যেমন ‘করিতেছি’, ‘আসিবে’, ‘বলিয়া’। ‘সে আসিবে বলিয়া ভরসাও করিতেছি না’ বাক্যে আসিবে, বলিয়া ও করিতেছি পূর্ণ সাধু রূপে আছে। তাই এই বাক্যটি সাধু ভাষার উদাহরণ। অন্য বাক্যগুলো চলিত ভাষায় লেখা।
    মনে রাখুন:
    ‘ফিরে আসেনি’, ‘পড়েছেন’ ও ‘বিশ্বাস করো’ চলিত ভাষার রূপ।
    সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য মূলত ক্রিয়া ও সর্বনামের রূপে: করিতেছি ও করছি, তাহাকে ও তাকে।
  5. ৫. সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন কে?
    • ক. উইলিয়াম কেরি
    • খ. রাজা রামমোহন রায়
    • গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • ঘ. প্রমথ চৌধুরী
    উত্তর: ঘ. প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষাকে সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনের নেতা ছিলেন। তিনি ‘সাধুভাষা বনাম চলিত ভাষা’, ‘বঙ্গভাষা বনাম বাবু-বাংলা ওরফে সাধুভাষা’ প্রভৃতি প্রবন্ধে দুই রীতির তুলনা করে চলিত রীতির পক্ষে যুক্তি দেন। ১৯১৪ সালে তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতি সাহিত্যে স্থায়ী জায়গা পায়।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’।
    ‘সাধুভাষা’ কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন রাজা রামমোহন রায়।
  6. ৬. ‘জ্ঞ’ যুক্তব্যঞ্জন গঠিত হয়েছে কোন দুটি ধ্বনিযোগে?
    • ক. ঞ+গ
    • খ. গ+ঞ
    • গ. জ+ঞ
    • ঘ. ঞ+জ
    উত্তর: গ. জ+ঞ
    ‘জ্ঞ’ যুক্তব্যঞ্জনটি জ্ + ঞ, এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে তৈরি হয়েছে। প্রথমে জ্ এবং তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঞ। বাংলায় এই যুক্তাক্ষরের উচ্চারণ সাধারণত ‘গ্য’-এর মতো হয়, যেমন জ্ঞান (গ্যান), বিজ্ঞান (বিগ্যান)। কিন্তু উচ্চারণ ‘গ্য’-এর মতো শোনালেও বর্ণ হিসেবে এখানে গ নেই, তাই ‘গ্ + ঞ’ ভাবা ভুল। আবার ঞ + জ ভাবলে ক্রম উল্টে যায়।
    উদাহরণ:
    ক্ষ = ক্ + ষ
    ঞ্চ = ঞ্ + চ
    ঙ্গ = ঙ্ + গ
    হ্ম = হ্ + ম
  7. ৭. কোনটি দেশি শব্দ?
    • ক. কুলা
    • খ. চেয়ার
    • গ. খাদিম
    • ঘ. জবানবন্দী
    উত্তর: ক. কুলা
    যে শব্দগুলো বাংলাদেশের আদিবাসী অনার্য জনগোষ্ঠীর (কোল, মুন্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি) ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে। ‘কুলা’ এমনই একটি দেশি শব্দ। অন্যদিকে ‘চেয়ার’ ইংরেজি শব্দ, আর ‘খাদিম’ আরবি শব্দ। ‘জবানবন্দী’ ফারসি ‘জবান’ ও ‘বন্দি’ মিলে গঠিত, তাই এটি ফারসি শব্দ।
    মনে রাখুন: আরও কিছু দেশি শব্দ হলো কুড়ি, পেট, চুলা, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি, খোকা, গঞ্জ।
  8. ৮. ‘সপ্তাহ’ কোন প্রকারের শব্দ?
    • ক. অংকবাচক
    • খ. পূরণবাচক
    • গ. ক্রমবাচক
    • ঘ. গণনাবাচক
    উত্তর: ঘ. গণনাবাচক
    ‘সপ্তাহ’ শব্দটি সাতটি দিনের সমষ্টি বোঝায়। কোনো জিনিস কয়টি আছে বা কত পরিমাণে আছে, তা বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে গণনাবাচক বা পরিমাণবাচক শব্দ বলে। ‘সপ্তাহ’ শব্দেও দিনের সংখ্যা গোনা হচ্ছে, তাই এটি গণনাবাচক শব্দ।
    মনে রাখুন:
    গণনাবাচক: এক, দুই, জোড়া, হালি, ডজন, সপ্তাহ, পক্ষ।
    পূরণবাচক বা ক্রমবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।
    তারিখবাচক: পয়লা, দোসরা, তেসরা।
  9. ৯. ‘নদীমাতৃক’ শব্দের সমাস হলো-
    • ক. নদী মাতা যার
    • খ. নদীতে মাতা আছে যার
    • গ. নদী ও মাতা
    • ঘ. নদী ও মাতৃকা
    উত্তর: ক. নদী মাতা যার
    যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য কোনো অর্থ প্রধান হয়ে ওঠে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ‘নদীমাতৃক’ বলতে নদী বা মাতা কাউকেই বোঝায় না, বোঝায় এমন একটি দেশ, নদী যার মাতার মতো। তাই এর ব্যাসবাক্য ‘নদী মাতা যার’, আর এটি বহুব্রীহি সমাস।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়, কারণ নদীই এ দেশের কৃষি, যোগাযোগ ও জীবিকার প্রধান ভিত্তি।
    একই রকম উদাহরণ: দশানন (দশ আনন যার), নীলকণ্ঠ (নীল কণ্ঠ যার)।
  10. ১০. কোনটি উপসর্গ?
    • ক. অতি
    • খ. থেকে
    • গ. চেয়ে
    • ঘ. দ্বারা
    উত্তর: ক. অতি
    যে অব্যয়সূচক শব্দাংশ ধাতু বা শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাকে উপসর্গ (Prefix) বলে। ‘অতি’ এমনই একটি তৎসম উপসর্গ, যেমন অতি + শয় = অতিশয়, অতি + রিক্ত = অতিরিক্ত। অন্যদিকে ‘থেকে’, ‘চেয়ে’ ও ‘দ্বারা’ শব্দের পরে বসে কারকের সম্পর্ক বোঝায়, তাই এগুলো অনুসর্গ।
    মনে রাখুন:
    বাংলায় তৎসম উপসর্গ ২০টি, খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
    উপসর্গের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, কিন্তু শব্দের আগে বসলে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।
  11. ১১. ‘তোমার নাম কী?’- এখানে ‘কী’ কোন প্রকারের পদ?
    • ক. প্রশ্নবাচক
    • খ. অব্যয়
    • গ. সর্বনাম
    • ঘ. বিশেষণ
    উত্তর: গ. সর্বনাম
    যে পদ নামের বদলে বসে, তাকে সর্বনাম বলে। "তোমার নাম কী?" বাক্যে "কী" দিয়ে অজানা বিষয়কে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, অর্থাৎ নামের জায়গায় অজানা কিছু বোঝাচ্ছে। তাই এটি সর্বনাম, আর সর্বনামের শ্রেণিতে এটি প্রশ্নবাচক সর্বনাম।
    মনে রাখুন: "তুমি কি যাবে?" বাক্যে "কি" শুধু প্রশ্নের ভাব আনছে, কোনো নামের বদলে বসেনি, তাই সেটি অব্যয়। সর্বনামের শ্রেণি: ব্যক্তিবাচক, নির্দেশক, অনির্দিষ্ট, প্রশ্নবাচক, সংযোগবাচক, সাপেক্ষ, অন্যাদি ও আত্মবাচক।
  12. ১২. ‘ভোরে সূর্য উদয় হয়’ উদাহরণটি কোন বর্তমান কালের?
    • ক. নিত্যবৃত্ত
    • খ. সাধারণ
    • গ. ঘটমান
    • ঘ. পুরাঘটিত
    উত্তর: ক. নিত্যবৃত্ত
    ‘ভোরে সূর্য উদয় হয়’ বাক্যে এমন একটি ঘটনার কথা বলা হয়েছে, যা প্রতিদিন নিয়ম করে ঘটে এবং চিরকাল ঘটবে। ক্রিয়ার রূপ সাধারণ বর্তমান কালের মতো হলেও, যে কাজ নিত্য বা অভ্যাসবশত ঘটে, তা বোঝাতে এই প্রয়োগকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান বলা হয়। চিরন্তন সত্য বা প্রাকৃতিক নিয়ম প্রকাশে এমন বাক্য ব্যবহার করা হয়।
    মনে রাখুন: অতীতে নিয়মিত ঘটত এমন কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় নিত্যবৃত্ত অতীত।
    উদাহরণ: ছোটবেলায় আমরা রোজ নদীতে সাঁতার কাটতাম।
  13. ১৩. ‘ইঁদুর কপালে’ বলতে কি বোঝায়?
    • ক. নিতান্তই মন্দভাগ্য
    • খ. বোকামীর দণ্ড
    • গ. ভাগ্য সুপ্রসন্ন নয়
    • ঘ. সৌভাগ্যের অধিকারী
    উত্তর: ক. নিতান্তই মন্দভাগ্য
    ‘ইঁদুর কপালে’ বাগধারাটি দিয়ে এমন মানুষকে বোঝায়, যার ভাগ্য একেবারেই খারাপ। ইঁদুরের কপাল খুব ছোট, তাই ছোট কপাল মানে মন্দ ভাগ্য, এই ধারণা থেকে বাগধারাটির অর্থ দাঁড়িয়েছে নিতান্তই মন্দভাগ্য।
    মনে রাখুন:
    একই অর্থে ‘পোড়া কপাল’ বা ‘কপাল পোড়া’ ব্যবহার হয়।
    সৌভাগ্য বোঝাতে বলা হয় ‘কপাল খোলা’।
  14. ১৪. বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবির আবির্ভাব ঘটে কোন যুগে?
    • ক. প্রাচীন যুগের শুরুতে
    • খ. প্রাচীন যুগের শেষ দিকে
    • গ. মধ্যযুগে
    • ঘ. আধুনিক যুগে
    উত্তর: গ. মধ্যযুগে
    বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের (৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ) একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ, যার কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক। মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর মধ্যযুগে (১২০১-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ) প্রথম মুসলিম কবিদের আবির্ভাব ঘটে। এ যুগে তাঁরা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, মর্সিয়া ও অনুবাদ সাহিত্যে বড় অবদান রাখেন।
    মনে রাখুন:
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর, তাঁর কাব্য ‘ইউসুফ-জোলেখা’।
    মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলিম কবি আলাওল।
  15. ১৫. কোন দুজন আরাকান রাজসভার কবি?
    • ক. আলাওল ও দৌলত কাজী
    • খ. সৈয়দ সুলতান ও মুহাম্মদ কবির
    • গ. কাশীরাম দাস ও আলাওল
    • ঘ. আলাওল ও সৈয়দ সুলতান
    উত্তর: ক. আলাওল ও দৌলত কাজী
    সপ্তদশ শতকে আরাকানের রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের চর্চা হয়েছিল, আর এই রাজসভার প্রধান দুই কবি ছিলেন দৌলত কাজী ও আলাওল। দৌলত কাজী ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্য শুরু করেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। পরে আলাওল কাব্যটির শেষ অংশ লিখে সম্পূর্ণ করেন। সৈয়দ সুলতান ও মুহাম্মদ কবির আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন না।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
    আরাকান রাজসভার অন্য কবিদের মধ্যে আছেন কোরেশী মাগন ঠাকুর ও মরদন।
  16. ১৬. ‘সবার উপর মানুষ সত্য তার উপর নাই’ কে লিখেছেন?
    • ক. বিদ্যাপতি
    • খ. চণ্ডীদাস
    • গ. জ্ঞানদাস
    • ঘ. বিবেকানন্দ
    উত্তর: খ. চণ্ডীদাস
    ‘শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ পঙ্‌ক্তিটি মধ্যযুগের বৈষ্ণব কবি চণ্ডীদাসের রচনা বলে প্রচলিত। মানুষের মর্যাদাকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার এই মানবতাবাদী বাণী বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিগুলোর একটি।
    মনে রাখুন:
    চণ্ডীদাস রাধা-কৃষ্ণের প্রেমবিষয়ক পদের জন্য বিখ্যাত, তাঁকে ‘দুঃখের কবি’ বলা হয়।
    বিদ্যাপতি মিথিলার কবি, তিনি ব্রজবুলি ভাষায় পদ লিখেছেন।
  17. ১৭. ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ কী ধরনের রচনা?
    • ক. কাব্য
    • খ. প্রবন্ধ
    • গ. উপন্যাস
    • ঘ. গানের সংকলন
    উত্তর: ঘ. গানের সংকলন
    ময়মনসিংহ অঞ্চলে লোকমুখে প্রচলিত পালাগান বা গীতিকাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। পরে দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এগুলো ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ নামে প্রকাশিত হয়। এগুলো সুরে গাওয়া কাহিনিমূলক লোকগান, তাই ময়মনসিংহ গীতিকা মূলত গানের বা গীতিকার সংকলন।
    মনে রাখুন:
    এতে মোট ১০টি পালা আছে, যেমন মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কাজলরেখা, দেওয়ানা মদিনা।
    বিশ্বের ২৩টি ভাষায় এটি অনূদিত হয়েছে বলে জানা যায়।
  18. ১৮. ‘বাঁধনহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
    • ক. উপন্যাস
    • খ. নাটক
    • গ. কবিতা
    • ঘ. ভ্রমণকাহিনি
    উত্তর: ক. উপন্যাস
    ‘বাঁধন হারা’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এটি চিঠির আকারে লেখা, তাই একে পত্রোপন্যাসও বলা হয়। এটি ভ্রমণকাহিনি, নাটক বা কবিতা নয়।
    মনে রাখুন: নজরুলের অন্য দুটি উপন্যাস ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’।
  19. ১৯. ‘পাকড়াও’ শব্দের সঠিক প্রত্যয় কোনটি?
    • ক. পাক্+ড়াও
    • খ. পা+কড়াও
    • গ. পাকড়্+আও
    • ঘ. পাকড়া+ও
    উত্তর: গ. পাকড়্+আও
    শব্দ বা ধাতুর শেষে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাকে প্রত্যয় বলে। ‘পাকড়াও’ শব্দটি এসেছে ‘পাকড়্’ ধাতুর সঙ্গে ‘আও’ প্রত্যয় যোগে, তাই পাকড়্ + আও = পাকড়াও, যার অর্থ ধরে ফেলা। ‘আও’ একটি বাংলা কৃৎপ্রত্যয়।
    মনে রাখুন: একই প্রত্যয়ের আরও উদাহরণ: ঘির্ + আও = ঘেরাও, চড়্ + আও = চড়াও।

ইংরেজি

  1. ২০. The man was arrested ___ the murder of his friend.
    • ক. with regards to
    • খ. in connection with
    • গ. with reference to
    • ঘ. in compliance with
    উত্তর: খ. in connection with
    In connection with মানে ‘কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে’। পুলিশ কাউকে কোনো অপরাধের সূত্রে গ্রেপ্তার করলে ইংরেজিতে বলা হয় arrested in connection with the crime। তাই বাক্যটি হবে: The man was arrested in connection with the murder of his friend.
    বাকিগুলো অন্য অর্থে বসে: with reference to মানে ‘উল্লেখ করে’, যা সাধারণত চিঠিপত্রে ব্যবহৃত হয়, আর in compliance with মানে ‘মেনে চলে’।
    মনে রাখুন: ‘with regards to’ ভুল রূপ, শুদ্ধ রূপ with regard to।
  2. ২১. The synonym of ‘intimidate’ is-
    • ক. weaken
    • খ. depress
    • গ. encourage
    • ঘ. frighten
    উত্তর: ঘ. frighten
    Intimidate মানে ভয় দেখানো বা হুমকি দিয়ে কাউকে দমিয়ে রাখা, তাই এর সমার্থক শব্দ frighten। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: weaken মানে দুর্বল করা, depress মানে মন খারাপ করে দেওয়া আর encourage মানে উৎসাহ দেওয়া, যা প্রায় বিপরীত অর্থ।
    মনে রাখুন: Intimidate-এর অন্য সমার্থক শব্দ threaten, scare, bully। এর বিশেষ্য রূপ intimidation।
  3. ২২. ‘A cock and bull story’ means-
    • ক. a tragedy
    • খ. a false story
    • গ. an animal story
    • ঘ. a story about a cock and a bull
    উত্তর: খ. a false story
    ‘A cock and bull story’ হলো মনগড়া, অবিশ্বাস্য বা আষাঢ়ে গল্প, অর্থাৎ a false story। কেউ এমন গল্প বললে বোঝা যায় যে তা সত্য নয়, কেবল বানানো কথা। শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ (মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প) এখানে খাটে না।
    মনে রাখুন: এ ধরনের আরও ইডিয়ম: a white elephant (অকেজো ও ব্যয়বহুল বস্তু), a blue moon (খুবই বিরল ঘটনা)।
  4. ২৩. Which sentence is correct?
    • ক. One of my friends is sick
    • খ. One of my friend is sick
    • গ. One of my friends are sick
    • ঘ. One of my friend been sick
    উত্তর: ক. One of my friends is sick
    One of এর পরে সবসময় plural noun বসে, কারণ অনেকের মধ্যে একজনের কথা বলা হচ্ছে, তাই friends। কিন্তু বাক্যের subject আসলে ‘one’, তাই verb হবে singular, অর্থাৎ is। এ কারণে শুদ্ধ বাক্য: One of my friends is sick.
    মনে রাখুন: One of + plural noun + singular verb, এই কাঠামোটি পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
    উদাহরণ: One of the boys was absent.
  5. ২৪. Choose the correct sentence.
    • ক. How old are you?
    • খ. How you are old?
    • গ. How old you are?
    • ঘ. How are you old?
    উত্তর: ক. How old are you?
    ইংরেজিতে প্রশ্নবোধক বাক্যে wh-word (এখানে how old) প্রথমে বসে, তারপর auxiliary verb, তারপর subject। তাই সঠিক গঠন: How old + are + you? অর্থাৎ How old are you?
    How old you are কাঠামোটি প্রশ্ন হিসেবে ভুল, তবে এটি পরোক্ষ উক্তিতে বা বাক্যের ভেতরে বসতে পারে।
    উদাহরণ: Tell me how old you are.
  6. ২৫. The antonym of ‘Scarcity’ is-
    • ক. Abundance
    • খ. Dense
    • গ. Veracity
    • ঘ. Avoidance
    উত্তর: ক. Abundance
    Scarcity মানে অভাব বা স্বল্পতা, যখন কোনো জিনিস প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকে। এর বিপরীত শব্দ Abundance, যার অর্থ প্রাচুর্য বা প্রচুর পরিমাণ। Dense মানে ঘন, Veracity মানে সত্যতা আর Avoidance মানে এড়িয়ে চলা, এগুলো Scarcity-এর বিপরীত নয়।
    মনে রাখুন: Scarcity-এর সমার্থক শব্দ shortage, dearth, paucity, আর Abundance-এর সমার্থক plenty।
  7. ২৬. Identify the correct spelling-
    • ক. consensus
    • খ. concensus
    • গ. conscensus
    • ঘ. consencious
    উত্তর: ক. consensus
    শুদ্ধ বানান consensus, যার অর্থ সবার মতৈক্য বা ঐকমত্য। শব্দটি ল্যাটিন consentire থেকে এসেছে, তাই এর বানানে ‘c’ নয়, দুই জায়গাতেই ‘s’ বসে: con-sen-sus। অনেকে census (আদমশুমারি) শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে concensus লেখেন, যা ভুল।
    মনে রাখুন: General consensus কথাটিকে অনেকে বাহুল্য মনে করেন, শুধু consensus লেখাই ভালো।
  8. ২৭. You must be very careful if you ___ a bicycle in a city.
    • ক. drive
    • খ. ride
    • গ. take
    • ঘ. go
    উত্তর: খ. ride
    যে যানবাহনের ওপর বসে বা চড়ে চালাতে হয়, যেমন bicycle, motorcycle বা horse, সেগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ride ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। আর car, bus বা truck-এর মতো যে যানবাহন ভেতরে বসে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে drive বসে। তাই সঠিক বাক্য: You must be very careful if you ride a bicycle in a city.
    মনে রাখুন: ride a bicycle, ride a horse, কিন্তু drive a car, fly a plane, sail a boat।
  9. ২৮. The plural of ‘analysis’ is-
    • ক. analyses
    • খ. analysies
    • গ. analysess
    • ঘ. analysis
    উত্তর: ক. analyses
    Analysis শব্দের বহুবচন Analyses। -is দিয়ে শেষ হওয়া কিছু গ্রিক শব্দের বহুবচনে -is বদলে -es হয়, আর এই es-এর উচ্চারণ ‘ঈজ’-এর মতো। তাই analysies বা analysess নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই। আবার analysis রূপটি একবচন, তাই বহুবচনে সেটি একই থাকে না।
    মনে রাখুন:
    Crisis → Crises, Basis → Bases, Thesis → Theses।
    Oasis → Oases, Hypothesis → Hypotheses, Axis → Axes।
    কিছু শব্দ আবার ব্যতিক্রম, যেমন Metropolis-এর বহুবচন Metropolises।
  10. ২৯. What type of writing is ‘The Luncheon’?
    • ক. Novel
    • খ. Poem
    • গ. Satire
    • ঘ. Essay
    উত্তর: গ. Satire
    ‘The Luncheon’ ইংরেজ লেখক W. Somerset Maugham-এর লেখা একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। গল্পে এক তরুণ লেখক এক ভোজনরসিক নারীকে দুপুরের খাবারে আমন্ত্রণ জানিয়ে বিপদে পড়েন, আর সেই নারী ‘আমি কেবল একটা জিনিসই খাই’ বলে একের পর এক দামি খাবার খেয়ে যান। মানুষের ভণ্ডামি ও লোভকে হাস্যরসের মাধ্যমে বিদ্রূপ করা হয়েছে বলে রচনাটিকে Satire বা ব্যঙ্গরচনা হিসেবে পড়া হয়।
    মনে রাখুন: Maugham-এর বিখ্যাত উপন্যাস Of Human Bondage এবং The Moon and Sixpence।
  11. ৩০. The place is ___ away than we expected it to be.
    • ক. many more
    • খ. a lot
    • গ. a little
    • ঘ. far more
    উত্তর: ঘ. far more
    বাক্যে than আছে, তাই এখানে তুলনামূলক (comparative) রূপ দরকার: away than মানে আগের চেয়ে দূরে। Far এর comparative রূপ farther বা further, আর এর আগে far more বসিয়ে তুলনার মাত্রা জোরালো করা যায়। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে কেবল far more দিয়েই তুলনার অর্থ তৈরি হয়: The place is far more away than we expected. Many more বসে গণনাযোগ্য বহুবচন বিশেষ্যের আগে, তাই এখানে চলে না।
    মনে রাখুন: প্রমিত ইংরেজিতে বাক্যটি এভাবে লেখাই স্বাভাবিক: The place is much farther away than we expected.
  12. ৩১. Reptile is to Lizard as Flower is to-
    • ক. Petal
    • খ. Stem
    • গ. Alligator
    • ঘ. Daisy
    উত্তর: ঘ. Daisy
    Reptile মানে সরীসৃপ, একটি বড় শ্রেণি। Lizard (টিকটিকি বা গিরগিটি) সেই শ্রেণির একটি সদস্য। অর্থাৎ এখানে সম্পর্কটি শ্রেণি ও সদস্যের। একইভাবে Flower একটি বড় শ্রেণি, আর Daisy (এক ধরনের ফুল) তার একটি সদস্য। তাই Daisy সঠিক।
    অন্য অপশনগুলো সম্পর্ক মেলায় না। Petal (পাপড়ি) ও Stem (বৃন্ত) ফুলের অংশ, শ্রেণির সদস্য নয়। Alligator একটি সরীসৃপ, ফুল নয়।
    মনে রাখুন:
    Analogy-তে প্রধান সম্পর্কগুলো হলো শ্রেণি-সদস্য, অংশ-পূর্ণ, কর্তা-কাজ, কারণ-ফল এবং বিপরীত।
    Reptile-এর উদাহরণ: Snake, Crocodile, Turtle, Lizard।
  13. ৩২. ‘If winter comes, can spring be far behind?’ - Who wrote this?
    • ক. William Blake
    • খ. S.T. Coleridge
    • গ. Lord Byron
    • ঘ. P.B. Shelley
    উত্তর: ঘ. P.B. Shelley
    ‘If Winter comes, can Spring be far behind?’ পঙ্ক্তিটি শেলির (P. B. Shelley) ‘Ode to the West Wind’ কবিতার শেষ লাইন। কবিতায় কবি পশ্চিমা বাতাসকে আহ্বান করে নিজের চিন্তাকে ছড়িয়ে দিতে বলেন। শেষে এই লাইনে তিনি আশা জাগান যে শীতের কঠিন সময়ের পরে বসন্তের নতুন জীবন আসবেই। কবিতাটি পাঁচটি অংশে বিভক্ত, আর প্রতিটি অংশের ছন্দরীতি terza rima।
    মনে রাখুন:
    শেলির জন্ম ১৭৯২ সালে এবং মৃত্যু ১৮২২ সালে ইতালিতে।
    শেলি ‘Adonais’ কবিতাটি লিখেছেন কবি জন কিটসের মৃত্যুতে।
  14. ৩৩. Copy word ___ word.
    • ক. to
    • খ. for
    • গ. by
    • ঘ. of
    উত্তর: খ. for
    Word for word মানে হুবহু, প্রতিটি শব্দ ঠিক যেমন আছে তেমন। কোনো কিছু হুবহু নকল করা বা অনুবাদ করা বোঝাতে ইংরেজিতে বলা হয় copy word for word বা translate word for word। তাই এখানে for বসবে।
    মনে রাখুন: word by word ও প্রচলিত, তবে এর অর্থ ‘এক এক শব্দ ধরে ধীরে ধীরে’, আর হুবহু নকল বোঝাতে word for word-ই প্রতিষ্ঠিত কথা।
    উদাহরণ: He repeated the speech word for word.
  15. ৩৪. The streets would be wet, if it ___?
    • ক. rains
    • খ. rained
    • গ. has rained
    • ঘ. had rained
    উত্তর: খ. rained
    বাক্যের প্রধান অংশে would be আছে, যা দ্বিতীয় ধরনের conditional (Second Conditional) নির্দেশ করে। এই কাঠামোতে if-clause-এ past indefinite বসে: If + subject + past form, subject + would + verb। তাই সঠিক রূপ: The streets would be wet if it rained.
    মনে রাখুন:
    First Conditional: If it rains, the streets will be wet.
    Third Conditional: If it had rained, the streets would have been wet.
  16. ৩৫. The verb of the word ‘soft’ is?
    • ক. softly
    • খ. softer
    • গ. soften
    • ঘ. softest
    উত্তর: গ. soften
    Soft একটি adjective, যার অর্থ নরম। এর শেষে -en যোগ করলে verb soften হয়, যার অর্থ নরম করা। Softly হলো adverb, আর softer ও softest হলো adjective-এর comparative ও superlative রূপ।
    মনে রাখুন: অনেক adjective-এর শেষে -en যোগ করে verb তৈরি হয়।
    উদাহরণ: short → shorten, wide → widen, deep → deepen, sharp → sharpen।
  17. ৩৬. ‘En-route’ means?
    • ক. on the way
    • খ. late
    • গ. punctual
    • ঘ. journey
    উত্তর: ক. on the way
    En route কথাটি ফরাসি থেকে ইংরেজিতে এসেছে, এর অর্থ on the way, অর্থাৎ পথে বা যাওয়ার পথে। কোথাও যাওয়ার মাঝপথে কিছু ঘটলে এটি ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণ: We stopped at Cumilla en route to Chattogram.
    মনে রাখুন: ইংরেজিতে প্রচলিত আরও কিছু ফরাসি শব্দ: bon voyage (শুভ যাত্রা), rendezvous (সাক্ষাতের স্থান), coup d’état (সামরিক অভ্যুত্থান)।
  18. ৩৭. ‘Paradise Lost’ is-?
    • ক. a satire
    • খ. a tragedy
    • গ. a ballad
    • ঘ. an epic
    উত্তর: ঘ. an epic
    ‘Paradise Lost’ (১৬৬৭) ইংরেজ কবি জন মিল্টনের লেখা একটি মহাকাব্য (Epic)। এটি blank verse-এ লেখা, মোট ১২টি খণ্ডে, আর কাহিনির বিষয় শয়তানের বিদ্রোহ এবং আদম-হাওয়ার স্বর্গ থেকে পতন। মিল্টন কাব্যের শুরুতে বলেছেন, তিনি ‘Justify the ways of God to men’ করতে চান। এটি ballad (লোকগাথা) নয়, satire (ব্যঙ্গ) নয় বা tragedy (নাটক)ও নয়।
    মনে রাখুন:
    মিল্টনের আরও রচনা: ‘Paradise Regained’, ‘Samson Agonistes’, ‘Lycidas’।
    মিল্টন শেষজীবনে অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।
    ‘Paradise Lost’ শুরু হয় ‘Of Man's first disobedience’ পঙ্ক্তি দিয়ে।
    মহাকাব্যের আরেক উদাহরণ: হোমারের Iliad ও Odyssey।
  19. ৩৮. The man (loose) his tie?
    • ক. lose
    • খ. loosing
    • গ. lost
    • ঘ. loosed
    উত্তর: ঘ. loosed
    বন্ধনীর ক্রিয়াটি loose, যার অর্থ ঢিলা করা বা খুলে দেওয়া। এটি নিয়মিত (regular) verb, তাই এর past form হয় -d যোগে loosed। সঠিক বাক্য: The man loosed his tie. অন্যদিকে lost হলো lose (হারানো) ক্রিয়ার past form, যা ভিন্ন শব্দ, আর loosing বানানটি ভুল।
    মনে রাখুন: loose ও lose গুলিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ভুল।
    lose → lost → lost (হারানো)।
    loose → loosed → loosed (ঢিলা করা)। আধুনিক ইংরেজিতে এ অর্থে loosen বেশি চলে।

গণিত

  1. ৩৯. √৯/৪ সংখ্যাটি-
    • ক. স্বাভাবিক সংখ্যা
    • খ. মূলদ সংখ্যা
    • গ. অমূলদ সংখ্যা
    • ঘ. জটিল সংখ্যা
    উত্তর: খ. মূলদ সংখ্যা
    √(9/4) = √9/√4 = 3/2। যে সংখ্যাকে p/q আকারে লেখা যায়, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0, তাকে মূলদ সংখ্যা (Rational Number) বলে। 3/2 এই শর্ত পূরণ করে, তাই এটি মূলদ সংখ্যা।
    3/2 = 1.5 পূর্ণসংখ্যা নয়, তাই এটি স্বাভাবিক সংখ্যা নয়। অমূলদ সংখ্যা হতো √2 বা π-এর মতো, যাদের দশমিক অংশ অসীম ও অনাবৃত্ত। প্রতিটি বাস্তব সংখ্যা জটিল সংখ্যার অন্তর্গত হলেও প্রশ্নে সবচেয়ে নির্দিষ্ট শ্রেণি মূলদ।
    মনে রাখুন:
    মূলদ = p/q; অমূলদ: √2, √3, π
  2. ৪০. টাকায় ১০টি দরে লেবু ক্রয় করে ৮টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
    • ক. ১৫%
    • খ. ২০%
    • গ. ২৫%
    • ঘ. ১০%
    উত্তর: গ. ২৫%
    দুটি দরকে একই সংখ্যক লেবুর হিসাবে আনতে ১০ ও ৮-এর ল.সা.গু. ৪০টি লেবু ধরি।
    ৪০টি লেবুর ক্রয়মূল্য = 40 ÷ 10 = 4 টাকা।
    ৪০টি লেবুর বিক্রয়মূল্য = 40 ÷ 8 = 5 টাকা।
    লাভ = 5 − 4 = 1 টাকা, শতকরা লাভ = (1/4) × 100 = 25%।
    মনে রাখুন: টাকায় a টি কিনে b টি বিক্রি করলে লাভের হার = (a − b)/b × 100। এখানে (10 − 8)/8 × 100 = 25%।
  3. ৪১. বার্ষিক ৫% সুদে ৫০০০ টাকার ৩ বছরের সুদাসল কত?
    • ক. ৫৫০০ টাকা
    • খ. ৫৬০০ টাকা
    • গ. ৬০০০ টাকা
    • ঘ. ৫৭৫০ টাকা
    উত্তর: ঘ. ৫৭৫০ টাকা
    সরল সুদের সূত্র I = Pnr/100, যেখানে আসল P, সময় n বছর এবং সুদের হার r%। এখানে সুদ = 5000 × 3 × 5/100 = 750 টাকা। সুদাসল মানে আসল ও সুদের যোগফল। তাই সুদাসল = 5000 + 750 = 5750 টাকা। প্রশ্নে শুধু ‘সুদ’ চাওয়া হলে উত্তর হতো 750 টাকা, কিন্তু এখানে সুদাসল চাওয়ায় আসলটিও যোগ করতে হয়েছে।
    শর্টকাট: সুদাসল = আসল × (1 + nr/100) = 5000 × 1.15 = 5750।
    মনে রাখুন: সরল সুদে প্রতি বছরের সুদ সমান থাকে, চক্রবৃদ্ধি সুদে তা বাড়তে থাকে।
  4. ৪২. একটি ত্রিভুজের ভূমি ৬ সে.মি. এবং এর উচ্চতা ৫ সে.মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. ১১ বর্গ সে.মি.
    • খ. ১৫ বর্গ সে.মি.
    • গ. ৩০ বর্গ সে.মি.
    • ঘ. ২৫ বর্গ সে.মি.
    উত্তর: খ. ১৫ বর্গ সে.মি.
    ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা।
    = ½ × 6 × 5
    = 15 বর্গ সে.মি.
    ত্রিভুজটি আসলে একই ভূমি ও উচ্চতার আয়তক্ষেত্রের ঠিক অর্ধেক, তাই সূত্রে ½ আসে।
    মনে রাখুন: ভূমি ও উচ্চতা সরাসরি গুণ করলে 30 আসে, যা আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল, ত্রিভুজের নয়।
  5. ৪৩. রম্বসের কর্ণ ২টি ৭ সে.মি. ও ৪ সে.মি. হলে ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. ২৮ বর্গ সে.মি.
    • খ. ১১ সেমি.
    • গ. ১৪ বর্গ সে.মি.
    • ঘ. ১৪ সে.মি.
    উত্তর: গ. ১৪ বর্গ সে.মি.
    রম্বসের (Rhombus) কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে, তাই রম্বসের ক্ষেত্রফল = ১/২ × কর্ণ দুটির গুণফল।
    ক্ষেত্রফল = (1/2) × 7 × 4 = 14 বর্গ সেমি।
    এখানে ক্ষেত্রফলের একক অবশ্যই বর্গ সেমি হবে, শুধু সেমি নয়।
    মনে রাখুন: বর্গক্ষেত্রও এক ধরনের রম্বস, তাই এর ক্ষেত্রফলও (1/2) × কর্ণ² সূত্রে বের করা যায়।
  6. ৪৪. ২/৫, ৩/৫, ৬/১৫ ভগ্নাংশগুলোর ল.সা.গু হবে:
    • ক. ৭/৫
    • খ. ৬/৫
    • গ. ১/১৫
    • ঘ. ৬/১৫
    উত্তর: খ. ৬/৫
    ভগ্নাংশের ল.সা.গু. বের করার নিয়ম হলো: লবগুলোর ল.সা.গু. ÷ হরগুলোর গ.সা.গু.।
    লব: 2, 3, 6 এর ল.সা.গু. = 6।
    হর: 5, 5, 15 এর গ.সা.গু. = 5।
    তাই ল.সা.গু. = 6/5।
    মনে রাখুন: ভগ্নাংশের গ.সা.গু. হলো লবগুলোর গ.সা.গু. ÷ হরগুলোর ল.সা.গু.। নিয়ম দুটি উল্টো, তাই একসঙ্গে মনে রাখলে ভুল কম হয়।
  7. ৪৫. যদি logx324 = 4 হয় তবে x এর মান হবে:
    • ক. 4
    • খ. 2√3
    • গ. 3√3
    • ঘ. 3√2
    উত্তর: ঘ. 3√2
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুসারে log_x 324 = 4 মানে x⁴ = 324।

    x⁴ = 324।
    (x²)² = 324।
    x² = √324 = 18 (ধনাত্মক মান নিয়ে)।
    x = √18 = √(9 × 2) = 3√2।

    যাচাই: (3√2)² = 9 × 2 = 18, আর 18² = 324। সঠিক।

    মনে রাখুন:
    লগারিদমের ভিত্তি ধনাত্মক ও 1 নয়।
    log_a b = c হলে aᶜ = b।
  8. ৪৬. যদি a/b = b/c = 2/3 হয়, তবে a:c এর মান কত হবে?
    • ক. 2:3
    • খ. 3:4
    • গ. 4:9
    • ঘ. 9:4
    উত্তর: গ. 4:9
    a/b = b/c = 2/3 দেওয়া আছে, অর্থাৎ ক্রমানুসারে অনুপাত সমান।

    a/c বের করতে a/b কে b/c দিয়ে গুণ করি।
    a/c = (a/b) × (b/c) = (2/3) × (2/3) = 4/9।
    তাই a : c = 4 : 9।

    যাচাই: b = 3 ধরলে a = 2, c = 9/2 হয়; a/c = 2 ÷ 9/2 = 4/9।

    মনে রাখুন:
    a/b = b/c হলে b² = ac, অর্থাৎ b হলো a ও c-এর মধ্য সমানুপাতিক।
  9. ৪৭. একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ৪ মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল হবে-
    • ক. 8√3
    • খ. 8√5
    • গ. 16√3
    • ঘ. 16√5
    উত্তর: গ. 16√3
    সমবাহু ত্রিভুজের তিন বাহুই সমান। বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ক্ষেত্রফল = (√3/4) × a²।

    এখানে a = 8 মিটার।
    ক্ষেত্রফল = (√3/4) × 8²।
    = (√3/4) × 64।
    = 16√3 বর্গমিটার।

    যাচাই: উচ্চতা = (√3/2) × 8 = 4√3। ক্ষেত্রফল = (1/2) × 8 × 4√3 = 16√3।

    মনে রাখুন:
    সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = (√3/2) × a।
    পরিসীমা = 3a।
  10. ৪৮. কোন একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাণ ২৮° ও ৬২°। ত্রিভুজটি কোন ধরনের?
    • ক. সমকোণী
    • খ. সূক্ষ্মকোণী
    • গ. স্থূলকোণী
    • ঘ. সমদ্বিবাহু সমকোণী
    উত্তর: ক. সমকোণী
    যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল 180°। তৃতীয় কোণ = 180° - (28° + 62°) = 180° - 90° = 90°। একটি কোণ সমকোণ হলে ত্রিভুজটি সমকোণী। সমদ্বিবাহু হতে হলে অন্তত দুটি কোণ সমান হতে হয়, কিন্তু এখানে তিন কোণ 28°, 62° ও 90°, কোনো দুটি সমান নয়, তাই এটি সমদ্বিবাহু নয়।
    মনে রাখুন: ত্রিভুজের দুটি কোণের যোগফল 90° হলে তৃতীয় কোণ সমকোণ হয়।
  11. ৪৯. চিনির মূল্য ১০% কমে যাওয়ায় চিনির ব্যবহার শতকরা কত ভাগ বাড়ালে চিনি বাবদ খরচ একই থাকবে?
    • ক. ৮%
    • খ. ৮(১/৩)%
    • গ. ১০%
    • ঘ. ১১(১/৯)%
    উত্তর: ঘ. ১১(১/৯)%
    আগের দাম 100 টাকা ধরলে নতুন দাম 90 টাকা। খরচ একই রাখতে ব্যবহারের পরিমাণ হতে হবে 100/90 গুণ। তাই বৃদ্ধি = (100 − 90)/90 × 100 = 100/9 = 11(1/9)%।

    মনে রাখুন:
    দাম x% কমলে একই খরচে ব্যবহার বৃদ্ধি = x/(100 − x) × 100 %।
  12. ৫০. দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৭:৫ এবং তাদের ল.সা.গু ১৪০ হলে সংখ্যা দুইটির গ.সা.গু কত?
    • ক. ৪
    • খ. ১২
    • গ. ৬
    • ঘ. ৯
    উত্তর: ক. ৪
    সংখ্যা দুটির অনুপাত ৭ : ৫, তাই সংখ্যা দুটি 7k ও 5k। ৭ ও ৫ সহমৌলিক, অর্থাৎ এদের গসাগু ১, তাই
    ল.সা.গু = 7 × 5 × k = 35k
    35k = 140, অতএব k = 4।
    সংখ্যা দুটি 28 ও 20 এবং এদের গ.সা.গু k = ৪।
    মনে রাখুন: অনুপাতে দেওয়া সংখ্যা দুটির গ.সা.গু সবসময় ওই সাধারণ গুণনীয়ক k-এর সমান।
  13. ৫১. ১৭ সে.মি., ১৫ সে.মি., ৮ সে.মি. বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজটি হবে-
    • ক. সমবাহু
    • খ. সমদ্বিবাহু
    • গ. সমকোণী
    • ঘ. স্থূলকোণী
    উত্তর: গ. সমকোণী
    ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া থাকলে পিথাগোরাসের উপপাদ্য দিয়ে এর ধরন বোঝা যায়। বড় বাহুর বর্গ অন্য দুই বাহুর বর্গের যোগফলের সমান হলে ত্রিভুজ সমকোণী হয়।
    এখানে 8² + 15² = 64 + 225 = 289 = 17²। তাই ত্রিভুজটি সমকোণী, আর ১৭ সেমি বাহুটি এর অতিভুজ।
    মনে রাখুন: যোগফল বড় বাহুর বর্গের চেয়ে কম হলে ত্রিভুজ স্থূলকোণী, আর বেশি হলে সূক্ষ্মকোণী।
  14. ৫২. ০, ১, ২ এবং ৩ দ্বারা গঠিত চার অংকের বৃহত্তম এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল-
    • ক. ৩১৪৭
    • খ. ২২৮৭
    • গ. ২৯৮৭
    • ঘ. ২১৮৭
    উত্তর: ঘ. ২১৮৭
    ০, ১, ২ ও ৩ দিয়ে চার অঙ্কের সংখ্যা তৈরি করতে হবে। বৃহত্তম সংখ্যা পেতে বড় অঙ্কগুলো আগে বসাই, তাই বৃহত্তম সংখ্যা 3210। ক্ষুদ্রতম সংখ্যার প্রথম ঘরে ০ বসানো যায় না, কারণ তাতে চার অঙ্কের সংখ্যা হয় না। তাই প্রথমে ১ বসিয়ে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা 1023। বিয়োগফল:
    3210 - 1023 = 2187।
  15. ৫৩. বৃত্তের কেন্দ্র ছেদকারী জ্যা-কে কী বলা হয়?
    • ক. ব্যাস
    • খ. ব্যাসার্ধ
    • গ. বৃত্তচাপ
    • ঘ. পরিধি
    উত্তর: ক. ব্যাস
    যে জ্যা (Chord) বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে যায়, তাকে ব্যাস (Diameter) বলে। ব্যাস বৃত্তের সবচেয়ে বড় জ্যা এবং এর দৈর্ঘ্য ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ। ব্যাসার্ধ হলো কেন্দ্র থেকে বৃত্তের ওপরের কোনো বিন্দুর দূরত্ব, বৃত্তচাপ বৃত্তের একটি অংশ, আর পরিধি বৃত্তের সম্পূর্ণ সীমারেখার দৈর্ঘ্য।
    মনে রাখুন: ব্যাস = 2r, পরিধি = 2πr, ক্ষেত্রফল = πr²।
  16. ৫৪. ১৩(৩/৪)% এর সমান-
    • ক. ১১/৮০
    • খ. ১১/২০
    • গ. ১/৯
    • ঘ. ১/৮
    উত্তর: ক. ১১/৮০
    শতকরা মানে ১০০ ভাগের কত ভাগ। 13(3/4)% = (13 × 4 + 3)/4 % = 55/4 %। শতকরাকে ভগ্নাংশ করতে ১০০ দিয়ে ভাগ করতে হয়, তাই 55/4 ÷ 100 = 55/400। লব ও হরকে ৫ দিয়ে ভাগ করলে 11/80।
    যাচাই: 11 ÷ 80 = 0.1375, আর 13.75% = 0.1375।
  17. ৫৫. ৬০ জন ছাত্রের মধ্যে ৪২ জন ফেল করলে পাসের হার কত?
    • ক. ২৫%
    • খ. ২৮%
    • গ. ৩০%
    • ঘ. ৩২%
    উত্তর: গ. ৩০%
    ৬০ জনের মধ্যে ৪২ জন ফেল করলে পাস করেছে 60 − 42 = 18 জন। পাশের হার বের করতে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যাকে মোট শিক্ষার্থী দিয়ে ভাগ করে 100 দিয়ে গুণ করি। অর্থাৎ পাশের হার = 18/60 × 100 = 30%। যাচাই করা যায় এভাবে: ফেলের হার 42/60 × 100 = 70%, আর 70% + 30% = 100%, তাই হিসাব ঠিক আছে।
    মনে রাখুন:
    পাশের হার + ফেলের হার = 100%।
    শতকরা হার = (অংশ ÷ সম্পূর্ণ) × 100।
    শর্টকাট: 18/60 ভগ্নাংশকে সহজ করলে 3/10 হয়, আর 3/10 = 30%।
  18. ৫৬. ১/২ এর শতকরা কত ৩/৪ হবে?
    • ক. ১২০%
    • খ. ১২৫%
    • গ. ১৪০%
    • ঘ. ১৫০%
    উত্তর: ঘ. ১৫০%
    ধরি, 1/2-এর x% হলো 3/4। তাহলে (1/2) × (x/100) = 3/4, অর্থাৎ x/200 = 3/4। এখান থেকে x = (3 × 200)/4 = 150।
    যাচাই: 1/2-এর 150% = 1/2 × 3/2 = 3/4, মিলে যাচ্ছে। ১২৫% বা ১২০% নিলে মান 5/8 বা 3/5 হয়, যা 3/4 নয়।
    মনে রাখুন:
    কোনো সংখ্যা a-এর কত শতাংশ b জানতে হলে (b ÷ a) × 100 করলেই হয়। এখানে (3/4 ÷ 1/2) × 100 = 150।
    শতকরা মানে প্রতি একশতে।
  19. ৫৭. ১ হতে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?
    • ক. ১১টি
    • খ. ৮টি
    • গ. ১০টি
    • ঘ. ৯টি
    উত্তর: গ. ১০টি
    যে সংখ্যার শুধু দুটি গুণনীয়ক আছে, ১ ও নিজে, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে। ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23 ও 29। এদের গুনে পাই ১০টি। ১ মৌলিক সংখ্যা নয়, কারণ এর গুণনীয়ক মাত্র একটি। ৯, ১৫, ২১ ও ২৫ প্রভৃতি সংখ্যার তিন বা ততোধিক গুণনীয়ক আছে, তাই এরা মৌলিক নয়।
    মনে রাখুন: ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা এবং ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মোট ২৫টি মৌলিক সংখ্যা আছে।
    যে সংখ্যার দুইয়ের বেশি গুণনীয়ক থাকে তাকে যৌগিক সংখ্যা বলে।

বাংলাদেশ

  1. ৫৮. বাংলাদেশ কোন সালে আইসিসি ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়?
    • ক. ১৯৯৭
    • খ. ১৯৯৮
    • গ. ১৯৯৫
    • ঘ. ১৯৯৬
    উত্তর: ক. ১৯৯৭
    ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ কেনিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। দলটির অধিনায়ক ছিলেন আকরাম খান।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়ে বড় চমক দেখায়।
    বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায় এবং দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হয়।
  2. ৫৯. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং মাঝের লালবৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত যথাক্রমে-
    • ক. ৫:৩:১
    • খ. ৩:১:০.৫
    • গ. ৪:২:১
    • ঘ. ১০:১২:১
    উত্তর: ক. ৫:৩:১
    সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬। পতাকার মাঝের লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ দৈর্ঘ্যের ৫ ভাগের ১ ভাগ, অর্থাৎ ১০ ফুট লম্বা পতাকায় ব্যাসার্ধ ২ ফুট। তাই দৈর্ঘ্য : প্রস্থ : ব্যাসার্ধ = ১০ : ৬ : ২ = ৫ : ৩ : ১।
    মনে রাখুন:
    লাল বৃত্তটি ঠিক মাঝখানে নয়, পতাকার দণ্ডের দিকে একটু সরানো থাকে।
    জাতীয় পতাকার নকশাকার শিল্পী কামরুল হাসান।
  3. ৬০. বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা কে?
    • ক. বাংলা একাডেমি
    • খ. দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লি.
    • গ. মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
    • ঘ. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
    উত্তর: ঘ. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
    বাংলাপিডিয়া (Banglapedia) বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি এর প্রকাশের উদ্যোগ নেয়, আর অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামের প্রধান সম্পাদনায় ২০০৩ সালে এটি বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় ১০ খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে।
    বাংলাপিডিয়ার দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে, আর এখন এর অনলাইন সংস্করণও আছে।
  4. ৬১. কোনটি বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম নয়?
    • ক. পুণ্ড্র
    • খ. গৌড়
    • গ. রাঢ়
    • ঘ. মৌর্য
    উত্তর: ঘ. মৌর্য
    প্রাচীন বাংলা অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল, এগুলোকে জনপদ বলা হয়। পুণ্ড্র, গৌড়, রাঢ়, বঙ্গ, সমতট, হরিকেল প্রভৃতি ছিল এমন জনপদ। অন্যদিকে মৌর্য কোনো জনপদ নয়, এটি একটি রাজবংশ। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকে এই বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
    মনে রাখুন:
    প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে পুরোনো জনপদ পুণ্ড্র, এর রাজধানী পুণ্ড্রনগর (বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়)।
    মৌর্য সম্রাট অশোক বৌদ্ধধর্মের বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
  5. ৬৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৯২১
    • খ. ১৯২৫
    • গ. ১৯২৯
    • ঘ. ১৯৩৩
    উত্তর: ক. ১৯২১
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করা হলে ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী হয়েছিল, কিন্তু ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ঢাকা সেই মর্যাদা হারায়। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি জে হার্টগ।
    এটি ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ নামে পরিচিত ছিল।
  6. ৬৫. বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
    • ক. ১৯৭৪
    • খ. ১৯৭৫
    • গ. ১৯৭৬
    • ঘ. ১৯৭৭
    উত্তর: ক. ১৯৭৪
    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। এর কয়েক দিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন।
    মনে রাখুন:
    এর আগে চীনের ভেটোর কারণে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সদস্যপদ আটকে গিয়েছিল।
    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালেই ওআইসির সদস্য হয়।
  7. ৭০. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কী?
    • ক. মহেশখালী
    • খ. হাতিয়া
    • গ. সেন্টমার্টিন
    • ঘ. সন্দ্বীপ
    উত্তর: গ. সেন্টমার্টিন
    সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে, বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে নাফ নদীর মোহনার কাছে দ্বীপটি অবস্থিত। এর আয়তন খুবই ছোট, প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপটিতে প্রচুর নারিকেল গাছ আছে বলে একে স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা বলা হয়। প্রবাল (Coral) হলো সমুদ্রের ক্ষুদ্র প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে গড়ে ওঠা শক্ত স্তর, যা উষ্ণ ও পরিষ্কার সমুদ্রের পানিতে জন্মে।
    মনে রাখুন:
    সন্দ্বীপ, মহেশখালী ও হাতিয়া নদীবাহিত পলি জমে গড়ে ওঠা দ্বীপ, প্রবাল দ্বীপ নয়।
    বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের স্থলভাগ ছেঁড়াদিয়া, যা সেন্টমার্টিনের কাছেই।
    সেন্টমার্টিনই বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ বলে এর জীববৈচিত্র্য খুব মূল্যবান।
  8. ৭২. বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয়-
    • ক. যুক্তরাজ্যে
    • খ. যুক্তরাষ্ট্রে
    • গ. ভারতে
    • ঘ. পাকিস্তানে
    উত্তর: ক. যুক্তরাজ্যে
    ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিতে নির্মিত শহীদ মিনার বাংলাদেশের বাইরে প্রথম নির্মিত হয় যুক্তরাজ্যের ওল্ডহ্যামে (Oldham), ১৯৯৭ সালে। সেখানে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিরা ভাষা শহীদদের স্মরণে এটি গড়ে তোলেন। এরপর বিশ্বের আরও বিভিন্ন স্থানে প্রবাসী বাঙালিরা শহীদ মিনার নির্মাণ করেছেন।

    মনে রাখুন:
    কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে।
    এর নকশাকার হামিদুর রহমান ও নভেরা আহমেদ।
    ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
  9. ৭৩. জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
    • ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    • খ. রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়
    • গ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
    • ঘ. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
    উত্তর: ঘ. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
    আবু সাঈদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। বুক পেতে দাঁড়ানো তাঁর ছবি ও ভিডিও সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে। এ কারণে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতীকে পরিণত হন।
    মনে রাখুন:
    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে।
    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
  10. ৭৪. বর্তমানে পৃথিবীর কোন দেশে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছে?
    • ক. সৌদি আরব
    • খ. মালয়েশিয়া
    • গ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
    • ঘ. ইতালি
    উত্তর: ক. সৌদি আরব
    বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় অংশ সৌদি আরবে কাজ করে। জনশক্তি রপ্তানির হিসাবেও দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবই বাংলাদেশের শীর্ষ গন্তব্য। তাই এ প্রশ্নের উত্তর সৌদি আরব।

    মনে রাখুন:
    প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) বড় অংশও আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে।
    প্রবাসী আয় বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত।
  11. ৭৬. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত ‘সোমপুর বিহার’ এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
    • ক. গোপাল
    • খ. ধর্মপাল
    • গ. মহীপাল
    • ঘ. বিগ্রহপাল
    উত্তর: খ. ধর্মপাল
    নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার (সোমপুর বিহার) নির্মাণ করেন পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (আনুমানিক ৭৭০-৮১০ সাল)। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহারগুলোর একটি এবং এর চতুর্ভুজাকার আয়তন প্রায় ২৭ একর। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে এটি অন্যতম।
    পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল। মহীপাল ও বিগ্রহপাল পরবর্তী শাসক।
    মনে রাখুন:
    সোমপুর বিহার: ধর্মপাল, পাহাড়পুর, নওগাঁ; ইউনেস্কো ১৯৮৫

আন্তর্জাতিক

  1. ৬২. শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহের কবর কোথায়?
    • ক. দিল্লি
    • খ. আগ্রা
    • গ. ইয়াঙ্গুন
    • ঘ. লাহোর
    উত্তর: গ. ইয়াঙ্গুন
    ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর ইংরেজরা শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে বন্দি করে তখনকার বার্মার রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠায়। সেখানেই ১৮৬২ সালে তাঁর মৃত্যু হয়, তাই তাঁর কবর রেঙ্গুনে, যার বর্তমান নাম ইয়াঙ্গুন (মিয়ানমার)।
    মনে রাখুন:
    বাহাদুর শাহ জাফর একজন উর্দু কবিও ছিলেন।
    তাঁর স্মরণে ঢাকার পুরোনো ভিক্টোরিয়া পার্কের নাম রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
  2. ৬৬. ‘শাহনামা’ কোন ভাষায় রচিত?
    • ক. আরবি
    • খ. ফারসি
    • গ. উর্দু
    • ঘ. ফরাসি
    উত্তর: খ. ফারসি
    ‘শাহনামা’ পারস্যের কবি ফেরদৌসীর লেখা মহাকাব্য, যা ফারসি ভাষায় রচিত। প্রায় ৩০ বছর ধরে লেখা এই কাব্যে প্রাচীন পারস্যের রাজা ও বীরদের কাহিনি আছে, যেমন রুস্তম ও সোহরাবের কাহিনি। গজনির সুলতান মাহমুদের পৃষ্ঠপোষকতায় কাব্যটি লেখা হয়।
    মনে রাখুন:
    ফারসি হলো ইরানের ভাষা, আর ফরাসি হলো ফ্রান্সের ভাষা। নাম দুটি গুলিয়ে ফেলা খুব সাধারণ ভুল।
    শাহনামাকে ইরানের জাতীয় মহাকাব্য বলা হয়।
  3. ৬৭. স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয় কোনটি?
    • ক. নরওয়ে
    • খ. কেনিয়া
    • গ. ডেনমার্ক
    • ঘ. ফিনল্যান্ড
    উত্তর: খ. কেনিয়া
    উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উপদ্বীপ ও এর আশপাশের দেশগুলোকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ বলা হয়। মূলত নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক এর অন্তর্ভুক্ত, আর বৃহত্তর অর্থে ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ডকেও এই দলে ধরা হয়। কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার দেশ, তাই এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
    মনে রাখুন: স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোকে একসঙ্গে নর্ডিক দেশও বলা হয়। কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি।
  4. ৬৯. রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা কে?
    • ক. ব্যাডেন পাওয়েল
    • খ. পল পি হ্যারিস
    • গ. আলফ্রেড নোবেল
    • ঘ. হেনরি ডুনান্ট
    উত্তর: ঘ. হেনরি ডুনান্ট
    সুইস ব্যবসায়ী হেনরি ডুনান্ট (Henry Dunant) ১৮৫৯ সালে ইতালির সলফেরিনো যুদ্ধে আহত সৈন্যদের দুর্দশা দেখে ব্যথিত হন। আহতদের নিরপেক্ষভাবে সেবা দেওয়ার ভাবনা থেকে তাঁর উদ্যোগে ১৮৬৩ সালে জেনেভায় রেডক্রস প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ১৯০১ সালে প্রথম শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
    মনে রাখুন:
    ব্যাডেন পাওয়েল স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, আর পল হ্যারিস রোটারি ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা।
    হেনরি ডুনান্টের জন্মদিন ৮ মে বিশ্ব রেডক্রস দিবস হিসেবে পালিত হয়।
  5. ৭১. কলম্বিয়া দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
    • ক. উত্তর আমেরিকা
    • খ. দক্ষিণ আমেরিকা
    • গ. ইউরোপ
    • ঘ. আফ্রিকা
    উত্তর: খ. দক্ষিণ আমেরিকা
    কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একটি দেশ। এটিই দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র দেশ, যার উপকূল প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবীয় সাগর দুই দিকেই আছে। দেশটির রাজধানী বোগোটা।
    মনে রাখুন:
    আমেরিকা আবিষ্কারক ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নামে দেশটির নামকরণ হয়েছে।
    কলম্বিয়া কফি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।
  6. ৭৫. কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
    • ক. লাইবেরিয়া
    • খ. নামিবিয়া
    • গ. হাইতি
    • ঘ. সিয়েরা লিওন
    উত্তর: ঘ. সিয়েরা লিওন
    ২০০২ সালে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলাকে সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। সেখানকার গৃহযুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত। সিয়েরা লিওনের মূল সরকারি ভাষা ইংরেজি।
    মনে রাখুন: লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওন দুটিই পশ্চিম আফ্রিকার দেশ, কিন্তু বাংলাকে এই মর্যাদা দিয়েছে শুধু সিয়েরা লিওন।
  7. ৭৭. World Economic Forum-এর বাৎসরিক অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
    • ক. প্যারিস
    • খ. জুরিখ
    • গ. দাভোস
    • ঘ. বার্ন
    উত্তর: গ. দাভোস
    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (World Economic Forum, WEF) বিশ্বের রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের আলোচনার একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চ। এর বার্ষিক সভা প্রতিবছর জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতের কোলের শহর দাভোসে বসে, তাই একে "দাভোস সম্মেলন"ও বলা হয়।
    মনে রাখুন: ১৯৭১ সালে ক্লাউস শোয়াব এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এর সদর দপ্তর জেনেভার কাছে কোলোনিতে।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৬৪. ইতিহাসের জনক বা পিতা কে?
    • ক. হেরোডোটাস
    • খ. এরিস্টটল
    • গ. টয়েনবি
    • ঘ. থুসিডাইজিস
    উত্তর: ক. হেরোডোটাস
    প্রাচীন গ্রিসের হেরোডোটাস (Herodotus) প্রথম অনুসন্ধান ও তথ্য যাচাই করে অতীতের ঘটনা লিখে রাখেন। তাঁর গ্রন্থ ‘The Histories’-এ পারস্য-গ্রিস যুদ্ধের বিবরণ আছে, আর ইতিহাসকে আলাদা বিষয় হিসেবে দাঁড় করানোর জন্য তাঁকে ইতিহাসের জনক বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    গ্রিক শব্দ Historia মানে অনুসন্ধান।
    এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক, আর থুসিডাইডিসকে বৈজ্ঞানিক ইতিহাসের জনক বলা হয়।
  2. ৬৮. বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর কোনটি?
    • ক. হাইল
    • খ. চলনবিল
    • গ. পাথর চাওলি
    • ঘ. হাকালুকি
    উত্তর: ঘ. হাকালুকি
    হাওর হলো বর্ষায় পানিতে ডুবে যাওয়া বিশাল নিচু জলাভূমি, যা সিলেট অঞ্চলে বেশি দেখা যায়। মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় বিস্তৃত হাকালুকি হাওর আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হাওর। চলনবিল নামটি অনেকে শোনে, কিন্তু এটি হাওর নয়, নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের একটি বিল।
    মনে রাখুন:
    হাওর অঞ্চলের আরেকটি পরিচিত হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর, সুনামগঞ্জে, যা রামসার সাইট।
    হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের একটি বড় মৎস্য ও পরিযায়ী পাখির আবাস।

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল): অন্যান্য পরীক্ষা

আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন