যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬। ৯৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (২৩)
- ইংরেজি (২২)
- বিজ্ঞান (৯)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (২)
- গণিত (১৫)
- সাধারণ জ্ঞান (৫)
- বাংলাদেশ (১১)
- আন্তর্জাতিক (৭)
- ব্যাংকিং ও অর্থনীতি (১)
বাংলা
- ১. ‘কড়চা’ শব্দের সমার্থক শব্দ-
- ক. রোজনামচা
- খ. ঝগড়া
- গ. খসড়া
- ঘ. নিয়তি
উত্তর: ক. রোজনামচা
‘কড়চা’ শব্দের মূল অর্থ হলো প্রতিদিনের ঘটনা বা হিসাব সংক্ষেপে টুকে রাখার খাতা। প্রতিদিনের ঘটনা লিখে রাখার এমন খাতাকেই আমরা রোজনামচা বা দিনলিপি (Diary) বলি, তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক। আগের দিনে জমিদারি বা ব্যবসার কাজে কড়চা রাখা হতো, আর পরে কোনো বিষয়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণ বা টীকাকেও কড়চা বলা শুরু হয়।
মনে রাখুন:
রোজনামচা শব্দটি ফারসি ‘রোজ’ (দিন) আর ‘নামা’ (লেখা) থেকে এসেছে।
দিনলিপি, দিনপঞ্জি ও ডায়েরি একই অর্থ বহন করে। - ২. বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধ ধারা-
- ক. নাটক
- খ. ছোটগল্প
- গ. প্রবন্ধ
- ঘ. গীতিকবিতা
উত্তর: ঘ. গীতিকবিতা
বাংলা সাহিত্যের শুরু চর্যাপদ থেকে, আর চর্যাপদ মূলত গান বা গীতিকবিতা। এরপর মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলি, মঙ্গলকাব্যের গান, শাক্ত পদাবলি থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের গান পর্যন্ত প্রায় হাজার বছর ধরে গীতিকবিতার ধারা কখনো থেমে থাকেনি। তাই বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীন ধারা হিসেবে গীতিকবিতা (Lyric) স্বীকৃত। অন্যদিকে নাটক, ছোটগল্প ও প্রবন্ধের বিকাশ ঘটেছে মূলত উনিশ শতকে, আধুনিক যুগে এসে।
মনে রাখুন: বাংলা গীতিকবিতার প্রথম সার্থক রূপকার ধরা হয় বিহারীলাল চক্রবর্তীকে, রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন। - ৩. ‘আ’ একটি-
- ক. যৌগিক ধ্বনি
- খ. দ্বিস্বর ধ্বনি
- গ. মৌলিক স্বরধ্বনি
- ঘ. ব্যঞ্জন ধ্বনি
উত্তর: গ. মৌলিক স্বরধ্বনি
যে স্বরধ্বনিকে আর ভাঙা যায় না, অর্থাৎ যা একটিমাত্র ধ্বনি দিয়ে তৈরি, তাকে মৌলিক স্বরধ্বনি (Primary Vowel) বলে। ‘আ’ উচ্চারণ করলে মুখে একটিই ধ্বনি তৈরি হয়, তাই এটি মৌলিক স্বরধ্বনি। অন্যদিকে দুটি স্বর একসঙ্গে দ্রুত উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনি তৈরি হয়, তাকে যৌগিক স্বর বা দ্বিস্বর বলে, যেমন ঐ (অ+ই) ও ঔ (অ+উ)।
মনে রাখুন:
বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: অ, আ, ই, উ, এ, অ্যা, ও।
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ ২টি: ঐ ও ঔ। - ৪. খাঁটি বাংলায় কোন সন্ধি নেই-
- ক. স্বরসন্ধি
- খ. ব্যঞ্জন সন্ধি
- গ. বিসর্গ সন্ধি
- ঘ. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
উত্তর: গ. বিসর্গ সন্ধি
বিসর্গ (ঃ) চিহ্নটি এসেছে সংস্কৃত থেকে, আর বিসর্গ সন্ধির নিয়মগুলোও সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের জন্যই তৈরি। খাঁটি বাংলা শব্দে বিসর্গ প্রায় নেই, তাই খাঁটি বাংলায় বিসর্গ সন্ধিও হয় না। খাঁটি বাংলা সন্ধি কেবল দুই রকম: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি।
উদাহরণ:
স্বরসন্ধি: মিশ + এছে = মিশেছে, শত + এক = শতেক।
ব্যঞ্জনসন্ধি: নাত + জামাই = নাজ্জামাই, বড় + ঠাকুর = বঠ্ঠাকুর।
মনে রাখুন: তৎসম শব্দের সন্ধি তিন প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। - ৫. সন্ধি বিচ্ছেদ করুন: দুরূহ
- ক. দুঃ+উহ
- খ. দুঃ+রুহ
- গ. দূও+উহ
- ঘ. দূর+ইহ
উত্তর: ক. দুঃ+উহ
‘দুরূহ’ শব্দটি দুঃ আর ঊহ মিলে তৈরি হয়েছে। এখানে বিসর্গের পরে স্বরধ্বনি এসেছে, আর দুঃ, নিঃ, আবিঃ, চতুঃ, প্রাদুঃ এই ধরনের উপসর্গের বিসর্গ স্বর বা নরম ব্যঞ্জনের আগে ‘র’ হয়ে যায়। ফলে দুঃ + ঊহ = দুর্ + ঊহ = দুরূহ, যার অর্থ যা বোঝা বা করা কঠিন। এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
উদাহরণ:
নিঃ + আকার = নিরাকার
দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা
আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ - ৬. নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দ-
- ক. জলদ
- খ. প্রবীণ
- গ. সহৃদ
- ঘ. দিগের
উত্তর: খ. প্রবীণ
যে শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ মিলিয়ে যা দাঁড়ায় তা না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ অন্য একটি অর্থ বোঝায়, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। ‘প্রবীণ’ শব্দের গঠনগত অর্থ হলো প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি, কিন্তু আমরা শব্দটি ব্যবহার করি বয়স্ক বা অভিজ্ঞ মানুষ বোঝাতে। তাই এটি রূঢ়ি শব্দ। অন্যদিকে ‘জলদ’ মানে যা জল দেয়, কিন্তু তা দিয়ে কেবল মেঘ বোঝায়, তাই এটি যোগরূঢ় শব্দ।
মনে রাখুন:
রূঢ়ি শব্দ: হস্তী (হাতি), গবেষণা (গভীর অনুসন্ধান), বাঁশি, সন্দেশ।
যোগরূঢ় শব্দ: পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি। - ৭. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
- ক. তেপান্তর
- খ. লেখালেখি
- গ. জীবমৃত
- ঘ. দোটানা
উত্তর: ঘ. দোটানা
যে বহুব্রীহি সমাসের শেষে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি বলে। ‘দোটানা’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো দুই দিকে টান যার, এখানে দুই টান শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দোটানা হয়েছে, তাই এটি প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি। বাকিগুলোর মধ্যে ‘তেপান্তর’ (তিন প্রান্তরের সমাহার) দ্বিগু সমাস এবং ‘লেখালেখি’ (পরস্পর লেখা) ব্যতিহার বহুব্রীহি।
উদাহরণ: একচোখা (এক দিকে চোখ যার), দোনলা (দুই নল যার), ঘরমুখো (ঘরের দিকে মুখ যার)। - ৮. নিচের কোনটি গণনাবাচক শব্দ
- ক. কুড়ি
- খ. তেরই
- গ. দ্বাদশ
- ঘ. তেসরা
উত্তর: ক. কুড়ি
যে শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর সংখ্যা বা পরিমাণ গোনা হয়, তাকে গণনাবাচক শব্দ বলে। ‘কুড়ি’ মানে ২০টি, তাই এটি গণনাবাচক। অন্যদিকে ‘দ্বাদশ’ দিয়ে ক্রম বা স্থান বোঝায় (বারোতম), তাই এটি পূরণবাচক শব্দ। আর ‘তেরই’ ও ‘তেসরা’ দিয়ে মাসের তারিখ বোঝায়, এগুলো তারিখবাচক শব্দ।
মনে রাখুন:
গণনাবাচক: এক, দুই, কুড়ি, পঞ্চাশ।
পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, দ্বাদশ।
তারিখবাচক: পয়লা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, তেরই। - ৯. ‘ফুলের গন্ধে মৌমাছি আসে’- বাক্যটিতে ‘ফুলের’ কোন কারক?
- ক. অধিকরণ
- খ. করণ
- গ. অপাদান
- ঘ. সম্বন্ধ
উত্তর: ঘ. সম্বন্ধ
যে নামপদ ক্রিয়ার সঙ্গে নয়, বাক্যের অন্য কোনো নামপদের সঙ্গে সম্পর্ক জানায়, সেটি সম্বন্ধ পদ। ‘ফুলের গন্ধে মৌমাছি আসে’ বাক্যে ‘ফুলের’ শব্দটি ‘গন্ধ’-এর সঙ্গে সম্পর্ক দেখাচ্ছে, অর্থাৎ কার গন্ধ, তা বলছে। তাই এটি সম্বন্ধ পদ। ব্যাকরণের নিয়মে সম্বন্ধ পদ ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না বলে একে কারক বলা হয় না। তবু প্রশ্নে বিকল্প হিসেবে এসেছে বলে এটিই উত্তর।
উদাহরণ:
গাছের ফল, রাজার রাজ্য, সোনার বাটি।
মনে রাখুন: বাংলায় কারক ছয় প্রকার: কর্তা, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ। - ১০. ‘আমার হৃদয় মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো’- বাক্যটিতে কোন দোষ আছে?
- ক. বাগধারায় দোষ
- খ. গুরুচণ্ডালী দোষ
- গ. উপমার ভুল প্রয়োগ
- ঘ. বাহুল্য দোষ
উত্তর: গ. উপমার ভুল প্রয়োগ
উপমা দেওয়ার সময় দুটি বিষয়ের মধ্যে মিল থাকতে হয়। বীজ বোনা হয় মাটিতে বা ক্ষেতে, মন্দিরে কেউ বীজ বোনে না। তাই হৃদয়কে মন্দিরের সঙ্গে তুলনা করে সেখানে বীজ বপন করার কথা বললে তুলনাটি অসংগত হয়ে যায়, এটিই উপমার ভুল প্রয়োগ। বাক্যটি শুদ্ধ করতে হলে লিখতে হবে ‘আমার হৃদয়ক্ষেত্রে আশার বীজ উপ্ত হলো’, কারণ ক্ষেত্রেই বীজ বোনা হয়।
মনে রাখুন: সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে বলে গুরুচণ্ডালী দোষ, আর অপ্রয়োজনীয় শব্দ যোগ করাকে বলে বাহুল্য দোষ, যেমন ‘সকল মানুষগণ’। - ১১. কোনটি শুদ্ধ বানান?
- ক. শ্বাশত
- খ. শ্বাশ্বত
- গ. শাশত
- ঘ. শাশ্বত
উত্তর: ঘ. শাশ্বত
‘শাশ্বত’ শব্দটির অর্থ চিরন্তন বা যা চিরকাল থাকে। শব্দটি এসেছে ‘শশ্বৎ’ (সব সময়) থেকে, তাই প্রথমে আসে সাধারণ ‘শা’ আর দ্বিতীয় অংশে ব-ফলা যুক্ত ‘শ্ব’। অনেকেই দুই জায়গায় ব-ফলা দিয়ে ‘শ্বাশ্বত’ লেখেন বা ভুল জায়গায় ব-ফলা বসিয়ে ‘শ্বাশত’ লেখেন, কিন্তু দুটোই অশুদ্ধ।
মনে রাখুন: একই ধরনের আরও কিছু শুদ্ধ বানান হলো উচ্ছ্বাস, শ্মশান, বিশ্বাস, শ্বাপদ। - ১২. আমি ও আমার বাবা ছাতক গিয়েছিলেন- বাক্যটি
- ক. শুদ্ধ
- খ. অশুদ্ধ
- গ. প্রচলিত
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: খ. অশুদ্ধ
একাধিক পুরুষ মিলে একটি কর্তা হলে ক্রিয়া উত্তম পুরুষ অনুযায়ী হয়, অর্থাৎ ‘আমি’ থাকলে ক্রিয়াও ‘আমরা’র মতো রূপ নেয়। এই বাক্যে কর্তা ‘আমি ও আমার বাবা’, তাই ক্রিয়া হবে ‘গিয়েছিলাম’, ‘গিয়েছিলেন’ নয়। সুতরাং বাক্যটি অশুদ্ধ এবং এর শুদ্ধ রূপ হলো ‘আমি ও আমার বাবা ছাতক গিয়েছিলাম’।
মনে রাখুন: উত্তম পুরুষ না থাকলে মধ্যম পুরুষ প্রাধান্য পায়, যেমন ‘তুমি ও সে যাবে’, এখানে ক্রিয়া মধ্যম পুরুষ অনুযায়ী হয়েছে। - ১৩. ‘খরপরশা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ-
- ক. খরস্রোত
- খ. ধারালো বর্শা
- গ. তীব্র গতি
- ঘ. তীক্ষ্ণ গতি
উত্তর: খ. ধারালো বর্শা
‘খরপরশা’ শব্দটি দুটি অংশে গড়া: ‘খর’ মানে তীক্ষ্ণ বা ধারালো, আর ‘পরশা’ এসেছে ‘পরশু’ থেকে, যার অর্থ এক ধরনের অস্ত্র বা বর্শা। তাই খরপরশা শব্দের আভিধানিক অর্থ ধারালো বর্শা। শব্দটি আমরা কাজী নজরুল ইসলামের ‘কাণ্ডারী হুশিয়ার’ বা অন্যান্য বীররসের কবিতায় এবং ফররুখ আহমদের লেখায় পাই, যেখানে যোদ্ধার হাতে খরপরশার কথা এসেছে।
মনে রাখুন: ‘খর’ যুক্ত আরও শব্দ হলো খরস্রোতা (তীব্র স্রোতযুক্ত) ও খরতাপ (তীব্র রোদ)। - ১৪. ‘হাড়হদ্দ’ বাগধারা দিয়ে বোঝায়?
- ক. স্পর্ধা
- খ. অকৃত্রিম
- গ. নাড়ি নক্ষত্র
- ঘ. দৃঢ়তা
উত্তর: গ. নাড়ি নক্ষত্র
‘হাড়হদ্দ’ বাগধারার অর্থ কোনো বিষয় বা ব্যক্তির ভেতর-বাহিরের সব খবর। ‘হাড়’ আর ‘হদ্দ’ (সীমানা) মিলে বোঝায় একেবারে গোড়া থেকে শেষ সীমা পর্যন্ত জানা। ‘নাড়ি নক্ষত্র’ বাগধারার অর্থও ঠিক একই, অর্থাৎ সব খুঁটিনাটি তথ্য। তাই এই দুটি বাগধারা একই ভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ: লোকটার হাড়হদ্দ আমার জানা আছে।
মনে রাখুন: ‘হাড়ির খবর’ বাগধারাটিও গোপন সব খবর বোঝায়। - ১৫. ‘লম্বা দেওয়া’ বাগধারাটির অর্থ-
- ক. পালানো
- খ. দীর্ঘ বক্তৃতা
- গ. বড় অকৃত্রিম মেঘ
- ঘ. ঘরে যাওয়া
উত্তর: ক. পালানো
‘লম্বা দেওয়া’ বাগধারার অর্থ পালিয়ে যাওয়া বা চম্পট দেওয়া। কেউ যখন লম্বা লম্বা পা ফেলে দ্রুত কেটে পড়ে, সেই ছবি থেকেই এই অর্থ এসেছে। কথ্য ভাষায় আমরা ‘লম্বা দিল’ বলতে বুঝি কেউ বিপদ দেখে সরে পড়েছে।
মনে রাখুন: পালানো বোঝায় এমন আরও কিছু বাগধারা হলো ‘চম্পট দেওয়া’, ‘গা ঢাকা দেওয়া’ ও ‘পিঠটান দেওয়া’। - ১৬. ‘যার বসন আলগা’- এর বাক্য সংকোচন
- ক. আলগা বসনা
- খ. অসংবৃত
- গ. লজ্জাহীন
- ঘ. সংবৃক্তহীনতা
উত্তর: খ. অসংবৃত
‘সংবৃত’ মানে ঢাকা বা আবৃত, আর তার আগে ‘অ’ যোগ করলে ‘অসংবৃত’ শব্দের অর্থ হয় যা ঢাকা নয় বা অগোছালো। তাই যার বসন বা পোশাক আলগা হয়ে আছে, তাকে এক কথায় অসংবৃত বলে। শব্দটি সাধারণত পোশাক বা চলাফেরায় শালীনতার অভাব বোঝাতে ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন: ‘যার বসন নেই’ তাকে বলে বিবসন বা দিগম্বর, আর ‘যার সব কিছু হারিয়েছে’ তাকে বলে সর্বস্বান্ত। - ১৭. ‘যা জল দেয়’ এক কথায় প্রকাশ কী?
- ক. পাটোয়ারি
- খ. জলদ
- গ. জলাধার
- ঘ. জলধি
উত্তর: খ. জলদ
‘জলদ’ শব্দে ‘জল’ এর সঙ্গে ‘দ’ (যে দেয়) যুক্ত হয়েছে, তাই এর অর্থ যা জল দেয়। বৃষ্টির মাধ্যমে মেঘই আমাদের জল দেয়, এ কারণে জলদ বলতে মেঘ বোঝায়। অন্যদিকে ‘জলধি’ মানে যেখানে জল ধারণ করা থাকে, অর্থাৎ সমুদ্র, আর ‘জলাধার’ মানে জল রাখার পাত্র বা স্থান।
মনে রাখুন: মেঘের আরও কিছু প্রতিশব্দ হলো জলধর, নীরদ, বারিদ, পয়োধর ও অম্বুদ। - ১৮. ‘তৈল’ প্রবন্ধটি লিখেছেন-
- ক. সুকুমার রায়
- খ. রমেশচন্দ্র মজুমদার
- গ. শিবনারায়ণ রায়
- ঘ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর: ঘ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
‘তৈল’ একটি বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ, যার লেখক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। প্রবন্ধে তিনি তেল মাখানো বা তোষামোদ করার স্বভাবকে হাস্যরসের মাধ্যমে কঠোর সমালোচনা করেছেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আরও বিখ্যাত চর্যাপদ আবিষ্কারের জন্য, তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি উদ্ধার করেন।
মনে রাখুন: তাঁর লেখা উপন্যাস ‘বেণের মেয়ে’ ও ‘কাঞ্চনমালা’। - ১৯. কোনটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
- ক. ভাইবোন
- খ. রাজপথ
- গ. বাকলম
- ঘ. ঐকিক
উত্তর: ঘ. ঐকিক
‘ঐকিক’ শব্দটি ‘এক’ শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় ‘ষ্ণিক’ (ইক) যোগে তৈরি। তাই এটি প্রত্যয়-সাধিত শব্দ। ‘ভাইবোন’ ও ‘রাজপথ’ সমাসবদ্ধ শব্দ। ভাইবোন দ্বন্দ্ব সমাস এবং রাজপথ ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
মনে রাখুন:
প্রত্যয় শব্দের পরে বসে, উপসর্গ বসে আগে।
ঐকিক নিয়ম মানে এক-এর হিসাবের মাধ্যমে সমাধানের নিয়ম। - ২০. যা ভবিষ্যতে ঘটবে?
- ক. ভবিষ্যত
- খ. ভবিষ্যৎ
- গ. ভবিতব্য
- ঘ. অভব্য
উত্তর: গ. ভবিতব্য
‘ভবিতব্য’ শব্দটি এসেছে ‘ভূ’ ধাতু (হওয়া) থেকে, আর এর অর্থ যা ভবিষ্যতে ঘটবে বা যা ঘটা নির্ধারিত। তাই ‘যা ভবিষ্যতে ঘটবে’ এর এক কথায় প্রকাশ ভবিতব্য। অন্যদিকে ‘ভবিষ্যৎ’ দিয়ে আসন্ন সময় বোঝায়, কোনো ঘটনাকে নয়। ‘ভবিষ্যত’ বানানটি অশুদ্ধ এবং ‘অভব্য’ মানে অভদ্র।
মনে রাখুন: ‘যা আগে ঘটেনি’ তা অভূতপূর্ব, আর ‘যা কখনো ঘটবে না’ তা অঘটনীয় বা অসম্ভব। - ২১. কোন ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তির ক্রিয়াকাল অপরিবর্তিত থাকে?
- ক. চিরন্তন সত্য
- খ. অনুজ্ঞাভাব
- গ. আবেগ প্রকাশ
- ঘ. প্রশ্ন জিজ্ঞাসা
উত্তর: ক. চিরন্তন সত্য
প্রত্যক্ষ উক্তি থেকে পরোক্ষ উক্তিতে নিলে সাধারণত ক্রিয়ার কাল ও পুরুষ বদলে যায়। তবে বক্তার কথাটি যদি চিরন্তন সত্য বা বৈজ্ঞানিক সত্য হয়, তাহলে ক্রিয়ার কাল বদলায় না, কারণ সত্যটি সব কালেই সত্য।
উদাহরণ: শিক্ষক বললেন, “সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।” পরোক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন যে সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে।
মনে রাখুন: ইংরেজিতেও একই নিয়ম, যেমন He said that the earth moves round the sun. - ২২. ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’- এটি কোন ধরনের বাক্য?
- ক. সরল
- খ. জটিল
- গ. যৌগিক
- ঘ. মিশ্র
উত্তর: ক. সরল
যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য (Simple Sentence) বলে। ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ বাক্যে কর্তা একটি (সুশিক্ষিত লোক), আর ‘হন’ বা ‘হয়’ জাতীয় সমাপিকা ক্রিয়া এখানে উহ্য আছে। বাক্যে কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য বা দুটি স্বাধীন বাক্য নেই, তাই এটি সরল বাক্য।
মনে রাখুন: এই বিখ্যাত উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর ‘বই পড়া’ প্রবন্ধ থেকে নেওয়া। - ২৩. ‘বাস্তুহারা’ কোন সমাসভুক্ত-
- ক. অব্যয়ীভাব
- খ. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
- গ. উপপদ তৎপুরুষ
- ঘ. নিত্য
উত্তর: গ. উপপদ তৎপুরুষ
যে পদের পরে ধাতু বা কৃৎপ্রত্যয় যুক্ত পদ বসে সমাস হয়, সেই পূর্বপদকে উপপদ বলে, আর এমন সমাসকে উপপদ তৎপুরুষ বলে। ‘বাস্তুহারা’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো বাস্তু হারায় যে, এখানে ‘হারা’ একটি কৃদন্ত পদ এবং ‘বাস্তু’ তার উপপদ। তাই এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
উদাহরণ: জলচর (জলে চরে যে), পকেটমার (পকেট মারে যে), ছেলেধরা (ছেলে ধরে যে)।
ইংরেজি
- ২৪. ‘King’ শব্দটির abstract noun হচ্ছে-
- ক. Kingship
- খ. King
- গ. Kinghood
- ঘ. Kingly
উত্তর: ক. Kingship
Abstract noun বলতে বোঝায় গুণ, অবস্থা বা পদমর্যাদার নাম, যা ছোঁয়া বা দেখা যায় না। King শব্দের সঙ্গে -ship suffix যোগ করলে Kingship হয়, যার অর্থ রাজার পদ বা রাজত্ব, তাই এটিই abstract noun। Kingly শব্দটি adjective, আর King নিজে common noun।
মনে রাখুন: একই নিয়মে friend থেকে friendship, leader থেকে leadership হয়। King থেকে Kingdom শব্দটিও হয়, যার অর্থ রাজ্য। - ২৫. The plural form of ‘Nucleus’ is-
- ক. Nucleuses
- খ. Nucleausy
- গ. Nuclei
- ঘ. Nucleis
উত্তর: গ. Nuclei
Latin থেকে আসা যে noun-এর শেষে -us থাকে, plural করতে সাধারণত -us বদলে -i বসানো হয়। এই নিয়মে Nucleus শব্দের plural হয় Nuclei।
উদাহরণ:
Radius → Radii
Fungus → Fungi
Stimulus → Stimuli
মনে রাখুন: Latin শব্দ Datum → Data, Medium → Media আর Greek শব্দ Phenomenon → Phenomena। - ২৬. Choose the correct sentence.
- ক. I presented her a flower.
- খ. I presented a flower for her.
- গ. She was presented a flower by me.
- ঘ. I presented her with a flower.
উত্তর: ঘ. I presented her with a flower.
Present ক্রিয়াটি কাউকে কিছু উপহার দেওয়া বোঝালে তার সঠিক গঠন হয় present someone with something, অথবা present something to someone। তাই I presented her with a flower বাক্যটি শুদ্ধ। ‘presented her a flower’ বা ‘presented a flower for her’ লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখুন: একই ধরনের গঠন দেখা যায় provide ও supply ক্রিয়ার ক্ষেত্রেও, যেমন provide someone with something। - ২৭. The UN envoy came to Bangladesh on ___ visit.
- ক. a three-day
- খ. a three-days
- গ. three-days
- ঘ. the three-days
উত্তর: ক. a three-day
সংখ্যা ও noun মিলে hyphen দিয়ে যখন compound adjective তৈরি হয়, তখন noun টি সবসময় singular থাকে। তাই three-days নয়, লিখতে হবে three-day। আর visit একটি countable singular noun, তাই এর আগে article ‘a’ বসবে। ফলে সঠিক রূপ হলো a three-day visit।
উদাহরণ: a five-year plan, a ten-minute break, a two-storey building। - ২৮. ‘The’ article is used before:
- ক. China
- খ. Indonesia
- গ. Malaysia
- ঘ. Philippines
উত্তর: ঘ. Philippines
দেশের নাম সাধারণত article ছাড়া বসে, যেমন China, Indonesia, Malaysia। তবে যে দেশের নাম plural বা অনেক দ্বীপ মিলে তৈরি, কিংবা যে নামে Republic, Kingdom, States জাতীয় শব্দ থাকে, তার আগে the বসে। Philippines অনেক দ্বীপের সমষ্টি এবং নামটি plural, তাই বলতে হয় the Philippines।
মনে রাখুন: the Netherlands, the Maldives, the USA, the UK প্রভৃতি নামের আগেও the বসে। - ২৯. Where there is a will, there is a way. Here ‘will’ is-
- ক. a noun
- খ. a verb
- গ. an adjective
- ঘ. an adverb
উত্তর: ক. a noun
বাক্যে will শব্দটি modal verb নয়, এখানে এর অর্থ ইচ্ছা বা সংকল্প। ‘a will’ লেখায় article বসেছে এবং ‘there is a will’ অংশে will একটি বিষয়ের নাম হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি noun। প্রবাদটির অর্থ হলো ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।
মনে রাখুন: will শব্দের আরেকটি noun অর্থ হলো উইল বা মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া সম্পত্তির বণ্টননামা, যেমন He made a will। - ৩০. He sat ___ the fire ___ me.
- ক. in, on
- খ. of, by
- গ. by, with
- ঘ. at, with
উত্তর: গ. by, with
কারও পাশে বা কাছে থাকা বোঝাতে by preposition ব্যবহার হয়, তাই আগুনের পাশে বসা হলো sat by the fire। আর কারও সঙ্গে থাকা বোঝাতে with ব্যবহার হয়, তাই আমার সঙ্গে হলো with me। ফলে পূর্ণ বাক্যটি দাঁড়ায় He sat by the fire with me।
মনে রাখুন: by দিয়ে কাছে বা পাশে (by the river), beside দিয়েও পাশে বোঝায়, কিন্তু besides মানে ছাড়াও। - ৩১. In the interest ___ safety, smoking is forbidden.
- ক. for
- খ. of
- গ. with
- ঘ. to
উত্তর: খ. of
In the interest of একটি নির্দিষ্ট phrase, যার অর্থ কোনো কিছুর স্বার্থে বা মঙ্গলের জন্য। তাই বাক্যটি হবে In the interest of safety, smoking is forbidden, অর্থাৎ নিরাপত্তার স্বার্থে ধূমপান নিষিদ্ধ।
মনে রাখুন: interest শব্দটি অন্য অর্থে অন্য preposition নেয়, যেমন আগ্রহ বোঝাতে interest in (He has an interest in music) এবং সুদ বোঝাতে interest on (interest on a loan)। - ৩২. When you think someone is ‘introspective’, you think she/he is ___
- ক. reserved
- খ. selfish
- গ. thoughtful
- ঘ. rude
উত্তর: গ. thoughtful
Introspective শব্দের অর্থ যে মানুষ নিজের চিন্তা ও অনুভূতি নিয়ে গভীরভাবে ভাবে, অর্থাৎ আত্মবিশ্লেষণে অভ্যস্ত। এমন মানুষকে আমরা চিন্তাশীল বলি, তাই এর সবচেয়ে কাছের অর্থ thoughtful। Selfish মানে স্বার্থপর আর rude মানে অভদ্র, এগুলোর সঙ্গে আত্মবিশ্লেষণের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: Introspection মানে আত্মদর্শন, আর এর বিপরীত ধারণা হলো extrovert বা বহির্মুখী স্বভাব। - ৩৩. After he (finish) secondary school, he started to study graphic design.
- ক. had finished
- খ. finished
- গ. would finish
- ঘ. would have finished
উত্তর: ক. had finished
দুটি অতীত কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছে, সেটি past perfect tense-এ বসে, আর পরেরটি past indefinite-এ বসে। এখানে আগে মাধ্যমিক শেষ হয়েছে, তারপর গ্রাফিক ডিজাইন পড়া শুরু হয়েছে, তাই প্রথম কাজটি হবে had finished।
মনে রাখুন: After যুক্ত বাক্যে after-এর পরের অংশ past perfect হয়, আর before যুক্ত বাক্যে before-এর আগের অংশ past perfect হয়। যেমন The patient had died before the doctor came। - ৩৪. Beautiful : ugly
- ক. Eradicate : get rid of
- খ. Joy : sorrow
- গ. Joy : slim
- ঘ. Conservative : tradition
উত্তর: খ. Joy : sorrow
Analogy-র প্রথম জোড়ায় Beautiful (সুন্দর) ও Ugly (কুৎসিত) পরস্পরের বিপরীত শব্দ। তাই উত্তর হবে এমন জোড়া, যা বিপরীতার্থক। Joy (আনন্দ) আর Sorrow (দুঃখ) সেই রকম একটি জোড়া। Eradicate ও Get rid of সমার্থক, তাই প্রথম অপশনটি মেলে না। অন্য দুটি জোড়ার শব্দের মধ্যে কোনো পরিষ্কার বিপরীত সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
Analogy-তে আগে প্রথম জোড়ার সম্পর্ক (সমার্থক, বিপরীতার্থক, কারণ-ফল ইত্যাদি) বুঝে নিতে হয়।
তারপর প্রতিটি অপশনে একই সম্পর্ক আছে কি না, তা মিলিয়ে দেখতে হয়। - ৩৫. One who walks on foot?
- ক. traveler
- খ. pedestrian
- গ. rider
- ঘ. omnipotent
উত্তর: খ. pedestrian
যে মানুষ রাস্তায় হেঁটে চলাচল করে, তাকে ইংরেজিতে pedestrian বা পথচারী বলে। Traveller মানে যেকোনো ভ্রমণকারী, সে হেঁটে বা গাড়িতে যেভাবেই যাক। Rider মানে যে ঘোড়া বা বাহনে চড়ে, আর omnipotent মানে সর্বশক্তিমান।
মনে রাখুন: পথচারী পারাপারের জায়গাকে pedestrian crossing বা zebra crossing বলে। Pedestrian শব্দটি adjective হিসেবে সাধারণ বা নীরস অর্থেও ব্যবহার হয়। - ৩৬. Who is an essayist?
- ক. J.S. Mill
- খ. Charles Dickens
- গ. Francis Bacon
- ঘ. W.H. Newman
উত্তর: গ. Francis Bacon
Essayist হলেন প্রবন্ধ লেখক। ফ্রান্সিস বেকন ইংরেজি সাহিত্যের প্রবন্ধের জনক, তাঁর 'Essays' বইটি বিখ্যাত। এতে ছোট ছোট প্রবন্ধে জীবনের নানা বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত ও যুক্তিপূর্ণ আলোচনা আছে।
বাকিদের পরিচয়: J. S. Mill দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ, তাঁর বিখ্যাত বই 'On Liberty'। Charles Dickens ঔপন্যাসিক (David Copperfield, Oliver Twist)। Newman ধর্মতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিষয়ক লেখক হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
বেকনের বিখ্যাত উক্তি 'Knowledge is power'।
বেকনের অন্য রচনা: The Advancement of Learning, Novum Organum, New Atlantis।
Charles Lamb 'Essays of Elia'-র জন্য বিখ্যাত প্রাবন্ধিক। - ৩৭. The antonym for ‘inimical’ is-
- ক. hostile
- খ. friendly
- গ. indifferent
- ঘ. angry
উত্তর: খ. friendly
Inimical শব্দের অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা ক্ষতিকর। এর বিপরীত শব্দ Friendly, যার অর্থ বন্ধুসুলভ। Hostile হলো Inimical-এর সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত নয়। Indifferent মানে উদাসীন, আর Angry মানে রাগান্বিত।
উদাহরণ: Smoking is inimical to health.
মনে রাখুন: Inimical-এর সমার্থক শব্দ Hostile, Harmful, Adverse। - ৩৮. Which one is correctly spelt?
- ক. Incumbent
- খ. Incumvent
- গ. Incummbent
- ঘ. Incummvent
উত্তর: ক. Incumbent
শুদ্ধ বানান হলো Incumbent, যেখানে একটি m এবং তার পরে b আছে, v নয়। শব্দটির অর্থ কোনো পদে বর্তমানে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি, অথবা কর্তব্য হিসেবে আবশ্যিক।
উদাহরণ: The incumbent president won the election again. It is incumbent on us to help the poor.
মনে রাখুন: Incumbent on/upon মানে কারও কর্তব্য, আর incumbency মানে পদে থাকার মেয়াদ। - ৩৯. The train is moving fast enough. The underlined phrase is:
- ক. adjective phrase
- খ. verb phrase
- গ. adverbial phrase
- ঘ. preposition phrase
উত্তর: গ. adverbial phrase
বাক্যে fast enough অংশটি moving ক্রিয়াটি কীভাবে বা কতটা দ্রুত ঘটছে তা জানাচ্ছে। যে phrase কোনো verb-কে modify করে adverb-এর কাজ করে, তাকে adverbial phrase বলে। তাই fast enough হলো adverbial phrase।
মনে রাখুন: Phrase-এর মধ্যে কোনো finite verb থাকে না। যেমন in a hurry, at the end, very carefully এগুলো adverbial phrase, আর a man of honour হলো adjective phrase। - ৪০. The synonym of the word ‘pacify’ is-
- ক. cease
- খ. exasperate
- গ. soothe
- ঘ. enthral
উত্তর: গ. soothe
Pacify শব্দের অর্থ শান্ত করা বা প্রশমিত করা। Soothe শব্দের অর্থও প্রশান্ত করা বা কষ্ট লাঘব করা, তাই এটিই সমার্থক। অন্যদিকে exasperate মানে রাগিয়ে দেওয়া, যা প্রায় বিপরীত অর্থ বোঝায়, আর cease মানে থামা এবং enthral মানে মুগ্ধ করা।
মনে রাখুন: Pacify থেকে Pacific শব্দ এসেছে, ম্যাগেলান শান্ত সাগর দেখে প্রশান্ত মহাসাগরের নাম দেন Pacific Ocean। - ৪১. Translate into English: সে এসেছিল বন্ধুর বেশে-
- ক. He came in the colour of a friend.
- খ. He came in the guise of a friend.
- গ. He came in the form of a friend.
- ঘ. He came in the view of a friend.
উত্তর: খ. He came in the guise of a friend.
‘বেশে’ বলতে এখানে ছদ্মবেশ বা বাহ্যিক রূপ বোঝানো হয়েছে, অর্থাৎ সে আসলে বন্ধু নয়, বন্ধুর ভান করে এসেছিল। ইংরেজিতে কোনো কিছুর ছদ্মবেশে বোঝাতে in the guise of phrase ব্যবহার হয়। তাই সঠিক অনুবাদ He came in the guise of a friend।
মনে রাখুন: guise মানে বাইরের চেহারা বা ছদ্মবেশ, আর disguise মানে ছদ্মবেশ ধারণ করা। - ৪২. ‘David Copperfield’ is a/an ___ novel.
- ক. Victorian
- খ. Elizabethan
- গ. Romantic
- ঘ. Modern
উত্তর: ক. Victorian
‘David Copperfield’ (১৮৫০) চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাস, যা তিনি রানি ভিক্টোরিয়ার শাসনামলে লিখেছেন। এই যুগকে ভিক্টোরীয় যুগ (Victorian age) বলা হয়, তাই এটি ভিক্টোরীয় উপন্যাস। এটি ডিকেন্সের আংশিক আত্মজীবনীমূলক রচনা হিসেবেও পরিচিত।
মনে রাখুন:
ডিকেন্সের অন্যান্য উপন্যাস: ‘Oliver Twist’, ‘Great Expectations’, ‘A Tale of Two Cities’।
ভিক্টোরীয় যুগের সময়কাল ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল। - ৪৩. Julius Ceasar was the ruler of Rome about-
- ক. 1000 years ago
- খ. 1500 years ago
- গ. 2000 years ago
- ঘ. 3000 years ago
উত্তর: গ. 2000 years ago
জুলিয়াস সিজার (Julius Caesar) রোমের বিখ্যাত সেনাপতি ও শাসক ছিলেন। তিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে, প্রায় ১০০ থেকে ৪৪ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। এই সময় থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বছর পার হয়েছে, তাই উত্তর 2000 years ago।
মনে রাখুন: ৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ১৫ মার্চ ব্রুটাস ও অন্যরা তাঁকে হত্যা করে। শেক্সপিয়র এ ঘটনা নিয়ে ‘Julius Caesar’ নাটক লেখেন। - ৪৪. Metaphor is a comparison between-
- ক. two things of nature
- খ. two similar things
- গ. two dissimilar things
- ঘ. two criteria
উত্তর: গ. two dissimilar things
Metaphor বা রূপক হলো এমন একটি figure of speech, যেখানে দুটি আলাদা ধরনের বা ভিন্ন জিনিসের মধ্যে like বা as ব্যবহার না করে সরাসরি তুলনা করা হয়। দুটি জিনিস প্রকৃতিতে ভিন্ন বলেই তুলনাটি নতুন অর্থ তৈরি করে।
উদাহরণ: Life is a journey. He is a lion in battle.
মনে রাখুন: like বা as দিয়ে তুলনা করলে তাকে Simile বলে, যেমন He is as brave as a lion। - ৪৫. Find out the correctly spelled word.
- ক. Rhythem
- খ. Rhythm
- গ. Rythem
- ঘ. Rhethm
উত্তর: খ. Rhythm
শুদ্ধ বানান হলো Rhythm, যার অর্থ ছন্দ বা তাল। এই শব্দে কোনো স্বরবর্ণ (a, e, i, o, u) নেই, y এখানে স্বরের কাজ করছে, আর শুরুর Rh অংশটি গ্রিক উৎসের চিহ্ন।
মনে রাখুন: স্বরবর্ণ ছাড়া এমন আরও কিছু শব্দ হলো Myth, Gym, Lynx, Crypt। Rhythm থেকে adjective হয় Rhythmic।
বিজ্ঞান
- ৪৬. কোনটি সর্বাপেক্ষা ভারী তরল পদার্থ-
- ক. পানি
- খ. মধু
- গ. তেল
- ঘ. পারদ
উত্তর: ঘ. পারদ
ঘনত্ব বেশি হলে একই আয়তনের তরলের ভর বেশি হয়, তাই সবচেয়ে ভারী তরল হলো যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। পারদের ঘনত্ব প্রায় 13.6 g/cm³, যেখানে পানির ঘনত্ব মাত্র 1 g/cm³ এবং মধুর প্রায় 1.4 g/cm³। তাই এখানে পারদ সবচেয়ে ভারী তরল।
মনে রাখুন:
পারদ (Mercury) সাধারণ তাপমাত্রায় তরল একমাত্র ধাতু।
সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অধাতু হলো ব্রোমিন।
থার্মোমিটার ও ব্যারোমিটারে পারদ ব্যবহার হয়। - ৪৭. যে দ্রবণ pH স্থির রাখার সক্ষমতা রাখে তাকে কী বলে?
- ক. মিশ্রণ দ্রবণ
- খ. ক্ষারীয় দ্রবণ
- গ. অম্লীয় দ্রবণ
- ঘ. বাফার দ্রবণ
উত্তর: ঘ. বাফার দ্রবণ
যে দ্রবণে অল্প পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করলেও pH প্রায় অপরিবর্তিত থাকে, তাকে বাফার দ্রবণ (Buffer Solution) বলে। সাধারণত একটি দুর্বল এসিড ও তার লবণ, অথবা একটি দুর্বল ক্ষার ও তার লবণ মিলিয়ে বাফার তৈরি করা হয়।
মনে রাখুন:
আমাদের রক্ত একটি প্রাকৃতিক বাফার, তাই রক্তের pH প্রায় 7.35 থেকে 7.45 এর মধ্যে স্থির থাকে।
অ্যাসিটিক এসিড ও সোডিয়াম অ্যাসিটেটের মিশ্রণ একটি পরিচিত অম্লীয় বাফার। - ৪৮. পদার্থ একই অবস্থায় স্থির থাকার প্রবণতাকে কী বলে?
- ক. জড়তা
- খ. মহাকর্ষ
- গ. অভিকর্ষ
- ঘ. স্থিতি
উত্তর: ক. জড়তা
কোনো বস্তু যে অবস্থায় আছে, স্থির হোক বা গতিশীল, সেই অবস্থা বজায় রাখতে চাওয়ার প্রবণতাকে জড়তা (Inertia) বলে। স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায়, একে স্থিতি জড়তা বলে, আর চলমান বস্তু চলতে থাকতে চায়, একে গতি জড়তা বলে। নিউটনের গতির প্রথম সূত্রকে তাই জড়তার সূত্রও বলা হয়।
মনে রাখুন: বস্তুর ভর যত বেশি, জড়তাও তত বেশি। চলন্ত বাস হঠাৎ থামলে যাত্রীরা সামনে ঝুঁকে পড়ে গতি জড়তার কারণে। - ৪৯. প্লবতার জন্য কোথায় সাঁতার কাটা সহজতর?
- ক. নদী
- খ. সমুদ্র
- গ. বিল
- ঘ. সুইমিংপুল
উত্তর: খ. সমুদ্র
তরলে কোনো বস্তু ডুবালে তরল বস্তুটিকে ওপরের দিকে যে বল দিয়ে ঠেলে, তাকে প্লবতা (Buoyancy) বলে। তরলের ঘনত্ব যত বেশি, প্লবতাও তত বেশি হয়। সমুদ্রের পানিতে প্রচুর লবণ দ্রবীভূত থাকে বলে এর ঘনত্ব নদী, বিল বা সুইমিংপুলের মিঠা পানির চেয়ে বেশি। তাই সমুদ্রে শরীর সহজে ভেসে থাকে এবং সাঁতার কাটা সহজ হয়।
মনে রাখুন: মৃত সাগরের (Dead Sea) পানি এত লবণাক্ত যে সেখানে মানুষ না সাঁতরেও ভেসে থাকতে পারে। - ৫১. কোনটি চেতনানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
- ক. মিথান্যাল
- খ. ক্লোরোফর্ম
- গ. মিথেন
- ঘ. ক্লোরোপিক্রিন
উত্তর: খ. ক্লোরোফর্ম
ক্লোরোফর্মের রাসায়নিক সংকেত CHCl₃, এটি একটি বর্ণহীন, মিষ্টি গন্ধযুক্ত তরল। এর বাষ্প নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিলে মানুষ অচেতন হয়ে পড়ে, তাই একসময় অস্ত্রোপচারের আগে চেতনানাশক (Anaesthetic) হিসেবে এটি ব্যবহৃত হতো। অন্যদিকে মিথান্যাল বা ফরমালডিহাইড সংরক্ষণে আর ক্লোরোপিক্রিন কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: বর্তমানে চেতনানাশক হিসেবে নাইট্রাস অক্সাইড (লাফিং গ্যাস), হ্যালোথেন ও আইসোফ্লুরেন বেশি ব্যবহৃত হয়। - ৫২. কোন বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম কোন অঞ্চলে?
- ক. মেরু
- খ. নিরক্ষীয়
- গ. ভূ-পৃষ্ঠ
- ঘ. ভূ-কেন্দ্র
উত্তর: ঘ. ভূ-কেন্দ্র
কোনো বস্তুর ওজন হলো তার ওপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল, অর্থাৎ W = mg। আমরা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যত যাই, অভিকর্ষজ ত্বরণ g তত কমতে থাকে, আর ঠিক কেন্দ্রে চারদিকের আকর্ষণ পরস্পরকে বাতিল করে দেয় বলে g শূন্য হয়। তাই ভূকেন্দ্রে বস্তুর ওজনও শূন্য, অর্থাৎ সবচেয়ে কম।
মনে রাখুন: ভূপৃষ্ঠে বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলে সবচেয়ে কম, কারণ নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বেশি। - ৫৩. দূরের বস্তু দেখার জন্য ___ ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়?
- ক. উত্তল
- খ. অবতল
- গ. বাইফোকাল
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: খ. অবতল
যাঁরা কাছের জিনিস ভালো দেখেন কিন্তু দূরের জিনিস ঝাপসা দেখেন, তাঁদের চোখের ত্রুটিকে হ্রস্বদৃষ্টি (Myopia) বলে। এই ত্রুটিতে চোখের লেন্স দূরের বস্তুর প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে তৈরি করে। অবতল লেন্স আলোকে কিছুটা ছড়িয়ে দেয়, ফলে প্রতিবিম্ব পিছিয়ে ঠিক রেটিনার ওপর পড়ে। তাই দূরের বস্তু দেখার চশমায় অবতল লেন্স (Concave Lens) ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখুন:
কাছের বস্তু দেখতে না পাওয়া দীর্ঘদৃষ্টি (Hypermetropia), এতে উত্তল লেন্স লাগে।
বয়সজনিত চালশে (Presbyopia) হলে দুই ধরনের লেন্সযুক্ত বাইফোকাল লেন্স লাগে। - ৫৪. হৃদযন্ত্রের জন্য কোন উপাদানটি উপকারী?
- ক. HDL
- খ. LDL
- গ. Red Meat
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: ক. HDL
রক্তে কোলেস্টেরল লিপোপ্রোটিনের সঙ্গে মিশে চলাচল করে। উচ্চ ঘনত্বের লিপোপ্রোটিন বা এইচডিএল (HDL: High Density Lipoprotein) রক্তনালি থেকে বাড়তি কোলেস্টেরল সরিয়ে যকৃতে ফিরিয়ে নেয়, তাই একে ‘ভালো কোলেস্টেরল’ বলা হয় এবং এটি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। অন্যদিকে এলডিএল (LDL) রক্তনালির দেয়ালে কোলেস্টেরল জমিয়ে ধমনি সরু করে, তাই একে ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ বলে। লাল মাংসে সম্পৃক্ত চর্বি বেশি থাকায় তা এলডিএল বাড়ায়।
মনে রাখুন: নিয়মিত ব্যায়াম ও মাছের তেলের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এইচডিএল বাড়াতে সাহায্য করে। - ৯৩. তারাদের জীবন প্রবাহের তৃতীয় অবস্থা কোনটি?
- ক. রেড জায়ান্ট
- খ. হোয়াইট ডোয়ার্ফ
- গ. ব্ল্যাক হোল
- ঘ. ইনফিনিটি
উত্তর: খ. হোয়াইট ডোয়ার্ফ
সূর্যের মতো সাধারণ নক্ষত্র জন্মের পর দীর্ঘ সময় প্রধান ধারার নক্ষত্র হিসেবে হাইড্রোজেন পুড়িয়ে আলো দেয়, এটি প্রথম অবস্থা। হাইড্রোজেন ফুরিয়ে এলে নক্ষত্রটি ফুলে বিশাল লাল রঙের লোহিত দানব (Red Giant) হয়, এটি দ্বিতীয় অবস্থা। শেষে বাইরের স্তর ছড়িয়ে পড়ে এবং ভেতরের ঘন অংশটি ছোট ও উজ্জ্বল শ্বেত বামন (White Dwarf) হিসেবে থেকে যায়, এটিই তৃতীয় অবস্থা।
মনে রাখুন: সূর্যের চেয়ে অনেক ভারী নক্ষত্র সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর নিউট্রন তারা বা কৃষ্ণগহ্বরে (Black Hole) পরিণত হয়। চন্দ্রশেখর সীমা সূর্যের ভরের প্রায় ১.৪ গুণ।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৫০. কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভুলত্রুটি পরীক্ষা করাকে কী বলে?
- ক. ডিজাইনিং
- খ. কোডিং
- গ. টেস্টিং
- ঘ. ডিবাগিং
উত্তর: ঘ. ডিবাগিং
প্রোগ্রাম লেখার সময় যে ভুলগুলো থেকে যায়, সেগুলোকে বাগ (Bug) বলা হয়। প্রোগ্রামের এসব ভুল খুঁজে বের করে সংশোধন করার প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং (Debugging) বলে। ১৯৪৭ সালে গ্রেস হপার ও তাঁর দল কম্পিউটারের যন্ত্রের ভেতরে আটকে থাকা একটি মথ পোকা সরিয়ে ত্রুটি দূর করেছিলেন, সেই ঘটনা থেকেই ‘বাগ’ ও ‘ডিবাগ’ শব্দ দুটি জনপ্রিয় হয়।
মনে রাখুন: ভুল খোঁজার জন্য প্রোগ্রাম চালিয়ে দেখাকে টেস্টিং বলে, আর প্রোগ্রাম লেখাকে কোডিং বলে। - ৫৫. হেক্সাডেসিমেল F এর বাইনারি কত?
- ক. 1101
- খ. 0011
- গ. 0111
- ঘ. 1111
উত্তর: ঘ. 1111
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি 16, এখানে 0 থেকে 9 এর পর A = 10, B = 11 করে F = 15 পর্যন্ত অঙ্ক আছে। প্রতিটি হেক্সাডেসিমাল অঙ্ককে ৪টি বাইনারি বিট দিয়ে লেখা যায়। F = 15 = 8 + 4 + 2 + 1, তাই বাইনারিতে F = 1111।
মনে রাখুন:
A = 1010, B = 1011, C = 1100, D = 1101, E = 1110।
অক্টাল পদ্ধতির প্রতিটি অঙ্ক ৩টি বিট দিয়ে লেখা হয়।
গণিত
- ৫৬. যদি একই রেখার উপর অবস্থিত দুটি সন্নিহিত কোণ পরস্পর সমান হয়, তবে কোণ দুটি___.
- ক. সরল কোণ
- খ. প্রবৃদ্ধ কোণ
- গ. সূক্ষ্মকোণ
- ঘ. সমকোণ
উত্তর: ঘ. সমকোণ
একটি সরলরেখার ওপর একটি বিন্দু থেকে অন্য একটি রেখা আঁকলে সেখানে দুটি সন্নিহিত কোণ তৈরি হয়, যাদের যোগফল সবসময় 180°। এই দুটি কোণ সমান হলে প্রতিটির মান হয় 180° ÷ 2 = 90°। তাই কোণ দুটির প্রত্যেকটি সমকোণ (Right Angle), আর এ অবস্থায় রেখা দুটি পরস্পরের ওপর লম্ব।
মনে রাখুন: যে দুটি কোণের যোগফল 180°, তারা পরস্পর সম্পূরক কোণ, আর যোগফল 90° হলে তারা পূরক কোণ। - ৫৭. যে সামান্তরিকের ১টি কোণ সমকোণ তাকে কী বলে?
- ক. আয়ত
- খ. রম্বস
- গ. ট্র্যাপিজিয়াম
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: ক. আয়ত
সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং সন্নিহিত কোণের যোগফল 180°। তাই একটি কোণ সমকোণ হলে তার পাশের কোণও 90° হয়, আর বিপরীত কোণ সমান বলে চারটি কোণই সমকোণ হয়ে যায়। চারটি কোণ সমকোণ এমন সামান্তরিককে আয়ত বা আয়তক্ষেত্র (Rectangle) বলে।
মনে রাখুন: যে সামান্তরিকের সব বাহু সমান তা রম্বস, আর যে আয়তের সব বাহু সমান তা বর্গক্ষেত্র। - ৫৮. π ধ্রুবকটি বৃত্তের কোন দুটি পরিমাপের অনুপাত?
- ক. পরিধি/ব্যাসার্ধ
- খ. ব্যাস/ব্যাসার্ধ
- গ. পরিধি/জ্যা
- ঘ. পরিধি/ব্যাস
উত্তর: ঘ. পরিধি/ব্যাস
যেকোনো বৃত্তের পরিধিকে তার ব্যাস দিয়ে ভাগ করলে সবসময় একটি নির্দিষ্ট মান পাওয়া যায়, যা প্রায় 3.1416। এই ধ্রুবক মানকে গ্রিক অক্ষর π (পাই) দিয়ে প্রকাশ করা হয়, অর্থাৎ π = পরিধি/ব্যাস। এ কারণেই বৃত্তের পরিধির সূত্র হলো 2πr, কারণ ব্যাস = 2r।
মনে রাখুন: π একটি অমূলদ সংখ্যা, ভগ্নাংশ হিসেবে এর কাছাকাছি মান 22/7 ধরা হয়। প্রতি বছর ১৪ মার্চ (3/14) ‘পাই দিবস’ পালন করা হয়। - ৫৯. একটি আয়তাকার জমির উপর একটি ৫০ × ৪৮ বর্গফুটের শেড ১০% জায়গা ঢাকতে পারে। উক্ত আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল কত বর্গফুট?
- ক. ১২০০০
- খ. ২৪০০০
- গ. ৪৮০০০
- ঘ. ২১৬০০০
উত্তর: খ. ২৪০০০
শেডের ক্ষেত্রফল = 50 × 48 = 2400 বর্গফুট। এই 2400 বর্গফুট জমির মোট ক্ষেত্রফলের 10%, তাই মোট ক্ষেত্রফল ধরি x হলে,
$x \times \frac{10}{100} = 2400$
$x = 2400 \times 10 = 24000$
সুতরাং আয়তাকার জমিটির ক্ষেত্রফল ২৪০০০ বর্গফুট।
মনে রাখুন: কোনো অংশ মোটের শতকরা কত তা জানা থাকলে, মোট = অংশ × 100 ÷ শতকরা হার। - ৬০. ৩৫০ টাকা দরে ৩ কেজি মিষ্টি কিনে ৪ টাকা হারে ভ্যাট প্রদান করলে মোট কত টাকা ভ্যাট প্রদান করতে হবে?
- ক. ১৪
- খ. ৪২
- গ. ১২০
- ঘ. ১১০
উত্তর: খ. ৪২
প্রথমে মিষ্টির মোট দাম বের করি: 350 × 3 = 1050 টাকা। ভ্যাটের হার 4%, অর্থাৎ প্রতি 100 টাকায় 4 টাকা।
তাই ভ্যাট = 1050 × 4/100 = 42 টাকা।
সুতরাং মোট ৪২ টাকা ভ্যাট দিতে হবে।
মনে রাখুন: মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT: Value Added Tax) বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই চালু হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর, কারণ কর শেষ পর্যন্ত ক্রেতাকেই বহন করতে হয়। - ৬১. √3 কী ধরনের সংখ্যা?
- ক. অমূলদ
- খ. মূলদ
- গ. জটিল
- ঘ. পূর্ণ
উত্তর: ক. অমূলদ
যে সংখ্যাকে দুটি পূর্ণসংখ্যার ভাগফল p/q আকারে লেখা যায় না, তাকে অমূলদ সংখ্যা (Irrational Number) বলে। 3 একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয়, তাই এর বর্গমূল √3 = 1.7320508... এর দশমিকের পরের অঙ্কগুলো কোনো পুনরাবৃত্তি ছাড়াই অসীম পর্যন্ত চলতে থাকে। এ কারণে √3 একটি অমূলদ সংখ্যা।
মনে রাখুন: পূর্ণবর্গ নয় এমন যেকোনো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল অমূলদ, যেমন √2, √5, √7। অন্যদিকে √4 = 2 এবং √9 = 3 মূলদ সংখ্যা। - ৬২. ০.৪৭ কে ভগ্নাংশে রূপান্তর করলে কী পাওয়া যাবে?
- ক. ৪৭/১০০০
- খ. ৪৭/১০
- গ. ৪০/৯৯
- ঘ. ৪৭/১০০
উত্তর: ঘ. ৪৭/১০০
দশমিক বিন্দুর পরে যতটি অঙ্ক থাকে, হরে 1 এর পরে ততটি শূন্য বসিয়ে দশমিককে ভগ্নাংশে রূপান্তর করা যায়। 0.47 এ দশমিকের পরে ২টি অঙ্ক আছে, তাই
0.47 = 47/100
এখানে 47 একটি মৌলিক সংখ্যা এবং 100 এর সঙ্গে এর কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই, তাই ভগ্নাংশটি আর লঘিষ্ঠ করা যায় না।
মনে রাখুন: আবৃত্ত দশমিক 0.4̇7̇ হলে ভগ্নাংশ হতো 47/99। - ৬৩. A = { 1 , 2 , 6 } , B = ∅ হলে A ∪ B এর মান কত?
- ক. { 1 , 2 , 6 }
- খ. { ∅ }
- গ. { 1 , 2 , 6 , ∅ }
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: ক. { 1 , 2 , 6 }
দুটি সেটের সংযোগ সেট (Union) A ∪ B তে দুই সেটেরই সব উপাদান একবার করে থাকে। এখানে B = ∅ ফাঁকা সেট, অর্থাৎ এতে কোনো উপাদান নেই। তাই A এর সঙ্গে নতুন কিছু যোগ হয় না এবং
A ∪ B = {1, 2, 6} ∪ ∅ = {1, 2, 6} = A
মনে রাখুন: যেকোনো সেট A এর জন্য A ∪ ∅ = A এবং A ∩ ∅ = ∅। {∅} কিন্তু ফাঁকা সেট নয়, এটি একটি উপাদান বিশিষ্ট সেট। - ৬৪. 1, 5, 25, ___. পঞ্চম পদটি কত?
- ক. 75
- খ. 25
- গ. 625
- ঘ. 3125
উত্তর: গ. 625
ধারাটির প্রতিটি পদ আগের পদের 5 গুণ: 1 × 5 = 5, 5 × 5 = 25। তাই এটি একটি গুণোত্তর ধারা, যার প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অনুপাত r = 5।
চতুর্থ পদ = 25 × 5 = 125
পঞ্চম পদ = 125 × 5 = 625
সূত্র দিয়েও পাই: n-তম পদ = arⁿ⁻¹ = 1 × 5⁴ = 625।
মনে রাখুন: সমান্তর ধারায় পাশাপাশি পদের পার্থক্য সমান থাকে, আর গুণোত্তর ধারায় অনুপাত সমান থাকে। - ৬৫. ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষরসমূহের ১টি করে থাকা বাক্স থেকে যেকোনো ১টি উত্তোলন করলে ব্যঞ্জনবর্ণ পাওয়ার সম্ভাব্যতা কত?
- ক. ৫/২৬
- খ. ২১/২৬
- গ. ২৬/৫
- ঘ. ২৬/২১
উত্তর: খ. ২১/২৬
ইংরেজি বর্ণমালায় মোট ২৬টি বর্ণ আছে, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৫টি (A, E, I, O, U)। তাই ব্যঞ্জনবর্ণ = 26 − 5 = 21টি।
সম্ভাব্যতা = অনুকূল ফলাফল ÷ মোট ফলাফল = 21/26
মনে রাখুন: যেকোনো ঘটনার সম্ভাব্যতার মান 0 থেকে 1 এর মধ্যে থাকে, তাই 26/21 বা 26/5 এর মতো 1 এর বড় মান কখনো সম্ভাব্যতা হতে পারে না। এখানে স্বরবর্ণ পাওয়ার সম্ভাব্যতা 5/26, আর দুটি যোগ করলে 1 হয়। - ৬৬. 2x² - x - 3 এর উৎপাদক কোনটি?
- ক. ( 2 x - 3 ) ( x + 1 )
- খ. ( 2 x - 3 ) ( x - 1 )
- গ. ( 2 x + 3 ) ( x + 1 )
- ঘ. ( 2 x + 3 ) ( x - 1 )
উত্তর: ক. ( 2 x - 3 ) ( x + 1 )
মধ্যপদ বিভাজন পদ্ধতিতে উৎপাদক বের করি। এখানে x² এর সহগ 2 ও ধ্রুবক −3 এর গুণফল −6। এমন দুটি সংখ্যা চাই যাদের গুণফল −6 এবং যোগফল −1, সংখ্যা দুটি −3 ও +2।
2x² − x − 3
= 2x² − 3x + 2x − 3
= x(2x − 3) + 1(2x − 3)
= (2x − 3)(x + 1)
যাচাই: (2x − 3)(x + 1) = 2x² + 2x − 3x − 3 = 2x² − x − 3। - ৬৭. X, Y, Z এর তিনটি বর্ণকে নিয়ে কত প্রকারে বিন্যাস করা যায়?
- ক. ৯
- খ. ৬
- গ. ১২
- ঘ. ১৮
উত্তর: খ. ৬
n টি ভিন্ন জিনিসের সবগুলো একসঙ্গে নিয়ে বিন্যাস সংখ্যা হয় n! (n ফ্যাক্টোরিয়াল)। এখানে ৩টি বর্ণ, তাই বিন্যাস সংখ্যা = 3! = 3 × 2 × 1 = 6।
বিন্যাসগুলো হলো: XYZ, XZY, YXZ, YZX, ZXY, ZYX।
মনে রাখুন: বিন্যাসে (Permutation) সাজানোর ক্রম গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সমাবেশে (Combination) ক্রম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই ৩টি বর্ণ থেকে ৩টি নিয়ে সমাবেশ মাত্র ১টি। - ৬৮. $(১৬৯)^{৩/২}$ এর মান কত?
- ক. ৩৩৮
- খ. ৫০৭
- গ. ২৮৫৬১
- ঘ. ২১৯৭
উত্তর: ঘ. ২১৯৭
ঘাতের নিয়ম অনুযায়ী $a^{3/2} = (\sqrt{a})^3$। এখানে 169 = 13², তাই √169 = 13।
$(169)^{3/2} = (\sqrt{169})^3 = 13^3 = 13 \times 13 \times 13 = 2197$
মনে রাখুন: ভগ্নাংশ ঘাতের ক্ষেত্রে হর মূল নির্দেশ করে আর লব ঘাত নির্দেশ করে। যেমন $8^{2/3} = (\sqrt[3]{8})^2 = 2^2 = 4$। - ৬৯. ০.০০২ এর ৫% কত?
- ক. ০.০১
- খ. ০.০০০১
- গ. ০.০০১
- ঘ. ০.০০০০১
উত্তর: খ. ০.০০০১
কোনো সংখ্যার 5% মানে সংখ্যাটির 5/100 অংশ।
0.002 × 5/100 = 0.010/100 = 0.0001
অন্যভাবে, 5% = 0.05, তাই 0.002 × 0.05 = 0.0001।
মনে রাখুন: দশমিক সংখ্যা গুণ করার সময় দুটি সংখ্যার দশমিকের পরের মোট অঙ্কসংখ্যা গুনে গুণফলে ততটি ঘর রাখতে হয়। এখানে 0.002 এ ৩টি ও 0.05 এ ২টি, মোট ৫টি ঘর, তাই উত্তর 0.00010 বা 0.0001। - ৭০. ভাইয়ের বয়স ৮ মাস, বোনের বয়স ২ বছর হলে ভাই ও বোনের বয়সের অনুপাত কত হবে?
- ক. ১ : ৩
- খ. ৩ : ১
- গ. ১ : ৪
- ঘ. ৪ : ১
উত্তর: ক. ১ : ৩
অনুপাত বের করার আগে দুটি রাশিকে একই এককে আনতে হয়। বোনের বয়স ২ বছর = 2 × 12 = 24 মাস।
ভাই : বোন = 8 : 24 = 1 : 3 (উভয়কে 8 দিয়ে ভাগ করে)
মনে রাখুন: অনুপাতের কোনো একক থাকে না, তাই ভিন্ন এককের রাশির মধ্যে সরাসরি অনুপাত করা যায় না। এখানে 8 : 2 লিখলে 4 : 1 এর মতো ভুল উত্তর আসত।
সাধারণ জ্ঞান
- ৭১. বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ এর অর্থ কী?
- ক. সুগন্ধী ফুল
- খ. কালনিশি
- গ. তীব্র ঝড়
- ঘ. উত্তাল ঢেউ
উত্তর: ক. সুগন্ধী ফুল
২০২৫ সালের অক্টোবরে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ (Montha) নামটি দিয়েছে থাইল্যান্ড। থাই ভাষায় শব্দটির অর্থ সুগন্ধি ফুল। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে।
মনে রাখুন: উত্তর ভারত মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) ও জাতিসংঘের এসকাপের (ESCAP) প্যানেল, যার সদস্য বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ। দেশগুলো পালা করে আগে থেকে জমা দেওয়া তালিকা থেকে নাম দেয়। - ৮০. কোনটি বাউল গানের বৈশিষ্ট্য?
- ক. মানবিক আবেগ ও জীবন
- খ. আধ্যাত্মিক প্রেম ও অনুসন্ধান
- গ. পল্লীর সুখ-দুঃখ
- ঘ. ভক্তিমূলক ও বীরত্ব
উত্তর: খ. আধ্যাত্মিক প্রেম ও অনুসন্ধান
বাউল গান মূলত আধ্যাত্মিক সাধনার গান। বাউলরা বিশ্বাস করেন যে স্রষ্টা মানুষের দেহের ভেতরেই আছেন, যাঁকে তাঁরা ‘মনের মানুষ’ বলেন, আর গানের মাধ্যমে সেই মনের মানুষকে খোঁজাই তাঁদের সাধনা। তাই বাউল গানের প্রধান বৈশিষ্ট্য আধ্যাত্মিক প্রেম ও অনুসন্ধান। এই গানে একতারা, দোতারা ও ডুগি বাজানো হয়।
মনে রাখুন: বাউল সম্রাট লালন শাহ, যাঁর আখড়া কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায়। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বাউল গানকে মানবতার মৌখিক ও অধরা ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। - ৮৫. কোন মহাদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক দেশ রয়েছে?
- ক. আফ্রিকা
- খ. এশিয়া
- গ. ইউরোপ
- ঘ. দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর: ক. আফ্রিকা
আফ্রিকা মহাদেশে জাতিসংঘের সদস্য ৫৪টি স্বাধীন দেশ রয়েছে, যা অন্য যেকোনো মহাদেশের চেয়ে বেশি। এশিয়ায় দেশের সংখ্যা প্রায় ৪৮টি এবং ইউরোপে প্রায় ৪৪টি। তবে আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে এশিয়া বৃহত্তম মহাদেশ, আর আফ্রিকা দ্বিতীয়।
মনে রাখুন:
আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ আলজেরিয়া, সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়া।
আফ্রিকার সর্বকনিষ্ঠ দেশ দক্ষিণ সুদান (২০১১)।
সবচেয়ে কম দেশ আছে অস্ট্রেলিয়া বা ওশেনিয়া অঞ্চলে। - ৮৬. পোর্ট ব্লেয়ার আইল্যান্ড অবস্থিত-
- ক. ভারত মহাসাগর
- খ. আটলান্টিক মহাসাগর
- গ. বঙ্গোপসাগর
- ঘ. দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর: গ. বঙ্গোপসাগর
পোর্ট ব্লেয়ার ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী, যা দক্ষিণ আন্দামান দ্বীপে অবস্থিত। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত, তাই পোর্ট ব্লেয়ারও বঙ্গোপসাগরের মধ্যে পড়ে। ২০২৪ সালে ভারত সরকার পোর্ট ব্লেয়ারের নাম বদলে ‘শ্রী বিজয়পুরম’ রেখেছে।
মনে রাখুন: ব্রিটিশ আমলে এখানকার সেলুলার জেলে রাজবন্দিদের দ্বীপান্তর দেওয়া হতো, যাকে ‘কালাপানি’ বলা হতো। - ৮৭. আগুন ও বরফের ভূমি বলা হয় কোন দেশকে?
- ক. নরওয়ে
- খ. ফিনল্যান্ড
- গ. আইসল্যান্ড
- ঘ. গ্রিস
উত্তর: গ. আইসল্যান্ড
আইসল্যান্ডকে আগুন ও বরফের দেশ (Land of Fire and Ice) বলা হয়। এর কারণ দেশটিতে একদিকে রয়েছে বিশাল হিমবাহ, অন্যদিকে রয়েছে বহু সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ও উষ্ণ প্রস্রবণ। দেশটি মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরার ওপর অবস্থিত বলে এখানে আগ্নেয়গিরির তৎপরতা অনেক বেশি।
মনে রাখুন:
আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইকিয়াভিক।
নিশীথ সূর্যের দেশ নরওয়ে।
হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড।
বাংলাদেশ
- ৭২. বাংলাদেশের ৬৪তম GI পণ্য কোনটি?
- ক. কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
- খ. মানিকগঞ্জের হাজারী গুড়
- গ. কুমিল্লার রসমালাই
- ঘ. রাজশাহীর সিল্ক
উত্তর: খ. মানিকগঞ্জের হাজারী গুড়
মানিকগঞ্জের হাজারি গুড় ২০২৬ সালের জুনে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT) থেকে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই (GI: Geographical Indication) সনদ পায়, আর পরীক্ষার সময় এটিকেই দেশের ৬৪তম জিআই পণ্য হিসেবে গণনা করা হয়। খেজুরের রস জ্বাল দিয়ে তৈরি এই গুড় এতই ঝুরঝুরে যে হাতে চাপ দিলে হাজারো টুকরো হয়ে যায়, আর এ থেকেই এর নাম হাজারি গুড় বলে প্রচলিত আছে। গুড়টি মূলত মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি, যা ২০১৬ সালে স্বীকৃতি পায়।
দ্বিতীয় জিআই পণ্য ইলিশ। - ৭৩. বাংলাদেশের নতুন পদ্মা ব্যারেজ কোথায় নির্মিত হবে?
- ক. কুষ্টিয়া
- খ. রাজবাড়ী
- গ. নাটোর
- ঘ. মাদারীপুর
উত্তর: খ. রাজবাড়ী
গঙ্গার পানি ভাগাভাগি চুক্তির পর শুকনো মৌসুমে পদ্মার পানি ধরে রাখার জন্য পদ্মা ব্যারেজ (Padma Barrage) নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই ব্যারেজটি নির্মিত হবে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায়। ব্যারেজের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোতে পানিপ্রবাহ বাড়ানো, সেচ সুবিধা দেওয়া এবং লবণাক্ততা কমানোর লক্ষ্য রয়েছে।
মনে রাখুন: ভারতের ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর ওপর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত, আর বাংলাদেশের তিস্তা ব্যারেজ লালমনিরহাটের দোয়ানীতে। - ৭৪. কোন প্রতিষ্ঠানটি পত্রিকার নিবন্ধন প্রদান করে?
- ক. পিআইবি
- খ. প্রেস কাউন্সিল
- গ. চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর
- ঘ. তথ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর: গ. চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর
বাংলাদেশে কোনো সংবাদপত্র প্রকাশ করতে প্রথমে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে ঘোষণাপত্র নিতে হয়। এরপর পত্রিকার নিবন্ধন দেওয়া ও তালিকাভুক্তির কাজটি করে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (DFP)। এই অধিদপ্তর সরকারি বিজ্ঞাপনের জন্য পত্রিকার মিডিয়া তালিকা তৈরি ও প্রচারসংখ্যা যাচাইয়ের কাজও করে।
মনে রাখুন: প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেয়, আর প্রেস কাউন্সিল সংবাদপত্রের নৈতিকতা ও মান রক্ষা করে। - ৭৫. কোন বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অভিষেক ঘটে?
- ক. ৪র্থ
- খ. ৬ষ্ঠ
- গ. ৮ম
- ঘ. ৭ম
উত্তর: ঘ. ৭ম
বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় আইসিসি ট্রফি জিতে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এরপর ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সপ্তম বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অভিষেক ঘটে। সেই বিশ্বকাপেই বাংলাদেশ শক্তিশালী পাকিস্তানকে ৬২ রানে হারিয়ে চমক দেখায়, আর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জেতে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ।
মনে রাখুন: প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ ১৯৭৫ সালে ইংল্যান্ডে হয়। বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায় ২০০০ সালের ২৬ জুন। - ৭৬. বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল হাসপাতালের নাম কী?
- ক. জীবন তরী
- খ. অগ্রদূত
- গ. গৃহসুখ
- ঘ. উর্বশী
উত্তর: ক. জীবন তরী
‘জীবন তরী’ বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান হাসপাতাল, যা নদীতে নৌযানের মধ্যে চিকিৎসা সেবা দেয় বলে মোবাইল বা চলমান হাসপাতাল হিসেবেও পরিচিত। ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১৯৯৯ সাল থেকে এটি পরিচালনা করছে। হাসপাতালটি নদীপথে দেশের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে গিয়ে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে চোখ, কান, প্রতিবন্ধিতা ও অস্ত্রোপচারের সেবা দেয়।
মনে রাখুন: এটি ভাসমান হাসপাতালের ধারণায় বাংলাদেশের একটি পরিচিত উদ্যোগ, আর একই ধরনের নৌকা স্কুলও দেশের বিভিন্ন চরাঞ্চলে চালু আছে। - ৭৭. বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায়?
- ক. ভোলা
- খ. চাঁদপুর
- গ. বরিশাল
- ঘ. ময়মনসিংহ
উত্তর: ঘ. ময়মনসিংহ
বাংলাদেশের মাছ নিয়ে গবেষণার প্রধান প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI), যার সদর দপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কেন্দ্রেই মাছের প্রজাতি, প্রজনন ও চাষ পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা হয়। এর অধীনে চাঁদপুরে নদী কেন্দ্র, খুলনার পাইকগাছায় লোনাপানি কেন্দ্র এবং কক্সবাজারে সামুদ্রিক মৎস্য কেন্দ্র রয়েছে।
মনে রাখুন: ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটও (BINA) অবস্থিত। - ৭৮. তঞ্চঙ্গ্যা নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ বেশি বাস করে যে জেলায়-
- ক. রাঙ্গামাটি
- খ. বান্দরবান
- গ. চট্টগ্রাম
- ঘ. খাগড়াছড়ি
উত্তর: ক. রাঙ্গামাটি
তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, যাদের বেশির ভাগ মানুষ রাঙ্গামাটি জেলায় বাস করে। বান্দরবান ও কক্সবাজারেও কিছু তঞ্চঙ্গ্যা পরিবার আছে। তাদের ভাষা চাকমা ভাষার কাছাকাছি এবং তারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী চাকমা, যারা প্রধানত রাঙ্গামাটিতে থাকে।
মারমাদের প্রধান বসতি বান্দরবানে, আর ত্রিপুরাদের বড় অংশ খাগড়াছড়িতে। - ৭৯. বাংলাদেশের সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে?
- ক. ৩১ (২)
- খ. ৩৯ (২)
- গ. ২৯ (১)
- ঘ. ২৮ (২)
উত্তর: ঘ. ২৮ (২)
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার বর্ণনা করা হয়েছে। এর ২৮ অনুচ্ছেদের (২) দফায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন। এই অনুচ্ছেদের প্রথম দফায় ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
২৭ অনুচ্ছেদ: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
৩১ অনুচ্ছেদ: আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার।
৩৯ অনুচ্ছেদ: চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা। - ৮১. বিদেশে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয়-
- ক. ইতালি
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. যুক্তরাজ্য
- ঘ. ভারত
উত্তর: গ. যুক্তরাজ্য
বিদেশে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় যুক্তরাজ্যের ওল্ডহ্যাম শহরে, ১৯৯৭ সালে। সেখানে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিরা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এটি তৈরি করেন। পরে লন্ডনের আলতাব আলী পার্কেও ১৯৯৯ সালে একটি শহীদ মিনার স্থাপিত হয়।
মনে রাখুন: ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার হামিদুর রহমান। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। - ৮২. বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থানের নাম-
- ক. তেঁতুলিয়া
- খ. টেকনাফ
- গ. পঞ্চগড়
- ঘ. বাংলাবান্ধা
উত্তর: ঘ. বাংলাবান্ধা
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা, যা পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত। এখানে একটি স্থলবন্দর আছে, যার মাধ্যমে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয়েছে। তেঁতুলিয়া হলো সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা, আর পঞ্চগড় সবচেয়ে উত্তরের জেলা, কিন্তু একেবারে শেষ বিন্দু বা স্থানটির নাম বাংলাবান্ধা।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান: ছেঁড়াদ্বীপ (সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার)।
সবচেয়ে পূর্বের স্থান: আখাইনঠং (থানচি, বান্দরবান)।
সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান: মনাকশা (শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ)। - ৮৩. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান আছে?
- ক. ৮০
- খ. ৯৩
- গ. ১৪২
- ঘ. ১৫০
উত্তর: গ. ১৪২
সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের নিয়ম বলা আছে। এতে কোনো অংশ যোগ করা, বদলানো, প্রতিস্থাপন বা বাতিল করা যায়। এ জন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে বিল পাস করতে হয়। বাকি অনুচ্ছেদগুলো ভিন্ন বিষয়ের, যেমন আইন প্রণয়ন, অধ্যাদেশ এবং ক্রান্তিকালীন বিধান।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৮০: আইন প্রণয়নের পদ্ধতি।
অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন।
অনুচ্ছেদ ১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধান।
আন্তর্জাতিক
- ৮৪. ২০২৬ সালের জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদনের সর্বনিম্ন অবস্থানের দেশ-
- ক. ভুটান
- খ. সোমালিয়া
- গ. কঙ্গো
- ঘ. দক্ষিণ-সুদান
উত্তর: ঘ. দক্ষিণ-সুদান
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক (SDSN) প্রতি বছর টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন (Sustainable Development Report) প্রকাশ করে, যেখানে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে (SDG) দেশগুলোর অগ্রগতি অনুযায়ী র্যাংকিং থাকে। ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ সুদান, আগের বছরগুলোতেও দেশটি তালিকার একেবারে নিচেই ছিল। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ, দারিদ্র্য ও দুর্বল অবকাঠামো এর প্রধান কারণ।
মনে রাখুন: এই সূচকে শীর্ষ স্থানগুলো সাধারণত দখল করে ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও ডেনমার্কের মতো নর্ডিক দেশ। দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে স্বাধীন হওয়া বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ দেশ। - ৮৮. UNHCR এর সদর দপ্তর অবস্থিত-
- ক. জেনেভা
- খ. ওয়াশিংটন
- গ. ব্রাসেলস
- ঘ. নিউইয়র্ক
উত্তর: ক. জেনেভা
জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয় বা ইউএনএইচসিআরের (UNHCR) সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। সংস্থাটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বজুড়ে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সুরক্ষা দেয়। শরণার্থীদের জন্য কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সংস্থাটি ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে দুবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে।
মনে রাখুন: জেনেভায় আরও আছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) ও রেডক্রসের সদর দপ্তর। - ৮৯. দজলা ও ফোরাত নদীর অববাহিকায় কোন সভ্যতা গড়ে ওঠে?
- ক. সিন্ধু সভ্যতা
- খ. মিশরীয় সভ্যতা
- গ. মেসোপটেমিয় সভ্যতা
- ঘ. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
উত্তর: গ. মেসোপটেমিয় সভ্যতা
দজলা (টাইগ্রিস) ও ফোরাত (ইউফ্রেটিস) নদীর মাঝখানের উর্বর ভূমিতে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে ওঠে। ‘মেসোপটেমিয়া’ একটি গ্রিক শব্দ, যার অর্থই হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী দেশ। অঞ্চলটি বর্তমান ইরাকে অবস্থিত। সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসিরীয় ও ক্যালডীয় সভ্যতা এই মেসোপটেমীয় সভ্যতারই বিভিন্ন পর্যায়।
মনে রাখুন:
মিশরীয় সভ্যতা নীলনদের তীরে গড়ে ওঠে।
সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে ওঠে। - ৯০. কিউনিফর্ম কী?
- ক. লিখন পদ্ধতি
- খ. সামরিক পোশাক
- গ. সৈন্য সমাবেশ
- ঘ. জ্যামিতিক নকশা
উত্তর: ক. লিখন পদ্ধতি
কিউনিফর্ম (Cuneiform) হলো পৃথিবীর প্রাচীনতম লিখন পদ্ধতিগুলোর একটি, যা মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয়রা প্রায় ৩২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে উদ্ভাবন করে। তারা নরম কাদামাটির ফলকে নলখাগড়ার কলম দিয়ে চাপ দিয়ে লিখত, ফলে অক্ষরগুলো কীলক বা গোঁজের মতো দেখাত। ল্যাটিন ‘কিউনিয়াস’ মানে কীলক, তাই একে কীলক লিপিও বলা হয়।
মনে রাখুন: মিশরীয়দের লিপির নাম হায়ারোগ্লিফিক বা চিত্রলিপি, আর তারা প্যাপিরাস গাছ থেকে তৈরি কাগজে লিখত। - ৯১. ডেজার্ট ফক্স নামে পরিচিত-
- ক. ফিল্ড মার্শাল টিটো
- খ. লেনিন
- গ. আলেকজান্ডার দি গ্রেট
- ঘ. ফিল্ড মার্শাল রোমেল
উত্তর: ঘ. ফিল্ড মার্শাল রোমেল
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে উত্তর আফ্রিকার মরুভূমিতে জার্মান বাহিনীর নেতৃত্ব দেন ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল। মরুভূমির যুদ্ধে তাঁর চতুর কৌশল ও আকস্মিক আক্রমণের দক্ষতার জন্য ব্রিটিশরাও তাঁকে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা মরুশৃগাল বলে ডাকত। লিবিয়া ও মিশরের এল আলামিনের যুদ্ধে তিনি ব্রিটিশ জেনারেল মন্টগোমারির মুখোমুখি হন।
মনে রাখুন: ‘আয়রন ডিউক’ ডিউক অব ওয়েলিংটন, যিনি ওয়াটারলুর যুদ্ধে নেপোলিয়নকে হারান, আর ‘আয়রন লেডি’ মার্গারেট থ্যাচার। - ৯৪. লেবানন কোন দেশের নিকট হতে স্বাধীনতা লাভ করে?
- ক. ব্রিটেন
- খ. ফ্রান্স
- গ. তুরস্ক
- ঘ. স্পেন
উত্তর: খ. ফ্রান্স
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর অটোমান সাম্রাজ্য ভেঙে গেলে লেবানন ফ্রান্সের ম্যান্ডেটের (তত্ত্বাবধান) অধীনে যায়। এরপর ১৯৪৩ সালের ২২ নভেম্বর দেশটি ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। তাই লেবানন ব্রিটেন, তুরস্ক বা স্পেন নয়, ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীন হয়েছে।
মনে রাখুন:
লেবাননের রাজধানী বৈরুত।
সিরিয়াও একই সময়ে ফ্রান্সের ম্যান্ডেটের অধীন ছিল এবং ১৯৪৬ সালে স্বাধীনতা পায়।
জর্ডান ও ইরাক ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীন ছিল। - ৯৫. আরামকো কোন দেশের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানী-
- ক. ইরান
- খ. সৌদি আরব
- গ. ওমান
- ঘ. ভারত
উত্তর: খ. সৌদি আরব
সৌদি আরামকো (Saudi Aramco) সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি, যার সদর দপ্তর দাহরানে। এটি তেল উৎপাদন ও মজুদের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম তেল কোম্পানিগুলোর একটি এবং বাজারমূল্যের দিক থেকেও বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকে। এর পুরোনো নাম ছিল আরাবিয়ান-আমেরিকান অয়েল কোম্পানি, সেখান থেকেই ‘আরামকো’ নামটি এসেছে।
মনে রাখুন: ইরানের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি NIOC, আর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস করপোরেশন পেট্রোবাংলা।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৯২. কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অমর্ত্য সেনকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়?
- ক. মজুরি তত্ত্ব
- খ. বাণিজ্য তত্ত্ব
- গ. কল্যাণ অর্থনীতি
- ঘ. উন্নয়ন অর্থনীতি
উত্তর: গ. কল্যাণ অর্থনীতি
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে কল্যাণ অর্থনীতিতে (Welfare Economics) অবদানের জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি দেখিয়েছেন, দুর্ভিক্ষ শুধু খাদ্যের অভাবে হয় না, বরং মানুষের খাদ্য কেনার সামর্থ্য বা অধিকার হারানো থেকেই হয়। ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষ নিয়ে তাঁর গবেষণা এই তত্ত্বের ভিত্তি।
মনে রাখুন: তিনি জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক (HDI) তৈরিতে মাহবুবুল হকের সঙ্গে কাজ করেন। তাঁর জন্ম শান্তিনিকেতনে এবং নামটি রেখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন