হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় জুনিয়র অডিটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২২। ৭৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা (১৯)
- বাংলাদেশ (১১)
- ইংরেজি (২০)
- গণিত (১৮)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- আন্তর্জাতিক (৬)
- সাধারণ জ্ঞান (১)
- বিজ্ঞান (১)
বাংলা
- ১. ‘‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’’- কার লেখা?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. সৈয়দ শামসুল হক
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. জসীম উদ্দিন
উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ
‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’ চরণটি জীবনানন্দ দাশের লেখা, এটি তাঁর ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের একটি সনেটের অংশ। বাংলার প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসার জন্য তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
‘রূপসী বাংলা’ কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
জীবনানন্দ দাশের অন্য কাব্য ‘বনলতা সেন’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ ও ‘ঝরা পালক’।
রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বলেছিলেন। - ২. ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়’- চরণটির রচয়িতা কে?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. শামসুর রহমান
- গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর: ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’ চরণটি কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘হে মহাজীবন’ কবিতার অংশ। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে কবিতার কোমলতা নয়, বরং খাদ্যের প্রয়োজনই বড়, এই বাস্তবতা এখানে ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
সুকান্তকে ‘কিশোর কবি’ বলা হয়, তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে মারা যান।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’ ও ‘পূর্বাভাস’। - ৩. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
- ক. চিলেকোঠার সেপাই
- খ. আগুনের পরশমণি
- গ. একাত্তরের দিনগুলি
- ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
উত্তর: খ. আগুনের পরশমণি
‘আগুনের পরশমণি’ হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ ঢাকায় একদল গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার অভিযান এবং একটি পরিবারের ভয় ও আশা নিয়ে উপন্যাসটি লেখা। ১৯৯৪ সালে লেখক নিজেই এটি অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
মনে রাখুন:
‘চিলেকোঠার সেপাই’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস, এর পটভূমি ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান।
‘একাত্তরের দিনগুলি’ জাহানারা ইমামের দিনলিপি।
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাটক। - ৪. ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’- গানটির গীতিকার কে?
- ক. আলতাফ মাহমুদ
- খ. গাজী মাযহারুল আনোয়ার
- গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
- ঘ. শওকত ওসমান
উত্তর: গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি লিখেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর। প্রথমে আবদুল লতিফ এতে সুর দেন, পরে আলতাফ মাহমুদের সুরেই গানটি বিখ্যাত হয় এবং এখন প্রভাতফেরিতে এই সুরেই গাওয়া হয়।
মনে রাখুন:
বিবিসির জরিপে এটি সর্বকালের সেরা বাংলা গানের তালিকায় তৃতীয় স্থান পায়।
ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’। - ৫. ‘সুলতানার স্বপ্ন’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
- ক. কাব্য
- খ. উপন্যাস
- গ. নাটক
- ঘ. প্রবন্ধ
উত্তর: খ. উপন্যাস
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘সুলতানার স্বপ্ন’ উপন্যাসধর্মী রচনা। তিনি এটি প্রথমে ইংরেজিতে ‘Sultana’s Dream’ নামে লেখেন (১৯০৫), পরে বাংলায় প্রকাশিত হয়। এই কল্পকাহিনিতে নারীরা শাসনকাজ চালায় আর পুরুষেরা অন্দরমহলে থাকে। কাহিনিটি উল্টো এক সমাজের ছবি তুলে ধরে, যাতে পাঠক নিজের সমাজকে নতুন চোখে দেখতে পারে। এতে নারী শিক্ষা ও সমতার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্যান্য রচনা: ‘মতিচূর’ (প্রবন্ধ), ‘পদ্মরাগ’ (উপন্যাস), ‘অবরোধবাসিনী’।
তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
রোকেয়া দিবস ৯ ডিসেম্বর। - ৭. নিচের কোন বানানটি সঠিক?
- ক. পরিষ্কার
- খ. পরিস্কার
- গ. পরিশকার
- ঘ. পরিঃষ্কার
উত্তর: ক. পরিষ্কার
‘পরিষ্কার’ শব্দটি গঠিত হয়েছে পরি + কার থেকে, যেখানে মাঝখানে একটি ‘ষ’ আগম হয়েছে। ‘ই’-কারের পরে ‘ক’ থাকলে দন্ত্য-স না হয়ে মূর্ধন্য-ষ বসে, এটিই ষত্ব বিধানের নিয়ম, তাই শুদ্ধ বানান ‘পরিষ্কার’।
মনে রাখুন: ‘আবিষ্কার’ শব্দেও মূর্ধন্য-ষ বসে, কিন্তু ‘পুরস্কার’ ও ‘তিরস্কার’ শব্দে দন্ত্য-স। - ৮. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
- ক. বর্ণ
- খ. পদ
- গ. অক্ষর
- ঘ. ধ্বনি
উত্তর: ঘ. ধ্বনি
ভাষার সবচেয়ে ছোট একক ধ্বনি (Sound)। আমরা মুখ দিয়ে যে আলাদা আলাদা আওয়াজ করি, সেগুলোই ধ্বনি। কয়েকটি ধ্বনি মিলে শব্দ তৈরি হয় আর কয়েকটি শব্দ মিলে বাক্য হয়।
বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক। ধ্বনি আমরা শুনি, আর বর্ণ আমরা দেখি। তাই বর্ণ ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়। পদ হলো বাক্যে ব্যবহৃত শব্দ, সেটিও ধ্বনির চেয়ে বড়।
মনে রাখুন:
ভাষার একক ছোট থেকে বড় ক্রমে: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য।
ধ্বনি নিয়ে আলোচনা হয় ধ্বনিতত্ত্বে।
বাংলা বর্ণমালায় ১১টি স্বরবর্ণ ও ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে। - ৯. বাংলা স্বরবর্ণ কয়টি?
- ক. নয়টি
- খ. দশটি
- গ. এগারটি
- ঘ. বারটি
উত্তর: গ. এগারটি
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। এর মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং যৌগিক স্বরবর্ণ ২টি, ঐ ও ঔ।
মনে রাখুন:
ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি এবং মোট বর্ণ ৫০টি।
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে, আর ‘অ’-এর কোনো কার নেই বলে কার ১০টি। - ১০. ‘দ্ধ’ যুক্তাক্ষরে কোন দুটি বর্ণ রয়েছে?
- ক. দ + ব
- খ. দ + দ
- গ. দ + ত
- ঘ. দ + ধ
উত্তর: ঘ. দ + ধ
'দ্ধ' যুক্তাক্ষরটি গঠিত হয়েছে দ এবং ধ মিলে। এটি বাংলায় খুব প্রচলিত যুক্তবর্ণ, যেমন শুদ্ধ, যুদ্ধ, বুদ্ধ, সিদ্ধ, বৃদ্ধ। লেখার সময় দ-এর নিচে ধ বসিয়ে এটি তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
দ + দ = দ্দ (উদ্দেশ্য)।
দ + ব = দ্ব (দ্বার)।
দ + ভ = দ্ভ (অদ্ভুত)।
ক্ + ষ = ক্ষ (পক্ষ)। - ১১. নিম্নের কোনটি শব্দের আগে বসে?
- ক. অনুসর্গ
- খ. উপসর্গ
- গ. বিভক্তি
- ঘ. প্রত্যয়
উত্তর: খ. উপসর্গ
যে অব্যয়সূচক শব্দাংশ শব্দ বা ধাতুর আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে বা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, তাকে উপসর্গ (Prefix) বলে। যেমন ‘হার’ শব্দের আগে ‘আ’, ‘প্র’, ‘বি’ বসিয়ে পাওয়া যায় আহার, প্রহার ও বিহার।
মনে রাখুন:
প্রত্যয় ও বিভক্তি শব্দের পরে বসে।
অনুসর্গও শব্দের পরে আলাদাভাবে বসে, যেমন ‘ঘর থেকে’, ‘কলম দিয়ে’।
বাংলায় উপসর্গ মোট ৫০টি: তৎসম ২০টি, খাঁটি বাংলা ২১টি এবং বিদেশি ৯টি। - ১২. নিচের কোনটি গুণবাচক বিশেষ্য?
- ক. বহর
- খ. মধুরতা
- গ. সাহসী
- ঘ. দর্শন
উত্তর: খ. মধুরতা
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো বস্তু বা ব্যক্তির গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে। ‘মধুরতা’ হলো মধুর হওয়ার গুণ, তাই এটি গুণবাচক বিশেষ্য। ‘সাহসী’ একটি বিশেষণ, আর ‘বহর’ মানে দল বা সারি, যা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
মনে রাখুন:
গুণবাচক বিশেষ্যের আরও উদাহরণ: তারল্য, তিক্ততা, সৌরভ, সততা।
‘দর্শন’ (দেখা) একটি ভাববাচক বিশেষ্য। - ১৩. নিচের কোন শব্দটি তৎসম শব্দ?
- ক. জীবন
- খ. গোয়ালা
- গ. চামার
- ঘ. পেট
উত্তর: ক. জীবন
যেসব সংস্কৃত শব্দ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাদের তৎসম শব্দ বলে। ‘জীবন’ শব্দটি সংস্কৃতে যেমন, বাংলাতেও তেমনই, তাই এটি তৎসম শব্দ। অন্যদিকে গোয়ালা (গোপাল থেকে), চামার (চর্মকার থেকে) ও পেট সংস্কৃত থেকে বদলে আসা তদ্ভব বা দেশি শব্দ।
মনে রাখুন: তৎসম শব্দের আরও উদাহরণ: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র। - ১৪. ‘হিসাব’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- ক. পর্তুগিজ
- খ. আরবি
- গ. জাপানিজ
- ঘ. গুজরাটি
উত্তর: খ. আরবি
‘হিসাব’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনামলে রাজস্ব ও প্রশাসনের কাজে অনেক আরবি-ফারসি শব্দ বাংলায় প্রবেশ করে, ‘হিসাব’ তারই একটি।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: আদালত, উকিল, কলম, কিতাব, তারিখ, হিসাব।
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, চাবি, পাউরুটি, বালতি।
জাপানি শব্দ: রিকশা, হারিকিরি, সুনামি। - ১৫. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কি বলে?
- ক. বিভক্তি
- খ. কারক
- গ. ধাতু
- ঘ. প্রত্যয়
উত্তর: গ. ধাতু
ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে যে মূল অংশটি পাওয়া যায়, তাকে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে। যেমন ‘পড়ে’ ক্রিয়াপদে মূল অংশ ‘পড়্’, আর ‘এ’ হলো বিভক্তি।
মনে রাখুন:
ধাতু তিন প্রকার: মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও যৌগিক ধাতু।
ধাতুকে বোঝাতে এর আগে √ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন √কর্, √চল্। - ১৬. ‘ঘ্রাণ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ?
- ক. ঘ্রাণ + অ
- খ. ঘ্রা + অন
- গ. ঘৃ + আ + ন
- ঘ. ঘৃ + অন
উত্তর: খ. ঘ্রা + অন
‘ঘ্রাণ’ শব্দটি সংস্কৃত ‘ঘ্রা’ ধাতুর সঙ্গে ‘অন’ যুক্ত হয়ে গঠিত, অর্থাৎ ঘ্রা + অন = ঘ্রাণ, যার অর্থ গন্ধ নেওয়া বা গন্ধ। ‘র’-ফলার প্রভাবে ণত্ব বিধান অনুযায়ী এখানে ‘ন’ বদলে মূর্ধন্য-ণ হয়েছে।
মনে রাখুন: ‘ঘ্রাণেন্দ্রিয়’ মানে নাক, যা দিয়ে আমরা গন্ধ অনুভব করি। - ১৭. সমাস ভাষাকে-
- ক. সংকোচন করে
- খ. সংক্ষেপ করে
- গ. অর্থবোধক করে
- ঘ. বিস্তৃত করে
উত্তর: খ. সংক্ষেপ করে
পরস্পর অর্থসম্বন্ধযুক্ত দুই বা তার বেশি পদকে এক পদে পরিণত করাকে সমাস (Compound) বলে। যেমন ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’ না বলে আমরা বলি ‘সিংহাসন’, এতে কথাটি ছোট হয় কিন্তু অর্থ একই থাকে। তাই সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে এবং শ্রুতিমধুর করে।
মনে রাখুন:
সমাসের প্রধান প্রকার ৬টি: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব।
যে বাক্য বা বাক্যাংশ দিয়ে সমস্তপদের অর্থ বোঝানো হয়, তাকে ব্যাসবাক্য বলে। - ১৮. কোনটি উভয় লিঙ্গ?
- ক. স্ত্রী
- খ. সন্তান
- গ. দেবর
- ঘ. পুত্র
উত্তর: খ. সন্তান
‘সন্তান’ শব্দটি দিয়ে ছেলে ও মেয়ে দুজনকেই বোঝানো যায়, তাই এটি উভয় লিঙ্গ। অন্যদিকে ‘স্ত্রী’ স্ত্রীলিঙ্গ, আর ‘দেবর’ ও ‘পুত্র’ পুংলিঙ্গ।
মনে রাখুন:
উভয় লিঙ্গের আরও উদাহরণ: শিশু, মানুষ, শিক্ষার্থী, বন্ধু, জন।
দেবর-এর স্ত্রীলিঙ্গ ননদ এবং পুত্র-এর স্ত্রীলিঙ্গ কন্যা। - ১৯. ‘কবিতা’ শব্দের বহুবচন কোনটি?
- ক. কবিতাগুচ্ছ
- খ. কবিতামালা
- গ. কবিতারাজি
- ঘ. কবিতাসমূহ
উত্তর: ক. কবিতাগুচ্ছ
বাংলায় কিছু বহুবচনবাচক শব্দ নির্দিষ্ট বিশেষ্যের সঙ্গে প্রথাগতভাবে ব্যবহৃত হয়। ‘গুচ্ছ’ শব্দটি একসঙ্গে বাঁধা কয়েকটি জিনিস বোঝায়, তাই কবিতার সংকলন বোঝাতে ‘কবিতাগুচ্ছ’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
ফুলের বহুবচন: পুষ্পগুচ্ছ বা ফুলগুচ্ছ।
তারার বহুবচন: তারকারাজি।
পর্বতের বহুবচন: পর্বতমালা।
মেঘের বহুবচন: মেঘমালা। - ২০. ছাদ থেকে পানি পড়ে- কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. করণে ৭মী
- খ. অধিকরণে ৭মী
- গ. অধিকরণে ৫মী
- ঘ. অপাদানে ৫মী
উত্তর: ঘ. অপাদানে ৫মী
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, নির্গত বা পতিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। ‘ছাদ থেকে পানি পড়ে’ বাক্যে পানি ছাদ থেকে পতিত হচ্ছে, তাই ‘ছাদ’ অপাদান কারক। এখানে ‘থেকে’ অনুসর্গটি পঞ্চমী বিভক্তির কাজ করছে, তাই এটি অপাদানে ৫মী।
মনে রাখুন: অপাদানে অন্য বিভক্তির উদাহরণ: গাছে ফল পড়ে (৭মী), মেঘে বৃষ্টি হয় (৭মী)।
বাংলাদেশ
- ৬. ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র’- কে সম্পাদনা করেছেন?
- ক. ড. আনিসুজ্জামান
- খ. হাসান হাফিজুর রহমান
- গ. ড. মুনতাসির মামুন
- ঘ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর: খ. হাসান হাফিজুর রহমান
‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র’ সম্পাদনা করেছেন কবি হাসান হাফিজুর রহমান। সরকারি উদ্যোগে ১৫ খণ্ডে প্রকাশিত এই গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক দলিল, সরকারি নথি, সংবাদপত্রের প্রতিবেদন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ সংকলিত হয়েছে।
মনে রাখুন:
হাসান হাফিজুর রহমান ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ সম্পাদনা করেন।
তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘বিমুখ প্রান্তর’ ও ‘আর্ত শব্দাবলী’। - ৫৯. ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
- ক. বিল অব রাইটস
- খ. ম্যাগনাকার্টা
- গ. পিটিশন অব রাইটস
- ঘ. মুখ্য আইন
উত্তর: খ. ম্যাগনাকার্টা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের জন্য ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এটি বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত। ইংল্যান্ডে ১২১৫ সালে রাজা জনের সঙ্গে সামন্তদের স্বাক্ষরিত ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) ছিল নাগরিক অধিকারের প্রথম ঐতিহাসিক সনদ। তাই ছয় দফাকে ম্যাগনা কার্টার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
মনে রাখুন:
ইংল্যান্ডের ‘পিটিশন অব রাইটস’ ১৬২৮ সালে এবং ‘বিল অব রাইটস’ ১৬৮৯ সালে হয়।
ছয় দফার প্রতি দাবি সংক্ষেপে: ফেডারেল সরকার, দুটি আলাদা মুদ্রা, নিজস্ব আয় ও বৈদেশিক বাণিজ্য, আলাদা আধা-সামরিক বাহিনী। - ৬০. ১৯৭১ সালে ‘The concert for Bangladesh’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. লন্ডন
- খ. নিউইয়র্ক
- গ. ওয়াশিংটন
- ঘ. বার্লিন
উত্তর: খ. নিউইয়র্ক
মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীদের সাহায্যের জন্য ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘The Concert for Bangladesh’ অনুষ্ঠিত হয়। বিটলস ব্যান্ডের জর্জ হ্যারিসন এবং সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর এর আয়োজন করেন।
মনে রাখুন: এই কনসার্টে বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন ও ওস্তাদ আলী আকবর খানও অংশ নেন। জর্জ হ্যারিসনের গাওয়া ‘Bangla Desh’ গানটি বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে তোলে। - ৬১. বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
- ক. ময়নামতি
- খ. ঢাকা
- গ. পাহাড়পুর
- ঘ. সোনারগাঁ
উত্তর: ঘ. সোনারগাঁ
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর পরিচালনা করে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৭৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সোনারগাঁ একসময় বাংলার প্রাচীন রাজধানী ছিল, তাই জাদুঘরটির কাছেই পানাম নগরের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখা যায়।
মনে রাখুন: ময়নামতি কুমিল্লায় আর পাহাড়পুর নওগাঁয় অবস্থিত বৌদ্ধ প্রত্নস্থান। - ৬২. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৩টি
- ঘ. ৬টি
উত্তর: ক. ৪টি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম (Monogram) একটি লাল বৃত্তের মধ্যে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র দিয়ে তৈরি। বৃত্তের ওপরের দিকে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ ও নিচে ‘সরকার’ লেখা থাকে, আর দুই পাশে মোট ৪টি তারকা থাকে।
মনে রাখুন: জাতীয় প্রতীকেও ৪টি তারকা আছে, যা সংবিধানের চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা নির্দেশ করে। - ৬৪. বাংলাদেশের কোন জেলায় চা বাগান সবচেয়ে বেশি?
- ক. সিলেট
- খ. হবিগঞ্জ
- গ. মৌলভীবাজার
- ঘ. পঞ্চগড়
উত্তর: গ. মৌলভীবাজার
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান আছে সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলায়, দেশের মোট চা বাগানের অর্ধেকের বেশি এই জেলাতেই। এ কারণে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলকে চায়ের রাজধানী বলা হয়, আর বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটও শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান মালনীছড়া, যা ১৮৫৪ সালে সিলেটে প্রতিষ্ঠিত হয়। - ৬৫. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?
- ক. অ্যাডেন হার্টজ
- খ. পি. জে. হার্টজ
- গ. পি. জে. হার্টগ
- ঘ. পি. জে. থমসন
উত্তর: গ. পি. জে. হার্টগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে, আর এর প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ (P. J. Hartog)। তিনি একজন ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং ১৯২১ থেকে ১৯২৫ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি মুসলিম উপাচার্য ছিলেন স্যার এ. এফ. রহমান, তিনি ১৯৩৪ সালে দায়িত্ব নেন। - ৬৬. বাংলাদেশের কখন থেকে বয়স্ক ভাতা চালু হয়?
- ক. ১৯৯৬
- খ. ১৯৯৭
- গ. ১৯৯৮
- ঘ. ১৯৯৯
উত্তর: গ. ১৯৯৮
দরিদ্র প্রবীণ মানুষের সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি চালু করে, যার বাস্তবায়ন শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। কর্মসূচিটি সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
মনে রাখুন: বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা চালু হয় ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে। এগুলো সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (Social Safety Net) কর্মসূচির অংশ। - ৬৭. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ধারায় সকল নাগরিকের আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে?
- ক. ধারা ২৪
- খ. ধারা ২৫
- গ. ধারা ২৬
- ঘ. ধারা ২৭
উত্তর: ঘ. ধারা ২৭
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার বর্ণনা করা হয়েছে, আর এই ভাগের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
মনে রাখুন:
২৮ অনুচ্ছেদ: ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ ইত্যাদি কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ।
২৯ অনুচ্ছেদ: সরকারি নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা।
৩১ অনুচ্ছেদ: আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার। - ৬৮. জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
- ক. হামিদুর রহমান
- খ. নিতুন কুণ্ডু
- গ. মাইনুল হোসেন
- ঘ. শামীম সিদকার
উত্তর: গ. মাইনুল হোসেন
সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা করেছেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। ১৯৭২ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং ১৯৮২ সালে নির্মাণ শেষ হয়। স্মৃতিসৌধের সাতটি ত্রিভুজাকার স্তম্ভ স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় নির্দেশ করে।
মনে রাখুন: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান, আর অপরাজেয় বাংলার ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ। - ৭৬. প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী?
- ক. বরিশাল
- খ. পটুয়াখালী
- গ. পিরোজপুর
- ঘ. ভোলা
উত্তর: ক. বরিশাল
প্রাচীন বাংলার দক্ষিণাঞ্চলের একটি জনপদের নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ। এই অঞ্চলই বর্তমান বরিশাল ও এর আশপাশের এলাকা, তাই চন্দ্রদ্বীপকে বরিশালের প্রাচীন নাম বলা হয়। বরিশাল অঞ্চলের আরেকটি পুরোনো নাম বাকলা।
মনে রাখুন:
পুণ্ড্রনগর: বগুড়ার মহাস্থানগড়।
সমতট: কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল।
হরিকেল: সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল।
ইংরেজি
- ২১. ‘Out and Out’ means
- ক. Not at all
- খ. Thoroughly
- গ. Brave
- ঘ. Between
উত্তর: খ. Thoroughly
Out and out একটি idiom, যার অর্থ পুরোপুরি বা আগাগোড়া, অর্থাৎ thoroughly। কাউকে কোনো গুণ বা দোষে সম্পূর্ণভাবে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: He is an out and out rogue. (সে একজন পুরোদস্তুর বদমাশ।)
মনে রাখুন:
Out and away: অনেক বেশি পরিমাণে।
Out of sorts: অসুস্থ বা মনমরা। - ২২. The antonym for ‘Recalcitrant’
- ক. Careful
- খ. Passive
- গ. Compliant
- ঘ. None of above
উত্তর: গ. Compliant
Recalcitrant মানে অবাধ্য বা একগুঁয়ে, অর্থাৎ যে নিয়ম বা কর্তৃপক্ষের কথা মানতে চায় না। তাই এর বিপরীত শব্দ Compliant, যার অর্থ বাধ্য বা অনুগত। Careful মানে সতর্ক, আর Passive মানে নিষ্ক্রিয়, যা অবাধ্যতার ঠিক বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: Recalcitrant-এর সমার্থক শব্দ Obstinate, Defiant ও Unruly। - ২৩. ‘আমার ক্ষুধা নেই’ এর ইংরেজি-
- ক. I have no appetite
- খ. I have no hunger
- গ. I am not hungry
- ঘ. I have hunger
উত্তর: ক. I have no appetite
‘ক্ষুধা নেই’ বলতে এখানে খাওয়ার রুচি বা ইচ্ছা না থাকার কথা বোঝানো হয়েছে, আর ইংরেজিতে খাওয়ার রুচিকে বলে Appetite। তাই বাক্যটির প্রচলিত অনুবাদ হলো I have no appetite। Hunger শব্দটি সাধারণত have no-এর সঙ্গে বসে না, আর I have hunger ইংরেজিতে স্বাভাবিক গঠন নয়।
মনে রাখুন:
Appetite মানে ক্ষুধা বা রুচি; Loss of appetite মানে ক্ষুধামান্দ্য।
আমার খিদে পেয়েছে: I am hungry। - ২৪. Which one is the correct spelling?
- ক. Quram
- খ. Qouram
- গ. Quoram
- ঘ. Quorum
উত্তর: ঘ. Quorum
কোনো সভা বা সংসদে সিদ্ধান্ত নিতে ন্যূনতম যত সদস্যের উপস্থিতি দরকার, তাকে কোরাম (Quorum) বলে। শব্দটির শুদ্ধ বানান Quorum, অর্থাৎ Q-u-o-r-u-m। এটি লাতিন শব্দ, তাই শেষে -um থাকে, -am নয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কোরাম হয় ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে। - ২৫. I need some books, ...?
- ক. Don’t I
- খ. Do I
- গ. Needn’t I
- ঘ. Need I
উত্তর: ক. Don’t I
এখানে need শব্দটি মূল ক্রিয়া (Main Verb), কারণ এর পরে সরাসরি কর্ম some books বসেছে। মূল ক্রিয়ার present tense হলে Tag Question তৈরিতে do/does ব্যবহার করতে হয়। বাক্যটি হ্যাঁ-বোধক, তাই tag হবে না-বোধক, অর্থাৎ don't I।
মনে রাখুন: need যখন modal হিসেবে বসে (যেমন You needn't go), তখন tag-এ need-ই ফিরে আসে: You needn't go, need you? - ২৬. Change into passive, ‘‘Whom do you want?’’
- ক. By whom you are wanted?
- খ. By whom are you wanted?
- গ. Whom is wanted by you?
- ঘ. Who is wanted by you?
উত্তর: ঘ. Who is wanted by you?
Whom do you want? বাক্যে whom হলো want ক্রিয়ার কর্ম (Object)। Passive করার সময় এই কর্মই কর্তা হয়ে বাক্যের শুরুতে আসে, তাই objective case whom বদলে subjective case who হয়। এরপর present indefinite-এর নিয়মে is + past participle বসে এবং শেষে by you যুক্ত হয়। ফলে বাক্যটি দাঁড়ায় Who is wanted by you?
মনে রাখুন: Who দিয়ে শুরু প্রশ্নের Passive-এ by whom বসে, যেমন Who wrote this? → By whom was this written? - ২৭. ‘We shall be blamed’ এর Active Voice কোনটি?
- ক. Everyone shall blame us
- খ. Everyone blame us
- গ. Everyone will blame us
- ঘ. Everyone is blaming us
উত্তর: গ. Everyone will blame us
We shall be blamed বাক্যটি future indefinite tense-এর Passive Voice, এখানে কর্তার উল্লেখ নেই। এ রকম বাক্যকে Active করতে সাধারণ কর্তা হিসেবে someone বা everyone বসানো হয়। কর্তা third person হওয়ায় shall নয়, will বসবে, আর we কর্ম হয়ে us হবে। তাই Active রূপ হলো Everyone will blame us।
মনে রাখুন: Passive-এ কর্তা উহ্য থাকলে Active করার সময় someone, everyone, people বা they বসানো হয়। - ২৮. This is the man who went there, It is a/an ... clause.
- ক. Noun
- খ. Adjective
- গ. Adverbial
- ঘ. Co-ordinate
উত্তর: খ. Adjective
This is the man who went there বাক্যে who went there অংশটি man নামক বিশেষ্যটি সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দিচ্ছে, অর্থাৎ কোন লোক তা চিনিয়ে দিচ্ছে। বিশেষ্যকে বিশেষিত করে বলে এই অংশকে Adjective Clause বলে। এ ধরনের clause সাধারণত who, which, that, whose ইত্যাদি relative pronoun দিয়ে শুরু হয়।
মনে রাখুন: যে clause বাক্যে noun-এর কাজ করে তা Noun Clause, আর যে clause verb-কে বিশেষিত করে তা Adverbial Clause। - ২৯. He ran ... the field.
- ক. in
- খ. with
- গ. up
- ঘ. across
উত্তর: ঘ. across
কোনো জায়গার এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাওয়া বোঝাতে across ব্যবহার করা হয়। মাঠের এপার থেকে ওপারে দৌড়ানো বোঝাতে তাই He ran across the field বলা হয়। in বসালে মাঠের ভেতরে দৌড়ানো বোঝাত, এপার-ওপার যাওয়ার ভাব আসত না।
মনে রাখুন: across মানে আড়াআড়ি এক পাশ থেকে অন্য পাশে, আর through মানে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে, যেমন through the forest। - ৩০. He has abhorrence ... war.
- ক. of
- খ. to
- গ. for
- ঘ. in
উত্তর: ক. of
Abhorrence শব্দের অর্থ তীব্র ঘৃণা বা বিতৃষ্ণা। কোনো কিছুর প্রতি এই ঘৃণা বোঝাতে abhorrence-এর পরে of বসে, যেমন He has abhorrence of war, অর্থাৎ যুদ্ধের প্রতি তার তীব্র ঘৃণা আছে।
মনে রাখুন: বিশেষণ রূপ abhorrent-এর পরে to বসে, যেমন War is abhorrent to him। ক্রিয়া রূপ abhor-এর পরে কোনো preposition লাগে না, যেমন He abhors war। - ৩১. Neither Mily nor Lily ... qualified for the Job.
- ক. are
- খ. is
- গ. were
- ঘ. have
উত্তর: খ. is
Neither ... nor দিয়ে দুটি কর্তা যুক্ত হলে verb বসে কাছের কর্তা অনুযায়ী। এখানে verb-এর কাছের কর্তা Lily, যা একবচন, তাই verb হবে is। বাক্যটি দাঁড়ায় Neither Mily nor Lily is qualified for the job।
মনে রাখুন: Either ... or-এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম, যেমন Either you or he is responsible। কিন্তু both ... and দিয়ে যুক্ত কর্তার পরে সবসময় বহুবচন verb বসে। - ৩২. ‘Parcel’ means-
- ক. quarrel
- খ. piece of land
- গ. postage
- ঘ. bubble
উত্তর: খ. piece of land
Parcel শব্দের পরিচিত অর্থ মোড়ক বা পার্সেল হলেও এর আরেকটি অর্থ হলো জমির একটি খণ্ড বা অংশ, যেমন a parcel of land। দেওয়া শব্দগুলোর মধ্যে এই অর্থের সঙ্গে piece of land মিলে যায়। postage মানে ডাকমাশুল, যা পার্সেল পাঠানোর খরচ, কিন্তু parcel-এর অর্থ নয়।
মনে রাখুন: part and parcel একটি idiom, এর অর্থ অবিচ্ছেদ্য অংশ। - ৩৩. ‘‘Knowledge comes but wisdom lingers’’- কার উক্তি?
- ক. Alfred Lord Tennyson
- খ. Robert Browning
- গ. Thomas Hardy
- ঘ. Charles Dickens
উত্তর: ক. Alfred Lord Tennyson
Knowledge comes, but wisdom lingers চরণটি ইংরেজ কবি আলফ্রেড লর্ড টেনিসন (Alfred Lord Tennyson)-এর Locksley Hall কবিতা থেকে নেওয়া। এর অর্থ হলো জ্ঞান সহজে আসে, কিন্তু প্রজ্ঞা আসে ধীরে, অনেক অভিজ্ঞতার পরে। টেনিসন ভিক্টোরীয় যুগের কবি এবং দীর্ঘদিন ইংল্যান্ডের রাজকবি (Poet Laureate) ছিলেন।
মনে রাখুন: টেনিসনের বিখ্যাত রচনা In Memoriam, Ulysses ও The Charge of the Light Brigade। - ৩৪. ‘War and peace’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- ক. George Eliot
- খ. Leo Tolstoy
- গ. Karl Marx
- ঘ. Oscar Wilde
উত্তর: খ. Leo Tolstoy
War and Peace উপন্যাসটি রুশ লেখক লিও টলস্টয় (Leo Tolstoy)-এর লেখা। নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণের পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসকে বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ধরা হয়।
মনে রাখুন:
টলস্টয়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস Anna Karenina।
George Eliot লিখেছেন Middlemarch, Oscar Wilde লিখেছেন The Picture of Dorian Gray, আর Karl Marx লিখেছেন Das Kapital। - ৩৫. অসমাপ্ত আত্মজীবনী এর ইংরেজী অনুবাদ কোনটি?
- ক. Unfinished Biography
- খ. Incomplete Biography
- গ. The Unfinished Memoirs
- ঘ. None of above
উত্তর: গ. The Unfinished Memoirs
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। একই বছর অধ্যাপক ফকরুল আলম বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যার নাম The Unfinished Memoirs।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর আরেকটি বই ‘কারাগারের রোজনামচা’, এর ইংরেজি নাম Prison Diaries।
‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইটির ইংরেজি নাম New China 1952। - ৩৬. If he runs fast, he ... win the prize.
- ক. would
- খ. will
- গ. can
- ঘ. could
উত্তর: খ. will
If দিয়ে শুরু বাক্যের if-অংশ present indefinite tense-এ থাকলে অন্য অংশে সাধারণত future indefinite বসে। এখানে if he runs fast অংশটি present tense-এ, তাই পরের অংশে will বসবে: If he runs fast, he will win the prize। এটি First Conditional, যা বাস্তবে ঘটতে পারে এমন সম্ভাবনা বোঝায়।
মনে রাখুন: If-অংশ past indefinite হলে অন্য অংশে would বসে, যেমন If he ran fast, he would win। - ৩৭. ‘Come here’ এর indirect speech কোনটি?
- ক. He told me come here
- খ. He told that I should come here
- গ. He ordered me that go there
- ঘ. He told me to go there
উত্তর: ঘ. He told me to go there
Come here একটি আদেশসূচক বাক্য (Imperative Sentence)। একে indirect করতে told বা ordered দিয়ে reporting verb তৈরি করে মূল ক্রিয়ার আগে to বসাতে হয়। একই সঙ্গে নিকটবর্তী বোঝানো here শব্দটি দূরবর্তী there হয়ে যায়। তাই indirect রূপ হলো He told me to go there।
মনে রাখুন: indirect speech-এ come সাধারণত go, here হয় there, now হয় then, আর this হয় that। - ৩৮. Truth এর সঠিক adjective form হবে-
- ক. Truly
- খ. True
- গ. Truism
- ঘ. None of them
উত্তর: খ. True
Truth একটি noun, যার অর্থ সত্য। এর adjective রূপ হলো true, যেমন a true story। Truly হলো adverb, আর truism একটি আলাদা noun, যার অর্থ সবার জানা সাধারণ সত্য কথা।
মনে রাখুন:
Noun: truth, Adjective: true, Adverb: truly।
Truthful-ও একটি adjective, যার অর্থ সত্যবাদী। - ৩৯. ‘See’ শব্দটির Noun কোনটি?
- ক. Seen
- খ. Scene
- গ. Sought
- ঘ. Sight
উত্তর: ঘ. Sight
See ক্রিয়ার অর্থ দেখা, আর দেখার ক্ষমতা বা দৃশ্য বোঝাতে এর noun রূপ হলো sight। যেমন He lost his sight মানে সে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। Seen হলো see-এর past participle, আর scene আলাদা একটি noun, যার অর্থ দৃশ্য বা ঘটনাস্থল, এটি see থেকে তৈরি হয়নি।
মনে রাখুন: Sought হলো seek ক্রিয়ার past ও past participle রূপ। - ৪০. The verb of the word ‘‘Economy’’ is-
- ক. Economic
- খ. Economically
- গ. Economize
- ঘ. Economical
উত্তর: গ. Economize
economy একটি noun, যার অর্থ অর্থনীতি বা মিতব্যয়িতা। এর verb রূপ economize, অর্থাৎ মিতব্যয়ী হওয়া বা খরচ কমানো। economic ও economical দুটিই adjective, আর economically হলো adverb।
মনে রাখুন:
economic মানে অর্থনীতি-সম্পর্কিত, যেমন economic growth।
economical মানে মিতব্যয়ী, যেমন an economical car।
গণিত
- ৪১. একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?
- ক. ১৬
- খ. ১৮
- গ. ২০
- ঘ. ২৪
উত্তর: খ. ১৮
ধরি সংখ্যাটি x। তিনগুণ ও দ্বিগুণের যোগফল পাঁচগুণ।
3x + 2x = 90
5x = 90
x = 18।
যাচাই: 18-এর তিনগুণ 54 এবং দ্বিগুণ 36, দুটি যোগ করলে 90 হয়।
মনে রাখুন: এমন প্রশ্নে একই সংখ্যার বিভিন্ন গুণফল একসঙ্গে যোগ করে নিলে সমীকরণ একটি পদে নেমে আসে। - ৪২. ১ হতে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?
- ক. ১১টি
- খ. ৮টি
- গ. ১০টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: গ. ১০টি
যে সংখ্যার শুধু দুটি গুণনীয়ক আছে, ১ ও নিজে, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে। ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23 ও 29। এদের গুনে পাই ১০টি। ১ মৌলিক সংখ্যা নয়, কারণ এর গুণনীয়ক মাত্র একটি। ৯, ১৫, ২১ ও ২৫ প্রভৃতি সংখ্যার তিন বা ততোধিক গুণনীয়ক আছে, তাই এরা মৌলিক নয়।
মনে রাখুন: ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা এবং ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মোট ২৫টি মৌলিক সংখ্যা আছে।
যে সংখ্যার দুইয়ের বেশি গুণনীয়ক থাকে তাকে যৌগিক সংখ্যা বলে। - ৪৩. ০.০০০১ এর বর্গমূল কত?
- ক. ০.১
- খ. ০.০১
- গ. ০.০০১
- ঘ. ১
উত্তর: খ. ০.০১
দশমিক সংখ্যাকে ভগ্নাংশে লিখলে বর্গমূল সহজে বের হয়: 0.0001 = 1/10000, তাই √0.0001 = 1/100 = 0.01। যাচাই করলেও মেলে, কারণ 0.01 × 0.01 = 0.0001।
মনে রাখুন: বর্গমূল নিলে দশমিকের পরের অঙ্কসংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়, এখানে ৪টি থেকে ২টি। - ৪৪. কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
- ক. ০.৩
- খ. ১/৩
- গ. √০.৩
- ঘ. ২/৫
উত্তর: ক. ০.৩
চারটি সংখ্যাকে দশমিকে রূপান্তর করে তুলনা করি। 0.3 = 0.30, 1/3 ≈ 0.333, 2/5 = 0.40। আর √0.3 এর মান প্রায় 0.5477, কারণ 0.5477² ≈ 0.3। এই চারটির মধ্যে 0.5477 সবচেয়ে বড়। তাই বৃহত্তম সংখ্যা √0.3।
মনে রাখুন:
1 এর চেয়ে ছোট ধনাত্মক সংখ্যার বর্গমূল মূল সংখ্যার চেয়ে বড় হয়। যেমন √0.25 = 0.5 > 0.25।
1 এর চেয়ে বড় সংখ্যার বেলায় উল্টো হয়, বর্গমূল ছোট হয়। যেমন √4 = 2 < 4।
ভগ্নাংশ তুলনার সহজ উপায় হলো সব সংখ্যাকে দশমিকে বদলে নেওয়া। - ৪৫. দৈনিক ৬ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৮ জন ব্যক্তি একটি কাজ করে ১৫ দিনে। দৈনিক ৫ ঘণ্টা পরিশ্রম করে ৯ জনব্যাক্তি কাজটি কত দিনে করবে?
- ক. ১২
- খ. ১৫
- গ. ১৬
- ঘ. ১৮
উত্তর: গ. ১৬
কাজের পরিমাণ একই থাকলে মোট শ্রমঘণ্টাও একই থাকে। প্রথমে মোট শ্রমঘণ্টা বের করি, তারপর নতুন অবস্থায় দিনের সংখ্যা।
মোট শ্রমঘণ্টা = 8 × 6 × 15 = 720
নতুন অবস্থায় দিনে কাজ হয় 9 × 5 = 45 শ্রমঘণ্টা
দিন = 720 ÷ 45 = 16
অতএব কাজটি ১৬ দিনে শেষ হবে।
মনে রাখুন: এ ধরনের অঙ্কে সূত্র হলো $M_1 H_1 D_1 = M_2 H_2 D_2$, যেখানে M লোকসংখ্যা, H দৈনিক ঘণ্টা আর D দিন। - ৪৬. এক টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করে এক টাকায় ২টি করে আম বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
- ক. ২৫%
- খ. ৫০%
- গ. ৭৫%
- ঘ. ১০০%
উত্তর: খ. ৫০%
লাভ বের করতে একটি আমের ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য তুলনা করতে হয়।
ক্রয়মূল্য = 1/3 টাকা, বিক্রয়মূল্য = 1/2 টাকা
লাভ = 1/2 − 1/3 = 1/6 টাকা
লাভের হার = (1/6) ÷ (1/3) × 100% = 50%
সহজ উপায়ে ভাবলেও মেলে: ৬টি আম কিনতে লাগে ২ টাকা, আর বেচলে পাওয়া যায় ৩ টাকা, ফলে ২ টাকায় ১ টাকা লাভ, অর্থাৎ ৫০%।
মনে রাখুন: লাভের হার সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। - ৪৭. ০.৫ ÷ ০.০৫ = ?
- ক. ১.৫
- খ. ০.১
- গ. ১০.০
- ঘ. ০.০৫
উত্তর: গ. ১০.০
দশমিক সংখ্যার ভাগে ভাজক ও ভাজ্য দুটিকেই একই সংখ্যা দিয়ে গুণ করে ভাজককে পূর্ণসংখ্যা বানিয়ে নিলে কাজ সহজ হয়।
0.5 ÷ 0.05 = (0.5 × 100) ÷ (0.05 × 100) = 50 ÷ 5 = 10
তাই উত্তর ১০.০। যাচাই: 0.05 × 10 = 0.5।
মনে রাখুন: কোনো সংখ্যাকে ১-এর চেয়ে ছোট সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল মূল সংখ্যার চেয়ে বড় হয়। - ৪৮. a + b + c = 15 এবং a² + b² + c² = 83 হলে ab + bc + ac এর মান কত?
- ক. ৭১
- খ. ৬৮
- গ. ৫১
- ঘ. ৪৫
উত্তর: ক. ৭১
তিনটি রাশির যোগফলের বর্গের সূত্র থেকে সহজেই মান পাওয়া যায়।
$(a+b+c)^2 = a^2+b^2+c^2 + 2(ab+bc+ca)$
15² = 83 + 2(ab+bc+ca)
225 − 83 = 2(ab+bc+ca)
ab+bc+ca = 142 ÷ 2 = 71
মনে রাখুন: একই সূত্র থেকে $a^2+b^2+c^2 = (a+b+c)^2 - 2(ab+bc+ca)$ লেখা যায়। - ৪৯. ২৫ ফুট লম্বা একটি বাঁশকে এমনভাবে কাটা হলো যেন এক অংশ অন্য অংশের ১/৪ হয়। ছোট অংশটিরদৈর্ঘ্য কত ফুট হলো?
- ক. ৪
- খ. ৫
- গ. ৬
- ঘ. ৮
উত্তর: খ. ৫
ছোট অংশ বড় অংশের ১/৪ হলে, ছোট অংশকে x ধরলে বড় অংশ হবে 4x।
x + 4x = 25
5x = 25, তাই x = 5
অতএব ছোট অংশটি ৫ ফুট এবং বড় অংশটি ২০ ফুট। যাচাই: 20 এর 1/4 = 5।
মনে রাখুন: কোনো কিছুকে a : b অনুপাতে ভাগ করলে একটি অংশ হয় মোট × a/(a+b)। এখানে অনুপাত 1 : 4, তাই ছোট অংশ = 25 × 1/5 = 5। - ৫০. সালেহ ও আনুর বয়সের অনুপাত 5 : 4। 3 বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত 11 : 9 হবে। আনুর বর্তমান বয়স কত?
- ক. 24
- খ. 27
- গ. 40
- ঘ. 50
উত্তর: ক. 24
দুজনের বর্তমান বয়স 5x ও 4x ধরি। ৩ বছর পরে অনুপাত 11 : 9 হবে।
(5x + 3)/(4x + 3) = 11/9
45x + 27 = 44x + 33
x = 6
আনুর বর্তমান বয়স = 4 × 6 = 24 বছর, আর সালেহর বয়স 30 বছর। যাচাই: ৩ বছর পর 33 : 27 = 11 : 9।
মনে রাখুন: বয়সের অনুপাতের অঙ্কে বছর যোগ বা বিয়োগ দুজনের বয়সেই সমানভাবে করতে হয়। - ৫১. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৫% বৃদ্ধি করলে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
- ক. ৫%
- খ. ১০%
- গ. ২০%
- ঘ. ২৫%
উত্তর: ক. ৫%
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। প্রস্থ অপরিবর্তিত থেকে দৈর্ঘ্য ৫% বাড়লে ক্ষেত্রফলও ঠিক ৫% বাড়ে, কারণ নতুন ক্ষেত্রফল = 1.05 × আগের ক্ষেত্রফল। দুটি রাশিই বাড়লে প্রভাব ভিন্ন হতো।
মনে রাখুন:
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ উভয় ৫% বাড়লে ক্ষেত্রফল বাড়ে 5 + 5 + (5 × 5)/100 = 10.25%। - ৫২. ১২৫০ কে সর্বনিম্ন কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে?
- ক. ২
- খ. ৫
- গ. ৭
- ঘ. ১১
উত্তর: ক. ২
কোনো সংখ্যা পূর্ণবর্গ হতে হলে তার প্রতিটি মৌলিক উৎপাদক জোড়ায় জোড়ায় থাকতে হয়। তাই প্রথমে 1250-কে মৌলিক উৎপাদকে ভাঙি।
1250 = 2 × 5 × 5 × 5 × 5 = 2 × 5⁴
এখানে 5 জোড়ায় আছে, কিন্তু 2 একা আছে। তাই 2 দিয়ে গুণ করলে 2500 = 50² পাওয়া যায়।
মনে রাখুন: ভাগ করে পূর্ণবর্গ বানাতে চাইলে জোড়াহীন উৎপাদক দিয়ে ভাগ করতে হয়, এখানে 1250 ÷ 2 = 625 = 25²। - ৫৩. তিনটি ঘণ্টা একত্রে বাজার পর তারা যথাক্রমে ২ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টা, ৪ ঘণ্টা পর পর একত্রে বাজতে থাকবে। ১দিনে তারা কতবার একত্রে বাজবে?
- ক. ১২ বার
- খ. ৬ বার
- গ. ৪ বার
- ঘ. ৩ বার
উত্তর: ঘ. ৩ বার
তিনটি ঘণ্টা আবার একসঙ্গে বাজবে ২, ৩ ও ৪-এর ল.সা.গু. (LCM) সময় পরে।
ল.সা.গু. (2, 3, 4) = 12 ঘণ্টা
১ দিন = 24 ঘণ্টা, তাই 24 ÷ 12 = 2 বার পরে বাজবে।
শুরুতে একবার একসঙ্গে বেজেছিল, সেটি ধরলে মোট 2 + 1 = 3 বার।
মনে রাখুন: এ ধরনের অঙ্কে প্রশ্নে শুরুর বাজনাটিও গোনা হয় কি না, তা খেয়াল করতে হয়। - ৫৪. (a – 5) (a + x) = a² – 25 হলে x এর মান কত?
- ক. 5
- খ. 6
- গ. 7
- ঘ. 8
উত্তর: ক. 5
বামপক্ষকে ডানপক্ষের সঙ্গে মেলাতে বর্গের অন্তরের সূত্রটি কাজে লাগে।
$a^2 - 25 = a^2 - 5^2 = (a - 5)(a + 5)$
তাই (a − 5)(a + x) = (a − 5)(a + 5), অর্থাৎ x = 5।
মনে রাখুন: $a^2 - b^2 = (a + b)(a - b)$ সূত্রটি উৎপাদকে বিশ্লেষণের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সূত্রগুলোর একটি। - ৫৫. একটি মুদ্রা ২ বার নিক্ষেপ করলে অন্তত ১ বার Head পড়ার সম্ভাবনা কত?
- ক. ১/৩
- খ. ১/৪
- গ. ৩/৪
- ঘ. ১/২
উত্তর: গ. ৩/৪
একটি মুদ্রা ২ বার ছুড়লে মোট ৪টি সমান সম্ভাব্য ফল পাওয়া যায়: HH, HT, TH, TT। এর মধ্যে কেবল TT-তে একবারও Head নেই। তাই অন্তত ১ বার Head পড়ার সম্ভাবনা = 1 − 1/4 = 3/4।
মনে রাখুন: ‘অন্তত একবার’ ধরনের প্রশ্নে বিপরীত ঘটনার সম্ভাবনা ১ থেকে বিয়োগ করলে সহজে উত্তর মেলে। n বার মুদ্রা ছুড়লে মোট ফল হয় $2^n$টি। - ৫৬. কোন সংখ্যাটি ব্যতিক্রম?
- ক. ১২৫
- খ. ৩৪৩
- গ. ৫১২
- ঘ. ৭৪৩
উত্তর: ঘ. ৭৪৩
প্রথম তিনটি সংখ্যাই পূর্ণ ঘন সংখ্যা (Perfect Cube): 125 = 5³, 343 = 7³ এবং 512 = 8³। কিন্তু 743 কোনো পূর্ণসংখ্যার ঘন নয়, কারণ 9³ = 729 আর 10³ = 1000, এর মাঝখানে কোনো পূর্ণ ঘন নেই। তাই 743 ব্যতিক্রম।
মনে রাখুন: 1 থেকে 10 পর্যন্ত ঘন: 1, 8, 27, 64, 125, 216, 343, 512, 729, 1000। - ৫৭. দুটি সংখ্যার গুণফল ৩৩৮০ এবং গ.সা.গু ১৩। সংখ্যা দুটির ল.সা.গু কত?
- ক. ২৬০
- খ. ৭৮০
- গ. ১৩০
- ঘ. ৪৯০
উত্তর: ক. ২৬০
দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-এর গুণফলের সমান। অর্থাৎ গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। তাই 3380 = 13 × ল.সা.গু., এবং ল.সা.গু. = 3380 ÷ 13 = 260।
যাচাই: 13 × 260 = 3380। - ৫৮. কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ২ যোগ করলে যোগফল ১২, ১৮ এবং ২৪ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
- ক. ৮৯
- খ. ৭০
- গ. ১৭০
- ঘ. ১৪২
উত্তর: খ. ৭০
সংখ্যাটির সঙ্গে ২ যোগ করলে যোগফল ১২, ১৮ ও ২৪, তিনটি দিয়েই বিভাজ্য হতে হবে। অর্থাৎ যোগফল এই তিন সংখ্যার সাধারণ গুণিতক। সবচেয়ে ছোট গুণিতক নিতে হলে ল.সা.গু. বের করতে হয়। 12 = 2² × 3, 18 = 2 × 3², 24 = 2³ × 3, তাই ল.সা.গু. = 2³ × 3² = 72। সংখ্যাটির সঙ্গে 2 যোগ করে 72 পেতে হলে সংখ্যাটি 72 – 2 = 70।
যাচাই: 70 + 2 = 72, যা 12, 18 ও 24 দিয়ে নিঃশেষে ভাগ যায়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৬৩. স্যোসাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম টুইটার কত সালে তৈরি হয়?
- ক. ২০০৬
- খ. ২০০৭
- গ. ২০০৮
- ঘ. ২০০৯
উত্তর: ক. ২০০৬
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার (Twitter) ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা শুরু করে। জ্যাক ডরসি, বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস ও নোয়াহ গ্লাস এর প্রতিষ্ঠাতা। এখানে ছোট ছোট বার্তা পোস্ট করা যায়, যাকে টুইট বলা হত।
মনে রাখুন: ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেন এবং ২০২৩ সালে এর নাম বদলে X রাখা হয়। ফেসবুক চালু হয়েছিল ২০০৪ সালে।
আন্তর্জাতিক
- ৬৯. কোন ভাষায় সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে?
- ক. ইংরেজি
- খ. ফরাসী
- গ. হিন্দি
- ঘ. মান্দারিন
উত্তর: ঘ. মান্দারিন
মাতৃভাষা হিসেবে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে চীনের মান্দারিন (Mandarin) ভাষায়, প্রায় ৯০ কোটির বেশি মানুষের প্রথম ভাষা এটি। চীনের সরকারি ভাষাও মান্দারিন। তবে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে যারা বলে তাদেরও গুনলে মোট বক্তার হিসাবে সাম্প্রতিক কালে ইংরেজি সবার ওপরে উঠে এসেছে, তাই প্রশ্নে কোন হিসাব চাওয়া হয়েছে তা খেয়াল রাখা দরকার।
মনে রাখুন: মাতৃভাষীর সংখ্যায় বাংলা পৃথিবীতে ষষ্ঠ বা সপ্তম অবস্থানে আছে। - ৭০. সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কে?
- ক. মালালা ইউসুফজাঈ
- খ. কৈলাশ সত্যার্থী
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. প্রফেসর আব্দুস সালাম
উত্তর: ক. মালালা ইউসুফজাঈ
পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই মাত্র ১৭ বছর বয়সে ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান, এখন পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে কম বয়সী নোবেলজয়ী। মেয়েদের শিক্ষার অধিকারের পক্ষে কথা বলার জন্য তিনি পরিচিত। একই বছর তাঁর সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার পান ভারতের শিশু অধিকারকর্মী কৈলাশ সত্যার্থী।
মনে রাখুন: সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পান জন বি. গুডইনাফ, ৯৭ বছর বয়সে ২০১৯ সালে রসায়নে। - ৭১. ‘শ্যামদেশ’ কোন দেশের পুরাতন নাম?
- ক. মিশর
- খ. ইরাক
- গ. ইরান
- ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তর: ঘ. থাইল্যান্ড
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের পুরোনো নাম ছিল শ্যামদেশ বা সিয়াম (Siam)। ১৯৩৯ সালে দেশটির নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়, যার অর্থ স্বাধীন মানুষের দেশ। থাইল্যান্ডই এ অঞ্চলের একমাত্র দেশ যা কখনো ইউরোপীয় উপনিবেশ হয়নি।
মনে রাখুন:
ইরানের পুরোনো নাম পারস্য।
ইরাকের পুরোনো নাম মেসোপটেমিয়া।
মিয়ানমারের পুরোনো নাম বার্মা বা ব্রহ্মদেশ। - ৭২. কোন দেশটি NATO এর সদস্য?
- ক. তুরস্ক
- খ. রাশিয়া
- গ. ইউক্রেন
- ঘ. বেলারুশ
উত্তর: ক. তুরস্ক
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো (NATO) ১৯৪৯ সালে গঠিত একটি সামরিক জোট। তুরস্ক ১৯৫২ সালে এর সদস্য হয় এবং জোটের অন্যতম বড় সেনাবাহিনী তুরস্কেরই। রাশিয়া ও বেলারুশ এই জোটের বাইরে, আর ইউক্রেন সদস্যপদ চাইলেও এখনো সদস্য হয়নি।
মনে রাখুন: ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। সর্বশেষ সদস্য হয়েছে ফিনল্যান্ড (২০২৩) ও সুইডেন (২০২৪), ফলে সদস্যসংখ্যা এখন ৩২। - ৭৩. ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে জাতিসংঘের মোট সদস্য রাষ্ট্র ছিল?
- ক. ৪৮
- খ. ৪৯
- গ. ৫০
- ঘ. ৫১
উত্তর: ঘ. ৫১
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে সম্মেলন হয়। সেখানে ৫০টি দেশ জাতিসংঘ সনদে সই করে। পোল্যান্ড সম্মেলনে প্রতিনিধি পাঠাতে পারেনি, পরে সনদে সই করে। ফলে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ৫১। সনদ কার্যকর হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর, যে দিনটি জাতিসংঘ দিবস।
হালনাগাদ: বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩টি দেশ। সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান (২০১১)। - ৭৫. বন্দরনগরী আলেকজান্দ্রিয়া কোন দেশের নগরী?
- ক. জর্ডান
- খ. মরক্কো
- গ. তিউনিসিয়া
- ঘ. মিশর
উত্তর: ঘ. মিশর
আলেকজান্দ্রিয়া মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ও প্রধান সমুদ্রবন্দর, এটি ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩১ সালে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন, তাই তাঁর নামেই এর নাম।
মনে রাখুন: প্রাচীন আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর (Lighthouse of Alexandria) প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি ছিল। মিশরের রাজধানী কায়রো।
সাধারণ জ্ঞান
- ৭৪. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী কোনটি?
- ক. নীলনদ
- খ. ইয়াংসিকিয়াং
- গ. হোয়াংহো
- ঘ. টেমস
উত্তর: ক. নীলনদ
আফ্রিকার নীলনদ (Nile) প্রায় ৬,৬৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ, তাই একে সাধারণত পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী ধরা হয়। নদীটি ভিক্টোরিয়া হ্রদ অঞ্চল থেকে উত্তরে প্রবাহিত হয়ে মিশর পেরিয়ে ভূমধ্যসাগরে পড়েছে।
মনে রাখুন:
পানিপ্রবাহের দিক থেকে সবচেয়ে বড় নদী দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন।
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী চীনের ইয়াংসিকিয়াং।
হোয়াংহোকে চীনের দুঃখ বলা হয়।
বিজ্ঞান
- ৭৭. বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?
- ক. ৭৫.০২%
- খ. ৭৬.০২%
- গ. ৭৮.০২%
- ঘ. ৭৯.০২%
উত্তর: গ. ৭৮.০২%
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি থাকা গ্যাস হলো নাইট্রোজেন, এর পরিমাণ প্রায় ৭৮ শতাংশ। আমাদের পাঠ্যবইয়ে বায়ুর উপাদানের হিসাবে নাইট্রোজেন ৭৮.০২% এবং অক্সিজেন ২০.৭১% দেখানো হয়। নাইট্রোজেন নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির, তাই এটি অক্সিজেনের দহন ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
মনে রাখুন: বায়ুতে আর্গন প্রায় ০.৮০% এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রায় ০.০৩%।
হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় অডিটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় অডিটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় অডিটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় অফিস সহায়ক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন