লিয়ানা বুকস

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০২৫। ৭১টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. ভাষার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে-
    • ক. ধ্বনিতত্ত্ব
    • খ. রূপতত্ত্ব
    • গ. ব্যাকরণ
    • ঘ. বাক্যতত্ত্ব
    উত্তর: গ. ব্যাকরণ
    যে শাস্ত্রে কোনো ভাষার স্বরূপ, প্রকৃতি ও গঠনরীতি বিশ্লেষণ করা হয়, তাকে ব্যাকরণ (Grammar) বলে। ব্যাকরণ ভাষাকে ভেঙে তার নিয়মগুলো খুঁজে বের করে, আর সেই নিয়ম জানলে আমরা ভাষা শুদ্ধভাবে বলতে, লিখতে ও বুঝতে পারি। ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্ব আসলে ব্যাকরণেরই এক একটি অংশ।
    মনে রাখুন: ‘ব্যাকরণ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ বি + আ + কৃ + অন, যার অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ।
  2. ২. বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা-
    • ক. ৩১টি
    • খ. ৪৯টি
    • গ. ৫০টি
    • ঘ. ৫১টি
    উত্তর: গ. ৫০টি
    বাংলা লিপি বা বর্ণমালায় মোট ৫০টি মূল বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। এই বর্ণগুলো দিয়েই আমরা বাংলা ভাষার ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করি।
    মনে রাখুন:
    পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি।
    বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে ব্রাহ্মী লিপি থেকে।
  3. ৩. বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয় কী বোঝাতে?
    • ক. অনুনাসিকতা
    • খ. দীর্ঘস্বর
    • গ. ব্যঞ্জনা
    • ঘ. অর্ধস্বর
    উত্তর: ক. অনুনাসিকতা
    চন্দ্রবিন্দু (ঁ) বোঝায় যে স্বরধ্বনিটি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখের সঙ্গে নাক দিয়েও বের হবে, অর্থাৎ ধ্বনিটি অনুনাসিক (Nasalized) হবে। যেমন ‘চাঁদ’ শব্দে আ-ধ্বনিটি নাকে টেনে উচ্চারিত হয়। চন্দ্রবিন্দু না থাকলে অনেক সময় শব্দের অর্থই বদলে যায়।
    উদাহরণ:
    কাদা ও কাঁদা, বাধা ও বাঁধা।
    মনে রাখুন: চন্দ্রবিন্দু একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ, এটি নিজে স্বাধীনভাবে বসতে পারে না।
  4. ৪. ‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ কার রচনা?
    • ক. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
    • খ. মুহম্মদ এনামুল হক
    • গ. মুনীর চৌধুরী
    • ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    ‘ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ গ্রন্থটি রচনা করেছেন ভাষাবিজ্ঞানী সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। বাংলা ভাষার ধ্বনি, রূপ ও বাক্যরীতিকে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করায় বইটি বাংলা ব্যাকরণের একটি মাইলফলক।
    মনে রাখুন:
    সুনীতিকুমারের বিখ্যাত ইংরেজি গ্রন্থ ‘The Origin and Development of the Bengali Language’ (ODBL)।
    মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র ব্যাকরণগ্রন্থ ‘বাঙ্গালা ব্যাকরণ’।
  5. ৫. নিচের কোনটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
    • ক. একগুঁয়ে
    • খ. চিরুনদাতি
    • গ. কানেখাটো
    • ঘ. কাজলকালো
    উত্তর: গ. কানেখাটো
    যে বহুব্রীহি সমাসে সমাস হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে। ‘কানেখাটো’ শব্দে ‘কানে খাটো যে’ ব্যাসবাক্যের ‘এ’ বিভক্তি সমস্তপদেও রয়ে গেছে, তাই এটি অলুক বহুব্রীহি। ‘কাজলকালো’ (কাজলের মতো কালো) উপমান কর্মধারয়, আর ‘একগুঁয়ে’ প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি।
    মনে রাখুন: অলুক বহুব্রীহির আরও উদাহরণ: গায়েহলুদ, হাতেখড়ি, মাথায়পাগড়ি, গলায়গামছা।
  6. ৬. বাংলা বাক্যে উদ্দেশ্য কোথায় বসে?
    • ক. বাক্যের শুরুতে
    • খ. বাক্যের মাঝে
    • গ. বাক্যের শেষে
    • ঘ. যেকোনো জায়গায়
    উত্তর: ক. বাক্যের শুরুতে
    বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য (Subject) বলে, আর উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা বিধেয় (Predicate)। বাংলা বাক্যের স্বাভাবিক গঠনে উদ্দেশ্য সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে, তারপর কর্ম এবং শেষে ক্রিয়া।
    উদাহরণ:
    রহিম বই পড়ে। এখানে ‘রহিম’ উদ্দেশ্য, আর ‘বই পড়ে’ বিধেয়।
    মনে রাখুন: বাংলা বাক্যের সাধারণ ক্রম কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া, যেখানে ইংরেজিতে ক্রম কর্তা + ক্রিয়া + কর্ম।
  7. ৭. কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?
    • ক. এক + দশ = একাদশ
    • খ. কথা + ছলে = কথাচ্ছলে
    • গ. বাক্ + দান = বাগদান
    • ঘ. উৎ + লাস = উল্লাস
    উত্তর: ক. এক + দশ = একাদশ
    যেসব সন্ধি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম মেনে হয় না, প্রচলিত রূপেই চলে আসছে, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। নিয়ম অনুযায়ী এক + দশ হওয়া উচিত ‘একদশ’, কিন্তু প্রচলিত রূপ ‘একাদশ’, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ। বাকিগুলো নিয়ম মেনে হয়েছে, যেমন উৎ + লাস = উল্লাস (ৎ-এর পরে ল থাকলে ৎ হয় ল)।
    মনে রাখুন: নিপাতনে সিদ্ধ আরও কিছু সন্ধি: গো + অক্ষ = গবাক্ষ, পর + পর = পরস্পর, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, আ + চর্য = আশ্চর্য।
  8. ৮. ‘আজকে নগদ কালকে ধার’- এখানে ‘আজকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
    • ক. কর্তায় দ্বিতীয়া
    • খ. অধিকরণে দ্বিতীয়া
    • গ. কর্মে দ্বিতীয়া
    • ঘ. করণে দ্বিতীয়া
    উত্তর: খ. অধিকরণে দ্বিতীয়া
    এই প্রবাদে আজকে শব্দটি সময় বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ কখন নগদ দেওয়া হবে। ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা স্থান বোঝালে তাকে অধিকরণ কারক বলে, আর সময় বোঝালে তা বিশেষভাবে কালাধিকরণ। এখানে শব্দের সঙ্গে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা দ্বিতীয়া বিভক্তির চিহ্ন। তাই আজকে হলো অধিকরণে দ্বিতীয়া।
    মনে রাখুন: অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) বসে, তবে কালবাচক শব্দে কে বিভক্তিও বসে, যেমন আজকে, কালকে।
  9. ৯. বর্ণচোরা অর্থ-
    • ক. ভণ্ড
    • খ. কপট
    • গ. সংকীর্ণমনা
    • ঘ. মূর্খ
    উত্তর: খ. কপট
    ‘বর্ণচোরা’ বাগধারার অর্থ কপট বা যে নিজের আসল রূপ গোপন রাখে। মজার ব্যাপার হলো, এক ধরনের আম বাইরে থেকে কাঁচা মনে হলেও ভেতরে পাকা থাকে, তাকে বর্ণচোরা আম বলা হয়, আর এখান থেকেই বাগধারাটির জন্ম।
    মনে রাখুন:
    ভিজে বেড়াল: কপট বা ভণ্ড।
    কূপমণ্ডূক: সংকীর্ণমনা।
    গোবর গণেশ: মূর্খ।
  10. ১০. কোনটি শুদ্ধ?
    • ক. সৌজন্যতা
    • খ. সৌজন্য
    • গ. সৌজনতা
    • ঘ. সৌজন্নতা
    উত্তর: খ. সৌজন্য
    শুদ্ধ রূপ ‘সৌজন্য’। ‘সুজন’ শব্দের সঙ্গে ‘য’ প্রত্যয় যোগ হয়ে ‘সৌজন্য’ শব্দটি তৈরি হয়েছে, যা নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য। এর সঙ্গে আবার ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করলে একই অর্থে দুটি প্রত্যয় বসে যায়, তাই ‘সৌজন্যতা’ অশুদ্ধ।
    মনে রাখুন: একই কারণে ‘দারিদ্র্যতা’, ‘উৎকর্ষতা’, ‘সখ্যতা’ ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘দারিদ্র্য’, ‘উৎকর্ষ’, ‘সখ্য’।
  11. ১১. ‘পঞ্চতন্ত্র’ গ্রন্থটি কার রচনা?
    • ক. ফররুখ আহমদ
    • খ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    • গ. আবুল ফজল
    • ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
    উত্তর: খ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    ‘পঞ্চতন্ত্র’ সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্য প্রবন্ধের সংকলন। তিনি রসবোধ, পাণ্ডিত্য ও ভ্রমণ-অভিজ্ঞতা মিশিয়ে লেখার জন্য বিখ্যাত, আর তাঁর প্রথম ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’ আফগানিস্তানে থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ মুজতবা আলীর উপন্যাস: ‘অবিশ্বাস্য’, ‘শবনম’, ‘শহর-ইয়ার’।
    প্রাচীন সংস্কৃত নীতিকথার গ্রন্থ ‘পঞ্চতন্ত্র’-এর রচয়িতা বিষ্ণুশর্মা।
  12. ১২. কোনটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস?
    • ক. জননী
    • খ. পদ্মানদীর মাঝি
    • গ. পুতুলনাচের ইতিকথা
    • ঘ. দিবারাত্রির কাব্য
    উত্তর: ক. জননী
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘জননী’ (১৯৩৫)। একটি সাধারণ পরিবারের মায়ের জীবন ও সংগ্রাম এর মূল বিষয়। পরের বছর ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দুই বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’।
    মনে রাখুন:
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
    তাঁর প্রথম গল্প ‘অতসী মামী’।
  13. ১৩. ‘সাঁঝের মায়া’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
    • ক. সেলিনা হোসেন
    • খ. নূরজাহান বেগম
    • গ. সুফিয়া কামাল
    • ঘ. রিজিয়া রহমান
    উত্তর: গ. সুফিয়া কামাল
    ‘সাঁঝের মায়া’ কবি সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। কাজী নজরুল ইসলাম এই গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছিলেন, আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও বইটির প্রশংসা করেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    সুফিয়া কামালকে বলা হয় ‘জননী সাহসিকা’।
    তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ: ‘মায়া কাজল’, ‘মন ও জীবন’, ‘একাত্তরের ডায়েরি’।
  14. ১৪. ‘বাংলাদেশের সিরাজউদ্দৌলা’ নাটক কে রচনা করেন?
    • ক. মুনীর চৌধুরী
    • খ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
    • গ. আসকার ইবনে শাইখ
    • ঘ. সিকান্‌দার আবু জাফর
    উত্তর: ঘ. সিকান্‌দার আবু জাফর
    নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবন ও পলাশীর বিপর্যয় নিয়ে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকটি রচনা করেছেন সিকান্‌দার আবু জাফর। ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক নাটকে সিরাজকে দেশপ্রেমিক বীর হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, আর নাটকটি মাধ্যমিক স্তরে পাঠ্য।
    মনে রাখুন:
    সিকান্‌দার আবু জাফর ‘সমকাল’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।
    মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’ ও ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’।
  15. ১৫. কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
    • ক. বালুচর
    • খ. ছায়ানট
    • গ. চক্রবাক
    • ঘ. চিত্তনামা
    উত্তর: ক. বালুচর
    ‘বালুচর’ পল্লিকবি জসীমউদ্‌দীনের একটি কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়। বাকি তিনটিই নজরুলের: ‘ছায়ানট’ ও ‘চক্রবাক’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ, আর ‘চিত্তনামা’ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুতে লেখা শোককাব্য।
    মনে রাখুন: জসীমউদ্‌দীনের অন্য কাব্যগ্রন্থ: ‘নকশী কাঁথার মাঠ’, ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘রাখালী’।
  16. ১৬. কাজী নজরুল ইসলামের গান ও স্বরলিপির বই কোনটি?
    • ক. বলাকা
    • খ. বুলবুল
    • গ. গীতবিতান
    • ঘ. ছায়ানট
    উত্তর: খ. বুলবুল
    ‘বুলবুল’ কাজী নজরুল ইসলামের গানের সংকলন, যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর বিখ্যাত গজল ও রাগভিত্তিক গানগুলো স্থান পেয়েছে। ‘বলাকা’ ও ‘গীতবিতান’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের অন্য গানের বই: ‘চোখের চাতক’, ‘সন্ধ্যামালতী’, ‘নজরুল গীতিকা’।
    নজরুলের স্বরলিপি গ্রন্থ: ‘সুরলিপি’, ‘সুর-মুকুর’।
  17. ১৭. ‘পূরবী’ কাব্যের রচয়িতা কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • গ. ফররুখ আহমদ
    • ঘ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘পূরবী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। দক্ষিণ আমেরিকা ভ্রমণের সময় আর্জেন্টিনার লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর সঙ্গে কবির পরিচয় হয়, আর তাঁকেই কবি বইটি উৎসর্গ করেন।
    মনে রাখুন: রবীন্দ্রনাথের অন্য কাব্যগ্রন্থ: ‘মানসী’, ‘সোনার তরী’, ‘বলাকা’, ‘গীতাঞ্জলি’।
  18. ১৮. মুসলিম রেনেসাঁর কবি কে?
    • ক. সিকান্দার আবু জাফর
    • খ. আহসান হাবীব
    • গ. ফররুখ আহমদ
    • ঘ. আল মাহমুদ
    উত্তর: গ. ফররুখ আহমদ
    ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়। তিনি ইসলামি ঐতিহ্য ও আরব্য উপন্যাসের রূপক ব্যবহার করে মুসলমান সমাজকে জাগরণের ডাক দিয়েছিলেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ এই চেতনারই প্রতীক।
    মনে রাখুন:
    ফররুখ আহমদের অন্য গ্রন্থ: ‘সিরাজাম মুনীরা’, ‘নৌফেল ও হাতেম’ (কাব্যনাট্য), ‘হাতেম তায়ী’।
    তিনি ‘পাখির বাসা’ নামে শিশুতোষ ছড়ার বইও লিখেছেন।
  19. ১৯. ‘সোনালী কাবিন’-এর রচয়িতা কে?
    • ক. আল মাহমুদ
    • খ. হাসান হাফিজুর রহমান
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. ফররুখ আহমদ
    উত্তর: ক. আল মাহমুদ
    ‘সোনালী কাবিন’ আল মাহমুদের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ১৪টি সনেটে গ্রামবাংলার প্রেম, ইতিহাস ও লোকজ ঐতিহ্য একসঙ্গে মিশে আছে।
    মনে রাখুন:
    আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
    তাঁর অন্য কাব্যগ্রন্থ: ‘লোক লোকান্তর’, ‘কালের কলস’।
    উপন্যাস: ‘কবি ও কোলাহল’, ‘উপমহাদেশ’।
  20. ২০. বাংলা লোকসাহিত্যে প্রাচীনতম সৃষ্টি কী কী?
    • ক. গান ও গীতিকা
    • খ. মঙ্গলকাব্য
    • গ. পুথি সাহিত্য ও গাথা
    • ঘ. প্রবচন ও ছড়া
    উত্তর: ঘ. প্রবচন ও ছড়া
    লোকসাহিত্য (Folk Literature) হলো সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্য। এর মধ্যে ছড়া ও প্রবচন সবচেয়ে পুরোনো, কারণ লিপি আবিষ্কারের আগেও মানুষ ছোট ছোট ছন্দোবদ্ধ কথা আর অভিজ্ঞতার বাণী মুখে মুখে চালু রেখেছিল। মঙ্গলকাব্য ও পুথি সাহিত্য অনেক পরে, মধ্যযুগে লিখিত রূপে এসেছে।
    মনে রাখুন: খনার বচন বাংলা প্রবচনের একটি বিখ্যাত উদাহরণ, যেখানে কৃষি ও আবহাওয়ার অভিজ্ঞতা ধরা আছে।

ইংরেজি

  1. ২১. The earth _____ round the sun.
    • ক. goes
    • খ. is going
    • গ. went
    • ঘ. gone
    উত্তর: ক. goes
    পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে, এটি একটি চিরন্তন সত্য (Universal Truth)। চিরন্তন সত্য প্রকাশ করতে simple present tense ব্যবহার হয়, আর subject ‘The earth’ third person singular, তাই verb হবে ‘goes’।
    উদাহরণ:
    The sun rises in the east. Water boils at 100°C.
  2. ২২. Prior _____ Paris, I visited London.
    • ক. visiting
    • খ. to visit
    • গ. to visiting
    • ঘ. coming
    উত্তর: গ. to visiting
    ‘Prior to’ একটি phrase, যার পরে noun বা gerund বসে। এখানে ‘to’ preposition, infinitive-এর অংশ নয়, তাই এর পরে verb-এর -ing রূপ লাগে: Prior to visiting Paris, I visited London।
    মনে রাখুন: একইভাবে look forward to, with a view to, be used to-এর পরেও verb + ing বসে, যেমন I look forward to meeting you।
  3. ২৩. If you are suffering from fever, you _____ a doctor.
    • ক. will consult
    • খ. had consulted
    • গ. had better consult
    • ঘ. had better consulted
    উত্তর: গ. had better consult
    পরামর্শ বা উপদেশ দিতে ‘had better’ ব্যবহার হয়, আর এর পরে সবসময় verb-এর base form বসে। তাই ‘you had better consult a doctor’ শুদ্ধ। দেখতে past tense মনে হলেও had better বর্তমান বা ভবিষ্যতের পরামর্শই বোঝায়।
    মনে রাখুন: Had better-এর negative রূপ had better not, যেমন You had better not go out।
  4. ২৪. Our examination _____ on 17 October.
    • ক. begins
    • খ. begun
    • গ. has begun
    • ঘ. is beginning
    উত্তর: ক. begins
    পরীক্ষা, ট্রেনের সময় বা অনুষ্ঠানের মতো নির্ধারিত সময়সূচির (Timetable) ভবিষ্যৎ ঘটনা বোঝাতে simple present tense ব্যবহার হয়। তাই ‘Our examination begins on 17 October’ শুদ্ধ। নির্দিষ্ট তারিখ থাকায় এখানে present perfect বা past participle বসার সুযোগ নেই।
    উদাহরণ:
    The train leaves at 6 pm. The match starts tomorrow.
  5. ২৫. Very few countries in the world _____ by monarchs.
    • ক. now rule
    • খ. now ruled
    • গ. now rules
    • ঘ. are now ruled
    উত্তর: ঘ. are now ruled
    বাক্যের অর্থ হলো খুব কম দেশ এখন রাজা-রানির দ্বারা শাসিত হয়। এখানে দেশগুলো নিজেরা শাসন করছে না, শাসিত হচ্ছে, আর ‘by monarchs’ কর্তা দেখাচ্ছে, তাই passive voice লাগবে। Subject ‘countries’ plural, তাই are + past participle: are now ruled।
    মনে রাখুন: Passive voice-এর গঠন be verb + past participle + by + agent।
  6. ২৬. Choose the correct sentence.
    • ক. He resembles to his father.
    • খ. He resembles as his father.
    • গ. He resembles his father.
    • ঘ. He resembles like his father.
    উত্তর: গ. He resembles his father.
    Resemble একটি transitive verb, অর্থাৎ এর পরে সরাসরি object বসে, কোনো preposition লাগে না। তাই ‘He resembles his father’ শুদ্ধ, আর to, as বা like যোগ করলে বাক্য অশুদ্ধ হয়।
    মনে রাখুন: একইভাবে preposition ছাড়া বসে discuss, enter, reach, marry, যেমন We discussed the matter (discussed about নয়)।
  7. ২৭. Choose the correct sentence.
    • ক. Repeat it again.
    • খ. Repeat it.
    • গ. Repeat it again and again.
    • ঘ. Repeat it once again.
    উত্তর: খ. Repeat it.
    Repeat শব্দের অর্থই আবার বলা বা আবার করা। তাই এর সঙ্গে again যোগ করলে একই অর্থ দুবার বলা হয়, যাকে বাহুল্য দোষ (Redundancy) বলে। শুদ্ধ রূপ শুধু ‘Repeat it’।
    মনে রাখুন: একই ধরনের বাহুল্য: return back, revert back, combine together, ভুল, শুদ্ধ রূপ return, revert, combine।
  8. ২৮. Neptune is a very cold planet, and _____
    • ক. so does Uranus
    • খ. Uranus so
    • গ. so is Uranus
    • ঘ. so has Uranus
    উত্তর: গ. so is Uranus
    প্রথম অংশে বলা হয়েছে Neptune খুব ঠান্ডা গ্রহ, আর একই কথা Uranus সম্পর্কেও সত্য। এমন সম্মতি বোঝাতে so + auxiliary verb + subject কাঠামো ব্যবহার হয়। প্রথম অংশে auxiliary verb ‘is’ আছে, তাই দ্বিতীয় অংশেও ‘so is Uranus’ বসবে।
    মনে রাখুন: না-বোধক বাক্যে so-র বদলে neither বসে, যেমন Rahim is not lazy, and neither is Karim।
  9. ২৯. Our office requires that we _____ our work timely.
    • ক. complete
    • খ. completed
    • গ. have completed
    • ঘ. should complete
    উত্তর: ক. complete
    Require, demand, suggest, insist-এর মতো verb-এর পরে that-clause এলে তাতে verb-এর base form বসে, একে subjunctive mood বলে। তাই ‘Our office requires that we complete our work timely’ শুদ্ধ। Subject যা-ই হোক, এখানে verb-এর রূপ বদলায় না।
    উদাহরণ:
    The teacher insisted that he attend the class.
  10. ৩০. Identify the imperative sentence.
    • ক. I shall go to school.
    • খ. The dog is barking.
    • গ. It has been raining since morning.
    • ঘ. March on.
    উত্তর: ঘ. March on.
    যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ বা নিষেধ বোঝায়, তাকে imperative sentence বলে। ‘March on’ বাক্যে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আদেশ দেওয়া হচ্ছে, আর imperative sentence-এর subject ‘you’ সাধারণত উহ্য থাকে। বাকি তিনটি বাক্য কোনো তথ্য জানাচ্ছে, তাই সেগুলো assertive sentence।
    মনে রাখুন: Imperative sentence সাধারণত verb-এর base form দিয়ে শুরু হয়, যেমন Open the door, Do not make a noise।
  11. ৩১. কোন প্রকারের বাক্যের মাধ্যমে প্রবল অনুভূতি প্রকাশ পায়?
    • ক. Assertive sentence
    • খ. Exclamatory sentence
    • গ. Optative sentence
    • ঘ. Interrogative sentence
    উত্তর: খ. Exclamatory sentence
    আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময় বা প্রশংসার মতো প্রবল অনুভূতি প্রকাশ করে যে বাক্য, তাকে Exclamatory sentence বলে। এ ধরনের বাক্য সাধারণত What বা How দিয়ে শুরু হয় এবং শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) বসে।
    উদাহরণ:
    How beautiful the flower is! What a nice day!
    মনে রাখুন: Optative sentence দিয়ে প্রার্থনা বা ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়, যেমন May you live long।
  12. ৩২. Move or die. (Make it simple)
    • ক. You shall move to die
    • খ. If you don’t move, you will die.
    • গ. In case of your failure to move you will die.
    • ঘ. You will to move to die.
    উত্তর: গ. In case of your failure to move you will die.
    ‘Move or die’ একটি compound sentence, কারণ or দিয়ে দুটি clause যুক্ত হয়েছে। Simple sentence-এ একটিমাত্র finite verb থাকে, তাই একটি clause-কে phrase-এ পরিণত করতে হয়: In case of your failure to move, you will die। ‘If you don’t move, you will die’ বাক্যটিতে দুটি clause থাকায় এটি complex sentence।
    মনে রাখুন: or বা otherwise যুক্ত compound বাক্যকে complex করতে if...not বা unless ব্যবহার হয়।
  13. ৩৩. Unless you work hard, you will not succeed. (Make it compound)
    • ক. Without working hard, you will not succeed.
    • খ. Work hard or you will not succeed.
    • গ. Work hard and you will not succeed.
    • ঘ. You work hard and will not succeed.
    উত্তর: খ. Work hard or you will not succeed.
    ‘Unless you work hard, you will not succeed’ একটি complex sentence। Unless-যুক্ত বাক্যকে compound করতে প্রথম অংশকে imperative করে or যোগ করতে হয়: Work hard or you will not succeed। ‘and’ বসালে অর্থ উল্টে যায়, কারণ তখন বোঝায় পরিশ্রম করলেও সফল হবে না।
    মনে রাখুন: Simple রূপ হবে Without working hard, you will not succeed।
  14. ৩৪. Choose the correct sentence.
    • ক. She dyed her hair black.
    • খ. She dyed her black hair.
    • গ. She dye her black hair.
    • ঘ. She died her hair black.
    উত্তর: ক. She dyed her hair black.
    Dye মানে রং করা, এর past tense dyed। অন্যদিকে died হলো die (মারা যাওয়া) শব্দের past tense, তাই বানান গুলিয়ে ফেললে অর্থই বদলে যায়। ‘She dyed her hair black’ বাক্যে black হলো object complement, যা বলছে রং করার পরে চুল কেমন হলো। ‘She dyed her black hair’ বাক্যে বোঝায় চুল আগেই কালো ছিল, তাই বাক্যটি যুক্তিহীন।
    মনে রাখুন: dye → dyeing, কিন্তু die → dying।
  15. ৩৫. Choose the correct spelling.
    • ক. Accommodation
    • খ. Acommodation
    • গ. Accomodation
    • ঘ. Acomodation
    উত্তর: ক. Accommodation
    সঠিক বানান accommodation, যার অর্থ থাকার জায়গা বা বাসস্থান। এই শব্দে দুটি c এবং দুটি m আছে, আর এই জায়গাতেই সবচেয়ে বেশি ভুল হয়। বানানটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো, শব্দটি এত বড় যে এতে দুটি c এবং দুটি m-এর জায়গা হয়ে যায়।
    উদাহরণ: The hotel provides accommodation for 200 guests.
    মনে রাখুন: একই রকম ভুলের শব্দ: committee (দুটি m, দুটি t, দুটি e) এবং embarrass (দুটি r, দুটি s)।
  16. ৩৬. Which one is correctly spelt?
    • ক. Kornel
    • খ. Cornel
    • গ. Koronel
    • ঘ. Colonel
    উত্তর: ঘ. Colonel
    শুদ্ধ বানান Colonel, যার অর্থ সেনাবাহিনীর কর্নেল পদ। মজার ব্যাপার হলো শব্দটির উচ্চারণ ‘কার্নেল’, কিন্তু বানানে r নেই, আছে l। ফরাসি ও ইতালীয় ভাষা ঘুরে আসার সময় বানান ও উচ্চারণ আলাদা হয়ে গেছে।
    মনে রাখুন: একই রকম বানান-উচ্চারণের অমিল আছে Lieutenant, Wednesday, Island শব্দে।
  17. ৩৭. Which word is different?
    • ক. Huge
    • খ. Gigantic
    • গ. Terrific
    • ঘ. Enormous
    উত্তর: গ. Terrific
    Huge, Gigantic ও Enormous তিনটি শব্দেরই অর্থ বিশাল বা অনেক বড়, অর্থাৎ এগুলো আকার বোঝায়। Terrific শব্দটির অর্থ চমৎকার বা দারুণ, কখনো ভয়ংকর, এটি আকার বোঝায় না, তাই এটিই আলাদা।
    মনে রাখুন: Huge-এর আরও সমার্থক শব্দ: immense, colossal, massive, vast।
  18. ৩৮. The word ‘afford’ means-
    • ক. Exaggerate
    • খ. Charge
    • গ. Provide
    • ঘ. Able to pay
    উত্তর: ঘ. Able to pay
    Afford মানে কোনো কিছুর খরচ বহন করার সামর্থ্য থাকা, অর্থাৎ দাম দিতে পারা (Able to pay)। সাধারণত can বা could-এর সঙ্গে শব্দটি ব্যবহার হয়।
    উদাহরণ:
    I cannot afford a new car.
    মনে রাখুন: Afford-এর আরেক অর্থ দেওয়া বা জোগানো, যেমন The tree affords shade, তবে মূল প্রচলিত অর্থ সামর্থ্য থাকা।
  19. ৩৯. An antonym of ‘help’ is-
    • ক. Replace
    • খ. Hinder
    • গ. Work
    • ঘ. Miser
    উত্তর: খ. Hinder
    Help মানে সাহায্য করা, আর এর বিপরীত হলো বাধা দেওয়া, ইংরেজিতে Hinder। Replace মানে প্রতিস্থাপন করা, Work মানে কাজ করা, আর Miser মানে কৃপণ, এগুলো help-এর বিপরীত নয়।
    মনে রাখুন: Hinder-এর সমার্থক শব্দ obstruct, impede, hamper।

গণিত

  1. ৪০. কতজন বালককে 125টি কমলালেবু এবং 145টি কলা সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া যায়?
    • ক. 25 জন
    • খ. 15 জন
    • গ. 35 জন
    • ঘ. 5 জন
    উত্তর: ঘ. 5 জন
    সমানভাবে ভাগ করতে হলে বালকের সংখ্যা দিয়ে ১২৫ ও ১৪৫ দুটোকেই নিঃশেষে ভাগ করা যেতে হবে, অর্থাৎ সর্বোচ্চ সংখ্যাটি হবে দুটির গ.সা.গু।
    125 = 5 × 25 = 5³
    145 = 5 × 29
    গ.সা.গু = 5
    অতএব ৫ জন বালককে ভাগ করে দেওয়া যায়, প্রত্যেকে পাবে 25টি কমলা ও 29টি কলা।
  2. ৪১. ১৮ ফুট × ১২ ফুট মাপের ফ্লোর সর্বোচ্চ বর্গাকৃতির (বর্গফুট) মাপের কতটি টাইলসে ঢাকা যাবে?
    • ক. ৩টি
    • খ. ৪টি
    • গ. ৫টি
    • ঘ. ৬টি
    উত্তর: ঘ. ৬টি
    সবচেয়ে বড় বর্গাকার টাইলসের বাহু হবে ফ্লোরের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গ.সা.গু।
    18 ও 12-এর গ.সা.গু = 6, তাই টাইলসের বাহু 6 ফুট।
    টাইলস সংখ্যা = (18 × 12) / (6 × 6) = 216 / 36 = 6টি
    অর্থাৎ দৈর্ঘ্য বরাবর ৩টি আর প্রস্থ বরাবর ২টি করে মোট ৬টি টাইলস লাগবে।
  3. ৪২. ২৫০ টাকার ৪% কত?
    • ক. ২০
    • খ. ১০
    • গ. ২৫
    • ঘ. ৫০
    উত্তর: খ. ১০
    কোনো সংখ্যার শতকরা অংশ বের করতে সংখ্যাটিকে শতকরা হার দিয়ে গুণ করে ১০০ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
    250 × 4/100 = 1000/100 = 10
    অর্থাৎ ২৫০ টাকার ৪% হলো ১০ টাকা।
  4. ৪৩. একটি সংখ্যার ১২% নিলে ৯৬ পাওয়া যায়, সংখ্যাটি কত?
    • ক. ১২০
    • খ. ১০০০
    • গ. ৮০০
    • ঘ. ৭২০
    উত্তর: গ. ৮০০
    ধরি সংখ্যাটি x।
    x × 12/100 = 96
    x = 96 × 100 / 12 = 800
    যাচাই: 800-এর 12% = 96, মিলে যায়।
  5. ৪৪. ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্ব ৩০০ কি.মি. এবং ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব ১৮০ কি.মি.। ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব, ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্বের শতকরা কত অংশ?
    • ক. ৪০
    • খ. ৫০
    • গ. ৬০
    • ঘ. ৭০
    উত্তর: গ. ৬০
    কোনো রাশি অন্য রাশির শতকরা কত, তা বের করতে প্রথমটিকে দ্বিতীয়টি দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করতে হয়।
    (180 / 300) × 100 = 60
    অর্থাৎ ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্বের ৬০%।
  6. ৪৫. শতকরা বার্ষিক কত মুনাফায় ৩০০০ টাকার ৫ বছরে মুনাফা ১৫০০ টাকা হবে?
    • ক. ২০%
    • খ. ১০%
    • গ. ৫%
    • ঘ. ১৫%
    উত্তর: খ. ১০%
    সরল মুনাফার সূত্র: I = P × r × n।
    1500 = 3000 × r × 5
    r = 1500 / 15000 = 0.10 = 10%
    অর্থাৎ বার্ষিক মুনাফার হার ১০%।
  7. ৪৬. কোনো আসল ৩ বছরে মুনাফা-আসলে ৫৫০০ টাকা হয়। মুনাফা-আসলের ৩/৮ অংশ হলে মুনাফার হার কত?
    • ক. ১০%
    • খ. ১২.৫%
    • গ. ১৫%
    • ঘ. ১২%
    উত্তর: খ. ১২.৫%
    সুদাসল (আসল + মুনাফা) = 5500 টাকা। মুনাফা আসলের 3/8 অংশ হলে সুদাসল = আসল × (1 + 3/8) = আসল × 11/8। তাই আসল = 5500 × 8 ÷ 11 = 4000 টাকা। ৩ বছরের মুনাফা = 5500 – 4000 = 1500 টাকা। মুনাফার হার = (1500 × 100) ÷ (4000 × 3) = 12.5%।
    যাচাই: 4000-এর 12.5% = 500 টাকা, ৩ বছরে 1500 টাকা।
  8. ৪৭. আসল-মুনাফা একত্রে ১২৫০ টাকা, মুনাফা আসলের ১/৪ অংশ হলে, আসল কত টাকা?
    • ক. ১০০০
    • খ. ১০৫০
    • গ. ৯০০
    • ঘ. ৯৬০
    উত্তর: ক. ১০০০
    ধরি আসল P টাকা। মুনাফা আসলের 1/4, তাই মুনাফা = P/4।
    P + P/4 = 1250
    5P/4 = 1250
    P = 1250 × 4/5 = 1000
    অর্থাৎ আসল ১০০০ টাকা, আর মুনাফা ২৫০ টাকা।
  9. ৪৮. একজন লোক সপ্তাহে 450 টাকা আয় করেন এবং 300 টাকা ব্যয় করেন। তার আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত কত?
    • ক. 3:2
    • খ. 2:1
    • গ. 3:1
    • ঘ. 5:2
    উত্তর: গ. 3:1
    সঞ্চয় = আয় − ব্যয় = 450 − 300 = 150 টাকা।
    আয় : সঞ্চয় = 450 : 150 = 3 : 1
    মনে রাখুন: অনুপাত সরল করতে দুই রাশিকেই তাদের গ.সা.গু দিয়ে ভাগ করতে হয়, এখানে গ.সা.গু 150।
  10. ৪৯. দুটি সংখ্যার বিয়োগফল তাদের যোগফলের 1/3 অংশ। সংখ্যা দুটির অনুপাত কত?
    • ক. 3:1
    • খ. 2:3
    • গ. 1:4
    • ঘ. 2:1
    উত্তর: ঘ. 2:1
    ধরি সংখ্যা দুটি a ও b।
    শর্তমতে, a − b = (a + b)/3
    3a − 3b = a + b
    2a = 4b
    a/b = 2, অর্থাৎ a : b = 2 : 1
    যাচাই: 2 ও 1 নিলে বিয়োগফল 1, যোগফল 3, আর 1 হলো 3-এর 1/3।
  11. ৫০. একজন ব্যক্তি প্রতিমাসে 1400 টাকা সঞ্চয় করেন এবং তার মাসিক আয়ের 80% খরচ করেন। তবে মাসিক আয় কত টাকা?
    • ক. 4900
    • খ. 6300
    • গ. 7000
    • ঘ. 84000
    উত্তর: গ. 7000
    আয়ের 80% খরচ করলে বাকি 20% সঞ্চয় হয়।
    20% = 1400 টাকা
    100% = 1400 × 5 = 7000 টাকা
    অর্থাৎ মাসিক আয় ৭০০০ টাকা।
  12. ৫১. 3 : 5 অনুপাতবিশিষ্ট দুটি সংখ্যার সমষ্টি 56 হলে, সংখ্যা দুটির অন্তর কত?
    • ক. 15
    • খ. 8
    • গ. 41
    • ঘ. 14
    উত্তর: ঘ. 14
    অনুপাত 3 : 5 মানে মোট ভাগ 3 + 5 = 8।
    1 ভাগ = 56/8 = 7
    সংখ্যা দুটি 3 × 7 = 21 এবং 5 × 7 = 35
    অন্তর = 35 − 21 = 14
    মনে রাখুন: সরাসরি অন্তর = (5 − 3) × 7 = 14।
  13. ৫২. ক্রয়মূল্য C টাকা এবং বিক্রয়মূল্য P টাকা হলে মুনাফা কত?
    • ক. C - P
    • খ. P - C
    • গ. C × P
    • ঘ. P / C
    উত্তর: খ. P - C
    মুনাফা বা লাভ হয় তখন, যখন বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি। তাই লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য = P − C।
    মনে রাখুন: ক্রয়মূল্য বেশি হলে ক্ষতি হয়, আর তখন ক্ষতি = C − P।
  14. ৫৩. একটি চেয়ার 180 টাকায় বিক্রি করায় 20% লাভ হলো। চেয়ারটির ক্রয়মূল্য কত?
    • ক. 150 টাকা
    • খ. 120 টাকা
    • গ. 160 টাকা
    • ঘ. 100 টাকা
    উত্তর: ক. 150 টাকা
    20% লাভ মানে ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে বিক্রয়মূল্য 120 টাকা।
    বিক্রয়মূল্য 120 হলে ক্রয়মূল্য 100
    বিক্রয়মূল্য 180 হলে ক্রয়মূল্য = 180 × 100/120 = 150 টাকা
    যাচাই: 150-এর 20% = 30, আর 150 + 30 = 180।
  15. ৫৪. 20% ডিসকাউন্টের পর একটি বইয়ের খরচ 400 টাকা দাঁড়ায়। তবে বইটির প্রকৃত মূল্য কত?
    • ক. 500 টাকা
    • খ. 320 টাকা
    • গ. 480 টাকা
    • ঘ. 333 টাকা
    উত্তর: ক. 500 টাকা
    20% ডিসকাউন্ট মানে প্রকৃত মূল্য 100 টাকা হলে দিতে হয় 80 টাকা।
    80 টাকা দিলে প্রকৃত মূল্য 100
    400 টাকা দিলে প্রকৃত মূল্য = 400 × 100/80 = 500 টাকা
    যাচাই: 500-এর 20% = 100, আর 500 − 100 = 400।
  16. ৫৫. প্রথম 10 কেজি পরিবহণের জন্য প্রতি কেজিতে 5 টাকা এবং 10 কেজির উপরে প্রতি কেজিতে 4 টাকা ফি নেওয়া হয়। 27 কেজি পরিবহণের জন্য কত ফি দিতে হবে?
    • ক. 102 টাকা
    • খ. 106 টাকা
    • গ. 110 টাকা
    • ঘ. 118 টাকা
    উত্তর: ঘ. 118 টাকা
    প্রথম 10 কেজির ফি = 10 × 5 = 50 টাকা।
    বাকি 27 − 10 = 17 কেজির ফি = 17 × 4 = 68 টাকা।
    মোট ফি = 50 + 68 = 118 টাকা।
  17. ৫৬. একটি শ্রেণিতে 10 জন ছাত্রের প্রত্যেকে তার সহপাঠীর সংখ্যার সমান চাঁদা দিলে মোট কত টাকা চাঁদা উঠবে?
    • ক. 50
    • খ. 80
    • গ. 90
    • ঘ. 100
    উত্তর: গ. 90
    ১০ জন ছাত্রের প্রত্যেকের সহপাঠী হলো বাকি ৯ জন, কারণ কেউ নিজের সহপাঠী নয়। তাই প্রত্যেকে 9 টাকা করে চাঁদা দেবে।
    মোট চাঁদা = 10 × 9 = 90 টাকা
    মনে রাখুন: সাধারণভাবে n জন হলে মোট চাঁদা n(n − 1)।
  18. ৫৭. ছয়টি সংখ্যার গড় 6। যদি প্রত্যেক সংখ্যা থেকে 3 বিয়োগ করা হয়, তবে নতুন সংখ্যাগুলোর গড় কত হবে?
    • ক. 18
    • খ. 15
    • গ. 4
    • ঘ. 3
    উত্তর: ঘ. 3
    প্রতিটি সংখ্যা থেকে একই পরিমাণ বিয়োগ করলে গড়ও ঠিক সেই পরিমাণ কমে যায়।
    নতুন গড় = 6 − 3 = 3
    যাচাই: ছয়টি সংখ্যার যোগফল 36, প্রত্যেকটি থেকে 3 বাদ দিলে কমে 18, নতুন যোগফল 18, আর 18/6 = 3।
  19. ৫৮. কোনটি ক্ষুদ্রতম?
    • ক. ডেসিমিটার
    • খ. সেন্টিমিটার
    • গ. ডেকামিটার
    • ঘ. মিলিমিটার
    উত্তর: ঘ. মিলিমিটার
    মেট্রিক পদ্ধতিতে ১ মিটারকে ভিত্তি ধরে এককগুলো সাজানো হয়।
    1 ডেকামিটার = 10 মিটার
    1 ডেসিমিটার = 0.1 মিটার
    1 সেন্টিমিটার = 0.01 মিটার
    1 মিলিমিটার = 0.001 মিটার
    তাই সবচেয়ে ছোট একক মিলিমিটার।
    মনে রাখুন: ডেকা মানে ১০ গুণ, আর ডেসি মানে ১০ ভাগের ১ ভাগ।

বাংলাদেশ

  1. ৫৯. বাংলাদেশে বর্তমানে বিভাগের সংখ্যা কয়টি?
    • ক. ৬টি
    • খ. ৭টি
    • গ. ৮টি
    • ঘ. ৯টি
    উত্তর: গ. ৮টি
    বাংলাদেশে বর্তমানে ৮টি বিভাগ আছে: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ। সর্বশেষ বিভাগ ময়মনসিংহ, যা ২০১৫ সালে ঢাকা বিভাগ থেকে আলাদা করে গঠিত হয়।
    মনে রাখুন:
    আয়তনে বৃহত্তম বিভাগ চট্টগ্রাম, আর ক্ষুদ্রতম ময়মনসিংহ।
    রংপুর বিভাগ গঠিত হয় ২০১০ সালে।
  2. ৬০. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
    • ক. ময়মনসিংহ
    • খ. বরিশাল
    • গ. রাজশাহী
    • ঘ. সিলেট
    উত্তর: ক. ময়মনসিংহ
    আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ। এটি দেশের সর্বশেষ গঠিত বিভাগ, আর এতে মাত্র ৪টি জেলা আছে: ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা।
    মনে রাখুন:
    আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম।
    জেলার সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ, প্রতিটিতে ১৩টি করে জেলা।
  3. ৬১. ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে বাংলাদেশের স্থান কততম?
    • ক. ২য়
    • খ. ৩য়
    • গ. ৪র্থ
    • ঘ. ৫ম
    উত্তর: খ. ৩য়
    ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়। প্রথম চীন আর দ্বিতীয় ভারত, আর বাংলাদেশ কয়েক বছর আগে ইন্দোনেশিয়াকে পেছনে ফেলে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। দেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান, আর এখানে আউশ, আমন ও বোরো এই ৩টি মৌসুমে ধান চাষ হয়।
    মনে রাখুন:
    উৎপাদনে সবচেয়ে বড় মৌসুম বোরো।
    ধান গবেষণার জন্য বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) গাজীপুরে অবস্থিত।
  4. ৬২. বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
    • ক. ফরিদপুর
    • খ. দিনাজপুর
    • গ. রংপুর
    • ঘ. রাজশাহী
    উত্তর: ক. ফরিদপুর
    বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুর জেলায়। পাট চাষের জন্য দরকার উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া, প্রচুর বৃষ্টি আর পলিমাটি, আর পদ্মা অববাহিকার ফরিদপুর অঞ্চলে এই সবকিছুই পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    পাটকে বলা হয় ‘সোনালি আঁশ’।
    বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অবস্থিত।
    পাট উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম ভারত, দ্বিতীয় বাংলাদেশ।
  5. ৬৩. বাংলাদেশে বিদ্যুৎশক্তির উৎস-
    • ক. খনিজ তেল
    • খ. পাহাড়ি নদী
    • গ. প্রাকৃতিক গ্যাস
    • ঘ. উপরের সব সঠিক
    উত্তর: ঘ. উপরের সব সঠিক
    বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস। এর পাশাপাশি খনিজ তেল (ফার্নেস অয়েল ও ডিজেল) দিয়েও বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, আর পাহাড়ি নদী কর্ণফুলীর পানি দিয়ে কাপ্তাইয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। তাই তিনটিই বিদ্যুতের উৎস।
    মনে রাখুন:
    দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎকেন্দ্র কাপ্তাই, রাঙামাটিতে।
    কয়লাভিত্তিক বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র: পায়রা ও রামপাল, আর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে।
  6. ৬৪. বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানি বাজার-
    • ক. ভারত
    • খ. যুক্তরাজ্য
    • গ. জাপান
    • ঘ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ঘ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশের রপ্তানির প্রধান পণ্য তৈরি পোশাক, আর এর সবচেয়ে বড় ক্রেতা যুক্তরাষ্ট্র। তবে অঞ্চল বা জোট হিসেবে ধরলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সবচেয়ে বড় বাজার।
    মনে রাখুন: যুক্তরাষ্ট্রের পরে বড় রপ্তানি বাজার জার্মানি ও যুক্তরাজ্য।

আন্তর্জাতিক

  1. ৬৫. পৃথিবীর সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি?
    • ক. চীন
    • খ. ভারত
    • গ. রাশিয়া
    • ঘ. কানাডা
    উত্তর: খ. ভারত
    জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ২০২৩ সালে ভারত চীনকে পেছনে ফেলে পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ হয়েছে। ভারতের জনসংখ্যা এখন ১৪০ কোটির বেশি, আর চীনে জন্মহার কমে যাওয়ায় সেখানে জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে।
    মনে রাখুন:
    জনসংখ্যায় তৃতীয় যুক্তরাষ্ট্র।
    আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া, আর দ্বিতীয় কানাডা।
  2. ৬৬. পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ কোনটি?
    • ক. নরওয়ে
    • খ. স্পেন
    • গ. জাপান
    • ঘ. চীন
    উত্তর: গ. জাপান
    বিকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের মানুষের গড় আয়ু সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮৪ বছর। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা ও সক্রিয় জীবনযাপন এর বড় কারণ। জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপ দীর্ঘজীবী মানুষের জন্য বিশ্ববিখ্যাত।
    মনে রাখুন: ছোট অঞ্চল ও নগররাষ্ট্র ধরলে মোনাকো ও হংকংয়ের গড় আয়ুও খুব বেশি, আর সাধারণত নারীদের গড় আয়ু পুরুষদের চেয়ে বেশি হয়।
  3. ৬৭. Apartheid কী?
    • ক. লিঙ্গবৈষম্য
    • খ. বর্ণবৈষম্য
    • গ. ধর্মবৈষম্য
    • ঘ. শিক্ষাবৈষম্য
    উত্তর: খ. বর্ণবৈষম্য
    অ্যাপারথেইড (Apartheid) মানে বর্ণবৈষম্য বা বর্ণের ভিত্তিতে মানুষকে আলাদা করে রাখার নীতি। দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকার আইন করে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট, শিক্ষা ও চলাফেরার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। শব্দটি এসেছে আফ্রিকান্স ভাষা থেকে, যার অর্থ পৃথক থাকা।
    মনে রাখুন: এই নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাগারে কাটান এবং ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হন।
  4. ৬৮. ‘Black Lives Matter’ কী?
    • ক. একটি পানীয়
    • খ. একটি গ্রন্থ
    • গ. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
    • ঘ. একটি NGO
    উত্তর: গ. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
    ‘Black Lives Matter’ (কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনেরও মূল্য আছে) যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া একটি বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন। ২০১৩ সালে আন্দোলনটির সূচনা হয়, আর ২০২০ সালে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হওয়ার পর তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
    মনে রাখুন: যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
  5. ৬৯. জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
    • ক. ম্যাকিয়াভেলি
    • খ. হিটলার
    • গ. বিসমার্ক
    • ঘ. পোপ জন পল
    উত্তর: ক. ম্যাকিয়াভেলি
    ইতালির রাষ্ট্রচিন্তাবিদ নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে জাতিরাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়। তিনি খণ্ডবিখণ্ড ইতালিকে একটি শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন, আর ধর্ম ও নৈতিকতা থেকে রাজনীতিকে আলাদা করে দেখেছিলেন। এ কারণে তাঁকে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনকও বলা হয়।
    মনে রাখুন: ম্যাকিয়াভেলির বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য প্রিন্স’ (The Prince)।

বিজ্ঞান

  1. ৭০. বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হলো—
    • ক. অক্সিজেন
    • খ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    • গ. নাইট্রোজেন
    • ঘ. হাইড্রোজেন
    উত্তর: ঘ. হাইড্রোজেন
    বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সবচেয়ে প্রচুর গ্যাস হাইড্রোজেন। মহাবিশ্বের সাধারণ পদার্থের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ হাইড্রোজেন এবং প্রায় এক-চতুর্থাংশ হিলিয়াম। তারার কেন্দ্রে নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন হিলিয়ামে পরিণত হয়ে আলো ও তাপ উৎপন্ন করে। সূর্যও এভাবেই শক্তি পায়।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি আছে নাইট্রোজেন (প্রায় ৭৮%)।
  2. ৭১. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম-
    • ক. ভেগা
    • খ. সেটাম
    • গ. নেবুলা
    • ঘ. প্রক্সিমা সেন্টরাই
    উত্তর: ঘ. প্রক্সিমা সেন্টরাই
    সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri), যা প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে। এটি আলফা সেন্টরাই নামের তিন-নক্ষত্রের একটি দলের সদস্য। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র কিন্তু সূর্য নিজেই।
    মনে রাখুন:
    রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র লুব্ধক (Sirius)।
    নেবুলা কোনো নক্ষত্র নয়, এটি মহাকাশে গ্যাস ও ধূলিকণার মেঘ।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক): অন্যান্য পরীক্ষা

আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন