লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন নিয়োগ পরীক্ষা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬। ৭২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

গণিত

  1. ১. নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?
    • ক. ৯
    • খ. ৮
    • গ. ৪
    • ঘ. ২
    উত্তর: ঘ. ২
    মৌলিক সংখ্যা (Prime number) হলো ১-এর চেয়ে বড় এমন সংখ্যা, যাকে কেবল ১ এবং সেই সংখ্যা নিজে দিয়ে ভাগ করা যায়। ৯ কে ৩ দিয়ে, ৮ ও ৪ কে ২ দিয়ে ভাগ করা যায়, তাই এগুলো মৌলিক নয়। কিন্তু ২ কে ১ ও ২ ছাড়া আর কিছু দিয়ে ভাগ করা যায় না, তাই ২ মৌলিক সংখ্যা।
    মনে রাখুন:
    ২ হলো একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা এবং সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা।
    ১ মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়।
    ২০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৮টি: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯।
    ১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২৫টি।
  2. ২. ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট ৪ ঘণ্টার কত অংশ?
    • ক. ১/২ অংশ
    • খ. ১/৪ অংশ
    • গ. ১/৩ অংশ
    • ঘ. ২/৩ অংশ
    উত্তর: গ. ১/৩ অংশ
    দুটি সময়ের তুলনা করতে আগে একই এককে আনতে হয়।
    ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট = 60 + 20 = 80 মিনিট
    ৪ ঘণ্টা = 4 × 60 = 240 মিনিট
    নির্ণেয় অংশ = 80/240 = 1/3
    মনে রাখুন: ভগ্নাংশের প্রশ্নে লব ও হর অবশ্যই একই এককে থাকতে হবে, তা না হলে ভুল উত্তর আসে।
  3. ৩. কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম-
    • ক. ১/২
    • খ. ২/৩
    • গ. ১/৪
    • ঘ. ৩/৫
    উত্তর: গ. ১/৪
    ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে প্রকাশ করলে তুলনা সহজ হয়:
    1/2 = 0.5, 2/3 ≈ 0.667, 1/4 = 0.25, 3/5 = 0.6
    এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট 0.25, তাই ক্ষুদ্রতম ভগ্নাংশ 1/4।
    মনে রাখুন: লব সমান হলে যে ভগ্নাংশের হর বড়, সেটি ছোট। যেমন 1/4 < 1/2। আর হর সমান হলে যার লব বড়, সেটি বড়।
  4. ৪. ১২০ জন ছাত্রের মধ্যে ৩০ জন ছাত্র ফেল করলে পাশের হার কত?
    • ক. ৪০%
    • খ. ২৫%
    • গ. ৮০%
    • ঘ. ৭৫%
    উত্তর: ঘ. ৭৫%
    মোট ছাত্র 120 জন, ফেল করেছে 30 জন, তাই পাস করেছে 120 − 30 = 90 জন।
    পাসের হার = (90/120) × 100% = 75%
    অন্যভাবে, ফেলের হার = (30/120) × 100% = 25%, তাই পাসের হার = 100% − 25% = 75%।
    মনে রাখুন: পাসের হার ও ফেলের হারের যোগফল সবসময় 100%।
  5. ৫. শতকরা বার্ষিক ১৫% সুদে ৮,০০০ টাকায় ৬ মাসের সুদ কত?
    • ক. ৬০০ টাকা
    • খ. ৭০০ টাকা
    • গ. ৮০০ টাকা
    • ঘ. ৫০০ টাকা
    উত্তর: ক. ৬০০ টাকা
    সরল সুদের সূত্র: সুদ = আসল × হার × সময়। এখানে সময় ৬ মাস = 1/2 বছর।
    সুদ = 8000 × 15/100 × 1/2 = 600 টাকা
    মনে রাখুন: বার্ষিক হারে সুদ দেওয়া থাকলে সময়কে অবশ্যই বছরে রূপান্তর করতে হয়, যেমন ৩ মাস = 1/4 বছর এবং ৯ মাস = 3/4 বছর।
  6. ৬. (a – b)² এর সূত্র কোনটি?
    • ক. a² – 2ab + b²
    • খ. (a + b)(a – b)
    • গ. a² + 2ab + b²
    • ঘ. (a – b)² + 2ab
    উত্তর: ক. a² – 2ab + b²
    (a − b)² মানে (a − b) কে নিজের সঙ্গে গুণ করা।
    (a − b)² = (a − b)(a − b) = a² − ab − ab + b² = a² − 2ab + b²
    অর্থাৎ প্রথম রাশির বর্গ, বিয়োগ দুই রাশির গুণফলের দ্বিগুণ, যোগ দ্বিতীয় রাশির বর্গ।
    মনে রাখুন:
    (a + b)² = a² + 2ab + b²
    (a + b)(a − b) = a² − b²
    (a − b)² = (a + b)² − 4ab
  7. ৭. a² – b² এবং a² + b² রাশি দুটির গ.সা.গু কত?
    • ক. ১
    • খ. b(a – b)
    • গ. b(a + b)
    • ঘ. (a² – b²)(a² + b²)
    উত্তর: ক. ১
    a² − b² কে উৎপাদকে ভাঙলে পাই (a + b)(a − b)। কিন্তু a² + b² বাস্তব সংখ্যার মধ্যে আর উৎপাদকে ভাঙা যায় না, এর কোনো উৎপাদক (a + b) বা (a − b) নয়। ফলে দুটি রাশির মধ্যে 1 ছাড়া কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই, তাই গ.সা.গু. = 1।
    মনে রাখুন: যে দুটি রাশির গ.সা.গু. 1, তাদের ল.সা.গু. হয় রাশি দুটির গুণফল, এখানে (a² − b²)(a² + b²) = a⁴ − b⁴।
  8. ৮. (a – b)² + 4ab = ?
    • ক. (a – b)³
    • খ. (a + b)²
    • গ. a² – b²
    • ঘ. a² + b²
    উত্তর: খ. (a + b)²
    (a − b)² = a² − 2ab + b²। এর সঙ্গে 4ab যোগ করলে,
    a² − 2ab + b² + 4ab = a² + 2ab + b² = (a + b)²
    তাই (a − b)² + 4ab = (a + b)²।
    মনে রাখুন: এর বিপরীত সম্পর্কও খুব কাজের, (a + b)² − 4ab = (a − b)²। a + b ও ab জানা থাকলে এই সূত্র দিয়ে সহজেই a − b বের করা যায়।
  9. ৯. দুইটি সংখ্যার যোগফল তাদের বিয়োগ ফলের দ্বিগুণ, সংখ্যা দুটির অনুপাত কত?
    • ক. ২ : ১
    • খ. ৩ : ১
    • গ. ৪ : ৩
    • ঘ. ৩ : ২
    উত্তর: খ. ৩ : ১
    সংখ্যা দুটি x ও y (x > y) ধরি। শর্তমতে,
    x + y = 2(x − y)
    x + y = 2x − 2y
    3y = x
    তাই x : y = 3 : 1।
    যাচাই: সংখ্যা দুটি 3 ও 1 হলে যোগফল 4 এবং বিয়োগফল 2, আর 4 হলো 2 এর দ্বিগুণ।
    মনে রাখুন: অনুপাতের প্রশ্নে সংখ্যা দুটিকে x ও y ধরে শর্ত থেকে একটিকে অন্যটির মাধ্যমে প্রকাশ করলেই অনুপাত পাওয়া যায়।
  10. ১০. সমকোণী ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি কত?
    • ক. ১৮০°
    • খ. ৯০°
    • গ. ৩৬০°
    • ঘ. ২২০°
    উত্তর: ক. ১৮০°
    যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, ত্রিভুজটি সমকোণী, সূক্ষ্মকোণী বা স্থূলকোণী যা-ই হোক। সমকোণী ত্রিভুজে একটি কোণ 90°, তাই বাকি দুটি সূক্ষ্মকোণের যোগফল 90°।
    মনে রাখুন: চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি 360°, আর n বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের অন্তঃকোণগুলোর সমষ্টি (2n − 4) সমকোণ।
  11. ১১. সমকোণী ত্রিভুজের একটি সূক্ষ্মকোণ ৫০ ডিগ্রি হলে অপর সূক্ষ্মকোণের মান কত?
    • ক. ৫০°
    • খ. ২০°
    • গ. ৩০°
    • ঘ. ৪০°
    উত্তর: ঘ. ৪০°
    সমকোণী ত্রিভুজে একটি কোণ 90°, আর তিন কোণের যোগফল 180°। তাই বাকি দুটি সূক্ষ্মকোণের যোগফল 180° − 90° = 90°। একটি সূক্ষ্মকোণ 50° হলে অপরটি 90° − 50° = 40°।
    মনে রাখুন: সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণ দুটি পরস্পর পূরক কোণ, কারণ এদের যোগফল 90°। সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভুজ বলে, যা ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহু।
  12. ১২. একটি চতুর্ভুজের চারটি বাহুর বিপরীতে দুটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান হলে তাকে বলে-
    • ক. আয়তক্ষেত্র
    • খ. সামন্তরিক
    • গ. বর্গক্ষেত্র
    • ঘ. ট্রাপিজিয়াম
    উত্তর: ঘ. ট্রাপিজিয়াম
    যে চতুর্ভুজের একজোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল কিন্তু সমান নয়, তাকে ট্রাপিজিয়াম (Trapezium) বলে। সামান্তরিক, আয়ত ও বর্গক্ষেত্রে বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল হওয়ার পাশাপাশি সমানও হয়, তাই এগুলো এখানে খাটে না।
    মনে রাখুন: ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (1/2) × (সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফল) × উচ্চতা।
  13. ১৩. সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান হলে সামান্তরিক টি হবে-
    • ক. আয়তক্ষেত্র
    • খ. রম্বস
    • গ. বর্গক্ষেত্র
    • ঘ. ট্রাপিজিয়াম
    উত্তর: ক. আয়তক্ষেত্র
    সামান্তরিকের কর্ণ দুটি সাধারণত পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে, কিন্তু সমান হয় না। কর্ণ দুটি সমান হলে প্রমাণ করা যায় যে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাই সামান্তরিকটি আয়তক্ষেত্র হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    কর্ণ দুটি পরস্পরকে লম্বভাবে সমদ্বিখণ্ডিত করলে সামান্তরিকটি রম্বস।
    কর্ণ দুটি সমান এবং পরস্পরের ওপর লম্ব হলে সামান্তরিকটি বর্গক্ষেত্র।
  14. ১৪. কোনটি সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল?
    • ক. দৈর্ঘ্য × উচ্চতা
    • খ. দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
    • গ. ১/২ × দৈর্ঘ্য × উচ্চতা
    • ঘ. ভূমি × উচ্চতা
    উত্তর: ঘ. ভূমি × উচ্চতা
    সামান্তরিককে এক পাশ থেকে একটি ত্রিভুজ কেটে অন্য পাশে জুড়ে দিলে একটি আয়তক্ষেত্র পাওয়া যায়, যার দৈর্ঘ্য সামান্তরিকের ভূমি এবং প্রস্থ তার উচ্চতা। তাই সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা। এখানে উচ্চতা মানে ভূমির ওপর বিপরীত বাহু থেকে আঁকা লম্বের দৈর্ঘ্য, হেলানো বাহুর দৈর্ঘ্য নয়।
    মনে রাখুন: রম্বসের ক্ষেত্রফল = (1/2) × কর্ণ দুটির গুণফল, আর ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা।

ইংরেজি

  1. ১৫. He looked ... the picture.
    • ক. to
    • খ. in
    • গ. after
    • ঘ. at
    উত্তর: ঘ. at
    কোনো কিছুর দিকে তাকানো বোঝাতে look এর পরে at বসে, তাই He looked at the picture মানে সে ছবিটির দিকে তাকাল। Look এর সঙ্গে ভিন্ন preposition বসলে অর্থও বদলে যায়।
    মনে রাখুন:
    look after: দেখাশোনা করা।
    look for: খোঁজা।
    look into: তদন্ত করা।
    look forward to: অপেক্ষায় থাকা।
  2. ১৬. My brother is ... M.B.B.S
    • ক. an
    • খ. a
    • গ. the
    • ঘ. not applicable
    উত্তর: ক. an
    Article a বা an নির্ভর করে পরের শব্দের প্রথম ধ্বনির ওপর, বানানের ওপর নয়। M.B.B.S. এর M উচ্চারণ ‘এম’, যা স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়, তাই এর আগে an বসবে: My brother is an M.B.B.S.।
    মনে রাখুন: একইভাবে an M.A., an hour, an honest man, কিন্তু a university ও a European, কারণ এগুলোর শুরুর ধ্বনি ‘ইউ’।
  3. ১৭. Which one is the plural of "foot"?
    • ক. foots
    • খ. footes
    • গ. feet
    • ঘ. footes
    উত্তর: গ. feet
    কিছু noun নিয়ম মেনে -s যোগ করে plural হয় না, বরং ভেতরের স্বরবর্ণ বদলে যায়। Foot এমনই একটি noun, তাই এর plural হলো feet।
    মনে রাখুন: একই নিয়মের আরও উদাহরণ: tooth → teeth, goose → geese, man → men, mouse → mice। তবে দৈর্ঘ্যের মাপ বোঝাতে অনেক সময় বলা হয় a ten-foot pole, যেখানে foot singular থাকে।
  4. ১৮. Which one is correct?
    • ক. Many years passed away since he had died.
    • খ. Many years passed away since he died.
    • গ. Many years passed away since he has died.
    • ঘ. Many years passed away since he had died.
    উত্তর: খ. Many years passed away since he died.
    Since দিয়ে যখন কোনো কাজ শুরু হওয়ার সময় বোঝানো হয়, তখন since এর পরের অংশ সাধারণত past indefinite tense এ বসে। এখানে তার মৃত্যু অতীতের একটি নির্দিষ্ট ঘটনা, তাই since he died হবে, had died বা has died নয়।
    মনে রাখুন: Since এর আগের অংশ সাধারণত present perfect হয়, তাই আদর্শ বাক্য হলো Many years have passed since he died।
  5. ১৯. "A child likes only sweets" make it negative-
    • ক. A child does not like sweets.
    • খ. A child likes nothing but sweets.
    • গ. A child likes none but sweets.
    • ঘ. No one.
    উত্তর: খ. A child likes nothing but sweets.
    Only যুক্ত affirmative বাক্যকে negative করার নিয়ম হলো: বস্তু বা জিনিসের ক্ষেত্রে only এর বদলে nothing but বসে, আর ব্যক্তির ক্ষেত্রে none but বসে। এখানে sweets একটি জিনিস, তাই হবে A child likes nothing but sweets।
    মনে রাখুন: ব্যক্তির উদাহরণ: Only the brave deserve the fair → None but the brave deserve the fair।
  6. ২০. Which one is the feminine of "Actor"
    • ক. Lady Actor
    • খ. Actrine
    • গ. Actress
    • ঘ. Actres
    উত্তর: গ. Actress
    অনেক masculine noun এর শেষে -ess যোগ করে feminine রূপ তৈরি হয়। Actor এর শেষ -or এর জায়গায় -ress বসিয়ে feminine হয় Actress।
    মনে রাখুন: একই নিয়মে waiter → waitress, host → hostess, lion → lioness। তবে বর্তমানে নারী ও পুরুষ দুই অর্থেই actor শব্দটি ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে।
  7. ২১. Choose the synonym for "fright"?
    • ক. Placidity
    • খ. composure
    • গ. equanimity
    • ঘ. apprehension
    উত্তর: ঘ. apprehension
    ‘Fright’ মানে হঠাৎ ভয় বা আতঙ্ক। ‘Apprehension’-এর অর্থ আশঙ্কা, দুশ্চিন্তা বা ভয়ের অনুভূতি, তাই এটি fright-এর কাছাকাছি। বাকি তিনটি শব্দ, placidity (প্রশান্তি), composure (ধীরস্থির ভাব) ও equanimity (মানসিক ভারসাম্য), সবগুলো শান্ত থাকা বোঝায়। এগুলো ভয়ের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। তাই সমার্থক শব্দ apprehension।
    মনে রাখুন:
    Fright-এর অন্য সমার্থক শব্দ: terror, dread, panic, alarm।
    Apprehension-এর আরেক অর্থ বোধ বা উপলব্ধি, আর আরেক অর্থ গ্রেপ্তার।
  8. ২২. "The French" refers to-
    • ক. The French people
    • খ. The French Language
    • গ. The French manners
    • ঘ. The French society
    উত্তর: ক. The French people
    ইংরেজিতে জাতি বা জনগোষ্ঠীর নামের আগে the বসিয়ে সেই জাতির মানুষকে বোঝানো হয়। ‘The French’ বলতে তাই ফরাসি জাতির মানুষ বা the French people বোঝায়। ভাষার কথা বোঝাতে হলে the ছাড়া French লিখতে হয়, যেমন ‘He speaks French’।
    মনে রাখুন: The + adjective অনেক সময় বহুবচন noun-এর মতো কাজ করে, যেমন the poor (গরিব মানুষেরা), the rich (ধনীরা)।
  9. ২৩. He advised me ... smoking.
    • ক. Giving up
    • খ. to give up
    • গ. in giving up
    • ঘ. from giving up
    উত্তর: খ. to give up
    ‘Advise’ ক্রিয়ার পরে কাউকে (object) উপদেশ দিলে সেই object-এর পরে to-infinitive বসে, এটি advise someone to do something কাঠামো। তাই ‘He advised me to give up smoking’ সঠিক। ‘Giving up’ বা ‘in giving up’ বসালে কাঠামোটি ভুল হয়।
    উদাহরণ: The doctor advised him to take rest.
    মনে রাখুন: Advise-এর noun রূপ advice (উচ্চারণ ‘অ্যাডভাইস’), আর verb রূপ advise (উচ্চারণ ‘অ্যাডভাইজ’)।
  10. ২৪. Which gender is the word 'sibling'
    • ক. Masculine
    • খ. Feminine
    • গ. Neuter
    • ঘ. common
    উত্তর: ঘ. common
    ‘Sibling’ মানে ভাই বা বোন, যা পুরুষ ও নারী দুজনকেই বোঝাতে পারে। যে noun পুরুষ ও নারী দুই লিঙ্গই বোঝায়, তাকে common gender বলে। তাই sibling common gender।

    মনে রাখুন:
    Common gender-এর আরও উদাহরণ: student, teacher, child, parent, friend।
  11. ২৫. Choose the antonym of 'controversy'.
    • ক. Unanimity
    • খ. contention
    • গ. bickering
    • ঘ. dispute
    উত্তর: ক. Unanimity
    ‘Controversy’ মানে বিতর্ক বা মতবিরোধ। এর বিপরীত ‘unanimity’, যার অর্থ সবার এক মত হওয়া। Contention, bickering ও dispute তিনটিই বিরোধ বা ঝগড়া অর্থের শব্দ, তাই এগুলো synonym।

    মনে রাখুন:
    Unanimous: সর্বসম্মত।
    উদাহরণ:
    The committee passed the bill by unanimity.
  12. ২৬. I can't put up with him anymore here "put up with" means-
    • ক. To protect
    • খ. to terminate
    • গ. to tolerate
    • ঘ. to prevent
    উত্তর: গ. to tolerate
    'Put up with' একটি phrasal verb, যার অর্থ সহ্য করা বা মেনে নেওয়া (to tolerate)। বাক্যটির অর্থ হলো, আমি আর তাকে সহ্য করতে পারছি না। সাধারণত অপ্রিয় বা কষ্টদায়ক কিছু সহ্য করার ক্ষেত্রে এই phrase ব্যবহার হয়।
    মনে রাখুন:
    Put up with = bear = tolerate = endure।
    Put off মানে স্থগিত করা। Put out মানে নেভানো।
  13. ২৭. The word "culinary" is related to-
    • ক. Printing
    • খ. cooking
    • গ. dress
    • ঘ. musical instrument
    উত্তর: খ. cooking
    Culinary শব্দটি এসেছে Latin culina (রান্নাঘর) থেকে, আর এর অর্থ রান্না বা রন্ধনশিল্প সম্পর্কিত। যেমন culinary skills মানে রান্নার দক্ষতা।
    মনে রাখুন:
    Sartorial: পোশাক সম্পর্কিত।
    Typography: মুদ্রণ ও অক্ষরবিন্যাস।
    Gastronomy: উন্নত খাবার ও রন্ধন সংস্কৃতি।
  14. ২৮. The meaning of the word 'obese' is-
    • ক. very fat
    • খ. ugly
    • গ. trendy
    • ঘ. obnoxious
    উত্তর: ক. very fat
    Obese শব্দের অর্থ অত্যন্ত মোটা, শরীরে অস্বাভাবিক বেশি চর্বি জমেছে এমন। এর noun হলো Obesity বা স্থূলতা, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি রোগ হিসেবে ধরা হয়। সাধারণত বডি মাস ইনডেক্স (BMI) ৩০ বা তার বেশি হলে মানুষকে obese বলা হয়।
    মনে রাখুন: Obese এর বিপরীত শব্দ Thin বা Lean, আর Obnoxious মানে অত্যন্ত বিরক্তিকর।

বাংলা

  1. ২৯. পদ বিবেচনায় শব্দ কত প্রকার?
    • ক. পাঁচ
    • খ. সাত
    • গ. আট
    • ঘ. দশ
    উত্তর: গ. আট
    বাক্যে ব্যবহৃত শব্দকে পদ বলে, আর বাক্যে শব্দটি কী কাজ করছে তার ভিত্তিতে শব্দকে পদ অনুযায়ী ভাগ করা হয়। নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পদ বিবেচনায় শব্দ ৮ প্রকার।
    মনে রাখুন: ৮ প্রকার পদ হলো বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, অনুসর্গ, যোজক ও আবেগ। পুরোনো ব্যাকরণে পদ ছিল ৫ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।
  2. ৩০. 'চশমা' কোন ভাষার শব্দ?
    • ক. তুর্কি
    • খ. আরবি
    • গ. ফারসি
    • ঘ. পর্তুগিজ
    উত্তর: গ. ফারসি
    ‘চশমা’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, ফারসিতে ‘চশম’ মানে চোখ। মুসলিম শাসনামলে ফারসি দাপ্তরিক ভাষা হওয়ায় অসংখ্য ফারসি শব্দ বাংলায় ঢুকে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    ফারসি শব্দ: চশমা, দোকান, কারখানা, বাদশাহ, নামাজ, রোজা।
    তুর্কি শব্দ: চাকর, কাঁচি, বাবুর্চি, বেগম।
    পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, চাবি, গির্জা, পাউরুটি।
  3. ৩১. কোন ধরনের পদের সাথে নির্দেশক যুক্ত হয় না?
    • ক. বিশেষ্য
    • খ. সর্বনাম
    • গ. বিশেষণ
    • ঘ. ক্রিয়া
    উত্তর: ঘ. ক্রিয়া
    নির্দেশক হলো টা, টি, খানা, খানি, গুলো, গুলি ইত্যাদি, যা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়। এগুলো বিশেষ্য (ছেলেটা), সর্বনাম (সেটা) ও বিশেষণের (একটি, ভালোটা) সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কিন্তু ক্রিয়াপদের সঙ্গে নির্দেশক যুক্ত হয় না, কারণ ক্রিয়া কোনো বস্তু নির্দেশ করে না, কাজ বোঝায়।
    মনে রাখুন: নির্দেশক যুক্ত হয় সাধারণত শব্দের শেষে এবং এটি একবচন ও বহুবচন বোঝাতেও সাহায্য করে, যেমন বইটি (একটি), বইগুলো (অনেক)।
  4. ৩২. বচন অর্থ কি?
    • ক. সংখ্যার ধারণা
    • খ. গণনার ধারণা
    • গ. ক্রমের ধারণা
    • ঘ. পরিমাপের ধারণা
    উত্তর: ক. সংখ্যার ধারণা
    ব্যাকরণে বচন (Number) বলতে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যার ধারণা বোঝায়। অর্থাৎ কোনো শব্দ দিয়ে একটি জিনিস বোঝানো হচ্ছে, না একাধিক জিনিস, বচন তা জানিয়ে দেয়। বাংলায় বচন দুই প্রকার: একবচন ও বহুবচন।
    মনে রাখুন:
    বহুবচন বোঝাতে বাংলায় রা, এরা, গুলি, গুলো, সমূহ, বৃন্দ ও গণ-এর মতো শব্দ বা বিভক্তি ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণ: ছেলেরা, বইগুলো, শিক্ষকবৃন্দ।
  5. ৩৩. ক্রিয়ার প্রথম অংশকে কি বলে?
    • ক. শব্দ
    • খ. শব্দমূল
    • গ. ধাতু
    • ঘ. ক্রিয়া বিভক্তি
    উত্তর: গ. ধাতু
    ক্রিয়াপদকে ভাঙলে দুটি অংশ পাওয়া যায়: প্রথম অংশ ধাতু (Root) বা ক্রিয়ামূল, আর শেষের অংশ ক্রিয়া বিভক্তি। যেমন ‘করছি’ ক্রিয়াপদে কর্ হলো ধাতু এবং ছি হলো বিভক্তি। ধাতুই ক্রিয়ার মূল অর্থ বহন করে।
    মনে রাখুন: ধাতু তিন প্রকার: মৌলিক ধাতু (পড়্, খা), সাধিত ধাতু (দেখা, করা) ও যৌগিক ধাতু (মারা যা, উঠে পড়্)।
  6. ৩৪. কোন বাক্যটিতে নির্দেশক ভাব প্রকাশ করে?
    • ক. সত্য বলবে
    • খ. তোমার নাম কি?
    • গ. মানুষ হও
    • ঘ. শিক্ষককে মান্য করো
    উত্তর: খ. তোমার নাম কি?
    ক্রিয়ার ভাব বলতে বোঝায় কাজটি কোন ভঙ্গিতে প্রকাশ পাচ্ছে। যে ভাবে সাধারণভাবে কোনো ঘটনা জানানো, প্রশ্ন করা বা অস্বীকার করা হয়, তাকে নির্দেশক ভাব বলে। ‘তোমার নাম কী?’ একটি সাধারণ প্রশ্ন, তাই এখানে ক্রিয়ার নির্দেশক ভাব প্রকাশ পেয়েছে। অন্যদিকে ‘সত্য বলবে’, ‘মানুষ হও’ ও ‘শিক্ষককে মান্য করো’ বাক্যে আদেশ বা উপদেশ আছে, তাই এগুলো অনুজ্ঞা ভাব।
    মনে রাখুন: ক্রিয়ার ভাব চার প্রকার: নির্দেশক, অনুজ্ঞা, সাপেক্ষ ও আকাঙ্ক্ষা।
  7. ৩৫. বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দের গুচ্ছকে কি বলে?
    • ক. বর্ণ
    • খ. বর্গ
    • গ. পদ
    • ঘ. শব্দ
    উত্তর: খ. বর্গ
    বাক্যের মধ্যে কয়েকটি শব্দ মিলে যখন একটি অর্থপূর্ণ একক তৈরি করে কিন্তু পূর্ণ বাক্য হয় না, সেই শব্দগুচ্ছকে বর্গ (Phrase) বলে। যেমন ‘সুন্দর বাগানটি’ একটি বিশেষ্য বর্গ। নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণে বর্গ পাঁচ প্রকার।
    মনে রাখুন: বর্গের প্রকার: বিশেষ্য বর্গ, বিশেষণ বর্গ, ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ, অনুসর্গ বর্গ ও ক্রিয়া বর্গ।
  8. ৩৬. বাচ্য বলতে বোঝায়?
    • ক. বাক্যের অর্থ
    • খ. বাক্যের প্রকাশভঙ্গি
    • গ. বাক্যের ভাব
    • ঘ. বাক্যের প্রয়োগ
    উত্তর: খ. বাক্যের প্রকাশভঙ্গি
    বাচ্য (Voice) বলতে বোঝায় বাক্যের প্রকাশভঙ্গি, অর্থাৎ বাক্যে কর্তা, কর্ম না ক্রিয়া কোনটি প্রাধান্য পাচ্ছে সেই অনুযায়ী ক্রিয়ার রূপ। একই কথা বিভিন্ন বাচ্যে বললে অর্থ বদলায় না, শুধু বলার ভঙ্গি বদলায়।
    উদাহরণ:
    কর্তৃবাচ্য: শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন।
    কর্মবাচ্য: ছাত্র শিক্ষক কর্তৃক পঠিত হচ্ছে।
    ভাববাচ্য: আমার যাওয়া হবে না।
  9. ৩৭. 'পটল তোলা' এর সমার্থক বাগধারা কোনটি?
    • ক. অক্কা পাওয়া
    • খ. তাসকানা
    • গ. ডুব মারা
    • ঘ. ভরাডুবি
    উত্তর: ক. অক্কা পাওয়া
    ‘পটল তোলা’ বাগধারার অর্থ মারা যাওয়া। ‘অক্কা পাওয়া’ বাগধারার অর্থও মারা যাওয়া, তাই দুটি সমার্থক। এ ধরনের বাগধারা সাধারণত হালকা বা ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে মৃত্যুর কথা বলতে ব্যবহার হয়।
    মনে রাখুন: মৃত্যু বোঝায় আরও কিছু বাগধারা: ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া, পঞ্চত্ব প্রাপ্তি। অন্যদিকে ‘ডুব মারা’ মানে আত্মগোপন করা, আর ‘ভরাডুবি’ মানে সর্বনাশ।
  10. ৩৮. 'গোঁফ খেজুরে' কোন অর্থে প্রয়োগ করা হয়?
    • ক. খুব চৌকশ অর্থে
    • খ. নিতান্ত অলস অর্থে
    • গ. যার বড় গোঁফ আছে অর্থে
    • ঘ. চাটুকার অর্থে
    উত্তর: খ. নিতান্ত অলস অর্থে
    ‘গোঁফ খেজুরে’ বাগধারাটি নিতান্ত অলস মানুষ বোঝাতে ব্যবহার হয়। এর পেছনে একটি মজার গল্প আছে: এক অলস লোক খেজুর গাছের নিচে শুয়ে থাকত, খেজুর গোঁফে এসে পড়লেও সে হাত দিয়ে মুখে তুলত না, চাইত কেউ মুখে তুলে দিক।
    মনে রাখুন: ‘কুঁড়ের বাদশা’ বাগধারাটিও ভীষণ অলস মানুষ বোঝায়, আর ‘ননীর পুতুল’ মানে অল্পতেই কাতর বা শ্রমকাতর মানুষ।
  11. ৩৯. 'রাত' শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ কোনটি?
    • ক. অবনি
    • খ. দ্রুম
    • গ. শর্বরী
    • ঘ. মরুত
    উত্তর: গ. শর্বরী
    ‘শর্বরী’ শব্দের অর্থ রাত বা রাত্রি। রাতের আরও অনেক প্রতিশব্দ আছে, যেমন রজনী, যামিনী, নিশা, বিভাবরী, ত্রিযামা ও নিশীথিনী। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘অবনি’ মানে পৃথিবী, ‘দ্রুম’ মানে গাছ আর ‘মরুত’ মানে বাতাস।
    মনে রাখুন: রাতকে ‘ত্রিযামা’ বলা হয়, কারণ রাতের তিনটি প্রহর বা যাম।
  12. ৪০. 'চাঁদ' শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি?
    • ক. নিশাকর
    • খ. অর্ণব
    • গ. আদিত্য
    • ঘ. সবিতা
    উত্তর: ক. নিশাকর
    ‘নিশাকর’ শব্দের গঠন নিশা (রাত) + কর (যে করে বা আলো দেয়), অর্থাৎ যে রাতকে আলোকিত করে, সে চাঁদ। তাই নিশাকর চাঁদের প্রতিশব্দ। অন্যদিকে ‘আদিত্য’ ও ‘সবিতা’ সূর্যের প্রতিশব্দ এবং ‘অর্ণব’ মানে সমুদ্র।
    মনে রাখুন: চাঁদের আরও প্রতিশব্দ: শশী, সুধাকর, শশধর, হিমাংশু, ইন্দু, বিধু, সোম, চন্দ্রমা।
  13. ৪১. 'ভূত' এর বিপরীত শব্দ হলো?
    • ক. পেতনি
    • খ. ভবিষ্যৎ
    • গ. ভীতু
    • ঘ. ভূতা
    উত্তর: খ. ভবিষ্যৎ
    এখানে ‘ভূত’ শব্দটি প্রেত অর্থে নয়, অতীত কাল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অতীতের বিপরীত হলো ভবিষ্যৎ, তাই ‘ভূত’ এর বিপরীত শব্দ ভবিষ্যৎ। বাংলায় ক্রিয়ার কাল বোঝাতে আমরা ভূতকাল, বর্তমান কাল ও ভবিষ্যৎ কাল বলি।
    মনে রাখুন: একই শব্দের একাধিক অর্থ থাকলে বিপরীত শব্দ খোঁজার সময় সেটির কোন অর্থ নেওয়া হয়েছে তা বুঝে নিতে হয়।

বাংলাদেশ

  1. ৪২. বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা কে?
    • ক. প্রধানমন্ত্রী
    • খ. রাষ্ট্রপতি
    • গ. প্রধান বিচারপতি
    • ঘ. বিচারপতি
    উত্তর: গ. প্রধান বিচারপতি
    বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকর্তা হলো সুপ্রিম কোর্ট, যার প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন বা নির্বাহী কাজ সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করতে পারে, আর এভাবেই সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা পায়। প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের নেতৃত্ব দেন বলে তাঁকেই সংবিধানের রক্ষাকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
    মনে রাখুন: প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি, আর রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান স্পিকার।
  2. ৪৩. বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
    • ক. হামিদুজ্জামান
    • খ. মইনুল হোসেন
    • গ. স্থপতি নোভেরা আহমেদ
    • ঘ. স্থপতি মৃণাল হক
    উত্তর: খ. মইনুল হোসেন
    সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত এই সৌধের সাতটি ত্রিভুজাকার স্তম্ভ ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে নির্দেশ করে। সৌধটির উচ্চতা ১৫০ ফুট।
    মনে রাখুন:
    কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান।
    ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’র ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
    ‘অপরাজেয় বাংলা’র ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
  3. ৪৪. বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
    • ক. সৌদি আরব
    • খ. মালয়েশিয়া
    • গ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
    • ঘ. কুয়েত
    উত্তর: ক. সৌদি আরব
    প্রবাসী কর্মীদের পাঠানো রেমিট্যান্স (Remittance) বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় ভিত্তি। এখান থেকেই শ্রমবাজারের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিদেশগামী কর্মীদের সবচেয়ে বেশি অংশ যায় মধ্যপ্রাচ্যে। এর মধ্যে সৌদি আরব বাংলাদেশি কর্মীদের সবচেয়ে বড় গন্তব্য। দেশটির বিশাল নির্মাণ ও সেবা খাতে শ্রমিকের চাহিদা বেশি থাকায় এখানে সবচেয়ে বেশি কর্মী গেছেন।
    মনে রাখুন: সৌদি আরবের পরেই সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত, কাতার ও মালয়েশিয়া উল্লেখযোগ্য গন্তব্য।
  4. ৪৫. বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
    • ক. প্রাকৃতিক গ্যাস
    • খ. চুনাপাথর
    • গ. কয়লা
    • ঘ. চীনামাটি
    উত্তর: ক. প্রাকৃতিক গ্যাস
    বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা, শিল্প ও গৃহস্থালির জ্বালানির বড় অংশ এই গ্যাস থেকে আসে। সিলেট, হবিগঞ্জ ও ভোলার মতো এলাকায় গ্যাসক্ষেত্র আছে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর (১৯৫৫)।
    দেশের কয়লা, চুনাপাথর ও চীনামাটি মূল্যবান হলেও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো এত ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় না।
  5. ৫১. BIWTC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৯৭২ সালে
    • খ. ১৯৭৫ সালে
    • গ. ১৯৭৬ সালে
    • ঘ. ১৯৭৯ সালে
    উত্তর: ক. ১৯৭২ সালে
    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন বা বিআইডব্লিউটিসি (BIWTC) ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি দেশের নদীপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন এবং ফেরি সার্ভিস পরিচালনা করে। ঢাকা-বরিশাল রুটের রকেট স্টিমার এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ার ফেরি এর পরিচিত সেবা।
    মনে রাখুন: নৌপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নৌবন্দর ব্যবস্থাপনার কাজ করে আলাদা সংস্থা বিআইডব্লিউটিএ (BIWTA), যা ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৪৬. সুশাসনের মূল ভিত্তি কি?
    • ক. গণতন্ত্র
    • খ. মূল্যবোধ
    • গ. আইনের শাসন
    • ঘ. আমলাতন্ত্র
    উত্তর: গ. আইনের শাসন
    সুশাসন (Good Governance) বলতে এমন শাসন বোঝায়, যেখানে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ, ন্যায্যতা ও মানবাধিকার নিশ্চিত থাকে। এ সবকিছুর ভিত্তি আইনের শাসন (Rule of Law), অর্থাৎ শাসক ও শাসিত সবাই একই আইনের অধীন। আইনের শাসন না থাকলে সরকার খেয়ালখুশিমতো ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে, তখন জবাবদিহি বা ন্যায়বিচার কিছুই নিশ্চিত হয় না। তাই সুশাসনের মূল ভিত্তি আইনের শাসন।

    মনে রাখুন:
    আইনের শাসন ধারণার প্রবক্তা এ. ভি. ডাইসি।
    সুশাসনের উপাদান স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, অংশগ্রহণ ও আইনের শাসন।
    বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা আছে।
  2. ৪৭. জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
    • ক. অষ্টম
    • খ. নবম
    • গ. দশম
    • ঘ. সপ্তম
    উত্তর: ক. অষ্টম
    জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগের হিসাব অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম। ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ। আয়তনে ছোট হলেও জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ বড় দেশগুলোর একটি।
    মনে রাখুন: জনসংখ্যায় শীর্ষ দেশ ভারত, এরপর চীন। আয়তনে বাংলাদেশের অবস্থান ৯০ এর ঘরে।

আন্তর্জাতিক

  1. ৪৮. সার্ক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৯৭৫ সালে
    • খ. ১৯৮৫ সালে
    • গ. ১৯৮৯ সালে
    • ঘ. ১৯৮৮ সালে
    উত্তর: খ. ১৯৮৫ সালে
    দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক (SAARC) ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। সার্ক গঠনের প্রথম উদ্যোক্তা ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে।
    মনে রাখুন: সার্কের সদস্য দেশ ৮টি: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। আফগানিস্তান ২০০৭ সালে অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
  2. ৪৯. আয়তনে বিশ্বের তথা ইউরোপের সর্ববৃহৎ দেশের নাম কি?
    • ক. ফ্রান্স
    • খ. ব্রিটেন
    • গ. রাশিয়া
    • ঘ. ইউক্রেন
    উত্তর: গ. রাশিয়া
    আয়তনের দিক থেকে রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দেশ, যার আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭১ লাখ বর্গকিলোমিটার। দেশটি ইউরোপ ও এশিয়া দুই মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত, আর এর ইউরোপীয় অংশও ইউরোপের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বড়। তাই রাশিয়াকে বিশ্বের এবং ইউরোপেরও বৃহত্তম দেশ বলা হয়।
    মনে রাখুন: পুরোপুরি ইউরোপে অবস্থিত দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তম ইউক্রেন। আয়তনে বিশ্বে দ্বিতীয় কানাডা।
  3. ৫০. ইউক্রেন এর রাজধানীর নাম কি?
    • ক. কিয়েভ
    • খ. কোপেনহেগেন
    • গ. লুক্সেমবার্গ
    • ঘ. সুফিয়া
    উত্তর: ক. কিয়েভ
    ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ, ইউক্রেনীয় উচ্চারণে কিইভ (Kyiv)। শহরটি দিনিপার নদীর তীরে অবস্থিত এবং পূর্ব ইউরোপের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে কোপেনহেগেন ডেনমার্কের, লুক্সেমবার্গ লুক্সেমবার্গের এবং সোফিয়া বুলগেরিয়ার রাজধানী।
    মনে রাখুন: ইউক্রেন ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে।
  4. ৫২. চীনের দুঃখ নামে পরিচিত নদীর নাম কি?
    • ক. ইয়াংসিকিয়াং
    • খ. ম্যাকেঞ্জি
    • গ. হোয়াংহো
    • ঘ. রো
    উত্তর: গ. হোয়াংহো
    চীনের হোয়াংহো নদীকে ‘চীনের দুঃখ’ বলা হয়। নদীটি প্রায়ই গতিপথ বদলায় এবং ভয়াবহ বন্যায় বিপুল প্রাণহানি ও ফসলহানি ঘটায়, এ কারণেই এই নাম। এর পানিতে প্রচুর হলুদ পলি থাকে বলে একে হলুদ নদী (Yellow River) বলা হয়।
    মনে রাখুন: চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং, যার ওপর বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থ্রি গর্জেস ড্যাম অবস্থিত। ‘বাংলার দুঃখ’ বলা হতো দামোদর নদকে।
  5. ৫৩. বিশ্বের দীর্ঘতম নদীর নাম কি?
    • ক. আমাজন
    • খ. নীল নদ
    • গ. হোয়াংহো
    • ঘ. গঙ্গা
    উত্তর: খ. নীল নদ
    আফ্রিকার নীলনদ প্রায় ৬,৬৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং সাধারণভাবে এটিকেই বিশ্বের দীর্ঘতম নদী ধরা হয়। নদীটি ভিক্টোরিয়া হ্রদ অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তরে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পড়েছে। কিছু গবেষক আমাজনকে দীর্ঘতম দাবি করলেও প্রচলিত হিসাবে নীলনদই প্রথম।
    মনে রাখুন: পানিপ্রবাহের পরিমাণে বিশ্বের বৃহত্তম নদী আমাজন। নীলনদের দুটি প্রধান শাখা শ্বেত নীল ও নীল নীল, যারা সুদানের খার্তুমে মিলিত হয়েছে।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৫৪. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
    • ক. সুইচ
    • খ. হাব
    • গ. ব্রিজ
    • ঘ. রাউটার
    উত্তর: ঘ. রাউটার
    রাউটার (Router) আইপি ঠিকানা দেখে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেটের পথ ঠিক করে দেয়, যেমন বাসার নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত করে। সুইচ, হাব ও ব্রিজ মূলত একই নেটওয়ার্কের ভেতরের যন্ত্রগুলো যুক্ত করে।

    মনে রাখুন:
    রাউটার OSI মডেলের নেটওয়ার্ক স্তরে (স্তর ৩) কাজ করে।
    গেটওয়েও ভিন্ন নেটওয়ার্ক যুক্ত করতে পারে।
  2. ৫৫. কোন ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস সবচেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন?
    • ক. HDD
    • খ. Floppy Disk
    • গ. SSD
    • ঘ. SSHD
    উত্তর: গ. SSD
    এসএসডি (SSD: Solid State Drive) তথ্য রাখে ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপে, এতে কোনো ঘূর্ণায়মান যন্ত্রাংশ নেই। অন্যদিকে হার্ডডিস্কে (HDD) চৌম্বকীয় প্লেটার ঘুরে এবং রিড-রাইট হেড নড়াচড়া করে তথ্য পড়ে, ফলে সময় বেশি লাগে। তাই এসএসডি হার্ডডিস্কের চেয়ে বহুগুণ দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে।
    মনে রাখুন: SSHD হলো হাইব্রিড ড্রাইভ, যেখানে হার্ডডিস্কের সঙ্গে অল্প ফ্ল্যাশ মেমোরি যুক্ত থাকে। ফ্লপি ডিস্ক সবচেয়ে ধীর ও পুরোনো স্টোরেজ।
  3. ৫৬. Bluetooth কিসের উদাহরণ?
    • ক. Local Area Network
    • খ. Personal Area Network
    • গ. Virtual Private Network
    • ঘ. কোনটি নয়
    উত্তর: খ. Personal Area Network
    একজন ব্যক্তির চারপাশের খুব অল্প দূরত্বের, সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে থাকা ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করার নেটওয়ার্ককে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN) বলে। ব্লুটুথ দিয়ে মোবাইল, হেডফোন বা স্মার্টওয়াচের মতো ব্যক্তিগত ডিভাইস কাছাকাছি দূরত্বে যুক্ত হয়, তাই এটি প্যানের উদাহরণ।
    মনে রাখুন: নেটওয়ার্কের ক্রম ছোট থেকে বড়: PAN, LAN (একটি ভবন বা প্রতিষ্ঠান), MAN (একটি শহর), WAN (দেশ বা বিশ্ব)। ইন্টারনেট সবচেয়ে বড় WAN।
  4. ৫৭. কম্পিউটারের মেমরি স্মৃতিভাণ্ডারের ধারণক্ষমতা প্রকাশের একক কোনটি?
    • ক. বাইট
    • খ. DPI
    • গ. পিক্সেল
    • ঘ. Hartz
    উত্তর: ক. বাইট
    কম্পিউটারের মেমোরি বা স্টোরেজের ধারণক্ষমতা মাপা হয় বাইট (Byte) এককে। ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়, আর একটি বাইটে সাধারণত একটি অক্ষর রাখা যায়। বড় ধারণক্ষমতা বোঝাতে কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ও টেরাবাইট ব্যবহার হয়।
    মনে রাখুন:
    1 KB = 1024 Byte, 1 MB = 1024 KB, 1 GB = 1024 MB।
    DPI দিয়ে প্রিন্টার বা স্ক্যানারের রেজোলিউশন মাপা হয়, আর হার্জ (Hertz) দিয়ে কম্পাঙ্ক।
  5. ৫৮. স্ক্যানার হলো একটি-
    • ক. আউটপুট ডিভাইস
    • খ. ইনপুট ডিভাইস
    • গ. কোঅর্ডিনেটিং ডিভাইস
    • ঘ. মিকসড ডিভাইস
    উত্তর: খ. ইনপুট ডিভাইস
    স্ক্যানার কাগজের লেখা, ছবি বা নথি থেকে আলো ফেলে তথ্য পড়ে এবং সেটিকে ডিজিটাল রূপে কম্পিউটারে পাঠায়। যে যন্ত্র কম্পিউটারে তথ্য প্রবেশ করায়, তাকে ইনপুট ডিভাইস বলে, তাই স্ক্যানার একটি ইনপুট ডিভাইস।
    মনে রাখুন: অন্যান্য ইনপুট ডিভাইস: কীবোর্ড, মাউস, মাইক্রোফোন, ওয়েবক্যাম, বারকোড রিডার। আর টাচস্ক্রিন ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করে।
  6. ৫৯. কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
    • ক. মাউস
    • খ. মনিটর
    • গ. সিপিইউ
    • ঘ. উইন্ডোজ
    উত্তর: ঘ. উইন্ডোজ
    কম্পিউটারের যে অংশ হাত দিয়ে ছোঁয়া যায়, যেমন মাউস, মনিটর ও সিপিইউ, সেগুলোকে হার্ডওয়্যার (Hardware) বলে। উইন্ডোজ একটি অপারেটিং সিস্টেম, অর্থাৎ প্রোগ্রাম বা নির্দেশনার সমষ্টি, একে ছোঁয়া যায় না, তাই এটি সফটওয়্যার (Software)।
    মনে রাখুন: সফটওয়্যার দুই প্রকার: সিস্টেম সফটওয়্যার (Windows, Linux) এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (MS Word, Photoshop)।
  7. ৬০. কম্পিউটারের মেকানিক্যাল ডিভাইস বলা হয় কাকে?
    • ক. সফ্টওয়্যার
    • খ. ডাটা
    • গ. হার্ডওয়্যার
    • ঘ. ইউজার
    উত্তর: গ. হার্ডওয়্যার
    কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বা যান্ত্রিক অংশগুলোকে একসঙ্গে হার্ডওয়্যার বলে। কীবোর্ড, মাউস, মাদারবোর্ড, হার্ডডিস্ক ও মনিটর সবই হার্ডওয়্যার, কারণ এগুলো দৃশ্যমান এবং স্পর্শ করা যায়। হার্ডওয়্যারকে কাজ করানোর জন্য যে নির্দেশনা লাগে, তাকে সফটওয়্যার বলে।
    মনে রাখুন: কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি উপাদান: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, হিউম্যানওয়্যার (ব্যবহারকারী) ও ডেটা।
  8. ৬১. কোনটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফ্টওয়্যার নয়?
    • ক. MS Word
    • খ. MS Excel
    • গ. Word Star
    • ঘ. Latex
    উত্তর: খ. MS Excel
    যে সফটওয়্যার দিয়ে লেখা টাইপ, সম্পাদনা ও বিন্যাস করা হয়, তাকে ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার বলে। MS Word, WordStar ও LaTeX লেখালেখি ও ডকুমেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহার হয়। কিন্তু MS Excel একটি স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, যা সারি ও কলামে হিসাব-নিকাশ ও ডেটা বিশ্লেষণের কাজ করে।
    মনে রাখুন: আরও কিছু স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম হলো Lotus 1-2-3, Google Sheets ও LibreOffice Calc।
  9. ৬২. উইকিপিডিয়া কী?
    • ক. ডাটাবেজ
    • খ. মুক্ত বিশ্বকোষ
    • গ. স্মার্টফোন
    • ঘ. উন্মুক্ত সফ্টওয়্যার
    উত্তর: খ. মুক্ত বিশ্বকোষ
    উইকিপিডিয়া (Wikipedia) একটি মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ, যেখানে বিশ্বের যেকোনো মানুষ নিবন্ধ লিখতে ও সম্পাদনা করতে পারে। ২০০১ সালে জিমি ওয়েলস ও ল্যারি স্যাঙ্গার এটি চালু করেন এবং এখন এটি অলাভজনক উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন পরিচালনা করে। বাংলাসহ তিন শতাধিক ভাষায় উইকিপিডিয়া রয়েছে।
    মনে রাখুন: ‘উইকি’ একটি হাওয়াইয়ান শব্দ, যার অর্থ দ্রুত।
  10. ৬৩. Windows একটি-
    • ক. ব্রাউজার
    • খ. প্রোগ্রামিং ভাষা
    • গ. অপারেটিং সিস্টেম
    • ঘ. এন্টিভাইরাস
    উত্তর: গ. অপারেটিং সিস্টেম
    উইন্ডোজ (Windows) মাইক্রোসফটের তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)। অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সংযোগ তৈরি করে এবং অন্য সব প্রোগ্রাম চালানোর পরিবেশ দেয়। উইন্ডোজের প্রথম সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৫ সালে।
    মনে রাখুন: অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম: Linux, macOS, Android, iOS। আর Chrome ও Firefox হলো ব্রাউজার।
  11. ৬৪. PDF এর পূর্ণরূপ কী?
    • ক. Portable Document Format
    • খ. Personal Data File
    • গ. Print Document File
    • ঘ. Public Document File
    উত্তর: ক. Portable Document Format
    PDF এর পূর্ণরূপ Portable Document Format। ১৯৯৩ সালে অ্যাডোবি (Adobe) প্রতিষ্ঠান এই ফাইল ফরম্যাট চালু করে। পিডিএফ ফাইল যেকোনো কম্পিউটার, মোবাইল বা অপারেটিং সিস্টেমে খুললেও লেখা, ছবি ও বিন্যাস একই রকম থাকে, এ কারণেই একে ‘পোর্টেবল’ বলা হয়।
    মনে রাখুন: পিডিএফ ফাইল পড়ার জনপ্রিয় সফটওয়্যার Adobe Acrobat Reader।
  12. ৬৫. UPS এর কাজ কী?
    • ক. ইন্টারনেট চালানো
    • খ. বিদ্যুৎ ব্যাকআপ দেওয়া
    • গ. স্ক্যান করা
    • ঘ. টাইপ করা
    উত্তর: খ. বিদ্যুৎ ব্যাকআপ দেওয়া
    ইউপিএস (UPS: Uninterruptible Power Supply) এর ভেতরে ব্যাটারি থাকে। বিদ্যুৎ হঠাৎ চলে গেলে এটি সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটারি থেকে কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, ফলে কম্পিউটার বন্ধ হয় না এবং অসংরক্ষিত কাজ নষ্ট হয় না। এই সময়ের মধ্যে ব্যবহারকারী কাজ সংরক্ষণ করে কম্পিউটার নিরাপদে বন্ধ করতে পারেন।
    মনে রাখুন: ইউপিএস বিদ্যুতের ভোল্টেজ ওঠানামা থেকেও কম্পিউটারকে রক্ষা করে। আইপিএস (IPS) বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ ব্যাকআপে ব্যবহার হয়।
  13. ৬৬. কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
    • ক. মনিটর
    • খ. প্রিন্টার
    • গ. কী বোর্ড
    • ঘ. স্পীকার
    উত্তর: গ. কী বোর্ড
    যে যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ পাঠান, তাকে ইনপুট ডিভাইস বলে। কীবোর্ডে চাপ দিয়ে আমরা অক্ষর, সংখ্যা ও নির্দেশ কম্পিউটারে পাঠাই, তাই কীবোর্ড ইনপুট ডিভাইস। অন্যদিকে মনিটর, প্রিন্টার ও স্পিকার কম্পিউটার থেকে ফলাফল বের করে দেয়, তাই এগুলো আউটপুট ডিভাইস।
    মনে রাখুন: কীবোর্ডের বহুল প্রচলিত বিন্যাস QWERTY, যা টাইপরাইটারের যুগ থেকে চলে আসছে।
  14. ৬৭. ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন হয়-
    • ক. মডেম
    • খ. স্ক্যানার
    • গ. প্রিন্টার
    • ঘ. ইউপিএস
    উত্তর: ক. মডেম
    মডেম (Modem) শব্দটি এসেছে Modulator ও Demodulator থেকে। কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে টেলিফোন বা কেবল লাইনে পাঠানোর উপযোগী অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে মডুলেশন, আর গ্রহণ করার সময় অ্যানালগকে আবার ডিজিটালে রূপান্তর করে ডিমডুলেশন। এই রূপান্তরের মাধ্যমেই কম্পিউটার ইন্টারনেটে যুক্ত হতে পারে।
    মনে রাখুন: ডেটা পাঠানোর গতি মাপা হয় bps (bits per second) এককে।
  15. ৬৮. কোনটি সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রিন্টার?
    • ক. ডট ম্যাট্রিক্স
    • খ. ইঙ্কজেট
    • গ. লেজার প্রিন্টার
    • ঘ. থার্মাল প্রিন্টার
    উত্তর: গ. লেজার প্রিন্টার
    লেজার প্রিন্টার লেজার রশ্মির সাহায্যে একটি ড্রামে লেখার ছাপ তৈরি করে এবং টোনার পাউডার দিয়ে একবারে পুরো পাতা ছাপে। একে পেজ প্রিন্টার বলা হয়, আর এ কারণে এটি ডট ম্যাট্রিক্স বা ইঙ্কজেট প্রিন্টারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও নিখুঁত ছাপ দেয়।
    মনে রাখুন: ডট ম্যাট্রিক্স একটি ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার, যা পিন দিয়ে ফিতায় আঘাত করে ছাপে। ইঙ্কজেট প্রিন্টার কালির ক্ষুদ্র ফোঁটা ছিটিয়ে ছাপে।
  16. ৬৯. মাউস কোন ধরনের ডিভাইস?
    • ক. আউটপুট
    • খ. স্টোরেজ
    • গ. ইনপুট
    • ঘ. মেমোরি
    উত্তর: গ. ইনপুট
    মাউস দিয়ে আমরা স্ক্রিনের পয়েন্টার নাড়াই, ক্লিক করে কোনো কিছু নির্বাচন করি এবং কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই। যেহেতু মাউস কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ পাঠায়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। ১৯৬০-এর দশকে ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস উদ্ভাবন করেন।
    মনে রাখুন: মাউসের মতো পয়েন্টিং ডিভাইস আরও আছে, যেমন জয়স্টিক, ট্র্যাকবল ও টাচপ্যাড।
  17. ৭০. কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস নয়?
    • ক. পেনড্রাইভ
    • খ. হার্ডডিস্ক
    • গ. র‍্যাম
    • ঘ. মেমোরি কার্ড
    উত্তর: গ. র‍্যাম
    র‍্যাম (RAM: Random Access Memory) কম্পিউটারের প্রধান বা অস্থায়ী মেমোরি। কম্পিউটার চলার সময় এতে তথ্য থাকে, কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলে সব মুছে যায়, তাই একে উদ্বায়ী মেমোরি (Volatile Memory) বলে। অন্যদিকে পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক ও মেমোরি কার্ডে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে, তাই এগুলো স্টোরেজ ডিভাইস।
    মনে রাখুন: স্টোরেজ ডিভাইসকে সহায়ক বা সেকেন্ডারি মেমোরিও বলা হয়।
  18. ৭১. পার্সোনাল কম্পিউটারের কারিগরি নাম-
    • ক. পিসি
    • খ. মেইনফ্রেম
    • গ. আইবিএম
    • ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার
    উত্তর: ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার
    পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি (PC) তৈরি হয় মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে, তাই এর কারিগরি নাম মাইক্রো কম্পিউটার। ডেস্কটপ, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট সবই মাইক্রো কম্পিউটারের উদাহরণ। একজন ব্যক্তি একসঙ্গে ব্যবহার করেন বলে এটিকে ব্যক্তিগত কম্পিউটার বলা হয়।
    মনে রাখুন: আকার ও ক্ষমতা অনুযায়ী কম্পিউটার চার প্রকার: সুপার, মেইনফ্রেম, মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটার। প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ইন্টেল 4004 (১৯৭১)।
  19. ৭২. কম্পিউটারের স্থায়ী মেমরী কোনটি?
    • ক. RAM
    • খ. ROM
    • গ. Cache
    • ঘ. Register
    উত্তর: খ. ROM
    রম (ROM: Read Only Memory) এমন মেমোরি, যাতে কারখানা থেকেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা লিখে দেওয়া থাকে এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও তথ্য মুছে যায় না। তাই এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি। কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় যে বায়োস (BIOS) প্রোগ্রাম চলে, তা রমে সংরক্ষিত থাকে।
    মনে রাখুন: র‍্যাম, ক্যাশ ও রেজিস্টার অস্থায়ী মেমোরি। গতির দিক থেকে রেজিস্টার সবচেয়ে দ্রুত, তারপর ক্যাশ, তারপর র‍্যাম।

আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন