লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন নিয়োগ পরীক্ষা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬। ৪৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ কত সালে এবং কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়?
    • ক. ১৯০৫ সালে; শান্তিনিকেতন থেকে
    • খ. ১৯০৭ সালে; নেপালের রাজদরবারের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে
    • গ. ১৯১১ সালে; শ্রীহট্ট থেকে
    • ঘ. ১৯২৬ সালে; বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে
    উত্তর: খ. ১৯০৭ সালে; নেপালের রাজদরবারের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে
    চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়্যাল লাইব্রেরি থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে, পদকর্তা ২৪ জন।
    সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা (১৩টি)।
    ১৯২৬ সালে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাপদের ভাষা যে বাংলা তা প্রমাণ করেন।
  2. ২. ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত চরিত্র ‘সত্যচরণ’ ও ‘যুগলপ্রসাদ’ মূলত কিসের প্রতীক?
    • ক. গ্রামীণ সমাজের শোষক ও শোষিত চরিত্র
    • খ. সামন্তবাদী মানসিকতার রূপক
    • গ. নগরায়ন বনাম প্রকৃতিপ্রেমের দ্বন্দ্ব ও প্রকৃতি সুরক্ষার প্রতীক
    • ঘ. মধ্যযুগীয় দাসপ্রথার চিত্র
    উত্তর: গ. নগরায়ন বনাম প্রকৃতিপ্রেমের দ্বন্দ্ব ও প্রকৃতি সুরক্ষার প্রতীক
    ‘আরণ্যক’ উপন্যাসে কথক সত্যচরণ জমিদারি সেরেস্তার ম্যানেজার হিসেবে বিহারের লবটুলিয়া ও আজমাবাদের জঙ্গলে যান। কাজের প্রয়োজনে তাঁকে অরণ্য কেটে প্রজাদের বসতি গড়ে দিতে হয়, অথচ তিনি নিজে প্রকৃতিকে গভীরভাবে ভালোবাসেন, তাই তাঁর মনে সারাক্ষণ এক দ্বন্দ্ব চলে। অন্যদিকে যুগলপ্রসাদ কোনো লাভের আশা ছাড়াই বনে নতুন নতুন গাছ ও ফুলের চারা লাগিয়ে বেড়ান। তাই এই দুই চরিত্র নগরায়ন বনাম প্রকৃতিপ্রেমের দ্বন্দ্ব এবং প্রকৃতি সুরক্ষার প্রতীক।
    মনে রাখুন: বিভূতিভূষণের অন্য বিখ্যাত উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’ ও ‘অপরাজিত’, আর ‘আরণ্যক’ প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে।
  3. ৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘গুরুদেব’ উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
    • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    • খ. মহাত্মা গান্ধী
    • গ. নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু
    • ঘ. লর্ড কার্জন
    উত্তর: খ. মহাত্মা গান্ধী
    মহাত্মা গান্ধী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধাভরে ‘গুরুদেব’ বলে সম্বোধন করেন। এর বিপরীতে রবীন্দ্রনাথই গান্ধীজিকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিলেন বলে প্রচলিত আছে। দুজনের মধ্যে মতের পার্থক্য থাকলেও পরস্পরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ছিল।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথকে ‘বিশ্বকবি’ উপাধি দেন ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়।
    নজরুলকে ‘বিদ্রোহী কবি’ বলা হয়, আর সুভাষচন্দ্র বসুকে ‘নেতাজি’।
    ১৯৪০ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রনাথকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়।
  4. ৪. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ (১৮৯৬) কার রচিত?
    • ক. সুকুমার সেন
    • খ. গোপাল হালদার
    • গ. ড. মুহম্মদ এনামুল হক
    • ঘ. দীনেশচন্দ্র সেন
    উত্তর: ঘ. দীনেশচন্দ্র সেন
    ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ গ্রন্থটি ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। এর লেখক দীনেশচন্দ্র সেন। তিনি পূর্ববঙ্গের গ্রামে ঘুরে ঘুরে সংগৃহীত লোকগাথা নিয়ে ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সম্পাদনা করেন, যা তাঁর আরেকটি বড় কীর্তি।
    মনে রাখুন: সুকুমার সেনের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’, আর গোপাল হালদারের ‘বাঙালা সাহিত্যের রূপরেখা’।
  5. ৫. মাইকেল মধুসূদন দত্তের বিখ্যাত মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কত সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কয়টি সর্গ রয়েছে?
    • ক. ১৮৫১ সালে; ৭টি
    • খ. ১৮৬১ সালে; ৯টি
    • গ. ১৮৬৫ সালে; ১২টি
    • ঘ. ১৮৭২ সালে; ৫টি
    উত্তর: খ. ১৮৬১ সালে; ৯টি
    মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে ৯টি সর্গ আছে। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা। রামায়ণের কাহিনি নিয়ে লেখা হলেও এখানে রাবণ ও তাঁর পুত্র মেঘনাদকে বীর ও সহানুভূতির চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে।
    মনে রাখুন: বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মধুসূদন। তাঁর প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা কাব্য ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ (১৮৬০)।
  6. ৬. ‘সমোচ্চারিত ভিন্নার্থবোধক শব্দ’ হিসেবে ‘কুজন’ এবং ‘কূজন’ শব্দ দুটির অর্থ যথাক্রমে কী?
    • ক. খারাপ লোক এবং পাখির ডাক
    • খ. পাখির ডাক এবং খারাপ লোক
    • গ. ফুলের কুঁড়ি এবং ছোট ঘর
    • ঘ. নদী এবং ঝরনা
    উত্তর: ক. খারাপ লোক এবং পাখির ডাক
    যে শব্দগুলোর উচ্চারণ প্রায় একই কিন্তু বানান ও অর্থ আলাদা, তাদের সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বলে। ‘কুজন’ শব্দে ‘কু’ মানে খারাপ, তাই কুজন অর্থ খারাপ লোক বা দুর্জন। আর দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত ‘কূজন’ অর্থ পাখির মধুর ডাক বা কলরব।
    মনে রাখুন:
    অন্ন (ভাত) ও অন্য (আরেক)
    আপন (নিজ) ও আপণ (দোকান)
    শব (মৃতদেহ) ও সব (সমস্ত)
  7. ৭. বাংলা সাহিত্যের প্রথম শোককাব্য (Elegy) ‘অশ্রুমালা’ (১৮৯৫)-র রচয়িতা কে?
    • ক. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    • খ. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. কায়কোবাদ
    • ঘ. নবীনচন্দ্র সেন
    উত্তর: গ. কায়কোবাদ
    কায়কোবাদের ‘অশ্রুমালা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রিয়জনের মৃত্যুশোক নিয়ে লেখা এবং এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম শোককাব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরায়শী। তিনি ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের জন্যও বিখ্যাত, যেখানে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি আছে।
    মনে রাখুন: কায়কোবাদকে বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচয়িতা বলা হয়, আর তাঁর মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রকাশিত প্রথম কাব্য ‘বিরহবিলাপ’।
  8. ৮. ‘জলে-স্থলে’, ‘দেশে-বিদেশে’, ‘হাটে-বাজারে’- এগুলো কোন সমাসের অন্তর্গত?
    • ক. উপমান কর্মধারয়
    • খ. নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
    • গ. অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
    • ঘ. সহার্থক বহুব্রীহি
    উত্তর: গ. অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
    দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদই প্রধান থাকে এবং ‘ও’, ‘এবং’ দিয়ে ব্যাসবাক্য হয়। কিন্তু ‘জলে-স্থলে’ শব্দে দুটি পদেরই ‘এ’ বিভক্তি সমাস হওয়ার পরও লোপ পায়নি। যে দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি থেকে যায়, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। তাই জলে ও স্থলে = জলে-স্থলে, দেশে ও বিদেশে = দেশে-বিদেশে, হাটে ও বাজারে = হাটে-বাজারে, এগুলো অলুক দ্বন্দ্ব।
    মনে রাখুন: অন্যান্য অলুক দ্বন্দ্বের উদাহরণ: দুধে-ভাতে, পথে-ঘাটে, মায়ে-ঝিয়ে।

ইংরেজি

  1. ৯. Who is known as the ‘Poet of Beauty’ in English literature?
    • ক. William Wordsworth
    • খ. John Keats
    • গ. Percy Bysshe Shelley
    • ঘ. Lord Byron
    উত্তর: খ. John Keats
    John Keats ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি সৌন্দর্যকে জীবনের পরম সত্য হিসেবে দেখেছেন। তাঁর বিখ্যাত চরণ “A thing of beauty is a joy for ever” এবং “Beauty is truth, truth beauty” এই বিশ্বাসকেই প্রকাশ করে, তাই তাঁকে Poet of Beauty বলা হয়। মাত্র ২৫ বছর বয়সে যক্ষ্মায় তাঁর মৃত্যু হয়।
    মনে রাখুন: Wordsworth কে বলা হয় Poet of Nature, Shelley কে Revolutionary Poet, আর Milton কে Epic Poet।
  2. ১০. ‘বিনা মেঘে বজ্রপাত’- এর সঠিক ইংরেজি অনুবাদ কোনটি?
    • ক. Thunder without cloud
    • খ. A bolt from the blue
    • গ. Sudden stroke of bad news
    • ঘ. A dark horse
    উত্তর: খ. A bolt from the blue
    ‘বিনা মেঘে বজ্রপাত’ বাগধারার অর্থ হঠাৎ অপ্রত্যাশিত বিপদ বা দুঃসংবাদ। ইংরেজিতে একই ভাব প্রকাশ করে idiom A bolt from the blue, যেখানে blue মানে পরিষ্কার নীল আকাশ। পরিষ্কার আকাশ থেকে বাজ পড়ার মতোই হঠাৎ দুর্ঘটনা বোঝাতে এটি ব্যবহার হয়। আক্ষরিক অনুবাদ Thunder without cloud ইংরেজিতে প্রচলিত নয়।
    মনে রাখুন: A dark horse মানে অপ্রত্যাশিতভাবে জিতে যাওয়া প্রতিযোগী।
  3. ১১. What is the passive form of “Who wrote Hamlet?”
    • ক. By whom was Hamlet written?
    • খ. Who was Hamlet written by?
    • গ. By whom Hamlet was written?
    • ঘ. Hamlet was written by whom?
    উত্তর: ক. By whom was Hamlet written?
    Who দিয়ে শুরু হওয়া active প্রশ্নকে passive করলে Who বদলে By whom হয়, তারপর be verb, তারপর object আর verb-এর past participle বসে। Wrote past tense, তাই be verb হবে was। ফলে Who wrote Hamlet? এর passive হলো By whom was Hamlet written?
    মনে রাখুন: Interrogative passive-এ auxiliary verb টি subject-এর আগে বসে, তাই By whom Hamlet was written? গঠনটি ভুল।
  4. ১২. Which poetic period in English literature is known as the ‘Age of Reason’?
    • ক. The Romantic Period
    • খ. The Neoclassical Period
    • গ. The Victorian Period
    • ঘ. The Elizabethan Era
    উত্তর: খ. The Neoclassical Period
    ১৬৬০ থেকে প্রায় ১৭৯৮ সাল পর্যন্ত সময়কে ইংরেজি সাহিত্যে Neoclassical Period বলা হয়। এই যুগের লেখকরা আবেগের চেয়ে যুক্তি, শৃঙ্খলা ও প্রাচীন গ্রিক-রোমান সাহিত্যের নিয়ম মেনে চলাকে গুরুত্ব দিতেন, তাই একে Age of Reason বলে। Alexander Pope, Jonathan Swift ও Samuel Johnson এই যুগের প্রধান লেখক।
    মনে রাখুন: ১৭৯৮ সালে Wordsworth ও Coleridge এর Lyrical Ballads প্রকাশের মধ্য দিয়ে Romantic যুগ শুরু হয়।
  5. ১৩. Which one is the noun form of the verb ‘Brief’?
    • ক. Briefly
    • খ. Brevity
    • গ. Briefness
    • ঘ. Both Brevity and Briefness
    উত্তর: ঘ. Both Brevity and Briefness
    Brief শব্দ থেকে দুটি noun তৈরি হয়: Brevity এবং Briefness, দুটিরই অর্থ সংক্ষিপ্ততা। তাই দুটিই সঠিক noun form। অন্যদিকে Briefly হলো adverb।
    মনে রাখুন: Brevity শব্দটি বেশি পরিচিত বিখ্যাত উক্তি “Brevity is the soul of wit” থেকে, যা Shakespeare এর Hamlet নাটকে আছে। Brief এর verb অর্থ হলো কাউকে সংক্ষেপে তথ্য জানানো, যেমন The officer briefed the press।
  6. ১৪. What is the meaning of the Latin expression ‘DE FACTO’?
    • ক. By law or right
    • খ. For the time being
    • গ. Existing in fact
    • ঘ. According to value
    উত্তর: গ. Existing in fact
    Latin শব্দগুচ্ছ de facto এর অর্থ বাস্তবে বিদ্যমান, আইনগত স্বীকৃতি থাক বা না থাক। এর বিপরীত শব্দ de jure, যার অর্থ আইনগতভাবে বা ন্যায্য অধিকারবলে।
    উদাহরণ: The general became the de facto ruler of the country.
    মনে রাখুন:
    ad hoc: বিশেষ উদ্দেশ্যে।
    pro tem: আপাতত বা অস্থায়ীভাবে।
    ad valorem: মূল্য অনুযায়ী।
  7. ১৫. Choose the correct translation of- ‘মেয়েটি হাসতে হাসতে ঘরে ঢুকল।’
    • ক. The girl laughingly entered the room
    • খ. The girl laughing entered the room
    • গ. The girl entered the room laughing
    • ঘ. The girl laughed and entered the room
    উত্তর: গ. The girl entered the room laughing
    ‘হাসতে হাসতে’ এখানে ঢোকার সময়ে মেয়েটির অবস্থা বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ ঢোকা আর হাসা একই সঙ্গে ঘটছে। ইংরেজিতে এমন সহঘটনা বোঝাতে মূল verb-এর পরে present participle বসানো হয়। তাই সঠিক অনুবাদ The girl entered the room laughing।
    মনে রাখুন: একইভাবে ‘সে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল’ হয় He went away weeping।
  8. ১৬. “He came off with flying colours”-এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
    • ক. সে উড়ন্ত রঙের পতাকা নিয়ে এল
    • খ. সে রঙিন পোশাক পড়ে এল
    • গ. সে গৌরবময় সাফল্য অর্জন করল
    • ঘ. সে দ্রুত পালিয়ে গেল
    উত্তর: গ. সে গৌরবময় সাফল্য অর্জন করল
    Come off with flying colours একটি idiom, যার অর্থ গৌরবের সঙ্গে সফল হওয়া। আগের দিনে যুদ্ধ জিতে ফেরা জাহাজ পতাকা উড়িয়ে বন্দরে ঢুকত, সেখান থেকেই flying colours কথাটি এসেছে। তাই বাক্যটির অর্থ সে গৌরবময় সাফল্য অর্জন করল।
    উদাহরণ: She passed the examination with flying colours.
    মনে রাখুন: Show one's true colours মানে আসল রূপ প্রকাশ পাওয়া।
  9. ১৭. Which of the following words is a verb?
    • ক. interest
    • খ. intellect
    • গ. interim
    • ঘ. intention
    উত্তর: ক. interest
    Interest শব্দটি noun হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, আবার verb হিসেবেও হয়, যেমন ‘The story interests me’, অর্থাৎ গল্পটি আমাকে আগ্রহী করে। বাকি তিনটি, Intellect (মেধা), Interim (অন্তর্বর্তী সময়) এবং Intention (উদ্দেশ্য), সাধারণত noun।
    মনে রাখুন:
    Interest-এর বিশেষণ interesting ও interested।
    Intend ক্রিয়ার noun রূপ intention।
  10. ১৮. Choose the correct spelling?
    • ক. Bureaucracy
    • খ. Beurocracy
    • গ. Beaurocracy
    • ঘ. Burocracy
    উত্তর: ক. Bureaucracy
    সঠিক বানান Bureaucracy। শব্দটি ফরাসি bureau (দপ্তর বা লেখার টেবিল) আর গ্রিক kratia (শাসন) থেকে এসেছে, অর্থাৎ দপ্তরের মাধ্যমে শাসন বা আমলাতন্ত্র। বানানে শুরুতে Bure- আর শেষে -aucracy মনে রাখলে ভুল হয় না। বাকি বিকল্পগুলোতে শুরুর অংশে ভুল স্বরবর্ণ বসেছে।
    মনে রাখুন:
    এর বিশেষণ bureaucratic।
    আমলা বোঝাতে bureaucrat শব্দটি ব্যবহার হয়।
    Democracy, aristocracy ইত্যাদি শব্দেও -cracy অংশটি শাসন বোঝায়।

গণিত

  1. ১৯. x + 1/x = 2 হলে x³ + 1/x³ এর মান কত?
    • ক. 2
    • খ. 4
    • গ. 6
    • ঘ. 8
    উত্তর: ক. 2
    x + 1/x = 2 হলে x³ + 1/x³ বের করার সূত্র ব্যবহার করি:
    $x^3 + \frac{1}{x^3} = (x + \frac{1}{x})^3 - 3(x + \frac{1}{x})$
    $= 2^3 - 3 \times 2 = 8 - 6 = 2$
    অন্যভাবে, x + 1/x = 2 শুধু x = 1 হলেই সম্ভব, তাই x³ + 1/x³ = 1 + 1 = 2।
    মনে রাখুন: x + 1/x = 2 হলে xⁿ + 1/xⁿ এর মান যেকোনো n এর জন্য 2 হয়।
  2. ২০. logₐ1 এর মান কত?
    • ক. 0
    • খ. 1
    • গ. a
    • ঘ. অসংজ্ঞায়িত
    উত্তর: ক. 0
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী logₐ1 = y হলে aʸ = 1। যেকোনো অশূন্য সংখ্যার শূন্য ঘাত 1, অর্থাৎ a⁰ = 1, তাই y = 0। সুতরাং logₐ1 = 0 (যেখানে a > 0 এবং a ≠ 1)।
    মনে রাখুন:
    logₐa = 1
    logₐ(mn) = logₐm + logₐn
    শূন্য বা ঋণাত্মক সংখ্যার লগারিদম সংজ্ঞায়িত নয়।
  3. ২১. বৃত্তের কেন্দ্র থেকে ব্যাস ভিন্ন অন্য কোনো জ্যা এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা-কে কী করে?
    • ক. স্পর্শ করে
    • খ. ত্রিধাকৃত করে
    • গ. ১.২ অনুপাতে বিভক্ত করে
    • ঘ. সমদ্বিখন্ডিত করে
    উত্তর: ঘ. সমদ্বিখন্ডিত করে
    জ্যামিতির একটি উপপাদ্য বলে, বৃত্তের কেন্দ্র থেকে ব্যাস নয় এমন কোনো জ্যা-এর ওপর লম্ব আঁকলে সেই লম্ব জ্যা-টিকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। প্রমাণে কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর দুই প্রান্তে ব্যাসার্ধ টানলে দুটি সমকোণী ত্রিভুজ পাওয়া যায়, যাদের অতিভুজ (ব্যাসার্ধ) সমান এবং একটি বাহু সাধারণ, তাই ত্রিভুজ দুটি সর্বসম এবং জ্যা-এর দুই অংশ সমান।
    মনে রাখুন: এর বিপরীত উপপাদ্যও সত্য, কেন্দ্র ও জ্যা-এর মধ্যবিন্দুর সংযোজক রেখা জ্যা-এর ওপর লম্ব।
  4. ২২. একটি বেলন বা সিলিন্ডারের ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h হলে, এর বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. πr²h
    • খ. 2πrh
    • গ. 2πr(r + h)
    • ঘ. (1/3)πr²h
    উত্তর: খ. 2πrh
    সিলিন্ডারের বক্রপৃষ্ঠকে কেটে খুলে ফেললে একটি আয়তক্ষেত্র পাওয়া যায়। এই আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য হলো ভূমির বৃত্তের পরিধি 2πr এবং প্রস্থ হলো উচ্চতা h। তাই বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 2πr × h = 2πrh।
    মনে রাখুন:
    সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 2πr(r + h), কারণ এর সঙ্গে দুই প্রান্তের দুটি বৃত্ত যোগ হয়।
    আয়তন = πr²h।
    কোণকের আয়তন = (1/3)πr²h।
  5. ২৩. কোনো উপাত্তের সর্বনিম্ন সংখ্যা ৩১ এবং পরিসর ২১ হলে, সর্বোচ্চ সংখ্যাটি কত?
    • ক. ৫১
    • খ. ৫২
    • গ. ৫৩
    • ঘ. ৫০
    উত্তর: খ. ৫২
    পরিসর (Range) মানে উপাত্তের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মানের পার্থক্য।
    পরিসর = সর্বোচ্চ মান − সর্বনিম্ন মান
    21 = সর্বোচ্চ মান − 31
    সর্বোচ্চ মান = 21 + 31 = 52
    মনে রাখুন: পাঠ্যবইয়ে শ্রেণিবিন্যাসের সময় অনেক সময় পরিসর = (সর্বোচ্চ − সর্বনিম্ন) + 1 ধরা হয়, তবে সাধারণ সংজ্ঞায় পরিসর শুধু দুই প্রান্তের পার্থক্য।
  6. ২৪. f(x) = x² - 4x + 3 হলে x এর কোন মানের জন্য f(x) = 0 হবে?
    • ক. 1, -3
    • খ. -1, 3
    • গ. 1, 3
    • ঘ. -1, -3
    উত্তর: গ. 1, 3
    f(x) = 0 হওয়ার জন্য x² − 4x + 3 = 0 সমীকরণ সমাধান করতে হবে। এমন দুটি সংখ্যা চাই যাদের গুণফল 3 এবং যোগফল −4, সংখ্যা দুটি −1 ও −3।
    x² − 4x + 3 = x² − x − 3x + 3 = (x − 1)(x − 3) = 0
    তাই x = 1 অথবা x = 3।
    যাচাই: f(1) = 1 − 4 + 3 = 0 এবং f(3) = 9 − 12 + 3 = 0।
    মনে রাখুন: ax² + bx + c = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের যোগফল −b/a এবং গুণফল c/a, এখানে যোগফল 4 ও গুণফল 3।
  7. ২৫. কোনো বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে, এর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. a²
    • খ. 2a
    • গ. √2a
    • ঘ. √3a
    উত্তর: গ. √2a
    বর্গের কর্ণ দুটি বাহুর সঙ্গে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে, যার অতিভুজ হলো কর্ণ। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
    কর্ণ² = a² + a² = 2a²
    কর্ণ = √(2a²) = √2a
    মনে রাখুন:
    বর্গের ক্ষেত্রফল কর্ণ দিয়ে = (কর্ণ²)/2।
    আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²)।
    ঘনকের কর্ণ = √3a।
  8. ২৬. ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম কত কিলোগ্রাম?
    • ক. ২.০৫৭৩৪
    • খ. ০.২০৫৭৩৪
    • গ. ০.০২০৫৭৩৪
    • ঘ. ২০.৫৭৩৪০
    উত্তর: গ. ০.০২০৫৭৩৪
    মেট্রিক পদ্ধতিতে 1 কিলোগ্রাম = 1000 গ্রাম এবং 1 গ্রাম = 1000 মিলিগ্রাম, তাই 1 কিলোগ্রাম = 10,00,000 মিলিগ্রাম। সুতরাং 20573.4 মিলিগ্রাম = 20573.4 ÷ 1000000 = 0.0205734 কিলোগ্রাম।
    মনে রাখুন: মিলিগ্রাম থেকে কিলোগ্রামে নিতে দশমিক বিন্দু ছয় ঘর বাঁয়ে সরাতে হয়।
  9. ২৭. O কেন্দ্রবিশিষ্ট ABC বৃত্তে AB ব্যাস ভিন্ন জ্যা, M, AB এর মধ্যবিন্দু। ∠AOM = 40˚ হলে ∠OBM = কত?
    • ক. 50˚
    • খ. 60˚
    • গ. 80˚
    • ঘ. 90˚
    উত্তর: ক. 50˚
    M জ্যা AB এর মধ্যবিন্দু, তাই কেন্দ্র O থেকে M এর সংযোজক রেখা OM জ্যা-টির ওপর লম্ব, অর্থাৎ ∠OMA = ∠OMB = 90°।
    ΔAOM এ, ∠OAM = 180° − 90° − 40° = 50°।
    আবার OA = OB (একই বৃত্তের ব্যাসার্ধ), তাই ΔOAB সমদ্বিবাহু এবং ভূমিসংলগ্ন কোণ দুটি সমান: ∠OBM = ∠OAM = 50°।
    মনে রাখুন: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুর বিপরীত কোণগুলো সমান হয়।
  10. ২৮. ১৩ সেমি ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৫ সে.মি. দূরত্বে অবস্থিত জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
    • ক. ১৩
    • খ. ২৪
    • গ. ১২
    • ঘ. ১৮
    উত্তর: খ. ২৪
    কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে। ফলে ব্যাসার্ধ, কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ও অর্ধজ্যা মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়, যার অতিভুজ ব্যাসার্ধ।
    অর্ধজ্যা = √(13² − 5²) = √(169 − 25) = √144 = 12 সেমি
    পূর্ণ জ্যা = 2 × 12 = 24 সেমি
    মনে রাখুন: 5, 12, 13 একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী, যেমন 3, 4, 5 এবং 8, 15, 17।
  11. ২৯. মাতা ও কন্যার বয়সের অনুপাত ৮ : ৩। বর্তমানে তাদের বয়সের সমষ্টি ৭৭ হলে ৪ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
    • ক. ৮ : ৩
    • খ. ১২ : ৫
    • গ. ১৩ : ৫
    • ঘ. ৯ : ৪
    উত্তর: খ. ১২ : ৫
    অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল 8 + 3 = 11।
    মাতার বর্তমান বয়স = 77 × 8/11 = 56 বছর
    কন্যার বর্তমান বয়স = 77 × 3/11 = 21 বছর
    ৪ বছর পরে মাতার বয়স 60 এবং কন্যার বয়স 25 বছর।
    অনুপাত = 60 : 25 = 12 : 5 (উভয়কে 5 দিয়ে ভাগ করে)
    মনে রাখুন: সময় পেরোলে দুজনের বয়সই সমান হারে বাড়ে, তাই বয়সের অনুপাত বদলে যায় কিন্তু বয়সের পার্থক্য (35 বছর) একই থাকে।
  12. ৩০. একটি বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত কত?
    • ক. π : 1
    • খ. 2π : 1
    • গ. 1 : π
    • ঘ. π : 2
    উত্তর: ক. π : 1
    যেকোনো বৃত্তে পরিধি = πd, যেখানে d হলো ব্যাস। তাই
    পরিধি : ব্যাস = πd : d = π : 1
    এই ধ্রুব অনুপাতকেই π বলা হয়, যার মান প্রায় 3.1416 বা 22/7।
    মনে রাখুন: π এর মান বৃত্তের আকারের ওপর নির্ভর করে না, ছোট বা বড় সব বৃত্তে একই। প্রাচীন গ্রিক গণিতবিদ আর্কিমিডিস প্রথম π এর মোটামুটি সঠিক মান বের করেন।
  13. ৩১. tanθ = 4/3 হলে, sinθ এর মান কত?
    • ক. 3/5
    • খ. 4/5
    • গ. 5/4
    • ঘ. 3/4
    উত্তর: খ. 4/5
    tanθ = লম্ব/ভূমি = 4/3। তাই একটি সমকোণী ত্রিভুজ কল্পনা করি, যার লম্ব 4 ও ভূমি 3।
    অতিভুজ = √(4² + 3²) = √25 = 5
    sinθ = লম্ব/অতিভুজ = 4/5
    মনে রাখুন: এখানে cosθ = 3/5 এবং sin²θ + cos²θ = 16/25 + 9/25 = 1, যা ত্রিকোণমিতির মূল অভেদ।
  14. ৩২. ক ঘণ্টায় ১০ কি.মি. এবং খ ঘণ্টায় ১৫ কি.মি. বেগে একই স্থান থেকে রাজশাহীর পথে রওনা হলো। ক ১০:৫০ মিনিটের সময় এবং খ ৯:২০ মিনিটের সময় রাজশাহী পৌঁছাল। রওয়ানা হওয়ার স্থান থেকে রাজশাহীর দূরত্ব কত কি.মি.?
    • ক. ২৫ কি.মি.
    • খ. ৩০ কি.মি.
    • গ. ৪০ কি.মি.
    • ঘ. ৪৫ কি.মি.
    উত্তর: ঘ. ৪৫ কি.মি.
    দুজন একই সময়ে একই স্থান থেকে রওনা দিয়েছে, তাই পৌঁছানোর সময়ের পার্থক্যই তাদের সময়ের পার্থক্য।
    সময়ের পার্থক্য = 10:50 − 9:20 = 1 ঘণ্টা 30 মিনিট = 3/2 ঘণ্টা
    দূরত্ব d ধরলে, d/10 − d/15 = 3/2
    (3d − 2d)/30 = 3/2
    d = 45 কিমি
    যাচাই: ক এর লাগে 4.5 ঘণ্টা, খ এর লাগে 3 ঘণ্টা, পার্থক্য 1.5 ঘণ্টা।
  15. ৩৩. একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমার সমান। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের ৩ গুণ এবং ক্ষেত্রফল ৭৬৮ বর্গমিটার। বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. ১২৮ মিটার
    • খ. ৬৪ মিটার
    • গ. ৩২ মিটার
    • ঘ. ৪৮ মিটার
    উত্তর: গ. ৩২ মিটার
    আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x মিটার ধরলে দৈর্ঘ্য 3x মিটার।
    ক্ষেত্রফল = 3x × x = 3x² = 768
    x² = 256, তাই x = 16 মিটার এবং দৈর্ঘ্য = 48 মিটার
    আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(48 + 16) = 128 মিটার
    বর্গক্ষেত্রের পরিসীমাও 128 মিটার, তাই এক বাহু = 128 ÷ 4 = 32 মিটার
    মনে রাখুন: পরিসীমা সমান হলেও বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল (1024 বর্গমিটার) আয়তক্ষেত্রের চেয়ে বেশি, কারণ একই পরিসীমায় বর্গের ক্ষেত্রফলই সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ

  1. ৩৪. বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে “নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ” সংক্রান্ত নীতি লিপিবদ্ধ আছে?
    • ক. অনুচ্ছেদ ১১
    • খ. অনুচ্ছেদ ১৯
    • গ. অনুচ্ছেদ ২২
    • ঘ. অনুচ্ছেদ ৩৩
    উত্তর: গ. অনুচ্ছেদ ২২
    বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি দেওয়া আছে। এর ২২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। এই নীতি বাস্তবায়নে ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হয়, যার পেছনে ছিল আলোচিত মাসদার হোসেন মামলার রায়।
    মনে রাখুন:
    ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
    ১৯ অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা।
    ৩৩ অনুচ্ছেদ: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
  2. ৩৫. বাংলাদেশে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডাক টিকেট’ উদ্বোধন করা হয় কবে?
    • ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
    • খ. ২৯ জুলাই ১৯৭১
    • গ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    • ঘ. ২৬ মার্চ ১৯৭২
    উত্তর: খ. ২৯ জুলাই ১৯৭১
    মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশ করে। মোট ৮টি টিকিটের এই সিরিজের নকশা করেন বিমান মল্লিক, আর এগুলো ছাপা হয় লন্ডনে। টিকিটগুলো বিশ্বের কাছে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও মুক্তিযুদ্ধের বার্তা পৌঁছে দেয়।
    মনে রাখুন: ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (মুজিবনগর) প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ নেয়।

আন্তর্জাতিক

  1. ৩৬. আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ভূবেষ্টিত দেশ কোনটি?
    • ক. মঙ্গোলিয়া
    • খ. কাজাখস্থান
    • গ. আফগানিস্তান
    • ঘ. বলিভিয়া
    উত্তর: খ. কাজাখস্থান
    যে দেশের চারদিকে স্থলভাগ এবং কোনো সমুদ্রতীর নেই, তাকে ভূবেষ্টিত বা স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Country) বলে। আয়তনে এমন দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় কাজাখস্তান, যা আয়তনে বিশ্বের নবম বৃহত্তম দেশও। দেশটি কাস্পিয়ান সাগরের তীরে থাকলেও কাস্পিয়ান আসলে একটি হ্রদ, তাই কাজাখস্তানকে ভূবেষ্টিত ধরা হয়।
    মনে রাখুন: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভূবেষ্টিত দেশ মঙ্গোলিয়া। দুই স্তরে ভূবেষ্টিত দেশ মাত্র দুটি: উজবেকিস্তান ও লিখটেনস্টাইন।
  2. ৩৭. বিশ্বের একমাত্র দেশ কোনটি যার জাতীয় পতাকায় কোনো চতুর্ভুজ (আয়তক্ষেত্র বা বর্গক্ষেত্র) আকৃতি নেই?
    • ক. ভ্যাটিকান সিটী
    • খ. নেপাল
    • গ. সুইজারল্যান্ড
    • ঘ. ভুটান
    উত্তর: খ. নেপাল
    প্রায় সব দেশের পতাকা আয়তাকার বা বর্গাকার হলেও নেপালের পতাকা একেবারে আলাদা। এটি ওপর-নিচে দুটি ত্রিভুজ জোড়া দিয়ে তৈরি, তাই এতে কোনো চতুর্ভুজ আকৃতি নেই। ত্রিভুজ দুটি হিমালয় পর্বত এবং হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মকে নির্দেশ করে, আর এতে আঁকা চাঁদ ও সূর্য দেশটির দীর্ঘস্থায়িত্বের প্রতীক।
    মনে রাখুন: ভ্যাটিকান সিটি ও সুইজারল্যান্ডের পতাকা বর্গাকার, আর ভুটানের পতাকায় একটি ড্রাগন আঁকা আছে।
  3. ৩৯. পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার রোধ চুক্তি (NPT - Non Proliferation Treaty) কত সালে স্বাক্ষর হয়?
    • ক. ১৯৬৮ সালে
    • খ. ১৯৭০ সালে
    • গ. ১৯৬৭ সালে
    • ঘ. ১৯৭৫ সালে
    উত্তর: ক. ১৯৬৮ সালে
    পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটি (NPT: Non-Proliferation Treaty) ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ কার্যকর হয়। এর উদ্দেশ্য পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার ঠেকানো, নিরস্ত্রীকরণ এগিয়ে নেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু শক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা।
    মনে রাখুন: ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও দক্ষিণ সুদান এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি, আর উত্তর কোরিয়া ২০০৩ সালে চুক্তি থেকে সরে যায়। বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে এনপিটিতে যোগ দেয়।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৩৮. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরির নাম কী?
    • ক. মাউন্ট এরেবাস
    • খ. মাউন্ট ভেসুভিয়াস
    • গ. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
    • ঘ. মাউন্ট ফুজি
    উত্তর: ক. মাউন্ট এরেবাস
    মাউন্ট এরেবাস (Mount Erebus) অ্যান্টার্কটিকার রস দ্বীপে অবস্থিত একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, আর এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে দক্ষিণের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। এর জ্বালামুখে বহু বছর ধরে টিকে থাকা একটি লাভা হ্রদ আছে, যা পৃথিবীতে খুব বিরল। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে ভিসুভিয়াস ইতালিতে, কিলিমাঞ্জারো তানজানিয়ায় এবং ফুজি জাপানে অবস্থিত।
    মনে রাখুন: ৭৯ খ্রিস্টাব্দে ভিসুভিয়াসের অগ্ন্যুৎপাতে পম্পেই নগরী ধ্বংস হয়। কিলিমাঞ্জারো আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
  2. ৪০. ‘Svalbard Global Seed Vault’ (বিশ্বের প্রধান বীজ ব্যাংক বা কেয়ামতের দিনের বীজাগার) কোন দ্বীপে অবস্থিত?
    • ক. গ্রিনল্যান্ড
    • খ. ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ
    • গ. আইসল্যান্ড
    • ঘ. স্পিটসবার্গেন (নরওয়ে)
    উত্তর: ঘ. স্পিটসবার্গেন (নরওয়ে)
    স্বালবার্ড গ্লোবাল সিড ভল্ট (Svalbard Global Seed Vault) নরওয়ের স্বালবার্ড দ্বীপপুঞ্জের স্পিটসবার্গেন দ্বীপে একটি পাহাড়ের ভেতরে তৈরি করা হয়েছে। ২০০৮ সালে চালু হওয়া এই বীজাগারে বিশ্বের নানা দেশের ফসলের বীজ সংরক্ষিত থাকে, যাতে যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোনো ফসলের জাত হারিয়ে গেলে আবার ফিরিয়ে আনা যায়। এ কারণেই একে ‘কেয়ামতের দিনের বীজাগার’ (Doomsday Vault) বলা হয়। স্থায়ী বরফে ঢাকা জায়গা হওয়ায় বিদ্যুৎ না থাকলেও বীজ ঠান্ডা থাকে।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশও এখানে ধানসহ বিভিন্ন ফসলের বীজ জমা রেখেছে।

বিজ্ঞান

  1. ৪১. কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) এর এমন একটি সীমানা থাকে যা অতিক্রম করলে আলোসহ কোনো কিছুই আর ফিরে আসতে পারে না। এই সীমানাকে কী বলা হয়?
    • ক. সিংগুলারিটি
    • খ. ইভেন্ট হরাইজন
    • গ. আকৃতির ব্যাসার্ধ
    • ঘ. ফোটন স্পিয়ার
    উত্তর: খ. ইভেন্ট হরাইজন
    কৃষ্ণগহ্বরের (Black Hole) মহাকর্ষ এত বেশি যে একটি নির্দিষ্ট সীমার ভেতরে ঢুকে পড়লে আলোও আর বেরিয়ে আসতে পারে না। এই সীমানাকে ইভেন্ট হরাইজন (Event Horizon) বা ঘটনা দিগন্ত বলে, কারণ এর ভেতরে কী ঘটছে তা বাইরে থেকে কোনোভাবেই দেখা যায় না। কৃষ্ণগহ্বরের একেবারে কেন্দ্রে যে অসীম ঘনত্বের বিন্দু ধরা হয়, তাকে সিংগুলারিটি (Singularity) বলে।
    মনে রাখুন: ইভেন্ট হরাইজনের ব্যাসার্ধকে শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ বলে। ২০১৯ সালে ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ প্রথম কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তোলে।
  2. ৪২. কোষের কোন অঙ্গাণুকে ‘কোষের আত্মহত্যা থলি’ বা Suicide Sac বলা হয়?
    • ক. মাইটোকন্ড্রিয়া
    • খ. গলগিবডি
    • গ. রাইবোজোম
    • ঘ. লাইসোজোম
    উত্তর: ঘ. লাইসোজোম
    লাইসোজোম (Lysosome) কোষের ভেতরের একটি ছোট থলির মতো অঙ্গাণু, যাতে নানা ধরনের হজমকারী এনজাইম থাকে। এরা কোষের পুরোনো অংশ ও বাইরে থেকে ঢোকা জীবাণু হজম করে। কোষ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলে লাইসোজোমের পর্দা ফেটে এনজাইম বেরিয়ে আসে এবং পুরো কোষটিকেই হজম করে ফেলে। এ কারণে একে আত্মঘাতী থলি (Suicide Sac) বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    কোষের শক্তিঘর মাইটোকন্ড্রিয়া।
    প্রোটিন তৈরির কারখানা রাইবোজোম।
    গলগি বস্তু কোষের পদার্থ প্যাকেট করে পাঠানোর কাজ করে।
  3. ৪৩. মানবদেহের কোন গ্রন্থিটিকে ‘জৈব ঘড়ি’ বা Biological Clock নিয়ন্ত্রক বলা হয়, যা মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণ করে?
    • ক. থাইরয়েড গ্রন্থি
    • খ. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি
    • গ. পাইনিয়াল গ্ল্যান্ড
    • ঘ. পিটুইটারি গ্রন্থি
    উত্তর: গ. পাইনিয়াল গ্ল্যান্ড
    মস্তিষ্কের ভেতরে মটরদানার মতো ছোট একটি গ্রন্থি আছে, যার নাম পিনিয়াল গ্রন্থি (Pineal Gland)। অন্ধকার হলে এই গ্রন্থি মেলাটোনিন (Melatonin) হরমোন বেশি নিঃসরণ করে, যা আমাদের ঘুম পাওয়ায়, আর আলোতে এর নিঃসরণ কমে যায়। এভাবে দিন-রাতের সঙ্গে শরীরের ঘুম ও জাগরণের ছন্দ মিলিয়ে রাখে বলে একে জৈবিক ঘড়ির (Biological Clock) নিয়ন্ত্রক বলা হয়।
    মনে রাখুন: পিটুইটারিকে প্রধান বা ‘মাস্টার’ গ্রন্থি বলা হয়। থাইরয়েড থেকে থাইরক্সিন আর অ্যাড্রেনাল থেকে অ্যাড্রেনালিন হরমোন আসে।
  4. ৪৪. মানবদেহের কোন অঙ্গটি নিজের ক্ষতিগ্রস্ত বা কেটে ফেলা অংশকে পুনরায় উৎপাদন করার অসাধারণ ক্ষমতা রাখে?
    • ক. অগ্ন্যাশয়
    • খ. যকৃৎ
    • গ. কিডনি
    • ঘ. প্লীহা
    উত্তর: খ. যকৃৎ
    যকৃৎ (Liver) মানবদেহের এমন একটি অঙ্গ, যার কোষগুলো আবার বিভাজিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পূরণ করতে পারে। অস্ত্রোপচারে যকৃতের অর্ধেকের বেশি অংশ কেটে ফেললেও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাকি অংশ বেড়ে প্রায় আগের আকারে ফিরে আসে। এ কারণে জীবিত দাতার যকৃতের একটি অংশ নিয়ে রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়।
    মনে রাখুন: যকৃৎ মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি। এটি পিত্তরস তৈরি করে এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ ভেঙে নিরাপদ করে।
  5. ৪৫. বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের মতো শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস শোষণ করার ক্ষমতা রাখে এমন বিশেষ ব্যাকটেরিয়াকে কী বলা হয়?
    • ক. মেথানোজেন
    • খ. সায়ানোব্যাকটেরিয়া
    • গ. নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া
    • ঘ. মেথানোট্রফ
    উত্তর: ঘ. মেথানোট্রফ
    মেথানোট্রফ (Methanotroph) এমন ব্যাকটেরিয়া, যারা মিথেন গ্যাসকে খাদ্য ও শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে। এরা মিথেন ভেঙে কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত করে, ফলে বায়ুমণ্ডলে মিথেন কমে। মিথেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস, তাই এই ব্যাকটেরিয়া জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ। এর ঠিক বিপরীত কাজ করে মেথানোজেন (Methanogen), যারা ধানক্ষেত ও জলাভূমিতে মিথেন তৈরি করে।
    মনে রাখুন: সায়ানোব্যাকটেরিয়া সালোকসংশ্লেষণ করে এবং নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
  6. ৪৬. ‘ক্রিসপার-ক্যাস ৯’ (CRISPR-Cas 9) প্রযুক্তিটি বিজ্ঞানের কোন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে?
    • ক. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
    • খ. পারমাণবিক সংযোজন
    • গ. জিন সম্পাদনা/জিনোম এডিটিং
    • ঘ. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
    উত্তর: গ. জিন সম্পাদনা/জিনোম এডিটিং
    ক্রিসপার-ক্যাস ৯ (CRISPR-Cas9) এমন একটি প্রযুক্তি, যা দিয়ে জীবের ডিএনএর নির্দিষ্ট জায়গা কেটে বাদ দেওয়া, বদলানো বা নতুন অংশ যোগ করা যায়। একে অনেক সময় ‘জিনের কাঁচি’ বলা হয়। এর ফলে জিন সম্পাদনা বা জিনোম এডিটিং (Genome Editing) আগের চেয়ে অনেক সহজ, সস্তা ও নিখুঁত হয়েছে এবং বংশগত রোগের চিকিৎসা ও উন্নত ফসলের জাত তৈরির নতুন পথ খুলেছে।
    মনে রাখুন: এই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য জেনিফার ডাউডনা ও এমানুয়েল শার্পেন্তিয়ে ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পান।

আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন