লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৫: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০১৫। ১৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →
  1. ১. নিচের কোনটি অঘোষ ধ্বনি?
    • ক. ক
    • খ. গ
    • গ. ঘ
    • ঘ. জ
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. ক
    যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, তাকে অঘোষ ধ্বনি বলে। ব্যঞ্জনবর্ণের প্রতি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি অঘোষ, তাই ক অঘোষ। গ, ঘ ও জ উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে, তাই এগুলো ঘোষ ধ্বনি। গলায় হাত রেখে ক ও গ উচ্চারণ করলে এই পার্থক্য বোঝা যায়।
    মনে রাখুন:
    অঘোষ ধ্বনি: ক, খ, চ, ছ, ট, ঠ, ত, থ, প, ফ।
    ঘোষ ধ্বনি: গ, ঘ, জ, ঝ, দ, ধ, ব, ভ।
  2. ২. 'ড়' ও 'ঢ়' ধ্বনিগুলোকে বলা হয়-
    • ক. ঘোষ ধ্বনি
    • খ. অঘোষ ধ্বনি
    • গ. শিশ ধ্বনি
    • ঘ. তাড়নজাত ধ্বনি
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. তাড়নজাত ধ্বনি
    ড় ও ঢ় উচ্চারণের সময় জিহ্বার ডগা মূর্ধায় আলতো আঘাত করে নিচে নেমে আসে। এই তাড়না বা ঝটকার জন্য এগুলোকে তাড়নজাত ধ্বনি বা দ্বিস্পৃষ্ট ধ্বনি বলা হয়। শ, ষ, স শিশ ধ্বনি, তাই সেগুলো এখানে প্রযোজ্য নয়। ড় ও ঢ় ঘোষ ধ্বনির মধ্যেও পড়ে, তবে প্রশ্নে তাদের বিশেষ নামটি জানতে চাওয়া হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    শিশ ধ্বনি হলো শ, ষ, স।
    ড় ও ঢ় শব্দের শুরুতে বসে না।
  3. ৩. শব্দ মধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প বিস্তর সমতা লাভ করাকে কি বলে?
    • ক. সমীভবন
    • খ. বিষমীভবন
    • গ. সম্প্রকর্ষ
    • ঘ. স্বরসঙ্গতি
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. সমীভবন
    শব্দের মাঝখানে পাশাপাশি থাকা দুটি আলাদা ধ্বনি যখন একে অপরের প্রভাবে কাছাকাছি বা এক রকম হয়ে যায়, তখন তাকে সমীভবন (Assimilation) বলে। যেমন জন্ম থেকে জম্ম হয়েছে, কারণ ‘ন’ ধ্বনি পাশের ‘ম’-এর প্রভাবে ‘ম’ হয়ে গেছে। এ ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনে উচ্চারণ সহজ হয়।
    মনে রাখুন: সমীভবন তিন রকম, প্রগত, পরাগত ও অন্যোন্য।
    উদাহরণ:
    কাঁদনা > কান্না
    পদ্ম > পদ্দ (উচ্চারণে)
  4. ৪. কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
    • ক. ঝম-ঝম
    • খ. ভাল-ভাল
    • গ. রাশি-রাশি
    • ঘ. ঘন-ঘন
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. ঝম-ঝম
    যে শব্দ কোনো আওয়াজের অনুকরণে তৈরি হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। এমন শব্দ দুবার বসালে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি (Onomatopoeic Reduplication) হয়। বৃষ্টি পড়ার আওয়াজ বোঝাতে আমরা ‘ঝম-ঝম’ বলি, তাই এটিই এখানে সঠিক।
    মনে রাখুন:
    ‘রাশি-রাশি’ ও ‘ঘন-ঘন’ শব্দদ্বৈত হলেও কোনো ধ্বনির অনুকরণ নয়, তাই এগুলো ধ্বন্যাত্মক নয়।
    ধ্বন্যাত্মক শব্দের উদাহরণ: কুহু-কুহু, টিপ-টিপ, ঝন-ঝন।
  5. ৫. নিচের কোন শব্দে সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
    • ক. অনাদর
    • খ. অলঙ্কার
    • গ. আবির্ভাব
    • ঘ. অপমান
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. অপমান
    ‘অপ’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ, যা অপমান, অপকার ও অপচয় শব্দে দেখা যায়। বাকি শব্দগুলোর গঠন আলাদা। ‘অনাদর’-এর ‘অনা’ খাঁটি বাংলা উপসর্গ, ‘অলঙ্কার’ শব্দে ‘অলম্’ একটি অব্যয় এবং ‘আবির্ভাব’-এর ‘আবিঃ’ও অব্যয় থেকে আসা। তাই সংস্কৃত উপসর্গযুক্ত শব্দ বলতে এখানে ‘অপ’ আছে যে শব্দে, সেটিই ঠিক।
    মনে রাখুন:
    সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম্।
    বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অনা, আ, আন, কু, নি, পাতি, রাম।
  6. ৬. নিচের কোনটি একটি যোগরূঢ় শব্দ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
    • ক. পঙ্কজ
    • খ. সন্দেশ
    • গ. প্রবীণ
    • ঘ. গায়ক
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. পঙ্কজ
    যে শব্দ প্রত্যয় বা সমাসের নিয়মে গড়ে ওঠে, কিন্তু অর্থ ধরে মূল গঠনের চেয়ে বিশেষ একটি জিনিসকে বোঝায়, তাকে যোগরূঢ় (Yogarudha) শব্দ বলে। ‘পঙ্কজ’ শব্দটি পঙ্ক (কাদা) আর জ (জন্মায়) মিলে হয়েছে। গঠন অনুযায়ী কাদায় জন্মানো যেকোনো কিছু বোঝাতে পারত, কিন্তু শব্দটি শুধু পদ্ম ফুলকেই বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    ‘গায়ক’ যৌগিক শব্দ, কারণ এর গঠনগত অর্থ আর ব্যবহারিক অর্থ এক।
    যোগরূঢ় শব্দের আরও উদাহরণ: জলধি, শতদল।
  7. ৭. 'তেজারত' শব্দটি কোন দেশী?
    • ক. আরবী
    • খ. তুর্কী
    • গ. পর্তুগিজ
    • ঘ. হিন্দি
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. আরবী
    ‘তেজারত’ শব্দের অর্থ ব্যবসা-বাণিজ্য। শব্দটি আরবি ‘তিজারাত’ থেকে বাংলায় এসেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও আইন-আদালত বিষয়ক বহু শব্দ আরবি থেকে এসেছে, তাই এটি তুর্কি, পর্তুগিজ বা হিন্দি নয়।
    মনে রাখুন:
    আরবি শব্দ: আদালত, উকিল, কলম, কিতাব, মুনশি।
    ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান।
    তুর্কি শব্দ: বাবুর্চি, দারোগা, কাঁচি।
  8. ৮. 'শর্বরী' শব্দের অর্থ কি?
    • ক. রাত্রি
    • খ. স্বপ্ন
    • গ. পন্থ
    • ঘ. শিকারী
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. রাত্রি
    ‘শর্বরী’ শব্দের অর্থ রাত্রি। এটি সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দ, আর কবিতায় এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়। রাত্রির আরও অনেক সমার্থক শব্দ আছে, যেমন রজনী, নিশি, যামিনী ও বিভাবরী। সমার্থক শব্দের প্রশ্নে এই শব্দগুলো একসঙ্গে মনে রাখলে সুবিধা হয়।
    মনে রাখুন:
    রাত্রির সমার্থক শব্দ: রজনী, নিশি, যামিনী, বিভাবরী, নিশীথিনী।
    দিনের সমার্থক শব্দ: দিবস, দিবা, অহ।
  9. ৯. এক কথায় প্রকাশ করুন: 'সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা'।
    • ক. সংবর্ধনা
    • খ. অভিনন্দন
    • গ. সম্মাননা
    • ঘ. প্রত্যুদগমন
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. প্রত্যুদগমন
    কেউ আসছে জানলে আমরা কখনো কখনো কয়েক পা এগিয়ে গিয়ে তাকে আপ্যায়ন করি। এভাবে সামনে এগিয়ে গিয়ে অভ্যর্থনা করাকে এক কথায় প্রত্যুদ্গমন বলে। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: সংবর্ধনা মানে সম্মান জানিয়ে অভ্যর্থনা, অভিনন্দন মানে শুভেচ্ছা জানানো আর সম্মাননা মানে সম্মান প্রদর্শন।
    মনে রাখুন: অভ্যর্থনা মানে সাদর আহ্বান, আর প্রত্যুদ্গমনে এগিয়ে যাওয়ার ভাবটি যুক্ত থাকে।
  10. ১০. নিম্নলিখিত কোন গ্রন্থটি নাট্যগীতি কাব্য?
    • ক. শ্রীকৃষ্ণ বিজয়
    • খ. সেক শুভদয়া
    • গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • ঘ. ইউসুফ জুলেখা
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ির মুখে সংলাপ আছে এবং পুরো কাব্য গানের ঢঙে লেখা। এ কারণে একে নাট্যগীতিমূলক কাব্য বলা হয়। বাকি গ্রন্থগুলোর মধ্যে সেক শুভদয়া ও ইউসুফ জুলেখা কাহিনিকাব্য, আর শ্রীকৃষ্ণবিজয় অনুবাদমূলক আখ্যানকাব্য।
    মনে রাখুন:
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
    এটি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে আবিষ্কার করেন।
    এটি বাংলা ভাষার মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বলে গণ্য।
  11. ১১. বাংলা এবং মৈথিলী ভাষার সমন্বয়ে যে ভাষার সৃষ্টি হয়েছে তার নাম কি?
    • ক. মাগধী
    • খ. অসমিয়া
    • গ. মরমিয়া
    • ঘ. ব্রজবুলি
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. ব্রজবুলি
    ব্রজবুলি কোনো মুখের ভাষা নয়, এটি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। এতে মৈথিলি ভাষার সঙ্গে বাংলা মিশেছে, আর এই মিশ্র ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর অনেক পদ লেখা হয়েছে। কেবল সাহিত্যে ব্যবহারের জন্য তৈরি বলে সাধারণ মানুষ এ ভাষায় কথা বলত না।
    মনে রাখুন:
    ব্রজবুলিতে পদ লিখে খ্যাতি পেয়েছেন গোবিন্দদাস ও বিদ্যাপতি।
    রবীন্দ্রনাথও ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ ব্রজবুলিতে লিখেছেন।
  12. ১২. 'বত্রিশ সিংহাসন' এর রচয়িতা কে?
    • ক. উইলিয়াম কেরি
    • খ. গোলকনাথ শর্মা
    • গ. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
    • ঘ. রাম রাম বসু
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
    ‘বত্রিশ সিংহাসন’ গ্রন্থটি ১৮০২ সালে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার লিখেছেন। তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন এবং সংস্কৃত থেকে বাংলায় কিছু গ্রন্থ অনুবাদ করেছেন। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বাংলা গদ্য বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে।
    মনে রাখুন:
    হিতোপদেশ (১৮০৮)
    রাজাবলি (১৮০৮)
    প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩)
    তাঁর লেখা বেদান্তচন্দ্রিকাও পরিচিত।
  13. ১৩. রাজা রামমোহন রায় প্রণীত বাংলা ব্যাকরণের নাম কি?
    • ক. মাগধীয় ব্যাকরণ
    • খ. বাংলা ব্যাকরণ
    • গ. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
    • ঘ. ভাষা ব্যাকরণ
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
    রাজা রামমোহন রায় ১৮৩৩ সালে ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ নামে বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। বাঙালিদের মধ্যে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন। এর আগে ১৮২৬ সালে তিনি ইংরেজি ভাষায় ‘Bengali Grammar in English Language’ নামে একটি ব্যাকরণও লিখেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা বিলোপে বিশেষ ভূমিকা রাখেন (১৮২৯ সালে আইন)।
    তাঁকে আধুনিক ভারতের জনক বলা হয়।
  14. ১৪. মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদ বধ' প্রকৃতপক্ষে কোন রসের কাব্য?
    • ক. বীর রস
    • খ. করুণ রস
    • গ. দাস্য রস
    • ঘ. শান্ত রস
    • ঙ. কোনটিই নয়
    উত্তর: খ. করুণ রস
    মেঘনাদবধ কাব্যের শুরুতে কবি বীর রসের কথা বললেও কাব্যের মূল সুর করুণ। বীর পুত্র মেঘনাদ, প্রিয় ভাই ও স্বজনদের হারিয়ে রাবণের শোক কাব্যজুড়ে ছড়িয়ে আছে। কাব্য শেষ হয় মেঘনাদের শেষকৃত্যের মধ্য দিয়ে। তাই একে প্রকৃতপক্ষে করুণ রসের কাব্য বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    মেঘনাদবধ কাব্য ৯ সর্গে রচিত এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা।
    কাব্যটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সনেটের প্রবর্তক।
  15. ১৫. 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' এর রচয়িতা কে?
    • ক. আল মাহমুদ
    • খ. আবুল হাসান
    • গ. শামসুর রাহমান
    • ঘ. শহীদ কাদরী
    • ঙ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. শামসুর রাহমান
    ‘উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ’ কবিতাটি শামসুর রাহমানের লেখা। এটি তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থেরও শিরোনাম, যেখানে কবির স্বদেশচেতনা ও সমকালীন সমাজ নিয়ে ভাবনার পরিচয় পাওয়া যায়। এখানে ‘উদ্ভট উট’ রূপকের মাধ্যমে দেশের অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে বোঝানো হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    শামসুর রাহমানের অন্য কয়েকটি কাব্য: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে ও বিধ্বস্ত নীলিমা।
    তিনি ‘স্বাধীনতা তুমি’ কবিতার জন্যও পরিচিত।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও সরকারি ব্যাংক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন