গ্রামীণ ব্যাংক ট্রেইনি অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২৫। ৪৩টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য হয়-
- ক. বিশেষ্য ও বিশেষণে
- খ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে
- গ. প্রকৃতি ও প্রত্যয়ে
- ঘ. সন্ধি ও উপসর্গে
উত্তর: খ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে
সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে। সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের পূর্ণরূপ ব্যবহার হয়, আর চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত ও মুখের ভাষার রূপ। অন্য অপশনগুলো দিয়ে এ পার্থক্য ধরা যায় না, কারণ বিশেষ্য, বিশেষণ বা সন্ধি-উপসর্গ দুই রীতিতেই মোটামুটি একই থাকে।
উদাহরণ:
সাধু: করিতেছি, তাহার, তাহাকে, দেখিলাম।
চলিত: করছি, তার, তাকে, দেখলাম।
মনে রাখুন:
চলিত ভাষা রীতির প্রচলনে প্রমথ চৌধুরীর ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার বড় ভূমিকা ছিল।
সাধু ও চলিত রীতি এক বাক্যে মিশিয়ে ফেললে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। - ২. বাংলা বর্ণমালায় পরাশ্রয়ী বর্ণ কয়টি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. ২টি
- খ. ৩টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: খ. ৩টি
যে বর্ণ নিজে স্বাধীনভাবে বসতে পারে না, অন্য বর্ণের আশ্রয়ে উচ্চারিত হয়, তাকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় এমন বর্ণ তিনটি। এগুলো স্বরবর্ণের মতো আলাদা সম্পূর্ণ ধ্বনি দেয় না, বরং কোনো স্বর বা ব্যঞ্জনের সঙ্গে জুড়ে উচ্চারিত হয়।
মনে রাখুন:
অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) ও চন্দ্রবিন্দু (ঁ) হলো পরাশ্রয়ী বর্ণ।
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি, তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি আর ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। - ৩. 'গণঅভ্যুত্থান' শব্দটি কীভাবে গঠিত?
- ক. সন্ধি
- খ. প্রত্যয়
- গ. উপসর্গ
- ঘ. সমাস
উত্তর: ঘ. সমাস
‘গণঅভ্যুত্থান’ শব্দটির ব্যাসবাক্য বা বিন্যাস হলো গণের অভ্যুত্থান। এখানে পূর্বপদ ‘গণ’-এর সঙ্গে ষষ্ঠী বিভক্তি ‘এর’ যুক্ত ছিল, কিন্তু সমাস হওয়ার সময় সেই বিভক্তি লোপ পেয়েছে। এই পরিবর্তনই সমাসের (Compound) পরিচয়। আর পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। সন্ধি, প্রত্যয় বা উপসর্গ দিয়ে এ শব্দ গঠিত নয়।
উদাহরণ:
রাজার পুত্র = রাজপুত্র।
চায়ের বাগান = চা-বাগান।
মনে রাখুন: বাংলায় সমাস ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, দ্বিগু, বহুব্রীহি ও অব্যয়ীভাব। - ৪. উপসর্গযুক্ত শব্দ কোনটি?
- ক. বিদ্যা
- খ. বিদ্রোহী
- গ. বিষয়
- ঘ. বিপুল
উত্তর: খ. বিদ্রোহী
‘বিদ্রোহী’ শব্দটি ‘বি’ উপসর্গ আর ‘দ্রোহ’ শব্দ মিলে গঠিত, এখানে ‘বি’ বিরুদ্ধতা অর্থে বসেছে। উপসর্গ হলো যে শব্দাংশ অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, নিজে আলাদা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। বাকি তিনটি শব্দে ‘বি’ আলাদা উপসর্গ নয়: বিদ্যা, বিষয় ও বিপুল শব্দ প্রতিটি মূল শব্দ হিসেবেই গড়া, তাই এগুলোকে ভাগ করা যায় না।
মনে রাখুন:
সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম্, নি, অব, অনু, বি, অধি, সু, উৎ, অভি, প্রতি, পরি, উপ ইত্যাদি।
উদাহরণ:
প্র + গতি = প্রগতি।
বি + দেশ = বিদেশ। - ৫. 'এ বয়সে তবু নতুন কিছু তো করে।'– এখানে 'তবু' হচ্ছে–
- ক. বিশেষ্য
- খ. বিশেষণ
- গ. সর্বনাম
- ঘ. অব্যয়
উত্তর: ঘ. অব্যয়
যে শব্দ বাক্যে ব্যবহারের সময় রূপ বদলায় না, তাকে অব্যয় বলে। বিশেষ্য, সর্বনাম ও বিশেষণের মতো এর রূপ লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তিভেদে পাল্টায় না। ‘তবু’ এমন একটি শব্দ, যা বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে বিপরীত ভাব ফুটিয়ে তুলে তাদের জুড়ে দেয়। তাই এটি সংকোচক অব্যয়। বাক্যটিতে বয়স বেশি, তবু নতুন কিছু করার কথা বলা হচ্ছে, অর্থাৎ বিপরীত ভাব স্পষ্ট।
মনে রাখুন:
কিন্তু, তথাপি, অথচ, বরং, বরঞ্চ এসবও সংকোচক অব্যয়।
বাংলা ব্যাকরণে অব্যয় পদ চার ধরনের: পদান্বয়ী, সমুচ্চয়ী, অনন্বয়ী ও ধ্বন্যাত্মক অব্যয়। - ৬. 'ফুলের গন্ধে মৌমাছি আসে।'- বাক্যে 'ফুলের' কোন কারক?
- ক. অধিকরণ
- খ. করণ
- গ. অপাদান
- ঘ. সম্বন্ধ
উত্তর: ঘ. সম্বন্ধ
যে নামপদ ক্রিয়ার সঙ্গে নয়, বাক্যের অন্য কোনো নামপদের সঙ্গে সম্পর্ক জানায়, সেটি সম্বন্ধ পদ। ‘ফুলের গন্ধে মৌমাছি আসে’ বাক্যে ‘ফুলের’ শব্দটি ‘গন্ধ’-এর সঙ্গে সম্পর্ক দেখাচ্ছে, অর্থাৎ কার গন্ধ, তা বলছে। তাই এটি সম্বন্ধ পদ। ব্যাকরণের নিয়মে সম্বন্ধ পদ ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না বলে একে কারক বলা হয় না। তবু প্রশ্নে বিকল্প হিসেবে এসেছে বলে এটিই উত্তর।
উদাহরণ:
গাছের ফল, রাজার রাজ্য, সোনার বাটি।
মনে রাখুন: বাংলায় কারক ছয় প্রকার: কর্তা, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ। - ৭. 'খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি, আমার দেশের মাটি।'- কোন ধরনের বাক্য?
- ক. সরল
- খ. যৌগিক
- গ. জটিল
- ঘ. অতি সরল
উত্তর: ক. সরল
‘খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি, আমার দেশের মাটি’ বাক্যে একটিই ভাব আছে এবং কোনো আশ্রিত খণ্ডবাক্য নেই। ‘খাঁটি সোনার চাইতে’ অংশটি কেবল তুলনা বোঝায়, এটি আলাদা পূর্ণ খণ্ডবাক্য নয়। যে বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া বা একটিই মূল ভাব থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। তাই বাক্যটি সরল।
মনে রাখুন:
জটিল বাক্যে একটি প্রধান আর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যেমন ‘যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়’।
যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ‘এবং’, ‘কিন্তু’ বা ‘অথবা’ দিয়ে জোড়া লাগে। - ৮. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'নিষিদ্ধ লোবান'-এর রচয়িতা কে?
- ক. আনোয়ার পাশা
- খ. আনিসুল হক
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর: গ. সৈয়দ শামসুল হক
‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাসটি লিখেছেন সৈয়দ শামসুল হক। এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা, আর এর ওপর ভিত্তি করে ‘গেরিলা’ নামে চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে। সৈয়দ শামসুল হক একসঙ্গে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গীতিকার ছিলেন। অন্য অপশনের লেখকরাও বিখ্যাত, তবে এই উপন্যাস তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর আরও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নীল দংশন, এক যুবকের ছায়াপথ ও দ্বিতীয় দিনের কাহিনি।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ এবং নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’। - ৯. 'আমি বাংলায় গান গাই ।'- খ্যাত বরেণ্য গীতিকার প্রতুল মুখোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন-
- ক. ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- খ. ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
- গ. ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- ঘ. ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
উত্তর: গ. ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
‘আমি বাংলায় গান গাই’ গানের গীতিকার ও সুরকার প্রতুল মুখোপাধ্যায় ১৯৪২ সালে বরিশালে জন্মেছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় মারা যান। এই গান বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ, দুই দেশেই খুব জনপ্রিয়। বাকি অপশনের তারিখগুলো তাঁর মৃত্যুর তারিখের সঙ্গে মেলে না, কারণ ২০২৪ ও ২০২৩ সাল তাঁর জীবনকালের মধ্যেই পড়ে।
মনে রাখুন: তাঁর আরেকটি জনপ্রিয় গান ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে’।
ইংরেজি
- ১০. Choose the correct synonym of 'benevolent':
- ক. hostile
- খ. kind
- গ. mean
- ঘ. cruel
উত্তর: খ. kind
Benevolent শব্দের অর্থ দয়ালু বা পরোপকারী, অর্থাৎ যে মানুষ অন্যের ভালো করতে ভালোবাসে। তাই এর সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ kind। বাকি অপশনের অর্থ একেবারে আলাদা: hostile মানে শত্রুভাবাপন্ন, mean মানে হীন বা কৃপণ, আর cruel মানে নিষ্ঠুর। এই তিনটি শব্দেই দয়ার বিপরীত ভাব আছে, তাই এগুলো সমার্থক হতে পারে না।
মনে রাখুন:
Benevolent-এর বিপরীত শব্দ Malevolent (অনিষ্টকামী)।
Benevolent-এর আরও সমার্থক: charitable, generous, kind-hearted।
Benevolence হলো এর noun রূপ, অর্থ দয়া বা পরোপকারিতা। - ১১. Person habitually silent or talking little is called ——.
- ক. taciturn
- খ. servile
- গ. unequivocal
- ঘ. synoptic
উত্তর: ক. taciturn
যে মানুষ স্বভাবতই চুপচাপ থাকে বা খুব কম কথা বলে, তাকে taciturn বলা হয়। এটি এমন একটি adjective, যা মানুষের একটি স্থায়ী স্বভাব বোঝায়। বাকি শব্দগুলোর অর্থ এ থেকে আলাদা: servile মানে দাসসুলভ বা তোষামুদে, unequivocal মানে সুস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থহীন, আর synoptic মানে সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ-সংক্রান্ত।
মনে রাখুন:
Taciturn-এর বিপরীত শব্দ Talkative বা Garrulous (বাচাল)।
Taciturn-এর আরও সমার্থক: silent, reserved, reticent।
এর noun রূপ taciturnity। - ১২. The match was ______- because of inauspicious weather conditions.
- ক. called off
- খ. put out
- গ. walked out
- ঘ. taken off
উত্তর: ক. called off
Call off একটি phrasal verb, যার অর্থ বাতিল করা। বাক্যে বলা হচ্ছে খারাপ আবহাওয়ার কারণে খেলা আর হয়নি, অর্থাৎ খেলাটি বাতিল হয়েছে। এই ভাব প্রকাশ করতে called off ঠিক বসে। Inauspicious শব্দের অর্থ অশুভ বা প্রতিকূল, তাই প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণেই খেলা বন্ধ হয়েছে। বাকি phrasal verb-গুলোর অর্থ আলাদা, তাই বাক্যটি অর্থহীন হয়ে যেত।
মনে রাখুন:
Put out মানে নেভানো।
Walk out মানে প্রতিবাদে বেরিয়ে যাওয়া।
Take off মানে খুলে ফেলা বা উড়াল দেওয়া।
Call off-এর সমার্থক cancel। - ১৩. Choose the coordinating conjunction :
- ক. Although
- খ. However
- গ. Or
- ঘ. Unless
উত্তর: গ. Or
যে সংযোজক অব্যয় দুটি সমমানের শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে জোড়া লাগায়, তাকে coordinating conjunction (সমপর্যায়ের সংযোজক) বলে। সহজে মনে রাখার জন্য এদের FANBOYS নামে ডাকা হয়: for, and, nor, but, or, yet, so। এখানে Or এ রকম একটি সংযোজক, যেমন Tea or coffee। Although ও Unless এ ধরনের নয়, কারণ এরা একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্যকে প্রধান বাক্যের সঙ্গে জোড়ে। আর However একটি adverb।
মনে রাখুন:
Although ও Unless subordinating conjunction।
উদাহরণ:
Although it rained, we went out।
He will fail unless he works hard। - ১৪. He is a man to depend on. The underlined part is –
- ক. a noun phrase
- খ. an adjective phrase
- গ. an adverbial phrase
- ঘ. a prepositional phrase
উত্তর: খ. an adjective phrase
‘He is a man to depend on’ বাক্যে ‘to depend on’ শব্দগুচ্ছটি ‘man’ বিশেষ্যটির গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ কেমন মানুষ, সেটি জানাচ্ছে। যে শব্দগুচ্ছ কোনো noun-কে এভাবে modify করে, তাকে adjective phrase বলে। এটি noun phrase নয়, কারণ এটি নিজে কোনো noun-এর কাজ করছে না। Adverbial phrase হলে ক্রিয়াকে বিশেষিত করত, আর prepositional phrase শুরু হয় preposition দিয়ে এবং তার পরে একটি noun বা pronoun থাকে।
উদাহরণ:
A book to read (পড়ার মতো একটি বই)।
A man of honour।
মনে রাখুন: Phrase শব্দগুচ্ছে verb থাকে না বা থাকলেও পূর্ণ বাক্যের কাজ করে না। - ১৫. Fill in the blank: Neither of the boys....... done their homework.
- ক. were
- খ. is
- গ. have
- ঘ. has
উত্তর: ঘ. has
Neither of-এর পরে বহুবচন noun থাকলেও Neither নিজে সবসময় একবচন ধরা হয়। কারণ Neither মানে দুজনের কেউই না, অর্থাৎ বাক্যের মূল কর্তা one-এর মতো একজনই। তাই verb-ও একবচন হয়, এবং এখানে has বসবে। বাক্যের ‘their’ শব্দটি পরিচিত ব্যবহার, তবে verb-টি Neither-এর সঙ্গে মেলাতে হয়।
মনে রাখুন:
Either of, each of, one of, none of, every one of-এর ক্ষেত্রেও সাধারণত verb একবচন হয়।
উদাহরণ:
Neither of the boys has come।
Each of the students is present। - ১৬. The July 2024 movement was _____ by students nationwide.
- ক. lead
- খ. led
- গ. leadership
- ঘ. leading
উত্তর: খ. led
এই বাক্যে কাজটি করেছে শিক্ষার্থীরা (by students), আর আন্দোলন সেই কাজের ফল পেয়েছে। তাই বাক্যটি passive voice-এ আছে। Passive voice-এর গঠন হলো কর্তা + be verb + verb-এর past participle। এখানে be verb হলো was, তাই তার পরে lead-এর past participle বসবে। Lead শব্দের তিনটি রূপ lead, led, led। অতএব সঠিক রূপ led, এবং বাক্যটি হবে The July 2024 movement was led by students nationwide।
মনে রাখুন:
Lead – led – led।
Leadership একটি noun, আর leading একটি present participle বা adjective, তাই was-এর পরে ঠিকভাবে বসে না। - ১৭. Which one is a complex sentence?
- ক. Go away!
- খ. Although it rained, we went out.
- গ. It rained.
- ঘ. I went home.
উত্তর: খ. Although it rained, we went out.
Complex sentence (জটিল বাক্য) বলতে সেই বাক্য বোঝায়, যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (principal clause) এবং অন্তত একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য (subordinate clause) থাকে। ‘Although it rained, we went out’ বাক্যে ‘Although it rained’ অংশটি আশ্রিত, কারণ এটি নিজে পূর্ণ অর্থ দেয় না। আর ‘we went out’ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য। দুটি মিলে একটি জটিল বাক্য তৈরি হয়েছে।
মনে রাখুন:
বাকি তিনটি বাক্যে একটিই clause আছে, তাই এগুলো simple sentence।
দুটি প্রধান খণ্ডবাক্য and, but বা or দিয়ে জুড়লে সেটি compound sentence হয়।
গণিত
- ১৮. (x – 2) (4x + 3)-এর গুণফল কত?
- ক. 4x² – 5x + 6
- খ. 4x² + 5x – 6
- গ. 4x² + 5x + 6
- ঘ. 4x² – 5x – 6
উত্তর: ঘ. 4x² – 5x – 6
দুটি বহুপদী (Polynomial) গুণ করতে প্রথমটির প্রতিটি পদকে দ্বিতীয়টির প্রতিটি পদ দিয়ে গুণ করে ফলাফল যোগ করতে হয়। এখানে x-কে 4x ও 3 দিয়ে এবং –2-কে 4x ও 3 দিয়ে গুণ করব।
(x – 2)(4x + 3) = 4x² + 3x – 8x – 6
এবার সদৃশ পদ 3x ও –8x একসঙ্গে করি: 3x – 8x = –5x।
অতএব গুণফল = 4x² – 5x – 6।
মনে রাখুন: গুণের সময় চিহ্নের নিয়ম মনে রাখা জরুরি, যেমন ঋণাত্মক ও ধনাত্মক সংখ্যার গুণফল ঋণাত্মক হয়। - ১৯. 3x – y = 3 , 5x + y = 21 হলে, (x, y)-এর মান কত?
- ক. (2, 5)
- খ. (2, 6)
- গ. (3, 5)
- ঘ. (3, 6)
উত্তর: ঘ. (3, 6)
দুটি সমীকরণে y-এর সহগ –1 ও +1, অর্থাৎ বিপরীত চিহ্নের। তাই সমীকরণ দুটি যোগ করলে y কেটে যায় এবং শুধু x থাকে।
3x – y + 5x + y = 3 + 21
8x = 24, x = 3
এবার x-এর মান প্রথম সমীকরণে বসিয়ে পাই 9 – y = 3, তাই y = 6।
অতএব (x, y) = (3, 6)।
যাচাই: দ্বিতীয় সমীকরণে 5 × 3 + 6 = 21, যা মিলে যায়।
মনে রাখুন: দুই চলকের সমীকরণে একটি চলক কেটে দেওয়ার এই পদ্ধতিকে অপনয়ন পদ্ধতি বলে। - ২০. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৪৫ মিটার এবং প্রস্থ ২৫ মিটার হলে ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ১,১০০
- খ. ১,১৫০
- গ. ১,১২৫
- ঘ. ১,২০০
উত্তর: গ. ১,১২৫
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বের করতে দৈর্ঘ্যকে প্রস্থ দিয়ে গুণ করতে হয়।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = 45 × 25 = 1125 বর্গমিটার।
শর্টকাট: 25 দিয়ে গুণ করতে সংখ্যাকে 100 দিয়ে গুণ করে 4 দিয়ে ভাগ করা যায়। 4500 ÷ 4 = 1125।
মনে রাখুন: আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2 × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = 2 × 70 = 140 মিটার। ক্ষেত্রফলের একক সবসময় বর্গ একক, যেমন বর্গমিটার। - ২১. একজন গ্রাহকের ঋণ অবশিষ্ট রয়েছে ৬,০০০ টাকা, প্রতি সপ্তাহে ৪০০ টাকা কিস্তি দিলে পরিশোধে কত সপ্তাহ লাগবে?
- ক. ১৩ সপ্তাহ
- খ. ১৪ সপ্তাহ
- গ. ১৫ সপ্তাহ
- ঘ. ১৬ সপ্তাহ
উত্তর: গ. ১৫ সপ্তাহ
ঋণ পরিশোধের সপ্তাহ বের করতে অবশিষ্ট মোট টাকাকে প্রতি সপ্তাহের কিস্তি দিয়ে ভাগ করতে হয়।
সপ্তাহ = 6000 ÷ 400 = 15
অতএব ১৫ সপ্তাহ লাগবে।
যাচাই: 400 × 15 = 6000, যা মোট ঋণের সমান।
মনে রাখুন: ভাগফল পূর্ণসংখ্যা না হলে শেষ কিস্তিতে কম টাকা দিতে হয় বা এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ধরতে হয়। - ২২. একটি বইয়ের মূল্য ২৪ টাকা। এই মূল্যে বই তৈরির ৮০% ব্যয় নির্বাহ করা যায়। বাকি টাকা সরকার ভর্তুকি দেয়। ভর্তুকি কত?
- ক. ৬ টাকা
- খ. ২০ টাকা
- গ. ৮ টাকা
- ঘ. ৩০ টাকা
উত্তর: ক. ৬ টাকা
বইয়ের মূল্য 24 টাকা, যা বই তৈরির মোট খরচের 80% মেটায়। এ থেকে মোট খরচ বের করা যায়।
খরচ = 24 × 100/80 = 30 টাকা।
সরকারের ভর্তুকি = 30 – 24 = 6 টাকা।
যাচাই: 30-এর 80% = 24, আর বাকি 20% = 6 টাকা, যা ভর্তুকি হিসেবে দেওয়া হয়।
মনে রাখুন: ভর্তুকি (Subsidy) হলো সরকারের দেওয়া আর্থিক সহায়তা, যার মাধ্যমে পণ্যের দাম ক্রেতার নাগালে রাখা হয়। - ২৩. একজন গ্রাহক ১৮ মাসের জন্য ১২% বার্ষিক হারে ১৫,০০০ টাকা ঋণ নেন। সরল সুদ কত হবে?
- ক. ২,০০০ টাকা
- খ. ২,৭০০ টাকা
- গ. ২,২৫০ টাকা
- ঘ. ২,৫০০ টাকা
উত্তর: খ. ২,৭০০ টাকা
সরল সুদ (Simple interest) বের করার সূত্র হলো সুদ = আসল × সময় × হার / 100, যেখানে সময় বছরে ধরতে হয়।
সময় = 18 মাস = 1.5 বছর।
সুদ = 15000 × 1.5 × 12 / 100 = 2700 টাকা।
যাচাই: এক বছরের সুদ = 15000 × 12/100 = 1800 টাকা, আর আধা বছরের সুদ 900 টাকা। দুটি মিলে 1800 + 900 = 2700 টাকা।
মনে রাখুন: সুদ-আসল = আসল + সুদ = 15000 + 2700 = 17700 টাকা। - ২৪. একটি দল বছরে ১০% হারে ১,০০,০০০ টাকা ঋণ নেয় এবং ১২ মাসে সমান কিস্তিতে পরিশোধ করে। প্রতি মাসে কিস্তি কত?
- ক. ৮,৫০০ টাকা
- খ. ৮,৮৩৩.৩৩ টাকা
- গ. ৯,১৬৬.৬৭ টাকা
- ঘ. ৯,০০০ টাকা
উত্তর: গ. ৯,১৬৬.৬৭ টাকা
প্রশ্নে সরল সুদ ধরে হিসাব করা হয়েছে। প্রথমে এক বছরের সুদ বের করি।
সুদ = 100000 × 10/100 = 10000 টাকা।
মোট পরিশোধ্য = আসল + সুদ = 100000 + 10000 = 110000 টাকা।
12টি সমান কিস্তিতে প্রতি মাসের কিস্তি = 110000 ÷ 12 = 9166.67 টাকা (প্রায়)।
মনে রাখুন: মাসিক কিস্তি = মোট পরিশোধ্য ÷ মাসের সংখ্যা। কিস্তির সংখ্যা বাড়লে প্রতি কিস্তির পরিমাণ কমে। - ২৫. একটি গাড়ি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ মিটার অতিক্রম করে। গাড়িটির ঘণ্টায় গতিবেগ কত কিলোমিটার?
- ক. ৫৪
- খ. ৪৮
- গ. ৪২
- ঘ. ৩৬
উত্তর: ক. ৫৪
গতির একক m/s থেকে km/h করতে হলে মনে রাখতে হবে, এক ঘণ্টায় 3600 সেকেন্ড আর এক কিলোমিটারে 1000 মিটার। তাই 1 m/s = 3600/1000 = 3.6 km/h।
গতি = 15 × 3.6 = 54 km/h।
শর্টকাট: m/s-কে km/h করতে 18/5 দিয়ে গুণ করুন। 15 × 18/5 = 54।
মনে রাখুন: উল্টোভাবে km/h-কে m/s করতে 5/18 দিয়ে গুণ করতে হয়। যেমন 54 km/h = 54 × 5/18 = 15 m/s।
মানসিক দক্ষতা
- ২৬. ৫ + ৮ + ১১ + ১৪ + ....ধারাটির কোন পদ ৩৮৩?
- ক. ১২৫
- খ. ১২৬
- গ. ১২৭
- ঘ. ১২৮
উত্তর: গ. ১২৭
ধারাটির প্রথম পদ a = 5, আর প্রতিটি পদ আগেরটির চেয়ে 3 বেশি, অর্থাৎ সাধারণ অন্তর d = 3। এটি একটি সমান্তর ধারা (Arithmetic progression)।
n-তম পদ = a + (n – 1)d, তাই 5 + 3(n – 1) = 383
3n + 2 = 383, 3n = 381, n = 127
অতএব ৩৮৩ হলো ধারাটির ১২৭তম পদ।
যাচাই: 5 + 3 × 126 = 5 + 378 = 383।
মনে রাখুন: সমান্তর ধারার n-তম পদের সূত্র a + (n – 1)d, আর প্রথম n পদের যোগফল n/2 {2a + (n – 1)d}।
সাধারণ জ্ঞান
- ২৭. দিনাজপুরের দেবকোট-এ বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন কোন মুসলিম শাসক?
- ক. হযরত শাহজালাল
- খ. মুহাম্মদ ঘুর
- গ. বখতিয়ার খলজি
- ঘ. শিরান খলজি
উত্তর: গ. বখতিয়ার খলজি
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালের দিকে সেন রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন এবং বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন। প্রথমে তিনি লক্ষ্মণাবতীতে শাসন শুরু করেন। পরে তিনি দিনাজপুরের দেবকোটকে রাজধানী করেন। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে হযরত শাহজালাল সিলেটের সঙ্গে জড়িত একজন সুফি সাধক, শাসক নন।
মনে রাখুন:
তিনি ১২০৬ সালে তিব্বত অভিযান থেকে ফেরার পর দেবকোটে মারা যান।
বখতিয়ার খলজির বাংলা জয়কে সাধারণত বাংলায় মুসলিম শাসনের শুরু ধরা হয়। - ২৮. তালপাতার পুঁথিচিত্র কোন যুগের নিদর্শন?
- ক. পাল যুগ
- খ. সেন যুগ
- গ. গুপ্ত যুগ
- ঘ. কুষাণ যুগ
উত্তর: ক. পাল যুগ
তালপাতার পুঁথিতে আঁকা চিত্র পাল যুগের নিদর্শন। বৌদ্ধ গ্রন্থ ‘অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা’ পাণ্ডুলিপির রঙিন চিত্রগুলো বাংলার চিত্রকলার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে গণ্য। তখন কাগজ ছিল না, তাই তালপাতায় লিখে ও এঁকে পুঁথি তৈরি করা হতো। সেন, গুপ্ত বা কুষাণ যুগের এমন চিত্র বাংলায় এ রকম প্রসিদ্ধ নয়।
মনে রাখুন:
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল।
ধর্মপাল পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার ও বিক্রমশীলা বিহার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
পাল যুগের বিখ্যাত দুজন শিল্পী ধীমান ও বিটপাল। - ২৯. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের দিনটি কী বার ছিল?
- ক. সোমবার
- খ. মঙ্গলবার
- গ. বুধবার
- ঘ. বৃহস্পতিবার
উত্তর: ঘ. বৃহস্পতিবার
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ছিল বৃহস্পতিবার। এই দিনেই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের শেষে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। এই দিনটিই আমরা বিজয় দিবস হিসেবে পালন করি। অন্য বারগুলোর সঙ্গে এই তারিখ মেলে না।
মনে রাখুন:
আত্মসমর্পণের দলিলে সই করেন পাকিস্তানের লে. জে. এ. এ. কে. নিয়াজি।
তাঁর পাশে মিত্রবাহিনীর পক্ষে সই করেন লে. জে. জগজিৎ সিং অরোরা।
মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ। - ৩০. জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে হত্যার ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ কতটি সুপারিশ করেছে?
- ক. ৩১টি
- খ. ৪১টি
- গ. ৪৫টি
- ঘ. ৫৩টি
উত্তর: খ. ৪১টি
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (OHCHR) তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ পায়। এতে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মোট ৪১টি সুপারিশ করা হয়। এই সুপারিশগুলো ছিল বিচার, ক্ষতিপূরণ ও প্রতিষ্ঠানিক সংস্কারের মতো বিষয় নিয়ে।
মনে রাখুন:
প্রতিবেদনে প্রায় ১,৪০০ মানুষের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে।
OHCHR-এর পূর্ণরূপ Office of the United Nations High Commissioner for Human Rights। - ৩১. 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' কী?
- ক. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সচিত্র দলিল
- খ. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্য নির্মিত জাদুঘর
- গ. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্য নির্মিত একটি ভাস্কর্য
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
‘দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’ হলো ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকাসহ সারা দেশের দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতির সংকলন। এটি কোনো জাদুঘর, ভাস্কর্য বা সচিত্র দলিল হিসেবে পরিচিত নয়, বরং আন্দোলনের সময়ের শিল্পের একটি সংগ্রহ। প্রশ্নের বিকল্পগুলোতে দেওয়া বিবরণের কোনোটিই সরাসরি এর সঙ্গে মেলে না, তাই এখানে ‘কোনোটিই নয়’ উত্তর ধরা হয়েছে।
মনে রাখুন:
জুলাই-আগস্টের এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতন হয়।
৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন। - ৩২. ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পান কত সালে?
- ক. ১৯৭৪ সালে
- খ. ১৯৭৮ সালে
- গ. ১৯৮৪ সালে
- ঘ. ১৯৯৪ সালে
উত্তর: খ. ১৯৭৮ সালে
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পান। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করেন জোবরা গ্রামে ১৯৭৬ সালে। পরে ২০০৬ সালে তিনি ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। অন্য অপশনের সালগুলো তাঁর এই পুরস্কারের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
গ্রামীণ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৮৩ সালে ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষ, বিশেষ করে নারীদের, জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়া এই ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য। - ৩৩. গ্রামীণ ব্যাংক '১৬ সিদ্ধান্ত'-এর মাধ্যমে কী প্রচার করে?
- ক. রাজনৈতিক এজেন্ডা
- খ. শুধু ঋণ পরিশোধ
- গ. সামাজিক উন্নয়নমূলক নীতি
- ঘ. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
উত্তর: গ. সামাজিক উন্নয়নমূলক নীতি
গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা ১৬টি সিদ্ধান্ত মেনে চলার প্রতিজ্ঞা করেন। এগুলোর বিষয় পরিবার, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও সৎ জীবনযাপন, অর্থাৎ সামাজিক উন্নয়নের নীতি। যেমন পরিবার ছোট রাখা, শাকসবজি চাষ করা, যৌতুক না নেওয়া ও বাল্যবিবাহ না দেওয়া এই সিদ্ধান্তগুলোর অংশ। এগুলো শুধু ঋণ ফেরত দেওয়ার চুক্তি নয়, বরং ব্যাংকটির সামাজিক দর্শনের প্রকাশ। তাই রাজনৈতিক এজেন্ডা বা শুধু অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এর মূল কথা নয়।
মনে রাখুন:
ঋণ ফেরত দেওয়া এই সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে মাত্র একটি বিষয়।
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। - ৩৪. গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে কারা বেশি থাকেন?
- ক. বিদেশি উপদেষ্টা
- খ. বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
- গ. ঋণগ্রহীতা সদস্য
- ঘ. সরকারি প্রতিনিধি
উত্তর: গ. ঋণগ্রহীতা সদস্য
গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক ঋণগ্রহীতারাই, তাই পরিচালনা পর্ষদেও তাঁদের প্রতিনিধিদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ১৩ সদস্যের পর্ষদে ৯ জনই ঋণগ্রহীতা সদস্য, যাঁদের ঋণগ্রহীতারাই নির্বাচিত করেন। বাকি সদস্যদের মধ্যে সরকারের প্রতিনিধি এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রয়েছেন। বিদেশি উপদেষ্টা বা বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর পর্ষদে প্রাধান্য পায় না।
মনে রাখুন:
ব্যাংকের শেয়ারের বড় অংশ ঋণগ্রহীতাদের, আর অল্প অংশ সরকারের।
এই ধরনের ব্যবস্থা ক্ষুদ্রঋণের (Microcredit) জগতে গ্রামীণ মডেল হিসেবে বিখ্যাত। - ৩৫. গ্রামীণ ব্যাংকের অভিনব বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- ক. ঋণগ্রহীতারাই মালিক
- খ. শুধুমাত্র নগদ লেনদেন
- গ. সঞ্চয় বাধ্যতামূলক নয়
- ঘ. ব্যবসায়িক বিনিয়োগ নিষিদ্ধ
উত্তর: ক. ঋণগ্রহীতারাই মালিক
সাধারণ ব্যাংকে মালিক থাকেন শেয়ারহোল্ডাররা, আর গ্রাহক থাকেন আলাদা। গ্রামীণ ব্যাংকে কিন্তু ঋণগ্রহীতারাই ব্যাংকের শেয়ারের মালিক, এটাই এর সবচেয়ে অভিনব বৈশিষ্ট্য। অর্থাৎ যাঁরা ব্যাংক থেকে ঋণ নেন, তাঁরাই ব্যাংকের মালিক। বাকি অপশনগুলো এ ব্যাংকের বৈশিষ্ট্য নয়: এখানে সঞ্চয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়, ব্যবসায়িক বিনিয়োগে ঋণ দেওয়া হয়, আর লেনদেন নগদ ছাড়াও হয়ে থাকে।
মনে রাখুন:
ব্যাংকটি ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর বিশেষ আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর ঋণগ্রহীতাদের অধিকাংশই নারী, আর ঋণ দেওয়া হয় ছোট দলের মাধ্যমে। - ৩৬. গমের জাত নয় কোনটি?
- ক. দোয়েল
- খ. আকবর
- গ. কাঞ্চন
- ঘ. মোহর
উত্তর: ঘ. মোহর
দোয়েল, আকবর ও কাঞ্চন বাংলাদেশে চাষ করা গমের উন্নত জাত। কিন্তু মোহর গমের জাত নয়, এটি ভুট্টার একটি জাত। তাই প্রশ্নের উত্তর মোহর। উন্নত জাত মানে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় তৈরি এমন জাত, যা বেশি ফলন দেয় বা রোগ-প্রতিরোধে ভালো।
মনে রাখুন:
গমের আরও জাত: সোনালিকা, বরকত, আনন্দ, অগ্রণী ও শতাব্দী।
ভুট্টার জাত: বর্ণালী ও শুভ্রা।
বাংলাদেশে নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবনে ঢাকার কাছে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) ভূমিকা রাখে। - ৩৭. ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয় কবে?
- ক. ১৬ মে ১৯৭৬
- খ. ১৬ মে ১৯৬৬
- গ. ১৬ মে ১৯৭৪
- ঘ. ১৬ মে ১৯৭২
উত্তর: ক. ১৬ মে ১৯৭৬
ভারত ফারাক্কা বাঁধ চালু করার পর বাংলাদেশে পদ্মা নদীর পানি কমে যায়, ফলে কৃষি ও নৌচলাচল বিপদে পড়ে। ন্যায্য হিস্সার দাবিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহীর কাছ থেকে ফারাক্কার দিকে লংমার্চ হয়। এটিই ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ। বাকি সালগুলো এই আন্দোলনের তারিখের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
ফারাক্কা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গঙ্গা নদীর ওপর অবস্থিত।
১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
মওলানা ভাসানীকে মজলুম জননেতা বলা হয়। - ৩৮. টাইম ম্যাগাজিনের 'দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫'-এ স্থান পাওয়া বাংলাদেশের মসজিদের নাম কী?
- ক. লালবাগ মসজিদ, ঢাকা
- খ. জেবুন নেসা মসজিদ, সাভার
- গ. ষাট গম্বুজ মসজিদ, বাগেরহাট
- ঘ. শাহী মসজিদ, চট্টগ্রাম
উত্তর: খ. জেবুন নেসা মসজিদ, সাভার
টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস ২০২৫’ তালিকায় বাংলাদেশের যে মসজিদ স্থান পেয়েছে, তার নাম জেবুন নেসা মসজিদ। এটি সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত। আধুনিক নকশা ও শান্ত পরিবেশের জন্য মসজিদটি আন্তর্জাতিক নজর কেড়েছে। বাকি মসজিদগুলো বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত হলেও এই তালিকায় আসেনি।
মনে রাখুন:
মসজিদটির প্রধান স্থপতি সায়কা ইকবাল মেঘনা।
ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে এবং এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়া বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদ। - ৩৯. বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাশ হয়–
- ক. ১৯৮৫ সালে
- খ. ১৯৯০ সালে
- গ. ১৯৯১ সালে
- ঘ. ১৯৮৮ সালে
উত্তর: খ. ১৯৯০ সালে
বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় ১৯৯০ সালে। আইনটি ১৯৯২ সাল থেকে কার্যকর হয়। এর আওতায় ৬ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং অভিভাবকরা সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠাতে বাধ্য। বাকি অপশনের সালগুলো আইন পাসের বছরের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
সংবিধানের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা আছে।
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। - ৪০. বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কত?
- ক. ৩০টি
- খ. ৩৯টি
- গ. ৪০টি
- ঘ. ৫০টি
উত্তর: ঘ. ৫০টি
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০-এর ২০১৯ সালের গেজেট অনুযায়ী বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি। এর আগে এ সংখ্যা ২৭ ধরা হতো। তাই পুরোনো তথ্য মনে থাকলে ‘৩৯টি’ বা ‘৪০টি’ অপশন ভুল পথে নিতে পারে। এই গোষ্ঠীগুলো বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বৈচিত্র্যময় করেছে।
মনে রাখুন:
সংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী চাকমা।
সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি রক্ষার কথা বলা আছে।
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - ৪১. ইন্টারপোলের সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. লিওঁ, ফ্রান্স
- খ. নিউইয়র্ক, ইউএসএ
- গ. বন, জার্মানি
- ঘ. হেগ, নেদারল্যান্ডস
উত্তর: ক. লিওঁ, ফ্রান্স
ইন্টারপোল (Interpol) হলো আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা সংস্থা, যা বিভিন্ন দেশের পুলিশকে অপরাধী ধরতে ও তথ্য আদান-প্রদানে সাহায্য করে। এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিওঁ শহরে। লিওঁ বাদে অন্য অপশনের শহরগুলো অন্য সংস্থার সদর দপ্তর বা অন্য দেশে। যেমন হেগে আছে ইউরোপের পুলিশ সংস্থা ইউরোপোল (Europol)।
মনে রাখুন:
সংস্থাটি ১৯২৩ সালে ভিয়েনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
সংস্থার সদর দপ্তর ১৯৮৯ সাল থেকে লিওঁতে।
বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্য। - ৪২. সুশাসনের জন্য বিশ্বব্যাংক-এর নির্দেশিত কোনটি চার স্তম্ভের অন্তর্গত নয়?
- ক. দায়িত্বশীলতা
- খ. দুর্নীতি দমন
- গ. আইনি কাঠামো
- ঘ. অংশগ্রহণ
উত্তর: খ. দুর্নীতি দমন
বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী সুশাসনের চার স্তম্ভ হলো সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা (দায়িত্বশীলতা), উন্নয়নের আইনি কাঠামো এবং স্বচ্ছতা ও তথ্যপ্রবাহ। এই চারটির মধ্যে দুর্নীতি দমন আলাদা কোনো স্তম্ভ হিসেবে নেই। যদিও সুশাসন ও দুর্নীতি দমন একে অপরের সঙ্গে জড়িত, তবু চার স্তম্ভের তালিকায় এ নামে কিছু নেই।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘ সুশাসনের ৮টি উপাদান ধরে, যার মধ্যে অংশগ্রহণ (Participation) আছে।
অন্য উপাদানগুলো হলো আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, সাড়া দেওয়া, ঐকমত্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি, কার্যকারিতা ও দক্ষতা এবং জবাবদিহিতা।
ব্যাংকিং ও অর্থনীতি
- ৪৩. BIMSTEC-এ বাংলাদেশ কোন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেয়?
- ক. বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন
- খ. নিরাপত্তা
- গ. পরিবেশ ও জলবায়ু
- ঘ. বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন
উত্তর: ক. বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন
BIMSTEC-এর সদস্য দেশগুলো সহযোগিতার নানা ক্ষেত্র ভাগ করে নিয়ে তার নেতৃত্ব দেয়। এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের দায়িত্বে আছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন ক্ষেত্র। বাকি ক্ষেত্রগুলো অন্য সদস্য দেশ দেখে, যেমন নিরাপত্তার নেতৃত্বে আছে ভারত। তাই বাংলাদেশের দায়িত্বের জায়গায় সঠিক উত্তর বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন।
মনে রাখুন:
BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation।
সংস্থাটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, আর এর সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত।
সদস্য দেশ মোট সাতটি: বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান।
গ্রামীণ ব্যাংক: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও সরকারি ব্যাংক পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (এডি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- সম্মিলিত ১০ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- জনতা ব্যাংক অফিসার (রেগুলার ক্যাডার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- সম্মিলিত ৮ ব্যাংক সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- সম্মিলিত ৮ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- সম্মিলিত ৪ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (এডি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- রূপালী ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- রূপালী ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- সোনালী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- অগ্রণী ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (BDBL) সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- সম্মিলিত ৯ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- সম্মিলিত ৮ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- সম্মিলিত ৬ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- সম্মিলিত ৯ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- সম্মিলিত ৫ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- সোনালী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
- সম্মিলিত ৫ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সম্মিলিত ৮ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সম্মিলিত ৮ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সম্মিলিত ৯ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (এডি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- সম্মিলিত ৮ ব্যাংক সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- অগ্রণী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এক্সিকিউটিভ অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন