বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি (MCQ) পরীক্ষা ২০১৫: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৫। ৯৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ১. দেওয়ানি মামলায় কোনটি রক্ষণীয়?
- ক. বিবাদী বাদীর দত্তক নয় মর্মে ঘোষণা
- খ. বাদী বিবাদীর দত্তক পুত্র মর্মে ঘোষণা
- গ. বাদী বিবাদীর পালক পিতা মর্মে ঘোষণা
- ঘ. উপরের সবগুলো ঘোষণা
উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলো ঘোষণা
দত্তক বা পালক সম্পর্কের মতো আইনগত পদমর্যাদা (Legal character) নিয়ে বিরোধ থাকলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণার মামলা রক্ষণীয়; তাই তিনটি ঘোষণাই চাওয়া যায়। - ২. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারানুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বারিত হবে -
- ক. ঘোষণামূলক মামলা করতে
- খ. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে
- গ. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দলিল সংশোধন
- ঘ. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে
উত্তর: খ. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে
২৯ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলা খারিজ হলে বাদী একই চুক্তিভঙ্গের জন্য আর ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে না। - ৩. নিচের কোনটি আইন অনুযায়ী বলবৎযোগ্য?
- ক. এ, বি-কে ব্যক্তিগত সেবা দেবার চুক্তি করে
- খ. এ, বি-এর সাথে সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি করে
- গ. এ, বি-কে বিবাহ করার চুক্তি করে
- ঘ. লেখক এ প্রকাশক বি এর সাথে একটি উপন্যাস রচনার চুক্তি করে
উত্তর: খ. এ, বি-এর সাথে সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি করে
ব্যক্তিগত সেবা, বিবাহ বা উপন্যাস লেখার মতো ব্যক্তিগত দক্ষতানির্ভর চুক্তি জোর করে বাস্তবায়ন করা যায় না (ধারা ২১), কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়। - ৪. পেনাল কোডে বর্ণিত দ্বীপান্তর এর শাস্তি স্থলাভিষিক্ত করা হয় যে প্রকারের কারাদণ্ড দিয়ে তা হলো-
- ক. ১৪ বছর
- খ. ২০ বছর
- গ. ৩০ বছর
- ঘ. যাবজ্জীবন
উত্তর: ঘ. যাবজ্জীবন
দণ্ডবিধির ৫৩ক ধারা অনুযায়ী আইনে যেখানে দ্বীপান্তর (Transportation) লেখা আছে, সেখানে তা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হিসেবে পড়তে হবে। - ৫. পেনাল কোডের যে ধারায় ‘ডাকাতি’ সংজ্ঞায়িত হয়েছে তা হলো-
- ক. ৩৯০
- খ. ৩৯১
- গ. ৩৯২
- ঘ. ৩৭৮
উত্তর: খ. ৩৯১
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারায় ডাকাতির সংজ্ঞা; ৩৯০ ধারায় দস্যুতা এবং ৩৭৮ ধারায় চুরির সংজ্ঞা আছে। - ৬. প্রতারণার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
- ক. অর্থদণ্ডসহ ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
- খ. অর্থদণ্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
- গ. অর্থদণ্ডসহ ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
- ঘ. অর্থদণ্ডসহ ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর: ক. অর্থদণ্ডসহ ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
দণ্ডবিধির ৪১৭ ধারায় সাধারণ প্রতারণার শাস্তি যে কোনো প্রকারের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়; তাই সর্বোচ্চ হলো অর্থদণ্ডসহ ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। - ৭. শাস্তির মেয়াদের ভগ্নাংশ নিরূপণের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে যে মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে গণনা করা হয় তা হলো-
- ক. ১৪ বছর
- খ. ২০ বছর
- গ. ২৫ বছর
- ঘ. ৩০ বছর
উত্তর: ঘ. ৩০ বছর
দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাবের সময় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের কারাদণ্ডের সমান ধরা হয়। - ৮. পেনাল কোডের কোন ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে?
- ক. ৫০৬ ধারা
- খ. ৫০৭ ধারা
- গ. ৫০৮ ধারা
- ঘ. ৫০৯ ধারা
উত্তর: ঘ. ৫০৯ ধারা
কোনো নারীর শালীনতার অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কাজ (ইভটিজিং) দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য। - ৯. ব্যভিচারের জন্য কাকে অভিযুক্ত করা যায়?
- ক. পুরুষ আসামি
- খ. মহিলা আসামি
- গ. স্বামী
- ঘ. তাদের সকলকে
উত্তর: ক. পুরুষ আসামি
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় ব্যভিচারের জন্য শুধু পুরুষকে শাস্তি দেওয়া যায়; স্ত্রীলোক সহায়তাকারী হিসেবেও দণ্ডিত হয় না। - ১০. যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ‘X’ একজন বাংলাদেশী নাগরিক, সে উগান্ডার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো আদালত ‘X’ এর বিচার করতে পারে, যদি তাকে পাওয়া যায়-
- ক. বাংলাদেশে
- খ. উগান্ডায়
- গ. যুক্তরাজ্যে
- ঘ. যেকোনো দেশে
উত্তর: ক. বাংলাদেশে
দণ্ডবিধির ৪ ধারা ও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা অনুযায়ী বিদেশে অপরাধ করা বাংলাদেশি নাগরিককে বাংলাদেশের যে জায়গায় পাওয়া যায়, সেখানকার আদালত বিচার করতে পারে। - ১১. বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটালে যে অপরাধ হয় তা-
- ক. জামিনযোগ্য
- খ. অ-জামিনযোগ্য
- গ. তফসিলভুক্ত
- ঘ. তফসিল বহির্ভূত
উত্তর: ক. জামিনযোগ্য
বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কাজে মৃত্যু ঘটানো দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার অপরাধ, যা ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিল অনুযায়ী জামিনযোগ্য। - ১২. আত্মহত্যা প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
- ক. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
- খ. অর্থদণ্ডসহ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
- গ. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
- ঘ. অর্থদণ্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর: ঘ. অর্থদণ্ডসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় আত্মহত্যার চেষ্টার শাস্তি ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়। - ১৩. অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যেকোনো সময় আদায় করা যায়-
- ক. ৬ বছর
- খ. ৩ বছর
- গ. ২ বছর
- ঘ. ১ বছর
উত্তর: ক. ৬ বছর
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী দণ্ডাদেশের পর ৬ বছরের মধ্যে যে কোনো সময় অর্থদণ্ড আদায় করা যায় (কারাদণ্ড দীর্ঘ হলে সেই মেয়াদ পর্যন্ত)। - ১৪. A অজ্ঞাত মালিকের একটি সোনার আংটি পায়। মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A তা বিক্রি করে। A যে অপরাধে দোষী হবে তা
- ক. চুরি
- খ. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
- গ. দস্যুতা
- ঘ. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
উত্তর: ঘ. অসাধুভাবে আত্মসাৎ
দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী কুড়িয়ে পাওয়া জিনিসের মালিক খোঁজার যুক্তিসংগত চেষ্টা না করে নিজের কাজে লাগালে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ। - ১৫. পেনাল কোডে কত প্রকারের শাস্তি আছে?
- ক. চার
- খ. পাঁচ
- গ. ছয়
- ঘ. সাত
উত্তর: খ. পাঁচ
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় বর্তমানে পাঁচ প্রকার শাস্তি: মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, কারাদণ্ড (সশ্রম ও বিনাশ্রম), সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি ও অর্থদণ্ড। - ১৬. নিম্নবর্ণিত কোন বক্তব্যটি সঠিক?
- ক. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম হতে পারে
- খ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সশ্রম হতে পারে
- গ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদাই সশ্রম
- ঘ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদাই বিনাশ্রম
উত্তর: গ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদাই সশ্রম
প্রচলিত বিচারিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সব সময় সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে গণ্য হয়। - ১৭. আদালত অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড দিলে, তা ১/৪ অংশের বেশি হবে না-
- ক. অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
- খ. অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তির
- গ. আদালত প্রদত্ত শাস্তির
- ঘ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদাই বিনাশ্রম
উত্তর: ক. অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির
দণ্ডবিধির ৬৫ ধারা অনুযায়ী অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড অপরাধটির জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না। - ১৮. Z এর সম্মতি ছাড়া তার দখল থেকে অসাধুভাবে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে Z এর জমিতে A একটি গাছ কাটে। এক্ষেত্রে A সংঘটন করে-
- ক. চুরি
- খ. দস্যুতা
- গ. দস্যুতার প্রচেষ্টা
- ঘ. চুরির প্রচেষ্টা
উত্তর: ক. চুরি
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার উদাহরণ (ক) অনুযায়ী গাছ কেটে আলাদা করলেই তা অস্থাবর হয়ে যায়; নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কাটার মুহূর্তেই চুরি সম্পন্ন হয়। - ১৯. যে অপরাধের একমাত্র শাস্তি জরিমানা, সেক্ষেত্রে জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ড হবে-
- ক. বিনাশ্রম
- খ. সশ্রম
- গ. নির্জন
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: ক. বিনাশ্রম
দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী শুধু অর্থদণ্ডযোগ্য অপরাধে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম। - ২০. A, Z কে হুমকি দেয় যে, তাকে টাকা না দিলে Z সম্পর্কে সে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করবে। A যে অপরাধ করেছে তা -
- ক. মানহানি
- খ. অনিষ্টসাধন
- গ. বলপূর্বক আদায়
- ঘ. বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর: গ. বলপূর্বক আদায়
ভয় দেখিয়ে অসাধুভাবে কারও কাছ থেকে টাকা বা সম্পত্তি আদায় করা দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারায় বলপূর্বক আদায় (Extortion); মানহানির ভয় দেখানোও এর মধ্যে পড়ে। - ২১. অন্যের দখলীয় সম্পত্তিতে কোনো অপরাধ সংঘটনের জন্য যে কেউ প্রবেশ করে যে অপরাধটি করে তা হলো-
- ক. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
- খ. গণ উৎপাত
- গ. অনিষ্টসাধন
- ঘ. অনধিকার প্রবেশ
উত্তর: ক. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী অপরাধ করার উদ্দেশ্যে অন্যের দখলীয় সম্পত্তিতে প্রবেশ করা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (Criminal trespass)। - ২২. প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালতের বিচারক হন
- ক. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- খ. জেলা জজ
- গ. দায়রা জজ
- ঘ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর: গ. দায়রা জজ
প্রতিটি দায়রা বিভাগে (জেলায়) সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালত হলো দায়রা আদালত, যার বিচারক দায়রা জজ (ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৯)। - ২৩. সংক্ষিপ্ত বিচারে অনধিক ২০০/- টাকা অর্থদণ্ড হলে, ঐ আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
- ক. রিভিশন
- খ. আপিল
- গ. রেফারেন্স
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: ক. রিভিশন
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৪ ধারা অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারে ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হলে আপিল চলে না; তাই প্রতিকার রিভিশন। - ২৪. ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯গ ধারা বলে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাজা দিতে পারে অনধিক -
- ক. ৫ বছর
- খ. ৭ বছর
- গ. ৯ বছর
- ঘ. ১০ বছর
উত্তর: খ. ৭ বছর
২৯গ ধারায় বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ডযোগ্য নয় এমন অপরাধের বিচার করে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন (ধারা ৩৩ক)। - ২৫. মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাসের আদেশ প্রদানের সময় নালিশকারীর বিরুদ্ধে এরূপ ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন, যা হবে অনধিক -
- ক. ১,০০০ টাকা
- খ. ২,০০০ টাকা
- গ. ৫,০০০ টাকা
- ঘ. ১০,০০০ টাকা
উত্তর: ক. ১,০০০ টাকা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগের জন্য নালিশকারীকে ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দেওয়া যায়; প্রশ্নের সময় এর সর্বোচ্চ সীমা ১,০০০ টাকা ধরা হয়েছিল (পরে সংশোধনে অঙ্ক বদলাতে পারে)। - ২৬. বিচারিক আদালত একজন দণ্ডিতকে জামিন দিতে পারে যদি তার কারাদণ্ডের মেয়াদ হয় অনধিক-
- ক. ৩ বছর
- খ. ২ বছর
- গ. ১ বছর
- ঘ. ৬ মাস
উত্তর: গ. ১ বছর
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬(২ক) ধারা অনুযায়ী আপিল করার ইচ্ছা জানালে দণ্ড প্রদানকারী আদালত নিজেই ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডপ্রাপ্তকে জামিন দিতে পারে। - ২৭. অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আনীত আপিল চলাকালে আসামি মারা গেলে আপিলটি-
- ক. এবেট হবে
- খ. এবেট হবে না
- গ. খারিজ হবে
- ঘ. খারিজ হবে না
উত্তর: খ. এবেট হবে না
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩১ ধারা অনুযায়ী আসামির মৃত্যুতে আপিল বিলুপ্ত হয়, কিন্তু অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল বিলুপ্ত হয় না, কারণ অর্থদণ্ড তার সম্পত্তি থেকে আদায়যোগ্য। - ২৮. কোন ফৌজদারি আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে?
- ক. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- খ. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
- গ. অতিরিক্ত দায়রা জজ
- ঘ. জেলা জজ
উত্তর: গ. অতিরিক্ত দায়রা জজ
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ও ৪৩৯ক ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ এবং তাঁর পাঠানো মামলায় অতিরিক্ত দায়রা জজ রিভিশন শুনতে পারেন। - ২৯. দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি অগ্রবর্তী করতে হবে-
- ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
- খ. জেলা জজ বরাবর
- গ. জেলা সুপার বরাবর
- ঘ. পুলিশ সুপার বরাবর
উত্তর: ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৩ ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত রায় ও দণ্ডাদেশের কপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠায়। - ৩০. নালিশি দরখাস্ত গ্রহণকালে নালিশকারীকে পরীক্ষা করা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য
- ক. বাধ্যতামূলক
- খ. স্বেচ্ছাধীন
- গ. নির্দেশমূলক
- ঘ. বৈষম্যমূলক
উত্তর: ক. বাধ্যতামূলক
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশ আমলে নেওয়ার সময় ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে শপথ নিয়ে পরীক্ষা করবেন; এটি বাধ্যতামূলক (আদালত বা সরকারি কর্মচারীর নালিশ ছাড়া)। - ৩১. কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রদত্ত লিখিত এজাহার স্বাক্ষর করবে
- ক. ম্যাজিস্ট্রেট
- খ. অভিযুক্ত আসামি
- গ. সংবাদ দাতা
- ঘ. নালিশকারী
উত্তর: গ. সংবাদ দাতা
১৫৪ ধারা অনুযায়ী থানায় দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের তথ্য লিখে পড়ে শোনানো হয় এবং তথ্যদাতা (সংবাদদাতা) তাতে স্বাক্ষর করেন। - ৩২. বিচার চলাকালে ১ বছর হাজতে থাকা একজন আসামির ৫ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ হয়। দণ্ডিত আসামিকে কত দিন কারাগারে সাজা ভোগ করতে হবে?
- ক. ৬ বছর
- খ. ৫ বছর
- গ. ৪ বছর
- ঘ. ৩ বছর
উত্তর: গ. ৪ বছর
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা অনুযায়ী বিচারকালীন হাজতবাসের সময় সাজা থেকে বাদ যায়; তাই ৫ – ১ = ৪ বছর সাজা ভোগ করতে হবে। - ৩৩. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হয়-
- ক. চিফ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
- খ. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
- গ. দায়রা জজ আদালতে
- ঘ. জেলা জজ আদালতে
উত্তর: খ. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭ ধারা অনুযায়ী দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যায়। - ৩৪. প্রতিটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে
- ক. জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- খ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
- গ. ডেপুটি কমিশনার
- ঘ. মুখ্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর: খ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ ধারা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় সরকার একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে; তিনিই জেলার সর্বোচ্চ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। - ৩৫. কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর কোনো আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করতে পারে-
- ক. আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মতিতে
- খ. সরকারের সম্মতিতে
- গ. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মতিতে
- ঘ. আদালতের সম্মতিতে
উত্তর: ঘ. আদালতের সম্মতিতে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর রায়ের আগে আদালতের সম্মতি নিয়ে কোনো আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে পারেন। - ৩৬. পেনাল কোডের ৩২৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ আপোষ করতে পারে-
- ক. পাবলিক প্রসিকিউটর
- খ. আসামি
- গ. ম্যাজিস্ট্রেট
- ঘ. ভিকটিম
উত্তর: ঘ. ভিকটিম
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারার তালিকা অনুযায়ী ৩২৪ ধারার অপরাধ (মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে স্বেচ্ছায় আঘাত) আপোষ করতে পারেন যিনি আঘাত পেয়েছেন, অর্থাৎ ভিকটিম। - ৩৭. চুরি করতে গিয়ে আসামি যদি স্বেচ্ছাক্রমে আঘাত দেয়, তার অপরাধটি-
- ক. বলপূর্বক আদায়
- খ. দস্যুতা
- গ. ডাকাতি
- ঘ. চুরি
উত্তর: খ. দস্যুতা
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার সময় বা চুরির মাল নিয়ে যেতে স্বেচ্ছায় আঘাত বা মৃত্যুর ভয় দেখালে চুরি দস্যুতায় পরিণত হয়। - ৩৮. অপরাধীর সংখ্যা ছাড়া নিম্নবর্ণিত কোন দুটি অপরাধের উপাদানসমূহ অভিন্ন?
- ক. চুরি ও বলপূর্বক আদায়
- খ. বলপূর্বক আদায় ও ডাকাতি
- গ. বলপূর্বক আদায় ও দস্যুতা
- ঘ. ডাকাতি ও দস্যুতা
উত্তর: ঘ. ডাকাতি ও দস্যুতা
দস্যুতা ও ডাকাতির উপাদান একই; পার্থক্য শুধু সংখ্যায়: পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে দস্যুতা করলে তা ডাকাতি (দণ্ডবিধি, ধারা ৩৯১)। - ৩৯. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব নিযুক্ত হয়
- ক. প্রেসিডেন্ট কর্তৃক
- খ. চেয়ারম্যান কর্তৃক
- গ. সরকার কর্তৃক
- ঘ. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক
উত্তর: গ. সরকার কর্তৃক
প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী বার কাউন্সিলের সচিব সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হন; তবে বার কাউন্সিল অর্ডারে কাউন্সিল নিজেই সচিব ও কর্মচারী নিয়োগ করে বলেও ব্যাখ্যা আছে, তাই প্রশ্নটি নিয়ে মতভেদ আছে। - ৪০. সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হবার জন্য অযোগ্য হবে, যদি না সে অতিবাহিত করে
- ক. ১ বছর
- খ. ২ বছর
- গ. ৩ বছর
- ঘ. ৪ বছর
উত্তর: খ. ২ বছর
বার কাউন্সিল অর্ডারের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত কারণে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত ব্যক্তি বরখাস্তের পর ২ বছর না কাটলে তালিকাভুক্ত হতে পারেন না। - ৪১. বার কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণের বছরে বার কাউন্সিল নির্বাচন যে তারিখে বা তারিখের পূর্বে সম্পন্ন করতে হবে তা হলো-
- ক. ৩১ জানুয়ারি
- খ. ১ ডিসেম্বর
- গ. ৩১ মে
- ঘ. ৩১ জুলাই
উত্তর: গ. ৩১ মে
বার কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার বছরে ৩১ মে বা তার আগে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। - ৪২. বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত অ্যাডভোকেট হবার সকল আবেদনপত্র এর যে কমিটিতে উপস্থাপন করতে হয় তা হলো-
- ক. Executive Committee
- খ. Admission Committee
- গ. Enforcement Committee
- ঘ. Enrolment Committee
উত্তর: ঘ. Enrolment Committee
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির সব আবেদন বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট কমিটিতে পাঠায়, যা আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করে। - ৪৩. কোনো অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকবে না উপর্যুপরি
- ক. ২ বারের বেশি
- খ. ৩ বারের বেশি
- গ. ৪ বারের বেশি
- ঘ. ৫ বারের বেশি
উত্তর: ক. ২ বারের বেশি
প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী বিধিতে একজন অ্যাডভোকেটকে উপর্যুপরি দুই মেয়াদের বেশি বার কাউন্সিলের সদস্য থাকার সুযোগ দেওয়া হয়নি। - ৪৪. একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কারাদণ্ড দিতে পারে অনধিক-
- ক. ৩ বছর
- খ. ৫ বছর
- গ. ৭ বছর
- ঘ. ১০ বছর
উত্তর: খ. ৫ বছর
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড দিতে পারেন। - ৪৫. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারানুসারে একজন আসামির দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষমতা কার?
- ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের
- খ. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
- গ. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
- ঘ. মেট্রোপলিটন জজ
উত্তর: গ. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২০০৭ সালের সংশোধনীর পর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। - ৪৬. তদন্তকালে ম্যাজিস্ট্রেট কোনো আসামিকে পুলিশ হেফাজতে রাখার জন্য তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারেন অনধিক-
- ক. ০৭ দিন
- খ. ১৫ দিন
- গ. ২১ দিন
- ঘ. ৩০ দিন
উত্তর: খ. ১৫ দিন
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৫ দিন আসামিকে পুলিশ হেফাজতে রাখার অনুমতি দিতে পারেন। - ৪৭. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোনো অপরাধের তদন্ত যদি ১২০ দিনের মধ্যে সমাপ্ত না হয়, তবে আসামি
- ক. অব্যাহতি পেতে পারে
- খ. শাস্তি ভোগ করতে পারে
- গ. দণ্ডিত হতে পারে
- ঘ. জামিনে মুক্ত হতে পারে
উত্তর: ঘ. জামিনে মুক্ত হতে পারে
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবনযোগ্য অপরাধের তদন্ত ১২০ দিনে শেষ না হলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যায়। - ৪৮. যুগ্ম দায়রা জজ প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হয়-
- ক. হাইকোর্ট বিভাগে
- খ. স্পেশাল জজের নিকট
- গ. জেলা জজের নিকট
- ঘ. দায়রা জজের নিকট
উত্তর: ক. হাইকোর্ট বিভাগে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতের (যুগ্ম দায়রা জজসহ) খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে করতে হয়। - ৪৯. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেয়া যেতে পারে
- ক. অ্যাডভোকেট কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে
- খ. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
- গ. অগ্রক্রয় আদেশের মাধ্যমে
- ঘ. বাটোয়ারা ডিক্রি প্রদানের মাধ্যমে
উত্তর: খ. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়ার একটি উপায় হলো রিসিভার নিয়োগ; অন্যগুলো হলো দখল দেওয়া, কাজ করানো বা বিরত রাখা, ঘোষণা দেওয়া। - ৫০. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় না
- ক. কোনো পক্ষকে কোনো বে-আইনি কাজ করা থেকে বারিত করার জন্য
- খ. আংশিক চুক্তি পালনের জন্য
- গ. শুধুমাত্র দণ্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
- ঘ. সম্পত্তির দখল উদ্ধারের জন্য
উত্তর: গ. শুধুমাত্র দণ্ড সংক্রান্ত আইন বলবৎ করার জন্য
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী শুধু কোনো দণ্ডমূলক আইন বলবৎ করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যায় না। - ৫১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীনে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না-
- ক. সরকারের বিরুদ্ধে
- খ. বিবাদীর বিরুদ্ধে
- গ. ব্যক্তি সংস্থার বিরুদ্ধে
- ঘ. বে-সরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে
উত্তর: ক. সরকারের বিরুদ্ধে
৯ ধারার শেষ অংশে স্পষ্ট বলা আছে, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না। - ৫২. কোনো স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না, যদি না চুক্তিটি হয়
- ক. লিখিত
- খ. প্রত্যায়িত ও সত্যায়িত
- গ. সত্যায়িত
- ঘ. লিখিত ও নিবন্ধিত
উত্তর: ঘ. লিখিত ও নিবন্ধিত
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা (২০০৪ সালের সংশোধনী) অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে তা সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না। - ৫৩. একটি দলিল সংশোধিত হতে পারে শুধুমাত্র
- ক. পক্ষগণ দ্বারা
- খ. সম্পাদনকারীগণ দ্বারা
- গ. সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা
- ঘ. আদালত দ্বারা
উত্তর: ঘ. আদালত দ্বারা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের কারণে দলিলে প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রতিফলিত না হলে আদালত মামলার মাধ্যমে তা সংশোধন করে। - ৫৪. আদালতের ডিক্রির কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করতে হয় একটি
- ক. লিখিত দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে
- খ. লিখিত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে
- গ. চুক্তি রদের ক্ষেত্রে
- ঘ. সম্পত্তি স্বত্ব ঘোষণার ক্ষেত্রে
উত্তর: খ. লিখিত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী রেজিস্ট্রিকৃত দলিল বাতিলের ডিক্রি হলে আদালত তার কপি সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠায়, যাতে বইয়ে বাতিলের কথা লেখা হয়। - ৫৫. বাতিলযোগ্য দলিল বাতিলের ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা
- ক. নির্দেশমূলক
- খ. অবশ্য করণীয়
- গ. স্বেচ্ছাধীন
- ঘ. বাধ্যতামূলক
উত্তর: গ. স্বেচ্ছাধীন
৩৯ ধারায় বলা আছে আদালত "তার বিবেচনায়" (in its discretion) দলিল বাতিলের ডিক্রি দিতে পারে; অর্থাৎ ক্ষমতাটি স্বেচ্ছাধীন। - ৫৬. সাধারণত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের ধরন হয়
- ক. হ্যাঁ বোধক
- খ. প্রশ্ন বোধক
- গ. প্রশ্ন ও উত্তর
- ঘ. বর্ণনামূলক
উত্তর: ঘ. বর্ণনামূলক
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৫ অনুযায়ী সাধারণত সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রশ্নোত্তর আকারে নয়, বর্ণনামূলক আকারে লিপিবদ্ধ করা হয়। - ৫৭. একজন সাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা লিপিবদ্ধ করাবে-
- ক. পুলিশ কর্মকর্তা
- খ. বিচারক
- গ. তদন্তকারী কর্মকর্তা
- ঘ. আইনজীবী
উত্তর: খ. বিচারক
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ১২ ও ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহণকালে সাক্ষীর আচরণ নিয়ে প্রয়োজনীয় মন্তব্য বিচারক লিপিবদ্ধ করেন। - ৫৮. সাক্ষ্য আইনে একজন সাক্ষীকে পুনঃজেরা করা যায়
- ক. ১৩৫ ধারায়
- খ. ১৩৬ ধারায়
- গ. ১৩৭ ধারায়
- ঘ. ১৩৮ ধারায়
উত্তর: ঘ. ১৩৮ ধারায়
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় জবানবন্দি, জেরা ও পুনঃজবানবন্দির ক্রম বলা আছে; পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় এলে প্রতিপক্ষ সে বিষয়ে আবার জেরা করতে পারে। - ৫৯. একজন সাক্ষীকে আইনগতভাবে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যেতে পারে-
- ক. জবানবন্দির সময়
- খ. জেরার সময়
- গ. পুনঃজবানবন্দির সময়
- ঘ. প্রাথমিক সাক্ষ্য দানের সময়
উত্তর: খ. জেরার সময়
সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারা অনুযায়ী জেরার সময় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়; জবানবন্দি ও পুনঃজবানবন্দিতে আপত্তি উঠলে তা করা যায় না (ধারা ১৪২)। - ৬০. ৩০ বছরের পুরাতন দলিলের সম্পাদন সঠিক ধরে নেওয়া যেতে পারে যদি তা উপস্থিত হয়
- ক. একজন আইনজীবীর নিকট হতে
- খ. যে কোনো হেফাজত হতে
- গ. উপযুক্ত হেফাজত হতে
- ঘ. একজন বিচারকের নিকট হতে
উত্তর: গ. উপযুক্ত হেফাজত হতে
সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরোনো দলিল যথাযথ হেফাজত থেকে উপস্থাপিত হলে আদালত তার সম্পাদন ও সই সঠিক বলে অনুমান করতে পারে। - ৬১. সকল দেওয়ানি কার্যক্রমে কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে
- ক. যোগ্য সাক্ষী
- খ. অযোগ্য সাক্ষী
- গ. সংশ্লিষ্ট সাক্ষী
- ঘ. নিশ্চিত সাক্ষী
উত্তর: ক. যোগ্য সাক্ষী
সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি মামলায় পক্ষ এবং তার স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী। - ৬২. একজন ব্যক্তি জীবিত মর্মে যে দাবি করে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে, যদি ঐ ব্যক্তির কোনো সংবাদ পাওয়া না যায়
- ক. ০৭ বছর যাবৎ
- খ. ১০ বছর যাবৎ
- গ. ১৫ বছর যাবৎ
- ঘ. ৩০ বছর যাবৎ
উত্তর: ক. ০৭ বছর যাবৎ
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির ৭ বছর কোনো খোঁজ না পাওয়া গেলে তিনি জীবিত, এই দাবি যে করে প্রমাণের দায় তার। - ৬৩. নিচের কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট?
- ক. বিক্রয় চুক্তি
- খ. বিক্রয় দলিল
- গ. দানপত্র
- ঘ. ডিক্রি
উত্তর: ঘ. ডিক্রি
সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা অনুযায়ী আদালতের ডিক্রি বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাজের নথি, তাই পাবলিক দলিল; বিক্রয় চুক্তি, বিক্রয় দলিল ও দানপত্র ব্যক্তিগত দলিল। - ৬৪. নিচের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
- ক. মূল বিক্রয় দলিল
- খ. মূল বন্ধকী দলিল
- গ. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
- ঘ. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
উত্তর: গ. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
সাক্ষ্য আইনের ৬৩(২) ধারা অনুযায়ী যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরি কপি, যেমন ফটোগ্রাফ, মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য। - ৬৫. সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাবলে একজন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
- ক. ১৫৪ ধারা
- খ. ১৫৫ ধারা
- গ. ১৫৬ ধারা
- ঘ. ১৬০ ধারা
উত্তর: ক. ১৫৪ ধারা
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরার মতো প্রশ্ন করতে পারে; এটিকেই বৈরী (Hostile) ঘোষণা বলা হয়। - ৬৬. একজন দুষ্কর্মের সহযোগী যোগ্য সাক্ষী হবে-
- ক. খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
- খ. পরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে
- গ. নিষ্ঠ ব্যক্তির বিরুদ্ধে
- ঘ. সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
উত্তর: ঘ. সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা অনুযায়ী দুষ্কর্মের সহযোগী (Accomplice) অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী। - ৬৭. বি এর হত্যার জন্য এ অভিযুক্ত। বিচারকালে নিচের কোন ঘটনাটি বিচার্য বিষয় হবে না?
- ক. এ, বি এর মৃত্যু ঘটিয়েছিল
- খ. এ, বি এর মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় করেছিল
- গ. এ, বি এর নিকট থেকে আকস্মিক প্ররোচনা পেয়েছিল
- ঘ. এ-এর বড় ভাই স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিল
উত্তর: ঘ. এ-এর বড় ভাই স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিল
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারার উদাহরণ অনুযায়ী মৃত্যু ঘটানো, অভিপ্রায় ও আকস্মিক প্ররোচনা হত্যা মামলার বিচার্য বিষয়; আসামির ভাইয়ের তালাক মামলার সঙ্গে সম্পর্কহীন। - ৬৮. সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন শিশু সাক্ষীর যোগ্যতা নির্ভর করে তার-
- ক. বোধশক্তির উপর
- খ. লিঙ্গের উপর
- গ. ধর্মের উপর
- ঘ. জাতীয়তার উপর
উত্তর: ক. বোধশক্তির উপর
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী বয়স নয়, প্রশ্ন বুঝে যুক্তিসংগত উত্তর দেওয়ার বোধশক্তি থাকলেই শিশু যোগ্য সাক্ষী। - ৬৯. একটি দেওয়ানি মামলায় কোনো ঘটনা প্রমাণের জন্য সর্বনিম্ন যে কয়জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয় তা-
- ক. ১ জন
- খ. ৩ জন
- গ. ৪ জন
- ঘ. নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
উত্তর: ঘ. নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোনো ঘটনা প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নেই; সাক্ষ্যের মান বিবেচ্য, সংখ্যা নয়। - ৭০. ‘এ’ বলে যে ‘বি’ একটি অপরাধ করেছে। এখন ‘এ’ বলে আদালতের রায়ে ‘বি’ এর সাজা হোক। কোন বক্তব্যটি সঠিক?
- ক. ‘বি’ কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, সে অপরাধটি করেনি
- খ. আদালতকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে ‘বি’ অপরাধটি করেছে
- গ. ‘এ’ কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
- ঘ. ‘এ’ কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেনি
উত্তর: গ. ‘এ’ কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, ‘বি’ অপরাধটি করেছে
সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারার উদাহরণ অনুযায়ী যে ব্যক্তি কোনো ঘটনার ভিত্তিতে রায় চায়, তাকেই ঘটনাটি প্রমাণ করতে হয়; তাই ‘এ’-কে প্রমাণ করতে হবে যে ‘বি’ অপরাধটি করেছে। - ৭১. দেওয়ানি আপিলের মেমোতে কোনো একটি হেতু উল্লেখ না করলে, শুনানিকালে তাহা উত্থাপন করা যাবে শুধুমাত্র-
- ক. বিচারিক আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
- খ. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
- গ. হাইকোর্টের আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
- ঘ. সরকারি কৌঁসুলির অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর: খ. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ২ অনুযায়ী আপিলকারী মেমোতে উল্লেখ নেই এমন আপত্তির কারণ আপিল আদালতের অনুমতি নিয়েই কেবল শুনানিতে তুলতে পারেন। - ৭২. একজন সহকারী জজের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে
- ক. জেলা জজ আদালতে
- খ. আপিল বিভাগে
- গ. দায়রা জজ আদালতে
- ঘ. হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর: ক. জেলা জজ আদালতে
২০০৩ সালের সংশোধনীর পর দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(২) ধারা অনুযায়ী জেলা জজের অধস্তন আদালতের (যেমন সহকারী জজ) আপিল-অযোগ্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন যায় জেলা জজের কাছে; হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন চলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। উত্তরপত্রে হাইকোর্ট বিভাগ দেওয়া হলেও বর্তমান বিধানে জেলা জজ আদালতই সঠিক। - ৭৩. আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়
- ক. আপিলে
- খ. রিভিউ-এ
- গ. রিভিশনে
- ঘ. রেফারেন্সে
উত্তর: গ. রিভিশনে
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬(৩) ধারায় সম্মতিভিত্তিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল নিষিদ্ধ; প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী প্রতিকার রিভিশন। তবে প্রতারণার অভিযোগে একই আদালতে আবেদন বা রিভিউয়ের পথও আছে বলে মত রয়েছে। - ৭৪. রিভিউ এ সিদ্ধান্ত দেবার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে সেই আদালত যে
- ক. ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনে
- খ. ঐ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন শুনে
- গ. রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
- ঘ. রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন রেফার করে
উত্তর: গ. রিভিউ এর জন্য বিবেচনাধীন ডিক্রিটি প্রদান করে
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭ বিধি ১ অনুযায়ী রিভিউর আবেদন করতে হয় যে আদালত ডিক্রি বা আদেশটি দিয়েছে সেখানেই। - ৭৫. সরকারের বিপক্ষে বিরুদ্ধ দখলজনিত স্বত্বের দাবি প্রতিষ্ঠায় বাদীকে প্রমাণ করতে হবে তার নিরবচ্ছিন্ন দখল-
- ক. ১২ বছরের
- খ. ২০ বছরের
- গ. ৩০ বছরের
- ঘ. ৬০ বছরের
উত্তর: ঘ. ৬০ বছরের
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারের দায়ের করা মামলার মেয়াদ ৬০ বছর; তাই সরকারের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধ দখলে স্বত্ব পেতে ৬০ বছর নিরবচ্ছিন্ন দখল লাগে (সাধারণ ক্ষেত্রে ১২ বছর)। - ৭৬. কোনো মামলা দায়েরের সময়সীমা বিষয়ে তামাদি আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকলে তামাদির মেয়াদ হলো-
- ক. ৩ বছর
- খ. ৬ বছর
- গ. ৯ বছর
- ঘ. ১২ বছর
উত্তর: খ. ৬ বছর
তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্য কোথাও নির্ধারিত নেই এমন মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ বছর। - ৭৭. বিবাহ বিচ্ছেদের পর বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য একজন মুসলিম স্ত্রী কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি সময়কাল হলো-
- ক. ৬ মাস
- খ. ১ বছর
- গ. ৩ বছর
- ঘ. ৫ বছর
উত্তর: গ. ৩ বছর
তামাদি আইনের ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিলম্বিত দেনমোহর আদায়ের মামলা মৃত্যু বা বিবাহবিচ্ছেদের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। - ৭৮. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের কোনো মামলায় যেক্ষেত্রে কোনো সময়কাল নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে-
- ক. অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ হতে
- খ. আইন জানার তারিখ থেকে
- গ. চুক্তির বিষয়ে জানার তারিখ হতে
- ঘ. চুক্তি নিবন্ধনের তারিখ হতে
উত্তর: ক. অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ হতে
তামাদি আইনের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনের তারিখ নির্দিষ্ট না থাকলে বাদী যেদিন জানতে পারেন যে বিবাদী চুক্তি পালনে অস্বীকার করেছে, সেদিন থেকে ১ বছর গণনা হয়। - ৭৯. তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান নেই-
- ক. আপিলের জন্য
- খ. রিভিশনের জন্য
- গ. রিভিউ এর জন্য
- ঘ. এবেটমেন্ট রদের জন্য
উত্তর: খ. রিভিশনের জন্য
আপিল, রিভিউ ও মামলা বিলোপ রদের দরখাস্তের মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে আছে, কিন্তু দেওয়ানি রিভিশনের মেয়াদ তফসিলে নেই; তা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারাতেই নির্ধারিত। - ৮০. Z নাবালক থাকাবস্থায় তার মামলা করার অধিকার জন্মে। তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন -
- ক. Z এর সাবালকত্বের অবসান হবে
- খ. Z সাবালক থাকলে
- গ. Z এর নাবালকত্বের অবসান হবে
- ঘ. উপরের কোনটাই নয়
উত্তর: গ. Z এর নাবালকত্বের অবসান হবে
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী নাবালকত্ব শেষ হলে, অর্থাৎ সাবালক হলে, তামাদির সময় গণনা শুরু হয়। - ৮১. দেওয়ানি আদালতের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ-
- ক. ০১ বছর
- খ. ০৩ বছর
- গ. ০৬ বছর
- ঘ. ১২ বছর
উত্তর: খ. ০৩ বছর
তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ দেওয়ানি ডিক্রি জারির দরখাস্তের মেয়াদ ৩ বছর; তবে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারায় সর্বোচ্চ সীমা ১২ বছর। - ৮২. প্রাথমিক ডিক্রি প্রাপ্তির পর কোনো পক্ষ চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে-
- ক. ০৩ বছরের মধ্যে
- খ. ০৬ বছরের মধ্যে
- গ. ১২ বছরের মধ্যে
- ঘ. যে কোনো সময়
উত্তর: ঘ. যে কোনো সময়
বাটোয়ারা মামলার মতো ক্ষেত্রে প্রাথমিক ডিক্রির পর মামলা চালু থাকে বলে চূড়ান্ত ডিক্রির দরখাস্তে তামাদি প্রযোজ্য নয়; তা যে কোনো সময় করা যায়। - ৮৩. আদি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো আদেশকে সাধারণত আইনের প্রশ্নে চ্যালেঞ্জ করা যায়
- ক. রিভিশনে
- খ. আপিলে
- গ. রিভিউ-এ
- ঘ. রেফারেন্সে
উত্তর: ক. রিভিশনে
আপিল-অযোগ্য আদেশে আইনের ভুলের কারণে ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হলে দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনে তা চ্যালেঞ্জ করা যায়। - ৮৪. ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে যদি ডিক্রিটি হয়-
- ক. অগ্রক্রয়ের
- খ. অর্থের
- গ. বন্ধকের
- ঘ. বণ্টনের
উত্তর: খ. অর্থের
আদেশ ২১ বিধি ১১(১) অনুযায়ী টাকার ডিক্রি হলে রায় ঘোষণার সময়ই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনে দেনাদারকে গ্রেফতার করে জারি শুরু করা যায়। - ৮৫. জারির জন্য নতুন দরখাস্ত দাখিল করা যায় না-
- ক. ০৩ বছর পর
- খ. ০৬ বছর পর
- গ. ০৯ বছর পর
- ঘ. ১২ বছর পর
উত্তর: ঘ. ১২ বছর পর
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রির তারিখ থেকে ১২ বছর পার হলে আর জারির নতুন দরখাস্ত করা যায় না। - ৮৬. একটি আদালত খরচার উপর সুদ প্রদান করতে পারে বার্ষিক অনধিক-
- ক. ৬%
- খ. ১০%
- গ. ১২%
- ঘ. ১৩%
উত্তর: ক. ৬%
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুযায়ী আদালত মামলার খরচার ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ ৬% হারে সুদ দিতে পারে। - ৮৭. ডিক্রির অন্তর্ভুক্ত মর্মে গণ্য হবে
- ক. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
- খ. আরজি ফেরতের আদেশ
- গ. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
- ঘ. আরজি গ্রহণের আদেশ
উত্তর: গ. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারা অনুযায়ী আরজি প্রত্যাখ্যান (নাকচ) ডিক্রি হিসেবে গণ্য; আরজি ফেরত ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ মাত্র। - ৮৮. অনধিক ৫০ টাকার ডিক্রি জারিতে একজন ব্যক্তিকে আটক রাখা যাবে-
- ক. ২ সপ্তাহ
- খ. ৩ সপ্তাহ
- গ. ৫ সপ্তাহ
- ঘ. ৬ সপ্তাহ
উত্তর: ঘ. ৬ সপ্তাহ
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৮ ধারা অনুযায়ী ৫০ টাকার বেশি নয় এমন টাকার ডিক্রিতে দেওয়ানি কারাগারে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যায়। - ৮৯. প্রতিটি মামলা দাখিল করতে হবে-
- ক. সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
- খ. সর্বোচ্চ স্তরের আদালতে
- গ. সমমান স্তরের আদালতে
- ঘ. আদি স্তরের আদালতে
উত্তর: ক. সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারা অনুযায়ী প্রতিটি মামলা বিচারের যোগ্য সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে দায়ের করতে হয়। - ৯০. কোনো মামলায় আদালত চূড়ান্ত শুনানির পূর্বে যে কোনো এক পক্ষের প্রার্থনায় খরচসহ সময় প্রদান করতে পারে অনধিক
- ক. ৩ বার
- খ. ৬ বার
- গ. ৯ বার
- ঘ. ১২ বার
উত্তর: ক. ৩ বার
প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী আদেশ ১৭ বিধি ১-এর বাংলাদেশি সংশোধনীতে এক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩ বার সময় দেওয়ার সীমা আছে। - ৯১. কোন মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
- ক. বাটোয়ারার মামলায়
- খ. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
- গ. ফোরক্লোজারের মামলায়
- ঘ. অর্থ মামলায়
উত্তর: ঘ. অর্থ মামলায়
আদেশ ৩৮ বিধি ১ অনুযায়ী টাকা আদায়ের মতো মামলায় বিবাদী পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে রায়ের আগেই তাকে গ্রেফতারের পরোয়ানা দেওয়া যায়। - ৯২. আদালত প্রদত্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাদেশ অমান্যের ক্ষেত্রে অমান্যকারী পক্ষকে দেওয়ানি কয়েদে আটক রাখা যায় অনূর্ধ্ব-
- ক. ২ মাস
- খ. ৩ মাস
- গ. ৬ মাস
- ঘ. ১ বছর
উত্তর: গ. ৬ মাস
আদেশ ৩৯ বিধি ২(৩) অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যায়। - ৯৩. কোনো আদালত দৈনিক কার্য তালিকায় কয়টি মামলা চূড়ান্ত শুনানির জন্য ধার্য করতে পারে?
- ক. ০৩টি
- খ. ০৫টি
- গ. ০৭টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: খ. ০৫টি
প্রচলিত উত্তর অনুযায়ী দেওয়ানি বিধি ও আদেশে একটি আদালত এক দিনের কার্যতালিকায় চূড়ান্ত শুনানির জন্য সর্বোচ্চ ৫টি মামলা রাখতে পারে। - ৯৪. কোনো আদালত একতরফা অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবে না-
- ক. বে-সরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে
- খ. সরকারের বিরুদ্ধে
- গ. বে-সরকারি বিবাদীর বিরুদ্ধে
- ঘ. কারও বিরুদ্ধে
উত্তর: খ. সরকারের বিরুদ্ধে
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮০ ধারার বাংলাদেশি সংশোধনী অনুযায়ী সরকারকে শুনানির সুযোগ না দিয়ে তার বিরুদ্ধে একতরফা অন্তর্বর্তী আদেশ দেওয়া যায় না। - ৯৫. বাদী প্রশ্নোত্তর প্রদানের আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে তার মামলা-
- ক. ডিক্রি হবে
- খ. প্রত্যাখ্যাত হবে
- গ. খারিজ হবে
- ঘ. ফেরত দেয়া হবে
উত্তর: গ. খারিজ হবে
আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী বাদী প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিল উদ্ঘাটনের আদেশ না মানলে তার মামলা খারিজ হয়। - ৯৬. নাবালকের পক্ষে কোনো মামলা আসন্ন বন্ধু ছাড়া দায়ের করা হলে বিবাদী দরখাস্ত করতে পারে আরজিটি খরচসহ
- ক. খারিজের জন্য
- খ. নথি থেকে অপসারণের জন্য
- গ. ফেরৎ প্রদানের জন্য
- ঘ. প্রত্যাখ্যানের জন্য
উত্তর: খ. নথি থেকে অপসারণের জন্য
আদেশ ৩২ বিধি ২ অনুযায়ী আসন্ন বন্ধু (Next friend) ছাড়া নাবালকের পক্ষে মামলা হলে বিবাদীর আবেদনে আরজি খরচসহ নথি থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। - ৯৭. কোনো মামলার এবেটমেন্টের আদেশ রদের জন্য মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি সরাসরি দরখাস্ত করতে পারে-
- ক. ১৫ দিনের মধ্যে
- খ. ৩০ দিনের মধ্যে
- গ. ৬০ দিনের মধ্যে
- ঘ. ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর: গ. ৬০ দিনের মধ্যে
তামাদি আইনের ১৭১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মামলা বিলোপের আদেশ রদের দরখাস্ত বিলোপের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে করতে হয়। - ৯৮. কোনো মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোনো একজনকে আদালত মামলাটির দাবি প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে?
- ক. অন্য বিবাদীদের সম্মতিতে
- খ. অন্য বাদীদের সম্মতিতে
- গ. সরকারি কৌঁসুলির সম্মতিতে
- ঘ. আইনজীবীর সম্মতিতে
উত্তর: খ. অন্য বাদীদের সম্মতিতে
আদেশ ২৩ বিধি ১(৪) অনুযায়ী একাধিক বাদীর মধ্যে একজন অন্য বাদীদের সম্মতি ছাড়া মামলা বা দাবির অংশ প্রত্যাহার করতে পারে না। - ৯৯. একজন বে-সরকারি ব্যক্তি কর্তৃক বর্তস্বত্ব (easement) অধিকার অর্জনের ন্যূনতম সময়কাল হলো-
- ক. ১২ বছর
- খ. ২০ বছর
- গ. ৩০ বছর
- ঘ. ৬০ বছর
উত্তর: খ. ২০ বছর
সুখাধিকার আইন, ১৮৮২-এর ১৫ ধারা ও তামাদি আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী ২০ বছর শান্তিপূর্ণ ও প্রকাশ্যে নিরবচ্ছিন্ন ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জিত হয় (সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে ৩০ বছর)।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি (MCQ) পরীক্ষা: সব বছর
আরও বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন