বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি (MCQ) পরীক্ষা ২০১৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০১৩। ১০০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন দায়েরযোগ্য মামলার তামাদির মেয়াদ হবে বেদখলের তারিখ হতে-
- ক. ৬ বছর
- খ. ৬ মাস
- গ. ৬ সপ্তাহ
- ঘ. ৬ দিন
উত্তর: খ. ৬ মাস
৯ ধারার মামলা বেদখলের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে করতে হয়; এই সময় পার হলে স্বত্ব প্রমাণ করে সাধারণ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে হয়। - ২. লিমিটেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮ এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না-
- ক. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
- খ. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৪ ধারার ক্ষেত্রে
- গ. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১০৭ ধারার ক্ষেত্রে
- ঘ. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৫(২) ধারার ক্ষেত্রে
উত্তর: ক. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
তামাদি আইনের ২৯ ধারায় বলা আছে, এই আইনের কিছুই চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না; ফলে তামাদি-বারিত ঋণ পরিশোধের লিখিত প্রতিশ্রুতি বৈধ থাকে। - ৩. কোনো ব্যক্তি সূর্যাস্তের পরে ও সূর্যোদয়ের পূর্বে সিঁধ কেটে বা দরজা-জানালা ভেঙে গৃহে প্রবেশ করলে সে ব্যক্তির অপরাধ হবে-
- ক. গৃহে অনধিকার প্রবেশ
- খ. রাত্রিকালে গৃহে সিঁধ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙে অনধিকার প্রবেশ
- গ. সংগোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ
- ঘ. সিঁধ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙে গৃহে প্রবেশ
উত্তর: খ. রাত্রিকালে গৃহে সিঁধ কেটে বা দরজা জানালা ভেঙে অনধিকার প্রবেশ
সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত গৃহভঙ্গ করে প্রবেশ করলে তা দণ্ডবিধির ৪৪৬ ধারায় রাত্রিকালে গৃহভঙ্গ (House-breaking by night) এবং ৪৫৭ ধারায় শাস্তিযোগ্য। - ৪. X অন্যায়ভাবে Y-এর ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক Y-এর একটি আংটি নদীতে নিক্ষেপ করে। X-এর কৃত অপরাধ হলো-
- ক. চুরি
- খ. অর্থ আত্মসাৎ
- গ. ক্ষতি
- ঘ. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর: গ. ক্ষতি
অন্যায় ক্ষতির উদ্দেশ্যে কারও সম্পত্তি নষ্ট বা মূল্যহীন করা দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারায় অনিষ্ট বা ক্ষতি (Mischief); এখানে X আংটি নিজে নেয়নি, তাই চুরি নয়। - ৫. X নিজেকে মৃত Y হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে। X এর কী অপরাধ হলো-
- ক. ক্ষতি
- খ. প্রতারণা
- গ. প্রবঞ্চনা
- ঘ. ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
উত্তর: ঘ. ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা অনুযায়ী অন্য কোনো ব্যক্তি (জীবিত বা মৃত) হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করলে তা ছদ্মবেশে প্রতারণা (Cheating by personation)। - ৬. প্রতিটি দস্যুতায় রয়েছে-
- ক. চুরি এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
- খ. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় এবং চুরি
- গ. চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
- ঘ. ডাকাতি এবং চুরি
উত্তর: গ. চুরি অথবা জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী প্রতিটি দস্যুতায় হয় চুরি, নয়তো বলপূর্বক আদায় (Extortion) থাকে; বিশেষ পরিস্থিতিতে সেগুলোই দস্যুতা হয়ে ওঠে। - ৭. ডাকাতির সাথে খুনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কী?
- ক. মৃত্যুদণ্ড
- খ. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- গ. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
- ঘ. কোনো অপরাধ হয় নাই
উত্তর: ক. মৃত্যুদণ্ড
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় খুনসহ ডাকাতির জন্য প্রত্যেক ডাকাতের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। - ৮. A, Z এর দখলে থাকা একটি সম্পত্তি তার নিজের মনে করে সরল বিশ্বাসে নিয়ে যায়। A এর কৃত অপরাধ হলো-
- ক. চুরি
- খ. অর্থ আত্মসাৎ
- গ. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
- ঘ. কোনো অপরাধ হয় নাই
উত্তর: ঘ. কোনো অপরাধ হয় নাই
চুরির জন্য অসাধু উদ্দেশ্য দরকার; সরল বিশ্বাসে নিজের জিনিস মনে করে নিলে অসাধু উদ্দেশ্য থাকে না, তাই কোনো অপরাধ হয় না (দণ্ডবিধি, ধারা ৭৯ ও ৩৭৮)। - ৯. পেনাল কোডের অধীনে কোনটি অনুমোদিত সাজা নয়?
- ক. কারাদণ্ড
- খ. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
- গ. বেত্রাঘাত
- ঘ. জরিমানা
উত্তর: গ. বেত্রাঘাত
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন, কারাদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি ও জরিমানা আছে; বেত্রাঘাত এর তালিকায় নেই। - ১০. যদি কোনো আসামি চার্জ গঠনকালে স্বীকার করে যে সে অভিযুক্ত অপরাধটি সংঘটন করেছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন আসামির-
- ক. অব্যাহতির
- খ. মুক্তির
- গ. খালাসের
- ঘ. সাজার
উত্তর: ঘ. সাজার
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ও ২৪২ ধারা অনুযায়ী আসামি দোষ স্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট তা লিপিবদ্ধ করে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিতে পারেন। - ১১. চুরি অপরাধ নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
- ক. জমির সাথে
- খ. দণ্ডায়মান গাছের সাথে
- গ. স্বর্ণালংকারের সাথে
- ঘ. দালানের সাথে
উত্তর: গ. স্বর্ণালংকারের সাথে
চুরি হয় শুধু অস্থাবর সম্পত্তির; জমি, দালান বা মাটিতে লাগানো গাছ স্থাবর, কিন্তু স্বর্ণালংকার অস্থাবর (দণ্ডবিধি, ধারা ২২ ও ৩৭৮)। - ১২. বসতঘরে চুরির অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কী?
- ক. ৫ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
- খ. ৩ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
- গ. ৭ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
- ঘ. ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
উত্তর: ঘ. ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় বসতঘরে চুরির শাস্তি যে কোনো প্রকার (সশ্রম বা বিনাশ্রম) ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও জরিমানা; সর্বোচ্চ হিসেবে সশ্রম কারাদণ্ড ধরা হয়। - ১৩. ধর্ষণ অপরাধ সংঘটনের উপাদান হলো-
- ক. ৮টি
- খ. ৫টি
- গ. ৭টি
- ঘ. ৩টি
উত্তর: খ. ৫টি
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় পাঁচটি অবস্থার কথা বলা আছে (ইচ্ছার বিরুদ্ধে, সম্মতি ছাড়া, ভয় দেখিয়ে সম্মতি, প্রতারণামূলক সম্মতি, নির্দিষ্ট বয়সের কম হলে সম্মতি থাকলেও)। - ১৪. Y-এর রাস্তায় চলাচলের অধিকার আছে, X সে পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে Y এর চলাচল বাধাগ্রস্ত করে। X এর কৃত অপরাধ-
- ক. ন্যায় আটক
- খ. অন্যায় অর্পণ
- গ. অন্যায় বাধা
- ঘ. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
উত্তর: গ. অন্যায় বাধা
কাউকে তার যাওয়ার অধিকার আছে এমন দিকে যেতে স্বেচ্ছায় বাধা দেওয়া দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারায় অবৈধ বাধা (Wrongful restraint)। - ১৫. পেনাল কোড হলো একটি-
- ক. Adjective law
- খ. Substantive law
- গ. Preventive law
- ঘ. Procedural law
উত্তর: খ. Substantive law
দণ্ডবিধি অপরাধ ও শাস্তি নির্ধারণ করে, তাই এটি মৌলিক আইন (Substantive law); কীভাবে বিচার হবে তা বলে পদ্ধতিগত আইন ফৌজদারি কার্যবিধি। - ১৬. পেনাল কোডে কত প্রকারের আঘাতকে ‘মারাত্মক’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে?
- ক. ৬ প্রকারের
- খ. ৮ প্রকারের
- গ. ৯ প্রকারের
- ঘ. ১০ প্রকারের
উত্তর: খ. ৮ প্রকারের
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় আট প্রকার আঘাতকে গুরুতর আঘাত (Grievous hurt) বলা হয়েছে, যেমন পুরুষত্বহানি, চোখ বা কানের দৃষ্টি-শ্রবণশক্তি নষ্ট, হাড় বা দাঁত ভাঙা ইত্যাদি। - ১৭. X, Z-এর মুখে ঘুষি মারলে তার (Z) একটি দাঁত পড়ে যায়। X এর কৃত অপরাধ হলো-
- ক. সাধারণ জখম
- খ. মারাত্মক জখম
- গ. ইচ্ছাকৃত জখম
- ঘ. হত্যার চেষ্টা
উত্তর: খ. মারাত্মক জখম
দাঁত ভেঙে যাওয়া বা স্থানচ্যুত হওয়া দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার সপ্তম দফা অনুযায়ী গুরুতর আঘাত। - ১৮. পেনাল কোডের ৩৪ ধারার অধীন সাধারণ উদ্দেশ্যে অপরাধ সংঘটনের জন্য ন্যূনতম আসামি হতে হবে-
- ক. ৫ জন
- খ. ৩ জন
- গ. ৭ জন
- ঘ. ২ জন
উত্তর: ঘ. ২ জন
৩৪ ধারায় "কয়েকজন ব্যক্তি" বলা আছে, অর্থাৎ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অভিন্ন অভিপ্রায়ে অপরাধ করলেই এটি প্রযোজ্য; ১৪৯ ধারার জন্য লাগে কমপক্ষে ৫ জন। - ১৯. নিচের কোনটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
- ক. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কৃত কর্ম
- খ. অবৈধ সমাবেশ গঠনে কৃত কর্ম
- গ. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করা
- ঘ. অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করা
উত্তর: ক. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কৃত কর্ম
দণ্ডবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে করা কোনো কাজ অপরাধ নয়। - ২০. খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
- ক. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
- খ. ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
- গ. ১০ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
- ঘ. ৭ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
উত্তর: ক. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার প্রথম অংশে খুন নয় এমন অপরাধজনক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (অথবা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড) ও জরিমানা। - ২১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ দায়ের করতে পারে-
- ক. আপিল
- খ. রিভিশন
- গ. রিভিউ
- ঘ. রেফারেন্স
উত্তর: খ. রিভিশন
৯ ধারার ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ চলে না, তবে আইনগত ভুলের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করা যায়। - ২২. সরকার কর্তৃক কোনো ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে মামলা করতে পারে-
- ক. দখল উদ্ধারের
- খ. স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের
- গ. কেবল স্বত্ব ঘোষণার
- ঘ. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
উত্তর: খ. স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের
৯ ধারার সংক্ষিপ্ত দখল-পুনরুদ্ধারের মামলা সরকারের বিরুদ্ধে চলে না; তাই সরকার বেদখল করলে স্বত্ব ঘোষণাসহ দখল উদ্ধারের মামলা (ধারা ৮ ও ৪২) করতে হয়। - ২৩. একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়, যখন-
- ক. চুক্তির প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
- খ. ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়
- গ. ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
- ঘ. চুক্তিটি সম্পাদনের পূর্বেই, চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব বিলীন হয়
উত্তর: গ. ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী টাকার ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার না হলে আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে পারে। - ২৪. A একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবি করে। A মামলা করতে পারে-
- ক. অগ্রক্রয়ের
- খ. ক্ষতিপূরণের
- গ. ঘোষণার
- ঘ. বণ্টনের
উত্তর: গ. ঘোষণার
কেউ সম্পত্তির ওপর অধিকার দাবি করে মালিকের স্বত্বে সংশয় সৃষ্টি করলে মালিক ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলা করে বলতে পারেন যে ওই পথাধিকার নেই। - ২৫. একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, যখন-
- ক. চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
- খ. চুক্তিটির প্রকৃত ক্ষতি নিরূপণের কোনো মাপকাঠি থাকে না
- গ. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
- ঘ. চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না
উত্তর: ক. চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১(ঘ) ধারা অনুযায়ী যে চুক্তি স্বভাবগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য, আদালত তা সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করে না, কারণ পক্ষ চাইলেই তা বাতিল করতে পারে। - ২৬. ১ জুলাই, ২০০৪ তারিখে একটি রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তির অনুকূলে সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বলবতের জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে বাদীকে আরজির সাথে জমা দেয়ার প্রয়োজন ছিল-
- ক. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ২৫%
- খ. চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ৫০%
- গ. অবশিষ্ট চুক্তি মূল্য
- ঘ. কোনো চুক্তিমূল্য দাখিল অপ্রয়োজনীয়
উত্তর: ঘ. কোনো চুক্তিমূল্য দাখিল অপ্রয়োজনীয়
অবশিষ্ট পণ আদালতে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আনে ২০০৪ সালের সংশোধনীতে যুক্ত ২১ক ধারা, যা ১ জুলাই ২০০৫ থেকে কার্যকর; তাই ২০০৪ সালের ১ জুলাইয়ের চুক্তির ক্ষেত্রে টাকা জমার প্রয়োজন ছিল না। - ২৭. দেওয়ানি আদালত কর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা-
- ক. বিবেচনামূলক
- খ. বাধ্যতামূলক
- গ. নির্দেশনামূলক
- ঘ. নিরোধমূলক
উত্তর: ক. বিবেচনামূলক
নিষেধাজ্ঞা একটি ন্যায়পরায়ণতাভিত্তিক প্রতিকার; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ও ৫৬ ধারা অনুযায়ী তা দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক (Discretionary) ক্ষমতা। - ২৮. দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের-
- ক. পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই
- খ. অবশ্যই পক্ষ থাকতে হবে
- গ. একজন সাক্ষী হতে হবে
- ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তর: ক. পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী যে দলিল কারও বিরুদ্ধে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং তার গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা আছে, সেই ব্যক্তি দলিলের পক্ষ না হয়েও বাতিলের মামলা করতে পারেন। - ২৯. ঘোষণামূলক মামলা কে করতে পারে?
- ক. আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি
- খ. কোনো সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি
- গ. মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি
- ঘ. ক এবং খ উভয়
উত্তর: ঘ. ক এবং খ উভয়
৪২ ধারা অনুযায়ী কোনো আইনগত পদমর্যাদার (Legal character) অধিকারী অথবা কোনো সম্পত্তিতে অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা করতে পারেন। - ৩০. কোনো ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার-
- ক. প্রতীকী দখল থাকে
- খ. দখল না থাকে
- গ. আংশিক দখল থাকে
- ঘ. একচ্ছত্র দখল থাকে
উত্তর: ঘ. একচ্ছত্র দখল থাকে
৪২ ধারার শর্ত অনুযায়ী বাদী দখলসহ আরও প্রতিকার চাইতে পারলে শুধু ঘোষণার মামলা চলে না; তাই শুধু ঘোষণা চাইতে হলে সম্পত্তিতে বাদীর নিজের দখল থাকা দরকার। - ৩১. প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে-
- ক. নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
- খ. রোকাদেশ দ্বারা
- গ. ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা
- ঘ. নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
উত্তর: ক. নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়া হয় অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে। - ৩২. জেলা জজের আপিল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
- ক. আপিল
- খ. রেফারেন্স
- গ. রিভিশন
- ঘ. রিভিউ
উত্তর: গ. রিভিশন
জেলা জজ আপিল আদালত হিসেবে ডিক্রি দিলে বাংলাদেশে প্রচলিত প্রতিকার হলো দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন। - ৩৩. আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের দরখাস্ত কোন আদালতে দাখিল করা যাবে?
- ক. রিভিশন আদালত
- খ. রেফারেন্স আদালত
- গ. আপিল আদালত
- ঘ. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
উত্তর: ঘ. উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
আদেশ ৪১ বিধি ৫(২) অনুযায়ী আপিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে, আপিল দায়েরের পূর্বেই, ডিক্রি প্রদানকারী আদালত পর্যাপ্ত কারণে জারি স্থগিত রাখতে পারে। - ৩৪. কোনো রিভিউ দরখাস্ত না-মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
- ক. আপিল
- খ. রিভিশন
- গ. রিভিউ
- ঘ. রেফারেন্স
উত্তর: খ. রিভিশন
আদেশ ৪৭ বিধি ৭ অনুযায়ী রিভিউ আবেদন নামঞ্জুরের আদেশ আপিলযোগ্য নয়; তাই প্রতিকার হিসেবে রিভিশন করা হয়। - ৩৫. Pleadings সংশোধন করা যায়-
- ক. অনুসন্ধানের যে কোনো পর্যায়ে
- খ. তদন্তের যে কোনো পর্যায়ে
- গ. প্রসিডিংস এর যে কোনো পর্যায়ে
- ঘ. ডিক্রি জারির কোনো পর্যায়ে
উত্তর: গ. প্রসিডিংস এর যে কোনো পর্যায়ে
আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী মামলার কার্যধারার (Proceedings) যে কোনো পর্যায়ে আদালত প্লিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে। - ৩৬. যদি বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে লিখিত বর্ণনা দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে মামলাটি-
- ক. খারিজ হবে
- খ. একতরফা নিষ্পত্তি হবে
- গ. ডিক্রি হবে
- ঘ. দোতরফা নিষ্পত্তি হবে
উত্তর: খ. একতরফা নিষ্পত্তি হবে
নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাব না দিলে আদালত বিবাদীর অনুপস্থিতিতে মামলা একতরফা শুনানি করে নিষ্পত্তি করে (আদেশ ৮ বিধি ১০)। - ৩৭. আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
- ক. রিভিশন
- খ. রিভিউ
- গ. রেফারেন্স
- ঘ. আপিল
উত্তর: ঘ. আপিল
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬(২) ধারায় একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়; বিকল্প হিসেবে আদেশ ৯ বিধি ১৩-তে তা রদের দরখাস্তও করা যায়। - ৩৮. একজন অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক প্রচারিত আপিল অযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে, সাধারণত রিভিশন দায়ের করা যায়-
- ক. জেলা জজ আদালতে
- খ. বিভাগীয় জজ আদালতে
- গ. আপিল বিভাগে
- ঘ. হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর: ঘ. হাইকোর্ট বিভাগে
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারা অনুযায়ী জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আপিল-অযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হাইকোর্ট বিভাগে করতে হয়। - ৩৯. কোনো পক্ষ কর্তৃক Set-off দাবি করা যেতে পারে-
- ক. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
- খ. স্বত্বের মামলায়
- গ. অর্থের মামলায়
- ঘ. বণ্টনের মামলায়
উত্তর: গ. অর্থের মামলায়
আদেশ ৮ বিধি ৬ অনুযায়ী টাকা আদায়ের মামলায় বিবাদী বাদীর কাছে তার পাওনা নির্দিষ্ট অর্থ কাটাকাটি (Set-off) হিসেবে দাবি করতে পারে। - ৪০. Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোনো সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির-
- ক. বৈধ দখল আছে
- খ. অনুমিত দখল আছে
- গ. আইনসঙ্গত দখল আছে
- ঘ. অন্যায়ভাবে দখল আছে
উত্তর: ঘ. অন্যায়ভাবে দখল আছে
দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১২) ধারা অনুযায়ী সম্পত্তিতে অন্যায় দখলকারী ওই সম্পত্তি থেকে যে মুনাফা পায় বা পেতে পারত, তা-ই মেসনি প্রফিট। - ৪১. নিচের কোন আদালত একটি ডিক্রি জারি করতে পারে?
- ক. আপিল আদালত
- খ. রিভিশন আদালত
- গ. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
- ঘ. একই শ্রেণীর অন্য যে কোনো আদালত
উত্তর: গ. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারি করে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত, অথবা যে আদালতে তা জারির জন্য পাঠানো হয়। - ৪২. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদী প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আদালতের আদেশ হবে-
- ক. আরজির ফেরতের
- খ. আরজি অস্বীকারের
- গ. আরজি গ্রহণের
- ঘ. আরজি নাকচের
উত্তর: ঘ. আরজি নাকচের
আদেশ ৭ বিধি ১১(গ) অনুযায়ী আদালতের দেওয়া সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার না দিলে আরজি নাকচ হয়। - ৪৩. একটি মামলায় মূল্যমান সংশোধনের সর্বাধিক সময়কাল হবে-
- ক. ৭ দিন
- খ. ১৪ দিন
- গ. ২১ দিন
- ঘ. ৩০ দিন
উত্তর: গ. ২১ দিন
আদেশ ৭ বিধি ১১-এর বাংলাদেশি সংশোধনী অনুযায়ী মূল্যমান সংশোধন বা ঘাটতি কোর্ট ফি দেওয়ার জন্য আদালত সর্বোচ্চ ২১ দিন সময় দিতে পারে। - ৪৪. আরজিতে বিবৃত অভিযোগসমূহ বিবাদীর লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হলে, তা হবে বিবাদীর-
- ক. স্বীকারোক্তি
- খ. উপস্থাপন
- গ. স্বীকৃতি
- ঘ. বর্জন
উত্তর: গ. স্বীকৃতি
আদেশ ৮ বিধি ৫ অনুযায়ী আরজির কোনো ঘটনা জবাবে নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে তা বিবাদীর স্বীকৃতি (Admission) হিসেবে গণ্য হয়। - ৪৫. কোনো ব্যক্তি বিবাদী পক্ষ তার লিখিত জবাব দাখিল করতে সর্বোচ্চ-
- ক. ৬ মাসের মধ্যে
- খ. ৪ মাসের মধ্যে
- গ. ৩ মাসের মধ্যে
- ঘ. ২ মাসের মধ্যে
উত্তর: ঘ. ২ মাসের মধ্যে
বাংলাদেশে সংশোধিত আদেশ ৮ বিধি ১ অনুযায়ী বিবাদী সমন পাওয়ার পর সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করবে। - ৪৬. একটি আরজিতে সত্যপাঠ (Verification) স্বাক্ষর করবে কে?
- ক. বাদী
- খ. বাদীর উকিল
- গ. বিবাদী
- ঘ. রিভিউ
উত্তর: ক. বাদী
আদেশ ৬ বিধি ১৫ অনুযায়ী আরজির সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবেন বাদী নিজে (বা ঘটনা জানেন এমন ব্যক্তি); উকিল এতে সই করেন না। - ৪৭. ৭ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি মামলায় আরজি খারিজের দরখাস্ত প্রত্যাখ্যানের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে-
- ক. আপিল বিভাগ
- খ. হাইকোর্ট বিভাগ
- গ. জেলা জজ আদালত
- ঘ. বিভাগীয় জজ আদালত
উত্তর: গ. জেলা জজ আদালত
এ মূল্যমানের মামলা সহকারী জজ আদালতে চলে; দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(২) ধারা অনুযায়ী অধস্তন আদালতের আপিল-অযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন যায় জেলা জজের কাছে। - ৪৮. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যর্পণ বিষয়ে কোনো আদেশ হলে সেটি হবে একটি-
- ক. রায়
- খ. ডিক্রি
- গ. আদেশ
- ঘ. রিভিউ
উত্তর: খ. ডিক্রি
দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারার সংজ্ঞায় ১৪৪ ধারার অধীনে প্রত্যর্পণ (Restitution) সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে ডিক্রি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। - ৪৯. সিভিল প্রসিডিউর কোডের কোন ধারায় রেস সাব-জুডিস এর নীতি বর্ণিত আছে?
- ক. ৯
- খ. ১০
- গ. ১১
- ঘ. ১২
উত্তর: খ. ১০
১০ ধারা অনুযায়ী একই পক্ষের মধ্যে একই বিষয়ে আগে দায়ের হওয়া মামলা বিচারাধীন থাকলে পরের মামলার বিচার স্থগিত থাকে; এটাই Res sub judice। - ৫০. প্রত্যেকটি আপিল মেমোতে স্বাক্ষর করবে-
- ক. আপিলকারী বা তার উকিল
- খ. আপিলকারী এবং তার উকিল
- গ. উকিল এবং রেসপনডেন্ট
- ঘ. আপিলকারী এবং রেসপনডেন্ট
উত্তর: ক. আপিলকারী বা তার উকিল
আদেশ ৪১ বিধি ১ অনুযায়ী আপিলের স্মারকলিপিতে আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী স্বাক্ষর করবেন। - ৫১. বার কাউন্সিল নির্বাচিত সদস্যগণের কার্যকাল সমাপ্ত হয়-
- ক. ৫ বৎসরে
- খ. ৩ বৎসরে
- গ. ২ বৎসরে
- ঘ. ১ বৎসরে
উত্তর: খ. ৩ বৎসরে
বার কাউন্সিল অর্ডারের ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদ ৩ বছর। - ৫২. একজন অ্যাডভোকেটকে হাইকোর্ট বিভাগে আইন ব্যবসা করার অনুমতি প্রাপ্তির জন্য অধস্তন আদালতে অন্যূন কত বৎসর আইন ব্যবসা করতে হবে?
- ক. ৬ মাস
- খ. ১ বৎসর
- গ. ২ বৎসর
- ঘ. ৩ বৎসর
উত্তর: গ. ২ বৎসর
বার কাউন্সিল অর্ডার ও বিধি অনুযায়ী অধস্তন আদালতে অন্তত ২ বছর নিয়মিত প্র্যাকটিসের পর হাইকোর্ট বিভাগে তালিকাভুক্তির আবেদন করা যায়। - ৫৩. অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান-
- ক. অ্যাটর্নি জেনারেল
- খ. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
- গ. আপিল বিভাগের বিচারক
- ঘ. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
উত্তর: গ. আপিল বিভাগের বিচারক
বার কাউন্সিল অর্ডারের ১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। - ৫৪. একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য তার অন্যূন বয়স হতে হবে-
- ক. ৩০ বৎসর
- খ. ২৭ বৎসর
- গ. ২৫ বৎসর
- ঘ. ২১ বৎসর
উত্তর: ঘ. ২১ বৎসর
বার কাউন্সিল অর্ডারের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তালিকাভুক্তির জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর। - ৫৫. বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনাল হয়-
- ক. ৭ ব্যক্তির সমন্বয়ে
- খ. ৫ ব্যক্তির সমন্বয়ে
- গ. ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
- ঘ. ১ ব্যক্তির সমন্বয়ে
উত্তর: গ. ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
অসদাচরণের অভিযোগ বিচারের জন্য বার কাউন্সিল ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল গঠন করে (অনুচ্ছেদ ৩৩)। - ৫৬. ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
- ক. আপিল বিভাগে
- খ. হাইকোর্ট বিভাগে
- গ. জেলা জজ আদালতে
- ঘ. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
উত্তর: খ. হাইকোর্ট বিভাগে
বার কাউন্সিল অর্ডারের ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়। - ৫৭. বার কাউন্সিল কর্তৃক বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন লাগবে-
- ক. রাষ্ট্রপতির
- খ. প্রধান বিচারপতির
- গ. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের
- ঘ. সরকারের
উত্তর: ঘ. সরকারের
বার কাউন্সিল অর্ডারের ৪০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিল সরকারের পূর্বানুমোদন নিয়ে বিধি প্রণয়ন করে। - ৫৮. অ্যাডভোকেট ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে-
- ক. ২ মাস পর্যন্ত
- খ. ৩ মাস পর্যন্ত
- গ. ৬ মাস পর্যন্ত
- ঘ. ৪ মাস পর্যন্ত
উত্তর: গ. ৬ মাস পর্যন্ত
বার কাউন্সিল অর্ডার অনুযায়ী তালিকাভুক্ত না হয়ে আইন ব্যবসা করলে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। - ৫৯. চেয়ারম্যান কর্তৃক বার কাউন্সিলের নির্বাচনী তফসিল প্রকাশ করতে হবে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের কমপক্ষে-
- ক. ১৫ দিন পূর্বে
- খ. ৩০ দিন পূর্বে
- গ. ৪৫ দিন পূর্বে
- ঘ. ৬০ দিন পূর্বে
উত্তর: গ. ৪৫ দিন পূর্বে
বার কাউন্সিলের বিধিমালা অনুযায়ী নির্বাচনের অন্তত ৪৫ দিন আগে নির্বাচনী তফসিল প্রকাশ করতে হয়। - ৬০. বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে হিসাব করে ১ম সভা অনুষ্ঠিত হবে-
- ক. ৬ মাসের মধ্যে
- খ. ৩ মাসের মধ্যে
- গ. ২ মাসের মধ্যে
- ঘ. ১ মাসের মধ্যে
উত্তর: ঘ. ১ মাসের মধ্যে
বিধি অনুযায়ী নতুন বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা ডাকতে হয়। - ৬১. বার কাউন্সিলে কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে প্রদত্ত ফি-এর পরিমাণ হবে-
- ক. ১০০ টাকা
- খ. ৫০০ টাকা
- গ. ১০০০ টাকা
- ঘ. ২০০০ টাকা
উত্তর: গ. ১০০০ টাকা
বার কাউন্সিল বিধিমালায় অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ দাখিলের ফি নির্ধারিত আছে, যা প্রশ্নের সময় ১০০০ টাকা ছিল (পরে পরিবর্তিত হয়ে থাকতে পারে)। - ৬২. কোনো অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন-
- ক. ২ জনের বেশি নয়
- খ. ৩ জনের বেশি নয়
- গ. ৪ জনের বেশি নয়
- ঘ. ৫ জনের বেশি নয়
উত্তর: গ. ৪ জনের বেশি নয়
বার কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেট অনুমতি ছাড়া একসাথে সর্বোচ্চ ৪ জন শিক্ষানবিশ রাখতে পারেন। - ৬৩. যদি কোনো প্রার্থী তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তিনি তালিকাভুক্তির অযোগ্য হবেন-
- ক. ৩ বৎসরের জন্য
- খ. ৫ বৎসরের জন্য
- গ. ৬ বৎসরের জন্য
- ঘ. ১ বৎসরের জন্য
উত্তর: খ. ৫ বৎসরের জন্য
বিধি অনুযায়ী তালিকাভুক্তির আবেদনে জেনেশুনে মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থী ৫ বছরের জন্য তালিকাভুক্তির অযোগ্য হন। - ৬৪. কোনো মামলায় যে কোনো পক্ষে একের অধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
- ক. অ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত
- খ. অ্যাডভোকেট যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত
- গ. নিযুক্তীয় অ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
- ঘ. নিযুক্তীয় অ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোনো একজন
উত্তর: গ. নিযুক্তীয় অ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র
বার কাউন্সিলের আচরণবিধি (Canons) অনুযায়ী একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত থাকলে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব জ্যেষ্ঠ (Senior) আইনজীবীর। - ৬৫. আদালত কর্মসময়ের পর যে কোনো জরুরি বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন নিযুক্তীয় অ্যাডভোকেটের যোগাযোগ করার উপযুক্ত পন্থা হলো-
- ক. বিচারকের সরকারি খাস কামরায় দেখা করা
- খ. প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেটকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
- গ. স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
- ঘ. এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
উত্তর: ঘ. এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
আচরণবিধি অনুযায়ী বিচারাধীন বিষয়ে আদালতের বাইরে বিচারকের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করা অনুচিত; তাই এ থেকে বিরত থাকতে হবে। - ৬৬. একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য কোনো অ্যাডভোকেটকে অর্পণ করবেন, যদি তাঁকে মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে হয়-
- ক. কোনো দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
- খ. কোনো দলিলের হেফাজত বিষয়ে
- গ. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
- ঘ. মামলায় উক্ত অ্যাডভোকেটের নিযুক্তীয় বিষয়ে
উত্তর: গ. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
আচরণবিধি অনুযায়ী দলিল সত্যায়ন বা হেফাজতের মতো নিছক আনুষ্ঠানিক (Formal) বিষয়ে সাক্ষ্য দিলে আইনজীবী মামলা চালিয়ে যেতে পারেন, কিন্তু প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের মতো মূল বিরোধীয় ঘটনায় সাক্ষী হলে মামলা অন্য আইনজীবীকে ছেড়ে দিতে হয়; তাই গ বেশি যুক্তিসংগত। প্রচলিত উত্তরপত্রে অবশ্য ঘ দেওয়া হয়েছে। - ৬৭. একজন পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো-
- ক. আসামির সাজা নিশ্চিত করা
- খ. আসামির খালাস নিশ্চিত করা
- গ. আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখা
- ঘ. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
উত্তর: ঘ. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
পাবলিক প্রসিকিউটরের মূল দায়িত্ব যে কোনো মূল্যে সাজা আদায় নয়, বরং আদালতের সামনে সত্য তুলে ধরে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। - ৬৮. কেবল অপর পক্ষকে হয়রানির লক্ষ্যে কোনো পক্ষ একটি দেওয়ানি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন অ্যাডভোকেট-
- ক. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
- খ. বিরুদ্ধ পক্ষের অ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
- গ. মামলাটি পরিচালনা করতে অস্বীকার করবেন
- ঘ. নিযুক্তীয় অ্যাডভোকেট হিসাবে মামলাটি পরিচালনা করবেন
উত্তর: গ. মামলাটি পরিচালনা করতে অস্বীকার করবেন
আচরণবিধি অনুযায়ী শুধু হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলা করা আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার; এমন মামলা পরিচালনা করতে আইনজীবীর অস্বীকার করা উচিত। - ৬৯. একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রমে একজন অ্যাডভোকেট কোনো পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
- ক. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
- খ. সম্পত্তিটি বেনামিতে ক্রয় করতে পারবেন
- গ. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
- ঘ. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর: ঘ. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
স্বার্থের সংঘাত এড়াতে আচরণবিধি অনুযায়ী যে নিলামে আইনজীবী কোনো পক্ষের প্রতিনিধি, সেখানে তিনি নিজে বা বেনামে সম্পত্তির কোনো অংশই কিনতে পারেন না। - ৭০. সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী মামলায় আপিল বিভাগ এ মর্মে ঘোষণা করেন যে-
- ক. তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি অবৈধ
- খ. খন্দকার মোশতাক আহমদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আদালত অবৈধ
- গ. জেনারেল এইচ.এম. এরশাদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আইন অবৈধ
- ঘ. রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
উত্তর: ঘ. রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ (১৯৮৯) মামলায় আপিল বিভাগ অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। - ৭১. অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে একজন আসামি জামিন দাবি করতে পারে যদি তার বয়স হয়-
- ক. ১৮ বৎসরের কম
- খ. ১৬ বৎসরের কম
- গ. ১৫ বৎসরের কম
- ঘ. ১৪ বৎসরের কম
উত্তর: খ. ১৬ বৎসরের কম
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭(১) ধারার শর্ত অনুযায়ী আসামির বয়স ১৬ বছরের কম হলে অজামিনযোগ্য অপরাধেও আদালত জামিন দিতে পারে। - ৭২. কে পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে?
- ক. রাষ্ট্রপতি
- খ. প্রধানমন্ত্রী
- গ. অ্যাটর্নি জেনারেল
- ঘ. সরকার
উত্তর: ঘ. সরকার
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারা অনুযায়ী সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করে। - ৭৩. Complaint বলতে বুঝায়-
- ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
- খ. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
- গ. দায়রা জজের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
- ঘ. পুলিশ অফিসারের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
উত্তর: খ. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১)(জ) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক বা লিখিত অভিযোগই নালিশ (Complaint); পুলিশ প্রতিবেদন নালিশ নয়। - ৭৪. কে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
- ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
- খ. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
- গ. মহানগর দায়রা জজ
- ঘ. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর: ঘ. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সমান ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। - ৭৫. কোনো মহানগর এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তা অ-আমলযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারবে না, যদি সে অনুমতি না নেয়-
- ক. মহা পুলিশ পরিদর্শকের
- খ. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
- গ. মহানগর দায়রা জজ
- ঘ. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর: ঘ. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫(২) ধারা অনুযায়ী অ-আমলযোগ্য মামলা তদন্তে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ লাগে; মহানগর এলাকায় তা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেন। - ৭৬. একটি ফৌজদারি আদালত পুলিশ ডায়েরি তলব করতে পারেন-
- ক. সাক্ষ্যের জন্য
- খ. তদন্তের জন্য
- গ. বিচারের জন্য
- ঘ. সুরতহালের জন্য
উত্তর: গ. বিচারের জন্য
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা অনুযায়ী আদালত পুলিশ ডায়েরি তলব করতে পারে সাক্ষ্য হিসেবে নয়, বরং অনুসন্ধান বা বিচারকাজে সহায়তার জন্য। - ৭৭. যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন, তখন আসামি-
- ক. অব্যাহতি পেতে পারে
- খ. খালাস পেতে পারে
- গ. দণ্ড পেতে পারে
- ঘ. মুক্তি পেতে পারে
উত্তর: ক. অব্যাহতি পেতে পারে
চূড়ান্ত প্রতিবেদন গৃহীত হলে বিচার শুরুই হয় না, তাই আসামি খালাস নয়, অব্যাহতি (Discharge) পায়; পরে নতুন প্রমাণে আবার মামলা চালু হতে পারে। - ৭৮. Complaint প্রত্যাহার করা হলে আসামি-
- ক. মুক্তি পাবে
- খ. অব্যাহতি পাবে
- গ. দণ্ড পাবে
- ঘ. খালাস পাবে
উত্তর: ঘ. খালাস পাবে
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী রায়ের আগে নালিশকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে খালাস দেন। - ৭৯. Complaint ব্যতীত অন্যভাবে রুজুকৃত একটি ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে-
- ক. মুক্তি দিতে পারেন
- খ. অব্যাহতি দিতে পারেন
- গ. খালাস দিতে পারেন
- ঘ. দণ্ড দিতে পারেন
উত্তর: ক. মুক্তি দিতে পারেন
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৯ ধারা অনুযায়ী নালিশ ছাড়া অন্যভাবে শুরু হওয়া মামলার কার্যক্রম বন্ধ করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে মুক্তি (Release) দিতে পারেন, যার ফল অব্যাহতির মতো। - ৮০. একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
- ক. হাইকোর্ট বিভাগ
- খ. জেলা জজ আদালতে
- গ. দায়রা জজ আদালতে
- ঘ. বিভাগীয় জজ আদালতে
উত্তর: গ. দায়রা জজ আদালতে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়রা জজের কাছে যায়। - ৮১. ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
- ক. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
- খ. দায়রা জজ আদালতে
- গ. জেলা জজ আদালতে
- ঘ. বিভাগীয় জজ আদালতে
উত্তর: খ. দায়রা জজ আদালতে
বাংলাদেশে সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়রা জজের আদালতে করা যায়। - ৮২. একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
- ক. ৩০ দিনের মধ্যে
- খ. ৬০ দিনের মধ্যে
- গ. ৯০ দিনের মধ্যে
- ঘ. ১২০ দিনের মধ্যে
উত্তর: খ. ৬০ দিনের মধ্যে
তামাদি আইনের তফসিল অনুযায়ী নালিশকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে খালাসের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে। - ৮৩. ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের অধীনে নিচের কোন আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে?
- ক. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
- খ. দায়রা জজ আদালত
- গ. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,
- ঘ. জেলা জজ আদালত,
উত্তর: খ. দায়রা জজ আদালত
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ অধস্তন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন শুনতে পারেন; হাইকোর্ট বিভাগেরও এ ক্ষমতা আছে (ধারা ৪৩৯)। - ৮৪. একজন অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না, যদি অভিযোগকারী হয় একটি-
- ক. আর্থিক প্রতিষ্ঠান
- খ. বার কাউন্সিল
- গ. বার সমিতি
- ঘ. আদালত
উত্তর: ঘ. আদালত
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার শর্ত অনুযায়ী আদালত বা দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মচারী লিখিত নালিশ করলে তাকে শপথ নিয়ে পরীক্ষা করার দরকার হয় না। - ৮৫. যুগ্ম দায়রা জজ আদালত হতে একটি মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন সংশ্লিষ্ট-
- ক. দায়রা জজ
- খ. বিভাগীয় জজ
- গ. স্পেশাল জজ
- ঘ. জেলা জজ
উত্তর: ক. দায়রা জজ
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ তাঁর অধীন যুগ্ম দায়রা জজের কাছ থেকে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন। - ৮৬. ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের ৪৭৬ ধারার অধীন Complaint দায়েরের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ-
- ক. আপিলযোগ্য
- খ. রিভিশনযোগ্য
- গ. রিভিউযোগ্য
- ঘ. উপরের কোনটাই নয়
উত্তর: ক. আপিলযোগ্য
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭৬খ ধারা অনুযায়ী নালিশ করতে অস্বীকার বা নালিশ করার আদেশের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন আদালতে আপিল করা যায়। - ৮৭. প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যে কোনো বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন-
- ক. সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য
- খ. সরকারি কর্মচারী
- গ. মৃত ব্যক্তি
- ঘ. জীবিত ব্যক্তি
উত্তর: গ. মৃত ব্যক্তি
সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী আগের মামলায় জেরা হওয়া সাক্ষী মারা গেলে বা পাওয়া না গেলে তার আগের সাক্ষ্য পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক। - ৮৮. সকল ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য হবে-
- ক. লিখিত
- খ. দালিলিক
- গ. পরোক্ষ
- ঘ. প্রত্যক্ষ
উত্তর: ঘ. প্রত্যক্ষ
সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য সব ক্ষেত্রেই প্রত্যক্ষ হতে হবে, অর্থাৎ সাক্ষী নিজে যা দেখেছেন, শুনেছেন বা অনুভব করেছেন। - ৮৯. নিচের কোনটি গৌণ সাক্ষ্য নহে?
- ক. মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি
- খ. মূল দলিলের প্রতিলিপি
- গ. সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
- ঘ. দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর: গ. সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় সার্টিফাইড কপি, প্রতিলিপি ও দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তির মৌখিক বর্ণনা গৌণ সাক্ষ্য। প্রচলিত উত্তর গ হলেও সাব-রেজিস্ট্রারের দেওয়া নকলও আসলে এক ধরনের সার্টিফাইড কপি; আবার মূল দলিলের প্রতিপত্র (Counterpart) সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য হওয়ায় খ-ও বিবেচ্য। - ৯০. দালিলিক সাক্ষ্য বলতে বুঝায় এমন দলিল যাহা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে-
- ক. সরকারি কর্মকর্তার নিকট
- খ. আইনজীবীর নিকট
- গ. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট
- ঘ. আদালতের নিকট
উত্তর: ঘ. আদালতের নিকট
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত সব দলিলই দালিলিক সাক্ষ্য। - ৯১. একটি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে-
- ক. প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা
- খ. গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা
- গ. স্বয়ং দলিলটি দ্বারা
- ঘ. উপরের যে কোনো একটির দ্বারা
উত্তর: ঘ. উপরের যে কোনো একটির দ্বারা
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুযায়ী দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা গৌণ সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করা যায়; আর মূল দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য। - ৯২. কোনটি Private Document-
- ক. মূল বিক্রয় দলিল
- খ. খতিয়ান
- গ. সিআরপিসি-র ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত বক্তব্য
- ঘ. কোনো পক্ষ কর্তৃক দাখিলী আরজি
উত্তর: ক. মূল বিক্রয় দলিল
সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারা অনুযায়ী ৭৪ ধারার বাইরের সব দলিল ব্যক্তিগত; মূল বিক্রয় দলিল দুই ব্যক্তির মধ্যে সম্পাদিত বলে ব্যক্তিগত দলিল, অথচ খতিয়ান, ১৬৪ ধারার জবানবন্দি ও আদালতের নথি পাবলিক দলিল। - ৯৩. B একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। A, B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। এখানে A-কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
- ক. B এর জীবনকাল
- খ. B এর মৃত্যু
- গ. B এর অসুস্থতা
- ঘ. B এর হাসপাতাল ত্যাগ
উত্তর: খ. B এর মৃত্যু
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় বক্তব্য প্রদানকারী মারা গেছেন, এটা আগে প্রমাণ করতে হয়; তবেই তার বিবৃতি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য। - ৯৪. বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণের অভিযোগে X অভিযুক্ত হয়। X-এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব-
- ক. ট্রেন টিকেট চেকারের
- খ. স্টেশন মাস্টারের
- গ. ট্রেনের গার্ডের
- ঘ. X-এর
উত্তর: ঘ. X-এর
সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুযায়ী যে বিষয় বিশেষভাবে কোনো ব্যক্তির জ্ঞাত, তা প্রমাণের দায় তার; টিকিট থাকার বিষয়টি X-ই জানে, তাই প্রমাণের দায়িত্ব X-এর। - ৯৫. তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়-
- ক. ১৮৫৯ সালে
- খ. ১৮৬২ সালে
- গ. ১৮৭১ সালে
- ঘ. ১৯০৮ সালে
উত্তর: ক. ১৮৫৯ সালে
উপমহাদেশে প্রথম পূর্ণাঙ্গ তামাদি আইন হয় ১৮৫৯ সালে (Act XIV of 1859); পরে ১৮৭১ ও ১৮৭৭ হয়ে বর্তমান ১৯০৮ সালের আইন আসে। - ৯৬. লিমিটেশন অ্যাক্ট, ১৯৮০ এর ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না-
- ক. স্যুটের ক্ষেত্রে
- খ. আপিলের ক্ষেত্রে
- গ. রিভিউর ক্ষেত্রে
- ঘ. রিভিশনের ক্ষেত্রে
উত্তর: ক. স্যুটের ক্ষেত্রে
(প্রশ্নে সালটি আসলে ১৯০৮ হবে।) তামাদি আইনের ৫ ধারায় যথেষ্ট কারণ দেখিয়ে আপিল, রিভিউ বা রিভিশনের বিলম্ব মওকুফ করা যায়, কিন্তু মামলা (Suit) দায়েরের বিলম্ব মওকুফ করা যায় না। - ৯৭. Z-নাবালক থাকাবস্থায় তার মামলা করার অধিকার জন্মে। গণনা শুরু হবে যখন-
- ক. Z-এর সাবালকত্বের অবসান হবে
- খ. Z-নাবালক থাকবে
- গ. Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে
- ঘ. উপরের কোনটাই নয়
উত্তর: গ. Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে
তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী নাবালক থাকাকালে মামলার অধিকার জন্মালে তামাদির সময় গণনা শুরু হয় নাবালকত্ব শেষ হওয়ার পর থেকে। - ৯৮. একটি আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বাদ যাবে-
- ক. আপিলের মেমো প্রস্তুতের জন্য ব্যয়িত সময়
- খ. আইনজীবী নিয়োগের জন্য ব্যয়িত সময়
- গ. প্রতিপক্ষের প্রতি সমন জারির জন্য ব্যয়িত সময়
- ঘ. রায় এবং ডিক্রি-র জাবেদা নকল পেতে ব্যয়িত সময়
উত্তর: ঘ. রায় এবং ডিক্রি-র জাবেদা নকল পেতে ব্যয়িত সময়
তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী রায় ও ডিক্রির নকল সংগ্রহে যে সময় লাগে তা আপিলের মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যায়। - ৯৯. লিমিটেশন অ্যাক্ট-১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয়-
- ক. স্যুটের ক্ষেত্রে
- খ. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
- গ. রিভিশনের ক্ষেত্রে
- ঘ. রিভিউ-র ক্ষেত্রে
উত্তর: ক. স্যুটের ক্ষেত্রে
১৪ ধারা অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে সরল বিশ্বাসে মামলা চালাতে যে সময় গেছে, তা পরে সঠিক আদালতে মামলা (Suit) বা দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ থেকে বাদ যায়। - ১০০. একটি মামলায় প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগ করা হলে মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদীর-
- ক. অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
- খ. প্রতারণা বিষয়ে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
- গ. দলিল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
- ঘ. মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
উত্তর: খ. প্রতারণা বিষয়ে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
তামাদি আইনের ১৮ ধারা অনুযায়ী প্রতারণার কারণে বাদী অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ থাকলে তামাদি গণনা শুরু হয় প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি (MCQ) পরীক্ষা: সব বছর
আরও বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন