লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি (MCQ) পরীক্ষা ২০১২: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০১২। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →
  1. ১. তামাদি মেয়াদের পরে দেওয়ানি মামলা দায়ের করার ফল হচ্ছে-
    • ক. আরজি নাকচ
    • খ. আরজি ফেরত
    • গ. মামলা খারিজ
    • ঘ. কোর্ট ফি বাতিল
    উত্তর: গ. মামলা খারিজ
    তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ৩ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত মেয়াদ পার হওয়ার পর মামলা দায়ের করলে বিবাদী তামাদির আপত্তি না তুললেও আদালত মামলাটি খারিজ করবে।
  2. ২. কোন মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মওকুফ হবে না?
    • ক. আপিল
    • খ. রিভিশন
    • গ. রিভিউ
    • ঘ. স্বত্ব ঘোষণা
    উত্তর: ঘ. স্বত্ব ঘোষণা
    আপিল, রিভিউ ইত্যাদির দেরি তামাদি আইনের ৫ ধারায় যথেষ্ট কারণ দেখিয়ে মওকুফ করা যায়, কিন্তু ৫ ধারা মূল মামলা (যেমন স্বত্ব ঘোষণার মামলা) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; তাই স্বত্ব ঘোষণার মামলায় দেরি মওকুফের সুযোগ নেই।
  3. ৩. মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় কত দিন?
    • ক. ৩ বছর
    • খ. ৬ বছর
    • গ. ২১ বছর বয়স পর্যন্ত
    • ঘ. সাবালকত্ব অর্জন পর্যন্ত
    উত্তর: ক. ৩ বছর
    তামাদি আইনের ৬ ধারায় নাবালক সাবালক হওয়ার পর মামলা করার সুযোগ পায়, তবে ৮ ধারা অনুযায়ী এই বাড়তি সময় অক্ষমতা দূর হওয়ার পর ৩ বছরের বেশি হবে না।
  4. ৪. জমির স্বত্ব ঘোষণা ছাড়াই শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়েরে তামাদি মেয়াদ কত?
    • ক. ৬ মাস
    • খ. ৩ বছর
    • গ. ৬ বছর
    • ঘ. ১২ বছর
    উত্তর: ক. ৬ মাস
    সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারায় বেদখল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে স্বত্ব প্রমাণ না করেই শুধু দখল ফিরে পাওয়ার মামলা করা যায়।
  5. ৫. কোন কারণে ব্যয়িত সময়কাল আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদের সাথে যোগ হবে?
    • ক. আইনজীবী নিয়োগ
    • খ. হাজতবাস
    • গ. অসুস্থতা
    • ঘ. রায়ের নকল সংগ্রহ
    উত্তর: ঘ. রায়ের নকল সংগ্রহ
    তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী রায় বা ডিক্রির নকল তুলতে যে সময় লাগে তা আপিলের মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যায়, অর্থাৎ মেয়াদের সাথে যোগ হয়।
  6. ৬. কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?
    • ক. চুক্তি বাস্তবায়ন
    • খ. নিষেধাজ্ঞা
    • গ. স্বত্ব ঘোষণা
    • ঘ. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
    উত্তর: ঘ. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
    সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন চুক্তি বাস্তবায়ন, নিষেধাজ্ঞা, ঘোষণামূলক ডিক্রির মতো নির্দিষ্ট প্রতিকার দেয়; সাধারণ আর্থিক ক্ষতিপূরণ চুক্তি আইন বা টর্ট আইনের বিষয়।
  7. ৭. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে জমির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কোন বিষয়গুলি প্রমাণ করতে হবে?
    • ক. স্বত্ব ও দখল
    • খ. সীমানা
    • গ. দখল ও বেদখল
    • ঘ. স্বত্ব
    উত্তর: গ. দখল ও বেদখল
    ৯ ধারার মামলায় স্বত্ব প্রমাণের দরকার নেই; বাদীকে শুধু দেখাতে হয় যে তিনি দখলে ছিলেন এবং ৬ মাসের মধ্যে আইনসংগত পদ্ধতি ছাড়া বেদখল হয়েছেন।
  8. ৮. কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
    • ক. ৯ ধারা
    • খ. ৫৪ ধারা
    • গ. ৩২ ধারা
    • ঘ. ৪২ ধারা
    উত্তর: ঘ. ৪২ ধারা
    কোনো আইনগত পদমর্যাদা বা অধিকার অস্বীকার করা হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক ডিক্রি চাওয়া যায়।
  9. ৯. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত প্রকার নিষেধাজ্ঞার উল্লেখ আছে?
    • ক. ২ প্রকার
    • খ. ৩ প্রকার
    • গ. ৪ প্রকার
    • ঘ. কোনটিই নয়
    উত্তর: খ. ৩ প্রকার
    আইনের ৫৩ ধারায় অস্থায়ী ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক (Mandatory) নিষেধাজ্ঞা আছে; তাই মোট ৩ প্রকার।
  10. ১০. কোন চুক্তিটি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়?
    • ক. জমি বিক্রয়ের চুক্তি
    • খ. রাস্তা নির্মাণের চুক্তি
    • গ. সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি
    • ঘ. পরিবহন চুক্তি
    উত্তর: গ. সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি
    অভিনয়ের মতো ব্যক্তিগত দক্ষতা বা গুণের ওপর নির্ভরশীল চুক্তি আদালত জোর করে বাস্তবায়ন করাতে পারে না (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ধারা ২১)।
  11. ১১. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি-
    • ক. সাংবিধানিক সংস্থা
    • খ. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
    • গ. নির্বাচিত সংস্থা
    • ঘ. সমবায় সমিতি
    উত্তর: খ. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
    বার কাউন্সিল সংবিধান দিয়ে নয়, বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ নামের আইন দিয়ে গঠিত, তাই এটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
  12. ১২. কোন কাজটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আওতাভুক্ত নয়?
    • ক. সনদ প্রদান
    • খ. পেশাগত অসদাচরণ
    • গ. আইন শিক্ষার উন্নয়ন
    • ঘ. আইনগত সহায়তা
    উত্তর: ঘ. আইনগত সহায়তা
    সনদ দেওয়া, অসদাচরণের বিচার ও আইন শিক্ষার উন্নয়ন বার কাউন্সিল অর্ডারের ১০ অনুচ্ছেদে বার কাউন্সিলের কাজ; দরিদ্রদের আইনগত সহায়তার মূল দায়িত্ব আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর অধীন সংস্থার। তবে বার কাউন্সিলেরও একটি লিগ্যাল এইড কমিটি আছে বলে প্রশ্নটি বিতর্কিত।
  13. ১৩. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা কত?
    • ক. ১৫ জন
    • খ. ১৪ জন
    • গ. ১৬ জন
    • ঘ. ১৩ জন
    উত্তর: ক. ১৫ জন
    অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে চেয়ারম্যান এবং অ্যাডভোকেটদের ভোটে নির্বাচিত ১৪ জন মিলে বার কাউন্সিলের সদস্য ১৫ জন।
  14. ১৪. একজন অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিষ্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
    • ক. আপিল বিভাগ
    • খ. অ্যাটর্নি জেনারেল
    • গ. হাইকোর্ট বিভাগ
    • ঘ. আইনমন্ত্রী
    উত্তর: গ. হাইকোর্ট বিভাগ
    বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শাস্তিমূলক আদেশের বিরুদ্ধে বার কাউন্সিল অর্ডারের ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়।
  15. ১৫. অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স কত হবে?
    • ক. ১৮ বছর
    • খ. ২১ বছর
    • গ. ২৫ বছর
    • ঘ. ৩০ বছর
    উত্তর: খ. ২১ বছর
    বার কাউন্সিল অর্ডারের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হতে প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হয়।
  16. ১৬. ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে একজন অ্যাডভোকেট কোনো সনদপ্রার্থীকে শিক্ষানবিশ (Pupil) হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন?
    • ক. ৫ বছর
    • খ. ৮ বছর
    • গ. ১০ বছর
    • ঘ. ১২ বছর
    উত্তর: গ. ১০ বছর
    বার কাউন্সিলের বিধিমালা অনুযায়ী অন্তত ১০ বছর প্র্যাকটিস করা অ্যাডভোকেটই শিক্ষানবিশ গ্রহণ করতে পারেন।
  17. ১৭. পুলিশের নিকট আসামির স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
    • ক. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে
    • খ. নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে
    • গ. স্বীকারোক্তিমতে আলামত উদ্ধার
    • ঘ. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
    উত্তর: গ. স্বীকারোক্তিমতে আলামত উদ্ধার
    সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারায় পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি অগ্রাহ্য, কিন্তু ২৭ ধারা অনুযায়ী সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোনো আলামত উদ্ধার হলে সংশ্লিষ্ট অংশটুকু প্রমাণ করা যায়।
  18. ১৮. কোনো ব্যক্তির মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration) তার কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য?
    • ক. মৃত্যুর কারণ
    • খ. সম্পত্তি দান
    • গ. পরিচয়
    • ঘ. বিবাহ
    উত্তর: ক. মৃত্যুর কারণ
    সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারায় মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে দেওয়া বক্তব্য প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
  19. ১৯. কোনটি মূল দালিলিক সাক্ষ্য (Primary evidence)?
    • ক. ফটোস্ট্যাট কপি
    • খ. দৈনিক পত্রিকা
    • গ. কোনো বাস্তব ফটোগ্রাফ
    • ঘ. সত্যায়িত কপি
    উত্তর: খ. দৈনিক পত্রিকা
    সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী একই ছাপার প্রক্রিয়ায় তৈরি প্রতিটি কপি (যেমন দৈনিক পত্রিকা) প্রাথমিক সাক্ষ্য; ফটোকপি বা সত্যায়িত কপি হলো মাধ্যমিক সাক্ষ্য (ধারা ৬৩)।
  20. ২০. কোন দলিলটি পাবলিক দলিল (Public document)?
    • ক. প্রকাশিত কবিতা
    • খ. প্রকাশিত পত্র
    • গ. মামলার আরজি
    • ঘ. উইল
    উত্তর: গ. মামলার আরজি
    সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি কর্তৃপক্ষ ও আদালতের নথির অংশকে পাবলিক দলিল বলা হয়; আদালতে দাখিল করা আরজি মামলার নথির অংশ, তাই এটি পাবলিক দলিল। উইল বা চিঠি ব্যক্তিগত দলিল।
  21. ২১. ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবি উঠলে তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?
    • ক. অভিযোগকারীর
    • খ. রাষ্ট্রের
    • গ. উক্ত দাবি উত্থাপনকারীর
    • ঘ. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির
    উত্তর: গ. উক্ত দাবি উত্থাপনকারীর
    সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী আসামি যদি আত্মরক্ষার মতো কোনো ব্যতিক্রমের সুবিধা চায়, তা প্রমাণের ভার তার নিজের ওপর।
  22. ২২. মালিকের অনুমতি নিয়ে ‘ক’ একটি বাড়িতে অবস্থানকালে বাড়ির মালিকানা দাবি করে। এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কী বলে?
    • ক. স্বীকৃতি (Admission)
    • খ. স্ব-কার্যজনিত বাধা (Estoppel)
    • গ. দাবি ত্যাগ (Waiver)
    • ঘ. মৌন সম্মতি
    উত্তর: খ. স্ব-কার্যজনিত বাধা (Estoppel)
    সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায় মালিকের অনুমতিতে থাকা ভাড়াটিয়া বা লাইসেন্সি মালিকের স্বত্ব অস্বীকার করতে পারে না; এই বাধাকে এস্টপেল বলে।
  23. ২৩. এক পক্ষের দাবিকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
    • ক. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
    • খ. ঐতিহাসিক সত্য
    • গ. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
    • ঘ. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
    উত্তর: ক. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
    সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী যে ঘটনা পক্ষগণ স্বীকার করে নিয়েছে, তা আর প্রমাণ করতে হয় না।
  24. ২৪. আদালতে মামলার একটি পক্ষ নিজের সাক্ষীকে কোন বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading question) করতে পারে?
    • ক. যে কোনো বিষয়ে
    • খ. স্বীকৃত বিষয়ে
    • গ. তর্কিত বিষয়ে
    • ঘ. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
    উত্তর: খ. স্বীকৃত বিষয়ে
    সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারায় জবানবন্দিতে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন নিষিদ্ধ, তবে ভূমিকামূলক, অবিতর্কিত বা ইতোমধ্যে স্বীকৃত বিষয়ে আদালত তা করতে দেয়।
  25. ২৫. কোনো পক্ষ নিজ সাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর কোন কারণে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে?
    • ক. পূর্বের বক্তব্যে ভুল শোধরানো
    • খ. পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
    • গ. কোনো কিছু মিথ্যা প্রমাণ
    • ঘ. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
    উত্তর: খ. পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
    সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী পুনঃজবানবন্দি করা হয় জেরায় উঠে আসা বিষয়গুলো ব্যাখ্যা বা স্পষ্ট করার জন্য।
  26. ২৬. কোনো সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
    • ক. তার ব্যক্তিত্বের ধরন পরীক্ষা
    • খ. ভিন্ন দাবি প্রতিষ্ঠা করা
    • গ. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
    • ঘ. তার মর্যাদা পরীক্ষা
    উত্তর: গ. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
    জেরার মাধ্যমে সাক্ষীর বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করে বিরোধপূর্ণ বিষয়ে আসল সত্য বের করা হয় (সাক্ষ্য আইন, ধারা ১৪৬)।
  27. ২৭. দোবারা দোষ (Res judicata) বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে?
    • ক. ৯ ধারা
    • খ. ১০ ধারা
    • গ. ১১ ধারা
    • ঘ. ১৫১ ধারা
    উত্তর: গ. ১১ ধারা
    একই পক্ষের মধ্যে একই বিষয়ে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় আবার বিচার করা যায় না; এই নীতি দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায়। ১০ ধারা হলো বিচারাধীন বিষয় (Res sub judice)।
  28. ২৮. এক জেলার আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলা অন্য জেলার আদালতে স্থানান্তর করতে পারে কোন কর্তৃপক্ষ?
    • ক. সংশ্লিষ্ট জেলা জজ
    • খ. সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত
    • গ. সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার
    • ঘ. হাইকোর্ট বিভাগ
    উত্তর: ঘ. হাইকোর্ট বিভাগ
    জেলা জজ শুধু নিজ জেলার ভেতরে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন (ধারা ২৪); এক জেলা থেকে অন্য জেলায় স্থানান্তরের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা ২৫)।
  29. ২৯. রিভিশন মামলায় একটি ডিক্রি হাইকোর্ট বিভাগে বহাল হলে তা জারির জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?
    • ক. হাইকোর্ট বিভাগ
    • খ. আপিল আদালত
    • গ. জেলা আদালত
    • ঘ. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
    উত্তর: ঘ. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
    দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারি করে সেই আদালত যে ডিক্রি দিয়েছে, বা যে আদালতে তা জারির জন্য পাঠানো হয়েছে।
  30. ৩০. নিম্নোক্ত কোন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না?
    • ক. একতরফা ডিক্রি
    • খ. দোতরফা ডিক্রি
    • গ. পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি
    • ঘ. আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত
    উত্তর: গ. পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি
    দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬(৩) ধারায় বলা আছে, পক্ষগণের সম্মতিতে দেওয়া ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে না।
  31. ৩১. দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে?
    • ক. ৯৬ ধারা
    • খ. আদেশ ৪৩ বিধি ১
    • গ. ১০৬ ধারা
    • ঘ. আদেশ ৪১ বিধি ১
    উত্তর: খ. আদেশ ৪৩ বিধি ১
    আদেশ ৪৩ বিধি ১-এ আপিলযোগ্য আদেশগুলোর তালিকা দেওয়া আছে; ৯৬ ধারা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল নিয়ে।
  32. ৩২. একটি দেওয়ানি মামলায় অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?
    • ক. জেলা জজ
    • খ. আপিল বিভাগ
    • গ. হাইকোর্ট বিভাগ
    • ঘ. স্পেশাল জজ
    উত্তর: গ. হাইকোর্ট বিভাগ
    দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারায় জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের।
  33. ৩৩. একটি দেওয়ানি আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায় কোন আদালতে?
    • ক. একই আদালত
    • খ. সমপর্যায়ের অন্য আদালত
    • গ. হাইকোর্ট বিভাগ
    • ঘ. আপিল আদালত
    উত্তর: ক. একই আদালত
    রিভিউ মানে একই আদালত নিজের রায় পুনর্বিবেচনা করে; তাই আবেদন করতে হয় রায় প্রদানকারী আদালতেই (ধারা ১১৪, আদেশ ৪৭)।
  34. ৩৪. দেওয়ানি আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে রিভিশন মামলা দায়েরের প্রধান কারণ কী?
    • ক. আইনগত ভুল
    • খ. সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল
    • গ. ঘটনাগত ভুল
    • ঘ. আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা
    উত্তর: ঘ. আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা
    ১১৫ ধারা অনুযায়ী আইনের ভুলের কারণে ন্যায়বিচারে বিঘ্ন ঘটলে তবেই রিভিশন চলে; শুধু ঘটনাগত ভুল রিভিশনের ভিত্তি নয়।
  35. ৩৫. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটি-
    • ক. আদেশ
    • খ. প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
    • গ. ডিক্রি
    • ঘ. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
    উত্তর: গ. ডিক্রি
    দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞায় আরজি নাকচকে ডিক্রি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, তাই এর বিরুদ্ধে আপিল চলে।
  36. ৩৬. দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়-
    • ক. বিশেষ ক্ষমতা
    • খ. সাধারণ ক্ষমতা
    • গ. সহজাত ক্ষমতা
    • ঘ. আপিল ক্ষমতা
    উত্তর: গ. সহজাত ক্ষমতা
    ১৫১ ধারা ন্যায়বিচারের স্বার্থে বা আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার ঠেকাতে আদালতের অন্তর্নিহিত বা সহজাত (Inherent) ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।
  37. ৩৭. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ‘প্লিডিংস’ অর্থ কী?
    • ক. এফিডেভিট
    • খ. আরজি বা জবাব
    • গ. অভিযোগ
    • ঘ. যুক্তিতর্ক
    উত্তর: খ. আরজি বা জবাব
    আদেশ ৬ বিধি ১ অনুযায়ী প্লিডিংস মানে আরজি অথবা লিখিত জবাব।
  38. ৩৮. অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার আরজিতে কার দস্তখত প্রয়োজন হবে?
    • ক. অ্যাডভোকেট
    • খ. বাদীর প্রতিনিধি
    • গ. বাদী
    • ঘ. অ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
    উত্তর: ঘ. অ্যাডভোকেট ও বাদী/তার প্রতিনিধি
    আদেশ ৬ বিধি ১৪ অনুযায়ী প্লিডিংসে পক্ষ (বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি) এবং তার আইনজীবী দুজনেই সই করবেন।
  39. ৩৯. অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার জবাবের সত্যপাঠ (Verification) অংশে কার দস্তখত থাকবে?
    • ক. অ্যাডভোকেট
    • খ. অ্যাডভোকেটের মোহরার
    • গ. যে কোনো ব্যক্তি
    • ঘ. জবাব বিষয়ে ওয়াকিফহাল ব্যক্তি
    উত্তর: ঘ. জবাব বিষয়ে ওয়াকিফহাল ব্যক্তি
    আদেশ ৬ বিধি ১৫ অনুযায়ী সত্যপাঠে সই করবেন পক্ষ নিজে বা মামলার ঘটনা সম্পর্কে জানেন এমন ব্যক্তি; আইনজীবী এখানে সই করেন না।
  40. ৪০. আরজি সংশোধন করা যাবে-
    • ক. ইস্যু গঠনের আগে
    • খ. চূড়ান্ত শুনানির আগে
    • গ. যে কোনো পর্যায়ে
    • ঘ. যুক্তিতর্কের পূর্বে
    উত্তর: গ. যে কোনো পর্যায়ে
    আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুযায়ী আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে প্রকৃত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে।
  41. ৪১. নিম্নবর্ণিত কোন বিষয়টি নির্ধারণের জন্য আরজিতে দেওয়ানি মামলার মূল্যায়ন দেখানো হয়?
    • ক. আদালতের এখতিয়ার
    • খ. প্রসেস ফি
    • গ. সম্পদের সীমা
    • ঘ. প্রদেয় আয়কর
    উত্তর: ক. আদালতের এখতিয়ার
    মামলার মূল্যমান দেখে বোঝা যায় কোন আদালতের আর্থিক এখতিয়ারে মামলাটি পড়ে (আদেশ ৭ বিধি ১(i)); কোর্ট ফি নির্ধারণেও এটি লাগে।
  42. ৪২. আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কী হবে?
    • ক. আরজি ফেরত
    • খ. আরজি নাকচ
    • গ. মামলার খারিজ
    • ঘ. মামলা চলবে
    উত্তর: খ. আরজি নাকচ
    আদেশ ৭ বিধি ১১(ক) অনুযায়ী আরজিতে মামলার কারণ প্রকাশ না পেলে আদালত আরজি নাকচ (Reject) করবে।
  43. ৪৩. বিরোধীয় জমি দুটি জেলায় অবস্থিত হলে তৎসম্পর্কে কোন জেলার আদালতে মামলা করতে হবে?
    • ক. যে জেলায় বাদী বাস করে
    • খ. যে জেলায় বিবাদী বাস করে
    • গ. তৃতীয় জেলায়
    • ঘ. দুটি জেলার যে কোনোটিতে
    উত্তর: ঘ. দুটি জেলার যে কোনোটিতে
    দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি একাধিক আদালতের এলাকায় থাকলে যে কোনো একটির আদালতে মামলা করা যায়।
  44. ৪৪. দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত দাবি সমর্থনকারী দলিলাদি বাদীর দখলে না থাকলে সেগুলির বিষয়ে তার করণীয় কী?
    • ক. দলিলের নকল দাখিল
    • খ. দলিলের তালিকা দাখিল
    • গ. দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
    • ঘ. কিছু করণীয় নাই
    উত্তর: গ. দলিলের তালিকাসহ দখলকারের নাম দাখিল
    আদেশ ৭ বিধি ১৪(২) অনুযায়ী দলিল বাদীর কাছে না থাকলে তা কার দখলে আছে তা জানিয়ে তালিকা দাখিল করতে হয়।
  45. ৪৫. দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত বক্তব্য বিবাদীর জবাবে নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করা হলে তার ফল হবে-
    • ক. উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
    • খ. তদবিষয়ে পাল্টা সাক্ষ্য দেয়া যাবে
    • গ. তা অস্বীকৃত বলে গণ্য
    • ঘ. তা প্রমাণিত বলে গণ্য
    উত্তর: ক. উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য
    আদেশ ৮ বিধি ৫ অনুযায়ী আরজির কোনো বক্তব্য জবাবে নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে তা স্বীকৃত বলে ধরা হয়।
  46. ৪৬. কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়?
    • ক. জমি
    • খ. কোম্পানির শেয়ার
    • গ. ব্যাংকের টাকা
    • ঘ. জমির ফসল
    উত্তর: ঘ. জমির ফসল
    আদেশ ৩৮ বিধি ১২ অনুযায়ী কৃষকের দখলে থাকা কৃষিজ উৎপাদন (ফসল) রায়ের আগে ক্রোক করা যায় না।
  47. ৪৭. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গের ফল কী হতে পারে?
    • ক. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
    • খ. জরিমানা
    • গ. দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
    • ঘ. কোনটিই না
    উত্তর: গ. দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা
    আদেশ ৩৯ বিধি ২(৩) অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করলে সম্পত্তি ক্রোক এবং সর্বোচ্চ ৬ মাস দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যায়।
  48. ৪৮. ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কী?
    • ক. মামলা খারিজ
    • খ. আরজি ফেরত
    • গ. আরজি নাকচ
    • ঘ. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
    উত্তর: খ. আরজি ফেরত
    আদেশ ৭ বিধি ১০ অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল হলে আদালত তা সঠিক আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়।
  49. ৪৯. সহকারী জজ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
    • ক. আপিল
    • খ. রিভিশন
    • গ. রিট মামলা
    • ঘ. কোনটিই নয়
    উত্তর: ক. আপিল
    অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ আদেশ ৪৩ বিধি ১(র)-এর অধীনে আপিলযোগ্য।
  50. ৫০. দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি মামলা বিষয়ে দেওয়ানি আদালতগুলিকে সাধারণ এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
    • ক. ২ ধারা
    • খ. ৯ ধারা
    • গ. ১১ ধারা
    • ঘ. ১৫১ ধারা
    উত্তর: খ. ৯ ধারা
    দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুযায়ী স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ না হলে দেওয়ানি প্রকৃতির সব মামলার বিচার দেওয়ানি আদালত করবে।
  51. ৫১. সাক্ষ্য আইন অনুসারে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তু আদালত সঠিক গণ্য করবে, যদি দলিলটি-
    • ক. রেজিস্ট্রিকৃত হয়
    • খ. সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
    • গ. গণস্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয়
    • ঘ. স্ট্যাম্পযুক্ত হয়
    উত্তর: খ. সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে
    সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরোনো দলিল যথাযথ হেফাজত (Proper custody) থেকে এলে আদালত তার সম্পাদন সঠিক বলে অনুমান করতে পারে।
  52. ৫২. কোন সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়?
    • ক. দেখার ভিত্তিতে প্রদত্ত সাক্ষ্য
    • খ. অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
    • গ. অবস্থাগত সাক্ষ্য
    • ঘ. গৌণ সাক্ষ্য
    উত্তর: খ. অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য
    সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে; অন্যের কাছে শোনা কথা (Hearsay) সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
  53. ৫৩. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?
    • ক. ১৮৭১
    • খ. ১৮৭৭
    • গ. ১৮৭০
    • ঘ. ১৮৮৭
    উত্তর: খ. ১৮৭৭
    সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নম্বর আইন।
  54. ৫৪. দণ্ডবিধি (Penal Code) প্রণীত হয় কত সালে?
    • ক. ১৮৯৮
    • খ. ১৮৬০
    • গ. ১৮৭০
    • ঘ. ১৮৮০
    উত্তর: খ. ১৮৬০
    দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নম্বর আইন; ১৮৯৮ সালে প্রণীত হয় ফৌজদারি কার্যবিধি।
  55. ৫৫. দণ্ডবিধি কোন ধরনের আইন?
    • ক. Substantive Law
    • খ. সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারী আইন
    • গ. সংস্কারমূলক আইন
    • ঘ. পদ্ধতি বিষয়ক আইন
    উত্তর: ক. Substantive Law
    দণ্ডবিধি অপরাধের সংজ্ঞা ও শাস্তি নির্ধারণ করে অধিকার-দায় তৈরি করে, তাই এটি মৌলিক বা তত্ত্বগত আইন (Substantive Law); পদ্ধতিগত আইন হলো ফৌজদারি কার্যবিধি।
  56. ৫৬. দণ্ডবিধির কোন ধারায় অভিন্ন ইচ্ছা (Common intention) জনিত দায় সম্পর্কে বিধান আছে?
    • ক. ১০৯
    • খ. ১৪১
    • গ. ১৪৯
    • ঘ. ৩৪
    উত্তর: ঘ. ৩৪
    দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুযায়ী কয়েকজন মিলে অভিন্ন উদ্দেশ্যে অপরাধ করলে প্রত্যেকে এমনভাবে দায়ী, যেন সে একাই কাজটি করেছে। ১৪৯ ধারা হলো সাধারণ উদ্দেশ্য (Common object)।
  57. ৫৭. দণ্ডবিধি অনুসারে কত বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না?
    • ক. ৭ বছর
    • খ. ৮ বছর
    • গ. ৯ বছর
    • ঘ. ১২ বছর
    উত্তর: গ. ৯ বছর
    দণ্ডবিধির ৮২ ধারা (২০০৪ সালের সংশোধনী) অনুযায়ী ৯ বছরের কম বয়সী শিশুর কোনো কাজ অপরাধ নয়।
  58. ৫৮. নিম্নবর্ণিত অভিব্যক্তিগুলির মধ্যে কোনটি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত আছে এবং তা mens rea কে নির্দেশ করে?
    • ক. Guilty mind
    • খ. Criminal mind
    • গ. Good faith
    • ঘ. Dishonestly
    উত্তর: ঘ. Dishonestly
    ‘Guilty mind’ হলো mens rea-র আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু শব্দটি দণ্ডবিধিতে নেই। দণ্ডবিধির ২৪ ধারায় সংজ্ঞায়িত ‘Dishonestly’ (অসাধুভাবে) শব্দটি আইনে উল্লিখিত এবং অপরাধমূলক মনোভাব বা mens rea নির্দেশ করে, তাই এটিই সঠিক।
  59. ৫৯. দণ্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় কোন ক্ষেত্রে?
    • ক. মানহানি
    • খ. রাতের বেলায় ঘর ভেঙে অনুপ্রবেশ
    • গ. আঘাত
    • ঘ. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
    উত্তর: খ. রাতের বেলায় ঘর ভেঙে অনুপ্রবেশ
    দণ্ডবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী সম্পত্তি রক্ষার অধিকারে রাতে ঘর ভেঙে অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত যাওয়া যায়।
  60. ৬০. দণ্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
    • ক. ৩ জন
    • খ. ৪ জন
    • গ. ৫ জন
    • ঘ. ৬ জন
    উত্তর: গ. ৫ জন
    দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ সাধারণ বেআইনি উদ্দেশ্য থাকলে বেআইনি সমাবেশ হয়।
  61. ৬১. কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির অংশগ্রহণে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি সংঘটিত হয়?
    • ক. ৩ জন
    • খ. ৪ জন
    • গ. ৫ জন
    • ঘ. ৭ জন
    উত্তর: গ. ৫ জন
    দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে দস্যুতা করলে তা ডাকাতি।
  62. ৬২. ‘ক’ এর প্ররোচনায় সরকারি কর্মচারী ‘খ’ তার জিম্মায় থাকা সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ‘ক’ এর কী শাস্তি হতে পারে?
    • ক. কোনো শাস্তি হবে না
    • খ. ‘খ’ এর সমান শাস্তি
    • গ. ‘খ’ এর অর্ধেক শাস্তি
    • ঘ. ‘খ’ এর দ্বিগুণ শাস্তি
    উত্তর: খ. ‘খ’ এর সমান শাস্তি
    দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হলে প্ররোচনাকারী মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তিই পাবে।
  63. ৬৩. দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি গুরুতর আঘাত?
    • ক. পায়ে রক্তাক্ত জখম
    • খ. হাতে জখম
    • গ. পিঠে স্থায়ী ক্ষত
    • ঘ. দাঁত ভেঙে ফেলা
    উত্তর: ঘ. দাঁত ভেঙে ফেলা
    দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় হাড় বা দাঁত ভাঙা বা স্থানচ্যুতি গুরুতর আঘাতের একটি ধরন; পিঠের ক্ষত মুখ বা মাথায় না হওয়ায় স্থায়ী বিকৃতির তালিকায় পড়ে না।
  64. ৬৪. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোনো ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
    • ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    • খ. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
    • গ. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
    • ঘ. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
    উত্তর: ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    ২০০৭ সালের সংশোধনীর পর ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭-১১০ ধারার মুচলেকা নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের, যার প্রধান জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
  65. ৬৫. কোন ক্ষেত্রে চুরির অপরাধ সম্ভব নয়?
    • ক. নগদ টাকা
    • খ. আসবাবপত্র
    • গ. জমি
    • ঘ. অলংকার
    উত্তর: গ. জমি
    দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরি হয় শুধু অস্থাবর সম্পত্তির; জমি স্থাবর সম্পত্তি, তাই জমি চুরি করা যায় না।
  66. ৬৬. প্রতারণা (Cheating) এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
    • ক. ৪২০ ধারা
    • খ. ৪১৬ ধারা
    • গ. ৪১৫ ধারা
    • ঘ. ৪০৬ ধারা
    উত্তর: গ. ৪১৫ ধারা
    দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার সংজ্ঞা আছে; ৪১৭ ও ৪২০ ধারায় তার শাস্তি।
  67. ৬৭. দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে না?
    • ক. ৩০২ ধারা
    • খ. ৩০৩ ধারা
    • গ. ৩০৪ ধারা
    • ঘ. ৩৯৬ ধারা
    উত্তর: গ. ৩০৪ ধারা
    ৩০৪ ধারা খুন নয় এমন অপরাধজনক নরহত্যার শাস্তি, যার সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; ৩০২, ৩০৩ ও ৩৯৬ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায়।
  68. ৬৮. ‘ক’ থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই ‘খ’ একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে। দণ্ডবিধি অনুসারে এটা কোন অপরাধ?
    • ক. জালিয়াতি
    • খ. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
    • গ. প্রতারণা
    • ঘ. কোনটিই নয়
    উত্তর: ক. জালিয়াতি
    প্রতারণা বা ক্ষতির উদ্দেশ্যে অন্যের সই নকল করে মিথ্যা দলিল তৈরি করা দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি।
  69. ৬৯. দণ্ডবিধি অনুসারে Kidnapping কত প্রকার?
    • ক. ২ প্রকার
    • খ. ৩ প্রকার
    • গ. ৪ প্রকার
    • ঘ. ৫ প্রকার
    উত্তর: ক. ২ প্রকার
    দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুযায়ী কিডন্যাপিং দুই প্রকার: বাংলাদেশ থেকে অপহরণ এবং আইনসঙ্গত অভিভাবকত্ব থেকে অপহরণ।
  70. ৭০. ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান কোন সনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
    • ক. ১৮৯৮ সনে
    • খ. ১৯৯৯ সনে
    • গ. ২০০৭ সনে
    • ঘ. ২০০৮ সনে
    উত্তর: গ. ২০০৭ সনে
    বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের জন্য ২০০৭ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশের মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিধান যুক্ত হয়।
  71. ৭১. ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণকে প্রধানত কত প্রকারে ভাগ করা হয়েছে?
    • ক. ৪ প্রকার
    • খ. ২ প্রকার
    • গ. ৩ প্রকার
    • ঘ. ৬ প্রকার
    উত্তর: খ. ২ প্রকার
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট প্রধানত দুই প্রকার: জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী (এক্সিকিউটিভ) ম্যাজিস্ট্রেট।
  72. ৭২. একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
    • ক. ৫০০০ টাকা
    • খ. ৩০০০ টাকা
    • গ. ১০,০০০ টাকা
    • ঘ. ২০০০ টাকা
    উত্তর: গ. ১০,০০০ টাকা
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন (প্রশ্নের সময়ের বিধান; পরে সংশোধনে অঙ্ক বেড়েছে)।
  73. ৭৩. যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
    • ক. দায়রা জজ
    • খ. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
    • গ. হাইকোর্ট বিভাগ
    • ঘ. স্পেশাল জজ
    উত্তর: গ. হাইকোর্ট বিভাগ
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার শর্ত অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিলে আপিল যায় হাইকোর্ট বিভাগে; ৫ বছর পর্যন্ত হলে দায়রা জজের কাছে।
  74. ৭৪. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে কোন আদালতে?
    • ক. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
    • খ. দায়রা জজ
    • গ. অতিরিক্ত দায়রা জজ
    • ঘ. হাইকোর্ট বিভাগ
    উত্তর: খ. দায়রা জজ
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়রা জজের আদালতে করতে হয়।
  75. ৭৫. কোনটি পদ্ধতি বিষয়ক আইন নয়?
    • ক. দেওয়ানি কার্যবিধি
    • খ. সাক্ষ্য আইন
    • গ. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
    • ঘ. তামাদি আইন
    উত্তর: গ. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
    দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন ও তামাদি আইন বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনার পদ্ধতিগত আইন; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন মূলত অধিকার ও প্রতিকার নির্ধারণকারী মৌলিক আইন হিসেবে ধরা হয়।
  76. ৭৬. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারার মামলা নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ারভুক্ত?
    • ক. মুখ্য মহানগর হাকিম
    • খ. দায়রা জজ
    • গ. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
    • ঘ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    উত্তর: ঘ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    শান্তি রক্ষার মুচলেকা সংক্রান্ত ১০৭ ধারার কার্যক্রম ২০০৭ সালের সংশোধনীর পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারে, অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আওতায়।
  77. ৭৭. আপিল বিভাগে মাসদার হোসেন মামলার রায় ঘোষিত হয় কোন সনে?
    • ক. ১৯৯৯
    • খ. ২০০০
    • গ. ২০০১
    • ঘ. ২০০৭
    উত্তর: ক. ১৯৯৯
    ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ মাসদার হোসেন মামলায় বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার ১২ দফা নির্দেশনা দেয়।
  78. ৭৮. নিম্নোক্ত কোন পরিস্থিতি থেকে শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে?
    • ক. গণ উৎপাত
    • খ. শ্রমিক অসন্তোষ
    • গ. জমির দখলজনিত বিরোধ
    • ঘ. পরীক্ষা কেন্দ্রে অসদুপায়
    উত্তর: গ. জমির দখলজনিত বিরোধ
    ১৪৫ ধারা প্রযোজ্য হয় জমি বা পানির দখল নিয়ে বিরোধে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে; গণউপদ্রবের জন্য আছে ১৩৩ ধারা।
  79. ৭৯. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকে?
    • ক. ৬ মাস
    • খ. ১ বৎসর
    • গ. ২ মাস
    • ঘ. ৩০ দিন
    উত্তর: গ. ২ মাস
    ১৪৪(৬) ধারা অনুযায়ী এই আদেশ জারির তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ২ মাস বলবৎ থাকে।
  80. ৮০. ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানবলে পুলিশ গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
    • ক. ১৫৪ ধারা
    • খ. ৫৪ ধারা
    • গ. ১৬০ ধারা
    • ঘ. ১৬৭ ধারা
    উত্তর: খ. ৫৪ ধারা
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।
  81. ৮১. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দের আগে কত ঘণ্টা পর্যন্ত পুলিশের হেফাজতে রাখা যায়?
    • ক. ৪৮ ঘণ্টা
    • খ. ৭২ ঘণ্টা
    • গ. ২৪ ঘণ্টা
    • ঘ. ৩০ ঘণ্টা
    উত্তর: গ. ২৪ ঘণ্টা
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা ও সংবিধানের ৩৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যাত্রার সময় বাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃতকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হয়।
  82. ৮২. FIR এর পূর্ণাঙ্গ শব্দরূপ কোনটি?
    • ক. Final Investigation Report
    • খ. Final Inquest Report
    • গ. First Inspection Report
    • ঘ. First Information Report
    উত্তর: ঘ. First Information Report
    FIR মানে First Information Report বা এজাহার; আমলযোগ্য অপরাধের প্রথম খবর থানায় ১৫৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করা হয়।
  83. ৮৩. পুলিশি তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
    • ক. রিলিজ রিপোর্ট
    • খ. চার্জশিট
    • গ. ফাইনাল রিপোর্ট
    • ঘ. ডিসচার্জ রিপোর্ট
    উত্তর: গ. ফাইনাল রিপোর্ট
    অভিযোগের সত্যতা না পেলে পুলিশ ১৭৩ ধারায় যে প্রতিবেদন দেয় তাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা ফাইনাল রিপোর্ট বলে; সত্যতা পেলে দেয় চার্জশিট।
  84. ৮৪. নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় রেকর্ড করেন?
    • ক. ১৯০ ধারা
    • খ. ২০০ ধারা
    • গ. ২০১ ধারা
    • ঘ. ২০২ ধারা
    উত্তর: খ. ২০০ ধারা
    ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশ পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট শপথ নিয়ে অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করে তার জবানবন্দি লেখেন।
  85. ৮৫. নালিশি মামলায় সমন ইস্যুর পর অভিযোগকারী নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না থাকলে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
    • ক. ওয়ারেন্ট জারি
    • খ. মামলা খারিজ
    • গ. আসামি খালাস
    • ঘ. আসামি ডিসচার্জ
    উত্তর: গ. আসামি খালাস
    ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারা অনুযায়ী সমন মামলায় নির্ধারিত দিনে অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে খালাস দিতে পারেন।
  86. ৮৬. ফৌজদারি মামলায় আসামি কোন পর্যায়ে ডিসচার্জের আবেদন করতে পারে?
    • ক. অপরাধ আমলে নেয়ার তারিখে
    • খ. চার্জ গঠনের সময়
    • গ. চার্জ গঠনের পরে
    • ঘ. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
    উত্তর: খ. চার্জ গঠনের সময়
    চার্জ গঠনের শুনানির সময় অভিযোগ ভিত্তিহীন মনে হলে আদালত আসামিকে অব্যাহতি দেয় (ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ২৪১ক ও ২৬৫গ)।
  87. ৮৭. ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব কার?
    • ক. বাদীর
    • খ. সরকারি উকিলের
    • গ. কোর্টের
    • ঘ. পুলিশের
    উত্তর: গ. কোর্টের
    অভিযোগপত্র ও কাগজপত্র দেখে চার্জ বা অভিযোগ গঠন করে আদালত নিজেই; পুলিশ দেয় অভিযোগপত্র, চার্জ নয়।
  88. ৮৮. ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে অপরাধ সংক্রান্ত কোন তথ্যটি উল্লেখের প্রয়োজন নাই?
    • ক. সময়
    • খ. স্থান
    • গ. আইন
    • ঘ. শাস্তি
    উত্তর: ঘ. শাস্তি
    ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১-২২২ ধারা অনুযায়ী চার্জে অপরাধের নাম, আইন ও ধারা এবং সময় ও স্থান উল্লেখ করতে হয়; শাস্তির উল্লেখ বাধ্যতামূলক নয়।
  89. ৮৯. জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামির জামিন প্রাপ্তির সুযোগটি-
    • ক. মৌলিক অধিকার
    • খ. সাংবিধানিক অধিকার
    • গ. নাগরিক অধিকার
    • ঘ. আইনগত অধিকার
    উত্তর: ঘ. আইনগত অধিকার
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারা অনুযায়ী জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া আসামির আইনগত অধিকার; আদালত তা দিতে বাধ্য।
  90. ৯০. অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারাবলে আসামির কোন অবস্থাটি বিবেচনায় আদালত জামিন দিতে পারে?
    • ক. আর্থিক অভাব
    • খ. শিক্ষাগত যোগ্যতা
    • গ. নিকটাত্মীয়ের অসুস্থতা
    • ঘ. শারীরিক অক্ষমতা
    উত্তর: ঘ. শারীরিক অক্ষমতা
    ৪৯৭ ধারার শর্ত অনুযায়ী আসামি শিশু, নারী, অসুস্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম হলে গুরুতর অপরাধেও আদালত জামিন দিতে পারে।
  91. ৯১. দায়রা জজ নিম্নোক্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
    • ক. ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশ
    • খ. ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
    • গ. অতিরিক্ত দায়রা জজের আদেশ
    • ঘ. অপর্যাপ্ত দণ্ডের আদেশ
    উত্তর: খ. ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫-৪৩৬ ধারায় দায়রা জজ অধস্তন ম্যাজিস্ট্রেটের ডিসচার্জ আদেশ পরীক্ষা করে পুনরায় তদন্ত বা বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন; দণ্ডাদেশের প্রতিকার সাধারণত আপিল।
  92. ৯২. বাংলাদেশের বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠাকারী আইন একটি-
    • ক. President's Order
    • খ. Ordinance
    • গ. Act
    • ঘ. Rules
    উত্তর: ক. President's Order
    বার কাউন্সিল গঠিত হয় The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 (P.O. No. 46 of 1972) দ্বারা, যা একটি রাষ্ট্রপতির আদেশ।
  93. ৯৩. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠনের জন্য গ্রুপভিত্তিতে নির্বাচনযোগ্য সদস্য সংখ্যা কত?
    • ক. ৭
    • খ. ৮
    • গ. ৯
    • ঘ. ১৫
    উত্তর: ক. ৭
    নির্বাচিত ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৭ জন সাধারণ আসন থেকে এবং ৭ জন আঞ্চলিক গ্রুপ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
  94. ৯৪. একটি জেলায় এক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে অন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন-
    • ক. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
    • খ. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
    • গ. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
    • ঘ. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    উত্তর: ক. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৮ ধারা অনুযায়ী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অধীন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার ও স্থানান্তর করতে পারেন।
  95. ৯৫. অ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary-তে অন্যূন কয়টি দেওয়ানি মামলার নোট থাকতে হবে-
    • ক. ১০টি
    • খ. ৫টি
    • গ. ৬টি
    • ঘ. ১২টি
    উত্তর: খ. ৫টি
    বার কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী শিক্ষানবিশকালে প্রার্থীকে অন্তত ৫টি দেওয়ানি ও ৫টি ফৌজদারি মামলার নোট ডায়েরিতে রাখতে হয়।
  96. ৯৬. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোনো ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
    • ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    • খ. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
    • গ. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
    • ঘ. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
    উত্তর: ক. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯-১১০ ধারায় সদাচরণের মুচলেকা নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের; জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
  97. ৯৭. দায়রা আদালতে কয়টি স্তরের বিচারক থাকতে পারে?
    • ক. ২টি
    • খ. ৩টি
    • গ. ৪টি
    • ঘ. ৫টি
    উত্তর: খ. ৩টি
    দায়রা আদালতে তিন স্তরের বিচারক থাকেন: দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ (ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৯)।
  98. ৯৮. দায়রা জজ প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করার পূর্বে অনুমোদন প্রয়োজন হয়-
    • ক. রাষ্ট্রপতির
    • খ. হাইকোর্ট বিভাগের
    • গ. আপিল বিভাগ
    • ঘ. প্রধানমন্ত্রীর
    উত্তর: খ. হাইকোর্ট বিভাগের
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্ট বিভাগ অনুমোদন (Death reference) না করা পর্যন্ত কার্যকর করা যায় না।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি (MCQ) পরীক্ষা: সব বছর

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি (MCQ) পরীক্ষা: ৬ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

আরও বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন